নিউজ

সড়ক দুর্ঘটনায় চুয়াডাঙ্গা সরকারী কলেজছাত্র নিহত

চুয়াডাঙ্গা,৭ এপ্রিল: সড়ক দুর্ঘটনায় রাসেল হোসেন (২২) নামে এক কলেজ ছাত্র নিহত হয়েছেন। নিহত রাসেল মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় একটি ভ্যান পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। পরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে ছিটকে পড়েন রাসেল। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার হাটকালুগঞ্জ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, নিহত রাসেল হোসেন চুয়াডাঙ্গা সুমিরদিয়া গ্রামের আখের আলীর ছেলে এবং চুয়াডাঙ্গা সরকারী কলেজের ছাত্র ছিলেন।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল খালেক জানান, মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় রাসেল একটি ভ্যানকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এ সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ছিটকে পড়ে আহত হন চালক রাসেল। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হয়। পরে শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়ার পথে তিনি মারা যান।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন নিপীড়ক শিক্ষককের কুশপুতুলে আগুন

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি,৭ এপ্রিল: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানির দায়ে অভিযুক্ত সিএসই বিভাগের প্রধান মো. আক্কাছ আলীর কুশপুত্তলিকা দাহ করেছেন শিক্ষার্থীরা। রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে আন্দোলনরত ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তার কুশপুত্তলিকা দাহ করেন।

এদিকে দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানির ঘটনায় শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান মো. আক্কাস আলীর পদত্যাগ দাবিতে ক্যাম্পাসে দফায় দফায় বিক্ষোভ করছেন। এসময় তারা অভিযুক্ত শিক্ষকের বহিষ্কার ও বিচারসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন।

তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে, অনতিবিলম্বে আক্কাস আলীকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করাসহ ক্যাম্পাসে আজীবন অবাঞ্চিত ঘোষণা, ভিকটিম ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও হয়রানি বন্ধ করা, কোন শিক্ষক কার্যদিবস ছাড়া ছাত্রীদের ডাকতে পারবেনা এবং ডিপার্টমেন্টাল অফিস ছাড়া কোথাও ডাকতে পারবেনা। এর পাশাপাশি অবিলম্বে ডিপার্টমেন্টভিত্তিক ছাত্র সংসদ নির্বাচনেরও দাবি জানিয়েছেন তারা।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, সিএসই বিভাগের প্রধান আক্কাস আলীর বিরুদ্ধে দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানির সুস্পষ্ট প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও প্রশাসন তাকে কেবল সতর্কবার্তা দিয়েছে। এটা কোন ধরণের বিচার। আমরা এই নিপীড়ক শিক্ষককে ক্যাম্পাসে দেখতে চাই না।

উল্লেখ্য, সিএসই বিভাগের প্রধান আক্কাস আলীর বিরুদ্ধে একই বিভাগের দুই ছাত্রী যৌন হয়রানির অভিযোগ দিলেও ওই শিক্ষকে কেবল সতর্কবার্তা দেয়া হয়। বিষয়টি প্রমাণিত হলেও শিক্ষক আর শুক্র ও শনিবার শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে ডাকতে পারবেন না, তিনি থিসিসে কোন মেয়ে নিতে পারবেন না এমন কিছু অদ্ভত শাস্তি দেয়া হয়। এনিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

স্কুলের ছাদ ধসে হতাহতদের ক্ষতিপূরণের নির্দেশনা চেয়ে রিট আবেদন

বিডি নিউজ,৭ এপ্রিল: বরগুনার একটি স্কুলের ছাদ ধসে শিক্ষার্থী হতাহতের ঘটনায় ক্ষতিপূরণের নির্দেশনা চেয়ে রিট আবেদন হয়েছে।

রোববার হাই কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট আবেদনটি করা হয় বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন রিটকারী পক্ষের আইনজীবী হুমায়ুন কবির পল্লব।

শনিবার বরগুনার তালতলীতে ১৭ বছরের পুরনো ছোট বগী পিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাদের একটি বিম ভেঙে পড়লে মানসুরা নামে তৃতয়ি শ্রেণির এক শিক্ষার্থী নিহত ও তিনজন আহত হয়।

আইনজীবী হুমায়ুন কবির বলেন, “সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হাসান তারেক পলাশ ও ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশনের পক্ষে এ রিট আবেদনটি করা হয়েছে। বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাই কোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটির শুনানি হতে পারে।”

তিনি বলেন,  নিহত শিক্ষার্থী মানসুরার পরিবারকে এক কোটি টাকা এবং আহত অন্যান্য শিক্ষার্থীর পরিবারকে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ ও তাদের যথাযথ চিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে রিটে।

শিক্ষা সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্থানীয় সরকার সচিব, বরগুনার জেলা প্রসাশক, তালতলী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা, ছোট বগী পিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বিদ্যালয় ভবনটি নির্মাণকারী সেতু এন্টারপ্রাইজের স্বত্ত্বাধিকারী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

এছাড়া শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সবার জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে নিশ্চিত করার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, সকল সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ঝঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করে পরিত্যক্ত ঘোষাণা করতে জরিপের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না এবং ছোট বগী পিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাদ ধসে নিহত শিক্ষার্থী মানসুরা ও আহত শিক্ষার্থীদের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণসহ তাদের যথাযথ চিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, মর্মে রুলও চাওয়া হয়েছে। 

এই বিদ্যালয় ভবনটি ২০০২ সালে নির্মাণ করে সেতু এন্টারপ্রাইজ। এর মালিক আবদুল্লাহ আল মামুন বরগুনা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মতিয়ার রহমান তালুকদারের ভাগ্নে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক ,৭ এপ্রিল ২০১৯: ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে ফেনীর দাগনভূঞা গ্রামে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীর অভিভাবক লিখিতভাবে অভিযোগে করেছে। ধর্ষণের শিকার হয়ে তাদের ১২ বছরের শিশু সন্তান অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে।

শুক্রবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে ওই শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ।

জানা যায়, উপজেলার খুশিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া ওই শিক্ষার্থী ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের জানুয়ারি মাসে প্রধান শিক্ষকের ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীর মা দাগনভূঞা থানায় লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, আবদুল করিম (৫৫) নামের ওই প্রধান শিক্ষক নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে গিয়ে তার মেয়েকে ধর্ষণ করে। বর্তমানে মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে। প্রথমে তারা ভেবেছিলেন, মেয়ের পেটে পাথর হয়েছে কিংবা পাকস্থলির অন্য কোনও সমস্যা। তবে গত মাসে তারা এক চিকিৎসকের কাছে গিয়ে জানতে পারেন, তাদের মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা।

দাগনভূঞা থানার ওসি ছালেহ আহমেদ পাঠান বলেন, ‘শিক্ষাথীর অভিভাবকরা ইতোমধ্যেই এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তার পরই অভিযুক্ত শিক্ষক আবদুল করিমকে আটক করা হয়েছে।’

ফেনীর পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম সরকার পিপিএম বলেন, শিশুটির অন্তঃসত্ত্বা বিষয় নিশ্চিত হতে চিকিৎসকের পরামর্শে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ করে এই ঘটনায় দ্রুত মামলা নিতে সংশ্লিষ্ট থানাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পরীক্ষা কেন্দ্রে স্মার্টফোন নেয়ায় ৭ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার

পূর্বধলা (নেত্রকোনা) সংবাদদাতা , ০৬ এপ্রিল, ২০১৯
নেত্রকোনার পূর্বধলায় আজ শনিবার সকালে ইংরেজি প্রথমপত্র পরীক্ষায় স্মার্টফোন দিয়ে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে হাফেজ জিয়াউর রহমান ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রের সাত এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। পরীক্ষা তত্ত্বাবধায়ক কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নমিতা দে তাদের বহিষ্কার করেন।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. শফিকুল বারী জানান, পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন রাখা নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও হাফেজ জিয়াউর রহমান ডিগ্রি কলেজের পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় স্মার্টফোন দিয়ে অসদুপায় অবলম্বন করছিল। এই অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ওই কেন্দ্রের ভেন্যু জালশুকা-কুমুদগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩১৬৪৩৯, ৩১৬৪৪৬, ৬৯৮২৬১, ৬৯৮২০২, ৬৯৮১৯৯ রোলের ৫ পরীক্ষার্থী ও আমিনা মেমোরিয়াল মহিলা দাখিল মাদ্রাসায় ৬৯৮২০০ ও ৬৯৮১৯৫ রোলের ২ পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়।



Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অ্যাকাউন্ট ছাড়া সঞ্চয়পত্রের সুদ নেওয়া যাবে না

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৬ এপ্রিল, ২০১৯ :ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ছাড়া সঞ্চয়পত্রের সুদ বা আসল নিতে পারবেন না গ্রাহক। বৃহস্পতিবার (৫ এপ্রিল) অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের আলোকে বাংলাদেশ ব্যাংকের এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়। একই নির্দেশনা সঞ্চয়পত্র বিক্রির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব অফিসে আগেই পাঠিয়েছে মন্ত্রণালয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের ‘সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনা শক্তিশালীকরণ:অগ্রাধিকার কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা রক্ষা (পিইএমএস)’ শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় নতুন পদ্ধতি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক, বাণিজ্যিক ব্যাংক, পোস্ট অফিস বা জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর যেখান থেকেই সঞ্চয়পত্র কেনা হোক, বাধ্যতামূলকভাবে গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট লাগবে। ইলেকট্রনিক তহবিল স্থানান্তর বা বিইএফটিএন পদ্ধতিতে সরাসরি গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে তার পাওনা জমা হয়ে যাবে। বর্তমানে টোকেন পদ্ধতিতে সঞ্চয়পত্রের সুদ বা আসল নেওয়া যায়।

ঢাকা মহানগরীতে নতুন পদ্ধতির বাস্তবায়নের সময়সীমা শেষ হয়েছে গত ৩১ মার্চ। চলতি এপ্রিল মাসের মধ্যে সব বিভাগীয় শহর এবং জুনের মধ্যে দেশের সব দপ্তরে এ পদ্ধতি চালু করতে হবে। আগামী ১ জুলাই থেকে এ পদ্ধতির বাইরে কোনো প্রতিষ্ঠান সঞ্চয়পত্র কেনাবেচা করতে পারবে না।

নতুন কর্মসূচির আওতায় ‘জাতীয় সঞ্চয় স্কিম অনলাইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ চালু করেছে সরকার। এর মাধ্যমে যেখান থেকেই সঞ্চয়পত্র কেনা হোক, একটি ডাটাবেজে তার তথ্য জমা হবে। ফলে একই নামে একাধিক জায়গা থেকে সীমার বেশি সঞ্চয়পত্র কেনার অনিয়ম বন্ধ হবে। এ ছাড়া এক লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনতে হলে টিআইএন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি সঞ্চয়পত্র বিক্রির টাকা একই দিনে ব্যাংকগুলোকে সরকারি হিসাবে জমা দিতে হবে।

বর্তমানে সরকারের ঋণ গ্রহণের মাধ্যম হিসেবে চার ধরনের সঞ্চয় প্রকল্প চালু আছে। একজন ব্যক্তি কত টাকার সঞ্চয়পত্র কিনতে পারবেন তার নির্দিষ্ট সীমা আছে। কেউ সীমার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনলে অতিরিক্ত বিনিয়োগের ওপর তিনি কোনো সুদ পাবেন না। তবে সঞ্চয়পত্রের নির্দিষ্ট কোনো ডাটাবেজ না থাকায় অবৈধ উপায়ে অর্জিত টাকায় অনেকে ভিন্ন ভিন্ন অফিস থেকে বিপুল অঙ্কের সঞ্চয়পত্র কিনছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল মঞ্জুর

নিজস্ব প্রতিবেদক,৫ এপ্রিল২০১৯:

সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের ৯/৩/১৪ গতে ১৪/১২/২০১৫ ইং টাইমস্কেল মঞ্জুর করতে শুরু করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের পত্রের উপর ভিত্তি করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয় টাইমস্কেল মঞ্জুরের ক্ষমতা দেয় বিভাগীয় উপপরিচালকদের হাতে।

প্রাথমিকের যেসব প্রধান শিক্ষক এখনও টাইমস্কেল পাননি তাদের টাইমস্কেল প্রাপ্তিতে জট খুলতে শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের পত্রের উপর ভিত্তি করে এবং প্রধান শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দে সাথে উর্ধত্বন কর্তৃপক্ষের একাধিকবার বৈঠকের পর অবশেষে বিভাগীয় উপপরিচালকদের টাইমস্কেল মঞ্জুর ক্ষমতা দেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়। বৃহস্পতিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব গিয়াস উদ্দিন।

জানা যায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের উন্নীত পদ্ধতিতে বেতন নির্ধারণে গত ১৫ নভেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা আদেশের ফলে ৯/৩/১৪ – ১৪/১২/১৫ পর্যন্ত যা‌দের ১ম. ২য় এবং ৩য় টাইম‌স্কেল ‌ডিউ হ‌য়ে‌ছে তারা টাইমস্কেল থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল। বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ মন্ত্রনালয়ে যোগাযোগ করলে বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দেন মন্ত্রনালয়।

এরই প্রেক্ষিতে প্রধান শিক্ষক  সমিতির কেন্দ্রিয় সভাপতি রিয়াজ পারভেজ ও সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাসের করা আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রির দপ্তর থেকে গত ৮ মার্চ ২০১৮ ইং তারিখে  ওয়াহিদা মুসাররত আনীতা স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে  মতামত চেয়ে পত্র জারী করে  করে। তারই ধারাবাহিকতায় প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয় মন্ত্রনালয়। ইতিমধ্যে রাজশাহী বিভাগীয় উপপরিচালক ও ময়মনসিংহ বিভাগ টাইমস্কেল মঞ্জুর করেছে। বাকী বিভাগগুলো দ্রুত টাইমস্কেল মঞ্জুর করবে বলে আশা করেন সমিতির নেতৃবৃন্দ।


Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকে শিক্ষকের ক্লাস নিচ্ছেন দপ্তরি!

নিজস্ব প্রতিবদক,৪ এপ্রিল: মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার চরবেহেরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক–সংকটের কারণে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষকের বদলে দপ্তরি কাম প্রহরী দিয়ে চালানো হচ্ছে পাঠদানের কাজ। সম্প্রতি বিদ্যালয়টিতে পরির্দশনে গিয়ে দেখা যায়, এক পাশে ক্লাস নিচ্ছেন শিক্ষিকা, আরেক পাশে দপ্তরি। একটি কক্ষেই চলছে ২টি শ্রেণির ক্লাস। শিক্ষক থাকার কথা আটজন। আছেন মাত্র দুজন।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, স্কুলটিতে শিশু থেকে পঞ্চম পর্যন্ত ছয়টি শ্রেণিতে ২৩৭জন শিক্ষার্থী আছে। একটি কক্ষেই চলে শিশু থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের সকল শিক্ষা কার্যক্রম। শিক্ষক ও শ্রেণিকক্ষ সংকটের কারণে দুই শিফটে চলে পাঠদান।

বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা জানান, ১৯৬৮ সালে চরবেহেরপাড়ায় বিদ্যালয়টির কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৭৩ সালে এটি সরকারি হয়। ১৯৮০ সালে দুটি কক্ষের পাকা ভবনে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৮৮ সালে পদ্মার ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে যায় স্কুলটি। তখন সদরের শিলই ইউনিয়নের শিলই এলাকায় টিনের ঘরে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়।

৯৯৬ সালে আবার চরবেহেরপাড়ায় টিনের ঘরে স্কুলটি চালু করা হয়। দুই বছর পর স্কুলটি ফের নদীভাঙ্গনের শিকার হয়। এর মধ্যে শিলই ইউনিয়নের দেওয়ানকান্দিতে স্কুল চলে কিছুদিন। সর্বশেষ ২০০০ সালে চরবেহেরপাড়ায় টিনের একটি কক্ষে আবার শুরু হয় স্কুলের কার্যক্রম। টিনের ঘরটি এখন জরাজীর্ণ।

সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, টিনের বিদ্যালয়টির সামনের মাঠে কয়েকজন শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা করছে। ঘরটি পেছনের দিকে কিছুটা হেলে পড়েছে। সামনে এগোতেই চোখে পড়ে বিদ্যালয়ের ভাঙা দরজা-জানালা। জরাজীর্ণ ওই কক্ষ তিনটি অংশে ভাগ করে তিনটি ক্লাস চলে। সেখানে দেখা যায় দুজন শিক্ষক ও স্কুলের দপ্তরি শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিচ্ছেন।

শিক্ষার্থীরা জানায়, দুজনের বেঞ্চে কখনো জোর করে ও গাদাগাদি করে চারজনকে বসতে হয়। কখনো জায়গার অভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। এদিকে এক কক্ষে তিনটি ক্লাস হওয়ায় চেঁচামেচিতে কী পড়ানো হয়, তা-ও ঠিকমতো বোঝা যায় না। কয়েকজন অভিভাবক অভিযোগ করে বলেন, জরাজীর্ণ বিদ্যালয়টি যে কোনো সময় ভেঙ্গে পড়তে পারে।


বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সানজিদা আক্তার বলেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদটি শূন্য। তাই সব দায়িত্ব তাকেই পালন করতে হচ্ছে। তিনি জানান, গত বছর এই বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষায় ২৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। সবাই ভালো ফলাফল করে।

সানজিদা আক্তার আরো বলেন, শিক্ষক ও শ্রেণিকক্ষ সংকটের কারণে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। চেষ্টা থাকলেও ভালোভাবে ক্লাস নেয়া যাচ্ছে না। জরাজীর্ণ টিনের বিদ্যালয়টিও ভাঙ্গা। বৃষ্টিতে পানি পড়ে। সানজিদা আক্তার আরও বলেন, শিক্ষক সংকটের কারণে তারা দপ্তরি দিয়ে ক্লাস নিতে বাধ্য হচ্ছেন।

বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও জমিদাতা বাদশা মিয়া ঢালী জানান, শিক্ষক ও শ্রেণিকক্ষ সংকটের বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। কিন্তু এখনো কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। বিদ্যালয়ের অবস্থা ভালো না। যেকোনো সময় ভেঙ্গে পড়তে পারে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাসিমা খানম বলেন,‘বিদ্যালয়টির অবস্থা সম্পর্কে জেনেছি। সরেজমিনেও দেখেছি। নতুন ভবন ও শিক্ষক সংকটের বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গেও কথা বলেছি। আশা করি, শিগগিরই সমস্যার সমাধান হবে।’

এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার তাপস কুমার অধিকারীর সাথে তার সেল ফোনে কথা হলে তিনি শিক্ষা বার্তাকে জানান, উপজেলা শিক্ষা অফিসারের সাথে আলাপ করে দ্রুত শিক্ষক পাঠানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বিদ্যালয়টির জন্য নতুন ভবনেরও ব্যবস্থা করা হচ্ছে। দ্রুত ভবনের কাজ শুরু হবে।



Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষার্থীদের খাবারে বিষ মিশিয়ে দিলেন কিন্ডারগার্টেন শিক্ষিকা

ডেস্ক

কিন্ডারগার্টেন স্কুলের কচিকচি নিষ্পাপ বাচ্চাদের খাবারে সবার অলক্ষ্যে ‘বিষ’ মিশিয়ে দিয়েছিলেন এক শিক্ষিকা। টিফিনে সেই খাবার খেয়ে ভয়ানক অসুস্থ হয়ে পড়ে ২৩ খুদে পড়ুয়া। ভরতি করতে হয় হাসপাতালে।

এক সপ্তাহ আগের সেই ঘটনার তদন্তে নেমে মঙ্গলবার চীনের হেনান প্রদেশের এক কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষিকাকে গ্রেফতার করেছে দেশটির পুলিশ।

পুলিশের দাবি, অভিযুক্ত ওই শিক্ষিকা বাচ্চাদের টিফিনে সোডিয়াম নাইট্রেট মিশিয়ে দিয়েছিলেন। হত্যার চক্রান্ত-সহ একাধিক ধারায় ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

কেন তিনি এমন একটা কাণ্ড ঘটালেন, তা এখনও পরিষ্কার নয়। জানা গিয়েছে, বিষক্রিয়ায় অসুস্থ ২৩ বাচ্চার মধ্যে ১৫ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে, আটটি বাচ্চা এখনও সেখানে চিকিত্‍‌সাধীন রয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এবার অগ্রণী ব্যাংক থেকে ২৫৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ

ডেস্ক,৩ এপ্রিল ২০১৯: অগ্রণী ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা থেকে ঋণের টাকা পরিশোধ না করে জালিয়াতি ও মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে ২৫৮ কোটি ৫৬ লাখ টাকা আত্মসাতের দায়ে নুরজাহান গ্রুপের মাররীন ভেজিটেবল অয়েল লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও তিন ব্যাংক কর্মকর্তাসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

চট্টগ্রামের ডবলমুরিং থানায় দুদকের সহকারী পরিচালক নিয়ামুল আহসান গাজী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। বুধবার দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আসামিরা হলেন— ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মাররীন ভেজিটেবল অয়েল লিমিটেডের চেয়ারম্যান টিপু সুলতান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহির আহমেদ, অগ্রণী ব্যাংকের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) ও আগ্রাবাদ শাখার সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক বেলায়েত হোসেন, সাবেক সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার রমিজ উদ্দিন এবং সাবেক সিনিয়র অফিসার ত্রিপদ চাকমা।

দুদক জানায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অগ্রণী ব্যাংকের চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ শাখাসহ বিভিন্ন শাখা থেকে ঋণের টাকা পরিশোধ না করে জালিয়াতি ও মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে ২৫৮ কোটি ৫৬ লাখ ১৬ হাজার ৩৭৩ টাকা আত্মসাৎ করেছেন, যা দুদকের অনুসন্ধানে প্রমাণ হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

আজ বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস

ডেস্ক,২ এপ্রিল :

আজ ২ এপ্রিল বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস। অটিজম বিষয়ে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি ও তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি পালন করা হচ্ছে।

অটিজমে আক্রান্ত শিশু ও বয়স্কদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সহায়তার প্রয়োজনীয়তাকে তুলে ধরতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০০৭ সালে ২ এপ্রিলকে ‘বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস’ হিসেবে পালনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর থেকে প্রতি বছর দিবসটি পালন করা হচ্ছে।

এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য হলো ‘নারী ও বালিকাদের ক্ষমতায়ন, হোক না তারা অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন’।

দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

অটিজমের মতো অপেক্ষাকৃত নতুন একটি বিষয়ে নিজেকে সজাগ ও সময়োপযোগী করার জন্য সচেতনতার বিকল্প নেই।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে দিবস উদযাপনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক প্রেস বিফ্রিংয়ে এ তথ্য জানান সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ।

প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী জানান, বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস উপলক্ষে ও দেশে অটিজম দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরতে আজ থেকে তিন দিন পর্যন্ত দেশের সকল সরকারি, বেসরকারি ও স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানসমূহে নীলবাতি প্রজ্বলন করা হবে।

সকাল সাড়ে ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর নীলবাতি প্রজ্বলনের পর থেকেই তিনদিনব্যাপী নীলবাতি প্রজ্বলন কর্মসূচি কার্যকর হবে। পাশাপাশি অটিজম বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ অবদান রাখায় অটিজম বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন সফল ব্যক্তিদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকার চেক, একটি ক্রেস্ট ও সম্মাননা প্রদান করা হবে।

অন্যান্য পুরষ্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে একটি করে ক্রেস্ট ও সম্মাননা প্রদান করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

প্রতিবন্ধী ব্যক্তির মোট সংখ্যা প্রসঙ্গে সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে মোট ১৬ লাখ ৪৪ হাজার ৬০৮ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি রয়েছে, যাদের মধ্যে ৪৭ হাজার ৪১৭ জন রয়েছে অটিজম বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন ব্যক্তি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ফের সরকারি কর্মচারীদের জন্য সুখবর

ডেস্ক,২ এপ্রিল :

এবার সরকারি চাকরিজীবীদের যাবতীয় চিকিৎসার ব্যয় বহন করবে সরকার। তবে এজন্য উপকারভোগীদের নির্ধারিত হারে প্রিমিয়াম প্রদান করতে হবে। এসব বিধান রেখে সরকারি কর্মচারীদের জন্য ‘চিকিৎসা বীমা’ নীতিমালা প্রণয়ন করছে অর্থ মন্ত্রণালয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বীমা) অজিত কুমার পালের সভাপতিত্বে সম্প্রতি এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় কীভাবে সরকারি কর্মচারীদের বীমার আওতায় আনা যায় সে বিষয়ে একটি প্রস্তাব দিয়েছেন জীবন বীমা করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আলী নূর।

প্রস্তাবনায় তিনি বলেন, বীমার সুবিধাপ্রাপ্ত কর্মচারীকে নির্ধারিত হারে প্রিমিয়াম প্রদান করতে হবে। এর বিনিময়ে সরকারি কর্মচারীকে শুধুমাত্র হাসপাতালে ভর্তির ক্ষেত্রে নির্ধারিত হারে বেডভাড়া, কনসালটেশন ফি, রুটিন ইনভেস্টিগেশন, মেজর অপারেশন ও ওষুধ ক্রয়ের জন্য ক্ষতিপূরণ হিসেবে অর্থ দেয়া হবে।

প্রিমিয়ামের হার এবং ক্ষতিপূরণপ্রাপ্তির সর্বোচ্চ পরিমাণ বীমা অংকের ওপর নির্ধারিত হবে। প্রস্তাব মোতাবেক সর্বনিম্ন এক লাখ টাকা থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত নয়টি স্লাবে বীমা অংক নির্ধারণ হবে। এ বীমা অংকের ওপর ভিত্তি করে বাৎসরিক সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণের পরিমাণ এবং বাৎসরিক প্রিমিয়ামের পরিমাণ নির্ধারণ হবে।

বার্ষিক প্রিমিয়ামের পরিমাণ কর্মচারীদের বয়সের ওপর ভিত্তি করে পাঁচটি গ্রুপে ভাগ করা হবে। প্রতিটি গ্রুপের জন্য নয়টি বীমা অংকের স্লাবের ওপর ভিত্তি করে নয়টি ধাপে প্রিমিয়াম পরিমাপের প্রস্তাব করা হয়েছে।

বার্ষিক প্রিমিয়ামের পরিমাণ কর্মচারীর বয়সের ওপর ভিত্তি করে পাঁচটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে এবং প্রতিটি গ্রুপের জন্য নয়টি বীমা অংকের স্লাবের ওপর ভিত্তি করে নয়টি ধাপে প্রিমিয়াম পরিমাপের প্রস্তাব করা হয়েছে। অর্থাৎ ৪৫ প্রিমিয়াম অংক নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়। একই সঙ্গে বিমাগ্রহিতা কর্মচারী যেসব ক্ষেত্রে বীমার সুবিধা পাবেন না এরূপ ১৬ দফা সম্বলিত একটি তালিকা প্রস্তুতের প্রস্তাব দেন জীবন বীমা করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

সরকারি কর্মচারীদের জন্য স্বাস্থ্যবীমা চালুর জন্য জীবন বীমা করপোরেশনের প্রস্তাব পর্যালোচনা করার লক্ষ্যে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড, বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ, জীবন বীমা করপোরেশন ও সাধারণ বীমা করপোরেশন প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি কর্মচারীদের জন্য চিকিৎসা বীমা প্রবর্তন-সংক্রান্ত বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বীমা) অজিত কুমার পালকে আহ্বায়ক করে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে অর্থ মন্ত্রণালয়। ওই কমিটির পরবর্তী বৈঠক বুধবার (৩ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ৩টায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

কমিটির কার্যপরিধিতে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারীদের চিকিৎসা বীমা প্রবর্তনের উপায় অনুসন্ধান করবে এ কমিটি। জীবন বীমা করপোরেশন কর্তৃক উত্থাপিত সরকারি কর্মচারীদের চিকিৎসা বীমা প্রস্তাবনাটি যাচাই-বাছাই ও পর্যালোচনা করবে। সংশ্লিষ্ট সবপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের মতামত গ্রহণ ও তৎপ্রেক্ষিতে সুপারিশ প্রণয়ন করবে। প্রয়োজনীয় নীতিমালা বাস্তবায়ন পরিকাঠামো সুপারিশমালা তৈরি করে আগামী ৩০ জুনের মধ্যে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিবের কাছে প্রতিবেদন আকারে উপস্থাপন করবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এইচএসসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ, শুরু ১ এপ্রিল

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

এইচএসসি  ২০১৯ খ্রিস্টাব্দের পরীক্ষা আগামী ১ এপ্রিল শুরু হতে যাচ্ছে। রোববার (২৪ ফেব্রুয়ারি) পরীক্ষার সময় সূচি প্রকাশ করেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটি।

সূচি অনুযায়ী, ১ এপ্রিল থেকে ১১ মে পর্যন্ত তত্ত্বীয় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আর ১২ থেকে ২১ মের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করতে হবে । এবারও প্রথমে বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) ও পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা হবে।  পরীক্ষা শুরুর ৩০ মি‌নিট আগে পরীক্ষার্থী‌দের পরীক্ষার হ‌লে গি‌য়ে আসন গ্রহণ কর‌তে হ‌বে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৭৫ শতাংশ শিক্ষার্থীই পাঠ্যবইয়ের অঙ্ক বোঝে না: বিশ্বব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা স্তরে ৫ম শ্রেণির ১০০ শিক্ষার্থীর মধ্যে নিজ পাঠ্যপুস্তকের অংশ দেয়া হলেও তাদের মধ্যে প্রতি চারজনে একজন অঙ্ক করতে পারে। ফলে ৭৫ শতাংশ শিক্ষার্থীই পাঠ্যবইয়ের অঙ্ক বোঝে না।

রাজধানীর একটি হোটেলে বুধবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ব ব্যাংকের প্রাথমিকের ‘লার্নিং টু রিয়ালাইজ এডুকেশনস প্রমিজ-২০১৮’ শীর্ষক বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। সেখানে বাংলাদেশের অংশ তুলে ধরেন বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি ক্রিস্টিয়ান এডো।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের যা শেখানো হচ্ছে তা পর্যাপ্ত নয়। ৫ম শ্রেণিতে ১১ বছর পর্যন্ত যে শিক্ষা দেয়া হচ্ছে তা মূলত সাড়ে ছয় বছরে পাওয়ার কথা। ফলে অন্যান্য দেশের তুলনায় সাড়ে চার বছর পিছিয়ে থাকছে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা।

অপরদিকে ৩য় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাত্র ৩৫ শতাংশ শিক্ষার্থী বাংলা পড়তে পারে। বাকি ৬৫ শতাংশ শিক্ষার্থীই বাংলা বই পড়তে পারে না। প্রাথমিক স্তরে ১১ বছর পর্যন্ত যা শেখানো হচ্ছে তা মূলত অন্যান্য দেশের বাচ্চারা সাড়ে ছয় বছরের মধ্যেই শিখছে। ফলে বাংলাদেশের প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক স্তর শেষ করলেও তারা সাড়ে চার বছর পিছিয়ে থাকছে।

এ সব সমস্যা সমাধানে বিশ্ব ব্যাংকের পক্ষ থেকে তিনটি সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে। সে সব সুপারিশের মধ্যে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের শিক্ষার মান মূল্যায়ন করতে হবে, প্রাথমিক পর্যায়ের বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা ও শিক্ষকদের মান বাড়াতে হবে, এবং প্রাক-প্রাথমিক স্তরে শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ও শিক্ষার প্রতি বেশি গুরুত্ব দেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

বিশ্ব ব্যাংকের বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর মি. রবাট জে সাম বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশের প্রায় সব শিক্ষার্থী স্কুলে যাচ্ছে। বিদ্যালয়ে যাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেয়েদের সংখ্যা বেশি। কিন্তু ক্লাসে যা শেখানো হচ্ছে তা অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক পিছিয়ে থাকছে। মানসম্মত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশের শিক্ষাখাতে সরকারি ব্যয় অনেক কম। এখানে মালয়েশিয়ার চেয়ে অর্ধেক জিডিপির অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে শিক্ষাখাতে। বাংলাদেশের বাজেটে শিক্ষাখাতে যে পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে তা দিয়ে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা কঠিন।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীরা বেশি খারাপ করছে। উদাহরণ হিসেবে ভিয়েতনামের উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থী যে পরিমাণে জ্ঞান অর্জন করতে পারছে জামার্নির শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক পর্যায়েই তা শিখছে।’

প্রধান অতিথির ব্যক্তবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশে শতভাগ স্কুলে ভর্তি শুরু হয়েছে। বর্তমানে আমরা মানসম্মত শিক্ষার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। প্রাথমিক পর্যায়ে শিশুদের জন্য সরকারি বিদ্যালয়গুলো আকর্ষণীয় করে তোলা হচ্ছে। মেধাবিরা শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘গত ৯ বছর ধরে সরকার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে বিনামূল্যে বই বিতরণ করছে। গত এক বছরে ২ লাখ শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। বিগত আট বছরে শিক্ষাখাতে ৫ গুণ বাজেটে অর্থ বৃদ্ধি করা হয়েছে। বর্তমানে বাজেটে ১২ থেকে ১৪ শতাংশ বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে শিক্ষাখাতে। মানসম্মত শিক্ষা বাস্তবায়নে পর্যায়ক্রমে শিক্ষাখাতে বাজেটে অর্থ বাড়ানো হবে।’

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- লিগো ফাউন্ডেশনের ভাইস-প্রেসিডেন্ট মিস সারা বুচি, বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি হেলসি রোগাস্টাস, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব গিয়াস উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক শিক্ষকদের টাইমস্কেল নিয়ে অর্থ বিভাগের চিঠি

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৭ ফ্রেবু: ২০১৩ ও ১৪ সালে সরকারিকৃত প্রাথমিক শিক্ষকদের বেসরকারি আমলের চাকরিকাল গণনা করে টাইমস্কেল দেয়ার কারণ জানতে চেয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। রোববার (২৪ ফেব্রুয়ারি) হিসাব মহা নিয়ন্ত্রকের কাছে কারণ জানতে চেয়ে অর্থ বিভাগ থেকে উপসচিব শরিফ মো. মাসুদ স্বাক্ষরিত একটি চিঠি পাঠানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, ‘উপর্যুক্ত বিষয় ও সুত্রোক্ত পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে কোন কর্মচারীর আর্থিক সুবিধা তথা বেতন, সিলেকশন গ্রেড, টাইমস্কেল ইত্যাদি প্রাপ্যতার ক্ষেত্রে সার্ভিসেস এক্ট ১৯৭৫ এর অধীন জারীকৃত চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ প্রযোজ্য। অন্য কোন বিধিমালা প্রযোয্য নয়। তদপুরি জাতীয়করণকৃ্ত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক (চাকরির ইত্যাদি শর্তাদি নির্ধারণ) বিধিমালা-২০১৩ এর ৯ (১) বিধি অনুযায়ী নিয়োগ বিধির অধীনে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকগণ জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের উপরে জেষ্ঠ্যতা পাবেন এবং ৯(৩) বিধি অনুযায়ী উপবিধি (১ ও ২) এর অধীন জেষ্ঠ্যতার ভিত্তিতে শিক্ষকগণ পদোন্নতি, সিলেকশন গ্রেড ও প্রযোজ্য টাইমস্কেল প্রাপ্য হবেন। এ ক্ষেত্রেও সরাসরি নিয়োগবিধির অধীনে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকগণের টাইমস্কেল প্রাপ্ততার মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে (০৮/১২/১৫ বছর পূর্তির আগে) তদাপেক্ষা কনিষ্ঠ আত্মীকৃত শিক্ষকগণের টাইমস্কেল/সিলেকশন গ্রেড প্রাপ্তির কোনো সুযোগ না থাকা সত্বেও কোন কোনন হিসাবরক্ষণ অফিস জাতীয়করণকৃত শিক্ষকগণকে জাতীয়করণের পূর্ববর্তী চাকরিকালের ভিত্তিতে টাইমস্কেল প্রদান করছে মর্মে সুত্রোক্ত পত্রে উল্লেখ্য করা হয়েছে।’

এতে আরো বলা হয়, ‘কিসের ভিত্তিতে কোন কোন হিসাব অফিস থেকে কতজনকে উল্লিখিত সুবিধা প্রদান করা হয়েছে এবং এ জন্য কোনো মঞ্জুরি আদেশ জারি করা হয়েছে কিনা না তা জানোনোর জন্য নির্দেশক্রমে জনুরোধ করা হলো।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free