Home » নিউজ (page 64)

নিউজ

প্রতিটি স্কুলে মিড-ডে মিল চালুর ঘোষণা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা:  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আsakh hasinaমি বুঝি না ক্লাস ওয়ানে ভর্তি হতে শিশুকে কেন পরীক্ষা দিতে হবে? স্কুলে ভর্তি হওয়া শিশুদের অধিকার। একটি নির্দিষ্ট বয়স হয়ে গেলে শিশুরা স্কুলে ভর্তি হয়ে যাবে। তাদের ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই। এদিকে প্রত্যেকটি স্কুলে মিড-ডে মিল চালুর ঘোষণাও দেন প্রধানমন্ত্রী ।

রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনে আজ মঙ্গলবার  আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসের উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, শিশুকে যদি লিখতে পড়তে শিখেই স্কুলে ভর্তি হতে হয় তাহলে স্কুল কি পড়াবে?

দেশকে নিরক্ষরতামুক্ত ও ১৬ কোটি মানুষকে মানবসম্পদে রূপান্তরের মাধ্যমে মানবপুঁজি হিসেবে গড়ে তোলারও আহবান জানান প্রধানমন্ত্রী।

সংশ্লিষ্টদের তিনি বলেন, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা আইন-২০১৪ এর আলোকে যথাযথ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করুন, ব্যাপক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করুন। আপনাদের সকল কাজে সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের সর্বোচ্চ সমর্থন ও সহযোগিতার দ্বার অবারিত থাকবে।

দীর্ঘ ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালের সরকার পরিচালনার সময়ে আমাদের গৃহীত পদক্ষেপের ফলে সাক্ষরতার হার বেড়ে দাঁড়ায় ৬৫ শতাংশে। ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত সাক্ষরতা কর্মসূচির মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি নিরক্ষরকে সাক্ষরতা প্রদান করা হয়। ৭টি জেলাকে নিরক্ষরমুক্ত ঘোষণা করা হয়।

দেশে সাক্ষরতা বিস্তারে এ বিশাল অর্জনের সম্মানজনক স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ ‘ইউনেস্কো সাক্ষরতা পুরস্কার ১৯৯৮’ লাভ করে।

২০০৯ সালে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার পর আমরা এ কার্যক্রম আবার চালু করি।

শিক্ষার উন্নয়নে তার সরকারের সফলতা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সবার জন্য শিক্ষা’ এবং সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি)  বাস্তবায়নে আমরা অত্যন্ত সফল। দেশের ব্যাপক জনগোষ্ঠীকে মানবসম্পদে রূপান্তরিত করে মানবপুঁজিতে উন্নীত করতে পারলে উন্নয়নের গতি আরও ত্বরান্বিত হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন,  সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা এবং সবার জন্য শিক্ষার লক্ষ্য অর্জনে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী ২০১৫ সালের মধ্যে সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করার ঘোষণা থাকলেও ২০১১ সালের মধ্যে বিদ্যালয়ে গমনোপযোগী শতভাগ শিশুর বিদ্যালয়ে ভর্তি আমরা নিশ্চিত করেছি। প্রতি বছরের মতো এবারও বছরের শুরুতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে ৩২ কোটি ৬৩ লাখ ৪৭ হাজার ৯২৩টি নতুন পাঠ্যবই বিতরণ করেছি।

পাশাপাশি প্রাথমিক পর্যায়ে ছাত্র-ছাত্রীদের ঝরেপড়া রোধে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় উপবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে।  মিড-ডে মিল চালু করা হয়েছে।

পর্যায়ক্রমে প্রত্যেকটি স্কুলে মিড-ডে মিল চালুর ঘোষণাও দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, অনুন্নত জনপদ এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী অধ্যূষিত ৫২টি জেলার ১শ’ ৪৮টি উপজেলায় আমরা ১ হাজার ১শ’ ৪০ কোটি ২৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ২১ হাজার ৬শ’ ২৩টি ‘আনন্দ স্কুল’ প্রতিষ্ঠা করেছি। ফলে, হতদরিদ্র ও ঝরেপড়ার শঙ্কাগ্রস্ত শিশুর প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির নিজস্ব বর্ণমালায় পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন এবং সংশ্লিষ্ট ভাষা জ্ঞানসম্পন্ন শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আমরা দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য  ১ হাজার কোটি টাকার শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করেছি।

নিরক্ষর জনগোষ্ঠীকে সাক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন, দক্ষ মানব সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে ৪শ’ ৫২ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘বাংলাদেশ সাক্ষরতা কর্মসূচি’ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধীদের জন্য আলাদা শিক্ষা ব্যবস্থার উদ্যোগ নিয়েছি। প্রতিবন্ধীদের সক্ষমতা বিকাশে প্রতিবন্ধী স্কুল করেছি। পরীক্ষার ক্ষেত্রে তাদের আধা ঘন্টা সময় বাড়িয়ে দিয়েছি।

দিবসটি পালনের ৫০তম বর্ষপূর্তিতে এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে, ‘সাক্ষরতা আর দক্ষতা, টেকসই সমাজের মূলকথা’।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেডে বেতন নির্ধারনের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেডে গেজেটেড পদর্যাদার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতি।
বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির আহ্বায়ক রিয়াজ পারভেজ এ দাবী জানান।
তিনি বলেন, গত বছর ৯ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর এক ঘোষণার মাধ্যমে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তার পদমর্যাদায় উন্নীত করা হয়। একই সঙ্গে বেতন স্কেলও উন্নীত করা হয়।
এদিকে ১১ আগষ্ট জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক পরিপত্রে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের ২য় শ্রেণিতে উন্নীত হওয়ায় তাদের নিয়োগ এবং পদ্দোণতি পিএসসির হাতে ন্যাস্ত করা হয়।
বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির খুলনা বিভাগের আহবায়ক স্বরুপ দাস বলেন ইতিমধ্যে শ্রেণি বিলুপ্ত হওয়ায় প্রধানমন্দ্রীর ঘোষনা অনুযায়ী দ্বিতীয় শ্রেণি অর্থাৎ সদ্য ঘোষিত ১০ম গ্রেডে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বেতন নির্ধারন করতে হবে।সারা দেশে ৬৪০০০ প্রধান শিক্ষক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৯ মার্চ ২০১৪ ইং ঘোষনার বাস্তবায়ন যাতে হয় সেদিকে তাকিয়ে আছে।
তিনি আরও বলেন প্রাথমিক শিক্ষার গুনগত মান উন্নয়ন করতে হলে অবশ্যয় শিক্ষকদের যোগ্য সম্মান এবং সম্মানজনক বেতন দিতে হবে। না হলে প্রাথমিক শিক্ষায় নেমে আসবে ভয়াবহ বির্পযয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের বেতন নির্ধারন। হচ্ছে না করচপনডিং স্কেল

নিজস্ব প্রতিবেদক: সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতন নির্ধারণ বিষয়ে জেলা/উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তাদের প্রতি ডিভিশনাল কন্ট্রোলার অব একাউন্টস এর নির্দেশনামূলক পত্রটি বুধবার সকালে স্বাক্ষর হয়েছে। তাতে বলা হয়েছেগত ২৭/১১/২০১৪ইং তারিখে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ, বাস্তবায়ন অনুবিভাগ, বাস্তবায়ন অধি শাখার স্মারক নং-০৭.০০.০০০০.১৬১.৩৮.০০৫.১২-২৮০ মূলে বর্ণিত প্রধান শিক্ষকগণের উন্নীত পদমর্যাদায় (২য় শ্রেণী)’র অর্থ মন্ত্রনালয়ের সুস্পষ্ট নির্দেশনা ব্যতিত ঘোষিত বেতন স্কেলে বেতন নির্ধারণের সুযোগ নেই। শিক্ষকদের বেতন নিম্নধাপে করার জন্য বলা হয়েছে। ফলে শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবী করচপনডিং স্কেল আপাতত হচ্ছে না। তবে ২য় শ্রেণির মর্যাদাপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকগন ৪বছর পর সিলেকশন গ্রেড, ৮ ও ১২ বছর পর টাইমস্কেল প্রাপ্ত হবেন।

বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির খুলনা বিভাগের আহবায়ক বলেন ৬ সেপ্টেম্বর চিঠি আবারো প্রমান করে আমরা গেজেটেড। কারন নন গেজেটেড হলে অবশ্যয় করচপনডিং স্কেল দেওয়ার জন্য পরামর্শ দিত।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষা ভবনের সহকারি পরিচালক নাসির উদ্দিন ও কাজী নুরে আলম সিদ্দিকীকে অবশেষে বদলি

নিজস্ব প্রতিবেদক : কোটি কোটি টাকা ঘুষ খেয়ে ফুলে-ফেঁপে ওঠা 1441301283 করা হয়েছে।

গতকাল বুধবার রাতে বদলির আদেশ জারি হলেও আদেশের কপি ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়নি। তবে, তারা দুজনই বি সি এস সাধারণ শিক্ষা সমিতির বর্তমান ও সাবেক কয়েকজন নেতার আশ্রয়ে নিরাপদে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করেছেন। দুজনকেই ঢাকার বাইরের দুটি কলেজে বদলি করা হয়েছে। তবে, নাসির-নুরে আলমের কাছ থেকে কোটি কোটি ঘুষের টাকা উদ্ধার করা হয়নি। তাদেরকে নিরাপদে সরে যাওয়ায় সহায়তা করেছেন মাসুম ও বশির গংরা।

জানা যায়, মাদ্রাসা ও কলেজ শাখায় হাজার হাজার অবৈধ এমপিও করিয়ে সরকারেরও কোটি কোটি টাকা গচ্ছা দিয়েছেন এ দুই সহকারি পরিচালক। ১ বছরেরও বেশি সময় যাবত নাসির নুরে আলমে দুর্নীতি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে দৈনিকশিক্ষাডটকম। তবে, প্রতিবারই উর্ধতন কর্মকর্তারা বল্ েআসছেন নাসির-নুরে আলম সৎ ও শিক্ষা ক্যাডারের চৌকস কর্মকর্তা। যেমন বর্তমানে সাফাই গাওয়া হচ্ছে তাজিব, আফসার ও মেজবাহর পক্ষে। অথব এরা কোটি কোটি টাকা ঘুষ নিচ্ছেন পকেট ভারি করছেন অপরদিকে ভুয়া লোকদের এমপিও দিয়ে সরকারি তহবিল খালি করছেন। জাতীয়করণের কলেজগুলো পরিদর্শন করে কোটি কোটি টাকা কামাই করেছেন তাজিব।

 

এদিকে নাসির ও নুরে আলমকে সহকারি পরিচালক পদে বসানোর অপরাধে বশির ও মাসুমকেও আসামী করে সরকারি তহবিল তছরুপের মামলা করার আহবান জানিয়েছেন বেসরকারি শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ।

 

নতুন সহকারি পরিচালক হয়েছেন আরেক দুর্নীতিবাজ তাজিব উদ্দিনের সাগরেদ হাবিবুর রহমান ও অপর একজন নারী কর্মকর্তা।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাদে সৌর প্যানেল বসানোর পরিকল্পনা

এস কে দাস: indexস্কুল এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাদ ব্যবহার করে সৌরবিদ্যুত উৎপাদনের পরিকল্পনা করছে সরকার। প্রাথমিকভাবে দেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বিশ্বব্যালয়ের ছাদে সৌর প্যানেল বসানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। গ্রিড এবং অফগ্রিডের দুটি উপজেলা এবং একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পাইলট প্রকল্পের কাজ শুরু হবে শীঘ্রই। সরকারী বিনিয়োগ ছাড়াও উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে বিনিয়োগ আহ্বান করা হবে।
দেশের মোট বিদ্যুতের অন্তত ১০ ভাগ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে উৎপাদন করা হবে। এই পরিকল্পনার আওতায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রেলস্টেশন এবং বাড়ির ছাদে সৌরবিদ্যুত উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপনের আগ্রহ দেখায় বিদ্যুত বিভাগ। তাদের কাছে অনুমতি চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, প্রথমেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাদকে এ কাজে ব্যবহার করা যায়। পর্যায়ক্রমে কলেজ এবং স্কুলের ছাদে যা সম্প্রসারণ করা সম্ভব। অন্যদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপন করা যাবে। তবে এক বৈঠকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ক্রমান্বয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সংখ্যা বাড়ছে। এজন্য কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সম্প্রসারণ প্রয়োজন। তবে আগামী পাঁচ থেকে ছয় বছরের মধ্যে যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সম্প্রসারণ হবে না বলে মনে করা হচ্ছে সেখানে সৌর প্যানেল বসানো যেতে পারে।
বিদ্যুত বিভাগ সূত্র বলছে, প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাদে এক হাজার ২০০ স্কয়ারফিট জায়গা রয়েছে। এই হিসাবে বিদ্যালয়ে ১৫ কিলোওয়াটের সোলার প্যানেল বসানো সম্ভব। যতগুলো প্রাথমিক বিদ্যালয় পাওয়া যাবে ততগুলোতেই সৌর প্যানেল বসাতে চায় বিদ্যুত বিভাগ। যেসব যায়গায় গ্রিডলাইন রয়েছে সেখানের উৎপাদিত বিদ্যুত সরাসরি গ্রিডে চলে যাবে। যেখানে গ্রিড নেই সেখানের বিদ্যুত স্কুলেই ব্যবহার করবে। সরকার সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম করার চিন্তাভাবনা করছে, এর জন্য বিদ্যুতের প্রয়োজন। এছাড়া গ্রীষ্মে শ্রেণীকক্ষে বৈদ্যুতিক পাখা চালানোর জন্য বিদ্যুত প্রয়োজন। যদিও এখনও দেশের বেশিরভাগ গ্রামের সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিদ্যুত সংযোগই নেই।
বিদ্যুত বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, প্রথমেই সারাদেশে একসঙ্গে কাজ শুরু না করে গ্রিড এবং অফগ্রিডের দুটি উপজেলাকে নির্বাচন করা হবে। এর ছাদগুলোতে সৌর প্যানেল স্থাপন করা হবে। এই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সারাদেশের স্কুলগুলোতে সৌর প্যানেল স্থাপনের কাজ করা হবে।
অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে নোয়াখালী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম সৌর প্যানেল স্থাপনের জন্য প্রকল্প তৈরি করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়টি নতুন স্থাপিত হওয়ায় তাদের কিছু ভবন সম্প্রসারণ প্রয়োজন রয়েছে। তবে যেসব ভবনের কাজ শেষ তার সবগুলোর ছাদেই সৌর প্যানেল বসানো হবে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক পরিত্যক্ত জমি থাকে সেখানেও সৌর প্যানেল স্থাপন করা যায় কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিদ্যুত বিভাগ বলছে, আমরা চাচ্ছি বিশ্ববিদ্যালয়টির জন্য যে বিদ্যুত প্রয়োজন তার পুরোটাাই গ্রীন এনার্জি দিয়ে উৎপাদন করতে। এতে সারাবিশ্বে একটি উদাহরণ তৈরি হবে যে, এই বিশ্বদ্যিালয়টি গ্রীন এনার্জিতে চলছে।
সরকারের পক্ষে পাওয়ারসেল এসব কাজের সমন্বয় করছে। ইতোমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে পাওয়ারসেল বৈঠক করেছে। দুই মন্ত্রণালয়ই সৌরবিদ্যুত উৎপাদনে বিদ্যুত বিভাগের এই কার্যক্রমে উৎসাহ দেখিয়েছে।
পাওয়ারসেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন এ প্রসঙ্গে জনকণ্ঠকে বলেন, সৌরবিদ্যুত উৎপাদনের সব থেকে বড় সমস্যা হচ্ছে জমির প্রাপ্যতা। এই সঙ্কট দূর করতে সারাদেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাদগুলো আমরা ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছি। এক্ষেত্রে যত বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাদ পাওয়া যাবে তত বেশি সৌরবিদ্যুত উৎপাদন করা যাবে। দেশের মোট বিদ্যুত উৎপাদনের মধ্যে ১০ ভাগ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদন করা হবে। আর সৌরশক্তি ছাড়া আমাদের তেমন নবায়নযোগ্য জ্বালানিও নেই। এক্ষেত্রে কেউ আইপিপি ভিত্তিতে কাজ করতে চাইলেও আমরা সহায়তা করতে পারি বলে জানান তিনি।
সরকারের পরিকল্পনায় থাকা ৫০০ মেগাওয়াট সৌর প্যানেলে বিদ্যুত বিভাগ সহায়তা দেবে। তবে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় তা বাস্তবায়ন করবে। কৃষি মন্ত্রণালয় সারাদেশে ৮০ মেগাওয়াট সোলার প্যানেল স্থাপন করবে। এর মাধ্যমে সেচ প্রকল্পে বিদ্যুতের সহায়তা দেয়া হবে। সারাদেশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে সৌরচালিত সেচ পাম্প স্থাপন করা হবে। ইতোমধ্যে সোলার সেচ পাম্প জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সেচ ছাড়া অন্য সময়ে স্থানীয় গ্রিডে এখান থেকে বিদ্যুত সরবরাহ করা হতে পারে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ৫০ মেগাওয়াটের সোলার প্যানেল স্থাপন করবে। সারাদেশের কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে ছোট ছোট সৌর প্যানেল স্থাপন করা হবে। এই পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, সারাদেশের স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সোলার প্যানেল স্থাপন করা হবে। সম্মিলিতভাবে এর ক্ষমতা ধরা হয়েছে ৪০ মেগাওয়াট। এছাড়া সিটি কর্পোরেশন ৫০ মেগাওয়াট সোলার প্যানেল স্থাপন করতে পারবে বলে বিদ্যুত মন্ত্রণালয় মনে করছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে এ সংক্রান্ত প্রস্তাবও দেয়া হয়েছে। সিটি কর্পোরেশনগুলো সড়কবাতিতে সৌরবিদ্যুত ব্যবহার করবে। তবে এখানের সড়কবাতি হিসেবে যেসব উচ্চ ক্ষমতার বাল্ব ব্যবহার করা হচ্ছে তার বদলে সৌরবিদ্যুতে এলইডি বাতি জ্বালানো হবে। কম বিদ্যুত খরচের কারণেই এলইডি ব্যবহার করা হবে। রেল মন্ত্রণালয় রেলস্টেশনের ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপন করে ৫০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুত উৎপন্ন করবে। এক্ষেত্রে যেসব স্থানে রেলস্টেশন আছে কিন্তু বিদ্যুত নেই সেসব স্টেশনকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। ধর্ম মন্ত্রণালয় মসজিদ, মন্দির, গির্জার ছাদে ১০ মেগাওয়াট সোলার প্যানেল স্থাপন করবে। এছাড়া শিল্প মন্ত্রণালয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং পূর্ত মন্ত্রণালয় বিভিন্ন সরকারী ভবনের ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপন করবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শাবিতে শিবির-পুলিশ সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ৫

জেলা প্রতিনিধি: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রশিবিরের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় পুলিশের ছোঁড়া রাবার বুলেটে পাঁচ শিবির কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা ১৫ মিনিটের দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, সকাল সোয়া ৭টার দিকে ছাত্র ধর্মঘটের সমর্থনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন একাডেমিক ভবনের ক্লাস রুমে তালা ঝুলিয়ে দেয় শিবির কর্মীরা। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে মিছিল বের করে তারা। মিছিল শুরুর পরপরই পুলিশ মিছিলকে লক্ষ্য করে রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। একপর্যায়ে শিবির নেতাকর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়ে। এসময় পুলিশ প্রায় ত্রিশ রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করলে পাঁচ শিবিরকর্মী গুলিবিদ্ধ হয়।

এরপর ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ও বেশ কয়েকটি ভ্যান টহল দিতে দেখা গেছে।
প্রসঙ্গত, বিশ্বদ্যিালয় শাখা ছাত্রশিবিরের ১৪ নেতাকর্মীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে ছাত্রশিবিরের ডাকা ছাত্র ধর্মঘটের দ্বিতীয় দিন আজ।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ডিগ্রি (পাস) ও সার্টিফিকেট কোর্স পরীক্ষার সূচি সংশোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক : উপজেলা নির্বাচনের কারণে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১২ সালের ডিগ্রি পাস ও সার্টিফিকেট কোর্সের কয়েকটি বিষয়ের পরীক্ষার সূচি পরিবর্তন করা হয়েছে।

নতুন সূচি অনুযায়ী আগামী ১৫ মার্চের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২১ মার্চ, ২৩ মার্চের পরীক্ষা ২৮ মার্চ এবং ৩১ মার্চের পরীক্ষা নেয়া হবে ৪ এপ্রিল। নতুন সূচি অনুযায়ী এ কদিনের পরীক্ষা প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৮টায় শুরু হবে। পরীক্ষার অন্যান্য তারিখ ও সূচি অপরিবর্তিত থাকবে।

সংশোধিত এ সূচি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.nubd.info এবং www.nu.edu.bd এই ঠিকানায় পাওয়া যাবে।

শুক্রবার ছাড়া অন্যান্য দিন দুপুর ২টায় পরীক্ষা শুরু হবে। গতকাল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

 

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

পাবলিক পরীক্ষা ব্যবস্থা সংস্কার করা হচ্ছে

images_26022ডেস্ক রিপোর্ট : পাবলিক পরীক্ষা ব্যবস্থা সংস্কার করার উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। শ্রেণীকক্ষে পাঠদানের সময় বাঁচাতে এবং শিক্ষা বোর্ডগুলোর কাজের চাপ কমাতে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে পাবলিক পরীক্ষার সময়সূচি কমানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। আগামীতে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার সময় একদিন কিংবা সর্বোচ্চ দুই দিন ফাঁক বা গ্যাপ রাখা হবে। প্রয়োজনে একদিনে দুটি করে পরীক্ষাও নেয়ার চিন্তাভাবনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই দুই স্তর থেকে অপ্রয়োজনীয় বা কম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো (সাবজেক্ট) বাদ দেয়া কিংবা একশ নম্বর থেকে কমিয়ে ৫০ নম্বরের পরীক্ষা নেয়া যায় কিনা তা নিয়েও চিন্তাভাবনা চলছে।

আগে এসএসসি ও একাদশ শ্রেণীর এইচএসসি- এই দুটি পাবলিক পরীক্ষা নেয়া হতো। মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই দুই পরীক্ষার সঙ্গে যোগ হয়েছে পঞ্চম শ্রেণীর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী এবং অষ্টম শ্রেণীর জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট বা জেএসসি পরীক্ষা। এতে ছাত্রছাত্রীদের ঘাঁড়ে পরীক্ষার বোঝা যেমন বেড়েছে, তেমনি খাতা মূল্যায়নে নাকাল হচ্ছেন পরীক্ষকরা। কাজের চাপ বেড়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলোর। এছাড়া ঘন ঘন পাবলিক পরীক্ষার কারণে ছাত্রছাত্রীদের যেমন মানসিক চাপে থাকতে হচ্ছে, তেমনি এই সময়ে স্কুলও বন্ধ থাকছে। এতে অন্য শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা শ্রেণী কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়েই অভিভাবকরা সন্তানদের প্রাইভেট কোচিংয়ে পাঠাচ্ছে। ফলে শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ বাড়ছে।

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সম্প্রতি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বলেছেন, ‘আমাদের পাবলিক পরীক্ষা পদ্ধতি খুবই খারাপ। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হতে দেড় মাস করে সময় লাগে। এরপর আছে জেএসসি ও প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা। এসব পরীক্ষা সম্পন্ন করতে অনেক সময় লাগে’।

তিনি বলেন, ‘রাতারাতি এ পরীক্ষার পদ্ধতি পরিবর্তন সম্ভবও নয়। এরপরও বিষয়টি নিয়ে ভাবতে হবে। তাছাড়া শিক্ষকরাও অনেক ক্ষেত্রেই ক্লাসে তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী পড়ান না। অথচ একই শিক্ষক কোচিং সেন্টারে গিয়ে ক্লাসের চেয়ে ভালোভাবে পড়ান। এটা খুবই হতাশাজনক’।

এ বিষয়ে আন্ত:শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাবকমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর তাসলিমা বেগম বলেছেন, ‘চারটি পাবলিক পরীক্ষা নিতেই বছরের প্রায় ছয় মাস চলে যায়। এই সময়ে স্কুল-কলেজের শ্রেণী কার্যক্রম প্রায় বন্ধই থাকে। তাই দীর্ঘ সময়ে পরীক্ষা না নিয়ে অল্প দিনে কীভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায় সে বিষয়টি বিবেচনায় নিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি প্রস্তাবনা দিয়েছি’।

তিনি বলেন, ‘আমাদের সময় সকাল-বিকাল পরীক্ষা হতো। এখন দুই পরীক্ষার মাঝে কয়েকদিনের বন্ধ না দিলে শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা আন্দোলন শুরু করে। এতো পরীক্ষার কারণে স্কুল-কলেজগুলোতে ঠিকমতো ক্লাস নেয়া যাচ্ছে না’।

চেয়ারম্যান জানান, ‘সময়সূচি কমানোর পাশাপাশি প্রতি উপজেলায় একটি করে মাল্টিপারপাস হল প্রতিষ্ঠারও প্রস্তাব করেছি, যাতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের পরীক্ষার্থীরা এসব হলে পরীক্ষা দিতে পারে’।

এ বিষয়ে শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও মিরপুর বাঙলা স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ বদরউদ্দীন হাওলার বলেন, ‘আমরা যখন এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছি, তখন টানা পরীক্ষা নিয়ে মাত্র ১৫/২০ দিনেই সব পরীক্ষা শেষ করা হতো। রাজনৈতিক অস্থিরতাসহ নানা কারণে এখন এই পরীক্ষা শেষ করতে সময় লাগছে দুই/তিন মাস। তবে হঠাৎ করে আগের অবস্থায় গিয়ে টানা পরীক্ষা নেয়া হলে অভিভাবক ও ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হবে। বিষয়টি রাজনৈতিক ইস্যুতেও পরিণত হতে পারে’।

২০১৪ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা গত ৯ জানুয়ারি শুরু হয়েছে। এ পরীক্ষা শেষ হবে আগামী ২৭ মার্চ। এই সময়ে বড় ধরনের কোন কর্মসূচি না থাকলেও দু’পর্বে বিশ্ব এজতেমা এবং স্থানীয় নির্বাচনের কারণে এই পরীক্ষা গ্রহণে প্রায় দুই মাস সময় লাগছে। এর আগে বিএনপি-জামায়াত জোটের ঘন ঘন হরতাল ও লাগাতার অবরোধের কারণে গত বছর এসএসসি ও এইচএসসির ২৬টি বিষয়ের পরীক্ষা পেছাতে হয়েছিল। আর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও জেএসসি পরীক্ষার সময়ও ছিল একই কর্মসূচি। ধ্বংসাত্মক রাজনৈতিক কর্মসূচির কারণে অনেক স্কুল বার্ষিক পরীক্ষাও পুরোপুরি শেষ করতে পারেনি।

এছাড়াও পরীক্ষাকালীন ছুটি ছাড়াও স্কুল কলেজগুলোতে বছরে ৫২ দিন রয়েছে সাপ্তাহিক ছুটি। অন্য ছুটি রয়েছে প্রায় ৮৫ দিনের। সবমিলিয়ে বছরের আট মাস কোন না কোন কারণে স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে। এতে পুরো সিলেবাস শেষ করা দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে। শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের ছুটতে হয় কোচিংয়ের পেছনে।

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ুয়া এক ছাত্রীর অভিভাবক শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘পরীক্ষার চাপে শ্রেণী কার্যক্রম হয় না বললেই চলে। কোচিং সেন্টার আর প্রাইভেট টিউটরদের পেছনে দৌড়াতে দৌড়াতেই মেয়ে ও মেয়ের মা’র জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠছে।’

২০১৪ সালের এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ৩ এপ্রিল। চলবে ৫ জুন পর্যন্ত। এর ব্যবহারিক পরীক্ষা আগামী ৭ জুন শুরু হয়ে চলবে আগামী ১৬ জুন পর্যন্ত। এতো দীর্ঘদিন পরীক্ষা নেয়ার সময়সূচি ঘোষণার পরও সন্তুষ্ট নয় পরীক্ষার্থীরা। ওই পরীক্ষার রুটিন অনুযায়ী ২১ এপ্রিল পৌরনীতি দ্বিতীয়পত্র, ২২ এপ্রিল মনোবিজ্ঞান প্রথমপত্র, ২৩ এপ্রিল অর্থনীতি ও ২৪ এপ্রিল মনোবিজ্ঞান ২য়পত্রের পরীক্ষার সূচি থাকায় গত সপ্তাহে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করে রাজধানীর বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। তারা প্রতিটি পরীক্ষার একদিন হলেও ছুটি রাখার দাবি জানান। সংবাদ

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীত না গাইলে ব্যবস্থা

ডেস্ক রিপোর্ট : সংসদে কামাল আহমেদ মজুমদারের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে রবিবার শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, মাদ্রাসাসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীত গাওয়া না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মাদ্রাসাগুলোতে জাতীয় সংগীত গাওয়া হয় না, এটা কোথাও কোথাও হতে পারে। মাদ্রাসা, স্কুল কলেজসহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং জাতীয় সংগীত গাওয়া বাধ্যতামূলক। এছাড়া যেসব মাদ্রাসায় আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কথা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে তা তদন্ত করা হবে।

নুরুল ইসলাম নাহিত বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষাকে আরও আধুনিক ও উন্নত করতে সব ধরনের সুযোগসুবিধা দেবে সরকার। ইসলামিক চিন্তাধারায় মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিকায়ন করা হবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, নির্বাচনের সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ হামলা ও ভাঙচুরের মতো ধ্বংসাত্মক কাজে জড়িতরা দেশ ও জাতির শক্র। এ কাজে যারা জড়িত ছিল তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর কর্তৃক কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

তাজুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের সময় যে সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দুষ্কৃতিকারীরা অগ্নিসংযোগ, হামলা ও ভাঙচুর করেছে সেগুলোতে জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার করার লক্ষ্যে জরিপপূর্বক প্রাক্কলন প্রস্তুত করা হয়েছে। হাবিবুর রহমান মোল্লার লিখিত এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এসএসসি ও এইচএসসি প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা স্রেফ গুজব। সাজেশন থেকে প্রশ্ন কমন পড়ায় একটি মহল ফাঁসের গুজব ছড়ানোর অপপ্রয়াস চালাচ্ছে। তাছাড়া ফাঁসের সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter