প্রাথমিক শিক্ষা

প্রধান শিক্ষক শিক্ষা অফিসে গেলেই ব্যবস্থা : দুদক চেয়ারম্যান

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ ফেব্রুয়ারী: কোনও প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক স্কুল সময়ে উপজেলা অফিসে আসলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও বিভাগীয় প্রধানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। তিনি বলেন,শ্রেণি কক্ষে পাঠদানের বাইরে কোচিং ও প্রাইভেট পড়ানো, টেস্ট পরীক্ষায় কোনও বিষয়ে ফেল করলে পুনরায় পরীক্ষা নিয়ে পাস দেখানো, পরীক্ষার ফরম পূরণে বোর্ড নির্ধারিত ফির থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের দুর্নীতি কঠোর হাতে দমন করা হবে।</p>
বৃহস্পতিবার (১৫ই ফেব্রুয়ারি) চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে ‘দুর্নীতিমুক্ত সরকারি সেবা, দুর্নীতির অভিযোগের প্রকৃতি’ বিষয়ে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

ইকবাল মাহমুদ বলেন,‘দুর্নীতিবাজরাই সমাজ ও দেশের উন্নয়নে সবচেয়ে বড় বাধা। তাই দুর্নীতি প্রতিরোধ করাটাই এখন বড় লক্ষ্য। বিশেষ করে প্রাথমিক শিক্ষায় দুর্নীতি হলে দেশ ও জাতি ধ্বংস হয়ে যাবে
ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ.এইচ.এম মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে পরিষদের সম্মেলন কক্ষে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সবুর মণ্ডল, ফরিদগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আবু সাহেদ সরকার, ভাইস চেয়ারম্যান ওয়াহিদুর রহমান রানা, পৌর মেয়র মাহফুজুল হক, উপজেলা প্রকৌশলী, ড. জিয়াউল ইসলাম মজুমদার, ওসি শাহ আলম, ইউপি চেয়ারম্যান ওমর ফারুক ফারুকী, আবুল কালাম ভূঁইয়া প্রমুখ।
এরপর দুদক চেয়ারম্যান উপজেলার চরবড়ালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাহেবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ও হাঁসা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দুর্নীতিবিরোধী মতবিনিময় সভা করেন। তিনি শিক্ষকদের দুর্নীতিবিরোধী স্লোগান সম্বলিত ছাতা এবং শিক্ষার্থীদের দুর্নীতিবিরোধী স্লোগান সম্বলিত শিক্ষা উপকরণ দেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৩৬তম বিসিএস নন-ক্যাডারে পদ প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকসহ প্রায় ৪ হাজার

ঢাকা, ১৩ ফেব্রুয়ারি : ৩৬তম বিসিএস নন-ক্যাডার নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ কর্ম কমিশন (পিএসসি)। নন-ক্যাডার নিয়োগে ১ম ও ২য় শ্রেণিতে মাত্র ৭৮৭ পদ পেয়েছে বাংলাদেশ কর্ম কমিশন (পিএসসি)। তবে প্রধান শিক্ষকসহ এই পদ প্রায় ৪ হাজার বলে জানিয়েছেন পিএসসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক।
যদিও বিসিএসে উত্তীর্ণদের প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ নিতে অনীহা রয়েছে। কারণ এই পদটি ২য় শ্রেণির বলা হলেও এখনো শিক্ষকেরা বেতন পান ১১ ও ১২ তম গ্রেডে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পিএসসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক শিক্ষাবার্তাকে বলেন, পদ তো আমরা অনেক পেয়েছি। সেটা প্রায় চার হাজার। ১ম ও ২য় শ্রেণিতে নিয়োগ দেয়া যাবে ৭৮৭ জনকে।
এক প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ সাদিক বলেন, ‘প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগে অনীহা থাকার বিষয়টি তো আমাদের কিছু করার নেই। এটা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত। এবিষয়ে আমরা কিছু বলতে পারব না।’
পিএসসি সূত্রে জানা গেছে, ৩৬তম বিসিএসে ২ হাজার ৩২৩ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়। এ ছাড়া উত্তীর্ণ ৩ হাজার ৩০৮ জনকে নন-ক্যাডারে রাখা হয়।
নন-ক্যাডারে নিয়োগ দিতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাছে শূন্য পদ চেয়ে চিঠি পাঠায় পিএসসি। এতে বেশ সাড়া পেয়েছে তারা। ১ম শ্রেণির পদে ৪২২টি এবং ২য় শ্রেণির ৩৬৫টিসহ মোট ৭৮৭টি শূন্য পদ পেয়েছে পিএসসি। আর প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক পদ রয়েছে কয়েক হাজার।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জাতীয়করনকৃত প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল এর আপত্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক: জয়পুরহাটে ১৬ জন জাতীয়করনকৃত প্রধান শিক্ষককের টাইমস্কেলে আপত্তি জানিয়েছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আশরাফুল কবীর। গত ১৮ ডিসেম্বর ২০১৭ ইং তারিখে এ আপত্তি জানান তিনি । তিনি বলেন যেহেতু সবাই (পদ্দোন্নতীপ্রাপ্ত ) ১৪/০৭/২০০৮ ইং তারিখের পত্র অনুযায়ী পদ্দোন্নতীপ্রাপ্ত তাই তাদের অর্থ মন্ত্রনালয়ের ২৩/০৩/৯৫ সালের পত্র অনুযায়ী টাইমস্কেল প্রাপ্তহবেন না।

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মার্চে প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক,৮ ফেব্রুয়ারী :স্থগিত থাকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা আগামী মার্চের শেষ দিকে অনুষ্ঠিত হবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক (নিয়োগ) একেএম সাফায়েত আলম আজ ব্রহস্পতিবার (৮ই ফেব্রুয়ারি) সাংবাদিকদের এ খবর জানিয়েছেন।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের শূন্য পদে নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এজন্য স্থগিত থাকা একটি পরীক্ষা নেওয়ার পাশাপাশি নতুন করে বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূ্ত্রে জানা যায়, সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দিতে ২০১৪ খ্রিস্টাব্দের ৯ ডিসেম্বর একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিলো প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এতে প্রায় ১২ লাখ প্রার্থী আবেদন করেছিলেন। কিন্তু ‘পুল’ ও ‘প্যানেলভুক্ত’ শিক্ষকদের মামলা সংক্রান্ত জটিলতায় ওই বিজ্ঞপ্তির বিপরীতে প্রায় ১০ হাজার পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে যায়।

মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন, ‘পুল’ ও ‘প্যানেলভুক্ত’ শিক্ষকদের নিয়োগের পর মামলা জটিলতা নিরসন হওয়ায় নতুন করে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এজন্য মন্ত্রণালয়ের কাছে বাজেট চেয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

তিনি বলেন, নতুন করে আরো প্রায় ১০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দিতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেখানে ৮-১০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।

মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানায়, সহকারী শিক্ষকের প্রায় ১৭ হাজার এবং প্রধান শিক্ষকের আরো প্রায় ২০ হাজার পদ বর্তমানে পদ শূন্য রয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প-৪ এর আওতায় নতুন করে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষকদের বদলি বন্ধে সতর্ক হওয়ার নির্দেশ

ডেস্ক,১ ফেব্রুয়ারী : সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষকদের বদলি ও তদবির বন্ধে সতর্ক হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই)। যথাযথ প্রক্রিয়ায় এসব কার্যক্রম করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার ডিপিই’র পলিসি-২ শাখার সহকারী পরিচালক মো. মোসলেম উদ্দিনের সাক্ষরিত একটি সতর্কবার্তা জারি করা হয়।

সেখানে বলা হয়েছে, অনেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকরা বদলির জন্য মহাপরিচালক বরাবর আবেদন করে থাকেন। যা চাকরি শৃঙ্খলা পরিপন্থি। শিক্ষকদের বদলির ক্ষেত্রে যথাযথ প্রক্রিয়া কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। নতুবা শৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে চাকরিবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিপিই’র অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. রমজান আলী জাগো নিউজকে বলেন, অনেকে বদলির জন্য যথাযথ প্রক্রিয়ায় আবেদন না করে সংশ্লিষ্ট অধিদফতরের মহাপরিচালক বরাবর আবেদন করেন। এরপর তা কার্যকর হতে নানাভাবে তদবির চালায়। এতে মহাপরিচালকের গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্টসহ নানা ধরনের জটিলতা সৃষ্টি হয়। এ কারণে সহকারী শিক্ষক বদলিতে প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে এবং প্রধান শিক্ষক বদলিতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে আবেদন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, কোনো শিক্ষক এর ব্যত্যয় ঘটালে চাকরিবিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এক ক্লিকেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব তথ্য

ডেস্ক,১ ফেব্রুয়ারী : সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহে নতুন ওয়েবসাইট তৈরি করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষক কতজন, শিক্ষার্থীর সংখ্যা, ফলাফল, ভবনের অবস্থানসহ সব তথ্য থাকবে এ ওয়েবসাইটে। শুধুমাত্র প্রাইমারি এডুকেশন প্রপার্টি ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (পিইপিএমআইএস) সাইটে গিয়ে ক্লিক করলেই বিস্তারিত দেখা যাবে।

শুধুমাত্র যাদের অ্যাকসেস থাকবে তারাই দেখতে পাবেন এসব তথ্য। ডিজিটাল এই ওয়েবসাইটি তৈরি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সরকারি প্রাথমিক স্কুলের ভবন নির্মাণসহ সব উন্নয়ন কাজের দীর্ঘসূত্রতা দূর হয়েছে। প্রথম দিকে মাঠপর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে কয়েক মাস সময়ে লেগে যেত। সঠিক তথ্য যথা সময়ে মিলতো না।

বর্তমানে সারাদেশের সব স্কুলের যাবতীয় তথ্য পিইপিএমআইএস ওয়েবসাইটে রয়েছে। ক্লিক করলেই মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা প্রত্যেক স্কুলের ভৌগোলিক অবস্থানসহ সব তথ্য পাচ্ছেন। ওয়েবসাইটের তথ্যের মাধ্যমেই এখন সব উন্নয়ন কাজ পরিচালনা করছেন। ফলে অর্থ এবং সময়ের অপচয় কমেছে। নেই কোনো তদবির।

এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন শাখার সহকারী প্রধান কর্মকর্তা মো. নুরুন্নবী বলেন, ‘জনপ্রতিনিধিসহ অনেকে স্কুলের নতুন ভবন নির্মাণের দাবি নিয়ে আসতেন। তারা অভিযোগ করতেন, ভবন সঙ্কটের কারণে শিক্ষার্থীরা গাছের নিচে ক্লাস করে। এখন কেউ তদবির নিয়ে আসলেই ওয়েবসাইটে ঢুকে ঘটনার সত্যতা যাছাই করা হয়। ভবনের ছবিসহ বিস্তারিত তথ্য দেখানোর পরে অনেকে সরি বলে চলে যান।

তিনি বলেন, একটি স্কুলের উন্নয়নমূলক কাজ করতে যত ধরনের তথ্য দরকার তার সব তথ্য ওয়েবসাইটিতে রয়েছে। ভবিষ্যতে ভবন নির্মাণের প্রয়োজন হলে তার ডিজাইন ও স্থানও নির্ধারণ করে ওয়েবসাইটে আপলোড করেছেন শিক্ষকরা।’

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, পিইপিএমআইএস ওয়েবসাইটে স্কুলের শ্রেণিভিত্তিক ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা, কর্মরত নারী ও পুরুষ শিক্ষকের সংখ্যা, শিক্ষক পদের সংখ্যা ও শূন্যপদ, চালু থাকা শিফট, স্কুলের জমির পরিমাণ, জমির মালিকানার সনদ, সেনিটেশন ব্যবস্থার চিত্র, ভবন ও ক্লাস রুমের সংখ্যা, ভবন ও ক্লাস রুমের আয়তন, ধরন, নির্মাণের সময়কাল, স্কুলের ভবনের সামনের-পেছনের দিকের ও দৈর্ঘ্যের ছবিসহ বিস্তারিত তথ্য দেয়া আছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পাঁচ শতাধিক প্রধান শিক্ষককে নিয়োগ

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৪ জানুয়ারী: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চলতি দায়িত্বে দুই জেলায় আরও পাঁচ শতাধিক শিক্ষককে পদায়ন দেয়া হবে। আগামী সপ্তাহে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হবে বলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে।

মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, চলতি সপ্তাহে নেত্রকোনা, কুষ্টিয়া ও ঠাকুরগাঁও জেলায় ৭৭৬ জন শিক্ষককে চলতি দায়িত্বে প্রধান শিক্ষক পদে পদায়ন করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে কিশোরগঞ্জ ও মানিকগঞ্জ জেলার ৫২৩ জন জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক চলতি দায়িত্ব দেয়া হবে।

জানা গেছে, সম্প্রতি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) থেকে কিশোরগঞ্জ ও মানিকগঞ্জ জেলার প্রধান শিক্ষক শূন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের তালিকা পাঠানো হয়। তালিকা অনুযায়ী মানিকগঞ্জ জেলায় ২৭৩ জন ও কিশোরগঞ্জে ২৫৫ জন শিক্ষক রয়েছে। চলতি সপ্তাহে মন্ত্রণালয় থেকে এ দুই জেলার প্রধান শিক্ষক পদায়নের নির্দেশনা জারি করা হবে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. গিয়াসউদ্দিন আহমেদ শিক্ষাবার্তাকে বলেন, জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে মানিকগঞ্জ ও কিশোরগঞ্জের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হবে। এ দুই জেলার ৫২৩ জন জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষককে চলতি দায়িত্বে প্রধান শিক্ষক পদে দায়িত্ব দেয়া হবে।

তিনি বলেন, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। পর্যায়ক্রমে সব জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক শূন্য আসনে চলতি দায়িত্বে পদায়ন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে সাত জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকরী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষকের চলতি দায়িত্বে পদোন্নতি দেয়া হয়। এছাড়াও মেহেরপুর, ফরিদপুর জেলার শিক্ষকদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে তাদেরকেও এ দায়িত্ব দেয়া হবে।

জানা যায়, জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের তালিকা প্রণয়নে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরকে দায়িত্ব দেয়া হয়। সে তালিকার ভিত্তিতে মন্ত্রণালয় থেকে যোগ্য শিক্ষকদের পদায়নে অনুমোদন দেয়। অধিদফতর সেসব শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদায়ন করে থাকে।

উল্লেখ্য, গত ২৩ মে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের শূন্য স্থানে জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদের দায়িত্ব দেয়ার ঘোষণা দেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অবশেষে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদা, বিস্তারিত জানুন

জুমবাংলা ডেস্ক,২০ জানুয়ারী : সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণীর পদমর্যাদা এবং সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল একধাপ উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গত রোববার সচিব কমিটির সভায় ওই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সে অনুযায়ী মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত আদেশ জারি হওয়ার কথা ছিল। তবে কৌশলগত কারণে তা আপাতত হচ্ছে না। এ ধরনের পদের আপগ্রেডেশন আর বেতন স্কেল উন্নীত করার দাবি প্রাথমিক শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের। এ নিয়ে তারা রাজপথের আন্দোলন পর্যন্ত করেছেন। এমনকি দিনের পর দিন বিদ্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে তারা কর্মবিরতি পালন করেন। শেষপর্যন্ত সেই দাবি তাদের পূরণ হল। দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, অর্থ মন্ত্রণালয় বিষয়টিতে সম্মতি আর সচিব কমিটির অনুমোদনের পরও এ ব্যাপারে আদেশ জারি করতে কৌশলের আশ্রয় নিতে হচ্ছে সরকারকে। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা। সারা দেশে ভোট গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রাথমিক শিক্ষকদের কেউ প্রিসাইডিং অফিসার আবার কেউ সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করে থাকেন। তাই তফসিল ঘোষণা হয়ে যাওয়ায় এ মুহূর্তে শিক্ষকদের দেয়া সুবিধার বিষয়টি নিয়ে আপত্তি উঠতে পারে বলে সরকারের সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

রোববার সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সচিব কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায়ই প্রাথমিক শিক্ষকদের উল্লিখিত বিষয়টি অনুমোদন হয় বলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব কাজী আখতার হোসেন সাংবাদিকদের জানান। তিনি এও জানান, এ ব্যাপারে তার মন্ত্রণালয় থেকে কোনও প্রজ্ঞাপন জারি হবে না। কারণ এটি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ার। সেখান থেকেই প্রজ্ঞাপন বা অন্য যা-ই করা হোক হবে। তাদের বিষয়টি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে অবহিত করা হবে মাত্র। তিনি আরও বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণীর পদমর্যাদা এবং সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল উন্নীতকরণের বিষয়টি ঘোষণা এখন একটি আনুষ্ঠানিকতার বাকি মাত্র।
মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এসএম আশরাফুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে মঙ্গলবারই আদেশ জারি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা হয়েছে কিনা তিনি জানেন না। বলেন, শিক্ষকদের দুটি দাবি মেনে নিতে সরকারকে বছরে ৫শ’ কোটির বেশি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় করতে হবে। তবে ওই অর্থ এ বছর অর্থ মন্ত্রণালয়কে দিতে হবে। প্রয়োজনীয় অর্থ বাজেটে রয়েছে। জানা গেছে, জাতীয় বেতন স্কেল ২০০৯ অনুযায়ী বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত) ১৩তম গ্রেডে বেতন ও সুবিধাদি পাচ্ছেন। প্রশিক্ষণবিহীন প্রধান শিক্ষক পাচ্ছেন ১৪তম গ্রেডে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক ১৫তম গ্রেড এবং প্রশিক্ষণবিহীন সহকারী শিক্ষক ১৬তম গ্রেডে বেতন ও সুবিধাদি পাচ্ছেন। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণীর কর্মকর্তার পদমর্যাদা বৃদ্ধি পেলে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ১০ম এবং প্রশিক্ষণবিহীন প্রধান শিক্ষক ১১তম গ্রেডে বেতন ও সুবিধাদি পাবেন। এছাড়া সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল উন্নীত হলে সেক্ষেত্রে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক ১৩তম গ্রেড এবং প্রশিক্ষণবিহীন সহকারী শিক্ষক ১৪তম গ্রেডে বেতন ও সুবিধাদি পাবেন। দেশে বর্তমানে প্রায় ৩৮ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর বাইরে নতুন করে জাতীয়করণ করা ২৬ হাজার বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও এ সুবিধা পাবেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক সমাপনীর ফলে প্রায় ৮০ হাজার আপত্তি

ডেস্ক,১৯জানুয়ারী : প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষার ফলাফলে সন্তুষ্ট না হয়ে আপত্তি জানিয়েছে ৭৯ হাজার ৭০৯ জন শিক্ষার্থী। গত মাসে প্রকাশিত এই ফলে আপত্তি জানিয়ে তারা ফল পরিবর্তনের জন্য আবেদন করেছে। এদের মধ্যে কেউ প্রাপ্ত ফল বাড়ানো, কেউ ফেল থেকে পাস করার জন্য আবদেন করেছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের (ডিপিই) কর্মকর্তারা জানান, চলতি বছর প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয়ভাবে ফল পুনর্নিরীক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আগে থানা শিক্ষা অফিসার বরাবর এ আবেদন করত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। চলতি বছর টেলিটক মোবাইলের মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে এ আবেদনের উদ্যোগ নেয়া হয়। তবে খাতা পুনর্নিরীক্ষণ আগের মতোই জেলা ও উপজেলা শিক্ষা অফিসারের সহায়তা নেবে ডিপিই।

ডিপিইর সিনিয়র সিস্টেম এনালিস্ট প্রকৌশলী অনুজ কুমার রায় বলেন, চলতি বছর কেন্দ্রীয়ভাবে এ পুনর্নিরীক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছি। ফল প্রকাশের পরবর্তীতে নানা ধরনের অনিয়মের বিষয়টি মাথায় রেখেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ফল প্রকাশের পরের দিন তথা ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত টেলিটক মোবাইলের মাধ্যমে ৭৯ হাজার ৭০৯ জন শিক্ষার্থী ফল পরিবর্তনের জন্য আবেদন করে। ২০দিন পর ( ৪ ফেব্রুয়ারি ) এ পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করা হবে বলে জানান তিনি।

তবে কোন বিষয়ে সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়েছে তা জানা সম্ভব হয়নি। গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর পিইসির ফল প্রকাশিত হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল অবৈধ। সারা দেশে সরকারী টাকা লুটপাট

শিক্ষাবার্তার সংবাদ প্রকাশের পর তোড়জোড়

দুই পদের সমষ্টিতে টাইম স্কেল নেয়া যায় না।

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৯জানুয়ারী : জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল নেবার ব্যাপারে মতামত প্রদান করেছে উপ হিসাব নিয়ন্ত্রক মজিবুল হক। গত ৭ জানুয়ারী ২০১৮ ইং তারিখের এক পত্রে  জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকরা টাইমস্কেল পাচ্ছে না বলে রংপুর ডিভিশনাল কন্টোলারকে চিঠি দিয়েছে। পত্রে বলা হয়েছে উভয় পদের সমষ্টির ভিত্তিতে টাইমস্কেল প্রাপ্য নয় বলে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে এবং পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সুত্র জানায় শুধুমাত্র দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের ১ নং (এক) ক্রমিকে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষককে মাত্র ৫০ (পঞ্চাশ) টাকা ভাতা প্রদানের মাধ্যমে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের সুযোগ প্রদান করে এমপিওভুক্ত করা হয়েছিলো| ১৪-৭-২০০৮ খ্রিঃ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্মারক নং প্রাগম/বিদ্যা-১/৮ জি-৭/৯৮ ( অংশ) ২৫৩ এর পরিপত্র মোতাবেক রেজিঃ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে (জাতীয়কর) শিক্ষা ও ব্যবস্থাপনার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার এ সকল বিদ্যালয়ে বিদ্যমান শিক্ষকের ৪টি পদের একটিকে উন্নীতকরণের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক পদ সৃষ্টির সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছেন।

অর্থাৎ ২০০৮ সাল থেকে তাদেরকে প্রধান শিক্ষক হিসাবে গননা করা হয় এবং সেখান থেকে সবাই পদ্দোন্নতী প্রাপ্ত।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল নিয়ে জটিলতা সমস্যা সমাধানে কাজ করছে সমিতির নেতৃবৃন্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক,১২ জানুয়ারী : প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের উন্নীত পদ্ধতিতে বেতন নির্ধারণ নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে কাজ করছে কেন্দ্রীয় প্রধান শিক্ষক সমিতি। অচিরেই সমস্যা সমাধানের পথেই হাটছেন তারা। সুবিধা বঞ্চিতদের হতাশ না হয়ে শিক্ষাদানে মনোযোগ দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নেতৃবৃন্দ। গত বছরের ১৫ নভেম্বর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব শামীম আসহান সাক্ষরিত জারিকৃত আদেশ নিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হয়। ওই আদেশে গুটি কয়েকজন প্রধান শিক্ষক সুবিধা পেলেও সিংহভাগই হয়েছে সুবিধা বঞ্চিত। সূত্রমতে, আদেশের ফলে ০৯-০৩-২০১৪ থেকে ১৪-১২-২০১৫ পর্যন্ত যাদের ১ম, ২য় এবং ৩য় টাইমস্কেল ডিউ হয়েছে তারাই বঞ্চিত হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করলে সমাধানের আশ্বাস দেন মাননীয় প্রাথমিক গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান। প্রাথমিক, গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশে বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৩ হাজার ৬০১টি। প্রধান শিক্ষকের সংখ্যা রয়েছেন প্রায় ৫০ হাজার। সে হিসেব মতে প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার প্রধান শিক্ষক পদ শূন্য রয়েছে। ৫০ হাজার প্রধান শিক্ষকের মধ্যে ২৫ হাজারের বেশি হচ্ছেন পদোন্নতিপ্রাপ্ত। সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের সংখ্যা মাত্র ১৫ হাজার। এছাড়া জাতীয়করণকৃত বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষক রয়েছেন প্রায় ১০ হাজার। ২০১৪ সালের ৯ মার্চ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহের অনুষ্ঠানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদা এবং বেতনস্কেল দু’ধাপ উন্নীত করার ঘোষণা দেন। পাশাপাশি সহকারী শিক্ষকদের এক ধাপ বেতনস্কেল উন্নীত করার ঘোষণাও দেন। কিন্তু প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদার ভিত্তিতে বেতনস্কেল নিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হয়। অর্থ মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মধ্যে পত্র লেনদেন করা হয়েছে বেশ কয়েকবার। এছাড়া শিক্ষক নেতাদের সাথে বৈঠকের পর গত ১৫ নভেম্বর জারিকৃত আদেশে সারাদেশের প্রধান শিক্ষকদের সিংহভাগই বাদ পরেছে এ সুবিধা থেকে। কিছু সংখ্যক শিক্ষক এ সুবিধা পাওয়ায় সৃষ্টি হয় জটিলতার। তারই প্রেক্ষিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে শিক্ষক নেতাদের কাছে বঞ্চিত শিক্ষকদের সংখ্যা জানতে চাওয়া হয়। নেতৃবৃন্দের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুনরায় তালিকা প্রকাশ হবে বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক স্বরুপ দাস বলেছেন, প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল জটিলতা নিয়ে আমরা মন্ত্রণালয়ে জানিয়েছি। আশা করছি খুব দ্রুত বিষয়টি সমাধান করতে পারবো। প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রণালয়ের সচিব আসিফ-উজ-জামান বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি। দ্রুত সমাধান হবে ইনশাল্লাহ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাক-প্রাথমিকে ১০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম শুরু

ডেস্ক: সারাদেশে সরকারি প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। ইতোমধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শিক্ষক সংকট নিরসনে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে এ প্রক্রিয়া শেষ হবে বলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর সূত্র জানায়, পুল ও প্যানেলভুক্ত শিক্ষকদের মামলা জটিলতায় গত তিন বছরের বেশি সময় ধরে সরকারি প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ স্থগিত ছিল। এ ক্যাটাগরির শিক্ষকদের নিয়োগ জটিলতা নিরসন না হওয়া পর্যন্ত নতুন করে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ রাখতে আদালত থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়। ফলে ২০১৪ সালের ৯ ডিসেম্বর ১০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও সে কার্যক্রম স্থবির হয়ে পরে।

জানা গেছে, বর্তমানে পুল-প্যানেল শিক্ষকদের নিয়োগ কার্যক্রম শেষ হওয়ায় নতুনভাবে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে চলতি সপ্তাহের শুরুতে ডিপিইতে সভা হয়েছে। সে সভায় ২০১৪ সালের নিয়োগ কার্যক্রম পুনরায় শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এছাড়াও এ নিয়োগ কার্যক্রম শেষে সহকারী শিক্ষক পদে শূন্য আসনে নতুন করে নিয়োগ দেয়ারও সিদ্ধান্ত হয়। নিয়োগ কার্যক্রম শেষ করতে ডিপিইর নিয়োগ কমিটিকে নিদের্শনা দেয়া হয়েছে। কমিটির সদস্যরা এ সংক্রান্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। ফেব্রুয়ারি থেকে নিয়োগ পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণ কাজ শুরু করা হবে বলে ডিপিই’র নিয়োগ শাখা থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০১৪ সালের ৯ ডিসেম্বর থেকে আবেদন শুরু হয়ে ২০১৫ সালের ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত চলে আবেদন প্রক্রিয়া, সেখানে ১০ হাজার আসনে প্রায় ১২ লাখ আবেদন জমা পড়ে। পরে মামলা জটিলতায় এ নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত হয়ে যায়। এরপর পুল ও প্যানেলের সকল শিক্ষককে নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ লক্ষ্যে গত ৩০ মার্চের মধ্যে এসব শিক্ষকের নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়। এ নির্দেশনার ভিত্তিতে দেশের সব জেলা থেকে শূন্য আসনের তালিকা সংগ্রহ করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করে প্রাথমিক ও শিক্ষা অধিদফতর।

জানা গেছে, সারাদেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে প্রায় ৩০ হাজারের বেশি শূন্য রয়েছে। তার মধ্যে ১৭ হাজার পুল ও প্যানেল শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে ডিপিই’র অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. রমজান আলী বলেন, ২০১০ সালের স্থাগিত সহকারী শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে এ কার্যক্রম শেষ করা হবে। চলতি সপ্তাহে সভা করে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। শিক্ষক সংকট দূরীকরণে আমরা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

তিনি আরো বলেন, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আমরা পুল-প্যানেল শিক্ষকদের নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করেছি। বয়স উত্তীর্ণ হওয়ায় সাতজন শিক্ষককে নিয়োগ দেয়া সম্ভব হয়নি। বিষয়টি আমরা লিখিভাবে আদালতকে জানিয়েছি। ফলে এখন নতুন করে শিক্ষক নিয়োগে আর কোনো জটিলতা নেই।

তিনি বলেন, সারাদেশের প্রাথমিক স্কুলগুলোতে সহকারী শিক্ষক সংকট রয়েছে। এ কারণে স্থগিত নিয়োগ কার্যক্রম শেষে শূন্য আসনগুলোতে নতুন করে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকদের টাইম‌স্কেল নিয়ে জ‌টিলতা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ৩জানুয়ারী ২০১৮: প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের উন্নীত পদ্ধতিতে বেতন নির্ধারণে গত ১৫ নভেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা আদেশ নিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। এই আদেশের ফলে ৯/৩/১৪ – ১৪/১২/১৫ পর্যন্ত যা‌দের ১ম.২য় এবং ৩য় টাইম‌স্কেল ‌ডিউ হ‌য়ে‌ছে তারা টাইমস্কেল থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল। বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ মন্ত্রনালয়ে যোগাযোগ করলে বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দেন মন্ত্রনালয়।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে, সারা দেশে বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা হচ্ছে ৬৩ হাজার ৬০১। এসব স্কুলে প্রধান শিক্ষক রয়েছেন ৫০ হাজারের মতো। অন্য সব স্কুলে প্রধান শিক্ষকের পদ বর্তমানে শূন্য রয়েছে। এ ৫০ হাজারের মধ্যে ২৫ হাজারের বেশি হচ্ছেন পদোন্নতিপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রয়েছেন ১৫ হাজার ও জাতীয়করণকৃত বিদ্যালয়গুলোয় প্রধান শিক্ষক রয়েছেন ১০ হাজারের কাছাকাছি।

২০১৪ সালের ৯ মার্চ প্রধানমন্ত্রী জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহের অনুষ্ঠানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণীর পদমর্যাদা এবং বেতন স্কেল দুই ধাপ উন্নীত করার ঘোষণা দেন। পাশাপাশি সহকারী শিক্ষকদের এক ধাপ বেতন স্কেল উন্নীত করার ঘোষণা দেন; কিন্তু প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণীর পদমর্যাদার ভিত্তিতে বেতন স্কেল নিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হয়।
অর্থ মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মধ্যে চিঠি চালাচালি ও শিক্ষক নেতাদের সাথে বৈঠকের পর গত ১৫ নভেম্বর যে আদেশ জারি করা হয়েছে, তাতে সংশ্লিষ্টদের বৃহৎ অংশই বাদ পড়েছেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রনালয় ৯/৩/১৪ – ১৪/১২/১৫ পর্যন্ত কতজন টাইমস্কেল পাওয়া থেকে বঞ্চিত আছে তার একটা খছড়া হিসাব চেয়েছে। তারই প্রেক্ষিতে একটা খছড়া তালিকা তৈরি হচ্ছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে তালিকা মন্ত্রনালয়ে পৌছাবে বলে জানান কর্তৃপক্ষ। তারপরেই তারা অর্থমন্ত্রনালয়ে তালিকাসহ প্রস্তাব পাঠাবে।
এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক সমিতির সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাস বলেন প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল জটিলতা নিয়ে আমরা মন্ত্রনালয়ে জানিয়েছি। আশা করছি খুব দ্রুত বিষয়টি সমাধান করতে পারব।
প্রাথমিক ও গনশিক্ষামন্ত্রনালয়ের সচিব আসিফ-উজ-জামান দৈনিক বর্তমানকে বলেন বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ শুরু করেছি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকে সুবিধামত বদলিতে লাগবে মেধা পরীক্ষা

প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকরা যোগ্যতার পরীক্ষায় উর্ত্তীর্ণ হলেই ঢাকায় সুবিধামত স্থানে বদলি হতে পারবেন। রাজধানীর সিটি কর্পোরেশন এলাকাগুলোতে বদলির ক্ষেত্রে এমন বিধিমালা তৈরি হচ্ছে। প্রাথমিক স্কুল শিক্ষকদের সংশোধিত বদলির নীতিমালা খসড়াতে এ প্রস্তাব করা হয়েছে। চলতি মাসের মধ্যেই নীতিমালা চূড়ান্ত করা হবে বলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

খসড়া নীতিমালায় বলা হয়েছে, এক বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বদলির আবেদন করা যাবে না। তবে বিশেষ কারণে যে কোনো সময়ে মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদফতরের (ডিপিই) মহাপরিচালক, প্রাথমিক জেলা শিক্ষা অফিসার ও বিভাগীয় উপ-পরিচালকের সুপারিশে সুবিধামতো স্থানে বদলি হওয়া যাবে।

সূত্র জানায়, সরকারি প্রাক-প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক বদলির নীতিমালা নিয়ে নানা জটিলতা দেখা দিয়েছে। ফলে স্কুল শিক্ষকদের যৌক্তিক কারণে বা প্রয়োজনে বদলি করা সম্ভব হয় না। চাকরি পাওয়ার পর বিয়ে হলে স্বামী-স্ত্রীকে আলাদা থাকতে হচ্ছে। শুধু তাই নয়, বিধবা বা তালাকপ্রাপ্ত কিংবা বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে সুবিধামতো স্থানে বদলি হওয়া যায় না। প্রতিবন্ধী শিক্ষকদের নিজ বাড়ি থেকে অনেক দূরের স্কুলে যোগদান করতে হচ্ছে। এসব বিষয় আমলে নিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বদলি নীতিমালা সংশোধনের কাজ শুরু করে।

খসড়া নীতিমালায় বলা হয়েছে, রাজধানীর মধ্যে সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বদলির ক্ষেত্রে মেধা পরীক্ষার আয়োজন করা হবে। সে পরীক্ষায় উর্ত্তীণরাই শুধু এসব স্থানে বদলি হতে পারবেন। চাকরি পাওয়ার পর নারী শিক্ষকদের বিয়ে হলে স্বামীর কর্মস্থলের পার্শ্ববর্তী স্কুলে বদলি হতে পারবেন, প্রতিবন্ধী শিক্ষকদের স্থায়ী ঠিকানার পার্শ্ববর্তী এলাকার স্কুলে বদলি করা যাবে, স্বামী মারা গেলে বা বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে সুবিধামতো স্থানসহ বিশেষ কোনো কারণে বছরের যেকোনো সময় বদলি হওয়া যাবে, দুর্গম এলাকায় নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরা চাকরির মেয়াদ ১০ বছরের পরিবর্তে ৫ বছর পর নিজ এলাকায় বদলি হতে পারবেন, জাতীয়করণ অনেক শিক্ষককে ভিন্ন জেলায় নিয়োগ দেয়া হয়েছে, তারা প্রেষণে নিজ জেলায় বদলি হতে পারবেন। তবে, সাধারণ বদলির ক্ষেত্রে বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত আবেদনের সময় নির্ধারিত রয়েছে।

জানা গেছে, আগের মতো শিক্ষকদের চাকরির মেয়াদ দুই বছর পূর্ণ হলে বদলির আবেদন করতে পারবেন। আর দুই বছরের মধ্যেই নিজ জেলায় বদলির আবেদন করতে পারবেন। তবে বিশেষ কারণে যেকোনো সময়ে মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদফতরের (ডিপিই) মহাপরিচালক, প্রাথমিক জেলা শিক্ষা অফিসার ও বিভাগীয় উপ-পরিচালকের সুপারিশে সুবিধামতো স্থানে বদলি হওয়া যাবে। ইতোমধ্যে বদলি সংশোধিত নীতিমালার খসড়া তৈরি করা হয়েছে।

গত ১৫ নভেম্বর এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সুপারিশ চাওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ডিজিই এ বিষয়ে সুপরিশ পাঠিয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের। সম্প্রতি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সচিব মো আসিফুজামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় ঢাকায় বদলির ক্ষেত্রে পরীক্ষা পদ্ধতি চালুর বিষয়টি অন্তভুক্ত করার পরামর্শ দেন সচিব। এছাড়াও শিক্ষক বদলিতে মন্ত্রণালয়ের কোনো হস্তক্ষেপ না রাখার বিষয়টি তিনি অন্তভুক্ত করতে নির্দেশ দেন। পরবর্তী সভায় নীতিমালাটি চূড়ান্ত করা হবে বলেও জানা যায়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. গিয়াস উদ্দিন বলেন, শিক্ষক বদলি নীতিমালায় কিছু জটিলতা থাকার কারণে অনেক শিক্ষক নানা ধরনের সমস্যার মধ্যে পড়ে যান। এসব কারণে বদলি নীতিমালায় সেসব বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না থাকায় অনেকে বিপদগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন। অনেকে আবার চাকরি ছেড়ে দেন বা ঝুঁকি নিয়েই চাকরিতে থাকছেন। এমন অনেক অভিযোগ আমাদের কাছে এসেছে। সেই আলোকে আমরা বদলির নীতিমালা পরিবর্তনের কাজ করছি। এখন থেকে বিশেষ কারণে বছরের যেকোনো সময় শিক্ষকরা বদলির আবেদন করতে পারবেন। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে তাকে বদলি করা হবে। খসড়া তৈরি হয়েছে। সবার মতামত চাওয়া হয়েছে। ডিসেম্বরের মধ্যে খসড়া চূড়ান্ত করা হবে।

তিনি আরও বলেন, অধিকাংশ শিক্ষক-শিক্ষিকা ঢাকায় বদলি হয়ে আসতে চান। এ কারণে সিটি কর্পোরেশন এলাকাগুলোতে বদলিদের সুযোগ মেধাবী শিক্ষকদের দেয়া হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শহীদ মিনারে আমরণ অনশনে শিক্ষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৩ ডিসেম্বর: প্রধান শিক্ষকদের এক ধাপ নিচে জাতীয় বেতন স্কেলের ১১তম গ্রেডে বেতনের দাবিতে জাতীয় শহীদ মিনারে আমরণ অনশন শুরু করেছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা। শনিবার সকাল ১০টার দিকে ‘বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক মহাজোটের’ উদ্যাগে এই অনশন কর্মসূচি শুরু হয়।
এতে মহাজোটের বিভিন্ন সংগঠনের প্রায় ৫০ হাজার শিক্ষক অংশ নিয়েছেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার শিক্ষক এসেছেন অনশন কর্মসূচিতে। শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ধীরে ধীরে শিক্ষকদের সংখ্যা বাড়ছে।
জোটের নেতারা দাবি আদায়ে বক্তব্য দিচ্ছেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা অনশন চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন। তারা বলেন, এখন থেকে বিজয় না নিয়ে আমরা ফিরে যাব না।

দপ্তরের বিভিন্ন উচ্চ পর্যায় থেকে বৈষম্য কমানোর আশ্বাস প্রদান করা হলেও দীর্ঘ চার বছরে বৈষম্য না কমিয়ে তাদেরকে চরম হতাশার মাঝে ফেলে রাখায় তাদের দাবী আদায়ের জন্য সহকারী শিক্ষকদের সব সংগঠন এক হয়ে মহা জোট গঠন করে অাজ ভোর থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান নেয়। সহকারী শিক্ষক সংগঠনের সাথে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি,প্রধান শিক্ষক সমিতি সহকারী সংগঠনগুলোর সাথে আন্দোলনে যোগ দিলে আজ শহীদ মিনার জনসমুদ্রে রুপ নেয়।

দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা আমরন অনশন চালিয়ে যাবেন বলে জানা যায়। অনশনে যোগ দেওয়া ময়মনসিংহের গফরগাঁও বনগ্রাম সরকারী প্রাথমিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মিথুন আহমেদ বলেন আমাদের পিঠ এখন দেয়ালে ঠেকে গেছে, দাবি পূরন না হওয়া পর্যন্ত এখন অনশন চালিয়ে যাব।

অন্যদিকে অনশনে যোগ দেওয়া বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রিয় সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম তোতা বলেন, আমরা প্রধান ও সহকারীদের মধ্যে এত ব্যবধান চাইনা,আমরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যেভাবে আমাদের সহকারী ও প্রধানদের রেখে গেছেন আমরা সেভাবেই বেতন ব্যাবধান চাই, নইলে সহকারীদের মধ্যে যে ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি হয়েছে তাতে আমাদের বিদ্যালয় সঠিকভাবে পরিচালনা করা দূরুহ হয়ে পড়বে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free