বিনোদন খবর

রাজনীতির দাপটে ব্লকবাস্টার থেকে নেমে গেল হলিউডের ছবি!

বিনোদন ডেস্ক: শাকিব খান-অপু বিশ্বাস অভিনীত রাজনীতি ছবিটি ঢাকার মধ্যে শুধুমাত্র ব্লকবাস্টার সিনেমাসে চলছে। মুক্তির পর থেকেই ছবিটি দর্শকদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। দর্শকদের বাড়তি আগ্রহের কারণে ব্লকবাস্টার সিনেমাস কর্তৃপক্ষ শুক্রবার থেকে রাজনীতি ছবির চারটি প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করেছে।

আর এই রাজনীতি ছবির দাফটের কারণে হলিউডের `পাওয়ার রেঞ্জার্স` ছবিটির প্রদর্শনী বন্ধ করা হয়েছে। যেটি ডিন ইসরাএলিট পরিচালিত ২০১৭ সালের বহুল আলোচিত আমেরিকান সুপার হিরো অ্যাকশন, অ্যাডভেঞ্চার, সাইন্স ফিকশন ছবি।

এমনটাই জানিয়েছেন রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কের ব্লকবাস্টার সিনেমাসের ম্যানেজার মাসুদ পারভেজ।

শুক্রবার বিকেলে তিনি বলেন, মুক্তির প্রথম সপ্তাহে রাজনীতি ছবি প্রতিদিন তিনটি করে প্রদর্শনী ছিল। এই সপ্তাহে চারটি করে প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা হয়েছে দর্শকদের চাপে।

সেজন্য বাধ্য হয়ে হলিউডের পাওয়ার রেঞ্জারর্স এর প্রদর্শনী বন্ধ করে দিয়েছি। যার ফলে সেখানে এখন রাজনীতি চলবে। মোট চারটি প্রদর্শনীর সময় হচ্ছে ১২:৩০ মিনিট, ৩:৩০ মিনিট, ৬:৪০ মিনিট এবং ৭:৩০ মিনিট।

তিনি আরও বলেন, এখনও পর্যন্ত যারা হলে রাজনীতি ছবি দেখছেন, কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। সবাই ছবিটির প্রশংসা করছেন। আমরাও ছবিটি চালাতে পেরে খুশি।

রাজধানীর ব্লকবাস্টারসহ দেশব্যাপী ৪০টি সিনেমাহলে রাজনীতি মুক্তি পেয়েছে। এই ছবিটি পরিচালনা করেছেন বুলবুল বিশ্বাস।

জানা গেছে, রাজনীতি ছবিটি ব্লকবাস্টারে বসে উপভোগ করার জন্য আজ সন্ধ্যা ৬:৪০ মিনিটের শোতে উপস্থিত থাকবেন শাকিব খান নিজেই। শাকিব-অপু ছাড়াও ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন আনিসুর রহমান মিলন, ডিজে সোহেল, অমিত হাসান, শিবা শানু, আলী রাজ প্রমুখ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

রবীন্দ্রনাথকে পেলে জমিয়ে প্রেম করতাম: শাহনাজ সুমী

ঢাকার বাইরে ঈদ উদযাপন করার কোনো অভিজ্ঞতা আমার নেই। যদিও আব্বু-আম্মু দুজনের বাড়ি কুমিল্লার মেঘনা। ওখানে আমাদের যাওয়া হয় না। আব্বু প্রবাসী, আঠারো বছর হলো সৌদি আরবে থাকেন। দুই বছর পর পর দেশে আসেন।

নানু বাড়ির সবাই ঢাকায় থাকে। আমরা তিন বোন আর মা একসঙ্গে নানু বাড়িতে থাকি; রাজধানীর খিলগাঁওয়ে বাসা। ঈদের দিন খিলগাঁওয়ের বিভিন্ন জায়গায় ছোট ছোট মেলা বসে। ছোটবেলায় যেতাম। এখনো যে খুব একটা বড় হয়েছি তা নয়! এইচএসসি পরীক্ষা দেব। সুতরাং কিইবা বলা যায়- না বড় না ছোট। দারুণ একটা সময়ে আছি। তবে এখন আর যাই না।

ঈদের দিন মায়ের সাথে থাকি, ঘুরে ঘুরে খাওয়া দাওয়া করি। ছোটবেলায় নাচ শিখতাম, এই জন্য শাড়ি পরতাম। এক কথায় সবসময় বড়দের মতো হতে চাইতাম। কিন্তু ফ্রক পরতে চাইতাম না। যে কারণে ঈদে অনেক সালোয়ার কামিজ অথবা শাড়ি গিফট পেতাম। আমি ছোটবেলা থেকেই খুব সেনসিটিভ। অনেকেই গিফট করত। আমি চাইতাম যে, আমাকে যে পোশাকটা দেবে সেটা শুধু সেই দেখবে। যেমন ধরা যাক- পোশাকটা আম্মু দিলো তাহলে আম্মুই দেখতে পারবে। আমার বড় বোনকেও আমি দেখতে দিতে রাজি ছিলাম না। আমার ছোটবোন খুব শান্ত। ও কখনো এগুলো খুঁজে বেড়াত না। কিন্তু আমার বড় বোন খুঁজে বের করত সেগুলো। সে দেখে ফেললে আমি কাঁদতাম।

এই সময়ের কথা যদি বলি, তাহলে বলতে হবে ক্যাজুয়াল ড্রেস পরতে পছন্দ করি। শাড়ি পরা হয় অকেশনালি। শাড়ি পরতে ভালো লাগে। শাড়ি পরলেই স্পেশাল একটা ফিলিংস হয়। আর শাড়ির সঙ্গে সাজ অনুষঙ্গ-টিপ, টিকলি, চুড়ি এগুলো না থাকলে চলেই না। চুপিচুপি একটা কথা বলে রাখি- রবীন্দ্রনাথকে পেলে আমি জমিয়ে প্রেম করতাম।

আমার মনে হয়, শাড়ির সাথে রবীন্দ্রনাথের দারুণ একটা মেলবন্ধন আছে। তার গল্পের নায়িকাদের মতো সাজতে ইচ্ছে করে। কোনো এক ফাঁকে আমিও তার নায়িকা হয়ে যাই।

রোজার পুরোটা সময় কাজ নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। ঈদ কিছুটা অবসর পাব। শুটিং মানে মেকআপ-নতুন নতুন জামা কাপড়ের ছড়াছড়ি। শুটিং উপলক্ষে অনেক জামাকাপড় কেনা হয়েছে। ঈদ উপলক্ষে আর নতুন কোনো পোশাক কেনা হয়নি। তবে ঈদের দিন মেজেন্টা রঙের সালোয়ার কামিজ পরব। বাইরে বের হলে চোখে মাশকারা দেব। মেকআপ দিতেও পারি, নাও পারি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এবার ঝড় তুলেছে শচীন টেন্ডুলকারের গান

ডেক্স : ১১ মে: বড় হয়ে কণ্ঠশিল্পী হবে এই ভেবে কিংবদন্তি শচীন দেব বর্মণের নামে ছেলের নাম রাখেন বাবা রমেশ টেন্ডুলকার। হারমোনিয়াম, গিটার নয় ছেলে শচীন টেন্ডুলকার বেছে নেন ব্যাট ও বল। তাতে অবশ্য ক্ষতি হয়নি। খ্যাতিতে শচীন দেব বর্মণকেও ছাড়িয়ে যান শচীন টেন্ডুলকার। তবে বাবার স্বপ্নটা যে অপূর্ণ থেকে গেল! এই ভাবনা থেকেই হয়তো এবার গানের রেকর্ডিংয়ে নেমে পড়লেন শচীন টেন্ডুলকার।

ব্যাট-বল ছাড়ার পর এবার গান গাইতে নেমে গেলেন ভারতের ক্রিকেট ঈশ্বর। তাও আবার যেনতেন কারো সঙ্গে নয়, তারকা শিল্পী সনু নিগামের সঙ্গে। সনু নিগামের গান খুব পছন্দ শচীনের। তাই প্রথম গানটি প্রিয় শিল্পীর সঙ্গেই রেকর্ড করলেন শচীন। ব্যাট হাতে তো তারকাদের তারকা। গানের ক্ষেত্রে কেমন? উত্তরটা দিয়েছেন সনু নিগাম। ‘শচীনের কণ্ঠ ভালো, সুরও ঠিকঠাক। তার কণ্ঠ ঠিক করতে কিউরেটর ডাকতে হয়নি! ব্যাট হাতে যার এত প্রতিভা, সবকিছুর সঙ্গেই মানিয়ে নেওয়াটা তার জন্য খুব কঠিন নয়। আর তার মতো একজনের সঙ্গে গান গাওয়াটা আমার সারা জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।’

কোন গান গাইলেন শচীন। জাতে ক্রিকেটার তাই স্বভাতবই ক্রিকেটবিষয়ক গানই গাইবেন শচীন। গানের বিষয় ভারতীয় ক্রিকেটকে ঘিরে। গানের কথাগুলোও জমজমাট ‘গেন্দ আই, বল্লা ঘুমা, মার ছক্কা, শচীন, শচীন নাচো নাচো নাচো সব ক্রিকেট ওয়ালি বিট পে।’ (বল এল, ব্যাট ঘুরাও, শচীন ছক্কা মারো, নাচো নাচো নাচো সবাই ক্রিকেট বিটের সঙ্গে)। প্রথম দিক কিছুটা অস্বস্তি হলেও দ্রুতই নিজেকে গানের তালের সঙ্গে মানিয়ে নেন শচীন।

৩ মিনিট ৪৪ সেকেন্ডের গানটিতে কপিল দেব, সুনীল গাভাস্কার থেকে শুরু করে সৌরভ গাঙ্গুলী, রাহুল দ্রাবিড়, মহেন্দ্র সিং ধোনিসহ প্রায় সব সতীর্থ তারকা ক্রিকেটারের নাম নিয়েছেন শচীন। গানের ভিডিও প্রকাশ হওয়ার পর গত দুদিনে ইউটিউবে ২০ লাখের বেশি মানুষ শচীনের এই গানটি শুনছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চলে গেলেন বলিউডের বর্ষিয়ান অভিনেতা বিনোদ খান্না

ডেক্স : ২৭ এপ্রিল : চলে গেলেন বলিউডের বর্ষিয়ান অভিনেতা বিনোদ খান্না। আজ সকালে মুম্বাইর এক হাসপাতালে তিনি ৭০ বছর বয়সে মৃত্যূবরণ করেন।

জানা যায়, গত ৩১ মার্চ থেকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় মুম্বাইয়ের এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন ইউরিনারি ব্লাডার ক্যানসারে ভুগছিলেন। যদিও সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিনোদের ছেলে রাহুল খান্না জানিয়েছিলেন, গত ৩১ মার্চ থেকে ডিহাইড্রেশনের সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন বিনোদ।

ছেলে রাহুল খান্না জানান, শরীরে জলাভাবের কারণে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিলো। কিছুদিন আগে রীতিমত অসুস্থ অবস্থায় তার একটি ছবি ভাইরাল হয়ে যায়। পরিবার থেকে জানানো হয়, ভাল আছেন তিনি, সুস্থ হয়ে উঠছেন। যদিও তখনই শোনা যায়, সম্ভবত ক্যানসার হয়েছে তার।

বিনোদ পাঞ্জাবের গুরুদাসপুর কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদও ছিলেন। কিন্তু বিনোদ খান্নার রাজনৈতিক কেরিয়ারের সাফল্য কখনওই তার ফিল্মি ক্যারিয়ারকে ছুতে পারেনি। ১৯৬৮-তে বড় পর্দায় অভিষেক থেকে তিনি ১৪০-এর বেশি ছবিতে কাজ করেছেন। শাহরুখ খান-কাজলের দিলওয়ালে-তেও দেখা গিয়েছে তাকে।

টিপিক্যাল ম্যাটিনি আইডল এই নায়ক তার পরিশীলিত, শহুরে আবেদনের জন্য বিখ্যাত ছিলেন। হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে অন্যতম সেরা সুদর্শন এই অভিনেতা অ্যাকশন রোলেও ছিলেন দুর্দান্ত। অমর আকবর অ্যান্টনি, কুরবানি, অচানক- একের পর এক সুপার ডুপার হিট ছবি দিয়েছেন তিনি। একটা সময় তাকেই মনে করা হত অমিতাভ বচ্চনের যোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বী। কিন্তু আধ্যাত্মিকতায় আকৃষ্ট হয়ে পড়ায় কেরিয়ারের একটা গুরুত্বপূর্ণ সময় তিনি বলিউডে ছিলেন না। তার দুই পুত্র অক্ষয় ও রাহুলও রয়েছেন বলিউডে। তবে বাবার মত সাফল্য তারা পাননি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শফিক তুহিনের বন্ধুয়ারে মিউজিক ভিডিও

তরুণ নাট্যনির্মাতা পলাশ শুদ্র নির্মিত মিউজিক ভিডিও ‘বন্ধুয়ারে’ প্রকাশ হয়েছে। গত ২১ এপ্রিল মিউজিক ভিডিওটি ইউটিউবে প্রকাশ করা হয়।

‘বন্ধুয়ারে’ শিরোনামে গানটির কথা, সুর, সংগীত এবং কণ্ঠ শফিক তুহিনের। চন্দ্রীকা এন্টারটেইনমেন্ট প্রোডাকশনস নির্মিত গানটি ঈগল মিউজিকের ব্যানারে প্রচারিত হচ্ছে।

গানটিতে মডেল হয়েছেন জাহাঙ্গীর চৌধুরী, শামা ফারজানা, প্রাণ সরয়ার।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বৃষ্টিস্নাত বিদায় লাকী আখান্দের

রাত থেকেই কালো মেঘে ঢাকা ছিলো ঢাকার আকাশ। সকাল আটটার পরে শুরু হয় ঝুম বৃষ্টি। কিছুক্ষণ পর পর বিকট শব্দে গর্জন। জনপ্রিয় সংঙ্গীত শিল্পী লাকী আখান্দের বিদায়েই হয়তো প্রকৃতির এমন আচরণ! কারণ শুক্রবার এই ক্ষণজন্মা সঙ্গীত শিল্পী লাকী আখান্দ অগণিত ভক্ত, স্রোতা ও শুভানুধ্যায়ীদের কাঁদিয়ে চলে গেছেন না ফেরার দেশে।

এমন বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে লাকী আখান্দকে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ভক্ত, সহকর্মী ও সহযোদ্ধারা। অন্য সময়ের মতো এই শিল্পীর প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর আয়োজন করে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট।

থেমে থেমে চলা বৃষ্টি উপেক্ষা করে প্রিয় শিল্পীকে বিদায় জানাতে শহীদ মিনারে আসেন সরকারের মন্ত্রী, রাজনীতিবীদ, জনপ্রতিনিধি, শিল্পীসহ নানা শ্রেণি পেশার মানুষ।

সকলের মুখে ছিল লাকী আখান্দের সৃষ্টি ও কর্মের গুণগান। দাবি ছিল, তার গাওয়া সব গানগুলো যেন সংরক্ষণ করা হয়। শুধু শ্রদ্ধা নিবেদনেই যেন শেষ না হয় লাকী আখান্দকে স্মরণ। যুগ যুগ ধরে যেন তার সৃষ্টির চর্চা থাকে। যেন কোনোভাবেই হারিয়ে যায় তার অসংখ্য জনপ্রিয় গান।

তবে অনেকে আবার জীবিত অবস্থায় এমন কীর্তিমানদের যথাযথ মূল্যায়ন না করার অভিযোগও করেছেন। কেউ আবার সরকারের কাছে শিল্পীরা বেঁচে থাকতেই যেন সম্মানিত হন সে দাবি করেছেন। লাকী আখান্দের পরিবারের সদস্যসহ  কয়েকজন সংঙ্গীতশিল্পীরা মেধাসত্ত্বের সম্মানি অর্থাৎ রয়েলিটি প্রদানের ব্যবস্থা করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

সরকারের দুই মন্ত্রী তাদের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী লাকী আখান্দের শ্রদ্ধা নিবেদনের শুরুতে ঢাকা জেলার ম্যাজিস্ট্রেট রবীন্দ্র চাকমার নেতৃত্বে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এরপরই ফুলেল শ্রদ্ধা জানান সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর।

এরপর তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, ঢাকা উত্তরের মেয়র আনিসুল হক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ হাসান ইমাম, সৈয়দ ইকবাল, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য গীতিকবি গাজী মাজহারুল আনোয়ার, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা আনিসুর রহমান মল্লিক, সাধারণ জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী,সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, আওয়ামী লীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক শামসুন্নাহার চাঁপা, সদস্য মেরিনা জাহান কবিতা, আওয়ামী লীগ নেতা শফী আহমেদ, মারুফা আক্তার পপি, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ দেবনাথ, গণজাগরণ মঞ্চের নেতা কামাল পাশা চৌধুরী শ্রদ্ধা জানান।

সঙ্গীত শিল্পীদের মধ্যে শিল্পী খুরশিদ আলম, ফকির আলমগীর, তিমির নন্দী, খোরশেদ আলম, নকীব খান, আসিফ ইকবাল, গীতিকবি শহীদুল্লাহ ফরায়েজী, গীতিকবি কবির বকুল, জলের গানের সাইফুল জার্নাল, লেখক নাট্যকার শাকুর মজিদ বেলাল খান, কাজী হাবলু, ফুয়াদ নাসের বাবু প্রমুখ।

এছাড়াও নাট্যসংগঠন প্রাচ্যনাট, শিল্পীত, ঋষিজ, আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, জাসাস, খেলাঘর প্রভৃতি সংগঠন শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

আয়োজক সংগঠনের পক্ষে গোলাম কুদ্দুছের নেতৃত্বে শ্রদ্ধা জানানোর মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন পর্ব শেষ হয়। এরপর এক মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করা হয়।

আসাদুজ্জামান নুর শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বলেন,‘যখন মানুষের শেখার বয়স তখন লাকী আখান্দ অন্যকে শিখিয়েছেন। বাংলা গানকে মানুষের অন্তরে স্পর্শ করাতে সক্ষম হয়েছেন। তার এই অর্জনকে আমরা সংরক্ষণ করতে চাই। সংরক্ষণের মধ্যে দিয়েই তাঁকে বাঁচিয়ে রাখবো। একজন শিল্পী, দেশপ্রেমিক, মুক্তিযোদ্ধাকে চিরদিন এদেশের শিল্পী সমাজ মনে রাখবে। মনে রাখতে বাধ্য হবে।’

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বলেন, লাকী আখান্দের মৃত্যুতে অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেলো। বর্তমানে তাকে খুব প্রয়োজন ছিলো। তবে তার গাওয়া সব গান সংরক্ষণ করার জন্য যা যা করার তাই করবো। তথ্য মন্ত্রণালয় আর্কাইভে তার গান সংরক্ষণ করা হবে।

শিল্পীদের মেধাস্বত্ত্ব সম্মানীর বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এই আইনটি ত্রুটিপূর্ণ। এটাকে কীভাবে কার্যকর করা যায় সে ব্যাপারে আমরা পদক্ষেপ নেব।’

গাজী মাজহারুল আনোয়ার বলেন, লাকী আখান্দ সঙ্গীত জীবনের চমক। আমরা এক সঙ্গে কাজ করেছি। বয়স তাঁকে শান্তিতে থাকতে দেয় নি। রোগে শোকে তিনি অনেক দিন কষ্ট পেয়েছেন। গানের জীবনে তিনি নতুনত্বের স্বাদ এনে দিয়েছেন। ’

এসময় প্রত্যেক শিল্পীর মূল্যায়নের দাবি জানিয়ে মাজহারুল আনোয়ার বলেন, ‘সরকার আসবে, সরকার যাবে। রাজনীতির ক্ষেত্রে ভিন্নতা থাকতে পারে দেশের ক্ষেত্রে কোনো ভিন্নতা থাকতে পারে না।’

সঙ্গীতশিল্পী খুরশিদ আলম বলেন, ‘‘লাকীর মতো শিল্পী চলে গেল, সেই ক্ষতিপূরণ হওয়ার মতো নয়। আর তরুণ গায়কদের বলব, তারা যখন লাকীর গান কোথাও গাইবেন, তখন যেন তাঁর নাম উল্লেখ করেন।’

কণ্ঠশিল্পী নকীব খান বলেন, ‘আধুনিক বাংলা গানের এক ভিন্ন ধারার জন্ম দিয়েছিলেন লাকী আখান্দ। আমি তাঁর গান প্রথম শুনি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে। সে গানে অনুপ্রাণিত হই- কী গানে কী দেশপ্রেমে! সেই গানটি ছিলো ‘জন্মভূমি বাংলা মাগো। চলচ্চিত্র অঙ্গনের বাইরে এত জনপ্রিয় গান আর কেউ আমাদের উপহার দিতে পারেননি কিন্ত আমরা তাঁর সঠিক মূল্যায়ন করতে পারিনি।’

গোলাম কুদ্দুছ বলেন, ‘আজ তাঁকে বাঙালির শ্রেষ্ঠ স্থান শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানালাম। বিদায় জানালাম। আসলে তাদের কী বিদায় জানানো যায়! যায় না! এই লাল সবুজ পতাকার মতই তনি তিনি বেঁচে থাকবেন।’

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে লাকী আখন্দদের দ্বিতীয় ও সর্বশেষ জানাজা বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে সকাল ১০টায় পুরান ঢাকার আরমানিটোলা মাঠে লাকী আখান্দের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তাকে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন আশির দশকের সঙ্গীত শিল্পী লাখী আখান্দ। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। রাতে তাঁর মরদেহ হিমঘরে রাখা হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী ও সুরকার লাকী আখন্দ আর নেই

বিনদোন ডেক্স,২১ এপ্রিল : কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী ও সুরকার লাকী আখন্দ মারা গেছেন। শুক্রবার (২১ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টার দিকে তিনি গুরুতর অসুস্থ হলে তাকে মিডফোর্ড হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। এর আগেও ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে কিংবদন্তি এই সংগীতশিল্পী অসুস্থ হন। ‘শিল্পীর পাশে ফাউন্ডেশন’ সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবী এরশাদুল হক টিংকু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। যিনি লাকী আখন্দকে নিয়মিত দেখভাল করছিলেন।

এরশাদুল হক টিংকু বলেন, টানা আড়াই মাস হাসপাতালে জীবন শেষে গেল সপ্তাহে আরমানিটোলার নিজ বাসায় ফিরেছিলেন কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী লাকী আখন্দ। এতদিন ভালোই ছিলেন। তবে আজ (২১ এপ্রিল) দুপুর নাগাদ তার শরীরের অবনতি ঘটে। দ্রুত নিয়ে যাওয়া হয় মিটফোর্ড হাসপাতালে। সেখানে সন্ধ্যা সাড়ে ছ’টা নাগাদ কর্তব্যরত চিকিৎসক লাকী আখন্দকে মৃত ঘোষণা করেন।

গত ৫ ফেব্রুয়ারি বরেণ্য এ শিল্পীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বিএসএমএমইউ-এর সেন্টার ফর প্যালিয়েটিভ কেয়ারের ভর্তি করা হয়। তিনি সেখানে অধ্যাপক নেজামুদ্দিন আহমেদের অধীনে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গেল সপ্তাহে শরীরের অবস্থা উন্নতি হলে তাকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়।

প্রসঙ্গত, গুণী এই সংগীতজ্ঞ অনেক দিন ধরেই মরণব্যাধী ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন। ছয় মাসের চিকিৎসা শেষে থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে ২০১৬ সালের ২৫ মার্চ দেশে ফেরেন তিনি। সেখানে কেমোথেরাপি নেওয়ার পর শারীরিক অবস্থার অনেকটা উন্নতি হয়েছিল তার। একই বছরের জুনে আবারও থেরাপির জন্য ব্যাংকক যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে পরে আর তার সেখানে যাওয়া হয়ে উঠেনি।

অসুস্থতার প্রথম থেকেই লাকী আখন্দ ও তার পরিবার কোনও রকম আর্থিক সহযোগিতা গ্রহণের বিষয়ে বেশ কঠোর ছিলেন। দেশের শীর্ষ শিল্পীদের উদ্যোগে সহযোগিতা করতে চাইলেও বিনয়ের সঙ্গে লাকী আখন্দ সেটি গ্রহণে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। গুণী কিংবা অভিমানী এই মানুষটি অন্যের সাহায্য-সহযোগিতায় নিজের চিকিৎসা চালাতে মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলেন না। তবে ব্যাংককে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় এই সংগীতকারের চিকিৎসার জন্য পাঁচ লাখ টাকা সহায়তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রীয় ভালোবাসা হিসেবে সেটি তিনি গ্রহণ করেছেন স্বাচ্ছন্দে।

লাকী আখন্দের উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে— ‘এই নীল মনিহার’, ‘আমায় ডেকো না’, ‘কবিতা পড়ার প্রহর এসেছে’, ‘যেখানে সীমান্ত তোমার’, ‘মামনিয়া, ‘বিতৃঞ্চা জীবনে আমার’, ‘কি করে বললে তুমি’ ‘লিখতে পারি না কোনও গান, ‘ভালোবেসে চলে যেও না’ প্রভৃতি।

স্বাধীনতার পর পর নতুন উদ্যমে বাংলা গান নিয়ে কাজ শুরু করেন। তার নিজের সুর করা গানের সংখ্যা দেড় হাজারেরও বেশি। শিল্পীর সহোদর ক্ষণজন্মা হ্যাপী আখন্দের সাথে ছিলো তার আত্মার সম্পর্ক। ভাইয়ের মৃত্যুর পর দীর্ঘকাল তিনি নিজেকে গুটিয়ে রেখেছিলেন। দুজনের যৌথ প্রয়াসে সূচিত হয়েছিলো বাংলা গানের এক নতুন ধারা।

লাকী আখান্দের জন্ম ১৯৫৬ সালের ১৮ জুন। লাকী আখন্দ আধুনিক বাংলা সঙ্গীতের খ্যাতিমান শিল্পী, সুরকার ও সংগীত পরিচালক। শৈশব কেটেছে ঐতিহ্যবাহী পুরান ঢাকার পাতলা খান লেনে। ৫ বছর বয়সেই তিনি তার বাবার কাছ থেকে সংগীত বিষয়ে হাতেখড়ি নেন। তিনি ১৯৬৩-১৯৬৭ সাল পর্যন্ত টেলিভিশন এবং রেডিওতে শিশু শিল্পী হিসেবে সংগীত বিষয়ক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন। তিনি মাত্র ১৪ বছর বয়সেই এইচএমভি পাকিস্তানের সুরকার এবং ১৬ বছর বয়সে এইচএমভি ভারতের সংগীত পরিচালক হিসেবে নিজের নাম যুক্ত করেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ফের স্ত্রীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ ছবি পোস্ট সামির

সমালোচকদের টুইটারে জবাব দিয়েছিলেন আগেই। এবার নতুন করে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে তোলা অন্তরঙ্গ ছবি পোস্ট করে মোহম্মদ সামি নতুন ইয়র্কার ছুঁড়লেন।

ঘটনার সূত্রপাত গত রবিবার। স্ত্রী, কন্যার সঙ্গে একটি ছবি টুইট করেছিলেন সামি। হঠাৎ একদল প্রশ্ন তোলেন, কেন হিজাব পরেননি সামির স্ত্রী। সেটা যে তিনি ভালভাবে নেননি সেটা পর দিনই বুঝিয়ে দিয়েছিলেন টুইট করে। লিখেছিলেন, “সবাই যা চায় তা পায় না। যাদের ভাগ্য ভাল তারাই পায়। ওরা আমার স্ত্রী ও কন্যা তাই আমি জানি আমি কী করব। ’’

তাত্ক্ষণিক জবাব যেমন দিয়েছিলেন, তেমনি পরের দিস রবিবার, নতুন করে বুঝিয়েও দিলেন, যা ঠিক মনে করেছেন, তা আবারও করবেন। কিছু মানুষের অকারণ সমালোচনায় পিছিয়ে যাওয়ার মানুষ তিনি নন। আজকের টুইটে স্ত্রীকে নতুন বছরের শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন কবিতার মধ্যে দিয়ে।

এই মুহূর্তে চোটের জন্য জাতীয় দলের বাইরে রয়েছেন সামি। হাঁটুর চোটের চিকিৎসা চলছে। বেশ কয়েক বছর ধরেই ঘুরে ফিরে চোটের কবলে দলের বাইরে চলে যেতে হয়েছে। সদ্য শেষ হওয়া ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজেও শেষ দুটি ম্যাচ খেলতে পারেননি তিনি। ওয়ানডেতেও খেলার সম্ভবনা নেই। এই অবস্থায় পরিবারের সঙ্গেই বেশি সময় কাটাচ্ছেন তিনি। তার উপর এই অযাচিত হস্তক্ষেপে রীতিমতো বিরক্ত দেশের এই প্রতিভাবান পেসা

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অপু বিশ্বাসের বিয়ে আজ !

বিনোদন ডেস্ক : ব্যক্তি জীবনে শাকিব অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বিয়ে করতে যাচ্ছেন ঢাকাই ছবির জনপ্রিয় নায়িকা অপু বিশ্বাস।

রাজধানী ঢাকার উত্তরার একটি কমিউনিউটি সেন্টারে পারিবারিক আয়োজনে ঘরোয়া পরিবেশে বিয়ে হচ্ছে এই নায়িকার। পাত্র যশোরের ছেলে তন্ময় বিশ্বাস।

তিনি পেশায় এজজন আইটি বিশেষজ্ঞ। স্বনামধন্য একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে আইটি ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এমনই এক চমকপ্রদ খবর জানালেন ‘সত্তা’ চলচ্চিত্রের চরিত্রাভিনেতা জিতু নোটা। তিনি অপুর হবু স্বামী তন্ময়ের বন্ধুও বলে জানা গেছে।

আজ বুধবার (১৪ ডিসেম্বর) দুপুরে জিতু নিজের ফেসবুক ওয়ালে তন্ময় ও অপুর ছবি পোস্ট দিয়ে ক্যাপশন স্ট্যাটাসে লেখেন, ‌‘শাকিব খান নয়, তন্ময় বিশ্বাসকে বিয়ে করছেন অপু বিশ্বাস। আজ রাতে ঢাকার এক হোটেলে দুই পরিবার একসাথে তাদের বিয়েতে থাকবেন বলে জানান অপু।’

 

apu-120161214143905

স্ট্যাটাসটি কিছুক্ষণ পর ফেসবুক থেকে সরিয়ে দেন জিতু। পরে তার সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ‘অপু বিশ্বাসের বিয়ের ঘটনা সত্যি। আজ বুধবার রাতেই (১৪ ডিসেম্বর) যশোরের ছেলে তন্ময় বিশ্বাসের সঙ্গে তার বিয়ে হবে।’

জিতু বলেন, ‘তন্ময় সম্পূর্ণই শোবিজের বাইরের মানুষ। অপু বিশ্বাসের অন্ধ ভক্ত তিনি। ব্যক্তিগত চেষ্টায় অপুর সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং বিয়ের প্রস্তাব দেন। বিষয়টি দুজনের পরিবারে জানাজানি হলে তারা সম্মতি দেন এবং বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’

অপু বিশ্বাস সম্প্রতি ভারতে পুত্র সন্তানের জন্ম দিয়েছেন বলে খবর রটেছে। এইসব তন্ময় জানেন কি না জানতে চাইলে জিতু  বলেন, ‘সবই মিথ্যে গুজব। অপু বিশ্বাসের কোনো সন্তান হয়নি। অপু বিশ্বাসের সঙ্গে শাকিব খানকে নিয়ে যতো গল্প সেগুলোও সাজানো। অপু বিশ্বাস বাংলাদেশেই আছেন। আজ রাতেই সব প্রমাণ পেয়ে যাবেন সবাই।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অন্তরঙ্গ দৃশ্যে আদিত্য-শ্রদ্ধা (ভিডিও)

বিনোদন ডেস্ক :

 আদিত্য রয় কাপুরের সঙ্গে আশিকি-টু সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শ্রদ্ধা কাপুর। তখন এ জুটির রসায়ন দর্শকের মনেও ধরেছিল।

এবার এ জুটিকে নিয়ে ওকে জানু শিরোনামের সিনেমা নির্মাণ করছেন সাদ আলি। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটির ট্রেইলার। এতেও দেখা যায় শ্রদ্ধা-আদিত্যর রসায়ন।

ট্রেইলারে দেখা যায়, আদিত্য ও শ্রদ্ধা জুটি হিসেবে লিভ টুগেদার করতে চায়, কোনো প্রকার প্রতিজ্ঞা ছাড়া। স্থাপত্যবিদ্যায় লেখাপড়া করতে প্যারিস যেতে চায় শ্রদ্ধা। অন্যদিকে মার্ক জাকারবার্গের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে চায় আদিত্য। তার আগে একসঙ্গে থাকতে চায় তারা।

পরস্পরের সঙ্গ বেশ ভালোই উপভোগ করেন তারা। ট্রেইলারে তাদের বেশকিছু অন্তরঙ্গ দৃশ্যও দেখা গেছে। কিন্তু সমস্যা তৈরি হয় যখন শ্রদ্ধা প্যারিসে পড়তে যাওয়ার চিঠি পায়। এরপরই নিজের মধ্যে সম্পর্কের বিষয়টি বুঝতে পারেন তারা।

ওকে জানু সিনেমাটি মনি রত্নম পরিচালিত ও কাদাল কানমানি সিনেমার রিমেক। এমনকি ওকে জানু সিনেমার পরিচালক সাদ আলি মনি রত্নমের সহকারী হিসেবে কাজও করেছেন। সিনেমাটির সংগীত পরিচালনা করেছেন এ. আর রহমান। আগামী ১৩ জানুয়ারি মুক্তি পাবে সিনেমাটি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

‘চুমু খেতে খেতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছিলাম’

বিনোদন ডেস্ক :

৯ ডিসেম্বর মুক্তি পাচ্ছে রণবীর সিং ও বাণী কাপুর অভিনীত সিনেমা বেফিকরে। সিনেমায় এ জুটির চুমুর কারণে শুরু থেকেই আলোচনায় তারা।

 

সিনেমার পোস্টার থেকে শুরু করে টিজার, ট্রেইলার এমনকি গানেও দেখা গেছে রণবীর-বাণীর চুমু। শোনা যাচ্ছে, সিনেমায় তাদের ২৩টি চুমুর দৃশ্য রয়েছে।

 

সম্প্রতি সিনেমার প্রচারণায় রণবীরের সঙ্গে তার চুমু প্রসঙ্গে কথা বলেছেন বাণী কাপুর। তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, সিনেমা আমি রণবীর সিংকে চুমু খেয়েছি কিন্তু আপনি কতবার কাউকে চুমু খেয়েছেন এটা কে গুনে রাখে? প্রথম প্রথম এটা অন্যরকম লাগত কিন্তু  পরবর্তীতে চুমু খেতে খেতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছিলাম। এখন যদি কেউ রণবীরকে বার বার চুমু খেতে বলে আমার কোনো সমস্যা নেই। এটি কাউকে আলিঙ্গন করার মতো। আলিঙ্গন করার সময় কেউ গুনে রাখে না। আর আলিঙ্গন করা কোনো উদ্ভট বিষয়ও নয়। সুতরাং এটি আমাদের কাছে এখন স্বাভাবিক একটি বিষয়।’

 

বেফিকরে সিনেমার গল্পে দেখা যাবে রণবীর ও বাণী দুজনেই বেশ স্বাধীনচেতা। এরপর তাদের দুজনের দেখা হয় প্যারিসে। তারপর থেকেই তাদের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি হয়। এতগুলো চুম্বন দৃশ্য থাকলেও সিনেমায় বাড়াবাড়ি কোনো অন্তরঙ্গ দৃশ্য নেই বলে জানা গেছে। সিনেমাটির চিত্রনাট্য, প্রযোজনা এবং পরিচালনা করছেন আদিত্য চোপড়া।

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দিলীপ কুমার আইসিইউতে

ভারতের কিংবদন্তি চলচ্চিত্র অভিনেতা দিলীপ কুমার (৯৩) অসুস্থ হয়ে মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

মঙ্গলবার পায়ের ব্যথা, জ্বর এবং শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। সেখানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিউ) রেখে তার চিকিৎসা চলছে।

৯৩ বছর বয়সী দিলীপ কুমার আগামী ১১ ডিসেম্বর ৯৪ বছরে পা রাখবেন। এর আগেই তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলো।

দিলীপের স্ত্রী সায়রা বানু বোম্বে টাইটমসে বলেছেন, আমি তাকে নিয়মিত চেক-আপের করানোর পরিকল্পনা করছিলাম। কিন্তু তার পা ফুলে যাওয়ার ঘটনায় আমি সতর্ক হয়ে যাই। তিনি ঠাণ্ডা এবং কাশির কষ্টেও ভুগছিলেন। দিলীপ সাবের স্বাস্থ্যের কোনো সমস্যার বিষয়কেই আমি অবহেলা করি না।

তিনি বলেন, চিকিৎসকরা দিলীপ কুমারের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন এবং পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। আমি আশাবাদী গুরুতর কিছু হয়নি। ইনশাল্লাহ আগামী রোববার ৯৪তম  জন্মদিনের আগেই তাকে বাড়ি নিয়ে যেতে পারব।

এর আগে চলতি বছরের এপ্রিলে জ্বরের কারণে দিলীপ কুমারকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

উল্লেখ্য, দিলীপ কুমার একজন মুসলিম অভিনেতা এবং তার আসল নাম ইউসুফ খান।

তিনি ‘আন’, ‘দাগ’, ‘দেবদাস’, ‘মধুমতি’, ‘মুঘলে আজম’, ‘রাম অউর শ্যাম’সহ বিখ্যাত সব চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে দিলীপ কুমার নামে খ্যাত হন।

অভিনয়ে অবদানের জন্য ১৯৯১ সালে পদ্মভূষণ সম্মানে ভূষিত হন তিনি। ১৯৯৮ সালে চলচ্চিত্র জগত থেকে সরে আসেন। তার সর্বশেষ চলচ্চিত্রের নাম ‘কিলা’। তিনি ১৯৯৮ সালে দাদাসাহেব ফালকে এবং ২০১৫ সালে পদ্মবিভূষণ সম্মাননা লাভ করেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ফের নতুন বিড়ম্বনার সম্মুখীন ঐশ্বরিয়া-রণবীর

1478093928_37অনলাইন ডেস্ক॥ ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ৪৩-এ পা দিলেন। সাবেক বিশ্ব সুন্দরীকে তার জন্মদিনে চমকে দিলেন রণবীর কাপুরের মা নীতু কাপুর। নিতু কাপুর নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে যা পোস্ট করলেন তাতে করে ফের বিড়ম্বনার সম্মুখীন হতে পারেন বচ্চন পরিবারের পুত্রবধূ ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন।

সম্প্রতি বেশ কিছুদিন ধরেই করণ জোহরের ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’এ ঐশ্বরিয়া আর রণবীরের অন্তরঙ্গ দৃশ্য ঘিরে তো আর কম পানি ঘোলা হলো না। একদিকে রয়েছেন বলিউড বিগ বি অমিতাভ বচ্চন। তারই তীব্র আপত্তিতে পরপুরুষের সঙ্গে নিজ ছেলের বউয়ের দুঃসাহসী দৃশ্যগুলোকে বাদ দিতে হয়েছে সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশন। অন্য দিকে আগুনে ঘি ঢালার মানুষেরতো অভাব নেই। নয় বছরের ছোট ছেলের সঙ্গে অভিনয়েও এমনটা করতে বাধল না ঐশ্বরিয়ার তা নিয়ে তো কানাঘুষা চলছেই।

এমনই একটি স্পর্শকাতর সময়ের মধ্যেই চরম বোমাটি ফাটালেন নীতু। নিতু কাপুর প্রমাণ করে দিলেন, ঐশ্বরিয়া আর রণবীর অনেক দিন ধরেই পরস্পর পরস্পরকে বেশ পছন্দ করেন। আর এই ঘটনার সূত্রপাত রণবীরের ছোটবেলা থেকেই। নিতু কাপুর তার নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে রণবীর আর ঐশ্বরিয়ার একটা পুরনো অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি শেয়ার করে তার কথার সত্যতারও পরিচিয় দিয়েছেন।

ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা সেই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ঋষি-নীতু কাপুরের বাড়ির একটা সোফায় বসে রয়েছেন ঐশ্বরিয়া। আর, তার সামনে মাটিতে বসে আছেন রণবীর। মন দিয়ে, অনুরাগী এক ভক্তের মতো তিনি নায়িকার একটা ছবি আঁকছেন। এর পরে আর কী বা বলার থাকতে পারে!

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এ পর্যন্ত কাউকে চুমু খাননি ঐশ্বরিয়া!

aishwarya-rai-bachchanবিনোদন ডেস্ক:এ পর্যন্ত সিনেমায় কাউকে-ই চুমু খাননি বলে দাবি করেছেন বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। বলিউডের অনেক জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। দেখা গেছে অনেক অন্তরঙ্গ দৃশ্যেও। কিন্তু, ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনই দাবি নায়িকার।

গতকাল শুক্রবার মুক্তি পেয়েছে ঐশ্বরিয়া অভিনীত ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’ ছবি। এতে কিছু দৃম্য নিয়ে শ্বাশুরির কথাও শুনতে হচ্ছে ঐশ্বরিয়াকে। সিনেমাটিতে ঐশ্বরিয়া-রণবীরের বেশ কিছু অন্তরঙ্গ দৃশ্য রয়েছে। এ নিয়ে চলছে জোর সমালোচনা। তারপরই এ নিয়ে খোলামেলা বক্তব্য দেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে ঐশ্বরিয়া তার অভিনীত সিনেমা ধরে ধরে ব্যাখ্যা দেন। তারপর তিনি বলেন, ‘ব্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস সিনেমায় আমার একটা চুমু খাওয়ার দৃশ্য ছিল। দৃশ্যটি নিয়ে পরিচালক গুরিন্দরকে বলেছিলাম- এই দৃশ্যটা বাদ দাও! এটা তোমার সিনেমার চিত্রনাট্যে তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। কিন্তু গুরিন্দরও ছাড়বে না। শেষ পর্যন্ত শটটা এমনভাবে নেওয়া হয়েছিল যাতে মনে হয়- আমরা চুমু খাচ্ছি। কিন্তু বাস্তবে ওসব কিছুই ঘটেনি।’

লীনা যাদবের শব্দ সিনেমাতেও আমার চুমু খাওয়ার দৃশ্য ছিল। সেখানেও একই ভাবে শটটা নেওয়া হয়েছিল। আমার সব সময়ই এটা মাথায় থাকে যে, লোকে এ বিষয়টি নিয়ে কী কী বলতে পারে? পাবলিক ফিগার বলে আমি এসব স্পর্শকাতর ব্যাপারে নিজের দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারি না, বলেন ঐশ্বরিয়া।

‘ধুম ২’ সিনেমাটি করার সময়েও সচেতন ছিলেন ঐশ্বরিয়া। কিন্তু দৃশ্যটি দেখে যাতে মনে না হয় এটি নকল চুমু। ঐশ্বরিয়ার এমন বক্তব্যের পর তার বক্তদের মনে প্রশ্ন উঠেছে তবে কী অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল সিনেমাতেও ঐশ্বরিয়ার নকল চুমু?

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

আজ শ্যামাপূজা

আজ শনিবার শ্যামাপূজা। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব এটি। এ উৎসব কালীপূজা নামেও পরিচিত।

উৎসব উপলক্ষে সারা দেশেই রয়েছে নানা কর্মসূচি। এরমধ্যে কেন্দ্রীয়ভাবে পূজা উদযাপিত হবে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে।

এছাড়া রাজধানীর রমনা কালীমন্দির ও মা আনন্দময়ী আশ্রম, সিদ্বেশ্বরী কালীমন্দির, রায়েরবাজার শেরেবাংলা রোড কালীমন্দিরসহ বিভিন্ন স্থানে পূজা উদযাপিত হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free