প্রাথমিক শিক্ষা

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ডিসেম্বরে

নিজস্ব প্রতিবেদক |

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যে নেয়া শুরু হবে। জানুয়ারির মধ্যে মৌখিক পরীক্ষা শেষ এবং ফেব্রুয়ারি মধ্যে ফল প্রকাশ করার পরিকল্পনা রয়েছে। একসঙ্গে সবজেলায় পরীক্ষা না হয়ে ৩/৪টি করে জেলায় একসঙ্গে পরীক্ষা হবে। এবার রেকর্ডসংখ্যক প্রার্থীর আবেদন ও পরীক্ষার হল সংকটের কারণে এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার শিক্ষাবার্তাকে  বলেন, মামলার কারণে দীর্ঘদিন রাজস্ব খাতের শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া যায়নি। অনেক পদ শূন্য। এ মাসের মধ্যেই সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা শুরুর চিন্তাভাবনা ছিল। কিন্তু ওএমআর ফরমসহ অন্যান্য দ্রব্যাদি কেনাকাটায় সরকারি ক্রয় আইন (পিপিআর) অনুসরণ করতে গিয়ে আমাদের গতি একটু কমে যাচ্ছে। তাছাড়া একসঙ্গে সারা দেশে পরীক্ষা নেয়া যাচ্ছে না। নভেম্বর মাসজুড়ে দুটি বড় পরীক্ষা আছে। তাই পরীক্ষা হল পাওয়া যাচ্ছে না। সবমিলিয়ে পরীক্ষা ডিসেম্বরে চলে যাচ্ছে। হল পাওয়া সাপেক্ষে ৩/৪টি করে জেলার পরীক্ষা একসঙ্গে নেয়া হবে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগে ৩০ জুলাই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ১-৩০ আগস্ট অনলাইনে আবেদন নেয়া হয়। মোট ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭ জন আবেদন করেছেন। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) কর্মকর্তারা বলছেন, এর আগে সর্বশেষ নিয়োগে প্রায় ১২ লাখ প্রার্থী আবেদন করেছিল। সে হিসাবে এবার প্রার্থী দ্বিগুণ।

কর্মকর্তারা আরও জানান, সর্বশেষ নিয়োগে সারা দেশে ৩ হাজার ৬৬২ কেন্দ্রে পরীক্ষা নেয়া হয়। এবার দ্বিগুণ প্রার্থী হওয়ায় কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো দরকার। কিন্তু উপজেলা-জেলা পর্যায়ে এত কেন্দ্র পাওয়া কঠিন। এ কারণে উপজেলা সদরের কাছাকাছি পরীক্ষা কেন্দ্র নির্বাচনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। কেন্দ্র নির্বাচনের দায়িত্ব জেলা প্রশাসকদের দেয়া হয়েছে। এখন জেলা প্রশাসকরা কেন্দ্র ঠিক করে দিলে দুই তা ততোধিক জেলায় একসঙ্গে পরীক্ষা নেয়া হবে। এই পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে নেয়ার জন্য মন্ত্রণালয় ২০ সেট প্রশ্নপত্র তৈরি করবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, আগে এই নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন তৈরিসহ পরীক্ষা গ্রহণে নেতৃত্ব দিত ডিপিই। প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে আরও কড়াকড়ি আনা এবং সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা আয়োজনে এবার প্রশ্ন নির্বাচন ও আসন বিন্যাস মন্ত্রণালয় থেকে নির্ধারণ করে দেয়া হবে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রণয়ন করা হবে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র। ওএমআর ফরম ডিজাইন ও মূল্যায়ন, পরীক্ষার সময়সূচি, ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ ও প্রকাশ এবং পরীক্ষা কেন্দ্রের আসন বিন্যাসের পদ্ধতি উন্নয়ন বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন  শিক্ষাবার্তাকে বলেন, পরীক্ষার ব্যাপারে বুয়েটের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। ওএমআর ফরম কেনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পরীক্ষা কেন্দ্র বাড়াতে এবার উপজেলা সদরের পাশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে কেন্দ্র বাড়ানোর প্রস্তাব এসেছে। কেন্দ্র নিশ্চিতকরণের দায়িত্ব প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে দেয়া হয়েছে। তারা প্রতিটি জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা করে কেন্দ্র বৃদ্ধি ও পরীক্ষা আয়োজনের জন্য সময় নির্ধারণ করবে। এরপর নিয়োগ পরীক্ষার সময় ঘোষণা করা হবে। একই সঙ্গে যদি সব জেলায় একসঙ্গে কেন্দ্র খালি না পাওয়া যায় তবে কয়েকটি জেলায় সমন্বয় করে পর্যায়ক্রমে নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজন করা হতে পারে।

আকরাম আল-হোসেন আরও বলেন, এবার তিন ধাপের পরীক্ষার মাধ্যমে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার চিন্তা ছিল। কিন্তু সময়স্বল্পতার কারণে আগের মতোই দুই স্তরের পরীক্ষায় নিয়োগ করা হবে। সে অনুযায়ী ৮০ নম্বরে এমসিকিউ পদ্ধতির লিখিত পরীক্ষার পর ২০ নম্বরে ভাইভা নেয়া হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অক্টোবরে হচ্ছে না প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক,১১ অক্টোবর: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। রেকর্ড সংখ্যক আবেদন হওয়ায় এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে অক্টোবরে পরীক্ষার আয়োজন হওয়ার কথা থাকলেও তা পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

গতকাল মঙ্গলবার শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজন নিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সচিব আকরাম আল হোসেনের সভাপত্বিতে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সে সভায় পরীক্ষা কেন্দ্র বাড়ানো, ডিজিটাল পদ্ধতিতে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, ওএমআর ফরম ডিজাইন ও মূল্যায়ন, পরীক্ষার সময়সূচি, ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ ও প্রকাশ এবং পরীক্ষা কেন্দ্রের আসন বিন্যাসের পদ্ধতি উন্নয়ন বিষয়ে আলোচনা হলেও পরীক্ষা-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব হয়নি।

সভায় উপস্থিত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ এফ এম মনজুর কাদির বুধবার বলেন, নিয়োগ পরীক্ষা-সংক্রান্ত বিষয়ে সভায় সার্বিক বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। যেহেতু এবার ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগের জন্য ২৪ লাখের বেশি প্রার্থী আবেদন করেছে, সেহেতু আমাদের বড় ধরনের প্রস্তুতি প্রয়োজন রয়েছে। পরীক্ষা কেন্দ্র বাড়ানো, নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ পূর্বের ক্রটি-বিচ্যুতিগুলো সংশোধন করে নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন করা। এ কারণে অক্টোবরে পরীক্ষা নেয়ার প্রস্তাবনা থাকলেও তা পিছিয়ে দেয়া হয়েছে।

১ নভেম্বর থেকে সমাপনী-ইবতেদায়ি পরীক্ষা শুরু হবে। পরীক্ষার কার্যক্রম নিয়ে শিক্ষক-কর্মকর্তারা ব্যস্ত থাকবেন। পরীক্ষার পরে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার আয়োজন করা হবে। পরীক্ষা কেন্দ্র বাড়াতে এবার উপজেলা সদরের পাশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পরীক্ষা কেন্দ্র বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। কেন্দ্র নিশ্চিতকরণের দায়িত্ব প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরকে দেয়া হয়েছে। তারা প্রতিটি জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা করে কেন্দ্র বৃদ্ধি ও পরীক্ষা আয়োজনের জন্য সময় নির্ধারণ করবে। এরপর নিয়োগ পরীক্ষার সময় ঘোষণা করা হবে। একইসঙ্গে যদি সব জেলায় একসঙ্গে কেন্দ্র খালি না পাওয়া যায় তবে, কয়েকটি জেলায় সমন্বয় করে পর্যায়ক্রমে নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজন করা হতে পারে বলেও জানান মনজুর কাদির।

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, এবার ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক পদের বিপরীতে ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭টি আবেদন হওয়ায় নিয়োগ পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজন ও প্রশ্নফাঁস রোধ করাটা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ কারণে পরীক্ষা পদ্ধতিতে কিছুটা পরিবর্তন আনা হতে পারে।

সূত্র জানায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট নিরসনে প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প-৪ (পিইডিপি-৪) আওতাভুক্ত ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। গত ৩০ জুলাই ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০১৮’ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গত ১-৩০ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শেষ হয়। সারাদেশ থেকে মোট ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭টি আবেদন এসেছে।

বর্তমানে সারাদেশে ৬৪ হাজার ৮২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ১২ হাজার সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এ কারণে নতুন করে আরও ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। পুরনো নিয়োগ বিধিমালা অনুসরণ করে এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ইংরেজিতে যা পড়লে প্রাথমিক শ‌িক্ষক হত‌ে পারব‌েন

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় মোট নম্বর ৮০। এরমধ্যে ইংরেজি বিষয় থেকে করা হয় ২০ নম্বরের প্রশ্ন। আপনি যদি ইংরেজি বিষয়ে ঠিকভাবে অনুশীলন করতে পারেন তাহলে ভালো ফলাফল নিশ্চিত।
আজ  পাঠকদের জন্য থাকছে ইংরেজি বিষয়ের উপর ২০ নম্বরের সাজেশন।
Right forms of verb, Parts of speech, Tense, Preposition, Article, Narration, Voice change, noun and pronoun, degree, Number,verb এই ১১ অধ্যায় থেকে কম করে হলেও ১২টার বেশি প্রশ্ন পাবেন।
Idioms and Phrases,Antonym, Synonym, Spelling = ৩টা-৪টা
Translation= এখানে আপনি ১-২টা প্রশ্ন পাবেন।
ইংরেজি সাহিত্য থেকে- ১-২টা প্রশ্ন আসতে পারে ।
সবচেয়ে বেশি আপনাকে দেখতে হবে গ্রামার অংশ। ২০১৪ সালের পরীক্ষাতে আমরা দেখেছি বেশিরভাগ পরীক্ষায় ইংরেজি সাহিত্য থেকে প্রশ্ন তেমন আসেনি, ১টা-২টা প্রশ্ন এসেছে শুধু। সকল প্রশ্ন গ্রামার অংশ থেকে এসেছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বদলে যাচ্ছে প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা পদ্ধতি

শিশির দাস,৪ অক্টোবর: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা পদ্ধতি বদলে যাচ্ছে। বিদ্যমান বহুনির্বাচনী পরীক্ষার সঙ্গে লিখিত পরীক্ষা যোগ হচ্ছে। এর মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থী বাছাই করা হবে। এবার রেকর্ডসংখ্যক প্রার্থী আবেদন করায় পুরনো পদ্ধতি পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগামীকাল বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ে এ-সংক্রান্ত একটি সভায় বিষয়টি চূড়ান্ত হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট নিরসনে প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প-৪ (পিইডিপি-৪) আওতাভুক্ত ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গত ৩০ জুলাই ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০১৮’ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গত ১-৩০ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শেষ হয়। সারাদেশ থেকে মোট ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭টি আবেদন এসেছে। ২৬ অক্টোবর শিক্ষক নিয়োগের প্রথম ধাপের পরীক্ষার প্রস্তাবনা রয়েছে।

জানা গেছে, এবার রেকর্ডসংখ্যক আবেদন হওয়ায় নিয়োগ পরীক্ষায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বর্তমান পদ্ধতিতে শুধু বহুনির্বাচনী ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়। বিদ্যমান পদ্ধতিতে ২৪ লাখের বেশি প্রার্থীর মধ্যে শুধু বহুনির্বাচনীর মাধ্যমে যোগ্য ব্যক্তিদের নির্বাচন করা কঠিন। তাই সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) আদলে প্রথমে বহুনির্বাচনী পরীক্ষার মাধ্যমে ৫০ হাজার প্রার্থীকে নির্বাচন করা হবে। পরে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে লিখিত পরীক্ষা আয়োজন করা হবে। ফলাফলের ভিত্তিতে এ পরীক্ষার মাধ্যমে আসনপ্রতি তিনজনকে নির্বাচন করা হবে। এরপর তাদের মধ্যে মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, এবার ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক পদের বিপরীতে ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭টি আবেদন হওয়ায় নিয়োগ পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজন ও প্রশ্নফাঁস রোধ করাটা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ কারণে পরীক্ষা পদ্ধতিতে কিছুটা পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

তারা জানান, সর্বশেষ ‘শিক্ষক নিয়োগ-২০১৪’ এ প্রায় ১২ লাখ প্রার্থীর বহুনির্বাচনী পরীক্ষা সারাদেশে ৩ হাজার ৬৬২টি কেন্দ্রে আয়োজন করা হয়। এবার দ্বিগুণ আবেদন আসায় পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো হবে। এ পরীক্ষার জন্য ২০টি প্রশ্ন সেট তৈরি করা হলেও এবার তা বাড়ানো হতে পারে। এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আকরাম আল হোসেনের সভাপত্বিতে মন্ত্রণালয়ের সভা ডাকা হয়েছে। সেখানে নিয়োগ পরীক্ষার ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, ওএমআর ফরম ডিজাইন ও মূল্যায়ন, পরীক্ষার সময়সূচি, ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ ও প্রকাশ এবং পরীক্ষা কেন্দ্রের আসন বিন্যাসের পদ্ধতি উন্নয়ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) গিয়াসউদ্দিন আহমেদ  বলেন, মানসম্মত শিক্ষক নির্বাচনে সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পরীক্ষা পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কী কী পরিবর্তন আনা হবে সে বিষয়ে আগামীকালের সভায় সিদ্ধান্ত হবে।

সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে এবার অধিক সংখ্যক আবেদন এসেছে। এ কারণে প্রথমে বহুনির্বাচনী পরে লিখিত পরীক্ষা। সর্বশেষ মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ দেয়া হবে। লিখিত পরীক্ষা আয়োজনে বুয়েট এবং বহুনির্বাচনী পরীক্ষার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট বিজনেস অব অ্যাডমিনিসটেশনকে (আইবিএ) দায়িত্ব দেয়া হতে পারে বলে জানান অতিরিক্ত সচিব।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) সূত্র জানায়, বর্তমানে সারাদেশে ৬৪ হাজার ৮২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ১২ হাজার সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এ কারণে নতুন করে আরও ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। পুরনো নিয়োগ বিধিমালা অনুসরণ করে এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রধান শিক্ষকদের চলতি দায়িত্বের ভাতা চেয়ে আইনি নোটিস

নিজস্ব প্রতিবেদক |

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের কার্যভার ভাতা চেয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ৪ জনের কাছে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে। নোটিস পাওয়ার ৭ কার্যদিবসের মধ্যে জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ এর বিধান অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক (চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত) শিক্ষকদের দায়িত্বভাতা বা কার্যভাতা দিতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। ব্যর্থতায় হাইকোর্টে রীট পিটিশন দায়েরসহ অন্যান্য আইনি লড়াই শুরু হবে।  শিক্ষকদের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট লুৎফর রহমান বৃহস্পতিবার (২০ সেপ্টেম্বর) ডাকযোগে ওই আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রাথমকি ও গণশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তার কাছে দেয়া নোটিসে বলা হয়েছে, নোটিসপ্রাপ্তির ৭ কার্যদিবসের মধ্যে জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ এর বিধান অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক (চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত) শিক্ষকদের দায়িত্বভাতা বা কার্যভাতা দিতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা  এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রাথমিক শিক্ষা সুরক্ষা ফোরামের আহ্বায়ক মো: সিদ্দিকুর রহমান খান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সহসভাপতি সুব্রত রায়, বাগানবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: রফিকুল ইসলামের পক্ষে দেয়া আইনি নোটিসে অ্যাডভোকেট লুৎফুর রহমান বলেন, এরই মধ্যে প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকরা কার্যভার ভাতা পাচ্ছেন না।

এ বিষেয়ে সংশ্লিষ্ট থানা অফিস ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে মৌখিক ও লিখিতভাবে যোগাযোগ করা হলেও চলতি দায়িত্ব বা অতিরিক্ত দায়িত্বভাতা প্রদান করা হচ্ছে না। চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের দায়িত্ব নিয়ে শিক্ষা অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কোনো অভিযোগ না থাকা সত্ত্বেও তারা তাদের অনুমোদিত ভাতা পাচ্ছেন না। এ বিষয় নিয়ে একাধিক থানা শিক্ষা অফিস ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করে শিক্ষকরা ব্যর্থ হন। এতে সাধারণ শিক্ষকদের মধ্যে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

সুত্র: দৈনিক শিক্ষা

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ আবেদনে আয় ৪০ কোটিরও বেশি

চুয়াডাঙ্গায় ১৮ হাজার ৬৬১টি

নিজস্ব প্রতিবেদক |

চলতি বছর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগ পরীক্ষার জন্য অনলাইনে আবেদন করেছেন ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭ জন প্রার্থী। গত ১ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত এই আবেদন কার্যক্রম চলে। এই নিয়োগ পরীক্ষাবাবদ প্রতিজনের আবেদনের জন্য ১৬৮ টাকা ফি আদায় করা হয়। এই হিসাবে ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭ জন প্রার্থীর আবেদনে ৪০ কোটি ৩৪ লাখ ৬১ হাজার ৫৭৬ টাকা জমা হয়েছে সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ফান্ডে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের (ডিপিই) মহাপরিচালক আবু হেনা মোস্তাফা কামাল বলেন, সহকারী শিক্ষক নিয়োগে এবার রেকর্ডসংখ্যাক আবেদন জমা হয়েছে। এ বাবদ যে অর্থ জমা হয়েছে তা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ফান্ডে রয়েছে।

তিনি বলেন, নিয়োগ পরীক্ষা ও ফলাফল প্রকাশ করতে বিপুল পরিমাণে ব্যয় হয়ে থাকে। এ জন্য সারাদেশে বিপুল পরিমাণে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োজিত রাখতে হয়। সব মিলে অধিকাংশ অর্থ ব্যয় হয়ে যায়। তবে এবার রেকর্ডসংখ্যক আবেদন আসায় সরকারি রাজস্ব আয় কিছু হলেও হতে পারে।

জানা গেছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য টেলিটক মোবাইল ফোনে এসএমএমের মধ্যমে ফি জমা নেয়া হয়। সে অনুযায়ী, টেলিটকে দুটি এসএমএস পাঠানোবাবদ ৪ টাকা কর্তন করা হয়। বাকি টাকা নিয়োগ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের ফান্ডে জমা দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার শাকিল আহমেদ বলেন, বেশি আবেদন জমা হলেই টেলিটক কোম্পানির খুব বেশি লাভ হয় না। পুরো অর্থই নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানে চলে যায়। তাই আবেদনকারীর কাছে দুটি এসএমএস বাবদ ৪ টাকা কর্তন করা হলেও আবেদনকারীকে একাধিক এসএমএস পাঠানো হয়। এ ছাড়া নিয়োগ সংক্রান্ত সব আপডেট এসএমএসের মাধ্যমে জানাতে হয়।

তিনি বলেন, প্রতি আবেদনে ৪ টাকা নিলেও টেলিটক কোম্পানির আয় হয়ে থাকে মাত্র দুই শতাংশের বেশি। আবেদন প্রতি ৪ টাকা কেটে বাকি টাকা নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানকে বুঝিয়ে দিতে হয়।

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য একজন আবেদনকারী জান্নাত মুনিয়া বলেন, সব সরকারি প্রতিষ্ঠানেই ব্যাংকের মতো ফি নেয়া বন্ধ করা উচিত। ব্যাংক যদি পরীক্ষার ফি না নিয়ে নিয়োগ কার্যক্রম চালাতে পারে তাহলে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো কেন পারবে না?

তিনি প্রশ্ন রাখেন, সরকারি চাকরিতে নিয়োগে পরীক্ষা ফি বন্ধ হবে কবে?

সোহেল রানা নামে আরেক চাকরিপ্রার্থী বলেন, প্রতি মাসে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে আবেদন করার জন্য আমাকে কমপক্ষে এক থেকে দেড় হাজার টাকা গুনতে হয়। টিউশনি করে চলি। এর মধ্যে চাকরির আবেদনে মাসে মাসে এভাবে টাকা গুনতে হয়।

তিনি বলেন, ‘বলা হয়, বেকারত্ব একটি অভিশাপ। আর এই বেকারত্বকে পুঁজি করেই শতশত কোটি টাকা আয় করছে সরকার। একটি আসনের বিপরীতে শতশত প্রার্থী আবেদন করছেন। এই সুযোগই নিচ্ছে সরকারি সংস্থা বা বিভাগগুলো।’

ডিপিই সূত্রে জানা গেছে, নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭ আবেদনকারীর মধ্যে সর্বোচ্চ আবেদন রয়েছে চট্টগ্রাম জেলায়। এ জেলায় মোট ৯৮ হাজার ৯৬৯টি আবেদন পড়েছে। এরপরে ময়মনসিংহে ৮৮ হাজার ২১৮টি, কুমিল্লায় ৮৪ হাজার ৭২৮টি, দিনাজপুরে ৬২ হাজার ৯৭১টি, রংপুরে ৫৯ হাজার ৭১টি, জয়পুরহাটে ১৮ হাজার ১৭৮টি, বগুড়ায় ৬৪ হাজার ৭২৭টি, নওগাঁয় ৪৯ হাজার ৮৬৩টি, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩০ হাজার ২৭১টি আবেদন পড়েছে।

রাজশাহীতে ৫৭ হাজার ৩৮২টি, নাটোরে ৩৫ হাজার ২৫৭টি, সিরাজগঞ্জে ৫৮ হাজার ১৪৯টি, পাবনায় ৫১ হাজার ২৩১, কুষ্টিয়ায় ৩২ হাজার ৬০৯টি, মেহেরপুরে ১০ হাজার ৮৮৮টি, চুয়াডাঙ্গায় ১৮ হাজার ৬৬১টি, ঝিনাইদহে ৩৭ হাজার ৬১৭টি, মাগুরায় ২১ হাজার ৯৬২টি, যশোরে ৫৫ হাজার ৯৩২টি, নড়াইলে ১৫ হাজার ৬১৪টি, সাতক্ষীরায় ৪৫ হাজার ৬১টি, খুলনায় ৪৭ হাজার ১৮৮টি, বাগেরহাটে ৩২ হাজার ৯৭টি, জামালপুর ৫০ হাজার ৫০টি, শেরপুরে ২৫ হাজার ৪৬৬টি, নেত্রকোণায় ৪২ হাজার ৭৫৩টি, কিশোরগঞ্জে ৪৭ হাজার ৮৮৫টি, টাঙ্গাইলে ৬১ হাজার ৬৩০টি, গাজীপুরে ৩৫ হাজার ৫১৭টি, নরসিংদীতে ৩৮ হাজার ১৪৩টি, মানিকগঞ্জে ২৫ হাজার ৭১১টি, ঢাকায় ৬৪ হাজার ৫৫৮, নারায়ণগঞ্জে ২৭ হাজার ১২৭টি, মুন্সিগঞ্জে ১৮ হাজার ৭৫৯টি, রাজবাড়ীতে ২১ হাজার ৯০৬টি, ফরিদপুরে ৩৩ হাজার ৬৪৩টি, মাদারীপুরে ২৪ হাজার ৮০৭টি, শরীয়তপুরে ১৮ হাজার ৭৮৬টি, গোপালগঞ্জে ২৯ হাজার ২১৫টি, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩৮ হাজার ৪০টি আবেদন পড়েছে।

চাঁদপুরে ৪৬ হাজার ৯১টি, লক্ষ্মীপুরে ২৩ হাজার ৩৩০টি, নোয়াখালীতে ৪০ হাজার ৭৩৯টি, ফেনীতে ২১ হাজার ৫০১টি, কক্সবাজারে ২৬ হাজার ৭৫০টি, বরিশালে ৬১ হাজার ৮৮৩টি, পিরোজপুরে ২৯ হাজার ২৭৮টি, ঝালকাঠিতে ১৯ হাজার ১৩৮টি, বরগুনায় ২১ হাজার ৭১৭টি, পটুয়াখালীতে ৪০ হাজার ৮০৭টি, ভোলায় ২৫ হাজার ১৪৫টি, সুনামগঞ্জে ৩৫ হাজার ৫১২টি, সিলেটে ৫০ হাজার ৩৭০টি, হবিগঞ্জে ৩৩ হাজার ৪৭৫টি, মৌলভীবাজারে ৩২ হাজার ১০৬টি, পঞ্চগড়ে ২১ হাজার ৬২৯টি, ঠাকুরগাঁওয়ে ৩১ হাজার ৭৯৭টি, নীলফামারীতে ৩৯ হাজার ৭৫২টি, লালমনিরহাটে ২৬ হাজার ১২২টি, কুড়িগ্রামে ৪৩ হাজার ২৯৪টি এবং গাইবান্ধায় ৫৫ হাজার ৫১৭টি আবেদন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকের নতুন সচিব আকরাম

নিজস্ব প্রতিবেদক |

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের চেয়ারম্যান (সচিব) মো. আকরাম-আল-হোসেনকে সিনিয়র সচিব পদে পদোন্নিত দিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পদায়ন করা হয়েছে। বুধবার (১৯ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আদেশে মো. আকরাম-আল-হোসেনসহ ছয় কর্মকর্তাকে সচিব থেকে সিনিয়র সচিব করা হয় ।

আকরাম-আল-হোসেনসহ ছয় কর্মকর্তাকে একদিন আগে ভারপ্রাপ্ত সচিব থেকে সচিব পদে পদোন্নতি দেয়া হয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বর্তমান সচিব মোহাম্মদ আসিফ-উজ-জামানকে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান (সচিব) মো. মাহফুজুর রহমান, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফয়জুর রহমান চৌধুরী, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব এসএম গোলাম ফারুক, পরিকল্পনা বিভাগের সচিব মো. জিয়াউল ইসলাম, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব শুভাশীল বসু ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব কাজী শফিকুল আযমকে সিনিয়র সচিব করা হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানায়, নতুন ছয়সহ বর্তমানে সরকারের সিনিয়র সচিবের সংখ্যা হল ১১ জন। সিনিয়র সচিবদের পদমর্যাদা মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও সচিবদের মাঝামাঝি। ২০১২ খ্রিস্টাব্দের ৯ জানুয়ারি মহাজোট সরকার প্রশাসনে প্রথমবারের মতো সিনিয়র সচিব নামে পদ চালু করে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. সামছুর রহমানকে ভারপ্রাপ্ত সচিবের পদমর্যাদায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের চেয়ারম্যান করা হয়েছে।

জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) বেগম রৌনক জাহানকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব করা হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকে ১২ হাজার ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগ পরীক্ষা অক্টোবরে।

ডেস্ক,১৫ সেপ্টেম্বন: টিবিটি চাকরির খবরঃগত ৩০ জুলাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট নিরসনে রাজস্বখাতভুক্ত নতুন করে আরও ১২ হাজার ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই)। ১ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শুরু হয়ে ৩০ আগস্ট শেষ হয়।

ডিপিই সূত্র জানিয়েছে আগামী মাসের শেষ দিকে অনুষ্ঠিত হতে পারে ওই নিয়োগ পরীক্ষা। আগামী ২৬ অক্টোবর শুক্রবার ওই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা।

পরীক্ষার সপ্তাহখানেক আগে এমএমএস করে প্রার্থীদের জানিয়ে দেওয়া হবে। এবং প্রবেশপত্র ডাউনলোডের সময়ও জানিয়ে দেওয়া হবে।

প্রার্থীরা http://dpe.teletalk.com.bd ওয়েবসাইট থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন। ওএমআর শিট পূরণের নির্দেশাবলী এবং পরীক্ষা সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য ওয়েবসাইটে (www.dpe.gov.bd) পাওয়া যাবে।

বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরপরই এ বিষয়ে ডিপিই’র মহাপরিচালক আবু হেনা মোস্তফা কামাল গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, নতুন করে রাজস্ব খাতে প্রায় ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দিতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন নিয়োগ বিধিমালার কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় পুরনো নিয়োগ বিধির আলোকে এই নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। সে অনুযায়ী আগের সব বিষয় বহাল থাকবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার ইংরেজি বিষয়ে নতুন নির্দেশনা

চলতি ২০১৮ খ্রিস্টাব্দের প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার ইংরেজি বিষয়ের প্রশ্ন কাঠামো সম্পর্কে একটি নির্দেশনা দিয়েছে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)। এতে সত্য মিথ্যা সম্পর্কিত প্রশ্নের উত্তরটি কিভাবে লিখতে হবে তা বলা হয়েছে। সব সমাপনী পরীক্ষার্থী ও শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বুধবার (১২ সেপ্টেম্বর) এ নির্দেশনা জারি করা হয়। দৈনিক শিক্ষার পাঠকদের সুবিধার্থে নির্দেশনাটি তুলে ধরা হল।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে ১০ হাজার সহকারী শিক্ষক নেওয়া হবে

শিশির দাস: সারা দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে (পার্বত্য তিন জেলা- রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ব্যতীত) সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সম্প্রতি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বিভিন্ন পত্রিকায় ও তাদের ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ নিয়োগের বিষয়টি জানিয়েছে। কতজন নেওয়া হবে জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু হেনা মোস্তফা কামাল  বলেন পদটিতে প্রায় ১০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। তবে পদের সংখ্যা বাড়তে বা কমতে পারে।

সহকারী শিক্ষক পদে এরই মধ্যে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। আবেদন করা যাবে আগামী ৩০ আগস্ট রাত ১১ টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। তাই লক্ষ্য যাদের শিক্ষক হওয়ার আবেদনের শেষ দিনের জন্য অপেক্ষা না করে পদটিতে আবেদন করতে পারেন এখনই। এই নিয়োগের বিজ্ঞপ্তিটি পাওয়া যাবে www.dpe.gov.bd  এই ঠিকানায়।

আবেদনের যোগ্যতা: এ পদে আবেদনের জন্য পুরুষ প্রার্থীদের কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ/শ্রেণি/সমমানের জিপিএসহ স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি পাস হতে হবে। অন্যদিকে, মহিলা প্রার্থীদের ক্ষেত্রে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা সমমানের পরীক্ষায় ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ/সমমানের জিপিএসহ উত্তীর্ণ অথবা স্নাতক বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। উভয় প্রার্থীদের বয়স ৩০ আগস্ট ২০১৮ তারিখে ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৩২ বছর।

যেভাবে আবেদন করবেন: এ পদে প্রার্থীদের অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। http://dpe.telelalk.com.bd  এবং www.dpe.gov.bd  এই ওয়েবসাইটে লগ ইন করলে একটি লিংক পাওয়া যাবে। এই লিংকে প্রবেশ করে সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা মোতাবেক অনলাইন আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে। অনলাইনে আবেদনপত্র পূরণ করে জমা করার পর অ্যাপ্লিকেশন কপি প্রিন্ট করতে হবে। সঠিকভাবে পূরণকৃত অ্যাপ্লিকেশন কপির ইউজার আইডি দিয়ে আবেদন ফি জমা দিতে হবে। একবার আবেদন ফি জমা দেওয়া পর অ্যাপ্লিকেশন ফরম কোনো অবস্থাতেই সংশোধন বা প্রত্যাহার করা যাবে না। শুধু ইউজার আইডিপ্রাপ্ত প্রার্থীরা উক্ত সময় পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত এসএমএসের মাধ্যমে ফি প্রদান করতে পারবে। আবেদনকারীকে একটি ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড দেওয়া হবে। এই ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড সব সময়ের জন্য প্রার্থীকে সংরক্ষণ করতে হবে। প্রার্থীকে পরীক্ষার ফি বাবদ অফেরতযোগ্য সার্ভিস চার্জসহ ১৬৬.৫০ টাকা যেকোনো টেলিটক মোবাইল নম্বর থেকে এসএমএসের মাধ্যমে যথাসময়ে প্রেরণ করতে হবে।

নির্বাচন পদ্ধতি: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সহকারী শিক্ষক পদে এর আগে ৮০ নম্বরের এমসিকিউ পদ্ধতিতে লিখিত পরীক্ষা ও ২০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হতো। বাংলা, গণিত, ইংরেজি ও সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে প্রশ্ন থাকত। তবে এবারের নিয়োগে কত নম্বরের পরীক্ষা হবে এই বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এসব পরীক্ষার তারিখ পরে অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট ও বিভিন্ন পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে বলে অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর আবেদনপত্রের সঙ্গে অনলাইনে দাখিলকৃত আবেদনের ফটোকপি, পাসপোর্ট সাইজের ২ কপি ছবি, প্রথম শ্রেণির গেজেটেড সরকারি কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কিত সব মূল বা সাময়িক সনদপত্র এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/পৌরসভার মেয়র/সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর কর্তৃক প্রদত্ত নাগরিকত্ব সনদপত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমা দিতে হবে।

বেতন: চূড়ান্তভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত একজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী ১০ হাজার ২০০ (গ্রেড ১৪) টাকা স্কেলে বেতন পাবেন। আর প্রশিক্ষণবিহীন একজন সহকারী শিক্ষক ৯ হাজার ৭০০ (গ্রেড-১৫) টাকা স্কেলে বেতন পাবেন।

প্রথম আলো

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষক বদলি নীতিমালা তদবির ঠেকাতে স্থগিত

ডেস্ক,১১ আগষ্ট: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক বদলি নীতিমালা সংশোধনে আগ্রহী নয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। মেট্রোপলিটন ও সিটি কর্পোরেশনে শিক্ষক বদলিতে তদবিরের হিড়িক পড়ায় নীতিমালা সংশোধনের কাজ স্থগিত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, ২০০৯ সালে দুবার এবং ২০১১ ও ২০১৫ সাল মিলে মোট চারবার প্রাথমিকের ‘শিক্ষক বদলি নীতিমালা’ পরিবর্তন করা হয়। সর্বশেষ ২০১৭ সালে পঞ্চমবারের মতো বদলি নীতিমালা যুগোপযোগী করতে খসড়া নীতিমালায় অনুমোদন দেয় মন্ত্রণালয়।

তবে চূড়ান্ত অনুমোদনের আগেই মন্ত্রণালয়ে শিক্ষক বদলিতে তদবিরের হিড়িক পড়ে। ফলে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়নি মন্ত্রণালয়।
সর্বদা জানতে ও জানাতে লাইক দিয়ে একটিভ থাকুন

প্রণীত খসড়ার ৩-এর ৯ ধারায় বলা হয়েছে, প্রাথমিকের শিক্ষিকারা স্বামীর কর্মস্থল এলাকা বা এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় বদলি (পদশূন্য থাকা সাপেক্ষে) হতে পারবেন।

আগে স্বামীর নিজ জেলায় শিক্ষিকারা বদলি হতে পারলেও স্বামীর কর্মস্থল এলাকায় বদলিতে অনেক জটিলতা পোহাতে হতো, যা ছিল অনেকটা দুঃসাধ্য। নীতিমালা পরিবর্তন হলে মানবিক কারণসহ কয়েকটি ক্যাটাগরিতে সারা বছর বদলির আবেদন করা যাবে। ফলে স্বামীর সঙ্গেই থাকতে পারবেন প্রাথমিকের শিক্ষিকারা।

২০১৫ সালে শিক্ষকের স্ত্রী/স্বামী সরকারি, আধাসরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত কোনো প্রতিষ্ঠানের চাকরি করলে সেখানে কর্মস্থলে বদলির করা যেত। আধাসরকারি ধারায় ব্যাপক বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে ‘আধাসরকারি’ শব্দটি বাদ দিয়ে নতুন করে তফসিলভুক্ত ব্যাংক ও এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কর্মস্থলে বদলি হওয়া যাবে বলে ধারায় বলা হয়।

খসড়া নীতিমালায় আরও বলা হয়, চাকরি পাওয়ার পর নারী শিক্ষকদের বিয়ে হলে স্বামীর কর্মস্থলের পার্শ্ববর্তী স্কুলে বদলি হতে পারবেন। প্রতিবন্ধী শিক্ষকদের স্থায়ী ঠিকানার পার্শ্ববর্তী এলাকার স্কুলে বদলি করা যাবে। স্বামী মারা গেলে বা বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে সুবিধামতো স্থানসহ বিশেষ কোনো কারণে বছরের যে কোনো সময় বদলি হওয়া যাবে।

দুর্গম এলাকায় নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরা চাকরির মেয়াদ ১০ বছরের পরিবর্তে পাঁচ বছর পর নিজ এলাকায় বদলি হতে পারবেন। এছাড়া জাতীয়করণ হওয়া অনেক শিক্ষককে ভিন্ন জেলায় নিয়োগ দেয়া হয়েছে, তারা প্রেষণে নিজ জেলায় বদলি হতে পারবেন।

তবে সাধারণ বদলির ক্ষেত্রে বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত আবেদনের সময় নির্ধারিত রয়েছে। আগের মতো শিক্ষকদের চাকরির মেয়াদ দুই বছর পূর্ণ হলে বদলির আবেদন করতে পারবেন। এক বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বদলির আবেদন করা যাবে না।

তবে বিশেষ কারণে যে কোনো সময়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের (ডিপিই) মহাপরিচালক, প্রাথমিক জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও বিভাগীয় উপ-পরিচালকের সুপারিশে সুবিধামতো স্থানে বদলি হওয়া যাবে।

মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা  জানান, নীতিমালা জারি হওয়ার আগেই মেট্রোপলিটন ও সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বদলির আবেদনের হিড়িক পড়ে।

পদ শূন্য না থাকলেও বিভিন্ন মহল থেকে বদলির তদবির শুরু হয়। তদবির সামলাতে মন্ত্রী, সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিপাকে পড়েন। এ কারণে মন্ত্রীর পরামর্শে বদলির কাজ স্থগিত রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান  বলেন, শিক্ষক বদলির বিষয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতা তৈরি হয়েছে।

গত আড়াই বছরে ১২০০ শিক্ষক বদলির পর মেট্রোপলিটন ও সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বদলি কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। সবাই শুধু জেলা শহর আর ঢাকায় আসতে চান, মফস্বলে কেউ থাকতে চান না। শূন্য আসন না থাকায় এসব এলাকায় নতুন করে আর শিক্ষক বদলির প্রয়োজন নেই। এ কারণে নীতিমালা সংশোধনের সিদ্ধান্ত স্থগিত করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন সময়ে নারী শিক্ষকরা নানা সমস্যায় পড়েন। এতে সেখানে তার অবস্থান অসম্ভব হয়ে পড়ে। নানা ধরনের মানবিক কারণে শিক্ষকদের সুবিধামতো স্থানে বদলিতে আমরা নীতিমালা সংশোধনের সিদ্ধান্ত নেই।

কিন্তু দেখা গেছে, ভালো স্থানে বদলি হতে সবাই নানা সমস্যার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রণালয়ে ভিড় জমাতে শুরু করেন। এ কারণে ২০১৭ সাল থেকে মেট্রোপলিটন ও সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বদলি কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে।

‘প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে এ নীতিমালা সংশোধন করা হবে’ বলেও জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী।

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দামুড়হুদার প্রতাবপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালযের প্রধান শিক্ষক আয়ুবের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ে না আসার অভিযোগ

কার্পাসডাঙ্গা অফিস:
দামুড়হুদার প্রতাবপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের ঠিক মতো আসেনা বলে অভিযোগ উঠেছে । গতকাল সোমবার বিকাল ৩ টার সময় স্কুলের ছেলেরা রাস্তার উপর ঘোরাঘুরি সময় একটি ছাত্র সামান্যর জন্য বড় ধরণের র্দর্ঘটনা থেকে বেঁচে যায়। এ সময় কিছু অভিভাবক দ্রুত স্কুলে ছুটে গিয়ে দেখতে পায় প্রধান শিক্ষক নায় সাধারণ সহকারী শিক্ষকরা বলেন তিনি বারটার সময় স্কুল থেকে চলে গিয়েছেন। ফলে নড়বড়ে হয়ে পড়েছে প্রশাসনিক ব্যবস্থা বিঘিœত হচ্ছে শিক্ষা কার্যাক্রম।
অভিভাব ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগে জানাগেছে , প্রধান শিক্ষক আয়ুব আলী নিজের ইচ্ছে মতে বিদ্যালয়ের কার্যাক্রম পরিচালনা করে থাকেন । তিনি নামমাত্র বিদ্যালয় আসলেও হাজিরা খাতায় সই করে আবার নিজের ব্যাক্তিগত কাজে বিদ্যালয় ত্যাগ করেন। ফলে ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়া বিঘিœত হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে শিক্ষার মান একেবারে নীচে নেমে যাবে বলে অভিভাবকরা মনে করেন। দামুড়হুদা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাকী সালাম বলেন এ ব্যবারে আমার কিছু জানা নেই তবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব । বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি আব্দুস কুদ্দুস বলেন, আমি প্রধান শিক্ষককে বার বার বলেছি আমি আগামী বৃহস্পতিবার জরুরী মিটিং করার জন্য বলেছি প্রধান শিক্ষককে বার বার বলার পরও প্রধান শিক্ষক ঠিকমতো স্কুলে আসে না। আমার কাছেও অনেক অভিভাবক বিষয়টি বলেছে।
এ দিকে আয়ুব আলী বলেন, আমার বিদ্যালয়ের স্লিপের কাজ চলছে এবং অফিসিয়াল কাজের জন্য প্রায় বাইরে থাকতে হয়। গ্রামবাসীর দাবী প্রতাবপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বদলীসহ বিদ্যালয়ের প্রতি নজর দিবার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন অভিভাবকমহল।

কাল পড়ুন ৩টা থার্ডক্লাস নিয়ে কিভাবে প্রধান শিক্ষক হলেন আয়ুব আলী

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী-ইবতেদায়ি পরীক্ষা শুরু ১৮ নভেম্বর

ডেস্ক,২৫ জুলাই: চলতি বছর পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষা আগামী ১৮ নভেম্বর শুরু হবে। চলবে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত।

আজ বুধবার সচিবালয়ে বুধবার পিইসি পরীক্ষা সংক্রান্ত জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার।

মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রবীন্দ্রনাথ রায় বলেন, অন্যবার সকাল ১১টা থেকে এই পরীক্ষা শুরু হলেও এবার শুরু হবে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে। চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত। তবে পরীক্ষার সময় আগের মত আড়াই ঘণ্টাই থাকছে।

তিনি জানান, পরীক্ষায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন পরীক্ষার্থীদের আগে অতিরিক্ত ২০ মিনিট সময় দেওয়া হলেও এবার থেকে তাদের ৩০ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সেই শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবশেষে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

ডেস্ক  : মোংলা উপজেলার ৫০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি প্রকল্পের ২০ লাখ টাকা বাতিলের পেছনে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার গাফিলতির প্রমাণ পাওয়ায় তাকে শাস্তিমূলক বদলি করা হয়েছে। অভিযুক্ত ওই উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ‘পরিমল চন্দ্র বালা’কে ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলায় বদলি করা হয়। উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পুস্পজিৎ মণ্ডল বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন,‘প্রাথমিক শিক্ষ অধিদফতরের মহা পরিচালক আবু হেনা মোস্তফা কামাল স্বাক্ষরিত এক আদেশে ১৭ জুলাই (মঙ্গলবার) তাকে বদলি করা হয়। পরিমল চন্দ্র বালা গত মার্চ মাসে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে মোংলা উপজেলায় যোগদান করেন।’

এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মোংলা উপজেলার একাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানান,‘তিনি (পরিমাল চন্দ্র বালা) যে কাজ করেছেন তাতে এ শাস্তি (বদলি) হয় না, উচিত ছিল তাকে বরখাস্ত করা।’

উপজেলার মিঠাখালী ইউনিয়নের সাতপুকুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং শিক্ষক কল্যাণ সমিতির সভাপতি মহিদুল ইসলাম জানান, পিইডিপি (প্রাইমারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম) প্রকল্প-৩ এর আওতায় প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে মোংলা উপজেলার ৫০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রতি বছর ৪০ হাজার টাকা করে পায়। ওই টাকায় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শিক্ষা উপকরণসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ কেনার জন্য দেওয়া হয়। ২০১৭-১৮ অর্থ বছরেও এ খাতে ২০ লাখ টাকা বরাদ্ধ দেওয়া হয়।গত ২৭ জুন মোংলা উপজেলা হিসাব শাখা থেকে এ টাকার অনুমোদনসহ ছাড় করণের প্রয়োজনীয় কাগজ সোনালী ব্যাংক, মোংলা শাখায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু শিক্ষা কর্মকর্ত পরিমল চন্দ্র বালা ৩০ জুনের মধ্যে না তোলায় ওই ২০ লাখ টাকা বাতিল হয়ে যায়।

এদিকে ভুক্তভোগি এক প্রধান শিক্ষক বিধান বৈরাগী জানান, বরাদ্দের টাকা আগে দেওয়ার নিয়ম থাকলেও শিক্ষা কর্মকর্তা পরিমল চন্দ্র বালা আগে প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরন কিনতে শিক্ষদের নির্দেশ দেন। শিক্ষকরা তা কিনে রসিদসহ বরাদ্দের টাকা আনতে গিয়ে জানতে পারেন তাদের সে বরাদ্দের টাকা বাতিল হয়ে গেছে। এতে শিক্ষকরা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছেন বলে জানান তারা। আর এ ঘটনার জন্য তরা ওই শিক্ষা কর্মকর্তাকে দায়ী করেন। পরে এঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি এর সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্ত শিক্ষা কর্মকর্তা পরিমল চন্দ্র বালার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়।

তবে এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শিক্ষা কর্মকর্তা পরিমল চন্দ্র বালা  বলেন, ‘আমাকে শাস্তিমূলক বদলি করা হয়নি, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী সব জানেন।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে সর্ববৃহৎ প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

আসাদুজ্জামান সম্রাট: প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে সরকারের গৃহীত সর্ববৃহৎ প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়েছে গতকাল রোববার। প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকার এ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে প্রাথমিক শিক্ষার চিত্রই পাল্টে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মাল্টিপারপাস হলে ‘চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪) এর উদ্বোধন করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী এ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল এনডিসি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ আসিফ-উজ-জামান।
প্রকল্পটির কাজ গতকাল থেকে শুরু হয়ে ২০২৩ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে বাস্তবায়ন হবে। আশা করা হচ্ছে, এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে একটি কার্যকর অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন। এছাড়া মা-বাবা ও অভিবাবকদের উদ্ধুদ্ধকরণের মধ্য দিয়ে মিড ডে মিল কার্যক্রম বাস্তবায়নের উপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনটি প্রধান লক্ষ্যকে সামনে রেখে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। যাতে পাঠ্যসূচিতে নির্ধারিত শ্রেণীভিত্তিক ও বিষয়ভিত্তিক শিখন যোগ্যতা অর্জনের লক্ষ্যে প্রাথমিক শিক্ষার গুণগতমানের উন্নয়ন, সার্বজনিনভাবে বিস্তৃত একটি সুষ্ঠু শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যা শিশুদের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষার ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে সক্ষম হবে। প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী সুশাসন ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত আর্থিক সংস্থান রাখা ও উন্নত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার পরিপ্র্রেক্ষিতে প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি করে একটি কার্যকর, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। পিইডিপি-৪ প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৪ হাজার ৬৫৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে জিওবি ৩১ হাজার ৮৪৮.৫৭ কোটি টাকা এবং প্রকল্প সাহায্য ১২ হাজার ৮০৫ কোটি টাকা। প্রকল্প সাহায্য হিসাবে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলো- বিশ্বব্যাংক, এডিবি, জাইকা, ইইউ, ডিএফআইডি, অস্ট্রেলিয়ান এইড, কানাডিয়ান সিডা, সুইডিশ সিডা ও ইউনিসেফ ঋণ সহায়তা দেবে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে প্রকল্পটি বরাদ্দবিহীনভাবে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি-এডিপিতে অন্তর্ভুক্ত ছিল। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে প্রকল্পটি বরাদ্দবিহীন অনুমোদিত নতুন প্রকল্প হিসেবে এডিপিতে যুক্ত হতে যাচ্ছে। গত ২২ মে প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন হয়েছে।
প্রকল্পের আওতায় প্রি-প্রাইমারি এবং প্রথম হতে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত বর্তমান পাঠ্যসূচির সংশোধন এবং সব বিদ্যালয়ে যোগ্যতাভিত্তিক টিচিং লারনিং শিক্ষা উপকরণ প্রদান ও নির্দিষ্ট সময়ে পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ করা হবে। শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে এক লাখ ৬৫ হাজার ১৭৪ জন শিক্ষক নিয়োগ ও পদায়ন করা হবে। এছাড়া এক লাখ ৩৯ হাজার ১৭৪ জন শিক্ষকের ডিপ-ইন এড প্রশিক্ষণ প্রদান; শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ও প্রতি শিক্ষকের বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রদান; ৫৫ হাজার শিক্ষকদের ইনডাকশন, প্রতিষ্ঠানিক, বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ প্রদান; ১৭শ’ শিক্ষকের এক বছর মেয়াদে সাব ক্লাস্টার প্রশিক্ষণ, ২০ হাজার শিক্ষকের এক বছর মেয়াদে আইসিটি ট্রেনিং, ৬৫ হাজার শিক্ষকের লিডারশিপ ট্রেনিং; ২৫৯০ সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও শিক্ষকের বৈদেশিক প্রশিক্ষণ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free