প্রাথমিক শিক্ষা

প্রাথমিক শিক্ষক বদলির আবেদন অনলাইনে

নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী বছর থেকে প্রাথমিক শিক্ষক বদলির আবেদন অনলাইনভিত্তিক হবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি পর্যালোচনা সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এসময় মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মেহেদী শাহনেওয়াজ জলিল স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২০ থেকে প্রাথমিক শিক্ষক বদলির সব আবেদন অনলাইনভিত্তিক হবে।

এছাড়া স্কুল লিভিং ইমপ্রুভমেন্ট প্রোজেক্টের (এসএলআইপি) আওতায় রংপুর ও কুড়িগ্রামে শুরু হচ্ছে শিক্ষকদের বায়োমেট্রিক হাজিরা পদ্ধতি। এজন্য ৩২টি সফটওয়্যার সমন্বয় করে কেন্দ্রীয় ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড তৈরির কাজ চলছে। এর ফলে ধীরে ধীরে সারাদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষকদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

সভায় চর, হাওর ও পাহাড়ি দুর্গম এলাকায় প্রাথমিক শিক্ষা পৌঁছানোর জন্য ওই এলাকায় বসবাসকারী শিক্ষকদের অগ্রাধিকার, শিক্ষকদের আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ এবং প্রয়োজনে চুক্তিভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টিও আলোচনা করা হয়েছে। তবে এসব বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর, ময়মনসিংহ ও শেরপুর এই ৫টি এলাকাকে ‘রেড জোন’ হিসেবে চিহ্নিত করে এই এলাকাগুলোর শিশুদের শিক্ষা উন্নয়নের জন্য কাজ করা হবে বলেও জানানো হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলির নতুন নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ২৬ ফেব্রুয়ারী

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও নব জাতীয়করণকৃত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলির নতুন নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

ঢাকা বিভাগের প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগীয় উপপরিচালক ইন্দু ভূষণ দেব স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা প্রহণ ও তালিকাসহ প্রতিবেদন আগামী ১২ মার্চের মধ্যে মন্ত্রণালয়ে এবং অনুলিপি অত্র দপ্তরে প্রেরণ করতে হবে।

এতে বলা হয়েছে, সরকারি প্রাথসিক বিদ্যালয়ে মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে ১৯৭৩ সালে জাতীয়করনকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয় (পুরাতন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়) থেকে নিকটস্থ/পার্শ্ববর্তী ২০১৩ সালে নব জাতীয়করণকৃত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এবং নব জাতীয়করণকৃত সরকারি প্রাথহিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিকটস্থ/পার্শ্ববর্তী পুরাতন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পারস্পরিক সমন্বয় বদলী করতে হবে। এক্ষেত্রে পারস্পরিক ও সমন্বয় বদলীর ক্ষেত্রে বদলী নির্দেশিকা ২০১৮ এর ৬ ,৬.৬ ও ৬.৭ অনুসরন করতে বলা হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেডে উন্নীতের নির্দেশ

ঢাকা: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের (প্রশিক্ষিত ও অপ্রশিক্ষিত) দশম গ্রেডে উন্নীত করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল নিষ্পত্তি করে এ রায় দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সালাহউদ্দিন দোলন।

রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আশিক রুবাইয়াত।

পরে সালাহ উদ্দিন দোলন বলেন, বর্তমানে প্রধান শিক্ষক পদটি দ্বিতীয় শ্রেণীর হলেও তারা বেতন পান ১১ ও ১২তম গ্রেডে। অথচ দ্বিতীয় শ্রেণীর অন্য সব চাকরিজীবী দশম গ্রেডে বেতন পান। ফলে সরকারি প্রধান শিক্ষকদের মর্যাদা দিলেও তাদের প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে ৪৫ জন শিক্ষকের রিট আবেদনের পর আদালত রুল জারি করেন। সোমবার হাইকোর্ট রুল নিষ্পত্তি করে এ রায় দেন।

আইনজীবী সালাহ উদ্দিন দোলন মনে করেন, এ রায় সংক্ষুব্ধদের ক্ষেত্রেই কার্যকর হবে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি রিয়াজ পারভেজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তার আইনজীবীকে উদ্ধৃত করে বলেন, ২০১৪ সালের ৯ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণীতে উন্নীত করার ঘোষণা দেন। ওই দিনই প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করলেও পরে মন্ত্রণালয় প্রশিক্ষিত প্রধান শিক্ষকদের জন্য ১১ ও অপ্রশিক্ষিত প্রধান শিক্ষকদের জন্য ১২তম গ্রেড নির্ধারণ করে।

পরে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি রিয়াজ পারভেজ,নজরুল ইসলাম,এসএম সাইদুল্লাহ,খাইরুল ইসলাম,স্বরুপ দাস সহ ৪৫ জন প্রধান শিক্ষক হাইকোর্টে রিট করেন। এ রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত বছরের ৫ মার্চ আদালত রুল জারি করেন।

সোমবার সে রুল নিষ্পত্তি করে রায় দেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেডে বেতন দেয়ার নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতনস্কেল দশম গ্রেডসহ গেজেটেড পদমর্যাদা দেয়ার নির্দেশ দিয়ে রায় ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট।

হাইকোর্টের এ রায়ের ফলে প্রাথমিকের ৬৫ হাজার ৫৯ জন প্রধান শিক্ষকের ভাগ্য ফেরার সম্ভাবনা দেখছেন আইনজীবীরা।

প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন উভয় ধরনের প্রধান শিক্ষকদের জন্য ২০১৪ সালের ৯ মার্চ থেকে এ আদেশ কার্যকর করার জন্য বলা হয়েছে।

এ সংক্রান্ত এক রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে আজ (সোমবার) হাইকোর্টের বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি খিজির আহমেদ

চৌধুরীর বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম বলেন এ বিজয় সকল প্রধান শিক্ষকের।

এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি রিয়াজ পারভেজ বলেন এ রায়ের ফলে প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেড পাওয়ার পথ সুগম হল।


Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকে ১৮ দশমিক ৬ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে

ডেস্ক, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেছেন, সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্কুলে ধরে রাখতে স্কুলে মিড ডে চালু করা হয়েছে। তারপরও প্রাথমিকেই ১৮ দশমিক ৬ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। পিতা-মাতার অসচেতনতা, দারিদ্রতা, শিশুশ্রমের কারণে এরা ঝরে পড়ছে। রোববার (৩ ফেব্রুয়ারি)  সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারদলীয় মো. ইসরাফিল আলমের লিখিত প্রশ্নের উত্তরে প্রতিমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

বিশ্ববিদ্যালয় শুমারি-২০১৮ অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষায় শ্রেণি ভিত্তিক ঝরে পড়ার তালিকা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রথম শ্রেণিতে ২ দশমিক ২ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। এছাড়া দ্বিতীয় শ্রেণিতে ২ দশমিক ৮ শতাংশ, তৃতীয় শ্রেণিতে ২ দশমিক ৯ শতাংশ, চতুর্থ শ্রেণিতে ৭ দশমিক ৬ শতাংশ, ৫ম শ্রেণিতে ৩ দশমিক ৩ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। সব মিলিয়ে প্রাথমিক ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর হার ১৮ দশমিক ৬ শতাংশ।

শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধে মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বছরের শুরুতে প্রতিটি বিদ্যালয় ক্যাচমেন্ট এলাকাভিত্তিক জরিপপূর্বক ভর্তি নিশ্চিত করা, নিয়মিত মা সমাবেশ, উঠান বৈঠক এবং হোম ভিজিট কার্যক্রম রয়েছে। বছরের প্রথম দিন শতভাগ শিক্ষার্থীর বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করা, স্কুল ফিডিং, রূপালী ব্যাংক শিওর ক্যাশের মাধ্যমে শতভাগ শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি প্রদান, শতভাগ বিদ্যালয়ে মি ডে মিল চালু করাসহ নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

সরকারদলীয় নিজাম উদ্দিন হাজারীর অপর এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে ১ লাখ ৩৪ হাজার ১৪৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৬৫ হাজার ৫৯৩টি। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষার্থী রয়েছে ১ কোটি ৭৩ লাখ ৩৮ হাজার ১০০ জন। তারমধ্যে প্রথম শ্রেণিতে ৩২ লাখ ৩২ হাজার ৮৬০ জন, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ৩৪ লাখ ৬৫ হাজার ৪৩৬ জন, তৃতীয় শ্রেণিতে ৩৭ লাখ ১৮ হাজার ৭৮৮ জন, ৪র্থ শ্রেণিতে ৩৮ লাখ ২৫ হাজার ২১৮ জন, ৫ম শ্রেণিতে ৩০ লাখ ৯৫ হাজার ৭৯৮ জন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রধান শিক্ষকের পরের গ্রেডে বেতন পাবেন সহকারীরা

ডেস্ক

দীর্ঘ আন্দোলনের পরে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষকের পরের গ্রেডে বেতন পাবেন বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।

অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেনকে সংবর্ধনা দেয় বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষক পরিষদ।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সাধারণ সম্পাদক এসএম আব্দুল গফুর নতুন সরকারি হওয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য দূর করা, প্রধান শিক্ষকদের সম্মানের সঙ্গে পদ ফেরত দেয়াসহ ১০ দফ দাবি জানান।

সুনির্দিষ্ট দাবির বিষয়ে গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা শিক্ষক, আপনাদের সুযোগ-সুবিধা দেখা হবে। প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেড এবং সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড দেয়া হবে। আর যেসব দাবি আপনারা করেছেন, তা সবই পর্যায়ক্রমে পূরণ করা হবে। আপনারা প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করেন।’

অনুষ্ঠানে নতুন সরকারি হওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১০ দফা দাবির বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রাথমিক শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করেছেন, এখন জাতির জনকের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবারও প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য কাজ করছেন। আগে বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারি করেছেন, এরপর করেছেন জাতির জনকের কন্যা, আর কেউ করবে না। আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বসে আপনাদের সমস্যার সমাধান করব। সমস্যা থাকবে না।’

অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়েরর অতিরিক্ত সচিব ড. তরুণ কান্তি শিকদার বলেন, ‘সরকার শিক্ষকদের মান উন্নয়নে কাজ করছে।’ তিনি জানান, সরকার এরইমধ্যে নতুন প্রকল্প গ্রহণ করেছে। প্রাথমিক শিক্ষকরা দেশের বাইরে প্রশিক্ষণ নেয়ার সুযোগ পাবেন বলেও জানান তিনি।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য মো. সাইফুজ্জামান শিখর, বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষক পরিষদের সভাপতি মো. আব্দুর রহমান বাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক এস এম আব্দুল গফুর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মীর মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিনসহ শিক্ষক নেতারা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকের ছুটির তালিকা সংশোধনের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২২ জানুয়ারি, ২০১৯ : মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় শিক্ষার্থীকে গড়ে তোলা ও শিক্ষকদের অধিকার নিশ্চিতকরণে প্রাথমিকের ছুটির তালিকা সংশোধনের দাবি জানিয়েছে বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদ। রোববার (২০ জানুয়ারি) এ দাবি জানিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বরাবর রেজিস্টার্ড ডাকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন পরিষদের আহ্বায়ক মো. সিদ্দিকুর রহমান। 

চিঠিতে বলা হয়, শিশু শিক্ষার স্বার্থে প্রাথমিকে বেশি ছুটি বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের প্রত্যাশা নয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আগামী প্রজন্মকে গড়ে তোলা ও শিক্ষকদের অধিকার নিশ্চিত করতে ছুটির তালিকা সংশোধনের দাবি জানানো হয় চিঠিতে। চিঠিতে বলা হয়, পূর্ববর্তী বছরের মত ২০১৯ খ্রিস্টাব্দের ছুটির তালিকায় জাতীয় দিবসগুলোকে ছুটি রাখা হয়েছে। আবার, তালিকার নিচে যথাযথ মর্যাদায় দিবসগুলো পালনের নির্দেশনা দেওয়া আছে। ছুটির তালিকায় ছুটি থাকলে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর উপস্থিত থাকা বাধ্য নয়। ছুটি থাকায় স্বল্প সংখ্যক শিক্ষার্থীকে উপস্থিত করে দায় এড়ানোর মত জাতীয় দিবসগুলো পালন করেন শিক্ষকরা। জাতীয় দিবসগুলোর প্রেক্ষাপট শিক্ষার্থীদের বিশদভাবে জানানো প্রয়োজন। তাই, আগামী প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তুলতে ও শিক্ষার্থীদের মনে দেশের প্রতি মমত্ববোধ সৃষ্টির লক্ষ্যে জাতীয় দিবসের ছুটিগুলো বাতিল করার দাবি জানানো হয় বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের চিঠিতে। 

চিঠিতে আরও বলা হয়,  প্রাথমিক শিক্ষকেরা সাপ্তাহিক ছুটি শনিবার কর্মরত থাকায় তাদের ছুটি সরকারি কর্মচারীদের চেয়েও কম। সকল সরকারি কর্মচারী শ্রান্তি বিনোদন ভাতার ১ মাসের মূল বেতনের সাথে ১৫ দিনের বাড়তি ছুটি পান। প্রতি বছরের মতো ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দেও যেকোন অবকাশে শ্রান্তি বিনোদনের জন্য ১৫ দিন ছুটি রাখা হয়নি। বিগত বছরগুলোতে রমজান মাসের ছুটি থেকে ১৫ দিন শ্রান্তি বিনোদনের ছুটি দেখিয়ে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার দপ্তর থেকে বিল পাস করানো হয়। হিজরি বছর ৩৫৫ দিন তাই ৩ বছর রমজানের ছুটি ৩০ দিন এগিয়ে আসে। বিধায় শিক্ষকেরা ৪ থেকে ৫ বছর পর পর শ্রান্তি বিনোদন ভাতা পান। তাই রমজানের মাস ছাড়া যে কোন পর্বে জাতীয় ও বিশেষ দিবসের ছুটিগুলো যোগ করে ১৫ দিন ছুটি প্রদান করা এবং ৩ বছর পর পর শ্রান্তি বিনোদন ভাতা প্রদানের নিশ্চত করার দাবি জানানো হয় বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের চিঠিতে।

প্রধান শিক্ষকদের সংরক্ষিত ছুটি সাধারণত তাৎক্ষণিক বিশেষ কারণে দেওয়া হয়। কিন্তু তা অনুমোদন করতে হয় থানা বা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার থেকে। বাস্তবে সংরক্ষিত ছুটি দেয়ার ক্ষমতা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার। সংরক্ষিত ছুটি প্রদানে প্রধান শিক্ষকের ক্ষমতা থাকা প্রয়োজন। সবসময় থানা বা উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে তাৎক্ষণিক সংরক্ষিত ছুটি অনুমোদন সম্ভব নয়। অনুমোদনের পরিবর্তে থানা বা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের অবহিত করে প্রধান শিক্ষকদের সংরক্ষিত ছুটি প্রদানের ক্ষমতা দেয়ার দাবি জানানো হয় চিঠিতে। 

চিঠিতে আরও বলা হয়, ২০১৯ খ্রিস্টাব্দের ছুটির তালিকায় দূর্গাপূজার ছুটি ৩ দিন। হিন্দু সম্প্রদায়ের দূর্গাপূজা সাধারণত ৫ দিন অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। শিক্ষকদের মধ্যে এ ছুটি নিয়ে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তাই দূর্গা পূজায় ছুটি বৃদ্ধি করে হিন্দু সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের প্রত্যাশা পূরণের দাবি জানিয়েছে  বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদ

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকের মহাপরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্বে সোহেল আহমেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২২ জানুয়ারি, ২০১৯ : প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্ব পেয়েছেন অতিরিক্ত মহাপরিচালক সোহেল আহমেদ। সোমবার (২১ জানুয়ারি) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানা যায়।

মহাপরিচালক ড. মো. আবু হেনা মোস্তফা কামালকে  ভারপ্রাপ্ত সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে। 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দামুড়হুদায় সততা স্টোরের শুভ উদ্বোধন

প্রলয় শীল,দামুড়হুদা(চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি : দামুড়হুদায় শিক্ষার্থীদের সততা শিক্ষা দিতে বিক্রেতাবিহীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘সততা স্টোর’র উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা আজমপুর সপ্রাবি উদ্যোগে উপজেলার মআরবি আজমপুর সপ্রা বিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠা করা হয় এ সততা স্টোর।
এ সততা স্টোরের উদ্বোধন করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বরুপ দাস। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুল হামিদ,আতিকুর রহমান,মেরিনা পারভীনও বিদ্যালয়ের শতাধিক ছাত্রছাত্রী।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬৫ হাজার নতুন পদ সৃষ্টি

ডেস্ক,৪ জানুয়ারী। সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একজন করে হিসাব রক্ষকের পদ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন পদ সৃজন, জনপ্রশাসন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনসহ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড সম্পন্ন করা হবে বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো: গিয়াস উদ্দিন আহমেদ হিসাব রক্ষকের পদ সৃষ্টির নীতিগত সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানিয়ে গতকাল নয়া দিগন্তকে বলেন, ‘প্রধান শিক্ষক’ প্রতিষ্ঠান প্রধান এবং বিদ্যালয়ে পাঠদান ও তদারকিতে আরো সক্রিয় করতে বিদ্যালয়ে একজন হিসাব রক্ষক প্রয়োজন। এ ব্যাপারে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করে কার্যক্রম চলবে।

গতকাল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সচিব মো: আকরাম-আল-হোসেনের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে এ ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে মন্ত্রণালয়ে সব অতিরিক্ত সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর মহাপরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বিদ্যালয়ের সব ধরনের হিসাব সংরক্ষণ ও পরিচালনাসহ বিদ্যালয়ের দাফতরিক সব কর্মকাণ্ড এককভাবে প্রধান শিক্ষককে করতে হয়। এ ছাড়াও সরকারের নানা ধরনের নির্দেশনামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকায় প্রধান শিক্ষকেরা বিদ্যালয়ের পাঠদান পরিচালনা-তত্ত্বাবধান-সমন্বয় সঠিকভাবে করতে পারছেন না। তাই প্রধান শিক্ষককে পাঠদানে আরো মনোনিবেশ করাতে এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয় ও ডিপিই সূত্র জানান, অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষার স্তর নির্ধারণ করা হয়েছে শিক্ষানীতিতে। সরকারের নতুন মেয়াদে এটি শতভাগ কার্যকর করা না গেলেও এর প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। তাই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নির্ভর হিসাব সংরক্ষণ-পরিচালনা সমীচীন হবে না।

এ ছাড়া এখন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনেক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চলছে। এসবের সঠিক হিসাব সংরক্ষণ প্রশ্নের মুখে পড়ছে। অনেক বিদ্যালয় থেকে হিসাব সংরক্ষণে নানা ধরনের জটিলতার সৃষ্টি হচ্ছে। তাই একজন যোগ্য-মানসম্পন্ন ‘হিসাব রক্ষক’ জরুরি হয়ে পড়েছে। এসব বিবেচনায় দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘হিসাব রক্ষকের পদ সৃষ্টি’র কথা বিবেচনা করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, সহস্রাব্দের উন্নয়ন অভীষ্টের (এসডিজি) শর্তানুসারে মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করতে মানসম্পন্ন প্রাথমিক শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে। সরকার এ লক্ষ্য অর্জনে বিগত দিন ও বছরগুলোর চেয়ে এখন অতিমাত্রায় স্পর্শকাতর। প্রাথমিক শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে এরই মধ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। তার মধ্যে ‘ওয়ান ডে ওয়ান ওয়ার্ড’ এবং প্রাথমিকে গণিত অলিম্পিয়ার্ড চালু অন্যতম। এসব কারণে প্রধান শিক্ষককে পাঠদান নিশ্চিত করতে আরো বেশি মনোযোগী করতেই হিসাব রক্ষকের পদ সৃষ্টির নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, সারা দেশে বর্তমানে ৬৫ হাজার ৯৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংখ্যা হচ্ছে ৩৭ হাজার ৬৭২টি, বিদ্যালয়বিহীন গ্রামে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১ হাজার ২০৭টি, নতুন জাতীয়করণকৃত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ২৬ হজার ১৫৯টি এবং পরীক্ষণ বিদ্যালয় ৬১টি। এসব স্কুলে ১ জন করে ‘হিসাব রক্ষক’ নিয়োগ দেয়া হবে। এ হিসাবে সারা দেশে ৬৫ হাজার ৯৯ জন ‘হিসাব রক্ষক’ হিসেবে নিয়োগ পাবেন।

কবে নাগাদ ‘হিসাব রক্ষক’ পদে নিয়োগ দেয়া হবে জানতে চাইলে মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, পদ সৃজন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনসহ অন্যান্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বেশ সময় লাগবে। চলতি অর্থবছরে ‘হিসাব রক্ষক’ পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়ার চেষ্টা করা হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একজন মানসম্পন্ন ‘হিসাব রক্ষক’ পদে নিয়োগ দেয়া হবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা আরো নিশ্চিত হবে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ওপর চাপ কমবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকের চেয়ে এগিয়ে কিন্ডারগার্টেন

বাংলানিউজ: প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফলাফল পর্যালোচনা করে দেখা গেছে- দেশব্যাপী এবার পাসের হারে সব সরকারি স্কুলের চেয়ে এগিয়ে আছে কিন্ডারগার্টেনগুলো।

এ বছরর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতে (পিইসি) পাসের হার ৯৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ। আর ইবতেদায়িতে এ হার ৯৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ। এ দুই মিলিয়ে পাসের হার ৯৭ দশমিক ৬০ শতাংশ।

এবার ৩৭ হাজার ২০৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৩ লাখ ৮০ হাজার ৫৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। যার পাসের হার ৯৮ দশমকি ১৩ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ৩৬ হাজার ১৪৫ জন। 

অপরদিকে, ২২ হাজার ২০২টি কিন্ডারগার্টেনের তিন লাখ ৮৩ হাজার ১০৭ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ৯৮ দশমিক ৯২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ১১ হাজার ৫৩৬ জন।

এছাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫০৩টি স্কুলের ৪৭ হাজার ২৪৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ৯৮ দশমিক ৫৬ শতাংশ। মডেলে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ হাজার ৫৮২ জন।

সেইসঙ্গে ৩৪টি বেসরকারি (রেজিস্টার) প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫৪১ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে পাস করে ৯৬ দশমিক ৫২ শতাংশ। আর জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৬ জন।

পাশাপাশি এক হাজার ৮৯৫টি উচ্চ বিদ্যালয়ের সঙ্গে সংযুক্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক লাখ ৩৯ হাজার ৮৬৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করে ৯৮ শতাংশ। এখানে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা ৬৬ হাজার ২৮৭ জন।

আর তিন হাজার ৩৩২টি বেসরকারি (নন রেজিস্টার) প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৮ হাজার ৫৪৯ জন শিক্ষার্থী পিইসিতে অংশ নিয়ে পাস করে ৯৪ দশমকি ৪৮ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে এক হাজার ৪৪৩ জন।

এ বছর চার হাজার ৯৯২টি আনন্দ স্কুলের ৮৫ হাজার ৭২০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৮৩ দশমিক ৬১ শতাংশ পাস করে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৯৪ জন।

পাসের হারে সবচেয়ে এগিয়ে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। এবার ৪০টি স্কুলের ছয় হাজার ৩৩০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৯৯ দশমিক ৬৩ শতাংশ পাস করে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪১ হাজার ১৬৬ জন।

সোমবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান পিইসি পরীক্ষার ফলাফল তুলে ধরেন। এ সময় প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরে এ ফলাফলের সারসংক্ষেপ পর্যালোচনা করে দেখা যায়- পাসের হারের দিক থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তুলনায় কিন্ডারগার্টেন এগিয়ে রয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার সাজেশন-২০১৮

গণিত

১। পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের সমষ্টি ৬০ বছর। পিতার বয়স, পুত্রের বয়সের ৩ গুণ।
ক) পুত্রের বর্তমান বয়স কত?
খ) পিতা ও পুত্রের বয়সের ব্যবধান কত?
গ) ১৫ বছর পর পিতা ও পুত্রের বয়স কত হবে?
ঘ) ১৫ বছর পর পিতার বয়স, পুত্রের বয়সের কতগুণ হবে?

২। মাতা ও কন্যার বয়সের সমষ্টি ৫৫ বছর। পিতার বয়স কন্যার বয়সের ৪ গুণ।
ক) মাতা ও কন্যার বয়সের সমষ্টির কন্যার বয়সের কত গুণ?
খ) কন্যার বয়স কত?
গ) মাতার বয়স কত?

৩। ২টি গরু ও ৩টি খাসির মূল্য একত্রে ৪৫০৮০ টাকা, একটি খাসির মূল্য ৪৫৬০ টাকা।
ক) ২টি গরুর মূল্য কত?
খ) ৩টি খাসির মূল্য কত?
গ) ১টি গরুর মূল্য কত?
ঘ) ৪৭১০০ টাকা দিয়ে কয়টি গরু কেনা যাবে.

৪। জালাল সাহেবের মাসিক বেতন ২৮৭৬৫ টাকা। প্রতি মাসে তিনি ৯২২৫ টাকা বাড়ি ভাড়া, ১৫২৭৫ টাকা অন্যান্য জিনিস ক্রয়ে খরচ করেন। বাকি টাকা ব্যাংকে জমা রাখলো।
ক) তিনি বাড়ি ভাড়া ও অন্যান্য জিনিস ক্রয়ে কত টাকা খরচ করলেন?
খ) প্রতি মাসে ব্যাংকে কত টাকা জমা রাখেন?
গ) এক বছর পর কত টাকা জমা করেন?
ঘ) এক বছর পর জমানো টাকা থেকে ৪৫০০০ টাকা দিয়ে একটি ল্যাপটপ কিনলে তার কাছে কত রইল।

প্রতিদিন দেখুন।Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকের ১৩ শিক্ষা কর্মকর্তার বদলি

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকরা পাবেন ১০ম গ্রেড আর সহকারীরা ১২তম

নিজস্ব প্রতিবেদক,১ নভেম্বর: সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন স্কেলে বড় পরিবর্তন আসছে। এই পরিবর্তনের বিষয়ে এরই মধ্যে সবুজ সংকেত পাওয়া গেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে। বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষকের ৬৫ হাজার পদ সৃষ্টি হচ্ছে। আর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেল দশম গ্রেডে, সহকারী প্রধান শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডে এবং সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল ১২তম গ্রেডে উন্নীত করার বিষয়ে কাজ চলছে।

বিষয়টি স্বীকার করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. গিয়াস উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এখন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যেসব শিক্ষক যোগদান করছেন তাঁদের বেশির ভাগই অনার্স-মাস্টার্স সম্পন্ন করা। অথচ এই শিক্ষকরা যে পদে যোগদান করেন সেই পদে থেকেই অবসরে যান। এতে অনেক সময়ই দেখা যায়, শিক্ষকরা দরদ দিয়ে পড়ান না। তাই মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে অর্থ মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে মৌখিক সম্মতির পর আমরা শিক্ষকদের বেতন স্কেলে পরিবর্তন আনার বিষয়ে কাজ শুরু করেছি।’

এই অতিরিক্ত সচিব আরো বলেন, ‘প্রতিটি বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ সৃষ্টির কাজ চলছে। এতে সহকারী শিক্ষকরা দ্রুত এই পদে পদোন্নতির সুযোগ পাবেন। আর প্রধান শিক্ষকরা যেহেতু দ্বিতীয় শ্রেণির, তাই তাদের বেতন স্কেল দশম গ্রেডে উন্নীত করার কাজ চলছে। এর একধাপ নিচে থাকবেন সহকারী প্রধান শিক্ষকরা, আর পরের ধাপেই থাকবেন সহকারী শিক্ষকরা। সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ সৃষ্টির জন্য নিয়োগ বিধিতেও পরিবর্তন আনতে হবে।’

বর্তমানে প্রধান শিক্ষক পদটি দ্বিতীয় শ্রেণির হলেও তাঁরা বেতন পান ১১তম গ্রেডে। অথচ দ্বিতীয় শ্রেণির অন্য সব চাকরিজীবী দশম গ্রেডে বেতন পান। এমনকি ৩৪তম বিসিএস থেকে যখন দ্বিতীয় শ্রেণির পদে নিয়োগের সুপারিশ করা হয় তখন সবাই দশম গ্রেড পেলেও শুধু সরকারি প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা পেয়েছেন ১১তম গ্রেড। ফলে প্রধান শিক্ষকদের একাধিক সংগঠন দশম গ্রেডে বেতনের দাবিতে আন্দোলন করেছে।

বর্তমানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকরা বেতন পান ১৪তম গ্রেডে। ফলে প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে তাঁদের বেতনের পার্থক্য তিন ধাপ। কোনোভাবেই সেটি মেনে নিতে রাজি নন সহকারী শিক্ষকরা। তাঁরা প্রধান শিক্ষকের এক ধাপ নিচে বেতন চান। এ নিয়ে একাধিকবার আন্দোলনও করেছেন সহকারী শিক্ষকরা।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের এখন নানা কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়। বিশেষ করে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নানা সভায় যোগ দিতে হয় তাঁদের। শিক্ষার বাইরে সরকারি নানা কাজেও তাঁদের ব্যস্ত থাকতে হয়। ফলে বিদ্যালয়ে তেমন একটা সময় দিতে পারেন না তাঁরা। এ জন্যই মূলত সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ সৃষ্টির প্রয়োজনীতা অনুভব করা হচ্ছে। এ ছাড়া ৬৫ হাজার পদ সৃষ্টি হলে সমসংখ্যক শিক্ষকের পদোন্নতিরও সুযোগ তৈরি হবে।

জানা যায়, প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন স্কেলের এই পরিবর্তনের কাজে প্রধান শিক্ষকরা খুশি হলেও সহকারী শিক্ষকরা খুশি নন। তাঁরা সহকারী প্রধান শিক্ষকের নতুন পদটি চান না। তাঁরা মনে করছেন, এ পদ সৃষ্টি হলে প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতি পেতে সহকারী শিক্ষকদের দুটি ধাপ অতিক্রম করতে হবে। আর সহকারী প্রধান শিক্ষক পদটি না থাকলে এক ধাপ পদোন্নতি পেলেই প্রধান শিক্ষক হওয়া যাবে। তাঁরা প্রধান শিক্ষকের পরের ধাপেই বেতন চান।

বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির মুখপাত্র এস এম ছায়িদ উল্লা  বলেন, ‘যদি প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেড এবং এর একধাপ পর পর অন্য শিক্ষকদের অবস্থান হয়, তাহলে এটা হবে খুবই ভালো উদ্যোগ। তবে এখনো আমাদের প্রশিক্ষণবিহীন ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জন্য আলাদা আলাদা গ্রেড। আমরা চাইব, মাধ্যমিক শিক্ষকদের মতো এক পদে একটাই গ্রেড থাকুক। আর প্রশিক্ষণ গ্রহণের জন্য একটা সময় বেঁধে দেওয়া হোক। এ ছাড়া প্রধান শিক্ষক থেকে ওপরের পদে কোনো পদোন্নতির ব্যবস্থা নেই। এ ব্যবস্থা না থাকলে মেধাবীরা প্রাথমিকের শিক্ষকতায় আসবে না।’

বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ বলেন, ‘আমাদের দাবি প্রধান শিক্ষকের পরের গ্রেড। কিন্তু সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ সৃষ্টি হলে আমরা যখন ওই পদে পদোন্নতি পাব, তখন এমনিতেই আমরা ওই পদের স্কেলে বেতন পাব। তাহলে সহকারী শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য থেকেই যাবে। তাই আমরা এ মুহূর্তে সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ চাই না। আমরা প্রধান শিক্ষকের পরের গ্রেডে বেতন চাই।’

জানা যায়, দেশে এখন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা প্রায় ৬৫ হাজার। প্রতিটি বিদ্যালয়ে একজন করে প্রধান শিক্ষক আছেন। আর সহকারী শিক্ষকের সংখ্যা প্রায় সাড়ে তিন লাখ। বর্তমানে প্রধান শিক্ষকরা প্রশিক্ষণবিহীন অবস্থায় ১২তম গ্রেডে চাকরি শুরু করেন, প্রশিক্ষণের পর তাঁরা যান ১১তম গ্রেডে। আর চাকরির ১০ বছর পূর্তিতে দশম এবং ১৬ বছর পূর্তিতে যান নবম গ্রেডে। অন্যদিকে সহকারী শিক্ষকরা প্রশিক্ষণবিহীন অবস্থায় ১৫তম গ্রেডে চাকরি শুরু করেন, প্রশিক্ষণের পর তাঁরা যান ১৪তম গ্রেডে। ১০ বছর পূর্তিতে যান ১৩তম গ্রেডে এবং ১৬ বছর পূর্তিতে যান ১২তম গ্রেডে।

সুত্র: কালের কন্ঠFacebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরী কাম প্রহরি পদে নিয়োগ স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরী কাম প্রহরি পদে নিয়োগ স্থগিত করা হয়েছে। গত ১৭ অক্টোবর উপসচিব নাজমা শেখ স্বাক্ষরিত একটি পত্রে এ আদেম জারী করা হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free