প্রাথমিক শিক্ষা

১৭৪ সহকারী শিক্ষককে ৪ জেলায় বদলি

নিজস্ব প্রতিবেদক,২০ এ্রপ্রিল: দেশের বিভিন্ন উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৭৪ জন সহকারী শিক্ষককে বদলি করা হয়েছে। গত ৩১ মার্চ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের (ডিপিই) পলিসি ও অপারেশন পরিচালক খান মো. নুরুল আমিন স্বাক্ষরিত আদেশটি শনিবার ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।

বদলির আদেশে বলা হয়, শূন্য পদের বিপরীতে বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে চট্টগ্রামে ৫২ জন, খুলনায় ২৩ জন, গাজীপুরে ৩৬ জন এবং রংপুরে ৬৩ জন শিক্ষককে এসব জেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি করা হলো। ডিপিই মহাপরিচালকের অনুমোদনে এ আদেশ জারি করা হয়েছে। এটি অবিলম্বে কার্যকর করা হবে বলে আদেশে উল্লেখ রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় বদলি হতে প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ডিপিইতে ভিড় করছেন শিক্ষকরা। বদলি প্রত্যাশী, দালালচক্র ও শিক্ষকদের স্বজনরা দূর-দূরান্ত থেকে এসে মহাপরিচালকের রুমে ভিড় জমাচ্ছেন।

অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে শুরু করে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের লিখিত তদবিরের পাহাড় জমেছে অধিদফতরে। সবচেয়ে বেশি তদবির ঢাকা জেলায় শিক্ষক বদলির জন্য।

ইতোমধ্যে ঢাকা জেলায় অর্ধশতেরও বেশি শিক্ষককে বদলি করা হয়েছে। প্রায় ১২ হাজার আবেদন রয়েছে ঢাকায় বদলির জন্য। তবে খুব দ্রুত আরও অর্ধশত শিক্ষককে ঢাকায় বদলি আদেশ জারি করা হবে বলে অধিদফতর থেকে জানা গেছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকে প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনা নিয়ে বিতর্ক

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী গত ১৫ দিনে চিহ্নিত কিছু কর্মকর্তাকে বদলির নির্দেশনা দিলেও, তা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। তার মধ্যে বিধি-বহির্ভূতভাবে ভ্রমণ ভাতা নেয়ার দায়ে চিহ্নিত ১২ কর্মকর্তাকে এবং বুধবার (১৭ এপ্রিল) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরে (ডিপিই) সরেজমিনে গিয়ে বিভিন্ন অভিযোগে আরও ১২ জনকে বদলির নির্দেশ দেন তিনি।তবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কাউকে বদলি করা হয়নি। এ নির্দেশনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে বির্তক উঠেছে বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, চার বছর আগের এক তদন্ত প্রতিবেদনের সূত্র ধরে গত ২ এপ্রিল ১২ কর্মকর্তাকে তিনদিনের মধ্যে শাস্তিমূলক বদলির নির্দেশ দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। ওই ১২ কর্মকর্তা ২০১৫ সালে ভুয়া ভ্রমণভাতা গ্রহণ করেছিলেন বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তখন বিষয়টি তদন্ত হয়।

জানা গেছে, ওই প্রতিবেদনে এমন ১২ কর্মকর্তাকে এই প্রক্রিয়ায় ভাতা গ্রহণের দায়ে চিহ্নিত করা হয়। তাদের মধ্যে আছেন- তখনকার উপপরিচালক শেখ মো. রায়হান, ইফতেখার হোসেন ভুইয়া, কর্মকর্তা মিজাউল ইসলাম, আতাউর রহমান, সোনিয়া আক্তার, সহকারী পরিচালক রাজা মিয়া, মাহফুজা বেগম, শিক্ষা কর্মকর্তা শামসুননাহার, মো. মজিবুর রহমান, মাহফুজুর রহমান জুয়েল, সহ-শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম।

তদন্ত প্রতিবেদনে দেখা যায়, একই ব্যক্তি একাধিক স্থান থেকে একই তারিখে সম্মানী, টিএ/ডিএ উত্তোলন করেছেন, যা তার প্রাপ্য অর্থের চেয়েও অধিক পরিমাণে বেশি। আবার বিমান ভ্রমণের ক্ষেত্রে সব বিমানবন্দরের জন্য একই পরিমাণে টিএ/ডিএ আদায় করেছেন। একইসঙ্গে একই পথে ভ্রমণের প্রত্যেক স্থান থেকে টিএ/ডিএ গ্রহণ করেছেন। অনেক ক্ষেত্রে উল্লেখিত স্থানে না গিয়েও ভাড়া বাবদ অর্থ আদায় করাসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে, ডিপিই’র কিছু কর্মকর্তা ও কর্মচারীর বিরুদ্ধে প্রতিমন্ত্রীর কাছে বেশকিছু অভিযোগ আসে বলে জানা গেছে। সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যমে সহকারি বিদ্যালয়ে বদলিতে বাণিজ্য, ডিপিইতে সেবাপ্রার্থীদের হয়রানি করে অর্থ আদায়, বছরের পর বছর এই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থেকে সিন্ডিকেট তৈরি, নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিষয়টি উঠে আসে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

আর কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারি হবে না

ডেস্ক,১৯এপ্রিলঃ প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারিকরণের কোন প্রস্তাব আপাতত বিবেচনা করার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তাই বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারিকরণের কোন প্রস্তাব, সুপারিশ বা আবেদন না পাঠানোর জন্য সবাইকে অনুরোধ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি ২৬ হাজার ১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় তিন ধাপে সরকারি করেছিলেন। বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারিকরণের কোন প্রস্তাব বিবেচনা করার সুযোগ নেই গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের। তাই মন্ত্রণালয়ের পূর্ব অনুমতি ছাড়া বিদ্যালয় বাছাই না করার জন্য ২০১৭ সালের ৩০ মে জেলা প্রশাসক, জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারিকরণের কোন প্রস্তাব, সুপারিশ বা আবেদন না পাঠানোর জন্য সকলকে অনুরোধ করা হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রথম শ্রেনি থেকে ৩য় শ্রেনি পর্যন্ত যেভাবে মূল্যায়ন হবে

ডেস্কঃ   সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পরীক্ষা তুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের শোনা, বলা, পড়া ও লেখা- এ চারটি বিষয়ের ওপর মূল্যায়ন করে পরবর্তী ক্লাসে উন্নীত করা হবে।ধারাবাহিক মূল্যায়ন কার্যক্রম ২০২০ শিক্ষাবর্ষ থেকে করা হবে বলে জানা গেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম আল হোসেন  বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত কোনো পরীক্ষা নেয়া হবে না। তবে কোন পদ্ধতিতে মূল্যায়ন করা হবে, তার একটি ধারণাপত্র তৈরি করা হয়েছে।

শিখন-শেখানো কার্যক্রম পরিচালনার সময় প্রতিনিয়ত শিক্ষার্থীদের অর্জনের অগ্রগতি মূল্যায়নের কলাকৌশলই হলো ধারাবাহিক মূল্যায়ন। যে সকল শিক্ষার্থী শিখন-শেখানো কার্যক্রমে পিছিয়ে থাকে ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে তাদের দুর্বলতা চিহ্নিত করা সম্ভব এবং তা দূরীকরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়। যোগ্যতাভিত্তিক কারিকুলামে ধারাবাহিক মূল্যায়ন শিখনফল ও বিষয়বস্তুর আলোকে হবে। ধারাবাহিক মূল্যায়ন চারভাবে করা হয়। এগুলো হলো- মৌখিক, লিখিত, পর্যবেক্ষণের মাধ্যম ও কাজ করতে দিয়ে (এসাইনমেন্ট)।

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

স্কুলছাত্রীকে যৌন হয়রানি করে প্রধান শিক্ষক পলাতক

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ এপ্রিল: হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ের চৌধুরী পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে পঞ্চম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার পর থেকে মোজাম্মিল হোসেন নামে ওই শিক্ষক পলাতক রয়েছেন।

এ ঘটনার বিচার চেয়ে যৌন হয়রানির শিকার ছাত্রীর বাবা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। পাশাপাশি অভিযোগের অনুলিপি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মামুন খন্দকারের কাছেও দেওয়া হয়েছে। Read More »

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা মে মাসেই

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ এপ্রিল: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। আগামী মাসের মাঝামাঝি থেকে কয়েক ধাপে নেয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তর। সারা দেশে এই পরীক্ষায় অংশ নিতে ১৩ হাজার পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ২৪ লাখের বেশি। ২০ হাজারের মধ্যে পরীক্ষার্থী আছে এমন ৭টি জেলায় প্রথম ধাপে এ পরীক্ষা নেয়া হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা জানান, সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা মে মাসের মাঝামাঝি হতে পারে। কোন তারিখে হবে তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তবে পরীক্ষা-সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দুই একদিনের মধ্যে নেয়া হবে। Read More »

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শিক্ষক হয়রানির অভিযোগ করলেন শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অভিযোগ প্রত্যাক্ষান

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ এপ্রিল:

অনিয়মতান্ত্রিক বদলি বাণিজ্যের শিকারসহ বিভিন্ন ধরনের হয়রানি কর্মকান্ডের অভিযোগ তুলেছেন লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারা।

সোমবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ সহকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি (১২০৬৮) এর লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা শাখার উদ্যোগে নব নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাতে এসে শিক্ষা কর্মকর্তাদের অনিয়ম তুলে ধরেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা।

এসময় ওই সমিতির নেতৃবৃন্দসহ সদর উপজেলার প্রায় ২০-২৫ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত অর্ধশতাধিক সহকারি শিক্ষক-শিক্ষিকা উপস্থিত ছিলেন।

এতে সহকারি শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সহযোগিতা কামনা করে বক্তব্য দেন সজীব হোসেন, আনোয়ার হোসেন, মো. নূরনবী, আলতাফ হোসেন,আমির হোসেন প্রমুখ শিক্ষক নেতৃবৃন্দ।

এসময় তারা অভিযোগ করে জানান, বদলিতে অবৈধ অর্থ আদায়ের বাণিজ্য এবং কোন কোন ক্ষেত্রে উদ্দেশ্যমূলকভাবে অনিয়মতান্ত্রিক বদলির নির্দেশ প্রদান করে কর্মকর্তারা নিরীহ শিক্ষকদের হয়রানি করে চলছেন।

এছাড়াও বিভিন্ন ছুতোয় অভ্যন্তরীন কর্মকান্ডে অমূলকভাবে শিক্ষকদের হয়রানি করে চলছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তারা।

একপর্যায়ে শিক্ষকরা অসহায়ত্ব প্রকাশ করে জানান, শিক্ষকতার চাকরী করে তারা যে বেতন পান তা সীমিত এবং সম্পূর্ণ বৈধ উপার্জন। এই উপার্জন দিয়ে কোনমতে নিজেদের সংসার চালিয়ে যেতে হিমশিম খেতে হয়। তার উপর হয়রানি এড়াতে অন্যায়ভাবে বাণিজ্যের শিকার হলে টানাপোড়নে ভুগতে হয় তাদের।

এ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এর হস্তক্ষেপসহ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা কামনা করেন শিক্ষকরা।

পরে নবনির্বাচিত লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এ.কে.এম.সালাহ্ উদ্দিন টিপু উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের উদ্দেশ্য করে জানান, উদ্দেশ্যমূলক কিংবা অনিয়মতান্ত্রিক কোন প্রকার হয়রানি হলে তা অবশ্যই নিন্দনীয়।

একই সাথে কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ যথার্থ হলে তিনি শিক্ষকদের কল্যাণে যথাসাধ্য সহযোগিতা প্রদান করবেন বলে আশ্বস্ত করেন।

লক্ষ্মীপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন আলো এসব বিষয়ে জানান, শিক্ষকদের এসব হয়রানি ব্যাপক জনশ্রুতি রয়েছে। তবে কোন শিক্ষক এসব বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ সাপেক্ষ অদ্যাবধি কোন অভিযোগ দায়ের করেনি। যার কারণে কোন পদক্ষেপই নেয়া সম্ভব হচ্ছেনা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে লক্ষ্মীপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু ছালেহ মোহাম্মদ শিক্ষক-শিক্ষিকার এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে জানান, এ সংক্রান্ত কোন প্রমাণপত্র কখনোই কেউ দেখাতে পারবেনা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৯ হাজারের বেশি ঝুঁকিপূর্ণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৫ এপ্রিল ২০১৯ : সারাদেশে সাড়ে ৯ হাজারের বেশি ঝুঁকিপূর্ণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান চলছে। এসব ভবনের অধিকাংশই ২০০১ থেকে ২০০২ সালে নির্মিত। বাকি ভবনগুলোর বয়সও ২০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে। নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে এসব ভবন নির্মাণ করায় প্রাথমিকের লক্ষাধিক ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভবনগুলোর কোনোটির পিলার নড়বড়ে, কোনোটির ছাদ বা দেয়ালের পলেস্তারা খসে পড়ছে। ভবনগুলোর ছাদের অবস্থাও খুবই নাজুক। পলেস্তারা ওঠে রড বেরিয়ে পড়েছে। নতুন অনেক ভবনের দরজা-জানালাও নেই। কোনো বিদ্যালয়ে আবার বসার চেয়ার-টেবিলসহ সকল আসবাপত্রও নড়বড়ে।

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের (ইইডি, সাবেক ফ্যাসিলিটিজ বিভাগ) একজন সিনিয়র প্রকৌশলী জানান, যদি একটি ভবন নির্মাণে বরাদ্দ যথাযথভাবে ব্যয় হয়, তাহলে কিছুতেই তা ৫০ বছরের আগে সংস্কারের দরকার পড়ে না। ভবন ভেঙে পড়ার মূল কারণ হচ্ছে, রড ছাড়া কাঠ-বাঁশের ব্যবহার এবং যথাযথ পরিমাণ বালু ও সিমেন্ট না ব্যবহার করা।

ঠিকাদার তো লাভ করতে চাইবেই, কিন্তু স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী নির্মাণকাজ নিশ্চিত করা প্রকৌশলীর দায়িত্ব। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ১৯৯০ সাল থেকে গ্রামের স্কুলগুলো এলজিইডি নির্মাণ করছে। শহরেরগুলো ফ্যাসিলিটিজ বিভাগ ২০০০ সাল পর্যন্ত নির্মাণের দায়িত্ব পালন করে। দেখা যাবে, ঢাকা শহরে ৮০ দশকে নির্মিত স্কুল এখন পর্যন্ত সংস্কারও করতে হয়নি।

তিনি আরও বলেন, এর মধ্যে ১৯৮৬ সালে নির্মিত করাতিটোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। পরবর্তীতে তৈরি মানিকদীতে অবস্থিত ব্রাহ্মণনগর এবং বাংলামোটরের খোদেজা খাতুন স্কুল অন্যতম। এসব প্রতিষ্ঠান শুধু চুনকাম করলেই নতুনের মতো দেখায়। আমাদের নির্মাণ ব্যয় বেশি বলে এলজিইডিকে কাজ দেয়া হয়েছিল; কিন্তু আসলেই কি কম টাকায় ভবন হচ্ছে?

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) এবং মাঠপ্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এলজিইডির ভবন নির্মাণের সময় প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। নির্মাণ শেষে স্কুলের পরিচালনা কমিটি এবং প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষরে ভবনটি হস্তান্তর করা হয়। গোটা কাজ তদারকি করেন উপজেলা প্রকৌশলী।

সার্বিক দায়িত্বে সংশ্লিষ্ট ইউএনও। তবে হস্তান্তরের পর এসব ভবন রক্ষণাবেক্ষণ, পরিচর্যা ও তদারকির ভার প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিপিইও) জেলার গোটা শিক্ষার ব্যাপারে দায়িত্বপ্রাপ্ত। এরপরও প্রাথমিকের ভবনগুলোর মরণ ফাঁদে পরিণত হওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। গত ৬ এপ্রিল বরগুনার তালতলী উপজেলার ছোটবগী পিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাদের বিম ভেঙে পড়ে একজন শিশু ছাত্রী নিহত এবং ৯ জন আহত হয়।

জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, মাঠ প্রশাসনের মাধ্যমে সারাদেশের স্কুল ও এর শিক্ষার সার্বিক দিক তদারকি করানো হয়। তা সত্ত্বেও বরগুনার একটি স্কুলে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। আমরা খুবই ব্যথিত। এ ঘটনায় ভবন নির্মাণ থেকে শুরু করে, তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেউই রেহাই পাবে না। তদন্ত কমিটি রোববার নাগাদ প্রতিবেদন দেবে। তার ভিত্তিতে প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের তালিকা সংগ্রহের কাজ চলছে। দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের তালিকা চূড়ান্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। এক্ষেত্রে কোনো ভবন সংস্কারের সুযোগ না থাকলে তা পরিত্যক্ত করা হবে। বাকিগুলো সংস্কারে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকের ভবন নির্মান করবে নিজ মন্ত্রনালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রাথমিকের ভবন নির্মান করবে নিজ মন্ত্রনালয়। এ ব্যাপারে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে। যেহেতু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণে অর্থ ব্যয় করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় । তাই নিজেদের প্রকৌশল বিভাগ না থাকায় ভবন নির্মাণ করে দেয় এলজিইডি।  নিম্নমানের উপকরণে ভবন নির্মাণের ফলে এ নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ই নিজস্ব বিভাগ বা অধিদফতর প্রতিষ্ঠার চিন্তা করছে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী জাকির হোসেন বলেন, আমরা ভবন নির্মাণের জন্য এ সংক্রান্ত বিভাগ বা অধিদফতর গঠন করবো। এছাড়া এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জাতীয়করন প্রাথমিক শিক্ষকদের টাইমস্কেল নিয়ে জটিলতা

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৪ এপ্রিল ২০১৯ঃ২০১৩ ও ২০১৪ সালে যে সকল বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করন করা হয়েছিল তাদের নিজ দপ্তর  টাইমস্কেল প্রদান করার কারন জানতে চেয়েছে অর্থমস্ত্রনালয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘উপর্যুক্ত বিষয় ও সুত্রোক্ত পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে কোন কর্মচারীর আর্থিক সুবিধা তথা বেতন, সিলেকশন গ্রেড, টাইমস্কেল ইত্যাদি প্রাপ্যতার ক্ষেত্রে সার্ভিসেস এক্ট ১৯৭৫ এর অধীন জারীকৃত চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ প্রযোজ্য। অন্য কোন বিধিমালা প্রযোজ্য নয়।

Read More »

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ উপজেলাভিত্তিক

নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় পাঁচটি পরিবর্তন আনা হয়েছে। ইতোমধ্যেই গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।নতুন নিয়োগ বিধিমালায় শিক্ষক নিয়োগ আগের মতোই উপজেলা বা থানাভিত্তিক করা হয়েছে। তবে কেন্দ্রীয়ভাবে গঠিত সহকারী শিক্ষক নির্বাচন কমিটির সুপারিশ ছাড়া কোনো ব্যক্তিকে সহকারী শিক্ষক পদে সরাসরি নিয়োগ দেওয়া যাবে না।

 

এ ছাড়া বাংলাদেশের স্থায়ী বাসিন্দা না হলে বা বাংলাদেশের নাগরিক ভিন্ন কাউকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া যাবে না।

 

 

 

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগের ক্ষেত্রে ২০১৩ সালের নিয়োগ বিধিমালা অনুসরণ করে এতদিন শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। এখন থেকে নতুন নিয়োগ বিধিমালা কার্যকর হবে।

 

নতুন বিধিমালায় সহকারী শিক্ষক পদে পুরুষ ও নারী উভয়ের ক্ষেত্রেই শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা অনার্স অথবা সমমানের ডিগ্রি হতে হবে। বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ থেকে ৩০ বছর। তবে নারী প্রার্থীদের জন্য ৬০ শতাংশ কোটা বহাল থাকবে। ২০ শতাংশ পোষ্য কোটা ও বাকি ২০ শতাংশ পুরুষ প্রার্থীদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিজ্ঞান বিষয়ে পাস করা প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। যদি ২০ শতাংশ কোটা পূরণ না হয়, তবে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকে প্রথম সাময়িক থেকে প্রশ্ন করার নির্দেশ স্ব-স্ব বিদ্যালয়ের

নিজস্ব প্রতিবেদক,১২ এপ্রিল: সারা দেশে  স্ব-স্ব প্রাথমিকে বিদ্যালয়ের প্রথম সাময়িক থেকে প্রশ্ন করার নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রনালয়।  গত ৮ এপ্রিল প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রনালয়ে বিভাগীয় উপপরিচালকদের নিয়ে সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।

এদিকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্ব স্ব বিদ্যালয়ে প্রশ্নপত্র প্রনয়নের নির্দেশ দিয়েছে খুলনা বিভাগীয় উপপরিচালক মেহেরুননেসা।গত ১০ এপ্রিল,১১৩৬ নং স্বারকে তিনি এ নির্দেশ দেন।

খুলনা বিভাগীয় উপপরিচালক মেহেরুননেসা শিক্ষা বার্তাকে বলেন, গত ৮ এপ্রিল সচিব মহোদয়ের সাথে মিটিংএ সিদ্ধান্ত হয় যে প্রথম  সাময়িক থেকেই বিদ্যালয়ে প্রশ্ন করা শুরু হবে। কারন প্রতিটি বিদ্যালয় প্রশ্ন করলে প্রত্যেক শিক্ষক প্রশ্ন করার যোগ্যতা অর্জন করবে। এখন হাতে গোনা কয়েকজন শিক্ষক প্রশ্ন করে থাকে।

এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মন্ত্রনালয়ের এ সিদ্দান্তকে স্বাগত জানাই বিভিন্ন শিক্ষক।

জিয়াউর রহমান নামে এক শিক্ষক কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিযেছে। মোস্তাক আহমেদ জানিয়েছে এটা বড় ও বাস্তব সিদ্ধান্ত।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকে স্ব স্ব বিদ্যালয়ে প্রশ্নপত্র প্রনয়নের নির্দেশ।

নিজস্ব প্রতিবেদক,১১ এপ্রিল: প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্ব স্ব বিদ্যালয়ে প্রশ্নপত্র প্রনয়নের নির্দেশ দিয়েছে খুলনা বিভাগীয় উপপরিচালক মেহেরুননেসা। গত ৮ এপ্রিল প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রনালয়ে বিভাগীয় উপপরিচালকদের নিয়ে সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয।

সভায় সকল সাময়িক ও বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রনয়নের জন্য ব্যবস্থা গ্রহনের অনুরোধ করা হয়। এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মন্ত্রনালয়ের এ সিদ্দান্তকে স্বাগত জানাই বিভিন্ন শিক্ষক।

জিয়াউর রহমান নামে এক শিক্ষক কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিযেছে। মোস্তাক আহমেদ জানিয়েছে এটা বড় ও বাস্তব সিদ্ধান্ত।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সহকারীদের ১১তম গ্রেড হিমাগারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক,১০ এপ্রিল : ১১তম গ্রেডে বেতন প্রদান ও বৈষম্য নিরসনের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা। দাবি মানা না হলে কঠোর কর্মসূচি পালনের কথাও জানিয়েছেন তারা। তবে এখনো এ ব্যাপারে অন্ধকারেই রয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষকরা। শিগগিরই এ ব্যাপারে কোন সরকারি সিদ্ধান্ত না হলে আলোচনা করে করণীয় ঠিক করা হবে বলে বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাবেরা বেগম জানিয়েছেন।

১১তম গ্রেডের দাবিতে আন্দোলনের অংশ হিসেবে ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করেন প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকরা। এছাড়া গত ১৪ মার্চ দেশব্যাপী একযোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন তারা। এরপরও দাবি আদায় না হওয়ায় বৃহৎ কর্মসূচির পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন তারা।

এই দাবির আদায়ের ব্যাপারে বর্তমানে সরকারের অবস্থান নিয়ে এখনো অন্ধকারেই রয়েছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা। এছাড়া তাদেরকে ১২তম গ্রেডে বেতন দেওয়া হতে পারে এমন গুঞ্জনের কথাও জানিয়েছেন। তবে এটি মেনে নেবেন কিনা সে ব্যাপারে এখনো সিদ্ধান্ত নেননি শিক্ষকরা।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাবেরা বেগম বলেন, ‘আমরা যতদূর জানতে পেরেছি- সিলেটের একটি অনুষ্ঠানে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, সহকারী থানা শিক্ষা অফিসারদেরকে (এটিইও) নবম গ্রেড এবং প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেড দেওয়ার বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। এছাড়া সহকারী প্রধান শিক্ষকদেরকে ১১তম গ্রেড এবং সহকারী শিক্ষকদেরকে ১২তম গ্রেড দেওয়া হতে পারে বলে আমরা শুনেছি।’

১২তম গ্রেড দেওয়া হলে সহকারী শিক্ষকরা মানবেন কিনা জানতে চাইলে সাবেরা বেগম বলেন, ‘এ ধরণের কথা শোনা গেলেও তা এখনো চূড়ান্ত নয়। মন্ত্রণালয় থেকে এ ব্যাপারে স্পষ্ট কোন তথ্য পেলে আমরা সিদ্ধান্ত নেব। এখনই শোনা কথায় আন্দোলন করার তো কোন মানে হয় না।’

তিনি বলেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষকদের ৭-৮টি সংগঠন রয়েছে। তাদের কারোর সঙ্গেই এখনো এ ব্যাপারে বসা হয়নি। তাদের সঙ্গে আলোচনা করে এবং আমাদের সংগঠনে নেতারা বসে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এছাড়া সামনে রমজান মাসের ব্যাপারটিও মাথায় রাখতে হবে।’

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকরা জানিয়েছেন, ২০১৭ সাল থেকে এ দাবিতে তারা আন্দোলন করছেন। আওয়ামীলীগের নির্বাচনী ইশতেহারে ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।

অবশ্য সম্প্রতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম আল হোসেন। তিনি জানিয়েছেন, সহকারী শিক্ষকদের বঞ্চিত করে বেতন আপগ্রেডের কোনো ঘোষণা আসবে না। এ ব্যাপারে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলেও জানিয়েছেন তিনি।

আরো পড়ুন: ৭ দিনের মধ্যে দাবি না মানলে বৃহত্তর আন্দোলন প্রাথমিক শিক্ষকদের

এর আগে ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবিতে রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আমরণ অনশন শুরু করেছিলেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা। সে সময়ও দাবি ছিল, প্রধান শিক্ষকদের এক ধাপ নিচে বেতন স্কেল নির্ধারণ। বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক মহাজোটের উদ্যাগে আয়োজিত ওই অনশন কর্মসূচিতে জোটের অধীনে থাকা ১০টি সংগঠনের শিক্ষকরা অংশ নিয়েছিলেন।

বৈষম্য নিরসনে চার দফা দাবি: বেতন বৈষমস্য দূর করতে ইতোমধ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর কাছে চার দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারি শিক্ষক মহাজোট। দাবিগুলো হচ্ছে- সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডে বেতন পুনঃনির্ধারণ, নিয়োগবিধি পরিবর্তন করে পুরুষ ও মহিলা- উভয়ের ক্ষেত্রেই শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক ডিগ্রী নির্ধারণ, সরাসরি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ করে সহাকারী শিক্ষক থেকে পদোন্নতির ব্যবস্থা এবং সিএনডি/ডিপিএড ও বিএড প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বেতন উন্নীত স্কেলে বেতন নির্ধারণ। প্রাথমিকে মানুষ গড়ার কারিগর তথা সহাকারী শিক্ষকদের মর্যাদা রক্ষায় অবিলম্বে এই দাবিগুলো কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন তারা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত বিনামুল্যে উপকরন পাচ্ছে প্রাথমিকের শিশুরা

নিজস্ব প্রতিবেদক,১০ এপ্রিল: প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিশাল সুখবর নিয়ে আসছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন উপকরণ বিনামূল্যে দেওয়ার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে মন্ত্রণালয়টি। এর মধ্যে রয়েছে- পাঠ্যবইয়ের সঙ্গে খাতা, কলম, জামা (স্কুল ড্রেস) ও জুতাসহ বেশ কিছু ‍উপকরণ।

মূলত শিশু শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ, শিক্ষার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি, স্কুলের প্রতি মনোযোগী হওয়া এবং উপকরণের অভাবে যাতে কোনও শিক্ষার্থীর লেখাপড়া বন্ধ না হয়, তা নিশ্চিত করতেই এই পরিকল্পনা হাতে নিয়ে সরকার।

মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, শিক্ষার্থীদের জন্য খাতা, কলম, জামা ও জুতাসহ প্রয়োজনীয় শিক্ষা ও আনুষঙ্গিক উপকরণ দিতে একটি প্রকল্প প্রস্তাবনা তৈরি করা হচ্ছে। বিদ্যালয়ে লেখাপড়ার জন্য শিশুদের যা প্রয়োজন হবে, তার সবই দেওয়া হবে বছরের শুরুতে নির্দিষ্ট একটি সময়ে।

সূত্র আরো বলছে, প্রাথমিক শিক্ষা সবার জন্য বাধ্যতামূলক। তাই দেশের একটি শিশুও যেন প্রাথমিক শিক্ষা থেকে বাদ না পড়ে সেটিই হচ্ছে সরকারের লক্ষ্য। আর এটির ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য সামনে রখে।

এ বছরই প্রকল্পটি অনুমোদন পেলে ২০২০ সাল থেকে শিক্ষার্থীদের এসব উপকরণ সরবরাহ করা হবে।

তবে অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. গিয়াস উদ্দিন আহমেদ বলছেন, এখন পর্যন্ত সবই পরিকল্পনার মধ্যেই রয়েছে। কোনও কিছুই চূড়ান্ত হয়নি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free