Home » নিউজ (page 3)

নিউজ

প্রদীপ ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

ডেস্ক,২৩ আগষ্ট:

কক্সবাজারের টেকনাফ থানার বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও তার স্ত্রী চুমকীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ রবিবার দুদকের চট্টগ্রামের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে এই মামলা করা হয়। দুদকের সহকারী পরিচালক রিয়াজ উদ্দীন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

দুদকের পরিচালক (জনসংযোগ) কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য মামলার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করে বলেন, মামলার এজাহারে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত ৩ কোটি ৯৫ লাখ ৫ হাজার ৬৩৫ টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ আনা হয়েছে। ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দিয়ে সম্পদ ক্রয় করে ওসি প্রদীপ তার স্ত্রীর নামে রেখেছেন বলে অনুসন্ধানে দুদক তথ্য পেয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা অসৎ উদ্দেশ্যে একে অপরের সহযোগিতায় অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতি দমন কমিশনে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ১৩ লাখ ১৩ হাজার ১৭৫ টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপনপূর্বক মিথ্যা তথ্য প্রদান এবং ৩ কোটি ৯৫ লাখ ৫ হাজার ৬৩৫ টাকার সম্পদ জ্ঞাতসারে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ এর সম্পৃক্ত অপরাধ ‘ঘুষ ও দুর্নীতির’ মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণভাবে অর্জনপূর্বক ওই অবৈধ সম্পদ স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তর করে ভোগদখলে রাখে।

এ অপরাধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন-২০০৪ এর ২৬(২) ধারা, ২৭ (১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ,২০১২ এর ৪ ( ২) ধারা, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারাসহ দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় চট্টগ্রামে মামলাটি দায়ের করা হয়।

আগামী মঙ্গলবার বিকাল পৌনে ৪টায় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হেলাল উদ্দীনের আদালত এজাহারটি আমলে নিয়ে তা তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ প্রদান করেছেন।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

পরিস্থিতি অনুকূলে এলেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত

ডেস্ক,২৩ আগস্ট:
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবাহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দেশে করোনা পরিস্থিতি অনুকূলে এলেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবে সরকার।

জাতীয় শোক ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রোববার (২৩ আগস্ট) সাউথ ইস্ট বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন। ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আলোচনা সভায় যুক্ত হন।

এসময় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, চলমান পরিস্থিতিতে ভবিষ্যতের পাশাপাশি জীবনও ঝুঁকিপূর্ণ। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছেন, পরিস্থিতি অনুকূলে এলেই সরকার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি: প্রাথমিক সচিব

ডেস্ক,২৩ আগষ্ট:

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন বলেছেন, সেপ্টেম্বর মাসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি। আজ রোববার (২৩ আগস্ট) সাংবাদিকদেরকে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, করোনার কারণে চলতি বছর পিইসি বা প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা না নেয়ার প্রস্তাবের সারসংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়েছে। তবে এখনো এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেয়া হবে। এছাড়া স্কুল খুললে কীভাবে পরীক্ষা নেয়া হবে ও ক্লাস হবে সে ব্যাপারে নীতিমালা করা হচ্ছে।

এর আগে পিইসি পরীক্ষা কেন্দ্রীয়ভাবে না নিয়ে নিজ স্কুলে পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করার প্রস্তাবনা প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো হয়। গত ১৯ আগস্ট বিষয়টি জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।

এছাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিরাপদে বিদ্যালয়ে পাঠদান পরিচালনায় করণীয় বিষয়ে নিদের্শনা তৈরি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

সে আলোকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাস্ক পরা, হাত ধোয়, থার্মোমিটার ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক হবে। সবাইকে স্বাস্থবিধি মেনে চলতে হবে। এমন ৫০টির বেশি নির্দেশনা তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়েছে। সেখান সিদ্ধান্ত হবে বলে জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

জাতীয়করণকৃত প্রাথমিকের শিক্ষকদের গৃহিত টাইমস্কেলের বাতিলসহ গৃহিত অর্থ আদায়ের নির্দেশনা

ডেস্ক,১৭ আগষ্ট:
২০১৩ ও ২০১৪ সালে জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের গৃহিত টাইমস্কেলের সংশোধনী আদেশ জারী করে এ বাবদ গৃহিত অতিরিক্ত অর্থ সরকারী কোষাগারে ফেরত প্রদানের নির্দেশনা জারী করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বাস্তবায়ন অনুবিভাগ।

মন্ত্রণালয়ের উপসচিব হায়াত মোঃ ফিরোজ স্বাক্ষরিত ১২ আগস্ট ২০২০ তারিখের পত্রে এ নির্দেশনা প্রদান করা হয়। এ বিষয়ে মহা হিসাবনিয়ন্ত্রক এর জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের চাকুরীকাল গণনা ও আর্থিক সুবিধাদি প্রদান সংক্রান্ত পত্রের স্পষ্টিকরণ পত্রের ব্যাখ্যায় এ নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

পত্রের ব্যাখ্যায় বলা হয়, বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ( চাকরীর শর্তাদি নির্ধারন ) বিধিমালা, ২০১৩ এর বিধি ২(গ) এ উল্লিখিত ‘কার্য্যকর চাকুরীকাল’ (বেসরকারী চাকুরীর ৫০%) বিধি ১০ এর অধীনে শুধুমাত্র পেনশন নির্ধারনের জন্য প্রযোজ্য হবে।

কিন্তু ইতোমধ্যে উক্ত ৫০% বেসরকারী চাকুরীকাল গণনা করে দেশের বিভিন্ন উপজেলা ও জেলায় অনেক জাতীয়করণকৃত শিক্ষক টাইমস্কেল গ্রহণ করে বেতন ভাতাদি উত্তোলণ করছেন। পত্র অনুযায়ী গৃহিত টাইমস্কেলের সংশোধনীসহ অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও বিষয়টির সাথে জড়িত সকলের বিরূদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য মহা হিসাবনিয়ন্ত্রক বরাবর প্রেরিত পত্রে বলা হয়েছে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৪ আগস্ট , ২০২০
দাখিল নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। অনলাইনে রেজিস্ট্রেশনের ফরম পূরণ ও টাকা জমা দেয়া যাবে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। আর ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিলম্ব ফিসহ রেজিস্ট্রেশনের টাকা জমা দেয়া যাবে। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে মাদরাসা প্রধানদের কাছে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, দাখিল ৯ম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন ফি ১৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে, নির্ধারিত সময়ের পরে অতিরিক্ত ৫০ টাকা বিলম্ব ফি দিয়েও রেজিস্ট্রেশন করা যাবে।

১২ বছর পূর্ণ না হলে বা ১৮ বছরের বেশি বয়সের কেউ দাখিল ৯ম শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে না। জেএসসি বা জেডিসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হলে কোনো শিক্ষার্থীর নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে না। ফেল করা শিক্ষার্থী নবম শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবেনা।

শিক্ষার্থীদের অনলাইনে ফরম পূরণ করে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। মাদরাসাগুলোতে পাঠানোর উদ্দেশ্য নির্দেশনায় অনলাইনে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন ফরম পূরণের বিস্তারিত প্রক্রিয়া তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহে নমুনা ছকও প্রকাশ করা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

করোনার পর স্কুল খুলতে ১২৮ কোটি টাকা খরচ করবে সরকার

ডেস্ক,১৪ আগষ্ট:

মহামারি করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার জন্য সব ধরনের সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেন বন্ধ রাখা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রাখার ফলে সরকারি বিদ্যালয়গুলো অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে। এবার বন্ধ থাকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো খুলে দিতে ১২৮ কোটি টাকার পরিকল্পনা হাতে নিচ্ছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষার গুণগত পরিবেশ তৈরি করতে এই টাকা খরচ হবে বলে জানা গেছে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা বিদ্যালয়গুলোতে আগাছার স্তুপ তৈরি হয়েছে। বন্যার কারণে অনেক বিদ্যালয় তৈরি হয়েছে আবর্জনার ভাগাড়ে। প্রকল্পের টাকায় এসব বিদ্যালয়ে নিরাপদ পয়ঃনিষ্কাশন, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ও ডিজিটাল কন্টেন্ট তৈরি করা হবে।

স্কুল খুলে দেয়ার পর শিক্ষার্থীরা যেন নতুন করে স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে না পড়ে সেই জন্যই ‘বাংলাদেশ কোভিড-১৯ স্কুল সেক্টর রেসপন্স’ নামে এ প্রকল্পটি হাতে নেয়া হয়েছে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ১২৮ কোটি ৪০ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রকল্পটি শুধু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বাস্তবায়ন করা হবে।

এমন বিশাল উদ্যোগ বাস্তবায়নে ১২৬ কোটি ৫৩ লাখ টাকা অনুদান দেবে গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর এডুকেশন (ডিপিই)। বাকি টাকা সরকারি অর্থায়ন থেকে মেটানো হবে। চলতি সময় থেকে ২০২২ সালের জুন মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।

প্রসঙ্গত, বর্তমানে সারাদেশে সরকারি বিদ্যালয় ৬৫ হাজার ৬২০টি। এসব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট ১ কোটি ৭৩ লাখ ৩৮ হাজার একশ’ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে।

এছাড়া নতুন এই প্রকল্পটির আওতায় প্রাথমিকের সব শ্রেণিতে সব বিষয়ের ডিজিটাল কন্টেন্ট নির্মাণ শুরু হবে। ক্লাসে সনাতন পদ্ধতিতে পড়ানো ছাড়াও এ কন্টেন্টগুলো প্রদর্শন করে শ্রেণি কার্যক্রমে আধুনিকায়ন করা হবে।

এসব বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আকরাম আল হোসেন বলেন, শিক্ষাকে যুগোপযোগী করার সব ধরনের চেষ্টা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে করা হচ্ছে। করোনার কারণে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে সেটি পূরণ করতে এরকম আরো প্রকল্প হাতে নিতে হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) রতন চন্দ্র পণ্ডিত বলেন, করোনার মতো যেকোনো মহামারিতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষায় যেন কোনো বাধা না আসে সেভাবে পরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে। স্কুলগুলোতে কম্পিউটার ও ডিজিটাল স্ক্রিন কেনা হবে। এবার সব মিলিয়ে ৪০ হাজার কম্পিউটার কেনা হবে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ভার্চুয়াল মাধ্যমে সব স্কুল-কলেজে শোক দিবস পালনের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৩ আগস্ট , ২০২০

আগামী ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস। ১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দের এই দিনে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিল। প্রতিবছর যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে দিবসটি পালন করা হয়। চলতি বছর করোনা ভাইরাস মহামারি রোধে ভার্চুয়াল মাধ্যমে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শোক দিবসের অনুষ্ঠান আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। আর ভার্চুয়াল মাধ্যম ব্যবহার করে স্কুল, কলেজ, মাদরাসা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শোক দিবসের আলোচনা সভা এবং দিবসটির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ কবিতা পাঠ, রচনা প্রতিযোগিতা, হাম নাত প্রতিযোগিতা ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

জানা গেছে, গত ১৬ জুলাই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সে সভায় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় পালনে এ কর্মসূচী পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিদ্ধান্তগুলো মধ্যে রয়েছে, আগামী ১৫ আগস্ট সব সরকারি-বেসরকারি আধাসরকারি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে। ভার্চুয়াল মাধ্যম ব্যবহার করে এদিন সব সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদরাসা, কলেজ, মেডিকেল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শোক দিবসের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ আলোচনা সভা, কবিতা পাঠ, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, চিত্র প্রদর্শনী, হাম নাত প্রতিযোগিতা ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করবে। এছাড়া সংসদ টেলিভিশনে শিক্ষার্থীদের জন্য বঙ্গবন্ধুর জীবনভিত্তিক আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

এছাড়া বঙ্গবন্ধুর জীবন ভিত্তিক ২৬টি বই সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংগ্রহ ও পাঠের ব্যবস্থা করা হবে এগুলো বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ও প্রতিযোগিতায় কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কার হিসেবে দেয়া হবে। এছাড়া এদিন বাদ জোহর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মসজিদসহ দেশের সব মসজিদে বিশেষ মোনাজাত করা হবে। এছাড়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো দিবসটির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ যেকোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে পারবে।

জানা গেছে, শোক দিবস পালনে সব জেলা-উলজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। ভার্চুয়াল মাধ্যমে সব স্কুল-কলেজের শোক দিবস পালনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

স্কুল সেপ্টেম্বরে খুললে পরীক্ষা, ডিসেম্বরে খুললে অটো পাস

কালের কন্ঠঃ
শিক্ষার ‘রিকভারি প্ল্যানে’ তিন বিকল্প রেখেই প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হচ্ছে। গতকাল বুধবার জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডে (এনসিটিবি) পাঠ্যসূচি পুনর্বিন্যাস নিয়ে দিনব্যাপী কর্মশালা হয়েছে, যা আগামী সোমবার পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। এদিকে আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে এই রিকভারি প্ল্যান নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়েও বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা আছে। এ ছাড়া ময়মনসিংহের প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমিতে (নেপ) প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে কাজ চলছে।

জানা গেছে, প্রাথমিকের রিকভারি প্ল্যান তৈরি করেছে নেপ। আর মাধ্যমিকের রিকভারি প্ল্যান তৈরি করেছে বাংলাদেশ পরীক্ষা উন্নয়ন ইউনিট (বিইডিইউ)। উভয় সংস্থাই তাদের প্রস্তাবে বলেছে, সেপ্টেম্বরে স্কুল খুললে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী, জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেটসহ অন্যান্য শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আর যদি অক্টোবর-নভেম্বরে খোলে তবে নিজ নিজ স্কুলে ৫০ নম্বরের এমসিকিউয়ের মাধ্যমে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আর যদি ডিসেম্বরে স্কুল খোলে তবে অটো পাসের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পরবর্তী ক্লাসে উন্নীত করা যেতে পারে। এই তিন প্রস্তাব ঠিক রেখেই কাজ করছে এনসিটিবি।

সূত্র জানায়, শিক্ষার রিকভারি প্ল্যান নিয়ে গত ৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই সচিব এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের সঙ্গে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সেপ্টেম্বরে স্কুল খোলা সম্ভব না হলে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা (পিইসি) ও জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা (জেএসসি) এ বছর না নেওয়ার ব্যাপারে আলোচনা হয়। অন্যান্য শ্রেণিতে অটো পাসের মাধ্যমে পরবর্তী শ্রেণিতে উন্নীত করার ব্যাপারে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণের ব্যাপারেও আলোচনা হয়।

এনসিটিবির কর্মশালা সূত্রে জানা যায়, গতকাল এনসিটিবি ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির ছয়টি করে ১৮ বিষয়ের পাঠ্যসূচির ওপর কাজ করেছে। এগুলো হচ্ছে বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। বিষয়গুলোর ওপর কাজ আজ শেষ করা হবে। আগামী ১৬ ও ১৭ আগস্ট এই তিন শ্রেণির ধর্ম ও নৈতিকতা বিষয়ের ওপর কাজ চলবে।

কর্মশালায় সর্বনিম্ন ৩০ দিন শ্রেণি কার্যক্রম চালানো সম্ভব হলে পাঠ্য বইয়ের কতটুকু অংশ পড়ানো হবে, তা চিহ্নিত করা হয়েছে। এ ছাড়া ৫০ ও ৭৩ কর্মদিবস সময় পেলে কতটুকু পড়ানো যাবে, তা-ও চিহ্নিত করার কাজ চলছে। তবে নবম-দশম শ্রেণির পাঠ্যসূচি সংক্ষিপ্ত করা হবে না। কারণ এ দুই শ্রেণিতে একই বই পড়ানো হয়। নবম শ্রেণিতে এ বছর যেটা পড়ানো সম্ভব হবে না, সেটা দশম শ্রেণিতে শেষ করা হবে।

এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহা বলেন, ‘কবে স্কুল খুললে কারিকুলাম কী হবে, তা আমরা কর্মশালার মাধ্যমে ঠিক করছি। আগামী সোমবার পর্যন্ত আমাদের সময় লাগতে পারে। এরপর তা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। মন্ত্রণালয়ই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।’

যা বললেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী : এদিকে গতকাল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কবে খুলবে তার ওপর ভিত্তি করে তিনটি বিকল্প মাথায় রেখে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে আগামী সপ্তাহে পাঠানো হবে। আমাদের পরীক্ষা নেওয়ার চিন্তাভাবনা আছে। কিন্তু এই পরীক্ষাটা নিতে হলে আমাদের পাঠদানের যে সময় আছে, সেই সময়টা পাচ্ছি না।

সেপ্টেম্বর-অক্টোবরেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না খুললে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অক্টোবরে না খুললে নভেম্বরে খুলবে, নভেম্বরে না খুললে তখন বিকল্প ব্যবস্থা নেব।’

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি : গতকাল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জেএসসি পরীক্ষা বাতিল এবং এইচএসসি পরীক্ষার তারিখের বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বিশ্বব্যাপী কভিড-১৯ মহামারিকে বিবেচনায় নিয়ে জেএসসি পরীক্ষার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ চেয়েছিল। বিশেষজ্ঞরা তাঁদের পর্যবেক্ষণসহ কিছু বিকল্প প্রস্তাব প্রদান করেছেন। মন্ত্রণালয় প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করছে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল জটিলতা নিরসণের আশ্বাস

নিজস্ব প্রতিবেদক,৬ আগস্ট:

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড এবং সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডে বেতন দেওয়ার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে চলেছে আন্দোলন। তবে সে দাবি মেনে না নিলেও প্রধান শিক্ষকদের এখন ১১তম গ্রেডে বেতন দিচ্ছে সরকার। আর সহকারী শিক্ষকরা পাচ্ছেন ১৩তম গ্রেডে। তবে গত বছর তাদেরকে এই নতুন ধাপে বেতন দেওয়া হলেও নতুন করে সমস্যার আবর্তে জড়িয়ে পড়েছেন শিক্ষকরা।

জানা গেছে, নতুন বেতন স্কেল নির্ধারণের পর প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকরা টাইমস্কেল জটিলতার সমাধান পেতে চলেছে। তবে পদোন্নতি, শ্রান্তি-বিনোদন ভাতা, চাকরি স্থায়ীকরন নিয়ে জটিলতাসহ নানা কারণে তাদের মধ্যে ক্ষোভ দানা বাঁধছে। অপরদিকে সহকারী শিক্ষকদের নতুন গ্রেডে বেতন কমে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এছাড়া গ্রেডসহ আরও কিছু জটিলতা থাকার কারণে ক্ষুব্ধ সহকারী শিক্ষকরাও।

এ নিয়ে বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক টাইমস্কেল বঞ্চিত গ্রুপের আহবায়ক স্বরুপ ‍দাস গণমাধ্যমকে বলেন,টাইমস্কেল নিয়ে প্রাথমিক ও গনশিক্ষামন্ত্রনালয় ও অর্থ মন্ত্রনালয়ের মধ্যে আলোচনা চলছে। ইতিমধ্যে বরফ গলতে শুরু হয়েছে। আমরা যোগাযোগ অব্যহত রেখেছি। আশা করছি দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।

উল্লেখ্য এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আকরাম আল হোসেন বলেছেন,গতকাল আমরা অর্থমন্ত্রনালয়ের সাথে বৈঠক করেছি। প্রধান শিক্ষকরা যাতে টাইমস্কেল পাই সে ব্যাপারে সব ডকুমেন্টসহ অর্থ মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিবের সাথে আলোচনা করেছি।
এ ব্যাপারে অর্থ মন্ত্রণালয়ের পরামর্শমতো ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক |

আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। সোমবার (৩ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়।

আদেশে সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা জারি করতে বলা হয়েছে। আদেশে বলা হয়,৩১ আগস্ট পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কোচিং সেন্টার, বন্ধ রাখার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

এছাড়া মাঠ প্রশাসনের জেলা প্রশাসককে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।

কোভিড-১৯ এর বিস্তার রোধ এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গত ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। দফায় দফায় এই ছুটি বাড়িয়ে করা হয়েছে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। এই সময় শিক্ষার্থীদের নিজ বাসায় অবস্থান করে অনলাইনে লেখাপড়া চালিয়ে নেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়।

এর আগে গত ৩০ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের ২২ দফা নির্দেশনা অনুসরণ করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিস করতে নির্দেশ দেয়া হয়। তবে নির্দেশনায় ঝুঁকিপূর্ণ ও সন্তানসম্ভা নারীদের অফিসে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মাদরাসা শিক্ষকদের জুলাই মাসের এমপিওর চেক ছাড়

নিজস্ব প্রতিবেদক |

মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের জুলাই (২০২০) মাসের এমপিওর চেক ছাড় হয়েছে। অনুদান বণ্টনকারী রাষ্ট্রায়াত্ত চারটি ব্যাংকে চেক পাঠানো হয়েছে। শিক্ষকরা আগামী ১২ আগস্ট পর্যন্ত বেতন-ভাতার সরকারি অংশের টাকা তুলতে পারবেন। সোমবার (৩ আগস্ট) মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল নিয়ে জটিলতা নিরসনের দাবি

আগামী ১৩ আগষ্ট ২০২০ খ্রিঃ বিকাল ৩ ঘটিকায় জেলা প্রশাসকগণের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৫ জুলাই: বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকদের  ৯/৩/১৪ হতে ১৪/১২/২০১৫ ইং পর্যন্ত সকল সরকারি চাকুরিজীবির ন্যয় টাইমস্কেলের দাবিতে ভার্চুয়াল লাইভ প্রেস কনফারেন্স করেছে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক টাইমস্কেল বঞ্চিত গ্রুপ। গতকাল শুক্রবার রাত সারে আটটায় ভার্চুয়াল প্লাটফরম থেকে দাবি পূরণে সরকারকে অনুরোধ জানায় ‘প্রধান শিক্ষক টাইমস্কেল বঞ্চিত গ্রুপ।’।

বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল বঞ্চিত গ্রুপের মুখপাত্র ও প্রধান শিক্ষক সমিতির সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাসের স্বাক্ষরিত আবেদনে উল্লেখ করা কারণগুলো তুলে ধরা হলো:

২০১৪ সালের ৯ মার্চ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এক যুগান্তকারী ঘোষণার মাধ্যমে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদায় উন্নীত করেন। একই দিনে পদমর্যাদা উন্নীতের আদেশ জারী করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

গত ১৫/১২/২০১৫ খ্রিঃ তারিখ অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন অনুবিভাগ হতে যে গেজেট প্রকাশ হয়েছে তাতে সরকারি সকল কর্মচারি ১৪/১২/২০১৫ খ্রিঃ পর্যন্ত টাইমস্কেল/সিলেকশন গ্রেড প্রাপ্য হবেন। কিন্তু ব্যতিক্রম আমরা প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকরা।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকদের অজ্ঞাত কারনে ৯/৩/২০১৪ খ্রিঃ হতে ১৪/১২/২০১৫ খ্রিঃ পর্যন্ত প্রাপ্য প্রথম/২য়/৩য় টাইমস্কেল বন্ধ হয়ে আছে।

গত ১২/০৮/২০১৫ খ্রিঃ তারিখ ৫০৪ সংখ্যক স্মারকে প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রনালয় বিদ্যালয় ২ শাখায় সিনিয়ার সহকারী সচিব জাজরীন নাহার স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান শিক্ষকদের নন গেজেটেড পদমর্যাদায় বেতন নির্ধারন করতে বলা হয়েছে।

গত ১০/০৪/২০১৭ খ্রিঃ তারিখ ১৬৮ সংখ্যক স্মারকে প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রনালয় বিদ্যালয় ২ শাখায় উপসচিব মোহম্মদ হিরুজ্জামান স্বাক্ষরিত পত্রে টাইমস্কেল মঞ্জুরের ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ নির্ধারন করা হয়েছে।

গত ১৮/০৮/১৯৯৭ খ্রিঃ তারিখ ১১৮ সংখ্যক স্মারকে প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয় হতে জারি করা পত্রে ৬/৫/১৯৮১ ইং তারিখে থানা শিক্ষা অফিসারদের (গেজেটেড) ২য় শ্রেণি ঘোষনা করা হয়েছে। উক্ত তারিখের পূর্বে নন গেজেটেড পদের চাকুরিকাল গণনা করে টাইমস্কেল প্রাপ্য।

গত ১৫/১১/২০১৭ খ্রিঃ তারিখ ২৩১ সংখ্যক স্মারকে অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন অনুবিভাগ হতে প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রনালয়ের অধীন প্রধান শিক্ষকদের নন গেজেটড ধরে উন্নীত বেতন স্কেল নির্ধারন সংক্রান্ত একটি পত্র জারি করা হয়েছে।

যেহেতু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদটি ৯/৩/২০১৪ ইং পূর্বেও ছিল নন গেজেটড এবং বর্তমানেও নন গেজেটেড।
০৯/০৩/২০১৪ খ্রি.-এর পূর্বে প্রধান শিক্ষকগণ যে ৩য় শ্রেনির কোডে বেতন ভাতা পেতেন অদ্যবধি সে কোডেই বেতন ভাতা পাচ্ছেন। ২য় শ্রেণির কর্মকর্তাগণ টিফিন ভাতা না পেলেও ৩য় শ্রেণি হিসেবে প্রধান শিক্ষকগণ এখনও টিফিন ভাতা পাচ্ছেন।মাননীয় মহোদয়কে আমরা সবিনয়ে জানাতে চায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের উন্নিত বেতন স্কেল প্রাপ্ত হয়েছেন। উন্নিত বেতন স্কেল কখনো পদোন্নতি হিসাবে গণ্য হতে পারে না।

১৫/১১/২০১৭ খ্রিঃ তারিখ ২৩১ সংখ্যক স্মারকে অর্থ বিভাগ থেকে জারিকৃত পত্র সংশোধন পূর্বক বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকদের ৯/৩/২০১৪ ইং তারিখ হতে ১৪/১২/২০১৫ ইং তারিখ পর্যন্ত প্রাপ্য প্রথম/২য়/৩য় টাইমস্কেলের দাবি জানানো হয়।

প্রধান শিক্ষক স‌মি‌তির সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, টাইমস্কেল প্রাপ্তির কারণ উল্লেখ করে দ্রুত তা বাস্তবায়নের অনুরোধ জানান। অন্যথায়  আগামী ১৩ আগষ্ট ২০২০ খ্রিঃ বিকাল ৩ ঘটিকায় জেলা প্রশাসকগণের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হবে বলে জানানো হয়।

আরো উপ‌স্থিত ছি‌লের প্রধান শিক্ষক স‌মি‌তির সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম,বঞ্চিত কমিটির চট্রগ্রাম বিভাগের আহবায়ক ও সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক র‌ঞ্জিত ভট্রাচার্য ম‌নি, খুলনা বিভাগের আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম, সিলেট বিভাগের আহবায়ক অরুন কুমার দাস,প্রধান শিক্ষক সমিতির নেতা খায়রুল ইসলাম মামুন,নুর ইসলাম নুর , পার‌ভেজ সাজ্জাদ,দিদারুল আলম,র‌ঞ্জিত দত্ত,নু‌রে দিবা,প্রমুখ ।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটির বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত আসছে।

ডেস্ক,২৫ জুলাই:

করোনার কারণে প্রায় চার মাস ধরে বন্ধ রয়েছে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত না আসলেও জানা গেছে, আগামী ৬ আগস্ট পর্যন্ত ছুটি শেষ হওয়ার পরই আবারো বাড়ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি।

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চলমান পরিস্থিতিতে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম আর সংসদ টেলিভিশনের মাধ্যমেই শিক্ষা কার্যক্রম চলমান থাকবে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কোনো সম্ভাবনা নেই।

আরো পড়ুন: ৮ আগস্ট খুলছে যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু ভুয়া আইডি থেকে ঈদের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার ‘গুজব’ ছড়ানো হয়। এতে বিভ্রান্ত হচ্ছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা। অনেক অভিভাবকই স্কুলের শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগও করছেন।

আরো পড়ুন:
প্রাথমিক নিয়ে মন্ত্রণালয়ের নতুন সিদ্ধান্ত

তবে গত বৃহস্পতিবার শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এক বিবৃতিতে বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক শ্রেণির মানুষ শিক্ষাসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে মিথ্য প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। ঈদের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার বিষয়ে আমরা এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি। অথচ আমাদের নাম দিয়ে কখনো জাতীয় শিক্ষা বোর্ড নামে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে জাতীয় শিক্ষা বোর্ড নামে কোনো শিক্ষা বোর্ড নেই।

দীপু মনি বলেন, মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা, শিক্ষক ও অভিভাবকদের এ বিষয়ে সচেতন থাকতে অনুরোধ জানাচ্ছি। যখন সময় হবে আমরা গণমাধ্যমের সাহায্যে জানিয়ে দেব, কখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে, কখন পরীক্ষা নেওয়া হবে। শিক্ষাসংক্রান্ত কোনো বিষয়ে গুজব ছড়ানো হলে বা গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মন্ত্রী।

এর আগে গত মাসে এক ভিডিওবার্তায় শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানান, চলতি শিক্ষাবর্ষ আগামী মার্চ মাস পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে। সেইসঙ্গে পরের শিক্ষাবর্ষ কমিয়ে নয় মাস করার কথা ভাবা হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত কোন সিদ্ধান্ত আসেনি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিক নিয়ে মন্ত্রণালয়ের নতুন সিদ্ধান্ত

ডেস্ক,২৫ জুলাই:

করোনায় থমকে আছে বিশ্ব। কবে মুক্তি মিলবে তা অজানা। বিশ্বের প্রায় সব দেশেই এ ভাইরাসের প্রভাব দেখা গেছে। অনেক দেশেই করোনাভাইরাসের প্রভাবে অর্থনীতি, সংস্কৃতি, শিক্ষাব্যবস্থা, স্বাস্থ্যখাতসহ প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রের অবস্থাই শোচনীয়।

উন্নত দেশে করোনার যে ধরনের প্রভাব পড়েছে সেখানে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর জন্য এ পরিস্থিতি মোকাবিলা করা আরো কঠিন। সংশ্লিষ্টরা শিক্ষাখাতে চলমান সংকট মোকাবিলায় দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন।

আরো খবর:

প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল নিয়ে জটিলতা নিরসনের দাবি

দেশে করোনার কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কয়েক দফার বৃদ্ধির পর আগামী ৬ আগস্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কথা থাকলেও শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা বলছেন এখনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার মতো পরিস্থিতি আসেনি।

সূত্রমতে, সেপ্টেম্বরের আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কথা ভাবছে না সরকার।

এদিকে প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার পর গত ৭ এপ্রিল থেকে সংসদ টেলিভিশনে প্রাথমিক ক্লাস সম্প্রচারিত হচ্ছে। তবে এতে শতভাগ শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছানো যাচ্ছে না।

এমন অবস্থায় প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের সিলেবাস সংক্ষিপ্ত তথা ছোট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। করোনা পরিস্থিতির ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের জন্য অধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে আলাদা করে সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করার পরিকল্পনা করছে মন্ত্রণালয়।

ইতোমধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর ও জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমিকে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সার্বিক দিক মূল্যায়ন করে খুব শিগগিরই এটি কার্যকর করা হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন জানান, দীর্ঘ বন্ধে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আমরা টেলিভিশনের মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। তবুও অনেক শিক্ষার্থী শিক্ষা কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাই সবার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে নতুনভাবে চিন্তা করতে হচ্ছে আমাদের।

তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠান খোলার সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষার্থীরা যাতে খুব দ্রুত তাদের সিলেবাস শেষ করতে পারে সেজন্য একটা পরিকল্পনা রয়েছে। শ্রেণিভিত্তিক মৌলিক সক্ষমতা বা কোর কম্পিটেন্ট অর্জনে বিষয় চিহ্নিত করে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস তৈরি করার জন্য জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বছরের শুরুতেই সারা বছরের পাঠপরিকল্পনা নির্ধারণ করা ছিল। সংশোধিত সিলেবাস সেটাকেও রিভাইস করতে বলা হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ জানান, শিক্ষাবর্ষ যাতে পিছিয়ে না যায় সে লক্ষ্যে এ ধরনের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ শুরু হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সাধারণ ছুটি শেষ হলে ওই সিলেবাস সম্পন্ন করে ডিসেম্বরের মধ্যে পরীক্ষা নেয়া হতে পারে। তবে ছুটি যদি সেপ্টেম্বরের পরও দীর্ঘ হয় তাহলে শিক্ষাবর্ষ পরবর্তী বছরের দুই এক মাস লাগতে পারে।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীর পরের ক্লাসের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলোকে চিহ্নিত করে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস তৈরি হবে। দুইটি স্তরে এটি করা হবে। প্রথম শ্রেণি থেকে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য একভাবে। আর পঞ্চম শ্রেণির জন্য আলাদাভাবে করা হবে। এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ চ্যাপ্টারগুলোর প্রতি বেশি জোর দেয়া হবে। সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব হলে সে আলোকে ক্লাস হবে এবং শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ব্রিটিশ কাউন্সিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যাওয়ার্ড (ISA) , ফুল লাভ করল কাইতকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ।

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৫ জুলাই:
ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশ কর্তৃক গত ২০ জুলাই ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যাওয়ার্ড (ISA) ঘোষনা করা হয়। এতে বাংলাদেশের জুন ২০২০ইং রাউন্ডে দেশের ২২টি শিক্ষা প্রতিষ্টানকে ফুল অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়। এরমধ্যে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কাইতকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কানেকটিং ক্লাসরুম প্রকল্পে কৃতিত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশ কর্তৃক ঘোষিত সর্বোচ্চ সম্মান সূচক পুরস্কার ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যাওয়ার্ড (আইএসএ) (ফুল) লাভ করেছে। পারফর্মেন্স মূল্যায়ন কমিটি কর্তৃক অনেক যাচাই বাছাই করে ফলাফল প্রকাশ করে, যা সুনামগঞ্জ জেলার মধ্যে ২টি বিদ্যালয় এবং ১টি মাধমিক বিদ্যালয় (জনতা উচ্চ বিদ্যালয়, কামরাঙ্গি) এই খ্যাতি অর্জন করেছে।
যোগাযোগ করে জানা যায়, ফুল অ্যাওয়ার্ড এর জন্য আন্তর্জাতিক পার্টনার স্কুলের (ভারত, পাকিস্থান, নেপাল, আফগানিস্তান, ফিলিপাইন, ইংল্যান্ড) সহ অন্যান্য দেশের সাথে বিভিন্ন প্রজেক্ট কাজের অভিজ্ঞতা সারা বছর ধরে কার্যক্রম পরিচালনা করে ও শেয়ার করে। বৈশ্বিক নাগরিক হিসাবে পার্টনার স্কুলের সাথে আন্তর্জাতিকভাবে মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের জীবনের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন করে। এই কার্যক্রম শুরু করা হয় জুলাই ২০১৯ ইং হতে ২০২০ইং সনের মে মাস পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ের করা প্রজেক্ট গুলোর মধ্যে ৭ (সাত) টি প্রজেক্ট কার্যক্রম দিয়ে ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশে আবেদন করা হয়। ব্রিটিশ কাউন্সিল তার তত্ত্বাবধানে পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনার পর ফুল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যাওয়ার্ড (ISA) ঘোষনা করে। কাইতকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই অ্যাওয়ার্ড পেতে যিনি কাজ করেছেন তিনি হলেন বিদ্যালয়ের প্রজেক্টের আন্তর্জাতিক কো-অর্ডিনেটর এবং শিক্ষক বাতায়ন পোর্টালের সুনামগঞ্জ জেলা এম্বাসেডর মোঃ আল আমীন, সহকারী শিক্ষক অত্র বিদ্যালয়। এছাড়াও উনাকে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করেন অত্র বিদ্যালয়ের সুনামগঞ্জ জেলার নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ শিক্ষক (প্রাক্তন) ও স্বনামধন্য প্রধান শিক্ষক জনাব অসীম চক্রবর্তী।। তিনি উপজেলা শিক্ষা অফিসার, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার এবং ইউআরসি ইন্সট্রাক্টর মহোদয়ের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ।
এক প্রতিক্রিয়ায় বিদ্যালয়ের সভাপতি জনাব তোফায়েল আহমেদ তালুকদার বলেন, এই অ্যাওয়ার্ড অর্জনে বিদ্যালয়ের সকল ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, ম্যানেজিং কমিটির সকল সদস্য ও শিক্ষার্থীদের সকল অভিভাবক অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। বিশেষ করে কৃতজ্ঞতা জানাই ব্রিটিশ কাউন্সিল স্কুলের এ্যাম্বাসেডর মো. কামাল উদ্দিন মহোদয়সহ ব্রিটিশ কাউন্সিল কর্তৃপক্ষকে। এছাড়া অশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জনাব মোঃ আল আমীন সাহেবকে। যার ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠা ও কঠোর পরিশ্রমের কারণে এই অ্যাওয়ার্ড অর্জন সম্ভব হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল বিভিন্ন এক্টিভিটি করার ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা খুবই স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছে। এই অর্জনের মধ্যে দিয়ে প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট এর আরেকটি ধাপ উন্নীত হলো এবং বিদ্যালয়টি আরো সামনের দিকে এগিয়ে যাবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter