Home » প্রাথমিক শিক্ষা (page 22)

প্রাথমিক শিক্ষা

সরকারী প্রাইমারী স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ বিধিতে ব্যাপক পরিবর্তন হচ্ছে

তপন বিশ্বাস ॥ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালায় ব্যাপক পরিবর্তন আনা হচ্ছে। ইতিপূর্বে মহিলা শিক্ষক নিয়োগের জন্য ভিন্ন শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকলেও নতুন বিধিমালায় পুরুষ ও মহিলা শিক্ষকদের জন্য অভিন্ন শিক্ষাগত যোগ্যতা রাখা হয়েছে। আগে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বয়সসীমা ছিল ২৫ থেকে ৩৫ বছর। কিন্তু নতুন বিধিতে সরকারী কর্মকমিশনের নিয়োগবিধির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সরাসরি প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ থেকে ৩০ বছর। সহকারী শিক্ষক পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে মোট পদের শতকরা ২০ ভাগ বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রীধারীদের মধ্যে থেকে নেয়া হবে। নতুন এই নিয়োগ বিধিমালা অনুমোদনের জন্য প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। যা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক বিধিমালা ২০১৭ নামে অভিহিত হবে।

সচিব কমিটিতে পাঠানো প্রস্তাবে বলা হয়েছে, সরকার ঘোষিত রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে তথ্য ও প্রযুক্তির প্রয়োগ ও প্রসারের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে গুণগতমান সম্পন্ন শিক্ষক নিয়োগ একান্তই অপরিহার্য। বিদ্যমান নীতিমালায় প্রয়োজনীয় সংশোধনপূর্বক এ নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। বিধিমালা প্রণয়নের ধারাবাহিকতা তুলে ধরে বলা হয়েছে, ২০১৩ সালে প্রণীত বিধিমালায় সহকারী শিক্ষকদের সরাসরি নিয়োগ এবং প্রধান শিক্ষকদের শতকরা ৩৫ ভাগ পদ সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে এবং সহকারী শিক্ষকদের মধ্যে থেকে ৬৫ ভাগ শিক্ষক পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণের বিধান ছিল। কিন্তু ২০১৪ সালের ৯ মার্চ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদটি দ্বিতীয় শ্রেণীতে উন্নীত করা হয়। ফলে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতির বিষয়টি সরকারী কর্মকমিশনের বিবেচনাধীন বিষয়। যার কারণে নতুন করে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা প্রণয়ন অপিরহার্য হয়ে পড়েছে। আগের মতোই নতুন বিধিমালার আওতায় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ উপজেলা বা থানাভিত্তিক হবে। সরকারী কর্মকমিশনের সুপারিশ ব্যতিরেকে কমিশনের আওতাভুক্ত কোন প্রধান শিক্ষক পদে কোন ব্যক্তিকে সরাসরি নিয়োগ দেয়া যাবে না। সরকারীভাবে গঠিত কেন্দ্রীয় সহকারী শিক্ষক নির্বাচন কমিটির সুপারিশ ছাড়া কোন ব্যক্তিকে সহকারী শিক্ষক পদে সরাসরি নিয়োগ দেয়া যাবে না। বাংলাদেশের স্থায়ী বাসিন্দা না হলে কাউকে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক পদে নিয়োগ দেয়া যাবে না। এমন ব্যক্তিকে বিবাহ করেছেন অথবা বিবাহ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যিনি বাংলাদেশের নাগরিক নন এমন ব্যক্তিকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়া যাবে না। ১৩ থেকে ১৬ বেতন গ্রেডের কোন পদ থেকে ১০ থেকে ১২ বেতন গ্রেডের কোন পদে এবং ১০ থেকে ১২ বেতন গ্রেডের কোন পদ থেকে ৯ম অথবা তদুর্ধ কোন পদে সরকারী কর্মকমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া যাবে। আগের বিধিতে এই শর্তগুলো ছিল না।

বিদ্যমান নিয়োগবিধির ৯ম বিশেষ বিধানে বলা ছিল নিয়োগপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি চাকরিতে যোগদানের ৩ বছরের মধ্যে প্রশিক্ষণ কিংবা উচ্চতর ডিগ্রী অর্জনে ব্যর্থ হলে তার চাকরি স্থায়ী করা হবে না বলে যে শর্ত ছিল তা উঠিয়ে দেয়া হয়েছে। প্রধান শিক্ষকের পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ২৫ থেকে ৩৫ এর স্থলে বাংলাদেশ সরকারী কর্মকমিশনের নিয়োগবিধির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সংশোধিত বয়সসীমা ২১ থেকে ৩০ করা হয়েছে। মোট পদের ৬৫ ভাগ পদোন্নতির মাধ্যমে ৩৫ ভাগ সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে পূরণের শর্ত আগে ছিল এখনও থাকবে।

সুত্র : জনকন্ঠ

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড কেন নয়: হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক,৫ মার্চ: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেল ১০ম গ্রেড কেন নয় তা জানতে চেয়ে সরকারের প্রতি রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদের বেঞ্চ সোমবার (৫ মার্চ) শুনানি শেষে এ রুল জারি করেন।

সোমবার (৫ মার্চ) রাতে সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট চিত্রা মহালদার  শিক্ষাবার্তাকেএ তথ্য জানান।

বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সমিতির মুখপাত্র এসএম ছায়িদ উল্লা  জানান, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন প্রধান শিক্ষকদের ২০১৪ সালের ৯ মার্চ থেকে ১০ম গ্রেডসহ গেজেটেড পদমর্যাদা প্রদানের আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করা হয়। পিটিশন দায়ের করেন বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি রিয়াজ পারভেজ। আবেদনে স্বাক্ষর করেন রিয়াজ পারভেজ, রিট পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক মো. নুরে আলম সিদ্দিকী, উদ্যোক্তা মো. আলাউদ্দিন মোল্লা, মো. নজরুল ইসলাম ও খায়রুল ইসলাম,স্বরুপ দাস,এসএম ছায়িদ উল্লা সহ ৪৫ জন।

এ বিষয়ে সমিতির সভাপতি রিয়াজ পারভেজ বলেন, ‘১০ম গ্রেড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার। এই অধিকার আদায়ে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতি জন্মলগ্ন থেকে কাজ করে যাচ্ছে। সবশেষ আমরা আদালতের শরণাপন্ন হয়েছি। আজকের এই রুল জারিকে একটি মাইলফলক হিসেবেই দেখছি।’

২০১৪ সালের ৯ মার্চ প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদা ঘোষণার পর থেকেই ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের জন্য আন্দোলন করে আসছে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতি।

সমিতির সদস্যরা জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদটি ২০১৪ সালে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করেছিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। কিন্তু তখন মন্ত্রণালয় কৌশলে প্রধান শিক্ষকদের বেতন নির্ধারণ করে ১১তম (প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত) ও ১২তম গ্রেডে (প্রশিক্ষণবিহীন)। অথচ নন-ক্যাডার দ্বিতীয় শ্রেণির পদে অন্যান্য মন্ত্রণালয় বা বিভাগের কর্মকর্তারা জাতীয় বেতন স্কেলের ১০ম গ্রেডে বেতন পান।

রিটে আরও দাবি করা হয়, বিদ্যমান প্রত্যেক প্রধান শিক্ষকদের নাম উল্লেখ করে গেজেট নোটিফিকেশন জারি করতে হবে। এছাড়াও রিটে হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে বেতন-বিল আহরণের জন্য সেলফ ড্রয়িং ক্ষমতা হিসেবে প্রতিষ্ঠান প্রধান আয়-ব্যয় কর্মকর্তার ক্ষমতা পাওয়ার দাবি করা হয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

পদোন্নতি পাচ্ছেন ১৭০ সহকারী শিক্ষক

শেরপুর জেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের (চলতি দায়িত্ব) পদে ১৭০ জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষককে পদায়ন করা হবে। ইতোমধ্যে এ তালিকা চূড়ান্ত হয়েছে। আগামী সপ্তাহে এ বিষয়ে আদেশ জারি হবে বলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের আওতাধীন শেরপুর জেলার প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদের সংখ্যা ও জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের তালিকা চূড়ান্ত করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগামী সপ্তাহে এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশ করা হবে। গেজেট প্রকাশের এক সপ্তাহের মধ্যে পদোন্নতিপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. এ এফ এম মনজুর কাদির বলেন, শেরপুর জেলার তালিকা চূড়ান্ত হয়েছে। এ জেলায় মোট ১৭০ জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক রয়েছেন। পদোন্নতি প্রাপ্তদের প্রধান শিক্ষকের পদ ফাঁকা থাকা স্কুলগুলোতে পদায়ন করা হবে।

তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদে চলতি দায়িত্বে বসানোর কার্যক্রম চলমান প্রক্রিয়া। ইতোমধ্যে কিশোরগঞ্জ, ফরিদপুর, ভোলা, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, নেত্রকোনা, মেহেরপুর, ঠাকুরগাঁও ও ঢাকা জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। অন্যান্য জেলা থেকে শিক্ষকদের গ্রেডেশনের তালিকা পাওয়ার পর যাচাই-বাছাই শেষে পদায়ন করা হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রধান শিক্ষকের চলতি দায়িত্ব পেলেন ১৯৪ জন

ডেস্ক: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদে (চলতি দায়িত্ব) আরও ১৯৪ জন সহকারী শিক্ষককে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। এ তালিকায় কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন স্কুলে কর্মরত জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকরা রয়েছেন। রোববার(৪ মার্চ) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়।

আদেশে বলা হয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের আওতাধীন কিশোরগঞ্জ জেলার জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষককে চলতি দায়িত্বে প্রধান শিক্ষক শূন্যপদে বসানো হয়েছে। পদোন্নতিপ্রাপ্ত শিক্ষকদের আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. এ এফ এম মনজুর কাদির  বলেন, জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে কিশোরগঞ্জের তালিকভুক্ত শিক্ষকদের চলতি দায়িত্বে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। রোববার এ সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করা হয়। এ জেলার চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত মোট ১৯৪ জন জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক রয়েছেন।

তিনি বলেন, জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি দিয়ে প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদে পদায়ন একটি চলমান প্রক্রিয়া। ইতোমধ্যে ফরিদপুর, ভোলা, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, নেত্রকোনা, মেহেরপুর, ঠাকুরগাঁও ও ঢাকা জেলার জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি দিয়ে প্রধান শিক্ষক পদে পদায়ন করা হয়েছে। অন্যান্য জেলা থেকে শিক্ষকদের গ্রেডেশনের তালিকা পাওয়ার পর যাচাই-বাছাই শেষে প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদে চলতি দায়িত্বে নিয়োগ দেয়া হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রশ্ন ফাস ঠেকাত‌ে সমাপন‌িতে আসস‌ে ৩ পর‌িবর্তন

১ মার্চ, ২০১৮ খ্রিঃ

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে তিনটি পরিবর্তন আনছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। বিজি প্রেসে প্রশ্নপত্র পাঠানো হবে সফটওয়্যারের মাধ্যমে। আগের চেয়ে দুই সেট বেশি প্রশ্নপত্র ছাপানো হবে এবং এখন থেকে এ পরীক্ষায় বহু নির্বাচনী প্রশ্ন (এমসিকিউ) থাকবে না। বর্তমানে পিইসি পরীক্ষার জন্য ৬ সেট প্রশ্ন ছাপানো হয় বলে জানা যায়।

২৫ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এক বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব বলেন চলমান এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সতর্কতা হিসেবে এসব পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

সাধারণত প্রতি বছর নভেম্বরের শেষদিকে সমাপনী পরীক্ষা নেয়া হয়। এ পরীক্ষা সামনে রেখে এবার ইতোমধ্যেই একটি নতুন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তা হচ্ছে- এ বছর এই পরীক্ষার ৬টি বিষয়ের শতভাগ প্রশ্নই হবে কাঠামোবদ্ধ পদ্ধতিতে (সৃজনশীল)। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি এ ব্যাপারে অফিস আদেশ জারি করে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)। এর আট দিনের মাথায় মন্ত্রণালয় পরীক্ষা সংক্রান্ত নতুন সিদ্ধান্ত নিল।

সে অনুযায়ী আসন্ন পরীক্ষায় কোনো বিষয়েই এমসিকিউ প্রশ্ন থাকবে না। এর আগে বাংলায় ১০, ইংরেজিতে ২০, গণিতে ২৪, বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়ে ৫০, বিজ্ঞানে ৫০ এবং ধর্ম বিষয়ে ৫০ নম্বরের এমসিকিউ প্রশ্ন রাখার সিদ্ধান্ত ছিল। এখন নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী এমসিকিউয়ের পরিবর্তে সৃজনশীল প্রশ্ন থাকবে। পাশাপাশি প্রশ্নপত্রের গোটা কাঠামোতে পরিবর্তন আনতে হবে।

এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব গিয়াস উদ্দিন আহমেদ  শিক্ষা বার্তাক‌ে  বলেন, এখনও পর্যন্ত পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে এমসিকিউ প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা বেশি ঘটে। এছাড়া এমসিকিউ প্রশ্ন রাখা-না রাখার ব্যাপারে নানা আলোচনা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে সুষ্ঠু পরীক্ষা অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে নতুন এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হল। তিনি বলেন, প্রশ্নপত্রের নম্বর বিন্যাস ও অন্যান্য বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেপ নেবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মন্ত্রণালয়ের আকস্মিক সিদ্ধান্ত : প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় এমসিকিউ প্রশ্ন বাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৮ ফেব্রয়ারী : হঠাৎ করে কোনো গবেষেণা কিংবা শিক্ষাবিদদের পরামর্শ ছাড়াই প্রশ্নপত্র ফাঁসরোধের অজুহাতে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার (পিইসি) প্রশ্নপত্র থেকে এমসিকিউ বা বহু নির্বাচনী অংশ বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগামী নভেম্বরের মাঝামাঝিতে চলতি বছরের প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সেই হিসেবে পিইসি শুরুর মাত্র ৯ মাস আগে পরীক্ষা পদ্ধতি সংস্কারের কথা বলছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির মাসিক সমন্বয় সভায় পরীক্ষা পদ্ধতি সংস্কারের গুরুত্বপূর্ণ এই সিদ্ধান্তটি নেয়া হয়। ওই সভার সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে প্রশ্নপত্র থেকে এমসিকিউ বাদ দিয়ে রচনামূলক কি কি প্রশ্ন যুক্ত করা যায় সে বিষয়েও কাজ শুরু হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজারের সভাপতিত্বে আয়োজিত ওই সভায় মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরসহ প্রাথমিক শিক্ষা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অথচ গত ১৮ ফেব্রুয়ারি চলতি বছরের জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি থেকে (নেপ) চলতি বছরের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার এমসিকিউসহ প্রশ্নপত্রের কাঠামো ও নম্বর বিভাজের রূপরেখা সারা দেশের স্কুলগুলোতে পাঠানো হয়েছে। এই আদেশ জারির মাত্র ৮ দিন পর পরীক্ষার প্রশ্নপত্র থেকে এমসিকিউ পদ্ধতিই বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রণালয়। এমন খবরে শিক্ষকসহ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা বিভ্রান্তিতে পড়েছেন। তারা এখনো বুঝে উঠতে পারছেন না, ৯ মাস পরে ঠিক কোন পদ্ধতিতে চলতি বছরের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার ওই সভায় বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় এমসিকিউ বা বহু নির্বাচনী প্রশ্ন তুলে দেয়া সমীচীন হবে এবং এ লক্ষ্যে জরুরিভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি নির্দেশ দেন। এছাড়া প্রশ্নপত্র ছাপানোর ক্ষেত্রে বিজি প্রেসের বিকল্প আরেকটি প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের বিষয়ে তিনি গুরুত্বরোপ করেন।

সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, চলতি ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একটি বৈঠকে পাবলিক পরীক্ষা থেকে এমসিকিউ বাদ দেয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়। সেই মোতাবেক প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় পিইসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র থেকে এমসিকিউ অংশ বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে জেএসসি, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র থেকে এমসিকিউ অংশ বাদ দেয়া হবে কিনা এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এছাড়া গত ১৯ ফেব্রুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একজন সাংবাদিকের প্রশ্নফাঁস সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে বলেছিলেন, পরীক্ষা শুরুর ২০ মিনিট আগে প্রশ্ন দেয়, এটা তো জানা কথা। এখন সবার হাতে ফোন, কেউ ছবি তুলে দিতে পারে। কিন্তু আমার এই প্রশ্নের উত্তরটা দেন, কেউ কি এটা দেখে উত্তর পড়ে লিখে দিতে পারবে? এত ট্যালেন্টেড কে আছে? তাহলে বলেন, টিক মার্কটা (এমসিকিউ) বন্ধ করে দেব? আপনারা লেখেন আমরা বন্ধ করে দেব। মূলত প্রধানমন্ত্রীর এই কথাকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় নির্দেশনা হিসেবে নিয়ে প্রশ্নপত্র থেকে এমসিকিউ অংশ বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

প্রশ্নপত্র ফাঁসরোধে এমসিকিউ অংশ তুলে দেয়ার বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা। শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. কায়কোবাদ এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধ করতে না পেরে এমসিকিউ পদ্ধতি উঠিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত যৌক্তিক হয়নি। সারা পৃথিবী যেখানে এমসিকিউ পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেয় সেখানে আমরা এটা পারছি না। কেন পারছি না? আমরা কি খারাপ জাতি? তিনি পাল্টা প্রশ্ন রেখে বলেন, এমসিকিউ বাতিলের মতো পরীক্ষা পদ্ধতি সংস্কারের দিকে গেলেও এটি নিয়ে কোনো গবেষণা কি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়? তার মতে, পরীক্ষা পদ্ধতি সংস্কার করতে হলে অনেক চিন্তাভাবনার প্রয়োজন। একটা বিষয়ে সমস্যা হলো, আর আমরা কোনো গবেষণা না করেই বাতিল করে দিলাম- এমন অস্থিরতা দিয়ে পরীক্ষা পদ্ধতি সংস্কার করা যায় না। পরীক্ষা পদ্ধতি বদলাতে প্রয়োজন স্থিতিশীলতা।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

জাতীয়করণের সব তথ্য চেয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৬ ফেব্রুয়ারী : জাতীয়করণের হালনাগাদ সব তথ্য চেয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। এ সংক্রান্ত একটি চিঠি গত ২০শে ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে।

রোববার (২৫শে ফেব্রুয়ারি) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো: ফারুক আলম শিক্ষাবার্তা ডটকমকে এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক-৭ ওয়াহিদা মুসাররত অনীতা স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, ইতোপূর্বে ঘোষিত ২৬ হাজার ১৯৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণে বিষয়ে হালনাগাদ তথ্য চাওয়া হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রধান শিক্ষক শিক্ষা অফিসে গেলেই ব্যবস্থা : দুদক চেয়ারম্যান

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ ফেব্রুয়ারী: কোনও প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক স্কুল সময়ে উপজেলা অফিসে আসলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও বিভাগীয় প্রধানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। তিনি বলেন,শ্রেণি কক্ষে পাঠদানের বাইরে কোচিং ও প্রাইভেট পড়ানো, টেস্ট পরীক্ষায় কোনও বিষয়ে ফেল করলে পুনরায় পরীক্ষা নিয়ে পাস দেখানো, পরীক্ষার ফরম পূরণে বোর্ড নির্ধারিত ফির থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের দুর্নীতি কঠোর হাতে দমন করা হবে।</p>
বৃহস্পতিবার (১৫ই ফেব্রুয়ারি) চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে ‘দুর্নীতিমুক্ত সরকারি সেবা, দুর্নীতির অভিযোগের প্রকৃতি’ বিষয়ে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

ইকবাল মাহমুদ বলেন,‘দুর্নীতিবাজরাই সমাজ ও দেশের উন্নয়নে সবচেয়ে বড় বাধা। তাই দুর্নীতি প্রতিরোধ করাটাই এখন বড় লক্ষ্য। বিশেষ করে প্রাথমিক শিক্ষায় দুর্নীতি হলে দেশ ও জাতি ধ্বংস হয়ে যাবে
ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ.এইচ.এম মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে পরিষদের সম্মেলন কক্ষে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সবুর মণ্ডল, ফরিদগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আবু সাহেদ সরকার, ভাইস চেয়ারম্যান ওয়াহিদুর রহমান রানা, পৌর মেয়র মাহফুজুল হক, উপজেলা প্রকৌশলী, ড. জিয়াউল ইসলাম মজুমদার, ওসি শাহ আলম, ইউপি চেয়ারম্যান ওমর ফারুক ফারুকী, আবুল কালাম ভূঁইয়া প্রমুখ।
এরপর দুদক চেয়ারম্যান উপজেলার চরবড়ালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাহেবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ও হাঁসা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দুর্নীতিবিরোধী মতবিনিময় সভা করেন। তিনি শিক্ষকদের দুর্নীতিবিরোধী স্লোগান সম্বলিত ছাতা এবং শিক্ষার্থীদের দুর্নীতিবিরোধী স্লোগান সম্বলিত শিক্ষা উপকরণ দেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

৩৬তম বিসিএস নন-ক্যাডারে পদ প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকসহ প্রায় ৪ হাজার

ঢাকা, ১৩ ফেব্রুয়ারি : ৩৬তম বিসিএস নন-ক্যাডার নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ কর্ম কমিশন (পিএসসি)। নন-ক্যাডার নিয়োগে ১ম ও ২য় শ্রেণিতে মাত্র ৭৮৭ পদ পেয়েছে বাংলাদেশ কর্ম কমিশন (পিএসসি)। তবে প্রধান শিক্ষকসহ এই পদ প্রায় ৪ হাজার বলে জানিয়েছেন পিএসসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক।
যদিও বিসিএসে উত্তীর্ণদের প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ নিতে অনীহা রয়েছে। কারণ এই পদটি ২য় শ্রেণির বলা হলেও এখনো শিক্ষকেরা বেতন পান ১১ ও ১২ তম গ্রেডে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পিএসসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক শিক্ষাবার্তাকে বলেন, পদ তো আমরা অনেক পেয়েছি। সেটা প্রায় চার হাজার। ১ম ও ২য় শ্রেণিতে নিয়োগ দেয়া যাবে ৭৮৭ জনকে।
এক প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ সাদিক বলেন, ‘প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগে অনীহা থাকার বিষয়টি তো আমাদের কিছু করার নেই। এটা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত। এবিষয়ে আমরা কিছু বলতে পারব না।’
পিএসসি সূত্রে জানা গেছে, ৩৬তম বিসিএসে ২ হাজার ৩২৩ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়। এ ছাড়া উত্তীর্ণ ৩ হাজার ৩০৮ জনকে নন-ক্যাডারে রাখা হয়।
নন-ক্যাডারে নিয়োগ দিতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাছে শূন্য পদ চেয়ে চিঠি পাঠায় পিএসসি। এতে বেশ সাড়া পেয়েছে তারা। ১ম শ্রেণির পদে ৪২২টি এবং ২য় শ্রেণির ৩৬৫টিসহ মোট ৭৮৭টি শূন্য পদ পেয়েছে পিএসসি। আর প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক পদ রয়েছে কয়েক হাজার।
Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

জাতীয়করনকৃত প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল এর আপত্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক: জয়পুরহাটে ১৬ জন জাতীয়করনকৃত প্রধান শিক্ষককের টাইমস্কেলে আপত্তি জানিয়েছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আশরাফুল কবীর। গত ১৮ ডিসেম্বর ২০১৭ ইং তারিখে এ আপত্তি জানান তিনি । তিনি বলেন যেহেতু সবাই (পদ্দোন্নতীপ্রাপ্ত ) ১৪/০৭/২০০৮ ইং তারিখের পত্র অনুযায়ী পদ্দোন্নতীপ্রাপ্ত তাই তাদের অর্থ মন্ত্রনালয়ের ২৩/০৩/৯৫ সালের পত্র অনুযায়ী টাইমস্কেল প্রাপ্তহবেন না।

 

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মার্চে প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক,৮ ফেব্রুয়ারী :স্থগিত থাকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা আগামী মার্চের শেষ দিকে অনুষ্ঠিত হবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক (নিয়োগ) একেএম সাফায়েত আলম আজ ব্রহস্পতিবার (৮ই ফেব্রুয়ারি) সাংবাদিকদের এ খবর জানিয়েছেন।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের শূন্য পদে নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এজন্য স্থগিত থাকা একটি পরীক্ষা নেওয়ার পাশাপাশি নতুন করে বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূ্ত্রে জানা যায়, সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দিতে ২০১৪ খ্রিস্টাব্দের ৯ ডিসেম্বর একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিলো প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এতে প্রায় ১২ লাখ প্রার্থী আবেদন করেছিলেন। কিন্তু ‘পুল’ ও ‘প্যানেলভুক্ত’ শিক্ষকদের মামলা সংক্রান্ত জটিলতায় ওই বিজ্ঞপ্তির বিপরীতে প্রায় ১০ হাজার পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে যায়।

মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন, ‘পুল’ ও ‘প্যানেলভুক্ত’ শিক্ষকদের নিয়োগের পর মামলা জটিলতা নিরসন হওয়ায় নতুন করে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এজন্য মন্ত্রণালয়ের কাছে বাজেট চেয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

তিনি বলেন, নতুন করে আরো প্রায় ১০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দিতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেখানে ৮-১০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।

মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানায়, সহকারী শিক্ষকের প্রায় ১৭ হাজার এবং প্রধান শিক্ষকের আরো প্রায় ২০ হাজার পদ বর্তমানে পদ শূন্য রয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প-৪ এর আওতায় নতুন করে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষকদের বদলি বন্ধে সতর্ক হওয়ার নির্দেশ

ডেস্ক,১ ফেব্রুয়ারী : সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষকদের বদলি ও তদবির বন্ধে সতর্ক হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই)। যথাযথ প্রক্রিয়ায় এসব কার্যক্রম করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার ডিপিই’র পলিসি-২ শাখার সহকারী পরিচালক মো. মোসলেম উদ্দিনের সাক্ষরিত একটি সতর্কবার্তা জারি করা হয়।

সেখানে বলা হয়েছে, অনেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকরা বদলির জন্য মহাপরিচালক বরাবর আবেদন করে থাকেন। যা চাকরি শৃঙ্খলা পরিপন্থি। শিক্ষকদের বদলির ক্ষেত্রে যথাযথ প্রক্রিয়া কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। নতুবা শৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে চাকরিবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিপিই’র অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. রমজান আলী জাগো নিউজকে বলেন, অনেকে বদলির জন্য যথাযথ প্রক্রিয়ায় আবেদন না করে সংশ্লিষ্ট অধিদফতরের মহাপরিচালক বরাবর আবেদন করেন। এরপর তা কার্যকর হতে নানাভাবে তদবির চালায়। এতে মহাপরিচালকের গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্টসহ নানা ধরনের জটিলতা সৃষ্টি হয়। এ কারণে সহকারী শিক্ষক বদলিতে প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে এবং প্রধান শিক্ষক বদলিতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে আবেদন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, কোনো শিক্ষক এর ব্যত্যয় ঘটালে চাকরিবিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এক ক্লিকেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব তথ্য

ডেস্ক,১ ফেব্রুয়ারী : সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহে নতুন ওয়েবসাইট তৈরি করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষক কতজন, শিক্ষার্থীর সংখ্যা, ফলাফল, ভবনের অবস্থানসহ সব তথ্য থাকবে এ ওয়েবসাইটে। শুধুমাত্র প্রাইমারি এডুকেশন প্রপার্টি ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (পিইপিএমআইএস) সাইটে গিয়ে ক্লিক করলেই বিস্তারিত দেখা যাবে।

শুধুমাত্র যাদের অ্যাকসেস থাকবে তারাই দেখতে পাবেন এসব তথ্য। ডিজিটাল এই ওয়েবসাইটি তৈরি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সরকারি প্রাথমিক স্কুলের ভবন নির্মাণসহ সব উন্নয়ন কাজের দীর্ঘসূত্রতা দূর হয়েছে। প্রথম দিকে মাঠপর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে কয়েক মাস সময়ে লেগে যেত। সঠিক তথ্য যথা সময়ে মিলতো না।

বর্তমানে সারাদেশের সব স্কুলের যাবতীয় তথ্য পিইপিএমআইএস ওয়েবসাইটে রয়েছে। ক্লিক করলেই মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা প্রত্যেক স্কুলের ভৌগোলিক অবস্থানসহ সব তথ্য পাচ্ছেন। ওয়েবসাইটের তথ্যের মাধ্যমেই এখন সব উন্নয়ন কাজ পরিচালনা করছেন। ফলে অর্থ এবং সময়ের অপচয় কমেছে। নেই কোনো তদবির।

এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন শাখার সহকারী প্রধান কর্মকর্তা মো. নুরুন্নবী বলেন, ‘জনপ্রতিনিধিসহ অনেকে স্কুলের নতুন ভবন নির্মাণের দাবি নিয়ে আসতেন। তারা অভিযোগ করতেন, ভবন সঙ্কটের কারণে শিক্ষার্থীরা গাছের নিচে ক্লাস করে। এখন কেউ তদবির নিয়ে আসলেই ওয়েবসাইটে ঢুকে ঘটনার সত্যতা যাছাই করা হয়। ভবনের ছবিসহ বিস্তারিত তথ্য দেখানোর পরে অনেকে সরি বলে চলে যান।

তিনি বলেন, একটি স্কুলের উন্নয়নমূলক কাজ করতে যত ধরনের তথ্য দরকার তার সব তথ্য ওয়েবসাইটিতে রয়েছে। ভবিষ্যতে ভবন নির্মাণের প্রয়োজন হলে তার ডিজাইন ও স্থানও নির্ধারণ করে ওয়েবসাইটে আপলোড করেছেন শিক্ষকরা।’

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, পিইপিএমআইএস ওয়েবসাইটে স্কুলের শ্রেণিভিত্তিক ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা, কর্মরত নারী ও পুরুষ শিক্ষকের সংখ্যা, শিক্ষক পদের সংখ্যা ও শূন্যপদ, চালু থাকা শিফট, স্কুলের জমির পরিমাণ, জমির মালিকানার সনদ, সেনিটেশন ব্যবস্থার চিত্র, ভবন ও ক্লাস রুমের সংখ্যা, ভবন ও ক্লাস রুমের আয়তন, ধরন, নির্মাণের সময়কাল, স্কুলের ভবনের সামনের-পেছনের দিকের ও দৈর্ঘ্যের ছবিসহ বিস্তারিত তথ্য দেয়া আছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

পাঁচ শতাধিক প্রধান শিক্ষককে নিয়োগ

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৪ জানুয়ারী: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চলতি দায়িত্বে দুই জেলায় আরও পাঁচ শতাধিক শিক্ষককে পদায়ন দেয়া হবে। আগামী সপ্তাহে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হবে বলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে।

মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, চলতি সপ্তাহে নেত্রকোনা, কুষ্টিয়া ও ঠাকুরগাঁও জেলায় ৭৭৬ জন শিক্ষককে চলতি দায়িত্বে প্রধান শিক্ষক পদে পদায়ন করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে কিশোরগঞ্জ ও মানিকগঞ্জ জেলার ৫২৩ জন জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক চলতি দায়িত্ব দেয়া হবে।

জানা গেছে, সম্প্রতি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) থেকে কিশোরগঞ্জ ও মানিকগঞ্জ জেলার প্রধান শিক্ষক শূন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের তালিকা পাঠানো হয়। তালিকা অনুযায়ী মানিকগঞ্জ জেলায় ২৭৩ জন ও কিশোরগঞ্জে ২৫৫ জন শিক্ষক রয়েছে। চলতি সপ্তাহে মন্ত্রণালয় থেকে এ দুই জেলার প্রধান শিক্ষক পদায়নের নির্দেশনা জারি করা হবে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. গিয়াসউদ্দিন আহমেদ শিক্ষাবার্তাকে বলেন, জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে মানিকগঞ্জ ও কিশোরগঞ্জের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হবে। এ দুই জেলার ৫২৩ জন জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষককে চলতি দায়িত্বে প্রধান শিক্ষক পদে দায়িত্ব দেয়া হবে।

তিনি বলেন, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। পর্যায়ক্রমে সব জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক শূন্য আসনে চলতি দায়িত্বে পদায়ন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে সাত জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকরী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষকের চলতি দায়িত্বে পদোন্নতি দেয়া হয়। এছাড়াও মেহেরপুর, ফরিদপুর জেলার শিক্ষকদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে তাদেরকেও এ দায়িত্ব দেয়া হবে।

জানা যায়, জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের তালিকা প্রণয়নে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরকে দায়িত্ব দেয়া হয়। সে তালিকার ভিত্তিতে মন্ত্রণালয় থেকে যোগ্য শিক্ষকদের পদায়নে অনুমোদন দেয়। অধিদফতর সেসব শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদায়ন করে থাকে।

উল্লেখ্য, গত ২৩ মে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের শূন্য স্থানে জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদের দায়িত্ব দেয়ার ঘোষণা দেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

অবশেষে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদা, বিস্তারিত জানুন

জুমবাংলা ডেস্ক,২০ জানুয়ারী : সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণীর পদমর্যাদা এবং সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল একধাপ উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গত রোববার সচিব কমিটির সভায় ওই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সে অনুযায়ী মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত আদেশ জারি হওয়ার কথা ছিল। তবে কৌশলগত কারণে তা আপাতত হচ্ছে না। এ ধরনের পদের আপগ্রেডেশন আর বেতন স্কেল উন্নীত করার দাবি প্রাথমিক শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের। এ নিয়ে তারা রাজপথের আন্দোলন পর্যন্ত করেছেন। এমনকি দিনের পর দিন বিদ্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে তারা কর্মবিরতি পালন করেন। শেষপর্যন্ত সেই দাবি তাদের পূরণ হল। দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, অর্থ মন্ত্রণালয় বিষয়টিতে সম্মতি আর সচিব কমিটির অনুমোদনের পরও এ ব্যাপারে আদেশ জারি করতে কৌশলের আশ্রয় নিতে হচ্ছে সরকারকে। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা। সারা দেশে ভোট গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রাথমিক শিক্ষকদের কেউ প্রিসাইডিং অফিসার আবার কেউ সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করে থাকেন। তাই তফসিল ঘোষণা হয়ে যাওয়ায় এ মুহূর্তে শিক্ষকদের দেয়া সুবিধার বিষয়টি নিয়ে আপত্তি উঠতে পারে বলে সরকারের সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

রোববার সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সচিব কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায়ই প্রাথমিক শিক্ষকদের উল্লিখিত বিষয়টি অনুমোদন হয় বলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব কাজী আখতার হোসেন সাংবাদিকদের জানান। তিনি এও জানান, এ ব্যাপারে তার মন্ত্রণালয় থেকে কোনও প্রজ্ঞাপন জারি হবে না। কারণ এটি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ার। সেখান থেকেই প্রজ্ঞাপন বা অন্য যা-ই করা হোক হবে। তাদের বিষয়টি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে অবহিত করা হবে মাত্র। তিনি আরও বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণীর পদমর্যাদা এবং সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল উন্নীতকরণের বিষয়টি ঘোষণা এখন একটি আনুষ্ঠানিকতার বাকি মাত্র।
মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এসএম আশরাফুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে মঙ্গলবারই আদেশ জারি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা হয়েছে কিনা তিনি জানেন না। বলেন, শিক্ষকদের দুটি দাবি মেনে নিতে সরকারকে বছরে ৫শ’ কোটির বেশি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় করতে হবে। তবে ওই অর্থ এ বছর অর্থ মন্ত্রণালয়কে দিতে হবে। প্রয়োজনীয় অর্থ বাজেটে রয়েছে। জানা গেছে, জাতীয় বেতন স্কেল ২০০৯ অনুযায়ী বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত) ১৩তম গ্রেডে বেতন ও সুবিধাদি পাচ্ছেন। প্রশিক্ষণবিহীন প্রধান শিক্ষক পাচ্ছেন ১৪তম গ্রেডে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক ১৫তম গ্রেড এবং প্রশিক্ষণবিহীন সহকারী শিক্ষক ১৬তম গ্রেডে বেতন ও সুবিধাদি পাচ্ছেন। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণীর কর্মকর্তার পদমর্যাদা বৃদ্ধি পেলে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ১০ম এবং প্রশিক্ষণবিহীন প্রধান শিক্ষক ১১তম গ্রেডে বেতন ও সুবিধাদি পাবেন। এছাড়া সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল উন্নীত হলে সেক্ষেত্রে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক ১৩তম গ্রেড এবং প্রশিক্ষণবিহীন সহকারী শিক্ষক ১৪তম গ্রেডে বেতন ও সুবিধাদি পাবেন। দেশে বর্তমানে প্রায় ৩৮ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর বাইরে নতুন করে জাতীয়করণ করা ২৬ হাজার বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও এ সুবিধা পাবেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter