প্রাথমিক শিক্ষা

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে নতুন প্রতিষ্ঠান নয়

নিজস্ব প্রতিবেদক,২০ অাগষ্ট:
দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর পাশে নতুন কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেন গড়ে না উঠতে পারে সেজন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পলিসি ও অপারেশন) খান মো. নুরুল আমিন স্বাক্ষরিত আদেশে সোমবার (১৯ আগস্ট) থানা/উপজেলা এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারদের নজরদারি বৃদ্ধির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


একাদশ জাতীয় সংসদের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ২৪ জুলাই বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে এক চিঠিতে জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর পাশে যাতে নতুন কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠতে না পারে সেজন্য থানা বা উপজেলা এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারেদের নজরদারি বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়’।

বিষয়টি অতীব গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে সব বিভাগীয় উপপরিচালক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, থানা/উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে সারাদেশে ৬৬ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক কোটি ৪০ লাখ শিক্ষার্থী রয়েছে।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক শিক্ষকদের চাকরি করতে হবে চর এলাকায়, আসছে চর ভাতা

নিজস্ব প্রতিবেদক,২০ অাগষ্ট:
সরকারি প্রাইমারি স্কুলে নতুন নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের সবাইকে কমপক্ষে দু’বছর দেশের চরাঞ্চল অথবা দুর্গম এলাকায় চাকরি করতে হবে। দুর্গম এলাকার শিক্ষা বিস্তারে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এ উদ্যোগ নিয়েছে। নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, শুধু যাতায়াত ব্যবস্থার অসুবিধার কারণে শিক্ষার আলো থেকে দুর্গম এলাকাগুলো ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছে। বিশ্বায়নের এই যুগে আন্তর্জাতিক সব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে দেশের সব এলাকায় সুষম উন্নয়ন ঘটানো দরকার। একই সঙ্গে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি-৪) অর্জনের জন্যও এটি দরকার।


নতুন এ সিদ্ধান্তের সঙ্গে সঙ্গে পাহাড়ের মতো নদীর চর এলাকার প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য ‘চর’ ভাতা চালুর প্রস্তাব করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। এ কমিটির চাওয়া অনুসারে এরই মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষকদের চর ভাতা চালুর জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে অর্থ মন্ত্রণালয় এখনও এ বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া দেয়নি।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র দৈনিক শিক্ষাকে জানায়, শুধু চর এলাকার শিক্ষকদের জন্য চর ভাতা চালু করা হলে তাতে সারাদেশে প্রাথমিক শিক্ষকদের মধ্যে বৈষম্য তৈরি হবে। একই ধরনের ভাতা চেয়ে বসতে পারে হাওর, চা-বাগান, টিলাসহ দুর্গম এলাকার শিক্ষকরা। যদিও এ ব্যাপারে এখনও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি অর্থ মন্ত্রণালয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, দশম সংসদের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি চরাঞ্চলে অবস্থিত স্কুলগুলোতে নিয়োজিত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য ‘চর ভাতা’ চালুর সুপারিশ করেছিল। বর্তমান একাদশ সংসদের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকের কার্যপত্র থেকে জানা যায়, চর ভাতা চালুর বিষয়টি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সক্রিয় বিবেচনাধীন। তবে মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় তারা এ বিষয়ে অর্থ বরাদ্দ দিতে আগ্রহ দেখায়নি। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মনজুর কাদির সাংবাদিকদের বলেন, চর ভাতা চালু বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় রাজি হয় না। এটা নিয়ে তাদের সঙ্গে আরও কথা হবে। সংসদীয় স্থায়ী কমিটি এ ভাতা চালুর পক্ষে।

ভোলার চর মোন্তাজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিব উল্লাহ বলেন, নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের চরাঞ্চলে ২ বছরের জন্য বাধ্যতামূলক নিয়োগ একটি ভালো উদ্যোগ। তবে মেয়াদ শেষেই যেন তাদের আপনাআপনি বদলি করা হয়। তদবির করতে হলে ভোগান্তি কমবে। বদলির আবেদন গ্রহণ ও নিষ্পত্তি যেন অনলাইনেই হয়

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

জাতীয় স্কুল মিড ডে মিল নীতিমালা অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৯ আগষ্ট:
২০২৩ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের একবেলা খাবার খাওয়ানোর লক্ষ্য নিয়ে ‘জাতীয় স্কুল মিল নীতি-২০১৯’ এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। নীতিমালা অনুযায়ী প্রাথমিকের প্রায় দেড় কোটি শিক্ষার্থীকে একবেলা খাবার দেয়া হবে। আজ সোমবার (১৯ আগস্ট) মন্ত্রিসভার বৈঠকে নীতিমালার খসড়া অনুমোদন পায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তাঁর কার্যালয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. শফিউল আলম।


মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার বৃদ্ধি ও ঝরে পড়া হ্রাস করতে সারা বছর পুষ্টিগুণসম্পন্ন খাবার দিতে এ নীতিমালার অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এ নীতিমালা অনুসারে শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে পাঁচদিন গরম খাবার ও একদিন পুষ্টিকর বিস্কুট দেয়া হবে।

তিনি জানান, মিড ডে মিল অনেক জায়গায় পাইলট প্রকল্প হিসাবে চালু হয়েছে। এগুলোকে কীভাবে সমন্বিতভাবে সারাদেশে ছড়ানো যায় সেজন্য এই নীতিমালা। স্কুল মিল কর্মসূচির কার্যক্রমের ধরন ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে গাইডলাইন সম্পর্কে বলা হয়েছে, প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় শক্তি চাহিদার ক্যালরির ন্যূনতম ৩০ শতাংশ স্কুল মিল থেকে নিশ্চিত করা হবে। যা প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ৩-১২ বছরের ছেলে ও মেয়ে শিশুদের জন্য প্রযোজ্য হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, অর্ধদিবস স্কুলের ক্ষেত্রে দৈনিক প্রয়োজন অনুপুষ্টিকণার চাহিদা ন্যূনতম ৫০ শতাংশ, জাতীয় খাদ্য গ্রহণ নির্দেশিকা অনুযায়ী দৈনিক প্রয়োজনীয় শক্তির ১০-১৫ শতাংশ প্রোটিন থেকে এবং ১৫-৩০ শতাংশ চর্বি থেকে আসা নিশ্চিত করা হবে। ন্যূনতম খাদ্য তালিকার বৈচিত্র্য বিবেচনায় নিয়ে ১০টি খাদ্যগোষ্ঠীর মধ্যে ন্যূনতম চারটি খাদ্যগোষ্ঠী নির্বাচন নিশ্চিত করা হবে।
নীতিমালার আলোকে ২০২১ খ্রিষ্টাব্দের জানুয়ারি থেকে কর্মসূচির বাস্তবায়ন শুরু হবে বলে জানিয়ে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে সারাদেশে কাভার করা হবে। সরকারের সঙ্গে স্থানীয় কমিউনিটির সম্পৃক্ততা ছাড়া এটা সফল করা যাবে না। কারণ স্কুলগুলোতে রান্নাঘর করতে হবে।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকের ১২ শিক্ষা কর্মকর্তার বদলি

নিউজ ডেস্ক,১৯ আগষ্ট।।

প্রাথমিকের ১২ জন শিক্ষা কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। বদলিকৃতদের মধ্যে সাতজন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, পাঁচজন সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রয়েছেন।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে এসব কর্মকর্তার পৃথক বদলির আদেশ জারি করা হয়।
তালিকা দেখতে ক্লিক করুন



Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকে সবাই মিড ডে মিল পাবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৮ আগস্ট , ২০১৯:
প্রাথমিক শিক্ষার হার বাড়ানো এবং ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের সংখ্যা কমানোর লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন খাবার দেওয়ার কথা ভাবছে সরকার।



দেশের মোট এক কোটি ৭৩ লাখ শিক্ষার্থীদের খাবার দেওয়ার বিষয়ে ‘ন্যাশনাল স্কুল মিল পলিসি ২০১৯’ শিরোনামের এই কর্মকৌশল তৈরি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। খুব শিগগির এই কর্মকৌশল অনুমোদনের জন্যে মন্ত্রিপরিষদে উপস্থাপন করা হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন বলেন, ‘আমরা খসড়াটি চূড়ান্ত করেছি। এটি অনুমোদনের জন্যে শিগগির মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হবে।’

ক্যাম্পেইন ফর পপুলার এডুকেশনের উপ-পরিচালক কেএম এনামুল হক এ বিষয়ে বলেন, ‘যেহেতু অনেক শিক্ষার্থী খালি পেটে স্কুলে যায় সেহেতু স্কুলে খাবার দেওয়ার ব্যবস্থাটি খুবই প্রয়োজন। পেটে ক্ষুধা নিয়ে পড়ায় মনোযোগ দেওয়া কষ্টকর। বিদ্যালয়ে খাবার দেওয়া হলে শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন পুষ্টিকর খাবার পাবে। এর ফলে পরিবার থেকে শিশুদের বিদ্যালয়ে পাঠানোর জন্যে আগ্রহও তৈরি হবে। এতে একদিকে যেমন বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার বাড়বে, অন্যদিকে, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয় ছাড়ার প্রবণতাও কমবে।’

আগামী বছর থেকে পর্যায়ক্রমে এই কর্মকৌশলটি বাস্তবায়ন করা হবে জানা গেছে। এছাড়া আরো জানা গেছে, দারিদ্রপীড়িত এলাকাগুলোতে এই কার্যক্রম আগে শুরু করা হবে।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকের ১৫০০ শিক্ষকের ভাগ্য খুলছে

ডেস্ক,১৭ আগষ্ট:
আগস্ট মাসেই দেশের ২৯১ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দেড় হাজার শিক্ষকের চাকরি সরকারি হতে যাচ্ছে। চলতি মাস শেষ হওয়ার আগেই প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এসব শিক্ষকের চাকরি সরকারি করার প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করবে।


মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বদরুল হাসান চৌধুরী বলেন, ‘যাচাই-বাছাই শেষে শিক্ষকদের সরকারি হওয়ার তালিকার খসড়া প্রস্তুত হয়ে গেছে। ২৮ তারিখে মন্ত্রণালয়ে একটি বিশেষ সভা হবে এ ব্যাপারে, এরপরই জানা যাবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।’

সচিব আরো জানান, সরকারিকরণের লক্ষ্যে কয়েক হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সেখান থেকে দেড় হাজারের মতো শিক্ষককে বাছাই করা হয়েছে।

সরকারি হওয়া শিক্ষকরা ২০১৪ সালে প্রণীত সরকারি বেতন স্কেলে যুক্ত হবেন।

এদিকে, প্রাথমিকের পাশাপাশি নতুন ঘোষিত সরকারি কলেজগুলোর দশ হাজারেরও বেশি শিক্ষকের চাকরিও সরকারি হচ্ছে এ বছর। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, কয়েকটি ধাপে সরকারি হওয়া ৩০৩টি কলেজের প্রায় ১৮ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীর মধ্য থেকে ১০ হাজারেরও বেশি শিক্ষককে ২০১৯ সাল শেষ হওয়ার আগেই সরকারি করা হবে।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিনামূল্যে কম্পিউটার শিক্ষা, থাকছে ইংরেজি চর্চাও

অনলাইন ডেস্ক,১৭ আগষ্ট: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে কম্পিউটার শেখার সুযোগ মিলবে। থাকবে ইংরেজি ভাষা চর্চার সুযোগও। এ লক্ষ্যে সারাদেশের ৫০৯টি উপজেলায় কম্পিউটার ল্যাব ও ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।


পড়ালেখার পাশাপাশি ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা প্রতি সপ্তাহে একদিন কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও ইংরেজি ভাষা চর্চার সুযোগ পাবে। চলতি বছর এপ্রিলে এ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। আগামী সেপ্টেম্বরে বিদ্যালয়গুলোতে ল্যাব স্থাপনের কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা। বর্তমানে প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ শুরু হয়েছে বলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) থেকে জানা গেছে।

ডিপিই সূত্রে আরও জানা যায়, সারাদেশের ৫০৯টি প্রাথমিক শিক্ষা উপজেলার একটি করে বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব ও ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব স্থাপনের কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। প্রতিটি বিদ্যালয়ে পাঁচটি করে কম্পিউটার দেয়া হবে। এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে একদিন পড়ালেখার পাশাপাশি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। শুধু তা-ই নয়, ল্যাবে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ইংরেজি ভাষা চর্চারও সুযোগ পাবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ভারতের অর্থায়নে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে। দুই বছর মেয়াদের এ প্রকল্পে ভারত সরকার ২৪ কোটি ৯৯ লাখ ৭৩ হাজার এবং বাংলাদেশ সরকার দুই কোটি ৪১ লাখ ৭৩ হাজার টাকা ব্যয় করবে। প্রকল্পের নাম দেয়া হয়েছে ‘প্রতিটি উপজেলায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ও ল্যাঙ্গুয়েজ ক্যাব’ স্থাপন। যেসব নির্ধারিত উপজেলা শহরে বড় অবকাঠামোসম্পন্ন বিদ্যালয় রয়েছে, এমন বিদ্যালয় ল্যাবের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। আগামী মাসে এ প্রকল্পের পরিচালক (পিডি) নিয়োগ দেয়া হবে। পিডি নিয়োগের পর তার অধীনে মোট আটজন কর্মকর্তা দেয়া হবে। এরপর উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) অনুযায়ী বাস্তাবায়ন কার্যক্রম শুরু হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিপিই’র পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক এনামুল কাদের খান  বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার শিক্ষা ও ইংরেজি ভাষার ওপর দক্ষতা বাড়াতে সারাদেশের ৫০৯টি উপজেলায় একটি করে বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব ও ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব স্থাপন করা হবে। গত বছর এ প্রকল্প তৈরি করা হলেও চলতি বছর ২৩ এপ্রিল একনেকে এটির অনুমোদন দেয়া হয়।

চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা থাকলেও পিডি নিয়োগ না হওয়ায় তা পিছিয়ে গেছে বলেও জানান তিনি।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

মডেল শিক্ষক : গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগের বিরোধিতায় শিক্ষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ আগষ্ট:
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ‘মডেল শিক্ষক’ নির্বাচনকে ভালোভাবে দেখছেন না প্রাথমিক শিক্ষকরা। তারা বলছেন, মডেল শিক্ষক হওয়ার জন্য লবিং এমনকি ঘুষ লেনদেন শুরু হবে। নতুন এক গজব হিসেবে দেখা দেবে মডেল শিক্ষকের ধারণা।


জানা যায়, গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে মডেল শিক্ষকদের দিয়ে সংশ্নিষ্ট উপজেলার অপেক্ষাকৃত পিছিয়ে পড়া বিদ্যালয়গুলোর দুর্বল শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেওয়া হবে। বিশেষ করে নজর দেওয়া হবে গণিত ও ইংরেজি বিষয়ের ওপরে। এ সিদ্ধান্তের ফলে উপজেলার সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছে সরকার।
এ ছাড়া গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা কাটাতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে মন্ত্রণালয়। এ জন্য দুই হাজার মাস্টার ট্রেইনার তৈরি করা হচ্ছে। ব্রিটিশ কাউন্সিলের মাধ্যমে এটি করা হবে। এ জন্য ব্রিটিশ কাউন্সিলের সঙ্গে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি চুক্তি সই হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য উপজেলা পর্যায়ে ফলের দিক দিয়ে সেরা স্কুলগুলোর শিক্ষকদের মধ্য থেকে নির্বাচন করা হবে ‘মডেল শিক্ষক’। এই মডেল শিক্ষকদের দিয়ে ওই উপজেলার যেসব বিদ্যালয়ের ফল ভালো নয়, সেসব বিদ্যালয়ের শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে উদ্বুদ্ধকরণের জন্য সুপারিশ করেছে এই মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়। দ্রুত এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য মন্ত্রণালয়কে তাগাদাও দেওয়া হয় বৈঠক থেকে।

এরপর মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়টি নিয়ে কার্যক্রম গ্রহণের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পলিসি ও অপারেশন) খান মোহাম্মদ নুরুল আমিনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, সংসদীয় স্থায়ী কমিটি চাইলেও ‘মডেল শিক্ষক’ নিয়োগ করার বিষয়ে ‘ধীরে চলো নীতি’ অনুসরণ করছে মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের অনেকে মনে করেন, এতে ভালো স্কুলগুলোর ক্ষতি হওয়ারও আশঙ্কা রয়েছে।

বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির নেতা হাবিবুর রহমান দৈনিক শিক্ষা বা্র্তাকে বলেন, মডেল প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগটি ভালো। তবে সঠিক মানদ নির্ধারণ না করে মডেল শিক্ষক নিয়োগ দিলে তাতে হিতে বিপরীত হতে পারে।

ঝালকাঠীর রাজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিরীন সুলতানা বলেন, মডেল প্রাথমিক শিক্ষক তৈরির উদ্যোগ নেওয়ার খুব একটা প্রয়োজন আদৌ আছে বলে আমি মনে করি না। বরং অগ্রগামী বিদ্যালয়গুলোতে অনগ্রসর বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পালাক্রমে ডেপুটেশন দিলে বাস্তবে তা অনেক বেশি ফলপ্রসূ হবে। তারা অন্তত তিন মাস অগ্রগামী বিদ্যালয়ে কাজ করলে হাতেকলমে অনেক কাজ শিখতে পারবেন এবং নিজের বিদ্যালয়ে তা প্রয়োগ করতে পারবেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম আল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, মডেল স্কুলের সব ভালো শিক্ষককে ক্লাস করাতে অন্যত্র নিয়ে গেলে সেইসব স্কুল চলবে কী করে? তাই আপাতত আমরা মাঠ পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তাদের বলেছি, উপজেলার ভালো স্কুলগুলো ভিজিট করে তাদের ‘গুড প্র্যাকটিস’গুলো নিয়ে দুর্বল স্কুলগুলোতে কাজে লাগাতে। আর মডেল শিক্ষক না হলেও ‘শ্রেষ্ঠ শিক্ষক’ নির্বাচনের প্রক্রিয়া বর্তমানে চালু আছে।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতি ও টাইম স্কেল

এ এম জিয়াউর রহমান।।

সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাপক আলোচিত বিষয় হচ্ছে ২০১৪ সালে প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা পদোন্নতি পেয়েছেন বিধায় তারা আর ১৪/১২/২০১৫ পর্যন্ত টাইমস্কেল পাবেন না। কিন্তু যাবতীয় চিঠিপত্র, প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্র বিশ্লেষণ করে এটাই প্রতীয়মান হয় যে, তারা পদোন্নতি পায়নি এবং অর্থবিভাগের পত্র মোতাবেক দ্বিতীয় শ্রেণিও নয়। সুতরাং তাদের টাইমস্কেল প্রাপ্তিতে কোন বাধা নেই।


চলতি মাসে বড় সুখবর পাচ্ছেন প্রাথমিক শিক্ষকরা
অতিরিক্ত সচিব মহোদয় দীর্ঘদিন থেকে বলে আসছেন যে, প্রধান শিক্ষকেরা পদোন্নতি পেয়েছেন। সুতরাং তারা টাইমস্কেল পাবেন না। কিন্তু আমরা জানি, কোন পদে কোন ব্যক্তি পদোন্নতি পেলে তার একটা গেজেট হয় এবং নতুন পদে তিনি যোগদান করেন। গেজেট ও যোগদান ছাড়া পদোন্নতি হয়েছে বলা যাবে না। তাছাড়া প্রধান শিক্ষকগণ ০৮/০৩/২০১৪ তারিখেও প্রধান শিক্ষক ছিলেন ১০/০৩/২০১৪ তারিখেও ছিলেন, এখনো প্রধান শিক্ষক পদে বহাল আছেন, পদোন্নতি পেয়ে এটিইও হননি। সুতরাং পদোন্নতি পাবার প্রশ্নই উঠে না। অবশেষে তিনি আমাদের সাথে একমত পোষণ করেছেন। কিন্তু দ্বিতীয় শ্রেণির প্যাঁচে ফেলতে চাচ্ছেন।

আমরা সবাই জানি দ্বিতীয় শ্রেণি বলতে ১০ম গ্রেড বুঝায়, কোনক্রমেই ১১ তম গ্রেড নয়। কিন্তু আমাদেরকে ১১তম গ্রেড দিয়ে নন গেজেটেড দ্বিতীয় শ্রেণি করা হয়েছে যেটা আমাদের সাথে সুবিচার করা হয়নি। সেই সাথে অর্থবিভাগ ১১তম গ্রেডকে দ্বিতীয় শ্রেণি বলে স্বীকার করে না। তারা ১৫/১০/২০১৬ তারিখে পত্র (স্মারক নং–২০১০–৭৫২) দ্বারা স্পষ্ট করে বলে দিয়েছেন ১১তম গ্রেড থেকে ২০ তম গ্রেড পর্যন্ত ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণি। সুতরাং এ ক্ষেত্রে আর কোন কথা বা যুক্তির প্রয়োজন নেই। এছাড়াও বিভিন্ন বিভাগ বা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন চিঠি থেকে এটা সুস্পষ্ট যে ১১ তম গ্রেডকে ৩য় শ্রেণি হিসাবেই বিবেচনা করা হয়।

এছাড়া মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগও তাদের রায়ে ১১ তম গ্রেডের উপরে করেস্পন্ডিং স্কেল নির্ধারণের আদেশ দিয়ে প্রমাণ করেছেন যে ১১ তম গ্রেড ২য় শ্রেণির আওতাভুক্ত নয়। সুতরাং যে যুক্তিতেই হোক ১৪/১২/২০১৫ তারিখ পর্যন্ত প্রজাতন্ত্রের সকল কর্মকর্তা কর্মচারীর ন্যায় টাইমস্কেল পাবেন, বঞ্চিত করার কোন সুযোগ নেই। আর আমরা বঞ্চিতরা যদি টাইমস্কেল আদায় করতে পারি তাহলে ২০০৮ সালের পরবর্তীতে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের উচ্চতর গ্রেড পাপ্তিতেও আর কোন বাঁধা থাকবে না। তা না হলে ২০২৪ সালের আগে কেউ আর উচ্চতর গ্রেড পাবেন না।

তাই আসুন সকলে মিলে একতা গড়ি, ন্যায্য পাওনা আদায় করি। ইতিপূর্বে আমরা ২০০৬ সালেও দুই গ্রেড উন্নিত হয়েছি। তখন আমরা টাইমস্কেল পেয়েছিলাম এবং ২০১৪ সালে সহকারী শিক্ষকদেরও গ্রেড উন্নিত হলেও তারা টাইমস্কেল পেয়েছে। বর্তমানে শ্রেণি প্রথা তুলে দেয়ার পরও বারবার আলোচনায় ‘শ্রেণি’ কে আনয়ন করার বিষয়টাও বোধগম্য নয়।

তাই, হাজার হাজার টাইমস্কেল ও উচ্চতর গ্রেড বঞ্চিত প্রধান শিক্ষকদের পক্ষ থেকে আবেদন, আমাদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করবেন না। জাতির বিবেক শিক্ষকদেরকে জ্ঞানহীন ভাববেন না, আমাদের কর্মকালকে মূল্যায়ন করুণ, আমাদের পাওনা আমাদেরকে বুঝিয়ে দিন। আমরা স্কুল ছেড়ে আদালতের বারান্দায় ঘুরতে চাইনা।

লেখক

সহ-সভাপতি (কেন্দ্রীয় কমিটি)

বাসপ্রাবি প্রধান শিক্ষক সমিতি।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

সেই প্রাথমিক শিক্ষিকার বরখাস্তের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রীট

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩ আগষ্ট: ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার ভালাইপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নারগিস সুলতানা ছবিকে ডিপিইও ঝিনাইদহ মহোদয় কর্তৃক অবৈধ বরখাস্তের আদেশের বিরুদ্ধে স্বউদ্যোগে হাইকোর্টে রীটের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন গরীবের আইনজীবীখ্যাত হাইকোর্টের সম্মানিত আইনজীবী জনাব এডভোকেট সিদ্দিক উল্লাহ মিয়া।



চতুর্থ শ্রেণির ছাত্ররা ইংরেজি পড়তে পারেনি এ কারণে সহকারী শিক্ষককে বরখাস্ত করেছিলেন জেলা শিক্ষা অফিসার। অথচ জেলা শিক্ষা অফিসার স্বাক্ষরিত ঐ বরখাস্তের চিঠিতেই রয়েছে ২২টি ভুল। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল।

এদিকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে বিষয়টি নজরে এসেছে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের। জানা গেছে ওই শিক্ষিকার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হতে পারে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মঞ্জুর কাদির গণমাধ্যমকে বলেন, ছাত্ররা ইংরেজি পড়তে পারে না এ কারণে শিক্ষককে বরখাস্ত করা ঠিক হয়নি। শিক্ষকের দক্ষতার অভাব থাকতে পারে। কিন্তু সেজন্য তাকে সময় দিতে হবে। জেলা শিক্ষা অফিসার যে ভুল করেছেন সেটাও তার অপরাধ এবং অদক্ষতা। বিষয়টি তিনি দেখবেন বলে জানান।

উল্লেখ্য গত ৩০ জুলাই ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার ভালাইপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে যান জেলা শিক্ষা অফিসার শেখ মো. আকতারুজ্জামান। তিনি চতুর্থ শ্রেণির শ্রেণিকক্ষে গিয়ে শিক্ষার্থীদের ইংরেজি বইয়ের একটি চ্যাপ্টার থেকে রিডিং পড়তে বলেন। কিন্তু ছাত্ররা সাবলীলভাবে ইংরেজি পড়তে পারেনি। এ কারণে জেলা শিক্ষা অফিসার ঐ শ্রেণিতে যিনি ইংরেজি পড়ান তাকে দায়ী করেন। জেলা শিক্ষা অফিসার অফিসে ফিরেই সহকারী শিক্ষক নার্গিস সুলতানাকে বরখাস্ত করেন।

ঐ বরখাস্তের আদেশের অনুলিপি দেন মহাপরিচালক, বিভাগীয় উপপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরেও। আদেশ কার্যকর হয় বৃহস্পতিবার থেকেই। কিন্তু তিনি যে বরখাস্তের চিঠি দিয়েছেন তাতে রয়েছে ২২টি ভুল। যে ইংরেজি বই পড়তে না পারার কারণে শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয়েছে সেই ইংরেজি বানানেও ভুল করেছেন জেলা শিক্ষা অফিসার। chapter লিখতে গিয়ে লিখেছেন cahpter। ‘শ্রেণি’ বানানের ক্ষেত্রে কোথাও লিখেছেন ‘শ্রেণি’, আবার কোথাও লিখেছেন ‘শ্রেণী’। অসদাচরণ বানান লিখতে গিয়ে ভুল করেছেন। এমন অন্তত ২২টি ভুল করেছেন তিনি। সরকারি চিঠিতে এমন ভুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তারাও। জেলা শিক্ষা অফিসারদের দক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন অনেকেই।

জানতে চাইলে জেলা শিক্ষা অফিসার শেখ মো. আকতারুজ্জামান বলেন, ৫০ শতাংশ শিক্ষার্থীও যদি রিডিং পড়তে পারত আমি ক্ষমা করতে পারতাম। একটি বাচ্চাও রিডিং পড়তে পারেনি। যার রোল নম্বর ২ সেও পারল না। যার রোল নম্বর ৩ সেও পারল না। শিক্ষকও রিডিং পড়তে গিয়ে দুটি শব্দ ভুল করেছেন। তিনি বলেন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ পাওয়ার পরও ভুল করেছে তাহলে আমার কী করণীয়? জাতি আর কত সময় দেবে। আমি বরখাস্ত করেছি। দুই সপ্তাহের মধ্যে বিভাগীয় মামলা রুজু করব। ভুল বানানের বিষয় তিনি বলেন, আমার বয়স ৫০-এর বেশি। আমার চশমাটা কে বা কারা নিয়ে গেছে। মুখে বলে দিয়েছি প্রধান সহকারী লিখেছেন। চশমা না থাকার কারণে ঠিকমতো দেখতে পারিনি। খেয়ালও করিনি। সরল বিশ্বাসে সই করে দিয়েছি। বানান ভুল হয়ে গেছে। পরে যখন জেনেছি তখন আবার একই স্মারকে সংশোধন করে দিয়েছি।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড দিতে বিলম্ব কেন?

নিজস্ব প্রতিবেদক, ০৩ আগস্ট , ২০১৯

আমার এ দেশটি পরাধীনতা হতে মুক্ত। আমরা এখন গর্বিত জাতি। এই জাতি গঠনে সবচেয়ে বড় অবদান একজন শিক্ষকের। হাতে হাত ধরে অ আ শেখানো শিক্ষকরা আজও তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শিক্ষকদের উচ্চ বেতন ও ভিআইপি মর্যাদা দেওয়া হয়। আমাদের দেশের শিক্ষকরা তো উচ্চ বেতন বা ভিআইপি মর্যাদা চায়নি। প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকরা একটু সম্মানের সঙ্গে বাঁচতে চায়। এটা কি অন্যায়?


মানসম্মত শিক্ষা অর্জন সম্ভব। তার আগে শিক্ষকের মান বাড়াতে হবে। সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা পরিবর্তন হয়েছে। এখন সহকারী শিক্ষকের যোগ্যতা লাগে স্নাতক পাস। স্নাতক পাসে ১৫তম গ্রেড বেমানান। যেখানে অন্যান্য বিভাগে ডিপ্লোমাসহ এইচএসসি পাস ১০ম গ্রেডে বেতন, সেখানে প্রাথমিক শিক্ষকরা বেতন পান ১৫তম গ্রেডে। এটা চরম বৈষম্য।

এই বৈষম্য কর্তৃপক্ষ স্বীকার করে আসছেন এবং বৈষম্য নিরসনের কথা বলেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার ভয়েস কলে এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী বেতন বৈষম্য দূরীকরণে আশ্বাস দিয়েছেন। সচিব স্যার প্রায় প্রতিটি সেমিনারে বেতনবৈষম্যের অবসানের কথা বলছেন। বিভিন্নভাবে ১১তম গ্রেড প্রাপ্তির কথা বলছেন। অথচ বাস্তবে কিছুই নয়। আর কত দেরি?

মানসম্মত শিক্ষার জন্য সহকারী শিক্ষকদের ভূমিকা শতভাগ। অথচ নুন আনতে পান্তা ফুরানো সহকারী শিক্ষকবৃন্দ আজও তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী ও নিম্ন বেতন স্কেল। সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডে বেতন দেওয়ার শতভাগ যৌক্তিকতা সত্ত্বেও লুকোচুরি হচ্ছে। আশ্বাস দিয়ে ১১তম গ্রেড দেওয়া হচ্ছে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একটু সুনজর দিলে আমাদের অধিকার ১১তম গ্রেড পেয়ে যেতাম। কিন্তু ১১তম গ্রেড যেন একটা স্বপ্ন। বারবার ঘুমের ঘোরে স্বপ্ন দেখি ১১তম গ্রেডের।

প্রধানশিক্ষকদের ১০ম গ্রেড এর গেজেট প্রকাশের সঙ্গে সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড প্রদানই মানসম্মত শিক্ষা অর্জনে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে পারে।

লেখক: শিক্ষক

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

ছাত্র ইংরেজি না পারায় শিক্ষক বরখাস্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০২ আগস্ট , ২০১৯
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ভালাইপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্ররা সাবলীলভাবে ইংরেজি পড়তে পারে না। বিষয়টি নজরে এসেছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ মো. আক্তারুজ্জামানের। তাই স্কুলের ইংরেজি নার্গিস সুলতানা ছবিকে বরখাস্ত করেছেন তিনি। গত ৩১ জুলাই শিক্ষকে বরখাস্ত করা হয়। এছাড়া শিক্ষক নার্গিস সুলতানা ছবি মল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে পাঠদান করেননা বলেও জানিয়েছেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা।


জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, গত ৩০ জুলাই বিদ্যালয়টি পরিদর্শনে আসেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শেখ মো. আক্তারুজ্জামান। এ সময় বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা সাবলীলভাবে ইংরেজি পড়তে পারে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করছিলেন তিনি। কিন্তু এসময় কোন শিক্ষার্থী পাঠ্যবইয়ের একটি চ্যাপ্টার সবলীলভাবে পগতে পারেনি। এছাড়া স্কুলের ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক নার্গিস সুলতানা ছবি আইসিটি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হলেও মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে পাঠদান করেন না। যা কর্তব্য পালনে অবহেলা ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ বরে জানিয়েছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা।

তাই, ৩১ জুলাই ওই স্কুল ইংরেজির সহকারী শিক্ষক নার্গিস সুলতানা ছবিকে সাময়িক বরখাস্ত করেছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ মো. আক্তারুজ্জামানের। বৃহস্পতিবার থেকে এই আদেশ কার্যকর হয়েছে।

কিন্তু ছাত্র ইংরেজি না পারায় শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করে জারি করা চিঠির ২২ জায়গায় ভুল করেছেন খোদ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ মো.আক্তারুজ্জামান। কিন্তু ঝিনাইদহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের সেই চিঠিতেই রয়েছে ২২টি ভুল। এ নিয়ে ঝিনাইদহের শিক্ষক মহলে একদিকে যেমন চলছে সমালোচনা। অন্যদিকে শিক্ষা কর্মকর্তার অফিসিয়াল চিঠি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর নানা মন্তব্যে সরগরম হয়ে উঠেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।

বিষয়টি দৈনিকশিক্ষা ডটকমকে নিশ্চিত করেছেন ঝিনাইদহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শেখ মো. আক্তারুজ্জামান।চিঠিতে ভুলের কথা স্বীকার করে তিনি দৈনিকশিক্ষা বার্তা ডটকমকে বলেন, ব্যস্ততার কারণে আমি ভুলে ভরা চিঠিতে স্বাক্ষর করেছিলাম। বৃহস্পতিবার সেটি সংশোধন করে স্মারক নম্বর ঠিক রেখে নির্ভুল চিঠি পাঠানো হয়েছে।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

ডিপিওর এক আদেশে ২২ ভুল

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি | ০২ আগস্ট , ২০১৯:
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ভালাইপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্ররা সাবলীলভাবে ইংরেজি পড়তে পারে না। বিষয়টি নজরে এসেছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ মো. আক্তারুজ্জামানের। তাই স্কুলের ইংরেজি নার্গিস সুলতানা ছবিকে বরখাস্ত করেছেন তিনি। কিন্তু শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করে জারি করা চিঠির ২২ জায়গায় ভুল করেছেন খোদ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ মো. আক্তারুজ্জামান।


জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, গত ৩০ জুলাই বিদ্যালয়টি পরিদর্শনে আসেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শেখ মো. আক্তারুজ্জামান। এ সময় বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা সাবলীলভাবে ইংরেজি পড়তে পারে না। তাই, অফিসে ফিরে তিনি ৩১ জুলাই ওই স্কুল ইংরেজির সহকারী শিক্ষক নার্গিস সুলতানা ছবিকে সাময়িক বরখাস্ত করেন। বৃহস্পতিবার থেকে এই আদেশ কার্যকর হয়েছে।

কিন্তু ঝিনাইদহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের সেই চিঠিতেই রয়েছে ২২টি ভুল। এ নিয়ে ঝিনাইদহের শিক্ষক মহলে একদিকে যেমন চলছে সমালোচনা। অন্যদিকে শিক্ষা কর্মকর্তার অফিসিয়াল চিঠি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর নানা মন্তব্যে সরগরম হয়ে উঠেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।

অনেক শিক্ষক বরখাস্ত করার চিঠি ফেসবুকে পোষ্ট করে লিখেছেন “বিচারপতির বিচার কে করবে?”। কামরুল হাসান নামে এক শিক্ষক লিখেছেন “যে ইংরেজির জন্য শিক্ষককে বরখাস্ত করা হলো, সেই ইংরেজির একটি শব্দের বানান বরখাস্তকারী কর্মকর্তাও তার চিঠিতে ভুল লিখেছেন। এমনকি চিঠিতে অনেক বাংলা শব্দের বানান ভুল আছে। বানান শুদ্ধ না করে চিঠি স্বাক্ষর কি কর্তব্য অবহেলা নয়? এজন্য ওই প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কী ধরনের শাস্তি হওয়া উচিত? জেলা শিক্ষা অফিসারের পাঠানো চিঠিতে দেখা গেছে ইংরেজিতে chapter বানানটি লেখা হয়েছে ‘cahpter’। চিঠিতে ‘এরূপ’ বানান ‘এরুপ’, সত্ত্বেও বানান সত্তেও, ইংরেজি বানান ইংরেজী, আপিল বানান আপীল, অসদাচরণ বানান অসাদাচরণ, শ্রেণি বানান শ্রেণী, বরখাস্তকালীন বানান বরখাস্তকালনীনসহ ২২টি বানান ভুল লেখা হয়েছে।

জেলা শিক্ষা অফিসার শেখ মো. আক্তারুজ্জামান Chapter বানানটিই ভুল লিখেছেন। অথচ শিক্ষার্থীরা ইংরেজি না পাড়ায় শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয়েছে। চিঠি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে তাতে মারাত্মক ভুল আছে ৫টি। এ ছাড়া ব্যাকরণগত ও মাত্রাগত ভুল রয়েছে ১৭টি।

ঝিনাইদহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শেখ মো. আক্তারুজ্জামান চিঠিতে ভুলের কথা স্বীকার করে দৈনিকশিক্ষা বার্তা ডটকমকে বলেন, ব্যস্ততার কারণে আমি ভুলে ভরা চিঠিতে স্বাক্ষর করেছিলাম। বৃহস্পতিবার সেটি সংশোধন করে স্মারক নম্বর ঠিক রেখে নির্ভুল চিঠি পাঠানো হয়েছে।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

সহকারী শিক্ষককে অবৈধভাবে বরখাস্ত! প্রধান শিক্ষক সমিতির প্রতিবাদ

মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

নিজস্ব প্রতিবেদক,২ আগষ্ট : ঝিনাইদহ জেলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কর্তৃক একজন সহকারি শিক্ষককে বিগত ৩১/ ৭/২০১৯ তারিখে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ইংরেজি পড়া না পাড়ার কারণে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

প্রধান শিক্ষক সমিতি মনে করে ঐ শিক্ষককে আত্ম পক্ষ সমর্থনের কোন সুযোগ দেয়া হয়নি এবং কোন কৈফিয়ত তলব করা হয়নি। ফলে ঐ শিক্ষক অন্যায়ভাবে সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন। এভাবে কোন সরকারি কর্মচারিকে সাময়িক বরখাস্ত করা যায় না। আমরা এর তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছি। প্রধান শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম এ প্রতিবাদ দেন।



তিনি আরও বলেন আমরা আশা করি ঐ শিক্ষকের সাময়িক বরখাস্তের আদেশ দ্রুত প্রত্যাহার করা হবে।যদি দ্রুত প্রত্যাহার না করা হয় তাহলে সকল শিক্ষকদের নিয়ে এর বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই, আমরা প্রাথমিক শিক্ষকরা যখন মান সম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে চেষ্টা করছি ,তখন এ ধরনের সাময়িক বরখাস্ত প্রাথমিক শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশৃংখল পরিবেশ সৃষ্টি করবে। উল্লেখ্য যে, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের সাময়িক বরখাস্তের আদেশে ২২টি ভুল পরিলক্ষিত হয়েছে। এধরনের ভুলের জন্য ঝিনাইদহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের বরখাস্তের দাবি জানাই। প্রধান শিক্ষক সমিতি ,এ ব্যাপারে জাতির জনকের সুযোগ্যা কন্যা মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

দূর্গা পুজার ছুটি বাড়ানোর দাবী শিক্ষকদের

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৩জুলাই ২০১৯: সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ বাংলাদেশ। এদেশে প্রচীনকাল থেকেই নানা ধর্ম -বর্নের মানুষ এক সাথে বসবাস করে আসছে। এ জন্যই বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক দেশের রোল মডেল হিসাবে পরিচিত। এদেশের বিভিন্ন ধর্মের মানুষ একত্রে তাদের ধর্মানুষ্ঠান পালন করেন। স্বাধীনতার পর এদেশের মুলমত্র ছিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, সকলের সম অধিকার।


দূর্গা পুজা হিন্দুদের সবচাইতে বড় ধর্মিয় অনুষ্ঠান। প্রতি বছর প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দূর্গা পুজার ছুটি ৭ থেকে ১০ দিন করা হয়। কিন্তু এ বছর ব্যতিক্রম। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ষষ্ঠী থেকে দশমি দূর্গা পুজার আনন্দ উপভোগ করে। কিন্তু এ বছর অষ্টমী থেকে ছুটি দেয়া হয় দশমী পর্যন্ত মোট ৩দিন ছুটি দেয়া হয়।

বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রিয় সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক রঞ্জিত ভট্রাচার্য মনি বলেন, তার চাকুরিকালের এটি প্রথম এমন ঘটনা। কর্তৃপক্ষের কাছে তিনি দূর্গাপুজার ছুটি ৩ দিনের পরিবর্তে ৭ দিন করার পূর্ননির্ধারনের দাবী জানান।
এদিকে ফেসবুকে এনড্রু রয়েল নামের একজন লিখেছেন,অন্যান্য বছর যেখানে ১০ থেকে ১৫ দিন ছুটি পাওয়া যেত সেখানে ২০১৯ সালে মাত্র ৩ দিন। সরকারের কাছে ছুটি বাড়ানোর অনুরোধ জানাই।
বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রিয় সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাস বলেন বলেন দূর্গা পুজা হিন্দুদের সবচাইতে বড় ধর্মিয় অনুষ্ঠান। এ অনুষ্ঠানে ৩দিনের পরিবর্তে কমপক্ষে ৭দিন ছুটি ছুটি ঘোষনার দাবী জানান।

বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের প্রত্যাশা আসন্ন দূর্গা পুজা হিন্দুদের সবচাইতে বড় ধর্মিয় অনুষ্ঠান। দূর্গাপূজাই এক মাত্র সার্বজনীন অনুষ্ঠান যেখানে সকল ধর্ম-বর্নের মানুষ ৫ দিন ব্যপি অনুষ্ঠান পালন করেন। হিন্দুরা ধর্মিয় দিক থেকে এদেশের দ্বিতীয় সংখ্যগরিষ্ঠ জাতি। সুতরাং এই বৃহৎ অনুষ্ঠানটিতে কমপক্ষে ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা করা হোক।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter