Home » নিউজ (page 7)

নিউজ

বাসায় কোচিং করানোর অপরাধে প্রধান শিক্ষককে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক |

বাসায় কোচিং করানোর কারণে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের বাইমহাটী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হোসনে আরাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার (১০ জুন) সকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. জুবায়ের হোসেনের ভ্রাম্যমাণ আদালত এ জরিমানা করেন।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সহকারী কমিশনার প্রধান শিক্ষক হোসনে আরার বাসায় হাজির হন। সেখানে তিনি দেখেন, একটি কক্ষে গাদাগাদি করে শিক্ষার্থীদের বসিয়ে কোচিং করানো হচ্ছে। শিক্ষক ও অধিকাংশ শিক্ষার্থীর মুখে মাস্ক ছিল না। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত ওই শিক্ষকের কাছ থেকে জরিমানা আদায় করেন।

এলাকাবাসী ও ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, সরকার করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কোচিং সেন্টার বন্ধ রেখেছে। কিন্তু নিয়ম না মেনে তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিজের বাসায় তাঁর বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কোচিং করাচ্ছিলেন। বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের হোসনে আরা নিজের বাসাতেই কোচিং করান। তবে চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী বেশি। এর মধ্যে পঞ্চম শ্রেণির সব শিক্ষার্থীর তাঁর কাছে বাধ্যতামূলকভাবে কোচিং করতে হয়। এ জন্য তিনি একেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে প্রতি মাসে ২ হাজার টাকা করে নেন। পঞ্চম শ্রেণিতে ৭১ শিক্ষার্থী আছে বলে বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে।

প্রধান শিক্ষক হোসনে আরা বলেন, ‘ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে আমি বিল্ডিং করেছি। বেতন যা পাই, ঋণের টাকা পরিশোধ করতেই চলে যায়। এ জন্য কয়েকজনকে প্রাইভেট পড়াচ্ছি।’

বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা পর্ষদের সভাপতি লুৎফর রহমান বলেন, ‘প্রধান শিক্ষক হোসনে আরাকে এই পরিস্থিতিতে কোচিং না করানোর অনুরোধ করেছিলাম। জরিমানা করার বিষয়টি আমাদের জন্য দুর্নামের।’

মো. জুবায়ের হোসেন বলেন, ‘সরকারি নিয়ম না মেনে স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন করে প্রধান শিক্ষক শিক্ষার্থীদের পড়াচ্ছিলেন। এ জন্য তাঁকে জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে কোচিং করানো বন্ধ করতে বলা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের তথ্য সংশোধনের সময় বাড়ল

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৮ জুন, ২০২০
০১৯-২০ অর্থবছরে থেকে সব ধরনের বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের টাকা জিটুপি পদ্ধতিতে অনলাইনে ইএফটির মাধ্যমে সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। তবে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে আসা শিক্ষার্থীদের তথ্যের বিভিন্ন রকম ভুল রয়েছে৷ ফলে শিক্ষার্থীদের বৃত্তির টাকা পাঠাতে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এ সমস্যা দূর করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে শিক্ষার্থীদের তথ্য সংশোধন করার সুযোগ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। গত ৫ জুনের মধ্যে শিক্ষার্থীদের তথ্য সংশোধন করে তালিকা শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাতে বলা হলেও সে কি সময় বাড়ানো হয়েছে। পুনঃনির্ধারিত সময়ে আগামী ১৫ জুনের মধ্যে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য সংশোধনের সুযোগ দেয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও স্কুলগুলোকে। এ সময় শিক্ষার্থীদের তথ্য সংশোধন করে তালিকা শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাতে বলা হয়েছে প্রতিষ্ঠানগুলোকে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে সময় বাড়ানোর বিষয়টি জানিয়ে চিঠি সব সরকারি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, সব কলেজ ও স্কুলে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, এমআইএস অনলাইন সফটওয়্যারে প্রকাশিত বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের খসড়া তালিকার ভুল সংশোধন করে ও ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের প্রাথমিক সমাপনী ও জেএসসিতে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্যসহ বাদ যাওয়া ও নতুন শিক্ষার্থীদের তথ্য সংযোজন-বিয়োজন করে সংশোধিত চূড়ান্ত তালিকা ইমেইলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পাঠাতে বলা হয়েছে সব বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও স্কুলগুলোকে। প্রিন্ট করা সংশোধিত তালিকা প্রতিষ্ঠান প্রধান বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার স্বাক্ষর ও সিল নিয়ে তার সফটকপি ইমেইলে (dshe.stipend.fl@gmail.com) পাঠাতে হবে প্রতিষ্ঠানগুলোকে।

নির্দেশনাটি দেভতে এখানে ক্লিক করুন।
Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ছুটি না বাড়লেও রোববার থেকে কঠিন পদক্ষেপ

নিজস্ব প্রতিবেদক,৬ জুন:
করোনা সংক্রমণ দেশে শনাক্ত হবার পর থেকেই এর বিস্তার রোধে নানান পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। দেশে ৮ মার্চ প্রথম করোনা শনাক্ত হয়। এরপর ২৬ মার্চ থেকে লকডাউন শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে ৩০ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটির সঙ্গে শিথিল করা হয় লকডাউন। সীমিত পরিসরে গণপরিবহন চালুসহ খুলে দেয়া হয় সরকারি-বেসরকারি অফিস। এরপরই দেশে বাড়তে থাকে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, সঙ্গে মৃত্যুও। পরিস্থিতি সামাল দিতে সাধারণ ছুটির বাড়ানোর পরিকল্পনা আপাতত না থাকলেও রোববার থেকে ‘কঠিন পদক্ষেপ’ নিতে যাচ্ছে সরকার।

আগামীকাল রোববার থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ঢাকার কিছু স্থানে জোনিং ব্যবস্থার মাধ্যমে লকডাউন শুরু হবে। সারাদেশে পুরোদমে চালু হতে আরও কিছুটা সময় লাগবে।

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে এসব কথা জানা গেছে। এ জন্য সরকার একটি পরিকল্পনাও প্রস্তুত করেছে।

করোনা সংক্রমণ আধিক্য থাকা এলাকাকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করে তা লকডাউন করে দেবে সরকার। রেড জোনে সবাইকে ঘরে থাকতে হবে, একান্ত প্রয়োজন না থাকলে কেউ বাইরে বের হতে পারবেন না। ওই এলাকার নিত্যপ্রয়োজনীয় যেসব জিনিসের দরকার হবে তা পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হবে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, বেশি আক্রান্ত এলাকাকে রেড, অপেক্ষাকৃত কম আক্রান্ত এলাকাকে ইয়োলো ও একেবারে কম আক্রান্ত বা আক্রান্তমুক্ত এলাকাকে গ্রিন জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। রেড জোনকে লকডাউন করা হবে, ইয়োলো জোনে যেন আর সংক্রমণ না বাড়ে সেই পদক্ষেপ নেয়া হবে। সতর্কতা থাকবে গ্রিন জোনেও।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) ও করোনা সংক্রান্ত মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মো. হাবিবুর রহমান খান বলেন, ‘যে এলাকা রেড জোন ঘোষণা করা হবে, সেই এলাকা সম্পূর্ণ ব্লক রাখা হবে। সেই এলাকায় কেউ ঢুকবেও না, কেউ বেরও হবে না। ওই এলাকার নিত্যপ্রয়োজনীয় যেসব জিনিসের দরকার হবে তা পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হবে।’

আক্রান্ত রোগীকে আইসোলেশনে রাখা এবং আক্রান্ত রোগীর পরিবারকে কোয়ারেন্টাইনে রাখাও নিশ্চিত করা হবে। সর্বোচ্চ তিন সপ্তাহের জন্য লকডাউন করা হবে। রেড জোনে থাকা মানুষ যাতে বাইরে যেতে না পারে এবং বাইরের লোকজন যাতে সেখানে ঢুকতে না পারে সে জন্য প্রবেশ ও বের হওয়ার সড়কের মুখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নেবেন।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, রেড জোনে শুধু ফার্মেসি, হাসপাতাল, নিত্যপণ্যের দোকান ছাড়া সব ধরনের প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। প্রতিটি রেড জোনে স্বেচ্ছাসেবক টিম থাকবে, জনপ্রতিনিধিরা সম্পৃক্ত থাকবেন এসব টিমে। স্বেচ্ছাসেবক টিমের মাধ্যমে আক্রান্ত রোগীদের বাড়িতে খাদ্যসামগ্রী ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী পৌঁছে দেয়া ও মনিটরিংয়ের কাজ করা হবে।

রেড জোনে থাকা বাসিন্দাদের মধ্যে যাদের করোনা উপসর্গ দেখা দেবে তাদের নমুনা সংগ্রহের জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকায় থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্যবহার করা হবে। রোগী বেশি হলে একাধিক বুথ স্থাপন করা হবে। নমুনা সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয়সংখ্যক দক্ষ টেকনোলজিস্ট নিয়োগ দেয়া হবে। তাদেরও রেড জোন থেকে বের হতে দেয়া হবে না।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রতি কেন এমন নির্দেশনা?

মহাপরিচালক স্যারের নির্দেশনা কেন উপেক্ষিত?
রিয়াজ পারভেজ
৫ জুন, ২০২০:

প্রতিদিন করোনা পরিস্থিতি ক্রমাবনতিশীল। আক্রান্ত প্রতিদিন তিন হাজার ছুই ছুই। প্রাণহানি চল্লিশের কাছে।প্রতিদিন দেশের কোন না কোন প্রান্ত হতে করোনা আক্রান্ত হয়ে একাধিক শিক্ষকের মৃত্যুর সংবাদ আসছে।বিপুল সংখ্যক শিক্ষক প্রতিদিন আক্রান্ত হচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে সাময়িক পরীক্ষার প্রশ্ন করে প্রতিটি শিক্ষার্থীর বাড়ি গিয়ে অভিভাবকদের মাধ্যমে পরীক্ষা নিয়ে আবার তাদের বাসায় গিয়ে খাতা সংগ্রহ করে মূল্যায়ন করে যথা সময়ে রিপোর্ট দেয়ার জন্য প্রতিটি শিক্ষককে বাধ্য করা হচ্ছে। আমার বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা ১৭৩৫ জন। শিক্ষক প্রধান শিক্ষক সহ ১৭জন। প্রতি শিক্ষক ১০০এর অধিক শিক্ষার্থীর বাসায় যেয়ে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে কি তা আদৌ সম্ভব?
এবার আসা যাক মহাপরিচালক স্যারের নির্দেশনার বিষয়ে। কিছু শিক্ষক ইনোভেশন হিসেবে হয়তো এমন প্রস্তাব করেছেন। ডিজি স্যারের নির্দেশনামূলক চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে যে, যেখানে সম্ভব সেখানে এই প্রকৃয়া চলতে পারে। কিন্তু এখন স্যারের নির্দেশনা পাশ কাটিয়ে প্রতিটি প্রাথমিক শিক্ষককে পরীক্ষা নিতে চাপ সৃস্টি করা হচ্ছে।
এখন কথা হচ্ছে যেখানে এইচএসসি পরীক্ষার মতো এতো গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া যাচ্ছে না, সেখানে এই কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা তাও বাসায় অভিভাবকদের সহায়তায় দিয়ে কি উপকার হবে তা বোধগম্য নয়।

পরিশেষে মাঠ পর্যায়ে শিক্ষকদের এই অমানবিক সিদ্ধান্ত থেকে মুক্তি দিতে মাননীয় সচিব স্যার ও মহাপরিচালক স্যারের দৃস্টি আকর্ষণ করছি।

লেখকঃ সভাপতি (কেন্দ্রীয় কমিটি)
বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
প্রধান শিক্ষক সমিতি

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

১০৪টি প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করতে পারেনি

নিজস্ব প্রতিবেদক | ৩১ মে, ২০২০
২০২০ খ্রিষ্টাব্দের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১০৪টি প্রতিষ্ঠান থেকে কেউ পাস করতে পারনি। গতবছর শূন্যপাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ১০৭টি। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল বিশ্লেষণে এসব তথ্য উঠে এসেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্য ৪৮টি মাদরাসা রয়েছে।

আজ রোববার (৩১ মে) বেলা ১০টায় ভিডিও কনফারেন্সে মাধ্যমে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে বেলা ১১টায় ফেসবুক লাইভে এসে ফলের বিস্তারিত বিশ্লেষণ তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

২০২০ খ্রিষ্টাব্দের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গড় পাস করেছে ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ শিক্ষার্থী। গতবার এই পাসের হার ছিল ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ। চলতি বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার বেড়েছে। ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৯৮ শিক্ষার্থী চলতি বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৫ হাজার ৫৯৪ জন।

এবার মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৯৯ জন পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে পাস করেছে ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৫২৩ জন। গতবার মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল পরীক্ষার্থী ছিল ২১ লাখ ২৭ হাজার ৮১৫ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ১৭ লাখ ৪৯ হাজার ১৬৫ জন।

জানা গেছে, ৯টি সাধারণ বোর্ডে এসএসসিতে পাসের হার ৮৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ। গতবছর ৮টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের পাসের হার ছিল ৮২ দশমিক ৮০ শতাংশ। গত বছর শুধু এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৯৪ হাজার ৫৫৬ জন পরীক্ষার্থী।

মাদরাসা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার ৮২ দশমিক ৫১ শতাংশ। গতবছর দাখিলে পাসের হার ছিল ৮৩ দশমিক ০৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৬ হাজার ২৮৭ জন পরীক্ষার্থী।

এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনালে পাসের হার ৭২ দশমিক ৭০ শতাংশ। গত বছর ছিল ৭২ দশমিক ২৪ শতাংশ। জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ৪ হাজার ৭৫১ জন।

চলতি বছর ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৯৯ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। গতবছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২১ লাখ ৩৫ হাজার ৩৩৩ জন। ১৭ হাজার ৪৮২টি স্কুল থেকে ১৬ লাখ ৩৫ হাজার ২৪০ জন পরীক্ষার্থী চলতি বছরের এসএসসিতে, ৯ হাজার ১১০টি মাদরাসা থেকে ২ লাখ ৮১ হাজার ২৫৪ জন পরীক্ষার্থী দাখিলে এবং ২ হাজার ২৯২টি কারিগরি প্রতিষ্ঠান থেকে ১ লাখ ৩১ হাজার ২৮৫জন শিক্ষার্থী এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষায় অংশ নেয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

করোনায় রেকর্ড সনাক্ত।। আরো ৪০ জনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক | ৩১ মে, ২০২০
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত আরও ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশের নতুন করে আরও ২ হাজার ৫৪৫ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এখন পর্যন্ত মোট ৬৫০ জন আক্রান্ত রোগী মৃত্যুবরণ করেছেন। মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৪৭ হাজার ১৫৩ জন।

রোববার (৩১ মে) নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ১১ হাজার ৮৪৬ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। ৫২ ল্যাবের নমুনা পরীক্ষার তথ্য উপস্থাপন করা হয়।

তিনি জানান, আরও ৪০৬ জন গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়িতে ফিরেছেন। এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৯ হাজার ৭৮১ জন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ৩১ মে, ২০২০
২০২০ খ্রিষ্টাব্দের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গড় পাস করেছে ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ শিক্ষার্থী। গতবার এই পাসের হার ছিল ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ। চলতি বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার বেড়েছে। ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৯৮ শিক্ষার্থী চলতি বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৫ হাজার ৫৯৪ জন। গতবারের তুলনায় এবছর পাস ও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে।

আজ রোববার (৩১ মে) বেলা ১০টায় ভিডিও কনফারেন্সে মাধ্যমে এসএসসি ও সমমানে পরীক্ষার ফল ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় যুক্ত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ও শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। পরে শিক্ষামন্ত্রী ফলের বিস্তারিত বিশ্লেষণ সংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন।

এবার মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৯৯ জন পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে পাস করেছে ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৫২৩ জন। গতবার মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল পরীক্ষার্থী ছিল ২১ লাখ ২৭ হাজার ৮১৫ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ১৭ লাখ ৪৯ হাজার ১৬৫ জন।

জানা গেছে, ৯টি সাধারণ বোর্ডে এসএসসিতে পাসের হার ৮৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ। গতবছর ৮টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের পাসের হার ছিল ৮২ দশমিক ৮০ শতাংশ। চলতিবছর এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ২৩ হাজার ৪৯৭ জন। গত বছর শুধু এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৯৪ হাজার ৫৫৬ জন পরীক্ষার্থী।

২০২০ খ্রিষ্টাব্দের এসএসসি পরীক্ষায় ঢাকা বোর্ডে ৮২ দশমিক ৩৪ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৬ হাজার ৪৭ জন।

কুমিল্লা বোর্ডে ৮৫ দশমিক ২২ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০ হাজার ২৪৫ জন।

চট্টগ্রাম বোর্ডে ৮৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৮ জন।

রাজশাহী বোর্ডে ৯০ দশমিক ৩৭ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৬ হাজার ১৬৭ জন।

বরিশাল বোর্ডে ৭৯ দশমিক ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৪৮৩ জন।

যশোর বোর্ডে ৮৭ দশমিক ৩১ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ হাজার ৭৬৪ জন।

সিলেট বোর্ডে ৭৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ২৬৩ জন।

দিনাজপুর বোর্ডে ৮২ দশমিক ৭৩ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২ হাজার ৮৬ জন।

ময়মনসিংহ বোর্ডে ৮০ দশমিক ১৩ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ হাজার ৪৩৪ জন।

মাদরাসা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার ৮২ দশমিক ৫১ শতাংশ। গত বছর দাখিলে পাসের হার ছিল ৮৩ দশমিক ০৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৬ হাজার ২৮৭ জন পরীক্ষার্থী।

এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনালে পাসের হার ৭২ দশমিক ৭০ শতাংশ। গত বছর ছিল ৭২ দশমিক ২৪ শতাংশ। জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ৪ হাজার ৭৫১ জন।

চলতি বছর ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৯৯ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। গতবছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২১ লাখ ৩৫ হাজার ৩৩৩ জন। ১৭ হাজার ৪৮২টি স্কুল থেকে ১৬ লাখ ৩৫ হাজার ২৪০ জন পরীক্ষার্থী চলতি বছরের এসএসসিতে, ৯ হাজার ১১০টি মাদরাসা থেকে ২ লাখ ৮১ হাজার ২৫৪ জন পরীক্ষার্থী দাখিলে এবং ২ হাজার ২৯২টি কারিগরি প্রতিষ্ঠান থেকে ১ লাখ ৩১ হাজার ২৮৫জন শিক্ষার্থী এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষায় অংশ নেয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

একে একে সবই খুলছে, ঝুঁকিও বাড়ছে

ডেস্ক,২৯ মে:
করোনাভাইরাসের মহামারী ঠেকাতে দুই মাসের সাধারণ ছুটির শেষে অবরুদ্ধ অবস্থা কাটিয়ে অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি গণপরিবহনও চালু হচ্ছে।

দেশে একদিনে সর্বাধিক কোভিড-১৯ রোগী শনাক্তের দিন বৃহস্পতিবারই ঘোষণা আসে, ৩১ মে থেকে অফিস খুলবে, বাস-লঞ্চ-ট্রেন-বিমান চলবে, খুলবে পুঁজিবাজার, ব্যাংকে লেনদেন হবে আগের মতোই। দোকান-পাট তো ঈদের আগেই খুলেছিল।

ভাইরাস সংক্রমণের দিক থেকে নাজুক পরিস্থিতির মধ্যে এভাবে সব খোলার সিদ্ধান্তকে আত্মঘাতী মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। আপত্তি এসেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকেও।

তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, অর্থনীতি সচলের জন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনেই এসব খোলা হবে। ১৫ জুন পর্যন্ত পরিস্থিতি দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তবে ততদিনে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার অবস্থায় থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে বিশেষজ্ঞদের। কেননা দেশে ‘লকডাউন’ও ঠিকভাবে করা যায়নি, যে কারণে ভাইরাস এখন ৬৪ জেলায়ই ছড়িয়ে পড়েছে।

বৈশ্বিক মহামারী আকার ধারণ করা কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত প্রথম রোগী বাংলাদেশে ধরা পড়েছিল গত ৮ মার্চ। রোগীর সংখ্যা ১০০ ছাড়াতে লেগেছিল প্রায় এক মাস।

এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহের পর থেকে রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকে। এক মাসের মধ্যে ৪ মে রোগীর সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যায়, ততদিনে দোকান-পাট, কারখানা খোলার সিদ্ধান্ত এসেছিল।

এরপর রোগীর সংখ্যা বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। এর মধ্যেই ঈদযাত্রায় ছাড় দেওয়া হলে তার প্রতিক্রিয়ায় এই মহামারীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় গঠিত ‘জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটির’ সদস্য ভাইরোলজিস্ট অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেছিলেন, “তাহলে তো ভাইরাস সারা দেশে ছড়িয়ে যাবে!”

ঈদের তিন পর ২৮ মে বৃহস্পতিবার এক দিনে রেকর্ড ২ হাজার ২৯ জনের মধ্যে সংক্রমণ ধরা পড়ে, যা শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৪০ হাজার ছাড়িয়ে নেয়। এর মধ্যে মৃত্যু ঘটেছে ৫৫৯ জনের।

আর এদিনই সব কিছু খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত আসতে থাকে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ডাকঘর সঞ্চয় স্কিমে বিনিয়োগের সীমা ৩০ লাখ হতে ১০ লাখ

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৮ মে:
ডাকঘর সঞ্চয় স্কিমে বিনিয়োগের সীমা কমিয়ে দিয়েছে সরকার।

এখন থেকে একক নামে কেউ ১০ লাখ টাকার বেশি ডাকঘর সঞ্চয় স্কিমে বিনিয়োগ করতে পারবে না। এতদিন এই সীমা ছিল ৩০ লাখ টাকা।

আর যুগ্ম-নামে বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা ৬০ লাখ টাকা থেকে কমিয়ে করা হয়েছে ২০ লাখ টাকা।

সঞ্চয়পত্রের বিক্রির চাপ কমাতে গত বছরের ১ জুলাই থেকে মুনাফার উপর উৎসে করের হার ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়। একইসঙ্গে এক লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনতে টিআইএন (কর শনাক্তকরণ নম্বর) বাধ্যতামূলক করা হয়। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট না থাকলে কোনো সঞ্চয়পত্র কেনা যাবে না মর্মে শর্ত আরোপ করা হয়।

তারই ধারাবাহিকতায় গত ফেব্রুয়ারিতে ডাকঘর সঞ্চয় স্কিমের সুদের হার কমানোর ঘোষণা দেয় অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

করোনায় সাবেক যুগ্ম সচিব ইসহাক ভূইয়ার মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৮ মে:

করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন সাবেক যুগ্ম সচিব, মুক্তিযোদ্ধকালীন মুজিববাহিনীর কমান্ডার ইসহাক ভূইয়া(৭৫)।

ঢাকায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে বৃহস্পতিবার ভোরে মারা যান তিনি। তার স্ত্রীও করোনা আক্রান্ত হয়ে ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ইসহাক ভূইয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের তালশহর গ্রামের সন্তান। তার মৃত্যুর খবরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে গ্রামে।

প্রায় দু-বছর ধরে নানা রোগে ভোগছিলেন তিনি। বর্নাঢ্য জীবনের অধিকারী ইসহাক ভূইয়া সরকারী চাকুরীকালীন নাটোরের জেলা প্রশাসক ছিলেন। ছাত্রজীবনে ভৈরব হাজী আসমত মহাবিদ্যালয় ছাত্রসংসদের নির্বাচিত সহ-সভাপতি ছিলেন তিনি। চাকুরী থেকে অবসরে এসে সমাজসেবা ও রাজনীতিতে নিয়োজিত হন। গত দুটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রার্থী ছিলেন তিনি।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, দুই কন্যা সন্তানসহ অনেক আত্বীয় স্বজন রেখে গেছেন।

ইসহাক ভূইয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মাঈন উদ্দিন মঈন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ছে ১৫ জুন পর্যন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৭ মে, ২০২০
চলমান করোনা পরিস্থিতিতে সাধারণ ছুটি আর বাড়ছেনা। আগামী ৩১ মে থেকে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অফিস-আদালতে কাজ করতে হবে। তবে বয়স্ক এবং গর্ভবতী নারীরা এর আওতামুক্ত থাকবেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি ১৫ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হচ্ছে। আজ বুধবার বিকেলে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, এ সময়ে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অফিস-আদালতে কাজ করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তবে বয়স্ক এবং গর্ভবতী নারীদের অফিসে আসতে হবে না। সেইসঙ্গে গণপরিবহনও চলবেনা। স্কুল, কলেজসহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি ১৫ জুন পর্যন্ত আপাতত বাড়ানো হবে।
সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজে যোগ দেয়ার জন্য আসতে হবে উল্লেখ করে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী জানান, ইতোমধ্যেই নির্দেশনায় প্রধানমন্ত্রীর সাইন হয়েছে। কাল বৃহস্পতিবার প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। দোকানপাট সকাল ১০ টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে।

স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানকে নিজস্ব পরিবহনে কর্মীদের আনা নেয়া করতে হবে। বয়স্ক,অসুস্থ ও অন্ত:স্বত্ত্ব নারীরা কর্মক্ষেত্রে যাবেন না। গণপরিবহন,যাত্রীবাহী রেল ও নৌযান চলবে না। স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিমান চলাচল করতে পারবে। ১৫ জুন পর্যন্ত সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে,অনলাইনে ক্লাস চলবে। গণজমায়েত,সভা,সমাবেশ নিষিদ্ধ। ধর্মীয় উপাসনালয় খোলা থাকবে। এক জেলা থেকে অন্য জেলায় চলাচলে নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

‘প্লাজমা থেরাপি’ নিয়েছেন ডা. জাফরুল্লাহ, খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৭ মে, ২০২০

প্রাণঘাতী করোনায় আক্রান্ত গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর শরীরে প্লাজমা দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তার শরীরে ‘ও’ পজিটিভ রক্তের ২০০ মিলি প্লাজমা দেয়া হয় বলে গণমাধ্যমকে ডা. জাফরুল্লাহ নিজেই জানিয়েছেন।

প্লাজমা থেরাপি নেয়ার পর ভালো অনুভব করছেন বলে গণমাধ্যমকে জানান ডা. জাফরুল্লাহ। একই তথ্য দিয়ে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী সুস্থ আছেন বলে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে জানানো হয়েছে।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে আরও জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার ডায়ালাইসিস নিয়েছেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। ডায়ালাইসিসের পরই করোনা চিকিৎসার জন্য প্লাজমা থেরাপি নেন তিনি।

গত ২৫ মে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। গণ স্বাস্থ্য কেন্দ্র উদ্ভাবিত র‍্যাপিড করোনা টেস্ট কিটে তার করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়।

এ বিষয়ে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, র‌্যাপিড কিট দিয়ে টেস্ট করে আমার করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে, যা সঠিক। তাই পিসিআর টেস্ট অপ্রয়োজনীয়। অপ্রয়োজনীয় কোনো কাজই আমি করিনি। এটাও করব না।

জানা গেছে, কভিড-১৯ পজিটিভ শনাক্তের পর থেকে ধানমণ্ডিতে নিজের বাসায় একটি কক্ষে আইসোলেশনে রয়েছেন এই চিকিৎসক।

আইসোলেশনে তার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে তিনি বলেন, শরীরের তাপমাত্রা একটু বেড়েছিল। কিন্তু এখন ঠিক হয়েছে। খাওয়া-দাওয়াও ঠিকভাবে করছি।

হাসপাতালে ভর্তি হবেন কিনা প্রশ্নে তিনি বলেন, আমার হাসপাতালে যাওয়ার দরকার নাই। আমাকে হাসপাতালে ডায়ালাইসিস করতে হবে। গত ছয় বছর যাবত প্রতি সপ্তাহে তিনবার ডায়ালাইসিস নিয়ে থাকি। আর এটা বাসায় থেকে করতে পারছি। প্লাজমা থেরাপি নেয়ার আগে বাসায় আলাদা রুমে কিডনি ডায়ালাইসিস করেছি। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পরে এটা আমার প্রথম ডায়ালাইসিস। এদিকে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর করোনা শনাক্তের পর থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার খোঁজ-খবর নিয়েছেন।

এ বিষয়ে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমার খোঁজ-খবর নিয়েছেন। বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াও আমার খোঁজ-খবর নিয়েছেন। সব রাজনৈতিক দল থেকেই যোগাযোগ করা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ছুটি বাড়ছে কিনা, জানা যাবে ‍বৃহস্পতিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৭ মে, ২০২০
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবার সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে লকডাউন নিয়ে সিদ্ধান্ত জানাবেন বলে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানিয়েছেন। বুধবার সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “ঈদের আগের দিন জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী জীবন ও জীবিকার কথা বলেছেন। সেক্ষেত্রে চিন্তাভাবনা করে, সকলের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে উনি (প্রধানমন্ত্রী) একটা সিদ্ধান্ত দেবেন। আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) এই সিদ্ধান্তটা আসবে আশা করছি।”

লকডাউন নিয়ে যে সিদ্ধান্তই হোক না কেন, আগামী ৩০ মে ছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তা জানাতে হবে বলে মন্তব্য করেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, “২৯ ও ৩০ মে শুক্র-শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি, তার আগে ২৮ মে বৃহস্পতিবার। যেহেতু ৩০ মে’র আগে (লকডাউন নিয়ে) অবশ্যই একটা সিদ্ধান্ত জানাতে হবে, সেহেতু আমরা আশা করি বৃহস্পতিবারই জানতে পারব।”

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সাধারণ ছুটি ঈদ পর্যন্ত বাড়তে পারে

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১২ মে, ২০২০

করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতিতে চলমান সাধারণ ছুটি আরও এক দফা বাড়তে পারে। আগামী ১৭ থেকে ২৬ মে পর্যন্ত অর্থাৎ ঈদ পর্যন্ত ছুটি বাড়ানোর ঘোষণা আসতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

করোনার কারণে সরকার প্রথমে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করে। পরে আরও ছয় দফায় ছুটি বাড়িয়ে ১৬ মে পর্যন্ত করা হয়। কিন্তু দেশে এখনও করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির উন্নতি নেই, বরং দিন দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন, পরিস্থিতি যা, তাতে ছুটি আরও বাড়বে-এটাই স্বাভাবিক। তিনি আরও বলেন, ১৬ মে ও ঈদের ছুটির মাঝখানে কর্মদিবস মাত্র চারটি- ১৭, ১৮, ১৯, ২০ মে।

তিনি বলেন, ২১ মে শবে কদরের ছুটি। এরপর ২২ ও ২৩ মে সাপ্তাহিক ছুটি। আবার ২৪ মে (রোববার) থেকে শুরু ঈদের ছুটি। ২৫ ও ২৬ মে’ও (সোম ও মঙ্গলবার) ঈদের ছুটি থাকবে। সরকারি ছুটির তালিকায় এভাবেই নির্ধারিত আছে। তবে রমজান মাস ২৯ দিনে শেষ হলে ঈদের ছুটি থাকবে ২৩, ২৪ ও ২৫ মে (শনি, রবি ও সোম)।

তাই এবারের ছুটি আগামী ২৬ মে পর্যন্ত বর্ধিত হতে পারে বলে মনে করছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। তবে ১৬ মে’র পর ছুটি বাড়বে কি বাড়বে না কিংবা ছুটি বাড়লেও কতদিন বাড়বে সেটা প্রধানমন্ত্রীর ওপর নির্ভর করছে।

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘ছুটির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত আমরা এখনও পাইনি। দু-একদিনের মধ্যেই এটি আমরা জানতে পারব। তখনই জানা যাবে ছুটির বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সরকার।’

ইতোমধ্যে জরুরি সেবা সংশ্লিষ্ট সরকারি অফিস সীমিত পরিসরে খুলে দেয়া হয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্যবিধি মানা সাপেক্ষে দোকান, শপিংমল, কারখানা, গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিসহ অন্যান্য শিল্প ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সীমিত আকারে খুলে দেয়া হয়েছে। তবে বন্ধ রয়েছে গণপরিবহন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ ঈদের আগেই

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১১ মে, ২০২০
দের আগেই প্রকাশিত হতে পারে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল। এ জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ছুটি বাড়লেও অনলাইনে ফল প্রকাশ করা হবে। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি সূত্র ১১ মে সন্ধ্যায় দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

গতকাল ১০ মে ঢাকা শিক্ষাবোর্ড পরিদর্শনে যান মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো: মাহবুব হোসেন। তিনি ফল প্রকাশের অগ্রগতি জানতে চান। ঈদের আগেেই ফল প্রকাশ করা সম্ভব বলে সচিব জানানো হয়েছে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হক দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমকে বলেন, চলতি মাসেই ফল প্রকাশের চেষ্টা করছি আমরা। ঈদের আগে না পরে তা বলা যাচ্ছে না। তবে ফল প্রকাশের কাজ চলছে। ওএমআর শিট স্ক্যানিং চলছে কিনা এমন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা কাজ করছি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter