বিনোদন খবর

এখনো ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে ভালো হতে পারেননি প্রভা

বিনোদন ডেস্ক: বিতর্কিত অSadia-Jahan-Provaভিনেত্রী প্রভাকে নিয়ে নাটকপাড়ায় প্রচলিত একটি প্রবাদ নিয়মিত উচ্চারণ হচ্ছে। প্রবাদটি হচ্ছে- ‘কয়লা ধুইলে ময়লা যায় না’। তাকে নিয়ে প্রবাদটি চর্চার কারণ, প্রভা আগের মতোই আছেন। ভুল থেকে তিনি কোনো শিক্ষা নেননি। নতুন নতুন প্রেমের সম্পর্কে জড়াচ্ছেন তিনি। বর্তমানে অভিনেতা শ্যামল মাওলার সঙ্গে তিনি চুটিয়ে প্রেম করছেন বলে ফিসফাসফিস চলছে নাটকপাড়ায়। যদিও দুজনেই বিষয়টিকে হেসে উড়িয়ে দেন। কেউ জানতে চাইলে তারকাদের সেই পুরনো কৌশল ‘আমরা ভালো বন্ধু’ বলে চালিয়ে দেন। কিন্তু সূত্রের দাবি, প্রেমের গভীরতা অনেক। তবে সূত্র এটাও বলছে, প্রভা তো কখনো এক প্রেমে স্থির থাকে না। তাই পুরনো প্রেম ভেঙে নতুন প্রেম গড়তে পারে যে কোনো সময়ই।

প্রভার নগ্ন ভিডিওর ঘটনা এখনো মানুষের মনে গেঁথে আছে। ঘটনাটি খুব একটা পুরনো হয়নি। নগ্ন ভিডিও প্রকাশের পর প্রভা স্বীকার করেছিলেন, এটা তার জীবনের বড় একটি ভুল। তিনি ভুল শুধরে সারাজীবন সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে চান। প্রভার অসহায়ত্ব দেখে তখন তার স্বজন-সহকর্মীরা এগিয়ে আসেন। সবাই তাকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার জন্য সাহায্য করেন। প্রভাও চেষ্টা করেন সব ভুলে এগিয়ে যেতে। বিয়েও করেন। বিয়ের পরপরই প্রভা মনোযোগ দিয়ে সংসার করার ঘোষণা দেন। সুযোগ পেলে দু-একটা নাটকে অভিনয় করতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু নিজের সেই নিকট অতীত প্রভা নিজেই ভুলে বসেছেন। সংসারকে দূরে ঠেলে তিনি আবার মরিয়া হয়ে উঠেছেন ব্যস্ত অভিনেত্রী হওয়ার জন্য। নাটক তো বটেই, চলচ্চিত্রেও নাম লেখানোর জন্য বিভিন্ন প্রযোজকের অফিসে ধরনা দিচ্ছেন।

টার্গেট একটাই- যে কোনো কিছুর বিনিময়ে শীর্ষ নায়িকা হওয়া। আর তাই তার সংসার এখন ঢিলেঢালা। জানা গেছে, প্রভার সঙ্গে তার স্বামীর বনিবনা হচ্ছে না। স্বামীর সঙ্গে তৈরি হয়েছে দূরত্ব।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শাহরুখ-আমিরকে টপকে সবচেয়ে জনপ্রিয় সালমান

বিনোদন ডেস্ক: জনপ্রিয়salmanতার দিকে থেকে শাহরুখ-আমিরকে টপকে গিয়েছেন সালমান খান। বিশ্বাস না হলে ফেসবুকে সালমানের ফ্যান পেইজে একবার ঢুঁ মেরেই দেখুন না। ইতিমধ্যে তার ভক্ত সংখ্যা ২০ কোটি ছাড়িয়েছে। ফেসবুকে বলিউড বাদশাহ শাহরুখের ভক্ত সংখ্যা ১০ কোটি আর আমিরের ১৫ কোটির কিছু বেশি।

এমন কি বিগবি খ্যাত অমিতাভ বচ্চনও এক্ষেত্রে সালমানের চেয়ে অনেক পিছিয়ে রয়েছেন। তার ভক্ত সংখ্যা প্রায় ১৬ কোটি।এদিকে ফেসবুকে সালমানের ফ্যান পেইজে ভক্ত সংখ্যা ২০ কোটি পূর্ণ হওয়ায় ব্যাপক উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে সালমান খান। বৃহস্পতিবার এক টুইট বার্তায় তিনি তার ভক্তদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বিবাহিত হন অথবা অবিবাহিত হন, আপনার পড়া উচিৎ

 ডেস্ক : ঐ রাতে কাজ শেষে বাসায় ফেরার পর আমার স্ত্রী প্রতিদিনের মত আমাকে নিয়ে রাতের খাবার খেতে বসলো। তখন আমি তার হাতটি জড়িয়ে ধরলাম এবং বললাম, “আমি তোমাকে কিছু কথা বলতে চাই।” সে আমার চোখের দিকে শান্ত ভাবে তাকালো…

আমি বুঝতে পারছিলাম না যে তাকে আমি কথাগুলো কিভাবে বলবো। কিন্তু তাকে আমার জানানো উচিৎ যে, আমি তার সাথে আর সংসার করতে চাই না। আমি খুব ধীরে, শান্তভাবে বিষয়টি তুললাম। সে আমার কথায় কোনরকম বিরক্ত প্রকাশ না করে ধীরে ধীরে জিজ্ঞেস করল, “কেন?”

আমি তার প্রশ্ন এড়িয়ে গেলাম। এতে সে রেগে গেলো। টেবিলের উপর থেকে সবকিছু ছুড়ে ফেলে দিয়ে চিৎকার করে বললো, “তুমি একটা কাপুরুষ।” সেই রাতে আমাদের আর কথা হল না। সে সারা রাত নিঃশব্দে কাঁদলো। হয়তো ও বুঝার চেষ্টা করছিল কেন আমি এমনটা চাইলাম। কিন্তু আমি তাকে বলতে পারিনি যে, আমি আর একটা মেয়েকে ভালোবেসে ফেলেছি।

আমি নিজেকে খুব অপরাধী মনে করেছিলাম, আর ঐ অপরাধবোধ নিয়েই আমি ডিভোর্স লেটার লিখলাম, যেখানে উল্লেখ ছিল, আমাদের বাড়ি, আমাদের গাড়ি, এবং আমার ব্যবসায়ের ৩০% এর মালিক সে হবে। তার হাতে কাগজটি যাওয়ার সাথে সাথে ছিঁড়ে টুকরা টুকরা করে ফেললো। যে মানুষটার সাথে আমি ১০ টা বছর সংসার করলাম, আজকে আমি তাকেই আর চিনি না। তার এতগুল সময়, সম্পদ, এবং শক্তি নষ্ট করার জন্য আমার খুব খারাপ লাগছিলো, কিন্তু এখন আমি আর তাকে ফেরত নিতে পারবো না কারণ, আমি ফারহানা কে ভালোবাসি। অবশেষে সে আমার সামনে চিৎকার করে কান্না করে দিল, যা আমি আশা করছিলাম। আমার কাছে তার কান্না একরকম মুত্তির চিহ্নের মত লাগছিল। তখন মনে হচ্ছিল, এবার আমি আসলেও সফল।

পরের দিন, আমি অনেক দেরী করে বাসায় ফিরি। দরজায় ঢুকতেই দেখি, ও ডাইনিং রুমে টেবিলে কিছু লিখছিল। আমি আর খাবার খেতে গেলাম না এবং সরাসরি ঘুমাতে চলে গেলাম, কারণ সারাদিন ফারহানাকে নিয়ে অনেক ঘুরেছি এবং এখন আমি ক্লান্ত। আমি ঘুমিয়ে গেলাম। যখন আমার ঘুম ভাঙ্গলো, তখনো ও লিখছিল। আমি গ্রাহ্য করলাম না এবং আবার ঘুমিয়ে পরলাম।

সকালে সে আমাকে কিছু শর্ত দিল, যেখানে লেখা ছিল, “আমি তোমার থেকে কিছুই চাইনা, কিন্তু আলাদা হয়ে যাওয়ার আগে শুধু এক মাস সময় চাই। এই একমাসে আমরা যতটুকু সম্ভব স্বাভাবিক জীবন যাপন করবো, কারণ আর একমাস বাদেই আমাদের ছেলেটার পরীক্ষা। ওর যাতে কোন ক্ষতি না হয় তাই আমি এমনটা চাইছি।”

আমি মেনে নিলাম। কিন্তু সে আমার কাছে আরও কিছু চেয়েছিল… ও আমাকে মনে করতে বললো, বিয়ের দিন আমি তাকে যেভাবে কোলে করে নিয়ে ঘরে ঢুকে ছিলাম। ও আমাকে অনুরোধ করলো, যাতে এই একমাস আমি তাকে প্রতি সকালে কোলে করে আমাদের শোবার ঘর থেকে বাইরের দরজা পর্যন্ত নিয়ে যাই। আমি ভাবলাম, ও পাগল হয়ে গেছে। যাই হোক, এই শেষ সময়ে যাতে আর ঝামেলা না হয়, তাই আমি তার অনুরোধ মেনে নিলাম।

আমি ফারহানাকে আমার স্ত্রীর দেয়া শর্তগুলোর কথা বলেছিলাম। শুনার পর সে অট্ট হাসিতে ফেটে পড়লো, যা খুবই অযৌক্তিক লাগলো আমার কাছে। তখন ফারহানা আমার স্ত্রীর উপর ঘৃণা এবং রাগ নিয়ে বললো, “সে যতই ছলনা করুক আর মায়া কান্না দেখাক, তাকে ডিভোর্স নিতেই হবে।”

আমাদের বিবাহবিচ্ছেদের উদ্দেশ্য স্পস্টভাবে প্রকাশ হওয়ার পর থেকে আমার স্ত্রী এবং আমার মধ্যে আর কোন শরীরী যোগাযোগ ছিল না। যাই হোক, যেদিন আমি প্রথম তাকে কোলে তুললাম, তখন আমরা দুজনেই খুব বিব্রতবোধ করছিলাম। আমাদের ছেলেটা পেছন থেকে তালি বাজাচ্ছিল আর বলছিল, “আব্বু আম্মুকে কোলে তুলেছে, কি মজা কি মজা।” ছেলেটার কথা শুনে কেন জেন আমার খারাপ লাগতে শুরু করলো। শোবার ঘর থেকে ড্রইংরুম, ড্রইংরুম থেকে বাইরের দরজা পর্যন্ত আমি ওকে কোলে করে নিয়ে গেলাম। সে তার চোখ বন্ধ করলো এবং ফিস ফিস করে বললো, “আমাদের ছেলেটাকে আমাদের ডিভোর্সের কথাটা কখনও জানতে দিওনা।” আমি ওকে দরজার বাইরে নামিয়ে দিলাম। সে তার কাজে চলে গেল, আর আমি অফিসে চলে গেলাম।

দ্বিতীয় দিন, আমরা দুজনেই খুব স্বাভাবিক আচরন করলাম। সে আমার বুকে মাথা রাখলো। আমি তার চুলের গন্ধ পাচ্ছিলাম। আমার মনে হল, আমি কতদিন এই মানুষটাকে একটু ভালোভাবে দেখিনি, বুঝার চেষ্টা করিনি। দেখলাম, ওর কত বয়স হয়ে গেছে। চেহারায় বয়সের ছাপ পড়ে গেছে… চুলে কাঁচাপাকা রঙ ধরেছে। কিছু মুহূর্তের জন্য মনে হল আমি তার সাথে কি করেছি।

10492552_599045260212739_7884945166421546272_n

চতুর্থ দিন, যখন আমি তাকে কোলে তুললাম, তখন বুঝতে পারলাম আবার আমাদের অন্তরঙ্গতা ফিরে আসছে। এটাই সেই মানুষ, যে তার জীবনের ১০ টা বছর আমার সাথে পার করেছে। পঞ্চম এবং ষষ্ঠ দিন আমার আবারো মনে হল যে, আমাদের সম্পর্কটা আবার বেড়ে উঠছে। আমি এসব বিষয়ে ফারহানাকে কিছুই বলিনি।

যতই দিন যাচ্ছিল, ততই খুব সহজে আমি আমার স্ত্রিকে কোলে তুলতে পারতাম। সম্ভবত, প্রতিদিন কোলে নিতে নিতে অভ্যাস হয়ে গিয়েছিল। একদিন সকালে বাইরে যাওয়ার জন্য সে পছন্দের কাপড় খুঁজছিল। প্রায় অনেকগুলো কাপড় সে পরে দেখল, কিন্তু একটাও তার ভালো লাগছিলো না। সে স্থির হয়ে বসলো এবং দীর্ঘনিঃশ্বাস ছেড়ে বললও, “আমার সব গুলো কাপড় ঢিলে হয়ে গেছে…।” তখন আমি বুঝতে পারলাম সে অনেক শুকিয়ে গেছে এবং এ জন্যই আমি তাকে খুব সহজে কোলে তুলতে পারতাম। হঠাৎ এটা আমাকে খুব আঘাত করলো… সে তার মনে অনেক কষ্ট চাপা দিয়ে রেখেছে। মনের অজান্তেই আমি ওর কাছে যাই এবং ওর মাথায় হাত দেই। ঐ মুহূর্তে আমাদের ছেলেটাও চলে এল এবং বললও, “আব্বু, আম্মুকে কোলে তুলার সময় হয়েছে।” আমার স্ত্রি ছেলেটাকে ইশারায় কাছে আসতে বলল এবং তাকে কিছুক্ষণের জন্য খুব শক্ত করে জড়িয়ে ধরল। আমি অন্য দিকে তাকালাম, কারণ আমার ভয় হচ্ছিল, এই শেষ মুহূর্তে যেন আমার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন না হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর আমি তাকে কোলে নিলাম। শোবার ঘর থেকে ড্রইং রুম, ড্রইং রুম থেকে বাইরের দরজা পর্যন্ত তাকে নিয়ে গেলাম। সে তার হাত দিয়ে আলতো ভাবে আমার গলা জড়িয়ে ছিল। আমিও তাকে খুব হাল্কাভাবে কোলে নিয়ে ছিলাম… ঠিক যেন বিয়ের প্রথম দিনের মত।

কিন্তু তার এই এত হাল্কা ওজন আমাকে অনেক কষ্ট দিয়েছিল… প্রায় অনেক আগে যেদিন আমি তাকে কোলে নিয়েছিলাম, সেদিন তাকে নিয়ে কিছু দূর হাটতেই আমার অনেক কষ্ট হচ্ছিলো। আমাদের ছেলেটা স্কুলে চলে গেছে। আমি আমার স্ত্রিকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বললাম, আমি বুঝতে পারিনি যে, আমাদের মধ্যে এতটা অন্তরঙ্গের অভাব ছিল। এ কথা বলেই আমি অফিসে চলে গেলাম। অফিস থেকে ছুটি নিয়েই বেরিয়ে গেলাম। চলে গেলাম সোজা ফারহানার বাসায়। সিঁড়ি বেয়ে দ্রুত উপরে উঠে গেলাম। আমি খুব তাড়াহুড়ো করছিলাম, ভয় পাচ্ছিলাম যাতে আমার মন আবার পরিবর্তন হয়ে যায়। ফারহানা দরজা খুলতেই আমি তাকে বললাম, “ফারহানা, আমাকে মাফ করে দিও… আমি আমার স্ত্রির সাথে ডিভোর্স চাইনা।”

ফারহানা আমার দিকে খুব অবাক হয়ে তাকাল এবং আমার কপালে হাত দিয়ে জিজ্ঞেস করলো, “আচ্ছা তুমি ঠিক আছো তো?? তোমার কি জ্বর আসছে??” আমি ওর হাত আমার কপাল থেকে সরালাম এবং আবারো বললাম, “ফারহানা, আমি ওকে ডিভোর্স দিতে চাই না। তুমি পারলে আমাকে মাফ করে দিও। আমাদের বৈবাহিক সম্পর্কটা হয়তো বিরক্তিকর ছিল, কারণ আমরা আমাদের জীবনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মুহূর্ত গুলোকে মুল্য দেইনি, কিন্তু এর মানে এই না যে আমরা কখনো একে অপরকে ভালোবাসিনি। কিন্তু এখন আমি বুঝি যে, যেদিন আমি তাকে বিয়ে করেছিলাম, সেদিন আমি প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, যে মৃত্যু পর্যন্ত আমি তার সাথে থাকবো।” তখন ফারহানা আমাকে খুব জোরে একটা চড় মারলো এবং আমার মুখের উপর দরজা লাগিয়ে দিয়ে ভেতরে চিৎকার করে কান্নায় ভেঙে পড়লো। আমি বাসার নিচে নেমে এলাম এবং চলে আসলাম। পথেই একটা ফুলের দোকান পেলাম এবং একটা ফুলের তোড়া কিনলাম আমার স্ত্রির জন্য। আমাকে দোকানদার জিজ্ঞেস করলো, “স্যার কার্ডের উপর কি লিখবো?” আমি একটু মৃদু হাসলাম এবং লিখতে বললাম, “আমি প্রতিদিন সকালে তোমাকে কোলে নিব… আমার মৃত্যু পর্যন্ত”

ঐ দিন সন্ধ্যায় আমি বাসায় ফিরি, আমার হাতে ফুলের তোড়া, আমার চেহারায় সুখের হাসি, আমি সোজা আমার শোবার ঘরে চলে যায় এবং দেখি আমার স্ত্রি আর নেই। সে আমাকে ছেড়ে চলে গেছে… সারা জীবনের জন্য চলে গেছে… যেখান থেকে আর কখনো ফেরা সম্ভব না। আমার স্ত্রির ক্যান্সার ছিল, অথচ আমি ফারহানাকে নিয়ে এতটাই ব্যস্ত ছিলাম যে, এদিকে কোন খেয়ালই করিনি। সে জানতো যে সা মারা যাচ্ছে… কিন্তু সে আমাকে বুঝতে দেয়নি, কারণ আমাদের ছেলের পরীক্ষা ছিল এবং আমাদের ডিভোর্স হয়েছে এটা জানলে আমাদের ছেলেটার মন-মানষিকতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। সে মারা গেলে আমাদের আর আলাদা হয়ে বেঁচে থাকতে হবে না। সে আমার ছেলের কাছে প্রমান করে দিয়ে গেল, আমি খুব ভালো স্বামী ছিলাম, যে তার স্ত্রির অনেক খেয়াল করতো।

সম্পর্কের এই ছোট ছোট ব্যাপারগুলো আসলেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এই বড় রাজপ্রাসাদ, গাড়ি, সম্পত্তি, টাকা এগুলো সব কিছুই ভালো থাকার পরিবেশ তৈরি করে কিন্তু নিজেরা কোন সুখ দিতে পারে না।

তাই কিছু সময় বের করুন আপনার স্বামী বা স্ত্রির জন্য। তার বন্ধু হন। এবং কিছু কিছু ছোট ছোট মুহূর্ত তৈরি করুন যা আপনাদের সম্পর্ককে আরও কাছের করবে। কারণ, এটাই সত্য “পরিবার পৃথিবীতে সব চাইতে দামি।” আপনি যদি এখন কোন সম্পর্কতে নাও থাকেন, তারপরেও দ্বিতীয় বারের মত অথবা তার চাইতেও বেশী চিন্তা করুন, কারণ এখনো দেরী হয়ে যায় নি… এখনো অনেক সময় আছে।

আপনি যদি এই পোস্টটি না শেয়ার করেন, তাতে কোনই সমস্যা নেই।

কিন্তু যদি শেয়ার করেন, তাহলে হয়তো আপনি একটি সম্পর্ক আবার জোড়া লাগাতে পারেন। জীবনে অনেক মানুষই বুঝতে পারে না যে, তারা সফলতার কত কাছাকাছি আছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দামুড়হুদায় মালটা চাষ শুরু

দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) সংবাদদাতা  : দামুড়হুদায় আম, কাঁঠাল, লিচু ও পেয়ারা চাষের পর এবারই প্রথম বাণিজ্যিকভাবে উত্পাদন মালটার চাষ শুরু হয়েছে। চলতি বছরে এই প্রথম বাগানে ফুল ও ফল এসেছে। কৃষি বিভাগ আশা করছে মাmalta-12.07.12লটার চাষ এ জনপদে অন্য ফসলের মতো ছড়িয়ে পড়লে বাড়তি আয়ে স্বাবলম্বী হয়ে উঠবে অসচ্ছল পরিবারগুলো। ভগিরথপুর গ্রামের রহিম মাস্টারের ছেলে সাখাওয়াত হোসেন বাবলু বলেন, কৃষি বিভাগের উদ্যোগে ২০ বিঘা জমিতে বছর খানেক আগে খুলনা কৃষি গবেষণা কেন্দ্র থেকে মিষ্টি জাতের কলম সংগ্রহ করে মালটার বাগান শুরু করি। এতে তিন লাখ টাকার বেশি খরচ হয়েছে।

মালটা চাষি নাজমুল বলেন, বাগানে চলতি বছরে এবার প্রথম ফুল ও ফল এসেছে। আগামী বছর বেশি ফলের দেখা মিলতে পারে বলে আশা করেন তিনি। বাণিজ্যিকভাবে উত্পাদন শুরু হলে বাড়তি খরচের চাপ কমে যাবে। কৃষি কর্মকর্তা সেলিম হোসেন বলেন, শুষ্ক ও উষ্ণ জলবায়ু মালটা চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী সময়। রোদযুক্ত উঁচু বা মাঝারি উঁচু জমি মালটা চাষে উত্তম। সমতল ভূমিতে বর্গাকার পদ্ধতিতে জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাসে কলম রোপণ করতে হয়। এলাকায় বারি-১ জাতের মালটা চাষ শুরু হয়েছে। বারি মালটা সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে আহরণ করে বাজারজাত করা যায়। উপজেলার ভগিরথপুর, প্রতাপপুর, কলাবাড়ি, নাস্তিপুর, জয়রামপুর গ্রামে মালটা চাষ শুরু হয়েছে। এ বাগান থেকে বাণিজ্যিকভাবে উত্পাদন শুরু হলে এ জনপদে গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙা হয়ে উঠবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সাকিবের পাশে সুবর্ণা

অনলাইন প্রতিবেদক:আচরণগ111ত সমস্যা আর নানা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্বের সেরা অলরাউন্ডার ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানকে ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে ছয় মাসের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি দেড় বছর খেলতে পারবেন না আইপিএলের মতো টুর্নামেন্টগুলোতে। এই সময়ে বিসিবির অনুমতি ছাড়া কোনো বিজ্ঞাপনচিত্রের কাজও করতে পারবেন না সাকিব। তাঁর প্রতি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের এ ধরনের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দেশের গুণী অভিনয়শিল্পী সুবর্ণা মুস্তাফা। প্রতিক্রিয়া জানানোর জন্য সুবর্ণা বেছে নিয়েছেন সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ফেসবুককে।

সুবর্ণা তাঁর ফেসবুক বার্তায় লিখেছেন, ‘এটা খুবই পরিষ্কার যে, ক্রিকেট জিনিয়াস সাকিব আল হাসান বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকার। সাকিব আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব, সে বোকা নয় যে বিসিবি কর্তৃপক্ষের কোনো ধরনের মৌখিক বা লিখিত অনুমতি ছাড়া সিপিএল খেলতে যাবে! এমনকি বোর্ডের সবাই তাঁর শিডিউল সম্পর্কেও জানত। তাহলে কেন তারা আগে থেকে সাকিবের অনাপত্তিপত্রের বিষয়ে কিছু বলেনি। কেনইবা আকরাম খান মৌখিক সম্মতি দেওয়ার পরও অনাপত্তিপত্রে স্বাক্ষর করেননি? বিসিবি এসব কী করছে! দেশের সেরা ক্রিকেট জিনিয়াসকে সুবিধা দেওয়ার পরিবর্তে ঠিক তার উল্টো অবস্থান নিয়েছে বিসিবি কর্তৃপক্ষ।’
সুবর্ণা আরও লিখেছেন, ‘স্ত্রী শিশিরের সম্মান রক্ষার অপরাধেও কি সাকিবকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে? বিসিবি কর্তৃপক্ষের কারও স্ত্রীর সঙ্গে যদি একই ধরনের ঘটনা ঘটত, তাহলে কি তাঁরা চুপচাপ বসে থাকতেন! তাঁদের প্রতি লজ্জা জানানোর ভাষা আমার জানা নাই।’

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সুবর্ণা  বলেন, ‘আশা করব, বিসিবির কর্তৃপক্ষের শুভবুদ্ধির উদয় হবে। বিসিবি কর্তৃপক্ষকে খেয়াল রাখতে হবে, কোনোভাবেই বাংলাদেশের ক্রিকেট যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এবং বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি যেন উজ্জ্বল থাকে।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

নিজের চরিত্র নিয়ে বেশিই সচেতন পরিণীতি

বিনোদন ডেস্ক: বলিউডের নায়িকারা যেখানে খানদের সঙ্গে সিনেমায় কাজ করতে মুখিয়ে থাকেন। সেখানে সদ্য বলিউডে পা দেওয়া পরি1401261881ণীতি চোপড়া, হাতের সুযোগ পায়ে ঠেললেন।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে পরিণীতি জানিয়েছেন ক্যারিয়ারের শুরুতেই খানদের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সিনেমাতে নিজের চরিত্র নিয়ে খুশি না থাকায় আমির খান, শাহরুখ খান, সালমান খানের সঙ্গে সিনেমার অফার ত্যাগ করেন পরিণীতি।

পরিণীতি জানিয়েছেন, “সিনেমাতে নিজের চরিত্র নিয়ে আমি একটু বেশিই সচেতন। তাই চরিত্র ছাড়া আর কিছুই ভাবিনা। আমার বিপরীতে খানরা আছেন, না অন্য কেউ সেটা খুব একটা বিষয় না।”

যশ চোপড়ার অফিসে পাবলিক রিলেশনের কাজ করতেন পরিণীতি। সেখানে থেকে সিনেমার প্রথম অফার। ‘লেডি ভার্সেস রিকি বহেল’ সিনেমাতে সহনায়িকা হয়েও নজর কাড়েন তিনি। তারপর ‘ইশকজাদে’, ‘শুদ্ধ দেশি রোম্যান্স’, ‘হাসি তো ফসি’তে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে তাঁর অভিনয়। আপাতত, পরিণীতি ব্যস্ত ‘দাওয়াতে-ইশক’ ও ‘কিলবিল’-এর শ্যুটিংয়ে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কেমন বর চান অপু বিশ্বাস?

ডেস্ক: ঢালিউডের অন্যতম রূপসী এবং জনপ্রিয় তারকা অভিনেত্রী। যার এক ঝলকেই কয়েকগুন বেড়ে যায় আপনার হৃদস্পন্দন সেই প্রিয়দর্শিনী অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস বিয়ে করে ফেলেছেন!এমন খবরে মুখরিত ছিল পুরো ঢালিউড পাড়া। আর কেনই বা হবে মাঝে যেন পুরই হাওয়া হয়ে গিয়েছিলেন এই অভিনেত্রী বড়পর্দা তো নয়-ই ছোটপর্দাতেও যেন তার দেখা নেই। তবে তার বিয়ের খবরে অনেকের মনে সুচ ফুটলেও ভক্তদের অবাক করে দিয়ে দীর্ঘ বিরতির পর একেবারে নতুনরূপে হাজির হলেন তিনি। তবে বিয়ে তো একদিন করতেই হবে আর তাই সম্প্রতি বিয়ে এবং মনের মতো বর নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের সাথে খোলাখুলি কথা বলেন এই অভিনেত্রী।

বিয়ে করেছেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। এমন খবরে ভক্তমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। দীর্ঘ বিরতি দেখে সিনেমা সমালোচকরা এক প্রকার ধরেই বসেছিলেন চলচ্চিত্র জগতে তার ক্যারিয়ারের বাজতে শুরু করেছে সমাপ্তির ঘণ্টা। বিয়ে প্রসঙ্গে অপুর স্পষ্ট জবাব, “আমি বিয়ে করিনি। আর এখন বিয়ে করার সম্ভাবনাও নেই। কারণ, আমি আবার নতুন করে কাজে ফিরেছি।”

apu in red

প্রত্যেক মেয়েরই একজন স্বপ্ন পুরুষ রয়েছে। তবে এই অভিনেত্রীর সপ্নের পুরুষটি কেমন? নিশ্চয়ই জানতে ইচ্ছা করছে অপু কেমন জীবনসঙ্গী চান। তবে জানুন অপুর মুখ থেকেই, আমার বরকে অবশ্যই সুন্দর হতে হবে। তাকে অবশ্যই অনেক সুন্দর মনের অধিকারী এবং উচ্চতার দিক থেকে লম্বা হতে হবে। খুব বেশি রোমান্টিক না হলেও চলবে। তবে এখানে আমার একটি শর্ত আছে। সে আমাকে ভালোবাসবে ঠিকই, কিন্তু তা বারবার মুখে না বলে আমাকে বুঝিয়ে দেবে। মানে আমি চাই, সে আমার প্রতি অনেক যত্নশীল হবে যা আমি বুঝব ঠিকই কিন্তু প্রকাশ করব না।’

বর্তমানে ‘হিরো দ্য সুপারস্টার’, ‘রাজা হ্যান্ডসাম’, ‘ভালোবাসা ২০১৪’, ‘সালাম মালয়েশিয়া’, ‘হিটম্যান’, ‘মিশন লন্ডন’সহ বেশ কয়েকটি নতুন সিনেমার কাজ রয়েছে অপু বিশ্বাসের হাতে। সিনেমা গুলোতে তাঁর সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন শাকিব খান। প্রসঙ্গত, প্রায় দেড় বছর চলচ্চিত্রের কাজ থেকে দূরে সরে ছিলেন অপু বিশ্বাস। এখন আবার পুরোদমে কাজ শুরু করেছেন জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী।

চলচ্চিত্র থেকে দূরে থাকার পেছনের কারণ সম্পর্কে অপুর ভাষ্য ছিল এরকম, অনেক কম বয়সে আমি চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করি। তাই পরিবারকে সময় দিতে পারিনি। বছরের পর বছর টানা কাজ করার পর চিন্তা করলাম, এখন তাঁদের একটু সময় দিই। এ ছাড়া আমি কিছুটা মুটিয়েও গিয়েছিলাম। এর পরও আমাকে গ্রহণ করেছেন আমার দর্শকেরা। ভাবলাম, তাঁদের ঠকানো ঠিক হচ্ছে না। তাই ওজন কমানোর সিদ্ধান্ত নিলাম। নিয়মিত শরীরচর্চার মাধ্যমে শরীরের ওজন কমিয়েছি। নিজেকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছি। এ ছাড়া গুলশানের নিকেতনে আমি নিজের একটি জিম খুলেছি। এখন থেকে বছরে ছয়টির বেশি সিনেমাতে কাজ করব না বলে ঠিক করেছি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মেয়েদের সঙ্গে যৌনতায় অংশ নেওয়া মজা বেশি সানি লিওন!

বিনোদন ডেস্কdownload-320:রাগিনির দয়ায় সানি ম্যাজিকেই আক্রান্ত বলিউডের বক্স অফিস৷। তবে বক্স অফিসের সঙ্গে সানির মাথায় নতুন ভূত! পুরুষ ছেড়ে, নারীতে মন মজেছে সানির।

সম্প্রতি ‘রাগিনি এমএমএস টু’ সাকসেস পার্টিতে এসে সানি হঠাৎই বলে উঠলেন, ‘ভারতীয় নারীদের আমার ব্যাপক লাগে। ভারতীয় নারীরা অনেক বেশি উত্তেজক অন্যান্য দেশের মেয়েদের থেকে৷’ শুধু তাই নয়, সানি জানিয়েছেন, পর্ন ফিল্ম করার সময় একবার এক ভারতীয় মেয়ের সঙ্গে সমকাম করতে হয়েছিল, সেই অভিজ্ঞতা নাকি এখনও সানি ভুলতে পারেননি।

সানির কথায়, ‘পুরুষদের সঙ্গে রতিক্রিয়া থেকেও মজা বেশি নারীদের সঙ্গে যৌনতায় অংশ নেওয়া। ’ সানি মনে করেন মেয়েদের সঙ্গে যৌনক্রিয়ার মত্ত হল তাঁর মধ্যে একটা আর্ট থাকে। পুরুষদের সঙ্গে ব্যাপারটা অনেক বেশি ড্রামাটিক।

কথায় কথায়, ‘রাগিনি এমএমএস টু’ ছবিতে সন্ধ্যা মৃদুলকে চুমু খাওয়ার ঘটনার কথা উঠলে, সানি বলেছেন ‘মেয়েদের চুমু খাওয়া আমার কাছে জলভাত৷ এতে নতুনত্ব নেই।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঢাবি ক্যাম্পাসে সিনেমার অশ্লীল শ্যুটিং!

ঢাবি প্রতিনিধি: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কার্জন হtimthumb.phpলের সামনে বাণিজ্যিক সিনেমার শ্যুটিং নিয়ে ফেসবুকে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

 

জানা যায়,গত শনিবার সকালে বাণিজ্যিক ধারার ‘বন্ধু যে তুমি’ চলচ্চিত্রের কয়েকটি মারপিটের দৃশ্য ও গানের শুট নেয়া হয়। এক পর্যায়ে পরীক্ষার হলে দায়িত্বরত এক শিক্ষক এসে তাদের বাঁধা দেন। এ সময় কথাকাটাকাটি হলে ছাত্রদের তোপের মুখে তারা সরে যেতে বাধ্য হন। পরে ছাত্ররা এক পর্যায়ে কার্জন হলের সামনে করা সকল দৃশ্য মুছে ফেলার দাবিও জানান।

 

প্রত্যক্ষদর্শী ঢাবি’র ফলিত পদার্থ বিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী হারুন-অর-রশিদ রাসেল  বলেন, “কার্জন হলের প্রধান পরীক্ষা হলের একদম সামনেই শ্যুটিং হচ্ছিল। এ সময় একটা ব্যাচের পরীক্ষাও চলছিল। আর এ সময় যদি নাচ-গানের দৃশ্যায়ন হয় তাহলে মনোযোগ ওই দিকে চলে যাওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। আর এতেই শিক্ষার্থীরা শ্যুটিং বন্ধ করতে বলে। কিন্তু শ্যুটিং ইউনিট সেটা মানতে নারাজ। তারা ডিনের কাছ থেকে নেয়া একটি অনুমতি পত্র দেখায়। তবে সেটা কোন বিভাগের ডিন দিয়েছেন এটা বলতে পারেনি। ক্যাম্পাসে শ্যুটিং হতে পারে। তবে তা যেন শিক্ষার্থী ও শিক্ষার পরিবেশের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব না ফেলে। এ কারণেই ঐতিহ্যবাহী এ ক্যাম্পাসে অবাধ শ্যুটিং করতে দেয়া হয় না।”

 

রাসেল বলেন, “দেশের সবোর্চ্চ এই বিদ্যাপীঠে শ্যুটিংয়ের সময় অবশ্যই খেয়াল রাখা উচিত যে শিক্ষার্থীদের যেন কোন অসুবিধা না হয়। বা ক্লাস-পরীক্ষা বিঘ্নিত না হয়। আর অশ্লীল নাচ-গানেরতো প্রশ্নই ওঠে না। আমরা শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন থেকেই ক্লাস-পরীক্ষা চলাকালিন সময়ে এ ধরনের শ্যুটিং বিড়ম্বনার শিকার হয়ে আসছি। আমরা চাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে শিক্ষার্থীরা যেন এই ধরনের অসুবিধার মুখোমুখি না হয়। বেশকিছু শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেদের মতো প্রতিবাদও জানিয়েছে।”

 

পরীক্ষার হলের সামনে গান ও অ্যাকশনের দৃশ্য ধারণ করায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেক শিক্ষার্থী। এ নিয়েই ফেসবুকে চলে সমালোচনার ঝড়। যেখানে সিনেমার শ্যুটিংয়ের জন্য সহযোগিতা করার কথা সেখানে সমালোচনার কারণ হিসেবে অনেকেই নিম্নমানের সিনেমাকে দায়ী করেছেন। তথাকথিত ফর্মূলার ছবিতে কার্জন হলকে ব্যবহার করতে তাই শিক্ষার্থীদের আপত্তি। শুধু কি শিক্ষার্থীদের আপত্তি,সম্ভবত সকল সিনেমা সচেতন নাগরিকও তা চাইবেন।

 

শহিদুল্লাহ হলের শিক্ষার্থী হুসাইন আহমেদ সোহান তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেন,বিএফডিসিতে পরিণত হতে যাচ্ছে আমাদের সবার প্রিয় কার্জন হল! এখানে পড়াশুনা হয়না,এখানে নাচ-গান হয়। দেশের স্বনামধন্য তারকারা কোমর দোলানোর জন্য বেছে নিয়েছেন কার্জনকে।

 

মিশু কাজী নামের একজন মন্তব্য করেছেন, “এটা ছিল…মৃগী রোগাক্রান্ত সার্কাস পার্টি।”

 

আর প্রজাপতি রং নামের একজন লিখেছেন, “লাঠি দিয়া দাবড়ানি দিয়া বের করে দেন এইসব Down Market ৩ টাকার নাচনেওয়ালিদের। মন্তব্য ছাড়াও শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় কোনো অশ্লীল দৃশ্য ধারণ করতে যেনো না পারে সেব্যাপারে কর্তৃপক্ষের কাছে আহ্বান করেছে।”

 

এ ব্যাপারে কার্জন হলের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. খোরশেদ আহমেদ কবির  বলেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের গর্ব। আর এই গর্বের প্রতিষ্ঠানটিতে শুটিং হতেই পারে। শ্যুটিংয়ের জন্য ভিসির কাছ থেকে অনুমতি নিতে হয়। তবে পরীক্ষা বা ক্লাস চলাকালিন সময়ে শ্যুটিং না করাটাই ভালো। অনেক সময় ভিসিকে ভুল তথ্য দেয়া হয় যে, কোন পরীক্ষা চলছে না। ফলে শ্যুটিংয়ে নেমে যায় তারা। এ সময় শিক্ষার্থীদের মনোযোগ বিঘ্নিত হয়। এছাড়াও অশ্লীল দৃশ্যের দৃশ্যায়ন ক্যাম্পাসের মতো জায়গায় কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।”

 

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফাহমিদুল হক পরিবর্তনকে বলেন, “বিশ্বের সব দেশেই প্রসিদ্ধস্থানগুলোকে তুলে ধরার জন্য সিনেমার শ্যুটিংয়ের জন্য অনুমতি দেয়া হয়। আমাদের দেশও এর ব্যতিক্রম নয়। আমরাও চাই আমাদের গর্বের জিনিসগুলো আমাদের সিনেমায় উঠে আসুক। আমি জানি না সেই গানের দৃশ্যগুলি কেমন ছিল। তবে অশ্লীল গানের দৃশ্যায়নে আমাদের ঐতিহ্যের স্থানগুলোকে না জড়ানোই সবচেয়ে ভালো হবে। আর শিক্ষার্থীদের যেন ডিস্টার্ব (বিরক্ত) না হয় এটা-তো মাথায় রাখতেই হবে।”

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

নগ্ন পুনমের মগ্ন ধ্যান

ডেস্ক
বিনোদন punom_15855ডেস্ক: বাইরে ফুড়ফুড়ে মিষ্টি হাওয়া৷ ভিতরটা উষ্ণ৷ জোরে জোরে নিশ্বাসের আওয়াজ৷ অক্সিজেন অন, কার্বন-ডাই-অক্সাইড গন৷ বক্ষ ক্রমাগত উঠছে, নামছে৷ শিরদাঁড়া সোজা পুনম পাণ্ডে ধ্যানে মগ্ন৷ আরে বাবা এটাও কোনও খবর হল? বলি মশাই, পুনম পাণ্ডে যা করবেন সেটাই এখন খবর৷ কারণ পুনম জানেন খবর থাকতে হয় কী করে৷ কী করে পরতে হয় নজরে৷ তাই তো ধ্যানে মগ্ন হয়েও ‘সেলফি ’ তুলতে ভুল করেননি৷ তবে এ ধ্যান এমনি সেমনি ধ্যান নয়, একেবারেই যৌনতায় টইটুম্বুর৷
গপ্পোটা হল, রোজ সকাল সকাল উঠে নাকি খালি গায়ে, শুধু মাত্র অর্ন্তবাস পরে মেডিটেশনে চলে যান পুনম৷ পুনমের কথায়, রিল্যাক্সশেসন এইভাবেই করা উচিত৷ একেবারে মুক্ত হয়ে৷ তবে ধ্যান করেছেন, সে নয় ঠিকই আছে কিন্তু সেই ছবি টুইটারে কেন? পুনমের উত্তর, আমার ফ্যানেদের জানাতে চাই আমার লাইফস্টাইলের ব্যাপারে৷ আর জানাতে চাই ‘সিকরেট অফ মাই সেক্সিনেস’৷
কিছুদিন আগে ভ্যালেন্টাইনস ডে-তে পুনম টুইটারে আপলোড করেছিলেন আরও একটি যৌনতাকে উসকে দেওয়ার ছবি৷ যেখানে, প্রায় উন্মুক্ত পোশাকে শুয়ে ছিলেন একটি সোফার উপর৷ নিয়ম মেনে প্রত্যেক সপ্তাহে পুনমের এরকম ছবি আপলোড দিন দিন বাড়িয়ে চলছে টুইটারে পুনমের ফ্যান ফলোয়িং৷

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

হুমায়ূন আহমেদের অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করবেন শাওন

নিজস্ব প্রতিবেদক: image_542_76179_13453_0২০০৮ সালে শাওনের জন্য ‘গৌরীপুর জংশন’ চলচ্চিত্রের গল্প লিখেছিলেন হুমায়ূন আহমেদ। এ পাণ্ডুলিপি দিয়েই চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে শাওনকে সুযোগ দিতে চেয়েছিলেন হুমায়ূন আহমেদ। কিন্তু নানা কারণে তখন সেটা নির্মাণ করতে পারেননি শাওন। ‘গৌরীপুর জংশন’ নিয়েই চলচ্চিত্র নির্মাণ করবেন শাওন। এ জন্য সব মিলিয়ে প্রায় বছর খানেকের প্রস্তুতি প্রয়োজন তার। সব ঠিক থাকলে এ বছরের নভেম্বরে ‘গৌরীপুর জংশন’-এর নির্মাণ প্রক্রিয়া শুরু করবেন তিনি। শাওন বলেন, ‘লম্বা প্রস্তুতির অন্যতম কারণ দুই ছেলে। আমার হাতে হুমায়ূন আহমেদের দুটি চলচ্চিত্রের পাণ্ডুলিপি রয়েছে। এগুলোর মধ্যে ‘গৌরীপুর জংশন’টি আগে শুরু করব। এরপর হুমায়ূন আহমেদের ২০০৫ সালে লেখা ‘নির্বাসন’। এটি তারই নির্মাণ করার কথা ছিল।’ এদিকে চলচ্চিত্র নির্মাণের পাশাপাশি শাওন হুমায়ূন আহমেদের অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করবেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ‘জোছনা ও জননীর গল্প’ নিয়ে নতুন করে কাজ শুরু করবেন। হুমায়ূন আহমেদ বেঁচে থাকতে বিটিভির জন্য নাটকটির ২৬ পর্বের কাজ শেষও করেছিলেন। কিন্তু তখন লালন ভাস্কর্য ভাঙার প্রতিবাদে তিনি আর এটি নির্মাণ করেননি। হুমায়ূন আহমেদ নাটকটির যেখানে শেষ করেছিলেন, সেখান থেকেই শুরু করবেন শাওন।

শাওন বললেন, ‘জোছনা ও জননীর গল্প’ হুমায়ূন আহমেদের অমর উপন্যাস। যতটুকু কাজ তিনি করে গেছেন এক কথায় তা অসাধারণ। আমার চেষ্টা থাকবে তার কাজের সঙ্গে যতটুকু সম্ভব মিল রেখে শেষ করে যাওয়া।’
উল্লেখ্য, নির্মাণের পাশাপাশি শাওন নৃত্যবিষয়ক রিয়েলিটি শো ‘সেরা নাচিয়ে’র বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এ কাজেও তাকে এখন বেশ সময় দিতে হচ্ছে।

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অন্তরঙ্গ দৃশ্যে আমান ও মিমো

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

রাইমা হচ্ছেন সুচিত্রা

ডেস্ক: মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের জীবনী নিয়ে চলচ্চিত্র বানাতে যাচ্ছেন অভিজিত্ চৌধুরী। আর তাতে সুচিত্রার চরিত্রে অভিনয় করবেন সুচিত্রা-তনয়া মুনমুনের ছোট মেয়ে রাইমা সেন। খবর জি নিউজের।

বিজ্ঞাপন জগতে খ্যাতিমান পরিচালraima19ক অভিজিত্ চৌধুরী এর আগে শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের ‘পাতাল ঘর’ অবলম্বনে চলচ্চিত্র নির্মাণ করে সবাইকে চমকে দেন। দীর্ঘ বিরতির পর এবার তিনি সুচিত্রা সেনকে নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন। এই ছবির নামও হবে ‘সুচিত্রা’। ছবিটি নিয়ে তিনি অনেকদিন ধরেই কাজ করছেন। ইতিমধ্যেই সুচিত্রা চরিত্রে অভিনয় করার অফারও পেয়ে গেছেন রাইমা।

এ প্রসঙ্গে রাইমা বলেন, ‘আমি এখনই হ্যাঁ বা না কিছুই বলতে পারছি না। কারণ, সবচেয়ে বড় ব্যাপার হচ্ছে চিত্রনাট্য। যদি সব ঠিকমতো হয়, তাহলে এটা একটা ঐতিহাসিক ছবি হতে পারে। কারণ, ফিকশন আর নন ফিকশন মিলিয়ে এই ধরনের ছবি এখানে আগে কেউ বানায়নি।’

পরিচালক অভিজিত্ বলেন, ‘এটা ঠিক যে, সুচিত্রা সেনের জীবনালেখ্য নিয়েই চলচ্চিত্রটি বানাতে চাই। তবে, কী স্ট্রাকচার হবে সেটা এখনও ঠিক হয়নি। চিত্রনাট্য লেখা শেষ হলেই আমি রাইমার সঙ্গে দেখা করব।’

‘ভূতের ভবিষ্যত্’-এর প্রযোজক উজ্জ্বল সিংহ ‘সুচিত্রা’ প্রযোজনা করবেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মূল গল্প হচ্ছে— এক সাধারণ মেয়ের বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে অনন্য হয়ে ওঠার কাহিনী। তারপর খ্যাতির মধ্যগগনে থেকে, একটা সময় আড়ালে চলে যাওয়া।’

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অভিনন্দনে সিক্ত আসিফ নজরুল-শীলা আহমেদ

ডেস্ক :অধ্যাপক-টকশো সেলিব্রেটি আসিফ নজরুল এবং প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের মেজ মেয়ে অভিনেত্রী শীলা আহমেদের বিয়ের খবর এখন ট59999_1_42429-300x184ক অব দ্য কান্ট্রি। প্রায় দু’মাস আগে বিয়ে করেছেন তারা। গতকাল দুপুর নিজেরা বিয়ের ছবি প্রকাশ করে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে সবমহলের কাছ থেকে অভিনন্দনে সিক্ত হচ্ছেন এ নবদম্পতি। ১০-১২ বছর আগে আসিফ-শীলার বিয়ে এবং ডিভোর্সের জোরালো গুঞ্জন উঠেছিল। কিন্তু পরবর্তীতে দুজনেই অন্য জীবনসঙ্গী বেছে নিলে গুঞ্জন চাপা পড়ে। আসিফ এর আগে অভিনয়শিল্পী রোকেয়া প্রাচীকে বিয়ে করেছিলেন। সেই সংসারে ছয় বছরের একটি সন্তানও রয়েছে। অন্যদিকে শীলা আহমেদের আগের ঘরে চার বছর ও দুই বছর বয়সী দুটি সন্তান রয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

আসিফ নজরুলকে বিয়ে করলেন হুমায়ুনকন্যা শীলা

অনলাইন ডেস্ক:বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হলেন আসিফ নজরুল ও শীলা আহমেদ। মাস দুয়েক আগে তাদের বিয়ে হয়েছে বলে জানা গেছে। আসিফ নজরুল ও শীলা আহমেদের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে যুগল ছবি প্রকাশের পর বিষয়টি আলোচনায় আসে।

এর আগে ১১-১২ বছর আগে আসিফ-শীলার বিয়েsheila_34116র জোরালো গুঞ্জন উঠেছিল। যদিও শেষ পর্যন্ত তা গুঞ্জনই থেকে যায়, বিয়েতে গড়াতে দেখা যায়নি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুলের সঙ্গে এর আগে অভিনয়শিল্পী রোকেয়া প্রাচীর বিয়ে হয়েছিল। সেই সংসারে ছয় বছরের একটি সন্তান রয়েছে। অন্যদিকে, হুমায়ূন আহমেদের কন্যা শীলা আহমেদও এর আগে একবার বিয়ে করেছিলেন। ওই সংসারে তার দুটি সন্তান রয়েছে। দুজনেরই কয়েক মাস আগে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে।

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free