প্রাথমিক শিক্ষা

সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাব স্কাউটিং চালু করা হবে

ডেস্ক :

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তার সরকার সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাব স্কাউটিং চালুর উদ্যোগ নেবে।

রোববার সকালে বাংলাদেশ স্কাউটস’র ষষ্ঠ জাতীয় কমডেকার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। চাঁদপুর জেলার হাইমচরের চরভাঙ্গায় স্কাউটস এবং রোভার স্কাউটসদের ‘কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট ক্যাম্প-কমডেকা’ (সমাজ উন্নয়ন ক্যাম্প ) অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রত্যেক স্কুলে কাব স্কাউটিং চালুর জন্য শিগগিরই একনেকে একটি প্রকল্প অনুমোদন দিতে যাচ্ছে। প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে দুটি করে কাব স্কাউট, স্কাউট ও রোভার স্কাউট ইউনিট চালু করতে এবং সহশিক্ষা এবং মেয়েদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একটি করে গার্ল ইন স্কাউট ইউনিট খুলতে আমি নির্দেশ দিয়েছি এবং এর জন্য যা যা করা দরকার সবধরনের সহযোগিতা আমরা দেব।’

তিনি বলেন, প্রতিটি জেলায় স্কাউটিং কার্যক্রম সম্প্রসারণ, উন্নয়ন ও মনিটরিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় সকল প্রকার অবকাঠামোগত সুবিধা বৃদ্ধি করা হবে। এটির জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগসমূহকে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়নের জন্য আমি আহ্বান জানাচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্কাউট কার্যক্রমের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে সব ধরনের সুবিধা আমি দিয়ে যাব, আমি ওয়াদা করছি।’

প্রধানমন্ত্রী এ সময় জাতীয় স্কাউট প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের জন্য ৯৫ একর জমি বরাদ্দ এবং প্রত্যেক জেলায় স্কাউট ভবন নির্মাণ এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণে তার সরকারের জমি বরাদ্দের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন এবং তার সরকারের অধীনে স্কাউট শতাব্দি ভবন নির্মাণ ও স্কাউটিং সম্প্রসারণের জন্য ১২২ কোটি টাকার প্রকল্প চলমান রয়েছে।

যেকোনো দুর্যোগ-দুর্ঘটনায় দুর্গতদের পাশে স্কাউটদের উপস্থিতি আমাকে মুগ্ধ করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বহির্বিশ্বে বিভিন্ন সেবামূলক কর্মকাণ্ড ও ক্যাম্পে আমাদের স্কাউটদের সফল অংশগ্রহণ দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে।

তিনি বলেন, ২০১৭ সালে স্কাউট সদস্য সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশ বিশ্ব স্কাউট কনফারেন্স-এ ‘গ্রোথ অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছে। এজন্য তিনি স্কাউট নেতা ও সকল পর্যায়ের স্কাউট সদস্যদের অভিনন্দন জানান।

দেশ আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে এখন অনেক এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ এবং মাদক থেকে যুব সমাজকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে আমরা একটি সৃষ্টিশীল দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই-সেজন্য সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ এবং মাদক সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করে সমাজ থেকে তা দূর করতে হবে। আর এটা করতে হলে জনসচেতনতা দরকার-বাবা, মা, ভাইবোন, শিক্ষক, মসজীদের ইমাম, ধর্মগুরু সকলকেই এ বিষয়ে বিশেষ ভূমিকা রাখতে হবে। সেই সাথে দেশের সার্বিক উন্নয়নেও সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। কারণ আমরা বাংলাদেশকে ক্ষুধা, দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ হিসেবে গড়তে চাই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য বাস্তবায়নেই তার সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

আজকের শিশু-কিশোররাই আগামীতে দেশের কর্ণধার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কাজেই তোমাদের নিজেদেরকেও সেভাবে প্রস্তুত করতে হবে। যাতে স্বাধীনতার আদর্শ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশকে তারা পরিচালিত করতে পারে। তোমাদেরকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে যোগ্যভাবে গড়ে উঠতে হবে। তোমরা প্রশিক্ষণ পাচ্ছ দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কাজেই যখন জীবনে তোমরা প্রতিষ্ঠিত হবে তখনও এটি ভুলে যাবে না। তখনও যেন এই মানসিকতাটা থাকে। জীব ও মানুষ সকলের প্রতি মমত্ববোধটা থাকতে হবে আর দেশকে ভালো বাসতে হবে। দেশকে গড়ে তোলার জন্য মানসিকতা নিয়ে সবসময় কাজ করতে হবে। কারণ এই দেশটা আমাদের, আমরাই এই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব এবং উন্নত করে গড়ে তুলবো।

তিনি রোভারদের সেবাধর্মী কার্যক্রম আরো বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়ে বলেন, স্কাউটিং এর সুফল সকল পর্যায়ে পৌঁছতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ও কমিউনিটি পর্যায়ভিত্তিক স্কাউটিং আরো সম্প্রসারণ করতে হবে।

তিনি বলেন, প্রতিটি মানুষ যেন তার মৌলিক চাহিদাগুলো নিশ্চিত করতে পারে তার বাস্তবায়নই আমাদের লক্ষ্য।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের আজকের যে অর্জন সেগুলো ভবিষ্যতে ধরে রাখার দায়িত্ব আজকের ছোট্ট শিশু-কিশোরদের। কাজেই আমি বিশ্বাস করি আমার প্রিয় রোভার এবং স্কাউটসরা সেভাবেই নিজেদের গড়ে তুলবে।

প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে বলেন, সরকার এই হাইমচরে একটি আধুনিক পর্যটন কেন্দ্র এবং একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলারও উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

বাংলাদেশ স্কাউটস’র সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক মো. আবুল কালাম আজাদ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। বাংলাদেশ স্কাউটস’র জাতীয় কমিশনার মোজাম্মেল হক খান এবং জাতীয় কমিশনার (স্পেশাল ইভেন্ট) মো. মোজাম্মেল হাসেন অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।

বাংলাদেশ স্কাউটস’র ষষ্ঠ জাতীয় কমডেকায় অংশগ্রহণকারী স্কাউট এবং রোভার স্কাউটরা মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজ প্রদর্শন করে প্রধানমন্ত্রীকে সালাম জানায়। প্রধানমন্ত্রী সালাম গ্রহণ করেন এবং কুচকাওয়াজ উপভোগ করেন।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য, সরকারের পদস্থ কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা এবং স্কাউট প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে কমডেকা পতাকা অবমুক্ত করার মাধ্যমে পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে বাংলাদেশ স্কাউটস’র ষষ্ঠ জাতীয় কমডেকার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ উপলক্ষে তিনি একটি স্মারক ডাক টিকিটও অবমুক্ত করেন।

ভারত, নেপাল এবং আমেরিকা থেকে আগত একজন স্কাউটসহ স্কাউট এবং রোভার স্কাউটদের সম্মেলন কমডেকায় সাড়ে সাত হাজার স্কাউট সদস্য অংশগ্রহণ করছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেলের জন্য মতামত প্রেরন

নিজস্ব সংবাদদাতা,২৯মার্চ:

প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল প্রদানের  জন্য মতামত প্রেরন করেছে প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রনালয়। বৃহস্পতিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব গিয়াস উদ্দিন।

জানা যায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের উন্নীত পদ্ধতিতে বেতন নির্ধারণে গত ১৫ নভেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা আদেশের ফলে ৯/৩/১৪ – ১৪/১২/১৫ পর্যন্ত যা‌দের ১ম.২য় এবং ৩য় টাইম‌স্কেল ‌ডিউ হ‌য়ে‌ছে তারা টাইমস্কেল থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল। বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ মন্ত্রনালয়ে যোগাযোগ করলে বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দেন মন্ত্রনালয়।

আরও পড়ুন

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা এপ্রিলে, নতুন বিজ্ঞপ্তি

এরই প্রেক্ষিতে প্রধান শিক্ষক  সমিতির সভাপতি রিয়াজ পারভেজ ও সিনিয়ার  যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাসের করা আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রির দপ্তর থেকে গত ৮ মার্চ  ওয়াহিদা মুসাররত আনীতা স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে  মতামত চেয়ে পত্র জারী করে  করে। তারই ধারাবাহিকতায় প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল দেবার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক সমিতির সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাস বলেন আমরা ইতিমধ্যে কাজ অনেক দুর আগিয়েছি। আগামী সপ্তাহে যারা টাইমস্কেল প্রাপ্ত তারা সচিব বরাবর এসিআর সহ আবেদন করতে পারবে। আমরা ইতিমধ্যে প্রাথমিকভাবে ৩০০ জনের এসিআর সংগ্রহ করছি। আশা করছি খুব দ্রুত টাইমস্কেল পাশ করাতে পারব।

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা এপ্রিলে, নতুন বিজ্ঞপ্তি

ঢাকা,২৭ মার্চ:

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের শূন্য পদে নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। এজন্য স্থগিত থাকা একটি পরীক্ষা নেওয়ার পাশাপাশি নতুন করে বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দিতে ২০১৪ সালের ৯ ডিসেম্বর একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিলো প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। এতে প্রায় ১২ লাখ প্রার্থী আবেদন করেছিলেন। কিন্তু ‘পুল’ ও ‘প্যানেলভুক্ত’ শিক্ষকদের মামলা সংক্রান্ত জটিলতায় ওই বিজ্ঞপ্তির বিপরীতে প্রায় ১০ হাজার পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে যায়।

মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা শিক্ষাবার্তাকে বলেন, ‘পুল’ ও ‘প্যানেলভুক্ত’ শিক্ষকদের নিয়োগের পর মামলা জটিলতা নিরসন হওয়ায় নতুন করে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এজন্য মন্ত্রণালয়ের কাছে বাজেট চেয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের উপপরিচালক (নিয়োগ) একেএম সাফায়েত আলম শিক্ষাবার্তাকে বলেন, স্থগিত থাকা সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা আগামী এপ্রিলের শেষ দিকে  অর্থাৎ ২০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হতে পারে।

তিনি বলেন, নতুন করে আরো প্রায় ১০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দিতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেখানে ৮-১০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।

মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর জানায়, সহকারী শিক্ষকের প্রায় ১৭ হাজার এবং প্রধান শিক্ষকের আরো প্রায় ২০ হাজার পদ বর্তমানে পদ শূন্য রয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প-৪ এর আওতায় নতুন করে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

২০০৮ সাল প্রধান শিক্ষক হিসাবে গণ্য জাতীয়করনকৃত প্রধান শিক্ষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৭ মার্চ : জাতীয়কনকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল নেয়ার বিষয়ে মতামত দিয়েছে উপ হিসাব নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়। গত ৭ জানুয়ারি মিয়া মুহম্মদ মুজিবুল হক সাক্ষরিত এক পত্রে জাতীয়কৃত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা টাইমস্কেল পাচ্ছে না বলে উল্লেখ করেছেন। রংপুর বিভাগীয় নিয়ন্ত্রককে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে উভয় পদের সমষ্টির ভিত্তিতে টাইমস্কেল প্রাপ্য নয় বলে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে। চিঠিতে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহনের  নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:

২৯ মার্চ থেকে এইচএসসির কোচিংগুলো বন্ধ

একাধিক সূত্রমতে, শুধু দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের ১ নং (এক) ক্রমিকে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষককে মাত্র ৫০ (পঞ্চাশ) টাকা ভাতা প্রদানের মাধ্যমে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের সুযোগ প্রদান করে এমপিওভুক্ত করা হয়েছিলো| ২০০৮ খ্রিস্টাব্দের ১৪ ই জুলাই প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র মোতাবেক রেজিঃ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে (জাতীয়করণ) শিক্ষা ও ব্যবস্থাপনার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার এ সকল বিদ্যালয়ে বিদ্যমান শিক্ষকের ৪টি পদের একটিকে উন্নীতকরণের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক পদ সৃষ্টির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।

আরও পড়ুন: ছাত্রীর কাছে চুমুর আবদার অধ্যাপকের!

 

অর্থাৎ ২০০৮ সাল থেকে তাদেরকে প্রধান শিক্ষক হিসাবে গণ্য করা হয় এবং সেখান থেকে সবাই পদোন্নতিপ্রাপ্ত।সেই হিসাবে কেউ পাচ্ছেন না টাইমেস্কল।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রত্যেকটি প্রাথমিকে বিদ্যালয়ে একজন সুইপার নিয়োগ

নিজস্ব প্রতিবেদক | :
বিদ্যালয়ের টয়লেট পরিষ্কার রাখতে শিক্ষকদের নেতৃত্ব দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক শিক্ষা সচিব মো. নজরুল ইসলাম খান। এছাড়াও বেতন বৃদ্ধির সংগ্রামের পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্ন কর্মসূচির উদ্যোগ নিতে হবে শিক্ষক নেতাদের ।
রোববার (২৫ মার্চ) রাজধানীর একটি হোটেলে ওয়াটারএইড আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।
গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে  অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, সঠিকভাবে দেশে টাকা খরচ করার ব্যবস্থা চরম নাজুক। এতো কিছুর পরও সরকার জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।
বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক  মো. সিদ্দিকুর রহমান  বলেন, শেরেবাংলা সরকারি হাইস্কুলে  টয়লেট কার্যক্রম খুবই সন্তোষজনক। অথচ গ্রামের স্কুলগুলো  সেই তুলনায় নাজুক। তবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে টয়লেট ব্যবস্থা পূর্বের তুলনায় খুবই ভাল। প্রত্যেকটি প্রাথমিকে বিদ্যালয়ে একজন সুইপার নিয়োগ দেয়ার জন্য তিনি অর্থ প্রতিমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষন করেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ওয়াটার এইডের কান্ট্রি ডিরেক্টর মো. খায়রুল ইসলাম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর এমেরিটাস ড. মনজুর আহমেদ।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক স্কুলে নিয়োগকৃতদেরকে কেন ১০ গ্রেডে বেতন নয়: হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৫ মার্চ –

নন ক্যাডার থেকে প্রাইমারি স্কুলে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগপ্রাপ্তদেরকে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার (এইউইও) অথবা সমমর্যাদার দ্বিতীয় শ্রেণীর যেকোন গেজেটেড পদে কেন নিয়োগ বা পদোন্নতি দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। ৩৪তম বিসিএস নন ক্যাডার থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের মহামান্য রাষ্ট্রপতির নির্বাহী আদেশে সহাকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদে অথবা সমমর্যাদার অন্য যেকোন পদে পদোন্নতি অথবা সুপারিশ সংক্রান্ত দরখাস্ত পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যানকে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলেছে আদালত।
রবিবার বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।
আদালতে শুনানি করেন আইনজীবী আব্দুল মতিন খসরু। তার সঙ্গে ছিলেন পঙ্কজ কুমার কুন্ডু।
পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান, সচিব, কন্ট্রোলার, প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ডিজি,সিনিয়র সচিব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, সচিব অর্থমন্ত্রণালয়কে এ রুলের জবাব দিতে বলেছেন।
পঙ্কজ কুমার কুন্ডু বলেন, চার সপ্তাহের রুল দিয়েছেন। এই সময়ের মধ্যে পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যানকে বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য আদেশ দিয়েছেন।
খাস নওগাঁ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মেজবাউল হক, সিরাজগঞ্চের উল্লাপাড়া রামনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মনিরুল ইসলামসহ ১৪জন রিট আবেদনটি করেন।
মেজবাউল হক বলেন, বিসিএস নন ক্যাডার থেকে নন গেজেটেড পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। যা নন ক্যাডার বিধিমালার সঙ্গে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক। বিধিমালা- ২০১৪ অনুযায়ী, দ্বিতীয় শ্রেণীর গেজেটেড পদমর্যাদার পদে আমাদের নিয়োগ দেয়ার কথা। কিন্তু আমাদের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ দেয়া হলেও সেটি নন গেজেটেড পদ। আমাদের বেতন দেয়ার কথা ১০ম গ্রেডে কিন্তু এখন আমাদেরকে দেয়া হচ্ছে ১২তম গ্রেডে। অথচ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শকদসহ অন্যান্য নন ক্যাডার দ্বিতীয় শ্রেণী পদে নিয়োগপ্রাপ্তরা ১০ গ্রেড গেজেটেড পদে বেতন ভাতা পাচ্ছেন। যা আমাদের সাথে বৈষম্য করা হচ্ছে। এজন্য রিট আবেদনটি করি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৩৬তম বিসিএস প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক ৩০৩ জন।

নিজস্ব প্রতিবেদক : ৩৬তম বিসিএসের নন–ক্যাডারের অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির পদে ৯৮৫ জনকে বিভিন্ন পদে নিয়োগের  মধ্যে     ৩০৩ জনকে প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক হিসাবে সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ সরকাধেরি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। বৃহস্পতিবার (২২ মার্চ) পিএসসির ওয়েবসাইটে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকগনকে পদায়িত করবে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার।

ডেস্ক: এখন থেকে চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকগনকে পদায়িত করবে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার। প্রাওগমন্ত্রনালয়ের নির্দেশে এ সিদ্ধান নেয়া হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সরকারী প্রাইমারী স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ বিধিতে ব্যাপক পরিবর্তন হচ্ছে

তপন বিশ্বাস ॥ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালায় ব্যাপক পরিবর্তন আনা হচ্ছে। ইতিপূর্বে মহিলা শিক্ষক নিয়োগের জন্য ভিন্ন শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকলেও নতুন বিধিমালায় পুরুষ ও মহিলা শিক্ষকদের জন্য অভিন্ন শিক্ষাগত যোগ্যতা রাখা হয়েছে। আগে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বয়সসীমা ছিল ২৫ থেকে ৩৫ বছর। কিন্তু নতুন বিধিতে সরকারী কর্মকমিশনের নিয়োগবিধির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সরাসরি প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ থেকে ৩০ বছর। সহকারী শিক্ষক পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে মোট পদের শতকরা ২০ ভাগ বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রীধারীদের মধ্যে থেকে নেয়া হবে। নতুন এই নিয়োগ বিধিমালা অনুমোদনের জন্য প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। যা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক বিধিমালা ২০১৭ নামে অভিহিত হবে।

সচিব কমিটিতে পাঠানো প্রস্তাবে বলা হয়েছে, সরকার ঘোষিত রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে তথ্য ও প্রযুক্তির প্রয়োগ ও প্রসারের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে গুণগতমান সম্পন্ন শিক্ষক নিয়োগ একান্তই অপরিহার্য। বিদ্যমান নীতিমালায় প্রয়োজনীয় সংশোধনপূর্বক এ নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। বিধিমালা প্রণয়নের ধারাবাহিকতা তুলে ধরে বলা হয়েছে, ২০১৩ সালে প্রণীত বিধিমালায় সহকারী শিক্ষকদের সরাসরি নিয়োগ এবং প্রধান শিক্ষকদের শতকরা ৩৫ ভাগ পদ সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে এবং সহকারী শিক্ষকদের মধ্যে থেকে ৬৫ ভাগ শিক্ষক পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণের বিধান ছিল। কিন্তু ২০১৪ সালের ৯ মার্চ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদটি দ্বিতীয় শ্রেণীতে উন্নীত করা হয়। ফলে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতির বিষয়টি সরকারী কর্মকমিশনের বিবেচনাধীন বিষয়। যার কারণে নতুন করে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা প্রণয়ন অপিরহার্য হয়ে পড়েছে। আগের মতোই নতুন বিধিমালার আওতায় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ উপজেলা বা থানাভিত্তিক হবে। সরকারী কর্মকমিশনের সুপারিশ ব্যতিরেকে কমিশনের আওতাভুক্ত কোন প্রধান শিক্ষক পদে কোন ব্যক্তিকে সরাসরি নিয়োগ দেয়া যাবে না। সরকারীভাবে গঠিত কেন্দ্রীয় সহকারী শিক্ষক নির্বাচন কমিটির সুপারিশ ছাড়া কোন ব্যক্তিকে সহকারী শিক্ষক পদে সরাসরি নিয়োগ দেয়া যাবে না। বাংলাদেশের স্থায়ী বাসিন্দা না হলে কাউকে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক পদে নিয়োগ দেয়া যাবে না। এমন ব্যক্তিকে বিবাহ করেছেন অথবা বিবাহ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যিনি বাংলাদেশের নাগরিক নন এমন ব্যক্তিকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়া যাবে না। ১৩ থেকে ১৬ বেতন গ্রেডের কোন পদ থেকে ১০ থেকে ১২ বেতন গ্রেডের কোন পদে এবং ১০ থেকে ১২ বেতন গ্রেডের কোন পদ থেকে ৯ম অথবা তদুর্ধ কোন পদে সরকারী কর্মকমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া যাবে। আগের বিধিতে এই শর্তগুলো ছিল না।

বিদ্যমান নিয়োগবিধির ৯ম বিশেষ বিধানে বলা ছিল নিয়োগপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি চাকরিতে যোগদানের ৩ বছরের মধ্যে প্রশিক্ষণ কিংবা উচ্চতর ডিগ্রী অর্জনে ব্যর্থ হলে তার চাকরি স্থায়ী করা হবে না বলে যে শর্ত ছিল তা উঠিয়ে দেয়া হয়েছে। প্রধান শিক্ষকের পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ২৫ থেকে ৩৫ এর স্থলে বাংলাদেশ সরকারী কর্মকমিশনের নিয়োগবিধির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সংশোধিত বয়সসীমা ২১ থেকে ৩০ করা হয়েছে। মোট পদের ৬৫ ভাগ পদোন্নতির মাধ্যমে ৩৫ ভাগ সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে পূরণের শর্ত আগে ছিল এখনও থাকবে।

সুত্র : জনকন্ঠ

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড কেন নয়: হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক,৫ মার্চ: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেল ১০ম গ্রেড কেন নয় তা জানতে চেয়ে সরকারের প্রতি রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদের বেঞ্চ সোমবার (৫ মার্চ) শুনানি শেষে এ রুল জারি করেন।

সোমবার (৫ মার্চ) রাতে সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট চিত্রা মহালদার  শিক্ষাবার্তাকেএ তথ্য জানান।

বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সমিতির মুখপাত্র এসএম ছায়িদ উল্লা  জানান, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন প্রধান শিক্ষকদের ২০১৪ সালের ৯ মার্চ থেকে ১০ম গ্রেডসহ গেজেটেড পদমর্যাদা প্রদানের আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করা হয়। পিটিশন দায়ের করেন বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি রিয়াজ পারভেজ। আবেদনে স্বাক্ষর করেন রিয়াজ পারভেজ, রিট পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক মো. নুরে আলম সিদ্দিকী, উদ্যোক্তা মো. আলাউদ্দিন মোল্লা, মো. নজরুল ইসলাম ও খায়রুল ইসলাম,স্বরুপ দাস,এসএম ছায়িদ উল্লা সহ ৪৫ জন।

এ বিষয়ে সমিতির সভাপতি রিয়াজ পারভেজ বলেন, ‘১০ম গ্রেড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার। এই অধিকার আদায়ে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতি জন্মলগ্ন থেকে কাজ করে যাচ্ছে। সবশেষ আমরা আদালতের শরণাপন্ন হয়েছি। আজকের এই রুল জারিকে একটি মাইলফলক হিসেবেই দেখছি।’

২০১৪ সালের ৯ মার্চ প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদা ঘোষণার পর থেকেই ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের জন্য আন্দোলন করে আসছে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতি।

সমিতির সদস্যরা জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদটি ২০১৪ সালে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করেছিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। কিন্তু তখন মন্ত্রণালয় কৌশলে প্রধান শিক্ষকদের বেতন নির্ধারণ করে ১১তম (প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত) ও ১২তম গ্রেডে (প্রশিক্ষণবিহীন)। অথচ নন-ক্যাডার দ্বিতীয় শ্রেণির পদে অন্যান্য মন্ত্রণালয় বা বিভাগের কর্মকর্তারা জাতীয় বেতন স্কেলের ১০ম গ্রেডে বেতন পান।

রিটে আরও দাবি করা হয়, বিদ্যমান প্রত্যেক প্রধান শিক্ষকদের নাম উল্লেখ করে গেজেট নোটিফিকেশন জারি করতে হবে। এছাড়াও রিটে হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে বেতন-বিল আহরণের জন্য সেলফ ড্রয়িং ক্ষমতা হিসেবে প্রতিষ্ঠান প্রধান আয়-ব্যয় কর্মকর্তার ক্ষমতা পাওয়ার দাবি করা হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পদোন্নতি পাচ্ছেন ১৭০ সহকারী শিক্ষক

শেরপুর জেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের (চলতি দায়িত্ব) পদে ১৭০ জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষককে পদায়ন করা হবে। ইতোমধ্যে এ তালিকা চূড়ান্ত হয়েছে। আগামী সপ্তাহে এ বিষয়ে আদেশ জারি হবে বলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের আওতাধীন শেরপুর জেলার প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদের সংখ্যা ও জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের তালিকা চূড়ান্ত করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগামী সপ্তাহে এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশ করা হবে। গেজেট প্রকাশের এক সপ্তাহের মধ্যে পদোন্নতিপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. এ এফ এম মনজুর কাদির বলেন, শেরপুর জেলার তালিকা চূড়ান্ত হয়েছে। এ জেলায় মোট ১৭০ জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক রয়েছেন। পদোন্নতি প্রাপ্তদের প্রধান শিক্ষকের পদ ফাঁকা থাকা স্কুলগুলোতে পদায়ন করা হবে।

তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদে চলতি দায়িত্বে বসানোর কার্যক্রম চলমান প্রক্রিয়া। ইতোমধ্যে কিশোরগঞ্জ, ফরিদপুর, ভোলা, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, নেত্রকোনা, মেহেরপুর, ঠাকুরগাঁও ও ঢাকা জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। অন্যান্য জেলা থেকে শিক্ষকদের গ্রেডেশনের তালিকা পাওয়ার পর যাচাই-বাছাই শেষে পদায়ন করা হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রধান শিক্ষকের চলতি দায়িত্ব পেলেন ১৯৪ জন

ডেস্ক: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদে (চলতি দায়িত্ব) আরও ১৯৪ জন সহকারী শিক্ষককে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। এ তালিকায় কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন স্কুলে কর্মরত জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকরা রয়েছেন। রোববার(৪ মার্চ) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়।

আদেশে বলা হয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের আওতাধীন কিশোরগঞ্জ জেলার জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষককে চলতি দায়িত্বে প্রধান শিক্ষক শূন্যপদে বসানো হয়েছে। পদোন্নতিপ্রাপ্ত শিক্ষকদের আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. এ এফ এম মনজুর কাদির  বলেন, জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে কিশোরগঞ্জের তালিকভুক্ত শিক্ষকদের চলতি দায়িত্বে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। রোববার এ সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করা হয়। এ জেলার চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত মোট ১৯৪ জন জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক রয়েছেন।

তিনি বলেন, জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি দিয়ে প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদে পদায়ন একটি চলমান প্রক্রিয়া। ইতোমধ্যে ফরিদপুর, ভোলা, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, নেত্রকোনা, মেহেরপুর, ঠাকুরগাঁও ও ঢাকা জেলার জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি দিয়ে প্রধান শিক্ষক পদে পদায়ন করা হয়েছে। অন্যান্য জেলা থেকে শিক্ষকদের গ্রেডেশনের তালিকা পাওয়ার পর যাচাই-বাছাই শেষে প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদে চলতি দায়িত্বে নিয়োগ দেয়া হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রশ্ন ফাস ঠেকাত‌ে সমাপন‌িতে আসস‌ে ৩ পর‌িবর্তন

১ মার্চ, ২০১৮ খ্রিঃ

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে তিনটি পরিবর্তন আনছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। বিজি প্রেসে প্রশ্নপত্র পাঠানো হবে সফটওয়্যারের মাধ্যমে। আগের চেয়ে দুই সেট বেশি প্রশ্নপত্র ছাপানো হবে এবং এখন থেকে এ পরীক্ষায় বহু নির্বাচনী প্রশ্ন (এমসিকিউ) থাকবে না। বর্তমানে পিইসি পরীক্ষার জন্য ৬ সেট প্রশ্ন ছাপানো হয় বলে জানা যায়।

২৫ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এক বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব বলেন চলমান এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সতর্কতা হিসেবে এসব পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

সাধারণত প্রতি বছর নভেম্বরের শেষদিকে সমাপনী পরীক্ষা নেয়া হয়। এ পরীক্ষা সামনে রেখে এবার ইতোমধ্যেই একটি নতুন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তা হচ্ছে- এ বছর এই পরীক্ষার ৬টি বিষয়ের শতভাগ প্রশ্নই হবে কাঠামোবদ্ধ পদ্ধতিতে (সৃজনশীল)। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি এ ব্যাপারে অফিস আদেশ জারি করে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)। এর আট দিনের মাথায় মন্ত্রণালয় পরীক্ষা সংক্রান্ত নতুন সিদ্ধান্ত নিল।

সে অনুযায়ী আসন্ন পরীক্ষায় কোনো বিষয়েই এমসিকিউ প্রশ্ন থাকবে না। এর আগে বাংলায় ১০, ইংরেজিতে ২০, গণিতে ২৪, বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়ে ৫০, বিজ্ঞানে ৫০ এবং ধর্ম বিষয়ে ৫০ নম্বরের এমসিকিউ প্রশ্ন রাখার সিদ্ধান্ত ছিল। এখন নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী এমসিকিউয়ের পরিবর্তে সৃজনশীল প্রশ্ন থাকবে। পাশাপাশি প্রশ্নপত্রের গোটা কাঠামোতে পরিবর্তন আনতে হবে।

এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব গিয়াস উদ্দিন আহমেদ  শিক্ষা বার্তাক‌ে  বলেন, এখনও পর্যন্ত পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে এমসিকিউ প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা বেশি ঘটে। এছাড়া এমসিকিউ প্রশ্ন রাখা-না রাখার ব্যাপারে নানা আলোচনা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে সুষ্ঠু পরীক্ষা অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে নতুন এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হল। তিনি বলেন, প্রশ্নপত্রের নম্বর বিন্যাস ও অন্যান্য বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেপ নেবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মন্ত্রণালয়ের আকস্মিক সিদ্ধান্ত : প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় এমসিকিউ প্রশ্ন বাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৮ ফেব্রয়ারী : হঠাৎ করে কোনো গবেষেণা কিংবা শিক্ষাবিদদের পরামর্শ ছাড়াই প্রশ্নপত্র ফাঁসরোধের অজুহাতে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার (পিইসি) প্রশ্নপত্র থেকে এমসিকিউ বা বহু নির্বাচনী অংশ বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগামী নভেম্বরের মাঝামাঝিতে চলতি বছরের প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সেই হিসেবে পিইসি শুরুর মাত্র ৯ মাস আগে পরীক্ষা পদ্ধতি সংস্কারের কথা বলছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির মাসিক সমন্বয় সভায় পরীক্ষা পদ্ধতি সংস্কারের গুরুত্বপূর্ণ এই সিদ্ধান্তটি নেয়া হয়। ওই সভার সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে প্রশ্নপত্র থেকে এমসিকিউ বাদ দিয়ে রচনামূলক কি কি প্রশ্ন যুক্ত করা যায় সে বিষয়েও কাজ শুরু হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজারের সভাপতিত্বে আয়োজিত ওই সভায় মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরসহ প্রাথমিক শিক্ষা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অথচ গত ১৮ ফেব্রুয়ারি চলতি বছরের জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি থেকে (নেপ) চলতি বছরের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার এমসিকিউসহ প্রশ্নপত্রের কাঠামো ও নম্বর বিভাজের রূপরেখা সারা দেশের স্কুলগুলোতে পাঠানো হয়েছে। এই আদেশ জারির মাত্র ৮ দিন পর পরীক্ষার প্রশ্নপত্র থেকে এমসিকিউ পদ্ধতিই বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রণালয়। এমন খবরে শিক্ষকসহ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা বিভ্রান্তিতে পড়েছেন। তারা এখনো বুঝে উঠতে পারছেন না, ৯ মাস পরে ঠিক কোন পদ্ধতিতে চলতি বছরের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার ওই সভায় বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় এমসিকিউ বা বহু নির্বাচনী প্রশ্ন তুলে দেয়া সমীচীন হবে এবং এ লক্ষ্যে জরুরিভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি নির্দেশ দেন। এছাড়া প্রশ্নপত্র ছাপানোর ক্ষেত্রে বিজি প্রেসের বিকল্প আরেকটি প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের বিষয়ে তিনি গুরুত্বরোপ করেন।

সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, চলতি ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একটি বৈঠকে পাবলিক পরীক্ষা থেকে এমসিকিউ বাদ দেয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়। সেই মোতাবেক প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় পিইসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র থেকে এমসিকিউ অংশ বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে জেএসসি, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র থেকে এমসিকিউ অংশ বাদ দেয়া হবে কিনা এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এছাড়া গত ১৯ ফেব্রুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একজন সাংবাদিকের প্রশ্নফাঁস সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে বলেছিলেন, পরীক্ষা শুরুর ২০ মিনিট আগে প্রশ্ন দেয়, এটা তো জানা কথা। এখন সবার হাতে ফোন, কেউ ছবি তুলে দিতে পারে। কিন্তু আমার এই প্রশ্নের উত্তরটা দেন, কেউ কি এটা দেখে উত্তর পড়ে লিখে দিতে পারবে? এত ট্যালেন্টেড কে আছে? তাহলে বলেন, টিক মার্কটা (এমসিকিউ) বন্ধ করে দেব? আপনারা লেখেন আমরা বন্ধ করে দেব। মূলত প্রধানমন্ত্রীর এই কথাকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় নির্দেশনা হিসেবে নিয়ে প্রশ্নপত্র থেকে এমসিকিউ অংশ বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

প্রশ্নপত্র ফাঁসরোধে এমসিকিউ অংশ তুলে দেয়ার বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা। শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. কায়কোবাদ এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধ করতে না পেরে এমসিকিউ পদ্ধতি উঠিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত যৌক্তিক হয়নি। সারা পৃথিবী যেখানে এমসিকিউ পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেয় সেখানে আমরা এটা পারছি না। কেন পারছি না? আমরা কি খারাপ জাতি? তিনি পাল্টা প্রশ্ন রেখে বলেন, এমসিকিউ বাতিলের মতো পরীক্ষা পদ্ধতি সংস্কারের দিকে গেলেও এটি নিয়ে কোনো গবেষণা কি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়? তার মতে, পরীক্ষা পদ্ধতি সংস্কার করতে হলে অনেক চিন্তাভাবনার প্রয়োজন। একটা বিষয়ে সমস্যা হলো, আর আমরা কোনো গবেষণা না করেই বাতিল করে দিলাম- এমন অস্থিরতা দিয়ে পরীক্ষা পদ্ধতি সংস্কার করা যায় না। পরীক্ষা পদ্ধতি বদলাতে প্রয়োজন স্থিতিশীলতা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জাতীয়করণের সব তথ্য চেয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৬ ফেব্রুয়ারী : জাতীয়করণের হালনাগাদ সব তথ্য চেয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। এ সংক্রান্ত একটি চিঠি গত ২০শে ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে।

রোববার (২৫শে ফেব্রুয়ারি) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো: ফারুক আলম শিক্ষাবার্তা ডটকমকে এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক-৭ ওয়াহিদা মুসাররত অনীতা স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, ইতোপূর্বে ঘোষিত ২৬ হাজার ১৯৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণে বিষয়ে হালনাগাদ তথ্য চাওয়া হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free