Home » নিউজ (page 35)

নিউজ

বেড়াতে এসে লাশ হলেন দুই মেডিকেল শিক্ষার্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেটে বেড়াতে এসে দুই মেডিকেল শিক্ষার্থীর সলিল সমাধি ঘটেছে। সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার লালাখালে পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে তাদের। মঙ্গলবার বিকেলে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

মোহাম্মদ সাঈদ (২৫) ও ইসহাক ইব্রাহিম (২৫) নামক ওই দুজন কিশোরগঞ্জের জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী। এর মধ্যে সাঈদের বাড়ি ঢাকা ও ইসহাকের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জে।

জৈন্তাপুর থানার ওসি সফিউল কবীর জানান, আরও তিন বন্ধুর সাথে সিলেটে বেড়াতে এসেছিলেন সাঈদ ও ইসহাক। মঙ্গলবার বিকেলে তারা পর্যটন স্পট লালাখালে ঘুরতে যান। সেখানে পানিতে গোসল করতে নেমে সাঈদ ও ইসহাক চোরাবালিতে আটকা পড়েন। তাদের সাথে থাকা বন্ধুদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে দুজনকে উদ্ধার করেন। তাদেরকে জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রধান শিক্ষককে হাতুড়ি দিয়ে পেটালো বখাটেরা

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলা জয়ম-প উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান বখাটে  ছাত্ররা মিলে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়েছে প্রধান শিক্ষককে। এতে বাধা দিতে গেলে মারধরের শিকার হন সহকারী প্রধান শিক্ষক ও  প্রধান শিক্ষকের ছেলে। ভাঙচুর করেছে আসবাবপত্রসহ স্থানীয় এমপি মমতাজ বেগমের ছবি। এ ঘটনায় শনিবার বিকেলে বখাটেদের শাস্তির দাবিতে এক ঘণ্টা ঢাকা সিংগাইর সড়ক অবরোধ করে রাখে শিক্ষার্থীরা।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাধেশ্যাম সাহা জানান, স্কুল চলাকালীন সময় কিছু ছাত্রী ও ছাত্র স্থানীয় বখাটেদের সঙ্গে আড্ডা দেয়। এনিয়ে এদের একাধিকবার শাসন করা হয়েছে। শনিবার সকালে নবম শ্রেণির ছাত্রী শান্তা, সাদিয়া, সামান্তা ও হেনারা ক্লাশে না গিয়ে বখাটে ছেলেদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিল।  এনিয়ে তাদের বকাঝকা করায় পাশাপাশি এ ধরনের কার্যকলাপ থেকে বিরত না থাকলে স্কুল থেকে বের করে দেয়া হবে জানানো হয়।
এই ঘটনার জের ধরে বেলা সোয়া ১টার দিকে ৯ম শ্রেণি ছাত্র জহিরুল ইসলাম, ৯ম শ্রেণির ছাত্র তানজিল, ৮ শ্রেণির ছাত্র সাগর হোসেন, সাবেক ছাত্র কলেজ শিক্ষার্থী আনোয়ার হোসেন, ফরিদুর রহমান, সাবেক ছাত্র লিটন মাহামুদ, কোহিনূরসহ ১০/১২ জন হাতুরি, দা ও লাটিসোঠা নিয়ে তার অফিসে ঢুকে হামলা চালায়। হাতুড়ি দিয়ে তাকে (প্রধান শিক্ষক) পিটানো হয়। এসময় অপর শিক্ষক বাদল বিশ্বাস এগিয়ে এলে তাকেও মারধর করে। ভাঙচুর করে অফিসের জানালা, চেয়ার-টেবিল ও স্থানীয় এমপি ক্রেস্ট সংবলিত ছবি। তার ছেলে ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী  অর্নিবান সাহাকে মারধর করা হয় বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। সহকারী প্রধান শিক্ষক বজলুর রহমান জানান, বিদ্যালয়ে কিছু বখাটে ছাত্রীর ইন্ধনে, বহিরাগত এবং কিছু বখাটে ছাত্র প্রধান শিক্ষকের ওপর এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে। আহত দুই শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকের ছেলেকে সিংগাইর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। শিক্ষকের ওপর এই ঘটনার প্রতিবাদে তাৎক্ষণিক শিক্ষার্থীরা বখাটেদের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ করে। এক পর্যায়ে ঢাকা সিংগাইর সড়ক এক ঘন্টা অবরোধ করে রাখে। স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে অবরোধ তুলে নেন শিক্ষার্থীরা। অবিলম্বে বখাটেদের গ্রেফতার না করা হলে  আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বৃহত্তর কর্মসূচি দিবেন বলে তিনি জানান।  সিংগাইর থানার  ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার ইমাম হোসেন বলেন, কিছু বখাটে ছাত্রীর কারণে বিদ্যালয়ে বহিরাগত ও বিদ্যালয়ে কিছু বখাটে ছাত্র শিক্ষকদের মারধর করেছে। এব্যাপারের প্রধান শিক্ষক রাধেশ্যাম সাহা বাদী হয়ে শনিববার  সন্ধ্যা একটি মামলা করেছেন। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

জামালপুরে শিক্ষার্থীদের পিঠে আ.লীগ নেতা : তদন্ত কমিটি

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় ছাত্রদের পিঠের ওপর দিয়ে হেঁটে গিয়ে তুমুল বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন বিদ্যালয়ের জমিদাতার ছেলে ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা দিলদার হুসেন প্রিন্স। গত ২৯ জানুয়ারি ওই উপজেলার মাহমুদপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের এক বিদায় অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে, এ ঘটনা তদন্তে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করেছেন জামালপুরের জেলা প্রশাসক।

২৯ জানুয়ারি মেলান্দহ উপজেলার মাহমুদপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আব্দুল লতিফ এবং এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান ছিল। এই অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের স্কাউট দলের সদস্যরা একটি মানবসেতু নির্মাণ করে।

সেই মানবসেতুর ওপর দিয়ে হেঁটে যান অনুষ্ঠানের অতিথি এবং বিদ্যালয়ের জমিদাতার ছেলে ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা দিলদার হুসেন প্রিন্স। এ সময় সেই দৃশ্য দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে উপভোগ করার পাশাপাশি তাকে হেঁটে যেতে সাহায্য করেন ওই বিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষার শিক্ষক হাফিজুর রহমান।

বিদ্যালয়ের স্কাউট সদস্যদের মানবসেতুর উপর দিয়ে কোনো শিক্ষার্থীর পরিবর্তে দিলদার হুসেন প্রিন্সের হেঁটে যাওয়ার ঘটনাটি স্থানীয়দের মাঝে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে এবং ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তুমুল সমালোচনা শুরু হয়।

দিলদার হুসেন প্রিন্সের ভাই জানান, বিদ্যালয়ে এই প্রথা অনেকদিন থেকেই চলে আসছে। সেদিন তার ভাই উপস্থিত না থাকলে অন্য কেউ ওই মানবসেতুর ওপর দিয়ে হেঁটে যেতো।

এ ব্যাপারে মাহমুদপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষার শিক্ষক হাফিজুর রহমান এ ঘটনায় তার ভুল হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন। তবে বিদ্যালয়ের প্রধান মো. আছানতুজ্জামান জানান, বিষয়টি সুরাহার জন্য তিনি ম্যানেজিং কমিটির সঙ্গে আলোচনা করছেন।

জামালপুর জেলা শিশু সুরক্ষা নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর সেলিম জানান, শিক্ষার্থীদের পিঠের ওপর দিয়ে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের হেঁটে যাওয়ার ঘটনাটি অত্যান্ত ন্যক্কারজনক। দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা না নেয়া হলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আন্দোলনে যাবেন তারা।

জামালপুরের জেলা প্রশাসক মো. শাহাবুদ্দিন খান বলেন, শিক্ষার্থীদের পিঠের ওপর দিয়ে হেঁটে যাওয়ার ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। পুলিশ সুপারকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য বলেছি। এছাড়াও ঘটনা তদন্তের জন্য অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই ঘটনায় যারা দোষী প্রমাণিত হবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বঙ্গমাতা ও শেখ হাসিনার নামে বিশ্ববিদ্যালয়

সচিবালয় প্রতিবেদক :

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে।

জামালপুরের মেলান্দ উপজেলার শেখ ফজিলাতুন্নেছা ফিশারিজ কলেজকে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর এবং নেত্রকোনায় স্থাপন করা হবে শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়।

‘বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’ ও ‘শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় আইন’ এর খসড়ার ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয় দুটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের মতো বিশ্ববিদ্যালয় দুটি চলবে।’

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সরকারি কর্মকর্তাদের পেনশন জটিলতা বন্ধের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক :

চাকরি শেষে সরকারি কর্মচারীদের পেনশন উত্তোলনের ক্ষেত্রে অহেতুক জটিলতা বন্ধের দাবি জানিয়েছে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী সম্মিলিত ঐক্য পরিষদ।

একইসঙ্গে টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাবদ আহরিত অর্থ অন্যায়ভাবে কর্তন এবং রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন তারা।

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে এ দাবি জানান তারা।

মানববন্ধনে সংগঠনের আহ্বায়ক তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘চাকরিজীবনে আহরিত সুযোগ-সুবিধা টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড যাচ্ছেতাইভাবে কর্তন করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, পেনশন উত্তোলনের ক্ষেত্রে অহেতুক প্রতিবন্ধকতা ও জটিলতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। বিদ্যমান বিধি-বিধান অনুসরণ করা হচ্ছে না। এমনকি আদালতের চূড়ান্ত নির্দেশও অমান্য করা হচ্ছে।’

তিনি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেনশন উত্তোলনের ক্ষেত্রে সীমাহীন এই দুর্গতি অহেতুক জটিলতা, দীর্ঘসূত্রতার অবসানসহ-প্রশাসনিক ও আর্থিক হয়রারি বন্ধের দাবি জানান।

আদালতের রায় বাস্তবায়ন না করে প্রতিটি পদে জটিলতা সৃষ্টি, অসত্য তথ্য আদালত ও সরকারের নিকট উপস্থাপন করে অস্থিরতা সৃষ্টি, প্রশাসনিক ও আর্থিক হয়রানির রেকর্ড সৃষ্টি, অনাকাঙ্ক্ষিত দীর্ঘসূত্রতা ও বিলম্বিত করায় এ সময় মানববন্ধনে উপস্থিত ভুক্তভোগীরা তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

আয়োজক সংগঠনের সদস্যসচিব মো. ইসমাইল ভূঁইয়াসহ মানববন্ধনে বিভিন্ন দপ্তর ও জেলা থেকে বিপুলসংখ্যক প্রতিনিধি ও ভুক্তভোগী উপস্থিত ছিলেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষক পেটানোর অভিযোগে প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার

ক্লাস রুটিনে প্রধান শিক্ষককে ক্লাস দেওয়ায় সহকারী শিক্ষককে পেটানোর ঘটনায় অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক অহিদুল হককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার বিকালে তাকে গ্রেপ্তার করে রুহিয়া থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।

নির্যাতিত সহকারী শিক্ষক ভবনন্দ পালের স্ত্রী বাদী হয়ে প্রধান শিক্ষকসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর তাকে গ্রেপ্তার করা হলো।
জানা যায়, গত ২৩ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার দীপশিখা নি¤œ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিএসসি শিক্ষক ভবানন্দ পাল ওই বিদ্যালয়ের ক্লাস রুটিন তৈরি করে এবং বিভিন্ন শিক্ষকের কাজ বণ্টন করেন। রুটিনে প্রধান শিক্ষক অহিদুল হককে ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণির ইংরেজি ক্লাস দেয়া হয়। প্রধান শিক্ষক কোনোদিন কোনো ক্লাস নেন না। তাকে ক্লাস দেওয়ায় তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং রুটিন প্রস্তুতকারী  বিএসসি শিক্ষক ভবানন্দ পালকে শার্টের কলার ধরে এলোপাতাড়ি মারপিট শুরু করেন।

এ সময় সহকারী শিক্ষক আব্দুল বাতেন, আনন্দ শর্মা, নজরুল ইসলাম ও ক্লার্ক মখলেসুর রহমান ও দুলালও প্রধান শিক্ষকের পক্ষ নিয়ে মাফলার দিয়ে ভবানন্দ পালকে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধোর করে। চিৎকার শুনে পথচারী লোকজন ছুটে এসে উত্তেজিত শিক্ষকদের কাছে থেকে বিএসসি শিক্ষককে উদ্ধার করে এবং ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

সেই থেকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বিএসসি শিক্ষক ভবানন্দ পাল। ওই ঘটনায় আজ ভবানন্দ পালের স্ত্রী গীতা বাদী হয়ে প্রধান শিক্ষকসহ ৫ শিক্ষককে আসামি করে রুহিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রুহিয়া থানা পুলিশের উপপরিদর্শক তসির উদ্দীন প্রধান শিক্ষক অহিদুল হককে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসেন।
রুহিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. শাহরিয়ার গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অপর আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। শিক্ষক নির্যাতনকারী কোনো শিক্ষক নামধারী সন্ত্রাসীর নিস্তার নেই বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

গাইড বই বিক্রি করতে অর্ধ কোটি টাকা নিয়ে মাঠে কাজল ব্রাদার্স

জেলা প্রশাসন ও জেলা শিক্ষা প্রশাসন তথা সরকারী নির্দেশনা উপেক্ষা করে সহায়ক বইয়ের নামে কাজল ব্রাদার্স অনুপম সিরিজ গাইড দিয়ে যশোরের বই বাজার সয়লাব করা হয়েছে। ডজন দুয়েক লোক নিয়োগ দিয়ে যশোর ঝিনেদা মাগুরা ও নড়াইলে অনুপম সিরিজের পাঁচ কোটি টাকার বই বিক্রির টার্গেট নিয়ে নেমেছে এই প্রকাশনী। ইতোমধ্যে প্রকাশনীর যশোরের এরিয়া ম্যানেজার ইমরুল ও যশোর সদরের দায়িত্বে নিয়োজিত আনিসুর রহমান অর্ধকোটি টাকা ছড়িয়েছে এ অঞ্চলের চিহ্নিত কিছু প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধানদের কাছে।
সূত্র জানায়, সহায়ক বইকে না বলতে জেলা প্রশাসকের কাছে শপথ নেয়ার পরও চড়া মূল্যের কথিত সৃজনশীল গাইড শিক্ষার্থীদের কিনতে পরামর্শ দিচ্ছেন শিক্ষকরা। অভিভাবকদের অভিযোগ, শিক্ষকরা লাভবান হয়ে কাজল ব্রাদার্সের অনুপম সিরিজের সহায়ক বইয়ের ক্লাসওয়ারি তালিকা ছাত্রদের হাতে তুলে দিচ্ছেন। যদিও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জোর দিয়ে বলেছেন, এ কর্মকা-ের সঙ্গে শিক্ষকরা জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। সূত্র জানায়, ২০০৮ সাল থেকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে দু’একটি বিষয় ছাড়া বেশিরভাগ বিষয় সৃজনশীল পদ্ধতির আওতায় আনা হয়। শিক্ষার্থীদের মুখস্থ বিদ্যা পরিহার, গাইড বই ও কোচিং নির্ভরতা কমানোর জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় এই সৃজনশীল পদ্ধতির প্রচলন করলেও তা ভেস্তে দিচ্ছে প্রকাশনী ও অসাধু শিক্ষকরা। নিজেরা লাভবান হতে বেশিরভাগ শিক্ষার্থীকে কথিত সৃজনশীল গাইড নির্ভর করে তুলেছেন শিক্ষকরা।
এ ব্যাপারে কথা হয় যশোর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম টুকুর সঙ্গে। তিনি বলেছেন, এ ধরনের অভিযোগ তার কাছেও এসেছে। ইতোমধ্যে তিনি একটি বিশেষ টিম করে স্কুলে স্কুলে পরিদর্শন শুরু করেছেন। শুধু অনুপম গাইডই নয়, কোন সহায়ক গাইড, সহায়ক বই গ্রহণযোগ্য নয়। কোন শিক্ষক গাইড বিক্রেতা বা প্রকাশনীর সঙ্গে সখ্য গড়লে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়া প্রকাশনী ও নোট গাইড বিক্রি প্রতিষ্ঠান লাইব্রেরিতেও অভিযান চালানোর চিন্তা ভাবনা করছে টাস্ক ফোর্স। একই ধরনের বক্তব্য দেন যশোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তাপস কুমার অধিকারী।
Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মফস্বলের মানুষের কাছে সংবাদ মানেই মামলা-হামলা

গ্রামের তথা মফস্বলের শতকরা ৮০ জন সাধারণ মানুষের গণমাধ্যম কর্মী ও গণমাধ্যম সম্পর্কে ভীতি রয়েছে। সংবাদ বলতে তারা শুধু মামলা, হামলা বোঝেন। এর বাইরে কোন সংবাদ হয় না বলেই মনে করেন তারা।

বেসরকারি উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক’র এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। এ কারণে স্থানীয় সরকার বা ইউনিয়ন পরিষদ পর্যায়ে গণমাধ্যমের কার্যকর সমন্বয়ের দাবি জানিয়েছে বারসিক।

নির্বাহী পরিচালক সুকান্ত সেনের সভাপতিত্বে মঙ্গলবার ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটির গোলটেবিল মিলনায়তনে ‘স্থানীয় সরকার, গণমাধ্যম ও কার্যকর অংশগ্রহণ’ শীর্ষক সংলাপে এ দাবি তুলে ধরে সংগঠনটি বারসিক।

ইউনিয়ন পর্যায়ে গবেষণার কথা তুলে ধরে বারসিক আরও জানায়, সাধারণ মানুষের দাবি দাওয়া যে গণমাধ্যমের মাধ্যমে সরকারের কাছে পাঠানো যেতে পারে, তারা সেটা কল্পনাও করতে পারেন না। তাই আমরা গণমাধ্যমের সঙ্গে স্থানীয় সরকারের একটা সমন্বয় সাধনের চেষ্টা করছি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

যশোরের ‘নিখোঁজ’ সেই তিন ছাত্র কোয়াকাটায়

যশোরের চৌগাছা উপজেলার শাহাদাৎ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর নিখোঁজ তিন ছাত্রের সন্ধ্যান মিলেছে। বাড়ি থেকে তারা কাউকে না জানিয়ে কোয়াকাটা গিয়েছিল বলে তারা অভিভাবকদের জানিয়েছে। চৌগাছা থানার পুলিশ জানিয়েছে ৩ জনই বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। এ খবর নিশ্চিত করেছেন ৩ শিক্ষার্থীও একজনের পিতা শফিকুল ইসলাম।
উল্লেখ্য, ২২ জানুয়ারি বেলা আড়াইটার পর থেকে চৌগাছা থানা পাড়ার ভাড়াটিয়া শফিকুল ইসলামের ছেলে আশরাফুল ইসলাম শাওন (১৩),  চৌগাছা পশ্চিম কারিগরপাড়ার  আরিফুল ইসলামের ছেলে আশরাফুল ইসলাম (১৩) ও চৌগাছা বাকপাড়া এলাকার আব্দুল মালেকের ছেলে তানভির আহমেদ তন্ময় (১৩) নিখোঁজ ছিল। এ ব্যাপারে আশরাফুল ইসলাম শাওনের বাবা শফিকুল ইসলাম  চৌগাছা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করেন।
চৌগাছা থানার ওসি মশিউর রহমান জানান, বাড়ি থেকে চলে যাওয়া ওই ৩ শিক্ষার্থী কোয়াকাটায় ছিল। তারা বাড়ি আসার জন্য ইতোমধ্যে বাসে উঠেছে।
– See more at: http://www.manobkantha.com/2017/01/24/186323.php#sthash.ZxK8fRJL.dpuf
Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ঘোষণা

স্টাফ রিপোর্টার : বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০১৬ ঘোষণা করা হয়েছে। এ বছর সাতজন বিশিষ্ট কবি, লেখক এবং গবেষক এ পুরস্কার পেয়েছেন।

আজ সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টায় এক সংবাদ সম্মেলনে পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করা হয়। একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান সংবাদ সম্মেলনে পুরস্কার ঘোষণা করেন।

পুরস্কারপ্রাপ্তরা হচ্ছেন— কবিতায় আবু হাসান শাহরিয়ার, কথাসাহিত্যে শাহাদুজ্জামান, প্রবন্ধ ও গবেষণায় মোরশেদ শফিউল হাসান, অনুবাদে ড. নিয়াজ জামান, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যে ডা. এম এ হাসান, আত্মজীবনী বা স্মৃতিকথায় নূরজাহান বোস এবং শিশুসাহিত্যে রাশেদ রউফ।

বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ১ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে বরেণ্য লেখকদের মাঝে এই পুরস্কার বিতরণ করবেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মাউশির কর্মচারীদের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক :

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর এবং অধিদপ্তরাধীন বিভিন্ন অফিস/শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারীদের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

গত ১৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয় এ পরীক্ষা।

লিখিত পরীক্ষার ভিত্তিতে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিতদের ফলাফল এবং নির্বাচিত প্রার্থীদের ব্যবহারিক (প্রযোজ্য পদের জন্য) ও মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচিসহ বিস্তারিত তথ্য মাউশি অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে www.dshe.gov.bd–এ পাওয়া যাবে।

লিখিত পরীক্ষার ভিত্তিতে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিতদের ফলাফল এবং অন্যান্য তথ্যাদি সংশ্লিষ্টদের টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের বার্তার মাধ্যমেও যথাসময়ে জানিয়ে দেওয়া হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

২০১৭ সালের পাঠ্যপুস্তক সাম্প্রদায়িক বিষয় প্রত্যাহারে উদ্যোগ নেই

রাকিব উদ্দিন :  ২০১৭ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই থেকে সাম্প্রদায়িক ও ধর্মীয় চেতনার বিষয়বস্তু প্রত্যাহারের উদ্যোগ না নিয়ে ভুল ও তথ্য বিভ্রাট সুরাহার জন্য দৌড়ঝাঁপ করছে এনসিটিবি।

নতুন শিক্ষাবর্ষে সাম্প্রদায়িক এবং ভুলেভরা পাঠ্যপুস্তক নিয়ে চরম বেকায়দায় পড়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই প্রেক্ষাপটে পাঠ্যপুস্তকের ভুলত্রুটি-চিহ্নিত করা সংক্রান্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি এক সপ্তাহ বিলম্বে গতকাল তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। কিন্তু পাঠ্যক্রম থেকে সাম্প্রদায়িক চেতনার বিষয়বস্তু প্রত্যাহারের ব্যাপারে কোন কমিটি গঠন করা হয়নি।

এদিকে ২০১৬ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবইয়েও বেশকিছু ভুলত্রুটির প্রমাণ পেয়েছিল এ সংক্রান্ত বিষয়ে গঠিত এনসিটিবির একটি তদন্ত কমিটি। কিন্তু ওই কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী ভুলত্রুটি ও ইতিহাস বিকৃতির জন্য দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

জানা গেছে, দুই মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নানা কৌশলে পাঠ্যক্রমের সাম্প্রদায়িক বিষয় ও লেখার সমালোচনা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন, কিন্তু ভুল ও তথ্য বিভ্রাটের জন্য একে অন্যের ঘাড়ে দায় চাপাচ্ছেন। পাঠ্যক্রমে একটি বিশেষ ধর্মের চেতনার প্রতিফলন ঘটনায় দেশব্যাপী সমালোচনার মুখে দুই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা এখন ‘এনসিটিবি’কে (জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড) বিভক্ত করার মনস্তাত্তি্বক লড়াইয়ে লিপ্ত হয়েছেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এনসিটিবিতে তাদের একটি উইং (অনুবিভাগ) থাকলেও সেখানে তাদের নিজস্ব লোকবল নিয়োগের সুযোগ দিচ্ছে না শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আর এনসিটিবির কর্মকর্তা বলছেন, এনসিটিবি পুরোপুরিই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন। এর সাফল্য-ব্যর্থতার যাবতীয় দায়ভারও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে এনসিটিবির চেয়ারম্যান প্রফেসর নারায়ণ চন্দ্র সাহা বলেন, ‘এনসিটিবিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কোন পদ ও উইং নেই। এটি পুরোপুরি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে। এখানে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা পদায়নের সুযোগ নেই। তাদের কোন এখতিয়ারও নেই।’

এ ব্যাপারে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব গিয়াস উদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, এনসিটিবি দুই মন্ত্রণালয়ের বই ছাপে। কিন্তু পুরো কর্তৃত্ব খাটায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এটা হতে পারে না। এজন্য এনসিটিবিতে নিজেদের ২২ জন কর্মকর্তা নিয়োগের জন্য গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০০৫ সালের ১৯ জুন সরকারের সচিব কমিটির (৩.৪.১) সিন্ধান্ত অনুযায়ী সংস্থাপন (বর্তমানে জনপ্রশাসন) মন্ত্রণালয় এবং অর্থ বিভাগের সম্মতির ভিত্তিতে প্রকল্পভুক্ত ২৫টি পদ এবং এনসিটিবির স্থায়ী ৯টি পদসহ মোট ৩৪টি পদ সমন্বয়ে এনসিটিবিতে প্রাথমিক শিক্ষাক্রম উইং সৃজনের সুপারিশ করা হয়।

সচিব কমিটির সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় ২০০৫ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর এডিবি সাহায্যপুষ্ট চট্টগ্রাম, সিলেট ও বরিশাল বিভাগের প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্পের এনসিটিবি ইউনিটের অস্থায়ী ২৫টি পদ এবং এনসিটিবির স্থায়ী ৯টি পদসহ মোট ৩৪টি পদ সমন্বয়ে রাজস্ব খাতে এনসিটিবির প্রাথমিক শিক্ষাক্রম উইং সৃজনের আদেশ জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওই আদেশ অনুযায়ী প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ২৫টি পদ স্থায়ীভাবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ন্যস্ত করে।

তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপে প্রাথমিকের বই মুদ্রণ বিলম্ব

মুদ্রণ ও বাঁধাইয়ের মান এবং আর্থিক সাশ্রয়ের কারণে পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণে আন্তর্জাতিক দরপত্র সরকারের কাছে অধিকতর গ্রহণযোগ্যতা পেলেও প্রাথমিক স্তরের বইয়ের ওপর তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপের কারণে নানা জটিলতা ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে।

কারণ প্রাথমিক শিক্ষা স্তরের পাঠ্যবই ছাপা হয় আন্তর্জাতিক দরপত্রে, যার অর্থায়ন করে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই অর্থায়নের ১০/১৫ শতাংশ ঋণ হিসেবে দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। এজন্য প্রতিবার আন্তর্জাতিক অর্থলগি্নকারী সংস্থাটি বইয়ের মান নিয়ন্ত্রণের নামে কিছু শর্তারোপ করে। এসব শর্ত অনুসরণ করতে গিয়ে প্রতিবারই পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণে বিলম্ব হয়, যাতে শিক্ষাবর্ষের শেষদিকে এসে যথাসময়ে সব বই মুদ্রণ ও সরবরাহে গলদঘর্ম পরিস্থিতিতে পড়ে এনসিটিবি।

২০১৭ শিক্ষাবর্ষের বিনামূল্যের প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণের দরপত্র সংক্রান্ত তথ্যাবলি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সিডিউল প্রণয়ন, সিডিউল এনসিটিবি কর্তৃক অনুমোদন, সিডিউল বিশ্বব্যাংক কর্তৃক অনুমোদন, পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, উন্মুক্তকরণ, মূল্যায়ন, মূল্যায়ন প্রতিবেদন এনসিটিবি ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদন, মূল্যায়ন প্রতিবেদন ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা ও বিশ্বব্যাংক কর্তৃক অনুমোদন, বিডারদের (ঠিকাদার) নোটিফিকেশন অব এওয়ার্ড (এনওসি) প্রদানের তারিখ, চুক্তিপত্র সম্পাদনের তারিখ এবং এলসি সম্পন্ন করাসহ সকল প্রক্রিয়ায় প্রাথমিক স্তরের বই মুদ্রণের কার্যক্রম বিলম্ব হয়।

২০১৭ শিক্ষাবর্ষের বই ছাপাতে মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যবই মুদ্রণের দরপত্র আহ্বান করা হয় গত বছরের ১৬ মার্চ এবং প্রাথমিকের দরপত্র আহ্বান হয় ১৭ এপ্রিল, মাধ্যমিকের দরপত্র মূল্যায়ন হয় ৯ মে এবং প্রাথমিকের দরপত্র মূল্যায়ন হয় ১৫ জুলাই, মাধ্যমিকের দরপত্রের মূল্যায়ন প্রতিবেদন ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার অনুমোদন পায় ২২ জুন এবং প্রাথমিকের মূল্যায়ন প্রতিবেদন অনুমোদন পায় এক মাস সাত দিন বিলম্বে ২৫ আগস্ট, মাধ্যমিকের বই ছাপতে ঠিকাদারদের এনওসি দেয়া হয় ২৩ জুন এবং প্রাথমিকের ক্ষেত্রে তা হয় ২৮ আগস্ট, ঠিকাদারদের সাথে মাধ্যমিকের বই ছাপার চুক্তি হয় ২৮ জুলাই এবং প্রাথমিকের চুক্তি হয় ২৪ সেপ্টেম্বর। আর প্রাথমিকের বইয়ের জন্য বিদেশি প্রতিষ্ঠানের এলসি সম্পন্ন হয় ১৬ নভেম্বর, যা মাধ্যমিকের বইয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

এনসিটিবিতে তদন্ত কমিটি

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০১৭ সালের পাঠ্যপুস্তকে ভুলত্রুটি নির্ণয় ও ভুলত্রুটির জন্য দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে যথাযথ সুপারিশ প্রদানের লক্ষ্যে অতিরিক্ত সচিব রুহী রহমানকে আহ্বায়ক করে গত ৯ জানুয়ারি তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের যুগ্মসচিব মাহমুদুল ইসলাম এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক (মাধ্যমিক)।

এ কমিটিকে ৭ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়া হলেও ৭ কর্মদিবস শেষে গতকাল তারা কেবল কার্যক্রম শুরু করেছে। এজন্য কমিটির আন্তরিকতা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা। তদন্ত কমিটির সদস্যরা গতকাল এনসিটিবিতে গিয়ে সংস্থার কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেন।

২০১৬ সালের ভুলত্রুটির জন্য দায়ীদের শাস্তি হয়নি

২০১৬ সালের পাঠ্যবইয়ে বানান ভুল, তথ্য বিভ্রাট, ইতিহাস বিকৃতি এবং কবিতা বিকৃতির ঘটনা তদন্তে সংস্থার ঊর্ধ্বতন বিশেষজ্ঞ মেহের নিগারের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল এনসিটিবি। কিন্তু এসব ঘটনার জন্য তদন্ত প্রতিবেদনে যাদের দায়ী করা হয়েছিল তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি এবং বেশিরভাগ সুপারিশও বাস্তবায়ন করা হয়নি।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ‘পঞ্চম শ্রেণীর বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় পাঠ্যপুস্তকে বাহাদুর শাহ পার্কের নির্মাণকাল ও শতাব্দী, নেপালে ভূমিকম্পের তারিখ এবং জাতিসংঘের প্রশাসনিক শাখা সম্পর্কিত ভুল তথ্য সনি্নবেশের জন্য বইয়ের লেখক, সম্পাদক, বিষয় বিশেষজ্ঞ ও পরিমার্জনকারীরা কোনভাবেই দায় এড়াতে পারেন না।’

সপ্তম শ্রেণীর সপ্তবর্ণা পাঠ্যপুস্তকে সংকলিত সুকুমার রায়ের ‘আনন্দ’ কবিতার পদবিন্যাসে অসঙ্গতির জন্য উক্ত পাঠ্যপুস্তকের লেখক ও সম্পাদক পরিষদ দায়ী। ২০১২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত এই পুস্তকটির বিশেষজ্ঞের দায়িত্ব পালন করা এনসিটিবির বিশেষজ্ঞ হান্নান মিয়া এবং গবেষণা কর্মকর্তা সৈয়দ মইনুল হাসান কবিতাটির ত্রুটি চিহ্নিত ও সংশোধন করতে ব্যর্থ হয়েছিন বিধায় এ ত্রুটির জন্য উক্ত কর্মকর্তারা দায়ী।’

মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস সম্পর্কিত ভুল তথ্য পাঠ্যপুস্তকে সনি্নবেশ করার জন্য সৈয়দ মইনুল হাসান কর্তব্য কাজে অবহেলাসহ চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে মন্তব্য করা হয়।

এছাড়াও ‘পাঠ্যপুস্তকে ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা’ শব্দটি থেকে ‘ষড়যন্ত্র’ শব্দটি প্রত্যাহার করে নেয়ার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ডেপুটি স্পিকার শওকত আলীর নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট বিষয় বিশেষজ্ঞ এ নির্দেশনা পালনে দায়িত্বহীনতা ও কর্তব্য কাজে অবহেলার পরিচয় দিয়েছেন বলেও ২০১৬ সালের তদন্ত কমিটি মন্তব্য করে।

গত বছরের তদন্ত প্রতিবেদনের ব্যাপারে জানতে চাইলে প্রফেসর নারায়ণ চন্দ্র সাহা বলেন, ‘গত বছর আমি চেয়ারম্যান ছিলাম না। এখন আমি এ ব্যাপারে খোঁজখবর নেব। তবে আমি যতটুকু জানি, কোন তদন্ত প্রতিবেদন করা হলে তা মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়া হয়। মন্ত্রণালয়ই কেবল তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে ব্যবস্থা নিতে পারে।’ সংবাদ।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ে কমিটি করেছে সরকার

ডেস্ক: প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরি আবেদন করা ও তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের নিরীক্ষণ এবং তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য জেলা, মহানগর ও উপজেলা যাচাই-বাছাই কমিটি করেছে সরকার।

রবিবার (১৫ জানুয়ারি) বেকেলে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণাললের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা সুফি আব্দুল্লাহিল মারুফ এ তথ্য জানান।

আব্দুল্লাহিল মারুফ বলেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গত ১২ জানুয়ারি জেলা, মহানগর ও উপজেলা কমিটি গঠনের আদেশ জারি করে। এতে মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই-বাছাইয়ে আগের গঠন করা কমিটি কমিটি বাতিল করা হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. মাহবুবুর রহমান ফারুকী স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়, জেলা/মহানগর কমিটিতে বর্তমান সংসদ সদস্য অথবা তার মনোনীত মুক্তিযোদ্ধা কমিটির সভাপতি হবেন। সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা হলে তিনি সদস্য হবেন। আর মুক্তিযোদ্ধা না হলে তার না হলে তার মনোনীত একজন মুক্তিযোদ্ধা সভাপতি হবেন। তবে ওই সংসদ সদস্যর কমিটিতে সদস্য হিসেবে থাকবেন।

এছাড়া এই কমিটিতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সদস্য, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল, জেলা/মহানগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বা তার মনোনীত জেলা/মহানগর এলাকার একজন মুক্তিযোদ্ধা প্রতিনিধিকে সদস্য থাকবেন। কমিটির সদস্য সচিব থাকবেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক)।

একইভাবে উপজেলা কমিটিতে সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা হলে তিনি নিজে এই কমিটির সভাপতি হবেন। সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা না হলে তার মনোনীত একজন মুক্তিযোদ্ধা প্রতিনিধি কমিটির সভাপতি হবেন। তবে সংসদ সদস্য কমিটির সদস্য থাকবেন।

স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং তার মনোনীত প্রতিনিধির বাইরে উপজেলা পর্যায়ের কমিটিতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সদস্য, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল এবং জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বা তার মনোনীত একজন মুক্তিযোদ্ধা প্রতিনিধিকে সদস্য থাকবেন। এই কমিটিতে সদস্য সচিব থাকবেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)।

কমিটির কার্যপরিধিতে বলা হয়েছে, যাচাই-বাছাইয়ের আওতাধীন কোনও মুক্তিযোদ্ধা/প্রতিনিধি কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন না এই। আর যাচাই-বাছাই কমিটির সভাপতি সংসদ সদস্য ছাড়া অন্যকেউ হলে তা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় মনোনীত হতে হবে।

এই কমিটি ইতোপূর্বে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল কর্তৃক প্রেরিত মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ের জন্য তথ্যাবলী মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই নির্দেশিকা ২০১৬ অনুরসণ করে যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করবে। কোনও কারণে কোনও কমিটির সভাপতি অনুপস্থিত থাকলে সমঝোতার মাধ্যমে কমিটির সদস্যদের মধ্য থেকে একজন সদস্য সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন। কমিটির সদস্য সংখ্যার অধিকাংশের উপস্থিতিতে কমিটির কোরাম সম্পন্ন হয়েছে বিবেচনা করে কমিটি কার্যসম্পাদন করতে পারবে। কোনও কারণ দর্শানো ছাড়াই কর্তৃপক্ষ যে কোনও কমিটির আংশিক বাতিল বা সংশোধন করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করে।

কমিটির কার্যপরিধিতে আরও বলা হয়, যাচাই-বাছাই কমিটিকে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল ঘোষিত তারিখ ও স্থানে (সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা/জেলা প্রশাসকের কার্যালয়) যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করতে হবে।

কমিটিগুলো ‘মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই নির্দেশিকা-২০১৬’ অনুযায়ী যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করে সঙ্গে সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলে প্রতিবেদন পাঠাবে এবং সংশ্লিষ্ট উপজেলা নোটিশ বোর্ডে একটি কপি টাঙিয়ে দেবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বেরোবিতে শিক্ষক সমিতির ভোট চলছে

নিউজ: সরকারদলীয় দুটি প্যানেলের প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যে দিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) শিক্ষক সমিতির ভোটগ্রহণ চলছে।

রোববার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হেয়াত মামুদ ভবনের ১০১নং কক্ষে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। চলবে বিকেল ৩টা পর্যন্ত।

নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থক শিক্ষকদের দুই প্যানেল প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ হলুদ দল ও নীল দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।

দুই প্যানেল থেকে যারা প্রার্থী

`হলুদ দল` থেকে সভাপতি পদে লড়ছেন অধ্যাপক ড. গাজী মাজহারুল আনোয়ার এবং সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন তাবিউর রহমান প্রধান, সহ-সভাপতি পদে ড. পরিমল চন্দ্র বর্মণ, কোষাধ্যক্ষ পদে মো. ফেরদৌস রহমান ও যুগ্ম সম্পাদক পদে মো. আতিউর রহমান।

সদস্য পদপ্রার্থী হয়েছেন, ড. আর এম হাফিজুর রহমান, ড. মো. নুর আলম সিদ্দিক, আসিফ আল মতিন, মো. হান্নান মিয়া, মো. সাইদুর রহমান, মো. ছদরুল ইসলাম সরকার, মুহা. শামসুজ্জামান, মো. নুরুল কবীর বিপ্লব, তাসনীম হুমাইদা ও এইচ. এম. তারিকুল ইসলাম।

`নীল দল` থেকে সভাপতি পদে লড়ছেন ড. আবু সালেহ মোহাম্মদ ওয়াদুদুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন গোলাম রব্বানী, সহ-সভাপতি পদে ড. শফিকুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ পদে মো. মাসুদ রানা, যুগ্ম সম্পাদক পদে মো. জুবায়ের ইবনে তাহের।

সদস্য পদপ্রার্থী হয়েছেন, মো. হারুন-আল- রশীদ, মো. বেলাল উদ্দিন, মো. আশানুজ্জামান, এটিএম জিন্নাতুল বাশার, কুন্তলা চৌধুরী, মো. আসাদুজ্জামান মন্ডল আসাদ, চার্লস ডারউইন, সৈয়দ আনারুল আজিম, ড. নিতাই কুমার ঘোষ ও মো. সাইফুল ইসলাম।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার মো. আলী রায়হান সরকার জাগো নিউজকে জানান, এবার ভোটের সংখ্যা প্রায় দেড় শতাধিকের মতো। তবে ছুটিতে থাকা শিক্ষকরাও ভোটে অংশ নিতে পারবেন।

নির্বাচনে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সবার সার্বিক সহযোগিতা কামনা করে তিনি জানান, সুষ্ঠুভাবে  নির্বাচন সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশন বদ্ধ পরিকর।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

যারা শতভাগ পেনশন তুলেছেন তারাই ডুবেছেন: অর্থমন্ত্রী

অনলাইন প্রতিবেদক: অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, অনেকে শতভাগ পেনশনের টাকা তুলে নিয়েছেন, এটা ভুল সিদ্ধান্ত। পেনশন অবসরকালীন সময়ের সিকিউরিটি। যারা শতভাগ তুলেছে, তারা সবাই ডুবেছেন। আমরা নতুন নতুন নিয়ম করছি, ফলে তারা কোন সুবিধা পায় না। যারা পেনশনের শতভাগ অর্থ তুলেছেন, তারা কোনো সুবিধা পাচ্ছেন না। ভবিষ্যতে যাতে এটা না হয়, সেজন্য অর্ডার করেছি, কেউ ৫০ শতাংশের বেশি তুলতে পারবেন না।

বুধবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত্র মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

বেসরকারি খাতে অবসরে যাওয়া চাকরিজীবীদের জন্য কিছু করবেন কি না, জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, হ্যাঁ, সেটাও করা হবে, কিন্তু একটু সময় লাগবে। আর অবসর ভাতাভোগীদের জন্য সংশি­ষ্ট কোম্পানিগুলোরও দায়বদ্ধতা রয়েছে। তাই এটা নিয়ে আমরা সংশ্লি­ষ্ট সবপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসবো। এই বিষয়টি নিয়ে সংশি­ষ্টদের সঙ্গে আগামী বাজেটেরে আগেই বসা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রসঙ্গত, সরকারি কর্মচারীরা পেনশনের পুরো টাকা আর একবারে তুলে নিতে পারবেন না। সর্বোচ্চ অর্ধেক তুলে নিতে পারবেন। বাকি অর্ধেক নিতে হবে তাদের মাসে মাসে। আগামী ১ জুলাই থেকে এই বিধান কার্যকর হবে। গত মঙ্গলবার এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ। পেনশনধারীদের আর্থিক ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার স্বার্থে বিধানটি চালু করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উলে­খ করা হয়। অর্থাত্ এ বছরের ৩০ জুন বা তারপর যাদের অবসর-উত্তর ছুটি শেষ হবে, তারাই নতুন নিয়মের আওতায় আসবেন। তবে পেনশনার বা পারিবারিক পেনশনাররা মাসিক পেনশনের ওপর ৫ শতাংশ হারে বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট পাবেন। এটাও কার্যকর হবে আগামী ১ জুলাই থেকে। বর্তমানে কেউ চাইলে পুরো টাকা তুলে নিয়ে যেতে পারেন, আবার মাসে মাসেও নিতে পারেন। অর্থাত্ দুটি বিকল্পই খোলা আছে। নতুন বিধানের মাধ্যমে পেনশনের ৫০ শতাংশ মাসিক ভিত্তিতে নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter