নিউজ

সরকারি কর্মকর্তাদের পরিবারসহ কর্মস্থলে থাকার নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক,৯ এপ্রিল: মাঠপর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের সার্বক্ষণিক কর্মস্থলে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে তাঁদের পরিবারকেও সঙ্গে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে একনেক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন বলে এক ব্রিফিংয়ে জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (একনেক) নির্বাহী কমিটি বাংলাদেশ রেলওয়ের আখাউড়া-সিলেট মিটার গেজ রেলপথকে ডুয়েল গেজে পরিবর্তন করার লক্ষ্যে ১৬ হাজার ১০৪ কোটি ৪৪ লাখ টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে।

বৈঠক শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান ব্রিফিংয়ে জানান, একনেক বৈঠকে ১৮ হাজার ১৯১ কোটি ৩৮ লাখ টাকার মোট ৭টি নতুন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদনকৃত প্রকল্প ব্যয়ের ৬ হাজার ৬২২ কোটি ৪৩ লাখ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে এবং অবশিষ্ট ১১ হাজার ৫৬৮ কোটি ৯৫ লাখ টাকা বিদেশি সাহায্য হিসেবে জোগান দেওয়া হবে বলে তিনি জানান। অনুমোদিত সাতটি প্রকল্পই নতুন প্রকল্প।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, আখাউড়া-সিলেট অঞ্চলের রেলপথকে ডুয়েল গেজে রূপান্তরিত করার প্রকল্প ২০২৫ সালের জুন মাসের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে। এ প্রকল্পে সহায়তা হিসেবে জি টু জি–এর আওতায় ১০ হাজার ৬৫৪ কোটি ৩৬ লাখ টাকা চীন থেকে নেওয়া হবে। প্রকল্পের আওতায় বিদ্যমান ২২৫ কিলোমিটার আখাউড়া-সিলেট অঞ্চলের মিটার গেজ রেলপথ ২৩৯ দশমিক ১৪ কিলোমিটার ডুয়েল গেজে রূপান্তরিত করা হবে। পাশাপাশি, অপর প্রধান প্রকল্পের আওতায় ৪৯টি বড়, ২৩৭টি ছোট রেলসেতু, ২২টি স্টেশনের সিগন্যালিং ব্যবস্থা, ১৬ হাজার ৬৯০ বর্গমিটার আবাসিক ভবন নির্মাণ, ব্যারাক ও ডরমিটরি এবং ২০০ দশমিক ৩০ একর ভূমি অধিগ্রহণ রয়েছে। তিনি বলেন, আখাউড়া-সিলেট অঞ্চলের রেলপথটি অর্থনৈতিক বিবেচনায়, পর্যটন, আন্ত এবং আঞ্চলিক যোগাযোগের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত সময়ে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের হার ৪৭.২৪ শতাংশ। এ সময়ে ৮৩,৪৩২ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। এর আগের বছরে এই একই সময়ে এডিপি বাস্তবায়নের হার ছিল ৪৫.৬৫ শতাংশ। এ সময়ে ৭১,৯৪০ কোটি টাকা ব্যয় হয়।

মন্ত্রী বলেন, সরকারি কর্মকর্তারা যাতে তাঁদের কাজে পূর্ণ মনোনিবেশ দিতে পারেন, এ জন্য মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা তাঁদের নিজ নিজ এলাকায় পরিবার–পরিজন নিয়ে বসবাস করেন, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন।

বৈঠকে পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠান স্থাপনের আগে পর্যাপ্ত উন্মুক্ত স্থান, বারান্দা এবং ভেন্টেলিটার সিস্টেম, ফায়ার ইস্টিংগুইশিং সিস্টেম রাখা এবং পুকুর ও জলাধার রাখার বিষয়েও নির্দেশনা দেন। তবে এ ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের নির্দেশ দেন।

প্রধানমন্ত্রী নদীর নাব্যতা বজায় রাখতে নদীর ড্রেজিং অব্যাহত রাখার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

একনেক সভায় দেশে ভারতীয় বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ৯১৯.৮৫ কোটি টাকার ভারতীয় অর্থনৈতিক জোনের অনুমোদন দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) অধীন বাংলাদেশ অর্থনৈতিক জোন কর্তৃপক্ষ (বেপজা) ২০২১ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। এটি বাস্তবায়নে ভারতের তৃতীয় ক্রেডিট লাইন থেকে ৯১৯.৮৫ কোটি টাকা পাওয়া যাবে। এই প্রকল্পটির প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে, বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে ভারতীয় ডেভেলপার কোম্পানিগুলোকে আকৃষ্ট করাসহ সে দেশের বিনিয়োগকারীদের সুবিধা প্রদানে ভারতীয় অর্থনৈতিক জোনে অবকাঠামো উন্নয়ন করা।

পাশাপাশি ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নে সেখানে তাদের শিল্প ইউনিট স্থাপনে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা।

প্রধান প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে, প্রায় ১৫২ লাখ কিউবিক মিটার ভূমি উন্নয়ন, পানি সরবরাহ ও ড্রেজিং নিশ্চিত করতে ফেনী নদী থেকে ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ পাইপলাইন স্থাপন, ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ সংযোগ সড়ক স্থাপন, একটি পাম্প স্টেশন স্থাপন, একটি জলাধার, ইন্টারনাল লিংকেজ, বহির্ডেন লাইন নির্মাণ, ৫ হাজার মিটার সীমানা দেয়াল নির্মাণ, ১৬৮০ বর্গমিটার প্রশাসনিক ভবন, ২০৬০৩ বর্গফিট নিরাপত্তা শেড ও অপটিকেল ফাইবার স্থাপন।

অন্য প্রকল্পসমূহ হচ্ছে, ২৪৪.৩১ কোটি টাকা ব্যয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প, মাগুরা-শ্রীপুর মহাসড়ক সম্প্রসারণ, ১৩৯.৪৬ কোটি টাকা ব্যয়ে খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের নতুন অফিস ভবন নির্মাণ এবং ৮৯ কোটি টাকা ব্যয়ে বিসিএসআইআরের ঢাকা ও চট্টগ্রাম কেন্দ্রে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর শুঁটকি মাছ প্রক্রিয়াকরণ এবং ইনডোর কৃষি গবেষণাকেন্দ্র স্থাপন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

লাইফ সাপোর্টে রেখেই মাদ্রাসা ছাত্রীর অস্ত্রোপচার

ডেস্ক, ৯ এপ্রিলঃ নীর সোনাগাজীতে অগ্নিদগ্ধ মাদ্রাসাছাত্রীর অস্ত্রোপচার হ‌য়ে‌ছে। আজ মঙ্গলবার এই অস্ত্রোপচার হয়। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত মেয়েটির ফুসফুসকে স‌ক্রিয় করতে এই অস্ত্রোপচার করা হ‌য়ে‌ছে ব‌লে জা‌নি‌য়ে‌ছেন চি‌কিৎস‌কেরা। তাঁরা বলছেন, সিঙ্গাপুরের চিকিৎসকদের পরামর্শে এই অস্ত্রোপচার হয়েছে। অস্ত্রোপচার শে‌ষে দুপু‌রের দি‌কে ঢাকা মে‌ডি‌কেল ক‌লে‌জের প‌রিচালক ব্রি‌গে‌ডিয়ার না‌সিরউদ্দীন এবং বার্ন ও প্লা‌স্টিক সার্জা‌রির বিভাগীয় প্রধান আবুল কালাম সাংবা‌দিক‌দের স‌ঙ্গে কথা ব‌লেন। মেয়েটিকে লাইফ সাপোর্টে রেখেই অস্ত্রোপচার করা হয় বলে জানান তিনি। ঢাকা মে‌ডি‌কেল ক‌লে‌জের প‌রিচালক না‌সিরউদ্দীন ব‌লেন, অগ্নিদগ্ধ ছাত্রীর শরী‌রে বেশ কিছু জ‌টিলতা দেখা দি‌য়ে‌ছে। রক্ত ও ফুসফুসে সংক্রমণ ছাড়াও তাঁর কিড‌নি‌তে কিছুটা সমস্যা দেখা দি‌য়ে‌ছে। মেয়েটিকে সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা কর‌ছেন তাঁরা । তিনি বলেন, সিঙ্গাপুর জেনা‌রেল হাসপাতাল জা‌নি‌য়ে‌ছে রো‌গীর এখন যে অবস্থা তাতে এই মুহূ‌র্তে দেশের বাইরে চিকিৎসার জন্য নি‌য়ে যাওয়া যা‌বে না। পরিচালক আরও ব‌লেন, ‘আমরা সবসময় প্রত্যাশা ক‌রি রো‌গী ফি‌রে আস‌বে। এক্ষে‌ত্রেও একই প্রত্যাশা ক‌রি। ‌এ রো‌গীর ক্ষে‌ত্রে বেশ কিছু জ‌টিলতা র‌য়ে‌ছে। ত‌বে অনেক কিছুই সম্ভব হয়, সৃ‌ষ্টিকর্তা সহায় থাক‌লে।’ তি‌নি দেশবাসী‌কে এই ছাত্রীর সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করার অনু‌রোধ জা‌নি‌য়ে‌ছেন। বার্ন ও প্লা‌স্টিক সার্জা‌রির বিভাগীয় প্রধান আবুল কালাম ব‌লেন, ফুসফুস‌কে স‌ক্রিয়তা দি‌তে যে অস্ত্রোপচার‌টি করা হ‌য়ে‌ছে, সে‌টি গতকালই করার কথা ছিল। কিন্তু রো‌গীর অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাঁরা আর অস্ত্রোপচা‌রে যান‌নি। আজ রো‌গী কিছুটা ভাল। সিঙ্গাপু‌রের চি‌কিৎসক‌দের পরাম‌র্শে তাঁরা অস্ত্রোপচার‌টি ক‌রে‌ছেন। তিন‌ি আরও জানান, পূর্ব‌নির্ধা‌রিত এক‌টি কর্মসূ‌চির অংশ হি‌সে‌বে সিঙ্গাপুর জেনা‌রেল হাসপাতা‌লের চি‌কিৎসক‌দের ঢাকায় আসার কথা র‌য়ে‌ছে ১৪ এপ্রিল। তাঁরা এসে রো‌গী দেখ‌বেন। তাছাড়া সার্বক্ষ‌ণিক যোগা‌যোগ র‌য়ে‌ছে।

সুত্র ঃ প্রথম আল‌ো

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সরকারি চাকরিজীবীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক,৯ এপ্রিল:

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যাদের পদায়ন গ্রাম অঞ্চলে, তাদের গ্রামেই থাকতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে সরকারি এসব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গ্রামে ধরে রাখার উপযোগী পরিবেশ তৈরির জন্যও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পরিকল্পনমন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেন, একনেকে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়ে বলেছেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যেন মাঠ পর্যায় থাকেন, তার ব্যবস্থা করতে হবে।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, সরকারি কর্মকর্তারা গ্রামে থাকতে চান না। আবার তারা গ্রামে থাকলেও তাদের পরিবার থাকে ঢাকায়। এ অবস্থায় তাদের মন পড়ে থাকে পরিবারের কাছে। ফলে জনগণকে সঠিক সেবা দিতে পারেন না। এ অবস্থায় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যেন পরিবার নিয়ে গ্রামের কর্মস্থলেই থাকতে পারেন। সেজন্য পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

মঙ্গলবারের একনেকে সাতটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পগুলোর ব্যয় ১৮ হাজার ১৯১ কোটি টাকা।

অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর বিষয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ‘বাংলাদেশ রেলওয়ের আখাউড়া-সিলেট সেকশনের মিটারগেজ রেললাইনকে ডুয়েলগেজ রেললাইনে রূপান্তর’ প্রকল্পে ব্যয় হবে ১৬ হাজার ১০৪ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার দেবে ৫ হাজার ৪৫০ কোটি ৮ লাখ টাকা এবং চীন সরকার ঋণ দেবে ১০ হাজার ৬৫৪ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। চলতি বছরের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুনের মধ্যে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ কমপ্লেক্স নির্মাণ’ প্রকল্পে ব্যয় হবে ২৪৪ কোটি ৩১ লাখ টাকা। পুরোটাই সরকারি অর্থায়নে এ প্রকল্প চলতি বছরের মার্চ থেকে ২০২১ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের ‘মাগুরা-শ্রীপুর জেলা মহাসড়ক বাঁক সরলীকরণসহ সম্প্রসারণ’ প্রকল্পে ব্যয় হবে ২১৫ কোটি ৯ লাখ টাকা। এ প্রকল্পের পুরোটাই সরকারি অর্থায়নে চলতি বছরের মার্চ থেকে ২০২১ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের ‘মিরসরাইয়ে ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন’ প্রকল্পে ব্যয় হবে ৯১৯ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার দেবে ৫ কোটি ২৬ লাখ টাকা এবং ভারতী ঋণ দেবে ৯১৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। চলতি বছরের এপ্রিল থেকে ২০২১ সালের জুনের মধ্যে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ‘বিসিএসআইআর ঢাকা ও চট্টগ্রাম কেন্দ্রে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর শুটকি মাছ প্রক্রিয়াকরণ এবং ইনডোর ফার্মিং গবেষণা সংক্রান্ত সুবিধাদি স্থাপন’ প্রকল্পে ব্যয় হবে ৮৯ কোটি টাকা। সরকারি অর্থায়নে এ প্রকল্প চলতি বছরের এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের মার্চের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে।

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ‘কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার ঘুঘুমারী থেকে ফুলুয়ার চর ঘাট ও রাজিবপুর উপজেলা সদর (মেম্বার পাড়া) থেকে মোহনগঞ্জ বাজার পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙন থেকে বাম তীর সংরক্ষণ’ প্রকল্পে ব্যয় হবে ৪৭৯ কোটি ২৩ লাখ টাকা। সরকারি অর্থায়নে এ প্রকল্প চলতি বছরের মে থেকে ২০২১ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার গোপালপুর করিমুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মডেল টেস্ট পরীক্ষার নামে ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। তবে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক অর্থ আদায়ের বিষয়টি অস্বীকার করে মডেল টেস্ট পরীক্ষার ফি বাবদ অর্থ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন।

জানা গেছে, গোপালপুর করিমুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ে গত শনিবার থেকে মডেল টেস্ট পরীক্ষা শুরু হয়। ৫০ নম্বরের এই পরীক্ষায় ছাত্র-ছাত্রীদের ফি বাবদ ১৫০ টাকা করে নেওয়া হয়। ৫০ নম্বরের এই পরীক্ষায় এই ফি নেয়ায় অভিভাবক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিভাবক হায়দার হাওলাদার বলেন, উপজেলার সকল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দু’টি পরীক্ষা হয়। কিন্তু সরকারের এই নির্দেশনা অমান্য করে আমাদের বিদ্যালয়ে মডেল টেস্ট নাম দিয়ে অতিরিক্ত পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। এই পরীক্ষায় ৩৩৮ জন ছাত্র-ছাত্রীর কাছ থেকে প্রায় ৫০ হাজার টাকা প্রধান শিক্ষক হাতিয়ে নিয়েছেন। আমাদের বিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থীই গরীব। এদের অনেকের এই টাকা দিতে কষ্ট হয়েছে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চিত্ত রঞ্জন মন্ডলের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্তে আমি ছাত্র-ছাত্রীদের এই মডেল টেস্ট পরীক্ষা শুরু করেছি। আমি পরীক্ষার ফির কোন অর্থ আত্মসাৎ করিনি।

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মাহবুব দিপু, মুকুল হাওলাদার, আবু সাইদ সিকদার বলেন, মডেল টেস্ট পরীক্ষার ব্যাপারে কমিটিতে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। প্রধান শিক্ষক তার একক সিদ্ধান্তে এই পরীক্ষা নিচ্ছেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান বলেন, এ ধরনের মডেল টেস্ট পরীক্ষা নেওয়ার সরকারি কোন বিধান নেই। এই মডেল টেস্ট পরীক্ষার মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক যদি কোন অর্থ হাতিয়ে নিয়ে থাকেন তাহলে তার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঘুরে দাঁড়িয়েছেন সেই খাদিজা


ডেস্ক রিপোর্ট : দুর্বৃত্তের হামলায় আহত সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের সেই ছাত্রী খাদিজা আক্তার নার্গিস (২৫) ঘুরে দাঁড়িয়েছেন। পড়াশোনা, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা আর পরিবারের সঙ্গে ঘুরে বেড়ানোসহ সবকিছুই নিজের মতো করে করতে পারছেন তিনি। দুই মাস আগে তিনি ডিগ্রি তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষাও দিয়েছেন, অপেক্ষা করছেন ফলের জন্য। তবে সবকিছুর পাশাপাশি চলছে চিকিৎসাও।

সোমবার (৮ এপ্রিল) খাদিজার চাচা আবদুল কুদ্দুস বলেন, ‘আমাদের মেয়ে এখন পুরোপুরি সুস্থ। পড়াশোনা থেকে শুরু করে সবকিছুই সে নিজের মতো করতে পারছে। প্রায় দুই মাস আগে খাদিজা ডিগ্রি তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষাও দিয়েছে। পরীক্ষা খুব ভালো হয়েছে। এখন ফলের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে। জীবনযুদ্ধে খাদিজা এতটাই এগিয়েছে, আমরা আশাবাদী, সে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবে।’

আবদুল কুদ্দুস জানান, চিকিৎসকদের পরামর্শে তার চিকিৎসা অব্যাহত রয়েছে। শারীরিক ও মানসিক অবস্থার অনেক পরিবর্তন হয়েছে তার। সে এখন পুরোপুরি স্বাভাবিক। বন্ধুদের সঙ্গে গল্প করা থেকে শুরু করে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও ঘুরে বেড়াচ্ছে। তবে, তা একটু নিয়মের ভেতরে। অবসরে খাদিজা পরিবারকেও সময় দেয়। খাদিজার বাবা মাসুক মিয়া ও তার বড় ভাই শাহীন আহমদ প্রবাসে। তারা প্রতিদিন খাদিজার সঙ্গে কথা বলেন, তার খোঁজখবর নেন।’

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৩ অক্টোবর খাদিজা ডিগ্রি পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে সিলেটের এমসি কলেজের পুকুরপাড়ে বদরুল আলম নামের একজনের অতর্কিত চাপাতি হামলার শিকার হন। এরপর এ ঘটনায় সিলেট মহানগর পুলিশের শাহপরান থানায় বদরুলকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করেন খাদিজার চাচা আবদুল কুদ্দুস। হামলার পাঁচ মাস পাঁচ দিন পর, ২০১৭ সালের ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে রায় দেন সিলেটের মহানগর দায়রা জজ আদালতের তৎকালীন বিচারক আকবর হোসেন মৃধা। রায়ে বদরুল আলমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত। মামলায় ৩৭ সাক্ষীর মধ্যে খাদিজাসহ ৩৪ জন সাক্ষ্য দেন।

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেছিলেন, খাদিজা অলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়া কিংবদন্তি নারী। মৃত্যুর কাছে হার না মানা খাদিজা বিজয়িনী, প্রতিবাদকারী। তখন বিচারক বলেছিলেন, ‘আমার বিশ্বাস, আসামির ওপর সর্বোচ্চ শাস্তি আরোপের মাধ্যমে প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হাজার হাজার বদরুল ভবিষ্যতে এমন কাণ্ড থেকে বিরত থাকবে এবং আমাদের নারী সমাজ সুরক্ষিত হবে।’

রায়ে আদালত আরও বলেন, ‘প্রেমের বিষয়টি প্রমাণিত হয়নি। মানুষের মধ্যে প্রেম-ভালোবাসা থাকতেই পারে। কিন্তু, তার জন্য এ ধরনের নৃশংসতা, নিষ্ঠুরতা ও ঘৃণ্য কর্মকাণ্ড কাম্য হতে পারে না।’

আদালত সূত্র জানায়, ২০১৬ সালের ৫ অক্টোবর সিলেট মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় বদরুল। ওই বছরের ৮ নভেম্বর খাদিজা হত্যাচেষ্টা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহপরান থানার এসআই (সাবেক) হারুনুর রশীদ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। ১৫ নভেম্বর আদালতে চার্জশিট গৃহীত হয়। ২৯ নভেম্বর আদালত বদরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। ১৫ ডিসেম্বর বদরুলকে সিলেট মহানগর মুখ্য হাকিম সাইফুজ্জামান হিরোর আদালতে হাজির করা হয়। এদিন সাক্ষ্য দেন স্কয়ার হাসপাতালের নিউরো সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. এএম রেজাউস সাত্তার। ১১ ডিসেম্বর আদালতে সাক্ষী দেন নার্গিসের মা-বাবা, বদরুলের জবানবন্দি গ্রহণকারী বিচারক ও তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ ১৫ জন।
এর আগে ৫ ডিসেম্বর মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে এ মামলার ১৭ সাক্ষী সাক্ষ্য দেন। সবশেষে ২০১৭ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি সিলেটের আদালতে সাক্ষ্য দেন খাদিজা। হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা মামলাটি সিলেটের মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে বিচারাধীন ছিল। গত ১ মার্চ রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পর মামলাটি মহানগর দায়রা জজ আদালতে নেওয়া হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ওভারডোজ ইনজেকশনে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর মৃত্যু!

জাবি,৯ এপ্রিল : অকালেই চলে গেলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রী ফারিহা নুসরাত জেরিন। তিনি জাবির ৪৬তম ব্যাচের ইংরেজি বিভাগের ছাত্রী ছিলেন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার রাতে তিনি মারা যান। আলার্জির ইনজেকশনে ওভারডোজের কারণে ইন্টারনাল ব্লিডিং হয়ে তিনি মারা যান।

তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহপাঠীদের মাঝে। ওই ছাত্রী ঢাকার সেন্ট্রাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

জানা গেছে, ওই ছাত্রী এলার্জির সমস্যায় ভুগছিলেন। ওভারডোজ ইনজেকশনের কারণে এই ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এঘটনায় জাবি ক্যাম্পাসে শোকের ছায় বিরাজ করছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঈদের ছুটি ৬ দিন হচ্ছে!

ডেস্ক ,৯ এপ্রিল ২০১৯:

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সুখবর আসছে। এখন থেকে ঈদের ছুটি ছয় দিন করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। আসন্ন ঈদুল আজহা থেকে এটি কার্যকর হবে বলে জানা গেছে।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সুখবর আসছে। এখন থেকে ঈদের ছুটি ছয় দিন করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। আসন্ন ঈদুল আজহা থেকে এটি কার্যকর হবে বলে জানা গেছে।

বর্তমানে ঈদে সরকারি কর্মচারীরা ছুটি পান তিন দিন। চাকরিজীবীদের ঈদে স্বস্তিতে বাড়ি পোঁছাতে ছুটি বাড়ানোর এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সরকারি একটি সূত্র জানিয়েছে, ঈদের ছুটি বাড়ানোর একটি প্রস্তাব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাবটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমোদন পেলে মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে।

সূত্র জানায়, প্রস্তাবটি অনুমোদন পেলে এবার ঈদের ছুটি শুরু হবে ৩০ আগস্ট বুধবার থেকে এবং শেষ হবে ৪ সেপ্টেম্বর সোমবার। যদিও এর মধ্যে সাপ্তাহিক ছুটি ঈদের ছুটি হিসেবে কার্যকর হবে। সব মিলিয়ে সরকারি চাকরিজীবীরা এবার ঈদের ছুটি পাবেন ছয় দিন। আর এ ছয় দিন সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। আর ঈদের এ বাড়তি ছুটি কর্মচারীদের ঐচ্ছিক ছুটি থেকে কেটে নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোজাম্মেল হক খান বলেন, বাস্তব প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে ঈদে ছুটি বাড়ানোর একটি প্রস্তাব সরকারের উচ্চ পর্যায়ে দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে নীতিগত সিদ্ধান্ত আসার পরই এটি সর্বোচ্চ ফোরামে উপস্থাপন করা হবে। এখানে অনুমোদন পেলে ছুটির আদেশ জারি হবে। না হলে বিদ্যমান নিয়মে ছুটি থাকবে।

তিনি বলেন, সরকার ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলে বছরের নির্ধারিত ছুটি ঠিকই থাকবে। বাড়তি ছুটি কর্মচারীদের ঐচ্ছিক ছুটি থেকে কেটে নেওয়া হবে। অর্থাৎ শুধু ঐচ্ছিক ছুটির সঙ্গে ঈদের ছুটির সমন্বয় করা হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সব ঠিকঠাক থাকলে এবার ঈদুল আজহা পালন হবে ২ সেপ্টেম্বর শনিবার। ঈদের দিন ও তার আগের দিন পড়ছে সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে বিদ্যমান নিয়মে এবার তিন দিন ঈদের ছুটি থাকলে এর দু’দিনই পড়ছে সাপ্তাহিক ছুটি। বাড়তি কোনো ছুটি পাচ্ছেন না সরকারি চাকরিজীবীরা। চাকরিজীবীরা বৃহস্পতিবার অফিস শেষ করে বাড়ির দিকে রওনা হবেন। আবার সোমবার অফিস খোলা থাকায় ঈদের পরের দিন রোববার ঢাকামুখী হবেন। এতে একসঙ্গে রাস্তাঘাটা, ফেরি, লঞ্চ, রেলের ওপর চাপ বাড়বে। মানুষের দুর্ভোগের শেষ থাকবে না। এমনকি গ্রামের সড়কও বেহাল। তারপর এত চাপ মোকাবেলা করা প্রশাসনের পক্ষে কষ্টসাধ্য হয়ে পড়বে। সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা বাড়ারও আশঙ্কা থাকছে। ফলে চাকরিজীবীদের নির্বিঘ্নে বাড়ি পোঁছাতে ঈদের ছুটি বাড়ানো হচ্ছে।

জানা গেছে, ঈদে ছুটি বাড়ানোর দাবি সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের। ২০১০ সালে ঈদুল ফিতরে সরকারি ছুটি তিন দিনের পরিবর্তে পাঁচ দিন করার একটি প্রস্তাব দেয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। যদিও পরে এটি নাকচ হয়ে যায়। গত ঈদুল ফিতরের ছুটিও ছয় দিন করার একটি প্রস্তাব তৈরি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এতে সম্মতি দেন; কিন্তু ওই সময় সংসদে বাজেট অধিবেশন থাকায় ছুটি বাড়ানোর প্রস্তাব আর কার্যকর হয়নি।

এবার সরকারি কর্মচারীদের দাবি বিবেচনায় নিয়ে এবং ঈদে যাতে ঘরমুখো মানুষ নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারেন এ জন্য ছুটি বাড়ানোর প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। বর্তমানে বছরে অফিস-আদালত ১৫৯ দিন বন্ধ থাকে। এর মধ্যে সাপ্তাহিক ছুটি থাকে ১০৪ দিন। অন্যান্য ছুটি থাকে ৫৫ দিন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মাদ্রাসা ছাত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা: গ্রেপ্তার ৭

ডেস্ক,৯ এপ্রিল ২০১৯:

ফেনীর সোনাগাজীতে মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টার ঘটনার তিন দিন পর থানায় মামলা হয়েছে। নুসরাতের ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান বাদী হয়ে অজ্ঞাত পরিচয় চার বোরখা পরিহিত নারীসহ আরও কয়েকজনকে আসামি করে সোমবার মামলা দায়ের করেন।

গত শনিবার সোনাগাজীর ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসায় নুসরাতের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন দিলে তিনি মারাত্মকভাবে দগ্ধ হন। বর্তমানে ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে লাইফসাপোর্টে রয়েছেন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

এ ঘটনায় এ পর্যন্ত সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া নুসরাতের শ্লীলতাহানির মামলায় ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষও গ্রেপ্তার আছেন। অধ্যক্ষকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে মাদ্রাসার গভর্নিং বডি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সোনাগাজী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কামাল হোসেন জানান, নুসরাতে গায়ে আগুন দেওয়ার দিন দুপুরে সোনাগাজী সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক নুরুল আফসার ও ছাত্র আরিফুল ইসলামকে আটক করেছিল। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সোমবার সকালে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সড়ক দুর্ঘটনায় চুয়াডাঙ্গা সরকারী কলেজছাত্র নিহত

চুয়াডাঙ্গা,৭ এপ্রিল: সড়ক দুর্ঘটনায় রাসেল হোসেন (২২) নামে এক কলেজ ছাত্র নিহত হয়েছেন। নিহত রাসেল মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় একটি ভ্যান পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। পরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে ছিটকে পড়েন রাসেল। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার হাটকালুগঞ্জ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, নিহত রাসেল হোসেন চুয়াডাঙ্গা সুমিরদিয়া গ্রামের আখের আলীর ছেলে এবং চুয়াডাঙ্গা সরকারী কলেজের ছাত্র ছিলেন।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল খালেক জানান, মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় রাসেল একটি ভ্যানকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এ সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ছিটকে পড়ে আহত হন চালক রাসেল। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হয়। পরে শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়ার পথে তিনি মারা যান।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন নিপীড়ক শিক্ষককের কুশপুতুলে আগুন

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি,৭ এপ্রিল: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানির দায়ে অভিযুক্ত সিএসই বিভাগের প্রধান মো. আক্কাছ আলীর কুশপুত্তলিকা দাহ করেছেন শিক্ষার্থীরা। রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে আন্দোলনরত ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তার কুশপুত্তলিকা দাহ করেন।

এদিকে দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানির ঘটনায় শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান মো. আক্কাস আলীর পদত্যাগ দাবিতে ক্যাম্পাসে দফায় দফায় বিক্ষোভ করছেন। এসময় তারা অভিযুক্ত শিক্ষকের বহিষ্কার ও বিচারসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন।

তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে, অনতিবিলম্বে আক্কাস আলীকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করাসহ ক্যাম্পাসে আজীবন অবাঞ্চিত ঘোষণা, ভিকটিম ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও হয়রানি বন্ধ করা, কোন শিক্ষক কার্যদিবস ছাড়া ছাত্রীদের ডাকতে পারবেনা এবং ডিপার্টমেন্টাল অফিস ছাড়া কোথাও ডাকতে পারবেনা। এর পাশাপাশি অবিলম্বে ডিপার্টমেন্টভিত্তিক ছাত্র সংসদ নির্বাচনেরও দাবি জানিয়েছেন তারা।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, সিএসই বিভাগের প্রধান আক্কাস আলীর বিরুদ্ধে দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানির সুস্পষ্ট প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও প্রশাসন তাকে কেবল সতর্কবার্তা দিয়েছে। এটা কোন ধরণের বিচার। আমরা এই নিপীড়ক শিক্ষককে ক্যাম্পাসে দেখতে চাই না।

উল্লেখ্য, সিএসই বিভাগের প্রধান আক্কাস আলীর বিরুদ্ধে একই বিভাগের দুই ছাত্রী যৌন হয়রানির অভিযোগ দিলেও ওই শিক্ষকে কেবল সতর্কবার্তা দেয়া হয়। বিষয়টি প্রমাণিত হলেও শিক্ষক আর শুক্র ও শনিবার শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে ডাকতে পারবেন না, তিনি থিসিসে কোন মেয়ে নিতে পারবেন না এমন কিছু অদ্ভত শাস্তি দেয়া হয়। এনিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

স্কুলের ছাদ ধসে হতাহতদের ক্ষতিপূরণের নির্দেশনা চেয়ে রিট আবেদন

বিডি নিউজ,৭ এপ্রিল: বরগুনার একটি স্কুলের ছাদ ধসে শিক্ষার্থী হতাহতের ঘটনায় ক্ষতিপূরণের নির্দেশনা চেয়ে রিট আবেদন হয়েছে।

রোববার হাই কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট আবেদনটি করা হয় বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন রিটকারী পক্ষের আইনজীবী হুমায়ুন কবির পল্লব।

শনিবার বরগুনার তালতলীতে ১৭ বছরের পুরনো ছোট বগী পিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাদের একটি বিম ভেঙে পড়লে মানসুরা নামে তৃতয়ি শ্রেণির এক শিক্ষার্থী নিহত ও তিনজন আহত হয়।

আইনজীবী হুমায়ুন কবির বলেন, “সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হাসান তারেক পলাশ ও ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশনের পক্ষে এ রিট আবেদনটি করা হয়েছে। বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাই কোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটির শুনানি হতে পারে।”

তিনি বলেন,  নিহত শিক্ষার্থী মানসুরার পরিবারকে এক কোটি টাকা এবং আহত অন্যান্য শিক্ষার্থীর পরিবারকে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ ও তাদের যথাযথ চিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে রিটে।

শিক্ষা সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্থানীয় সরকার সচিব, বরগুনার জেলা প্রসাশক, তালতলী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা, ছোট বগী পিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বিদ্যালয় ভবনটি নির্মাণকারী সেতু এন্টারপ্রাইজের স্বত্ত্বাধিকারী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

এছাড়া শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সবার জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে নিশ্চিত করার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, সকল সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ঝঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করে পরিত্যক্ত ঘোষাণা করতে জরিপের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না এবং ছোট বগী পিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাদ ধসে নিহত শিক্ষার্থী মানসুরা ও আহত শিক্ষার্থীদের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণসহ তাদের যথাযথ চিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, মর্মে রুলও চাওয়া হয়েছে। 

এই বিদ্যালয় ভবনটি ২০০২ সালে নির্মাণ করে সেতু এন্টারপ্রাইজ। এর মালিক আবদুল্লাহ আল মামুন বরগুনা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মতিয়ার রহমান তালুকদারের ভাগ্নে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক ,৭ এপ্রিল ২০১৯: ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে ফেনীর দাগনভূঞা গ্রামে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীর অভিভাবক লিখিতভাবে অভিযোগে করেছে। ধর্ষণের শিকার হয়ে তাদের ১২ বছরের শিশু সন্তান অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে।

শুক্রবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে ওই শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ।

জানা যায়, উপজেলার খুশিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া ওই শিক্ষার্থী ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের জানুয়ারি মাসে প্রধান শিক্ষকের ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীর মা দাগনভূঞা থানায় লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, আবদুল করিম (৫৫) নামের ওই প্রধান শিক্ষক নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে গিয়ে তার মেয়েকে ধর্ষণ করে। বর্তমানে মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে। প্রথমে তারা ভেবেছিলেন, মেয়ের পেটে পাথর হয়েছে কিংবা পাকস্থলির অন্য কোনও সমস্যা। তবে গত মাসে তারা এক চিকিৎসকের কাছে গিয়ে জানতে পারেন, তাদের মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা।

দাগনভূঞা থানার ওসি ছালেহ আহমেদ পাঠান বলেন, ‘শিক্ষাথীর অভিভাবকরা ইতোমধ্যেই এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তার পরই অভিযুক্ত শিক্ষক আবদুল করিমকে আটক করা হয়েছে।’

ফেনীর পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম সরকার পিপিএম বলেন, শিশুটির অন্তঃসত্ত্বা বিষয় নিশ্চিত হতে চিকিৎসকের পরামর্শে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ করে এই ঘটনায় দ্রুত মামলা নিতে সংশ্লিষ্ট থানাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পরীক্ষা কেন্দ্রে স্মার্টফোন নেয়ায় ৭ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার

পূর্বধলা (নেত্রকোনা) সংবাদদাতা , ০৬ এপ্রিল, ২০১৯
নেত্রকোনার পূর্বধলায় আজ শনিবার সকালে ইংরেজি প্রথমপত্র পরীক্ষায় স্মার্টফোন দিয়ে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে হাফেজ জিয়াউর রহমান ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রের সাত এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। পরীক্ষা তত্ত্বাবধায়ক কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নমিতা দে তাদের বহিষ্কার করেন।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. শফিকুল বারী জানান, পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন রাখা নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও হাফেজ জিয়াউর রহমান ডিগ্রি কলেজের পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় স্মার্টফোন দিয়ে অসদুপায় অবলম্বন করছিল। এই অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ওই কেন্দ্রের ভেন্যু জালশুকা-কুমুদগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩১৬৪৩৯, ৩১৬৪৪৬, ৬৯৮২৬১, ৬৯৮২০২, ৬৯৮১৯৯ রোলের ৫ পরীক্ষার্থী ও আমিনা মেমোরিয়াল মহিলা দাখিল মাদ্রাসায় ৬৯৮২০০ ও ৬৯৮১৯৫ রোলের ২ পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়।



Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অ্যাকাউন্ট ছাড়া সঞ্চয়পত্রের সুদ নেওয়া যাবে না

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৬ এপ্রিল, ২০১৯ :ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ছাড়া সঞ্চয়পত্রের সুদ বা আসল নিতে পারবেন না গ্রাহক। বৃহস্পতিবার (৫ এপ্রিল) অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের আলোকে বাংলাদেশ ব্যাংকের এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়। একই নির্দেশনা সঞ্চয়পত্র বিক্রির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব অফিসে আগেই পাঠিয়েছে মন্ত্রণালয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের ‘সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনা শক্তিশালীকরণ:অগ্রাধিকার কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা রক্ষা (পিইএমএস)’ শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় নতুন পদ্ধতি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক, বাণিজ্যিক ব্যাংক, পোস্ট অফিস বা জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর যেখান থেকেই সঞ্চয়পত্র কেনা হোক, বাধ্যতামূলকভাবে গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট লাগবে। ইলেকট্রনিক তহবিল স্থানান্তর বা বিইএফটিএন পদ্ধতিতে সরাসরি গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে তার পাওনা জমা হয়ে যাবে। বর্তমানে টোকেন পদ্ধতিতে সঞ্চয়পত্রের সুদ বা আসল নেওয়া যায়।

ঢাকা মহানগরীতে নতুন পদ্ধতির বাস্তবায়নের সময়সীমা শেষ হয়েছে গত ৩১ মার্চ। চলতি এপ্রিল মাসের মধ্যে সব বিভাগীয় শহর এবং জুনের মধ্যে দেশের সব দপ্তরে এ পদ্ধতি চালু করতে হবে। আগামী ১ জুলাই থেকে এ পদ্ধতির বাইরে কোনো প্রতিষ্ঠান সঞ্চয়পত্র কেনাবেচা করতে পারবে না।

নতুন কর্মসূচির আওতায় ‘জাতীয় সঞ্চয় স্কিম অনলাইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ চালু করেছে সরকার। এর মাধ্যমে যেখান থেকেই সঞ্চয়পত্র কেনা হোক, একটি ডাটাবেজে তার তথ্য জমা হবে। ফলে একই নামে একাধিক জায়গা থেকে সীমার বেশি সঞ্চয়পত্র কেনার অনিয়ম বন্ধ হবে। এ ছাড়া এক লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনতে হলে টিআইএন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি সঞ্চয়পত্র বিক্রির টাকা একই দিনে ব্যাংকগুলোকে সরকারি হিসাবে জমা দিতে হবে।

বর্তমানে সরকারের ঋণ গ্রহণের মাধ্যম হিসেবে চার ধরনের সঞ্চয় প্রকল্প চালু আছে। একজন ব্যক্তি কত টাকার সঞ্চয়পত্র কিনতে পারবেন তার নির্দিষ্ট সীমা আছে। কেউ সীমার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনলে অতিরিক্ত বিনিয়োগের ওপর তিনি কোনো সুদ পাবেন না। তবে সঞ্চয়পত্রের নির্দিষ্ট কোনো ডাটাবেজ না থাকায় অবৈধ উপায়ে অর্জিত টাকায় অনেকে ভিন্ন ভিন্ন অফিস থেকে বিপুল অঙ্কের সঞ্চয়পত্র কিনছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল মঞ্জুর

নিজস্ব প্রতিবেদক,৫ এপ্রিল২০১৯:

সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের ৯/৩/১৪ গতে ১৪/১২/২০১৫ ইং টাইমস্কেল মঞ্জুর করতে শুরু করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের পত্রের উপর ভিত্তি করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয় টাইমস্কেল মঞ্জুরের ক্ষমতা দেয় বিভাগীয় উপপরিচালকদের হাতে।

প্রাথমিকের যেসব প্রধান শিক্ষক এখনও টাইমস্কেল পাননি তাদের টাইমস্কেল প্রাপ্তিতে জট খুলতে শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের পত্রের উপর ভিত্তি করে এবং প্রধান শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দে সাথে উর্ধত্বন কর্তৃপক্ষের একাধিকবার বৈঠকের পর অবশেষে বিভাগীয় উপপরিচালকদের টাইমস্কেল মঞ্জুর ক্ষমতা দেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়। বৃহস্পতিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব গিয়াস উদ্দিন।

জানা যায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের উন্নীত পদ্ধতিতে বেতন নির্ধারণে গত ১৫ নভেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা আদেশের ফলে ৯/৩/১৪ – ১৪/১২/১৫ পর্যন্ত যা‌দের ১ম. ২য় এবং ৩য় টাইম‌স্কেল ‌ডিউ হ‌য়ে‌ছে তারা টাইমস্কেল থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল। বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ মন্ত্রনালয়ে যোগাযোগ করলে বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দেন মন্ত্রনালয়।

এরই প্রেক্ষিতে প্রধান শিক্ষক  সমিতির কেন্দ্রিয় সভাপতি রিয়াজ পারভেজ ও সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাসের করা আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রির দপ্তর থেকে গত ৮ মার্চ ২০১৮ ইং তারিখে  ওয়াহিদা মুসাররত আনীতা স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে  মতামত চেয়ে পত্র জারী করে  করে। তারই ধারাবাহিকতায় প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয় মন্ত্রনালয়। ইতিমধ্যে রাজশাহী বিভাগীয় উপপরিচালক ও ময়মনসিংহ বিভাগ টাইমস্কেল মঞ্জুর করেছে। বাকী বিভাগগুলো দ্রুত টাইমস্কেল মঞ্জুর করবে বলে আশা করেন সমিতির নেতৃবৃন্দ।


Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter