বিনোদন খবর

ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে অন্তরঙ্গ দৃশ্যে সুযোগ পেয়েই চার হাঁকিয়েছি’

করণ জোহর পরিচালিত `অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল` ছবিতে ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ও রণবীর কাপুরের `হট কেমিস্ট্রি` কম জলঘোল হয়নি। তবে এতোদিন এ প্রসঙ্গে মুখ খুলেননি রণবীর। এবার জানালেন, সুযোগ ছিল, তার সদ্ব্যবহার করেছি। এছাড়া ঐশ্বরিয়াও তাকে বলেছিলেন, ঘনিষ্ঠ হোক বা যেকোনো দৃশ্য, নিখুঁতভাবে করতে হবে।

তবে ছবি মুক্তির পর জানা গেছে, ছবিতে মুখ্য নারীর চরিত্রে রয়েছেন আনুশকা শর্মা। তবে প্রথম থেকে আলোচনায় ছিল ছবিতে ঐশ্বরিয়া-রণবীরের ঘনিষ্ঠ দৃশ্য। রণবীরের থেকে আট বছরের বড় বচ্চনবধূ। কিন্তু এই জুটিই ছবির সব আকর্ষণ কেড়ে নিয়েছে।

রণবীর মজা করে বলেন, ‘তখনি আমি চিন্তা করলাম, এমন সুযোগ আর আসবে না। তাই সুযোগ পেয়েই চার হাঁকিয়ে দিলাম।’ এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এমনটাই জানিয়েছে ভারতীয় পত্রিকা টাইমস অব ইন্ডিয়া।

এক রেডিওকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রণবীর বলেন, প্রথমে তিনি দ্বিধাগ্রস্থ ছিলেন, কীভাবে তিনি ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে এ ধরনের ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করবেন? তারপর নায়কের দাবি, ঐশ্বরিয়া তাকে ডেকে বলেন, ছবির প্রতিটি দৃশ্য যেন নিখুঁত হয়। এরপরই রণবীর ভেবে নেন, সুযোগের সদ্ব্যবহার করবেন তিনি, এবং সত্বঃস্ফূর্তভাবে সেই অভিনয় ফুটিয়ে তুলবেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মহাসমারোহে শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু

মহাষষ্ঠীতে বোধনের মধ্য দিয়ে বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা শুক্রবার (৭ অক্টোবর) থেকে শুরু হয়েছে।

মহাশক্তি মহামায়া দুর্গতিনাশিনী দুর্গা এবার স্বামীর গৃহ কৈলাস থেকে বাবার বাড়ি বসুন্ধরায় আসছেন ঘোটকে (ঘোড়ায়) চড়ে। আর ফিরবেনও ঘোড়ায় চড়ে।

এদিন (শুক্রবার) দেবী দুর্গা মহিষাসুর বধে খড়গ-কৃপাণ, চক্র-গদা, তীর-ধনুক আর ত্রিশুলহাতে হাজারো মণ্ডপে অধিষ্ঠিত হলেন।

সকালে রাজধানীর রামকৃষ্ণ মিশন, সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির, ঢাকেশ্বরী মন্দির, শাঁখারী বাজার, লক্ষ্মীবাজারে দেখা গেছে উৎসবের আমেজ।

মহাষ্টমীর দিনে কেবল রাজধানীর গোপীবাগে রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠ পূজোমণ্ডপে কুমারী পূজো অনুষ্ঠিত হবে।

দেবী বোধন ও অধিবাস সহকারে ষষ্ঠী পূজার মাধ্যমে শুরু হলো পাঁচ দিনের শারদীয় দুর্গোৎসব। শাস্ত্র মতে, এবার মা দুর্গা ঘোড়ায় চড়ে আসার কারণে বিশ্বে প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কা রয়েছে।

এ বছর ঢাকা মহানগরীতে ২২৯টিসহ সারাদেশে ২৯ হাজার ৩৯৫টি মণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছে। পাঁচ দিনব্যাপী দুর্গা মণ্ডপে চলবে ভক্তিমূলক সঙ্গীতানুষ্ঠান, মহাপ্রসাদ বিতরণ, সন্ধ্যায় আরতি প্রতিযোগিতা।

রাজধানীতে বিজয়া দশমীর দিন ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির মেলাঙ্গন থেকে বিজয়ার শোভাযাত্রা বের করা হবে। বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে সার্বজনীন শারদীয় দুর্গোৎসব।

বিজয়া দশমী উপলক্ষে ১১ অক্টোবর সরকারি ছুটি। এদিন রাষ্ট্রপতি হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য বঙ্গভবনে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করবেন। দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিটিভি ও বাংলাদেশ বেতারসহ বেসরকারি চ্যানেলগুলো বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করে থাকে। সংবাদপত্রগুলো প্রকাশ করে বিশেষ ক্রোড়পত্র।

শনিবার (৮ অক্টোবর) সপ্তমী, রোববার (৯ অক্টোবর) অষ্টমী, সোমবার (১০ অক্টোবর) মহানবমী এবং মঙ্গলবার (১১ অক্টোবর) বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শেষ হবে।

হিন্দু সম্প্রদায়ের সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে দুর্গোৎসব উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণী দিয়েছেন।

শুভেচ্ছো জানিয়েছেন বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি রিয়াজ পারভেজ, সিনিয়ার সহসভাপতি আবুল হোসেন,সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাস, রঞ্জিত চক্রবর্তী, খুলনার জাহাঙ্গীর আলম, সাংগাঠনিক সম্পাদক খায়রুল ইসলাম, এস এম সাইদুল্লাহ সহ কেন্দ্রিয় কমিটির সকল নেতৃবৃন্দ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পূজার বাদ্যি বাজে..

অনলাইন ডেস্ক:

ছেলেদের ক্ষেত্রে পূজার সময় ধুতি-পাঞ্জাবির ওপর আর কোনো পোশাক ভালো লাগে না। আজকাল ধুতির রঙেও পরিবর্তন এসেছে, আগে শুধু সাদা রঙের ধুতি পরত। এখন বিভিন্ন রঙের যেমন সাদা বা অফ হোয়াইট রঙের পাঞ্জাবির সঙ্গে লাল ধুতি, কালো ধুতি, লাল বা মেরুন রঙের পাঞ্জাবির সঙ্গে সাদা বা অফ হোয়াইট ধুতি, গোল্ডেন, সবুজ প্রায় সব ধরনের ধুতি এখন পাওয়া যায়। আর সঙ্গে যোগ হয়েছে বিভিন্ন ডিজাইনের উত্তরীয়। উত্তরীয়র ক্ষেত্রেও রয়েছে নানা রঙের বিচরণ। চারদিকে ঢাকঢোলের বাজনা, শঙ্খের শব্দ, ধূপের ঘ্রাণ, বিভিন্ন মন্ত্রে মুখরিত পূজার আয়োজনে নিজেকে যেন না সাজালেই নয়।

সামনেই দশমী। দশমীতে সাধারণত লাল রংকে প্রাধান্য দেয়া হয়। কারণ সেদিন দুর্গাকে সিঁদুর পরিয়ে বিসর্জন দেয়া হয়। আর চলে সিঁদুর খেলা।
সেদিন বিবাহিত মেয়েরা দুর্গার পায়ে রাখা সিঁদুর মাথায় দেন আর ওই সিঁদুর সারা বছর তারা ব্যবহার করেন। তরুণীরা সিঁদুর রঙের সঙ্গে মিলিয়ে দশমীর দিন লাল রঙের শাড়ি পরে। শাড়ির সঙ্গে সোনার গহনা পরা যেন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ঐতিহ্য। সেই শাশুড়ির দেয়া ভারী ভারী গহনা এখন অনেকেই পরতে চান না।
এছাড়া যে কোনো শাড়ির সঙ্গে গলায় রুদ্রাক্ষের মালা পরলে একটা ট্র্যাডিশনাল লুক আসবে। পূজার সময় শাড়ির সঙ্গে ব্লুাউজের কাট গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। ফুল সিøভের ব্লাউজ, পিঠে গোল বা স্কয়ার গলা থাকলে ভালো।
মোটকথা, বাঙালির পূজার পোশাকে বাঙালিয়ানা ধরা দেয় উৎসবের আদলে।
সাজসজ্জা
সাজসজ্জা যদিও নিজের রুচি ও ভালো লাগার বহিঃপ্রকাশ, তবুও এটি যেহেতু ধর্মীয় উৎসব তাই ধর্মীয় ট্র্যাডিশনকেই গুরুত্ব দেয়া হয়। হিন্দুধর্মে বিবাহিত মেয়েদের সিঁথিতে সিঁদুর থাকবে না তা যেন অসম্ভব। হিন্দু বিবাহিত মেয়েদের সিঁথিতে সিঁদুর যেন সাজের পূর্ণতা এনে দেয়। এই পূর্ণতার মাঝে পোশাকের গুরুত্বও অনেক। পূজার সময় মেয়েরা সাধারণত শাড়ি বেছে নেয়। আর শাড়ির সত্যিকার সৌন্দর্য ফুটে ওঠে ব্লাউজের মাধ্যমে। ব্লাউজের কাটছাঁটে পূজার আমেজ ফুটে উঠলে পুরো পোশাকে একটা উৎসবধর্মী ভাব চলে আসবে। ফ্যাশন হাউসগুলো চেষ্টা করে নতুনত্বকে ধরে রেখে ট্র্যাডিশনকে প্রাধান্য দিতে। সাজ-পোশাকে বাঙালিয়ানা থাকা চাই। পূজার ব্লাউজের বিশেষ ধরন সম্পর্কে কে-ক্র্যাফটের ডিজাইনার শাহনাজ খান জানান, ব্লাউজের ক্ষেত্রে হাতা ও গলার স্টাইল পরিবর্তনের মাধ্যমে পূজার বিশেষ লুক দেয়া হয়। ব্লাউজের গলায় ও হাতে কুচি দিয়ে একটা ব্যতিক্রমী আমেজ নিয়ে আসা যায়। থ্রি কোয়ার্টার হাতার সঙ্গেও কুচি দেয়া যায়। এছাড়া ঘটিহাতা তো রয়েছেই। একটু কারুকাজ করা ঘটিহাতার ব্লাউজের কোথায় যেন পূজার আমেজ খুঁজে পাওয়া যায়। ব্লাউজে এমব্রয়ডারির কাজ করা থাকলেও বেশ উৎসবধর্মী একটা ভাব আসে। হাতায় লেইস অথবা কুচি দেয়া ব্লাউজের সঙ্গে এক প্যাঁচে পরা শাড়ি মানিয়ে যায় বেশ। এছাড়া ঘটিহাতা বা থ্রি কোয়ার্টার হাতায় বড় কুচি দেয়া ব্লাউজও ভালো লাগবে। জমকালো পার্টিতে মসলিন বা গর্জিয়াস কোনো শাড়ির সঙ্গে অ্যান্ডি মেশানো ব্লাউজ মানানসই। আবার টাঙ্গাইল বা বড় পাড়ের সাধারণ সুতি শাড়ির জন্য ঘটিহাতা বা পাইপিং বসানো ব্লাউজ বেশি ভালো দেখাবে। শাহনাজ খান জানান, ব্লাউজ শাড়ির সঙ্গে কনট্রাস্ট হতে পারে। আবার এক রঙেরও হতে পারে। তবে যেহেতু পূজা, লাল-সাদা থাকা চাই। আবার শাড়িতে সোনালি সুতা বা জরি দিয়ে কাজ করা থাকলে ব্লাউজ গোল্ডেন হতে পারে। যাই হোক না কেন, পূজার সাজে স্নিগ্ধতা থাকা জরুরি। সেই স্নিগ্ধতার সঙ্গে সিঁদুরের পবিত্রতা মিলেমিশে যেন পূজার আমেজে পূর্ণতা এনে দেয়। বিউটি এক্সপার্ট কাজী কামরুল ইসলাম বলেন, সিঁদুর বিভিন্ন স্টাইলে পরতে দেখা যায়। বিবাহিত মেয়েদের সিঁথিতে সিঁদুর থাকা জরুরি এবং এ সাজটি বিভিন্নভাবে সম্পন্ন করা যায়। সাধারণত যাদের মুখ গোল, কপাল অপেক্ষাকৃত ছোট এক প্যাঁচে শাড়ি ঘটিহাতা বা হাতায় কুঁচি দেয়া ব্লাউজের সঙ্গে মাঝখানের সিঁথিতে সিঁদুর, কপালে বড় বা মাঝারি লালটিপ মানানসই। যাদের মুখ লম্বা, কপাল অপেক্ষাকৃত বড় তাদের পাশে সিঁথি করে কপালের মাঝ বরাবর চিকন করে সিঁদুরের টান দিলে ভালো লাগে। কপালে লম্বাটে হাতে আঁকা টিপ। এছাড়া ত্রিভুজাকার করেও সিঁদুর ভালো মানাবে। সালোয়ার-কামিজের সঙ্গে ছোট্ট বা চিকন করে সিঁদুর থাকলেই ভালো। জমকালো শাড়ি-ব্লাউজের সঙ্গে কখনো মোটা কখনো চিকন, কখনওবা সাইড সিঁথি করে মাঝখানে সিঁদুর এঁকে দিলে ভালো মানায়। খোলা চুলে চিকন করে এবং বাঁধা চুলে মোটা করে সিঁদুর আঁকা যায়।  স্টাইল কর্নার ডেস্ক
মডেল: রুমা, রিবা ও জনি
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পাকিস্তানিদের রোষানলে আদনান সামি

adnan-saniবিনোদন ডেস্ক: উরি হামলা নিয়ে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে রাজনৈতিক বিরোধ চলছে। সেই বিরোধের হাওয়া রঙিন দুনিয়ায়ও লেগেছে।

যার কারণে পাকিস্তানের শিল্পীরা ভারত কাজ করতে পারছেন না। সম্প্রতি ভারতের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের প্রশংসা করে পাকিস্তানিদের রোষানলে পড়েছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আদনান সামি।

পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত আদনান সামির জন্ম ব্রিটেনে। সম্প্রতি তিনি ভারতের নাগরিক হয়েছেন। বেশকিছু গানের মধ্য দিয়ে বলিউডে জনপ্রিয়তা লাভ করেন সামি।

স্যার্জিক্যাল স্ট্রাইকের পর মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারে এক টুইট বার্তায় আদনান সামি লেখেন, ‘সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে একটি অসাধারণ, সফল, সুদক্ষ এবং কৌশলী আঘাতের জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে এবং আমাদের আর্মস ফোর্স বাহিনীকে অনেক শুভেচ্ছা।’

এই টুইটের পরে গোটা ভারত তাকে সমর্থন করলেও পাকিস্তানের জনগণের রোষানলে পড়েন তিনি। তার বিরুদ্ধে অনেকেই টুইট করেছেন। অনেকেই তাকে প্রতারক এবং বহুরূপী বলে সম্বোধন করেন। অনেক পাকিস্তানি টুইটারে তাকে গালিগালাজ করেছেন এবং তিনি শিকড় ভুলে গেছেন বলে তার প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করেছেন।

এদিকে তার টুইটে পাকিস্তানিদের এমন প্রতিক্রিয়া দেখে আদনান সামি আরো একটি টুইট করেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘পাকিস্তানিরা আমার আগের টুইট করে যে রকম প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন তাতে স্পষ্ট যে পাকিস্তানি ও জঙ্গিদের তারা একই নজরে দেখেন।’
২০০১ সালের ১৩ মার্চ এক বছরের ভিজিটের ভিসা নিয়ে প্রথম ভারতে প্রবেশ করেন আদনান সামি। এরপর অনেকবারই তাকে ভিসার মেয়াদ বাড়াতে হয়েছে। সর্বশেষ গত বছর ২৬ মে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে তিনি ভারতীয় সরকারের কাছে সেই দেশে থাকার বৈধতা চেয়ে আবেদন করেন। পরে ভারতীয় সরকার তা অনুমোদনও করে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

হাজারো হৃদয় কেড়েছে ৬ মাস বয়সী মেয়ে

babyএস কে দাস: মিস্টি এক মেয়ে রীতিমতো অনলাইন স্টারে পরিনত হয়েছে। আর এমন অবস্থা হয়েছে মূলত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার বাবা-মায়ের শেয়ার করা একটি ছবির মাধ্যমে। ছবিতে মেয়েটি এক নর্তকীর সঙ্গে অতিমানবীয় উচ্ছাসে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে দেখা যাচ্ছিলো। যা এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম রেডিট-এ ভাইরাল হয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার ডেইলি মেইল এক প্রতিবেদনে জানায়, গত সপ্তাহেই ২৭ বছর বয়সী ক্রিস্টেন শোয়েডম্যান তার ছ’মাস বয়সী মেয়ে স্টেলাকে নিয়ে ব্রিটেনের ডেলওয়ারের উইলমিংটনে অবস্থিত রকউড পার্কে একটি মেলায় গিয়েছিলেন। সেখানেই এবিগাল কাউয়ান নামে এক নর্তকীর সঙ্গে মা-মেয়ের দেখা হয়। দেখা হওয়ামাত্রই স্টেলা দারুণ আনন্দে এবিগালকে স্বাগত জানায়। আর ওই মহুর্তটি ক্যামেরার ক্লিকে ধরাও পড়ে যায়।
ক্রিস্টেন ডেইলি মেইলকে বলেন, ‘বিদায় জানাতে আমি এবিগালের দিকে স্টেলাকে তুলে ধরেছিলাম। আর তখনই ছবির মতো করে স্টেলা তার মাতাল আনন্দ প্রকাশ করে।’ পরে তার স্বামী ডেরেক ছবিটি রেডিট-এ প্রকাশ করে।
ক্রিস্টেন আরও বলেন, ‘আমি জানিনা এবিগালের কোন ব্যাপারটি তাকে এতো আনন্দ দিয়েছে। তবে, তার এমন আনন্দ আমি এই প্রথম দেখেছি।’ সূত্র : ডেইলি মেইল

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পার্চড’ সিনেমা নিষিদ্ধের দাবি

ddd-1অনলাইন ডেস্ক: বলিউডের বিতর্কিত সিনেমা পার্চড। কিছুদিন আগে এ সিনেমার নগ্ন দৃশ্য ফাঁস হওয়ায় সমালোচনার মুখে পড়ে সিনেমাটি।

এবার প্রেক্ষাগৃহে যাতে সিনেমাটি প্রদর্শিত না হয় সে জন্য জোর দাবি জানিয়েছে ভারতের রাবাড়ি সম্প্রদায়ের একটি দল। শুধু তাই নয় নির্মাতা লীনা যাদবকে হত্যার হুমকিও দিচ্ছেন তারা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এ খবর প্রকাশ করেছে।

এ প্রসঙ্গে পরিচালক লীনা যাদব বলেন, ‘রাবাড়ি সম্প্রদায়ের দাবি- এই সিনেমায় অভিনেত্রী তন্নিষ্ঠা চ্যাটার্জিকে যে পোশাকে দেখানো হয়েছে, রাবাড়ি সম্প্রদায়ের মহিলাদের সঙ্গে এর মিল রয়েছে। আর এই সিনেমার মাধ্যমে এই বিশেষ সম্প্রদায়ের মহিলাদের অপমান করা হয়েছে। এ জন্যই তারা সিনেমাটি নিষিদ্ধের দাবি জানাচ্ছেন।’

পরিচালক বিরক্ত প্রকাশ করে বলেন, ‘সিনেমায় যে পোশাক ব্যবহার করা হয়েছে তাতে গুজরাটি এবং রাজস্থানি ধাঁচের মিশ্রণ রয়েছে। পোশাকের উপর ভিত্তি করে কোনো সিনেমার বিরোধিতা করা সঠিক নয়। এই সিনেমা কোনো সম্প্রদায়ের মানুষকে অপমান করার জন্য নির্মাণ করা হয়নি। আর আগামীকাল যদি আমি থাইল্যান্ডের পোশাক পরি, তবে কী আমি থাইল্যান্ডের বাসিন্দা হয়ে যাব?’

এ দিকে পরিচালকের পরিবারকে মোবাইল ফোন ও হোয়াটস অ্যাপের মাধ্যমে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে এই সম্প্রদায়। পুরো ঘটনা জানিয়ে ইতোমধ্যে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন নির্মাতা।

এ সিনেমার কাহিনি গড়ে উঠেছে চার মহিলার ঝলসে যাওয়া জীবনের বাসনার কথা নিয়ে। ব্যক্তিগত জীবনে তাদের নিজস্ব সমস্যা, পুরুষদের অবহেলা আর অত্যাচার মাথায় নিয়েই তাদের দিন কাটাতে হয়। কিন্তু অনেক সুপ্ত বাসনা তাদের মনে। এই চার রমণী তাদের সুপ্ত ইচ্ছের কথা, স্বপ্নের পুরুষের কথা, যৌনতার কথা আলোচনা করে সিনেমার গল্পজুড়ে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে বেশ কিছু ঘনিষ্ঠ দৃশ্যও রয়েছে সিনেমাটিতে। এতে অভিনয় করেছেন রাধিকা আপ্তে, তন্নিষ্ঠা চ্যাটার্জি, আদিল হোসেন, অদিতি গুপ্তা ও সুরভিন চাওলাসহ অনেকে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জাবি ছাত্রের সংগ্রামী জীবন ‘জননী’, আসছে মাছরাঙায়

image_165772_0জাবি: একমাত্র ছেলে সমশেরকে নিয়ে রহিমার অভাবি সংসার। চাতালে দিনমজুরির ভিত্তিতে কাজ করে কোনরকমে তার দিন কেটে যায়। এর পরেও একমাত্র ছেলেকে মানুষের মতো মানুষ করার জন্য রহিমা থাকে বদ্ধপরিকর। শত অভাব অনটনেও আত্মপ্রত্যয়ে অটুট থেকে ছেলের লেখাপড়ার খরচ চালিয়ে যায় সে। একমাত্র ছেলেকে নিয়ে অভাব আর সংগ্রামের মধ্য দিয়েই চলতে থাকে রহিমার জীবন।

এদিকে রহিমার চলমান জীবনের সাথে তাল মিলিয়ে গল্পও এগিয়ে যায় সমগতিতে। কিন্তু বিপত্তি বাধ সাধে ভিন্ন জায়গায়। দৈনন্দিনের মতো চাতালে কাজ করতে গিয়ে ঘটনাক্রমে একদিন চাতালের মহাজন তমিজ আলির কাছে ধর্ষণের শিকার হয় রহিমা। আর এতেই যা হবার তা হয়ে যায়। জীবনের প্রতি বিতৃষ্ণা থেকে রহিমা আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ঘটনা মোড় নেয় ভিন্ন দিকে।

এমনি একটি অভাবি ও সংগ্রামী জীবনের গল্প নিয়ে বাউল আতিকুর রহমান রিপন নির্মাণ করেছেন একক নাটক জননী।

ধ্রুপদী রিপনের রচনায় নাটকটিতে অভিনয় করেছেন ওয়াহিদা মল্লিক জলী, শতাব্দি ওয়াদুত, শাহানা আক্তার, নজরুল মিয়াসহ প্রায় শতাধিক অভিনয় শিল্পী।

নাটকটি প্রযোজনা করেছেন মোঃ মেহেদী হাসান। নাটকটি শীঘ্রই মাছরাঙ্গা টেলিভিশনে সম্প্রচার হবে বলে নির্মাতা সূত্রে জানা গেছে।

এছাড়াও বাউল রিপনের ‘যদি এবং তাইলে’ নাটক এবং ‘নিভে গেলো জোনাকী’ টেলিফিল্ম নির্মাণ করে চলচ্চিত্র জগতে একজন নতুন ও ভিন্নধর্মী নির্মাতা হিসাবে বেশ সুনাম করেছেন।

নির্মাতা রিপন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগ থেকে স্নাতকত্তোর সম্পন্ন করেছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

নগ্ন দৃশ্য নিয়ে মুখ খুললেন রাধিকা!

radhikaঅনলাইন ডেস্ক: এতদিন অভিনেত্রী রাধিকা আপ্তে চুপ করে ছিলেন। কিন্তু এবার ‘পার্চড’-এ নিজের ভাইরাল হওয়া নগ্ন দৃশ্য নিয়ে মুখ খুললেন তিনি। তার কথায়, অভিনেত্রী হিসেবে আমি নিজেকে এক্সপ্লোর করতে চাই। বিভিন্ন চ্যালেঞ্জিং চরিত্র করে আমি সেই সুযোগও পাচ্ছি। আর ‘পার্চড’-এর কোন দৃশ্য তো লিক হয়নি বরং ছবিটা তো বিদেশে মুক্তি পেয়েছে। আর নেগেটিভ কমেন্টের ভয় আমি পাই না। চুপ করে থাকলেও তো লোকে নেগেটিভই বলবে। আমি যেটা বিশ্বাস করি সেটাই করেছি। ডাবল স্ট্যান্ডার্ড হতে পারব না।
এর আগে ওই দৃশ্যে রাধিকার সহ-অভিনেতা আদিল হোসেন বলেছিলেন, ভিডিওর টাইটেল দেয়া হয়েছে রাধিকা আপ্তের সেক্স সিন। এখানে কিন্তু আদিল হুসেনের সেক্স সিন নাম দেয়া হয়নি। নামকরণেই স্পষ্ট, কোন পুরুষ যখন এমন সিন করেন তাতে দোষ নেই। কিন্তু কোন মহিলা করলেই তা চর্চার বিষয় হয়ে যায়। আর এমনটা শুধু সেক্স সিনের ক্ষেত্রেই হয়।
আদিলের পর একইভাবে মুখ খুললেন রাধিকাও। বলিউডের একটা বড় অংশের মতে, এতদিনে যোগ্য জবাব দিয়েছেন রাধিকা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে জয়া! নেই কোন আপত্তি

বিনোদন ডেস্ক :
ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। টলিউডে পা রেখেই নিজের জায়গা করে নিয়েছেন এই অভিনেত্রী। তাই দুই বাংলাতেই রয়েছে তার জনপ্রিয়তা। এ পর্যন্ত বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় করেও তুমুল সমালোচিত হয়েছেন জয়া।

পর্দায় তাকে সাহসী দৃশ্যে দেখা গেলেও নগ্ন দৃশ্যে জয়ার আপত্তি রয়েছে। তা কিছুদিন আগেই জানিয়েছিলেন। তবে চরিত্রের প্রয়োজনে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে আপত্তি নেই এই অভিনেত্রীর। সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি।

কলকাতার ‘ঈগলের চোখ’ নামে একটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন জয়া। এতে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করেছেন তিনি। এমন ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করছেন আবারো তো বিতর্কের মুখে পড়তে পারেন। এ নিয়ে আপনার ভয় হয় না? এমন প্রশ্নের উত্তরে জয়া বলেন, ‘না! অভিনেত্রী হিসেবে যা যা করা উচিত, তা করতে কোনো দিনও ভয় করবে না। গল্পের প্রয়োজনে যদি ঘনিষ্ঠ দৃশ্য করতে হয়, তবে কেন করব না! আমি যখন যে কাজটি করি, তা মন দিয়ে করি।’

জয়া জানান, যতদিন অভিনয় করতে ভালো লাগবে, নিজের পুরোটা দিয়েই করবেন। যেদিন ভালো লাগবে না, সেদিন সব ছেড়ে হয়তো অন্য কিছু করবেন তিনি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঘণ্টায় দু-বার সেক্স করলেই গর্ভবতী

sexডেস্ব
সহবাস করার সময় ঘণ্টায় দু-বার সেক্স করার চেষ্টা করুন। তাহলে উপকার পাবেন ছেলে-মেয়ে উভয়ই। সম্প্রতি লন্ডনের মিডলসেক্স হসপিটালের একজন ডাক্তার একটি গবেষণা থেকে এই তথ্যটির খোঁজ পেয়েছেন।

গবেষকরা জানতে পেরেছেন, ঘণ্টায় দু-বার সহবাস করলে মেয়েদের গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। কারণ প্রথমবার যে শুক্রাণু বের হয় তার থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী হয় দ্বিতীয়বার মিলিত হওয়ার পরের শুক্রাণুটি। গোলাম বাহাদুর নামে একজন গবেষকের মতে, গর্ভবতী pregnant হওয়ার জন্য এই পদক্ষেপ খুবই কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে।

যে সমস্ত মহিলারা সহজে গর্ভবতী হতে পারেন না, অথবা যাঁদের স্বাভাবিকের তুলনায় ভঙ্গুর হয়ে থাকে উদর তাঁরা ঘণ্টায় দু-বার করে সহবাস করলে খুব সহজেই গর্ভবতী হতে পারেন। এছাড়া দু-বারের বার যে শুক্রাণু নির্গত হয় তা প্রথমবারের থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী হয় বলে এতে সন্তান সম্ভাবনার পরিমাণ অনেক বেড়ে যায়। বাচ্চাও যথেষ্ট হৃষ্টপুষ্ট হয়ে থাকে। গর্ভাবস্থায় ভ্রুণের নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনাও কমে যায়।

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বধূবেশে আনুশকা শর্মা

Anushka_Sharmaবিনোদন ডেস্ক : বহুল প্রতীক্ষিত সুলতান সিনেমায় কুস্তিগীর আরফা চরিত্রে অভিনয় করছেন আনুশকা শর্মা। বিভিন্ন প্রোমোতে এতদিন এ অভিনেত্রীর কুস্তিগীরের রূপই দেখেছেন দর্শক।

এবার সিনেমায় এ অভিনেত্রীর অন্য এক রূপ সবার সামনে প্রকাশ করেছেন পরিচালক আলী আব্বাস জাফর। মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারে প্রকাশিত একটি ছবিতে বধূবেশে দেখা গেছে আনুশকাকে। আঞ্চলিক সাজে এ অভিনেত্রীর ছবির ক্যাপশন হিসেবে পরিচালক লিখেছেন, ‘আরফা, ঈদের আগের চাঁদ’।

প্রথমবারের মতো সিনেমায় সালমান খানের বিপরীতে অভিনয় করছেন আনুশকা। বলিউডের খান ত্রয়ীর সঙ্গে অভিনয় করেছেন এ অভিনেত্রীর মধ্যে তিনি একজন। ২০০৮ সালে শাহরুখ খানের বিপরীতে রাব নে বানাদি জোড়ি সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে পা রাখেন তিনি। এরপর ২০১৪ সালে পিকে সিনেমায় আমির খানের সঙ্গে পর্দায় দেখা যায় তাকে।

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আগামী ৬ জুলাই মুক্তি পাচ্ছে সুলতান। আনুশকাকে শেষ দেখা গেছে ‘দিল ধারাকনে দো’ সিনেমায়। সুলতান ছাড়াও আনুশকার পরবর্তী সিনেমাগুলো হলো-অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল ফিল্লাউরি

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

স্বামীর সামনেই একি করলেন সানি লিওন!

959বিনোদন ডেস্ক: ব্যবসায়ী সানি লিওনের সঙ্গে পরিচয় হয়েছে আর এক বিজনেস টাইকুনের। সেই পরিচয় ক্রমশ গড়ায় প্রেমে। এবং প্রেম মনথেকে গড়ায় শরীরে। উষ্ণ শরীরী খেলায় মাতেন দু’জনে।

কিন্তু তার পরে? সম্পর্কের মধ্যে চলে আসে অর্থ। টাকাপয়সা নিয়ে টানাপড়েন শুরু হয় দু’জনের মধ্যে। শুরু হয় ব্যবসার সাপ-লুডো খেলা। ব্যবসায়ীকে চরম ঘৃণা করতে শুরু করেন সানি। ঘটনা ঘোরে অন্যদিকে।

সানি লিওনের নতুন ছবি ‘বেইমান লাভ’ ঘুরপাক খাচ্ছে এমনই একটি টানটান গল্প ঘিরে। সানির সঙ্গে এই ছবিতে একাধিক উষ্ণ দৃশ্য়ে রয়েছেন রজনীশ দুগ্গল। আর স্বামীর প্রসঙ্গ? এই ছবিতে দেখা যাবে সানি লিওনের স্বামী ড্যানিয়েল ওয়েবারকে! স্বামী-স্ত্রী একত্রে অভিনয় করবেন এই ছবিতে।

রইল পড়ে ভাইরাল ভিডিও-র কথা। ‘বেইমান লাভ’-এর ট্রেলার মুক্তি পেয়েছে। এবং শুরুতেই তোলপাড় ফেলেছে ইউটিউবে। সুত্র-এবেলা

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বউ বকা দেয়!

1467295461_37অনলাইন ডেস্ক॥ সমাজের বিভিন্ন স্তরের শ্রেণী পেশার মানুষদের মধ্যে বিদ্যমান একটি সমস্যা হলো বউয়ের বকা দেয়া। বউদের এই বকা দেয়ার বিষয়টিকে উপজীব্য করে হাস্য-রসাত্মক আঙ্গিকে নির্মিত হয়েছে ধারাবাহিক নাটক ‘বউ বকা দেয়’।

নাটকটি রচনা করেছেন মারুফ রেহমান এবং পরিচালনা করেছেন মারুফ মিঠু। বর্তমানে এর নির্মাণ কাজ চলছে।

নাটকটিতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন মীর সাব্বির, রিফাত হাসান, আরফান আহমেদ, সামিহা, শফিক খান দিলু, জুঁই করিম, মুনিয়া ইসলাম, নূরে আলম নয়ন, মীর রাব্বি, মশিউর রহমান, নিলা ইসলাম প্রমুখ।

‘বউ বকা দেয়’ প্রচারিত হবে বৃহস্পতি থেকে রবিবার। আগামী ২১ জুলাই থেকে, রাত ৮টা ৩০ মিনিটে একুশে টিভির পর্দায়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কনডম ব্যবহারে সানি লিওনের উপদেশ !

sunny_leoneবলিউডের আলোচিত অভিনেত্রী সানি লিওন বরাবরই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। তাকে ঘিরে বিতর্কের শেষ নেই। একবার এক কনডমের বিজ্ঞাপনে সকলের নজর কাড়েন তিনি। এবার কনডম ব্যবহারে নিজের মতামত জানালেন এই অভিনেত্রী।

এ প্রসঙ্গে সানি বলেন, ‘যে পুরুষরা সতর্কতাকে সবথেকে বেশি গুরুত্ব দেন, মহিলারা সেই পুরুষদের প্রতি সবথেকে বেশি আকর্ষিত হন।’

উল্লেখ্য, শুধু সানি লিওন নন, হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা চার্লি শিন থেকে শুরু করে অনেক নামীদামী তারকারাই কনডম ব্যবহারে কোন কুণ্ঠাবোধ না রেখেই উদার হয়েছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পড়া শিখেও স্কুলে মার খেতাম: প্রিয়তি

মাকসুদা আক্তার প্রিয়তি। নামটি এখন সারাবিশ্বে পরিচিত। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এ তরুণী ইতোমধ্যে সমগ্র বিশ্বে বাংলাদেশকে আলোচিত করেছেন তার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে। একসময় মিস আয়ারল্যান্ড হিসেবে পরিচিতি পেলেও পরবর্তীতে অর্জন করেন মিস আর্থ ইন্টারন্যাশনাল খেতাব। হয়েছেন মিস ইউনিভার্সাল রয়্যালটি, মিস ফটোজেনিক, মিস ফিটনেস, মিস বেস্ট গাউন, মিস হট চকলেট, সুপার মডেল, মিস কমপ্যাশনেট। একজন প্রশিক্ষিত পাইলটও তিনি। এই অল্প সময়েই নিজের কাজ ও অর্জনের শাখা-প্রশাখা ছড়িয়ে দিয়েছেন বিভিন্ন সেক্টরে।

অসম্ভব মেধাবী এই তরুণীকেও স্কুলজীবনে শিক্ষকদের কাছে শাস্তি পেতে হয়েছে। পড়া শিখেও অজ্ঞাত কারণে তা বলতে পারতেন না। অনেকেই তাকে মেধাহীন মনে করতেন। কিন্তু সেই মেয়েটিই আজ বিশ্বের বুকে এক পরিচিত মুখ। বাংলাদেশে তার ত্রুটি কেউ ধরতে না পারলেও ধরতে পেরেছিল আয়ারল্যান্ডের একটি স্কুল। তারা সেই অনুযায়ী প্রিয়তিকে সমস্যা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করেন। হ্যা, প্রিয়তি সেই ত্রুটি কাটিয়ে উঠতে পেরেছিলেন। শুধু তাই নয়, অল্প সময়েই বাংলাদেশের মেয়েটি তার মেধার সাক্ষর রাখতে শুরু করেন আয়ারল্যান্ডের মতো দেশে। সবাইকে ছাপিয়ে এগিয়ে যান সামনের দিকে।

শনিবার সকালে প্রিয়তি তার ফেসবুক পেজে ছোটবেলার সেইসব ঘটনা তুলে ধরেন। একইসঙ্গে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন অভিভাবক ও স্কুলশিক্ষকদের প্রতি। সঠিক পরিচর্যা পেলে যে কেউই যে মেধার সা্ক্ষর রাখতে পারেন তা তার জীবনে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনা দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন। পরামর্শ দিয়েছেন, শিশুদের অন্য কারও সঙ্গে তুলনা করে তার আত্মবিশ্বাস নষ্ট না করতে। তাতে ওই শিশুর বিকাশমান মেধা চিরতরে হারিয়ে যেতে পারে।  পাঠকদের জন্য প্রিয়তির সেই ফেসবুক পোস্টটি তুলে ধরা হলো-
”আমি নাকি দুই বছর বয়সেই কুটকুট করে সব কথা বলতে পারতাম, আর তিন বছর বয়সে নাকি ক্লাস ওয়ান এর বই সব মুখস্থ। আত্মীয়–স্বজনরা বলতেন স্কুলে ভর্তি করিয়ে দিতে, আর আমার বাবা তিন বছর বয়সে ক্লাস ওয়ান এ ভর্তি করিয়েও দিলেন। আমার মনে আছে, নতুন বই পাবার সাথে সাথে ২/৩ মাসের মধ্যে বই মুখস্থ করে শেষ করে ফেলাটা আমার নেশা ছিল। তবে অংক বাদে। আমার পড়াশুনার জন্য পরিবারের কখনো তেমন কষ্ট করতে হয়নি, একটু দুষ্টামি বেশি করতাম, এই আর কি। যাই হোক, আসল পয়েন্টে আসি। আমি তো স্কুলের পড়া সবই ঠিক মতো শিখে যেতাম, কিন্তু প্রতিদিনই স্কুলের টিচারের কাছে অনেক মার আর শাস্তি খেতাম আর ক্লাসমেটদের কাছ থেকে হাসিঠাট্টা, উপহাশ, যা দিন দিন সবার কাছ থেকে আমাকে আলাদা করে ফেলেছিল, ডি-টাচড হয়ে গিয়েছিলাম।”

”সমস্যাটা হলো, টিচার পড়া ধরলে পড়া দিতে পারতাম না, অথচ পড়াটা কিন্তু আমার মুখস্থ। মনেই করতে পারতাম না কিন্তু যেদিন লিখতে দিত সেইদিন কোন সমস্যা হত না। স্কুলের রেজাল্ট মোটামুটি ভালো থাকায় বাবা-মা কখনো ব্যাপারটি ‘স্পট’ করতে পারেনি। কিন্তু পরীক্ষার সময় একটা ঝামেলা করতাম, সেটা হলো- যেমন আমার লেখা দরকার ”This is NOT a good idea.” আর আমি লিখতাম , ”This is a good idea”. ‘NOT’ শব্দ পুরাই বাদ, অথচ এই NOT শব্দটা কত ইম্পরট্যান্ট যে অর্থটাই পাল্টে দিচ্ছে। আমার ব্রেইন direction দিচ্ছে সঠিক কিন্তু ভুলটা চোখে পড়ছে না, brain ভুলটা detect করতে পারছে না revision দেয়ার পরও। ভুল হওয়ার কারণে আমার পরীক্ষার নম্বরও কমে আসতো, আর যার কারণে অনেক বার প্রথম অথবা দ্বিতীয় স্থান থেকে সরে যেতাম।”

”আমি যখন রিডিং পড়তাম তখনও এক/দুই শব্দ বাদ/লাফ দিয়ে পরের শব্দ পড়তাম। (মেডিকেল ভাষায় এই প্রবলেমের কিছু নাম থাকতে পারে)। আমি জানতামই না আমার দুর্বল পয়েন্টগুলো, তাই কখনো এইগুলো রিকভার করার চেষ্টা হয়নি বাংলাদেশে থাকতে। অথচ, এই ব্যাপারগুলো ধরতে পেরেছে আয়ারল্যান্ড এর স্কুলে। সেইভাবে আমাকে ট্রিট করেছে ব্যাপারটিতে ওভারকাম করার জন্য। জোর দিয়েছে আমার দুর্বল স্থানগুলোতে।”

”আমরা প্রতিটা মানুষ যতই মেধাবান হইনা কেন, কিছু না কিছু ত্রুটি নিয়ে জন্মাই। তাতে দোষের কিছু নয়। আপনার সন্তানকে খুব কাছ থেকে লক্ষ্য করুন, দেখুন তার দুর্বলতা কোথায়। কথা বলুন, শিক্ষকদের সাথে যদি তেমন কিছু লক্ষ্য করে থাকেন, যাতে শিক্ষকরাও একটু সচেতন হন। কারন প্রতিটা মানুষই ভিন্ন, আর তাই শিক্ষকরা সমানভাবে সব স্টুডেন্টদের সমানভাবে আচরণ বা আউটপুট আশা করতে পারেন না, at the same time, সবাইকে আলাদা করে চেনাও প্রতিটা শিক্ষকের পক্ষে সম্ভব নয়, তাই তাদের সাথে কথা বলাটা জরুরি, আপনার সন্তানের আপডেট রাখাটাও জরুরি, যেমন, সে ক্লাসে কী/কেমন করছে, কোন অসুবিধা আছে/ হচ্ছে কিনা, শিক্ষকরা কোন অভিযোগ দেয় কিনা ইত্যাদি। রাগা-রাগি, বোকা ঝোঁকা অথবা আরেকজনের সন্তানের সাথে তুলনা দিয়ে আপনার সন্তানের confident নষ্ট করবেন না, বরং তার confident boost করার চেষ্টা করুন তার পজিটিভ সাইডগুলো দিয়ে। মনে রাখবেন, আপনার সন্তানের যা আছে তা আরেকজনের নেই, আপনার সন্তান আপনারই, so no more comparison. ছোটখাটো ব্যাপারগুলো চাইলেই ঠিকমতো স্পট করে ওইটার উপর সঠিক পন্থা আর আচরণ দিয়ে আপনার সন্তানের দুর্বলতাকে তার শক্তি বানিয়ে দিন। আপনার সন্তান যেন সবার থেকে ছিটকে পড়েছে এমন মনোভাব পোষণ না করে এবং তার নিজের প্রতি আস্থা যেন কমে না আসে। কারন, স্কুল এবং তার পারিপার্শ্বিক পরিবেশ থেকেই তার কনফিডেন্ট লেভেল বৃদ্ধি পায়, আর স্কুলজীবনে আমাদের বেশিরভাগ সময় কাটেই স্কুলে।”

”অনেক কথা বলতে ইচ্ছা করছিলো কিন্ত আমার ভিতর শব্দের ভাণ্ডারও ফুরিয়ে আসলো। কি আর করার, ব্রেইন ক্লান্ত, কারন আমার এইখানে রাত ৪.৩০ । ভালো থাকুন সবাই। পোস্ট টি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।”

”** টিপস – আপানার সন্তানের যেকোনো বিষয়ে চাহিদা থাকলে, তার তালিকা করুন পজিটিভ আর নেগেটিভ পয়েন্ট দিয়ে, তারপর তার উপর ছেড়ে দিন তার সিদ্ধান্ত, দেখুন কি রেজাল্ট আসে।”

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free