বিনোদন খবর

সুস্থভাবে বাচতে হলে আপনার বেশি করে চুমু খাওয়া উচিত

স্বাস্থ্য ডেস্ক: kiss realচুমু খাওয়া শুধু আপনার আকর্ষণবোধ কিংবা আগ্রহই প্রকাশ করে না, বেশি করে চুমু খাওয়ার মাধ্যমে আপনি ও আপনার সঙ্গী থাকতে পারেন সুস্থ ও সবল। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় প্রকাশিত হয়েছে শুধু মানসিক বিষয়ই নয়, ব্যাপক মাত্রায় শারীরিক বিষয়ের সঙ্গে জড়িত চুমু।

ফিটনেস এক্সপার্ট প্রাচী আগারওয়াল বলেন, ‘শারীরিক অনুশীলন করার মতোই চুমু শরীরে হ্যাপি হরমোন নিঃস্বরণ করে। যা আপনাকে অতিরিক্ত খাওয়া থেকে নিরুৎসাহিত করে এবং আপনার শারীরিক মাপ ঠিক রাখে। এ ছাড়াও চুমু আপনার হৃৎপিণ্ডের জন্য ভালো এবং এটা আপনার দাঁতের ক্ষয়রোধ করে।

১. মানসিক চাপ কমায়
চুমু খাওয়ার ফলে তা আপনার মন থেকে ডজনখানেক সমস্যার চিন্তা দূর করে দেয়। বৈজ্ঞানিকভাবে বলতে গেলে চুমু খাওয়ার ফলে শরীরের অক্সিটসিনের মাত্রা বেড়ে যায়। এটি শরীরের শান্ত করার রাসায়নিক। এ ছাড়াও চুমুর ফলে আপনি গভীরভাবে শ্বাস নিতে পারবেন, যা শরীরকে রিলাক্স হতে সহায়তা করবে।

২. তারুণ্য ধরে রাখবে
চুমুর ফলে মুখের প্রায় ৩০টি পেশির উদ্দীপনা হয়। এ ছাড়াও এর উপকারিতার মধ্যে রয়েছে আপনার কপালের ত্বক থেকে শুরু করে চোয়ালের মসৃনতা তৈরি পর্যন্ত। আপনার তারুণ্য অনুভব করতে এটি যেমন সাহায্য করবে তেমনি আপনাকে তা তরুণ দেখাতেও সাহায্য করবে। মুখের রক্তচলাচল বেড়ে যাওয়ায় এর মাধ্যমে আপনার মুখের দ্যুতি বেড়ে যাবে।

৩. ক্যালোরি ক্ষয়
আপনি যদি মনে করেন, শুধু জিম করা বা দৌড়ানোর মাধ্যমে দ্রুত শরীরের কিছু ক্যালোরি ক্ষয় করা যাবে, তাহলে আপনি ভুল করছেন। কারণ বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, চুমু খাওয়া হলে প্রতি মিনিটে মাত্রাভেদে এক থেকে দুই ক্যালোরি ক্ষয় হয়। এ কারণে আপনি যদি দৈনন্দিন ফিটনেসের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রাখেন ‘চুমু’কে তাহলে তা খুবই কার্যকর হবে।

৪. দাঁতের ক্ষয়রোধ
অনেকেরই চুমু খাওয়ার আগে মুখ ও দাঁতের যত্ন নেওয়ার অভ্যাস আছে। কিন্তু আপনি কি জানেন চুমুও দাঁত ও মুখের সুস্বাস্থ্যের জন্য ভালো। চুমু স্যালভিয়া নিঃস্বরণ বাড়ায়। এটি অ্যাসিডের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়, খাবারের কনাগুলো সরিয়ে দেয় এবং দাঁতের ক্ষয়রোধ করে।

৫. আপনার হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখে
চুমু খাওয়ার সময় কখনো আপনার নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যেতে পারে আর বেড়ে যেতে পারে হৃৎস্পন্দন। এতে হৃৎপিণ্ডের ব্যায়াম হবে। এ ছাড়াও এর মাধ্যমে আরো কয়েকটি উপকার হয়। যেমন এটি আপনার হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন নিয়মিত হতে সাহায্য করে, রক্তচাপ ও রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এ কারণে চুমুর মাধ্যমে সুস্থ ও স্বাভাবিক হৃৎপিণ্ড বজায় রাখা সম্ভব।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শঙ্কামুক্ত নায়করাজ রাজ্জাক

ঢাকা: শ্বাসকষ্ট নিয়েindex_86624 হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নায়করাজ রাজ্জাক শঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন তার ছোট ছেলে অভিনেতা সম্রাট।

চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, তার বাবার অবস্থা এখন ভালো । তবে চিকিৎসকরা তাকে এখনো নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখবেন বলেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

রাজ্জাকের শারীরিক অবস্থার সর্বশেষ খবর জানতে সাংবাদিকদের সোমবার সকাল অবধি অপেক্ষা করতে হতে পারে বলেও জানান সম্রাট।

শ্বাসকষ্ট নিয়ে গত ২৬ জুন ঢাকার গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হন ৭৩ বছর বয়সী রাজ্জাক।

বর্তমানে বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ ডা. আদনান ইউসুফ চৌধুরীর অধীনে চিকিৎসাধীন আছেন তিনি।

বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয়তম অভিনেতা রাজ্জাক এখনও অভিনয়ে সক্রিয়। গত শতকের ষাটের দশকে ঢাকাই চলচ্চিত্রে পা রাখার আগে টেলিভিশনেও অভিনয় করেন তিনি।  চলচ্চিত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৪ সালে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হন রাজ্জাক। চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য তিন বছর আগে তাকে আজীবন সম্মাননাও দেয় বাংলাদেশ সরকার। এছাড়া এই মাধ্যমে প্রায় সব পুরস্কারই তার ঝুলিতে রয়েছে।

রাজ্জাকের জন্ম ১৯৪২ সালের ২৩ জানুয়ারি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায়। স্কুলে মঞ্চ নাটকের মধ্য দিয়ে অভিনয়ে তার যাত্রা শুরু। ১৯৬৪ সালে বাংলাদেশে পাড়ি জমানোর পর নানা প্রতিকূলতার মধ্যে টেলিভিশনে অভিনয় শুরু করেন তিনি, যদিও  তার টান ছিল চলচ্চিত্রের দিকে। ‘১৩ নম্বর ফেকু ওস্তাগর লেন’ চলচ্চিত্রে ছোট একটি চরিত্রে রূপায়নের মধ্য দিয়ে নিজের জাত চেনানোর পর তাকে আর ফিরে তাকে হয়নি। এরপর ডাক বাবু, কার বউসহ কয়েকটি চলচ্চিত্রের পর জহির রায়হানের বেহুলায় নায়ক হিসেবে অভিনয় তাকে ঢাকাই চলচ্চিত্রে ভিত তৈরি করে দেয়। তার উপর দাঁড়িয়ে ৩০০শ’র বেশি বাংলা ও উর্দু চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন তিনি।

তার উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে- একটুকু আশা, ময়নামতি, মনের মতো বউ, নীল আকাশের নিচে, ক খ গ ঘ ঙ, জীবন থেকে নেয়া, স্বরলিপি, নাচের পুতুল, আলোর মিছিল, ওরা ১১ জন, জিঞ্জির, অনন্ত প্রেম, সোহাগ, কালো গোলাপ, আনার কলি, লাইলী মজনু, অশিক্ষিত, চন্দ্রনাথ, রাজলক্ষ্মী শ্রীকান্ত, সৎ ভাই, বাবা কেন আসামি ইত্যাদি।

অভিনয় ও প্রযোজনার পাশাপাশি ১৬টির বেশি চলচ্চিত্র পরিচালনা করেছেন রাজ্জাক।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দেব মারা গেছেন

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অভিনেত্রী হতে চাইলে পরিচালক, প্রযোজকদের সাথে ‘যৌন সম্পর্কে’ জড়াতে হয়

বিনোদন 110-450x230প্রতিবেদক: বাণিজ্যিক ধারার বাংলা সিনেমার নায়িকা হতে চান মডেল, নাট্যাভিনেত্রী বিথী সরকার। কিন্তু অভিযোগ করে বললেন, সিনেমার প্রস্তাবের সঙ্গে পরিচালক, প্রযোজকদের কাছ থেকে ‘বিশেষ সম্পর্ক’ গড়ার প্রস্তাবও পেয়েছেন তিনি। নায়িকা হতে হলে এমনটা করতেই হয়, এমন কথাও শুনতে হয়েছে তাকে।

বিথী অবশ্য হার মানেননি। এমন প্রস্তাবকারীদের শুনিয়ে দিয়েছেন, “নিকুচি করছি আপনাদের সিনেমার। যারা রাজি হবে তারাই করুক। গিয়ে খুঁজে নিন তাদের। আমার টাকা আর খ্যাতির দরকার নেই।”

তবে সবাইকে এক কাতারে ফেলেন না বীথি। পেশাদারী আচরণ আর ভালো চরিত্র পেলেই পুরোদস্তুর বাণিজ্যিক সিনেমাতে নিয়মিত হবেন তিনি।

গ্রামীণফোনের ‘আমারে ছাড়িয়া বন্ধু কই রইলা রে’ বিজ্ঞাপনটি দিয়ে নজরে আসেন বীথি। এরপর বেশ কয়েকটি নাটকে অভিনয় করলেও সেভাবে সাড়া ফেলতে পারেননি।

সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে বিথী অভিনীত ‘হেডমাস্টার’ সিনেমাটি। এখন কাজ করছেন গোলাম মোস্তফা শিমুল পরিচালিত ‘হরিজুপিয়া’ এবং ‘কারণ তোমায় ভালোবাসি’ সিনেমায়। তবে কোনোটাই বাণিজ্যিক ধারার সিনেমা নয়।

‘হরিজুপিয়া’ সিনেমাতে বিথী অভিনয় করছেন সংলাপবিহীন এক চরিত্রে। আদিবাসীর চরিত্রে অভিনয় করতে বেশ কষ্টও হয়েছে তার, “আদিবাসীদের পোশাক পড়ে অভিনয় করতে হবে শুনে আমার চক্ষু চড়কগাছ! শিমুল বলছে এ পোশাক পড়েই চা বাগানের ভেতর দৌঁড়াতে হবে আমাকে। গ্রামবাসী তো হাঁ হয়ে দেখছিল নায়িকার কর্মকাণ্ড। কিন্তু পরে দৃশ্যগুলো দেখেছিলাম। খুব শৈল্পিক হয়েছে। সত্যিই অন্যরকম একটি চরিত্র হয়েছে এটি।”

বিথী শোনালেন ‘কারণ তোমায় ভালোবাসি’র কাহিনিও। হিন্দি সিনেমা ‘হাম দিল দে চুকে সনম’- এর সঙ্গে কাহিনির মিলের কথা বলতেই থী বললেন, “আমি তো জানি না। জানে পরিচালক। তাকেই জিজ্ঞাসা করুন।”

আরও বললেন, বাণিজ্যিক সিনেমায় অভিনয়ের জন্য নিজের প্রস্তুতির কথা।

“খুব মুটিয়ে গেছি। বাণিজ্যিক সিনেমা করব, খোলামেলা পোশাকও পড়তে হবে। তাই নিজের ওজন কমানোর প্রতি মনযোগী হয়েছি। খাবারের ব্যাপারে যথেষ্ট সতর্ক হয়েছি। নিয়মমাফিক জিমও করছি। গ্ল্যামারাস লুক আনতে যা যা করতে হবে সবই করছি।”

চলচ্চিত্রের প্রস্তুতির জন্য নাটকে অভিনয় করাও কমিয়ে দিয়েছেন তিনি। বিথী এখন অভিনয় করছেন ‘সেলাই পরিবার’, ‘দুরত্ব’, ‘সংঘাত’, ‘জলফরিঙের গল্প’, ‘মামার হাতের মোয়া’ ধারাবাহিকগুলোতে। এগুলোর শুটিং শেষ হলে ধারাবাহিকে আর অভিনয় করতে চান না তিনি। সিনেমার পাশাপাশি নাটকে অভিনয় করাটা ক্যারিয়ারের জন্য নেতিবাচক হবে বলেই মনে করেন তিনি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ভক্ত ও দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞ প্রভা

ডেস্ক রিপোর্ট : টিভিপর্দার জনপ্রিয় Prova1-300x180অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা। নানা কারণে মিডিয়ায় বহুল আলোচিত এ অভিনেত্রীর এবারের ঈদটি কেমন হতে যাচ্ছে? এমন প্রশ্ন প্রভাভক্তদের অনেকের। প্রভা জানিয়েছেন, গত ঈদের চেয়ে এই ঈদে বেশি নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি। তা ছাড়া বিশেষ কিছু চরিত্রে অভিনয় করেছেন, যা দর্শকদের ভালো লাগবে বলেই প্রত্যাশা করেছেন তিনি।

এই ঈদে আনিসুল হকের লেখা গল্প নিয়ে নির্মিত শুধু একদিন ভালোবাসা নাটকটি নির্মাণ করেছেন এস এ হক অলিক। এতে প্রভা অভিনয় করেছেন ‘দিঠি’ চরিত্রে। তার সহশিল্পী হিসেবে অভিনয় করেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা শহীদুজ্জামান সেলিম ও বিজরী বরকতউল্লাহ। নাটকটি আসছে এটিএন বাংলায় ঈদের চতুর্থ দিন বিকেল ৩টা ৫ মিনিটে প্রচারিত হবে।

এ ছাড়া তাকে মোশাররফ করিমের সঙ্গেও দেখা যাবে শামীম জামানের রচনা, জাকির হোসেন উজ্জ্বলের নির্দেশনায় বোকা খোকা নাটকে। নাটকটি আরটিভিতে প্রচারিত হবে।

আলভী আহমেদের দিকশূন্য পুর নাটকে প্রভা একেবারেই ভিন্ন একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এটি প্রচারিত হবে চ্যানেল নাইনে। এ ছাড়া অরণ্য আনোয়ার, গোলাম সোহরাব দোদুল, রুবায়েত হোসাইন, শাহরিয়ার নাজিম জয়, কায়সার আহমেদের নির্দেশনায় ঈদের বিশেষ নাটকে তাকে দেখা যাবে।

সম্প্রতি কক্সবাজারে এ অভিনেত্রী মাহমুদ “িারের নির্দেশনায় রিফিউজি নাটকের শুটিং শেষ করে ঢাকায় ফিরেছেন। এ নাটকে প্রভা বেশ চ্যালেঞ্জিং একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন।

প্রভা রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘সবার সহযোগিতায় এখন খুব ভালো ভালো নাটকে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছি। এজন্য আমি ভক্ত ও দর্শকের প্রতি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ যে তারা আমার অভিনীত নাটকগুলো দেখেন এবং আমাকে প্রতিনিয়ত উৎসাহ দেন।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এখনো ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে ভালো হতে পারেননি প্রভা

বিনোদন ডেস্ক: বিতর্কিত অSadia-Jahan-Provaভিনেত্রী প্রভাকে নিয়ে নাটকপাড়ায় প্রচলিত একটি প্রবাদ নিয়মিত উচ্চারণ হচ্ছে। প্রবাদটি হচ্ছে- ‘কয়লা ধুইলে ময়লা যায় না’। তাকে নিয়ে প্রবাদটি চর্চার কারণ, প্রভা আগের মতোই আছেন। ভুল থেকে তিনি কোনো শিক্ষা নেননি। নতুন নতুন প্রেমের সম্পর্কে জড়াচ্ছেন তিনি। বর্তমানে অভিনেতা শ্যামল মাওলার সঙ্গে তিনি চুটিয়ে প্রেম করছেন বলে ফিসফাসফিস চলছে নাটকপাড়ায়। যদিও দুজনেই বিষয়টিকে হেসে উড়িয়ে দেন। কেউ জানতে চাইলে তারকাদের সেই পুরনো কৌশল ‘আমরা ভালো বন্ধু’ বলে চালিয়ে দেন। কিন্তু সূত্রের দাবি, প্রেমের গভীরতা অনেক। তবে সূত্র এটাও বলছে, প্রভা তো কখনো এক প্রেমে স্থির থাকে না। তাই পুরনো প্রেম ভেঙে নতুন প্রেম গড়তে পারে যে কোনো সময়ই।

প্রভার নগ্ন ভিডিওর ঘটনা এখনো মানুষের মনে গেঁথে আছে। ঘটনাটি খুব একটা পুরনো হয়নি। নগ্ন ভিডিও প্রকাশের পর প্রভা স্বীকার করেছিলেন, এটা তার জীবনের বড় একটি ভুল। তিনি ভুল শুধরে সারাজীবন সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে চান। প্রভার অসহায়ত্ব দেখে তখন তার স্বজন-সহকর্মীরা এগিয়ে আসেন। সবাই তাকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার জন্য সাহায্য করেন। প্রভাও চেষ্টা করেন সব ভুলে এগিয়ে যেতে। বিয়েও করেন। বিয়ের পরপরই প্রভা মনোযোগ দিয়ে সংসার করার ঘোষণা দেন। সুযোগ পেলে দু-একটা নাটকে অভিনয় করতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু নিজের সেই নিকট অতীত প্রভা নিজেই ভুলে বসেছেন। সংসারকে দূরে ঠেলে তিনি আবার মরিয়া হয়ে উঠেছেন ব্যস্ত অভিনেত্রী হওয়ার জন্য। নাটক তো বটেই, চলচ্চিত্রেও নাম লেখানোর জন্য বিভিন্ন প্রযোজকের অফিসে ধরনা দিচ্ছেন।

টার্গেট একটাই- যে কোনো কিছুর বিনিময়ে শীর্ষ নায়িকা হওয়া। আর তাই তার সংসার এখন ঢিলেঢালা। জানা গেছে, প্রভার সঙ্গে তার স্বামীর বনিবনা হচ্ছে না। স্বামীর সঙ্গে তৈরি হয়েছে দূরত্ব।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শাহরুখ-আমিরকে টপকে সবচেয়ে জনপ্রিয় সালমান

বিনোদন ডেস্ক: জনপ্রিয়salmanতার দিকে থেকে শাহরুখ-আমিরকে টপকে গিয়েছেন সালমান খান। বিশ্বাস না হলে ফেসবুকে সালমানের ফ্যান পেইজে একবার ঢুঁ মেরেই দেখুন না। ইতিমধ্যে তার ভক্ত সংখ্যা ২০ কোটি ছাড়িয়েছে। ফেসবুকে বলিউড বাদশাহ শাহরুখের ভক্ত সংখ্যা ১০ কোটি আর আমিরের ১৫ কোটির কিছু বেশি।

এমন কি বিগবি খ্যাত অমিতাভ বচ্চনও এক্ষেত্রে সালমানের চেয়ে অনেক পিছিয়ে রয়েছেন। তার ভক্ত সংখ্যা প্রায় ১৬ কোটি।এদিকে ফেসবুকে সালমানের ফ্যান পেইজে ভক্ত সংখ্যা ২০ কোটি পূর্ণ হওয়ায় ব্যাপক উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে সালমান খান। বৃহস্পতিবার এক টুইট বার্তায় তিনি তার ভক্তদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বিবাহিত হন অথবা অবিবাহিত হন, আপনার পড়া উচিৎ

 ডেস্ক : ঐ রাতে কাজ শেষে বাসায় ফেরার পর আমার স্ত্রী প্রতিদিনের মত আমাকে নিয়ে রাতের খাবার খেতে বসলো। তখন আমি তার হাতটি জড়িয়ে ধরলাম এবং বললাম, “আমি তোমাকে কিছু কথা বলতে চাই।” সে আমার চোখের দিকে শান্ত ভাবে তাকালো…

আমি বুঝতে পারছিলাম না যে তাকে আমি কথাগুলো কিভাবে বলবো। কিন্তু তাকে আমার জানানো উচিৎ যে, আমি তার সাথে আর সংসার করতে চাই না। আমি খুব ধীরে, শান্তভাবে বিষয়টি তুললাম। সে আমার কথায় কোনরকম বিরক্ত প্রকাশ না করে ধীরে ধীরে জিজ্ঞেস করল, “কেন?”

আমি তার প্রশ্ন এড়িয়ে গেলাম। এতে সে রেগে গেলো। টেবিলের উপর থেকে সবকিছু ছুড়ে ফেলে দিয়ে চিৎকার করে বললো, “তুমি একটা কাপুরুষ।” সেই রাতে আমাদের আর কথা হল না। সে সারা রাত নিঃশব্দে কাঁদলো। হয়তো ও বুঝার চেষ্টা করছিল কেন আমি এমনটা চাইলাম। কিন্তু আমি তাকে বলতে পারিনি যে, আমি আর একটা মেয়েকে ভালোবেসে ফেলেছি।

আমি নিজেকে খুব অপরাধী মনে করেছিলাম, আর ঐ অপরাধবোধ নিয়েই আমি ডিভোর্স লেটার লিখলাম, যেখানে উল্লেখ ছিল, আমাদের বাড়ি, আমাদের গাড়ি, এবং আমার ব্যবসায়ের ৩০% এর মালিক সে হবে। তার হাতে কাগজটি যাওয়ার সাথে সাথে ছিঁড়ে টুকরা টুকরা করে ফেললো। যে মানুষটার সাথে আমি ১০ টা বছর সংসার করলাম, আজকে আমি তাকেই আর চিনি না। তার এতগুল সময়, সম্পদ, এবং শক্তি নষ্ট করার জন্য আমার খুব খারাপ লাগছিলো, কিন্তু এখন আমি আর তাকে ফেরত নিতে পারবো না কারণ, আমি ফারহানা কে ভালোবাসি। অবশেষে সে আমার সামনে চিৎকার করে কান্না করে দিল, যা আমি আশা করছিলাম। আমার কাছে তার কান্না একরকম মুত্তির চিহ্নের মত লাগছিল। তখন মনে হচ্ছিল, এবার আমি আসলেও সফল।

পরের দিন, আমি অনেক দেরী করে বাসায় ফিরি। দরজায় ঢুকতেই দেখি, ও ডাইনিং রুমে টেবিলে কিছু লিখছিল। আমি আর খাবার খেতে গেলাম না এবং সরাসরি ঘুমাতে চলে গেলাম, কারণ সারাদিন ফারহানাকে নিয়ে অনেক ঘুরেছি এবং এখন আমি ক্লান্ত। আমি ঘুমিয়ে গেলাম। যখন আমার ঘুম ভাঙ্গলো, তখনো ও লিখছিল। আমি গ্রাহ্য করলাম না এবং আবার ঘুমিয়ে পরলাম।

সকালে সে আমাকে কিছু শর্ত দিল, যেখানে লেখা ছিল, “আমি তোমার থেকে কিছুই চাইনা, কিন্তু আলাদা হয়ে যাওয়ার আগে শুধু এক মাস সময় চাই। এই একমাসে আমরা যতটুকু সম্ভব স্বাভাবিক জীবন যাপন করবো, কারণ আর একমাস বাদেই আমাদের ছেলেটার পরীক্ষা। ওর যাতে কোন ক্ষতি না হয় তাই আমি এমনটা চাইছি।”

আমি মেনে নিলাম। কিন্তু সে আমার কাছে আরও কিছু চেয়েছিল… ও আমাকে মনে করতে বললো, বিয়ের দিন আমি তাকে যেভাবে কোলে করে নিয়ে ঘরে ঢুকে ছিলাম। ও আমাকে অনুরোধ করলো, যাতে এই একমাস আমি তাকে প্রতি সকালে কোলে করে আমাদের শোবার ঘর থেকে বাইরের দরজা পর্যন্ত নিয়ে যাই। আমি ভাবলাম, ও পাগল হয়ে গেছে। যাই হোক, এই শেষ সময়ে যাতে আর ঝামেলা না হয়, তাই আমি তার অনুরোধ মেনে নিলাম।

আমি ফারহানাকে আমার স্ত্রীর দেয়া শর্তগুলোর কথা বলেছিলাম। শুনার পর সে অট্ট হাসিতে ফেটে পড়লো, যা খুবই অযৌক্তিক লাগলো আমার কাছে। তখন ফারহানা আমার স্ত্রীর উপর ঘৃণা এবং রাগ নিয়ে বললো, “সে যতই ছলনা করুক আর মায়া কান্না দেখাক, তাকে ডিভোর্স নিতেই হবে।”

আমাদের বিবাহবিচ্ছেদের উদ্দেশ্য স্পস্টভাবে প্রকাশ হওয়ার পর থেকে আমার স্ত্রী এবং আমার মধ্যে আর কোন শরীরী যোগাযোগ ছিল না। যাই হোক, যেদিন আমি প্রথম তাকে কোলে তুললাম, তখন আমরা দুজনেই খুব বিব্রতবোধ করছিলাম। আমাদের ছেলেটা পেছন থেকে তালি বাজাচ্ছিল আর বলছিল, “আব্বু আম্মুকে কোলে তুলেছে, কি মজা কি মজা।” ছেলেটার কথা শুনে কেন জেন আমার খারাপ লাগতে শুরু করলো। শোবার ঘর থেকে ড্রইংরুম, ড্রইংরুম থেকে বাইরের দরজা পর্যন্ত আমি ওকে কোলে করে নিয়ে গেলাম। সে তার চোখ বন্ধ করলো এবং ফিস ফিস করে বললো, “আমাদের ছেলেটাকে আমাদের ডিভোর্সের কথাটা কখনও জানতে দিওনা।” আমি ওকে দরজার বাইরে নামিয়ে দিলাম। সে তার কাজে চলে গেল, আর আমি অফিসে চলে গেলাম।

দ্বিতীয় দিন, আমরা দুজনেই খুব স্বাভাবিক আচরন করলাম। সে আমার বুকে মাথা রাখলো। আমি তার চুলের গন্ধ পাচ্ছিলাম। আমার মনে হল, আমি কতদিন এই মানুষটাকে একটু ভালোভাবে দেখিনি, বুঝার চেষ্টা করিনি। দেখলাম, ওর কত বয়স হয়ে গেছে। চেহারায় বয়সের ছাপ পড়ে গেছে… চুলে কাঁচাপাকা রঙ ধরেছে। কিছু মুহূর্তের জন্য মনে হল আমি তার সাথে কি করেছি।

10492552_599045260212739_7884945166421546272_n

চতুর্থ দিন, যখন আমি তাকে কোলে তুললাম, তখন বুঝতে পারলাম আবার আমাদের অন্তরঙ্গতা ফিরে আসছে। এটাই সেই মানুষ, যে তার জীবনের ১০ টা বছর আমার সাথে পার করেছে। পঞ্চম এবং ষষ্ঠ দিন আমার আবারো মনে হল যে, আমাদের সম্পর্কটা আবার বেড়ে উঠছে। আমি এসব বিষয়ে ফারহানাকে কিছুই বলিনি।

যতই দিন যাচ্ছিল, ততই খুব সহজে আমি আমার স্ত্রিকে কোলে তুলতে পারতাম। সম্ভবত, প্রতিদিন কোলে নিতে নিতে অভ্যাস হয়ে গিয়েছিল। একদিন সকালে বাইরে যাওয়ার জন্য সে পছন্দের কাপড় খুঁজছিল। প্রায় অনেকগুলো কাপড় সে পরে দেখল, কিন্তু একটাও তার ভালো লাগছিলো না। সে স্থির হয়ে বসলো এবং দীর্ঘনিঃশ্বাস ছেড়ে বললও, “আমার সব গুলো কাপড় ঢিলে হয়ে গেছে…।” তখন আমি বুঝতে পারলাম সে অনেক শুকিয়ে গেছে এবং এ জন্যই আমি তাকে খুব সহজে কোলে তুলতে পারতাম। হঠাৎ এটা আমাকে খুব আঘাত করলো… সে তার মনে অনেক কষ্ট চাপা দিয়ে রেখেছে। মনের অজান্তেই আমি ওর কাছে যাই এবং ওর মাথায় হাত দেই। ঐ মুহূর্তে আমাদের ছেলেটাও চলে এল এবং বললও, “আব্বু, আম্মুকে কোলে তুলার সময় হয়েছে।” আমার স্ত্রি ছেলেটাকে ইশারায় কাছে আসতে বলল এবং তাকে কিছুক্ষণের জন্য খুব শক্ত করে জড়িয়ে ধরল। আমি অন্য দিকে তাকালাম, কারণ আমার ভয় হচ্ছিল, এই শেষ মুহূর্তে যেন আমার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন না হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর আমি তাকে কোলে নিলাম। শোবার ঘর থেকে ড্রইং রুম, ড্রইং রুম থেকে বাইরের দরজা পর্যন্ত তাকে নিয়ে গেলাম। সে তার হাত দিয়ে আলতো ভাবে আমার গলা জড়িয়ে ছিল। আমিও তাকে খুব হাল্কাভাবে কোলে নিয়ে ছিলাম… ঠিক যেন বিয়ের প্রথম দিনের মত।

কিন্তু তার এই এত হাল্কা ওজন আমাকে অনেক কষ্ট দিয়েছিল… প্রায় অনেক আগে যেদিন আমি তাকে কোলে নিয়েছিলাম, সেদিন তাকে নিয়ে কিছু দূর হাটতেই আমার অনেক কষ্ট হচ্ছিলো। আমাদের ছেলেটা স্কুলে চলে গেছে। আমি আমার স্ত্রিকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বললাম, আমি বুঝতে পারিনি যে, আমাদের মধ্যে এতটা অন্তরঙ্গের অভাব ছিল। এ কথা বলেই আমি অফিসে চলে গেলাম। অফিস থেকে ছুটি নিয়েই বেরিয়ে গেলাম। চলে গেলাম সোজা ফারহানার বাসায়। সিঁড়ি বেয়ে দ্রুত উপরে উঠে গেলাম। আমি খুব তাড়াহুড়ো করছিলাম, ভয় পাচ্ছিলাম যাতে আমার মন আবার পরিবর্তন হয়ে যায়। ফারহানা দরজা খুলতেই আমি তাকে বললাম, “ফারহানা, আমাকে মাফ করে দিও… আমি আমার স্ত্রির সাথে ডিভোর্স চাইনা।”

ফারহানা আমার দিকে খুব অবাক হয়ে তাকাল এবং আমার কপালে হাত দিয়ে জিজ্ঞেস করলো, “আচ্ছা তুমি ঠিক আছো তো?? তোমার কি জ্বর আসছে??” আমি ওর হাত আমার কপাল থেকে সরালাম এবং আবারো বললাম, “ফারহানা, আমি ওকে ডিভোর্স দিতে চাই না। তুমি পারলে আমাকে মাফ করে দিও। আমাদের বৈবাহিক সম্পর্কটা হয়তো বিরক্তিকর ছিল, কারণ আমরা আমাদের জীবনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মুহূর্ত গুলোকে মুল্য দেইনি, কিন্তু এর মানে এই না যে আমরা কখনো একে অপরকে ভালোবাসিনি। কিন্তু এখন আমি বুঝি যে, যেদিন আমি তাকে বিয়ে করেছিলাম, সেদিন আমি প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, যে মৃত্যু পর্যন্ত আমি তার সাথে থাকবো।” তখন ফারহানা আমাকে খুব জোরে একটা চড় মারলো এবং আমার মুখের উপর দরজা লাগিয়ে দিয়ে ভেতরে চিৎকার করে কান্নায় ভেঙে পড়লো। আমি বাসার নিচে নেমে এলাম এবং চলে আসলাম। পথেই একটা ফুলের দোকান পেলাম এবং একটা ফুলের তোড়া কিনলাম আমার স্ত্রির জন্য। আমাকে দোকানদার জিজ্ঞেস করলো, “স্যার কার্ডের উপর কি লিখবো?” আমি একটু মৃদু হাসলাম এবং লিখতে বললাম, “আমি প্রতিদিন সকালে তোমাকে কোলে নিব… আমার মৃত্যু পর্যন্ত”

ঐ দিন সন্ধ্যায় আমি বাসায় ফিরি, আমার হাতে ফুলের তোড়া, আমার চেহারায় সুখের হাসি, আমি সোজা আমার শোবার ঘরে চলে যায় এবং দেখি আমার স্ত্রি আর নেই। সে আমাকে ছেড়ে চলে গেছে… সারা জীবনের জন্য চলে গেছে… যেখান থেকে আর কখনো ফেরা সম্ভব না। আমার স্ত্রির ক্যান্সার ছিল, অথচ আমি ফারহানাকে নিয়ে এতটাই ব্যস্ত ছিলাম যে, এদিকে কোন খেয়ালই করিনি। সে জানতো যে সা মারা যাচ্ছে… কিন্তু সে আমাকে বুঝতে দেয়নি, কারণ আমাদের ছেলের পরীক্ষা ছিল এবং আমাদের ডিভোর্স হয়েছে এটা জানলে আমাদের ছেলেটার মন-মানষিকতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। সে মারা গেলে আমাদের আর আলাদা হয়ে বেঁচে থাকতে হবে না। সে আমার ছেলের কাছে প্রমান করে দিয়ে গেল, আমি খুব ভালো স্বামী ছিলাম, যে তার স্ত্রির অনেক খেয়াল করতো।

সম্পর্কের এই ছোট ছোট ব্যাপারগুলো আসলেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এই বড় রাজপ্রাসাদ, গাড়ি, সম্পত্তি, টাকা এগুলো সব কিছুই ভালো থাকার পরিবেশ তৈরি করে কিন্তু নিজেরা কোন সুখ দিতে পারে না।

তাই কিছু সময় বের করুন আপনার স্বামী বা স্ত্রির জন্য। তার বন্ধু হন। এবং কিছু কিছু ছোট ছোট মুহূর্ত তৈরি করুন যা আপনাদের সম্পর্ককে আরও কাছের করবে। কারণ, এটাই সত্য “পরিবার পৃথিবীতে সব চাইতে দামি।” আপনি যদি এখন কোন সম্পর্কতে নাও থাকেন, তারপরেও দ্বিতীয় বারের মত অথবা তার চাইতেও বেশী চিন্তা করুন, কারণ এখনো দেরী হয়ে যায় নি… এখনো অনেক সময় আছে।

আপনি যদি এই পোস্টটি না শেয়ার করেন, তাতে কোনই সমস্যা নেই।

কিন্তু যদি শেয়ার করেন, তাহলে হয়তো আপনি একটি সম্পর্ক আবার জোড়া লাগাতে পারেন। জীবনে অনেক মানুষই বুঝতে পারে না যে, তারা সফলতার কত কাছাকাছি আছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দামুড়হুদায় মালটা চাষ শুরু

দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) সংবাদদাতা  : দামুড়হুদায় আম, কাঁঠাল, লিচু ও পেয়ারা চাষের পর এবারই প্রথম বাণিজ্যিকভাবে উত্পাদন মালটার চাষ শুরু হয়েছে। চলতি বছরে এই প্রথম বাগানে ফুল ও ফল এসেছে। কৃষি বিভাগ আশা করছে মাmalta-12.07.12লটার চাষ এ জনপদে অন্য ফসলের মতো ছড়িয়ে পড়লে বাড়তি আয়ে স্বাবলম্বী হয়ে উঠবে অসচ্ছল পরিবারগুলো। ভগিরথপুর গ্রামের রহিম মাস্টারের ছেলে সাখাওয়াত হোসেন বাবলু বলেন, কৃষি বিভাগের উদ্যোগে ২০ বিঘা জমিতে বছর খানেক আগে খুলনা কৃষি গবেষণা কেন্দ্র থেকে মিষ্টি জাতের কলম সংগ্রহ করে মালটার বাগান শুরু করি। এতে তিন লাখ টাকার বেশি খরচ হয়েছে।

মালটা চাষি নাজমুল বলেন, বাগানে চলতি বছরে এবার প্রথম ফুল ও ফল এসেছে। আগামী বছর বেশি ফলের দেখা মিলতে পারে বলে আশা করেন তিনি। বাণিজ্যিকভাবে উত্পাদন শুরু হলে বাড়তি খরচের চাপ কমে যাবে। কৃষি কর্মকর্তা সেলিম হোসেন বলেন, শুষ্ক ও উষ্ণ জলবায়ু মালটা চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী সময়। রোদযুক্ত উঁচু বা মাঝারি উঁচু জমি মালটা চাষে উত্তম। সমতল ভূমিতে বর্গাকার পদ্ধতিতে জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাসে কলম রোপণ করতে হয়। এলাকায় বারি-১ জাতের মালটা চাষ শুরু হয়েছে। বারি মালটা সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে আহরণ করে বাজারজাত করা যায়। উপজেলার ভগিরথপুর, প্রতাপপুর, কলাবাড়ি, নাস্তিপুর, জয়রামপুর গ্রামে মালটা চাষ শুরু হয়েছে। এ বাগান থেকে বাণিজ্যিকভাবে উত্পাদন শুরু হলে এ জনপদে গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙা হয়ে উঠবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সাকিবের পাশে সুবর্ণা

অনলাইন প্রতিবেদক:আচরণগ111ত সমস্যা আর নানা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্বের সেরা অলরাউন্ডার ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানকে ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে ছয় মাসের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি দেড় বছর খেলতে পারবেন না আইপিএলের মতো টুর্নামেন্টগুলোতে। এই সময়ে বিসিবির অনুমতি ছাড়া কোনো বিজ্ঞাপনচিত্রের কাজও করতে পারবেন না সাকিব। তাঁর প্রতি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের এ ধরনের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দেশের গুণী অভিনয়শিল্পী সুবর্ণা মুস্তাফা। প্রতিক্রিয়া জানানোর জন্য সুবর্ণা বেছে নিয়েছেন সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ফেসবুককে।

সুবর্ণা তাঁর ফেসবুক বার্তায় লিখেছেন, ‘এটা খুবই পরিষ্কার যে, ক্রিকেট জিনিয়াস সাকিব আল হাসান বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকার। সাকিব আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব, সে বোকা নয় যে বিসিবি কর্তৃপক্ষের কোনো ধরনের মৌখিক বা লিখিত অনুমতি ছাড়া সিপিএল খেলতে যাবে! এমনকি বোর্ডের সবাই তাঁর শিডিউল সম্পর্কেও জানত। তাহলে কেন তারা আগে থেকে সাকিবের অনাপত্তিপত্রের বিষয়ে কিছু বলেনি। কেনইবা আকরাম খান মৌখিক সম্মতি দেওয়ার পরও অনাপত্তিপত্রে স্বাক্ষর করেননি? বিসিবি এসব কী করছে! দেশের সেরা ক্রিকেট জিনিয়াসকে সুবিধা দেওয়ার পরিবর্তে ঠিক তার উল্টো অবস্থান নিয়েছে বিসিবি কর্তৃপক্ষ।’
সুবর্ণা আরও লিখেছেন, ‘স্ত্রী শিশিরের সম্মান রক্ষার অপরাধেও কি সাকিবকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে? বিসিবি কর্তৃপক্ষের কারও স্ত্রীর সঙ্গে যদি একই ধরনের ঘটনা ঘটত, তাহলে কি তাঁরা চুপচাপ বসে থাকতেন! তাঁদের প্রতি লজ্জা জানানোর ভাষা আমার জানা নাই।’

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সুবর্ণা  বলেন, ‘আশা করব, বিসিবির কর্তৃপক্ষের শুভবুদ্ধির উদয় হবে। বিসিবি কর্তৃপক্ষকে খেয়াল রাখতে হবে, কোনোভাবেই বাংলাদেশের ক্রিকেট যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এবং বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি যেন উজ্জ্বল থাকে।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

নিজের চরিত্র নিয়ে বেশিই সচেতন পরিণীতি

বিনোদন ডেস্ক: বলিউডের নায়িকারা যেখানে খানদের সঙ্গে সিনেমায় কাজ করতে মুখিয়ে থাকেন। সেখানে সদ্য বলিউডে পা দেওয়া পরি1401261881ণীতি চোপড়া, হাতের সুযোগ পায়ে ঠেললেন।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে পরিণীতি জানিয়েছেন ক্যারিয়ারের শুরুতেই খানদের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সিনেমাতে নিজের চরিত্র নিয়ে খুশি না থাকায় আমির খান, শাহরুখ খান, সালমান খানের সঙ্গে সিনেমার অফার ত্যাগ করেন পরিণীতি।

পরিণীতি জানিয়েছেন, “সিনেমাতে নিজের চরিত্র নিয়ে আমি একটু বেশিই সচেতন। তাই চরিত্র ছাড়া আর কিছুই ভাবিনা। আমার বিপরীতে খানরা আছেন, না অন্য কেউ সেটা খুব একটা বিষয় না।”

যশ চোপড়ার অফিসে পাবলিক রিলেশনের কাজ করতেন পরিণীতি। সেখানে থেকে সিনেমার প্রথম অফার। ‘লেডি ভার্সেস রিকি বহেল’ সিনেমাতে সহনায়িকা হয়েও নজর কাড়েন তিনি। তারপর ‘ইশকজাদে’, ‘শুদ্ধ দেশি রোম্যান্স’, ‘হাসি তো ফসি’তে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে তাঁর অভিনয়। আপাতত, পরিণীতি ব্যস্ত ‘দাওয়াতে-ইশক’ ও ‘কিলবিল’-এর শ্যুটিংয়ে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কেমন বর চান অপু বিশ্বাস?

ডেস্ক: ঢালিউডের অন্যতম রূপসী এবং জনপ্রিয় তারকা অভিনেত্রী। যার এক ঝলকেই কয়েকগুন বেড়ে যায় আপনার হৃদস্পন্দন সেই প্রিয়দর্শিনী অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস বিয়ে করে ফেলেছেন!এমন খবরে মুখরিত ছিল পুরো ঢালিউড পাড়া। আর কেনই বা হবে মাঝে যেন পুরই হাওয়া হয়ে গিয়েছিলেন এই অভিনেত্রী বড়পর্দা তো নয়-ই ছোটপর্দাতেও যেন তার দেখা নেই। তবে তার বিয়ের খবরে অনেকের মনে সুচ ফুটলেও ভক্তদের অবাক করে দিয়ে দীর্ঘ বিরতির পর একেবারে নতুনরূপে হাজির হলেন তিনি। তবে বিয়ে তো একদিন করতেই হবে আর তাই সম্প্রতি বিয়ে এবং মনের মতো বর নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের সাথে খোলাখুলি কথা বলেন এই অভিনেত্রী।

বিয়ে করেছেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। এমন খবরে ভক্তমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। দীর্ঘ বিরতি দেখে সিনেমা সমালোচকরা এক প্রকার ধরেই বসেছিলেন চলচ্চিত্র জগতে তার ক্যারিয়ারের বাজতে শুরু করেছে সমাপ্তির ঘণ্টা। বিয়ে প্রসঙ্গে অপুর স্পষ্ট জবাব, “আমি বিয়ে করিনি। আর এখন বিয়ে করার সম্ভাবনাও নেই। কারণ, আমি আবার নতুন করে কাজে ফিরেছি।”

apu in red

প্রত্যেক মেয়েরই একজন স্বপ্ন পুরুষ রয়েছে। তবে এই অভিনেত্রীর সপ্নের পুরুষটি কেমন? নিশ্চয়ই জানতে ইচ্ছা করছে অপু কেমন জীবনসঙ্গী চান। তবে জানুন অপুর মুখ থেকেই, আমার বরকে অবশ্যই সুন্দর হতে হবে। তাকে অবশ্যই অনেক সুন্দর মনের অধিকারী এবং উচ্চতার দিক থেকে লম্বা হতে হবে। খুব বেশি রোমান্টিক না হলেও চলবে। তবে এখানে আমার একটি শর্ত আছে। সে আমাকে ভালোবাসবে ঠিকই, কিন্তু তা বারবার মুখে না বলে আমাকে বুঝিয়ে দেবে। মানে আমি চাই, সে আমার প্রতি অনেক যত্নশীল হবে যা আমি বুঝব ঠিকই কিন্তু প্রকাশ করব না।’

বর্তমানে ‘হিরো দ্য সুপারস্টার’, ‘রাজা হ্যান্ডসাম’, ‘ভালোবাসা ২০১৪’, ‘সালাম মালয়েশিয়া’, ‘হিটম্যান’, ‘মিশন লন্ডন’সহ বেশ কয়েকটি নতুন সিনেমার কাজ রয়েছে অপু বিশ্বাসের হাতে। সিনেমা গুলোতে তাঁর সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন শাকিব খান। প্রসঙ্গত, প্রায় দেড় বছর চলচ্চিত্রের কাজ থেকে দূরে সরে ছিলেন অপু বিশ্বাস। এখন আবার পুরোদমে কাজ শুরু করেছেন জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী।

চলচ্চিত্র থেকে দূরে থাকার পেছনের কারণ সম্পর্কে অপুর ভাষ্য ছিল এরকম, অনেক কম বয়সে আমি চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করি। তাই পরিবারকে সময় দিতে পারিনি। বছরের পর বছর টানা কাজ করার পর চিন্তা করলাম, এখন তাঁদের একটু সময় দিই। এ ছাড়া আমি কিছুটা মুটিয়েও গিয়েছিলাম। এর পরও আমাকে গ্রহণ করেছেন আমার দর্শকেরা। ভাবলাম, তাঁদের ঠকানো ঠিক হচ্ছে না। তাই ওজন কমানোর সিদ্ধান্ত নিলাম। নিয়মিত শরীরচর্চার মাধ্যমে শরীরের ওজন কমিয়েছি। নিজেকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছি। এ ছাড়া গুলশানের নিকেতনে আমি নিজের একটি জিম খুলেছি। এখন থেকে বছরে ছয়টির বেশি সিনেমাতে কাজ করব না বলে ঠিক করেছি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মেয়েদের সঙ্গে যৌনতায় অংশ নেওয়া মজা বেশি সানি লিওন!

বিনোদন ডেস্কdownload-320:রাগিনির দয়ায় সানি ম্যাজিকেই আক্রান্ত বলিউডের বক্স অফিস৷। তবে বক্স অফিসের সঙ্গে সানির মাথায় নতুন ভূত! পুরুষ ছেড়ে, নারীতে মন মজেছে সানির।

সম্প্রতি ‘রাগিনি এমএমএস টু’ সাকসেস পার্টিতে এসে সানি হঠাৎই বলে উঠলেন, ‘ভারতীয় নারীদের আমার ব্যাপক লাগে। ভারতীয় নারীরা অনেক বেশি উত্তেজক অন্যান্য দেশের মেয়েদের থেকে৷’ শুধু তাই নয়, সানি জানিয়েছেন, পর্ন ফিল্ম করার সময় একবার এক ভারতীয় মেয়ের সঙ্গে সমকাম করতে হয়েছিল, সেই অভিজ্ঞতা নাকি এখনও সানি ভুলতে পারেননি।

সানির কথায়, ‘পুরুষদের সঙ্গে রতিক্রিয়া থেকেও মজা বেশি নারীদের সঙ্গে যৌনতায় অংশ নেওয়া। ’ সানি মনে করেন মেয়েদের সঙ্গে যৌনক্রিয়ার মত্ত হল তাঁর মধ্যে একটা আর্ট থাকে। পুরুষদের সঙ্গে ব্যাপারটা অনেক বেশি ড্রামাটিক।

কথায় কথায়, ‘রাগিনি এমএমএস টু’ ছবিতে সন্ধ্যা মৃদুলকে চুমু খাওয়ার ঘটনার কথা উঠলে, সানি বলেছেন ‘মেয়েদের চুমু খাওয়া আমার কাছে জলভাত৷ এতে নতুনত্ব নেই।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অভিনন্দনে সিক্ত আসিফ নজরুল-শীলা আহমেদ

ডেস্ক :অধ্যাপক-টকশো সেলিব্রেটি আসিফ নজরুল এবং প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের মেজ মেয়ে অভিনেত্রী শীলা আহমেদের বিয়ের খবর এখন ট59999_1_42429-300x184ক অব দ্য কান্ট্রি। প্রায় দু’মাস আগে বিয়ে করেছেন তারা। গতকাল দুপুর নিজেরা বিয়ের ছবি প্রকাশ করে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে সবমহলের কাছ থেকে অভিনন্দনে সিক্ত হচ্ছেন এ নবদম্পতি। ১০-১২ বছর আগে আসিফ-শীলার বিয়ে এবং ডিভোর্সের জোরালো গুঞ্জন উঠেছিল। কিন্তু পরবর্তীতে দুজনেই অন্য জীবনসঙ্গী বেছে নিলে গুঞ্জন চাপা পড়ে। আসিফ এর আগে অভিনয়শিল্পী রোকেয়া প্রাচীকে বিয়ে করেছিলেন। সেই সংসারে ছয় বছরের একটি সন্তানও রয়েছে। অন্যদিকে শীলা আহমেদের আগের ঘরে চার বছর ও দুই বছর বয়সী দুটি সন্তান রয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

আসিফ নজরুলকে বিয়ে করলেন হুমায়ুনকন্যা শীলা

অনলাইন ডেস্ক:বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হলেন আসিফ নজরুল ও শীলা আহমেদ। মাস দুয়েক আগে তাদের বিয়ে হয়েছে বলে জানা গেছে। আসিফ নজরুল ও শীলা আহমেদের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে যুগল ছবি প্রকাশের পর বিষয়টি আলোচনায় আসে।

এর আগে ১১-১২ বছর আগে আসিফ-শীলার বিয়েsheila_34116র জোরালো গুঞ্জন উঠেছিল। যদিও শেষ পর্যন্ত তা গুঞ্জনই থেকে যায়, বিয়েতে গড়াতে দেখা যায়নি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুলের সঙ্গে এর আগে অভিনয়শিল্পী রোকেয়া প্রাচীর বিয়ে হয়েছিল। সেই সংসারে ছয় বছরের একটি সন্তান রয়েছে। অন্যদিকে, হুমায়ূন আহমেদের কন্যা শীলা আহমেদও এর আগে একবার বিয়ে করেছিলেন। ওই সংসারে তার দুটি সন্তান রয়েছে। দুজনেরই কয়েক মাস আগে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে।

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free