Home » প্রাথমিক শিক্ষা (page 20)

প্রাথমিক শিক্ষা

পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী-ইবতেদায়ি পরীক্ষা শুরু ১৮ নভেম্বর

ডেস্ক,২৫ জুলাই: চলতি বছর পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষা আগামী ১৮ নভেম্বর শুরু হবে। চলবে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত।

আজ বুধবার সচিবালয়ে বুধবার পিইসি পরীক্ষা সংক্রান্ত জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার।

মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রবীন্দ্রনাথ রায় বলেন, অন্যবার সকাল ১১টা থেকে এই পরীক্ষা শুরু হলেও এবার শুরু হবে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে। চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত। তবে পরীক্ষার সময় আগের মত আড়াই ঘণ্টাই থাকছে।

তিনি জানান, পরীক্ষায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন পরীক্ষার্থীদের আগে অতিরিক্ত ২০ মিনিট সময় দেওয়া হলেও এবার থেকে তাদের ৩০ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সেই শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবশেষে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

ডেস্ক  : মোংলা উপজেলার ৫০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি প্রকল্পের ২০ লাখ টাকা বাতিলের পেছনে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার গাফিলতির প্রমাণ পাওয়ায় তাকে শাস্তিমূলক বদলি করা হয়েছে। অভিযুক্ত ওই উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ‘পরিমল চন্দ্র বালা’কে ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলায় বদলি করা হয়। উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পুস্পজিৎ মণ্ডল বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন,‘প্রাথমিক শিক্ষ অধিদফতরের মহা পরিচালক আবু হেনা মোস্তফা কামাল স্বাক্ষরিত এক আদেশে ১৭ জুলাই (মঙ্গলবার) তাকে বদলি করা হয়। পরিমল চন্দ্র বালা গত মার্চ মাসে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে মোংলা উপজেলায় যোগদান করেন।’

এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মোংলা উপজেলার একাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানান,‘তিনি (পরিমাল চন্দ্র বালা) যে কাজ করেছেন তাতে এ শাস্তি (বদলি) হয় না, উচিত ছিল তাকে বরখাস্ত করা।’

উপজেলার মিঠাখালী ইউনিয়নের সাতপুকুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং শিক্ষক কল্যাণ সমিতির সভাপতি মহিদুল ইসলাম জানান, পিইডিপি (প্রাইমারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম) প্রকল্প-৩ এর আওতায় প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে মোংলা উপজেলার ৫০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রতি বছর ৪০ হাজার টাকা করে পায়। ওই টাকায় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শিক্ষা উপকরণসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ কেনার জন্য দেওয়া হয়। ২০১৭-১৮ অর্থ বছরেও এ খাতে ২০ লাখ টাকা বরাদ্ধ দেওয়া হয়।গত ২৭ জুন মোংলা উপজেলা হিসাব শাখা থেকে এ টাকার অনুমোদনসহ ছাড় করণের প্রয়োজনীয় কাগজ সোনালী ব্যাংক, মোংলা শাখায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু শিক্ষা কর্মকর্ত পরিমল চন্দ্র বালা ৩০ জুনের মধ্যে না তোলায় ওই ২০ লাখ টাকা বাতিল হয়ে যায়।

এদিকে ভুক্তভোগি এক প্রধান শিক্ষক বিধান বৈরাগী জানান, বরাদ্দের টাকা আগে দেওয়ার নিয়ম থাকলেও শিক্ষা কর্মকর্তা পরিমল চন্দ্র বালা আগে প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরন কিনতে শিক্ষদের নির্দেশ দেন। শিক্ষকরা তা কিনে রসিদসহ বরাদ্দের টাকা আনতে গিয়ে জানতে পারেন তাদের সে বরাদ্দের টাকা বাতিল হয়ে গেছে। এতে শিক্ষকরা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছেন বলে জানান তারা। আর এ ঘটনার জন্য তরা ওই শিক্ষা কর্মকর্তাকে দায়ী করেন। পরে এঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি এর সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্ত শিক্ষা কর্মকর্তা পরিমল চন্দ্র বালার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়।

তবে এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শিক্ষা কর্মকর্তা পরিমল চন্দ্র বালা  বলেন, ‘আমাকে শাস্তিমূলক বদলি করা হয়নি, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী সব জানেন।’

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে সর্ববৃহৎ প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

আসাদুজ্জামান সম্রাট: প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে সরকারের গৃহীত সর্ববৃহৎ প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়েছে গতকাল রোববার। প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকার এ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে প্রাথমিক শিক্ষার চিত্রই পাল্টে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মাল্টিপারপাস হলে ‘চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪) এর উদ্বোধন করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী এ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল এনডিসি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ আসিফ-উজ-জামান।
প্রকল্পটির কাজ গতকাল থেকে শুরু হয়ে ২০২৩ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে বাস্তবায়ন হবে। আশা করা হচ্ছে, এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে একটি কার্যকর অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন। এছাড়া মা-বাবা ও অভিবাবকদের উদ্ধুদ্ধকরণের মধ্য দিয়ে মিড ডে মিল কার্যক্রম বাস্তবায়নের উপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনটি প্রধান লক্ষ্যকে সামনে রেখে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। যাতে পাঠ্যসূচিতে নির্ধারিত শ্রেণীভিত্তিক ও বিষয়ভিত্তিক শিখন যোগ্যতা অর্জনের লক্ষ্যে প্রাথমিক শিক্ষার গুণগতমানের উন্নয়ন, সার্বজনিনভাবে বিস্তৃত একটি সুষ্ঠু শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যা শিশুদের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষার ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে সক্ষম হবে। প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী সুশাসন ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত আর্থিক সংস্থান রাখা ও উন্নত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার পরিপ্র্রেক্ষিতে প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি করে একটি কার্যকর, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। পিইডিপি-৪ প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৪ হাজার ৬৫৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে জিওবি ৩১ হাজার ৮৪৮.৫৭ কোটি টাকা এবং প্রকল্প সাহায্য ১২ হাজার ৮০৫ কোটি টাকা। প্রকল্প সাহায্য হিসাবে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলো- বিশ্বব্যাংক, এডিবি, জাইকা, ইইউ, ডিএফআইডি, অস্ট্রেলিয়ান এইড, কানাডিয়ান সিডা, সুইডিশ সিডা ও ইউনিসেফ ঋণ সহায়তা দেবে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে প্রকল্পটি বরাদ্দবিহীনভাবে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি-এডিপিতে অন্তর্ভুক্ত ছিল। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে প্রকল্পটি বরাদ্দবিহীন অনুমোদিত নতুন প্রকল্প হিসেবে এডিপিতে যুক্ত হতে যাচ্ছে। গত ২২ মে প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন হয়েছে।
প্রকল্পের আওতায় প্রি-প্রাইমারি এবং প্রথম হতে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত বর্তমান পাঠ্যসূচির সংশোধন এবং সব বিদ্যালয়ে যোগ্যতাভিত্তিক টিচিং লারনিং শিক্ষা উপকরণ প্রদান ও নির্দিষ্ট সময়ে পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ করা হবে। শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে এক লাখ ৬৫ হাজার ১৭৪ জন শিক্ষক নিয়োগ ও পদায়ন করা হবে। এছাড়া এক লাখ ৩৯ হাজার ১৭৪ জন শিক্ষকের ডিপ-ইন এড প্রশিক্ষণ প্রদান; শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ও প্রতি শিক্ষকের বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রদান; ৫৫ হাজার শিক্ষকদের ইনডাকশন, প্রতিষ্ঠানিক, বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ প্রদান; ১৭শ’ শিক্ষকের এক বছর মেয়াদে সাব ক্লাস্টার প্রশিক্ষণ, ২০ হাজার শিক্ষকের এক বছর মেয়াদে আইসিটি ট্রেনিং, ৬৫ হাজার শিক্ষকের লিডারশিপ ট্রেনিং; ২৫৯০ সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও শিক্ষকের বৈদেশিক প্রশিক্ষণ।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

দখলদারদের থাবায় ঢাকার ৩১ প্রাথমিক বিদ্যালয়

ডেস্ক,২ জুন: ঢাকার ২৫৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে অন্তত ৩১টিতে দখলদারদের থাবা পড়েছে। এগুলোর ভবন, জমি দখল করে স্থানীয় প্রভাবশালীরা গড়ে তুলেছেন কমিউনিটি সেন্টার, গ্যারেজ, দোকান, ক্লাবঘর, বস্তি, কাঁচাবাজারসহ নানা প্রতিষ্ঠান। দখলের তালিকায় ঢাকা ওয়াসাও রয়েছে। এর আগে ২০১৪ সালের ২২ অক্টোবর ১০ম জাতীয় সংসদের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে রাজধানীর প্রাথমিক স্কুলের জমি অথবা ভবন দখলমুক্ত করতে ৫ সদস্যবিশিষ্ট ৩ নম্বর সাব কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সদস্যরা সরেজমিন পরিদর্শন করে ওই বছরই কয়েকটি প্রতিবেদন তৈরি করে। সেসময় কমিটি দখলকৃত ৪৮টি বিদ্যালয়ের জমি ও ভবন উদ্ধারের জন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ করে। মন্ত্রণালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) এবং ঢাকার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে (ডিপিইও) দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু কয়েকটিতে উদ্ধারের তৎপরতা চালালেও এখন পর্যন্ত বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তেমন কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। সর্বশেষ মাস ছয়েক আগে পুরান ঢাকার বেগমবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টিও দখলদারদের কবলে পড়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ওই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা ও ৩১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নাজিম জানান, আমরা আগে স্কুলটির খোঁজ-খবর রাখতাম। এরপর ছেড়ে দিলে তা বেহাল অবস্থায় চলে যায়। সেখানে কাউন্সিলরের অফিসসহ নানা কার্যক্রমের আখড়ায় পরিণত হয়েছে।

জানা গেছে, এর আগে বেদখল হয়ে যাওয়া স্কুলগুলোর মধ্যে রাজধানীর কাপ্তানবাজারের খোদাবক্স সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কথা বেশ পুরনো। স্কুলটি বন্ধ করে দিয়ে ছাগলের হাট আর পশু জবাইখানা বানানো হয়েছে। পুরান ঢাকার ওয়ারির যোগীনগর রোডে ১৯৫২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এম এ আলীম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এই স্কুলেরও ১১ শতাংশ জমির মধ্যে ৫ শতাংশই দখল হয়ে গেছে। দখল করা জমিতে উঠেছে পাঁচতলা একটি ভবন। ১৯৬৩ সালে চকবাজারে প্রতিষ্ঠিত হয় ছোট কাটরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। পরবর্তীতে মিটফোর্ড এলাকায় দোতলা একটি পরিত্যক্ত বাড়ির নিচতলায় বিদ্যালয়টির কার্যক্রম চলে। জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে দৈন্যদশায় পড়ে আছে বাবুবাজারের হয়বত্নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ছোট কাটরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সূত্রাপুর থানাধীন ২২ নাম্বার বনগ্রাম রোডে ছিল ইসলামিয়া ইউ.পি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এখন সেটি পরিত্যক্ত জরাজীর্ণ সুনসান। সেখানে কারও আনাগোনা নেই। স্থানীয় কয়েকজন ওই ভবনের কক্ষে মালামাল রাখার জন্য গোডাউন বানিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। আরমানিটোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৮.২ শতাংশ জমির মধ্যে ৫.৬ শতাংশ জমি নিজ নামে নামজারির মাধ্যমে দখল করেছেন সাবেক প্রধান শিক্ষক।

নাজিরাবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুটি কক্ষ নাজিরাবাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় দখল করে মালপত্র রেখেছে। কোতোয়ালির হাজী মাজহারুল হক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি কক্ষ আনসার বাহিনী দখলে রেখেছে। গোয়ালনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি ১৯৯০ সাল থেকে স্থানীয় এক হাইস্কুলের নামে দখল হয়ে গেছে। গেণ্ডারিয়া মহিলা সমিতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৫.৭৬ শতাংশ জমি দখল করে নিয়েছে খেলাঘরের স্থানীয় শাখা। শহীদ নবী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২.৩ শতাংশ জমি দখল করেছে শহীদ নবী উচ্চ বিদ্যালয়। বিপিনী রায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীরের ভিতরে একটি ক্লাবের কার্যালয় নির্মাণ করা হয়েছে। মুসলিম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি দখল নিয়ে আনোয়ার হোসেন নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে মামলা এখনো চলমান। গেণ্ডারিয়ার ঢালকানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি নিয়েও মামলা চলছে। শিশুরক্ষা সমিতি প্রাথমিক বিদ্যালয় নতুন করে জাতীয়করণ হলেও স্থানীয় পঞ্চায়েত কমিটি এ বিদ্যালয়ের ১৬ শতাংশ জমি দখল করে ঘর বানিয়েছে। ডেমরার ব্রাহ্মণচরণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোট জমির পরিমাণ ৩৯ শতাংশ। বিদ্যালয়ের মূল ভবন বাদে ৩১ শতাংশ জায়গাই বেদখলে। মোহাম্মদপুরের টাউন হল সংলগ্ন ৩৬ শতাংশ জায়গার ওপর ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় শাহীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এই স্কুলের ৩৬ শতাংশ জায়গার মধ্যে ৩১ শতাংশই দখল হয়ে গেছে। কামরাঙ্গীরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪২ শতাংশ জমির মধ্যে সাড়ে ১০ শতাংশ বেদখলে। শেরেবাংলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৯৬ শতাংশ জায়গার মধ্যে ৩৩ শতাংশের ওপর চোখ পড়ে দখলদারদের। সেখানে বস্তি বানিয়ে ভাড়া দেওয়া হয়েছে।

মিরপুরের কাজী ফরিদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক একর ৮৫ শতাংশ জমি থাকলেও বিদ্যালয় ভবনের কয়েক শতাংশ জমি বাদে পুরোটাই বেদখলে। ১৯৬২ সালে বেইলি রোডে প্রতিষ্ঠিত হয় সামাজিক শিক্ষাকেন্দ্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এই স্কুলের চার কাঠা জায়গা বেদখলে। পুরান ঢাকার প্যারিদাস রোডে একটি বাড়িতে ১৯৭০ সালে বাংলাবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। এর ভবনও দাতার স্বজনদের দ্বারা বেদখলে। ১৯৪১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়  নাজিরাবাজার সরকারি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়। কিন্তু এখন স্কুলের ১০ শতাংশ জায়গার প্রায় পুরোটাই বেদখল হয়ে গেছে। পুরান ঢাকার বংশালের  এফ কে এম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চারতলা ভবনের তিনটি তলাই দখল করে রেখেছে বংশাল বালিকা উচ্চবিদ্যালয়। ১৯২৭ সালে প্রতিষ্ঠিত সুরিটোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুটি ভবনের মধ্যে একটি দখল করে নিয়েছে ‘রমনা রেলওয়ে’ নামের একটি বেসরকারি স্কুল। ১৯৩৬ সালে প্রতিষ্ঠিত গুলশানের কাচকৃঢ়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জায়গা দখল করেছে কাচকৃঢ়া ডিগ্রি কলেজ কর্তৃপক্ষ। তিনটি ভবনের মধ্যে দুটিই তাদের দখলে। মিরপুরের হাজী ইউসুফ আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যবসায়ীদের ইট, বালু, সুরকিসহ নির্মাণসামগ্রী রাখার স্থানে পরিণত হয়েছে। মিরপুরের দারুসসালাম রোডে গাবতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আবদুল মান্নান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েরও কিছু জায়গা দখলদারদের থাবায়। পল্লবীর বালুমাঠ এলাকায় বনফুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা চলছে। মোহাম্মদপুরে সাতমসজিদ রোডে বরাবো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১১ দশমিক ৬৪ শতাংশ জমি দাতার স্বজনদের দখলে। মাতুয়াইলে পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২১ শতাংশ জমি বেদখলে। মতিঝিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জায়গায় মতিঝিল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাচীর নির্মাণ করায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জায়গা উচ্চ বিদ্যালয়ের দখলে চলে যায়। মিরপুরের শহীদবাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাদারটেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫৮ দশমিক ৪৪ শতাংশ জমিতে রয়েছে ওয়াসার পাম্প। ধানমন্ডি ১ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৬ শতাংশ জমির মধ্যে ৩০ শতাংশ দখল করে বসানো হয়েছে ওয়াসার পাম্প। এই বিদ্যালয়ের দুটি শ্রেণিতে পরিচালিত হয় ধানমন্ডি ল’ কলেজের কার্যক্রম।

বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি জাহিদুর রহমান বিশ্বাস বলেন, সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোতে নানা উন্নয়ন কর্মকান্ড করলেও অনেক সরকারি বিদ্যালয় রয়ে গেছে উন্নয়ন ছোঁয়ার বাইরেই। রাজধানীর মিরপুরে শেখ কামাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। রাস্তার সাথেই লম্বা সারিতে কয়েকটি কক্ষ। স্যাঁতস্যাঁতে নোংরা পরিবেশ। উপরে টিনের ছাপড়া। সেগুলোতেও মরিচা পড়া। স্কুলের কক্ষ পেরোলেই সামনে মূল সড়ক। এমনই চিত্র রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এ সরকারি বিদ্যালয়টির।

খেলাধুলার জন্য মাঠ দুরে থাক স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানার ব্যবস্থাও নেই এ বিদ্যালয়ে। এছাড়াও রাজধানীর অনেক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামোর বেহাল দশা। অমনক প্রাথমিক বিদ্যালয় নানা সমস্যায় জর্জরিত। অমনকগুলোতে শিক্ষকের প্রচণ্ড সংকট। সরকারি প্রাথমিক স্কুল উন্নয়নে সরকারের বিশেষ নজর দেওয়া জরুরি। সরকারি প্রাথমিকে অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানকে পড়ান না। অভিভাবকদের এ মানসিকতা ত্যাগ করতে হবে। কারণ প্রাথমিকে যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ পাচ্ছে।

সূত্রমতে, ঢাকা মহানগরীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বেশিরভাগ ছাত্র-ছাত্রী নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তান। রাজধানীর বস্তিবাসী, ছোট দোকানি, সিএনজি চালক, গৃহকর্মী, কাজের বুয়া, রিকসা চালকসহ অন্যান্য নিম্ন আয়ের মানুষেরাই তাদের সন্তানকে ঢাকার প্রাথমিক স্কুলে পাঠাচ্ছেন।

সুত্র: দৈনিক শিক্ষা

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকে এক লাখ ৬৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ

শিক্ষাবার্তা ডেস্কঃ

প্রাইমারি শিক্ষার মানোন্নয়নে বড় ধরনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে এক লাখ ৬৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ ও পদায়ন করা হবে। একই সঙ্গে প্রায় বিদ্যমান তিন লাখ শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। উন্নয়ন করা হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোর ব্যবস্থা। এজন্য চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪) প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৪ হাজার ৬৫৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে জিওবি ৩১ হাজার ৮৪৮.৫৭ কোটি টাকা এবং প্রকল্প সাহায্য ১২ হাজার ৮০৫ কোটি টাকা। প্রকল্প সাহায্য হিসেবে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা
বিশ্বব্যাংক, এডিবি, জাইকা, ইইউ, ডিএফআইডি, অস্ট্রেলিয়ান এইড, কানাডিয়ান সিডা, সুইডিশ সিডা ও ইউনিসেফ ঋণ সহায়তা দেবে।

মঙ্গলবার রাজধানীর শেরে বাংলানগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এ প্রকল্পসহ মোট ১৬ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব

করেন একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রকল্পটি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত হবে। চলতি বছর থেকে ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদকালে এটি বাস্তবায়িত হবে।

পরে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সভার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি জানান, প্রকল্পের আওতায় প্রি- প্রাইমারি এবং প্রথম হতে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত বর্তমান পাঠ্যসূচির সংশোধন এবং সব বিদ্যালয়ে যোগ্যতাভিত্তিক টিচিং লারনিং শিক্ষা উপকরণ প্রদান ও নির্দিষ্ট সময়ে পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ করা হবে।

শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে এক লাখ ৬৫ হাজার ১৭৪ জন শিক্ষক নিয়োগ ও পদায়ন করা হবে। এছাড়া এক লাখ ৩৯ হাজার ১৭৪ জন শিক্ষকের ডিপ-ইন এড প্রশিক্ষণ প্রদান; শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ও প্রতি শিক্ষকের বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রদান; ৫৫ হাজার শিক্ষকদের ইনডাকশন/প্রতিষ্ঠানিক/বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ প্রদান; ১৭শ’ শিক্ষকের এক বছর মেয়াদে সাব ক্লাস্টার প্রশিক্ষণ, ২০ হাজার শিক্ষকের এক বছর মেয়াদে আইসিটি ট্রেনিং, ৬৫ হাজার শিক্ষকের লিডারশিপ ট্রেনিং; ২৫৯০ সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা/উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও শিক্ষকের বৈদেশিক প্রশিক্ষণ।

এর বাইরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত ৩৫ হাজার কর্মকর্তা ও শিক্ষকের বৈদিশিক প্রশিক্ষণ; ২০০ জন শিক্ষক/কর্মকর্তার এক বছর মেয়াদে বৈদেশিক মাস্টার্স; ১১৪০ জন প্রশিক্ষক এক লাখ ৩০ হাজার জন প্রাথমিক শিক্ষকদের ব্রিটিশ কাউন্সিলের (সিঙ্গেল সোর্স) মাধ্যমে ইংরেজি বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান; বিশ্ব গণিত অলিম্পিয়াড আয়োজন; সকল বিদ্যালয়কে প্রি-প্রাইমারি শিক্ষার উপোযোগিকরণ (৩৫৮.২০ কোটি টাকা)।

এদিকে ৩৯ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘পদ্মাসেতু রেলসংযোগ’ প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে। রেল সংযোগের মোট ব্যয় ৩৯ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে জি-টু-জি পদ্ধিতে চীন সরকার দেবে ২১ হাজার ৩৬ কোটি টাকা। এ বিষয়ে এরই মধ্যে চীনের সঙ্গে একটি চুক্তিও সই হয়েছে।

পদ্মাসেতুর রেলসংযোগের মূল কাজ এখনও শুরু হয়নি। শুধু ভূমি অধিগ্রহণ ও পুনর্বাসন কাজ চলছে। ফলে এর সময় ও ব্যয় বেড়েছে। রাজধানী ঢাকা থেকে পদ্মাসেতু হয়ে ১৬৯ কিলোমিটার নতুন রেলপথ যশোর পর্যন্ত যাবে। এ প্রকল্প নির্মাণে চার হাজার ২৬৯ কোটি ২৭ লাখ টাকা ব্যয় বাড়ানো হয়েছে। বাস্তবায়নে আরও দুই বছর সময় বেড়েছে প্রকল্পটির।

jagonews24

সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সাংবাদিকদের আরও বলেন, এর আগে ২০১৬ সালের ৩ মে পদ্মাসেতু হয়ে নতুন রেলসংযোগ স্থাপনের জন্য ৩৪ হাজার ৯৮৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্পের অনুমোদন দেয় সরকার।

‘প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মেয়াদ ছিল ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত। এখন তা ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।’

নানা কারণে প্রকল্প সংশোধন ও সময় বেড়েছে বলে জানান তিনি। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, একনেক সভায় মোট ১৬টি প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। বাজেটের আগে শেষ সভায় প্রকল্পগুলোর মোট ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৬ হাজার ২৩৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রকল্প সাহায্য ৪৩ হাজার ২২১ কোটি টাকা। বাকি
টাকা দেবে সরকার।

অনুমোদিত প্রকল্পগুলো হচ্ছে- রূপসা ৮০০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প, কন্সট্রাকশন অব নিউ ১৩২/৩৩ কেভি অ্যান্ড ৩৩/১১ কেভি সাবস্টেশন আন্ডার ডিপিডিসি প্রকল্প, ১৪টি চিনিকলে বর্জ্য পরিশোধনাগার (ইটিপি) স্থাপন প্রকল্প, যশোরে ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল, কক্সবাজার, পাবনা ও আব্দুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড জননেতা নুরুল হক আধুনিক হাসপাতাল প্রকল্প, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের উন্নয়ন প্রকল্প, তথ্য কমিশন ভবন নির্মাণ প্রকল্প, বাংলাদেশ বেতার, সিলেট কেন্দ্র আধুনিকায়ন ও ডিজিটাল সম্প্রচার যন্ত্রপাতি স্থাপন প্রকল্প, সাতক্ষীরা সড়ক ও সিটি বাইপাস সড়ককে সংযুক্ত করে সংযোগ সড়কসহ তিনটি লিংক রোড নির্মাণ প্রকল্প, ঢাকার তেজগাঁওয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বহুতল আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্প, আশুগঞ্জ অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার নদীবন্দর স্থাপন প্রকল্প, বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, শীতলক্ষ্যা ও বালুর তীরভূমিতে পিলার স্থাপন, তীর রক্ষা, ওয়াকওয়ে ও জেটিসহ আনুষঙ্গিক অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্প, গুরুত্বপূর্ণ ১৯টি পৌরসভা অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প, ঢাকা মহানগরীর ড্রেনেজ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং খাল উন্নয়ন প্রকল্প, পাঁচটি র‌্যাব ফোর্সেস ট্রেনিং স্কুল কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের ইংরেজিতে পারদর্শী করার নির্দেশ

শিক্ষাবার্তা ডেস্কঃ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বাংলার পাশাপাশি ইংরেজিতে পারদর্শী করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, প্রাথমিকের শিক্ষার মান উন্নয়নে উদ্যোগ নিতে হবে। বিশেষ করে ছোট ছেলে-মেয়েদের বাংলা শিক্ষার পাশাপাশি ইংরেজিতে পারদর্শী করতে হবে। ছোট ছেলে-মেয়ারা অনেক মেধাবী হয়। পারলে তারা আরও দু- একটি ভাষাতেও পারদর্শী হতে পারে।

মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে এসব নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনা জানান পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

সভায় শেখ হাসিনা বলেন, এখন থেকে ক্লাসরুমে বাংলার পাশাপাশি ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করতে হবে। দুটি ভাষা অবশ্যই শেখাতে হবে। এর বাইরে আরও একটি ভাষা শিখলে ভালো হয়।

‘ছোট ছেলে-মেয়েদের পরিচ্ছন্নতা সংক্রান্ত শিক্ষা দিতে হবে। এ জন্য প্রয়োজনে পাঠ্যপুস্তকে এই ধরনের অধ্যায় সংযোজন করতে হবে। অন্যদিকে ট্রাফিক সংক্রান্ত শিক্ষাও দিতে হবে। দেশের প্রায় সর্বত্র যানবাহনের পরিমাণ বেড়েছে। এ জন্য কীভাবে তারা রাস্তা পারাপার হবে সে সংক্রান্ত শিক্ষাও তাদের দিতে হবে’- বলেন তিনি।

একনেক সভায় চিনি কলে বর্জ্য শোধনাগার স্থাপন সংক্রান্ত প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়। এ সময় সরকারি ১৫টি চিনি কল বন্ধ না করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। এগুলো বাঁচাতে তিনটি পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, চিনিকলগুলো বর্তমানে বছরের ৩ মাস চিনি উৎপাদন করে। বাকি সময় কাজে লাগাতে চিনি আমদানি করে সেগুলো রিফাইন্ড করতে হবে। তাহলে সারাবছর রিফাইনারি হিসেবে কাজ করবে এবং লাভজনক হবে। এ ছাড়া চিনি উৎপাদনে আখের পাশাপাশি সুগার বিট উৎপাদন ও ব্যবহার করতে হবে। সেইসঙ্গে ঝোলা গুড় দিয়ে স্প্রিট তৈরি করতে হবে।

jagonews24

সভায় মোট ১৬ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। এর মধ্যে চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪) প্রকল্পও রয়েছে। প্রাইমারি শিক্ষার মানোন্নয়নে এই প্রকল্পের আওতায় আগামী পাঁচ বছরে এক লাখ ৬৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ ও পদায়ন করা হবে। একই সঙ্গে প্রায় বিদ্যমান তিন লাখ শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। উন্নয়ন করা হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো।

প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৪ হাজার ৬৫৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার (জিওবি) দেবে ৩১ হাজার ৮৪৮ দশমিক ৫৭ কোটি টাকা এবং প্রকল্প সাহায্য হতে নেয়া হবে ১২ হাজার ৮০৫ কোটি টাকা। প্রকল্পে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা বিশ্বব্যাংক, এডিবি, জাইকা, ইইউ, ডিএফআইডি, অস্ট্রেলিয়ান এইড, কানাডিয়ান সিডা, সুইডিশ সিডা ও ইউনিসেফ ঋণ সহায়তা দেবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

গোপালগঞ্জে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অসুদাপয় অবলম্বনের অভিযোগে ৬ জনকে জেল

গোপালগঞ্জ সংবাদদাতা :  গোপালগঞ্জে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অসুদাপয় অবলম্বনের অভিযোগে ৬ জনকে জেল-জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

 

শুক্রবার গোপালগঞ্জ জেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২শ’টি সহকারী শিক্ষক পদের বিপরীতে ২১ টি কেন্দ্রে ১৪ হাজার ২০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন।

 

নিয়োগ পরীক্ষা চলাকালে ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে পরীক্ষায় অংশ গ্রহনের অভিযোগে গোপালগঞ্জ স্বর্নকলি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে শংকর দাস, শিউলি মজুমদার, কনা মল্লিক, হামিদা আক্তার. মিম বালা ও তনুজা বিশ্বাসকে বহিস্কার করে তাদেরকে ভ্রাম্যমান আদালতে সোপর্দ করা হয়।

 

পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ মোহসিন উদ্দিন তাদেরকে উপরোক্ত সাজা প্রদান করেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রধান শিক্ষক পদে চলতি দায়িত্ব হস্তান্তরে অস্বীকৃতি : নালিতাবাড়ীতে দুই সহকারী শিক্ষকসহ তিন প্রধান শিক্ষককে শোকজ, বেতন-ভাতা বন্ধ

নালিতাবাড়ী (শেরপুর)প্রতিনিধি : সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের শুন্যপদে চলতি দায়িত্বপ্রাপ্তদের দায়িত্ব হস্তান্তরে অস্বীকৃতি প্রদান করায় কারণ দর্শানোর নোটিশের পাশাপাশি বেতন-ভাতা বন্ধ করে দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। তিনটি বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও দুইজন সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নিয়েছে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়।
জানা গেছে, সরকারের সিদ্ধান্তের আলোকে গত ১ এপ্রিল নালিতাবাড়ী উপজেলার মোট ৩৪টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের শুন্যপদে ৩৪জন সিনিয়র সহকারী শিক্ষকদের চলতি দায়িত্ব প্রদান করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়। ওই আদেশ মতে চলতি দায়িত্বপ্রাপ্তরা সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়সমূহে যোগদান করতে গেলে বেশকিছু বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দায়িত্ব হস্তান্তরে অস্বীকৃতি জানান। পরে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে বেশকিছু বিদ্যালয়ে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। কিন্তু কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অমান্য করে পিঠাপুনি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, জামিরাকান্দা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কালিনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংশ্লিষ্ট ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকগণ চলতি দায়িত্ব প্রাপ্তদের দায়িত্ব হস্তান্তর করেননি। এমতাবস্থায় উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে উল্লেখিত তিনটি বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান (সহকারী শিক্ষক হিসেবে গেজেটভুক্ত) শিক্ষক মোঃ শাহজাহান আলম, মোঃ আমিরুল ইসলাম ও মোখলেছুর রহমান লিটনকে শৃংখলা পরিপন্থি কাজের জন্যে ‘কেন তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না’ মর্মে ৫ কার্যদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয় এবং তাদের বেতন-ভাতাদি বন্ধ করা হয়। একইসঙ্গে চলতি দায়িত্বপ্রাপ্তদের এমআর (মাসিক প্রতিবেদন) শীটে স্বাক্ষর না করায় কালিনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী দুই শিক্ষক মানিক মিয়া ও রফিকুল্লাহকে একইভাবে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদানসহ তাদের বেতন-ভাতাও বন্ধ রাখা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ফজিলাতুন্নেছা জানান, গত ৩ মে তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে এবং বেতন-ভাতা স্থগিত রাখা হয়েছে।
এছাড়াও তিনি জানান, এর আগে অনিয়ম, শৃংখলা ভঙ্গ ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের জন্য পিঠাপুনি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ শাহজাহান আলমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়। কিন্তু তিনি সন্তোষজনক জবাব না দিয়ে উল্টো হাস্যকর ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ জবাব দেওয়ায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

জাতীয়করন প্রধান শিক্ষকদের টাইম স্কেল বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে রুল

নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের টাইম স্কেল বাতিলে ডিভিশনাল কন্ট্রোলার অব অ্যাকাউন্টসের (ডিসিএ- ঢাকা) আদেশ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আগামী ১০ দিনের মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং কন্ট্রোলার জেনারেল অব অ্যাকাউন্টসের কার্যালয়কে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস, ব্যারিস্টার আবুল কালাম আজাদ এবং ব্যারিস্টার জহির উদ্দিন বাবর। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেছুর রহমান।

ব্যারিস্টার আবুল কালাম আজাদ বলেন, গত ২৬ এপ্রিল ডিভিশনাল কন্ট্রোলার অব অ্যাকাউন্টসের কার্যালয় থেকে ডেপুটি ডিভিশনাল কন্ট্রোলার কর্তৃক স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়, নিম্ন পদ (সহকারী শিক্ষক) ও উচ্চ পদ (প্রধান শিক্ষক) চাকরির সমষ্টির (৫০ শতাংশ) ভিত্তিতে টাইম স্কেল প্রাপ্য নয়।

কিন্তু  জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক  বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের চাকরি বিধিমালা, ২০১৩ এর ২(গ) এবং ৯(১ ও ৩) অনুযায়ী প্রধান শিক্ষকগণ চাকরির সমষ্টির ভিত্তিতে টাইম স্কেল প্রাপ্য বলে আবুল কালাম আজাদ জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে চাকরি বিধিমালা অনুসারে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণ ২০১৩ সাল থেকে টাইম স্কেল সুবিধা পেয়ে আসছে। এরপরেও ডিসিএর ওই বিতর্কিত চিঠির কারণে জেলা ও উপজেলার হিসাবরক্ষণ অফিস প্রধান শিক্ষকদের বেতন-ভাতা অনুমোদনে অপরাগতা প্রকাশ করেন। এ অবস্থায় উক্ত চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়।

ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেরার হারুনুর রশিদ আকন্দ, মো. হাবিবুর রহমান, হালুয়াগাট উপজেলার নবী হোসেন, গফরগাঁও উপজেলার জহিরুল ইসলাম ও ত্রিশাল উপজেলার মাজহার হোসেনসহ ১০৮ জন প্রধান শিক্ষক রিটটি দায়ের করেন।

রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আদালত উক্ত আদেশ দেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

রংপুরে ঘুষের টাকাসহ প্রাথমিক শিক্ষার উপপরিচালক গ্রেপ্তার

রংপুর প্রতিনিধি : রংপুরে ঘুষের টাকাসহ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর রংপুর বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক সিরাজুল ইসলামকে সোমবার গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের রংপুর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম জানান, সোমবার সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে রংপুর প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগীয় কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। ঢাকা থেকে আসা ঢাকা বিভাগীয় দুদক কার্যালয়ের পরিচালক নাসিম আনোয়ারের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি দল ওই অভিযান চালায়। অভিযানে ওই শিক্ষা কর্মকর্তার ড্রয়ার থেকে ৬০ হাজার উদ্ধার করে। এই টাকা নেওয়া হয়েছিল ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার বালিহারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শারমিন আকতারের কাছ থেকে। তিনি (শিক্ষক) তাঁর বদলির জন্য দীর্ঘদিন ধরে ঘুরছিলেন। শেষে তাঁর (উপপরিচালক) দাবি করা ৬০ হাজার টাকা ঘুষ হিসেবে সোমবার সন্ধ্যার আগে দেওয়া হয়। আর ওত পেতে থাকা দুদকের দলটি ঘুষের টাকাসহ ওই কর্মকর্তাকে আটক করে।

এ ঘটনায় ঢাকা বিভাগীয় দুদক কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মাসুদুর রহমান বাদী হয়ে রংপুর কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা করেছেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সদ্য জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত সহকারি শিক্ষকদের চাকুরী রাজস্বখাতে আত্নীকরণে হাইকোর্টের রুল।

ডেস্ক,৯ এপ্রিল: খুলনা জেলার বিভিন্ন উপজেলার সদ্য জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত ১৯ জন সহকারি শিক্ষকগনের চাকুরী রাজস্বখাতে নিয়োগ/আত্নীকরণের নির্দেশনা চেয়ে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে একটি রীট পিটিশন দায়ের করেন। রীটকারীদের পক্ষে রীট পিটিশনটি শুনানী করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সিদ্দিক উল্লাহ্ মিয়া।

গতকাল ০৮/০৪/২০১৮ ইং তারিখে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের মাননীয় বিচারপতি নাঈমা হায়দার এবং মাননীয় বিচারপতি জাফর আহম্মেদ এর সমন্বয়ে গঠিত দ্বৈত বেঞ্চ এ রীট পিটিশনের প্রাথমিক শুনানী শেষে রীটকারী কর্মরত শিক্ষকগনের চাকুরি রাজস্বখাতে নিয়োগ/আত্রীকরনের ব্যর্থতা কেন অবৈধ ঘোষনা করা হবেনা এবং একই সাথে কেন উক্ত শিক্ষকগনের চাকুরি রাজস্বখাতে আতœীকরনের নির্দেশনা দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে বিবাদীগণের প্রতি ৪ সপ্তাহের রুলনিশি জারী করেন মহামান্য হাইকোর্টের এই দ্বৈত বেঞ্চ।

প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ৭ জনকে বিবাদী করা হয়েছে। রীটকারীদের পক্ষে শুনানী করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সিদ্দিক উল্লাহ মিয়া ও রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন, ডেপুটি এর্টনি জেনারেল মোখলেছুর রহমান।

অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, রীট আবেদনকারী ১৯ জনকে খুলনা জেলার বিভিন্ন উপজেলার বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে (সদ্য জাতীয়করণকৃত) সহকারি শিক্ষক পদে নিয়োগ প্রদান করা হয়। সম্প্রতি ২০১৩ সালে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহ অন্যান্য সকল রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের ঘোষনা দেওয়া হয়। উক্ত নির্দেশনা অনুসারে রীট আবেদনকারীদের বিদ্যালয়গুলো জাতীয়করণ করা হয় ও পরবর্তীতে সময়ে রীট আবেদনকারীদের সহকর্মী শিক্ষকদেরকে রাজস্বখাতে নিয়োগ/আতœীকরণ করা হয় কিন্তুু রীট আবেদনকারীদের নিয়োগ/আতœীকরণ করা হয়নাই। বিধি অনুসারে রাজস্বখাতে নিয়োগ/আতœীকরণ সকল শর্ত পূরন করা হলেও তাদের নিয়োগ/আতœীকরণ করা হয়নি। অবশেষে রীটকারীগন প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করা হলেও তাদের আতœীকরণ করা হলে জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বাদ পড়া কর্মরত ১৯ জন সহকারি শিক্ষক চাকুরী রাজস্বখাতে নিয়োগ/আতœীকরণের নির্দেশনা চেয়ে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে এই রীট পিটিশন দায়ের করেন । রীটকারীগণ হলেন খুলনা জেলার জেলার বায়রা উপজেলার নূরনাস আকতার, সামসুন নাহার, হোসনেয়ারা আকতার, মেহজাবিন ইসলাম সোনাডাঙ্গা উপজেলার রিনজিন খাতুন সহ সর্বমোট ১৯ জন সহকারি শিক্ষক ।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

১২ জেলায় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০১৪ পরীক্ষা ২০ এপ্রিল

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ  দেশের ১২ জেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাজস্ব খাতভুক্ত ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০১৪’ লিখিত পরীক্ষা ২০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে।

রোববার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের উপ-পরিচালক (নিয়োগ) একেএম সাফায়েত আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাজস্ব খাতভুক্ত ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০১৪’ লিখিত পরীক্ষা আগামী ২০ এপ্রিল (শুক্রবার) সকাল ১০ টা থেকে বেলা ১১ টা ২০ মিনিট পর্যন্ত মেহেরপুর, নড়াইল, চুয়াডাঙ্গা, মুন্সিগঞ্জ, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ঝালকাঠি, নারায়ণগঞ্জ, বরগুনা, ফেনী, লক্ষ্মীপুর ও জয়পুরহাট জেলায় একযোগে অনুষ্ঠিত হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাজস্ব খাতভুক্ত ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০১৪’ লিখিত পরীক্ষা আগামী ২০ এপ্রিল (শুক্রবার) সকাল ১০ টা থেকে বেলা ১১ টা ২০ মিনিট পর্যন্ত মেহেরপুর, নড়াইল, চুয়াডাঙ্গা, মুন্সিগঞ্জ, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ঝালকাঠি, নারায়ণগঞ্জ, বরগুনা, ফেনী, লক্ষ্মীপুর ও জয়পুরহাট জেলায় একযোগে অনুষ্ঠিত হবে।

ওএমআর শীট পূরণের নির্দেশনাবলী ও পরীক্ষা সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য ওয়েবসাইটে www.dpe.gov.bd-এ পাওয়া যাবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

১২ জেলায় ২০১৪ সালে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০ এপ্রিল

নিজস্ব প্রতিবেদক,৬ এপিল:শরীয়তপুর সহ ১২ জেলায় ২০১৪ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষা আগামী ২০/০৪/২০১৮ তারিখে নেবার সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক বিশ্বস্ত সুত্র থেকে এ খবর নিশ্চিত করেছে শিক্ষাবার্তা প্রতিবেদকের কাছে। আগামী রবিবার ১২ জেলার ডিপিইও রা ইমেলের মাধ্যমে জানতে পারবে বলে জানান ওই কর্মকর্তা। ইতিমধ্যে সকল ডিপিইওকে টেলিফোনে জানিয়ে দেয়া হয়েছে।

বিস্তারিত আসছে।oে

আগামীকাল চোখ রাখুন দৈনিক শিক্ষাবার্তা পত্রিকায়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথ‌মিক স্তরেই প্রোগ্রা‌মিং : মোস্তফা জব্বার

ডেস্ক ঃ শিশুদের প্রাথ‌মিক স্তর থে‌কেই প্রোগ্রা‌মিং শেখা‌নোর উদ্যোগ নেওয়া হ‌চ্ছে ব‌লে জা‌নি‌য়ে‌ছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার।

বৃহস্প‌তিবার (৫ এপ্রিল) ম‌তি‌ঝি‌লের চেম্বার ভব‌নে ‘প্রযু‌ক্তি, উদ্ভাবন ও তার প্র‌য়োগ’ বিষয়ক এক সে‌মিনা‌রে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তি‌নি এ পরিকল্পনার কথা জানান। সে‌মিনা‌রটির আ‌য়োজক মে‌ট্রোপ‌লিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রা‌স্টি (এম‌সি‌সিআই)।

মোস্তফা জব্বার ব‌লেন, উদ্ভাবনী কা‌জের পেছনে সরকা‌রের বরাদ্দ অনেক কম। এ কা‌জে নতুন প্রজন্ম‌কে সহযোগিতা দেওয়ার জন্য এম‌সি‌সিআই যে দাবি জানিয়েছে, তা সরকা‌রের উচ্চমহ‌লে পৌঁছা‌নোর জন্য দায়িত্ব নি‌চ্ছি।

‌সে‌মিনা‌রে এম‌সি‌সিআই সভাপ‌তি নিহাদ ক‌বির ব‌লেন, তথ্যপ্রযুক্তি খা‌তে উদ্যো‌গ গ্রহণের ক্ষে‌ত্রে এখনও ট্যাক্স সংক্রান্ত ঝামেলা র‌য়ে‌ছে। এ বিষ‌য়টিও সমাধা‌ন প্রয়োজন।

‌সে‌মিনা‌রে কী-নোট উপস্থাপন ক‌রেন নর্থ সাউথ বিশ্ব‌বিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. রুজনুজ্জামান।

সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন প্রযু‌ক্তি‌বিদ ও প্র‌কৌশলী ড. জা‌মিলুর রেজা চৌধুরী, ড. আরিফ দৌলা, হা‌বিবুল্লাহ এন ক‌রিম, মাই‌ক্রোসফট বাংলা‌দে‌শের কা‌ন্ট্রি ডি‌রেক্টর সো‌নিয়া ব‌শির প্রমুখ।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এ মাসেই প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ । নীতিমালায় পরিবর্তন

এস কে দাস: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালায় বড় পরিবর্তন আসছে। নিয়োগপ্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, বয়সসহ নানা ক্ষেত্রে পরিবর্তনের বিধান রেখে এরই মধ্যে নতুন নিয়োগ বিধিমালার খসড়া প্রণয়ন করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ওই খসড়া যাচাই-বাছাই করছে। এ মাসেই সহকারী শিক্ষক পদে শিক্ষক নিয়োগ আসবে বলে প্রাথমিক অধিদপ্তর সুত্রে জানা যায়।
বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে ২০১৩ সালে প্রণীত বিধিমালা অনুযায়ী।
জানা যায়, নতুন বিধিমালায় বড় আকারে পাঁচটি পরিবর্তন আসছে। ২০১৩ সালের নিয়োগ বিধিমালায় পুরুষ ও নারীর জন্য আলাদা শিক্ষাগত যোগ্যতা রয়েছে। সহকারী শিক্ষক পদে পুরুষের জন্য স্নাতক আর নারীদের জন্য উচ্চ মাধ্যমিক পাস হতে হয়। কিন্তু নতুন বিধিমালায় সহকারী শিক্ষক পদে পুরুষ ও নারী উভয়ের ক্ষেত্রেই শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে নারীদের জন্য ৬০ শতাংশ কোটা বহাল থাকছে।
সরাসরি প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে এত দিন স্নাতক পাস হলেই আবেদন করা যেত। নতুন বিধিমালার খসড়ায় এই শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকোত্তর প্রস্তাব করা হয়েছে। এত দিন প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ছিল ২৫ থেকে ৩৫ বছর। কিন্তু এখন এই পদটি দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত হওয়ায় সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) নীতিমালার সঙ্গে সংগতি রেখে বয়স নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ থেকে ৩০ বছর। তবে আগের মতো সহকারী শিক্ষকদের মধ্য থেকে ৬৫ শতাংশ পদোন্নতির মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক হওয়ার বিধানও থাকছে। সে ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা হবে শিথিলযোগ্য। বাকি ৩৫ শতাংশ পদে সরাসরি নিয়োগ দেওয়া হবে। তবে এই পদে নিয়োগ ও পদোন্নতির পুরো দায়িত্বই থাকবে পিএসসির।
নতুন বিধিমালায় বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগেও জোর দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে যেকোনো বিষয়ে পাস করা প্রার্থীর সমান সুযোগ রয়েছে। কিন্তু এতে মানবিক বিভাগ থেকে আসা শিক্ষকরা গণিত ও বিজ্ঞানের মতো বিষয়গুলো সহজে আত্মস্থ করতে পারেন না। এ কারণে নতুন বিধিমালায় সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে মোট পদের শতকরা ২০ ভাগ বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারীদের মধ্য থেকে নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া ক্লাস্টার বা উপজেলাভিত্তিক আর্ট ও সংগীত শিক্ষক রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
নতুন বিধিমালা কার্যকর হলে শিক্ষক নিয়োগ আগের মতোই উপজেলা বা থানাভিত্তিক হবে। তবে কেন্দ্রীয়ভাবে গঠিত সহকারী শিক্ষক নির্বাচন কমিটির সুপারিশ ছাড়া কোনো ব্যক্তিকে সহকারী শিক্ষক পদে সরাসরি নিয়োগ দেওয়া যাবে না। বাংলাদেশের স্থায়ী বাসিন্দা না হলে কাউকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া যাবে না। এমন ব্যক্তিকে বিবাহ করেছেন অথবা বিবাহ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যিনি বাংলাদেশের নাগরিক নন, এমন ব্যক্তিকেও শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া যাবে না।
নতুন বিধিমালার খসড়ায় বলা হয়েছে, ১৩তম থেকে ১৬তম বেতন গ্রেডের কোনো পদে থাকা শিক্ষককে দশম থেকে দ্বাদশ বেতন গ্রেডের কোনো পদে পদোন্নতির সুপারিশ করা যাবে। আর দশম থেকে দ্বাদশ গ্রেডে থাকা শিক্ষক নবম বা তদূর্ধ্ব গ্রেডের কোনো পদে পদোন্নতির সুপারিশ পেতে পারেন। তবে উভয় ক্ষেত্রেই পিএসসির সুপারিশ প্রয়োজন হবে। ২০১৩ সালের নিয়োগ বিধিমালায় এসব শর্ত নেই। বর্তমানে কোনো ব্যক্তির শিক্ষক পদে যোগদান করার তিন বছরের মধ্যে প্রশিক্ষণ বা উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের বাধ্যবাধকতা থাকলেও নতুন বিধিতে তা থাকছে না।
Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter