Home » প্রাথমিক শিক্ষা

প্রাথমিক শিক্ষা

সব সহকারী শিক্ষক ১৩তম গ্রেডে বেতন পাবে : গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়

ডেস্ক,১৩ অক্টোবর:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১৩তম গ্রেডে উন্নীত করা হলেও আগের বিধিমালায় নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধি নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছিল। আগের বিধিমালা অনুসারে এসএসসি বা এইচএসসি পাস করা শিক্ষকদের ১৩তম গ্রেডে বেতন দেয়া হচ্ছিল না। এ জটিলতা নিরসনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। নতুন ও পুরাতন বিধিমালায় নিয়োগ পাওয়া সব সহকারী শিক্ষক ১৩তম গ্রেডে বেতন পাবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। একই সাথে সব শিক্ষককে ১৩তম গ্রেডে বেতন দিতে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিতে অর্থমন্ত্রণালয়কে বলা হয়েছে। সম্প্রতি গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে অর্থ বিভাগে এ নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র দৈনিক শিক্ষাডটকমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, গত ১১ অক্টোবর অর্থসচিবের কাছে এ চিঠি পাঠানো হয়েছে। ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের নিয়োগ বিধি জারি হওয়ার আগের নিয়োগবিধি অনুযায়ী যারা সহকারী শিক্ষক হিসেবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ পেয়েছেন তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্বিশেষে বেতন গ্রেড-১৩ এর সুবিধা পাওয়ার বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে নির্দেশনা পাঠাতে চিঠিতে বলা হয়েছে।

জানা গেছে, গতবছরের নভেম্বর মাসে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন গ্রেড-১৪ (প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত) এবং বেতন গ্রেড-১৫ (প্রশিক্ষণবিহীন) থেকে গ্রেড-১৩ তে উন্নীত করা হয়। কিন্তু অর্থ বিভাগের সম্মতিপত্রের বলা হয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৯ এর যোগ্যতা অনুযায়ী নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের ক্ষেত্রে তা কার্যকর হবে।

এদিকে ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের বিধিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের যোগ্যতা স্নাতক পাস নির্ধারণ করা হয়। তবে, এ বিধিমালা কার্যকর হওয়ার আগে অনেক শিক্ষক এইচএসসি নিয়ে নিয়োগ পেয়েছিলেন। ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ১৯৮৩’ তে শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল নারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে এসএসসি এবং পুরুষ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে এইচএসসি , সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ১৯৯১’ তে শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল নারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে এসএসসি এবং পুরুষ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে এইচএসসি, বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৩’ তে শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল নারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে এইচএসসি এবং পুরুষ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে স্নাতক।

অর্থ সচিবকে পাঠানো চিঠিতে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, সব শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। কাজেই আগের বিধিমালার আওতায় নিয়োগপ্রাপ্ত সকল সহকারী শিক্ষক ১৩ তম গ্রেডে বেতন পেতে পারেন বলে এ মন্ত্রণালয় মনে করে। এছাড়া ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের নিয়োগ বিধিমালা জারির পরে ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দের নিয়োগ বিধিমালা রহিত হবে। রহিতকরণ সত্ত্বেও ওই বিধিমালার অধীন যেসব কার্যক্রম নিষ্পন্ন হয়েছে তা এ বিধিমালার অধীন সম্পন্ন হয়েছে বলে গণ্য হবে।

তাই, ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের নিয়োগ বিধি জারি হওয়ার আগের নিয়োগবিধি অনুযায়ী যারা সহকারী শিক্ষক হিসেবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ পেয়েছেন তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্বিশেষে বেতন গ্রেড-১৩ এর সুবিধা পাওয়ার বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে নির্দেশনা পাঠাতে অর্থ মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

নতুন বিধিমালায় ক্ষুব্ধ প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকরা।।

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১১ অক্টোবর, ২০২০
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ক্যাডার ও নন-ক্যাডার কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের জন্য ‘সমন্বিত নিয়োগবিধিমালা-২০২০’ এর খসড়াটি প্রত্যাখ্যান করেছে প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকরা। এই বিধি বাস্তবায়িত হলে প্রধান শিক্ষকরা বয়সের বেরিক্যাড পার হয়ে কখনও অফিসার পদে পদোন্নতি পাবেন না। গত কয়েকদিনে তাই এই নিয়োগবিধি নিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা ।

খসড়া নিয়োগবিধিতে বলা হয়েছে, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারের ২৫৮৯টি পদে সরাসরি নিয়োগ হবে। নিয়োগে ৮০ শতাংশ পদ বিভাগীয় প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে এবং বাকি ২০ ভাগ পদ উন্মুক্ত প্রার্থীদের মধ্য থেকে পূরণযোগ্য। বিভাগীয় প্রার্থী বলতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বুঝাবে। বিভাগীয় প্রার্থীদের প্রধান শিক্ষক হিসেবে নূ্ন্যতম ৩ বছর চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। তবে, বিভাগীয় প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত পদে যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে পদগুলো উন্মুক্ত প্রার্থীদের মধ্য থেকে পূরণ করা হবে। সরাসরি নিয়োগে উন্মুক্ত প্রার্থীদের বয়স অনূর্ধ্ব ৩০ বছর। তবে বিভাগীয় প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ৪৫ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য।

প্রাথমিক শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের অপর একটি পদ ‘ইনস্ট্রাক্টর’। উপজেলা/থানা রিসোর্স সেন্টারের ইনস্ট্রাক্টরের ৫০৫টি পদে নিয়োগে মোট পদের ৩৫ শতাংশ পদোন্নতির মাধ্যমে এবং ৬৫ ভাগ পদ সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে পূরণ করার কথা বলা হয়েছে নতুন নিয়োগ বিধির খসড়ায়। তবে পদোন্নতিযোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে পূরণ করা হবে। পদোন্নতির জন্য উপজেলা/থানা রিসোর্স সেন্টারের সহকারী ইনস্ট্রাক্টর/পরীক্ষণ বিদ্যালয়ের শিক্ষক পদে নূ্ন্যতম ৭ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা দ্বিতীয় শ্রেণির বিএডসহ দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। সরাসরি নিয়োগে বয়স ৩০ বছর, তবে বিভাগীয় প্রার্থীদের বয়সের কোনো উল্লেখ নেই।

ইউআরসির সহকারী ইনস্ট্রাক্টরের ৫০৫টি পদে নিয়োগও একই নিয়মে হবে। তবে এখানেও বিভাগীয় প্রার্থী বলতে শুধু প্রধান শিক্ষকদের বোঝানো হয়েছে। দেশের ৬৭টি পিটিআইয়ে ইনস্ট্রাক্টর সাধারণ ও বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক ইনস্ট্রাক্টর পদেও প্রাথমিক শিক্ষকদের বিভাগীয় পদোন্নতির বিধান রাখা হয়নি।

প্রধান শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম বলেন, স্বাধীনতা-পরবর্তী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক পদোন্নতি পেয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ডিপিইও) পর্যন্ত হতে পারতেন। কিন্তু কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগবিধি-১৯৮৫ এর ফলে শিক্ষকদের পদোন্নতির পথ রুদ্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে পিএসসির নিয়োগবিধি ১৯৯৪ জারি হলে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদে সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকরা বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে ৪৫ বছর বয়স পর্যন্ত আবেদন করতে পারতেন।

২০০৩ সালের সরকারি গেজেটেও সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদে বিভাগীয় প্রার্থী বলতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকদের কথা বলা হয়েছে এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদে বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের বোঝানো হয়েছে। সর্বশেষ নিয়োগ পর্যন্ত এভাবেই চলছে।

এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক সমিতির সিনিয়র যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাস বলেন, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদে পদ্দোন্নতি শুধু প্রধান শিক্ষকদের মধ্য থেকে সিনিয়ারটির মাধ্যমে পাওয়া উচিত। এক্ষেত্রে বয়সের যে বার দেয়া হয়েছে তাতে প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতি চিরতরে বন্ধ হওয়ার পথে। সহকারী শিক্ষক হতে যেমন শতভাগ প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি দেয়া হচ্ছে ঠিক তেমনি প্রধান শিক্ষক হতে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদে শতভাগ পদোন্নতির জোর দাবী করেন।

তিনি আরও বলেন,সারা দেশের প্রধান শিক্ষকরা ক্ষুব্ধ। ৪৫ বছর বয়সের বেড়াজাল হতে প্রধান শিক্ষকরা মুক্ত হতে চাই। আর এ পদোন্নতির ক্ষেত্রে সকল প্রধান শিক্ষককে ঐক্যবদ্ধ হবার অনুরোধ করেন।

চট্রগ্রামের সিনিয়ার প্রধান শিক্ষক সবিনয় দেওয়া বলেন,৪৫ বছর বার মানিনা। রীট এর প্রস্থুতি নিন।

কুমিল্লার শিক্ষক নেতা শাখাওয়াত হোসেন বলেন,১০০ ভাগ পদোন্নতি চাই।

মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন,প্রধান শিক্ষকদের 100% পদোন্নতি চাই ।পঁয়তাল্লিশের বাধা মানিনা মানবোনা। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বলছি দয়া করে আর আমাদের সাথে তামাশা করবেন না । এভাবেই 26 বছর গত হয়েছে। তবে আর নয়।

প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি রিয়াজ পারভেজ বলেন, মেধাবীদের ধরে রাখতে হলে তাদের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা অনুযায়ী পদোন্নতির সুযোগ দিতে হবে। সব পদে যোগ্যতা, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে শতভাগ পদোন্নতি দেয়া উচিত।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সমন্বিত নিয়োগ বিধি ২০২০ প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতি পথ রুদ্ধ

২৫৮৯ AUEO পদে হবে সরাসরি নিয়োগ!!!!!!!।
ডেস্ক,১১ অক্টোবর:
সমন্বিত নিয়োগ বিধিমালা ২০২০ এ প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতি র পথ রুদ্ধ হতে চলেছে। অনুমোদনের জন্য অপেক্ষারত প্রস্তাবিত নীতিমালায় ০৩ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন এবং অনূর্ধ্ব
৪৫ বছর পর্যন্ত প্রধান শিক্ষক বৃন্দ বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে সরাসরি নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদে নিয়োগ পেতে পারবেন।
আবারো ৪৫ বছর বয়সের ফ্রেমে বাঁধা পড়তে যাচ্ছে জ্যেষ্ঠতা, অভিজ্ঞতা, দক্ষতা এবং সকল প্রশিক্ষণ।
সূত্র মারফত জানা যায়” সমন্বিত নিয়োগ বিধিমালা ২০২০ অনুমোদনের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের রয়েছে। যেকোনো সময় চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে উঠতে পারে বলে সূত্রে প্রকাশ।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে বাংলাদেশের সকল চাকরিজীবীদের ফিডারপোস্ট থেকে জ্যেষ্ঠতা ও গ্রেডেশন এর মাধ্যমে ঊর্ধ্বতন পদে পদোন্নতি পেয়ে থাকেন।
শুধুমাত্র এবং একমাত্র ব্যতিক্রম প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক বৃন্দ। সহকারী শিক্ষকবৃন্দ
চাকুরী শেষ দিন পর্যন্ত জ্যেষ্ঠতা ও গ্রেডেশন এর মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি পেয়ে থাকেন। আবার সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার গন চাকরির শেষ দিন পর্যন্ত জ্যেষ্ঠতা ও গ্রেডেশন এর মাধ্যমে উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদে এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসার সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার পদে। সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার পদে চাকরি শেষ দিন পর্যন্ত জ্যেষ্ঠতা এবং গ্রেডেশন এর মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়ে থাকেন। ব্যতিক্রম শুধুমাত্র প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের ক্ষেত্রে কিন্তু কেন?!!!!!!!! আমাদের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট আমাদের বিনীত প্রশ্ন কিন্তু কেন?
১৯৯৪ সালের একটি কালো আইনের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষকবৃন্দের সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদে পদোন্নতির পথ রুদ্ধ করে দিয়ে চালু করা হয়েছিল সরাসরি নিয়োগ পদ্ধতি।
তারই ধারাবাহিকতায় ২০২০ সালেরও পদোন্নতির পথ রুদ্ধ করে সরাসরি নিয়োগ প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন হতে চলেছে। প্রধান শিক্ষকবৃন্দ ১৯৯৪ সাল থেকে
“অভিশপ্ত ব্লকপোষ্ট” নতুন নিয়োগ বিধিমালাও ব্লক পোষ্টই থেকে গেল।
সদাশয় উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট আমাদের অনুরোধ সমূহ,
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের প্রণীত জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ এ প্রধান শিক্ষকসহ সর্বস্তরের শিক্ষকদের পদোন্নতির দ্বার
উম্মোচন করে দেয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, জাতীয় শিক্ষানীতিতে জ্যেষ্ঠতা, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণকে পদ্ধতির মূল ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়েছে। সুতরাং নিয়োগ বিধিমালায় ৪৫ বছরের বাধা দূর করে জাতীয় শিক্ষানীতির আলোকে জ্যেষ্ঠতা, অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণকে পদন্নতির মুল ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করার জন্য আপনাদের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। সদাশয় উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট আমাদের বিনীত বিনীত অনুরোধ
১) রুদ্ধ পদোন্নতির পথ উন্মুক্ত করে দিন
২) প্রধান শিক্ষকদের ২৬ বছরের বঞ্চনার যন্ত্রণা নিরসন করুন।
৩)ব্লক পোস্টকে উন্মুক্ত করে দিন।
৪) সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদে পরীক্ষার মাধ্যমে সরাসরি নিয়োগ নয় বরং উক্ত পদে শতভাগ পদোন্নতি প্রদান করুন।
৫) ব্লকপোষ্টের অভিশাপ থেকে আমাদের মুক্তকরেদিন।

লিপি খাতুন
প্রধান শিক্ষক
প্রতিভাময়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
দিঘলিয়া খুলনা।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

স্কুলেও পরীক্ষা ছাড়া ‘প্রমোশনের’ চিন্তা, আগামী সপ্তাহেই সিদ্ধান্ত

ডেস্ক,৯ অক্টোবর:

চলমান করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির কারণে এরই মধ্যে এইচএসসি সহ প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও জেএসএসি পরীক্ষা না নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এবার স্কুলেও বার্ষিক পরীক্ষা ছাড়াই ‘অন্য কোনো উপায়ে’ শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করে ওপরের শ্রেণিতে ‘প্রমোশনের’ চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, স্কুলের পরীক্ষা না নিয়ে ‘অন্য কোনো উপায়ে’ মূল্যায়ন করা হবে কি-না, বা হলে কীভাবে হবে, সেটি সামনের সপ্তাহেই জানানো হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বোর্ড কর্মকর্তারা জানান, সরকারের চিন্তা ছিল যদি অক্টোবর-নভেম্বরে স্কুল খোলা সম্ভব হতো তাহলে পাঠ্যসূচি কাটছাঁট করে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের কোনো রকম একটি মূল্যায়ন পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের উপর শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করা। কিন্তু করোনা পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

এর আগে গত বুধবার করোনার সংক্রমণ ঝুঁকি এড়াতে এবারের এইচএসসি পরীক্ষা না নিয়ে শিক্ষার্থীদের জেএসসি, জেডিসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এদিন এইচএসসি পরীক্ষার সিদ্ধান্তের বিষয়ে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এসব তথ্য জানান।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে পরিস্থিতিতে নভেম্বরেও বিদ্যালয় খোলা সম্ভব হবে না। এমন পরিস্থিতিতে স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা না নিয়ে কিছু বিষয়ের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করে ওপরের শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করা হতে পারে। এ ক্ষেত্রে গত ১৬ মার্চ পর্যন্ত আড়াই মাসের ক্লাসসহ আরো কিছু বিষয় মূল্যায়ন করা হতে পারে।

এর আগে চলতি বছর করেনার কারণে উচ্চ মাধ্যমিকে (এইচএসসি) পরীক্ষা বাতিল করা হয়। বিগত জেএসসি এবং এইচএসসির ফল মূল্যায়ন করে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর এইচএসসির ফল নির্ধারণ করা হবে বলে জানানো হয়। এমন সিদ্ধান্তে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে উচ্চমাধ্যমিকের দুই বছরের পড়াশোনার বিষয়ে কোনো মূল্যায়ন না থাকায় ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের ওপর তার প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন শিক্ষাসংশ্লিষ্ট অনেকে। এ সিদ্ধান্তে অনেক পরীক্ষার্থী খুশি হলেও, কেউ কেউ অসন্তুষ্টও হয়েছে।

উল্লেখ্য, মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। গত ১ এপ্রিল এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর কথা ছিল। করোনার কারণে তা স্থগিত করা হয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

যেসব প্রাথমিক শিক্ষকদের তথ্য চেয়েছে ডিপিই

নিজস্ব প্রতিবেদক,২ অক্টোবর:
জাতীয়করণ হওয়ার দীর্ঘদিন পরও কোন কোন বিদ্যালয়ের কতজন প্রাথমিক শিক্ষক কী কারণে এখনও গেজেটভুক্ত হতে পারেননি এ সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
সেই অনুযায়ী ছক মোতাবেক তথ্য পূরণ করে তা আগামী ১৫ অক্টোবরের মধ্যে তথ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে জেলা শিক্ষা অফিসারদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি জারি করা হয়।

চিঠিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ ঘোষণার পর তিনটি ধাপে ২৬ হাজার ১৯৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করা হয়। পরবর্তী সময়ে ওই সব বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আত্তীকরণ করা হয়। লক্ষ্য করা যায় যে, দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলার নতুন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোনো কোনো শিক্ষক গেজেটভুক্ত/সরকারিকরণ না হওয়ায় তারা তাদের চাকরি সরকারিকরণের জন্য বিভিন্ন সময় মন্ত্রণালয়ের আবেদন দাখিল করেছেন।

ছক অনুযায়ী জেলা উপজেলা ও থানা-ভিত্তিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা, বিদ্যালয়ের নামসহ আত্তীকরণ হওয়া শিক্ষকের নাম ও শিক্ষাগত যোগ্যতা, আত্তীকরণ না হওয়া শিক্ষকের নাম, আত্তীকরণ না হওয়ার কারণ উল্লেখ করতে চিঠিতে বলা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সকল শিক্ষা প্র‌তিষ্ঠা‌নের ছু‌টি ৩১ অ‌ক্টোবর পর্যন্ত

ঢাকা,১ অক্টোবর: করোনা পরিস্থিতির কারণে আরেক দফা বাড়ানো হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি। ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে দেশের সব স্কুল-কলেজসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় এই সিদ্ধান্ত নিল সরকার।

বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা আবুল খায়ের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তিনি জানান, বিশ্বব্যাপী চলমান মহামারী করোনার কারণে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

এর আগে বুধবার করোনাকালীন শিক্ষার বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ছুটি বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি আরও বাড়ছে। আজ সেই ঘোষণা এল।

প্রসঙ্গত, করোনার কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি চলছে। সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি আছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিগগিরই খুলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

করোনাভাইরাস মহামারীর এই সময়ে স্কুল-কলেজ কবে নাগাদ খোলা হবে এবং পরীক্ষা কবে হবে, সেই সিদ্ধান্ত ‘খুব শিগগিরই’ আসছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।
মঙ্গলবার ঢাকার সেগুন বাগিচায় আন্তর্জাতিক ভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নে একথা জানান তিনি।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কবে খুলবে- জানতে চাইলে দীপু মনি বলেন, “স্কুল কবে খুলবে, পরীক্ষা কবে হবে, সেটা আপনাদের খুব শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে।

“আগামীকাল সাংবাদিকদের সঙ্গে একটা মতবিনিময় সভা হবে। সেখানে আমি আপনাদের যে প্রশ্ন থাকবে, সেগুলোর জবাব দেব।”
করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। ছুটি বাড়তে বাড়তে আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত ঘোষণা করা আছে।

পিইসি, জেএসসি পরীক্ষা বাতিল করা হলেও এখনও ঝুলে আছে এইচএসসি পরীক্ষা।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার মতো পরিস্থিতি এখনও হয়নি বলে সম্প্রতি মত জানিয়েছিল কোভিড-১৯ মোকাবেলায় সরকার গঠিত জাতীয় পরামর্শক কমিটি।

তবে এক সপ্তাহ আগে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব খোন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেছিলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার কথা ভাবা হচ্ছে।

তবে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

এদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন বিবেচনায় রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিগগিরই ক্লাস শুরুর উপর গুরুত্ব দিচ্ছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পাচ্ছেন না জাতীয়করণ করা প্রাথমিক শিক্ষকরা

‌নিজস্ব প্রতি‌বেদক,২৯ সে‌প্টেম্বরঃ
সরকারি হওয়ার দিন থেকেই চাকরিকাল গণনা ধরেই টাইম স্কেল দেওয়ার চূড়ান্ত নির্দেশনা দিয়েছে অর্থ বিভাগ। ফলে চাকরির শুরু থেকে পঞ্চাশ শতাংশ চাকরিকাল হিসেবে কোনও সুবিধা পাচ্ছেন না নব্য জাতীয়করণ করা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। আর যারা ৫০ শতাংশ চাকরিকাল ধরে টাইম স্কেল নিয়েছেন তাদের অতিরিক্ত টাকাও ফেরত দিতে হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয় গত ২৪ সেপ্টেম্বর এ সংক্রান্ত পত্র প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর পাঠিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে পাঠানো চিঠি হিসাব মহাপরিদর্শকের কাছেও পাঠানো হয়েছে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান সরকারের সময় তিন দফায় ২৬ হাজার ১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হয়। প্রথম দফায় ২০১৩ সালে এবং আরও দুই ধাপে ২০১৪ সালের মধ্যে জাতীয়করণ করা হয়। জাতীয়করণ করা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আত্তীকৃত প্রাথমিক শিক্ষকরা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরির শুরুর সময় থেকে চাকরিকাল অর্ধেক গণনা করে টাইম স্কেল-সিলেকশন গ্রেড দাবি করে আসছিলেন।

২০১৫ সালের জাতীয় পে-স্কেল অনুযায়ী চাকরির ১০ বছরে এবং পরবর্তী ৮ বছরের উচ্চতর গ্রেড নির্ধারণ করে সরকার। সেই হিসেবে জাতীয়করণের পর থেকে কোনও শিক্ষকের ১০ বছর পূর্ণ হয়নি। ফলে চাকরির শুরু থেকে চাকরিকাল গণনা না করলে সিলেকশন গ্রেড পাবেন না কোনও শিক্ষক। এই কারণে জাতীয়করণের আগে চাকরির শুরু সময় থেকে চাকরিকাল গণনা করে টাইম স্কেল/সিলেকশন গ্রেড দাবি করেন শিক্ষকরা। এই দাবিতে উচ্চ আদালতে অনেকগুলো মামলাও করেছেন তারা। মামলাগুলো চলমান রয়েছে।

অর্থ বিভাগের উপ-সচিব রওনক আফরোজা সুমা স্বাক্ষরিত গত ২৪ সেপ্টেম্বরের চিঠিতে জানানো হয়, জাতীয়করণ করা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জাতীয়করণের আগের চাকরিকাল গণনা করে টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড প্রদানের কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি। অর্থ বিভাগের ২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর ১৫৫ নম্বর স্মারকের সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদ আলোচ্য ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক নয়। ফলে এ সংক্রান্ত পত্রালাপে আরও সতর্কতা অবলম্বনের প্রয়োজনীয়তা ছিল। অর্থ বিভাগের জারি করা গত ১২ আগস্টের সিদ্ধান্ত সঠিক আছে। বিধায় সেই অনুযায়ী কার্যক্রম গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

অর্থ বিভাগের গত ১২ আগস্টের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, জাতীয়করণ করা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক (চাকরির শর্তাদি নির্ধারণ) বিধিমালা, ২০১৩ -এর বিধি ২(গ) উল্লেখিত ‘কার্যকর চাকরিকাল’ একই বিধিমালার বিধি ১০-এ উল্লিখিত শুধু পেনশন গণনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অর্থ বিভাগের সম্মতি গ্রহণ না করে উল্লিখিত বিধিমালার ২(গ), ৯ এবং ১০ এর ব্যত্যয় ঘটিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০১৪ সালের ৫ জুন জারি করা পরিপত্রের টাইম স্কেল গণনা সংক্রান্ত ৩.০১ অনুচ্ছেদ বিধিসম্মত নয়। বিধায় এ সংক্রান্ত মঞ্জুর আদেশ সংশোধনপূর্বক অতিরিক্ত প্রদানকৃত অর্থ কর্মচারীদের কাছ থেকে আদায়যোগ্য।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, উল্লিখিত বিষয়ে আর্থিক সংশ্লেষ ছিল বিধায় অর্থ বিভাগের সম্মতি ছাড়া হিসাবরক্ষণ অফিসগুলো টাইম স্কেল প্রদান সংক্রান্ত বিল পাস করা জিএফআর বিধি ৫০ এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। বিধায় মহা হিসাব নিয়ন্ত্রককে দায়ী কর্মচারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি অতিরিক্ত পরিশোধিত বিধি মোতাবেক আদায়ের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

জাতীয়করণকৃত সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের টাইমস্কেল বাতিল

‌নিজস্ব প্র‌তি‌বেদক,২৭ সে‌প্টেম্বরঃ জাতীয়করণকৃত সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের টাইমস্কেল বাতিল ও এ বাবদ গৃহিত অতিরিক্ত টাকা ফেরতের বিষয়টি পূনর্বিবেচনার প্রস্তাব নাকচ করে দিলো অর্থ মন্ত্রণালয়।

 

মন্ত্রণালয়ের উপ সচিব রওনক আফরোজা সুমা স্বাক্ষরিত ২৪ সেপ্টেম্বরের পত্রে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের বিষয়টি পূণর্বিবেচনার প্রস্তাব নাকচ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও হিসাব মহানিয়ন্ত্রক কে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিগত ১২ আগষ্ট তারিখের পত্রে জাতীয়করণকৃত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের গৃহিত টাইমস্কেল বিধিসম্মত নয় বলে এ বাবদ গৃহিত অর্থ আদায়ের নির্দেশনা দেয়া হয়।

নির্দেশনা পূনর্বিবেচনা করে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ( চাকরীর শর্তাদি নির্ধারণ ) বিধিমালা ২০১৩ এর ২ (গ ) ৯ এর ( ১,২,৩ ) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ৮৮৯ নং পত্র ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের ১৫৫ নং পত্রের আলোকে সহকারী শিক্ষকদের টাইমস্কেল এবং প্রধান শিক্ষকদের উভয় পদের সমষ্টির ভিত্তিতে দেয় টাইমস্কেল বৈধ মর্মে মতামত প্রদান করে হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের দপ্তর হতে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পত্র প্রেরন করা হয়। অতিরিক্ত মহাহিসাব নিয়ন্ত্রক ফাতেমা ইয়াসমিন এর ৬ সেপ্টেম্বর তারিখের পত্রে এ মত প্রদান করা হয়।

অর্থ মন্ত্রনালয়ের ২৪ সেপ্টেম্বর তারিখের পত্রে বলা হয়েছে, ইতিপূর্বে মন্ত্রণালয় হতে জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের টাইমস্কেল বা সিলেকশনগ্রেড প্রদানের জন্য কোন পত্র প্রদান করা হয়নি৷ এছাড়াও মন্ত্রণালয়ের ১৫৫ নং পত্রটি বিষয়ের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

পত্রে আরও বলা হয়েছে, এ বিষয়ে পত্রালাপে আরও সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন ছিল।

এ পত্রের প্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয়ের ১২ আগস্ট তারিখের ৯২ নং পত্রের আলোকে জাতীয়করণকৃত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের গৃহিত টাইমস্কেল বাতিল ও এ বাবদ গৃহিত অতিরিক্ত টাকা আদায়ের ব্যাবস্থা গ্রহনের আদেশটি বহাল রইল।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম বলেন, ‘সম্মানিত সহজ সরল নবজাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের ভ্রান্ত ধারণা দিয়ে,আইনের অপব্যাখ্যা দিয়ে সরকারি প্রচলিত আইন ও বিধির বাইরে টাইমস্কেল নেয়ানো এবং পদোন্নতি ও জৈষ্ঠতা নিয়ে ৫০% সিনিয়রিটি কাউন্ট করার বিষয়ে কিছু নবজাতীয়করণকৃত নেতৃবৃন্দ শতশত মামলা করে নিরীহ শিক্ষকদের অনেক ক্ষতি করেছেন,বিভিন্ন অফিসে দেয়ার নামে বিধিবর্হিভূতভাবে শিক্ষকদের অর্থ নিয়ে কিছু কর্মকর্তাদের লাভবান করেছেন এবং তারা নিজেরা লাভবান হয়েছেন,সাধারণ শিক্ষকদের বিপদের মধ্যে ফেলেছেন।যা অত্যন্ত দুঃখজনক।আমরা অবশ্যই প্রচলিত আইন এবং বিধি মোতাবেক তাদের দাবী ও অধিকারের সাথে একমত।’

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি হচ্ছে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত!

ডেস্ক,২৭ সেপ্টেম্বর:
করোনা সংক্রমণরোধে বন্ধ রয়েছে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। গত ১৭ মার্চ থেকে কয়েক ধাপে বাড়িয়ে আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত এ ছুটি চলমান রয়েছে। তবে নতুন করে জানা গেছে, আবারও বাড়ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি।

আরো খবর

প্র্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা পদোন্নতি পাচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের খবর, করোনাভাইরাস পরিস্থিতির মধ্যে শিক্ষার্থীদের ঝুঁকির মধ্যে না ফেলতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানোর চিন্তাভাবনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন করে আরো কতদিন ছুটি বাড়ানো হবে সে বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের টেকনিক্যাল কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঘোষণা দেয়া হবে বলে।

তবে সূত্র জানিয়েছে, নতুন করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আরো ১৫ দিনের মতো ছুটি বাড়ানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে, সেই হিসেবে ছুটি ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত হবে। তবে এটি একমাসও বৃদ্ধি করা হতে পারে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় ছুটি বাড়ানো হচ্ছে। এ বিষয়ে আগামী ৩ অক্টোবরের আগে সিদ্ধান্ত নিয়ে ঘোষণা দেয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি কতদিন বাড়ানো হবে সে বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি, টেকনিক্যাল কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ছুটি বাড়ানো হবে।’

তিনি বলেন, ‘আগামী ৬ মাস থেকে এক বছরের মধ্যে শতভাগ করোনামুক্ত হওয়া সম্ভব নয়, শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে কতটা সফলতা আসছে সে বিষয়টিও ভাবা হচ্ছে। বর্তমানে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া দেশের সকল প্রতিষ্ঠান সচল হয়েছে। তাই শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে শিক্ষার্থীদের সেশনজটের অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দেয়া হচ্ছে কি না সেটিও আমাদের ভাবতে হচ্ছে।’

উল্লেখ্য, করোনার বিস্তার রোধে গত ১৭ মার্চ থেকে কয়েক ধাপে আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বন্ধ রয়েছে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ডিপিএড শিক্ষকদের বেতন জটিলতার সমাধান শিগগিরই

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম আল হোসেন বলেছেন, অন্যান্য সমস্যার মতো ডিপিএড প্রশিক্ষণ নেয়া শিক্ষকদের বেতনের সমস্যাটিও শিগগিরই সমাধান হবে। মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবকে (বিদ্যালয়) এ বিষয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ইনশাআল্লাহ শিক্ষকদের অন্যান্য সমস্যার মতো এটাও দ্রুতই সমাধান করা হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শুরু হচ্ছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ, বাড়বে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৫ সেপ্টেম্বর:
করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হচ্ছে বাংলাদেশে। যদিও স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, দেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে। যা মোকাবিলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কাজ করছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটিও। তথ্য অনুসন্ধানে দেখা গেছে, দেশে গত তিন সপ্তাহ ধরে দৈনিক শনাক্তের সংখ্যা দুই হাজারের নিচে নেমে এসেছে, অর্ধেকে নেমে এসেছে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যাও। পরীক্ষার সংখ্যা অনেক কম হলেও পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হারও নেমে এসেছে দৈনিক ১০% এর কাছাকাছিতে।

আরো পড়ুন
প্র্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা পদোন্নতি পাচ্ছে।

খোঁজে জানা গেছে, করোনা মহামারীর মধ্যে এখন পর্যন্ত যে খাতগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, এর অন্যতম হলো দেশের শিক্ষাব্যবস্থা। মহামারীর কারণে ইতোমধ্যেই বাতিল করা হয়েছে পিএসসি ও জেএসসি পরীক্ষা। আটকে আছে এইচএসসি পরীক্ষাও। সার্বিক বিবেচনায় এখনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি বলেই মনে করছেন শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানদের অনেকে। সার্বিক দিক বিবেচনা করে আবারও বাড়তে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি। মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর সূত্রে এমনটাই আভাস পাওয়া গেছে।

এর আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংক্ষিপ্ত পাঠ পরিকল্পনা প্রকাশ থেকেও । গত ১৬ সেপ্টেম্বর জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) আগামী ১ নভেম্বর থেকে ৩৯ দিনের জন্য প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির সংক্ষিপ্ত পাঠ পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন সে সেময় গণমাধ্যমকে জানান, ‘‘অক্টোবর ও নভেম্বরকে দুটো টার্গেট করে দুটি লেসন প্ল্যান তৈরি করেছি। পরিস্থিতি বিবেচনা করে নভেম্বর থেকে সংক্ষিপ্ত পাঠ-পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। অক্টোবরে খোলার বিষয়ে এখনও কোনও নির্দেশনা নেই। পরিস্থিতি উন্নতি হলে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর যদি নভেম্বরে স্কুল খোলা না যায় তাহলে প্রধানমন্ত্রী যেটি বলেছেন, আমাদের অটো পাস ছাড়া উপায় নেই।’’

অন্যদিকে বর্তমান পরিস্থতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া প্রজ্ঞার পরিচায়ক হবে না বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ব্যাপারে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ যারা আছেন, তারা সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্ব পরিস্থিতি বিবেচনা করে বলতে পারবেন। তবে আমরা যেটা মনে করি যে, করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি যতদিন উচ্চমাত্রায় থাকবে ততদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কোনো সুযোগ আছে বলে মনে করি না। কারণ, শিক্ষার্থীরা হচ্ছে আমাদের ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের সম্পদ। তাদেরকে কোনোভাবেই স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে ফেলা যাবে না। এ কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খোলার আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট যেসব প্রতিষ্ঠান আছে যেমন:- জাদুঘর, পাবলিক লাইব্রেরি, এগুলো খোলার আগে আরেকটু সতর্ক হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

সেক্ষেত্রে শুধু নিজেদের দেশের নয় বরং আশেপাশের দেশগুলো বিশেষ করে যেসব দেশে সংক্রমণের মাত্র অনেত বেশি তারা কি সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সেটাও দেখার দরকার আছে। অর্থাৎ, করোনা পরিস্থিতি আমাদেরকে যে অবস্থায় নিয়ে এসছে সেটি নিয়ে আমাদেরকে নিজেদের অভিজ্ঞতাকে বিশ্ব অভিজ্ঞতার সাথে যুক্ত করে সমন্বিতভাবে সিদ্ধান্ত নেয়াটা বাঞ্ছনীয়।

তিনি আরো বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ (সেকেন্ড ওয়েভ) নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছে সেটাও তাৎপর্যপূর্ণ। কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে সেটিকেও আমাদের বিবেচনায় রাখতে হবে। কারণ শীত আসন্ন। শীতের সময় সর্দি, কাশি এগুলো আরো বেড়ে যায়। যদি সেগুলো বেড়ে যায় আর করোনার সংক্রমণও থাকে তাহলে পরিস্থিতিতে যে জটিলতার দিকে যাবে সেটি সহজেই বোঝা যায়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, শিক্ষার্থীদেরকেও জীবনে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। ফলে বিভিন্ন অবস্থান থেকে হল বা বিশ্ববিদ্যালয় খোলার মতো বিভিন্ন দাবি তারা তোলে। এটা অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু আমাদের ভাবতে হবে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা। তাদের সাথে সাথে তাদের পরিবারের স্বাস্থ্যও সংশ্লিষ্ট। এখনও আমরা সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা পুরো মাত্রায় অর্জনের পথে আছি উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, শেষমেষ দুর্ভোগ-ভোগান্তি শিক্ষার্থী এবং তাদের পরিবারের উপরেই বড় আকারে বর্তায়। এ বিষয়সহ আরো অনেক কিছু ভেবেই আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

শীতে করোনার সম্ভাব্য প্রকপের বিষয়ে গুরাত্বারোপ করে ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ইউরোপ আমেরিকার শীতের সাথে আমাদের শীতের বিশেষ পার্থক্য থাকলেও শীতের বিষয়ে জীববিজ্ঞানী, ভাইরাসবিশেষজ্ঞরা যেটি বলেছেন সেটিকেও আমাদের বিবেচনায় রাখতে হবে।

শীতকালে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা আরো কঠিন হয়ে পড়ে উল্লেখ তিনি আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর চিন্তনের জায়গাটি, সেটিকে আমাদের উপেক্ষা করার কোনো কারণ নেই।

গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। কয়েক দফা বাড়িয়ে আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের এ সময় পাঠদানের ধারাবাহিকতা রাখতে সংসদ টিভি এবং বেতারে ক্লাস পরিচালনা ছাড়াও অনলাইনে পাঠদান অব্যাহত রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও চলছে অনলাইন পাঠদান প্রক্রিয়া।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমি‌কের প্রধান শিক্ষকরা পদোন্নতি পাচ্ছে।

৮০% জোষ্ঠতা ও ২০% সরাসরি নিয়োগেরে মাধ্যেমে
নিজস্ব প্রতিবেদক,২৫ সেপ্টেম্বর:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘ ২৬ বছর পর আবারো প্রধান শিক্ষকদের সরাসরি পদোন্নতি দেয়ার কাজ শুরু করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে করে প্রধান শিক্ষকদের পরবর্তী পদে পদোন্নতি দেয়া হবে। অর্থাৎ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক থেকে উপজেলা/থানা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা ও শিক্ষা কর্মকর্তা পদে পদোন্নতির পাওয়ার বদ্ধ দ্বার খোলার চিন্তাভাবনা করছে সরকার। এর আগে ১৯৯৪ সালে পদোন্নতির এই প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়।

জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে ৮০ শতাংশ প্রধান শিক্ষক পদ থেকে পদোন্নতি দেয়া হলেও বাকি ২০ শতাংশ বাইরে থেকে উন্মুক্ত প্রক্রিয়ায় নিয়োগ দেয়ার খসড়া করা হয়েছে। এ জন্য দীর্ঘ ২৬ বছর পর আবারও প্রধান শিক্ষকদের সরাসরি পদোন্নতি দেয়ার উদ্যোগ দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এ প্রসঙ্গে মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম আল হোসেন বলেন, প্রধান শিক্ষক থেকে পরবর্তী পদে পদোন্নতির সুযোগ থাকলেও ১৯৯৪ সালে পদোন্নতির এই প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেয়া হয়। কেন বন্ধ করা হয়, তার কোনো কারণ খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে সেটি আবার চালু হচ্ছে। তিনি বলেন, একটি সমন্বিত চাকরিবিধিমালা তৈরির মাধ্যমে আবারও সেটি চালু করা হবে। এক্ষেত্রে প্রধান শিক্ষকদের ৮০ শতাংশ জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে পদোন্নতি এবং ২০ শতাংশ সরাসরি প্রশাসনিক পদে নিয়োগ দিতে একটি খসড়া বিধিমালা তৈরি করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রশাসনিক উন্নয়ন সচিব কমিটিতে এটি যাবে। সেখানে খুঁটিনাটি বিস্তারিত আলোচনা হবে। পরবর্তীতে এটি চূড়ান্ত করে মন্ত্রিপরিষদে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।

খসড়া নীতিমালায় সহকারী শিক্ষকদের বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে ‘উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার’ পদে পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ রাখা হয়নি। এ প্রসঙ্গে আকরাম আল হোসেন বলেন, কেউ কোনো ব্লক পোস্টে আটকে থাকুক, সেটি চাই না। এতে কোনো প্রণোদনা থাকে না। শিক্ষকরাও ধাপে ধাপে উপরের পদে পদোন্নতি পাবেন। এজন্য পদোন্নতির সোপান তৈরি করা হচ্ছে।

জানা গেছে, সারাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকরা বর্তমানে দুটি শর্ত পূরণ করে বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে ‘উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার’ পদে পরীক্ষা দিতে পারেন। শর্ত দুটি হলো- শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকোত্তর ও বয়স ৪৫ বছরের মধ্যে। এভাবে অতীতে অনেক শিক্ষকই সুযোগ পেয়েছেন কর্মকর্তা হওয়ার। ১৯৮৫ সালের নিয়োগবিধি অনুযায়ী, সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক, পরবর্তীতে পদোন্নতি পেয়ে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা হওয়ার সুযোগ ছিল। ১৯৯৪ সালে নিয়োগবিধি সংশোধনের পর শিক্ষকদের এভাবে কর্মকর্তা হওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যায়।

বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের আওতাধীন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য তৈরি করা হচ্ছে ‘সমন্বিত নিয়োগবিধিমালা-২০২০’। বাংলাদেশ সরকারি প্রধান শিক্ষক সমিতির সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাস বলেন
এতে প্রাথমিক শিক্ষকদের মধ্যে শুধু প্রধান শিক্ষকদের জন্য এ সুযোগ রাখা হয়েছে। এতদিন প্রধান শিক্ষকরা ব্লক পোষ্টে চাকুরি করত।

তিনি আরো বলেন, ‘ শুধু সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি চালু ছিল। এবার প্রধান শিক্ষক থেকে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদোন্নতি চালু হলে প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে এক বিরাট পরিবর্তন সাধিত হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন বয়সের বাধা সেখানে না থাকে। প্রধান শিক্ষক হিসাবে যেন ৫৮ বছর বয়সেও পদোন্নতি দেয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, ‘সম্প্রতি সহকারী শিক্ষক থেকে শতভাগ প্রধান শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী সব পদে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করলে আমাদের মধ্যে তৈরি হওয়া হতাশা কেটে যাবে। সকলে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের চেষ্টা করবেন।’

অন্যদিকে বাংলাদেশ সরকারি প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি রিয়াজ পারভেজ বলেন, ‘আগে প্রধান শিক্ষকদের সব পদে যাওয়ার সুযোগ থাকলেও নিয়োগবিধি সংশোধন করায় সেই পথ রুদ্ধ করা হয়েছে। ফলে একই পদে থেকে চাকরিজীবন শেষ করতে হবে। প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতির জন্য ৪৫ বছর জুড়ে দেয়ায় থানা শিক্ষা কর্মকর্তা হওয়ার পর তাদের অবসরে চলে যেতে হবে। এটা খুবই দুঃখজনক।’

এদিকে খসড়া নিয়োগবিধি অনুযায়ী, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারের দুই হাজার ৫৮৯টি পদে নিয়োগে ৮০ শতাংশ বিভাগীয় প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। বাকি ২০ শতাংশ পদ উন্মুক্ত প্রার্থীদের মধ্য থেকে পূরণযোগ্য। বিভাগীয় প্রার্থী বলতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বোঝাবে। বিভাগীয় প্রার্থীদের প্রধান শিক্ষক হিসেবে ন্যূনতম তিন বছর চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বিভাগীয় প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত পদে যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে পদগুলো উন্মুক্ত প্রার্থীদের মধ্য থেকে পূরণ করা হবে। সরাসরি নিয়োগে বয়স অনূর্ধ্ব ৩০ বছর। বিভাগীয় প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ৪৫ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

জেলা পর্যায়ে ২৫ শতাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলে দেয়ার প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০:
করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) পরিস্থিতির মধ্যে জেলা পর্যায়ে ২৫ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলে দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন মাঠ পর্যায়ের শিক্ষক-কর্মকর্তারা।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে নিজ নিজ মন্ত্রণালয়কে সিদ্ধান্ত নিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ঘোষণা আসার পর মাঠ পর্যায়ে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শুরু করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তাদের মতামতের ভিত্তিতে ২৭ সেপ্টেম্বর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে সভা করে স্কুল খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বলেন, সারাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো কীভাবে চালু করা যায়, সে বিষয়ে সারাদেশের মাঠপর্যায়ের শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করে পরামর্শ নেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে আমরা বেশ কয়েকটি জেলার শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিয়ম করেছি। তারা বিভিন্ন ধরনের প্রস্তাব দিয়েছেন। অনেকে প্রথম ধাপে জেলা পর্যায়ের ২৫ শতাংশ বিদ্যালয় খুলে দেয়ার প্রস্তাব জানিয়েছেন। আরও অনেক জেলার সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে তারা সে সব পরামর্শ দেবেন, তার আলোকে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর মন্ত্রণালয়ে সভা করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, এরপর সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করে পরিস্থিতি বিবেচনার মাধ্যমে কবে থেকে বিদ্যালয় খোলা যায়, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। বর্তমানে বিদ্যালয়গুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে শিক্ষকদের নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

সূত্র জানায়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে নিজ নিজ মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেবে-মন্ত্রিপরিষদ সচিবের এমন ঘোষণার পর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন এবং সিনিয়র সচিব আকরাম-আল-হোসেন ভিডিও কনফারেন্সে দেশের বিভিন্ন জেলার শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শুরু করেছেন। প্রথম ধাপে রাজধানী ঢাকার স্কুলগুলো না খুলে মফস্বল পর্যায়ের ২৫ শতাংশ স্কুল খোলার পরামর্শ এসেছে। শহরের বিদ্যালয়গুলো বন্ধ থাকালেও এসব শিক্ষার্থী টিভি, রেডিওসহ নানা মাধ্যমে ক্লাস করার সুযোগ পাচ্ছে।

অন্যদিকে করোনা পরিস্থিতির কারণে বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় মফস্বলের শিক্ষার্থীরা পড়ালেখা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে তারা টিভি-রেডিও ক্লাসের সুযোগ পাচ্ছে না। এ কারণে শিক্ষক-কর্মকর্তারা মফস্বল পর্যায়ের ২৫ শতাংশ স্কুল খুলে দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সফটওয়্যার ‘আইবাস++’আপগ্রেড হলেই প্রাথমিক শিক্ষকদের উচ্চধাপে বেতন

ঢাকা,২২ সেপ্টেম্বর: সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নির্ধারণে সফটওয়্যার ‘আইবাস++’ আপগ্রেড হলেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা উচ্চধাপে বেতন পাবেন বলে জানিয়েছে সরকার।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ সফটওয়্যার আপগ্রেড অতিদ্রুত হবে।

মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন গ্রেড-১৪ (প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত) এবং বেতন গ্রেড-১৫ (প্রশিক্ষণবিহীন) থেকে বেতন গ্রেড-১৩ তে উন্নীত করে উচ্চধাপে নির্ধারণ করা হয়েছে।

‘বর্তমানে সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নির্ধারিত সফটওয়্যার ‘আইবাস++’ এর মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়। প্রাথমিক শিক্ষকদের উচ্চধাপে বেতন নির্ধারণের লক্ষ্যে ‘আইবাস++’ সফটওয়্যার আপগ্রেডের কাজ চলছে, যা শিগগিরই সম্পন্ন হবে। ’

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মাঠ পর্যায়ে ‘আইবাস++’ এ বেতন নির্ধারণে সাময়িক অসুবিধার বিষয়টি তাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, অতিদ্রুত ‘আইবাস++’ আপগ্রেড সম্পন্ন হবে ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা উচ্চধাপে বেতন পাবেন।

জনসংযোগ কর্মকর্তা রবীন্দ্রনাথ রায় জানান, চলতি বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন জাতীয় বেতন গ্রেড উন্নীত করে সরকার। বেতনগ্রেড উন্নীত করা হলেও বেতন ‘ফিক্সেশন’ করার সময় অনেকের বেতন কমে যায়। পরে এ বিষয়টির সমাধান চেয়ে অর্থ সচিবকে চিঠি দেয় মন্ত্রণালয়। অর্থ মন্ত্রণালয় উচ্চতর ধাপে শিক্ষকদের বেতন নির্ধারণের বিষয়ে সম্মতি দেয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিদ্যালয়) আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম শিক্ষাবার্তাকে বলেন, বেতন গ্রেড উন্নীতের দিন থেকেই নতুন গ্রেড কার্যকর হবে। তবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সফটওয়্যারের কারণে তাদের বেতন ফিক্সেশনে সমস্যা ছিল। বিষয়টি দ্রুতই সমাধান হবে বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, গ্রেড উন্নীত হওয়ার তথ্য সফটওয়্যারে ইনপুট দিলে তারা নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় আসবেন। তবে কেউই ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না। গ্রেড অনুযায়ী তারা বেতন-ভাতাদি ওই দিন থেকেই পাবেন।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter