প্রযুক্তি

‘আঙ্গুলের ছাপ নিয়ে গ্রাহকের অজান্তে সিম নিবন্ধন

12_129089ঢাকা: বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনে বারবার আঙ্গুলের ছাপ নিয়ে গ্রাহকের অজান্তে একাধিক সিম নিবন্ধনের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানিয়েছে টেলিযোগাযাগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি।

বুধবার বিটিআরসি কার্যলয়ে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনের বিভিন্ন অভিযোগ জানাতে একটি শর্ট কোড উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানান বিটিআরসি মহাপরিচালক (সিস্টেম অ্যান্ড সার্ভিসেস বিভাগ) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এমদাদ উল বারী।

তিনি বলেন, “সিম নিবন্ধনে রিটেইলাররা বিভিন্ন ধরনের প্রতারণার চেষ্টা করছে। গতমাসে আশুলিয়ার একটি ঘটনা ছিল- একজন রিটেইলার গ্রাহকের অসাবধানতার সুযোগে আঙ্গুলের ছাপ নিয়ে একাধিক সিম নিবন্ধন করে।

“ছাপ মিলেনি বলে বারবার ওই গ্রাহকের ফিঙ্গার প্রিন্ট নেওয়া হয়েছে বলে সে জানিয়েছে। এ রকম ঘটনা আগেও ঘটেছে। তবে আগে ধরা যেত না, এবার বায়োমেট্রিক হওয়াতে সহজেই তা ধরা যাচ্ছে।”

জেনারেল এমদাদ উল বারী বলেন “একজন গ্রাহককে সচেতন হতে হবে। তিনি যতবার আঙ্গুলের ছাপ দিচ্ছেন ততবার যে নম্বরগুলোকে রেজিস্ট্রেশন করা হচ্ছে তা যাচাই করে নিতে হবে।”

বুধবার সকাল নাগাদ সব অপারেটর মিলিয়ে ৯ কোটি ৭০ লাখের বেশি সিম বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধিত হয়েছে।

এদিকে একজন গ্রাহক কতটি মোবাইল ফোন সিমের মালিক তা এসএমএসে জানানোর প্রক্রিয়া শুরু করছে বিটিআরসি।

বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালু হওয়ার পর গত ১৬ ডিসেম্বর থেকে আঙ্গুলের ছাপ না দিয়ে নতুন সিম কেনা যাচ্ছে না। পাশাপাশি চলছে পুরনো সিমের পুনঃনিবন্ধন।

সরকারের বেঁধে দেওয়া নতুন সময়সীমা অনুযায়ী, আগামী ৩১ মে রাত ১২টা পর্যন্ত সিম পুনঃনিবন্ধন করা যাবে। এরপর যেসব সিমের নিবন্ধন থাকবে না সেগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে।

৩১ মে ‘জিরো আওয়ার’ থেকেই এ সিমগুলো বন্ধ হয়ে যাবে।

চলতি মাসেও যারা বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম পুনঃনিবন্ধন করবেন না, তারা সেই সিম আবার কিনতে চাইলে দুই মাস অপেক্ষা করতে হবে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিটিআরসি চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ, ভাইস চেয়ারম্যান আহসান হাবিব খানসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মাত্র ৯৯ টাকায় স্মার্টফোন!

namotelবিশ্বাস্য হলেও ২৫১ টাকার স্মার্টফোনের থেকেও সস্তা স্মার্টফোন রয়েছে। এবার স্মার্টফোন কেনার জন্য ২৫০ টাকাও খরচ করতে হবে না। ১০০ টাকা খরচ করলেই আপনার হাতে চলে আসবে আনকোরা একটা ঝকঝকে স্মার্টফোন!

বিশ্বের সব থেকে কমদামী স্মার্টফোন হিসেবে এতদিন যে জায়গাটা ধরে রাখার চেষ্টা করছিল ফ্রিডম-২৫১, সেই জায়গাটাই এবার নিয়ে নিল নতুন কম্পানি ‘নমোটেল আচ্ছে দিন’। তবে এবার আরও সস্তা। মাত্র ৯৯ টাকায় পাওয়া যেতে চলেছে এই ফোন!

নয়ডার মোবাইল কম্পানি রিংগিং বেলস মাত্র ২৫১ টাকায় স্মার্টফোন এনে সারা দেশে হইচই ফেলে দিয়েছিল। তারপর তাকে ঘিরে বহু বিতর্ক। এবার বিশ্বের সবচেয়ে সস্তা ফোনের রেকর্ড ভেঙে ৯৯ টাকায় স্মার্টফোন নিয়ে এলো ‘নমোটেল আচ্ছে দিন’। www.namotel.com ওয়েবসাইটে ফোনটি ২৭ মে পর্যন্ত বুকিং করতে পারবেন।

এই স্মার্টফোনে যেসব ফিচার্স রয়েছে সেগুলো হলো:-

১) ৪ ইঞ্চি ডিসপ্লে।

২) ৫.১ অ্যান্ড্রয়েড ললিপপ।

৩) 1 GB RAM

৪) ডুয়েল সিম।

৫) ২ মেগাপিক্সেল রেয়ার ক্যামেরা এবং VGA ফ্রন্ট ক্যামেরা।

৬) 4 GB ইন্টারনাল স্টোরেজ।

৭) ১.৩GHz কোয়াডকোর প্রসেসর।

৮) 3G

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পড়ালেখার পাশাপাশি ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জনের সেরা ৫টি পদ্ধতি

ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জনের অনেক পদ্ধতি রয়েছে। অনেকেই দ্বিধায় পড়েন, কোনটি করবেন এবং কোনটি করবেন না এই নিয়ে। তাছাড়া বাংলাদেশের জন্য স্থানীয় কিছু সমস্যা তো রয়েছেই। ইন্টারনেট ব্যবহার করে অর্থ উপার্জনের সুবিধা-অসুবিধা অনুযায়ী ৫টি পদ্ধতি নিয়ে নিচে আলোচনা করছি।

১. গুগল এডসেন্স(www.google.com/adsense)

গুগল এডসেন্স ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জনের সবচেয়ে সেরা উপায় । মাসে কয়েক হাজার ডলার আয় করা যায় প্রোগ্রামিং বা এইধরনের কোন ক্ষেত্রে বিশেষ দক্ষতা না থেকেও। এমনকি গুগলের ব্লগার ব্যবহার করে কোনরকম খরচ ছাড়াই।আপনার প্রয়োজন শুধু সময় ব্যয় করা এবং চারিদিকে দৃষ্টি রেখে নিজের ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনার ব্যবস্থা করা। সবচেয়ে ভাল ফল পাওয়ার জন্য আপনার প্রয়োজন এমন একটি ওয়েবসাইট যেখানে প্রচুর ভিজিটর ভিজিট করবেন। এধরনের ওয়েবসাইট তৈরী এবং ভিজিটর পেতে কয়েক মাস এমনকি কয়েক বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। প্রতিদিন কমপক্ষে ১ হাজার ভিজিটর না পেলে খুব বেশি আয়ের সম্ভাবনা কম। গুগল এডসেন্স এর মত চিতিকা (www.chitika.com) নামে আরেকটি ব্যবস্থা রয়েছে । ব্যবহারের পদ্ধতি এডসেন্স এর মতই।

২. এফিলিয়েটেড মার্কেটিং

এফিলিটেড মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে সীমা হচ্ছে আকাশ। আপনি যত চেষ্টা করবেন তত বেশি আয় করবেন। আপনার কাজ হচ্ছে ইন্টারনেটে যারা কিছু বিক্রি করে (পন্য বা সেবা) তাদের হয়ে প্রচার করা।এ কাজের জন্য নিজের ওয়েবসাইট থাকলে সুবিধে বেশি, না থাকলেও সমস্যা নেই অন্যভাবে করা যায়। কোন কোম্পানী টাকা দেয় তাদের সাইটে ভিজিটর পাঠালেই আবার কোন কোম্পানী দেয় কোন ভিজিটর কিছু কিনলে। ৭৫% পর্যন্ত কমিশন দেয়ার মত কোম্পানীও রয়েছে। আমাজন, ই-বে এফিলিয়েটেড মার্কেটিং কাজের জন্য অন্যতম। আমি আগেই বলেছি এফিলিয়েটেড মার্কেটিং এর জন্য নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকলে বেশি সুবিধে পাবেন। শুধুমাত্র এই কাজের জন্যই বিনামুল্যে ওয়েবসাইট তৈরী ও সেখানে বিভিন্ন পন্য যোগ করার ব্যবস্থা রয়েছে। যদিও এই ব্যবস্থায় আয় বেশি তারপরও এডসেন্সর এর পর ২য় অবস্থানে থাকার কারন হল একাজে বুদ্ধিমত্তা, মার্কেটিং এর দক্ষতা এবং পরিশ্রম অনেক বেশি।

৩. ফ্রিল্যান্সিং

আপনি ওয়েবসাইট তৈরী কিংবা মার্কেটিং এর ঝামেলায় যদি যেতে না চান, অথচ কম্পিউটারের কোন কাজে দক্ষ। সেটা ফটোশপ ব্যবহার করে হোক অথবা গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, প্রোগ্রামিং থেকে ডাটা এন্ট্রি, ভিডিও এডিটিং কিংবা এনিমেশন যে কোন কিছুই হতে পারে। তাহলে আপনার জন্য ফ্রিল্যান্সিং উপযুক্ত। কাজ দেয়ার ক্ষেত্রে অনেকগুলি প্রতিস্ঠান রয়েছে মধ্যস্থতা করার জন্য । সেখানে নিজের নাম তালিকাভুক্ত করবেন (কোন খরচ নেই), তাদের কাজের তালিকা দেখে এপ্লাই করবেন, কাজ পাওয়ার পর কাজ করে জমা দিবেন। আপনার একাউন্টে সেই কাজের পারিশ্রমিক জমা হবে। ঘন্টাপ্রতি নির্দিষ্ট কাজ অনুযায়ী অথবা এককালীন চুক্তি অনুযায়ী ফ্রিলান্সিং কাজে পেমেন্ট দেয়া হয়। কাজের জটিলতা অনুযায়ী আয় কয়েক ডলার থেকে কয়েক হাজার ডলার পর্যন্তও হতে পারে এই চুক্তি। মধ্যস্থতাকারী থাকে বলে টাকা হাতছাড়া হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। www.freelancer.com , www.odesk.com ইত্যাদি এধরনের কাজে অন্যতম প্রতিস্ঠান।

৪. নিজে বিক্রি করা

লাভ বেশি থাকার পরও একে ৪ নম্বরে রাখতে হচ্ছে কারন নিজে বিক্রি করলে লাভ বেশি, সেইসাথে পরিশ্রমও বেশি। আপনি কিছু পন্য ঠিক করবেন এরপর ওয়েবসাইটে রেখে দেবেন। যিনি কিনতে চান তিনি সেখানে ক্লিক করে কিনবেন এবং আপনি সেটা তারকাছে পাঠিয়ে দেবেন। ফটোগ্রাফ, ই-বুক, সফটঅয়্যার এর মত পন্য সরাসরি ইমেইল করে পাঠাতে পারেন কিংবা ডাউনলোডের ব্যবস্থা রাখতে পারেন। ছাপা বই বা বহনযোগ্য অন্য পন্য হলে পার্সেল করে পাঠাতে হবে। বিশ্বের অনেক দেশের মানুষই কেনাকাটা করে অনলাইনে। কাজেই এই মুহুর্তে বাংলাদেশের মত দেশে বিষয়টি চালু না থাকলেও একসময় হবে ইনশাআল্লা ।

৫. অনলাইন বিজ্ঞাপন

জনপ্রিয় ওয়েবসাইটে এডসেন্স এর মত বিজ্ঞাপন রাখতে হবে এমন কোন কথা নেই, ছাপানো পত্রিকায় যেমন বিজ্ঞাপন দেয়া হয় সেভাবে আপনার ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন প্রচার করে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব। আমেরিকায় ছাপানো বিজ্ঞাপনের আয়কে ছাড়িয়ে গেছে অনলাইন বিজ্ঞাপন। পত্রিকার মত সাইটের জন্য এই ব্যবস্থা সুবিধেজনক। একাজে সমস্যা হচ্ছে ব্যক্তিগতভাবে করা যায় না, প্রতিস্ঠান হিসেবে কাজ করতে হয়। তবে সেটা সংবাদপত্র হতে হবে এমন কথা নেই। মানুষের আগ্রহ রয়েছে এমন বিষয় নিয়ে ওয়েবসাইট হতে পারে। যেমন বিভিন্ন পণ্যের পরিচিতি এবং দাম নিয়ে যেমন মানুষের আগ্রহ সেই বিষয় নিয়েই অনেকগুলি বিশ্বখ্যাত ওয়েবসাইট রয়েছে। চাকরী বা অন্য তথ্য নিয়ে সাইটও লক্ষ ভিজিটর পেতে পারে।আপনারা এই সাইটের উপরে দেওয়া ওয়েব

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৩১৯০ টাকায় বাংলালিংক ও সিম্ফনির স্মার্টফোন

দেশীয় মুঠোফোন ব্র্যান্ড সিম্ফনির সঙ্গে যৌথভাবে কম দামের একটি স্মার্টফোন বাজারে এনেছে মোবাইল অপারেটর কোম্পানি বাংলালিংক। ‘সিম্ফনি রোর ই৭৯’ মডেলের এ স্মার্টফোনটির দাম পড়বে ৩ হাজার ১৯০ টাকা। বাংলালিংকের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, রাজধানীর গুলশানে বাংলালিংকের প্রধান কার্যালয়ে আজ মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্মার্টফোনটির বাজারজাতকরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এতে বাংলালিংকের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (সিসিও) শিহাব আহমাদ, সিম্ফনির জ্যেষ্ঠ পরিচালক রেজওয়ানুল হকসহ দুই প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, দেশব্যাপী সিম্ফনি ও বাংলালিংকের বিক্রয়কেন্দ্রে এই স্মার্টফোন কিনতে পাওয়া যাবে। ফোনটির সঙ্গে বাংলালিংক গ্রাহকেরা পাবেন ১ হাজার ৫০০ টাকার ডেটা প্যাকেজ। এই প্যাকেজের আওতায় তিন মাসে মোট ৬ গিগাবাইট (জিবি) ইন্টারনেট ডেটা পাওয়া যাবে। এর মধ্যে প্রথম মাসে মিলবে বিনা মূল্যে ৩০ দিন মেয়াদের ২ জিবি ইন্টারনেট ডেটা।
স্মার্টফোনটিতে রয়েছে ৪ ইঞ্চি স্ক্রিন, ২ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা, ৫১২ মেগাবাইট র‌্যাম, ১ হাজার ৪০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ক্ষমতার ব্যাটারি ও ডুয়েল কোর প্রসেসর।
শিহাব আহমাদ বলেন, স্মার্টফোনের ব্যবহার বৃদ্ধির মাধ্যমে আরও বেশিসংখ্যক মানুষকে ডিজিটাল জগতে নিয়ে আসতে বাংলালিংক কাজ করছে। এ উদ্যোগ বাংলালিংককে ডেটাকেন্দ্রিক কোম্পানি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সহায়ক হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চৌদ্দ শ’ সরকারী ফরম ডাউনলোড ও পূরণ করা যাবে ঘরে বসেই

শিক্ষাবার্তা ডেস্ক: তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে এবার ১৪শ’ রকমের প্রয়োজনীয় সরকারী ফরম ঘরে বসেই যে কেউ ডাউনলোড করতে পারবেন। এসব ফরম নিতে আর কাউকে সংশ্লিষ্ট অফিসে অফিসে যেতে হবে না। একই সঙ্গে দেশের মানুষ অনলাইনে ৪শ’ রকমের সরকারী সেবাও পাবেন। এসব সেবা দেবে এক্সেস টু ইনফরমেশন (এটুআই)। সেবা আরও সহজ করার জন্য ভয়েস এক্সেসও দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে এটুআই। ভয়েস এক্সেস পেলে মানুষ আরও সহজে মোবাইল ফোন ব্যবহার করে জাতীয় তথ্য বাতায়নের যে কোন তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন। এজন্য তথ্য বাতায়ন আরও কার্যকর করতে সম্প্রতি এটুআই ও রবি আজিয়াটা লিমিটেডের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। সূত্র জানায়, এই সমঝোতা স্মারকে এটুআইয়ের পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) ও এটুআই প্রকল্পের পরিচালক কবির বিন আনোয়ার ও রবি আজিয়াটার পক্ষে স্বাক্ষর করেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও চীফ কর্পোরেট এ্যান্ড পিপল অফিসার (সিসিপিও) মতিউল ইসলাম নওশাদ। সমঝোতা স্মারকের আলোকে বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়নের ভয়েস এক্সেস বাস্তবায়নের জন্য এক্সেস টু ইনফরমেশন প্রোগ্রাম (এটুআই) ও রবি আজিয়াটার যৌথ উদ্যোগে একটি কল সেন্টার স্থাপন করা হবে। ফলে যে কোন মোবাইল অপারেটর ব্যবহারকারী গ্রাহকরা সর্বনিম্ন কলরেটে ভয়েস কল, এসএমএস, আইভিআর ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং ই-মেল ব্যবহার করতে পারবেন। আর তাতেই মিলবে জাতীয় তথ্য বাতায়নের সব তথ্য। এছাড়া গ্রাহককেন্দ্রিক ই-সেবা, মোবাইল এ্যাপস বাস্তবায়নে রবি এটুআইকে সহায়তা দেবে।

জানা গেছে, জাতীয় তথ্য বাতায়ন (িি.িনধহমষধফবংয.মড়া.নফ) বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম সরকারী তথ্য বাতায়ন। ২০১৫ সালে ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমি-উনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ) এ্যাওয়ার্ড পেয়েছে। সব সরকারী ওয়েবসাইটকে একত্রে সংযুক্ত করে প্রতিটি নাগরিকের তথ্য ও সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন করা হয়েছে। জাতীয় তথ্য বাতায়নে ২৫ হাজারের বেশি ওয়েবসাইট যুক্ত রয়েছে। জাতীয় তথ্য বাতায়নের সঙ্গে দেশের ৬১ মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, ৩৫১ অধিদফতর ও অন্যান্য অফিস, ৮ বিভাগ, ৬৪ জেলা, ৪৮৯ উপজেলা, ৪ হাজার ৫৫০ ইউনিয়নসহ মোট ৪৩ হাজারের বেশি সরকারী অফিস যুক্ত রয়েছে। দেশের যে কোন নাগরিক তথ্য বাতায়ন থেকে তথ্য পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। বর্তমানে জাতীয় তথ্য বাতায়নে ২ দশমিক ১ মিলিয়ন কনটেন্ট রয়েছে। ৪শ’র বেশি সরকারী সেবাপ্রাপ্তির বিস্তারিত বিবরণ দেয়া আছে। এছাড়া প্রয়োজনে লাগবে এমন এক হাজার ৪শ’ সরকারী ফরম রয়েছে। এসব ফরম ডাউনলোড করে নাগরিকরা ব্যবহার করতে পারবেন। এজন্য কাউকে সংশ্লিষ্ট কোন অফিসে বা কার্যালয়ে যেতে হবে না।

এটুআই সূত্র মতে, তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্য সামনে নিয়ে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপকল্প ২০২১’ বাস্তবায়ন এবং দেশের মানুষের জীবনমানে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এটুআই বর্তমানে যেসব কর্মসূচী বাস্তবায়ন করছে, ইমপ্রুভিং ডেমোক্রেসি থ্রু পার্লামেন্টারি ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ (আইপিডি), এক্সেস টু ইনফরমেশন, ইমপ্রুভিং পাবলিক এডমিনিস্ট্রেশন এ্যান্ড সার্ভিস ডেলিভারি থ্রু ইন ই-সলিউশন: ইমপ্রুভিং গ্রিভেন্সি সিস্টেম, কনস্ট্রাকশন অব উপজেলা এ্যান্ড রিজিওনাল সার্ভার স্টেশনস ফর ইলেক্টোরাল ডাটাবেজ, স্ট্রেনদেনিং ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট ইন বাংলাদেশ, আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম ফর এনহেনসিং এক্সেস টু সার্ভিসেস, স্ট্রেনদেনিং অব বাংলাদেশ পাবলিক এ্যাডমিনিস্ট্রেশন ট্রেনিং সেন্টার, ডিজিটালাইজেশন অব বিপিএটিসি, ডিপেনিং এমটিবিএফ এ্যান্ড স্ট্রেনদেনিং ফাইন্যান্সিয়াল এ্যাকাউন্টেবিলিটি, স্ট্রেংদেনিং গবর্নেন্স ম্যানেজমেন্ট প্রজেক্ট, ইমপ্লিমেন্টেশন অব ডিজিটাল একনেক, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা, ডেভেলপমেন্ট অব বাংলাদেশ প্রপার্টি ডাটাবেজ, বাংলাদেশ জরিপ অধিদফতর ডিজিটাল ম্যাপিং, ইন্ট্রোডাকশন অব মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি), তথ্যপ্রযুক্তি সহায়তায় শিক্ষার মানোন্নয়ন, বিভিন্ন প্রযুক্তি বিশ্ব বিদ্যালয়ে তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়ন, হেলথ ইনফরমেশন সিস্টেম এ্যান্ড ই-হেল্্থ, বিএফডিসিতে ডিজিটাল প্রযুক্তি প্রবর্তক, বাংলাদেশ বেতারের মধ্যম তরঙ্গ ট্রান্সমিটার ডিজিটালাইজেশন ও আধুনিকায়ন, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, সমবায় অধিদফতরের আইসিটি ও ই-সিটিজেন সার্ভিস উন্নয়ন, কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্রের মাধ্যমে ডিজিটাল কৃষি তথ্যের প্রচলন ও গ্রামীণ জীবন মানোন্নয়ন, ইউনিয়ন পর্যায়ে মৎস্য চাষ প্রযুক্তি, জেলেদের নিবন্ধন, স্ট্রেনদেনিং সেটেলমেন্ট প্রেস, ম্যাপ প্রিন্টিং প্রেস এ্যান্ড প্রিপারেশন অব ডিজিটাল ম্যাপ, ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভূমি জরিপ ও রেকর্ড প্রণয়ন, ক্যাপাসিটি বিল্ডিং, এস্টাবলিশিং ডাটা সেন্টার এ্যান্ড টেলিকমিনিকেশন নেটওয়ার্ক ডেভেলপমেন্টসহ বিভিন্ন ধরনের সরকারী সেবা দেয়া হচ্ছে এটুআই প্রোগ্রাম থেকে।

এটুআইয়ের সঙ্গে রবির চুক্তির পর সেবা দানের ক্ষেত্রে আরও ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

উন্মুক্ত হল শিশুদের জন্য ডিজিটাল বই

bookপ্রযুক্তি ডেস্কঃ শিশুদের পড়াশোনার জন্য ডিজিটাল বই উন্মুক্ত করেছে তথ্যপ্রযুক্তি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ট্যাপওয়্যার।
সম্প্রতি ‘আই লার্ন মাইসেলফ’ নামের ওই ডিজিটাল বইটি শিশুরা আইপ্যাড, ট্যাবলেট কম্পিউটার, স্মার্টফোনে ব্যবহার করে সহজেই পড়তে পারবে। ডিজিটাল বইটি উন্মোচন অনুষ্ঠানে ট্যাপওয়্যারের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও কম্পিউটার প্রোগ্রামিং বইয়ের লেখক নিটন মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য আই লার্ন মাইসেলফের আওতায় একাধিক শিক্ষামূলক গেম ও অ্যাপস প্রকাশ করা হবে। আমরা মনে করি, সময়োপযোগী এ উদ্যোগের মাধ্যমে কোমলমতি শিশুদের পড়াশোনা ও জ্ঞানবিকাশ আনন্দদায়ক হবে।  https://www.facebook.com/tappware?_rdr=p  এ লিংক থেকে আই লার্ন মাইসেলফ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পাসওয়ার্ড মনে রাখার ঝামেলা থেকে মুক্তি দিতে পাসওয়ার্ড ছাড়া লগ ইন পদ্ধতি

জটিল পাসওয়ার্ড ম1নে রাখা অনেকের জন্য কষ্টকর। গুগল কর্তৃপক্ষ পাসওয়ার্ড মনে রাখার ঝামেলা থেকে মুক্তি দিতে পাসওয়ার্ড ছাড়া লগ ইন পদ্ধতি নিয়ে পরীক্ষা চালাচ্ছে। গতকাল মঙ্গলবার গুগল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছে, কিছু সংখ্যক গুগলের সেবা ব্যবহারকারীকে পাসওয়ার্ডহীন ব্যবস্থায় লগ ইন পদ্ধতি ব্যবহার করার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

পাসওয়ার্ডহীন এই পদ্ধতিতে দরকার হবে মোবাইল ফোন। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ব্যক্তির অ্যাকাউন্ট শনাক্ত করা হবে । গুগল অ্যাকাউন্টে লগ ইন করতে এখন ইমেইল অ্যাড্রেস ও পাসওয়ার্ড লাগে। এ পদ্ধতিতে ইমেইল অ্যাড্রেস দেওয়ার পর ইমেইলে আগে থেকে দিয়ে রাখা মোবাইল নম্বরে একটি গোপন কোড পাঠাবে গুগল। গোপন কোডটি ব্যবহার করে অ্যাকাউন্টে ঢোকা যাবে। আইওএস ও অ্যান্ড্রয়েড প্ল্যাটফর্মে এই পদ্ধতিটি পরীক্ষা করে দেখেছে গুগল। চাইলে প্রচলিত পাসওয়ার্ড দিয়েও অ্যাকাউন্টে ঢোকা যাবে। ফিশিং আক্রমণ বা মেইল ব্যবহারকারীদের ধোঁকা দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতিয়ে নেওয়া ঠেকাতে এই পদ্ধতিটি সাহায্য করবে বলে দাবি করেছে গুগল। তথ্যসূত্র: পিসিম্যাগ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

টুইটার সম্পর্কে টুকিটাকী

বর্তমানে ব্লগিং ও নেটওয়াindexর্কিং এর চাইতে সাইটে ভিজিটর আনার একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসাবে বেশি পরিচিত । টুইটার ব্যবহার করে আপনার সাইটে প্রতিদিন ১০০-২০০ ভিজিটর নিয়ে আসা সম্ভব খুব সহজেই । ৫০০-১০০০ ভিজিটর আনাও অসম্ভব নয় । যাইহোক এবার এই প্রক্রিয়াটি নিয়ে একটু আলোচনা করা যাক ।  যথাঃ Update, Following, Followers.

  • Update: আপনি কি করছেন ? বা আপনি আপনার Followers দের কি জানাতে চাচ্ছেন তা ১৪০ ক্যারেক্টার বা অক্ষর এর মধ্যে লিখতে হবে।
  • Following: আপনি যাদের ফলো করছেন তাদের দেয়া সর্বশেষ আপডেট আপনি টুইটারে লগিন করার পর দেখতে পাবেন।
  • Followers: যারা আপনাকে ফলো করছে তারা আপনার দেয়া আপডেট দেখতে পাবে।

এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে
Followers কারন তারা আপনার আপডেট দেখবে এবং সেখানে দেয়া আপনার সাইটের লিংকে ক্লিক করবে যদি তারা আগ্রহী হয় । আপনার Followers যতো বেশি হবে ততো বেশি সংখ্যক মানুষ আপনার আপডেট দেখতে পাবে … এবং আপডেটে ক্লিক করে আপনার সাইটে আসার সম্ভাবনাও বেশি হবে ।
টুইটারে আমি সূচনা করি প্রায় ২ মাস আগে । আমার বর্তমান Followers প্রায় ১,৫০০ এবং এই সংখা প্রতিদি আপনার সাইটটি ফটোশপ টিউটোরিয়ালের । কিন্তু আপনাকে যে ১০০০ জন ফলো করছে তাদের কেউই ফটোশপেন বৃদ্ধি পাচ্ছে । http://www.problogger.net এর Derren Rowse এর প্রায় ৭২,০০০ ফলোয়ার্স ! এবং তিনি প্রতিদিন টুইটার থেকে কয়েক হাজার ভিজিটর পাচ্ছেন ।

বিশেষ ধরনের Followers নির্বাচন

মনে করুন আগ্রহী নয় । ফলে আপনার আপডেটে কোন ক্লিক না পড়ার আশংকাই বেশি । তাহলে আপনার প্রয়োজন এমন ফলোয়ার্স যারা ফটোশপে আগ্রহী । কিভাবে ফটোশপে আগ্রহী ফলোয়ার্স পাবেন ? টুইটারে Find People অপশনে ক্লিক করে photoshop লিখে সার্চ করুন । এখানে আপনি কিছু গ্রুপ এবং সাইটের প্রোফাইল পাবেন যারা ফটোশপ নিয়ে বিভিন্ন নিউজ এবং টিউটোরিয়াল লিখে । এই গ্রুপ এবং সাইটগুলোকে যারা ফলো করছে… তারাই ফটোশপে আগ্রহী । এবার আপনি কোন একটি সাইটের বা গ্রুপের প্রোফাইলে ঢুকে Followers এ ক্লিক করুন । এরপর এই ফলোয়ার্স এর মধ্য থেকে প্রতিদিন ৫০-১০০ জনকে ফলো করুন । দেখবেন তাদের মধ্য থেকে অর্ধেক এর মত আপনাকে ফলো করবে । অর্থাৎ আপনি এবার ২৫-৫০ জন ফলোয়ার্স পেয়ে গেলেন যারা ফটোশপে আগ্রহী । এভাবে প্রতিদিন ফলোয়ার্স বাড়াতে থাকুন আর মাঝে মাঝে আপনার সাইটের আপডেট দিন ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সরকারি চাকরিজীবীদের ফেসবুক ব্যবহারে বিধিনিষেধ আরোপ

ডেস্ক: ই১ন্টারনেটে বাংলাদেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় যোগাযোগ মাধ্যম ‘ফেসবুক’ ব্যবহারেরর ক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারেদের জন্য কিছু বিধি নিষেধ আরোপ করেছে সরকার। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ২৮ অক্টোবর জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই বিধিনিষেধের কথা জানানো হয়। এটি বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ব্যক্তিগত অথবা পেশার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়- এমন বিষয়ে লিখতে পারবেন না সরকারের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা। এমনকি এ সংক্রান্ত কোনো ছবিও শেয়ার করা যাবে না। শুধু উদ্ভাবনমূলক ও সরকারি কাজের ইতিবাচক দিক নিয়ে লিখতে ও শেয়ার করতে পারবেন তারা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সম্প্রতি একজন সরকারি কর্মকর্তা একটি ছবি পোস্ট করেন, যা তার পেশাগত অবস্থানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত চলতি মাসের বিভাগীয় কমিশনারদের সমন্বয় সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়।

ওই বৈঠকের পর ২৮ অক্টোবর জারি করা অফিস আদেশে বলা হয়, ‘বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে সমালোচনার আশংকা রয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মানুষের মত প্রকাশের ক্ষেত্রে অবারিত সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু কোনো সরকারি কর্মকর্তার অবাধে এবং নিজ কর্মের সঙ্গে সামঞ্জস্যহীনভাবে যথেচ্ছ আচরণ করার সুযোগ নেই। এজন্য যে কোনো কর্মকর্তার কাছ থেকে তথ্যপ্রযুক্তি ও এ সংক্রান্ত বিষয়ে দায়িত্বশীল ব্যবহার কাম্য।’

বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠানো আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘মাঠপর্যায়ের কোনো কোনো কর্মকর্তা ফেসবুকে একান্ত ব্যক্তিগত এবং নিজ কর্মের সঙ্গে সঙ্গতিহীন বিষয় শেয়ার করছেন। প্রশাসনের ভাবমূর্তির সঙ্গে এসব বিষয় সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। উদ্ভাবনমূলক, সরকারি কাজের ইতিবাচক দিক, যা অন্যকে উদ্বুদ্ধ করবে এমন সব বিষয় ফেসবুকে শেয়ার করার জন্য মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা প্রদান করা আবশ্যক।’

তবে এ আদেশ সরকারের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে চাপা ক্ষোভের। নাম প্রকাশ না করে তাদের অনেকেই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। ‘পেশার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বিষয়গুলো কি কি? ফেসবুকের হেডকোয়ার্টার এখন মন্ত্রিপরিষদ সচিবালয়…. ষড়যন্ত্র প্রতিবন্ধীদের জয় হোক…..’ শিরোনামে কর্মকর্তাদের একটি ফেসবুক সাইটে আদেশের কপি পোস্ট করেছেন একজন কর্মকর্তা।

এর প্রতিক্রিয়ায় অপর একজন কর্মকর্তা লিখেছেন- ‘মাঠ পর্যায়ে কর্মকর্তাদের চাকরির মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় এবং চাকরির নিয়ম পরিপন্থী হয়, কোনো দফতর, অধিদফতরের সহিত মতামত নেওয়া হয়নি এবং যেটা সাংবিধানিকভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করে শুধু প্রশাসন ক্যাডারদের একক সুবিধা দেওয়ার জন্য যে পরিপত্র জারি করা হয়েছে তা কতটুকু যুক্তিযুক্ত এ ধরনের চাপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত কোনোকালে, কোনোক্রমে কেউ মেনে নিতে পারে না।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাঠপর্যায়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, এটার কোনো মানে হয় না। আমরা সরকারের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে গিয়ে নানা ধরনের সমস্যার মোকাবেলা করি। সেসব বিষয় লেখা যাবে না, শুধু লিখতে হবে সরকারের ইতিবাচক কথা। কর্মকর্তাদের ফেসবুক ব্যবহারের বিষয়ে সরকারের উৎসাহিত নির্দেশনায় আমরা খুবই খুশি হয়েছিলাম। ফেসবুকের মাধ্যমে নানা ধরনের জটিলতা ও সমস্যা প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাব্যক্তিদের নজরে আনার চেষ্টা করেছে। এটার কিছু ফলও পাওয়া গেছে। কিন্তু মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এ ধরনের নির্দেশনার কারণে অনেকে এ আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে পারেন।

তবে ভিন্নমত পোষণ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, সরকারি কর্মকর্তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইনোভেটিভ বিষয়গুলো শেয়ার করতে বলায় অনেকে তাতে নিজেদের গোষ্ঠীগত, ব্যক্তিগত, কোনো কোনো সময় সূক্ষ্মভাবে রাজনৈতিক বিষয়েও মতামত দিয়ে থাকেন, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সোজাসাপটা বলতে হলে ফেসবুক এখন আন্দোলনের হাতিয়ার হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

থ্রিজি থেকে টুজিতে গেলেই কী করবেন!

ডেস্ক: সেলফোনের তৃতীয় প্রজন্মের ইন্টা20xcv-300x169রনেট সেবার (থ্রিজি) গ্রাহকরা দ্বিতীয় প্রজন্মের নেটওয়ার্কের আওতায় এলেই ক্ষতিপূরণ পাবেন। অর্থাৎ যারা থ্রিজি প্যাকেজ কিনবেন তারা যদি টুজি নেটওয়ার্কে ঢুকে পড়েন তবে সংশ্লিষ্ট অপারেটর গ্রাহককে ৪০ শতাংশ ডাটা ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেবে।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলটরি কমিশন (বিটিআরসি) সম্প্রতি অপারেটরদের প্রতি এ নির্দেশনা জারি করেছে, যা ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে।

বিটিআরসির সিস্টেমস অ্যান্ড সার্ভিসেস বিভাগ থেকে সব অপারেটরেকে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে ৷

এ প্রসঙ্গে বিটিআরসি চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোস সাংবাদিকদের  বলেন, ‘গ্রাহকদের জানা দরকার কোন এলাকায় থ্রিজি আছে আর কোন এলাকায় নাই। কারণ থ্রিজি এরিয়ায় যে গতি তা টুজি এরিয়ায় গেলে পাওয়া যাবে না।’

গ্রাহক ৪০ শতাংশ.ক্ষতিপূরণ কীভাবে পাবে সে বিষয়ে সুনীল বলেন, ‘অপারেটরদের সঙ্গে আলাপ করে বিষয়টি জানানো হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

‘টেলিটককে শক্তিশালী করা হবে’

অনলাইন রিপোর্টার ॥ বেসরকারি indexমোবাইল ফোন অপারেটরদের সাথে প্রতিযোগিতার উপযুক্ত করে রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটককে গড়ে তোলা হবে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযাগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।
বুধবার সচিবালয়ে টেলিকম খাতের প্রতিবেদকদের সংগঠন ‘টেলিকম রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ’ এর সঙ্গে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে সেই পরিকল্পনা জানান তারানা।
ডাক ও টেলিযোগাযাগ প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা একটা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে চাই, যাতে টেলিটক স্বাবলম্বী প্রতিষ্ঠান হিসাবে টিকে থাকতে পারে।
তিনি বলেন, টেলিটককে বাজারে কম্পিটিটিভ উপযুক্ত করে গড়ে তোলা আমাদের অন্যতম একটা চ্যালেঞ্জ। সেজন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। টেলিটককে শক্তিশালী করার আমাদের একটা পরিকল্পনা আছে। টেলিটক নিজের পায়ে দাঁড়াক। দাঁড়িয়ে কম্পিটিটিভ বাজারে যেন কম্পিটিশনে উপযুক্ত হতে পারে।
ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে বেসরকারি খাতের প্রয়োজনের কথা স্বীকার করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমরা প্রাইভেট সেক্টরকে অবশ্য চাই, তারা বৈধ সুবিধা নিয়ে বৈধভাবে কাজ করবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

রবি-এয়ারটেল একীভূত হবে!

অনলাইন রিপোর্টার ॥ রবি আজিয়াটা লিমিটেড ও এয়ারটেল বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবসা একীভূত করা যায় কিনা- তা পর্যালোচনার কাজ শুরু হয়েছে।
বুধবার রবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, আজিয়াটা গ্রুপ বারহাদ (আজিয়াটা) ও ভারতী এয়ারটেল লিমিটেড (ভারতী) এই মর্মে যৌথভাবে ঘোষণা করছে যে, উভয়পক্ষ দীর্ঘ ও সুচিন্তিত আলোচনার পর এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে যে, তারা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশের মালিকানাধীন টেলিকমিউনিকেশন্স ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের- যথাক্রমে রবি আজিয়াটা লিমিটেড (রবি) ও এয়ারটেল বাংলাদেশ লিমিটেড (এয়ারটেল), ব্যবসা একীভূত করা যায় কিনা তা পর্যালোচনার কাজ শুরু করেছে।
‘তবে এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই যে, দুই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান একীভূত করার (রবি আজিয়াটা লিমিটেড ও এয়ারটেল বাংলাদেশ লিমিটেড) যে পর্যালোচনা প্রক্রিয়া- তা সুনিশ্চিত চুক্তিতে পরিণত হবে।’
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ ঘোষণা উভয় প্রতিষ্ঠানের পর্যালোচনার উদ্যোগকে সহায়তা এবং পরস্পরের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের সুবিধা ও এ সম্পর্কিত নিয়ন্ত্রক (রেগুলেটরি বডি) সংস্থাগুলোর সঙ্গে আলোচনার পথকেও সহজ করবে।
এ বিষয়ে বিশেষ কোনো অগ্রগতি সাধিত হলে আজিয়াটা ও ভারতী পরবর্তীতে ঘোষণা দেবে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

নতুন পোস্টপেইড একুইজিশন প্যাক এনেছে রবি

ডেস্ক,ঢাকা: সribiময়ের সাথে গ্রাহকের প্রয়োজন ও চাহিদার পরিবর্তনের বিষয়টি মাথায় রেখে সম্প্রতি একটি নতুন পোস্টপেইড একুইজিশন প্যাক চালু করেছে মোবাইল ফোন অপারেটর রবি আজিয়াটা লিমিটেড।
রবির নতুন এই পোস্টপেইড প্যাকটির সাথে ফ্রি কানেকশন পাবেন গ্রাহকরা। কিন্তু সিকিউরিটি ডিপোজিট হিসাবে ৫০০ টাকা জমা দিতে হবে যা ফেরতযোগ্য। অফারের অংশ হিসাবে গ্রাহকরা ৫০০টাকা মূল্যমানের সেবা উপভোগ করতে পারবেন। এছাড়া গ্রাহকরা দিন-রাত ২৪ ঘন্টা যে কোন অপারেটরে প্রতি ১০ সেকেন্ডে ১০ পয়সা, যে কোন স্থানীয় অপারেটরে প্রতি এসএমএস ৩৫ পয়সা ও প্রতি মেগাবাইট ইন্টারনেট ৫০ পয়সা হিসাবে ব্যবহার করতে পারবেন। এই প্যাকে কোনো লাইন রেন্ট নেই।

গ্রাহকরা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অ্যাক্টিভেশন বোনাস হিসাবে ৫০০ মেগাবাইট ডাটা, ৫০০টি এসএমএস ও ৫০০টি এমএসএস পেয়ে যাবেন যার মেয়াদ থাকবে এক মাস। এছাড়া বিনামূল্যে তিন মাস মেয়াদি ডেইলি নিউজ এলার্ট ও কল ব্যাক সার্ভিস গ্রহণ করতে পারবেন গ্রাহকরা। একমাত্র নতুন পোস্টপেইড গ্রাহকরাই অ্যাক্টিভেশন বোনাসটি উপভোগ করতে পারবেন। বর্তমান পোস্টপেইড গ্রাহকরা নতুন পোস্টডেইড একুইজেশন প্যাকে মাইগ্রেট করার মাধ্যমে অ্যাক্টিভেশন বোনাসটি ছাড়া বাকী সব ট্যারিফ ও বেনিফিটগুলো পাবেন। মাইগ্রেশনের জন্য *১৪০*৫২# নাম্বারে ডায়াল বা ১০<স্পেস> অন লিখে ৮২৪৪ নাম্বারে এমএসএস করতে হবে।

এছাড়া প্রতি মাসে কী পরিমাণে মোবাইল ফোন সেবা গ্রহণ করছেন এর ওপর ভিত্তি করে বোনাস পাবেন গ্রাহকরা। এক মাসে গ্রাহকের মাসিক বিল যদি ২০০ টাকার বেশি হয় তবে তিনি রবি-রবি ২০০ মিনিট এবং ১ জিবি ডাটা বিনামূল্যে ব্যবহার করতে পারবেন। অন্যদিকে বিল ৪০০ টাকা ছাড়িয়ে গেলে তিনি মাসের বাকী সময়ে রবি-রবি প্রতি মিনিট ৪৫ পয়সা রেটে কথা বলতে পারবেন। এছাড়া বিল ৬০০ টাকা ছাড়িয়ে গেলে রবি-রবি প্রতি মিনিট ৩০ পয়সা রেটে কথা বলতে পারবেন গ্রাহকরা (১০ সেকেন্ড পালস)।

নতুন পোস্টপেইড গ্রাহকরা সরাসরি রবি’র লয়েল্টি প্রোগ্রামের সদস্য হয়ে যাবেন। এছাড়া রবি সেবায় থাকা সাপেক্ষে গ্রাহকরা শেষের ছয়টি ডিজিট নিজের ইচ্ছামত নেয়ার সুযোগ পাবেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মস্তিষ্কের দৈনিক সচলতা বাড়ায় স্মার্টফোন

ঢাকা: স্মার্টjakia..smartphone_59540ফোনে মেসেজ টাইপ, স্ক্রল করে ওয়েব পেজ দেখা বা ই-মেল চেক করা বদলে দিতে পারে মস্তিষ্ক ও আঙুলের সংযোগ স্থাপনের সূত্র। ফ্রিবর্গ ইউনিভার্সিটি ও জুরিক ইউনিভার্সিটির এক যৌথ গবেষণায় উঠে এসেছে এই তথ্য।
২৬জন স্মার্টফোন ব্যবহারকারী এবং ১১জন পুরনো প্রযুক্তির ফোন ব্যবহারকারীকে নিয়ে গবেষণা চালিয়েছে জুরিক ইউনিভার্সিটির ডা. অর্ক ঘোষ। এদের প্রত্যেকের মাথায় পরানো হয়েছিল ৬২টি ইলেকট্রোড যুক্ত ইইজি ক্যাপ। যার সাহায্যে ফোন ব্যবহার করার সময় তাদের মস্তিষ্কের সঙ্গে বুড়ো আঙুল, মধ্যমা ও তর্জনীর সংযোগ স্থাপনের প্রক্রিয়া পরীক্ষা করা হয়। এই পরীক্ষার ফলেই উঠে এসেছে কিভাবে ক্রমাগত টাচস্ক্রিনে আঙুলের নড়াচড়া বদলে দেয় মস্তিষ্কের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের সূত্র।
ডা. ঘোষ জানায়, যারা স্মার্টফোন ব্যবহার করেন তাদের মস্তিষ্ক স্পর্শে সাধারণ ফোন ব্যবহারকারীদের থেকে অন্যভাবে প্রতিক্রিয়া জানায়। সেই সঙ্গেই মস্তিষ্কের প্রতিদিনের সচলতা বাড়াতে স্মার্টফোন ব্যবহার খুবই উপযোগী বলেও জানান ডা. ঘোষ।
কল প্রেস জার্নাল কারেন্ট বায়োলজিতে প্রকাশিত হয়েছে এই গবেষণার ফল।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

টাকা খেকো ভাইরাস! দেখুন আপনার অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল থেকে কিভাবে গায়েব হচ্ছে ব্যালান্স সহ সব তথ্য !

ডেস্ক :ইদানিং কি প্রায়ই এমন হয়, আপনার মোবাইল ফোন থেকে টাকা হারিয়ে যাচ্ছে ? ব্যালান্স থেকে হুট করে টাকা গায়েব  এরকম অভিযোগ এখন অনেকের কাছেই শোনা যায় । এবার বিশেষজ্ঞরা বের করেছেন এর পেছনের রহস্যজনক বিষয় ।

মোবাইল ফোন থেকে হঠাৎ করেই টাকা গায়েব? এর পেছনে থাকতে পারে ভয়ংকর একটি ট্রোজান ভাইরাস। অ্যান্ড্রয়েডনির্ভর মোবাইল ফোনে নতুন একটি ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে যা ব্যবহারকারীর মোবাইলে থাকা অর্থ শেষ করে ফেলতে পারে। এ ছাড়া তথ্য চুরি করা কিংবা মোবাইলে থাকা কন্ট্যাক্ট নম্বরগুলোতে বার্তা পাঠিয়ে সর্বনাশ করতে পারে। সাইবার বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, মারাত্মক এই ট্রোজান ভাইরাসটির নাম ‘অ্যান্ড্রয়েড এসএমএস সেন্ড’।
সাইবার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘অ্যান্ড্রয়েড এসএমএস সেন্ড’ ভাইরাসটি প্রিমিয়াম সার্ভিস বিনষ্টকারী ম্যালওয়্যারের তালিকায় পড়ে। অ্যান্ড্রয়েডে ভুয়া অ্যাপ্লিকেশনের ছদ্মবেশে এ ভাইরাসটি ঢুকে পড়ে মোবাইলের সর্বনাশ করে। একবার এ ভাইরাসটি ইনস্টল হয়ে গেলে কন্ট্যাক্ট তালিকায় থাকা নম্বরগুলোতে টেক্সট বার্তা পাঠাতে থাকে।
কম্পিউটার ইমারজেন্সি রেসপন্স টিম অব  (সিইআরটি-ইন) গবেষকেরাঅ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের এ ভাইরাসটি সম্পর্কে সতর্ক করেছেন।
পুরোনো ফোনের বিপদ ও সুরক্ষাবিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভাইরাসটি স্মার্টফোনের আইএমইআই নম্বর, মোবাইল আইডি, মোবাইলের ধরনসহ অন্যান্য তথ্য চুরি করে দুর্বৃত্তদের কাছে পাঠাতে পারে এবং মোবাইলে অন্যান্য স্পাইওয়্যার ডাউনলোডের জন্য জায়গা করে দিতে পারে। ভাইরাসটি এতটাই মারাত্মক যে মোবাইল থেকে নম্বর চুরি, ছবি গায়েব, লোকেশন ট্র্যাক, পাসওয়ার্ড চুরি, টেক্সট মেসেজ কপি, মোবাইল পুরোপুরি অচলও করে দিতে পারে। এ ছাড়া মোবাইল ব্যাংকিংয়ের তথ্যও হাতিয়ে নিতে পারে। অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যারকেও ফাঁকি দিতে পারে এ ভাইরাসটি।
অনলাইনের অ্যাপ মার্কেটপ্লেসে পরিচিত অ্যাপের ছদ্মবেশে এ ভাইরাসটি লুকিয়ে থাকে। দুর্বৃত্তরা পরিচিত অ্যাপের মধ্যে এ ভাইরাস ঢুকিয়ে তা মার্কেটপ্লেসে রেখে দেয়।android-virus1

এ ভাইরাসটি থেকে বাঁচতে পরিচিত উত্স ছাড়া আর কোনো স্থান থেকে অ্যাপ ডাউনলোড না করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এ ছাড়া হালনাগাদ মোবাইল সিকিউরিটি সফটওয়্যার বা অ্যান্টি ভাইরাস দিয়ে মোবাইল পুরোপুরি স্ক্যান করে ফেলতে বলেছেন তাঁরা। কোনো অ্যাপ ইনস্টল করার আগে তা কী ধরনের অনুমতি চাইছে তা দেখে নিতে বলছেন। কোনো সাইটের লিংকে ক্লিক করার আগে কিংবা অ্যান্ড্রয়েড আপডেট করার আগেও সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা।
গবেষকদের পরামর্শ হচ্ছে, অ্যান্ড্রয়েডের তথ্য অন্য কোথাও ব্যাকআপ হিসেবে রেখে দেবেন এবং অপরিচিত কোনো ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক ব্যবহারের ক্ষেত্রে সচেতন থাকবেন। ভাইরাস থেকে বাঁচতে ডিভাইস এনক্রিপশন ব্যবহার করুন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free