প্রযুক্তি

ইনস্টাগ্রামে যেভাবে ‘টিকটক’ করবেন

আমজনতা থেকে তারকা সবাই ব্যস্ত টিকটকে ভিডিও বানাতে। সেই টিকটককে টেক্কা দিতে পথ খুঁজে বার করেছে ফেসবুকের মালিকানাধীন ইনস্টাগ্রাম।



জনপ্রিয় এই সোশ্যাল অ্যাপ নিয়ে এসেছে ‘অনস্ক্রিন লিরিক্স ফিচার’। অর্থাৎ ইনস্টাগ্রামে যে স্টোরি আপলোড করবেন, তার সঙ্গে ব্যবহার করতে পারবেন পছন্দের গানের কথা ও মিউজিক।
যেভাবে ব্যবহার করবেন এই অ্যাপ –

১. আপডেট করে ফেলুন ইনস্টাগ্রাম অ্যাপটি।
২. ‘মিউজিক লেন্স’ সিলেক্ট করে, মনের মতো গান ও লিরিকের সঙ্গে শুট করুন। ঠিক যেমনটা টিকটকের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। সেই একই পন্থায় শুটিং হয়ে গেলে, ‘মিউজিক স্টিকার’ ব্যবহার করুন।
৩. মিউজিক লেন্স টাইপে আপনি কোনও গান পছন্দ করলে সেই গানের লিরিক যদি ইনস্টা মিউজিকে উপস্থিত থাকে, তা হলে তা আপনা আপনিই ফোনের স্ক্রিনে চলে আসবে।
৪. আপনি নিজের পছন্দমতো গান অথবা গানের স্থায়ী-অন্তরা বেছে নিতে পারবেন।

এখানেই শেষ নয়, ব্যবহারকারী ছাড়াও যারা আপনার স্টোরি দেখবেন, তাদের জন্যও রয়েছে বেশ কিছু ফিচার।

স্টোরিতে যদি কোনও গান সম্পর্কে আরও জানতে চান, তাহলে স্ক্রিনে ক্লিক করলেই সেই গানের শিল্পী ও তাঁর আরও অ্যালবামের খোঁজ পেয়ে যাবেন সেই মুহূর্তে।

আপাতত বাংলাদেশে এই ফিচারের দেখা না মিললেও খুব শিগগিরই এর আগমন ঘটবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

নেটওয়ার্কের গতি কমে গেলে থমকে যায় ইনস্টাগ্রাম। সেই সমস্যাও সমাধান করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইনস্টাগ্রাম। যার জন্য তারা নিয়ে এসেছে ‘ডেটা সেভার’ ফিচার। যা ‘লো নেটওয়ার্ক এরিয়া’তেও অ্যাপটিকে কাজ করতে সাহায্য করবে। নিয়ন্ত্রণে থাকবে ডেটা।


Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পাওয়ার পয়েন্ট টুকিটাকি-১

স্লাইডে টীকার কলম ব্যবহার

পাওয়ার পয়েন্ট সফটওয়্যারে তৈরি স্লাইডে টীকার (অ্যানোটেশন) জন্য কলম তৈরি করা যায়। সেই কলম দিয়ে স্লাইডে নতুন কিছু যোগ বা কোন নির্দিষ্ট অংশ চিহ্নিত করা যাবে। পাওয়ার পয়েন্টে স্লাইড শো করার সময় অ্যানোটেশন কলম ব্যবহার করতে চাইলে আপনাকে যা করতে হবে তাহলো-



1. স্লাইড শো বাটনে ক্লিক করে View show তে ক্লিক করুন।
2. পর্দার নিচে বাঁদিকের কোণায় দুটি বোতামের যেকোন একটিতে ক্লিক করুন অথবা মাউসের ডান বাটন ক্লিক করুন।
3. Pen-এ ক্লিক করুন। মাউস পয়েন্টারটি কলমের আকৃতি ধারন করবে।
4. একে সরিয়ে যেকোন জায়গায় নিয়ে মাউসের বোতাম চেপে রেখে কলম দিয়ে ব্যবহারকারী লিখতে পারেন বা মার্ক করতে পারেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

SEO শিখে কিভাবে অনলাইনে আয় করবেন?

SEO- Search Engine Optimization হচ্ছে ডিজিটাল সেলস এন্ড মার্কেটিং ডিপার্টমেন্টের অন্যতম বৃহৎ অংশ। সাধারন কথায় বলতে গেলে Google বা অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে অনলাইন ভিত্তিক ওয়েবসাইট বা ব্যবসার মার্কেটিং করাই হচ্ছে SEO.

  • Amazon Affiliate Marketing এর মাধ্যমে আয় করা সম্ভব, এক্ষেত্রে অ্যামাজনের নিয়মকানুন জানা থাকলেই হবে
  • যে কোন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এ আপনাকে হেল্প করবে
  • নিজের ওয়েবসাইটে/ব্লগে এসইও করে ট্রাফিক নিয়ে এসে আয় করা যাবে
  • Google Adsense এর ইনকাম বাড়ানো যাবে- যেহেতু SEO এর মাধ্যমে ট্রাফিক জেনারেট করা যায়
  • এই ডিভিডি তে দেখানো মেথুড গুলো ইউটিউব ভিডিওতে অ্যাপ্লাই করে ইউটিউব ভিডিও র‍্যাংক করানো সম্ভব এবং এর মাধ্যমে ইউটিউব থেকে আয় করা সম্ভব
  • ক্লাইন্টের কাজ করা তথা ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলো যেমন- আপওয়ার্ক, ফ্রীল্যান্সার, ফাইভার ইত্যাদিতে কাজ করা যাবে
  • ই-কমার্স সাইটে SEO অ্যাপ্লাই করে সেলস বাড়ানো সম্ভব
  • লোকাল কোন কোম্পানীতে সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজার হিসেবে চাকরী করা যাবে
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মেটা ট্যাগ (Meta Tag) কি এবং কিভাবে ব্যবহার করবেন ?

স্বরুপ দাস: মেটা ট্যাগ হল একধরনের HTMLকোড। যার মাধ্যমে আপনার ব্লগ কি সম্পর্কেতা সার্চ ইঞ্জিন ও ভিসিটর জানতে পারে।মেটা ট্যাগে অনেকগুলা বিষয় জড়িত থাকেযেমনঃ- ব্লগের বিবরন, ব্লগের কি ওয়ার্ড,ব্লগের মালিকের নাম, robots ইত্যাদি। meta tag এর সাহায্যে গুগল সহঅন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন আপনার সাইট সম্পর্কে অবগত হবে, তাই যখন কোন ভিসিটরকিছু সার্চ করে। আপনার সাইটে যদি এই বিষয়ে লিখা থাকে, তাহলে সার্চ ইঞ্জিন ওই ভিসিটরকে আপনার সাইটে পাঠিয়ে দিবে।

কিভাবে মেটা ট্যাগ তৈরি করবেন?

<meta content=” এখানে আপনার বা আপনার client এর সাইটের বর্ণনা দিন” name=”description”/>

<meta content=” এখানে আপনার বা আপনার client এর সাইটের keyword গুলো কমা দিয়ে লিখুন ” name=”keywords”/>

<meta content=” এখানে আপনার বা আপনার client এর সাইটের যিনি মালিক তার নাম লিখুন ” name=”author”/>

অথবা,

<meta name=”description” content=” এখানে আপনার বা আপনার client এর সাইটের বর্ণনা দিন” />

<meta name=”keywords” content=” এখানে আপনার বা আপনার client এর সাইটের keyword গুলো কমা দিয়ে লিখুন” />

<meta name=”author” content=” এখানে আপনার বা আপনার client এর সাইটের যিনি মালিক তার নাম লিখুন” />

মনে রাখবেন মেটা ট্যাগ এ আপনি কখনও বড় হাতের লেখা ব্যবহার করবেন না, সবসময় ছোট হাতের লেখা ব্যাবহার করবেন।

অারো জানতে এখানে ক্লিক করুন

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

wordpress ব্যবহার করে কিভাবে ওয়েবসাইট তৈরি করবেন?

১। প্রথমে আপনার ডোমেন ও হোষ্টিং কিনুন।

২। আপনার হোস্টিং অ্যাকাউন্ট এ লগ ইন করুন। এক্ষেত্রে সি প্যালেন ব্যবহার করতে হবে।

সি প্যানেল লগইন কিভাবে

  1. আপনার সি প্যানেলে যান (যেমন www. ursite.com/cpanel)
  2. “ওয়ার্ডপ্রেস” বোতামটি ক্লিক করুন এবং আপনি আপনার নতুন ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটলেশান করে নিন।

    ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটলেশান সি প্যানেল থেকে

     ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল করবেন কিভাবে?

    ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল স্টেপ

    সি প্যানেল থেকে ওয়ার্ডপ্রেস বাটনে ক্লিক করার পর উপরের ছবির মতো একটি উইন্ডো পাবেন। তীর চিহ্নিত জায়গায়(Install Now) ক্লিক করুন.

    তারপর তিনটি স্থান পুরন করতে হবে যা আপনার সাইটের জন্যে খুব গুরুত্বপূর্ণ।

    ১। আপনার সাইটের ডোমেইন URL নির্দেশনা দিন। যদি আপনার  SSL Certificate থাকে তবে অবশ্যই HTTPS সিলেক্ট করবেন। নাহলে HTTP সিলেক্ট করুন। তারপর আপনার সাইটে মানুষ কিভাবে লগইন করবে? www দিবে নাকি শুধু ডোমেইন দিয়ে লগইন করা যাবে।

    ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল স্টেপ ২

    ২। তারপর আপনার ডোমেইন সিলেক্ট/টাইপ করুন।

    ৩। ডিরেক্টরি সিলেক্ট করুনঃ এই ধাপে ওয়ার্ডপ্রেস এ By default ‘wp’ দেয়া থাকে। ‘wp’ ওয়ার্ডপ্রেস এর short form. এর মানে আপনার Root URL এর শেষে wp কথাটা থাকবে।

    • আপনার ডোমেইন যদি হয় www.money-bd.com তাহলে ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল হবে www.money-bd.com/wp এ।
    • ৩ নম্বর পয়েন্ট জায়গাটা ফাকা রাখা ভালো। ‘wp’ কথাটি মুছে ফেলুন এবং পরবর্তী ধাপে চলে যান।

    ৪। পরের ধাপে আপনাকে আপনার ব্লগ/ওয়েবসাইটের নাম ও টাইটেল বা শ্লোগান ঠিক করতে হবে।

    ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল স্টেপ ৩

    আপনার সাইটের ভাষা সিলেক্ট করুন। আপনি যদি আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ড বাংলা লেখায় চান তাহলে বাংলা সিলেক্ট করুন। তা নাহলে ইংলিশ রাখুন এবং পরের ধাপে চলে যান।

    ৫। সর্বশেষ ধাপে আপনাকে একটি থিম সিলেক্ট করতে হবে। থিম নির্বাচনটি একটু সময় নিয়ে করবেন। ওয়ার্ডপ্রেস এ হাজার হাজার ফ্রি থিম পাবেন। যেকোন একটি নির্বাচন করুন এবং আপনার সাইটের কন্টেন্টের সাথে মিল থাকে এমন একটি থিম নির্বাচন করা বুদ্ধিমানের কাজ।

    ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল স্টেপ ৪

    ইন্সটল ক্লিক করার পর ১-২ মিনিট সময় নিবে ইন্সটলেশন সম্পূর্ণ হতে। ইন্সটল হয়ে গেলে আপনি আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ড যাবার ইউআরএল দেখাবে। এই ড্যাশবোর্ড ই হবে আপনার সকল কাজের মুল জায়গা।

    নোটঃ ৩ নং ধাপে আপনি যদি ‘wp’ কথাটি রাখেন তাহলে আপনার ড্যাশবোর্ড ইউআরএল হবে একরকম আর মুছে ফেললে হবে আরেকরকম।

    •  ‘wp’ কথাটি রাখলে https://www.ur site.com/wp/wp-admin/
    • ‘wp’ কথাটি না রাখলে https://www.ur site.com/wp-admin/

    আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ডে লগ ইন করুন

    আপনার ব্রাউজারে ড্যাশবোর্ড URL(https://www.ur site.com/wp-admin/) এ গিয়ে আইডি পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন।

    ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ড

    আপনার ওয়েব সাইট কাস্টমাইজ করুন


    কাস্টমাইজ করার বেসিক কিছু ধাপ দেয়া হলোঃ

    • থিমঃ আপনার থিম ফাইনাল করুন। ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটলের সময় যে থিম সিলেক্ট করেছিলেন তা ভালো না লাগলে আরেকটি থিম সিলেক্ট করুন।
    • থিম সিলেক্টঃ  Appearance>Theme>Add new>search any theme>press install>Press Activate

    ওয়ার্ডপ্রেস কাস্টমাইজেশন কিভাবে

    এখন জেনে নেয়া যাক কিভাবে এবং কোন কোন আবশ্যকীয় প্লাগইন ইন্সটল করতে হবে।

    ওয়ার্ডপ্রেস এর Plugin Install করবেন কিভাবে?

    ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ড থেকে Plugins>Add New>Search plugins(type any plugin name)>Click Install>Click Activate

    প্লাগইন এক্টিভেট করার পর আপনার ড্যাশবোর্ড এ প্লাগইন এর আইকন পাবেন (বাম দিকে নিচে)

    ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগইন ইন্সটল কিভাবে

    ওয়ার্ডপ্রেস এর কিছু জরুরী Plugin

    # Jetpack WordPress Plugin

    জেটপেক ওয়ার্ডপ্রেস এর ভিতরে প্রথমেই দেয়া থাকে। খুবই প্রয়োজনীয় একটি প্লাগইন। জেটপেক প্লাগইন ফ্রি ভার্শন এর কিছু সুবিধা অসুবিধা দেয়া হলোঃ

    জেটপেক প্লাগইন এর সুবিধা

      • আপনার সাইট সর্বদা পর্যবেক্ষণ করবে। আপনার সাইট কখনো ডাউন হলে (হোস্টিং এর কারণে) আপনাকে মেইল করবে।
      • সোশ্যাল শেয়ার আইকন/অপশন গুলো পাবেন বিনামুল্যে, কোন কোডিং বা প্লাগিন ব্যবহার করা লাগবেনা।
    • সোশ্যাল একাউন্টের মাধ্যমে ইউজার-রা লগইন বা কমেন্ট করতে পারবে।
    • সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে আপনার সাইট সাবমিট/ভেরিফিকেশন করতে পারবেন

    জেটপেক প্লাগইন এর অসুবিধা

    • অনেক ভারী একটি প্লাগইন। অনেক বেশি জায়গা নিবে আপনার সাইটে।
    • অনেক বড় হওয়াতে আপনার সাইট লোড হতে সময় নিতে পারে।
    #

    ইয়োস্ট প্লাগিন

    সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন অনেক গুরুত্বপূর্ণ যদি আপনার সাইটে পর্যাপ্ত ভিজিটর চান। Website কি, কিভাবে কাজ করে তা যেমন জানতে হবে তেমনি, আপনার সাইটের কন্টেন্ট লেখার সময় যে জিনিস গুলো খেয়াল রাখতে হবে তা ইয়োস্ট এসইও দিয়ে চেক করে নিতে পারবেন।

    ইয়োস্ট প্লাগিনের সুবিধা

    • কন্টেন্ট বা আর্টিকেল টাইটেল কত শব্দের দিবেন তা ইয়োস্ট সাজেস্ট করবে। লেখার নিচে সবুজ অংশ মানে আপনি পর্যাপ্ত শব্দ দিয়েছেন। লাল কালার হলে শব্দের পরিমান কমাতে হবে।
    • মেটা ডেসক্রিপশন কত বড় হবে তা ঠিক করে নিতে পারবেন।
    • ফোকাস কিওয়ার্ড সেট করে দিতে পারবেনইয়োস্ট প্লাগইন- Yoast Plugin সেটাপ কিভাবে
    • ইয়োস্ট এসইও প্লাগইন দিয়ে আপনার আর্টিকেল SEO friendly কিনা চেক করতে পারবেন।
    • একদম উপরের টুলবার এ ইয়োস্ট প্লাগইন এর আইকন যদি সবুজ বৃত্ত দেখায় তারমানে আপনার পোস্ট টি সার্চ ইঞ্জিনে ভালো ইম্প্রেশন পাবে।
    # Polylang Multilingual Plugin

    এটি অত্যন্ত জরুরী প্লাগইন যদি আপনি আপনার সাইট একাধিক ভাষায় দেখাতে চান। ধরুন আপনার ওয়েব সাইট বাংলায়। কিন্তু আপনি ইংলিশেও কিছু পোস্ট করবেন বা ইংলিশ ভাষার ভিজিটর দের আপনার সাইটে আনবেন। সেই ক্ষেত্রে এই প্লাগিনটি জরুরী।

    আগেই বলেছি, কোডিং না জানলে ও ওয়েব সাইট বানানো কোন বড় ব্যপার নয়। কারন আপনি যদি কোড করে আপনার সাইট হেডার এ ল্যাংগুয়েজ সেট করতে পারেন তাহলে এই প্লাগইন ব্যবহার না করলেও হবে। আর কোডিং না পারলে এই প্লাগিন আপনার লাগবেই। ভাষা-ল্যাংগুয়েজ প্লাগিন-ওয়ার্ডপ্রেস

    আপনার ওয়েব সাইট একাধিক ভাষায় না হলেও এই প্লাগিন লাগবে। শুধু ইংরেজি বা বাংলা ভাষায় হলেও প্লাগিন সেট করে ভাষা ঠিক করতে হবে। নাহলে সার্চ ইঞ্জিন আপনার সাইট ইনডেক্স করবেনা।

    সার্চ ইঞ্জিন আপনার ওয়েব সাইট এ এসে প্রথমেই হেডার এ ভাষার নির্দেশনা খুজবে। গুগল যখন দেখবে আপনার ওয়েব সাইট ইংলিশ ভাষায় বা একাধিক ভাষায় আর্টিকেল আছে তখন গুগলের ইনডেক্সিং সহজ হয়। ভাষায় সমস্যা হলে সার্চ ইঞ্জিন আপনার সাইট ইগনোর করবে যার ফলে আপনি র‍্যাংকিং হারাবেন।

    # WP Smush Plugin

    ওয়েব সাইট তৈরী হলে দিনে দিনে আপনার আর্টিকেল বা পোস্ট বাড়বে সেই ক্ষেত্রে ধীরে ধীরে আপনার ওয়েব সাইট ভারী হবে। আর্টিকেল বা পোষ্টে খুব কমন জিনিস হলো ছবি।

    আপনার সাইটে যদি অনেক বেশি ছবি থাকে এবং তা যদি অপ্টিমাইজ না করেন তবে আপনার Web site স্লো হবে। স্লো Website কখনো কোন ভিজিটর দ্বিতীয়বার আসবেনা।

    অপ্টিমাইজ ওয়ার্ডপ্রেস-স্মাশ

    এই প্লাগইন ব্যবহার করলে আপনার ওয়েব সাইট এর ইমেজ বা ছবির সাইজ কমিয়ে আনবে প্রায় ৭০%।

    ইমেজ অপ্টিমাইজ ওয়ার্ডপ্রেস

     

     

     

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কিওয়ার্ড রিসার্চ কি ও কিভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ করবেন ? (পর্ব-৬)

এস কে দাসঃ

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এ কিওয়ার্ড রিসার্চ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বেশিরভাগ ইন্টারনেট ব্যবহারকারিই তার নূন্যতম দরকারেও ইন্টারনেটে খোঁজ করতে পছন্দ করে। আপনাকে কিওয়ার্ড রিসার্চ করে সহজ কোন কিওয়ার্ড খুঁজে বের করতে হবে । যেই কিওয়ার্ড নিয়ে লোকজন  খুব বেশি কাজ করে নাই বা করছেনা । আপনি যদি এমন কিওয়ার্ড খুঁজে বের করতে পারেন তবে তাহলে আপনি আপনার ওয়েবসাইট এর জন্য খুব সহজে ট্রাফিক নিয়ে আসতে পারবেন ।

আমি আপনাকে কিছু টুলস এর নাম বলছি যেগুলো দিয়ে খুব সহজেই আপনি কি ওয়ার্ড রিসার্স করতে পারবেন।

Google Adwords :

গুগল অ্যাডওয়ার্ডস টুল (http://www.adwords.google.com) সম্পর্কে সবাই জানেন এবং প্রত্যেক ওয়েবমাস্টারের পছন্দের টুল হল এটি।

  • গুগল কিওয়ার্ড প্লানার (https://adwords.google.com/ko/KeywordPlanner/Home?): ফ্রী  ।
  • সেমরাস (https://www.semrush.com/): পেইড ।
  • আহ্রেফ(https://ahrefs.com/) :পেইড ।
  • কিওয়ার্ড ফাইনডার (https://kwfinder.com/) :পেইড ।
  • স্পাইফু (https://www.spyfu.com/) :পেইড ।
  • গুগল ট্রেনড (https://trends.google.com/trends/) : ফ্রী ।
  • ম্যাজেসটিক (https://majestic.com/):পেইড।
  • লং টেল প্রো (https://longtailpro.com/):পেইড।
  • মার্কেট সামুরাই (http://www.marketsamurai.com/):পেইড।
  • কিওয়ার্ড এভরিহ্যায়ার (https://keywordseverywhere.com/): ফ্রী।Word Stream Keyword (http://www.wordstream.com/keywords) টুল আপনার সার্চ করা কীওয়ার্ড এর সার্চ ভলিউম, ফ্রিকয়েন্সি এবং আপনার প্রতিযোগীদের সাজেস্ট করবে।

     

    SEO Quake (http://www.seoquake.com/) মজিলা ফায়ারফক্সের একটি টুলবার।এটি দিয়ে আপনি আপনার কীওয়ার্ড এর প্রতিযোগীদের সাইটের বয়স, পেইজ রেঙ্ক, ব্যাকলিঙ্কসহ প্রয়োজনীয় সব তথ্য জানতে পারবেন।

     

    Soovle (http://www.soovle.com/) সুন্দর, ফ্রী এবং খুব দ্রুততর একটি সাইট । এই সাইট আপনাকে সকল সার্চ ইঞ্জিন থেকে ডাটা সংগ্রহ করে দিবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সার্চ ইঞ্জিন কিভাবে কাজ করে (পর্ব-৫)

এস কে দাসঃ

SEO ট্র্যাফিক – গুগলে বা অন্য যে কনো সার্চ ইঞ্জিন গুলতে ঘুরতে ঘুরতে কনো কিছু খুঁজতে খুঁজতে আপনার পেলে সেখান থেকে সাইট ভিসিট করা।

তাহলে যেহুতু আমরা শিখতে এসেছি SEO তাই আমাদের মুল উদ্দেশ্য ও লক্ষ থাকবে জেনো সার্চ ইঞ্জিন গুলো থেকেই আমাদের ইউসার রা আমাদের সাইটে আসে। এটা কেন বেশী ইম্পরট্যান্ট? কারন – একটি সাইট কেউ ৬/৮ মাসের জন্য করে না। অথবা ১বছর ও কম যদি আপনি প্রফেশনাল কনো সাইট করতে চান, তাই অনলাইন অথবা অফলাইন মার্কেটিং করা নিশ্চয়ই সারা বছর সম্ভব নয়। তাই নয় কি? ধরেন আপনার একটি সাইট খুলেছেন টার্গেট করলেন ২ বছর চালাবেন। এই ২ বছর কি শুধু মার্কেটিং করে সাইটে ভিসিটর আনতে পারবেন? পারবেন যদি আপনার প্রচুর টাকা পয়সা থাকে। আর যদি না থাকে তাহলে আপনাকে নির্ভরশীল হতে হবে কিসের উপরে? SEO সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর উপরে। কারন এটাই একমাত্র ভরসা যেখানে আপনি যদি খুব ভালো করে একবার ঠিক মত SEO সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করতে পারেন তখন যে কনো কিছু সার্চ করলেই একজন সাধারণ ব্যবহারকারী আপনার সাইটের লিংক পেয়ে যাবে। তাই ভিসিটর বাড়ানোর ঝামেলা আর নেই।

সার্চ ইঞ্জিন গুলো প্রতিটা সাইটের পেজ র‍্যাংক ভিক্তিতে সার্চ ইঞ্জিনের BOT পাঠায় প্রতিটা সাইট কে ক্রলিং করতে। এখানে বট বলতে অনেকটা বুঝায় যে এটা সার্চ ইঞ্জিন গুলোর অটোমেটিক সিস্টেম। এই সিস্টেম এর কাজ হল নতুন পুরনো সাইট গুলতে ঘুরে ঘুরে দরকারি ও কাজের সাইটের লিংক গুলো keyword বা meta tag গুলো গুগল বা যে কনো সার্চ ইঞ্জিনের ডাটাবেসে যুক্ত করা। তারা মূলত চিনে থাকে আপনার সাইটের keyword বা meta tag গুলো কে।

এই ক্রুলিং সাধারণত হয়ে থাকে পেজ রাংক, সাইট লিংক, সাইটের মেয়াদ, সাইটের ভিসিটর এর উপরে ভিক্তি করে আপনার সাইটে গুগলের ক্রুলার ক্রুল করে আপনার keyword বা meta tag লিংক গুলো নিতে আসবে।

অনেক সময় একদম নতুন সাইট ও দেখবেন সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করলে প্রথম পাতায় দেখা যাবে সেটার কারন এই ক্রুলিং এর জন্য ই হয়ে থাকে। কারন অনেক সাইটে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন না করা থাকলেও এই ক্রুলিং এর জন্য সার্চ করলে সার্চ রেসাল্ট এ দেখা যায় । তাই এই জন্য ই মূলত Sitemap এর ব্যবহার হয়ে থাকে।

এ ছারাও আপনার সাইট টিকে গুগলে ক্রলিং করবে কিনা সেটা ডিপেন্ড করবে আপনার পুরো সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সিস্টেম এর উপরে নির্ভর করে। সেটা আমরা শিখতে শুরু করেছি। আসলে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন একটা ব্যপারের সাথে আরেকটা ব্যপার খুব বেশী যুক্ত থাকে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেস সাইটে ভিজিটর কাউন্টার সেট করবেন

শিশির দাস(এডমিন)ঃ বর্তমান বিশ্বে অনেকেই তাদের ব্লগ বা ওয়েবসাইটকে ওয়াডপ্রেস থিম দ্বারা ডেভেলপ করে থাকেন। অনেক ওয়েব সাইট আছে যেখানে তাদের কতজন ভিজিটর এসেছেন তা দেখা যায়। তখন আমাদের মনে হয় ইস! আমার ওয়েবসাইটিতে যদি এরকম পোস্ট ভিউ কাউন্টার যোগ করতে পারতাম।সেসব বন্ধুদের জন্য সুখবর! সুখবর!সুখবর।

প্রথমে আপনার ওয়ার্ডপ্রেস সাইটে লগইন করে ড্যাশবোর্ডে যান। এবার Plugins এ ক্লিক করে Add New তে যান। এবার Search Plugins বক্সে AE Visitor লিখে ইন্টার চাপুন। এবার দেখবেন AE Visitor প্লাগইন ।  ডান পাশে Install Now তে ক্লিক করুণ। এবার Install হয়ে গেলে Successfully installed the plugin AE Visitor  দেখতে পাবেন। তখন নিচে Activate Plugins এ ক্লিক করুণ।

AE Visitor Plugins

আপনার টোটাল ভিজিটর কাউন্টার প্লাগইন AE Visitor টা একটিভেট হয়ে গেলো।

এখন আপনি আপনার ওয়েব সাইটের কোন যায়গায় এটি বসাতে চান তা ঠিক করুণ। যদি আপনি সাইডবারে বসাতে চান তবে Appearance থেকে Widgets এ যান।

এখন বামপাশে Available Widgets এ দেখতে পাবেন একটু আগে আপনি যে AE Visitor প্লাগইনটি ইনস্টল করেছেন তা দেখা যাবে। এবার মাউসে ডানে ক্লিক করে টেনে ধনে ডান সাইডবারে ছেড়ে দিন। যাকে ইংরেজিতে বলে ড্রাগ এন্ড ড্রপ। ডান সাইডবারের যে অংশে আপনি রাখতে চান সেখানে মাউস ধরে ছেড়ে দিন। এবার নিচে সেভ এ ক্লিক করে সেভ করুণ।

ব্যাস হয়ে গেলো খুব সহজেই কোন কোডিং ব্যবহার ছাড়াই টোটাল সাইট ভিজিটরস বা মোট ওয়েবসাইটে ট্রাফিস সংখ্যা দেখানোর সবচেয়ে সহজ প্লাগইনটি সেট করা।

আশা করি পোস্টটি আপনাদের উপকারে আসবে। এরপরও যদি কোন সমস্যা হয় ইনস্টল করে সাইডবারে বসাতে তবে জানাতে ভুলবেন না। আর পোস্টটি ভালো লাগলে, কিংবা উপকৃত হলে পোস্টটির লিংক ফেসবুক বা অন্য সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন তাহেলে অন্যরাও উপকৃত হবে। আমাদের ফেসবুক লাইক পেজে আপনিও লাইক করতে পারেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এসইও টিউটোরিয়াল (পর্ব-৪)

শিশির দাস(এডমিন)

আমরা প্রথমেই শিখবো পেইজ টাইটেল কি?

সাধারনত আমরা ডোমেইন পেইজ বা ব্লগ পেজের শুরুতেই ওপরে টাইটেল ট্যাগের ( <title>Your page Title</title> ) মধ্যে যে লাইনটিতে লিখি তাহাই ঐ পেইজের পেইজ টাইটেল হিসাবে ব্যবহার করা হয়। টাইটেলটি এমনভাবে লিখতে হবে, যেন সেটি একবার পড়েই মনের ভিতরে কৌতূহল জেগে সম্পূর্ন পড়ার জন্য। সার্চ ইঞ্জিন গুলো ওয়েব পেইজ টাইটেলের সবচেয়ে বেশী গুরুত্ব দেয়। সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ দেওয়ার পরে প্রথমেই যে লাইনটি আমাদের চোখে পড়ে সেটিই ওয়েব পেইজ টাইটেল। আবার মূল টাইটেলটি এমন ভাবে লেখা উচিত যাতে টাইটেলে আপনার পছন্দের Keyword অবশ্যই থাকে Keyword যদি শুরুতেই থাকে আরও ভাল হয়। Read More »

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

SEO শিখে ঘরে বসে মাসে ৫০ হাজার টাকা আয় করুন। পর্ব-৩

শিশির দাস,এমএসসি(পিজিডিসিটি) (এডমিন)

আজ আপনাদের মাঝে SEO টিউটোরিয়াল(পর্ব-৩) নিয়ে হাজির হয়েছি

SEO কে আরও দুই ভাগে ভাগ করা যায়।

যেমন White Hat SEO, Black Hat SEO

Read More »

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

SEO শিখে ঘরে বসে লাখ টাকা আয় করুন। পর্ব-২

শিশির দাস,এমএসসি(পিজিডিসিটি) (এডমিন)

আজ আপনাদের মাঝে SEO টিউটোরিয়াল(পর্ব-২) নিয়ে হাজির হয়েছি।

SEO কত প্রকার ও কি কি:

SEO সাধারনত দুই প্রকার। যথা:

  1. On page SEO,
  2. Off page SEO

Onpage SEO : এক কথায় On page SEO হলো কোন ওয়েব পেজ এর ভিতরে প্রবেশ করে কাজ করা। On page SEO এর মুল কাজ হচ্ছে প্রধানত Keyword Research ও Meat Tag। এ বিষয়ে পরবর্তীতে আমি বিস্তারিত আলোচনা করবো। আর Off page SEO শুরু করার আগে On page SEO ভালোভাবে সম্পন্ন করতে হবে। তা না হলে পুরো পরিশ্রমই মাটি হয়ে যাবে।

Read More »

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

আপনি কি SEO শিখতে চান ? পর্ব-১

শিশির দাস(এডমিন)

আজ আপনাদের মাঝে SEO টিউটোরিয়াল নিয়ে হাজির হয়েছি। SEO একটি দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা।শুধু নতুনদের জন্য যারা SEO শিখতে খুবই আগ্রহী। আজ আমি আমার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে খুব সহজে আপনাদের SEO শেখাবো। সেই সাথে আমি আপনাদেরকে এমন ভাবে শেখানোর চেষ্টা করবো যাতে আপনারা খুব সহজে বুঝতে পারেন এবং নিশ্চিত ইনকাম করতে পারেন। আমি আশা করছি শেষ পর্যন্ত আপনাদেরকে আমার সাথে পাবো। যাই হোক কথা অনেক হলো, এখন কাজের কথায় আসি।

 

বর্তমানে SEO এর চাহিদাঃ

এখন দেশে এবং বিদেশে SEO এর চাহিদা প্রচুর দিন দিন প্রচুর বাড়ছে। কারণ কোন ওয়েব সাইটের মুল শক্তি হচ্ছে SEO। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় সব ব্যবসাই প্রযুক্তি নির্ভর হচ্ছে। তাই অনেক E-Commerce ওয়েব সাইট তৈরি হচ্ছে। তাই ব্যাবসায়ীরা তাদের ব্যাবসার প্রসার ঘটানোর জন্যে SEO এর সাহায্য নিচ্ছে। আর ফ্রীলাঞ্ছার মার্কেটপ্লেস যেমন Elance,Up work(O-Desk) এ এর চাহিদা প্রচুর। বর্তমানে একজন দক্ষ SEO worker মাসে প্রায় $ ১০০-১০০০ us আয় করছে, যাহ বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৭৮০০-৭৮০০ টাকা। কি অবাক হয়ে গেলেন? অবাক হওয়ার কিছুই নাই। যদি বিশ্বাস না হয় তাহলে যেকোনো ফ্রীলান্চার মার্কেটপ্লেসে একবার দেখে আসুন।

Read More »

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সাইট ম্যাপ কি ? কিভাবে ওয়েবসাইটের জন্য site map তৈরি করতে হয়

সাইট ম্যাপ হলো আপনার ওয়েবসাইটের কোথায় কি আছে তারই একটা ভার্চুয়াল ম্যাপ যার মাধ্যমে গুগল আপনার ওয়েব সাইটের প্রতিটি পেজ সম্পর্কে জানতে পারে। একটি ওয়েবসাইটকে গুগলে র‍্যংক করানোর জন্য সাইট ম্যাপ তৈরি করা একটি খুব দরকারি কাজ। এটি না করলে গুগলে সহজে র‍্যংক পাওয়া যাবে না। সাইট ম্যাপ কি ? কিভাবে ওয়েবসাইটের জন্য site map তৈরি করতে হয় তা নিয়ে এখানে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হলো। সাইট ম্যাপ একবার করে দিলে গুগল এর রোবট প্রতিদিন আপনার ওয়েব সাইটে ক্রল করবে এবং আপনার সাইটের প্রতি দিনের আপডেট একবার করে গুগলে যুক্ত হবে। আর এই ভাবে প্রতিনিয়ত গুগল এর কাছে আপনার সাইট আপনার টু ডেট থাকবে। এখন হয়তো আপনি বুঝে গেছেন সাইট ম্যাপ কতটা জরুরি।

কিভাবে ওয়েবসাইটের জন্য সাইট ম্যাপ তৈরি করবেন ?

সাইট ম্যাপ তৈরি করতে প্রথমে আপনাকে নিচে দেয়া এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে
সাইট ম্যাপ তৈরি করতে ক্লিক করুন
এরপর এখানে বক্সে আপনার সাইটের লিংক দেবেন তবে https ও www. ছাড়া দেবেন ঠিকানাটি । এবার start এ ক্লিক করুন । দেখতে পাবেন পাঁচ মিনিট এর মধ্যে সাইট ম্যাপ তৈরি হয়ে গেছে। এবার আপনার সাইট ম্যাপ টি ডাউনলোড করে নিন ।

কিভাবে ওয়েবসাইটে সাইট ম্যাপ যুক্ত করবো ?

এজন্য আপনার সাইটের Cpanel এ যান এবং file manager এ প্রবেশ করুন। এবার public_html ফোল্ডার টি ওপেন করুন , এখন এই ফোল্ডারে upload এ ক্লিক করে আপনার তৈরি করা সাইট ম্যাপ টি public_html ফোল্ডারে যুক্ত করুন। ব্যস হয়ে গেল আপনার সাইট ম্যাপ তৈরি করা । এখন ছোট আরো একটি কাজ বাকি আছে।

সাইট ম্যাপ কিভাবে google search console এ যুক্ত করবো ?

এটা খুবই সহজ , প্রথমে আপনাকে গুগল সার্চ কনসোল ( পূর্ব নাম webmaster tool) এ লগইন করুন এবং ক্লিক করুন বাম পাশের সাইট ম্যাপ এ। এবার আপনার ডাউনলোড করা site map টি সিলেক্ট করুন এবং এ‍্যড করে ফেলুন আপনার google webmaster tool এ । সাবমিট করার কিছু ক্ষন পর এটা কাজ করবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

গুগল এডসেন্স থেকে টাকা উপার্জনের উপায়

শিশির দাস (এডমিন)ঃ

গুগল এডসেন্স কি?

আমাদেরকে সবার প্রথমে জানতে হবে যে, গুগল এডসেন্স কি? গুগল এডসেন্স হল সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগলের একটা সার্ভিস। এটার মাধ্যমে গুগল ব্লগারদের ব্লগে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে এবং তার বিনিময়ে ব্লগারদেরকে টাকা দেয়। ব্লগ থেকে ইনকামের এটাই সবচেয়ে বড় এবং বহুল ব্যাবহৃত উপায়।

গুগল কেন আমাদেরকে টাকা দেয়?

গুগলের আরেকটা সার্ভিস আছে, যার নাম গুগল এডওয়ার্ড। গুগল এডওয়ার্ড এর মাধ্যমে গুগল বিভিন্ন ওয়েবসাইট বা প্রতিষ্ঠানের কাছ তাদের ওয়েবসাইট বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারনার চুক্তিতে টাকা নেয়। তারপর এডসেন্স সার্ভিসের মাধ্যমে গুগল বিভিন্ন ওয়েবসাইট বা ব্লগে টাকা প্রদানকৃত ওয়েবসাইট বা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করায়। এখন গুগল যত টাকা আয় করে তার থেকে ওয়েবসাইট বা ব্লগের মালিকদেরকে ৬৮% পরিমান অর্থ প্রদান করে এবং বাকি ৩২% অর্থ সার্ভিস পরিচালনা ব্যয় হিসেবে গুগল রেখে দেয়।

গুগল ওয়েবসাইট বা ব্লগের মালিকদেরকে মাসে কত টাকা দেয়?

কিছুদিন আগে আমাকে একজন প্রশ্ন করেছিল যে, গুগল আপনাকে মাসে কত টাকা দেয়। এরকম ধারণা অনেকেরই আছে যে কষ্ট করে গুগল এডসেন্স একাউন্ট পেয়ে গেলেই গুগল আমাকে মাসে মাসে টাকা দিবে। যাদের এরকম ধারণা আছে, তারা এবার কথাটা জানুন।

গুগল আপনাকে মাসে মাসে কোন টাকা দিবে না, কারন গুগল আপনাকে চাকরি দেয়নি। আপনার ব্লগের মাধ্যমে যদি গুগলের কোন ইনকাম না হয়, গুগল কেন আপনাকে টাকা দিবে?

এডসেন্স এর টাকার পরিমান নির্ভর করে ব্লগের ভিজিটর এর উপর। আপনার যদি প্রচুর ভিজিটর থাকে তাহলে আপনি ভালো আয় করতে পারবেন অন্যথায় পারবেন না। গুগল আপনার সাইটে বিজ্ঞাপন অর্থাৎ অন্য ওয়েবসাইট এর লিঙ্ক প্রদর্শন করাবে, এখন আপনার ব্লগের ভিজিটর যদি সেই লিঙ্কে ক্লিক করে বিজ্ঞাপন দাতার ওয়েবসাইটে যায় তাহলেই আপনি টাকা পাবেন।

কিভাবে টাকা হাতে পাব?

গুগল ব্লগারদেরকে দুই ভাবে টাকা দেয়। ১. Western Union এবং ২. ব্যাঙ্ক চেক এর মাধ্যমে। দুঃখ জনক হলেও সত্য যে, আমাদের দেশে Western Union এর মাধ্যমে টাকা দেয়া হয় না। ফলে আমাদের টাকা হাতে পেতে দেরি হয়। আপনার একাউন্টে $100 বা তার বেশি জমা হলে প্রত্যেক মাসের ২৩-২৫ তারিখের মধ্যে একটি ব্যাঙ্ক চেক আপনার ঠিকানায় পোস্ট করা হবে।

চেক আসতে নরমালি পোস্ট-অফিসের মাধ্যমে আনলে ২০-২৫ দিন সময় নেয়। এর আপনি যদি DHL কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে আনেন তাহলে এক সপ্তাহের মধ্যেই পেয়ে যাবেন (এক্ষেত্রে ৩০ ডলার কেটে নেয়া হবে)। চেক হাতে পাওয়ার পর চেকটি যে কোন ব্যাঙ্কে জমা দিলেই আপনার একাউন্টে টাকা জমা হয়ে যাবে। টাকা জমা হতেও কিছুদিন সময় লাগে।

গুগলের এড ব্লগে বসালেই কি টাকা আসা শুরু হবে?

গুগলের এড ব্লগে বসালেই টাকা আসা শুরু হবে এটা আরেকটা ভুল ধারণা। অনেকেই মনে করেন ব্লগে এড বসালেই টাকা আসা শুরু হবে। আমি নিশ্চিত প্রত্যেক ব্লগারই এই কথা ভাবেন। কিন্তু এডসেন্স একাউন্ট পাবার পরে তারা আসল বিষয়টি বুঝতে পারেন। এটা ভাবা আসলে কোন দোষের কিছু নয়। আমিও একসময় এটাই ভাবতাম, কিন্তু এখন বুঝি যে আসলে এডসেন্স থেকে আয় করা এত সহজ না। এডসেন্স থেকে আয় করতে হলে আপনার প্রয়োজন হবে প্রচুর ট্রাফিক। অনেকেই বলেন যে আমার সাইটে দৈনিক ১০০০-১২০০ ভিজিটর আসে। তাদেরকে বলছি আপনি কি কখনো আপনার সাইটের বাউন্স রেট দেখেছেন? শুধু ভিজিটর আসলেই হবে না, ভিজিটর কে সন্তুষ্টও করতে হবে। একজন ভিজিটর যখন আপনার সাইটে সন্তুষ্ট হওয়ার মত কিছু পাবে, নিশ্চয় তখন কিছু সময় আপনার সাইটে থাকবে। এর যখন একজন ভিজিটর কিছুক্ষণ আপনার সাইটে থাকবে তখন আপনার সাইটে বিজ্ঞাপনের দিকে তার নজর দিবে এবং ক্লিক দিবে। অন্যথায় ভিজিটর এসে যদি আপনার সাইটে কিছু না পায়, তাহলে নিশ্চয় সে আপনার সাইটে থাকবেনা। সাইটে ভিজিটর না থাকলে বিজ্ঞাপনে ক্লিক পরার কোন সম্ভাবনা নেই। এর বিজ্ঞাপনে ক্লিক না পরলে টাকা আয়ের প্রশ্নই আসে না। এখন বলুন গুগলের এড ব্লগে বসালেই কি টাকা আসা শুরু হবে?

কিভাবে বুঝব আমার সাইট এডসেন্স উপযোগী কিনা?

ব্লগিং স্কুলের ফেসবুক গ্রুপে অনেকেই প্রশ্ন করেছেন যে, কিভাবে বুঝব আমার সাইট এডসেন্স উপযোগী কিনা? নিজের ব্লগটিকে এডমিন হিসেবে না দেখে ভিজিটর হিসেবে দেখুন। আমি নিশ্চিত আপনার প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন। তারপরেও যদি বুঝতে না পারেন যে, আমার সাইটে কোন সমস্যা আছে কিনা। তাহলে সোজা গিয়ে এডসেন্স এ এপ্লাই করুন। আপনার সাইট ভালো হলে গুগল আপনাকে এডসেন্স দিয়ে দিবে অথবা কি সমস্যা আছে সেটা বলে দিবে। আমিও কিন্তু এভাবেই এডসেন্স পেয়েছিলাম। যাই হোক, ভালো মানের কন্টেন্ট লিখুন অবশ্যই এডসেন্স পাবেন। গুগল শুধুমাত্র কন্টেন্টই দেখে, ডিজাইনটা দেখে না। অনেকেই বলে যে, ভাই আমার সাইটের ডিজাইনটা দেখেন। আরে ভাই, ভিজিটর এসে কি বসে বসে আপনার ডিজাইন দেখবে? ডিজাইন এর পিছনে সময় নষ্ট না করে প্রচুর এবং ভালো কুয়ালিটির আর্টিকেল লিখুন।

এডসেন্স একাউন্ট এপ্রুভ হওয়ার প্রধান শর্ত সমুহঃ

  • অবশ্যই ১০-১২ ভালো কুয়ালিটির আরটিকেল থাকতে হবে।
  • অন্য কোন কোম্পানির এড থাকা যাবে না।
  • পপ-আপ উইন্ডো যেমনঃ ফেসবুক লাইক বক্স থাকা যাবে না।
  • কপি-পেস্ট কন্টেন্ট থাকা যাবে না।
  • কপিরাইট আইন ভঙ্গ করে এমন কিছু রাখা যাবে না।
  • এডাল্ট, হ্যাকিং, কোন জাতি বা গোষ্ঠীকে নিয়ে ব্যাঙ্গ করা হয়েছে এমন কোন কন্টেন্ট থাকা যাবে না।
  • অনেকে বলেন ভালো ভিজিটর থাকতে হবে। আমি বলি না, কোন ভিজিটরের প্রয়োজন নেই (সম্পূর্ণ আমার মতামত)।
  • গুগল সমর্থন করে না এমন কোন ভাষার কন্টেন্ট থাকা যাবে না। (যেমনঃ বাংলা ভাষা গুগপ্ল সমর্থন করে না)
  • টপ লেভেল ডোমেইন হতে হবে। অর্থাৎ সাব-ডোমেইন হলে একাউন্ট এপ্রুভ হবে না। (তবে ব্লগস্পট এর বিষয়টা আলাদা)

এই বিষয় গুলি মেনে চললেই আপনি পেয়ে যেতে পারেন এডসেন্স একাউন্ট। আর নিয়মিত পরিশ্রম করলে একদিন আপনিও মাসে আয় করতে পারবেন হাজার হাজার ডলার।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কিভাবে ওয়েব সাইটে পোস্ট ভিউ কাউন্টার অপশন যোগ করবেন

শিশির দাস,এডমিন:

বর্তমান বিশ্বে অনেকেই তাদের ব্লগ বা ওয়েবসাইটকে ওয়াডপ্রেস থিম দ্বারা ডেভেলপ করে থাকেন। অনেক ওয়েব সাইট আছে যেখানে তাদের পোস্ট কতবার দেখা হয়েছে বা টোটাল পোস্ট ভিউ কত বার হয়েছে তা দেখা যায়। তখন আমাদের মনে হয় ইস! আমার ওয়েবসাইটিতে যদি এরকম পোস্ট ভিউ কাউন্টার যোগ করতে পারতাম।সেসব বন্ধুদের জন্য সুখবর! সুখবর!সুখবর।

কোন পোষ্ট কত বার দেখা হয়েছে তা দেখার জন্য আমরা PostView প্লাগিনটি ব্যবহার করে থাকি।এটা ছাড়াও  কিন্তু খুব সহজেই আমরা পোস্ট ভিউ কাউন্টার যোগ করতে পারি। তাহলে আসুন দেখি কিভাবে কোন ঝামেলা ছাড়াই আমরা ওয়ার্ডপ্রেস সাইটে পোস্ট ভিউ কাউন্টার যোগ করতে পারি।

১। প্রথমে আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ বা ওয়েবসাইটে লগইন করুণ।

২। এবার ড্যাশবোর্ডের বামপাশ থেকে Appearance সিলেক্ট করুণ।

৩।এবার Appearance থেকে Editor  যান।

৪। Editor যেয়ে Functions.php তে যান।

৫। Functions.php এর একদম শেষে যান যেখানে    ?>         এই চিহ্ন আছে তার আগে নিচের কোডটুকু কপি করে পেস্ট করে দিন।

/*Function for post view count starts. Developed by Shishir Das*/

function getPostViews($postID){

    $count_key = ‘post_views_count’;

    $count = get_post_meta($postID, $count_key, true);

    if($count==”){

        delete_post_meta($postID, $count_key);

        add_post_meta($postID, $count_key, ‘0’);

        return “0 Times”;

    }

    return $count.’ Times’;

}

function setPostViews($postID) {

    $count_key = ‘post_views_count’;

    $count = get_post_meta($postID, $count_key, true);

    if($count==”){

        $count = 0;

        delete_post_meta($postID, $count_key);

        add_post_meta($postID, $count_key, ‘0’);

    }else{

        $count++;

        update_post_meta($postID, $count_key, $count);

    }

}

/*Function for post view count ends*/

৬। এবার Update এ ক্লিক করে সেভ করুণ।

*******এখন আপনার দ্বিতীয় ধাপের কাজ হলো, আপনি  single.php তে যান। এবার নিচের কোডটুকু কপি করে যেখানে পোস্টের ক্যাগাগরি দেখাচ্ছে বা কখন আপনি লেখা পাবলিশ (প্রকাশ) করেছেন দেখা যাচ্ছে সেখানে কোডটি পেস্ট করে আপডেট ফাইল এ ক্লিক করুণ।  Post Views

<?php

setPostViews(get_the_ID());

?>

<?php

echo getPostViews(get_the_ID())

************ সর্বশেষে আপনাকে যে কাজটি করতে হবে, তা হচ্ছে আপনি index.php তে যেয়ে  নিচের অংশটুকু কপি করে ঠিক আগের মত যেখানে পোস্টের ক্যাগাগরি দেখাচ্ছে বা কখন আপনি লেখা পাবলিশ (প্রকাশ) করেছেন দেখা যাচ্ছে সেখানে কোডটি পেস্ট করে আপডেট ফাইল এ ক্লিক করুণ। <?php

echo getPostViews(get_the_ID());

?>

ব্যাস হয়ে গেলো আপনার ওয়েবসাইটে পেজ ভিউ কাউন্টার অপশন যোগ করা। এবার চেক করে দেখুন ঠিক আছে কিনা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter