Home » নিউজ (page 5)

নিউজ

আয়মান সাদিককে হত্যার হুমকির তদন্তে পুলিশ

বিবিসি নিউজ,৬ জুলাই:
বাংলাদেশের ইউটিউবার এবং অনলাইনে শিক্ষাদান কর্মসূচি পরিচালনা বিষয়ক পেইজ টেন মিনিট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী আয়মান সাদিককে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে। একই সাথে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে টেন মিনিট স্কুলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা সাকিব বিন রশীদকেও।

এ বিষয়ে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এক ভিডিওতে আয়মান সাদিক বলেন, “ফেসবুক, ইউটিউবসহ অনেক জায়গায় আমাকে মেরে ফেলার জন্য বলা হচ্ছে। টেন মিনিট স্কুলের অনেক মানুষকে মেরে ফেলার জন্য বলা হচ্ছে। টেন মিনিটস স্কুলকে বয়কট করার জন্য বলা হচ্ছে।”

“ইনডিরেক্টলি না ডিরেক্টলি বলা হচ্ছে এই মুরতাদকে যেখানেই আপনারা পাবেন, তাকে জাহান্নামে পাঠিয়ে দিবেন এবং শত শত না হাজার হাজার মানুষ সেটা শেয়ার করছে।”

গত জুন মাসে টেন মিনিটস স্কুলের দুটি ভিডিও যেগুলো ঋতুস্রাব ও সম্মতির মতো বিষয়গুলো নিয়ে করা হয়েছিল সেই ভিডিও দুটি নিয়ে সমালোচনা করেন এক শ্রেণীর মানুষ। এই ভিডিও দুটি ইসলাম পরিপন্থী বলেও অভিযোগ তোলা হয়। সাথে বলা হয় যে, তারা সমকামিতাকে সমর্থন করেন।

“আমাকে বলা হচ্ছে আমি নব্য মিশনারি, আমি কাফিরদের এজেন্ট, আমি পশ্চিমা অপসংস্কৃতি প্রচার করার এজেন্ট,” এক ভিডিও বার্তায় জানান মি. সাদিক।
Image caption আয়মান সাদিক ও সাকিব বিন রশিদ

এর জের ধরে চলতি মাসের শুরুতে অর্থাৎ দোসরা জুলাই টেন মিনিট স্কুলের ভেরিফায়েড পেইজ থেকে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আয়মান সাদিক এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেন।

সেখানে তিনি জানান, “ঋতুস্রাব ও সম্মতি নিয়ে করা ওই দুইটি ভিডিও অনেকের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার কারণে তারা দুঃখিত এবং ক্ষমা-প্রার্থী।”

সাথে ভিডিও দুটি তাদের সব প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে বলেও জানান।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষক প্রশিক্ষণের নামে টেসলের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৫ জুলাই, ২০২০

শিক্ষকদের উচ্চারণ প্রশিক্ষণের নামে টেসল নামক একটি কোচিং সেন্টারের বিরুদ্ধে ভুল উচ্চারণ, শিক্ষকদের কটূক্তি, এটুআইয়ের নাম ভাঙ্গানোসহ নানাবিধ প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেছে। টেসল নামক কোচিং সেন্টার দাবি করছে তাদের সাথে এটুআইয়ের চুক্তি হয়েছে এবং প্রতিটি ক্লাসের প্রতিজন শিক্ষার্থীর বিপরীতে পাঁচ হাজার টাকা করে প্রশিক্ষককে দেয়া হবে। তাছাড়া টেসল নামটিও চুরি করার অভিযোগ উঠেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের ইংরেজির অধ্যাপক সাইদুর রহমান বলেছেন, টেসল কোচিং নামটি অবৈধভাবে ব্যবহার করছেন। শুধু তাই নয়, টেসলের কথিত উচ্চারণ প্রশিক্ষক শিক্ষার্থী টানতে নানা মিথ্যার আশ্রয় নিচ্ছেন। প্রশিক্ষক ইয়াছির একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করার পর ভাষা ইনিস্টিউট থেকে কোর্স করেছেন। তার নিজের উচ্চারণই শুদ্ধ নয় বলে তার শিক্ষকরা বলেছেন। আর এটুআই বলেছে তাদের সাথে কোনও চুক্তি হয়নি টেসলের।

প্রশিক্ষক মোহাম্মদ ইয়াছিরকে নিয়ে শিক্ষক সমাজে চলছে নানা বিতর্ক। তিনি আত্মপ্রচার নিয়েই ব্যস্ত থাকেন। সরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রশিক্ষক অথবা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক দ্বারা প্রশিক্ষণ করানো ও শিক্ষকদের জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার ফ্রি করার দবি জানান শিক্ষকরা।

কয়েকজন জেলা অ্যাম্বাসেডর জানান, তাদেরকে বলা হয়েছে করোনাকালে এটুআই শিক্ষক প্রশিক্ষণের প্রতি বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জুম সফটওয়্যারের সাহায্যে অনলাইনে প্রথম ব্যাচ ২৯ মে থেকে শুরু হয়। প্রতিদিন ৫ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ করানো হয়। প্রথম সেশনে সারা দেশের প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণের পরেই বিভিন্ন শিক্ষকদের মাঝে জনৈক প্রশিক্ষক সম্পর্কে নানা প্রশ্নের উদ্ভব হয়। রাজধানী ঢাকার সিদ্ধেশ্বরীতে অবস্থিত টেসল বাংলাদেশ নামের একটি ইংরেজি শেখার কোচিং সেন্টারের পরিচালক মোহাম্মদ ইয়াসির শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কলেজ শিক্ষক বলেন, “প্রথমে ভেবেছিলাম ইয়াসির সাহেব কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের নামকরা শিক্ষক নতুবা সরকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজের শিক্ষক। তার দাবি মতে, বাংলাদেশ পুলিশ ও আর্মিদেরও ট্রেইনার পরিচয় দিয়েছেন তিনি। উনি আমাদের শেখানো শুরু করলেন আর মাঝেমধ্যে প্রযুক্তিতে দুর্বল শিক্ষকদের দু’চার কথা শুনিয়ে দিচ্ছিলেন। কোনো কোনো শিক্ষক না বুঝে মাইক্রোফোন অন রেখেছিলেন। এর জন্য তিনি বলে ফেললেন, “আপনাদের কি মাথায় কোনো সমস্যা আছে?” কথাটি আমাকে উদ্দেশ্য করে না বললেও, প্রতিটি কথাই আমার গায়ে এসে লাগলো। উনি উচ্চারণের যেসব পদ্ধতি শেখাচ্ছিলেন, সেসব উনার নিজের আবিষ্কৃত বলে চালিয়ে দিলেও, আমরা যারা ইংরেজি ভাষা নিয়ে লেখাপড়া করেছি, তারা ঠিকই ধরে ফেলেছিলাম। উনি মূলত ইংরেজি অ্যালফাবেট, ভাওয়েল ও কনসোনেন্ট এই তিনটি বিষয় নিয়ে লেকচার দিয়েছেন যেগুলো তিন ঘণ্টাতেই শেষ হতে পারতো। বাকি সময় তিনি উপস্থাপনা ও নিজের প্রচার করেছেন। দেশে এত নামকরা ইংরেজি ভাষার শিক্ষক থাকতে কোন স্বার্থে একজন কোচিং শিক্ষক দিয়ে কেন প্রশিক্ষণ করানো হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষা ইনস্টিটিউট আছে। সেখান থেকেও তো ট্রেইনার নিতে পারতেন। নায়েমে এক্সপার্ট ট্রেইনার আছেন। তাদেরকে দিয়েও তো ট্রেনিংটা করানো যেত” ।

প্রশিক্ষণের নাম: EXCLUSIVE TRAINING ON PRONUNCIATION & PRESENTATION SKILLS FOR ICT4E DISTRICT AMBASSADOR TEACHERS।

এটুআইএর আরেকজন অ্যাম্বাসেডর শিক্ষক জানান, “আজ থেকে শুরু হতে যাওয়া প্রশিক্ষণের জন্য জনপ্রতি পাঁচ হাজার টাকা প্রশিক্ষক মোহাম্মদ ইয়াছিরকে এটুআই দেবেন। অর্থাৎ একজন অ্যাম্বাসেডরের প্রশিক্ষণের জন্য এটুআই পাঁচ হাজার টাকা দিচ্ছেন। উল্লেখ্য, পাঁচ হাজার টাকার বিষয়ে এটুআই এর অ্যাম্বাসেডরদের মিটিং এ জানানো হয় ২৫ জুন রাতে। এখানেও অন্তত চারশো থেকে পাঁচশ শিক্ষক অংশগ্রহণ করবেন। সেই হিসেবে প্রায় বিশ লক্ষাধিক টাকা প্রশিক্ষক পাবেন। যার একটি টাকাও শিক্ষকরা পাবেন না। এত টাকা খরচ করছেন অথচ, শিক্ষার মানোন্নয়নের চিত্র বড়ই বিচিত্র!

শিক্ষকদের ট্রেনিংয়ের বিষয়ে গ্রামের শিক্ষকদের মতামতও ভিন্ন। তাদের কোন বিষয়ে প্রশিক্ষণ বেশি প্রয়োজন, সেই বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া দরকার। বিভাগীয় শহর অথবা রাজধানী এলাকার স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের মতামত শুনে গ্রামের স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করা সম্ভব নয়। কাজেই যে কোনো ট্রেনিং শুরু করার আগে দয়া করে একবারে প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে শুরু করে রাজধানী পর্যন্ত শিক্ষকদের একটা প্যানেল করে, তাদের মতামত গ্রহণ করুন। এই কাজটি অনলাইনেই সম্ভব”।

আরেকজন শিক্ষক বলেন, “শিক্ষকদের ট্রেনিংয়ের প্রয়োজন। অবশ্যই প্রয়োজন। বর্তমান পরিস্থিতিতে অনলাইন ট্রেনিং বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে। এক্ষেত্রে এটুআই এর উদ্যোগ প্রশংসনীয়। কিন্তু শিক্ষকদের কোন বিষয়ের ট্রেনিং দরকার, সেটা নিয়ে তারা কীভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা আমাদের অজানা। এই মুহূর্তে প্রথমত, শিক্ষকদের প্রয়োজন মোটিভেশনাল ট্রেনিং।

নাম প্রকাশে আরেকজন অ্যাম্বাসেডর শিক্ষক বলেন, আমাদের জন্য যে ৫৫০০ টাকা বরাদ্দ তা আমাদের না দিয়ে ঐ কোচিং কি কাজে লাগবে তা বোধগম্য নয়। তিনি শিক্ষকদের নামে বরাদ্দ এ টাকা সঠিক টেনিং এর মাধ্যমে ব্যয় করা উচিত বলে মনে করেন। কারন এখন সকল এম্বাসেডর শিক্ষক অনলাইন ক্লিাস নিচ্ছেন।
তাদের প্রত্যেকের একটি করে ভালো মানের এনড্রয়েড ফোন দেয়া উচিত বলে মনে করে ঐ শিক্ষক।

দ্বিতীয়ত, প্রয়োজন ‘কীভাবে অনলাইনে মানসম্মত ক্লাস নেয়া যায়’ সে বিষয়ে ট্রেনিং। এই সমস্ত বিষয়গুলো তারা আমলে না নিয়ে, শুরু করলেন ইংরেজি উচ্চারণ ও উপস্থাপনা শেখানোর ট্রেনিং। যার প্রশিক্ষক নিয়ে নানা প্রশ্নের জন্ম নিচ্ছে। এই ট্রেনিংয়ের ইমপ্লিমেন্ট কি এখন সম্ভব হবে? স্থান কাল পাত্র ভেদে আমাদের চিন্তা করা উচিত নয় কি? গ্রামে ইন্টারনেট সুবিধা কেমন, তা নতুন করে কাউকে বলার প্রয়োজন নেই। ধীরগতির ইন্টারনেটে বারবার বাফারিং করা ভার্চুয়াল ট্রেনিংয়ে ইংরেজি উচ্চারণ মাত্রা কোন দিকে ছন্দিত হবে তা বলা মুশকিল। আর ইংরেজি ভাষা, উচ্চারণ ইত্যাদি ট্রেনিং দেয়ার জন্য ট্রেইনার কোচিং সেটারের শিক্ষক ছাড়া কি আর কেউ নেই”?

প্রশিক্ষক ইয়াছিরের মতামত জানার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শোক সংবাদ, শোক সংবাদ, শোক সংবাদ

ডেস্ক: চট্রগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলার বারমাসিয়া চা বাগানের সাবেক টি প্ল্যান্টার শম্ভু প্রসাদ ভট্টাচার্য গত ০৩/৭/২০২০ দিবাগত রাত ১’২০ ঘটিকায় বার্ধক্যজনিত রোগে ইহধাম ত্যাগ করেন।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল প্রায় ৮০ বৎসর। তার এ মৃত্যুতে প্রধান শিক্ষক সমিতি দারুনভাবে শোকাহত।

তার প্রথম পুত্র শান্তনু ভট্টাচার্য কনক চা বাগানে কর্মরত। মেজ ছেলে অনুপম ভট্টাচার্য তিলক সহকারী শিক্ষক,পাটিয়ালছড়ি সপ্রাবি,ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম। ছোট ছেলে রুপম ভট্টাচার্য ঝলক একটি কেজি স্কুলে প্রিন্সিপাল হিসাবে কর্মরত।

উল্লেখ শম্ভু প্রসাদ ভট্টাচার্য বাসপ্রাবি প্রধান শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়ক বাবু রনজিত ভট্টাচার্য মনি ভাইয়ের সেজ কাকা। উনার মৃত্যুতে বাসপ্রাবি প্রধান শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করছি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

পলিটেকনিকে ভর্তির যোগ্যতা ও ফি কমছে, থাকছে না বসয়সীমা

নিজস্ব প্রতিবেদক,১ জুলাই:

দেশের পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তির ক্ষেত্রে কোন রকমের বয়সের সীমাবদ্ধতা রাখা হবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। আজ বুধবার (১ জুলাই) কারিগরি শিক্ষার উন্নয়ন সংক্রান্ত একবার ভার্চুয়াল মিটিংয়ে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন তিনি। সভায় পলিটেকনিকে ভর্তির যোগ্যতা ও ফি কমানোর সিদ্ধান্তও নেয়া হয়েছে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।

সভায় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা এবং প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত রূপকল্প ৪১ বাস্তবায়নে কারিগরি শিক্ষাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। তাই কারিগরি শিক্ষায় ভর্তির হার বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবং বিদেশ ফেরত দক্ষ কর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়ার জন্য পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তির ক্ষেত্রে কোন রকমের বয়সের সীমাবদ্ধতা রাখা হবে না।

তিনি বলেন অনেক ব্যক্তির হয়তো প্রয়োজনীয় কারিগরী দক্ষতা আছে কিন্তু তার প্রাতিষ্ঠানিক কোনো সার্টিফিকেট নাই এবং সার্টিফিকেট না থাকার কারণে ভালো চাকরি পাচ্ছে না অথবা চাকরি পেলেও ভালো বেতন পাচ্ছে না। সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি যদি চায় এবং যদি তার প্রয়োজনীয় একাডেমিক যোগ্যতা থাকে তাহলে সে ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি হতে পারবে।

একই মিটিংয়ে তিনি ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তির ক্ষেত্রে ছেলেদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম যোগ্যতা জিপিএ ৩.৫ থেকে কমিয়ে ২.৫, মেয়েদের ক্ষেত্রে জিপিএ ৩ থেকে কমিয়ে ২.২৫ করার সিদ্ধান্ত দেন। পাশাপাশি ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি ফি ১৮২৫ টাকা থেকে কমিয়ে ১০৯০ টাকা করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেন।

তাছাড়া মন্ত্রী এ মাসের মধ্যে কারিগরি মাদ্রাসা বিভাগের শিক্ষকদের এমপিওর অর্থ ছাড় করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ প্রদান করেন।

বৈঠকে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপনের নীতিমালা, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর আইন ২০২০ ও এর নিয়োগবিধি প্রণয়ন সহ কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মুনশী শাহাবুদ্দীনের সভাপতিত্বে এই মিটিংয়ে আরো যুক্ত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সফিউদ্দিন আহমেদ, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ সানোয়ার হোসেন, মাদ্রাসা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর কায়সার আহমেদ , কারিগরি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড.মোঃ মুরাদ হোসেন মোল্লাসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

অনলাইনে শিশুদের শিক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান ইউনিসেফের

নিজস্ব প্রতিবেদক | ৩০ জুন, ২০২০:

করোনাভাইরাসের এই সময়েও যাতে শিশুরা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়, সেটা নিশ্চিত করার জন্য সদস্য দেশগুলোর প্রতি আহবান জানিয়েছেন ইউনিসেফ। সংস্থার নির্বাহী বোর্ডের সভাপতি ও জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা এ আহ্বান জানান।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বার্তায় জানানো হয়, নিউইয়র্কে গত ২৯ জুন অনুষ্ঠিত ইউনিসেফ নির্বাহী বোর্ডের প্রথম ভার্চুয়াল আনুষ্ঠানিক অধিবেশনে বোর্ডের সভাপতি ও জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা করোনাকালে শিশুদের শিক্ষার প্রতি সকলকে জোর দেওয়ার আহ্বান জানান।

বিশেষ করে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও ইন্টারনেট সংযোগের ঘাটতি থাকায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর সরকার প্রধানদের প্রতি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা বলেন, ‘চলমান পরিস্থিতিতে শিশুদের শিক্ষা নিশ্চিতে অনলাইন ও দূর-শিক্ষণে শিক্ষা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি বৈশ্বিকভাবে সর্বোচ্চ প্রাধিকারভুক্ত বিষয় হওয়া উচিত।’

তিনি আরো বলেন, ‘সদস্য দেশসমূহে ইউনিসেফের নিয়মিত ও অবশ্য পালনীয় যেসব কর্মসূচি রয়েছে তা যেন কোনোভাবেই কোভিড-১৯ সংক্রান্ত ইউনিসেফের কর্মসূচিসমূহের পরিপূরক না হয়।’

বৈশ্বিক এই মহামারিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বিশেষ করে নিম্ন আয়ের, স্বল্পোন্নত ও আফ্রিকার দেশসমূহ যে ভয়াবহ বাস্তবতা মোকাবিলা করছে তা বৈঠকে তুলে ধরেন রাষ্ট্রদূত ফাতিমা। তিনি বলেন, ‘হাত ধোয়ার মতো বিষয়টিও অনেক শিশুর জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেননা পানি, পয়ঃনিষ্কাশন ও স্বাস্থ্য অবকাঠামোতে প্রবেশের সুযোগ থেকে এই শিশুরা বঞ্চিত।’

এছাড়া বৈশ্বিক মহামারির প্রেক্ষাপটে ইউনিসেফের টিকাদান কর্মসূচি স্থগিত বা হ্রাস হওয়ার ফলে কলেরা, পোলিও এবং হামের মতো প্রতিরোধযোগ্য রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটার ব্যাপক ঝুঁকি রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত ফাতিমা।

কোভিড-১৯ মহামারিকে জাতিসংঘ ব্যবস্থাপনার জন্য একটি ‘লিটমাস টেস্ট’ হিসেবে উল্লেখ করেন ইউনিসেফ নির্বাহী বোর্ডের সভাপতি। কোভিড-১৯ মোকাবিলা ও উত্তরণে ইউনিসেফ গৃহীত কর্মসূচিগুলো যাতে জাতিসংঘের অন্যান্য সংস্থাগুলো গৃহীত কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় সে বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

এক্ষেত্রে ইউনিসেফকে কৌশলগত নির্দেশনা প্রদান এবং বৈশ্বিকভাবে সমর্থন জোগাতে সবধরনের সহায়তা করতে নির্বাহী বোর্ড প্রস্তুত রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত ফাতিমা। সংস্থার মূলকাজগুলোকে সমুন্নত রাখতে ইউনিসেফের প্রতি উদার ও অব্যাহত সহযোগিতার হাত নিয়ে এগিয়ে আসতে সকলকে উৎসাহিত করেন তিনি।

উদ্বোধনী অধিবেশনে অন্যান্যদের মাঝে বক্তৃতা করেন ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক মিস হেনরিয়েটা এইচ ফোর। তিনি ইউনিসেফের কর্মসূচিসমূহ বিস্তারতিভাবে তুলে ধরেন এবং ইউনিসেফ যে সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে তাও উল্লেখ করেন। এরপর জাতিসংঘে নিযুক্ত সদস্য দেশসমূহের স্থায়ী প্রতিনিধিসহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ স্ব স্ব দেশের পক্ষে বক্তব্য দেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

৩৮তম বিসিএসে সুপারিশ পেলেন ২২০৪ জন

ডেস্ক,৩০ জুন:
৩৮তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল আজ মঙ্গলবার প্রকাশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এই বিসিএসে ২ হাজার ২০৪ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করেছে পিএসসি। ফলাফল পিএসসির ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে ফলপ্রত্যাশীদের অপেক্ষার পালা শেষ হলো।

পিএসসি সূত্র জানায়, আজ বিকেলে বিশেষ সভা শেষে পিএসসি ৩৮তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করে।

সুপারিশ পাওয়া ক্যাডারের মধ্যে সাধারণ ৬১৩, সহকারী সার্জন ২২০, ডেন্টাল সার্জন ৭১, বিভিন্ন টেকনিক্যাল ক্যাডারে ৫৩২ এবং শিক্ষায় ৭৬৮ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে।
পিএসসি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক প্রথম আলোকে বলেন, করোনার মধ্যেই ঝুঁকি নিয়ে আমরা ফলাফল দিতে নিরালসভাবে কাজ করেছি। করোনায় অফিস বন্ধ থাকায় ফল প্রকাশে দোরি হয়। এ ছাড়া জনপ্রসাশন থেকে বেশ কিছু নতুন পদ যুক্ত হওয়ার কাজ অনেক বেড়ে যায়। সেটিও ফল প্রকাশে দেরির অন্যতম একটি কারণ।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

করোনা পরীক্ষা : বুথের ফি ২০০, বাসায় ৫০০

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৯ জুন, ২০২০

এতদিন বিনামূল্যে করোনা ভাইরাসজনিত রোগ কোভিড-১৯ এর শনাক্তকরণ পরীক্ষা করা হলেও এবার সেটায় ফি সর্বনিম্ন ২০০ টাকা নির্ধারণ করেছে সরকার।

সোমবার (২৯ জুন) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়েল স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

বুথ থেকে সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষার জন্য ২০০ টাকা, বাসা থেকে সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষার জন্য ৫০০ টাকা এবং হাসপাতালে ভর্তি রোগীর নমুনা পরীক্ষার জন্য ২০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

পরিপত্রে আরও বলা হয়, করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ আরটি-পিসিআর টেস্টের মাধ্যমে নির্ণয় করা হয়। বর্তমানে এ পরীক্ষা সরকার বিনামূল্যে দিচ্ছে। ফলে কোনো উপসর্গ ছাড়াও অধিকাংশ মানুষ এ পরীক্ষা করানোর সুযোগ গ্রহণ করছেন।

‘এমতাবস্থায় কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য অপ্রয়োজনীয় কোভিড টেস্ট পরিহার করার লক্ষ্যে অর্থ বিভাগের সম্মতির পরিপ্রেক্ষিতে ফি নির্ধারণ করা হলো।’

এতে আরও বলা হয়েছে, করোনা টেস্ট বাবদ আদায় করা অর্থ সরকারি কোষাগারে (কোড-১-২৭১৫-০০০০-১৮৬৩) জমা করতে হবে।

‘চিকিৎসা সুবিধা বিধিমালা-১৯৭৪ এর আওতায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চিকিৎসা সংক্রান্ত সব সুযোগ বাহাল থাকবে। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধা, দুস্থ ও গরিব রোগীদের চিকিৎসা ও রোগ নির্ণয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা সংক্রান্ত সরকারি আদেশ বহাল থাকবে। সব সরকারি হাসপাতালের ক্ষেত্রে এ হার নির্ধারণ করা হলো।’

গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের পর সর্বশেষ ২৮ জুন পর্যন্ত দেশে মোট রোগীর সংখ্যা এক লাখ ৩৭ হাজার ৭৮৭ জন। মৃত্যু হয়েছে এক হাজার ৭৩৮ জনের এবং সুস্থ হয়েছেন ৫৫ হাজার ৭২৭ জন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

পবিত্র ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ৩১ জুলাই

ডেস্ক | ২৮ জুন, ২০২০

ঈদুল আজহা, মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুই ঈদের মধ্যে একটি। যেহেতু আরবি মাস চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল, তাই চাঁদ দেখা ছাড়া নিশ্চিত করে ঈদের তারিখ বলা যায় না। তবে এবারে ঈদুল আজহা ৩১ জুলাই অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আরবি জিলহজ মাসের ১০ তারিখ পবিত্র ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হয়, তবে তার পরের দুই দিন অর্থাৎ ১১ ও ১২ জিলহজেও পশু কোরবানি করার বিধান রয়েছে। মহান আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি বিধানের লক্ষ্যে পশু কোরবানি করার ঘটনাটির প্রকৃত তাৎপর্য হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করে সমস্ত লোভ-লালসা, হিংসা-বিদ্বেষ, ক্রোধ, স্বার্থপরতা তথা ভেতরের পশুত্ব ত্যাগের মধ্য দিয়ে আত্মশুদ্ধি অর্জনের প্রয়াস।

এই ঈদ ত্যাগের মহিমায় চিরভাস্বর। কোরবানির ঈদ নামে পরিচিত এই উৎসব শুরুর বেশ আগে থেকেই একধরনের আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। কোরবানির পশু কেনাবেচার জন্য সারা দেশে জমে ওঠে পশুর হাট। পশু কেনার পর তার যত্ন-পরিচর্যা চলে, এবং সবাই মহান আল্লাহর উদ্দেশে তা কোরবানি করার জন্য অপেক্ষায় থাকে। তবে এবারে করোনা মহামারির জন্য ভিন্ন পরিস্থিতিতে আসছে ঈদুল আজহা।

জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি আগামী ২১ জুলাই ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে বৈঠক বসবে। সেদিন (২১ জুলাই) সন্ধ্যায় যদি বাংলাদেশের আকাশে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যায় তবে ২২ জুলাই পবিত্র জিলহজ মাস গণনা শুরু হবে। ৩১ জুলাই শুক্রবার পালিত হবে পবিত্র ঈদুল আজহা। এছাড়া টাইমঅ্যান্ডডেট ডটকম-এ ঈদের এই তারিখরটির কথা বলা হয়েছে।

আর যদি ২১ জুলাই সন্ধ্যায় পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা না যায় তবে ২৩ জুলাই পবিত্র জিলহজ মাস শুরু হবে। আর ঈদুল আজহা পালিত হবে একদিন পর অর্থাৎ ১ আগস্ট।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ঢাকাসহ ৯ জেলায় নতুন ডিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৫ জুন:

ঢাকাসহ দেশের নয়টি জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে বর্তমান দুজন ডিসিকে এক জেলা থেকে আরেক জেলায় বদলি করা হয়েছে। বাকিগুলোতে প্রশাসন ক্যাডারের উপসচিব পর্যায়ের সাতজন কর্মকর্তাকে নতুন করে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়েছে।

ঢাকার জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলাম। এছাড়া, মেহেরপুরের জেলা প্রশাসক মো. আতাউল গনিকে টাঙ্গাইলে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব মো. মহিদুল ইসলাম চৌধুরীকে মেহেরপুরে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মীর নাহিদ আহসানকে মৌলভীবাজারে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. তমিজুল ইসলাম খানকে যাশোরে, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর একান্ত সচিব মো. খোরশেদ আলম খানকে নোয়াখালীতে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপসচিব আব্দুল জলিলকে রাজশাহীতে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক মো. জিয়াউল হককে বগুড়ায়, বিসিএস প্রশাসন অ্যাকাডেমির উপপরিচালক ড. রহিমা খাতুনকে মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

খুলনায় সুন্দরবন অনলাইন স্কুলের উদ্বোধন।।

লিপিকা পাত্র,খুলনা প্রতিনিধি:
করোনা ভাইরাস সক্রমনকালে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে। শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে গতকাল ২৪/০৬/২০২০ তারিখ বুধবার দুপুর সাড়ে বারোটায় খুলনায় সুন্দরবন অনলাইন স্কুলের উদ্বোধন করা হয়।

জুম এ‍্যাপের মাধ্যমে অনলাইনে খুলনা জেলার সুযোগ‍্য জেলা প্রশাসক জনাব মোহাম্মদ হেলাল হোসেন সুন্দরবন অনলাইন স্কুলের উদ্বোধন করেন।

তিনি বলেন শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এই অনলাইন স্কুলটি বিশেষ ভূমিকা রাখবে। তিনি স্কুলটি পরিচালনার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

সরকারের এটু আইতে (একসেস টু ইনফরমেশ ) শিক্ষা নিয়ে কাজ করা খুলনা জেলার চব্বিশ জন এ‍্যাম্বাসেডর শিক্ষকদের উদ‍্যোগে এ স্কুলটি চালু হচ্ছে। পঞ্চম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত আপাতত সপ্তাহে চারদিন দুটি করে ক্লাস নেওয়া হবে। ভবিষ্যতে এই সময়সীমা আরো বর্ধিত করা হবে।

অন‍্যান‍্যদের মধ্যে যুক্ত ছিলেন এটুআইএর প্রোগ্রাম কোঅর্ডিনেটর মোঃ কবির হোসেন,খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ‍্য অফিসার ম. জাভেদ এ‍্যাম্বাসেডরা। অনুষ্ঠানে এ‍্যাম্বসেডরদের পক্ষে দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য দেন মোঃ সারাফুল ইসলাম এবং লিপিকা পাত্র।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

৫ ডায়েরি উদ্ধার, সুশান্তের মৃত্যু তদন্তে নতুন মোড়

ডেস্ক,১৭ জুন্ : তিনদিন পরেও জট কাটল না বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিংহ রাজপুতের অপমৃত্যুর। ময়নাতদন্ত এবং ভিসেরা রিপোর্ট অনুযায়ী, গলায় ফাঁস দেওয়ায় শ্বাসরোধে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। পাশাপাশি, পোশাগত শত্রুতাও একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছে না মহারাষ্ট্র প্রশাসন। যেহেতু ছয় মাসে সাতটি ছবি তাঁর হাত থেকে চলে গেছে।

অবসাদ না কাজের অভাব, দুইয়ের সাঁড়াশি চাপেই কি মাত্র ৩৪-এ ফুরিয়ে গেলেন প্রতিভাবান অভিনেতা? উত্তর খুঁজতে সুশান্তের ফ্ল্যাট থেকে পাঁচটি ডায়েরি হেফাজতে নিয়েছে মুম্বই পুলিশ। যা পড়ে জানার চেষ্টা চলছে, শেষ দিকে কতটা কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন ‘কাই পো চে’ অভিনেতা।

সেই সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে তাঁর কল লিস্ট। শেষ ১০ দিন অভিনেতা যাঁদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন তাঁদের তালিকা বানাচ্ছে প্রশাসন। খুব শিগগিরিই জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে ডাকা হবে তাঁদের বলে জানা গেছে। যদিও ইতিমধ্যই পুলিশ রেকর্ড করেছে অভিনেতার শেষ ছবি ‘দিল বেচারা’র পরিচালক মুকেশ ছাবরা, ঘনিষ্ঠ বন্ধু বিকাশ গুপ্তা এবং বাঙালি প্রেমিকা রিয়া চক্রবর্তীর বয়ান।

আরো পড়ুন: নাসিমকে নিয়ে কটূক্তি, এবার গ্রেপ্তার রাবি শিক্ষক

মহারাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে অভিনেতার ভাই এবং পটনার বিজেপি বিধায়ক নীরজ কুমার সিং ইতিমধ্যেই সুশান্তের মৃত্যু আত্মহত্যায় না পেশাগত চাপের বিষয়টি খতিয়ে দেখার আবেদন জানিয়েছেন। সমস্ত সংবাদমাধ্যম এবং নীরজের বক্তব্য পুর্নবিবেচনার নির্দেশ টুইটে দিয়ে বিষয়টিতে মান্যতা দেওয়ার পরেই এই পুলিশি পদক্ষেপ বলে ধারণা সুশান্তের ঘনিষ্ঠ মহলের।

বুধবার অভিনেতার অবসাদের জন্য স্বজনপোষণকে দোষী করে বিহারের মজফফরপুর জেলা আদালতে বলিউডের চার তারকা সালমান খান, করন জোহর, একতা কাপূর, সঞ্জয় লীলা বানশালীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন আইনজীবী সুধীর কুমার ওঝা।

সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওই আইনজীবীর দাবি, সুশান্তের কাছ থেকে শুধু সাতটি ছবি কেড়ে নেওয়া হয়েছিল তাই-ই নয়, তাঁর একাধিক ছবি আজও মুক্তি পায়নি। এই সমস্ত ঘটনার চাপ দিনের দিনের পর দিন নিতে পারেননি মাত্র ৩৪ বছরের অভিনেতা। এই ঘটনাগুলিই তাঁকে আত্মহননের মতো চরম পথ বেছে নিতে বাধ্য করেছে।

একই বিষয় নিতে সম্প্রতি টুইট করেছেন কংগ্রেস নেতা সঞ্জয় নিরুপম। তিনিও একই প্রশ্ন তুলেছেন, সুশান্তের মতো প্রতিভার হাত থেকে কী করে সাতটি ছবি চলে যায়! বলিউডের আসল চেহারা কি এতটাই ভয়াবহ? খবর: আনন্দবাজার।



Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

নাসিমকে নিয়ে কটূক্তি, এবার গ্রেপ্তার রাবি শিক্ষক

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৭ জুন:

সদ্য প্রয়াত সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ নাসিমকে নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তির অভিযোগে এবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কাজী জাহিদুর রহমান নামের ওই সহকারী অধ্যাপককে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

জানা গেছে, বুধবার (১৭ জুন) দিবাগত রাত ২টার দিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কোয়ার্টারের বাসা খেকে গ্রেপ্তার করা হয় কাজী জাহিদুর রহমানকে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের শিক্ষক।

আরো পড়ুন : স্নাতকে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের তথ্য পাঠাতে হবে ২১ জুনের মধ্যে

এর আগে রাজশাহীর সাগরপাড়ার বাসিন্দা অ্যাডভোকেট তাপস কুমার সাহা ওইদিন রাতেইমতিহার থানায় অভিযোগটি দায়ের করেন। রাবি শিক্ষককে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মতিহার থানা পুলিশের এএসআই আসাদুজ্জামান।

তিনি জানান, মোহাম্মদ নাসিমকে নিয়ে ফেসবুকেআপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করার পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার আইনের ২৫, ২৯ ও ৩১ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

জানা গেছে, কাজী জাহিদুর রহমান নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক। মোহাম্মদ নাসিম অসুস্থ হওয়ার পর তিনি ফেসবুকে নাসিমকে ইঙ্গিত করে স্বাস্থ্যখাত নিয়ে স্ট্যাটাস দেন। এতে স্বাস্থ্যখাতে নানা অনিয়মের কথা উল্লেখ করেন।

মোহাম্মদ নাসিম মারা যাওয়ার পর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) এক শিক্ষককেও একই ধরনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর জাহিদুর রহমানের ফেসবুক স্ট্যাটাসগুলো সামনে আসে। এরপর তার শাস্তির দাবি জানান ছাত্রলীগের নেতাকর্মী এবং আওয়ামীপন্থী শিক্ষকরা। এর আগে স্ট্যাটাসের জেরে গত ১৬ জুন তাকে নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের পদ থেকেও বহিষ্কার করা হয়।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ফের সাধারণ ছুটির ঘোষণা আসছে যেসব এলাকায়

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৪জুন:

সরকারি অফিস ১৫ জুন পর্যন্ত সীমিত পরিসরে খোলার যে ঘোষণা দিয়েছিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, সে সময়সীমা আরও বাড়ছে। জানা গেছে, আজ রবিবার অথবা আাগামীকাল সোমবার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস সাংবাদিকদেরকে জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন। সে সিদ্ধান্ত জানানোর দায়িত্ব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের।

আর জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, সাধারণ ছুটি নতুন করে বাড়ানো হবে না। এখন যেভাবে চলছে, সেভাবেই চলবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এদিকে এলাকভিত্তিক লকডাউনের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে যেসব এলাকা রেড জোনে থাকবে সেখানকার সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীরা সাধারণ ছুটি পাবেন। এলাকাভিত্তিক লকডাউন করা নিয়ে দফায় দফায় বৈঠকও করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, গত শুক্রবার একাধিক মন্ত্রী ও মেয়রের মধ্যে ডিজিটাল বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। এছাড়া ইয়েলো ও গ্রিন জোনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সরকারি অফিস খোলা থাকবে। সীমিত পরিসরে গণপরিবহনও চলবে। তবে রেড জোনে সাধারণ ছুটি ঘোষণার বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়নি।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানান, যা যেমন চলছে, সব সেভাবেই চলবে। নতুন ছুটি ঘোষণা করা হবে না। রেড জোনে থাকা এলাকায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হবে বলেও জানান তিনি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

করোনা উপসর্গে প্রাথমিক শিক্ষকের মৃত্যু

হিলি প্রতিনিধি

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে নমুনা দেওয়ার একদিন পর করোনা উপসর্গ নিয়ে অবসরপ্রাপ্ত এক প্রাথমিক শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার ভোরে উপজেলার বুলাকিপুর ইউনিয়নের বিন্যাগাড়ি গ্রামে তার নিজ বাড়িতে মৃত্যু হয়েছে।

ঘোড়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা.নুর নেওয়াজ আহম্মেদ জানান, দীর্ঘ দিন থেকে মোস্তাফিজুর রহমান শ্বাসকষ্ট রোগে ভুগছিলেন এছাড়াও তার মাঝে করোনার উপসর্গ ছিলো। গতকাল শনিবার করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা দিয়েছেন এবং রোববার ভোরে নিজ বাড়িতে তার মৃত্যু হয়েছে।

তিনি আরো জানান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে তার দাফন-কাফন করা হবে। নিহত মোস্তাফিজুর রহমান (৭২) উপজেলার বিন্যাগাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক বলেও জানান তিনি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সীমিত পরিসরে ১৬ জুন থেকে চলবে অফিস-গণপরিবহন

নিজস্ব প্রতিবেদক |

করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতিতে চলমান নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হচ্ছে সোমবার (১৫ জুন)। গত ৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে সরকারি-বেসরকারি অফিস খুলে দেয়া হয়।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে থেকে জানা গেছে, আগামী ১৬ জুন থেকেও এ ব্যবস্থা চলমান থাকবে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবে গণপরিবহনও। সরকার মূলত জোনভিত্তিক লকডাউনের মাধ্যমে করোনা মোকাবিলা পদ্ধতি গ্রহণ করেছে। সাধারণ ছুটি থাকবে লকডাউন এলাকায়।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ’১৫ জুনের পর স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগের মত অফিস এবং গণপরিবহন চলবে, সেজন্য একটি অর্ডার জারি করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমার এখন জোনিংয়ে যাচ্ছি। ঢাকাসহ যে জায়গাগুলো বেশি সংক্রমিত হয়েছে সেই জায়গাগুলোতে রেডজোন ঘোষণা করে বিশেষ ট্রিটমেন্টে আমরা চলে যাবো।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘তাই বর্তমানে যে অবস্থায় চলছে সবকিছু সেভাবেই চলবে। নতুন করে ছুটি ঘোষণা করা হবে না। রেড জোনে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হবে।’

সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেশি করোনা আক্রান্ত এলাকাকে রেড, অপেক্ষাকৃত কম আক্রান্ত এলাকাকে ইয়োলো ও একেবারে কম আক্রান্ত বা আক্রান্ত মুক্ত এলাকাকে গ্রিন জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। রেড জোনকে লকডাউন করা হবে, ইয়োলো জোনে যেন আর সংক্রমণ না বাড়ে সেই পদক্ষেপ নেয়া হবে। সতর্কতা থাকবে গ্রিন জোনেও। লকডাউনের মেয়াদ হবে ১৪ থেকে ২১ দিন পর্যন্ত।

গত ৯ জুন দিবাগত রাত ১২টা থেকে রাজধানীর পূর্ব রাজাবাজার এলাকাকে পরীক্ষামূলকভাবে ‘রেড জোন’ হিসাবে লকডাউন বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ১৪ দিনের জন্য এই লকডাউন কার্যকর করা হবে সেখানে।

গত মার্চের শুরুতে দেশে করোনা আক্রান্ত রোগী প্রথম ধরা পড়ে। পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে যেতে থাকলে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সারাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। এরপর দফায় দফায় ছুটি বাড়তে থাকে। সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী গত ৩০ মে ছুটি শেষ হয়।

করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ার আশঙ্কার মধ্যেই টানা ৬৬ দিনের ছুটি শেষে গত ৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত বিভিন্ন নির্দেশনা মানা সাপেক্ষে সরকারি-বেসরকারি অফিস সীমিত পরিসরে খুলে দেয়া হয়। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বন্ধ থাকা গণপরিবহনও (বাস, লঞ্চ, ট্রেন) চালু হয়।

পরে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা আদেশে জানানো হয়, সরকারি দফতরে সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ কর্মকর্তা উপস্থিত থাকতে পারবেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter