নিউজ

মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের কর্মবিরতির হুমকি

ঢাকা: মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের ১০ দফা দাবি আগামী ২০ মের মধ্যে বাস্তবায়িত না হলে লাগাতার কর্মবিরতিতে যাওয়ার হুমকি দিয়েছে পেশাজীবী সংগঠন।

শুক্রবার (১৩ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে পেশাজীবী মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্ট আয়োজিত মানববন্ধনে এ হুমকি দেওয়া হয়। দাবি আদায়ে রোববার (১৫ মে) সারাদেশে সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজ, জেলা সদর হাসপাতালের সামনে মানববন্ধনের ঘোষণা দেওয়া হয়।

দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- প্যারামেডিকেল শিক্ষা বোর্ডের পরিবর্তে বাংলাদেশ ডিপ্লোমা মেডিকেল এডুকেশন বোর্ড গঠন, ডিপ্লোমা টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের নিয়োগে জটিলতা নিরসন, সরকারি চাকরিতে টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদা, সেবা পরিদফতরের মতো টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের জন্য স্বতন্ত্র পরিদফতর গঠন ইত্যাদি।

কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন প্রধান সমন্বয়ক শামসুদ্দিন পলাশ। আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সমন্বয়ক আশিকুর রহমান, কামাল মিয়া, আনোয়ার ফারুকী সাকিব প্রমুখ।

অপরদিকে, শুক্রবার বিকেলে একই দাবিতে স্বাধীনতা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পরিষদের ব্যানারে জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

এতে সংগঠনের জাতীয় দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের আহ্বায়ক চন্দ্র শেখর সাহা, সদস্য সচিব শাহ আলম খান পারভেজ বক্তব্য রাখেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

একদিনে চার পরীক্ষা, বিড়ম্বনায় চাকরিপ্রার্থীরা

বাংলানিউজ: Exam-bgবেসরকারি স্কুল-কলেজে শিক্ষক নিয়োগের জন্য নিবন্ধন পরীক্ষাসহ একই দিনে চাকরির চার পরীক্ষা নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন কয়েক লাখ চাকরি প্রার্থী।

শুক্রবার (১২ মে) সকাল ১০টা, ১১টা, বিকেল ৪টায় যথাক্রমে শিক্ষক নিবন্ধনের কলেজ পর্যায় ও ডাক বিভাগ, তথ্যপ্রযুক্তি অধিদপ্তর এবং স্কুল পর্যায়ের নিবন্ধন পরীক্ষা রয়েছে।

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) গৃহিত শিক্ষক নিবন্ধনে ৬ লাখ এবং বাকি দু’টি পরীক্ষায় আরও প্রায় দুই লাখ প্রার্থী এই বিড়ম্বনার মুখোমুখি হচ্ছেন।

ত্রয়োদশ শিক্ষক নিবন্ধনের স্কুল পর্যায়ের পরীক্ষা গত ৬ মে হওয়ার কথা থাকলেও তা পিছিয়ে ১৩ মে বিকেল ৪-৫টা পর্যন্ত নেওয়া হয়। আর কলেজ পর্যায়েল পরীক্ষা ৭ মে’র পরিবর্তে পিছিয়ে একই দিন ১৩ মে সকাল ১০-১১টা পর্যন্ত সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে পৃথক দু’দিন নিবন্ধন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও এবার একই দিনে দুই পরীক্ষা নিয়ে স্কুল-কলেজে চাকরিপ্রার্থীরাই বিপাকে পড়েছেন। বিভাগীয় ও বড় শহরগুলোতে এবার এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে জানান প্রার্থীরা।

এনটিআরসিএ’র সদস্য (পরীক্ষা মূল্যায়ন ও প্রত্যয়ন) মো. হুমায়ূন কবীর  বলেন, স্কুল-২ ও স্কুল পর্যায় এবং কলেজ পর্যায় মিলে মোট ৬ লাখ ২ হাজার ৩৩ জন প্রার্থী আবেদন করেছেন।

পাশাপাশি শুক্রবার সকাল ১০টায় ডাক বিভাগের পরিদর্শক ৭১টি পদে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে, ২০১৪ সালের ২৪ এপ্রিল বিজ্ঞপ্তিতে স্নাতক পাস যোগ্যতাধারী লক্ষাধিক প্রার্থী রয়েছেন।

এছাড়া তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের কম্পিউটার অপারেটর ৭০টি পদে বেলা ১১টায় যে পরীক্ষা রয়েছে তারও যোগ্যতা স্নাতক পাস। এখানেও এক লাখের কাছাকাছি আবেদন পড়েছে।

ফলে, সকালের যেকোনো একটি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে বাকি দু’টি পরীক্ষা ছাড় দিতে হবে চাকরি প্রার্থীদের। স্কুল-কলেজে পদ সংখ্যা বেশি এবং ম্যানেজিং কমিটির থেকে পুরোপুরি এনটিআরসিএ’র অধীনে চলে যাওয়ায় মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ হবে। তাই নিবন্ধন পরীক্ষাকেই জোর দিচ্ছেন প্রার্থীরা।

এনটিআরসিএ’ সদস্য হুমায়ূন কবীর  বলেন, অন্য পরীক্ষাগুলোর সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক নেই, কেন্দ্রও ভিন্ন। ফলে, পরীক্ষা গ্রহণে কোনো সমস্যা নেই।
তবে, চাকরিপ্রার্থীরা বলছেন, বিভিন্ন নিয়োগ কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় হলে বেকার যুবকরা বিড়ম্বনায় পড়বেন না।

কলেজ নিবন্ধন ও ডাক বিভাগের পরিদর্শক পদে আবেদন করা গাইবান্ধার একজন প্রার্থী বলেন, কলেজ নিবন্ধন পরীক্ষার জন্য ডাক বিভাগের পরীক্ষা দেওয়া হচ্ছে না।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করায় পাসের হার বেড়েছে ॥ প্রধানমন্ত্রী

2বিশেষ প্রতিনিধি ॥ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন, বর্তমান সরকার শিক্ষার পরিবেশ সুনিশ্চিত করেছে বলেই পাসের হার বাড়ছে। আর শিক্ষাজীবন শেষে যাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয় এবং বেকার না থাকে সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

বুধবার সকালে গণভবনে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল গ্রহণকালে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর হাতে পরীক্ষার ফল হস্তান্তর করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। প্রধানমন্ত্রী এ সময় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ঝালকাঠি এবং পঞ্চগড় জেলার জেলা পরিষদ কার্যালয়ে উপস্থিত শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

শেখ হাসিনা শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের তথ্য তুলে ধরে বলেন, কোনভাবেই পরীক্ষায় ফেল করার কোন মানে হয় না। সরকার শিক্ষাক্ষেত্রে অনেক সুযোগ সৃষ্টি করেছে। একটু মনোযোগ দিয়ে পড়লেই পরীক্ষায় ভাল করা সম্ভব। শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে বর্তমান সরকারের গৃহীত নানাবিধ সুযোগ-সুবিধা কাজে লাগিয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠে আরও মনোনিবেশ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা যেখানে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দিয়ে যাচ্ছি সেখানে শিক্ষার্থীদের বেশি মাত্রায় ফেল করার কোন মানে হয় না।

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশের উন্নয়ন, ভবন নির্মাণ ও সংস্কার, বৃত্তি প্রদান এবং প্রতিবছর মাধ্যমিক পর্যন্ত সারাদেশে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণের সরকারী উদ্যোগের বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, সরকার নি¤œ মাধ্যমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের আর্থিক সুবিধা প্রদানে ট্রাস্ট ফান্ড গঠনের মাধ্যমে বৃত্তি চালু করেছে। শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালু করা হয়েছে। একই সঙ্গে পিতামাতার বোঝাও আমরা কমিয়ে দিচ্ছি। কারণ আমাদের সরকার বিনা পয়সায় বই দিচ্ছে। এখন আমরা প্রি-প্রাইমারি থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত বিনামূল্যে বই দিচ্ছি। প্রকৃত শিক্ষা ছাড়া কোন জাতিই উন্নত হতে পারে না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ জন্যই সরকার সাধারণ শিক্ষার সঙ্গে কারিগরি শিক্ষারও বন্দোবস্ত করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে চাহিদার কথা বিবেচনা করেই সরকার কারিগরি ও প্রযুক্তিগত শিক্ষার ওপর অধিক গুরুত্বারোপ করেছে। যাতে আমাদের ভবিষ্যত প্রজš§ বর্তমান প্রযুক্তির উৎকর্ষের যুগের সঙ্গে তাল মেলাতে পারে। এ কারণে সরকার শিক্ষকদের জন্যও আধুনিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নিয়েছে। তিনি বলেন, সরকার স্কুলপর্যায়ে ধর্মীয় শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করেছে। যাতে শিক্ষার্থীদের মাঝে ধর্মীয় মূল্যবোধ গড়ে উঠতে পারে। কারণ ভবিষ্যত নাগরিকদের আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য ধর্মীয় শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, প্রতিবছর মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ এবং বৃত্তি চালুর সরকারী উদ্যোগের ফলে অভিভাবকদের ওপর অর্থনৈতিক চাপ অনেকাংশেই কমে এসেছে। সরকারীভাবে দেশে বিশাল পরিমাণে মেধাবৃত্তি দেয়ার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এত মেধাবৃত্তি অন্য কোন দেশ দেয় কিনা আমি জানি না।

শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে সরকার গৃহীত বিশ্বমানের সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করে শিক্ষার্থীরা নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তুলবে এবং ভবিষ্যতে আর কোন শিক্ষার্থীই পরীক্ষায় ফেল করবে না বলে প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীরা মেধাবী। তাই আর যাই হোক তারা পরীক্ষায় ফেল করতে পারে না। পরীক্ষায় ভাল ফলকারীদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরীক্ষায় পাসের হার বেড়েছে, যদিও কেউ কেউ কৃতকার্য হতে পারেনি। তিনি বলেন, আমরা চাই আমাদের শিক্ষার্থীরা প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে গড়ে উঠবে। যাতে তারা অন্যান্য দেশের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হতে পারে।

আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে আগামী প্রজš§ নতুন নতুন আবিষ্কারের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নেবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে বাংলাদেশ আর কারও কাছে হাত পাতবে না। বাংলাদেশ তার জনশক্তি এবং নিজস্ব সম্পদকে কাজে লাগিয়ে নিজের পায়ে বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। ২০২১ সাল নাগাদ বাংলাদেশকে মধ্য আয়ের দেশে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত করার তাঁর সরকারের লক্ষ্যের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। গণভবনে অন্যান্যের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব সোহরাব হোসাইনসহ সকল শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানগণ উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত, সারাদেশের ৮টি শিক্ষাবোর্ডের আওতাধীনে এ বছর অনুষ্ঠিত মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) এবং সমমানের মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষার ফল গতকাল প্রকাশিত হয়েছে। এ বছর পাসের হার ৮৮ দশমিক ২৯ শতাংশ।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফিলিস্তিনের চার্জ দ্য এফেয়ার্সের সৌজন্য সাক্ষাত ॥ ফিলিস্তিনের চার্জ দ্য এফেয়ার্স ইউসেফ এস ওয়াই রমাদান বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর গণভবনের বাসভবনে সৌজন্য সাক্ষাত করেছেন। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের বলেন, বৈঠকে তাঁরা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। প্রধানমন্ত্রী ফিলিস্তিনের ভ্রাতৃপ্রতীম জনগণের প্রতি বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ প্রসঙ্গে আলাপকালে রমাদান বাংলাদেশে ফিলিস্তিনের পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদানের অনুরোধ জানান। প্রেস সচিব বলেন, তাঁরা মধ্যপ্রাচ্যে বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনীর’ আরবী সংস্করণ প্রকাশের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পরীক্ষায় ফেল করে স্কুল ছাত্রীর আত্নহত্যা

চট্টগ্রাম: এসএসসি পরীক্ষায় ফেল করায় চান্দগাঁও শরাফতউল্লাহ পেট্রোল পাম্প এলাকায় সুপ্রিয়া ধর (১৬) নামে এক ছাত্রী আত্মহত্যা করেছেন। তার বাবার নাম স্বপন ধর বলে জানা গেছে

আজ বুধবার দুপুরে ফল প্রকাশের পর ‘মায়ের আর্শীবাদ’ ভবনের নিজ রুমে সিলিং ফ্যানের সাথে ওড়না প্যাঁচিয়ে সে আত্মহত্যার করেন।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির নায়েক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আজ দুপুরে এসএসসির পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর ফেল করার খবর পেয়ে নিজ রুমের দরজা বন্ধ করে ওড়না পেঁচিয়ে সিলিং ফ্যানের সাথে ফাঁস দেয় সুপ্রিয়া। বিকেল তিনটার দিকে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধারের পর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। পরে বিকেল সোয়া চারটার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শুধু অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি হচ্ছে, সারসংক্ষেপ চূড়ান্ত

ঢাকা: অবশেষে প্রশাসনে আটকে থাকা পদোন্নতির জট খুলেছে। উপসচিব, যুগ্মসচিব ও অতিরিক্ত সচিব এই তিন স্তরের মধ্যে শুধুমাত্র অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতির সারসংক্ষেপ চূড়ান্ত করা হয়েছে। বিদেশ গমনের প্রাক্কালে গতকাল সোমবার রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি বঞ্চিত কর্মকর্তাদের জন্য প্রস্তুত করা সারসংক্ষেপে স্বাক্ষর করেছেন।

আজ মঙ্গলবার জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী স্বাক্ষরের পর মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের স্বাক্ষরের জন্য সারসংক্ষেপ তার বাসায় পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রী স্বাক্ষর করলেই প্রধানমন্ত্রীর কাছে এই সারসংক্ষেপ পাঠানো হবে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্ভরযোগ্য সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতির জন্য ৮৬ জনের নামের তালিকা সারসংক্ষেপে রয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রীর কাছে গেলে এই তালিকা থেকে কিছু নাম বাদ যেতে পারে; আবার যোগও হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। যা অতীতে দেখা গেছে। উপসচিব, যুগ্মসচিব ও অতিরিক্ত সচিব এই তিন ধাপে ইতিপূর্বে পদোন্নতি না পাওয়া কর্মকর্তাদের পুনরায় পদোন্নতি বিবেচনার জন্য গত ১৪ ডিসেম্বর এসএসবি’র বৈঠক বসে। এরপর এজেন্ডা নিষ্পত্তি করতে মোট ১৩টি বৈঠক করতে হয়, যা শেষ হয় ২২ ফেব্রুয়ারি। এর মধ্যে ডিসেম্বরে ৫টি, জানুয়ারিতে ৫টি ও ফেব্রুয়ারিতে হয় আরও ৩টি বৈঠক।

সূত্র জানায়, পদোন্নতি সংক্রান্ত কিছু বিষয় নিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রী, সিনিয়র সচিব ও এসএসবি’র সদস্যদের মধ্যে মতভিন্নতা তৈরি হওয়ায় শেষ মুহূর্তে এসে বিষয়টি আটকে গিয়েছিলো। অবশেষে সেই জট খুলেছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ছাত্রীকে যৌন হয়রানি: শিক্ষক চাকরিচ্যুত

ঢাকা: ছাimagesত্রীকে যৌন হয়রানির মামলায় গ্রেপ্তার ঢাকার আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মাহফুজুর রশিদ ফেরদৌসকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক সফিউল্লাহ বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে ৪ মে থেকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন চাকরির শর্ত অনুযায়ী তাকে চাকরিচ্যুত করেছে।”

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক জানান, ওই শিক্ষকের গ্রেপ্তারের দিন থেকে তাকে চাকরিচ্যুত দেখানো হয়েছে; তাকে কারণ দর্শানোর কোনও নোটিশও দেওয়া হয়নি।

এরই মধ্যে যৌন হয়রানির অভিযোগে ওই শিক্ষককে দুই দিনের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ।

উল্লেখ্য, কলাবাগান থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে করা একটি মামলায় গত ৪ মে ভোরে রমনার একটি ফ্ল্যাট থেকে গ্রেপ্তার করা হয় তাকে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

একাদশে ভর্তি শুরু ২৬ মে

ঢাকা: MAUS201গামী ২৬ মে থেকে উচ্চ মাধ্যমিকের ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। গতবারের মতো এবারও অনলাইন এবং এসএমএসের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে। এবার প্রবোসীদের সন্তান এবং বিকেএসপি কোটা রাখা হয়েছে।

আগামী ৯ জুন পর্যন্ত আবেদন করে প্রথম মেধা তালিকা প্রকাশ করা হবে ১৬ জুন। বিলম্ব ফি ছাড়া ১৮ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ভর্তি হওয়া যাবে।

ঈদের জন্য প্রথম সপ্তাহে ছুটি থাকায় ক্লাস শুরু হবে আগামী ১০ জুলাই।

গতবার ৫ প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পরলেও সেবারের অনলাইন ভর্তি প্রক্রিয়া নিয়ে জটিলতা এড়াতে এবার সেই সংখ্যা বাড়িয়ে করা হয়েছে ১০টি। প্রার্থীর একই সঙ্গে ১০টি কলেজের মেধা অবস্থান প্রকাশ করা হবে।

এবারও অনলাইনে আবেদন করলে ১৫০ টাকা এবং এসএমএসে আবেদনে ১২০ টাকা ফি দিতে হবে।

সোমবার (০৯ মে) সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভর্তি সংক্রান্ত সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আগামী ১১ মে এসএসসি ও সমমানের ফলাফল প্রকাশিত হবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে গণভবনে সকাল ১০টায় এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল তুলে দিয়ে দুপুর ১টায় সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পূর্ণাঙ্গ ফলাফল জানানো হবে, বলেন নাহিদ।

চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষা গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে তত্ত্বীয় বিষয়ের পরীক্ষা শেষ হয় ১০ মার্চ। আর ১৫-১৯ মার্চের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এবার মোট ১৬ লাখ ৫১ হাজার ৫২৩ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন।

শিক্ষামন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, বিলম্ব ফি দিয়ে আগামী ১০-২০ জুলাই পর্যন্ত ভর্তি হওয়া যাবে।

গতবছর প্রথমবার অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু করায় নির্ধারিত দিনের তিন দিনের মাথায় প্রথম দফার মেধা তালিকা প্রকাশ করা হয়। কিন্তু ভর্তি নিয়ে নানা জটিলতায় ভোগান্তিতে পড়েন লাখ লাখ শিক্ষার্থী।

শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষাবার্তাকে জানান, গতবার কিছু কিছু কলেজে ভুয়া আবেদনের কারণে জটিলতা সৃষ্টি হয়, এবার তা এড়াতে আগেই টাকা দিতে হবে।

টাকা জমা হলে প্রার্থীকে ট্রানজেকশন নম্বর দেওয়া হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সেই নম্বর অনুযায়ী প্রত্যেক কলেজে ফলাফল পাঠানো হবে।

“আর সেই সময় প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে একটি করে পিন কোড দেওয়া হবে, সেই পিন কোড আর কেউ ব্যবহার করতে পারবেন না। ভর্তির জন্য ওই সংশ্লিষ্ট কলেজ অনলাইনে দেখতে পারবে ওই শিক্ষার্থী ঠিক আছেন কিনা- এতে ভুয়া আবেদন এড়ানো যাবে। গতবার এটি ছিল না।”

অন্যান্য কোটা ঠিক রেখে এবার প্রবাসীদের সন্তানদের জন্য দশমিক ৫ শতাংশ ও বিকেএসপি থেকে যারা পাস করে আসবে তাদের জন্যও দশমিক ৫ শতাংশ কোটা সংরক্ষিত থাকবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

সাবেক শিক্ষাসচিব নজরুল ইসলাম খানের উদ্যোগে গতবছর একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনে প্রথমবার ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। বুয়েটের তত্ত্বাধানে গতবারও বেশ জটিলতার মুখে পড়ে ভর্তি প্রক্রিয়া। সেই পথে হাঁটলেও এবার জটিলতা হবে না বলে আশ্বস্ত করেন নাহিদ।

তিনি বলেন, গতবার যে অভিজ্ঞতা হয়েছে, সেগুলো থেকে কাটিয়ে উঠেছি, গতবার কিছু বিড়ম্বনা ছিল, এবার আর হবে না।

শিক্ষা সচিব মো. সোহরাব হোসাইন এ সময় বলেন, বুয়েটের যারা এক্সপার্ট তারা এসেছিলেন, যে সমস্যাগুলো হয়েছিল তারা নিশ্চয়তা দিয়েছেন এবার কোনো সমস্যা হবে না। কোনো ছাত্রের অভর্তি থাকার সুযোগ নেই। প্রত্যেককেই অপশন দেওয়া হবে, ভর্তি হওয়া না হওয়া তার বিষয়।

নামকরা কলেজ ভর্তির নিয়ম না মানা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এবার সবাই মানবেন, মানা উচিত। এরপরও কারো কোনো সমস্যা থাকলে আমাদের জানালে তা সমাধান করবো।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফাহিমা খাতুন, বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান, কলেজ অধ্যক্ষ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সাইফুরসের লোগো দেখে অনুষ্ঠান থেকে চলে গেলেন আইনমন্ত্রী

একই বিষয়ে আপত্তি তুলে একইসঙ্গে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।

শুক্রবার সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে প্রাথমিক সমাপনী ও জেএসসির কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত ছিলেন আইনমন্ত্রী।

নির্ধারিত সময় বেলা ১১টার পরপরই আইনমন্ত্রী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হন।

এ সময় অনুষ্ঠানের ব্যানারে সহযোগিতায় ‘সাইফুর’স প্রাইভেট লিমিটেড’ লেখা দেখে আপত্তি তোলেন আইনমন্ত্রী।

এই প্রতিষ্ঠানটি ‘বিতর্কিত’, তাই এই অনুষ্ঠানে থাকা সম্ভব হচ্ছে না বলে অনুষ্ঠানস্থল থেকে চলে যান তিনি। এ সময় ডিআরইউ সভাপতি জামাল উদ্দীন ও সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ অনুরোধ করলেও তাতে সাড়া মেলেনি। একই কথা বলে মন্ত্রীর সঙ্গে সেখান থেকে চলে যান অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি উপাচার্য আরেফিন সিদ্দিক।

অতিথিরা যাওয়ার পর সাইফুর’স প্রাইভেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান শামস আর খান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুর রহমান খানকে নিয়ে অনুষ্ঠান শেষ করেন ডিআরইউ নেতারা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মাউশির ২০১৩ সালের নেওয়া নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল

ঢাকা: Maushiমাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর (মাউশি) এবং অধিদফতরাধীন বিভিন্ন অফিস/শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির বিভিন্ন ক্যাটাগরির ১ হাজার ৯৬৫টি শূন্য পদে গৃহীত তিন বছর আগের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (০৫ মে) মাউশি’র পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) ড. এসএম ওয়াহিদুজ্জামান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনক্রমে ২০১৩ সালের ১৪ জুলাই তৃতীয় এবং ২১ জুলাই চতুর্থ শ্রেণির লিখিত (এমসিকিউ) পরীক্ষা নেওয়া হয়।

‘উক্ত লিখিত পরীক্ষা যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে বাতিল করা হলো এবং পূর্বের আবেদনকারীদের প্রার্থিতা বজায় রেখে অবিলম্বে পুনরায় লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে।’

পরীক্ষার সময়সূচি প্রার্থীদের জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি এবং টেলিটক মোবাইলের মাধ্যমে এসএমএস করে জানানো হবে।

তিন বছর আগের ওই নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম হয়েছিলো বলে অভিযোগ রয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকে ৬ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি শিগগির

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো প্রধান শিক্ষকের প্রায় ছয় হাজার পদে নিয়োগের জন্য সরকারি কর্ম কমিশনে (পিএসসি) প্রস্তাব পাঠিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় । প্রধান শিক্ষকের ১৬ হাজার ৬৬৭টি পদ শূন্য রয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানায়, গত ৭ এপ্রিল ৫ হাজার ৭৯৭ পদে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের জন্য পিএসসিতে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে । একটি সভায় এটিও’র আবেদন থেকে প্রার্থী নিয়োগের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে।

গত ২৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত এটিও’র প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় আবেদন পড়েছিলো প্রায় ১ লাখ ৫৩ হাজার ২৪৮টি। ১৪৪টি পদে নিয়োগের জন্য সরাসরি ৫০ শতাংশ এবং বাকি পদ বিভাগীয় প্রার্থীর মাধ্যমে নিয়োগের কথা ছিলো বিজ্ঞপ্তিতে।

প্রাথমিকের সরকারি বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের (বিভাগীয় প্রার্থী) মধ্য থেকে ৫০ শতাংশ পদ পূরণ না হলে সাধারণ কোটা থেকে নেওয়ার কথা। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নজরুল ইসলাম খান বলেন, বর্তমানে প্রধান শিক্ষকের ১৬ হাজার ৬৬৭টি পদ শূন্য রয়েছে।

এটিও পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে যারা পদ স্বল্পতার কারণে নিয়োগ পাবেন না, তাদের মধ্য থেকে বিসিএস নন-ক্যাডারের মতো প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানান এক কর্মকর্তা।

এ বিষয়ে নজরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে। প্রধান শিক্ষকদের পদ যেহেতু দ্বিতীয় শ্রেণির, সেহেতু এটিও পদ না পাওয়া প্রার্থীরা সম্মত থাকলে তাদের প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে।

প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি এবং পিএসসির মাধ্যমে সরাসরি ও বিভাগীয় প্রার্থী নিয়োগ দেওয়া হয়। শূন্য পদ পূরণে পিএসির মাধ্যমে দ্রুত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে বলে জানায় মন্ত্রণালয়।

অতিরিক্ত সচিব আরো জানান, পদোন্নতির জন্য গ্রেডেশন করা হচ্ছে। তবে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদনের কারণে বিষয়টি ঝুলে আছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কোচিং বন্ধে সরকারের নির্দেশনা কোন কাজেই আসবে না!

ঢাকা : শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য বন্ধে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে সরকার।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর (মাউশি) ২০১২ সালের ‘কোচিং বাণিজ্য বন্ধ নীতিমালা’ অনুসরণে ২৮ এপ্রিল সব অঞ্চলের উপ-পরিচালক, জেলা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে এ নির্দেশনার চিঠি পাঠিয়েছে। কোচিং বাণিজ্য বন্ধ নীতিমালা অনুযায়ী কোনো শিক্ষক নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীকে কোচিং করাতে পারবেন না।তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের অনুমতি নিয়ে অন্য প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ ১০ জন শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়াতে পারবেন।এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে ছাত্রছাত্রীর তালিকা, রোল, নাম ও শ্রেণি উল্লেখ করে জানাতে হবে।

অভিভাবকদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠান প্রধান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত সময়ের আগে বা পরে অতিরিক্ত ক্লাসের ব্যবস্থা করতে পারবেন বলে নীতিমালায় উল্লেখ বলা হয়েছে।

অভিভাবকরা শিক্ষাবার্তাকে জানান, প্রত্যেক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা আবেদনের কপি ছাত্রছাত্রীদের দিয়ে তাদের বাসায় পাঠিয়ে দেয়। বলে তোমরা সই করে নিয়ে আসবে। অথাৎ সকল ছাত্রছাত্রীদের কোচিং/অতিরিক্ত ক্লাস করা অনেকটাই বাধ্যতামূলক। তাই সরকারের এই কোচিং বন্ধের নীতিমালা শিক্ষার্থীদের কোন কাজেই আসবে না বলে জানান।
চুয়াডাঙ্গা ভিজে স্কুলের একাধিক অভিভাবক জানান, আগেই নীতিমালা ঠিক ছিল। শিক্ষকরা ক্লাসে মনোযোগ দিয়ে পড়াত। যে স্যার বেশি ভাল পড়াত তাদের কাছে আমাদের ছেলেমেয়েদেরকে পড়তে দিতাম। কিন্তু এখন কে ভাল পড়াই আর কে খারাপ পড়াই তা দেখার কোন সুযোগ নেই। গড়গড়া সবাইকে অতিরিক্ত ক্লাস করতে হবে। আমাদের ছেলেমেয়েরা ক্লাস করুক কিংবা না করুক অতিরিক্ত ক্লাস অব্যশয় করতে হবে।

মাউশি চিঠিতে কোচিং বাণিজ্য বন্ধে সব অঞ্চল, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিষয়টি তদারকি করতে অনুরোধ করা হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ইবিতে কর্মকর্তাদের উপর হামলায় দুই কর্মকর্তা সাময়িক বহিস্কার

আশরাফুল ইসলাম, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি IU PIC 5.5॥ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ভিসি পন্থী শিক্ষক কর্মকর্তাদের উপর হামলার ঘটনায় প্রো-ভিসি পন্থী দুই কর্মকর্তাকে সাময়িক বহিস্কার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভিসির নির্দেশে তাদের সাময়িক বহিস্কার করা হয়েছে বলে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এসএম আব্দুল লতিফ নিশ্চিত করেছেন।

তিনি আরো জানান, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ও পরিপন্থি কর্মকান্ডে লিপ্ত হবার কারণে সহকারী রেজিষ্ট্রার আলমগীর হোসেন খান ও প্রো-ভিসি অফিসের সহকারী রেজিস্ট্রার আব্দুল হান্নান সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাকে মারধোর, শিক্ষকদের লাঞ্চিত ও অফিস ভাংচুর ও ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করার অভিযোগে ভিসি প্রফেসর ড. আবদুল হাকিম সরকারের নির্দেশে সাময়িক বহিস্কার করা হয়েছে।

এ বিষয়য়ে কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন খান ও আবদুল হান্নান জানান ‘এ বিষয়ে কিছু জানিনা। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো চিঠি পাইনি।’

র্ভারপ্রাপ্ত রেজিষ্ট্রার আব্দুল লতিফ বলেন, মারধোরের ঘটনায় তদন্ত কমিটি হয়েছে। এ কমিটি প্রতিবেদন জমা না দেওয়া পর্যন্ত বরখাস্তের আদেশ বহাল থাকবে।’

উল্লেখ্য, গত বুধবার ভিসি পন্থী শিক্ষক কর্মকর্তাদের মানববন্ধনে প্রো-ভিসি ড. মো. শাহিনুর রহমানের ইন্ধনে ওই দুই কর্মকর্তা নেতৃত্বে হামলা চালায়। এতে পাঁচ জন কর্মকর্তা আহত হন। স্টেট অফিসসহ কয়েকটি অফিসে ভাংচুর করে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

আহসানউল্লাহ ভার্সিটির শিক্ষক মাহফুজুর ফেরদৌস রিমান্ডে

স্টাফ রিপো11র্টার ॥ যৌন নিপীড়নের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত ঢাকার আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মাহফুজুর রশিদ ফেরদৌসকে ২ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে ঢাকার সিএমএম আদালত। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে একাধিক ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের বিষয়ে অনেক তথ্য মিলেছে।

প্রায় দেড় বছর ধরে বেপরোয়াভাবে ছাত্রীদের যৌন নির্যাতন করে আসছিল এই শিক্ষক। তার বিরুদ্ধে চার ছাত্রীর লিখিত অভিযোগ ছাড়াও আরও ছয় ছাত্রী মৌখিকভাবে একই অভিযোগ করেছে। রাজধানীর কলাবাগান থানায় দায়েরকৃত মামলার প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার রাত আড়াইটায় রাজধানীর রমনা থানাধীন ইস্কাটন গার্ডেনের ১২/এ নম্বর বাড়ির এগারোতলার ১১০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, গ্রেফতারকালে ওই শিক্ষক ও তার পরিবার পুলিশের ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করেছিল। এমনকি বাড়িতে পুলিশের পোশাক পরিধান করে ডাকাত প্রবেশ করার অভিযোগ এনে ঝামেলা সৃষ্টির চেষ্টাও করা হয়েছিল। যদিও শেষ পর্যন্ত সে চেষ্টা বিফলে গেছে। মামলার প্রেক্ষিতে শেষ পর্যন্ত পুলিশ ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করে কলাবাগান থানায় নিয়ে যায়। রাতে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অনেক তথ্য বেরিয়ে এসেছে। গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়লে ছয় ছাত্রী তাদের পরিচয় গোপন রেখে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ করেন।

কোর্ট রিপোর্টার জানান, বুধবার দুপুরে শিক্ষককে ঢাকা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) কোর্টে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ। আদালত শুনানি শেষে ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কলাবাগান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শামীম আহমেদ  বলেন, মঙ্গলবার রাতে আহসানউল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আসাদুল্লাহ আল সায়েম কলাবাগান থানায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন। অভিযুক্ত শিক্ষককে ওই মামলায় গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকালে ঝামেলা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত মামলার প্রেক্ষিতে ঝামেলা এড়িয়ে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়। শিক্ষককে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার এজাহারে চার ছাত্রীর নাম রয়েছে। তারা বিভিন্ন সময় ওই শিক্ষক কর্তৃক যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া শিক্ষক গ্রেফতারের পর ৬ ছাত্রী মৌখিকভাবে অভিযোগ করেছেন। তারাও ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ এনেছেন।

তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই ওই শিক্ষক ছাত্রীদের যৌন নির্যাতন করে আসছিলেন। তবে গত বছরের প্রথম থেকে অনেকটাই বেপরোয়াভাবে ওই শিক্ষক তার ছাত্রীদের উপর যৌন নির্যাতন চালাচ্ছিল।

এমনকি কোন কোন ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের বিষয়টি প্রকাশ করলে প্রাণে মেরে ফেলা, যৌন নির্যাতনের অভিও, ভিডিও বা কথাবার্তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছাড়াও পরিবার এবং পরিচিতদের মধ্যে প্রকাশ করে দেয়ার ভয় দেখিয়ে আসছিল। অনেক ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের পর ব্ল্যাকমেল করেছে ওই শিক্ষক। তার বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। কম করে হলেও অন্তত ২০-২৫ ছাত্রী ওই শিক্ষকের যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এমনকি পরবর্তীতে তাদের অনেককেই ব্ল্যাকমেলের শিকার হতে হয়েছে। ছাত্রীদের কলাবাগান থানাধীন একটি বাসায় ডেকে নিয়ে নানাভাবে যৌন নির্যাতন চালানো হতো। ওই শিক্ষকের স্ত্রী একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বলে জানা গেছে।

দীর্ঘদিন ধরেই ছাত্রীদের যৌন নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্ত এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছিল শিক্ষার্থীরা। সর্বশেষ গত ৩০ এপ্রিল শিক্ষার্থীরা ক্লাস বাদ দিয়ে আন্দোলনে নামে। এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বৈঠক করে অভিযুক্ত শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করে।

কর্তৃপক্ষের ঘোষণাকে প্রত্যাখ্যান করে ওই শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করা, আইনের আওতায় আনাসহ চার দফা দাবি নিয়ে আন্দোলন করে আসছিল শিক্ষার্থীরা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জনসনের বেবি পাউডারে ব্যবহার করলে ক্যানসার!

ডেস্ক : শিশুদের জন্য ব্যবহৃত জনপ্রিয় ট্যালকম পাউডার ব্রান্ড জনসন অ্যান্ড জনসনের(জে অ্যান্ড জে) পণ্যে ক্যাindex_126329ন্সারের ভাইরাস(জীবাণু) ধরা পরেছে। এজন্য প্রতিষ্ঠানটিকে মার্কিন এক আদালত ৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার জরিমানা করেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৪৪০ কোটি টাকা। এখনো প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে একই অভিযোগে আরো ১ হাজার ২০০ মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির তৈরি ট্যালকম পাউডার গরমকালে শিশুদের ঘামাচি রোধে এবং সুগন্ধির জন্য ব্যবহার করে বাংলাদেশের মহিলারা।

জনসন অ্যান্ড জনসনের তৈরি বেবি ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করে গ্লোরিয়া রিস্টেসান্ড নামে এক নারীর শরীরে ক্যান্সার হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। এজন্য জনসন কোম্পানিকে ভুক্তভোগী নারীকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৫ কোটি এবং জরিমানা বাবদ ৫০ লাখ ডলার দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে মার্কিন এক আদালত। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ হচ্ছে ৪৪০ কোটি টাকা।

আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানায়, তিন সপ্তাহ ধরে বিচার কার্যক্রম চলার পর সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের মিজৌরি অঙ্গরাজ্যের আদালত এ রায় দেয়। জেঅ্যান্ডজে-এর উৎপাদিত ট্যালক-ভিত্তিক পণ্যগুলো ক্যান্সারের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে, তাদের পণ্যে এমন সতর্কতা যুক্ত না করায় কোম্পানির বিরুদ্ধে প্রায় ১,২০০ মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এ মামলাগুলোর প্রথমটিতে হারার পর দ্বিতীয়টিতেও সরাসরি দোষী সাব্যস্ত হল কোম্পানিটি। আদালত ভুক্তভোগী গ্লোরিয়া রিস্টেসান্ডকে ৫ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ ও ৫০ লাখ ডলার জরিমানা দেয়ার জন্য জেঅ্যান্ডজে-কে নির্দেশ দিয়েছে।

এর আগে একই আদালত ক্যান্সারে মারা যাওয়া এক নারীর পরিবারের মামলার রায়ে ওই পরিবারকে ৭ কোটি ২০ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ ও জরিমানা দেয়ার আদেশ দিয়েছিল জেঅ্যান্ডজেকে। ওই নারীও জেঅ্যান্ডজে-র ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করতেন।

রিস্টেসান্ড জানিয়েছেন, কয়েক দশক ধরে তিনি জনসন ব্রান্ডের বেবি ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করতেন। এগুলোর মধ্যে বহুল পরিচিত বেবি পাউডার এবং শাওয়ার টু শাওয়ার’ পাউডার রয়েছে।

রিস্টেসান্ডের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, রিস্টেসান্ডের ক্যান্সার ধরা পড়ে এবং সার্জারি করে শরীরের ভিতরে থাকা অংশ ফেলে দেয়ায় তার ক্যান্সার সেরে যায়।

জেঅ্যান্ডজে এর মুখপাত্র ক্যারল গুডরিচ বলেছেন, কসমেটিক ট্যালকের সুরক্ষা নিয়ে করা ৩০ বছরের গবেষণা ফলাফলের বিরোধিতা করছেন বাদী। রায়ের বিরুদ্ধে তাদের কোম্পানিটি আপিল করবে এবং নিজেদের পণ্য ব্যবহারে কোনো ঝুঁকি নেই এটি প্রমাণ করবে বলে সংবাদ মাধ্যমেকে জানানো হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

‘শিক্ষকরা আতঙ্কগ্রস্ত, হত্যার বিচার করে ভয় দূর করুন’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ঃ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক এ এফ এম রেজাউল করিম সিদ্দিকীর খুনিদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন ৩৩টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের ডাকে গতকাল সোমবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এই কর্মসূচি পালন করা হয়। কালো ব্যাজ ধারণ করে নিজ নিজ ক্যাম্পাসে অবস্থান নেন শিক্ষকরা। এ সময় অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকে।

কর্মসূচিতে বক্তারা বলেছেন, ‘শিক্ষকদের হত্যা বাংলাদেশের জন্য হুমকিস্বরূপ। অথচ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষকরা আজ আতঙ্কগ্রস্ত। অনেকেই একা একা বের হতে ভয় পান। এ হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার করে সব ক্ষোভ, হতাশা, ভয় দূর করতে হবে।’

শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের নতুন কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে আজ মঙ্গলবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে মহাসমাবেশ সন্ধ্যা ৭টা থেকে ১৫ মিনিট বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজলা গেটে প্রদীপ প্রজ্বালন করা হবে। এ সময় সারা দেশের মানুষকে নিজ নিজ অবস্থানে থেকে একই সময় প্রদীপ প্রজ্বালনের আহ্বান জানানো হয়েছে। এ ছাড়া আগামীকাল বুধবার খুনিদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে স্মারকলিপি প্রদান করা হবে।

এদিকে প্রিয় শিক্ষকের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে আন্দোলনের দশম দিনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সকালে ক্যাম্পাসে প্রতীকী কফিন মিছিল বের করে তারা। পরে মৌন মিছিল বের করে ইরেজি বিভাগ। বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে রেজাউল করিম সিদ্দিকীর স্মরণে শোকসভা করেছে বাগমারা উপজেলা শিক্ষা উন্নয়ন সমিতি। বিস্তারিত আমাদের আঞ্চলিক অফিস, নিজস্ব প্রতিবেদক ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে—

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের পূর্বঘোষণা অনুযায়ী গতকাল সকাল থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট ভবনের সামনে কালো ব্যাচ ধারণ করে অবস্থান নেন শিক্ষকরা। এ সময় সমাবেশে শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. মো. শহীদুল্লাহ্ বলেন, ‘রেজাউল স্যার হত্যার কারণে তাঁর পরিবার অভিভাবকহারা হয়েছে। আমরা সবাই আজ আতঙ্কগ্রস্ত। এ হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার করতে হবে।’ এ ছাড়া বক্তব্য দেন অধ্যাপক সেলিনা পারভীন, অধ্যাপক মো. ছাদেকুল আরেফিন, অধ্যাপক মো. তোফাজ্জল হোসেন, অধ্যাপক খোন্দকার ইমামুল হক, অধ্যাপক নীলুফার সুলতানা, অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা প্রমুখ।

গতকাল সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে মৌন মিছিল করেছে ইংরেজি বিভাগ। এরপর ‘মুকুল প্রতিবাদ ও সংহতি মঞ্চে’ এক সমাবেশে অধ্যাপক রেজাউল করিমের মেয়ে রিজওয়ানা হাসিন শতভি বলেন, ‘আমাদের আগামীতে যেন এভাবে আন্দোলন করতে না হয়, রক্তপাত দেখতে না হয়। এ জন্য এ হত্যাকাণ্ড যারা ঘটিয়েছে তারা যেই হোক না কেন তাদের ধরতে হবে।’ সমাবেশ থেকে গ্রীষ্মকালীন অবকাশেও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে বটতলায় কালো ব্যাজ ধারণ ও ক্লাজ বর্জন করে অবস্থান নেন শিক্ষকরা। এ সময় সংক্ষিপ্ত সমাবেশে শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বারবার শিক্ষকদের হত্যা বাংলাদেশের জন্য হুমকিস্বরূপ। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কার্যত কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছে না। শিক্ষক হত্যার কোনো বিচারও হচ্ছে না। একের পর এক হত্যাকাণ্ডে গোয়েন্দা সংস্থা ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে।’ অধ্যাপক ড. আবুল কাশেম ফজলুল হক বলেন, ‘দলমত নির্বিশেষে দেশের সব রাজনৈতিক দলগুলোকেই ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটা বলয় তৈরি করতে হবে। তা না হলে এই মৌলবাদী গোষ্ঠীকে নিশ্চিহ্ন করা সম্ভব হবে না।’

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে কর্মসূচি পালন করে শিক্ষক সমিতি। সমাবেশে অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেন, ‘আপাতদৃষ্টিতে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক মনে হলেও আসলে পরিস্থিতি ভালো না। খুনিদের ধরতে সরকার আন্তরিক নয়। আমাদের অনেক সহকর্মী একা একা বেরোতে ভয় পান। কারণ তাঁরা সংস্কৃতিমনা মানুষ, তাঁরা লেখালেখি করেন। এই দেশের যারা একটু প্রগতিশীল, সংস্কৃতিমনা মানুষ তাঁরা যদি মনে করেন এক ধরনের বিপদের মধ্যে আছেন, থ্রেটের মধ্যে আছেন তাহলে অবস্থা স্বাভাবিক বলা যাবে না।’

শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুহিবুল আলমের সঞ্চালনায় সভাপতি ড. সৈয়দ সামসুল আলম বলেন, ‘প্রতিনিয়ত এসব ঘটনার মধ্য দিয়ে মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকার হরণ করা হচ্ছে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি জঙ্গিগোষ্ঠীদের উসকে দিচ্ছে।’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ বুদ্ধিজীবী চত্বরে কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষকরা। সমাবেশে উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘এভাবে শিক্ষক হত্যা জাতির জন্য নিন্দাদায়ক।’ চবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুকান্ত ভট্টাচার্যের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন, উপ-উপাচার্য ড. শিরীন আখতার, ডিনস কমিটির আহ্বায়ক ড. সেকান্দার চৌধুরী, প্রভোস্ট কমিটির আহ্বায়ক ড. সুলতান আহমদ, পালি বিভাগের ড. জিনবোধী ভিক্ষু, প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহ আলমসহ শিক্ষকরা।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে কলা ও মানবিকী বিভাগের ভবনের সামনে কর্মসূচি পালন করেছে শিক্ষক সমিতি। ‘আর কতকাল করবো শোক, সকল হত্যার বিচার হোক’ শিরোনামে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে বিভাগের শতাধিক শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করে ছাত্র ইউনিয়ন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ ও সাংস্কৃতিক জোট।

এ ছাড়া বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-৪-এর সামনে অবস্থান ধর্মঘট কর্মসূচি পালন করেছেন বেরোবির শিক্ষকরা। কুষ্টিয়ায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের করিডরে কর্মসূচি পালন করা হয়। নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে শিক্ষক সমিতি। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনের করিডরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়। ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ডুয়েটে কর্মসূচি পালন করেছে শিক্ষক সমিতি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter