Home » নিউজ (page 3)

নিউজ

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাও।অনুষ্ঠান পরে- শেখ হাসিনা

নিজস্ব প্রতিবেদক,৯ মার্চঃ

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনায় যা আছে সেভাবেই ঘোষণা করো। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠান পরেও করা যাবে। দেশের মানুষের কাছে তথ্য গোপন করতে পারব না। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাও। আমি তোমাদের সাথে আছি।’

 

রোববার (৮ মার্চ) দেশে প্রথমবারের মতো তিনজন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হওয়ার খবর এ তথ্য জানার পর এমনিভাবে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত ও নির্দেশনা প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

 

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেকের নেতৃত্বে রোববার সকালে স্বাস্থ্য বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগী সম্পর্কে অবহিত করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন।  সে সময় কেউ কেউ কয়েকটা দিন করোনা ভাইরাস আক্রান্ত তথ্য গোপন করে আগামী ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানের পর ঘোষণা দেয়ার প্রস্তাব করলে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা সরাসরি নাকচ করে দেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেন, অনুষ্ঠানের চাইতে দেশের মানুষের ভালোমন্দ বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

 

স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) কর্মকর্তারা শনিবার (৭ মার্চ) রাতেই ল্যাবরেটরি পরীক্ষার ফলাফলে ইতালি ফেরত প্রবাসী দুজনসহ মোট তিনজনের করোনাভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিত হন।

 

এ খবর স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্য সচিব (সেবা বিভাগ) আসাদুল ইসলাম ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডাক্তার আবুল কালাম আজাদকে জানান আইইডিসিআর পরিচালক ডা. মীর জাদি সাবরিনা ফ্লোরা।

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক রোববার সকালে সাক্ষাতের সময় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যান। এ সময় স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য মহাপরিচালক ও প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক জাতীয় অধ্যাপক এবিএম আব্দুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী তাদেরকে জানান, করোনাভাইরাস নিয়ে বিশ্ব পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি ওয়াকিবহাল রয়েছেন। আইইডিসিআরে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিং হয় সে সম্পর্কেও তিনি জানেন।

 

দেশে তিনজন করোনা ভাইরাসের রোগী পাওয়া গেছে, এ তথ্য প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করার পর বিকেলে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে দুজন ইতালি প্রবাসীসহ তিনজনের করোনভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার তথ্য গণমাধ্যমকে অবহিত করেন আইইডিসিআর পরিচালক।

 

এর আগে, রোববার নারী দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় বাংলাদেশের পর্যাপ্ত সক্ষমতা রয়েছে। এটি নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই।

 

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার ২৪ ঘণ্টা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। যেকোনো জায়গায় সমস্যা দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তবে সবাইকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।

 

শেখ হাসিনা বলেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রতিদিন করোনাভাইরাসসংক্রান্ত নির্দেশনা দিচ্ছে। আমি অনুরোধ করব সকলকে সেই নির্দেশনাবলি মেনে চলার।’

 

করোনাভাইরাস সম্পর্কে সবার মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন দেশ অর্থনৈতিক সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।

 

এরপরই করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে পাঁচ ধরনের পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে যা করণীয়

 

ভালোভাবে সাবান পানি দিয়ে হাত ধুতে হবে

হাত না ধুয়ে চোখ, মুখ ও নাক স্পর্শ না করা

হাঁচি–কাশি দেয়ার সময় মুখ ঢেকে রাখা

অসুস্থ পশু বা পাখির সংস্পর্শে না আসা

মাছ, মাংস ভালোভাবে রান্না করে খাওয়া

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জরুরি প্রয়োজনে ছাড়া চীন ভ্রমণ করা থেকে বিরত থাকতে বলেছে। এমনকি প্রয়োজন ছাড়া এই সময়ে বাংলাদেশ ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করতে বলা হয়েছে। তবে সব স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হবে কী না এ বিষয়ে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী জানিয়েছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মতো এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

 

এদিকে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন জানিয়েছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধে এখনই তারা কিছু ভাবছেন না। তিনি বলেছেন, ‘আমরা সব ধরনের সতকর্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করব, তবে এখনই প্রাথমিক স্কুল বন্ধের কথা ভাবছি না’

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মুজিববর্ষে বড় পরিসরের অনুষ্ঠান স্থগিত

ডেস্ক,৯ মার্চ:

বিশ্বে করোনাভাইরাসের পরিস্থিতি বিবেচনায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে আগামী ১৭ মার্চ জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বড় পরিসরে যে অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল সেটি স্থগিত করা হয়েছে।

রোববার রাতে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
আরো পড়ুন

করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক হোমিওপ্যাথিতে

কামাল আবদুল নাসের বলেন, করোনাভাইরাস প‌রি‌স্থি‌তির কার‌ণে সারা দেশেই মুজিববর্ষের অনুষ্ঠান সংক্ষিপ্ত করা হ‌য়ে‌ছে। পরে ক্ষুদ্র প‌রিস‌রে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। তবে জনসমাগম এড়িয়ে বছরব্যাপী উদযাপন করা হবে মুজিববর্ষ।

এসময় তিনি জানান, প্যা‌রেড গ্রাউ‌ন্ডের অনুষ্ঠা‌নে বি‌দেশি অ‌তি‌থিরা আসবেন না। কারণ জনস্বা‌র্থে জনসমাগম নি‌ষিদ্ধ করা হ‌য়ে‌ছে। প‌রে বি‌দেশি অ‌তি‌থি‌দের ডাকা হ‌বে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মতো স্কুলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত’

ডেস্ক,৮ মার্চঃ
দেশে প্রথম করোনাভাইরাস আক্রান্ত শনাক্তের পর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হবে কিনা- জানতে চাওয়া হলে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী জানিয়েছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মতো এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন জানিয়েছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধে এখনই তারা কিছু ভাবছেন না।
তিনি বলেন, আমরা সব ধরনের সতকর্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করব, তবে এখনই প্রাথমিক স্কুল বন্ধের কথা ভাবছি না।
আজ রোববার রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) বাংলাদেশে তিন জনের কোভিড-১৯ আক্রান্তের কথা জানিয়েছে।
সারাবিশ্বে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় অনেক দেশেই স্কুল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ভাইরাস ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই সাময়িক বন্ধ রাখার বিষয়ে বিবেচনা করছে।
ইউনেস্কোর তথ্য অনুসারে, ৪ মার্চ পর্যন্ত তিন মহাদেশের ২২টি দেশ স্কুল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে কিংবা এরইমধ্যে বন্ধ করেছে।
সংস্থাটি জানিয়েছে, ১৩টি দেশের সব স্কুল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ৯টি দেশ করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে স্থানীয়ভাবে স্কুল বন্ধ করেছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

করোনায় আক্রান্ত অধিকাংশ রোগী চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে উঠেন: ডা. আব্দুল্লাহ

এবিএম আব্দুল্লাহর,৮ মার্চ:
দেশে করোনাভাইরাস রোগী শনাক্ত হওয়ার পর দ্য ডেইলি স্টার অনলাইনের কথা হয় বাংলাদেশের প্রখ্যাত মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এবিএম আব্দুল্লাহর সঙ্গে।

সতর্কতা বিষয়ে তিনি পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘কেউ আতঙ্কিত হবেন না। ভয় পাবেন না। যাদেরকে শনাক্ত করা হয়েছে তাদের অবস্থা ভালো আছে। তারা নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন। তাদেরকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’

* চিকিৎসায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়ে উঠেন।

* এই রোগের সবচেয়ে বড় প্রতিকার হচ্ছে সতর্ক থাকা। সতর্কতা বিষয়ে যেসব নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে সেগুলো সাধ্যমত মেনে চলার চেষ্টা করুন।

* করমর্দন থেকে বিরত থাকবেন। নিয়মিত ভালোভাবে হাত ধুতে হবে।

* খাবার ভালোভাবে সিদ্ধ করে খাবেন।

* সম্ভব হলে গণপরিবহন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। যতোটা সম্ভব জনসমাগম আপাতত এড়িয়ে চলতে হবে।

* পারত পক্ষে ঘরে থাকুন। প্রয়োজন না হলে ঘরের বাইরে যাবেন না।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

নিজেদের শিক্ষক পরিচয় দিতে লজ্জা পান যেসব শিক্ষকরা

ডেস্ক,৮ মার্চঃ
শ্রেণিকক্ষে মনোযোগী না হয়ে নন ক্যাডার শিক্ষকরা ব্যস্ত থাকেন কোথায় কোন নিয়োগ পরীক্ষা, কোথায় বদলি হবেন, মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা অধিদপ্তরে ঘোরাঘুরি ও প্রধান শিক্ষকদের অসহযোগীতা করাসহ ইত্যাদি কাজে। এতে পড়াশোনা মারাত্মক ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে আসা লিখিত অভিযোগে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নেতারাও ননক্যাডার শিক্ষকদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলেছেন। সিনিয়র শিক্ষকদের তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে কথা বলার অভিযোগ রয়েছে এসব নন ক্যাডারদের বিরুদ্ধে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মুন্সিগঞ্জের কে কে গভ. ইনস্টিটিউশনের কয়েকজন শিক্ষক বলেন, নন ক্যাডারদের তো স্কুলেই পাওয়া যায় না। পরীক্ষা আর তদবিরে ব্যস্ত থাকেন তারা।

এ ভি জে এম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক বলেন, নন ক্যাডাররা মনে-প্রাণে শিক্ষক না। নিজেদের কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দিতে ব্যস্ত। শিক্ষক পরিচয় দিতে লজ্জাবোধ করেন। চাকরিতে যোগদান করেই সিনিয়র শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিষোদগারে লিপ্ত হয়েছেন কেউ কেউ।

এ অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সিরাজুল ইসলাম নামের একজন ননক্যাডার শিক্ষক বলেন, এটা খুবই যৌক্তিক যে আমরা ক্যাডার কর্মকর্তা হওয়ার জন্য ফের বিসিএস পরীক্ষা দেবো। এতে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান তো কিছুটা ব্যাহত হবেই। পরীক্ষা দেয়া তো আমার অধিকার। তাছাড়া সরকারি হাইস্কুলে কিছু সিনিয়র শিক্ষক রয়েছেন যারা কোনোভাবে চাকরিতে ঢুকেছিলেন। পড়াশোনা খুব একটা জানে না। তারা জুনিয়রদের সহজে মেনে নিতে চান না।

তবে এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানান, অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করছে মন্ত্রণালয়। শীঘ্রই এ বিষয় নিয়ে সুষ্ঠ সমাধান হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বাংলাদেশে তিন করোনা রোগী সনাক্ত

ডেস্ক,৮ মার্চঃ
বাংলাদেশে তিন করোনা রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। এদের মধ্যে দু’জন পুরুষ, একজন নারী। তারা তিনজনই বাংলাদেশ।
জানা যায়, আক্রান্ত দু’জন ইতালির দুটি শহর থেকে সম্প্রতি দেশে ফিরেছেন। আর তাদের সাথে থেকে তৃতীয়জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্ত সবাই একই পরিবারের সদস্য।

আইইডিসিআরের পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা রোববার দুপুরে জানান, আক্রান্তদের মধ্যে দু’জন পুরুষ, একজন নারী। তারা তিনজনই বাংলাদেশি। এদের মধ্যে দু’জন ইতালির দুটি শহর থেকে সম্প্রতি দেশে ফিরেছেন। এদের মধ্যে একজনের সংস্পর্শে আসায় পরিবারের আরেক সদস্য আক্রান্ত হয়েছেন।

মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, ‘তাদের সবার অবস্থাই স্থিতিশীল। তিনজনকেই হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশে করোনা ছড়িয়ে পড়ার মতো কোনো পরিস্থিতি হয়নি। স্কুল-কলেজ বন্ধ করে দেওয়ার মতো পরিস্থিতি হয়নি।’

ওই তিনজনের সংক্রমণের বিষয়ে শনিবার নিশ্চিত হওয়ার কথা জানিয়ে অধ্যাপক ফ্লোরা বলেন, ‘দুজন দেশে আসার পর তাদের উপসর্গ দেখা দেয়। আমাদের হটলাইনে ফোন দিলে আমরা তাদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠাই। সেখানে দুজনের পজেটিভ আসে। তাদের কন্টাক্টে থাকা চারজনকে পরীক্ষা করেছি। একজন পজেটিভ। বাকিরা নেগেটিভ এসেছে।’

সেব্রিনা বলেন, ‘আশঙ্কা করছি না আরও ছড়িয়ে পড়বে। প্রত্যেকের মাস্ক পরে ঘুরে বেড়ানোর কোনো দরকার নেই।’

এদিকে করোনায় আক্রান্তদের এদের বয়স বিশ থেকে পয়ত্রিশ বছরের মধ্যে বলে জানা গেছে। বাংলাদেশের সকল বাসিন্দাকে বিশেষভাবে সতর্ক থাকার জন্য পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

গত বছরের ডিসেম্বর মাসে চীনের হুবেই প্রদেশের উহানে উৎপত্তি হয় করোনাভাইরাসের। পরে চীনের অন্যান্য প্রদেশ এবং বিশ্বের নানা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। এর আগে ভারত ও পাকিস্তানেও করোনায় আক্রান্ত রোগী পাওয়া যায়। কিন্তু বাংলাদেশে রোগী শনাক্ত হওয়ার ঘটনা এই প্রথম।

করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বাড়ছেই। এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৬ হাজার ১৯৫ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৬শ জনে। এছাড়া এই ভাইরাসে আক্রান্ত ৬০ হাজার ১৯০ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। বিশ্বব্যাপী ১০৩টি দেশ ও অঞ্চলে এই ভাইরাসের প্রকোপ ছড়িয়ে পড়েছে।

শুধুমাত্র চীনের মূল ভূখণ্ডেই করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৮০ হাজার ৬৯৬ এবং মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৯৭ জনের। চীনের পর করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি দক্ষিণ কোরিয়ায়। দেশটিতে এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৭ হাজার ১৩৪ এবং মৃত্যু হয়েছে ৫০ জনের।

চীনের বাইরে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ইতালিতে। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৫ হাজার ৮৮৩ এবং মৃত্যু হয়েছে ২৩৩ জনের। অপরদিকে, ইরানে এখন পর্যন্ত ৫ হাজার ৮২৩ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে এবং মারা গেছে ১৪৫ জন।

জাপানে নোঙ্গর করা প্রমোদতরী ডায়মন্ড প্রিন্সেসের ৬৯৬ যাত্রী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে এবং মৃত্যু হয়েছে ছয়জনের। জার্মানিতে এই ভাইরাসে ৮শ জন আক্রান্ত হয়েছে। ফ্রান্সে ৯৪৯ জন আক্রান্ত হয়েছে এবং মারা গেছে ১৬ জন। জাপানে আক্রান্ত হয়েছে ৪৬১ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের।

স্পেনে আক্রান্ত ৫২৫ এবং মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের, যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্ত ৪৩৮, মৃত্যু ১৯। সুইজারল্যান্ডে আক্রান্ত ২৬৮ এবং মারা গেছে ১ জন, যুক্তরাজ্যে আক্রান্ত ২০৯ মৃত্যু ২। ইরাকে আক্রান্ত ৫৪, মৃত্যু ৪। ভারতে ৩৪ জন আক্রান্ত হয়েছে। তবে দেশটিতে এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসে আক্রান্ত কোনো রোগীর প্রাণহানি ঘটেনি।

এছাড়া, সুইডেন আক্রান্ত ১৬১, সিঙ্গাপুরে ১৩৮, নেদারল্যান্ডসে আক্রান্ত ১২৮ এবং মৃত্যু ১, নরওয়েতে আক্রান্ত ১২৭, বেলজিয়ামে ১০৯, হংকংয়ে ১০৮, মালয়েশিয়ায় ৯৩, অস্ট্রিয়ায় ৮১, অস্ট্রেলিয়ায় আক্রান্ত ৭৭, মৃত্যু ৩, বাহরাইনে ৮৫, কুয়েতে ৬১, কানাডায় ৬০, থাইল্যান্ডে ৫০ এবং মৃত্যু ১, তাইওয়ানে আক্রান্ত ৪৫ এবং মৃত্যু ১, গ্রিসে ৬৬, আমিরাতে ৪৫, আইসল্যান্ডে ৫০, সান মারিনোতে ২৬ জন আক্রান্ত এবং মৃত্যু ১, ডেনমার্কে আক্রান্ত ২৭, লেবাননে ২৮, ইসরাইলে ২৫, চেক রিপাবলিকে ২৬, আয়ারল্যান্ডে ১৯, আলজেরিয়াতে ১৯, মিসরে ৪৮ এবং ভিয়েতনামে ১৭ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে।

অপরদিকে, ওমানে ১৬, ফিলিস্তিনে ১৯, মিসরে ১৫, ফিনল্যান্ডে ১৯, ব্রাজিলে ১৯, ইকুয়েডরে ১৪, পর্তুগালে ১৩, রাশিয়াতে ১৫, ক্রোয়েশিয়ায় ১২, কাতারে ১২, ম্যাকাউতে ১০, এস্তোনিয়ায় ১০, জর্জিয়ায় ১৩, রোমানিয়ায় ১৩, আর্জেন্টিনায় ৯, স্লোভেনিয়ায় ১২, আজারবাইজানে ৯, বেলারুশে ৬, মেক্সিকোতে ৭, পাকিস্তানে ৬, ফিলিপাইনে আক্রান্ত ৬ এবং মৃত্যু ১, সৌদি আরবে ৭, চিলিতে ৭, পোল্যান্ডে ৬, স্লোভাকিয়ায় ৩, পেরু ৬, ইন্দোনেশিয়ায় ৪, নিউজিল্যান্ডে ৫, সেনেগালে ৪ ও হাঙ্গেরিতে ৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মাউশির জরুরি ৪ নির্দেশনা

ডেস্ক,৭ মার্চ:

মাধ্যমিক পর্যায়ের সব স্কুলে শিখন-শেখানো কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্যোগ হিসেবে চারটি প্রজেক্টভিত্তিক শিখন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে সরকার। যা ধারাবাহিক মূল্যায়নের অংশ হিসেবে সম্পন্ন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

জাতীয় শিক্ষাক্রমের নির্দেশনা অনুযায়ী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে এই চারটি সচেতনতামূলক প্রজেক্টভিত্তিক শিখন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে সরকার।

গত শুক্রবার (৬ মার্চ) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক প্রফেসর ড. মো. গোলাম ফারুখ স্বাক্ষরিত এই নির্দেশনা জারি করে মাউশি।

নির্দেশনায় বলা হয়, সব স্কুলকে এ চারটি প্রজেক্টভিত্তিক শিখন কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে হবে। এসব কর্যক্রম গুরুত্বের সঙ্গে তদারকি ও সহযোগিতা করতে মাঠ পর্যায়ের সব কর্মকর্তাকেও নির্দেশ দিয়েছে মাউশি।

মাউশির জরুরি ৪ নির্দেশনা গুলো হল-

আইসিটির সঠিক ব্যবহার- মুজিববর্ষের অঙ্গীকার।

সুস্থতা ও সুষম খাদ্য- মুজিব বর্ষের প্রতিপাদ্য।

মুজিববর্ষে অনড় পণ- পরিবেশ সংরক্ষণ।

সকল কাজকে সম্মান দেই- মুজিববর্ষে শপথ নেই।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

স্কুলে মুজিববর্ষের অনুষ্ঠান বেলা ১১টার মধ্যে শেষ করার নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক,৫ মার্চঃ
রাজধানীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে মুজিববর্ষের সব অনুষ্ঠান বেলা ১১টার মধ্যে শেষ করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেছেন, আগামী ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান রাজধানীর তেজগাঁও পুরনো বিমানবন্দর প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হবে।

বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে গঠিত নিরাপত্তাবিষয়ক উপকমিটির সভা শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ সব কথা বলেন।

এ সময় জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির মুখ্য সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগ, সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জাতির জনকের জন্মদিন উপলক্ষে প্রতিবছর এ দিবসটি জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালিত হয়। রাজধানীসহ সারা দেশের স্কুলে শিশু দিবস উপলক্ষে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়। এবার রাজধানীতে জন্মশতবার্ষিকীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে স্কুলের দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের সময়সীমা কমিয়ে বেলা ১১টার মধ্যে শেষ করার সরকারি নির্দেশনা জারি হচ্ছে। রাজধানীজুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নির্বিঘ্ন করতে রাজধানীর স্কুলগুলোতে জাতীয় শিশু দিবসের বিভিন্ন কার্যক্রম বেলা ১১টার মধ্যে শেষ করার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে অনুরোধ জানানো হবে।

তিনি বলেন, জাতির জনকের জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠান পালনে রাজধানীসহ সারা দেশের লাখ লাখ মানুষ মুখিয়ে আছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে দেশ-বিদেশের লক্ষাধিক অতিথির সমাগম ঘটবে। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের প্রধান, দেশি-বিদেশি অতিথি, কূটনীতিকদের আসন গ্রহণসহ পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। আমাদের দেশের ভিআইপিদের জন্যও সে ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকের স্কুল শুরু হচ্ছে সকাল ১০টায়

ডেস্ক,২৭ ফেব্রুয়ারী:  এক সমাবেশে মায়েদের ১০টায় স্কুলের সময়সূচি করার দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নান্দাইল থেকেই পরীক্ষামূলকভাবে ১০টায় স্কুল শুরুর সময়ের একটা প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। যদি সবকিছু ঠিকঠাক থাকে তাহলে এই পদ্ধতি সারা দেশে বাস্তবায়ন করা হবে।’

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেছেন, দেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এখন মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য নতুন নতুন পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। বিনামূল্যে বই বিতরণের পাশাপাশি দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আগামীতে পোশাক ও বেগ দেয়ার পরিকল্পনা ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে। বাস্তবায়ন হবে খুব শীঘ্রই। তাছাড়া নতুন ১৮ হাজার শিক্ষক নিয়োগ থেকেই স্নাতক পাস ছাড়া কেউ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হতে পারবেন না।

বৃহস্পতিবার ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা অর্জনে সামাজিক উদ্বুদ্ধকরণ ও একটি মা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, ‘এখন থেকে সারা বছরেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বদলি হতে পারবেন। কোনো রকম তদবির লাগবে না।’

অন্যদিকে সমাবেশে মায়েদের ১০টায় স্কুলের সময়সূচি করার দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নান্দাইল থেকেই পরীক্ষামূলকভাবে ১০টায় স্কুল শুরুর সময়ের একটা প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। যদি সবকিছু ঠিকঠাক থাকে তাহলে এই পদ্ধতি সারা দেশে বাস্তবায়ন করা হবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ৩৬ হাজার ১৭৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারিকরণ করেছিলেন। তার পর কত সরকার এল কিন্তু কোনো সরকারই বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো সরকারিকরণ করেনি। বাবার পর আবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৬ হাজার ১৬৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারিকরণ করেছেন। প্রাথমিক শিক্ষকদের সারাবছর বদলির ব্যবস্থা করেছেন।’

জাকির হোসেন বলেন, শেখ হাসিনার সরকার নারী বান্ধব সরকার। তার সরকার নারীদের জন্য সম্ভব সব কিছু করছেন।’

সমাবেশে আগত মা’দের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা হচ্ছেন ছেলেমেয়েদের প্রথম শিক্ষক। আপনারা মা হিসাবে ছেলেমেয়েদের সহযোগিতা দেবেন। আমরা দেব মানুষ তৈরি করার যাবতীয় অস্ত্র।’

এরপর প্রতিমন্ত্রী উপজেলার চামারুল্লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে নতুন ভবনের ভিত্তি প্রস্তুর স্থাপন করেন। সমাবেশ শেষে বিকেল চারটায় স্থানীয় চন্ডীপাশা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে আয়োজিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারি শিক্ষকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন তিনি।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

৩ কোচিং সেন্টার সিলগালা

ডেস্ক,২২ ফেব্রুয়ারী:

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ অমান্য করে কোচিং খোলা রাখায় রাজশাহীতে ৩টি কোচিং সেন্টার সিলগালা করে দিয়েছে প্রশাসন। গত এক সপ্তাহে অভিযান চালিয়ে প্রশাসন কোচিং ৩টি বন্ধ করে দেয়। এ সময় ২ কোচিং সেন্টারকে ২০০০ টাকা করে জারিমানাও করা হয়।

এর আগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এরপরেও নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কোচিংগুলো চালু করা হয়েছিল।

কোচিংগুলো হল- নগরীর সিঅ্যান্ডবি মোড় এলাকায় অবস্থিত শিমুল মোমোরিয়াল, মালোপাড়া পুলিশ ফাঁড়ি এলাকায় অবস্থিত শাহিন স্কুল এবং নগরীর উপকণ্ঠ কাটাখালী এলাকায় অবস্থিত জেনুইন মডেল অ্যাকাডেমি। প্রথম দুটি কোচিংকে ২ হাজার করে টাকা জরিমানা করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিফাত আরা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষা চলাকালীন কোচিং সেন্টারগুলো বন্ধ রাখার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু কোচিংগুলো চালু ছিল।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষক নিয়োগে নতুন আদেশ নিয়ে তোলপাড়

শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তাদের বাদ দিয়ে সারাদেশের মাদাসায় শিক্ষক নিয়োগে জেলা প্রশাসক ও ইউএনওদের প্রতিনিধি করার এক আদেশ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

মাদরাসা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) পদে বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারকে বাদ দেয়ায় সৃষ্ট অসন্তোষের মধ্যেই বৃহস্পতিবার অধিদপ্তরের জারি করা আদেশ নিয়ে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে শিক্ষকদের মাঝে।

মাদরাসা ও সাধারণ শিক্ষায় সক্রিয় শিক্ষক সংগঠনগুলো তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে আদেশ প্রত্যাহার করে শিক্ষক ও শিক্ষা প্রশাসনের ক্ষমতা পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছে। অন্যথায় লাগাতার কর্মসূচীর ডাক দেয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষক নেতারা।

এদিকে অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা আদেশ নিয়ে খোলামেলা কথা বলতে রাজি না হলেও কর্মকর্তাদের অনেকেই বলছেন, এ আদেশে তারা করেছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে। তবে সরকার সমর্থক শিক্ষক সংগঠনের নেতারাও শিক্ষকদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার এমন আদেশ প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, এটা ভেবে-চিন্তে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অন্যথায় এ ঘটনায় অসন্তোষ সৃষ্টি হলে তার সুযোগ নেবে অনেকেই। যা সঙ্কটের কারণ হতে পারে। তাই এমন কিছু করা যাবে না যা সরকারকে বিব্রত করবে।

অন্যদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ডিজির পদে বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের বাইরে গিয়ে নিয়োগ দেয়ার পর থেকেই অসন্তোষ বেড়েছে। অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠার আগে মাদরাসা শিক্ষা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি শাখা। আর অধিদপ্তরের মহাপরিচালক পদে সব সময় আছেন বিসিএস ক্যাডারের শিক্ষকরাই। ফলে নিয়োগে ডিজির প্রতিনিধিও রাখা হয় সরকারী কলেজর শিক্ষক কিংবা শিক্ষা প্রশাসনের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের। কিন্তু মাদরাসা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠার পরই এ পদে নিয়োগ পান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন ক্যাডারের সদস্য। গত ১ বছর আগে যুদ্ধাপরাধী জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাইদীর এক আত্মীয়র সঙ্গে গোপন বৈঠকের ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টির মধ্যেই বিদায় নিতে হয় মহাপরিচালকদের। সেখানে আবার নিয়োগ পান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আরেক কর্মকর্তা। এখন ডিজি হিসেবে আছেন অতিরিক্ত সচিব সফিউদ্দিন আহমদ।
এসব ঘটনায় সৃষ্ট অসন্তোষের মধ্যেই মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রমে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা প্রশাসককে সরকারী প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দেয়ার আদেশ জারি করেছে অধিদপ্তর। মহাপরিচালক সফিউদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়েছে, মাদরাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগে মহাপরিচালকের (ডিজি) প্রতিনিধি হিসেবে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক ও উপজেলা প্রশাসককে মনোনয়ন দেয়া হবে বা তারা অন্য প্রতিনিধি দেবেন। পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসায় শিক্ষক-কর্মচারীসহ সকল পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে এ নির্দেশনা প্রযোজ্য বলে গণ্য হবে। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করারও নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে।

এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাদরাসা বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, মাদরাসার শীর্ষ পদ দুটিতে নিয়োগ দিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ একটি গ্রম্নপ নানা ধরনের বাণিজ্যে লিপ্ত হয়। এর সঙ্গে যুক্ত হয় মাদরাসা অধিদপ্তরের একটি সিন্ডিকেট। অর্থের বিনিময়ে অযোগ্য প্রার্থীকে নিয়োগ পাইয়ে দিতে স্থানীয় ও অধিদপ্তরের একটি বলয় তৈরি করে। কখনো স্থানীয় বিষয়াদি না জেনেই হঠাৎ করে একজন প্রার্থীকে বাদ দিয়ে দেন অধিদপ্তরের প্রতিনিধি।

এছাড়া মাদরাসা অধিদপ্তরের শিক্ষা ক্যাডারের একজন উপ-পরিচালক এবং একজন সহকারী পরিচালক মিলে সব নিয়োগ কমিটি যান। সারাদেশ থেকে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসার পর উপ-পরিচালককে বদলি করলেও অদৃশ্য কারণে এখনও রয়েছেন অধিদপ্তরে। নানা চেষ্টায় এ বলয় ভাঙাতে না পেরে ডিসি-ইউএনওদের মাধ্যমে অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ নিয়োগ দিতে উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাদরাসা ও কারিগরি বিভাগ।

কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব মুনসী শাহাবুদ্দীন আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মাদরাসা অধিপ্তরের কর্মকর্তা নাই বললেই চলে। এজন্য স্থানীয় প্রশাসন দিয়ে মাদরাসার প্রিন্সিপাল ও সুপার, ভাইস প্রিন্সিপাল নিয়োগ কমিটিতে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা থাকবে। জেলা পর্যায়ে ডিসির এবং উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতিনিধি থাকবে। এর ফলে নিয়োগ প্রক্রিয়ার জটিলতা কমার পাশাপাশি আরও স্বচ্ছতা আসবে বলে আমরা মনে করেছি। তাই অধিদপ্তরকে এ নির্দেশনা দিয়েছি।

অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয়োগ সিন্ডিকেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অধিদপ্তরের কারও বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ উঠেছে বলেই আমরা স্বচ্ছতা চাচ্ছি।

এ বিষয়ে মাদরাসা শিক্ষকদের সবচেয়ে বড় সংগঠন বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেসীনের মহাসচিব সাব্বির আহমেদ মমতাজী আদেশের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন, সারাদেশের শিক্ষক ও শিক্ষা প্রশাসনকে মর্যাদা ও কর্তৃত্ব শূন্য করার এটা একটা উদ্যোগ। আমরা এ সিদ্ধান্ত কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য মনে করি না। মাউশি অধিদপ্তরের ডিজি শিক্ষক তাই সেখানে শিক্ষক ও শিক্ষা প্রশাসনকে মর্যাদা দেয়া হচ্ছে। কিন্তু মাদরাসার জিডি শিক্ষা ক্যাডারের নয় বলেই তার কারণেই এ ধরনের হটকারী সিদ্ধান্ত এসেছে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা অবশ্যই এটা মানব না। আমরা বহুবার দেখা করে বলেছি শিক্ষা প্রশাসনের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে নিয়োগ কমিটি করার জন্য। কিন্তু তা না করে এখন উল্টো যে কাজটা অধিদপ্তর করেছে তাতে সারাদেশে অসন্তোষ হবে। শিক্ষার ক্ষতি হবে। তাই এটা অবিলম্বে প্রত্যাহার করা উচিত।

এদিকে স্বাধীনতা শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ সাজাহান আলম সাজু বলেছেন, এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি। অন্যথায় সমস্যা বাড়তে পারে। তাছাড়া এতে নিয়োগে যে অনিয়ম দুর্নীতি বাড়বে না তার নিশ্চয়তা কে দেবে। তাই হুট করে এটা করা কোনভাবেই উচিত নয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ডাকঘর সঞ্চয় স্কিমের সুদহার পুনর্বিবেচনা করা হবে: অর্থমন্ত্রী

ডেস্ক,২০ ফেব্রুয়ারী:
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জানিয়েছেন ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংক বিধি অনুযায়ী পরিচালিত সঞ্চয় স্কিমের সুদের হার পুনর্বিবেচনা করা হবে।বুধবার সচিবালয়ে অর্থনৈতিক বিষয় ও সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ আশ্বাস দেন।

ডাকঘর সঞ্চয় স্কিমের সুদের হার কমিয়ে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ একটি পরিপত্র জারি করে।

পরিপত্রের মাধ্যমে ডাকঘরের সঞ্চয় ব্যাংকের সুদের হার কমিয়ে সরকারি ব্যাংকের সুদের হারের সমপর্যায়ে নিয়ে আসে সরকার।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায়, তিন বছর মেয়াদি ডাকঘর সঞ্চয় স্কিমের সুদের হার ৬ শতাংশ করা হয়, যা এতদিন ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ ছিল। মেয়াদপূর্তির আগে ভাঙানোর ক্ষেত্রে এক বছরের জন্য সুদ মিলবে ৫ শতাংশ, আগে যা ছিল ১০ দশমিক ২০ শতাংশ। দুই বছরের ক্ষেত্রে তা সাড়ে ৫ শতাংশ, আগে যা ছিলো ১০ দশমিক ৭০ শতাংশ।

‘গরিবের ব্যাংক’ হিসাবে ডাকঘরের সঞ্চয় স্কিমের সুদের হার কমানোর পর বিভিন্ন মহলে সমালোচনা হয়।

এরপর ১৬ ফেব্রুয়ারি অর্থ মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ডাকঘর থেকে যেমন সঞ্চয়পত্র কেনা যায়, তেমনি ডাকঘর সঞ্চয় স্কিমের আওতায়ও টাকা রাখা যায়। ডাকঘরে চারভাবে টাকা রাখা যায়। ডাকঘর থেকে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরে সঞ্চয়পত্র কেনা, ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকে মেয়াদি হিসাব ও সাধারণ হিসাব খোলা যায়। আবার ডাক জীবন বিমাও করা যায়।

‘এবার সুদের হার কমেছে ডাকঘরের সঞ্চয় স্কিমের মেয়াদি হিসাব ও সাধারণ হিসাবে। সাধারণ হিসাবের ক্ষেত্রে সুদের হার সাড়ে ৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে।’

ডাকঘরের সঞ্চয় স্কিমের সুদের হার কমানোর বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ডাকঘরের সুদের হার কমানো হয়েছে, এটি আমি দেখবো। সঞ্চয়পত্রে বলা ছিল ইন্টারেস্ট রেট কমাতে হলে আমাদের কম ইন্টারেস্টে ফান্ড দিতে হবে ব্যাংকগুলোর কাছে, না হলে ব্যাংকগুলো কীভাবে কাস্টমারকে লোন দেবে? সে কারণে সে কাজটি আমাদের করতে হচ্ছে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বিসিএসে প্রবেশের সুযোগ ৩২ বছর কেন নয়? হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ ফেব্রুয়ারী
সাধারণ বিসিএসে প্রবেশের সুযোগ ৩২ বছর কেন করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসাথে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস কমিশনের বয়স, যোগ্যতা ও চাকরির আবেদনের বিধিমালা-২০১৪ এর ১৪ বিধি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

এ সংক্রান্ত আবেদনের শুনানি নিয়ে রোববার হাইকোর্টের বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এ বি এম আলতাফ হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাসগুপ্ত।

এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের বয়স, যোগ্যতা ও চাকরির আবেদনের বিধিমালা-২০১৪ এর ১৪ বিধিকে চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করা হয়। রিটে সাধারণ বিসিএসে প্রবেশের সুযোগ ৩২ বছর চাওয়া হয়।

রিটের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার এ বি এম আলতাফ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের বয়স, যোগ্যতা ও চাকরির আবেদনের বিধিমালা-২০১৪ এর ১৪ বিধিকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। এই বিধিতে বলা আছে, যারা সাধারণ বিসিএস ক্যাডারে পরীক্ষা দেবে, তারা ৩০ বছর বয়স পর্যন্ত পরীক্ষা দিতে পারবে।

অথচ জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় ৩২ বছর পর্যন্ত আবেদনের সুযোগ রয়েছে। শুধু তাই নয়, ১৪ উপবিধিতে বলা আছে, শিক্ষা ক্যাডারেও ৩২ বছর পর্যন্ত পরীক্ষার সুযোগ পাবে।

আইনজীবী বলেন, জুডিশিয়াল সার্ভিসে ৩২ বছর পর্যন্ত সুযোগ পাচ্ছেন। অথচ সাধারণ বিসিএসে অংশগ্রহণকারীরা ৩০ বছর পর্যন্ত সুযোগ পাবেন। এটা সাংঘর্ষিক। চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে যেন সবার সমান অধিকার নিশ্চিত হয় রিটে আমরা তা চেয়েছি।

৩০ বছর পার হওয়ায় বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত বিজিত শিকদারসহ পাঁচ শিক্ষার্থী রিটটি দায়ের করেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষার্থীদের চুল ছেঁটে দেয়ায় প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত

বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি | ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
নাটোরের বড়াইগ্রামের জোয়াড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের অর্ধশত ছাত্রের চুল ছেঁটে নির্যাতন করার দায়ে প্রধান শিক্ষক সেকেন্দার আলীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চুল ছাঁটার এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দিলিপ কুমার দাস জানান, জোয়াড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সেকেন্দার আলী কয়েকদিন আগে ছাত্রদের চুল ছাঁটার নির্দেশ দেন। প্রধান শিক্ষকের সে নির্দেশে অনেকেই চুল না ছাঁটায় প্রধান শিক্ষক রোববার দুপুরে শ্রেণিকক্ষে ঢুকে সপ্তম থেকে দশম শ্রেণির প্রায় অর্ধশত ছাত্রের চুল কাঁচি দিয়ে ছেঁটে দেন। এ সময় কাঁচির আঘাতে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী জখম হয়। এতে অভিভাবকসহ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মেজাজ হারিয়ে বাংলাদেশের পতাকা কেড়ে নিল ভারতীয়রা

খেলায় হার-জিত আছে। এক দল হারবে, আরেক দল জিতবে এটাই স্বাভাবিক। আর ক্রিকেটকে বলা হয় ভদ্রলোকের খেলা। এখানে ট্রফি হাতছাড়া হলেও মেজাজ গরম করতে দেখা যায় না খেলোয়াড়দের, হতাশা যতই গ্রাস করুক। বরং খেলার পর দুই দলের করমর্দন খুব স্বাভাবিক ঘটনা।

তবে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনাল হারের পর ভদ্রলোকের খেলায় ভদ্রতাটা বজায় রাখতে পারলো না ভারত। প্রতিপক্ষের উদযাপন সহ্য করতে না পেরে মেজাজ হারিয়ে ভারতীয় একজন খেলোয়াড় বাংলাদেশের এক খেলোয়াড়ের কাছ থেকে কেড়ে নেন লাল-সবুজের পতাকা।

বাংলাদেশ-ভারত ক্রিকেট লড়াই তো এখন এশিয়ার সবচেয়ে রোমাঞ্চকর লড়াই। ছোটদের ক্রিকেটেও এর ব্যতিক্রম নয়। এই তো মাস কয়েক আগে এশিয়া কাপের ফাইনালে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলো দুই দলের। একটুর জন্য এশিয়া কাপের শিরোপা হাতে নিতে পারেনি যুব টাইগাররা।

ভারতকে ১০৬ রানেই গুটিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশের বোলাররা। একটা সময় সহজ জয়ের পথে ছিল। কিন্তু শেষ দিকে বেশ কয়েকটি উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায়। শেষতক ১০১ রানেই থামে বাংলাদেশের ইনিংস। ৫ রানের জন্য হাতছাড়া হয় শিরোপা।

তবে বিশ্বকাপ ফাইনালের মতো বড় মঞ্চে এবার আর ভুল করেনি বাংলাদেশ। ভারতকে এবারও মাত্র ১৭৭ রানে গুটিয়ে দেয় যুব টাইগাররা। জবাবে ১৪৩ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ফের স্বপ্নভঙ্গের শঙ্কায় পড়লেও শেষ পর্যন্ত ৩ উইকেটের জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছে বাংলাদেশ।

তবে পুরো ম্যাচ জুড়েই দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে একটা আলাদা উত্তেজনা লক্ষ্য করা গেছে। বাংলাদেশ যখন বোলিং করছিল, বডি ল্যাঙ্গুয়েজ ছিল ভীষণ আক্রমণাত্মক। ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা পরাস্ত হলে বল ধরে থ্রো করা বা টুকটাক স্লেজিং করেছেন বাংলাদেশের ফিল্ডাররা। আউট হওয়ার পর ‌’পকেটে কিছু ঢুকিয়ে নেয়া’র মতো উদযাপন করেছেন বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা।
ডেস্কঃ
বাংলাদেশ যখন ব্যাটিংয়ে নেমেছে ভারতীয়ও কম যায়নি। বল মিস করলেও ব্যাটসম্যানের সামনে গিয়ে স্লেজিং করেছে ভারতীয়রা। পুরো ম্যাচে এমনটাই চলেছে।

তবে মাঠের ঘটনা তো খেলা চলার সময়ই মানায়, এর বাইরে চলে গেলে সেটাকে আর পেশাদারিত্ব বলা যায় না। ম্যাচের পর ভারতীয় খেলোয়াড়রা বোধ হয় সেটা ভুলে গিয়েছিলেন।

প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল, তাদের উদযাপন তো বাধভাঙা হবেই। কিন্তু ভারতীয় খেলোয়াড়রা সেটা মেনে নিতে পারেননি। মেজাজ হারিয়ে পতাকা কেড়ে নেন এক খেলোয়াড়। ম্যাচের পর ভারতীয়রা ভদ্রতাসূচক করমর্দনও করেননি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter