Home » নিউজ (page 50)

নিউজ

প্যানেলভুক্ত শিক্ষকরা নিয়োগ পাচ্ছেন!

ডেস্ক: আপিল বিভাগের রায়ের আলোকে অবশেষে বেসরকারি রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে প্যানেলভুক্ত ১০ জনকে নিয়োগ দিতে মাঠ কর্মকর্তাদের চিঠি দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তাঁরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ পাচ্ছেন।
এ ছাড়া এই রায়কে ভিত্তি ধরে সারা দেশে প্যানেলভুক্ত প্রায় ২৮ হাজার প্রার্থীকেও নিয়োগ দেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে মন্ত্রণালয়। এঁদের মধ্যে কয়েক হাজার প্রার্থী রিট করলে হাইকোর্ট রিটকারীদের নিয়োগ দিতে সরকারের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন। আইন মন্ত্রণালয়ও রায়ের ভিত্তিতে সবাইকে নিয়োগ দেওয়ার পক্ষে গত মঙ্গলবার মতামত দিয়েছে।
চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েও নিয়োগ না পাওয়া প্যানেলভুক্ত প্রার্থীরা প্রায় সাড়ে তিন বছর ধরে আন্দোলন ও আইনি লড়াই করছেন।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষাসচিব হুমায়ুন খালিদ বুধবার  বলেন, যেহেতু বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষকের প্রয়োজন রয়েছে, তাই আইনগত কোনো সমস্যা না থাকলে ওই ১০ জনের রায়ের ভিত্তিতে বাকিদেরও নিয়োগের পক্ষে তিনি। এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, সম্প্রতি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি মামলায় না লড়ে সবাইকে নিয়োগ দিতে মন্ত্রণালয়ের প্রতি সুপারিশ করে। পরে মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের কাছে মতামত চায়। মঙ্গলবার আইন মন্ত্রণালয় আদালতের রায়ের আলোকে সবাইকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে মতামত দিয়েছে। এ বিষয়ে কয়েক দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
এদিকে কয়েক দিন আগে আপিল বিভাগের রায়ের আলোকে ১০ জনকে নিয়োগ দিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, নওগাঁর জেলা প্রশাসক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে লিখিত নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়। নওগাঁর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম মণ্ডল বুধবার বলেন, তাঁরা মন্ত্রণালয়ের চিঠি পেয়েছেন। এ জন্য নির্দেশনা চেয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে চিঠি দেওয়া হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, প্যানেলভুক্ত সবাইকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক চিন্তা হলেও যেহেতু এখন সব রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারি হয়ে গেছে তাই প্যানেলভুক্তদের কীভাবে, কোন বিদ্যালয়ে নিয়োগ দেওয়া হবে, সে জন্য নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সিদ্ধান্ত হতে হবে। তবে যেহেতু আদালতের রায় আছে, পদ আছে, আবার যথাযথ নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে প্যানেলভুক্ত করে নিয়োগের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, তাই নিয়োগ দিতে বাধা নেই।

যশোর মেডিকেল কলেজে ভাঙচুর

যশোর প্রতিনিধি : যশোর মেডিকেল কলেজ স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্থানান্তর ও নিয়মিত ক্লাস নেওয়ার দাবিতে প্রিন্সিপালের অফিস ও প্যাথলজি বিভাগ ভাঙচুর করেছে শিক্ষার্থীরা।  বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

কলেজের প্রধান সহকারী আব্দুস সবুর খান জানান, কিছু শিক্ষার্থী অধ্যক্ষের সঙ্গে দেখা করতে চান। তিনি অধ্যক্ষের কাছ থেকে দেখা করার অনুমতি এনে দিলে বেশ কিছু শিক্ষার্থী অধ্যক্ষের অফিস কক্ষে কথা বলতে যান।

এ সময় হঠাৎ কিছু উচ্ছৃঙ্খল শিক্ষার্থী অধ্যক্ষের অফিসের জানালা এবং আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। কিছুক্ষণ পরে প্যাথলজি বিভাগেও তারা ভাঙচুর করে। ঘটনার সময় বহিরাগতরাও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগ দিয়ে ভাঙচুর করেছে বলে জানান তিনি।

তবে একটি সূত্র জানিয়েছে, কলেজ শাখা ছাত্রলীগের দুই শীর্ষ নেতাই পঞ্চম বর্ষে অকৃতকার্য হয়েছেন। তাদের পাশ করিয়ে দেওয়ার দাবি অগ্রাহ্য হওয়ায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। তবে এই তথ্য কলেজ সংশ্লিষ্ট কোনো সূত্র নিশ্চিত করেনি।

মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. আবু হেনা মো. মাহবুবুল মওলা চৌধুরী বলেন পরীক্ষা ফল প্রকাশিত হয়েছে সবে গতকাল। কে পাশ করেছে আর কে ফেল করেছে তা এখনও অজানা। ফলে পাশ-ফেল নিয়ে কোনো ঘটনা ঘটার কথা নয়।

তিনি জানান, ভাঙচুরের ঘটনায় একাডেমিক কাউন্সিলের জুরি সভায় সাত সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রধান করা হয়েছে ডা. নিকুঞ্জবিহারী গোলদারকে।

আগামী সাত দিনের মধ্যে কমিটি তদন্ত রিপোর্ট পেশ করবে। দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কোতয়ালি থানার ওসি মো. ইলিয়াস হোসেন জানান ভাঙচুরের ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ পুলিশকে কোনো অভিযোগ জানায়নি। অভিযোগ দিলে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে।

সংখ্যালঘু পরিবারের এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ॥ ছাত্রীর স্কুল বন্ধ, বাবা নিখোঁজ

নওগাঁ, ৬ এপ্রিল ॥ মান্দায় সংখ্যালঘু পরিবারের এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনা মাটিচাপা দিতে গ্রাম্য সালিশে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে ৩ বখাটেকে ছেড়ে দিয়েছে মাতবররা। ঘটনার পর থেকে ওই পরিবারের দিন কাটছে চরম আতঙ্কে। তিন দিন ধরে স্কুলে যেতে পারছে না ওই ছাত্রী। বুধবার সকাল থেকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না তার বাবাকেও। এ অবস্থায় মা-মেয়ের দিন কাটছে চরম নিরাপত্তাহীনতায়।

ভিকটিম স্কুলছাত্রীর মা জানান, তার মেয়ে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থী। সোমবার সকাল ৯টার দিকে গ্রামের পেছনের রাস্তা দিয়ে স্কুলের উদ্দেশে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। পথে গোলাবাড়ী আমবাগানে পৌঁছলে আগে থেকেই অবস্থান নেয়া বখাটে শরিফ, আসাদুল ও ফরিদ মেয়েটিকে আটকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় তার চিৎকারে লোকজন এগিয়ে এলে বখাটেরা মাঠের ভেতর দিয়ে পালিয়ে যায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, বিষয়টি স্থানীয়ভাবে নিষ্পত্তির জন্য সোমবার সন্ধ্যায় পাকুড়িয়া ইউনাইটেড উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সালিশের আহ্বান করেন ভারশোঁ ইউনিয়নের মেম্বার সাব্বর আলী ও স্থানীয় মাতবর আব্দুস সামাদ সরদার। সেখানে উপস্থিত লোকজনের সঙ্গে বখাটেদের আত্মীয়-স্বজনের বাগ্বিত-া ও হাতাহাতির ঘটনায় সালিশ বৈঠকটি ভ-ুল হয়ে যায়।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কালীসফা গ্রামের মোবারক হোসেনের ছেলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে কালীসফা খামারবাড়িতে আবারও সালিশের আয়োজন করা হয়। তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সালিশে ভারশোঁ ইউনিয়নের সদস্য সাব্বর আলী, পাকুড়িয়া ভটভটি সমিতির সভাপতি ইসাহাক আলী, চেইন মাস্টার মমতাজ হোসেন, আব্দুস সামাদ সরদারসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে ৩ বখাটের নিকট থেকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন মাতবররা। সেই সঙ্গে প্রত্যেককে জুতাপেটা করা হয়। জরিমানার টাকা ভিকটিম পরিবারকে না দিয়ে পকেটস্থ করেন মাতবররা।

এদিকে বুধবার সকাল থেকে ওই স্কুলছাত্রীর বাবাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তার স্ত্রী জানান, সকালে কোন কিছু না খেয়েই তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। তার ব্যবহৃত মুঠোফোনটিও বন্ধ রয়েছে। ঘটনার পর থেকে তাদের হুমকির মুখে রাখা হয়েছে।

সালিশের সভাপতি তারেক রহমান জানান, বখাটেদের জুতাপেটা ও জরিমানা করে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মিটিয়ে ফেলা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ৫০ হাজার নয়, বখাটেদের নিকট থেকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। সেই টাকা এখনও তার পকেটে রয়েছে বলে স্বীকার করেন তিনি।

যশোরে এমপিও বিড়ম্বনায় শিক্ষক ॥অনৈতিক ফায়দা লোটার অভিযোগ

যশোর অফিস ॥ ১২ দিন ধরে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) বিভাগে সার্ভার সমস্য চলছে। এ কারণে যশোর জেলার শিক্ষকেরা তাদের এমপিওভুক্তির আবেদন করতে পারছেন না। এ বিয়েয়ে প্রতিদিন ভুক্তভোগী শিক্ষকরা জেলা শিক্ষা অফিসে ধরনা দিয়েও কোন সুরাহা করতে না পারায় চরম হতাশায় ভুগছেন। আগামী ১০ এপ্রিল হচ্ছে আবেদনের শেষ তারিখ।

যশোর জেলা শিক্ষা অফিসে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ভুক্তভোগী শিক্ষক জানান, তারা নিয়ম মাফিক নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে শিক্ষকতার পেশায় যোগ দিয়ে এমপিওভুক্তির আশায় দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করছেন। কারও কারও এ অপেক্ষার পালা বছর এমনকি তারও বেশি পার হয়ে গেছে। এখন এমপিওভুক্তির আবেদন করতে গিয়ে তারা পড়েছেন আর এক বিড়ম্বনায়। এমপিওভুক্তির আবেদন করতে হচ্ছে ইন্টারনেটের মাধ্যমে। কিন্তু সার্ভার সমস্যার কারণে কেউ ওই আবেদন পেশ করতে পারছেন না। শিক্ষকরা জানান, এই আবেদন করার সময় আগে ১২টি ডকুমেন্ট সংযুক্ত করতে হতো। পরবর্তীতে ২৭টি ডকুমেন্ট সংযুক্ত করার নিয়ম করা হয়। এই নিয়মটি করার দু’একদিনের মধ্যে আরও দু’টি ডকুমেন্ট বাড়িয়ে ২৯টি করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিক্ষকরা সব ডকুমেন্ট জোগাড় করে আবেদনপত্রের সাথে সংযুক্ত করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে পাঠাতে গেলে সার্ভার সমস্যার কারণে পাঠানো যাচ্ছে না। শিক্ষকরা এ বিষয় নিয়ে খুলনা ডিডিপিআই অফিসে যোগাযোগ করলে তাদের জানানো হচ্ছে সার্ভারে কাজ হচ্ছে। চেষ্টা করতে থাকুন সব ঠিক হয়ে যাবে। গত ২৫ মার্চ থেকে এ অবস্থা চললেও সার্ভার সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। অথচ আগামী ১০ এপ্রিল হচ্ছে এমপিওভুক্তির আবেদনের শেষ তারিখ।

এ বিষয়ে খুলনা বিভাগের ডিডিপিআই অফিসে যোগাযোগ করলে বিদ্যালয় পরিদর্শক নিভারাণী পাঠক জানান, উর্ধতন কর্তৃপক্ষ ১০ এপ্রিল সময় বেঁধে দিয়েছেন। সময় আর বাড়ানো হবে না। সার্ভার আপলোড করার কারণে টেকনিক্যাল সমস্যা দেখা দিয়েছে। আশা করা যায় ১০ তারিখের মধ্যেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। ভুক্তভোগী শিক্ষকরা অনেকেই অভিযোগ করেছেন, অনৈতিক ফায়দা লোটার জন্য এই টেকনিক্যাল সমস্যা ইচ্ছাকৃত সৃষ্টি করা হয়েছে।

অগ্রিম ইনক্রিমেন্ট দিয়ে সরকারী চাকুরেদের বেতন স্কেল সংশোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত অগ্রিম ইনক্রিমেন্ট দিয়ে সরকারী চাকুরেদের নতুন বেতন কাঠামো সংশোধন করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আবু তাহের স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ১ জুলাই, ২০১৫ হতে ৩০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত কোন কর্মচারী যে তারিখে বার্ষিক বর্ধিত বেতন প্রাপ্য হতেন, সেই নির্ধারিত তারিখের পরিবর্তে সকল কর্মচারী একই তারিখে অর্থাৎ ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৫ তারিখে বার্ষিক বর্ধিত বেতন প্রাপ্য হবেন।

তবে বার্ষিক বর্ধিত বেতন নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় ইতোমধ্যে যে সকল কর্মচারী ১ জুলাই ২০১৫ থেকে ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৫ তারিখ পর্যন্ত বার্ষিক বর্ধিত বেতন বাবদ যে অর্থ উত্তোলন করেছেন তাদের উত্তোলিত অর্থ ফেরত প্রদান করতে হবে না। একই সঙ্গে কোন কর্মচারী ওই সময়ের মধ্যে প্রাপ্যতা অনুযায়ী বার্ষিক বর্ধিত বেতন উত্তোলন না করে থাকেন তিনিও এই সুবিধা প্রাপ্য হবেন।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে অনুচ্ছেদ ১৭-এর উপ-অনুচ্ছেদ (৫)-এর পরিবর্তে উপ-অনুচ্ছেদ (৫) প্রতিস্থাপিত হবে। যথা, যদি স্বামী ও স্ত্রী উভয়েই কোন সরকারী বা স্বশাসিত সংস্থা, ব্যাংক, বীমা বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী হন এবং তারা একত্রে সরকারী বাসস্থানে বসবাস করেন, তাহলে তাঁদের মধ্যে যার নামে বাসস্থান বরাদ্দ রয়েছে, তিনি কোন বাড়ি ভাড়া ভাতা প্রাপ্য হবেন না। অপরজন (স্বামী বা স্ত্রী) প্রচলিত বিধান মোতাবেক পূর্ববৎ বাড়ি ভাড়া ভাতা প্রাপ্য হবেন। এটা ১ জুলাই ২০১৫ তারিখে কার্যকর করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ ডিসেম্বর থেকে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত যাদের ইনক্রিমেন্ট পাওয়ার কথা, কেবল তাদের ইনক্রিমেন্ট দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নতুন বেতন কাঠামোর গেজেটে তাদের ইনক্রিমেন্ট বাতিল করার কথা বলা হলেও এখন নতুন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে তাদের ইনক্রিমেন্ট দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আর নতুন কাঠামো অনুযায়ী, আগামী অর্থবছর থেকে ইনক্রিমেন্ট যার যেদিনই পাওয়ার কথা হোক না কেন, সবাই একসঙ্গে ১ জুলাই তারিখে পাবেন। এতে চাকরিজীবীদের মধ্যে বৈষম্য দূর হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড আর পুনর্বহাল হচ্ছে না। যদিও এই দুটি বিষয় পুনর্বহালে সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি অংশ দাবি জানিয়ে আসছিল।

জানা গেছে, সারা বছর এবং প্রতিদিনই বিপুলসংখ্যক সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারী ইনক্রিমেন্ট পেতেন। এতে সরকারী চাকরিজীবীদের বেতন ব্যয় নিয়ে সরকারের হিসাব রাখা দুরূহ হয়ে পড়ে। এই বিবেচনায় ড. ফরাসউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় বেতন ও চাকরি কমিশনের সুপারিশ ছিলÑপ্রতিবছর ১ জুলাই সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট দেয়ার। ইতোমধ্যে সচিব কমিটি ও মন্ত্রিসভাও এই প্রস্তাব অনুমোদন করে। তার পরিপ্রেক্ষিতে নতুন বেতন কাঠামোতে এই ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

1459468224_13

সিলেটে শিক্ষিকা নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন ।গ্রেফতার দাবী

সিলেট প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপ1জেলায় দুই স্কুলশিক্ষিকাকে নির্যাতন ও লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে সিলেটে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষকরা।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর চৌহাট্টাস্থ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে ‘সিলেট জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দের’ ব্যানারে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

মানববন্ধন চলাকালে সমাবেশে বক্তব্য দেন শিক্ষক নেতা  আবুল হোসেন, ওয়েছ আহমদ চৌধুরী জেসমিন সুলতানা, শামসুল আলম, প্রমথেশ দত্ত, শেফালী বেগম প্রমুখ। মানববন্ধন শেষে শিক্ষকরা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দেন।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষকদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে। গত ৩ মার্চ সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার নোয়াগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক দিপালী রাণী দাস ও মনি রাণী তালুকদারকে শ্রেণিকক্ষে পাঠদানরত অবস্থায় নির্মমভাবে নির্যাতন ও লাঞ্ছিত করে বিদ্যালয় থেকে বের করে দেওয়া হয়। এর নেতৃত্বে ছিলেন বিদ্যালয়ের সভাপতি সর্বানন্দ তালুকদার। কিন্তু জড়িতদের বিরুদ্ধে এখনো কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

শেষে শিক্ষকরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে দেশের সব শিক্ষকদের নিরাপত্তা কামনা করেন।

শিক্ষা সফরে গিয়ে জবির ছাত্রী যৌন হয়রানীর শিকার

কক্সবাজার প্রতিনিধি : কক্সবাজার জেলার টেকনাফে  জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) এক ছাত্রী  যৌন হয়রানীর শিকার হয়েছেন। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের  মাস্টার্স এর শিক্ষার্থী। আজ রোববার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটেছে।

যৌন হয়রানীহয়রানীর সাথে জড়িত মো. সাহেদ নামে এক ব্যক্তিকে আটকের পর গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। আটক ব্যক্তির বাড়ি বগুড়া জেলায়। তিনি সরকারি আজিজুল কলেজের মার্স্টাস এর শিক্ষার্থী। কয়েক জন বন্ধু নিয়ে টেকনাফে বেড়াতে গিয়ে এই ঘটনাটি ঘটিয়েছেন।

অভিযোগে জানা যায়, গত পাঁচ দিন আগে ওই ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে  শিক্ষা  সফরে আসে কক্সবাজারে।  বিভিন্ন জায়গায় বেড়ানো শেষে শনিবার টেনাফে যায়।

আজ রোববার সেখান থেকে সন্ধ্যায় ঢাকার উদ্দেশে ফেরার আগে এ ঘটনার শিকার হন।

টেকনাফ থানা পুলিশ জানিয়েছে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে বগুড়া সরকারি আজিজুল কলেজের ছাত্র সাহেদকে জবির শিক্ষার্থীরা  আটক করে। এরপর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে তাকে জিজ্ঞাসা বাদ করা হচ্ছে বলে জানায় পুলিশ।

প্রাথমিকের ৪০ হাজার প্রধান শিক্ষক হতাশাগ্রস্থ

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের প্রায় ৪০ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে। দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তার পদমর্যাদাসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়ে আসছেন তারা। এ নিয়ে দীর্ঘদিন আন্দোলন করেও কোনো সাফল্য না পেয়ে ক্ষোভ ও হতাশা  বাড়ছে তাদের মাঝে। এ প্রসঙ্গে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, শিক্ষকদের দাবির বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে কাজ চলছে। এ বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি হলেই সবাইকে জানানো হবে। শিক্ষকদের হতাশ বা ক্ষোভ প্রকাশ না করে তাদের দায়িত্বে মনোনিবেশ করা উচিত।
বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির তথ্যানুযায়ী, শিক্ষকদের পাঁচ দফা দাবি হচ্ছে প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তার পদমর্যাদা দেওয়া; বিদ্যমান একাদশ গ্রেড থেকে বেতন কাঠামো দশম গ্রেডে উন্নীত করা; সেলফ ড্রয়িং কর্মকর্তার ক্ষমতা প্রদান; নতুন নিয়োগবিধি অনুযায়ী শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতির বিধান চালু, অষ্টম পে-স্কেলে সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল পুনর্বহাল ইত্যাদি।
বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির মহাসম্পাদক সালেহা আক্তার দৈনিক বর্তমানকে জানান, প্রাথমিক শিক্ষকদের মর্যাদা বাড়ানো এবং তাদের জীবনমানের উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী দেশের বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে সরকারিকরণের ঘোষণা দেন। প্রধানমন্ত্রী একই সঙ্গে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল এক ধাপ এবং প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেল দুই ধাপ বাড়িয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদা দেওয়ারও ঘোষণা দেন। কিন্তু ওই ঘোষণা বাস্তবায়নে কালক্ষেপণ করছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

রাজধানীর বাইরের এক প্রধান শিক্ষক তাছলিমা আক্তার বলেন, প্রধানমন্ত্রী যেহেতু দ্বিতীয় শ্রেণির ঘোষণা দিয়েছেন, তাই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগসহ সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করবে পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি)। কিন্তু এখনো তা নিয়ন্ত্রণ করছে অধিদপ্তর।

পদমর্যাদা বাস্তবায়ন এবং পদোন্নতির দাবিতে গত বছর ১ অক্টোবর চেয়ার বর্জন ও ৩ থেকে ৫ অক্টোবর সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টা করে কর্মবিরতি পালন করেছেন প্রধান শিক্ষকরা। এরপর প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমানের আশ্বাসে এসব কর্মসূচি স্থগিত করেন তারা।
বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির আহ্বায়ক রিয়াজ পারভেজ জানান, প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেডে ১৬ হাজার টাকা বেতন স্কেল নির্ধারণের পাশাপাশি বৈষম্য নিরসনেরও দাবি জানানো হয়েছে। প্রধান শিক্ষক পদটি ব্লক পদ হওয়ায় বর্তমান বেতন স্কেলে টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাদ দেওয়ার কারণে প্রধান শিক্ষকরা একই পদে ও গ্রেডে থেকে চরম বেতন বৈষম্যের শিকার হবেন। এ কারণে প্রধান শিক্ষকদের মধ্যে হতাশা ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির খুলনা বিভাগীয় সম্পাদক স্বরুপ দাস জানান, ২০১৪ সালে শিক্ষা সপ্তাহের অনুষ্ঠানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদা এবং স্কেল ঘোষণা করেন। কিন্তু আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় সারা দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষদের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। আমাদের দাবির বিষয়ে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দিয়েছি। এরপর শুনছি, আমাদের নন-গেজেটেড দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদা দেওয়া হচ্ছে। আমরা দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড পদমর্যাদা চাই।
শিক্ষকদের তথ্যানুযায়ী, সারা দেশে ৬৩ হাজার ৮৬৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৪০ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পাঁচ দফা দাবি রয়েছে। বাকি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক (সহকারী শিক্ষক) থাকায় তারা এই দাবির সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করছেন না। তাদেরও দাবি আছে, সেটা হলোÑ প্রধান শিক্ষকদের এক গ্রেড নিচে বেতন স্কেল চান সহকারী শিক্ষকরা।
প্রধান শিক্ষকদের দাবির বিষয়ে নাম না প্রকাশ করার শর্তে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আমাদের সময়কে জানান, গত ৭ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের উন্নীত বেতন স্কেলে জটিলতা নিরসনের বিষয়ে অর্থ বিভাগকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি এখনো নিষ্পত্তি না হওয়ায় কোনো ঘোষণা দেওয়া যাচ্ছে না। শিক্ষকদের দাবির বিষয়ে যেহেতু মন্ত্রণালয় কাজ করছে, তাই শিক্ষকদের আন্দোলন, ক্ষোভ-হতাশা প্রকাশ না করে স্ব-স্ব কাজে মনোনিবেশ করার তাগিদ দিয়েছেন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল ওই কর্মকর্তা।
এদিকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মাহবুব আহমেদ দেশের বাইরে থাকায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদায় (দশম গ্রেড) বেতন নির্ধারণের বিষয়ে এখনই বলা যাচ্ছে না। সচিব ফিরলেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, প্রধান শিক্ষকদের গেজেটেড দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদা দেওয়ার বিষয়ে সহকারী থানা শিক্ষা কর্মকর্তারাও আপত্তি তুলেছেন। কেননা তারা দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা। প্রধান শিক্ষকদের সমান মর্যাদা দিলে প্রতিষ্ঠান তদারকিতে বাস্তব সমস্যা দেখা দিতে পারে।psc5

ট্রেনের ধাক্কায় বুয়েট শিক্ষার্থী নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক: raillineতানভির গহর তপু (২৩) নামে বুয়েটের এক শিক্ষার্থী ট্রেনের ধাক্কায় নিহত হয়েছেন। বুধবার সকাল সাড়ে ১০ টায় মগবাজার ওয়্যারলেস গেট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও মেডিকেল সূত্র জানায়, সকাল সাড়ে ১০ টায় মগবাজারের বাসা থেকে বের হয়ে তানভির ওয়্যারলেস রেল গেট পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় তিনি আহত হন। উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় বেসরকারি ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
তপু বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। তার বাবা মোহাম্মদ আলী গহর। গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার কোতোয়ালী উপজেলায়।

কলেজ শিক্ষকদের কর্মবিরতি

ঢাকা: বেতন ও পদমর্যাদা সমস্যা নিরসনের দাবিতে পূর্বঘোষণা অনুযায়ী আজ সোমবার থেকে দুই দিনের পূর্ণদিবস কর্মবিরতি শুরু করেছেন সরকারি কলেজের শিক্ষকেরা।

সরকারি কলেজ শিক্ষকদের সংগঠন বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির ডাকে সারাদেশে এই কর্মসূচি পালিত হচ্ছে বলে দাবি সংগঠনের নেতাদের।

সমিতির মহাসচিব আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকার আজ বলেন, তাঁর কাছে যে খবর আছে, তাতে আজ দেশের সব সরকারি কলেজে শিক্ষকেরা সংগঠনের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি পালন করছেন। আগামীকাল মঙ্গলবারও এই কর্মসূচি চলবে। এর মধ্যেও দাবি পূরণ না হলে আগামী ২২ জানুয়ারি সমিতির সাধারণ সভায় আরও কঠোর কর্মসূচির সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

রাজধানীর মিরপুর বাংলা কলেজের শিক্ষক ও ২৪ তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মনিরুল আলম বলেন, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে তাঁর কলেজে আজ কোনো ক্লাস হচ্ছে না।

ঢাকা কলেজে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সেখানেও আজ কোনো ক্লাস হচ্ছে না।

সাধারণত সরকারি কলেজের অধ্যাপকেরা চতুর্থ গ্রেডের কর্মকর্তা। সিলেকশন গ্রেড থাকায় এত দিন মোট অধ্যাপকদের মধ্যে ৫০ শতাংশ অধ্যাপক গ্রেড-৩-এ যেতে পারতেন। কিন্তু সিলেকশন গ্রেড বাদ দেয়ায় এখন এই পথ বন্ধ হয়ে গেছে। এ নিয়ে কয়েক মাস ধরেই আন্দোলন করছেন কলেজ শিক্ষকেরা।

জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ : ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ৪০ হাজার প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক

নিজস্ব প্রতিবেদক: অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় চল্লিশ হাজার প্রধান শিক্ষক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। শুক্রবার বিবৃতিতে বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির আহবায়ক রিয়াজ পারভেজ ও যুগ্ন আহবায়ক স্বরুপ দাস এ তথ্য জানান।
শিক্ষক নেতারা বলেন, প্রধান শিক্ষকদের বেতন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার কোনো সমাধান হয়নি। প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদা দেওয়ায় ২০১৪ সালের ৯ মার্চের পর থেকে তাদের টাইম স্কেল বন্ধ হয়ে যায়। তাছাড়া নতুন বেতন স্কেলে কোন প্রধান শিক্ষক ৬৪০০ স্কেলে আবার কেউবা ৮০০০ স্কেলে বেতন নিয়ে বৈষম্য সৃষ্টি করেছে। বিষয়টি সমাধানের জন্য নেয়া হয়নি কোন পদক্ষেপ।
তারা বলেন, দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদার পর বেতন নির্ধারণে জটিলতা দূর করাতে প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ে একাধিকবার আবেদন ও বৈঠক করা হয়েছে। কিন্তু মন্ত্রণালয়ের অনীহার কারণে সমস্যার সমাধান হয়নি। এনিয়ে দুই মন্ত্রণালয়ের কাজ চিঠি চালাচালির মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। তারা বলেন,প্রধান শিক্ষকদের গেজেটেড মর্যাদাসহ বেতন নির্ধারণের এ জটিলতা অবিলম্বে সমাধান করা না হলে বাংলাদেশ প্রাথমিক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আবারও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে।

জাল-জালিয়াতির কারণে ২ হাজার ৪’শ ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদ বাতিল

নিজস্185136freedomব প্রতিবেদক: জাল-জালিয়াতির কারণে ইতোমধ্যে ২ হাজার ৪শ’ ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদ বাতিল করা হয়েছে। আগামী ২৬ মার্চের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের নতুন তালিকা প্রকাশ করা হবে। আরো তদন্ত চলছে যারা মুক্তিযোদ্ধার নামে অসাধুতার মাধ্যমে সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নিবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী এডভোকেট আ ক ম মোজাম্মেল হক মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ সব কথা জানিয়েছেন।
মোজাম্মেল হক বলেন, জাল-জালিয়াতি বন্ধের লক্ষ্যে প্রত্যেক মুক্তিযোদ্ধাকে নতুন করে ডিজিটাল সনদ পত্র ও পরিচয় পত্র প্রদানসহ বিশেষ নাগরিকের মর্যাদা দেয়া হবে।
মন্ত্রী বলেন, দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধাদের ‘ওয়ার হিরো’ খেতাব দিয়ে বিশেষ নাগরিকের মর্যাদা দিতে হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে মুক্তিযোদ্ধা মৃত্যুর পর দেশের সব এলাকায় একই ডিজাইনের কবরে তাদের দাফন করার ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেয়া হবে। আগামী বছরের মার্চ মাস থেকে এই উদ্যোগ নেয়া হবে বলে মন্ত্রী জানান।
গত ৪৪ বছরে প্রায় ২৮ হাজার মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত হয়েছেন। দেশে বর্তমানে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার মুক্তিযোদ্ধা জীবিত রয়েছেন। এরমধ্যে ১৯৭১ সালের ভারতীয় তালিকার সাথে বাংলাদেশের তালিকা যাচাই-বাছাই করে সঠিক মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রস্তুত করা হবে। হাইকোর্টে একটি মামলার কারণে তালিকা ছুড়ান্তকরণের কাজ বিঘিœত হচ্ছে বলে মন্ত্রী মন্তব্য করেন।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযোদ্ধার নামে আগে বীর মুক্তিযোদ্ধা লিখার জন্য আইন প্রণয়ন করা হবে। এছাড়া,দেশের প্রতিটি এলাকায় যেখানে সম্মুখ যুদ্ধ ও গণকবর রয়েছে সেখানে স্মৃতি সৌধের পাশাপাশি স্বাধীনতা বিরোধীদের ঘৃণা জানাতে ঘৃণা স্তম্ভ তৈরি করা হবে।
তিনি বলেন, দেশের সব জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আবাসিক পল্লী তেরি করার জন্য বিশেষ কর্মসূচি ও প্রকল্প হাতে নেয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য প্রায় ১৫০ কোটি টাকার একটি আবাসিক প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৬৪ টি জেলায় এবং ৩শ’২২টি উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নিজস্ব কমপ্লেক্সে তৈরির কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।
তিনি বলেন, আগামী বছর থেকে সকল মুক্তিযোদ্ধা ১০ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন। সকল মুক্তিযোদ্ধার চিকিৎসা সেবা ফ্রি করা হচ্ছে। সন্তানদের উচ্চ শিক্ষায় ফ্রি সুবিধা দেয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়েও মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য বিশেষ ফ্রি কোটা ব্যবস্থা চালু হয়েছে। আগামীতে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য সকল ক্ষেত্রে বিশেষ সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হবে বলে তিন উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, পাঠ্য পুস্তকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস লেখার পাশাপাশি স্বাধীনতা বিরোধীদের ভূমিকাসহ রাজাকার আলবদর আল শামসের নামও প্রকাশ করা হবে। রাজাকারের তালিকা প্রস্তুতের জন্য শিগগিরই তথ্য সংগ্রহ করে চুড়ান্ত করা হবে। তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শেষে তাদের সকল সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হবে। তিনি বলেন, দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় সংঙ্গীত ও জাতীয় পতাকার প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর বিষয়টি বাধ্যতামূলক করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বিশেষ সুযোগ-সুবিধা দেয়ার জন্য সব সময়ই মন্ত্রণালয়কে উদ্যোগ নেয়ার জন্য তাগিদ দেন বলে মন্ত্রী জানান।
তিনি বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিশু পার্কটি পাশের রমনা উদ্যানে স্থানান্তর করা হবে। বাংলাদেশের স্বাধিকার আন্দোলনের স্মৃতি বিজড়িত মহান স্বাধীনতা স্তম্ভকে আন্তর্জাতিক মানের স্মৃতিস্তম্ভ হিসেবে তৈরি করার লক্ষ্যে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ।
আ ক ম মোজাম্মেল হক ১৯৭১ সালের ঊনিশে মার্চ প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ যুদ্ধের জয়দেবপুরে নেতৃত্ব দেন এবং বিজয় দিবসের একদিন আগে ১৪ ও ১৫ ডিসেম্বর জয়দেবপুরের মালেকের বাড়ি এলাকায় প্রচন্ড যুদ্ধেঅংশ নেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের আগে তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে ৬দফা আন্দোলনসহ বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে বিরাট ভূমিকা রাখেন। তিনি সেই সময় সংগ্রাম কমিটির জয়দেবপুরের আহবায়ক হিসেবে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ঊনিশে মার্চ প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ যুদ্ধ গড়ে তুলেন। – See more at: http://www.kalerkantho.com/online/national/2015/12/17/302928#sthash.XYSMcXvV.dpuf

বেতন-পেনশন নিরূপণে অনলাইন পদ্ধতির উদ্বোধন

ঢাকা: সরmuhidকারি কর্মচারীদের বেতন ও পেনশন নিরূপণে অনলাইন পদ্ধতির প্রবর্তন করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। এ পদ্ধতির মাধ্যমে ১১ লাখ সরকারি কর্মচারী নিজেই অনলাইনে অষ্টম বেতন কাঠামোয় নিজের বেতন ও পেনশন কত দাঁড়াল, তা নিরূপণ করতে পারবেন। পাশাপাশি অনলাইন ব্যাংকিং সুবিধা নিয়ে অফিস বা ঘরে বসে বেতন-ভাতা তুলতে পারবেন।

আজ সচিবালয়ে এ পদ্ধতির উদ্বোধন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেন, ‘প্রশাসনিক ব্যবস্থার ২৬৮ বছর পর আমরা একটি নতুন পদ্ধতিতে প্রবেশ করলাম। এতদিন কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নিরূপণ ও ওঠাতে গিয়ে যে বিড়ম্বনা পোহাতে হতো, আজ তার অবসান হলো।’

অর্থ মন্ত্রণালয়ের এ পদ্ধতিতে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে মোবাইল ফোনের নম্বর লিখলেই ব্যাংকের হিসাব নম্বরের সব তথ্য চলে আসেবে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. সফিউল আলম, অর্থ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মাহবুব আহমেদ, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব আবদুল মালেক।

দুই কিস্তিতে মিলবে পাঁচ মাসের বকেয়া

সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫-এর গেজেট জারি করেছে সরকার। তাতে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সর্বনিম্ন ২০ নম্বর গ্রেডে মূল বেতন ৮,২৫০ টাকা ও সর্বোচ্চ এক নম্বর গ্রেডে ৭৮,০০০ (নির্ধারিত) টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত গেজেট ছাপানোর কাজ চলছিল। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মো. শাহেদুর রহমান গতকাল বিকেলে  বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় সরকারি আদেশ জারির পর ওই দিনই তা বই আকারে ছাপানোর জন্য বিজি প্রেসে পাঠানো হয়েছে।

গেজেট জারি হওয়ায় চলতি ডিসেম্বর মাসের বেতন জানুয়ারিতে নতুন কাঠামো অনুযায়ী পাবেন চাকরিজীবীরা। গত ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে এই বেতন কাঠামো। ফলে গত জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত পাঁচ মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। এই বকেয়া বেতন দেওয়া হবে দুই ধাপে। ডিসেম্বরের বেতন জানুয়ারিতে দেওয়ার সময়ই মিলবে জুলাই আর আগস্ট মাসের বকেয়া বেতন। আর সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর—এই তিন মাসের বকেয়া পাওয়া যাবে জানুয়ারি মাসের বেতন ফেব্রুয়ারিতে পাওয়ার সময়। একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ বকেয়া অর্থের সংস্থানের ঝামেলা মেটাতে সরকার দুই ধাপে তা পরিশোধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, আইন মন্ত্রণালয় থেকে নতুন কাঠামোর সরকারি আদেশ জারি হয়েছে ১৪ ডিসেম্বর। পরে তা বিজি প্রেসে পাঠানো হয়েছে। ফলে গত ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে যাঁরা টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেডসহ আগের বেতন কাঠামোর বিভিন্ন সুবিধা ভোগ করছেন, সেগুলো সব বহাল থাকবে। তবে নতুন করে টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড আর পাবেন না কেউই।

জারি করা আদেশে ক্যাডার ও নন-ক্যাডার কর্মকর্তাদের যোগদানের ক্ষেত্রে কিছুটা বৈষম্য থাকছে। ক্যাডার কর্মকর্তারা এখন থেকে অষ্টম গ্রেডে যোগদান করবেন। আর নন-ক্যাডাররা করবেন নবম গ্রেডে। এত দিন উভয় শ্রেণির কর্মকর্তারা নবম গ্রেডে যোগ দিতেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা অষ্টম গ্রেডে যোগ দেবেন। সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল বাতিল হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা যে সুবিধা পেতেন, তা হিসাব করে নির্দিষ্ট বছর পর পর পদোন্নতির প্রক্রিয়া নির্ধারণ ও প্রয়োজনে পদ সৃষ্টি করবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। তবে চিকিৎসকদের একই দাবি থাকলেও সে ব্যাপারে কোনো সুরাহা নেই নতুন বেতন কাঠামোতে।

জারি হওয়া আদেশে বলা হয়েছে, স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় যাঁদের পদোন্নতি হবে না, তাঁরা প্রথম ১০ বছর পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেতন কাঠামোর ওপরের গ্রেডে পৌঁছাবেন। আর পরেরবার ওপরের গ্রেড পাবেন আরো ছয় বছর পর। নিম্ন গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদোন্নতির সুযোগ কম থাকায় তাঁদের জন্য প্রযোজ্য সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল বাদ দিয়ে এ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

বেতন কাঠামোর আদেশে চলতি অর্থবছরের বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি সুবিধা (ইনক্রিমেন্ট) সবার ক্ষেত্রেই বাতিল করা হয়েছে। আগামী অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে প্রতিবছর একই দিনে সব কর্মকর্তা-কর্মচারী ইনক্রিমেন্ট পাবেন।

দামুড়হুদায় কারিকুলাম বিষয়ক প্রশিক্ষন সমাপ্ত

দামুড়হুদা অফিস: দামুড়হুদা উপজেলার উপজেলা রিসোর্স সেন্টার(ইউআরসি)এর উদ্দৌগে ১০ দিন ব্যাপি কারিকুলাম বিষয়ক প্রশিক্ষনের সমাপ্ত হয়েছে। গতকাল সোমবার বিকালে প্রশিক্ষনের সমাপ্তি ঘোষনা করেন উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের (ইউআরসি) ইন্সট্রাক্টর জামান হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী ইন্সট্রাক্টর নুরুজ্জামান, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার আবু তালেব। অনান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধান শিক্ষক সমিতির উপজেলা সভাপতি আলাউদ্দিন, সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাস, সহ সম্পাদক কুতুব উদ্দিন,সিরাজুল ইসলাম, আরতি হালসানা, সাঈদ,সাহাবুদ্দিন, লতিফা খানম, রীনা খাতুন, নাসিমা খাতুনসহ ৩০ জন প্রধান শিক্ষক।

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter