নিউজ

কোটাব্যবস্থা পরীক্ষা-নিরীক্ষার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

এস দাস : জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে বর্তমান কোটাব্যবস্থা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনির্ধারিত আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশ দেন।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বৈঠকটি হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করেন।

কোটব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে বেশ কিছুদিন ধরেই আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীরা। সর্বশেষ রোববার তারা কোটা সংস্কারের দাবিতে শাহবাগের সড়ক অবরোধ করে রাখেন। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন আন্দোলনকারীরা। গভীর রাত পর্যন্ত এই সংঘর্ষ চলে।

কোটা সংস্কারের বিষয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না- জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘কোটা নিয়ে আসলে তো কোনো সমস্যা নেই। এখন যে কোটাব্যবস্থা এক্সিসটিং (বহাল) রয়েছে সেখানে মেধা কোটা ৪৫ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ, নারী কোটা ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কোটা ৫ শতাংশ, ক্ষেত্রবিশেষে জেলা কোটা ১০ শতাংশ, ক্ষেত্রবিশেষে প্রতিবন্ধী কোটা ১ শতাংশ।’

তিনি বলেন, ‘মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত দিয়েছিল, মুক্তিযোদ্ধা বা অন্যান্য কোটাগুলো যদি পূরণ করা সম্ভব না হয় তবে তা মেধাতালিকার শীর্ষে অবস্থানকারী প্রার্থীদের দিয়ে পূরণ করতে হবে। সেটা পূরণ করা হয়েছে।’

৩৩তম বিসিএসে মেধাকোটায় পূর্ণ হয়েছে ৭৭ দশমিক ৪০ শতাংশ, ৩৫তম বিসিএসে ৬৭ দশমিক ৪৯ শতাংশ মেধা তালিকা থেকে এসেছে। ৩৬তম বিসিএসে ৭০ দশমিক ৩৮ শতাংশ মেধাকোটায় নিয়োগ পেয়েছেন বলেও জানান শফিউল আলম।

তিনি বলেন, ‘কোটার মাধ্যমে মেধা অবহেলিত হয়নি। কোটার ক্ষেত্রেও যারা মেধাতালিকায় ভালো তারা আসছেন। এমন না যে মেধাতালিকায় যারা আছেন তারা অবহেলিত আছেন, পেছনে পড়ে যাচ্ছেন। কোটার দ্বারা কারও মেধা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।’

বিভিন্ন কোটায় প্রার্থী পাওয়া যায় না, তাহলে কোটা সংস্কারে সমস্যা কোথায় জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘যেটা মোডিফাই করা হয়েছে অর্থাৎ পদ পাওয়া না গেলে মেধাতালিকার শীর্ষে যারা আছেন তাদের দিয়ে পূরণ করা হবে। এটাই তো একটা সংস্কার।’

‘কোটা হচ্ছে একটা সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। এর মাধ্যমে অনগ্রসর যারা আছেন তাদের সামনে আনা হয়।’

মন্ত্রিসভার বৈঠকে কোটার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত বা নির্দেশনা দেয়া হয়েছে কি না- জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘যা আলোচনা হয়েছে তা জানিয়েছি তো। কোটার কারণে যারা মেধাবী তারা খুব বেশি বঞ্চিত হয়নি। আপনাদের তো তিনটা বিসিএসের রেজাল্ট দিয়ে দিলাম।’

কোটায় প্রার্থী পাওয়া না গেলে মেধাতালিকা থেকে তা পূরণের সিদ্ধান্ত মন্ত্রিসভা দিলেও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত ব্যাখ্যায় জানিয়েছে, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদের ক্ষেত্রে কোনো কোটা পূরণ না হলে অন্যান্য কোটা দিয়ে পূরণ করতে হবে। এ জন্য আন্দোলন হচ্ছে।

এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আদেশটি আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখব।’

কোট সংস্কারের বিষয়ে আজকের মন্ত্রিসভা বৈঠকে কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে শফিউল আলম বলেন, ‘না আজকে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এটা পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিষয় আছে। অনির্ধারিত আলোচনা তো এরকম কিছু হয়ই। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় হলো এটার স্টেক হোল্ডার। তারা এটা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখবে। দেখে অবহিত করবে।’

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে পরীক্ষার-নিরীক্ষার জন্য প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এ ক্ষেত্রে তিনি কোনো নির্দেশনা দিয়েছেন কি না- জানতে চাইলে শফিউল আলম বলেন, ‘ইনফরমাল আলোচনা তো, ইনফরমালভাবেই….ধরেন….।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কোটা সংস্কার নিয়ে যা বললেন ফারুকী

ডেস্ক রিপোর্ট: সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে মন্তব্য করেছেন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

কোটা সংস্কারের পক্ষে রোববার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন এই নির্মাতা। তিনি বলেন, সরকারি চাকরিতে নিয়োগ হওয়া উচিত মেধার ভিত্তিতে।

স্টাটাসে ফারুকী লিখেন, ‘অনেকগুলা চিঠি আসছে। কোটা সংস্কার আন্দোলন বিষয়ে। আমি জানি কখনো কখনো নীরবতা অপরাধের শামিল।’

‘বেশ কয় বছর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে কথা বলতে হয়েছিল। আরেফিন স্যারও (তৎকালীন উপাচার্য ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক) ওই অনুষ্ঠানে ছিলেন। সেখানে কথা প্রসঙ্গে মেধাবী শিক্ষার্থীদের সরকারি চাকরিতে আকৃষ্ট করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কথা বলেছি। কারণ সরকারি চাকরিতে যদি মেধাশূন্যতা তৈরি হয়, তাহলে ভবিষ্যতে পলিসি নিয়ে আলোচনা এবং সময়োপযোগী পলিসি নির্ধারণে আমরা নিদারুণ ব্যর্থ হব।’

আলোচিত এই নির্মাতা আরও লিখেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ের কোটাবিষয়ক আলোচনা দেখে সেই কথাটা আবার মনে পড়লো। মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের শ্রেষ্ঠ সন্তান। তাদের নানান সুযোগ-সুবিধা দেয়ার পক্ষে আমি। বাড়ি দেন, চিকিৎসা সেবা দেন, ভালো ভাতা দেন।’

‘কিন্তু সরকারি চাকরিতে নিয়োগ হওয়া উচিত মেধার ভিত্তিতে। এই বক্তব্যের সঙ্গে আমি একমত। তবে অতি উৎসাহীদের কাছ থেকে সাবধান থাকা উচিত এই আন্দোলনে শামিল ভাইবোনদের। মেধাভিত্তিক নিয়োগের দাবির মধ্যে কেউ যেন এমন অপ্রয়োজনীয় কিছু না বলেন, যাতে মনে হয় ‘মুক্তিযোদ্ধাদের’ ব্যাপারে কোনো অ্যালার্জি আছে।’

সবশেষে এই নির্মাতা লিখেন, ‘আমি আশা করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কোটার ব্যাপারটা একটা যৌক্তিক জায়গায় নিয়ে আসবেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যথাযথ সংস্কার করা হবে: ফখরুল

শাহানুজ্জামান টিটু  ও শিমুল মাহমুদ : বিএনপি’র ভিশন-২০৩০-এ  ‘মেধার মূল্যায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যথাযথ সংস্কার, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, নারী ও প্রান্তিক জাতি-গোষ্ঠীর কোটা ব্যতিরেকে বাকি কোটা পদ্ধতি বাতিল করা হবে হবে জানিয়েছে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ইসলাম আলমগীর।

সোমবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনের সাথে আমরা একমত। মেধার  মূল্যায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সংস্কার করা হবে।

তিনি বলেন, আন্দোলনে  যে কোটার বিষয়টি মূল প্রতিপাদ্য সে সম্পর্কে এদেশের প্রায় চার কোটি শিক্ষিত যুবসমাজের জীবন-জীবিকার প্রশ্নটি জড়িত। এ সমন্ধে বিএনপি’র নীতি নির্ধারণী কমিটি সম্পূর্ণ অবহিত এবং বিষয়টি নিয়ে তারা উৎকন্ঠিত।

বিএনপির এই নেতা বলেন, গণতন্ত্রের নিয়ম-পদ্ধতির প্রতি এই সরকারের কোন শ্রদ্ধাবোধ নেই, যা গত প্রায় এক দশকে বর্তমান সরকার বারবার তাদের কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রমান করেছে। যার ফলশ্রুতিতে বর্তমান শাসকদের দেশ পরিচালনায় অন্যায়-অবিচারের শিকার হয়েছে দেশের জনগণ, বিশেষ করে এদেশের মেধাবী ও শিক্ষিত তরুণ সমাজ। এই অবিচারের অবসান ঘটাতে বিএনপি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

তিনি বলেন,  বর্তমান সরকার সমবেত মানুষের আওয়াজ শুনলেই শিহরিত হয়। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে জনগণের চাহিদা ও দাবিকে তারা সবসময় পাশ কাটিয়ে কেবলমাত্র আওয়ামী চেতনার মানুষদের সংকীর্ণ স্বার্থে কাজ করে গেছে।

মির্জা ফখরুল আরো বলেন, গতকাল চাকুরী প্রার্থী ও ছাত্র-ছাত্রীদের যৌক্তিক দাবী আদায়ের আন্দোলনে বিনা উস্কানিতে পুলিশের বর্বরোচিত আক্রমণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি, যারা গুরুতর আহত হয়েছেন তাদের আশু সুস্থতা কামনা করছি এবং আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী যাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে অবিলম্বে তাদের নিঃশর্ত মুক্তির জোর  দাবী জানাচ্ছি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সদ্য জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত সহকারি শিক্ষকদের চাকুরী রাজস্বখাতে আত্নীকরণে হাইকোর্টের রুল।

ডেস্ক,৯ এপ্রিল: খুলনা জেলার বিভিন্ন উপজেলার সদ্য জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত ১৯ জন সহকারি শিক্ষকগনের চাকুরী রাজস্বখাতে নিয়োগ/আত্নীকরণের নির্দেশনা চেয়ে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে একটি রীট পিটিশন দায়ের করেন। রীটকারীদের পক্ষে রীট পিটিশনটি শুনানী করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সিদ্দিক উল্লাহ্ মিয়া।

গতকাল ০৮/০৪/২০১৮ ইং তারিখে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের মাননীয় বিচারপতি নাঈমা হায়দার এবং মাননীয় বিচারপতি জাফর আহম্মেদ এর সমন্বয়ে গঠিত দ্বৈত বেঞ্চ এ রীট পিটিশনের প্রাথমিক শুনানী শেষে রীটকারী কর্মরত শিক্ষকগনের চাকুরি রাজস্বখাতে নিয়োগ/আত্রীকরনের ব্যর্থতা কেন অবৈধ ঘোষনা করা হবেনা এবং একই সাথে কেন উক্ত শিক্ষকগনের চাকুরি রাজস্বখাতে আতœীকরনের নির্দেশনা দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে বিবাদীগণের প্রতি ৪ সপ্তাহের রুলনিশি জারী করেন মহামান্য হাইকোর্টের এই দ্বৈত বেঞ্চ।

প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ৭ জনকে বিবাদী করা হয়েছে। রীটকারীদের পক্ষে শুনানী করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সিদ্দিক উল্লাহ মিয়া ও রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন, ডেপুটি এর্টনি জেনারেল মোখলেছুর রহমান।

অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, রীট আবেদনকারী ১৯ জনকে খুলনা জেলার বিভিন্ন উপজেলার বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে (সদ্য জাতীয়করণকৃত) সহকারি শিক্ষক পদে নিয়োগ প্রদান করা হয়। সম্প্রতি ২০১৩ সালে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহ অন্যান্য সকল রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের ঘোষনা দেওয়া হয়। উক্ত নির্দেশনা অনুসারে রীট আবেদনকারীদের বিদ্যালয়গুলো জাতীয়করণ করা হয় ও পরবর্তীতে সময়ে রীট আবেদনকারীদের সহকর্মী শিক্ষকদেরকে রাজস্বখাতে নিয়োগ/আতœীকরণ করা হয় কিন্তুু রীট আবেদনকারীদের নিয়োগ/আতœীকরণ করা হয়নাই। বিধি অনুসারে রাজস্বখাতে নিয়োগ/আতœীকরণ সকল শর্ত পূরন করা হলেও তাদের নিয়োগ/আতœীকরণ করা হয়নি। অবশেষে রীটকারীগন প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করা হলেও তাদের আতœীকরণ করা হলে জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বাদ পড়া কর্মরত ১৯ জন সহকারি শিক্ষক চাকুরী রাজস্বখাতে নিয়োগ/আতœীকরণের নির্দেশনা চেয়ে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে এই রীট পিটিশন দায়ের করেন । রীটকারীগণ হলেন খুলনা জেলার জেলার বায়রা উপজেলার নূরনাস আকতার, সামসুন নাহার, হোসনেয়ারা আকতার, মেহজাবিন ইসলাম সোনাডাঙ্গা উপজেলার রিনজিন খাতুন সহ সর্বমোট ১৯ জন সহকারি শিক্ষক ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বেসরকারী স্কুল-কলেজে শূণ্য পদে দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ করা হোক।

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ মামলার কারণে স্কুল-কলেজে শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া বন্ধ রাখার খবর উদ্বেগজনক। রোববার সমকালে ‘বরিশাল বিভাগের স্কুল-সহস্রাধিক শিক্ষক পদ শূন্য’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়, শিক্ষক নিয়োগ এক বছর ধরে স্থগিত।

কারণ হিসেবে বলা হয়েছে- বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষএনটিআরসিএর একটি পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ একটি পক্ষের মামলা। এনটিআরসিএ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নিয়োগের দায়িত্বপ্রাপ্ত।

তারা ১২তম ব্যাচে নিবন্ধনধারীদের মেধাক্রমে নিয়োগ দিতে পদক্ষেপ গ্রহণ করলে এর আগে নিবন্ধনধারী এক দল নিজেদের বঞ্চিত মনে করে এবং উচ্চ আদালতে রিট করে। এ কারণে পদ খালি থাকলেও নিয়োগ প্রদান করা হচ্ছে না।

কেবল বরিশাল বিভাগেই শরীরচর্চা বিষয়ে ২২০টি পদ শূন্য। গণিত, সাধারণ বিজ্ঞান, তথ্যপ্রযুক্তি, রসায়ন, পদার্থবিদ্যা প্রভৃতি বিষয়েও পদ শূন্য রয়েছে।

প্রতিবেদনে বরিশাল বিভাগের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এনটিআরসিএ যেহেতু গোটা দেশের শিক্ষক নিয়োগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা, তাই ধরে নিতে পারি যে, বাংলাদেশের সব বেসরকারি স্কুল-কলেজে একই ধরনের সমস্যা বিদ্যমান। অর্থাৎ সর্বত্রই পদ শূন্য। এটা শুভলক্ষণ যে, বাংলাদেশে শিক্ষার ব্যাপক প্রসার ঘটছে।

প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে রাজধানী ঢাকাসহ সর্বত্রই এমনকি হতদরিদ্র পরিবারগুলোর সন্তানরাও শিক্ষার আলোয় আলোকিত হতে চাইছে। এর পেছনে সরকারের বিভিন্ন ধরনের প্রণোদনাপূর্ণ কর্মসূচির অবদান অনস্বীকার্য। এখন বড় চ্যালেঞ্জ শিক্ষার মান বাড়ানো। এ জন্য প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে চাই দক্ষ ও যোগ্য শিক্ষক।

যেহেতু সংশ্নিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিবন্ধন পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগের জন্য শিক্ষকদের তালিকা প্রস্তুত করছে, তাই কোনো প্রতিষ্ঠানে পদ শূন্য হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নতুন কাউকে নিয়োগ প্রদানে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। কোনো কারণে কোনো ব্যক্তি কিংবা একসঙ্গে অনেকে সংক্ষুব্ধ হলে আদালতে কিংবা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিকার চাইতেই পারে।

মামলার রায় ইতিমধ্য‌ে প্রকাশ হয়েছে। তাই এর দ্রুত নিষ্পত্তি করা বাঞ্ছনীয়। পাঠদান হোক বা না হোক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ম অনুযায়ী ছাত্রছাত্রীরা এক শ্রেণির পড়াশোনা শেষ করে অন্য শ্রেণিতে ওঠার জন্য পরীক্ষা দিচ্ছে। তাদের বেশিরভাগ পাস করছে। কিন্তু শিক্ষক না থাকায় শিক্ষায় ঘাটতি থেকে যাচ্ছে। এ দায় তো গুরুতর। ছাত্রছাত্রীদের এ ক্ষতি কে পূরণ করবে? আমরা মনে করি, পাঠদানের ক্ষেত্রে একদিনের ক্ষতিও অপূরণীয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্নিষ্টরা দ্রুত শিক্ষক পদে নিয়োগের বাধা দূর করায় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে- এটাই প্রত্যাশা।

সূত্র :দৈনিক সমকাল।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কোটা সংস্কারের দাবিতে শাহবাগ মোড় অবরোধ

অনলাইন রিপোর্টার ॥ সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে পূর্ব ঘোষিত পদযাত্রা কর্মসূচিতে অংশ নিতে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরুদ্ধ করে রেখেছে আন্দোলনকারী সাধারণ শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রত্যাশীরা। রবিবার দুপুর ৩টা ৫ মিনিটে শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেয় তারা।

 

বর্তমানে শাহবাগ এলাকায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। অচল হয়ে পড়েছে শাহবাগ। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। হাজার হাজার শিক্ষার্থীর স্লোগানে প্রকম্পিত শাহবাগ।

 

এর আগে দুপুর দেড়টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে মিছিলে মিছিলে কর্মসূচিস্থলে আসতে শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি কোটা বিলুপ্ত নয়, যৌক্তিক সংস্কার।

 

মিছিল থেকে স্লোগান দেয়া হচ্ছে- ‘বঙ্গবন্ধুর বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘শেখ হাসিনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই,’ ‘আমাদের দাবি আমাদের দাবি, মানতে হবে মেনে নাও,’ ‘কোটা দিয়ে কামলা নয়, মেধা দিয়ে আমলা চাই,’ ‘১০% এর বেশি কোটা নয়।’

 

আন্দোলনকারীরা ঢাকা বিবিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শাহজাহান মিয়া বলেন, আমাদের দাবি যৌক্তিক। আমরা চাই সরকার আমাদের যৌক্তিক দাবি মেনে নেবে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে হলে কোটার সংস্কার করতে হবে। আমরা অহিংস আন্দোলনের মাধ্যমে আমাদের দাবি আদায় করব।

 

কোটা পদ্ধতির সংস্কারের দাবিতে বেশ কিছুদিন ধরে আন্দোলন চলছে। ওই আন্দোলনের অংশ হিসেবে ১৪ মার্চ ৫ দফা দাবি নিয়ে স্মারকলিপি দিতে সচিবালয় অভিমুখে যেতে চাইলে পুলিশি ধরপাকড় ও আটকের শিকার হন তিন আন্দোলনকারী। এরপর আরও বেশ কয়েকটি কর্মসূচি পালন করেন আন্দোলনকারীরা।

 

আন্দোলনকারীদের ৫ দফা দাবি- সরকারি নিয়োগে কোটার পরিমাণ ৫৬ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা, কোটার যোগ্য প্রার্থী না পেলে শূন্যপদে মেধায় নিয়োগ, কোটায় কোনো ধরনের বিশেষ নিয়োগ পরীক্ষা না নেয়া, সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে অভিন্ন বয়সসীমা, নিয়োগ পরীক্ষায় একাধিকবার কোটার সুবিধা ব্যবহার না করা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রথম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ করল প্রাইভেট শিক্ষক!

নিজস্ব প্রতিনিধি: সিলেট মহানগরীতে গৃহশিক্ষকের হাতে প্রথম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, সিলেট নগরীর এয়ারপোর্ট থানা এলাকা থেকে ৮ বছর বয়সী ওই শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মাহিন মিয়া (২০) নামে এক শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।

শনিবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যা রাতে এয়ারপোর্ট থানায় অভিযোগ করেন নির্যাতিতা ওই শিশুটির বাবা। এরপরে পুলিশি অভিযান চালিয়ে ওই দিন রাত ৯টার দিকে সিলেট নগরীর গোয়াবাড়ি জাহাঙ্গীরনগর এলাকা থেকে অভিযুক্ত মাহিন মিয়া গ্রেফতার করা হয়।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (১ এপ্রিল) থেকে গৃহশিক্ষক মাহিনের কাছে প্রাইভেট পড়া শুরু করে ওই শিশুটি। এরপর দিন সোমবার (২ এপ্রিল) রাত ৮টায় শিশুটি মাহিনের কাছে প্রাইভেট পড়তে গেলে তাকে ধর্ষণ করেন গৃহশিক্ষক নামের নরপশু মাহিন।

বর্তমানে নির্যাতিতা ওই শিশুটি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এ ব্যাপারে নির্যাতনের শিকার শিশুটির বাবা জানান, ওই ঘটনার দিন তিনি কাজের সুবাদে কুমিল্লায় অবস্থান করছিলেন। তার মেয়ে ওই এলাকার একটি মাদ্রাসায় ওয়ানে পড়ে। রবিবার (১ এপ্রিল) থেকে শিশুটি মাহিনের বাসায় গিয়ে প্রাইভেট পড়া শুরু করে। সোমবার (২ এপ্রিল) রাতে প্রাইভেট পড়তে গেলে তার শিশু কন্যাকে ধর্ষণ করেন মাহিন মিয়া।

যৌন নির্যাতনের পর রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটি তার মায়ের কাছে কান্না-কাটি করে পুরো ঘটনার বর্ণনা দেয়। শিশুটির বাবা শুক্রবার (৬ এপ্রিল) সিলেটে ফেরার পর মেয়েকে হাসপাতালে ভর্তি করেন। শনিবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় এয়ারপোর্ট থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে সিলেট মহানগর পুলিশের বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন জানান, হাসপাতালের ওসিসি’র তথ্য প্রমাণসহ শিশুটির বাবার দেওয়া অভিযোগ পেয়ে মামলা নেয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, মামলার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে নগরীর গোয়াবাড়ি জাহাঙ্গীরনগর এলাকা থেকে মাহিন মিয়া নামে ওই প্রাইভেট শিক্ষককে গ্রেফতার করে পুলিশ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রশ্নপত্র ফাঁস: প্রভাবশালী এক মূলহোতাসহ আটক ১০

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত থাকার অভিযোগে এক প্রভাবশালী মূলহোতাসহ ১০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার দুপুরের পর থেকে রাত পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা একটি বিশেষ ইলেকট্রনিক যন্ত্র দিয়ে সরকারি ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা, মেডিকেল কলেজ এবং পাবলিক ভার্সিটির এডমিশন টেস্টসহ বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস করতেন। রাত পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের এক অফিসারকেও আটকে অভিযান চলছিলো। পুলিশের এডিসি গোলাম সাকলাইন সিথিল এ খবর নিশ্চিত করেছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

টাইমস্কেল পাচ্ছেন ৮১ শিক্ষক

নিজস্ব প্রতিবেদক | :

৮১ জন বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীকে টাইমস্কেল দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা দৈনিকশিক্ষাকে জানান, এই ৮১ জনের সবাই নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতা দেয়ার আগেই স্কেল প্রাপ্য হয়েছিলেন কিন্তু নানা জটিলতায় আবেদন করতে পারেননি বা আবেদন অনুমোদন না হওয়ায় তারা স্কেল পাননি। গত ২৪ মার্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক মো: মাহাবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এমপিও কমিটির সভায় ৮১ জনকে টাইমস্কেল সিদ্ধান্ত হয়। একই সভায় এক হাজার ৬৮ জনের এমপিও সংশোধনী ও ২৯ জনকে বকেয়া দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চট্টগ্রামের যৌন নিপীড়ক শিক্ষক আদালতে সোপর্দ হবেন আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম :

চট্টগ্রামের যৌন নিপীড়ক শিক্ষক আবুল হাশেম ঢাকায় গ্রেপ্তারের পর বুধবার সকালে তাকে চট্টগ্রামে নিয়ে আসা হয়েছে। আজই তাকে চট্টগ্রাম আদালতে সোপর্দ করা হবে।

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানার চরপাথরঘাটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া তিন স্কুলছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ রয়েছে। এই তিন স্কুলছাত্রীর একজনের অভিভাবক গত সোমবার রাতে কর্ণফুলী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলায় বলা হয়, প্রতিদিন ছুটি শেষে বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে ছেলে মেয়েদের প্রাইভেট পড়াতেন ওই শিক্ষক। সেখানে বর্ণিত স্কুলছাত্রীটিও প্রাইভেট পড়তো। গত ১ মার্চ থেকে পরবর্তী ১৫ দিন স্কুলছাত্রীটি প্রধান শিক্ষকের কাছে আর প্রাইভেট পড়তে যায়নি। প্রাইভেটে না যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে সে তার মাকে জানায়, প্রধান শিক্ষক আবুল হাশেম তার শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন। অন্য ছেলেমেয়েরা তা দেখলে তাদেরকে মারধর করেন। একইভাবে আরো দুই শিশুকেও যৌন নিপীড়ন করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে মামলার এজাহারে।

অভিযুক্ত শিক্ষক পালিয়ে ঢাকায় এলে মঙ্গলবার মিরপুর থেকে গ্রেপ্তার হন। বুধবার সকালে তাকে চট্টগ্রামে নিয়ে আসা হয়। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আজ বিকেলের মধ্যেই এই শিক্ষককে আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে কর্ণফুলী থানার ওসি (তদন্ত) ইমাম হাসান জানিয়েছেন ।

কর্ণফুলী জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) জাহেদুল আলম জানান, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ নিয়ে শিশুটির অভিভাবক থানায় আসলে তা গুরুত্ব সহকারে দেখা হয়। শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। পরে ঢাকার মিরপুর থেকে উক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়।

এদিকে নিপীড়নের শিকার তিন স্কুলছাত্রী ওই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে।  মঙ্গলবার চট্টগ্রাম সিনিয়র মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এসএম মাসুদ পারভেজের আদালতে তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (প্রসিকিউশন) নির্মলেন্দু বিকাশ চক্রবর্তী জানান, নিপীড়নের শিকার তিন ছাত্রী আদালতে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে জবানবন্দি দিয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পটুয়াখালীর বাউফলে শিক্ষক নেতার বানিজ্য\

মোয়াজ্জেম হোসেন, পটুয়াখালী প্রতিনিধি :
পটুয়াখালীর বাউফলে এক শিক্ষক নেতার বিরুদ্ধে নিজ বিদ্যালয়ে শিক্ষা বানিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। ৮ম ও ৯ম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন ও ত্রৈ-মাসিক পরীক্ষার নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষাধিক টাকা। প্রভাবশালী ওই শিক্ষক নেতার শিক্ষা বানিজ্যের কারনে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিবাকদের মধ্যে বিরাজ করছে অসন্তোষ। প্রভাবশালী ওই শিক্ষক নেতার নাম মো. মঞ্জুর মোর্শেদ। তিনি ধানদী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও উপজেলা শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারন সম্পাদক ও বর্তমান কমিটির সদস্য।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী ৮ম শ্রেণির নিন্ধন ফি (স্মারক নং বশিবো/জেএসসি (০২/২০১৮/২২৮৪ তারিখ১৫-২-২০১৮ইং) ৬০টাকা। ৯ম শ্রেণির জন্য নিন্ধন ফি (স্মারক নং-বশিবো/বিনি/২০১৮/০৩ (৬ষ্ঠ খন্ড) /২২৯৫ তারিখ ৫-৩-২০১৮ইং) ১৭৫ টাকা নেওয়া বিধান রয়েছে। কিন্তু উপজেলার ধানদী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সাবেক শিক্ষক নেতা মো. মঞ্জুর মোর্শেদ বোর্ডের নির্দেশনা উপেক্ষা করে ৮ম ও ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নিচ্ছেন নয়’শ টাকা করে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক বলেন, বিদ্যালয়ে ৮ম শ্রেণিতে ৮৩ জন ও ৯ম শ্রেণিতে ৭৫ শিক্ষার্থী রয়েছে। মোট ১৫৮জন শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা হয়েছে লক্ষাধিক টাকা। যার সিংহভাগ টাকা পকেটেস্থ করেছেন ওই শিক্ষক।
এ দিকে সরকারে বিধিনুযায়ী প্রতি বিদ্যালয়ে অর্ধবার্ষিক-বার্ষিক নামে দুইটি পরীক্ষা নেওয়ার কথা থাকলেও ওই শিক্ষক নেতা তার বিদ্যালয়ে মঙ্গলবার (৩ এপ্রিল) থেকে ত্রৈ মাসিক পরীক্ষা শুরু করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, সরকারী নীতিমালাকে পাশ কাটিয়ে প্রধান শিক্ষক বানিজ্য করার জন্যই তিনি ওই পরীক্ষা শুরু করেছেন। খোজ নিয়ে জানা গেছে, আনুসাঙ্গিক ফিসহ ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ১ হাজার একশত ৮০ টাকা। সপ্তম শ্রেণির ১ হাজার চারশত ১০ টাকা। ১০ম শ্রেণির ১ হাজার চারশত ৫০ টাকা। উপবৃত্তি প্রাপ্ত মেধাবি অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের কাছ থেকেও কেটে রাখা হচ্ছে টাকা। তবে তাদের বেলায় ফি কিছুটা কম।
ত্রৈ-মাসিক পরীক্ষায় নেওয়া হয়েছে অভিনব পন্থা। পরীক্ষার সিলেবাস শেষ না হওয়ায় ৫০ নম্বরের হাতে করা ফটোকপি প্রশ্নপত্রে ইংরেজি বিষয়ের মাধ্যমে শুরু হয়েছে পরীক্ষা। এ পরীক্ষার ফি আদায়ে আছে রঙিন ও সাদা প্রবেশ পত্রের মতো আরো অভিনব কৌশল। সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধে ব্যর্থ শিক্ষার্থীদের সাদা কাগজে হাতে লেখা প্রবেশ পত্রে পরীক্ষায় অংশ গ্রহনের সাময়িক অনুমতি দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে শ্রেণি শিক্ষকদের। আর সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করা শিক্ষার্থীরাই পাচ্ছে কেবল প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষরিত রঙিন (ছাপানো অক্ষরের) প্রবেশ পত্র। কতিথ ত্রৈ মাসিক এই পরীক্ষা থেকেও আদায় হবে দুই লক্ষাধিক টাকা।
সকল অভিযোগ অস্বিকার করে প্রধান শিক্ষক মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, ৮ম ও ৯ম শ্রেণি শিক্ষার্থীদের নিন্ধন ফি সর্বচ্চ চারশত টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। অপরদিকে ত্রৈ-মাসিক পরীক্ষাকে অস্বীকার করে তিনি বলেন, এটা পাঠ মূল্যায়ন। দুই একজন শিক্ষক এটাকে ভূলে ত্রৈ-মাসিক লিখতে পারে। তবে পরীক্ষার ফি এর সাথে আনুসঙ্গিক অন্যন্য চার্য রয়েছে।
##
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

তিন ছাত্রীকে যৌন হয়রনির অভিযোগে প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: পঞ্চম শ্রেণির তিন ছাত্রীকে যৌন হয়রানি করার অভিযোগে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা থেকে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। এর আগে গতকাল সোমবার রাতে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানায় তিন ছাত্রীকে যৌন হয়রানি করার অভিযোগে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া প্রধান শিক্ষক হলেন মো. আবুল হাসেম। বিদ্যালয় ছুটির পর শ্রেণিকক্ষে প্রাইভেট পড়ানোর সময় গত ১ মার্চ থেকে বিভিন্ন সময়ে তিন শিক্ষার্থীকে তিনি যৌন হয়রানি করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগকারী পঞ্চম শ্রেণির তিন ছাত্রী আদালতে আজ এ বিষয়ে জবানবন্দি দিয়েছে।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের পতেঙ্গা অঞ্চলের সহকারী কমিশনার (এসি) মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, তিন শিক্ষার্থী যৌন হয়রানির অভিযোগ করেছে। আদালতে তারা জবানবন্দি দিয়েছে। আজ দুপুরে ঢাকা থেকে প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সোমবার রাতে এক ছাত্রীর মা বাদী হয়ে কর্ণফুলী থানায় মামলা করেন। এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ১ মার্চ থেকে ১৫ দিন প্রাইভেট পড়ার পর তাঁর মেয়ে আর পড়তে যাচ্ছিল না। তখন মেয়ের কাছে ওই শিক্ষকের কাছে যেতে না চাওয়ার কারণ জানতে চান। ওই শিক্ষক যৌন হয়রানি করেন বলে মেয়েটি তার মাকে জানায়। একইভাবে তাঁর মেয়ের আরও দুই সহপাঠীকেও প্রধান শিক্ষক যৌন হয়রানি করেন বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর আজ বিদ্যালয় এলাকায় স্থানীয় লোকজন বিক্ষোভ শুরু করে। পরে পুলিশ গিয়ে তাঁদের শান্ত করে। সকালে কিছু শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে উপস্থিত হলেও বিক্ষোভের কারণে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ছিল। বেলা একটার দিকে শিক্ষকেরাও বিদ্যালয় বন্ধ করে চলে যান।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বখাটের হুমকিতে নবম শ্রেনীর ছাত্রীর স্কুলে যাওয়া বন্ধ

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল ॥ মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের স্ত্রীকে বখাটে কর্তৃক হত্যার হুমকি দেয়ার ঘটনায় থানায় জিডি করায় ক্ষিপ্ত হয়ে মুক্তিযোদ্ধার নবম শ্রেনীতে পড়ুয়া নাতনীকে অপহরণের হুমকি দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় অনিশ্চিত হয়ে পরেছে ওই শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন। ঘটনাটি জেলার গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া গ্রামের।

ওই গ্রামের বাসিন্দা ও ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার প্রয়াত আলাউদ্দিন খন্দকারের স্ত্রী শেফালী বেগম জানান, গত কয়েকদিন পূর্বে তার পুত্রবধুকে মোবাইলে একাধিক অশ্লীল ম্যাসেজ লিখে পাঠায় প্রতিবেশি কালাচাঁদ শীলের মাদকাসক্ত বখাটে পুত্র গোপাল শীল। বিষয়টি নিয়ে গোপালকে জিজ্ঞাসা করা হলে মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী শেফালী বেগমকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়। এ ঘটনায় গৌরনদী মডেল থানায় গোপালের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে।

মাহিলাড়া এএন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর মেধাবী ছাত্রী সাদিয়া রহমান পাঞ্জেরী জানান, গোপালের বিরুদ্ধে থানায় জিডির ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে গত কয়েকদিন পূর্বে তার মামা ইতালী প্রবাসী মাসুম খন্দকারের ব্যবহৃত ঘরে থাকা মোটরসাইকেল প্রকাশ্যে ছিনিয়ে নিয়ে যায় বখাটে গোপাল। এরপর অনেক খোঁজাখুজি করে বাটাজোর বাজারের একটি মোটর মেকানিকের দোকান থেকে ভাঙ্গাচুড়া অবস্থায় চুরি হওয়া মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়। মোটরসাইকেল চুরির বিষয়টি কাউকে বলা হলে পাঞ্জেরীকে অপহরণের পর প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হয়। বখাটে গোপালের অব্যাহত হুমকির মুখে স্কুলে যেতে পারছেনা ওই স্কুল ছাত্রী। কর্মের সুবাধে প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধার দুইপুত্র প্রবাসে থাকায় নাতনী পাঞ্জেরীকে নিয়ে শেফালী বেগম বাড়িতে বসবাস করছেন। ফলে বখাটের অব্যাহত হুমকির মুখে এখন চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছেন নানী শেফালী ও তার নাতী পাঞ্জেরী।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

নাটোরের পরীক্ষায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে বহিষ্কার ৩ শিক্ষক f

নিজস্ব সংবাদদাতা, নাটোর ॥ নাটোরের গুরুদাসপুরের বিল চলন শহীদ শামসুজ্জোহা সরকারী অর্নাস কলেজে চলতি এইচএসসি পরীক্ষায় কেন্দ্রে দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে ৩ শিক্ষককে পরীক্ষার সকল কার্যক্রম থেকে এ বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। গতকাল সোমবার বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষায় দায়িত্ব অবহেলার কারণে আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে তাদের বিরুদ্ধে এই বহিষ্কারাদেশ দেন পরীক্ষা কমিটি। বহিঃষ্কৃত তিন শিক্ষক হলেন, শামসুজ্জোহা কলেজের প্রভাষক লুৎফুল হক ও রিতা রানী এবং একই কলেজের ডেমোনষ্ট্রেটার (প্রদর্শক) আখের আলী।

কেন্দ্র সচিব অধ্যক্ষ রেজাউল করিম ও পরীক্ষার্থী কাউছার আলী, দুলাল হোসেন সহ অন্যান্য পরীক্ষার্থীরা জানান, গতকালের এইচএসসি বাংলা ১ম পত্রের পরীক্ষায় শহীদ শামসুজ্জোহা কলেজের ৩০১ নম্বর কক্ষে ৫১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এদের মধ্যে ২০১৬ সালের পুরাতন সিলেবাসের ১৫ জন এবং চলতি বছরের নিয়মিত ৩৬ জন পরীক্ষার্থী ছিল। দায়িত্বরত শিক্ষকরা প্রশ্নপত্র প্রদানের সময় পুরাতন সিলেবাসের ১৫টি প্রশ্নপত্র ভুল করে নতুন সিলেবাসের পরীক্ষার্থীদের দিয়ে দেয়। পরে পরীক্ষার্থীরা বিষয়টি বুঝতে না পেরে ওই প্রশ্নপত্রেই পরীক্ষা সম্পন্ন করে। পরে বিষয়টি বুঝতে পেরে মঙ্গলবার সকালে বিষয়টি ছাত্ররা পরীক্ষা কেন্দ্র উপস্থিত হয়ে কেন্দ্র সচিব অধ্যক্ষ রেজাউল করিমকে জানায়। কেন্দ্র সচিব বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পান। এ ঘটনায় পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্বে অবহেলার কারণে ওই তিন শিক্ষককে এ বছরের পরীক্ষার কার্যক্রম থেকে বহিঃষ্কার করেন।

এ ব্যপারে গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনির হোসেন জানান, অভিযুক্ত ওই তিন শিক্ষককে সাতদিনের মধ্যে এ ব্যাপারে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। পরবর্তীতে ওই শিক্ষকদের পক্ষ থেকে উত্তর পেলে সে অনুযায়ী ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পিএসসি বৃত্তির ফলাফল ॥ দামুড়হুদায় সেরা মডেল-দর্শনায় লিটিল এনজেলস

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: জেলার দামুড়হুদা উপজেলায় পিএসসি বৃত্তির ফলাফলে দামুড়হুদা মডেল প্রথম ও লিটিল এনজেলস ইন্টাঃ স্কুলের অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে। উপজেলায় মোট ৫৫জন ট্যালেন্টপুল এবং ১০৫ জন সাধারণ গ্রেডবৃত্তি পেয়েছে। এর মধ্যে দামুড়হুদা মডেল ১৬টি ট্যালেন্টপুল ও ৩ টি সাধারন গ্রেডে বৃত্তি পেয়ে উপজেলায় প্রথম হয়েছে ও লিটিল এনজেলস ইন্টাঃ স্কুল ৮ জন ছাত্র ট্যালেন্টপুল ও ৬ জন সাধারন গ্রেডে বৃত্তি পেয়ে দর্শনায় শীর্ষে ও উপজেলার মধ্যে ২য় শীর্ষে হয়েছে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের পিএসসি পরীক্ষায় চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলা থেকে ১১৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ১৬ টি কিন্ডারগার্টেনের ছাত্রছাত্রী অংশগ্রহণ করে তাদের মধ্যে দামুড়হুদা মডেল ৮৪ জন এ + ৩০ জন ও বৃত্তি ১৬ জন পেয়ে উপজেলায় প্রথম স্থান দখন করেছে।
এদিকে দামুড়হুদা দর্শনায় লিটিল এনজেলস ইন্টাঃ স্কুল সার্বিক ফলাফলে শীর্ষে রয়েছে। এ বিদ্যালয় থেকে পিএসসি পরীক্ষায় ৩৬ জন অংশগ্রহণ করে ১৬ জন ‘এ’ প্লাস ও ১৪ জন বৃত্তি পেয়েছে।
মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শরিফ উদ্দীন ও লিটিল এনজেলস ইন্টাঃ স্কুলের অধ্যক্ষ বিকাশ কুমার জানান, সার্বিক ফলাফলে এবার আমার বিদ্যালয় থেকে ভালো করেছে। আগামীতে এ সাফল্য ধরে রাখতে শিক্ষকমন্ডলী যথেষ্ট সচেষ্ট।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free