প্রযুক্তি

বাংলা উইকিপিডিয়ায় নিবন্ধ লিখে জিতে নিন পুরস্কার

‘আসুন আমার ভাষায় তুলে ধরি, আমার ভালোবাসার সবকিছু’ স্লোগানে উন্মুক্ত বিশ্বকোষ বাংলা উইকিপিডিয়ায় চলছে ‘নিবন্ধ লেখা প্রতিযোগিতা’। ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এ প্রতিযোগিতা চলবে ৩১ মার্চ পর্যন্ত।

উইকিমিডিয়া বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় যে কেউ নির্দিষ্ট তালিকা থেকে নিবন্ধ তৈরি করে অংশ নিতে পারবেন। প্রতিটি নিবন্ধ তৈরির জন্য রয়েছে পুরস্কার।

প্রতিযোগিতার সমন্বয়ক নাহিদ সুলতান জানান, বাংলা উইকিপিডিয়াতে বর্তমানে বিভিন্ন বিষয়ে ৪৭ হাজারেরও বেশি নিবন্ধ রয়েছে কিন্তু এখনো অনেক গুরুত্বপূর্ণ নিবন্ধই নেই। বাংলায় সেই অলিখিত নিবন্ধগুলো অন্তর্ভূক্ত করাই এই প্রতিযোগিতার প্রধান উদ্দেশ্য।

প্রতিযোগিতার বিষয়ে বাংলা উইকিপিডিয়ার প্রশাসক নুরুন্নবী চৌধুরী হাছিব বলেন, বাংলা উইকিপিডিয়ায় নিয়মিত নিবন্ধ বাড়ানোর অংশ হিসেবে আমাদের এ প্রতিযোগিতা। এ ধরনের প্রতিযোগিতা আমরা নিয়মিত করতে চাই।

প্রতিযোগিতার বিস্তারিত জানা যাবে https://bn.wikipedia.org/s/96gp এই ঠিকানায়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৩৬ হাজার টাকায় ডেলের ল্যাপটপ

সাশ্রয়ী দাম ইন্সপায়রন সিরিজের একটি ল্যাপটপ ছাড়লো ডেল। মডেল ইন্সপায়রন ৩০৫২। ল্যাপটপটি দেশের বাজারে পরিবেশন করছে স্মার্ট টেকনোলজিস বিডি লিমিটেড।

ল্যাপটপটিতে আছে ইনটেল কোয়াড কোর এন৩৭০০ প্রসেসর। প্রসেসরের ক্লকস্পিড ২.৪ গিগাহার্জ।

৪ জিবি র‌্যামের এই ল্যাপটপটিতে আছে ১ টেরাবাইট হার্ডডিস্ক ড্রাইভ।

ল্যাপটপটির ডিসপ্লে ১৯.৫ ইঞ্চির। এটি এন্টি গ্লেয়ার প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে।

ইনট্লে এইচডি গ্রাফিক্স সমৃদ্ধ ডেলের এই ল্যাপটটিতে ডিভিডি রিরাইটেবল ড্রাইভ রয়েছে। এতে আছে ফ্রি ডস।

নেটওয়ার্ক কানেকটিভিটি হিসেবে ইন্সপায়রন সিরিজের ল্যাপটটিতে ব্লটুথ, ওয়াইফাই এবং ওয়াইসি নেটওয়ার্ক কানেকটিভিটি রয়েছে।

দুই বছরের বিক্রয়োত্তর সেবাসহ ল্যাপটপটির মূল্য ৩৬ হাজার ৫০০ টাকা

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধি করার ১৭ উপায়

মানুষের ভালো-মন্দ, জ্ঞান-বিজ্ঞান, কৌশল, শারীরিক যোগ্যতা, মানসিক উন্নয়ন সব কিছুরই নিয়ন্ত্রক মস্তিষ্ক বা ব্রেইন। এই মস্তিষ্ক যিনি যতটা সক্ষম ও সচল রাখতে পারবেন তিনি ততটা বুদ্ধি, প্রজ্ঞা ও কৌশল দিয়ে জগত্টাকে জয় করতে পারবেন। তাই মস্তিষ্ক শক্তি কিভাবে বাড়াবেন তাই নিয়ে ১৭টি টিপস এখানে তুলে ধরা হলো:

১. হঠাৎ করে উত্তেজিত হবেন না। পরিস্থিতি মূল্যায়নে যথেষ্ট সময় নিন। প্রয়োজনে সমমনাদের সঙ্গে আলাপ করুন।

২. বিষয়টি সহজ হলেও সমাধানে জটিলতা নিয়ে আগে ভাবুন।

৩. সবকিছু যুক্তি দিয়ে সমাধানের চেষ্টা করুন।

৪. নিয়মিত ব্যায়াম করুন।

৫. ঘুমানোর সময় সোজা হয়ে ঘুমাতে চেষ্টা করুন।

৬. প্রচুর পরিমাণ পানি পান করুন।

৭. সবসময় হাসি-খুশি থাকুন।

৮. কাজের ভেতর থাকতে চেষ্টা করুন।

৯. পরিমিত ঘুমাতে চেষ্টা করুন।

১০. অবসরে কম শব্দে খানিকটা সঙ্গীত উপভোগ করুন।

১১. কোন কিছু নিয়ে বেশি ভাববেন না।

১২. দ্রুত পড়ার অভ্যাস করুন।

১৩. প্রিয়জনের নাম মনে করার চেষ্টা করুন।

১৪. প্রকৃতি নিয়ে ভাবুন।

১৫. বন্ধুদের সহায়তার চেষ্টা করুন।

১৬. সমস্যার গভীরে যাবার চেষ্টা করুন।

১৭. মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ডট বাংলা ডোমেইনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডট বাংলা (.বাংলা) ডোমেইনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে গণভবনে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এ ডোমেইনের উদ্বোধন করেন তিনি।

ডট বাংলা ডোমেইন মাতৃভাষার ক্ষেত্রে আরেকটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। ডট বাংলা ডোমেইন চালুর মাধ্যমে সারাবিশ্বে বাংলা ভাষাভাষী মানুষ ইন্টারনেটে নিজের ভাষায় প্রবেশ করতে পারবেন।

এর ফলে ইন্টারনেটে বাংলা ভাষা ব্যবহার বৃদ্ধিসহ বাংলা কনটেন্ট তৈরি উৎসাহিত হবে। এ ছাড়া ডট বাংলা ডোমেইন সর্বস্তরের বাংলা ভাষা প্রচলনের ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেন,এখন থেকে ডট বাংলা ডোমেইনটির সার্ভিস আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল। এটি ডট বিডির মতো বাংলাদেশের নিজস্ব দ্বিতীয় ডোমেইন সিস্টেম।

ডট বাংলা ডোমেইনটির মূল্য নির্ধারণ হবে বোর্ড সভায়। তবে প্রাথমিকভাবে ডট বাংলা ডোমেইন সাবস্ক্রিপশন চার্জ এক বছরের জন্য এর মূল্য ধরা হয়েছে ৫০০ টাকা এবং বিশেষ শব্দের ডোমেইন নাম ১০ হাজার টাকা।

অন্যদিকে বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারত সরকারের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গ এবং সিয়েরা লিওনও ডট বাংলার জন্য আবেদন করেছিল।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এসএমএস পাঠিয়ে যেভাবে পাবেন স্মার্টকার্ড

দেশের নাগরিকদের জাতীয় পরিচয়পত্রের স্মার্টকার্ড দেওয়া শুরু করেছে সরকার। ইতোমধ্যেই অনেকে নিজেদের কার্ড বুঝে পেয়েছেন।

তবে সবার হাতে এখনো পৌঁছায়নি স্মার্টকার্ড। কিন্তু যারা এখনও পাননি তারা নিজেই জেনে নিতে পারেন কখন হাতে পাবেন আপনার কার্ডটি। ১০৫ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে বা নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে জানতে পারবেন এ তথ্য।

এছাড়া নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটের https://services.nidw.gov.bd/voter_center লিংকে গিয়ে এনআইডি নম্বর ও জন্ম তারিখ অথবা ফরম নম্বর ও জন্মতারিখ দিয়ে স্মার্টকার্ড বিতরণের তারিখ জানা যাবে। তবে যাদের স্মার্টকার্ড বিতরণের তারিখ এখনো নির্ধারণ হয়নি তাদেরকে পরবর্তীতে আবার অনুসন্ধান করার কথা বলা হবে।

এসএমএসের মাধ্যমেও বিতরণের তারিখ ও কেন্দ্রের নাম জানা যাবে। এসএমএসের মাধ্যমে জানতে SC লিখে স্পেস দিয়ে ১৭ সংখ্যার এনআইডি নম্বর লিখে ১০৫ নম্বরে পাঠাতে হবে। আর যাদের এনআইডি ১৩ ডিজিটের তাদের এনআইডির নম্বরের প্রথমে জন্ম সাল যোগ করতে হবে।

এখনও যারা এনআইডি পাননি তারা SC লিখে স্পেস দিয়ে F লিখে স্পেস দিয়ে নিবন্ধন স্লিপের ফরম নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে D লিখে স্পেস দিয়ে জন্ম তারিখ লিখে ১০৫ নম্বরে পাঠাতে হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বিল গেটস এর সাফল্যের ৯ মূলমন্ত্র

অনলাইন ডেস্ক॥ বিল গেটস নামটি নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয়ার কিছু নেই। তিনি একাধারে ১৩ বছর ধরে পৃথিবীর সর্বোচ্চ ধনী ব্যক্তি।

যুক্তরাষ্ট্রের ফোর্বস ম্যাগাজিনে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তির তালিকায় গত ২২ বছরে ১৭ বছর যার নাম শীর্ষে ছিল, তিনি বিল গেটস। টেকজায়ান্ট প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস যুক্তরাষ্ট্রের ২য় মহান ব্যক্তি যিনি বিভিন্ন দাতব্য প্রতিষ্ঠানে মোট ২৮ বিলিয়ন ডলার দান করেন। এই বিল গেটস কিন্তু একবারে স্বর্ণের চামচ মুখে দিয়ে জন্মাননি। উত্তরাধিকারসূত্রেও তিনি বিলিওনিয়ার হননি। কঠোর পরিশ্রম আর শক্ত মনের জোরে ভর করে আজ সারা বিশ্বের ঘরে ঘরে ঢুকে গেছেন এই মানুষটি। কারণ কম্পিউটার ব্যবহার করেন না, বা কম্পিউটারের সাহায্য নেন না এমন মানুষ এখন খুঁজে পাওয়া দুস্কর বলা যায়।

আসুন আজ জানি বিশ্বের এই শীর্ষ ধনি ব্যক্তি কীভাবে নিজেকে এমন অবস্থানে নিয়ে গেলেন। জেনে নিই তার সাফল্যের নয়টি মূলমন্ত্র। হয়ত এটা আপনার জীবনেও কোন দিকনির্দেশনা বা অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজে আসতে পারে।

১. শক্ত মনের জোর থাকতে হবে:

মাইক্রোসফট আজ বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের প্রতিষ্ঠান হলেও শুরুর দিকের গল্পটা কিন্তু এমন ছিল না। মাইক্রোসফট শুরু করার সময় যেসব বন্ধুদের নিয়োগ দিয়েছিলেন, তাদের মাসিক বেতন কোথা থেকে আসবে, সেটা নিয়েই বিচলিত থাকতে হতো তাকে। তবে মাইক্রোসফটের ভবিষ্যত নিয়ে তিনি খুবই উত্তেজিত ছিলেন। এমনকি তিনি যে বড় একটি ঝুঁকি নিয়েছেন সেটিও তার মাথায় ছিল না। কিন্তু নিজের দক্ষতার ওপর পরিপূর্ণ আত্মবিশ্বাস নিয়েই তিনি কাজ শুরু করেন। তিনি মনে করেন, একজন ব্যবসায়ীকে খুবই শক্তিশালী মনের অধিকারী হতে হবে। কঠোর পরিশ্রম করতে তাকে এতটাই প্রস্তুত থাকতে হবে যে, বিশ্রাম নেয়ার মানসিকতা থেকেও তাকে বেরিয়ে আসতে হবে। বিল গেটস জানান, মাইক্রোসফটকে স্বাভাবিক আয়ে পৌঁছতে ৩ থেকে ৪ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছিল।

২. বাজে পরিস্থিতির শিকার হওয়া:

পৃথিবীর অন্যতম সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলেও প্রচলিত পড়াশুনায় বিল গেটসের আগ্রহ ছিল না। কম্পিউটার নিয়েই তিনি বেশিরভাগ সময় পড়ে থাকতেন। ফলে অকালে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়লেন তিনি। বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বললেন। জানালেন, নিজেই কিছু করতে চান। উচ্চ-মধ্যবিত্ত পরিবার তার আবদার মেনেও নিলো। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে যাওয়ার ৩৩ বছর পর ২০০৭ সালে সম্মানসূচক ডিগ্রি পান বিল গেটস। সেদিন ভাষণে বিল গেটস বলেন-

“যারা ফেল করেছে, তাদের মধ্যে আমিই সেরা। অবশেষে আমার সিভিতে একটি কলেজ ডিগ্রি যুক্ত হলো। ”

অর্থাৎ, বিল গেটস মনে করেন, জীবনে বড় ধাক্কা খাওয়া বা বাজে পরিস্থিতির শিকার হওয়াও সাফল্যের অন্যতম মূলমন্ত্র।

বিল গেটসের ভাষণ:

৩. কঠোর পরিশ্রম:

মাইক্রোসফটের শুরুর দিকে সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও কঠোর পরিশ্রম করেছেন বিল গেটস। সে সময়ে বছরে মাত্র দুই সপ্তাহ বিশ্রাম নিতেন তিনি। আর সেই দুই সপ্তাহ তিনি ব্যয় করতেন বই পড়া ও ব্যবসার ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তার কাজে। তাই বলাই যায়, সাফল্য অর্জনে কঠোর পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই। আপনাকে কঠোর পরিশ্রম করতেই হবে। পৃথিবীর সব সফলতার পেছনেই আছে কঠোর পরিশ্রমের গল্প। বিল গেটসও তার ব্যতিক্রম নন।

৪. ভবিষ্যতকে তৈরি করুন:

ভবিষ্যতের চাহিদার কথা মাথায় রাখুন। প্রতিষ্ঠানকে নিয়মিত আপডেট করুন। নতুন নতুন আইডিয়াকে সামনে নিয়ে আসুন। মাইক্রোসফট অপারেটিং সিস্টেম দিয়ে বিল গেটস তখনকার বড় বড় প্রতিষ্ঠানের প্রযুক্তিগত চাহিদা মিটিয়ে ছিলেন। মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, মাইক্রোফট এক্সেলের মতো শক্তিশালী অফিস এপ্লিকেশন সফটওয়ার ছিল বাজারে অপ্রতিদ্বন্দ্বী।

৫. নিজের কাজ উপভোগ করুন:

আপনি যে কাজটি করছেন সেটি আপনাকে উপভোগ করতে হবে। বিল গেটসের মতে, স্মার্ট মানুষদের সঙ্গে কাজ করা, সাফল্য নিয়ে চিন্তা করা, নতুন সমস্যা নিয়ে কাজ করা খুবই উপভোগ্য একটা ব্যাপার। আর আপনি নিজের কাজকে যদি উপভোগই করতে না পারেন, তবে আপনি কাজকে ভালোবাসতে পারবেন না। আর কাজকে ভালোবাসতে না পারলে সফল হওয়া মোটামুটি অসম্ভব। তাই কাজকে ভালবাসুন, নতুন কিছু করার চেষ্টা করুন।

৬. কার্ড খেলুন:

বিল গেটসের প্রিয় খেলা কার্ড। তার মতে, ব্রিজ খেলার বেশ কিছু ভালো দিক রয়েছে। এই খেলা আপনাকে চিন্তা করতে সাহায্য করে। যে ব্যক্তি ব্রিজে ভালো সে অন্য অনেক কিছুতেও ভালো।

৭. অন্যের কাছে পরামর্শ চান:

যেকোনো ব্যবসায়ীক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে, অন্যের কাছে পরামর্শ চাওয়ার ব্যাপারে, বিল গেটস এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “আমি আমার বাবার সঙ্গে কথা বলেছি। আমি ওয়ারেন বাফেটের সঙ্গে কথা বলেছি। আমার স্ত্রী মেলিন্ডার সঙ্গে কথা বলেছি। আমার আশেপাশে অনেক মানুষ রয়েছেন, যারা আমাকে জানেন। আমি অনেক সময় কোনো কিছু নিয়ে খুব বেশি উত্তেজিত হয়ে যাই। আবার অনেক কিছু নিয়ে ভাবতেও ভুলে যাই। তখন আমার বন্ধু ও উপদেষ্টারা আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করেন। ”

হতে পারে আপনার কাছে কিছু আইডিয়া আছে যেটা আরেকজনের কাছে নেই। আবার, আরেকজনের কাছে যে আইডিয়াটা আছে সেটা হয়ত বা আপনার কাছে নেই। তাই কাছের লোকদের সঙ্গে আলাপ করা ও পরামর্শ চাওয়া বুদ্ধিমান ব্যক্তিত্বের পরিচায়ক।

৮. ভালো মানুষ নিয়োগ দিন:

এমন ব্যক্তিদেরই আপনি আপনার ব্যবসায় সংযুক্ত করুন, যাদেরকে আপনি পরিপূর্ণভাবে বিশ্বাস করতে পারেন। পল অ্যালেনের সঙ্গে বিল গেটসের পার্টনারশিপে যাওয়া, বা বন্ধুদের নিয়োগ দেয়ার পেছনে তাদের উপর বিল গেটসের আস্থাই সবচেয়ে বেশি কাজ করেছে। তিনি মনে করেন, নিয়োগের ক্ষেত্রে এমন ব্যক্তিকে নিয়োগ দিবেন, যাদের সঙ্গে আপনার কমন ভিশন অাছে, যদিও আপনাদের দক্ষতার ক্ষেত্র ভিন্ন হতে পারে। বিল গেটস বিশ্বাস করেন, কোনো ব্যবসায় সঠিক পার্টনার খুঁজে পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। একটা প্রতিষ্ঠানে কাস্টমারদের পরে সবচেয়ে বড় সম্পদ হল কর্মচারীরা। তাদের পরিশ্রমের বলেই কোম্পানিটি ধীরে ধীরে সবল হতে শুরু করবে। তাই নিয়োগের সময়ও অবশ্যই সৎ ও পরিশ্রমী লোক নিয়োগ দিতে হবে।

৯. গড়িমসি করবেন না:

বিল গেটস বলেন, “আমি যখন কলেজে ছিলাম, পরীক্ষার প্রস্তুতি বা ক্লাস ধরার ক্ষেত্রে আমি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতাম। কিন্তু যখন আমি ব্যবসায় নামলাম, সম্পূর্ণ পাল্টে গেলাম। ”

তাই কোনো কাজেই আজ না কাল, কাল না পরশু এমন করা যাবে না। যখন যে কাজটি করার প্রয়োজনবোধ করবেন তখনই সেটি করে ফেলবেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

১৫ ডিসেম্বর থেকে ল্যাপটপ মেলা শুরু

১৫ ডিসেম্বর থেকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) শুরু হচ্ছে তিনদিনব্যাপী ‘ল্যাপটপ মেলা ২০১৬’। এক্সপো মেকারের আয়োজনে দেশে এটি ১৮তম ল্যাপটপ মেলা। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এই মেলা চলবে।

আজ গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে একথা জানানো হয়।

এবার ১টি মেগা প্যাভিলিয়ন, ৬টি প্যাভিলিয়ন, ৬টি মিনি প্যাভিলিয়ন ও ৪৪ স্টলে দেশ-বিদেশের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সর্বশেষ প্রযুক্তির পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রি করবে।

এক্সপো মেকারের পরিচালনা বিভাগের প্রধান ও ল্যাপটপ মেলা ২০১৬-র সমন্বয়ক নাহিদ হাসনাইন সিদ্দিকী জানান, ২০০৮ সাল থেকে প্রতিবছর এই মেলা আয়োজন করা হচ্ছে। পূর্বের মেলাগুলোতে শিক্ষার্থী, তরুণ প্রজš§সহ সকলের অংশগ্রহণ ছিলো প্রত্যাশার চেয়েও বেশি। আমরা প্রত্যাশা করছি এবারের মেলা আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে।

এবারের মেলায় এসার, আসুস, ডেল, এইচপি, লেনোভো, ওয়ালটন, লাভা, লিনাক্স, টুইনমস, ডিলাক্স, এক্সট্রিম, লজিটেক, ডিলিংক, অ্যাভিরা, ইসেট অ্যান্টিভাইরাস, রাপু, এডাটাসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পণ্য পাওয়া যাবে।

এই প্রদর্শনীতে পাওয়া যাবে ট্যাবলেট কম্পিউটার, ইন্টারনেট সিকিউরিটি পণ্য ও ল্যাপটপের আনুসঙ্গিক গ্যাজেটও। বিশেষ ছাড়, উপহারের পাশাপাশি মেলায় বেশ কয়েকটি নতুন মডেলের ল্যাপটপের মোড়ক উন্মোচন করা হবে।

এবারের মেলার প্রধান পৃষ্ঠপোষক টেকশহর ডটকম। সহ-পৃষ্ঠপোষক এসার, আসুস, ডেল, এইচপি, লেনোভো ও ওয়ালটন। এছাড়া স্মার্টফোন পার্টনার হিসেবে লাভা, টিকিট বুথ পার্টনার হিসেবে অ্যাভিরা সিকিউরিটি এবং পার্টনার হিসেবে রয়েছে পিপলস রেডিও ও এডুমেকার।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অপরাধের নিরাপদ চারণভূমি ফেসবুক!

অপরাধের নিরাপদ চারণভূমি হয়ে উঠছে ফেসবুক। ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে প্রতারণা, ছবি এডিট করে গুজব ছড়ানোসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে ফেসবুকের মাধ্যমে। ফেসবুক ব্যবহারকারী নারীদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ নানা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। ফেসবুকে সাম্প্রদায়িক গুজব ছড়িয়ে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি বড় ধরনের ঘটনাও ঘটে গেছে দেশে। কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না এ ধরনের অপরাধগুলোকে। সরকারের পক্ষ থেকে ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার পরও উন্নতি হয়নি পরিস্থিতির। তবে সংশ্লিষ্টদের মতে ফেসবুক সংক্রান্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ব্যক্তি সচেতনতা সবচেয়ে বেশি জরুরি।
জানা যায়, দেশে বর্তমানে সক্রিয় ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫ কোটি ৪১ লাখ। এর মধ্যে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা এক কোটি ৭০ লাখ। ফেসবুকের মাধ্যমে একদিকে যেমন বিভিন্ন ধরনের ই-কমার্স ব্যবসার সম্প্রসারণ হচ্ছে অন্যদিকে ব্যাপকভাবে এর অপব্যবহারও হচ্ছে।
নারীর প্রতি অবমাননাকর কনটেন্ট, ধর্মীয় উসকানি, জঙ্গি কার্যক্রমের কৌশলী প্রচারণাসহ অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির মতো নানা চেষ্টা ফেসবুকের মাধ্যমে ঘটে বলে অভিযোগ রয়েছে।
সম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর এবং হবিগঞ্জের মাধবপুরে ছবি এডিট করে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টি করা হয়। এর আগে বান্দরবনের রামুতেও ফেসবুকে বিতর্কিত ছবি পোস্ট দিয়ে সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস হয়।
জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও যুদ্ধাপরাধী দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছবি চাঁদে দেখা গেছে বলে ফেসবুকে ছবি পোস্ট করে ব্যাপক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরীর নামে ফেসবুকে ভুয়া আইডি দিয়ে পেজ খোলার ঘটনায় চলতি বছরের ৩১ মে রমনা থানায় সাধারণ ডায়রি করা হয়।
জানা যায়, বাংলাদেশে ফেসবুকের কোনো অ্যাডমিন না থাকায় আপত্তিকর পোস্ট বা কনটেন্ট সরানো কঠিন হয়ে পড়ে। ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো ধরনের চুক্তি না থাকায় ফেসবুকের অপব্যবহারের মাধ্যমে সংঘটিত এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়াও সম্ভব হচ্ছে না।
গত ৩ বছরে (২০১৩-২০১৫) বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ২৮টি অনুরোধের মাধ্যমে ৬৮টি ফেসবুক অ্যাকাউন্টের বিষয়ে ফেসবুক কর্তৃপক্ষের কাছে তথ্য চাওয়া হয়। এর বিপরীতে শুধুমাত্র ২০১৫ সালে কয়েকটি অ্যাকাউন্টের (১৬.৬৭%) বিষয়ে তথ্য দেয়া হয়।
বিভিন্ন সময়ে পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ফেসবুক সাময়িকভাবে বন্ধও করে। গত বছরের ১৮ নভেম্বর ফেসবুকসহ বেশ কয়েকটি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম বন্ধ করে দেয় সরকার। বন্ধ হওয়ার ২২ দিন পর ১০ ডিসেম্বর ফেসবুক খুলে দেয়া হয়।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উপকমিশনার (সাইবার ক্রাইম) আলিমুজ্জামান এসব প্রসঙ্গে মানবকণ্ঠকে বলেন, তারা তাদের সক্ষমতা ও সাধ্য অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছেন। প্রতিনিয়ত তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে ডিএমপির সাইবার ক্রাইম টিমকে উন্নত প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। এ সংক্রান্ত যে কোনো ধরনের অভিযোগ বা মামলা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে তদন্ত করা হচ্ছে। এ ছাড়াও গুজব ছড়াতে পারে এমন অনেক বিষয়ের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আগাম পদক্ষেপও নেয়া হচ্ছে। পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ফেসবুকের মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ থেকে রক্ষা পেতে ব্যবহারকারীদেরই সবচে বেশি সচেতন হতে হবে।
সতর্কতার সঙ্গে বন্ধু নির্বাচন (ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট), লাইক, শেয়ারসহ ফেসবুকের প্রতিটি কনটেন্ট জেনে বুঝে ব্যবহার করা উচিত। কোন পোস্টটি পাবলিকলি কিংবা প্রাইভেটলি প্রচার হবে তা বুঝতে হবে। ক্ষেত্র বিশেষে ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সহায়তা নেয়া হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি জানান, ফেসবুক কর্তৃপক্ষ তাদের পলিসির ভেতর থেকে যতটুকু সহায়তা করার তা করছে।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী তারানা হালিম জানিয়েছেন, ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ৭৩ শতাংশ নারী সাইবার সহিংসতার শিকার হচ্ছেন। তিনি এ বিষয়টি ফেসবুক কর্তৃপক্ষের নজরেও আনেন। গত বছরের ২ ডিসেম্বর হোটেল সোনরগাঁওয়ে এক অনুষ্ঠানে তারানা হালিম বলেছিলেন, ‘আমাদের ৭৩ শতাংশ নারী এখন সাইবার সহিংসতার শিকার। যখনই ফেসবুককে অভিযোগ করি তখন ফেসবুক গুরুত্ব দেয় না, কারণ আমাদের সঙ্গে কোনো চুক্তি নেই। আমাদের নারীরা যে সহিংসতার শিকার হচ্ছেন এটা তাদের গণনায় নিতে হবে। ফেসবুকের সঙ্গে আমাদের চুক্তি করতেই হবে।’
সূত্র জানায়, ফেসবুকের সঙ্গে চুক্তির উদ্যোগ নিতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) নির্দেশ দিয়েছিলেন ডাক ও টেলি যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী। কিন্তু বিটিআরসি এ বিষয়ে তেমন কোনো কাজ করতে পারেনি।
এরপর গত বছরের ৩০ নভেম্বর বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনার জন্য ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেন প্রতিমন্ত্রী। প্রতিমন্ত্রীর ডাকে সাড়া দিয়ে আলোচনার জন্য ফেসবুক কর্তৃপক্ষের এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের পলিসি অ্যাডভাইজার ৬ ডিসেম্বর ঢাকা আসেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ফেসবুক কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন সরকারের তিন মন্ত্রী। দেশে বৈঠকের পর ১২ থেকে ২৪ জানুয়ারি সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া সফরকালে সিঙ্গাপুরেও ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। ওই বৈঠকের পরও বাংলাদেশে ফেসবুকের এডমিন প্রতিষ্ঠার বিষয়ে কোনো অগ্রগতি হয়নি।
ফেসবুক কতৃপক্ষের ‘গ্লোবাল গভর্নমেন্ট রিকোয়েস্ট রিপোর্ট’ সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের শেষ ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ১২টি অনুরোধের মাধ্যমে ৩১টি অ্যাকাউন্টের বিষয়ে তথ্য চাওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে মাত্র ১৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ তথ্য সরবরাহ করে ফেসবুক। এর আগে ২০১৫ সালের প্রথম ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন) বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ৩টি অনুরোধের মাধ্যমে ৩টি অ্যাকাউন্ট, ২০১৪ সালে মোট ১২টি অনুরোধের মাধ্যমে ২২টি অ্যাকাউন্টের বিষয়ে তথ্য চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু এসব কোনো অনুরোধেই সাড়া দেয়নি বলে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করে।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

১৭দিন পর চালু হলো সিটিসেল

citycellডেস্ক: বন্ধ হওয়ার ১৭ দিন পর চালু হলো মোবাইলফোন অপারেটর সিটিসেল। রবিবার সন্ধ্যায় টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা—বিটিআরসির একটি দল মহাখালীতে সিটিসেলের প্রধান কার্যালয়ে গিয়ে সুইচ টিপে চালু করে দেয়। আর এরই মাধ্যমে প্রাণ ফিরে পেলো বন্ধ হয়ে যাওয়া মোবাইলফোন অপারেটরটি। প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড (সিটিসেল) এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (পিবিটিএলইইউ)-এর সভাপতি আশরাফুল করিম বাংলা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

আশরাফুল করিম বলেন, ‘সিটিসেল খুলে দেওয়া হতে পারে—এমন খবর শুনে আমরা অফিসেই ছিলাম। সন্ধ্যার পর বিটিআরসি থেকে আসা একটি প্রতিনিধি দল সিটিসেল অফিসে এসে ৬টা ২৫ মিনিট থেকে সুইচ রুম খুলে দিতে শুরু করে। সব সুইচ চালু করতে ত্রিশ মিনিটের মতো সময় লাগে। এর আগে বিটিআরসির প্রতিনিধি দল সিটিসেল কার্যালয়ে প্রবেশ করে সুইচরুম খুলে দেওয়ার বিষয়ে সিটিসেল কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ করে।

এর আগে সন্ধ্যায় বিটিআরসির চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছি। আজই খুলে দেওয়া হবে সিটিসেল।’

এদিকে রবিবার সকালে আদালতের নির্দেশনার পরও সিটিসেলের তরঙ্গ কেন খুলে দেওয়া হয়নি—বিটিআরসির কাছে তা জানতে চান প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ।

সিটিসেলের আইনজীবী তরঙ্গ না খোলার বিষয়টি নজরে আনলে আদালত এর ব্যাখ্যা চান। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল খোন্দকার দিলিরুজ্জামান। সিটিসেলের পক্ষে ছিলেন এ এম আমিনুদ্দিন।

বকেয়া টাকা শোধ না করায় ২০ অক্টোবর সিটিসেলের তরঙ্গ স্থগিত করা হয়।

আপিল বিভাগের আদেশে বলা হয়, ‘আগামী ১৯ নভেম্বরের মধ্যে সিটিসেল বকেয়ার ১০০ কোটি টাকা পরিশোধ না করলে আবারও তরঙ্গ বন্ধ করে দিতে পারবে বিটিআরসি।’ এর আগে বিটিআরসির কর্মকর্তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় সিটিসেলের প্রধান কার্যালয়ে ঢুকে তরঙ্গ বন্ধের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করেন।

এরপর সিটিসেল তরঙ্গ খুলে দেওয়ার আবেদন নিয়ে আপিল বিভাগে গেলে ৩ নভেম্বর শর্ত সাপেক্ষে অবিলম্বে তরঙ্গ খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। দু’দিন পেরিয়ে গেলেও তরঙ্গ ফিরে না পেয়ে ফের আদালতে যায় সিটিসেল।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঘরে বসে আয় করবেন PAIDVERTS থেকে

PaidVerts কি?

PaidVerts (paidverts.com) PTC জগতের নতুন এক সদস্য। এটি ২০১৪ সালের ৩১শে মার্চ তাদের যাত্রা শুরু করে।এটির আয়ের সিস্টেম অন্যান্য পিটিসি সাইট এর থেকে একটু আলাদা। আর এটিকে শুধু পিটিসি বললেও ভুল হবে। কারন এটি পিটিসি এবং রিভেনু শেয়ার মিলিয়ে একটি হাইব্রিড প্রোগ্রাম। বর্তমানে পিটিসি জগতে এটি ৩ নাম্বার এ অবস্থান করছে। আর সব থেকে বড় সুবিধা হল এটি মোবাইল ফোন সাপোর্ট করে। মানে আপনি নির্দ্বিধায় মোবাইল দিয়ে কাজ করতে পারবেন। এটির মালিক JO COOK.
Jo Cook কে?

তার সম্পর্কে আমি যতটুকু জানি তিনি একজন বড় মাপের Online Marketer এবং MyTrafficValue (mytrafficvalue.com) মালিক। MyTrafficValue Crowdfunding প্ল্যাটফর্ম যেটি ২০১০ সাল থেকে Online এ আছে।আসলে, PaidVerts MyTrafficValue এর আর একটি অংশ। Crowdfunding কি তা নিয়ে না হয় পরবর্তী পোস্ট এর আলোচনা করবো।

PaidVerts আপনি কি পরিমাণ আয় করতে পারবেন?

আমি আগেই বলেছি PaidVerts এর সিস্টেম অন্যান্য পিটিসি সাইট থেকে একটু ভিন্ন। এখানে আপনি যেমন অন্যান্য পিটিসি এর মত রাতে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে আয় করতে পারবেন না তেমনি এখানে আয়ের কোন নির্দিষ্ট পরিমাণ কেউ কখনো বলতে পারবে না এমনকি PaidVerts ও না। কারন এখানে PaidVerts তাদের প্রতিদিন এর আয়ের উপর ভিত্তি করে পরের দিন এর জন্য ইউজার দের আয় ভাগ করে দেয়। তাই একদিনে PaidVerts যত বেশি আয় করতে পারবে পরেরদিন ইউজাররা তত বেশি অ্যাড পাবে মানে তত বেশি আয় করতে পারবে। নিচে কিছু Paidverts এর অ্যাড Sample দেখুন।
কিভাবে আপনি PaidVerts থেকে ভাল আয় করবেন?

আবারো বলছি PaidVerts অন্য পিটিসি সাইট এর থেকে একটু ভিন্ন। অনেকেই বলতে পারেন একই কথা কেন বার বার বলছি! আপনার সেই প্রশ্নের উত্তর এখন পেয়ে যাবেন। অনুরোধ রইল এই পয়েন্ট টা একটু ভাল ভাবে পড়ার জন্য। কারন এটিই মেইন পয়েন্ট যার জন্য PaidVerts কে অনেকের কাছে অনেক কঠিন মনে হয়।
*** PaidVerts এর টাকা,ডলার,ইউরো এসবের মত নিজেস্ব একটি কারেন্সি আছে সেটির নাম হল BAP। আপনি মূলত Paidverts এ BAP আয় করবেন। Paidverts আপনাকে BAP রেখে ডলার দিবে। তবে আপনাকে তারা সরাসরি ডলার দিবে না, ডলার এর অ্যাড দিবে যেটা ক্লিক করলে আপনি ডলার পাবেন। ২০BAP = ১ সেন্ট।
***সুতরাং, আপনার মূল কাজ হল BAP আয় করা। আপনি সবসময় চেষ্টা করবেন কিভাবে আপনার BAP বৃদ্ধি করা যায়।
কিন্তু কিভাবে?

BAP বৃদ্ধি করার ৩টি পদ্ধতি আছে,
১। Paidverts এর Bonus AD
২। Paidverts এ ছোট একটা Invest করে।
৩। Paidverts এর ছোট ছোট গেম খেলে।
Paidverts এর Bonus AD.

Paidverts আপনাকে প্রতিদিন ৮টি বোনাস অ্যাড দিবে যার প্রতিটি আপনাকে ২৫ BAP করে দিবে। সুতরাং আপনি প্রতিদিন ২০০ করে BAP আয় করতে পারবেন ফ্রি।
Paidverts এ ছোট একটা Invest করে।

ছোট ইনভেস্ট বলতে আমি ১ ডলার এর কথা বলেছি যা আমাদের বাংলাদেশি টাকায় ৭৭-৭৮ টাকা। এই ইনভেস্ট আপনি দুই ভাবে করতে পারেন সরাসরি নিজের পকেট থেকে অথবা Paidverts আয় করে আবার Paidverts এই ইনভেস্ট করা। Paidverts প্রথম অবস্থায় আপনার ১ ডলার আয় করতে ৭ থেকে ১০ দিন সময় লাগবে।
আপনি ১ ডলার ইনভেস্ট করলে Paidverts আপনাকে ৩১০০ BAP দিবে যার মাধ্যমে আপনি ১.৫৫ ডলার সমপরিমাণ অ্যাড পাবেন। মানে ০.৫৫ ডলার নিট প্রফিট। তারমানে আপনি যতবার ১ ডলার ইনভেস্ট করবেন ততবার আপনি ০.৫৫ ডলার লাভ করবেন। ইন্টারেস্টিং না! সম্পূর্ণ লেখা পড়ুন আরও ইন্টারেস্টিং মনে হবে।
গেম খেলে BAP বাড়ানো

আমি নিজে প্রথম পর্যায়ে গেম খেলে আমার অনেক BAP নষ্ট করেছিলাম। তাই আমি আপনাদের এটা না খেলার জন্য অনুরোধ করবো। তবে এমন অনেকে আছেন যারা গেম খেলে হাজার হাজার BAP আয় করেছেন। অবশ্য এর জন্য বিভিন্ন ধরনের ট্রিক রয়েছে। আপনি গুগল অথবা ইউটিউব ঘাঁটলেই এসব ট্রিক পেয়ে যাবেন।
এবার বলবো Paidverts আরও একটা মজার সুবিধা সম্পর্কে সেটা হল BAP গ্রুপ।
BAP গ্রুপ কি?

আসলে এটি ইউজারদের আয়ের পরিমাণ নির্দিষ্ট করে দেয়ার একটি পদ্ধতি। আপনি যত বড় গ্রুপ এ যাবেন তত বেশি দামি অ্যাড পাবেন। এটা নির্ভর করে আপনি মোট কত BAP এর মালিক তার উপর।
খেয়াল করুন,
Group 01: from 100 to 1599 BAP.
Group 02: from 1600 to 12000 BAP.
Group 03: from 12000 to 24000 BAP.
Group 04: from 24k to 48k BAP.
Group 05: from 48k to 96k BAP.
Group 06: from 96k to 180k BAP.
Group 07: from 180k to 360k BAP.
Group 08: from 360k to 720k BAP.
Group 09: from 720k to 1.5m BAP.
Group 10: from 1.5m to 3m BAP.
Group 11: from 3m to 6m BAP.
Group 12: 6m to 20m BAP.
Group 13: 20m BAP and up.
এবার আপনার লক্ষ ঠিক করার পালা।

আপনি একটা নির্দিষ্ট লক্ষ ঠিক করুন আপনি ঠিক কত BAP আপনার অ্যাকাউন্ট এ মজুদ রাখবেন। কারন আমারা সবাই এখানে এসেছি কিছু আয় করতে আয় করে সেটা যদি পুরটা আবার দিয়েই দেই তাহলে লাভ হল কি? তাই নির্দিষ্ট লক্ষ ঠিক করা জরুরী। ধরুন আপনি ৪৮ হাজার BAP নিয়ে গ্রুপ নাম্বার ৫ এ থাকবেন তাহলে আপনার খেয়াল রাখতে হবে কখনই যেন আপনার BAP ৪৮ হাজার এর নিচে না চলে যায়। আর এর বেশি যা থাকবে তা আপনার প্রতিদিন এর আয়। কোন ইনভেস্ট ছাড়া ৪৮ হাজার BAP করতে সর্বোচ্চ ২ মাস লাগবে। আর দুই মাস অপেক্ষা করতে না চাইলে আপনি নিজের পকেট থেকে ইনভেস্ট করতে পারেন এর জন্য আপনাকে ১৬ ডলার বা ১২৫০ টাকা খরচ করতে হবে। এতে আপনি মোট ৪৯৬০০ BAP পাবেন

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সিটিসেলের কার্যক্রম বন্ধ

দেশের প্রথম মোবাইল অপারেটর সিটিসেলের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।  বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে বিটিআরসির চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল মহাখালীতে সিটিসেলের প্রধান কার্যালয় সিলগালা করে।

পরে বিটিআরসির প্রধান কার্যালয়ে সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম আনুষ্ঠানিকভাবে সিটিসেলের কার্যক্রম বন্ধের কথা জানান।

বিটিআরসি সূত্রে জানা গেছে, মোট বকেয়ার ৪৭৭ কোটি টাকার দুই-তৃতীয়াংশ ৩১৫ কোটি টাকা বুধবার (১৯ অক্টোবর) নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ না করায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। টুজি লাইসেন্সের তরঙ্গ বরাদ্দ ও নবায়ন ফি, রাজস্ব ভাগাভাগি, বার্ষিক তরঙ্গ ফি, সামাজিক সুরক্ষা তহবিল, বার্ষিক লাইসেন্স ফি, মূল্য সংযোজন কর (মূসক) ও বিলম্ব ফি বাবদ সিটিসেলের এই পরিমাণ অর্থ বকেয়া রয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জেনে নিন, আন্ড্রয়েড মোবাইলের সব দরকারী কোড…

woman-using-phone১.Reset Phone – *2767*3855#

২.IMEI Code Information – *#06#

৩.Lock Status – *#7465625#

৪.Battery & Phone Information –
*#*#4636#*#*

৫.FTA Version – *#*#1111#*#*

৬.Touch Screen Code – *#*#2664#*#*

৭.Vibrate & Backlight Test – *#*#0842#*#*

৮.Hardwar & Software Diteilas-
*#12580*369#

৯.Diagnostic Configure – *#9090#

১০.Dump Sistemo Mode – *#9900#

১১.Camera information – *#*#34971539#*#*

১২.Factory Hard Reset – *#*#7780#*#*

১৩.Data Cabol Control – *#872564#

১৪.GPS Test – *#*#1472365#*#*

১৫.WiFi MAC Address – *#*#232338#*#*

১৬.Bluetooth Device Info – *#*#232337#*#*

১৭.Ram Version – *#*#3264#*#*

১৮.Touch Screen Version – *#*#2663#*#*

১৯.Display Taste – *#*#0#*#*

২০.Packets lupha Test – *#*#0283#*#*

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ল্যাপটপ গরম হলে কি করবেন?

laptopডেস্ক: সাধারণত কিছুক্ষণ কাজ করার পরই ল্যাপটপ ক্রমশ গরম হয়ে যায়। ল্যাপটপ ঠান্ডা রাখার কিছু উপায় রয়েছে। এ পর্বে জেনে নিই কয়েকটি উপায়।

০০ ফ্ল্যাট জায়গার উপর থাকলে ল্যাপটপের তলার দিকে থাকা ব্যাটারি এবং প্রসেসর তাপ বিকিরণ করতে পারে না। অতিরিক্ত গরম হয়ে যায়। তাই সবসময় একটি মোটা বই বা স্ট্যান্ডের উপর ল্যাপটপ রাখুন।

০০ ল্যাপটপে অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম বেশিক্ষণ চালু রাখবেন না।

০০ এসি নেই আবার দরজা-জানলাও বন্ধ, এমন ঘরে ল্যাপটপ বেশি গরম হয়ে যাওয়াটা স্বাভাবিক। তাই এসি না থাকলে জানালা অবশ্যই খুলে রাখুন যাতে বাতাস চলাচল করে।

০০ থার্মোডায়নামিক্স ল অনুসরণ করেও কমাতে পারেন ল্যাপটপের তাপমাত্রা। পর পর কয়েকটি তামার কয়েন রাখুন ল্যাপটপের উপরে। ধাতুর তাপশোষণ অনেক বেশি হওয়ায় কিছুক্ষণের মধ্যে ল্যাপটপের তাপমাত্রা কমবে এবং তামার কয়েনের তাপমাত্রা বাড়বে।

০০ কুলিং প্যাড অথবা কুলিং ম্যাটও কিনে নিতে পারেন। এগুলোর সঙ্গে ফ্যান থাকে; যা ল্যাপটপের তলায় হাওয়া দিয়ে তার তাপমাত্রা বেশি বাড়তে দেয় না।

০০ নরম জায়গার উপরে ল্যাপটপ রাখলে তাপ বিকিরণ হতে পারে না তাই কখনও বালিশ, বিছানা এমনকি কোলের উপরে রেখেও ল্যাপটপ ব্যবহার না করাই ভালো।

০০ ল্যাপটপের যেখান দিয়ে বাতাস বের হয়, সেখানে কোনো ময়লা জমেছে কি না, তা পরীক্ষা করুন। কাপড় বা ব্রাশ দিয়ে ময়লা পরিষ্কার করে ফেলুন। এক্ষেত্রে একজন হার্ডওয়্যার বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়াই ভালো।

০০ ল্যাপটপের স্ট্যাটাস বারের ব্যাটারি আইকনে ‘Power and Sleep Settings’ সিলেক্ট করুন। স্ক্রল করে Additional Power Settings -এ যান। এবার Change Plan Settings-এ ক্লিক করুন। এরপর সিলেক্ট করুন Change Advanced Power Settings। স্ক্রল ডাউন করে আসুন Processor Power Management-এ। এবার সিলেক্ট করুন Maximum Processor State। সেখানে পার্সেন্টেজ কমিয়ে দিন ৭0% থেকে ৮০%-এ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ফেসবুকের পরিবর্তন!

facebookইতিবাচক পরিবর্তনই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এগিয়ে থাকার শর্ত। এটা সবার চেয়ে ভালো বুঝে ফেসবুক। কেবল এই একটি শর্ত মেনে চলায় অন্য প্রতিদ্বন্দ্বিদের চেয়ে যোজন যোজন এগিয়ে আছে সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় মাধ্যম ফেসবুক।
ফেসবুককে আরও আকর্ষণীয়, আরও সময়োপযোগী করতে কিছুদিন পর পরই নতুন নতুন পরিবর্তন আনছে কর্তৃপক্ষ। এবার যেমন মাধ্যমটির আইকন গুলোতে পরিবর্তন আনলো তারা।
প্রযুক্তি বিষয়ক সংবাদমাধ্যমগুলোর খবর মতে, ফেসবুকের ডেস্কটপ সাইট ও অ্যাপস প্ল্যাটফর্মের জন্য নতুন লাইক, শেয়ার, ফলো ও সেভ বাটন চালু করেছে কর্তৃপক্ষ। এর পাশাপাশি সব সময় ফেসবুক ওপেন না করেও কনটেন্ট শেয়ার ও সেভ করে রাখার সুবিধা দিতে গুগল ক্রোমে নতুন শেয়ার ও সেভ এক্সটেনশন চালু করেছে সংশ্লিষ্টরা।
এ পর্যন্ত ফেসবুকে যে ‘লাইক’ বাটনটি দেখা গেছে তাতে ‘লাইক’ শব্দটির আগে ‘এফ’ আইকনটি ছিলো। তবে এখন থেকে আর ওই আইকনটি দেখা যাবে না। এছাড়া এযাবৎ যেখানে ‘লাইক’ বাটনটি এক অংশে এবং লাইক-এর সংখ্যা আরেক অংশে দেখানো হতো এখন থেকে সেটাও দেখানো হবে না। এর পরিবর্তে ‘লাইক’ বাটন ও লাইক-এর সংখ্যা একটি অংশে দেখানো হবে।
এ ব্যাপারে ফেসবুকের দাবি, মোবাইল প্ল্যাটফর্মের কথা মাথায় রেখে ওই সব বাটনে খানিকটা পরিবর্তন আনা হয়েছে। শুরুতেই বাটনগুলো ডেস্কটপ সাইটের উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছিলো।
ফেসবুক কর্তৃপক্ষ নতুন দুই ক্রোম এক্সটেনশনের ঘোষণা দিয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো সেভ এক্সটেনশন এবং অপরটি হলো শেয়ার এক্সটেনশন। সেভ এক্সটেনশন আপনাকে ফেসবুক ওপেন না করেও লিঙ্ক সেভ করে রাখা এবং সম্প্রতি সেভড লিঙ্কে প্রবেশের সুবিধা দেবে। আর শেয়ার এক্সটেনশন আপনাকে নিজের টাইমলাইন বা আপনার কোনো বন্ধুর ওয়াল বা কোনো গ্রুপে কনটেন্ট শেয়ারের সুবিধা দেবে। সূত্র- এনডিটিভি।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ব্রাউজার থেকে সরাসরি ক্লাউডে ফাইল সেভ করার পদ্ধতি

Cloud-storageপ্রতিদিন নানা কাজে প্রত্যেকেই ইন্টারনেট ব্রাউজিং করে থাকে। আর ইন্টারনেট ব্রাউজিং করার সময় নানা প্রয়োজনীয় ফাইল সেভ করার দরকার পড়ে। কিন্তু অধিকাংশ সময়ই হয়ত অফিসে বা বাসার বাহিরের পিসি থেকে ফাইল সেভ করার প্রয়োজন পড়ে।

আর এই সেভ ফাইল যেকোনো সময় যেকোনো জায়গায় এক্সেস করতে পারার জন্য হয় আপনাকে ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ সবসময় সাথে রাখতে হবে অথবা ক্লাউড স্টোরেজ ব্যবহার করতে হবে।

তবে প্রথমে ইন্টারনেট থেকে ফাইল ডাউনলোড করে আবার তা ক্লাউড স্টোরেজে আপলোড করাটা যথেষ্ট ঝামেলার। আর এই ঝামেলা থেকে মুক্তি দিবে ‘বেলুন‘। ‘বেলুন’ হল খুবই দরকারি একটি গুগল ক্রোম এক্সটেনশন। এই এক্সটেনশন দিয়েই প্রায় সবগুলো জনপ্রিয় ক্লাউড স্টোরেজ (ড্রপবক্স, গুগল ড্রাইভ, ওয়ানড্রাইভ) সেবায় সরাসরি ফাইল সেভ করে রাখা যাবে। এই এক্সটেনশন ব্যবহারের পদ্ধতিটি নিচে দেয়া হল-

ধাপ ১ প্রথমেই ক্রোম ওয়েব স্টোর থেকে ‘বেলুন’ এক্সটেনশনটি ইন্সটল করে নিতে হবে। এবং এই সেবাটিতে সাইন ইন করার জন্য নিজের গুগল অ্যাকাউন্টটি ব্যবহার করতে হবে।

ধাপ ২ এবার ফাইল সেভের জন্য ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিসের সাথে বেলুন এক্সটেনশনটি যুক্ত করে নিতে হবে। আর এটি করা যাবে বেলুন অ্যাকাউন্ট হোমপেজ থেকে ক্লাউড সেটিংস অপশনে গিয়ে।

ধাপ ৩ এবার যেকোনো অনলাইন ফাইল (ইমেজ, পিডিএফ ডকুমেন্ট) এ বেলুনে ফাইলের উপরে ডানপাশে ক্লাউড স্টোরেজের আইকোন দেখা যাবে। এবার এখানে শুধু আইকনের উপরে ক্লিক করলেই বেলুন ফাইলটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেভ করে দিবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free