Home » প্রাথমিক শিক্ষা

প্রাথমিক শিক্ষা

পরবর্তী ক্লাসে যেভাবে উঠবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা

ডেস্ক,২৪ নভেম্বর ২০২১ঃ
গত বছরের মতো এবারও শিক্ষার্থীদের আগের রোল নম্বর নির্ধারণ রেখে পরবর্তী ক্লাসে উত্তীর্ণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ণ সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয়ের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আরো খবরঃ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল মঞ্জুর

জানা গেছে, সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব হাসিবুল আলম বলেছেন,২০২০ সালের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকাকালীন যেভাবে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী এবারও সেভাবে মূল্যায়ণ করতে নির্দেশনা দিয়েছেন। তাই গত বছরের মতো এবারো শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ণ করা যেতে পারে। সভায় উপস্থিত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীসহ সকলে এ প্রস্তাবে সম্মতি দেন।

অন্যদিকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম বলেন, চলতি বছর পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষা সমাপনী হবে বলে প্রধানমন্ত্রী সম্মতি দিয়েছেন। বর্তমানে স্ব স্ব বিদ্যালয়ে মূল্যায়ন করা যেতে পারে বলে প্রস্তাব করা হয়। সভা শেষে চলতি বছর বর্ষিক পরীক্ষা না নিয়ে সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্বা স্ব শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ণ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পরে সেই সিদ্ধান্ত দেশের সকল জেলার মাঠ কর্মকর্তাদের পাঠিয়ে তা বাস্তাব করার নির্দেশনা দেয়া হয়।

জানতে চাইলে ডিপিই’র মহাপরিচালক মনসুরুল আলম বলেন, চলতি বছর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোন স্তরে ঘোষণা দিয়ে বা প্রশ্নপত্র ছাপিয়ে পরীক্ষা নেয়া হবে না, তবে বিদ্যালয় শিক্ষকরা নিজ নিজ শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ণের মাধ্যমে পরবর্তী ক্লাসে তুলবেন। আগের রোল নম্বর নির্ধারণ রেখে পরবর্তী ক্লাসে তোলা হবে।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ণের যত ধরনের পদ্ধতি রয়েছে সেসব সকল পদ্ধতি শিক্ষকরা অনুসরণ করতে পারবেন। কেউ যদি শিক্ষার্থীদের ক্লাস পরীক্ষা নেয়া প্রয়োজন মনে করেন তারা সেটি নিতে পারবেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল মঞ্জুর

প্রধান শিক্ষকদের পদটি ২য় শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হওয়ার পর অর্থাৎ ০৯ মার্চ ২০১৪ তারিখ হতে এবং জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫ কার্যকর হওয়ার তারিখ অর্থাৎ ১ জুলাই ২০১৫ তারিথ এর মধ্যবর্তী সময়ের টাইমস্কেল মঞ্জুর সংক্রান্ত সরকারের প্রচলিত বিধি বিধান অনুযায়ী প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিষ্পত্তি করা হবে।

আরো পড়ুনঃ

প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকরা টাইমস্কেল জটিলতায় অর্থমন্ত্রনালয়ের বক্তব্য

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়

বিদ্যালয়-২ শাখা

স্মারক নম্বর: ৩৮.০০৮.০১২.০০.০০.০০৬.২০১৫-২২৩; তারিখ: ১০ এপ্রিল ২০১৭

বিষয়: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল মঞ্জুর সংক্রান্ত।

সূত্র: ডিপিই’র স্মারক নং-৩৮.০১.০০০০.১৪১.৯৯.০০৮.১৬.১৬৮; তারিখ: ০৩/০৮/২০১৬

উপর্যুক্ত বিষয় ও সূত্রের প্রেক্ষিতে নির্দেশক্রমে জানানো যাচ্ছে যে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল মঞ্জুরীর বিষয়ে নিম্নরূপ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে:

ক) প্রধান শিক্ষকদের পদমর্যাদা ২য় শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হওয়ার পূর্বের সময়ের (০৯ মার্চ ২০১৫ তারিখের পূর্বে) প্রাপ্য টাইমস্কেল উপজেলা ও মহানগরীর পদোন্নতি ও টাইমস্কেল কমিটির সুপারিশক্রমে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার পূর্বের ন্যায় মঞ্জুরী প্রদান করবেন।

খ) প্রধান শিক্ষকদের পদটি ২য় শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হওয়ার পর অর্থাৎ ০৯ মার্চ ২০১৪ তারিখ হতে এবং জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫ কার্যকর হওয়ার তারিখ অর্থাৎ ১ জুলাই ২০১৫ তারিথ এর মধ্যবর্তী সময়ের টাইমস্কেল মঞ্জুরী সংক্রান্ত সরকারের প্রচলিত বিধি বিধান অনুযায়ী প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিষ্পত্তি করা হবে।
(মুহাম্মদ হিরুজ্জামান)

উপসচিব

ফোন: ৯৫৭৭২৫৫

প্রতি

মহাপরিচালক

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

মিরপুর-২, ঢাকা।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল মঞ্জুর সংক্রান্ত পরিপত্র এখানে ক্লিক করে ডাউনলোড করুন

চাকুরি পেতে এ কোর্সে ভর্তি হন।

Govt/Primary exclusive job course

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্যানেলে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন

ডেস্ক,২৩ নভেম্বর ২০২১ঃ
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্যানেলের মাধ্যমে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন করছে প্যানেল প্রত্যাশীরা। মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) সকাল ৯ টায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

আরো পড়ুনঃ পাবনায় তিন শিক্ষক করোনা আক্রান্ত, স্কুল বন্ধ

জানা গেছে, মামলা জটিলতায় আটকে থাকার দীর্ঘ চার বছর পর ২০১৮ সালে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় সারাদেশ থেকে ২৪ লাখ পরীক্ষার্থী অংশ নেন। এর মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় ৫৫ হাজার ২৯৫ জন উত্তীর্ণ হন। আর ১৮ হাজার ১৪৭ জনকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পেরে প্রায় ৩৭ হাজার ১৪৮ জন নিয়োগ বঞ্চিত হন।

নিয়োগ বঞ্চিতরা প্যানেলের মাধ্যমে নিয়োগের দাবিতে ২০২০ সালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে লাগাতার কর্মসূচি পালন করেন। এছাড়া মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) সামনে কাফনের কাপড় পরে আন্দোলন করেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

পাবনায় তিন শিক্ষক করোনা আক্রান্ত, স্কুল বন্ধ

পাবনায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩ শিক্ষক করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় বিদ্যালয়টি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

আরো খবরঃ

মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) সকালে পাবনার বেড়া উপজেলার নগরবাড়ি ঘাট-সংলগ্ন রাজনারায়ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেহানা পারভীন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘ আমাদের স্কুলের তিন শিক্ষক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তারা হলেন সহকারী শিক্ষক শামীমা আক্তার (৩২) মহব্বত আলী (৩৫) ও ইফফার আরা (৩৮)।

প্রধান শিক্ষক রেহানা পারভীন জানান, ১৪ নভেম্বর টেস্ট করে শামীমা পারভীনের শরীরে করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। ১৬ নভেম্বর স্কুলের বাকি ৭ শিক্ষক টেস্ট করতে গেলে আরও দুইজনের রিপোর্টও পজিটিভ আসে।

এ খবর শুনার পর শিক্ষার্থীরা স্কুলে আসা বন্ধ করে দেয়। পরে উপজেলা শিক্ষা অফিসের নির্দেশনায় স্কুলটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। কঠোর স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করার পর করোনায় আক্রান্ত হওয়াটা দুঃখজনক বলে তিনি জানান।

করোনা আক্রান্ত শিক্ষিকা শামীমা আক্তার বলেন, ‘করোনা টেস্টে রেজাল্ট পজিটিভ আসলে ছুটি নিয়ে বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছি। এখন শারীর অনেকটা ভালো লাগছে। ’

বেড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কফিল উদ্দিন জানান, ‘জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সাথে এ বিষয়ে কথা বলে স্কুল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সবাই সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত স্কুল খোলা হবে না।’

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খন্দকার মনছুর রহমান জানান, তিন শিক্ষক করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর তারা বিদ্যালয়টি ছুটির আবেদন করেছিল। আপাতত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে ‘

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার তারিখ চুড়ান্ত হয়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক,২১ নভেম্বর ২০২১ঃ

আগামী ১৭ ডিসেম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া এমন তথ্য সঠিক নয় বলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) একাধিক কর্মকর্তা শিক্ষাবার্তাকে নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে রোববার (২১ নভেম্বর) সকাল থেকে ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপে ১৭ ডিসেম্বর সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে খবর প্রচার করা হয়।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিপিই’র নিয়োগ শাখার এক কর্মকর্তা জানান, পরীক্ষা গ্রহণের তারিখ এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি। আমরা পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছ। ডিসেম্বরে এই পরীক্ষা আয়োজন করা হবে।

এদিকে আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন। তিনি বলেন সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজনের সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে এই পরীক্ষা নেওয়া হতে পারে।

ডিপিই সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত বছর অক্টোবরের শেষ দিকে প্রাথমিকের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এই নিয়োগ পরীক্ষার আবেদন শুরু হয়। আবেদনগ্রহণ শেষ হয় ২৪ নভেম্বর রাতে। এতে আবেদন করেন ১৩ লাখ ৯ হাজার ৪৬১ জন। ফলে প্রতি আসনের বিপরীতে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেবেন ৪০ জন।

সূত্র আরও জানায়, মোট ৩২ হাজার ৭৭টি শূন্য পদে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ে ২৫ হাজার ৬৩০ জন এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শূন্যপদে ৬ হাজার ৯৪৭ জনকে নিয়ােগ দেওয়া হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

২৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড আইনের খসড়ার মতামত পাঠানোর নির্দেশ

ডেস্ক,১৬ নভেম্বর ২০২১ঃ

প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড আইনের খসড়া প্রকাশ করা হয়েছে। জনমত যাচাইয়ের জন্য এ আইনের খসড়াটি প্রকাশ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

২০ মাস পর খুললো পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

রোববার (৭ নভেম্বর) মন্ত্রণালয়ের প্রশাসস-১ শাখা থেকে খসড়া প্রকাশ করা হয়। এতে স্বাক্ষর করেছেন যুগ্মসচিব আলাদুজ্জামান।

মন্ত্রণালয় বলছে, প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড আইন-২০২১ এর খসড়ার ওপর মতামত সুপারিশ আগামী ২৫ নভেম্বরের মধ্যে ইমেইলে (sasad1@mopme.gov.bd) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে সংশ্লিষ্ট সবাইকে।

 

 

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকে দপ্তরী কাম প্রহরী নিয়োগের সুপারিশ

ডেস্ক,১০ নভেম্বর ২০২১ঃ
সংসদীয় কমিটি দেশের যেসব প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দপ্তরী কাম প্রহরী নিয়োগ এখনো সম্ভব হয়নি, সেগুলো দ্রুত সম্পন্নের সুপারিশ করেছে। বুধবার (৯ নভেম্বর) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ১৫তম বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়।

আরো পড়ুনঃ ডিসেম্বরে প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

কমিটির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন, মেহের আফরোজ, মো. নজরুল ইসলাম বাবু, ফেরদৌসী ইসলাম এবং কাজী মনিরুল ইসলাম।

কমিটি দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর সীমানা দেয়াল নির্মাণ কার্যক্রম দ্রুততার সাথে করার জন্য সুপারিশ করে।

আরো পড়ুনঃ স্বামীর মোটরসাইকেল থেকে পড়ে বাসচাপায় নিহত প্রাথমিকের শিক্ষিকা

বৈঠকে পিইডিপি-৪ এর সাব কম্পোনেন্ট ২.৫ এর আওতায় ‘আউট অব স্কুল চিলড্রেন’ কর্মসূচি দ্রুত শেষের সুপারিশ করা হয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ডিজিসহ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ডিসেম্বরে প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

সিরাজদিখান (মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধি | ০৯ নভেম্বর, ২০২১
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেছেন, শিক্ষক স্বল্পতা দূর করতে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩২ হাজার ৭০০ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এ নিয়োগ সম্পন্ন হলে শিক্ষকরা আরও স্বাচ্ছন্দে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাঠদান করতে পারবেন।

গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জেলার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের সাথে মত বিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, শিক্ষার মূল ভিত্তি প্রাথমিক শিক্ষা। শিক্ষার্থীর চিন্তা-চেতনা, নীতি-নৈতিকতা ও মূল্যবোধের বিকাশে প্রাথমিক শিক্ষা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু সদ্য স্বাধীন দেশকে সোনার বাংলা হিসেবে গড়ার পদক্ষেপ হিসেবে প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক ঘোষণা করেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার মানসম্মত শিক্ষার জন্য মানসম্মত শিক্ষক নিয়োগ, ইংরেজিতে দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য বৃটিশ কাউন্সিলের সহযোগিতা গ্রহণ এবং গণিতের জন্য গণিত অলিম্পিয়াড চালু করেছে। পাশাপাশি বছরের প্রথমদিন সকল শিশুকে নতুন বই ও উপবৃত্তি দেয়া হচ্ছে। জরাজীর্ণ ভবনের পরিবর্তে নতুন বিদ্যালয় ভবন নির্মিত হচ্ছে।

তিনি একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিকাশে কাজ করার জন্য শিক্ষা কর্মকর্তাদের নিষ্ঠার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) সিনাহাশীষ দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সিরাজদিখান উপজেলা চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ ফয়জুল ইসলাম, ঢাকা বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা উপপরিচালক ইফতেখার হোসেন, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বোরহান উদ্দিন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এড. তাহমিনা আক্তার তুলি, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিকসহ অনেকে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতি: `পঁয়তাল্লিশের কাঁটা’

নিজস্ব প্রতিবেদক,৯ নভেম্বর ২০২১ঃ
বেতন গ্রেড নিয়ে অসন্তোষের পর এবার বিভাগীয় পদোন্নতির বিষয়ে তৈরি খসড়া বিধিমালা নিয়ে ক্ষুব্ধ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকরা। অথচ তাদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের গেজেটেড অফিসার ও নন-গেজেটেড কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা ২০২১।

শিক্ষক নেতাদের ভাষ্য- চূড়ান্ত হতে যাওয়া নতুন বিধিতে সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতির পথ রুদ্ধ করা হয়েছে। এটি কার্যকর হলে পদোন্নতি চরমভাবে বাধাগ্রস্ত হবে। পাশাপাশি প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতিতেও ৪৫ বছরের বয়সসীমা পদোন্নতি না দেওয়ার অপকৌশল বলে মনে করছেন তারা।

জানা গেছে, স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন সহকারী শিক্ষক পদোন্নতি পেয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ডিপিইও) পর্যন্ত হতে পারতেন; কিন্তু কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগবিধি ১৯৮৫ সেই পথ রুদ্ধ করে দেয়। পরবর্তী সময়ে পিএসসির নিয়োগবিধি ১৯৯৪ জারি হলে সহকারী থানা শিক্ষা অফিসার (এটিইও) পদে সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকরা বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে ৪৫ বছর বয়স পর্যন্ত আবেদন করতে পারতেন। ২০০৩ সালে সরকারি গেজেটেও সেই পদে বিভাগীয় প্রার্থী বলতে প্রাথমিকের প্রধান ও সহকারী শিক্ষকদের কথা বলা ছিল এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদে বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে তাদের সঙ্গে সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের বোঝানো হয়েছে। সর্বশেষ নিয়োগ পর্যন্ত এভাবেই চলছে। তবে খসড়া নিয়োগবিধি ২০২১ অনুযায়ী প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকরা আর বিভাগীয় প্রার্থীর সুযোগ পাবেন না।

আরো পড়ুনঃ প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল। মহাপরিচালক যা বললেন
নিয়োগবিধিতে আরও বলা আছে- সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারের পদে নিয়োগে ৮০ শতাংশ পদ বিভাগীয় প্রার্থীদের জন্য

সংরক্ষিত থাকবে এবং ২০ শতাংশ পদ উন্মুক্ত প্রার্থীদের মধ্য থেকে পূরণ করা হবে। বিভাগীয় প্রার্থী বলতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বোঝাবে। তাদেরও আবার প্রধান শিক্ষক হিসেবে ন্যূনতম তিন বছর চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। তবে বিভাগীয় প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত পদে যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে পদগুলো পূরণ হবে উন্মুক্ত প্রার্থীদের মাধ্যমে। সরাসরি নিয়োগে উন্মুক্ত প্রার্থীদের বয়স অনূর্ধ্ব ৩০ বছর। আর বিভাগীয় প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ৪৫ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য।

আরো পড়ুনঃ প্রাথমিকে উন্নীত স্কেলে বেতন নিশ্চিত করতে ডিপিই’র নির্দেশনা

বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রিয় সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাস বলেন, ‘১৯৯৪ সালে একটি আইনের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষকদের সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদে পদোন্নতির পথ রুদ্ধ করে চালু হয়েছিল সরাসরি নিয়োগ পদ্ধতি। এর আগে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদে সিনিয়র প্রধান শিক্ষকরা সরাসরিই পদোন্নতি পেতেন। এখন প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতির পথও কৌশলে রুদ্ধ করে সরাসরি এটিইও নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।’

এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি রিয়াজ পারভেজ বলেন, ‘এটা (বিধিমালায় যুক্ত শর্ত) প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতি না দেওয়ার অপকৌশল। শিক্ষকদের দাবি, ওপরের শতভাগ পদ পূরণ করতে হবে প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতির মাধ্যমে। নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সের কোনো সীমাবদ্ধতা রাখা যাবে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রধান শিক্ষকরা চান অনূর্ধ্ব-৪৫ বছর বয়সের কোনো বাধা না থাকুক। সেই সঙ্গে প্রাথমিকের যেসব পদে সরাসরি নিয়োগ চালু রয়েছে, সেগুলোতে বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে আবেদনের সুযোগ দিতে হবে। সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদে পরীক্ষার মাধ্যমে সরাসরি নিয়োগ নয়; বরং শতভাগ পদোন্নতি দেওয়ার দাবি আমাদের।’ রিয়াজ পারভেজ জানান, সহকারী উপজেলা, থানা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা শিক্ষা অফিসারসহ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ), প্রাইমারি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (পিটিআই), উপজেলা রিসোর্স সেন্টার (ইউআরসি), থানা রিসোর্স সেন্টারসহ বিভিন্ন দপ্তরের সংশ্নিষ্ট ঊর্ধ্বতন সব পদেই পদোন্নতির দাবি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের।

এ প্রসঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মুনসুরুল আলম শিক্ষাবার্তাকে বলেন, ‘শিক্ষকদের নিয়োগ বিধিমালা এর আগেও কয়েকবার সংশোধন করা হয়েছে। প্রধান শিক্ষক পদটি আগে থেকেই ব্লক ছিল। আমরা এবার এটাকে ব্লক পদ করিনি। একসময় তো বিভাগীয় প্রার্থিতার সুযোগই তাদের ছিল না। বিভাগীয় প্রার্থী হতে বয়স একসময় ৪০ বছর ছিল, ১৯৯৪ সালে তা ৪৫ বছর করা হয়। তার পরও বয়স বাড়ানোর বিষয়ে আমরা চেষ্টা করেছি। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এতে সায় দেয়নি। তারা বলেছে- অন্যান্য সরকারি দপ্তরে বয়স এমনটাই নির্ধারিত।’

কয়েক প্রধান শিক্ষক জানান, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের গেজেটেড অফিসার ও নন-গেজেটেড কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা ১৯৮৫-এর অধীনেও প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতির বিধান ছিল। প্রধান শিক্ষকরা সহকারী উপজেলা বা থানা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদে পদোন্নতি পেতেন; কিন্তু ১৯৯৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর বিধিমালাটি সংশোধনের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতি রহিত করা হয়। তাই প্রধান শিক্ষকদের দাবি- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের গেজেটেড অফিসার ও নন-গেজেটেড কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা ১৯৮৫ (সংশোধনী ২০২১)-এ বিভাগীয় পদোন্নতি পুনর্বহাল করতে হবে। কারণ এই বিধিমালা সংশোধন না করলে প্রধান শিক্ষকদের আর পদোন্নতি পাওয়া সম্ভব হবে না।

জানা গেছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্য পৃথক দুটি নিয়োগ বিধিমালা তৈরির কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে। এরই মধ্যে তা প্রশাসনিক উন্নয়ন-সংক্রান্ত সচিব কমিটিতে অনুমোদন হয়েছে। এতে প্রধান শিক্ষক থেকে সহকারী থানা বা উপজেলা শিক্ষা অফিসার (এটিইও) পদে পদোন্নতির সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে, এটিইও পদে পদোন্নতির জন্য পরীক্ষায় বসতে প্রধান শিক্ষকের বয়স হবে সর্বোচ্চ ৪৫ বছর। এ ছাড়া কমপক্ষে তিন বছরের প্রধান শিক্ষক পদের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। প্রস্তাবিত এই ‘সমন্বিত নিয়োগ বিধিমালা’ নিয়ে ক্ষুব্ধ সারাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। তারা বলছেন- এ বিধিমালায় প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতির সুযোগ রাখা হলেও শর্তের বেড়াজালে পদোন্নতি আটকে দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষকরা আরও জানান, প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি পেতেই বয়স হয়ে যায় ৪৭-৪৮ বছর। আরও তিন বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হলে বয়স হবে কমপক্ষে ৫০-৫১ বছর। এতে প্রধান শিক্ষকদের আর কর্মকর্তা হওয়ার সুযোগ থাকবে না। প্রধান শিক্ষকদের একই পদে চাকরি করে অবসরে যেতে হবে। সেক্ষেত্রে ব্লক পোস্টে পরিণত হবে প্রধান শিক্ষক পদটি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এ নিয়ে শিক্ষকরা সোচ্চার হয়ে উঠেছেন। শিক্ষকদের পক্ষ থেকে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে লিখিত আবেদনও করা হয়েছে।

আপনি কি পুত্র/কন্যা সন্তান চান তাহলে জেনে নিন কি করবেন?

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকে পিইসি পরীক্ষার পরিবর্তে যেভাবে হবে মূল্যায়ন

ডেস্ক,৮ নভেম্বর ২০২১ঃ
এবছর প্রাথমিক শিক্ষার বার্ষিক ও সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না। চলতি শিক্ষাবর্ষের সকল শ্রেণির শিক্ষার্থীদের স্ব স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃক মূল্যায়ন করে তাদেরকে পরবর্তী শ্রেণিতে উন্নীতকরণের কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন সংক্রান্ত অনুষ্ঠিত সভার এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

আরো পড়ুনঃ চলতি বছর প্রাথমিকের সব পরীক্ষা বাতিল

আজ সোমবার (৮ নভেম্বর) গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুব রহমান তুহিন। তিনি জানান,গত ২৬ অক্টোবরের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এর আগে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, প্রাথমিকের সমাপনী কেন্দ্রীয়ভাবে হবে না। সম্ভব হলে বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়া হবে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানে।

আরো পড়ুনঃ প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড আইনের খসড়া চূড়ান্ত

মন্ত্রণালয় থেকে সোমবার জানানো হলো, কোনও পরীক্ষা নেওয়া হবে না। মূল্যায়নের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করা হবে।

গত ২৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্তে জানানো হয়, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না বলে প্রধানমন্ত্রী সার-সংক্ষেপে সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন। স্ব স্ব বিদ্যালয়ের মাধ্যমেই মূল্যায়ন করা যেতে পারে।

আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পরিস্থিতি বিবেচনায় ক্লাসের সংখ্যা বাড়ানো যেতে পারে। ক্লাসের সংখ্যা বাড়িয়ে ডিসেম্বরের শেষে বিগত শিক্ষাবর্ষের ন্যায় বর্তমান শিক্ষাবর্ষেও শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা যেতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী সার-সংক্ষেপে অনুমোদনসহ নির্দেশনা দিয়েছেন। ২০২০ শিক্ষাবর্ষে যেভাবে স্ব স্ব বিদ্যালয়ের মাধ্যমে করা হয়েছে, সেভাবে ২০২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা যেতে পারে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

চলতি বছর প্রাথমিকের সব পরীক্ষা বাতিল

নিজস্ব প্রতিবেদক ০৮ নভেম্বর ২০২১:
চলতি বছরের শুধু পিইসি (প্রাথমিক সমাপনি পরীক্ষা) পরীক্ষাই নয়, প্রাথমিক স্কুলের সব শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষাও বাতিল করা করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত কোনো ক্লাসেই এ বছর কোনো পরীক্ষা হবে না। শিক্ষকদের মূল্যায়নের ভিত্তিতেই শিক্ষার্থীদের ওপরের ক্লাসে উত্তীর্ণ করে দেয়া হবে। শিগগিরই এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

আরো পড়ুনঃ প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড আইনের খসড়া চূড়ান্ত

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নীতিগতভাবে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে যে, এ বছর প্রাথমিক শিক্ষার বার্ষিক ও সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না। চলতি শিক্ষাবর্ষের সকল শ্রেণির শিক্ষার্থীদের স্ব স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃক মূল্যায়ন করে তাদেরকে পরবর্তী শ্রেণিতে উন্নীতকরণের কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন সংক্রান্ত অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

গত ২৬ অক্টোবরের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

অবশ্য এর আগে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, এ বছর প্রাথমিকের সমাপনী পরীক্ষা কেন্দ্রীয়ভাবে হবে না। সম্ভব হলে বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়া হবে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানে। কিন্তু গতকাল সোমবার মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছর করোনার কারণে এবং শিক্ষার্থীদের পুরোমাত্রায় শ্রেণিকক্ষে ফেরাতে না পারায় পাথমিকের কোনো ক্লাসেই পরীক্ষা নেয়া হবে না। মূল্যায়নের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করা হবে।

এদিকে গত ২৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত আন্ত:মন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্তে জানানো হয়, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না বলে প্রধানমন্ত্রী সার-সংক্ষেপে সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন। স্ব স্ব বিদ্যায়ের মাধ্যমেই শিক্ষার্থীদের মেধার মূল্যায়ন করা যেতে পারে। আন্ত:মন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পরিস্থিতি বিবেচনায় ক্লাসের সংখ্যা বাড়ানো যেতে পারে। ক্লাসের সংখ্যা বাড়িয়ে ডিসেম্বরের শেষে বিগত শিক্ষাবর্ষের ন্যায় বর্তমান শিক্ষাবর্ষেও শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা যেতে পারে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড আইনের খসড়া চূড়ান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ০৭ নভেম্বর ২০২১
প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সমাপনী পরীক্ষা পরিচালনাসহ প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড আইন নামে একটি আইন করা সময়ের দাবি বলে মনে করে মন্ত্রণালয়। এই ধারাবাহিকতায় প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড আইন, ২০২১ এর আইনের খসড়া প্রণয়ন করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

আরো খবরঃ শিক্ষকদের পদোন্নতি পাশ কাটিয়ে নন ক্যাডার থেকে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার নিয়োগের প্রস্তাব।

রোববার মন্ত্রণালয় তাদের ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি অধিদপ্তর। প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড আইন, ২০২১ এর খসড়া আইনটির বিষয়ে মতামত/সুপারিশ প্রেরণের জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয়,বিভাগ, দপ্তর ও সংস্থায় পাঠানো হয়।

আরো খবরঃ বড় সিলেবাসে পরীক্ষা নয়: শিক্ষামন্ত্রী

পরে এর থেকে প্রাপ্ত মতামত ও সুপারিশের উপর গত ২৪ অক্টোবর মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. হাসিবুল আলমের সভাপতিত্বে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় যাচাই-বাছাই করে প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড আইন, ২০২১ এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। Rules of Business অনুযায়ী আইনের খসড়া জনমত যাচাইয়ের জন্য এসাথে সংযুক্ত করা হলো।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড আইন, ২০২১ এর খসড়ার উপর মতামত/সুপারিশ থাকলে তা আগামী ২৫ নভেম্ভরের মধ্যে সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বরাবর (ই-মেইল-sasad1@mopme.gov.bd) প্রেরণের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড আইন-২০২১ খসড়া আইনে যা থাকছে

খসড়া আইনে বলা হয়, আইনটি প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। এই আইন প্রবর্তনের মাধ্যমে সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড কার্যকর করতে পারবে।

এই আইনের অধীন প্রাথমিক শিক্ষার সংগঠন, শিক্ষা ব্যবস্থাপনা, তত্ত্বাবধান, পরিচালনা, নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়নের জন্য চাহিদাভিত্তিক প্রয়োজনীয় সংখ্যক প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ডের আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপন সম্পন্ন বা বিলুপ্ত করতে পারবে।

প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ডের কার্যালয় হবে ঢাকায়। তবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একাধিক বোর্ড স্থাপন করার সুযোগ থাকছে। এছাড়াও প্রাথমিক শিক্ষাবোর্ড তহবিল নামে একটি তহবিল থাকবে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ১১ টি হোমিওপ্যাথিক ঔষধ

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষকদের পদোন্নতি পাশ কাটিয়ে নন ক্যাডার থেকে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার নিয়োগের প্রস্তাব।

নিজস্ব প্রতিবেদক,৭ নভেম্বর ২০২১ঃ
শিক্ষেকদের পদোন্নতি পাশ কাটিয়ে বিসিএস নন ক্যাডার থেকে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার নিয়োগের প্রস্তাব প্রত্যাক্ষান করেছে প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকরা। এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক সমিতির একাংশের সভাপতি বদরুল আলম তার ফেসবুকে একটি পোষ্ট করেছেন। পাঠকদের সুবধিার জন্য পোষ্টটি হুবহ তুলে ধরা হলো।

আরো পড়ুনঃ প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড আইনের খসড়া চূড়ান্ত

গত ৪ নভেম্বর /২০২১ইং বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন থেকে আদেশ কৃত এক নিয়োগ বিধি থেকে জানতে পেলাম যে,৩৮তম বি, সি, এস পরীক্ষা ২০১৭ এ উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্য থেকে নন ক্যাডার ২য় শ্রেণির (১০ গ্রেড) পদে ৫৩ জন সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারের শুন্য পদে নিয়োগের জন্য বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন কতৃক নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে।
যা সত্যিসত্যিই দুঃখ জনক এবং শিক্ষকদের প্রতি চরম বিমাতা সুলভ আচরনের সামিল বলে প্রতীয়মান । এই নিয়োগে শিক্ষকদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

আরো পড়ুনঃ ব্যাংকের অফিসার (ক্যাশ) নিয়োগের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে মানববন্ধন

শিক্ষকদের পদোন্নতির পাশ কাটিয় এধরণের সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার নিয়োগের তিব্র বিরোধিতা করছি এবং এ ধরনের নিয়োগ বন্ধ রাখার জন্য কতৃপক্ষকে জোরালো ভাবে অনুরোধ করছি।

আরো পড়ুনঃ প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল। মহাপরিচালক যা বললেন

সরকার নতুন প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০১৯ এ, যেখানে প্রধান শিক্ষকদের ৮০% পদোন্নতির জন্য প্রস্তাবনা করেছেন এবং দীর্ঘদিন পরে হলেও আমরা পদোন্নতির বিষয়ে একটা আশার আলো দেখতে পচ্ছিলাম, সেখানে সরকার কি করে প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতির পথ রুদ্ধ করে বাইরে থেকে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার নিয়োগ দিচ্ছেন তা আমাদের বোধগম্য নয়।
আমরা সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারের এই নিয়োগ বাতিল পূর্বক আমাদেরকে যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতির জোর দাবি জানাচ্ছি ।

এই নিয়োগের বিরুদ্ধে শিক্ষকদেরকে ঐক্যবদ্ধ হবার জন্য উদাত্ত আহবান জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে বর্তমান পেক্ষাপটে আমাদের করনীয় কি? আপনাদের মতামত ও পরামর্শ আশা করছি।
ধন্যবাদান্তে,
মোঃ বদরুল আলম
সভাপতি,
বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতি।
০১৯২৩৫৫৯৬১২

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিক শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীদের কালো ব্যাচ ধারণ

নিজস্ব প্রতিবেদক,৬ নভেম্বর ২০২১

প্রাথমিকের শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক শিক্ষার্থীর বুকে প্রতিবাদি কালো ব্যাচ ধারণ করেছে । শনিবার রাজধানীর সুরিটোলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এমন ঘটনায় ঘটেছে।

আরো খবর: সড়কে ঝরলো প্রাথমিক শিক্ষকের প্রাণ

বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বলছেন, গোপালগঞ্জ সদরে সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা গৌতম চন্দ্র রায়ের হাতে প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছনার প্রতিবাদ জানাতেই শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা কালো ব্যাজ পরে ক্লাসে অংশগ্রহণ করেছেন। এসময় শিক্ষক নির্যাতনে অভিযুক্ত সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা গৌতম চন্দ্র রায় এবং গোপালগঞ্জের জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আনন্দ কুমার সাহাকে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান তারা।

জানা গেছে, এর আগে গত ৩ অক্টোবর ও ৫ অক্টোবর গোপলগঞ্জ সদর উপজেলার ২৮ নং উরফি বড়বাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনোজ কান্তি বিশ্বাসকে মারধর করা হয়। ভুক্তভোগী প্রধান শিক্ষকের অভিযোগ উন্নয়ন কাজের টাকার ভাগ না পেয়ে সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার গৌতম চন্দ্র রায় ও স্কুলের সভাপতির লোকজন তাকে মারধর ও লাথি মেরেছেন। শিক্ষক মনোজ কান্তি বিশ্বাস আরও অভিযোগ করেছেন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আনন্দ কিশোর সাহা ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা দুইজনই টাকার ভাগ চেয়েছেন। পরে, নির্যাতনের শিকার শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষকদের সংগঠনগুলো।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদের নেতা আনিছুর রহমান বলেন, শিক্ষকের মর্যাদা সমুন্নত রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি আদায়ে ও শিক্ষকের মর্যাদা রক্ষার্থে বদ্ধ পরিকর। প্রধান শিক্ষক মনোজ কান্তিকে লাঞ্ছিতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া না হলে প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদ বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলবে। শিক্ষক মর্যাদার জয় হবেই।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল। মহাপরিচালক যা বললেন

নিজস্ব প্রতিবেদক,৪ নভেম্বর ২০২১ঃ
সারা দেশের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ৯-৩-১৪ হতে ১৪-১২-২০১৫ খ্রিঃ পর্যন্ত টাইমস্কেল পেলেও একমাত্র প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ফলে মাঠ পর্যায়ে বিপুল সংখ্যক প্রধান শিক্ষকদেও মধ্যে হতাশা ও ক্ষেভের সঞ্চার হয়েছে।

সুত্র জানায়,অর্থ বিভাগের ০৪/১২/২০১৩ তারিখের ২৮৩ নং পত্রের সম্মতিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেল ১৩তম গ্রেড থেকে ১১তম ও ১৪তম গ্রেড থেকে ১২ তম গ্রেডে উন্নিত করা হয়। একইসাথে তাদের পদমর্যাদা ৩য় শ্রেণি থেকে ২য় শ্রেণিতে উন্নীত করা হয়। বেতন গ্রেড উন্নীত হওয়ার পর থেকে প্রধান শিক্ষকগণ ০৯/০৩/১৪ হতে ১৪/১২/২০১৫ সময়ের টাইমস্কেল পাচ্ছেন না।
আরো পড়ুনঃ

প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকরা টাইমস্কেল জটিলতায় অর্থমন্ত্রনালয়ের বক্তব্য

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে, সারা দেশে বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা হচ্ছে ৬৩ হাজার ৬০১। এসব স্কুলে প্রধান শিক্ষক রয়েছেন ৫৫ হাজারের মতো। অন্য সব স্কুলে প্রধান শিক্ষকের পদ বর্তমানে শূন্য রয়েছে। এর মধ্যে জাতীয়করণকৃত বিদ্যালয় রয়েছে ২৬ হাজার। ২০০৩,২০০৬,২০০৭ সালে সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত ও পদোন্নতিপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আছেন ৪০০০ এর কাছাকাছি যারা ১ম এবং ২য় টাইমস্কেল বঞ্চিত। জাতীয়করণ প্রধান শিক্ষক বাদে বাকি ৩০ হাজার প্রধান শিক্ষক টাইমস্কেল পেয়েছেন।

সাত বছরেও বাস্তবায়ন হয়নি প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণীর মর্যাদা! পাচ্ছেন না টাইমস্কেলও

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চার সহস্রাধিক প্রধান শিক্ষক তাদের প্রাপ্য টাইম স্কেল না পেয়ে হতাশ। একটি টাইম স্কেল পেলে একজন প্রধান শিক্ষকের বেতন এক ধাপ (গ্রেড) ওপরে যায়। ২০১৫ সালে সর্বশেষ জাতীয় বেতন স্কেল কার্যকরের পর থেকে টাইম স্কেল উঠিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু এসব শিক্ষকের পাওনা তার আগের। এ বাবদ সরকারের কাছে তাদের পাওনা হয়েছে প্রায় ২২ কোটি টাকা।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলম মুহম্মদ মনসুরুল আলম বলেন, প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল সমস্যাটি আমি জানি। এটি তাদের প্রাপ্যই নয়, এটা এই শিক্ষকদের ন্যায্য পাওনা। আমি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব থাকাকালে এই প্রাপ্য তাদের দেওয়ার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে একাধিকবার চিঠি লিখেছি। এর যৌক্তিকতা তুলে ধরেছি। এখনও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে দেন-দরবার চালিয়ে যাচ্ছি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter