Home » প্রাথমিক শিক্ষা

প্রাথমিক শিক্ষা

নারী কোটায় ২৯টি পদ সংরক্ষণের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক,২০ জানুয়ারী:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগে নারী কোটায় ভোলা জেলায় ২৯টি পদ সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ২০১৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদের চূড়ান্ত ফলাফলে নারী কোটায় ৬০ শতাংশ নিয়োগ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালকসহ চারজনকে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
ভোলার নিয়োগবঞ্চিত ২৯ নারীর দায়ের করা এক রিটের শুনানি নিয়ে সোমবার (২০ জানুয়ারি) হাইকোর্টের বিচারপতি এ এফ এম নাজমুল হাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মো. মনিরুল ইসলাম রাহুল ও অ্যাডভোকেট সোহরাওয়ার্দী সাদ্দাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

পরে আইনজীবী মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, সরকারি শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০১৩ এর ৭ বিধিতে বলা হয়েছে- সরাসরি নিয়োগযোগ্য পদগুলির ৬০ শতাংশ নারী প্রার্থীদের দ্বারা পূরণ করতে হবে। চূড়ান্ত ফলাফলে ৬১ জেলায় ১৮ হাজার ১৪৭ জন চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়, ওই ফলাফলে নারী প্রার্থীদের তুলনায় পুরুষ প্রার্থীদের বেশি নির্বাচিত করা হয়, যা উক্ত বিধি লঙ্ঘন করেছে।

একইভাবে ভোলা জেলায় সর্বমোট ৩৪৪ প্রার্থীকে চূড়ান্ত ফলাফলে নির্বাচিত করা হয়। তার মধ্যে ১২৭ জন নারী ও ২১৭ জন পুরুষ প্রার্থী নির্বাচিত করা হয়েছে। অথচ ৬০ শতাংশ নারী কোটা সংরক্ষণের হিসাবে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ২০৬ জন নারী প্রার্থী নির্বাচিত হওয়ার কথ
নিয়োগবঞ্চিত হওয়ায় ভোলা জেলার ২৯ প্রার্থী ৬০ শতাংশ নারী কোটায় নিয়োগের নির্দেশনা চেয়ে ওই রিট দায়ের করেন। রিটকারীদের মধ্যে রয়েছেন- ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার আকলিমা বেগম, মারজানা ইয়াসমিন, সুমনা দেবনাথ পূজা, নাসরিন আক্তার, রোকেয়া বেগম, রাবেয়া বেগম, আকলিমা বেগম, খাদিজা বেগম লিমা ও আছিয়া আক্তার লিজা।


আপডেট-প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক,২০ জানুয়ারী:

এবার পটুয়াখালী, মাদারীপুর ও সিরাজগঞ্জসহ আরও ১৪ জেলার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। এ-সংক্রান্ত এক রিটের শুনানি নিয়ে সোমবার এ আদেশ দেন হাইকোর্ট। জানা গেছে, এই ১৪ জেলার ফলাফল ৬ মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।
এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি নীলফামারী ও বরগুনার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে গত ২৪ ডিসেম্বরের নিয়োগ স্থগিত ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। একই দিন নওগাঁ ও ভোলা জেলায় শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করা হয়।

গত ১৪ জানুয়ারি দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে গত ২৪ ডিসেম্বর নিয়োগের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

২০১৯ সালের ৩০ জুলাই সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। পরে ওই বছরের ১ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশ থেকে ২৪ লাখ পাঁচজন প্রার্থী আবেদন করেন। প্রথম ধাপে ২৪ মে, দ্বিতীয় ধাপে ৩১ মে, তৃতীয় ধাপে ২১ জুন এবং চতুর্থ ধাপে ২৮ জুন লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

সেপ্টেম্বরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ লিখিত পরীক্ষায় ৫৫ হাজার ২৯৫ জন পাস করেন। গত ৬ অক্টোবর থেকে নিয়োগ পরীক্ষার মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়। মাসব্যাপী সারাদেশের সব জেলায় মৌখিক পরীক্ষা আয়োজন করা হয়। এ পরীক্ষায় ৬১ জেলায় ১৮ হাজার ১৪৭ জন চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হন।

১৬ ফেব্রুয়ারি নতুন শিক্ষকদের জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করতে বলা হয়েছে। ১৭ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি তাদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হবে। আর ১৯ ফেব্রুয়ারি নতুন নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের পদায়নের আদেশ জারি করা হবে। এরই মধ্যে হাইকোর্ট এ বিষয়ে রুল জারি করেন।


শিক্ষক নিয়োগ পাচ্ছেন প্রাথমিক শিক্ষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৮ জানুয়ারী:

দেশের বিভিন্ন জেলার পরিসংখ্যান অনুসারে, ৬১ জেলার মধ্যে ৫৫ জেলাতেই নারী কোটা পূরণ হয়নি। এ নিয়ে এরই মধ্যে উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে। দায়েরকৃত এই রিটের শুনানি নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল কেনো বাতিল ঘোষণা করা হবে না-তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

সূত্র মতে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬০ শতাংশের বেশি নারী শিক্ষক নিয়োগের বিধি থাকলেও তা মানা হয়নি। নারীর চেয়ে বেশি পুরুষ প্রার্থী নিয়োগের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। মাত্র ৪৭ শতাংশ নারীকে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ করা হয়েছে। আর ৫৩ শতাংশ নির্বাচিত হয়েছেন পুরুষ শিক্ষক। অথচ পুরুষ শিক্ষকের কোটা ২০ শতাংশ। আর পোষ্য কোটা ২০ শতাংশ।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের দাবি, নারী শিক্ষক কম নির্বাচন করা হলেও বিধিমালা ব্যত্যয় হয়নি। কারণ ঐসব জেলায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া যায়নি। তারা নিয়োগ নীতিমালার দ্বিতীয় অংশের যুক্তি তুলে ধরে বলেন, নীতিমালায় বলা আছে- যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে সাধারণ প্রার্থীদের দ্বারা পূরণের কথা বলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সেটাই হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে কোটা নিয়ে অধিদপ্তরের ‘আসল’ ব্যাখ্যা

ডেস্ক

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ -২০১৮ এর বিভিন্ন কোটা সম্পর্কে ব্যাখ্যা প্রদান করছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সোহেল আহমেদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়।


প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

ডেস্ক

প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে অস্থায়ী ভিত্তিতে জনবল নিয়োগের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক উচ্চ বিদ্যালয় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

পদের নাম : প্রধান শিক্ষক

পদের সংখ্যা : ০১

শিক্ষাগত যোগ্যতা : স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে বি-এড সহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রী। কোন পর্যায়ে ৩য় বিভাগ/শ্রেণি গ্রহণযোগ্য নয়।

বয়স : সর্বোচ্চ ৬০ বছর
বেতন : আলোচনা সাপেক্ষে

পদের নাম : সহকারী প্রধান শিক্ষক

পদের সংখ্যা : ০১

শিক্ষাগত যোগ্যতা : স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে বি-এড সহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রী। কোন পর্যায়ে ৩য় বিভাগ/শ্রেণি গ্রহণযোগ্য নয়।

বয়স : সর্বোচ্চ ৬০ বছর
বেতন : আলোচনা সাপেক্ষে

আবেদনের ঠিকানা : প্রার্থীকে সভাপতি, ম্যানেজিং কমিটি, বাংলাদেশ ব্যাংক উচ্চ বিদ্যালয় বরাবর আবেদন করতে হবে।

সময়সীমা : সহকারী প্রধান শিক্ষক পদের জন্য ২২ ফেব্রুয়ারি এবং প্রধান শিক্ষক পদের জন্য ২৯ ফেব্রুয়ারি।


প্রাথমিকে ৫৫ জেলায় নারী কোটা পূরণ হয়নি

ডেস্ক,১৭ জানুয়ারী:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬০ শতাংশের বেশি নারী শিক্ষক নিয়োগের বিধি থাকলেও তা মানা হয়নি। নারীর চেয়ে বেশি পুরুষ প্রার্থী নিয়োগের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। মাত্র ৪৭ শতাংশ নারীকে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ করা হয়েছে। আর ৫৩ শতাংশ নির্বাচিত হয়েছেন পুরুষ শিক্ষক। অথচ পুরুষ শিক্ষকের কোটা ২০ শতাংশ। আর পোষ্য কোটা ২০ শতাংশ।

দেশের বিভিন্ন জেলার পরিসংখ্যান অনুসারে, ৬১ জেলার মধ্যে ৫৫ জেলায়ই নারী কোটা পূরণ হয়নি। পূরণ হয়েছে মাত্র ছয়টি জেলায়। ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এবার ১৮ হাজার ১৪৭ জন প্রার্থী নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হন। এর মধ্যে নারী শিক্ষক ৮ হাজার ৫৭০ জন যা মোট প্রার্থীর ৪৭ শতাংশ। আর পুরুষ প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন ৯ হাজার ৫৭৭ জন যা উত্তীর্ণ প্রার্থীর ৫৩ শতাংশ। ৬০ শতাংশ নারী কোটা নিয়োগ দেয়া হলে এ সংখ্যা হতো ১০ হাজার ৮৮৮ জন। সে হিসাবে নারী কম নির্বাচিত হয়েছেন ২ হাজার ৩১৮ জন।

নারী কোটা পূরণ না হওয়ায় এরই মধ্যে উচ্চ আদালতে রিট পিটিশনও দায়ের করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার নারী প্রার্থীদের কোটা পূরণ না হওয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একাধিক রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে। দায়েরকৃত এই রিটের শুনানি নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল কেন বাতিল ঘোষণা করা হবে না-তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে আদালত। ১০ দিনের মধ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এদিকে গতকালও বুধবার হাইকোর্ট নীলফামারী ও বরগুনার চূড়ান্ত ফল ছয় মাসের জন্য স্থগিত এবং ফল বাতিল প্রশ্নে রুল জারি করেছে আদালত। এই দুটি জেলায়ও নারী কোটা পূরণ করা হয়নি। বিচারপতি শেখ হাসান আরিফের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ এ রায় দেয়। ফলে এ নিয়োগ নিয়ে এক ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

তবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, নারী শিক্ষক কম নির্বাচন করা হলেও বিধিমালা ব্যত্যয় হয়নি। কারণ ওই সব জেলায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া যায়নি। তারা নিয়োগ নীতিমালার দ্বিতীয় অংশের যুক্তি তুলে ধরে বলেন, নীতিমালায় বলা আছে- যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে সাধারণ প্রার্থীদের দ্বারা পূরণের কথা বলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সেটাই হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আকরাম আল হোসেন বলেন, রিট পিটিশন দায়ের করার পর এখন আমাদের কী করণীয় তা বসে ঠিক করা হবে। রুলের জবাব দেয়া হবে। যে উপজেলায় ফল নিয়ে রিট পিটিশন হয়েছে শুধু সেসব জেলার নিয়োগ ছাড়া অন্য কোথাও নিয়োগে বাধা আছে বলে মনে করি না।

এ ব্যাপারে রিট পিটিশনারদের আইনজীবী মো. কামাল হোসেন ও রেজাউল করিম রেজা জানান, এই নিয়োগে ৬০ শতাংশের বেশি নারী নিয়োগের জন্য নির্বাচিত হবার কথা। কিন্তু ৬০ শতাংশ পূরণ হয়নি। নারীর চেয়ে পুরুষই বেশি নির্বাচিত হয়েছেন। ২০ শতাংশ যে পোষ্য কোটা রয়েছে সেখান থেকেও নারী নিয়োগের জন্য নির্বাচিত হবার কথা। কিন্তু পোষ্য কোটা আলাদাভাবে না দেখানোয় সেখানেও নারীদের বঞ্চিত করা হয়েছে।

আর মানবাধিকার কর্মী ও নিজেরা করির সমন্বয়কারী খুশি কবির বলেন, ৬০ ভাগ যোগ্য নারী শিক্ষক পাওয়া যায়নি এটা একটা খোঁড়া অজুহাত। এটা আমি মেনে নিচ্ছি না। যখন ৬০ ভাগ নারী শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়েছে তখন ৬০ শতাংশ যোগ্য নারী রয়েছেন বলেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তাহলে পরীক্ষার পর যদি বলা হয়ে থাকে যোগ্য নারী শিক্ষক পাওয়া যায়নি- এটা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারি না। আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে অনেক নিয়োগ হয়ে থাকে এ কারণে নারীরা পিছিয়ে থাকে। এ আর্থিক লেনদেনে নারীরা জড়িত থাকেন না, থাকতে পারেন না।

আসমা আক্তার নামে এক প্রার্থী বলেন, নারী প্রার্থীদের বঞ্চিত করার জন্য নীতিমালায় নতুন বাক্য যুক্ত করা হয়েছে। তিনি নীতিমালা পরিবর্তনের দাবি জানান।

ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় ১ হাজার ৭৬৬ জন শিক্ষক নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন। এর মধ্যে পুরুষ ১ হাজার ১৯ জন। আর নারী ৭৪৭ জন। খুলনা বিভাগের একটি জেলায়ও নারী কোটা পূরণ হয়নি।

চট্টগ্রাম বিভাগের ৮ জেলায় ৩ হাজার ৮২৫ জন শিক্ষক নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন। ৬০ শতাংশ দূরের কথা মোট উত্তীর্ণের মধ্যে নারীর চেয়ে পুরুষের সংখ্যা বেশি। পুরুষ নির্বাচিত হয়েছেন ২ হাজার ১৮৩ জন। আর নারী ১ হাজার ৬৪২ জন।

ঢাকা বিভাগের ১৩ জেলার মধ্যে মাত্র ঢাকা, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জ জেলায় নারী কোটা পূরণ হয়েছে। বাকি ৯টি জেলায় পূরণ হয়নি। ৩ হাজার ৭১৩ জন নির্বাচিত প্রার্থীর মধ্যে ২ হাজার ৮ জন নারী এবং ১ হাজার ৭০৫ জন পুরুষ।

বরিশাল বিভাগের ৬ জেলার কোনোটিতেই নারী কোটা পূরণ হয়নি। ১ হাজার ৯৪৯ জন নির্বাচিত প্রার্থীর মধ্যে ৮৮৮ জন নারী এবং ১ হাজার ৬১ জন পুরুষ।

ময়মনসিংহ বিভাগের ৪ জেলার মধ্যে ২টিতে নারী কোটা পূরণ হয়েছে। ১ হাজার নির্বাচিত প্রার্থীর মধ্যে ৫০৮ জন নারী এবং ৪৯২ জন পুরুষ।

রংপুর বিভাগের ৮ জেলার একটিতেও নারী কোটা পূরণ হয়নি। ২ হাজার ৪২২ জন নির্বাচিত প্রার্থীর মধ্যে ১ হাজার ২৯১ জন পুরুষ এবং ১ হাজার ১৩১ জন নারী।

রাজশাহী বিভাগের ৮ জেলার মধ্যে সবটিতেই নারীর চেয়ে বেশি পুরুষ প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। এ বিভাগে ১ হাজার ৯০৯ নির্বাচিত প্রার্থীর মধ্যে পুরুষ ১ হাজার ৭৪ এবং মহিলা ৮৩৫ জন।

আর সিলেট বিভাগের চিত্র একই। ১ হাজার ৫৩৬ শিক্ষকের মধ্যে নারী ৮১১ জন এবং পুরুষ প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন ৭৫২ জন।

গত বছরের ৩০ জুলাই সহকারী শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সরকার। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর সারাদেশ থেকে ২৪ লাখ প্রার্থী চাকরির জন্য আবেদন করেন। চার ধাপে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সেপ্টেম্বর মাসে ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ৫৫ হাজার ২৯৫ জন পাশ করেন। এই পরীক্ষায় ৬১ জেলায় ১৮ হাজার ১৪৭ জন নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হন। আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি নতুন শিক্ষকদের জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করার কথা।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ জানুয়ারী:

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ হয়েছে। ফল প্রকাশের পর সারাদেশে শিক্ষকদের নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হলেও দুই জেলায় এ কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

নিয়োগ কার্যক্রমে কোটা অনুসরণ না করার অভিযোগে আদালতে রিট দায়ের হওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে মন্ত্রণালয় জানায়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন বুধবার  বলেন, নওগাঁ ও ভোলা জেলায় নিয়োগ কার্যক্রমে নারী-পুরুষ কোটা অনুসরণ হয়নি বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার আদালতে এ বিষয়ে একটি রিট দায়ের হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমাদের আইনজীবীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তাকে রিট শুনানির কাগজ তুলতে বলা হয়েছে। আগামী ১০ দিনের মধ্যে আদালতে জবাব দেয়া হবে।
সচিব আরও বলেন, যেহেতু রিটে নওগাঁ ও ভোলা জেলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, এ কারণে এ দুটি জেলায় শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত রাখা হবে। বাকি সব জেলায় ঘোষণা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে চূড়ান্তভাবে পাস করা প্রার্থীদের যোগদান ও পদায়নের সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।

তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত প্রথাগত পরীক্ষা থাকছে না

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ জানুয়ারী:

প্রাক-প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসছে। শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান না কি অন্য শাখায় পড়বে, সেটা ঠিক হবে একাদশ শ্রেণিতে। এর আগে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত সবাইকে অভিন্ন ১০টি বিষয় পড়তে হবে।

বইয়ের সংখ্যাও এখনকার চেয়ে কমবে। বিষয়বস্তু বদলাবে। আর এসএসসি পরীক্ষা হবে শুধু দশম শ্রেণির পাঠ্যসূচির ভিত্তিতে। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে দুটি পাবলিক পরীক্ষা হবে, যার ভিত্তিতে এইচএসসির ফল প্রকাশ করা হবে।

এমন প্রস্তাব ও পরিকল্পনা নিয়ে প্রাক্-প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাক্রম পরিমার্জনের কাজ করছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। পরিমার্জিত শিক্ষাক্রম অনুযায়ী প্রথম, দ্বিতীয় ও ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা আগামী বছর নতুন পাঠ্যবই পাবে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শ্রেণিতে নতুন শিক্ষাক্রমে নতুন বই দেওয়া হবে। আগামী মার্চের মধ্যে শিক্ষাক্রম চূড়ান্ত করে পর্যায়ক্রমে ২০২৫ সালে গিয়ে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত পুরোপুরি শিক্ষাক্রম বাস্তবায়িত হবে।

এনসিটিবির সূত্রমতে, তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত প্রথাগত কোনো পরীক্ষা থাকবে না। এনসিটিবির সদস্য (প্রাথমিক শিক্ষাক্রম) অধ্যাপক এ কে এম রিয়াজুল হাসান শিক্ষাবার্তাকে বলেন, শিক্ষার্থীরা যাতে সক্রিয় শিখনের (একটিভ লার্নিং) মাধ্যমে নির্ধারিত দক্ষতাগুলো অর্জন করতে পারে, সেই বিষয় মাথায় রেখে শিক্ষাক্রম পরিমার্জন হচ্ছে।

তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত বিদ্যালয়ে ধারাবাহিক মূল্যায়ন হবে। এই চিন্তা থেকে হাতে-কলমে শেখানো যায় এমনভাবেই বইগুলো হবে। প্রাথমিক স্তরে বইয়ের নামেও পরিবর্তন আনার কথা ভাবা হচ্ছে। যেমন গণিত বইয়ের নাম হতে পারে ‘গণিতের মজা’।

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান আমিরুল আলম খান শিক্ষাবা্তাকে বলেন, যাঁরা পুরো শিক্ষাব্যবস্থাটা বোঝেন, তাঁদের দিয়ে যুগের উপযুক্ত শিক্ষাক্রম তৈরি করতে হবে।

চলতি মাসেই প্রাথমিকে ২৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি!

অনলাইন ডেস্ক:

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে নতুন শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ ধাপে সারাদেশে প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ে ২৬ হাজার ৩০০ জন শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আকরাম আল হোসেন এ বিষয়ে বলেন, নতুন করে আরো ২৬৩০০ জন প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। এ কার্যক্রম ইতিমধ্যে শুরু করা হয়েছে। তবে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নতুন নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা না করতে নিয়ম করা হয়েছে। তবে জানুয়ারি মাসের শেষের দিকেই এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি আসতে পারে বলে সূত্রে জানা গেছে।

প্রাথমিকে নতুন চুড়ান্তভাবে উত্তীর্ণদের নিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় চূড়ান্ত ফলাফলে উত্তীর্ণদের চলতি মাসেই পদায়ন দেয়া হবে। যোগদান পাওয়া এসব শিক্ষকদের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে ক্লাস করানোর দায়িত্ব দেয়া হবে।

প্রসঙ্গত, গত ডিসেম্বরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ-২০১৮ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়। সারাদেশে শূন্য আসনের ভিত্তিতে মোট ১৮১৪৭ জনকে চূড়ান্ত ফলাফলে নির্বাচন করা হয়। জানুয়ারির মাঝামাঝি থেকে নিজ নিজ উপজেলায় এসব শিক্ষকদের পদায়ন কার্যক্রম শুরু করা হবে।

জানা যায়, জানুয়ারি মাসের মধ্যে পদায়ন কার্যক্রম শেষ করা হবে। ফেব্রুয়ারি থেকে তাদের ক্লাস কার্যক্রম শুরু হবে।

প্রাথমিক শিক্ষকদের নতুন সিদ্ধান্ত অনূযায়ী এসব সহকারী শিক্ষকরা সরাসরি ১৩ গ্রেডে বেতন-ভাতা সুবিধা পাবে। তবে যোগদানের পর তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। আগে সহকারী শিক্ষকদের ১৫ গ্রেডে যোগদান করতে হত। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হলে তারা ১৪ গ্রেডে বেতন-ভাতা সুবিধা দেয়া হত। বর্তমানে যোগদানের পরেই প্রশিক্ষণ ছাড়াই সহকারী শিক্ষকদের ১৩ গ্রেডে বেতন-ভাতা দেয়া হবে।

এদিকে, সরকার প্রাথমিকের শিক্ষকদের যৌক্তিক দাবিগুলো বাস্তবায়ন দাবি করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেছেন, ইতোমধ্যে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের দুটি ধাপে বেতন বাড়ানো হয়েছে। শিগগিরই প্রধান শিক্ষকদের আরো এক ধাপ গ্রেড উন্নীত করা হবে। ভবিষ্যতে প্রধান শিক্ষকদের ১০ গ্রেড দেয়া হবে।

মঙ্গলবার গোপালগঞ্জে মিড-ডে-মিল উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী একথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শতভাগ শিক্ষার্থী ভর্তি নিশ্চিত করতে ও ঝরে পড়ার হার নির্মূলে মিড-ডে-মিল কার্যক্রম চালু করা হচ্ছে। বর্তমানে দেশের ১৬টি উপজেলার ২ হাজার ১৬৬ বিদ্যালয়ের ৪ লাখ ১০ হাজার ২৩৮ শিক্ষার্থীকে এ কার্যক্রমের আওতায় আনা হয়েছে।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে দেশের ১৬টি জেলায় একযোগে মিড-ডে-মিল উদ্বোধন করা হয়।

এর অংশ হিসেবে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ৩৩টি বিদ্যালয়ে কার্যক্রমের আওতায় আনা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড- ডে-মিল কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

জাকির হোসেন বলেন, শিক্ষকদের মধ্যে নানা ধরনের অসন্তোষ রয়েছে। বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে বিভিন্ন সময়ে তারা আন্দোলনে যুক্ত হয়েছেন। আমরা তাদের যৌক্তিক দাবিগুলো বাস্তবায়ন করছি। ইতোমধ্যে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের গ্রেড বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে প্রধান শিক্ষকদের ১১ গ্রেড ও সহকারী শিক্ষকদের ১৩ গ্রেডে উন্নীত করা হয়েছে। ভবিষ্যতে প্রধান শিক্ষকদের ১০ গ্রেড দেয়া হবে।

জাকির হোসেন বলেন, শিক্ষকদের যৌক্তিক সব দাবি-দাওয়া মেনে নেয়া হবে, তবে আমরা চাই, শিক্ষকরা আমাদের সন্তানদের সঠিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবেন। পরবর্তী প্রজন্মকে যদি সঠিক মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব না হয়, তবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ রক্ষা করা সম্ভব হবে না।

বর্তমানে শতভাগ ছেলেমেয়েরা স্কুলে ভর্তি হচ্ছে উল্লেখ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন বলেন, প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। বছরের প্রথম দিনে বিনামূল্যের বই বিতরণ, শিক্ষা উপকরণ ও প্রতিটি শিক্ষার্থীর মায়েদের হাতে উপবৃত্তি বাবদ অর্থ তুলে দেয়া হচ্ছে।

এর আগে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন এমপি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার নিলফা বয়রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কমলমতি শিশুদের মুখে রান্না করা খাবার তুলে দিয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: আকরাম-আল-হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতি: দায়িত্ব) সোহেল আহমেদ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) রতন চন্দ্র পন্ডিত, প্রকল্প পরিচালক রুহুল আমিন খান, বিশ্ব খাদ্য সংস্থার প্রতিনিধি মাহফুজ আলম, গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলী খান, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো: ইলিয়াস হোসেন, উপজেলা চেয়ারম্যান সোলায়মান বিশ্বাস, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাকিব হোসেন তরফদার, পৌর মেয়র শেখ আহম্মেদ হোসেন মির্জা, কুশলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খালিদ হোসেন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।


যেভাবে দেখবেন পিইসি-জেএসসির ফল

ডেস্ক,৩০ ডিসেম্বর:

প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা এবং জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফল মঙ্গলবার প্রকাশ করা হবে। কাল সকালে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী ও প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এ ফল হস্তান্তর করবেন। পরে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত ফল প্রকাশ করা হবে।

আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক জানান, বেলা ১২টায় নিজ নিজ কেন্দ্র বা প্রতিষ্ঠান থেকে এবং অনলাইনে জেএসসি ও জেডিসির ফল জানতে পারবে শিক্ষার্থীরা।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটের (www.dhakaeducationboard.gov.bd) রেজাল্ট কর্নারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন এন্ট্রি করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে। এছাড়া www.educationboard.gov.bd ওয়েবসাইট থেকেও রেজাল্ট কর্নারে গিয়ে বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে।

এছাড়া বেলা আড়াইটা থেকে সব জেলা, উপজেলা বা থানায় নিজ নিজ পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির মাধ্যমে প্রাথমিক সমাপনীর ফল পাওয়া যাবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের ওয়েবসাইট (www.dpe.gov.bd) ও (http://dperesult.teletalk.com.bd) এই ঠিকানায় পাওয়া যাবে প্রাথমিক সমাপনীর ফল। বেলা ১২টায় প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনীর ফল পাওয়া যাবে।

মোবাইল অ্যাপস থেকেও জেএসসি-জেডিসির ফল পাওয়া যাবে এই (www.educationboardresults.gov.bd) ঠিকানায়। বেলা আড়াইটায় জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার ফল পাওয়া যাবে।

মোবইলে পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির ফল পাওয়া যাবে যেভাবে-

প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার ফল

DPESTUDENT IDYEAR & SEND TO 16222
Example: DPE 1120194142432222 2019 & SEND TO 16222

ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফল

EBTSTUDENT IDYear & SEND TO 16222
Example: EBT 1120194142432222 2019 & SEND TO 16222

JSC পরীক্ষার ফল JSCBOARDROLLYEAR & SEND TO 16222 Example: JSC DHA 123456 2019 & SEND TO 16222

JDC পরীক্ষার ফল

JDCMADROLLYEAR & SEND TO 16222
Example: JDC MAD 123456 2019 & SEND TO 16222

এর আগে গত ১৭ থেকে ২৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষায় সারাদেশে ২৯ লাখ তিন হাজার ৬৩৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। দেশব্যাপী সাত হাজার ৪৫৮টি কেন্দ্রে তাদের পরীক্ষা নেওয়া হয়। এ সময় বহিষ্কৃত দুই শতাধিক শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়ে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ফল প্রকাশের নির্দেশনা দেন উচ্চ আদালত।

অন্যদিকে, জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় ২৬ লাখ ৬১ হাজার ৬৮২ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। সূচি অনুযায়ী, ২ থেকে ১১ নভেম্বর তাদের পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও ঘূর্ণিঝড়ের কারণে পরীক্ষা পিছিয়ে ১২ নভেম্বর নেওয়া হয়।

প্রাথমিকে ছুটি ৮৫ দিন।

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৯ ডিসেম্বর: অবশেষে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সময়সুচি কমানোর পাশাপাশি ছুটি ৮৫ দিন করার সিদ্ধান্ত নিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয় ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। গত ২৬/১২/২০১৯ ইং তারিখে অতিরিক্ত মহাপরিচালক সোহেল আহমেদ মহোদয়ের স্বাক্ষরিত পত্র হতে জানা যায়।
সুত্র জানায়, প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সাথে একাধিক শিক্ষক সংগঠন সময় কমানো ও ছুটি বৃদ্ধির দাবী জানিয়ে আসছিল। তারই ধারাবাহিকতায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ছুটির সাথে সমন্বয় করে প্রাথমিকের ছুটি ৮৫ দিন করা হল।

আরও পড়ুন

প্রাথমিকে সময়সুচি কমলো

ছুটি বাড়ানোয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাকির হোসেন মহোদয়, সচিব জনাব মোঃ আকরাম-আল-হোসেন মহোদয় ও মহাপরিচালক মহোদয়কে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির নীতি নির্ধারন কমিটির চেয়ারম্যন আলাউদ্দিন মোল্লা, সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ কুমার দাস, এস এম সাইদুল্লাহ , সিনিয়ার সহসভাপতি সনিবয় দেওয়ান,সাংগাঠনিক সম্পাদক খাইরুল ইসলাম প্রমুখ।

প্রাথমিকে সময়সুচি কমলো

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৯ ডিসেম্বর: অবশেষে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সময়সুচি কমানোর সিদ্ধান্ত দিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয় ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। গত ২৬/১২/২০১৯ ইং তারিখে অতিরিক্ত মহাপরিচালক সোহেল আহমেদ মহোদয়ের স্বাক্ষরিত পত্রে এ ঘোষনা আছে। ফেসবুকজুড়ে শিক্ষকদের মধ্যে এক ধরনের আনন্দ লক্ষ করা যায়।
সুত্র হতে জানা যায়, এক শিফট বিদ্যালয়গুলো প্রাক প্রাথমিক ৯ঃ৩০ হতে ১২ঃ০০, ১ম থেকে ২য় শ্রেণি ৯ঃ০০ হতে ১ঃ০০ টা,৩য়-৫ম শ্রেণি ৯ঃ০০-৩ঃ১৫ মিনিট । দুই শিফট বিদ্যালয়গুলো প্রাক প্রাথমিক ৯ঃ০০ হতে ১১ঃ৩০, ১ম ও ২য় শ্রেণি সকাল ৯ঃ০০ হতে ১১ঃ৫০, ৩য় থেকে ৫ম শ্রেণি ১১ঃ৩০ হতে ৪ঃ০০ মিনিট।
বার্ষিক কর্মঘন্টা ১ম ও ২য় শ্রেণি ৬২৭ ঘন্টা, ৩য় থেকে ৫ম শ্রেণি ৮৬১ ঘন্টা ২০ মিনিট।

আরো পড়ুন

প্রাথমিকে ছুটি ৮৫ দিন।

সময়সুচি কমানোয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাকির হোসেন মহোদয়, সচিব জনাব মোঃ আকরাম-আল-হোসেন মহোদয় ও মহাপরিচালক মহোদয়কে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি রিয়াজ পারভেজ, সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম,সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ কুমার দাস, রঞ্জিত ভট্রাচার্য,সিনিয়ার সহসভাপতি জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।


কর্মঘণ্টা নির্ধারণের দাবিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন

ডেস্ক,২৯ ডিসেম্বর:

রাজস্ব খাতভুক্ত ও কর্মঘণ্টা নির্ধারণের দাবিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দফতরি কাম প্রহরীরা। রোববার সকাল থেকে তারা এ কর্মসূচি পালন করছেন।
জানা গেছে, সকাল থেকে মিরপুরে প্রাথমিক অধিদফতরের প্রবেশ পথে অবস্থান নিয়েছেন দফতরি কাম প্রহরীরা। প্রায় দুশতাধিক আন্দোলনকারী প্রবেশ পথের সামনে অবস্থান নিয়ে নানা স্লোগান দেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অধিদফতরে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কর্মচারী সহায়ক সোসাইটির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি কে এম আজাহার মাহমুদ জানান, দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসলেও আমাদের চাকরি রাজস্বখাতে নেয়ার আশ্বাস দেয়া হচ্ছে কিন্তু বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না। কর্মঘণ্টা নির্ধারণ না থাকায় ২৪ ঘণ্টা বিদ্যালয়ের জন্য কাজ করতে হচ্ছে। বছরে যৌক্তিক ছুটিও দেয়া হচ্ছে না।

তিনি বলেন, সারাদেশে প্রায় ৬০ হাজার দফতরি কাম প্রহরী রয়েছেন। অনেক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দফতরি কাম প্রহরীদের দিয়ে বাড়ির ব্যক্তিগত কাজ করাচ্ছেন। বিদ্যালয়ের ভেতর-বাইরে কিছু হারিয়ে গেলে বেতন থেকে সে পরিমাণে অর্থ কেটে নেয়া হয়। আমরা এসব বৈষম্য আর মেনে নেব না। এ কারণে সবাই আন্দোলনে নেমেছি।

ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ গোল্ডেন এওয়ার্ড পেলেন দর্শনার লিটিল এনজেলস ইন্টাঃ স্কুল

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি,২৯ ডিসেম্বর: চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনার প্রানকেন্দ্রে অবস্থিত লিটিল এনজেলস ইন্টাঃ স্কুুল কে শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন কর্তৃক ‘জ্ঞানতাপস ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ গোল্ডেন এ্যাওয়ার্ড-২০১৯’ অর্জন করেছেন। বিদ্যালয়ের পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিকাশ কুমার দ্ত্ত। প্রধান শিক্ষক বিকাশ কুমার দত্ত বলেন লিটিল এনজেলস ইন্টাঃ স্কুল প্রতিষ্ঠা হবার পর থেকে দর্শনার শিক্ষার মান উন্নয়নে কাজ করছে। ২০১৮ সালে আমাদের প্রতিষ্ঠানটি দামুড়হুদা উপজেলায় সর্বোচ্চ ২৮ টি এ+ সহ ১৪ জন বৃত্তি পেয়েছে। ২০১৯ সালেও এ ধারাবাহিকাতা অক্ষুন্ন রাখবে বলে আমরা আশাবাদী।
বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক বলেন, ২০২০ সালকে আমরা হ্যান্ড রাইটিং দিবস ঘোষনা করেছি। সকল শিক্ষার্থী যেন হাতের লেখা সুন্দর করতে পারে সে লক্ষে কাজ করছি।
ঢাকা সেগুনবাগিচার কেন্দ্রীয় কচি-কাাঁচার মেলা মিলনায়তনে গত শনিবার রাতে “আদর্শ জাতি গঠনে শিক্ষাবিদ ও সুশীল সমাজের ভূমিকা” শীষক আলোচনা সভা, গুণীজন সম্মাননা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা আলহাজ্ব মো: আকবর হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্টের বিচারপতি শিকদার মকবুল হক। প্রধান আলোচক ছিলেন, সাবেক মন্ত্রী ও চেয়ারম্যান বিএলডিপি এম. নাজিম উদ্দিন আল আজাদ, উদ্বোধক ছিলেন আজকের সূর্যদয়’র সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার মোজাম্মেল হক (গেদু চাচা), বিশেষ অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ গণ আজাদীলীগের মহাসচিব মুহাম্মদ আতা উল্লাহ খান, বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শাহ আলম চুন্নু প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের মহাসচিব এমএইচ আরমান চৌধুরী।


প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন গ্রেড নিয়ে হাইকোর্টের রুল

ডেস্ক,৯ ডিসেম্বর:

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের (প্রশিক্ষিত ও অপ্রশিক্ষিত) পদমর্যাদা তৃতীয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করে ১১ ও ১২তম গ্রেড দিয়ে জারি করা প্রজ্ঞাপন কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।

সোমবার ৭৭ জন প্রধান শিক্ষকের করা এক রিট আবদনের শুনানি করে বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন শাম্মী আক্তার। তাকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী মো. জে আর খান (রবিন)।

আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে জনপ্রশাসন সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, অর্থসচিব ও পাবলিক সার্ভিস কমিশনসহ সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

জে আর খান রবিন জানান, ২০১৪ সালের ৯ মার্চ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন প্রধান শিক্ষকের পদমর্যদা তৃতীয় শ্রেণি থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করে বেতন স্কেল যথাক্রমে ১১ নম্বর ও ১২ নম্বর গ্রেডে উন্নীত করা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না- সে মর্মে জনপ্রশাসন সচিবসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে কেন প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষদের দমম গ্রেডে উন্নীত করাসহ, দশম গ্রেড অনুয়ায়ী বেতন স্কেল নির্ধারণ করা হবে না- সে মর্মেও রুল জারি করেন।

ওই প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জ করে টাঙ্গাইলের আতাবারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহানারা খাতুনসহ ৭৭ জন এ রিট দায়ের করেন।

শাম্মী আক্তার বলেন, ২০১৭ সালের ২০ এপ্রিল অর্থ মন্ত্রণালয়ের অফিস আদেশ অনুয়ায়ী তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির গ্রেড (১১-২০ পর্যন্ত) পদে নিয়োগ/পদোন্নতি/টাইম স্কেল/সিলেকশান গ্রেড প্রদানের জন্য প্রতিনিধি মনোনয়ন করা হয়।

কিন্তু ২০১৪ সালের ৯ মার্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন জারি করে প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করলেও তাদের গ্রেড দেওয়া হয়েছে ১১ ও ১২; যা অসাংবিধানিক।

জানা যায়, ২০১৭ সালের ২০ এপ্রিল অর্থ মন্ত্রণালয়ের অফিস আদেশ অনুয়ায়ী ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির গ্রেড (১১-২০ পর্যন্ত) পদে নিয়োগ/পদোন্নতি/টাইম স্কেল/সিলেকশন গ্রেড প্রদানের লক্ষ্যে প্রতিনিধি মনোনয়ন করা হয়। কিন্তু ২০১৪ সালের ৯ মার্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন জারি করে প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করলেও তাদের গ্রেড দেওয়া হয়েছে ১১ ও ১২ যা অসাংবিধানিক।


Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter