Home » প্রাথমিক শিক্ষা

প্রাথমিক শিক্ষা

চলতি মাসেই স্থায়ী হচ্ছেন প্রাথমিকের অস্থায়ী প্রধান শিক্ষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৬ জুলাই, ২০২০
দেশের যে সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা চলতি দায়িত্বে রয়েছেন তাদের জুলাই মাসের মধ্যেই স্থায়ী প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতি দেয়া হবে। এটি বাস্তবায়নের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমের সাথে আলাপকালে এ কথা জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ।

মো. ফসিউল্লাহ বলেন, আমরা অনেক প্রধান শিক্ষককে চলতি দায়িত্ব দিয়ে রেখেছি। চলতি মাসের মধ্যেই তাদের চূড়ান্তভাবে পদোন্নতি দিতে চাচ্ছি। চলতি দায়িত্বে থাকা প্রধান শিক্ষকদের এসিআরসহ আরও কিছু কাগজপত্র অধিদপ্তরে চলে আসলে আমরা একটা একটা জেলা ধরে শিক্ষকদের স্থায়ীভাবে নিয়োগ দিয়ে দিব।

জানা গেছে, দেশের ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ১৮ হাজার শিক্ষক প্রধান শিক্ষকের চলতি দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া আরও ২০ হাজার প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকদের শূন্য পদের বিপরীতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কাজ চলছে জানিয়ে মো. ফসিউল্লাহ বলেন, করোনা পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হলে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ৪০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। সেই সাথে আমরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শূন্য আসনের বিপরীতে প্রধান শিক্ষকদের নিয়োগ প্রক্রিয়াও শুরু করা হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

উপবৃত্তির ৪৩৯ কোটি টাকা পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৫ জুলাই, ২০২০
উপবৃত্তির ৪৩৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা পাচ্ছে প্রাথমিকের ১ কোটি ৫ লাখ ৯১ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৩য় কিস্তিতে তাদের এ টাকা মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। রোববার (৫ জুলাই) শিক্ষার্থীদের মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর অনুমতি দেয়া হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র দৈনিক শিক্ষাডটকমকেএসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

জানা গেছে, প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্পের ৩য় পর্যায়ের আওতায় ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৩য় কিস্তিতে সারা দেশের ৪৯৯টি উপজেলার প্রাথমিকের ১ কোটি ৫ লাখ ৯১ হাজার ৯৮৩ জন শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তির টাকা দেয়া হচ্ছে। রূপালী ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা শিওর ক্যাশের তাদের ৪৩৮ কোটি ৯৬ লাখ ২৯ হাজার ২৭৫ টাকা বিতরণ করা হবে। যদিও শিওরক্যাশের অদক্ষতায় সময়মতো টাকা তুলতে না পারা ও শিক্ষার্থী অভিভাবকদের কাছ থেকে এজেন্টদের কমিশন খাওয়ার অনেক অভিযোগ রয়েছে।

অধিদপ্তর সূত্র জানায়, উপবৃত্তির চাহিদা আপলোড করেছিলেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা। সে চাহিদার আজ রোরবার (৫ জুলাই) প্রেক্ষিতে টাকা ছাড়ের অনুমতি দেয়া হয়েছে। ভ্যালিডেশন শেষ হবার পর উপজেলা ও থানা শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছ থেকে পাওয়া অনাপত্তিপত্র ভিত্তিতে বিতরণকারী সংস্থাকে উপবৃত্তির টাকা ছাড় করতে বলা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ঈদুল আজহার আগেই প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের ‘কিডস অ্যালাউন্স

নিজস্ব প্রতিবেদক,২ জুলাই: করোনাকালে প্রাথমিক শিক্ষায় নতুন কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের কাজও শুরু করে দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
নতুন সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে রয়েছে করোনাকালে মোবাইল ফোনের জুম অ্যাপস ব্যবহার করে সব প্রধান শিক্ষক সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের সাঙ্গে ভার্চুয়াল সভা করবেন। টেলিভিশনে ‘ঘরে বসে শিখি’ কার্যক্রমে আরও বেশিসংখ্যক শিক্ষার্থী যেন যুক্ত হয় ও টেলিভিশনে ডিজিটাল ক্লাস যেন দেখে এ ব্যবস্থা ফোনের মাধ্যমে অভিভাবকদের সঙ্গে শিক্ষকরা যোগাযোগ করে করবেন। পাঠ প্রচারের সময়সূচি স্থানীয় মসজিদের মাইকের মাধ্যমে অভিভাবক ও ছাত্রছাত্রীদের জানিয়ে দিতে হবে।

নতুন সিদ্ধান্তের মধ্যে আরও রয়েছে ঈদুল আজহার আগেই প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের ‘কিডস অ্যালাউন্স’ দেওয়া হবে। বিধি অনুযায়ী উপজেলাভিত্তিক সঠিক মানের একই রংয়ের শার্ট, স্কাট, প্যান্ট, টাই, জুতা কেনার ব্যবস্থা করতে হবে। দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার যে ক্ষতি হয়েছে, তা পুষিয়ে নিতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা ‘রিকভারি অ্যাকশন প্ল্যান’ তৈরি করে তা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে পাঠাবেন।

এ ছাড়া প্রত্যেক প্রাথমিক বিদ্যালয়কে নিজ বিদ্যালয়ের নামে ফেসবুক আইডি খুলতে হবে। শিক্ষকরা পাঠদান কার্যক্রম ভিডিও করে ওই ফেসবুকে আপলোড দেবেন। এখন থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনে ‘বাস্তবায়নে এলজিইডি’ না লিখে এর জায়গায় ‘বাস্তবায়নে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর’ লিখতে হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব ধরনের মেরামত ও স্লিপের কার্যাবলি মানসম্মতভাবে যথাসময়ে শেষ করে নির্ধারিত তারিখের মধ্যে বিল ভাউচার দাখিল করতে হবে প্রধান শিক্ষকের।

প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের জন্য ‘হ্যালো টিচার’ নামে নতুন মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন (অ্যাপস) ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা পছন্দের শিক্ষক বাছাই করে তার কাছ থেকে শিক্ষার বিষয়ে পরামর্শ নিতে পারবেন। গণিত, ইংরেজি, বাংলা, বিজ্ঞানসহ নির্দিষ্ট বিষয়ের শিক্ষক বাছাই করে পাঠ সম্পর্কে বুঝতে ও জানতে পারবেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিক শিক্ষায় হ্যালো টিচার অ্যাপস চালু

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০২ জুলাই, ২০২০

করোনাকালে প্রাথমিক শিক্ষায় নতুন আটটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের কাজও শুরু করে দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমকে জানায়, করোনাকালে স্কুল বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের পাঠে মনোযোগী রাখতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। গুগল প্লে-স্টোর থেকে ডাউনলোড করে নিয়ে শিক্ষার্থীরা নতুন অ্যাপস ব্যবহার করতে পারবে। অভিভাবকরাও এই অ্যাপস ব্যবহার করতে পারবেন।

এছাড়া, সংসদ টেলিভিশনে ক্লাস প্রচার করে ৫৯ থেকে ৫২ শতাংশ শিক্ষার্থীর কাছে পাঠ পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে বলে দাবি করছেন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। বেতারে পাঠ প্রচার শুরু হলে আরও ২০ থেকে ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছানো যাবে বলে মনে করছেন তারা। তবে জরিপ করে দেখা গেছে, দেশের ৯৮ শতাংশের বেশি মানুষ মুঠোফোন ব্যবহার করে। অভিভাবকদের মুঠোফোন ব্যবহার করে শিশুরা অ্যাপসের মাধ্যমে তাদের প্রশ্নের উত্তর জানতে পারবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমকে বলেন, সরকারের আইসিটি বিভাগ এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রকল্প থেকে এই অ্যাপস তৈরিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে সহায়তা করা হচ্ছে। শিগগিরই হ্যালো টিচার অ্যাপস চালু করা যাবে বলে তিনি আশা করেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষা ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন আসছে, কমবে ছুটি বাড়বে ক্লাস

ডেস্ক,২৮ জুন:

করোনাভাইরাস সংক্রমণে সব হিসাব উল্টে দিয়েছে করে দিয়েছে শিক্ষা ক্যালেন্ডারের। গত ১৮ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটি ঘোষণা করা হলেও কবে খুলবে তা জানা নেই কারোর। ক্ষতি পোষাতে অনলাইনে ও টেলিভিশনে ক্লাস সম্প্রচারিত হলেও তা সফল বলতে পারছেন না অনেকে। অনেক দেরিতে প্রকাশিত হয়েছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল। ফলে পিছিয়ে গেছে একাদশ শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম।

এদিকে স্কুল-কলেজে প্রথম, দ্বিতীয় সাময়িক ও অর্ধ-বার্ষিকী পরীক্ষাও হয়নি। এখন অনিশ্চতায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। জেএসসি, জেডিসি, প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী পরীক্ষাও অনিশ্চিত। এ অবস্থায় নানা ধরনের বিকল্প নিয়ে কাজ করার কথা একাধিকবার জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টরা। তবে করোনা পরিস্থিতি আপাতত ঠিক হওয়ার সম্ভাবনা দেখা না যাওয়ায় কোনো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা।

তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে শিক্ষা ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তনের আভাস দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। সে মোতাবেক কমতে পারে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সংখ্যা। আর চলতি শিক্ষাবর্ষ ডিসেম্বরের পরিবর্তে মার্চ পর্যন্ত চলবে। আগামী শিক্ষাবর্ষ হবে ৯ মাসে। অত্যাবশকীয় ছাড়া বাকি সব ছুটি বাতিল করার পরিকল্পনাও চলছে।

শনিবার (২৭ জুন) এডুকেশন রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইরাব) আয়োজিত ‘করোনায় শিক্ষার চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণে করণীয়’ শীর্ষক ভার্চুয়াল সেমিনারে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এসব তথ্য জানান। এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সংখ্যা কমানো নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরিস্থিতি অনুকূলে আসার ১৫ দিন পর এই পরীক্ষা নেওয়া হবে।

তিনি জানান, ১৫ দিন আগে শিক্ষার্থীদের নোটিস দিতে হবে। প্রস্তুতি ঝালিয়ে নিতে সময় দিতে হবে। এবারের এইচএসসির সিলেবাস কমানোর যৌক্তিকতা নেই, কারণ তারা তাদের সিলেবাস সম্পন্ন করেছে। এখন যেটা হতে পারে পরীক্ষা নেওয়া হবে। আবার লাখ লাখ পরিবার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, প্রশাসনের মানুষ, শিক্ষক সবাইকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলব? আমরা কম সময়ে করতে পারি কি না, কম পরীক্ষা নিতে পারি কি না- সবকিছুই ভাবছি।

শিক্ষাবর্ষের বিষয়ে দীপু মনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে কাউকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারি না। কোনকিছু না পড়িয়েও পরবর্তী ক্লাসে উন্নীত করা যাবে না। সেজেন্য ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আগামী মার্চ পর্যন্ত চলতি শিক্ষাবর্ষ বাড়ানো হতে পারে। এছাড়া ছুটি কমিয়ে শ্রেণি ঘণ্টা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী শিক্ষাবর্ষেও ছুটি কমিয়ে ৯ মাস করা হবে।

তবে জেএসসি-জেডিসি, প্রাথমিক-ইবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষা বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী সুস্পষ্ট কিছু বলেননি। তিনি বলেন, শুধু পরীক্ষার জন্য সিলেবাস তৈরি হয় না, পরবর্তী ক্লাসে ওঠার জন্য যা শেখা প্রয়োজন তা শেখানো হয়। মূল্যায়নের জন্য বছর শেষে পরীক্ষা হয়। গ্যাপ হয়ে গেলে পরবর্তীতে বিষয়টি তাদের ভোগাবে। এজন্য বিশেষজ্ঞরা কাজ করছে।

করোনা মহামারীর মধ্যে টিউশন ফি আদায়ে মানবিক হওয়ার অনুরোধ জানান দীপু মনি। এসময় যতটা সম্ভব শিক্ষার্থীদের বেতন ছাড় দিতে স্কুল-কলেজ কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ফি না পেলে শিক্ষকদের কি করে বেতন দেবে? শিক্ষকরা তো অধিকাংশই বেতনের উপর নির্ভরশীল। টিউশনিও বন্ধ। যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামর্থ্য আছে তারা ফি কিস্তিতে বা কিছুদিন বাদ দিয়ে নিক। যতটা ছাড় দেয়া যায় সেটা চেষ্টা করবেন বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনাদেরও ছাড় দিতে হবে। সন্তান পড়াশোনা করছে, এখন প্রতিষ্ঠান বন্ধ মানে বেতন বন্ধ করা যায় না। এসময় শিক্ষার্থীদের জন্য স্বল্প বা বিনামূল্যে ইন্টারনেট, ডিভাইসসহ বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কাজ করছে বলেও শিক্ষামন্ত্রী।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষকদের শূন্যপদের তথ্য চেয়েছে অধিদপ্তর

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৫ জুন, ২০২০

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী শিক্ষকদের শূন্য পদের তথ্য চেয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। ৩০ জুনের মধ্যে যেসব শিক্ষক পদ শূন্য হবে তার তথ্য সংগ্রহ করে আগামী ২ জুলাইয়ের মধ্যে ইমেইল অধিদপ্তরে পাঠাতে বলা হয়েছে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে এ-সংক্রান্ত চিঠি সব জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের পাঠানো হয়। একই সাথে প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী শিক্ষকদের শূন্য পদের তথ্য পাঠাতে দুইটি পৃথক পাঠানো হয়েছে শিক্ষা কর্মকর্তাদের।

জানা গেছে, প্রধান শিক্ষকদের শূন্যপদের তথ্য দেয়ার ছকে উপজেলার নাম উল্লেখ করে অনুমোদিত পদের সংখ্যা, ৬৫ শতাংশ পদোন্নতি যোগ্য পদের সংখ্যা, পদোন্নতি প্রাপ্ত শিক্ষকদের সংখ্যা, চলতি দায়িত্ব প্রাপ্ত শিক্ষকদের সংখ্যা, ৩৫ শতাংশ হিসেবে সরাসরি নিয়োগ যোগ্য পদের সংখ্য ও প্রধান শিক্ষকদের মুখ শূন্য পদের সংখ্যা মন্তব্যসহ উল্লেখ করে অধিদপ্তরে পাঠাতে বলা হয়েছে।

অপরদিকে সহকারী শিক্ষকদের শূন্য পদের তথ্য দেয়ার ছকে উপজেলার নাম উল্লেখ করে সহকারী শিক্ষকদের শূন্য পদের সংখ্যা, চলতি দায়িত্ব প্রদানের জন্য শূন্য পদের সংখ্যা এবং মোট শূন্য পদের সংখ্যা মন্তব্যসহ পূরণ করে অধিদপ্তরের পাঠাতে বলা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

খুলনায় সুন্দরবন অনলাইন স্কুলের উদ্বোধন।।

লিপিকা পাত্র,খুলনা প্রতিনিধি:
করোনা ভাইরাস সক্রমনকালে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে। শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে গতকাল ২৪/০৬/২০২০ তারিখ বুধবার দুপুর সাড়ে বারোটায় খুলনায় সুন্দরবন অনলাইন স্কুলের উদ্বোধন করা হয়।

জুম এ‍্যাপের মাধ্যমে অনলাইনে খুলনা জেলার সুযোগ‍্য জেলা প্রশাসক জনাব মোহাম্মদ হেলাল হোসেন সুন্দরবন অনলাইন স্কুলের উদ্বোধন করেন।

তিনি বলেন শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এই অনলাইন স্কুলটি বিশেষ ভূমিকা রাখবে। তিনি স্কুলটি পরিচালনার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

সরকারের এটু আইতে (একসেস টু ইনফরমেশ ) শিক্ষা নিয়ে কাজ করা খুলনা জেলার চব্বিশ জন এ‍্যাম্বাসেডর শিক্ষকদের উদ‍্যোগে এ স্কুলটি চালু হচ্ছে। পঞ্চম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত আপাতত সপ্তাহে চারদিন দুটি করে ক্লাস নেওয়া হবে। ভবিষ্যতে এই সময়সীমা আরো বর্ধিত করা হবে।

অন‍্যান‍্যদের মধ্যে যুক্ত ছিলেন এটুআইএর প্রোগ্রাম কোঅর্ডিনেটর মোঃ কবির হোসেন,খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ‍্য অফিসার ম. জাভেদ এ‍্যাম্বাসেডরা। অনুষ্ঠানে এ‍্যাম্বসেডরদের পক্ষে দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য দেন মোঃ সারাফুল ইসলাম এবং লিপিকা পাত্র।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সময়মতো তথ্য না পাওয়ায় সমাপনী পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না মন্ত্রণালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২২ জুন, ২০২০
ডিজিটাল পদ্ধতিতে পাঠদানকে আরও কার্যকর করতে প্রাথমিকের সব শিক্ষার্থীর তথ্য চেয়েছিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। একই সাথে শিক্ষক ও অভিভাবকদের তথ্যও চাওয়া হয়েছিল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কাছে। গত ২০ জুনের মধ্যে এসব তথ্য পাঠাতে বলা হলেও এখনো তা পায়নি গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তাই, অভিভাবক, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের তথ্য পাঠাতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে তাগিদ দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় বলছে তথ্য না পাওয়ায় প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা এবং অন্যান্য শ্রেণির সিলেবাস এবং মূল্যায়ন পদ্ধতির পরবর্তী কার্যক্রম নেয়া যাচ্ছে না।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

অলস পড়ে আছে প্রাথমিক উপবৃত্তির ১০০ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২০ জুন, ২০২০

প্রাথমিক স্তরের শিশুদের জন্য উপবৃত্তির টাকা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বিতরণের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের চরম অদক্ষতা ও অব্যবস্থাপনায় সরকারের ১০০ কোটিরও বেশি পরিমাণ টাকা অলসভাবে পড়ে আছে কয়েকবছর ধরে। শুধু শিওর ক্যাশই না মাঠ পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তারাও এর জন্য অনেকাংশে দায়ী। কোনো প্রতিযোগীতা ছাড়া শুধু তদবির করে ১ কোটি ৩০ লাখ প্রাথমিক শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির টাকা বিতরণের দায়িত্ব পেয়ে আসছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান শিওরক্যাশ। রুপালী ব্যাংকের সাথে চুক্তি সই করে তারা রুপালী ব্যাংকের শিওর ক্যাশ হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকেন।

জানা যায়, প্রকৃত অভিভাবকের নামে টাকা বরাদ্দ করা হয়নি। বেশ কয়েক বছর ধরে জমে জমে ১০০ কোটি টাকার বেশি পরিমাণ অর্থ ভুতুরে অভিভাবকদের ওইসব অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে। এই অভিভাবকরা প্রকৃত সুবিধাভোগী না এটা সবাই জানলেও চুপচাপ রয়েছেন। উপবৃত্তির সুবিধাভোগী অভিভাবকদের তালিকা মাঠ পর্যায়ে উপজেলা ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা তৈরি করে থাকেন। সহায়তা করে শিওর ক্যাশ। পড়ে থাকা এই বিপুল অর্থ আগামী ২৫ জুনের মধ্যে অভিভাবকরা না তুলে নিলে তা সরকারি কোষাগারে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন ‘প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্পে’র (তৃতীয় পর্যায়) আওতায় সারাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ূয়া এক কোটি ৩০ লাখ শিশুকে নিয়মিত উপবৃত্তি দেওয়া হচ্ছে। এক কোটি ২১ লাখ পরিবার এই সুবিধা পাচ্ছে। প্রতি তিন মাসে এক কিস্তি হিসেবে বছরে মোট চার কিস্তিতে উপবৃত্তির অর্থ সংশ্নিষ্ট শিক্ষার্থীর অভিভাবকের মুঠোফোনে শিওর ক্যাশের মাধ্যমে পাঠানো হয়।

এ অবস্থায় ‘প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্পে’র পরিচালক অতিরিক্ত সচিব মো. ইউসুফ আলী ১৬ জুন সব উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে কড়া ভাষায় একটি চিঠি লিখেছেন। এতে তিনি বলেন, ‘স্বল্প সংখ্যক অভিভাবকের মোবাইল অ্যাকাউন্টে বিভিন্ন কিস্তিতে উপবৃত্তির অর্থ পাঠানো হলেও তা অলসভাবে ফেলে রাখা হয়েছে। অর্থাৎ এসব অ্যাকাউন্ট থেকে কোনো অর্থ তোলা হচ্ছে না। উল্লিখিত অ্যাকাউন্টগুলো প্রকৃত সুবিধাভোগী অভিভাবকদের নয় বলে প্রতীয়মান। আগামী ২৫ জুনের মধ্যে উত্তোলনের প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদানের জন্য অনুরোধ করা হলো। উল্লিখিত তারিখের পর অনুত্তোলিত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা করা হবে। এরপর অভিভাবক কর্তৃক অনুত্তোলিত অর্থের আর কোনো দাবিনামা গ্রহণ করা হবে না।’

প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, শুধু গত বছরের জুন পর্যন্ত অনুত্তোলিত অর্থ ৫৭ কোটি টাকা। এ বছরের জুন পর্যন্ত মিলিয়ে তা ১০০ কোটি ছাড়িয়ে যাবে। তিন থেকে চার বছর পর্যন্ত কেউ কেউ উপবৃত্তির টাকা তোলেননি। তাই তারা আসলেই প্রাথমিকের অভিভাবক কিনা, তা নিয়ে সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলেন, প্রকৃত অভিভাবকরাই শুধু উপবৃত্তির টাকা পাবেন। যদি তালিকায় সুবিধাভোগীর বাইরে কেউ থেকে থাকে, তার দায় সংশ্নিষ্ট কর্মকর্তাদের নিতে হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মোবাইল অ্যাকাউন্টে পড়ে থাকা উপবৃত্তির টাকা তুলতে হবে ২৫ জুনের মধ্যে

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৮ জুন, ২০২০
২০১৬-১৭ অর্থবছর থেকে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে যেসব প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের মোবাইল অ্যাকাউন্টে উপবৃত্তির টাকা পাঠানো হলেও কিছু অ্যাকাউন্টের টাকা তোলা করা হয়নি। এসব অ্যাকাউন্টে পড়ে থাকা উপবৃত্তির টাকা আগামী ২৫ জুনের মধ্যে তুলে নিতে বলা হয়েছে। তা না হলেএসব টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত নেয়া হবে। টাকা দাবি করতে পারবেন না অভিভাবক বা শিক্ষার্থীরা।

আরো পড়ুন

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ৬ আগষ্ট পর্যন্ত

‘প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রদান -৩য় পর্যায়’ শীর্ষক প্রকল্পের পক্ষ থেকে এ টাকা তুলে নিতে অভিভাবকদের জানাতে বলা হয়েছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের এসব তথ্য জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক মো. ইউসুফ আলী।

চিঠিতে বলা হয়, দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর অভিভাবকের মোবাইল অ্যাকাউন্টে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে উপবৃত্তির টাকা পাঠানো হচ্ছে। কিন্তু দীর্ঘদিন কিছু অভিভাবকের মােবাইল অ্যাকাউন্টে বিভিন্ন কিস্তিতে উপবৃত্তির টাকা অলসভাবে ফেলে রাখা হয়েছে। অর্থাৎ এসব অ্যাকাউন্টে থেকে কোন টাকা তোলা হচ্ছেনা। এ অ্যাকাউন্টগুলাে প্রকৃত সুবিধাভােগী অভিভাবকের নয় বলে বোঝা যচ্ছে।
তাই, যে সব প্রকৃত অভিভাবকের মোবাইল অ্যাকাউন্টে উপবৃত্তির টাকা দীর্ঘদিন পড়ে আছে তা আগামী ২৫ জুনের মধ্যে তুলতে প্রয়ােজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা দিতে বলা হয়েছে চিঠিতে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, ২৫ জুনের পরে এ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া হবে এবং অভিভাবকরা অনুত্তোলিত টাকার কোন প্রকার দাবি করতে পারবেন না।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ৬ আগষ্ট পর্যন্ত

 

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৫ জুন:

করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে স্কুল-কলেজসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানো হয়েছে। আগামী ৬ আগস্ট পর্যন্ত দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

সোমবার (১৫ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়েরের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে শিক্ষার্থীদের সার্বিক সুরক্ষা ও নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চলমান ছুটি আগামী ৬ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

দেশে করোনাভাইরাসের বিস্তার হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৭ মার্চ থেকে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এরপর দফায় দফায় ছুটি বাড়িয়ে ১৫ জুন অর্থাৎ সোমবার পর্যন্ত করা হয়।

মাঝে ১ জুন দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক, রক্ষণাবেক্ষণ জাতীয় কর্মকাণ্ড এবং শিক্ষার্থী ভর্তির অনুমোদন দেয়া হয়। আর ছুটি আজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও করোনা সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকায় তা বাড়ানো হলো ৬ আগস্ট পর্যন্ত।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, করোনা মহামারি আকারে ধারণ করায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে শিক্ষার্থীদের হুমকির মধ্যে ফেলা হবে না। প্রতিদিন সংসদ টিভিতে ক্লাস সম্প্রচার করা হচ্ছে, বাসায় বসে তারা পাঠগ্রহণ চালিয়ে যাবে। বর্তমানে শিক্ষার্থীদের বাসায় রেখে কীভাবে পরীক্ষা নেয়া সম্ভব সে বিষয়েও চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটির মেয়াদ আরও বাড়ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৪জুন:

দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাধারণ ছুটির মেয়ার আরও বাড়ানো হচ্ছে। করোনা সংক্রমণের পরিস্থিতি উন্নত না হওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সরকার। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চলমান ছুটি ১৫ জুন শেষ হচ্ছে। তবে এই ছুটির মেয়াদ আরও বাড়িয়ে আজ-কালকের মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করবে বলে জানা গেছে। এরপর শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ছুটি বাড়ানোর নির্দেশনা দেয়া হবে।

গত ১৭ মার্চ থেকে করোনাভাইরাসের কারণে প্রাক্-প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাধারণ ছুটি চলছে। আবারও ছুটির মেয়াদ বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারির বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের মো. সচিব মো মাহবুব হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, স্কুল-কলেজের ছুটির মেয়াদ বাড়ানো হবে কি হবে না, হলে কতদিন তা নির্ভর করছে জনপ্রশাসন থেকে সাধারণ ছুটির বিষয়ে আদেশ পাওয়ার ওপর। আজ রোববার স্কুল-কলেজের ছুটির বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হতে পারে।

আরো পড়ুননাসিমকে নিয়ে কটূক্তি, সেই শিক্ষিকা গ্রেপ্তার

এদিকে স্কুল খোলার বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ শনিবার গণমাধ্যমকে বলেন, শিক্ষার্থীদের করোনা ভাইরাস থেকে সুরক্ষিত রাখাই এখন আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। তবে তাদের পাঠদান চালিয়ে যেতে হবে। যেহেতু এই মুহূর্তে ভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির কোন উল্লেখযোগ্য উন্নতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে না, তাই সঙ্গত কারণেই বলা যায় ১৫ জুনের পরও স্কুল খোলা হচ্ছে না।

ছুটি কতদিন বাড়তে পারে এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, তবে এ বিষয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে নির্দেশনা পাওয়ার পর স্কুলে ছুটির বৃদ্ধির বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করে আদেশ জারি করা হবে।

করেনা সংকটের সময় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে জোর দিচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর আগে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, যখনই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে তখনই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে। শিক্ষার্থীদের আমরা বিপদের মুখে ঠেলে দিতে পারি না। শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার বিষয়েটি সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষা কার্যক্রম একেবারে বন্ধ সেটাও বলা যাবে না। সংসদ টিভি এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনলাইনের মাধ্যমে শিক্ষাকার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সেখানেও ছাত্র-ছাত্রীরা অনেক লাভবান হচ্ছে।

গত ৩১ মে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের দিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কবে নাগাদ খুলতে পারে- এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে বন্ধ থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ধাপে ধাপে খুলে দেয়া হবে। তখন তিনি আরও বলেছেন, এই মুহূর্তে আমরা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান উন্মুক্ত করতে চাচ্ছি না। কেননা আমরা চাই না- আমাদের ছেলে-মেয়েরা করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হোক। তারা আমাদের ভবিষ্যৎ। তাদেরকে আমরা ঝুঁকিতে ফেলতে পারি না। সেজন্য এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান উন্মুক্ত করব না। তবে করোনা পরিস্থিতি যদি কাটিয়ে উঠতে পারি তাহলে যতটুকু সম্ভব খুলে দেব। পরে অবস্থা বুঝে আরও উন্মুক্ত করব।

এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের বাড়িতে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার আহবান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীরা এখন বাড়িতে পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছেন। তারা সেই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে অনেক কিছু শিখতে পারছেন। আশা করি, তারা বাড়িতে বসে মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করবে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত এপ্রিলের শেষ নাগাদ এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, বর্তমান করোনা পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বন্ধ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত থাকবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতিপূর্বে সেপ্টেম্বরের আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে না দেওয়ার ব্যাপারে ইঙ্গিত দিয়েছেন। সেটাকেই তারা যথাযথ দিকনির্দেশনা বলে মনে করছেন। তাই প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম বিদ্যমান অবস্থায় রাখা এবং ছাত্রছাত্রীদের বাসায় রেখে লেখাপড়ার ব্যবস্থা বা বিকল্প পাঠদানের চিন্তা চলছে।

১৬ মার্চ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কোচিং সেন্টার ৭ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছিল সরকার। এরপর ১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষাও স্থগিত করা হয়। দেশে সর্বশেষ সাধারণ ছুটি বহাল ছিল ৩০ মে পর্যন্ত। এরপর ৩১ মে থেকে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিসগুলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিজ ব্যবস্থাপনায় সীমিত আকারে চালু হয়। তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি আরো ১৫ দিন বাড়ানো হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলোকে ঋণ ও শিক্ষকদের সহায়তা দেয়ার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক | :

শিশু শিক্ষার বিস্তারের উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে করোনার ক্রান্তিকালে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষকদের বেতন দিতে কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলোকে সহজশর্তে ঋণ দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষা গবেষণা পরিষদের নেতারা। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ ঘোষণা হওয়ার সাথে সাথে বন্ধ হয়ে গেছে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টিউশন ফি আদায়। তাই, কিন্ডারগার্টেন শিক্ষকদের বেতন ভাতা দিতে পারছে না বলে দাবি প্রতিষ্ঠানগুলোর। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এসব প্রতিষ্ঠানকে প্রণোদনা বা সহজশর্তে ঋণ দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পরিষদের নেতারা। একইসাথে অসহায় এসব শিক্ষকদের আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং তাদের জন্য রেশন কার্ড প্রচলনের দাবি জানিয়েছেন তারা।

শুক্রবার (১২ জুন)  এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব দাবি জানান তারা।

পরিষদের সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সুব্রত রায় স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সারাদেশের অর্ধলক্ষ কিন্ডারগার্টেনের প্রায় ১০ লাখ শিক্ষক-কর্মচারী আজ বড় অসহায়। একমাত্র কিন্ডারগার্ডেন শিক্ষকরা কোন প্রণোদনা বা আর্থিক সহায়তা পাননি। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের জন্য আর্থিক সহায়তা ব্যবস্থা করা এবং রেশন কার্ড প্রচলন করা জরুরি।

বিজ্ঞপ্তিতে নেতারা আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের বেতন ও টিউশন ফি আদায় বন্ধ থাকায় বাড়ি ভাড়া প্রতিষ্ঠান খরচ পরিচালনা এবং শিক্ষকদের বেতন-ভাতা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন কিন্ডারগার্টেনগুলোর মালিকরা। প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষকদের বেতন বন্ধ হয়ে রয়েছে। শিক্ষকদের বেতন দিতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বল্পসুদে সহজ শর্তে ঋণ দেয়ার প্রয়োজন। তাই এসব প্রতিষ্ঠানকে সহজ শর্তে ঋণ দেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

তারা আরও বলেন, দেশে ৫০ হাজারের বেশি কিন্ডারগার্টেন স্কুল বন্ধ হয়ে গেলে শিক্ষার মানোন্নয়নের ক্রমবর্ধমান ধারা অব্যাহত রাখতে সরকারকে আরও ৫০ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করতে হবে। এসব শিক্ষক যাতে হতাশ হয়ে না পড়েন সেদিকে লক্ষ রাখা জরুরি। তাই, শিক্ষকদের আর্থিক সুবিধা দেয়ার ব্যবস্থা করার জোর দাবি জানাচ্ছি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

করোনা আক্রান্ত প্রাথমিক শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করল অধিদপ্তর

সারাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। একইসঙ্গে অধিদপ্তরাধীন আক্রান্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এখন থেকে এই ওয়েবসাইটে প্রতি ২৪ ঘন্টায পরপর তথ্য আপডেট করা হবে। আজ বুধবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক শিক্ষার করোনা আপডেট পেতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটের (www.dpe.gov.bd) ‘করোনা আপডেট’ এ ক্লিক করতে হবে। এছাড়াও এই লিংক থেকেও সরাসরি আপডেট পাওয়া যাবে। প্রতি ২৪ ঘন্টায় তথ্য আপডেট করা হয় বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।

এদিকে, ওয়েবসাইটের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত অধিদপ্তরাধীন ১৪৫ জন শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এরমধ্যে ১১৭ জন শিক্ষক, ৭ জন শিক্ষার্থী, ১৩ জন কর্মকর্তা এবং ৮ জন কর্মচারী। এদের মধ্যে একজন শিক্ষক মারা গেছেন। আর মোট সুস্থ হয়েছেন ২৭ জন। তাছাড়া গত ২৪ ঘন্টায় ১০ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে আর সুস্থ হয়েছেন ২ জন। এদিকে, ওয়েবসাইটে আক্রান্ত সবার নাম, পদবী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ঠিকানা এবং বর্তমান অবস্থা বিবরণও দেয়া রয়েছে।

এর আগে চলতি মাসে ২ তারিখে সারাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের তালিকা চেয়ে আট বিভাগের বিভাগীয় উপ-পরিচালকদের চিঠি দেয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। ওই চিঠিতে বলা হয়, করোনা মহামারিতে অধিদপ্তরের আওতায় কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষকরা আক্রান্ত হলে নির্দিষ্ট ছকে তাদের তথ্য অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে প্রতিদিন।

উপ-পরিচালকরা প্রতিদিন বেলা ২টার মধ্যে মহাপরিচালক বরাবর নির্দিষ্ট তথ্যগুলো ই-মেইলে পাঠাবেন উল্লেখ করে আদেশে আরও জানানো হয়, আক্রান্ত কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং শিক্ষকদের তথ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রতিদিন প্রকাশ করা হবে। ওই চিঠি প্রেরণের এক সপ্তাহ পর ওয়েবসাইটে তালিকা প্রকাশ করল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সব প্রাথমিক বিদ্যালয় পাচ্ছে ইন্টারনেট সংযোগ

ডেস্ক,১১ জুন:

অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত হিসেবে দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টির ভিত্তি হলো প্রাথমিক শিক্ষা। এজন্য প্রাথমিক শিক্ষাকে সরকার সবিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকালে জাতীয় সংসদে ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় এ কথা বলেন অর্থমন্ত্রী আ. হ. ম. মুস্তফা কামাল।

বাজেট বক্তৃতায় তিনি প্রাথমিক শিক্ষা বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়নের কথা তুলে ধরে বলেন, শিগগির দেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট সংযোগ প্রদানের পাশাপাশি দুটি করে ল্যাপটপ ও মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর প্রদান করবে সরকার।

এসময় তিনি আসন্ন অর্থবছরের বাজেটে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা ২৪ হাজার ৯৪০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়ার কথা জানান। এটি গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে ছিল ২৪ হাজার ৪০ কোটি টাকা। যা এ বছর ৯০০ কোটি টাকা বেশি।

বাজেট বক্তৃতায় প্রাথমিক শিক্ষা বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়নের কথা তুলে ধরে ব্যাপারে অর্থমন্ত্রী আ. হ. ম. মুস্তফা কামাল বলেন, আমরা জাতীয় স্কুল মিল নীতি-২০১৯ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন করেছি এবং এ নীতির আলোকে দেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুপুরে খাবারের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নিয়েছি। ৫০৩টি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইন্টারঅ্যাকটিভ ক্লাসরুম তৈরির কাজ চলমান রয়েছে।

শিগগির দেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান এবং ল্যাপটপ ও প্রজেক্টর প্রদান করা হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, অচিরেই আমরা সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুটি করে ল্যাপটপ ও মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরসহ ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করতে যাচ্ছি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter