নিউজ

দামুড়হুদায় ত্রৈবার্ষিক স্কাউটস সম্মোলনে হযবরল অবস্থা

দামুড়হুদা প্রতিনিধি: জেলার দামুড়হুদা উপজেলার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের স্কাউটস এর ত্রৈবার্ষিক সম্মোলনে হযবরল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে খাবার বিতরনকে কেন্দ্র করে এ হযবরল অবস্থার সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, জেলার দামুড়হুদা উপজেলার স্কাউট এর ত্রৈবার্ষিক সম্মোলনের আজ নির্ধারিত তারিখ ঘোষনা ছিল। স্কাউট অর্থ শান্তি এবং শৃঙ্খলা । এই শান্তি এবং শৃঙ্খলাকে বিনষ্ট করে সকাল সাড়ে ১০টার অনুষ্ঠান শুরু হয় দুপুর ১২টায়। যে প্রতিষ্ঠান নিয়ম শৃঙ্খলা শেখায় সেই প্রতিষ্ঠানের এহেন বিশৃঙ্খলা দেখে হতাশ হয় সাধারন শিক্ষকরা। পরে দুপুরের খাবার দেবার কথা ২টায় থাকলেও সেই খাবার আসে বিকাল ৩টা ১৫ মিনিটে। যেখানে ৩০০ জন শিক্ষকের নিয়ে অনুষ্ঠান সেখানে মাত্র ৪০ জন শিক্ষকের খাবার আসে। এতে সাধারন শিক্ষকরা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে অনেকেই ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

হাসানুজ্জামান বিটন নামে এক ফেসবুক ব্যবহারকারি লিখেছেন অনেক আগ্রহ নিয়ে দামুড়হুদা গিয়েছিলাম দামুড়হুদা শাখার ত্রিবার্ষিক সম্মোলনে। নতুন কমিটি হবে,সবার সাথে দেখা হবে, কমিটি গঠন হবে ইত্যাদি। কিন্তু দুঃখজনক তাদের অব্যবস্থাপনা দেখে। সত্যিই হতাশ, নেই কোন পরিকল্পনার ছাপ। কমিটিতে কারা থাকবে তাও আগে থেকে ঠিক করা। খাবার পরিবেশনে নেই কোন পরিকল্পনা। কুকুর শিয়াল যেভাবে খাবারের জন্য কাড়াকাড়ি করে ঠিক তেমন অবস্থা। এইসক অনিয়মের পরিবর্তন হওয়া দরকার । দক্ষ সংগঠক ছাড়া কোন কার্যক্রম সঠিকভাবে চলতে পারে না।

এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাসের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,ব্যবস্থাপনায় ব্যপক গাফিলতি থাকার দরুন এমন অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। খাবারের বিশৃঙ্খলনা দেখে বেশিরভাগ শিক্ষক ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমিতির দামুড়হুদা উপজেলা শাখার আহবায়ক হারুন অর রশিদ জুয়েল বলেন বেশিরভাগ শিক্ষক খাবার না পেয়ে হট্রগোল বাধালে এক বিশৃঙ্খল পরিবেশের সৃষ্টি হয়। পরে শিক্ষকরা স্থান ত্যাগ করে।

স্কাউট কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেন, খাবার আসতে দেরি হওয়ায় এ ঘটনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে।
এ ব্যাপারে দামুড়হুদা উপজেলা শিক্ষা অফিসার সাকি সালামকে বারবার টেলিফোন করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

এমপিও শিক্ষকদের জুন মাসের বেতন ছাড় হতে পারে ১৬ জুলাই

নিজস্ব প্রতিবেদক: এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারিদের জুন মাসের বেতন-ভাতা চেক কাল রবিবার ছাড় হতে পারে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম সিদ্দিকি।

বৃহস্পতিবার(১৩ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে শিক্ষামন্ত্রী অধিদপ্তরের দুজন কর্মকর্তাকে ডেকে বলেছেন আজকের মধ্যে চেক ছাড়ের ব্যবস্থা করতে হবে। শফিক সিদ্দিকি বলেন, গত সোমবার জানানো হয়েছিল আরো দেরি হতে পারে। পরে বিষয়টি মন্ত্রীকে জানানো হলে তিনি তাড়াতাড়ি ব্যবস্থা নিতে বলেন।

‘আশাকরি আগামী রবিবার চেক ব্যাংকে চলে যেতে পারে, না হলে সোমবার অবশ্যই যাবে,’ যোগ করেন সিদ্দিকি।

তিনি বলেন, ঈদের আগে শিক্ষক-কর্মচারীদের ঈদ বোনাসের চেক ছাড় করা হলেও জুন মাসের বেতনের চেক ছাড় করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে, ১২ তরিখেও বেতন ছাড় না হওয়ার খবরে কয়েকজন শিক্ষক নেতা তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা সবাই সরকারি কলেজ ও স্কুলের শিক্ষক। বেসরকারি শিক্ষকদের জন্য তাদের দরদ ও কমিটমেন্ট নেই। নিজেদের বেতন প্রতি মাসের ১ তারিখেই পেয়ে যান।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

নিষিদ্ধ গাইডবই সংরক্ষণের দায়ে ৭ শিক্ষকের জরিমানা

খোকসা থেকে শিরিন শিলা: গাইড বই সংরক্ষণের দায়ে কুষ্টিয়ার খোকসায় ৭ শিক্ষককে ২ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ই জুলাই) দুপুরে খোকসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সেলিনা বানু  উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অভিযান চালিয়ে ৭ শিক্ষককে গাইড বই সংরক্ষণের দায়ে এ জরিমানা করেন।শিক্ষকরা হলেন বেতবাড়ীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছালেহা খাতুন, এক্তারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সবুর হোসেন, সহকারী শিক্ষক কৃষ্ণা রানী, কমলাপুর রুমী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম, কমলাপুর মধ্যপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হামিদ, সহকারী শিক্ষক শফিকুল ইসলাম, খোকসা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু হানিফ।

 

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে আবারও ছাত্রলীগের তাণ্ডব

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট:আবারও ত্রাস সৃষ্টি করে সিলেট এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে তাণ্ডব চালিয়েছে ছাত্রলীগ। অভ্যন্তরীণ বিরোধের জের ধরে ছাত্রাবাসে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে ছাত্রলীগ ক্যাডাররা। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে ছাত্রাবাস।

বৃহস্পতিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার তদন্তে গঠন করা হয়েছে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি। কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
শিবিরকে বিতাড়িত করতে গিয়ে বছর পাঁচেক আগে সিলেটের এমসি কলেজের ঐতিহ্যবাহী ছাত্রাবাসে আগুন দিয়েছিল ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিল শতবর্ষের ঐতিহ্যের স্মারক এমসি কলেজ ছাত্রাবাস। ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে চোখে জল ঝরেছিল শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের। শুধু শিক্ষামন্ত্রীই নয়, এমসি কলেজের প্রত্যেক শিক্ষার্থীর হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছিল তখন। সেই ক্ষত পুরোপুরি শুকানোর আগেই আবারও ছাত্রাবাসটিতে তাণ্ডব চালিয়েছে ছাত্রলীগের ক্যাডাররা। অভ্যন্তরীণ বিরোধ আর আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এবার ছাত্রাবাসের তিনটি ব্লকের অন্তত ৫০টি কক্ষ ভাঙচুর করেছে তারা। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ছাত্রলীগ নেতা টিটু চৌধুরীর অনুসারীরাই এ হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

বেসরকারি শিক্ষকদের বেতনের ১০% কর্তনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ

ডেস্ক,১২ জুলাই: অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্ট খাতে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনের ১০% কর্তনে সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছে শিক্ষকদের দুইটি সংগঠন। গত ১৫ জুন শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপন আগামী তিনদিনের মধ্যে প্রত্যাহার না করা হলে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে যাওয়ার হুমকি দেন তারা।

বুধবার (১২ জুলাই) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে এ প্রতিবাদ জানায় বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ও বাংলাদেশ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।

তারা জানান, প্রজ্ঞাপনের আগে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন থেকে ২ শতাংশ কল্যাণ ট্রাস্ট খাতে ও ৪ শতাংশ অবসর বোর্ড খাতে কেটে নেওয়া হত। নতুন প্রজ্ঞাপন অনুসারে ২ শতাংশ করে বাড়িয়ে মোট ১০ শতাংশ করা হয়েছে।

মানববন্ধনে শিক্ষক সমিতির সভাপতি মুহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক বলেন, “শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণের দাবিতে আমাদের আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য কিছু সংখ্যক সরকারি তোষামোদকারী শিক্ষক নেতা নতুন করে একটা প্রজ্ঞাপন জারি করল, সেই প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হল, এমপিওভূক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন থেকে ১০ শতাংশ অবসর ও কল্যাণ ভাতা খাতে কেটে নেওয়া হবে।”

এই সিদ্ধান্তকে ‘অত্যান্ত অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরাচারী’ আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, “এই সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই শিক্ষকরা মেনে নিতে পারে না। আমাদের কথা বিবেচনা করে, আমাদের বাস্তবতার কথা চিন্তা করে তিনদিনের মধ্যে এই প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার করুণ।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

অবশেষে প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদে চাকরি পেলেন রবিউলের স্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক:তীব্র সমালোচনার মুখে গুলশানের হোলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলায় শহীদ সহকারী পুলিশ কমিশনার রবিউল করিমের স্ত্রীকে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদে চাকরি প্রদান করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ অফিস থেকে প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার তাকে তৃতীয় শ্রেণির উচ্চমান সহকারীর পদের নিয়োগ প্রদান করা হয় । এ নিয়ে সমালোচনা শুরু হলে শুক্রবার ওই নিয়োগ প্রত্যাহার করে নতুন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত নিয়মানুযায়ী রেজিস্ট্রার অফিসের শিক্ষা শাখায় প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদে এডহক ভিত্তিতে তাকে নিয়োগ প্রদান করা হয়।

নিহত রবিউলের ভাই শামসুজ্জামান শামসের কাছ থেকে জানা যায়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বৃহস্পতিবার পুলিশ কর্মকর্তা এসি রবিউলের স্ত্রী উম্মে সালমাকে তৃতীয় শ্রেণির উচ্চমান সহকারীর পদে মাস্টাররোলে ৯০ দিনের জন্য দৈনিক ৫২৫ টাকা করে নিয়োগ দিয়ে একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি পাঠায়।

এ নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্ব মহলে। পরে প্রশাসন তাদের অবস্থান থেকে সরে এসে নতুন করে আবার এ নিয়োগ প্রদান করে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠায়।

এ বিষয়ে এসি রবিউলের ভাই শামসুজ্জামান শামস বলেন, গতকালের নিয়োগ পুনর্বিবেচনা করে আমার ভাবীকে প্রথম শ্রেণির পদে নিয়োগ প্রদান করে  আমার ভাইকে সর্বোচ্চ সম্মান দেখাল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আমি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন এবং যারাই এ নিয়োগের সঙ্গে জড়িত ছিলেন তাদের সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

তীব্র সমালোচনার মুখে গুলশানের হোলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলায় শহীদ সহকারী পুলিশ কমিশনার রবিউল করিমের স্ত্রীকে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদে চাকরি প্রদান করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ অফিস থেকে প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার তাকে তৃতীয় শ্রেণির উচ্চমান সহকারীর পদের নিয়োগ প্রদান করা হয় । এ নিয়ে সমালোচনা শুরু হলে শুক্রবার ওই নিয়োগ প্রত্যাহার করে নতুন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত নিয়মানুযায়ী রেজিস্ট্রার অফিসের শিক্ষা শাখায় প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদে এডহক ভিত্তিতে তাকে নিয়োগ প্রদান করা হয়। নিহত রবিউলের ভাই শামসুজ্জামান শামসের কাছ থেকে জানা যায়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বৃহস্পতিবার পুলিশ কর্মকর্তা এসি রবিউলের স্ত্রী উম্মে সালমাকে তৃতীয় শ্রেণির উচ্চমান সহকারীর পদে মাস্টাররোলে ৯০ দিনের জন্য দৈনিক ৫২৫ টাকা করে নিয়োগ দিয়ে একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি পাঠায়। এ নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্ব মহলে। পরে প্রশাসন তাদের অবস্থান থেকে সরে এসে নতুন করে আবার এ নিয়োগ প্রদান করে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠায়। এ বিষয়ে এসি রবিউলের ভাই শামসুজ্জামান শামস বলেন, গতকালের নিয়োগ পুনর্বিবেচনা করে আমার ভাবীকে প্রথম শ্রেণির পদে নিয়োগ প্রদান করে আমার ভাইকে সর্বোচ্চ সম্মান দেখাল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আমি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন এবং যারাই এ নিয়োগের সঙ্গে জড়িত ছিলেন তাদের সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, ৩০০ স্কুল বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক | জুলাই ৩

অকালবন্যায় সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনাসহ কয়েকটি জেলার হাওর অঞ্চলে ব্যাপক ফসলহানি ও মাছ মারা যাওয়ার দুই মাস পর এবার মৌলভীবাজার ও সিলেটে বন্যা দেখা দিয়েছে।

ভারী বর্ষণ ও ঢলে দেশের উত্তর-পূর্বের মৌলভীবাজার ও সিলেটে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতির গত রোববারও উন্নতি হয়নি। দুই জেলায় পানিবন্দী হয়ে আছে সাড়ে চার লাখ লোক। পানি প্রবেশ করায় পাঠদান বন্ধ রয়েছে দুই জেলার তিন শতাধিক বিদ্যালয়ে। এদিকে উত্তর-পশ্চিমের নীলফামারীতে তিস্তার পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

গত এপ্রিলে অকালবন্যায় সুনামগঞ্জে ওই অকালবন্যায় ১৫৪টি হাওরের ১ লাখ ৬৬ হাজার ৬১২ হেক্টর জমির বোরো ধান তলিয়ে গেছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৩ লাখ ২৫ হাজার ৯৯০টি কৃষক পরিবার। তবে স্থানীয় কৃষক ও জনপ্রতিনিধিরা বলেছেন, হাওরের ৯০ শতাংশ ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মৌলভীবাজারে গতকাল নতুন করে বন্যার পানি বাড়েনি। কিন্তু কুশিয়ারা নদী এবং হাকালুকি, কাউয়াদীঘি ও হাইল হাওরের পানি না কমায় জেলার পাঁচটি উপজেলায় প্রায় তিন লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে আছে। বন্যাকবলিত এলাকায় সার্বিক যোগাযোগব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। জেলার ১৪২টি প্রাথমিক ও ৪১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ আছে।

জেলার বড়লেখা, জুড়ী, কুলাউড়া, রাজনগর ও সদর উপজেলার ২৩টি ইউনিয়নে বন্যা দেখা দিলেও বিশেষত হাকালুকি ও কাউয়াদীঘি হাওর এলাকায় এর প্রকোপ বেশি। এখানকার অনেক গ্রামবাসী প্রতিবেশী ও আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। কিছু পরিবার আশ্রয়কেন্দ্রে উঠেছে। বড়লেখায় তিনটি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম আবদুল্লাহ আল মামুন গতকাল বলেন, পানি খুব বাড়েনি। তবে বড় সমস্যা যোগাযোগবিচ্ছিন্নতা। অনেক দিন ধরে রাস্তায় পানি। রাস্তায় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বাস চলাচল বন্ধ।

জুড়ীতে চারটি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। কুলাউড়ার ৭০টি গ্রামের প্রায় ৭০ হাজার মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় আছে। এ উপজেলায় আটটি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। উপজেলার ভুকশিমইল ইউপির চেয়ারম্যান মো. আজিজুর রহমান বলেন, ‘আমার ইউনিয়নের ৭০ শতাংশ বাড়িঘরে পানি উঠেছে।’

রাজনগর উপজেলায় পানিবন্দী হয়ে পড়েছে ৩০ হাজার মানুষ। নৌকা ছাড়া ঘর থেকে বের হওয়ার উপায় নেই। পানি ওঠায় অনেকে মাচা বেঁধে কোনো রকমে টিকে থাকার চেষ্টা করছেন। এখানে দুটি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। মৌলভীবাজার-রাজনগর-বালাগঞ্জ সড়কের দুই কিলোমিটার স্থান তলিয়ে গেছে। বন্ধ হয়ে গেছে বাস চলাচল। অপর দিকে মৌলভীবাজার সদর উপজেলায় ১৫-২০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে আছে।

জেলা প্রশাসক মো. তোফায়েল ইসলাম বলেন, পাহাড়ধসের আশঙ্কায় সবাইকে সতর্ক করা হচ্ছে।

সিলেটে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। ১৩টি উপজেলার নয়টিতে অন্তত দেড় লাখ মানুষ পানিবন্দী। পানি ওঠায় ১৪৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। বন্যাকবলিত উপজেলাগুলো হলো বিয়ানীবাজার, ফেঞ্চুগঞ্জ, বালাগঞ্জ, ওসমানীনগর, গোলাপগঞ্জ, কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট, সিলেট সদর ও দক্ষিণ সুরমা। ভারত থেকে নেমে আসা ঢলেই মূলত এ বন্যা দেখা দিয়েছে।

পানিবন্দী হয়ে পড়ায় অনেকে ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে গেছেন। অনেকে ঘরের ভেতরেই মানবেতর জীবন যাপন করছেন। দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানির সংকট। পর্যাপ্ত ত্রাণসহায়তা দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন অনেকে।

জেলা প্রশাসক মো. রাহাত আনোয়ার জানান, বৃষ্টিপাত না কমা পর্যন্ত বন্যার উন্নতির সম্ভাবনা নেই। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ত্রাণ দেওয়া অব্যাহত থাকবে। প্রয়োজনে সহায়তা বাড়ানো হবে।

গতকাল বিকেলে গোলাপগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

ভারী বর্ষণ ও ঢলে তিস্তার পানি বেড়ে নীলফামারীতে গত দুদিন ধরে এ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে ডিমলা ও জলঢাকার নিম্ন চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ডিমলার টেপাখড়িবাড়ি ইউপির চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম বলেন, শনিবার ভোররাত থেকে তিস্তার পানি বেড়ে বিকেলে কিছু কমলেও রাতে আবার বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে এ ইউনিয়নের চরখড়িবাড়ি, পূর্ব খড়িবাড়ি, টাপুরচর, ঝিঞ্জিরপাড়া ও মেহেরটারী গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়।

খালিশা চাপানি ইউপির চেয়ারম্যান আতাউর রহমান বলেন, দুদিন ধরে তিস্তার পানি বেড়ে পশ্চিম বাইশপুকুর, পূর্ব বাইশপুকুর, সতিঘাট ও ছোটখাতা গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজার রহমান বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ব্যারাজের সব (৪৪টি) জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ তুলে প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছিত

যশোর প্রতিনিধি :যশোরের মণিরামপুরে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ তুলে প্রধান শিক্ষকে লাঞ্ছিত ও বিদ্যালয় কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার মণিরামপুর উপজেলার জয়পুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় লোকজন ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, জয়পুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পরিতোষ সরকারের সঙ্গে একই বিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকার অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ রয়েছে। এই অভিযোগের জের ধরে শনিবার স্থানীয় কিছু লোকজন স্কুলের প্রধান শিক্ষকের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেয়।

পরে প্রধান শিক্ষক ওই তালা ভেঙে কক্ষে প্রবেশ করলে বিক্ষুব্ধরা তাকে অবরুদ্ধ করে মারমুখী অবস্থান নেন এবং প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছিত করেন। খবর পেয়ে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা ও স্থানীয় আরও কিছু লোকজন এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন।

মণিরামপুরের জয়পুর গ্রামের তোরাব আলী, শাহিন, মকলেছুর রহমানসহ একাধিক অভিভাবক অভিযোগ করেন, প্রধান শিক্ষক ও এক শিক্ষিকার অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি নিয়ে তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে তারা প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষিকাকে বিদ্যালয়ে ঢুকতে বাধা দেন।

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আব্দুল গফুর সরদার বলেন, প্রধান শিক্ষক পরিতোষ সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে একই স্কুলের এক শিক্ষিকার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ রয়েছে। গত ৩০ মে ওই শিক্ষিকার বাড়িতে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়ায় তাকে মারপিটেরও শিকার হতে হয় বলে তিনি দাবি করেন।

ম্যানেজিং কমিটির অপর সদস্য আব্দুল হামিদ বলেন, পরিতোষ সরকার বার বার এমন অপরাধ করলেও স্থানীয় কিছু প্রভাবশালীকে ম্যানেজ করে পার পেয়ে যাচ্ছেন।

তবে প্রধান শিক্ষক পরিতোষ সরকার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, গত ২৯ মে ওই শিক্ষিকার ছেলে বিদেশ থেকে বাড়িতে আসায় স্থানীয় কতিপয় যুবক চাঁদা দাবি করে। বিষয়টি দেখার জন্য বাড়িতে ডাকেন ওই শিক্ষিকা। এ সময় ওই শিক্ষিকার বাড়িতে কতিপয় যুবকের সঙ্গে তার ধস্তাধস্তি হয়। পরে এ ঘটনাকে পুঁজি করে এলাকার কিছু স্বার্থান্বেষী মহল কুৎসা রটাচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান দুর্গাপদ সিংহ বলেন, প্রধান শিক্ষক পরিতোষ সরকারের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, সেটি সঠিক নয়। আর বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মুন্তাজ মহলদার বলেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মণিরামপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আকরাম হোসেন খান বলেন, বিষয়টি তিনি অবগত হয়েছেন। রোববার সরেজমনি গিয়ে তদন্ত করে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

আইনস্টাইন-হকিংকে ছাড়িয়ে গেল যে শিশুটি!

ডেস্ক,৩০জুন: তার বয়স মাত্র ১১ বছর। অথচ এই বয়সেই আলবার্ট আইনস্টাইন ও স্টিফেন হকিংয়ের মতো বিখ্যাত বিজ্ঞানীর চেয়েও বুদ্ধিমান সে। নাম তার অর্ণব শর্মা। সম্প্রতি বুদ্ধিমত্তার পরীক্ষায় আইনস্টাইন ও হকিংয়ের চেয়ে দুই নম্বর বেশি পেয়েছে সে!

বুদ্ধিমত্তা মাপার পরীক্ষাগুলোর মধ্যে মেনসা টেস্ট অন্যতম। খুব কঠিন পরীক্ষা বলে এর ‘কুখ্যাতি’ আছে। আর সেই পরীক্ষাতে কোনো পূর্বপ্রস্তুতি ছাড়াই অংশ নিয়েছিল অর্ণব। যুক্তরাজ্যের দক্ষিণাঞ্চলের রিডিং শহরে মা-বাবার সঙ্গে থাকে সে।

মেনসা টেস্টে ১৬২ নম্বর পেয়েছে অর্ণব। অথচ পরীক্ষায় বসার আগে এর প্রশ্ন সম্পর্কে কোনো ধারণাই ছিল না তার। স্রেফ মনের জোরেই কয়েক সপ্তাহ আগে পরীক্ষায় বসে সে। আর তার পরই ইতিহাস।

মেনসার পক্ষ থেকে একজন মুখপাত্র বলেছেন, অর্ণব যে নম্বর পেয়েছে, তা খুব কম মানুষই অর্জন করতে পেরেছে।

১৯৪৬ সালে অক্সফোর্ডে বিজ্ঞানী ল্যান্সেলট লিওনেল ওয়্যার ও আইনজীবী রোল্যান্ড বেরিল মেনসা সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। পরে সারা বিশ্বে এটি ছড়িয়ে পড়ে। সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট জনসংখ্যার শীর্ষ ২ শতাংশ বুদ্ধিমান মানুষকে এই সোসাইটির সদস্যপদ দেওয়া হয়। তবে এর জন্য মেনসা অনুমোদিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়।

ব্রিটিশ অনলাইন পত্রিকা দ্য ইনডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, পরীক্ষার প্রাথমিক ফল নির্ধারণের জন্য মৌখিক যুক্তির সক্ষমতাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। এতে বুদ্ধিমত্তার মাত্রায় যুক্তরাজ্যের শীর্ষস্থানীয় ১ শতাংশ মেধাবীদের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে সে।

অর্ণব বলেছে, ‘মেনসা টেস্ট বেশ কঠিন। আমি এতে উত্তীর্ণ হওয়ার আশা করিনি। আমার পরীক্ষাটি শেষ করতে আড়াই ঘণ্টার মতো লেগেছিল।’ সে জানিয়েছে, মাত্র সাত-আটজন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে বেশির ভাগই ছিল প্রাপ্তবয়স্ক।

অবশ্য এতে ঘাবড়ে যায়নি অর্ণব। সে বলেছে, ‘আমার কোনো প্রস্তুতি ছিল না। কিন্তু আমি কোনো স্নায়বিক চাপে ভুগিনি। পরীক্ষার ফল শুনে মা-বাবা কিছুটা বিস্মিত হয়েছেন ঠিকই। তবে তাঁরা বেশ খুশিও হয়েছেন।’

অর্ণবের মা মিশা ধামিজা শর্মা বলেন, ‘পরীক্ষার পুরোটা সময় আমি প্রার্থনা করেছি। ভাবছিলাম, কী জানি কী হয়! কারণ, এর আগে মেনসা টেস্টের কোনো প্রশ্নপত্রও দেখেনি সে।’

পড়াশোনায় হাতেখড়ির পর থেকেই গণিতে ভালো দক্ষতা ছিল অর্ণবের। তার মা জানান, মাত্র আড়াই বছর বয়সেই ছেলের প্রতিভা সম্পর্কে বুঝতে পেরেছিলেন। মিশা ধামিজা শর্মা বলেন, ‘তখনই এক শর বেশি গুনতে পারত সে।’

রিডিং শহরের ক্রসফিল্ডস স্কুলে পড়াশোনা করে অর্ণব। এরই মধ্যে ইটন কলেজ ও ওয়েস্টমিনস্টারে নির্বাচিত হয়েছে সে। এ দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই বেশ প্রতিযোগিতাপূর্ণ।

তবে অর্ণব শুধু গণিতেই ভালো, তা কিন্তু নয়। গান ও নাচের প্রতিও আগ্রহ আছে তার। আট বছর বয়সেই একটি নাচের প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে উঠেছিল সে।

প্রথম আলো হতে সংগৃহিত

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

জন্ম হওয়া শিশুর মাথাপিছুঋণ ৪৬ হাজার ১৭৭ টাকা

ডেস্ক,৩০ জুন: ঠিক এই মুহূর্তে সদ্যজাত যে শিশুটির জন্ম হলো, আগামীকাল ১ জুলাই থেকে শুরু হতে যাওয়া নতুন অর্থবছরে তারও মাথাপিছু ঋণ ৪৬ হাজার ১৭৭ টাকা। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে যা ছিল প্রায় ৪০ হাজার টাকা। অর্থাৎ দেশের প্রতিটি মানুষ ৪৬ হাজার টাকার ঋণের বোঝা নিয়ে শুরু করছে ২০১৭-১৮ অর্থবছর।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, অর্থমন্ত্রী বড় বাজেট দিলেও বেশি আয় করতে পারছেন না। এতে বাড়ছে বাজেট ঘাটতি। আর তা মেটাতে তার ভরসা এখন ঋণ। এই ঋণ প্রতিবছরই বাড়ছে। এর ফলে জনগণের উপর ঋণের বোঝা বাড়ছেই।

তাদের মতে, এতে বাজেট শৃঙ্খলাও নষ্ট হচ্ছে। বিশাল অংকের টাকাও খরচ হয়ে যাচ্ছে সুদ পরিশোধে। সুদ পরিশোধে এত বেশি অর্থ বরাদ্দ রাখতে না হলে সরকার শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বেশি রাখতে পারত।

এ দিকে গত ১ জুন বাজেট পেশের দিন প্রকাশিত মধ্যমেয়াদি সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি বাজেটের আকার বাড়ছে, কিন্তু অভ্যন্তরীণ সম্পদ বাড়ছে না। ফলে বাজেট ঘাটতি বেড়ে চলেছে এবং সরকার বাধ্য হয়ে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উৎস থেকে ঋণ নিচ্ছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পাওয়া তথ্য মতে, চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছর শেষে দেশি-বিদেশি মিলিয়ে রাষ্ট্রের মোট ঋণ দাঁড়াবে ৭ লাখ ৬১ হাজার ৯৩০ কোটি টাকা; যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩৪ দশমিক ৫ শতাংশ।

এর মধ্যে দেশের ভেতর থেকে নেয়া ঋণের পরিমাণ ৪ লাখ ৭১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা এবং বৈদেশিক ঋণ ২ লাখ ৯০ হাজার ৪৩০ কোটি টাকা।

সদ্য সমাপ্ত ২০১৬-১৭ অর্থবছরে পুরো দেশের মানুষের ওপর ৬ লাখ ৫৯ হাজার ৩৯০ কোটি টাকা ঋণ ছিল। সুদসহ আগের বছরগুলোর মূল টাকাও সরকার প্রতিবছর পরিশোধ করে আসছে। পরিশোধ না হওয়া টাকা জমতে জমতেই ঋণের বোঝা এত বড় হয়েছে।

এ দিকে গত ৩০ মে দেশের জনসংখ্যার একটি হিসাব দিয়েছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। বিবিএস আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, গত ১ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ১৭ লাখ ৫০ হাজার। সে হিসেবে আগামী অর্থবছর শেষে দেশের জনসংখ্যা দাঁড়াবে ১৬ কোটি ৫০ লাখ এবং মাথাপিছু ঋণ দাঁড়াবে ৪৬ হাজার ১৭৭ টাকা। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে মাথাপিছু ঋণ ছিল ৩৯ হাজার ৯৬৩ টাকা।

এ বিষয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এ বি মির্জ্জা মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, বাজেট ঘাটতি মেটাতে সরকারকে ব্যয়বহুল ঋণ বেশি নিতে হচ্ছে। এর অর্থই হচ্ছে স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মতো অগ্রাধিকার খাতগুলোতে সরকার প্রয়োজন অনুযায়ী বরাদ্দ রাখতে পারছে না।

পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর মনে করেন, সরকার ঠিক মতো ঋণ ব্যবস্থাপনা করতে পারছে না বলেই এর দায় নিতে হচ্ছে জনগণকে।

তিনি বলেন, একসময় দেশি-বিদেশি ঋণের হার ছিল অর্ধেক-অর্ধেক। বিদেশ থেকে ঋণ নেয়ার ক্ষেত্রে যেহেতু স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রশ্নটি থাকে, সরকার তাই সে পথে যায় না। সরকার সহজ পথ হিসেবে বেছে নেয় বেশি সুদের অভ্যন্তরীণ উৎসকে।

সুষ্ঠু ঋণ ব্যবস্থাপনার জন্য আহসান এইচ মনসুর আলাদা একটি বিভাগ গঠনের পরামর্শ দেন।

এ দিকে নতুন ভ্যাট আইন থেকে পিছিয়ে আসায় এলোমেলো হয়ে গেছে নতুন বাজেট। নতুন ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন করে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আয়ের পরিকল্পনা ছিল অর্থমন্ত্রীর। আর বেশি আয়ের ওপর নির্ভর করেই বিশাল একটি বাজেট তৈরি করা হয়েছিল। সেই পরিকল্পনায় বড় ধরনের ধাক্কা খেলেন অর্থমন্ত্রী ও সরকার। ফলে বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেল বাজেট পাসের সঙ্গে সঙ্গেই। এমনকি সরকারের ঋণ গ্রহণের পরিমাণ বাড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চলতি অর্থবছরের জন্য পাস হওয়া ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকার বাজেটের মধ্যে অনুন্নয়ন বাজেট ২ লাখ ৪৫ হাজার ১৪ কোটি টাকার। এর মধ্যে সুদ পরিশোধে রাখা হয়েছে ৪১ হাজার ৪৫৭ কোটি টাকা, যার মধ্যে অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদই ৩৯ হাজার ৫১১ কোটি টাকা।

মোট বাজেটের প্রায় ১৭ শতাংশ অর্থই ব্যয় হচ্ছে ঋণের সুদ পরিশোধে। সুদ পরিশোধের পুরো বরাদ্দ কোন কোন খাতে ব্যয় করা হবে, বাজেটে তার চিত্রও তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি টাকা ব্যয় হবে সঞ্চয়পত্রের সুদে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যয় হবে মেয়াদি ঋণের সুদে।

বাজেট সংক্ষিপ্তসারের অনুন্নয়ন ও উন্নয়ন ব্যয়ের অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, আগামী অর্থবছরে সঞ্চয়পত্রের সুদ দিতে বরাদ্দ রাখা আছে ১৯ হাজার ৭০০ কোটি টাকা।

চলতি অর্থবছরে ১৬ হাজার ৭৩৬ কোটি টাকা রাখা হলেও সংশোধিত বাজেটে তা কমিয়ে করা হয় ১৫ হাজার ৫৯৯ কোটি টাকা। আর আগামী অর্থবছরে ১৪ হাজার ৫৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা আছে মেয়াদি ঋণের সুদ বাবদ।

যদিও ১০ মাসেই (জুলাই-এপ্রিল) ৪৩ হাজার কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে। সংশোধিত বাজেটে বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা ৪৫ হাজার কোটি টাকা ধরা হয়। অথচ চলতি অর্থবছরে ১৯ হাজার ৬১০ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা ছিল। আগামী অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা ৩০ হাজার ১৫০ কোটি টাকা।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

চুয়াডাঙ্গার ঐতিহ্যবাহী গোকুলখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭০ বছর পূর্তি উৎসব

সাইদুর রহমান: ‘প্রতিজ্ঞা এবং পরিশ্রমই হোক আমাদের প্রতিষ্ঠার গতিপথ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গোকুলখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর ৭০ বছর পূর্তি উৎসব উপলক্ষে পতাকা উত্তোলন, আনন্দ শোভাযাত্রা, আলোচনাসভা, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান ও সাংস্কৃতি আনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। নানা আয়োজনে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখাসহ সুন্দর সমাজ গঠনে অবদান রাখার আন্তরিক প্রচেষ্টার বিষয়টি ঘরে ফিরেই আলোচনায় তুলে আনেন।
গতকাল বুধবার গোকুলখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭০ বছর পূর্তি উৎসব উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পতাকা উত্তোলন ও শোভাযাত্রা শেষে প্রথম পর্বের আলোচনা অনুষ্ঠানে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি উদযাপন কমিটির সভাপতি বিল্লাল হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক জিয়াউদ্দীন আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী পুলিশ সুপার কলিমুদ্দীন, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাাদুল হক বিশ্বাস, জজ কোটের পিপি অ্যাড. শামশুজ্জোহা, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আতাউর রহমান, চিৎলা ইউপি চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমান। আলোচনার শুরুতে কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক আশরাফ আলী। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফরিদ হোসেন।
আমার কৈশোর ও আজকের প্রত্যাশা এই স্লোগানে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বে প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে উদযাপন কমিটির সভাপতি বিল্লাল হোসেনের সভাপতিত্বে অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অবসরপ্রাপ্ত উপপরিচালক রেজাউল করিম ও আবুবক্কর সিদ্দিকী, অগ্রণী ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত ডিজিএম জহুরুল আলম, আইনজীবী সেলিম উদ্দিন খান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক আকরামুল হক, সাবরেজিস্ট্রার রাব্বুস সোবহান, জেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি আফজালুল হক, ইঞ্জিনিয়ার শাহজাহান আলম প্রমুখ। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে অধিবেশনের তৃতীয় পর্বে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়নে করণীয় আলোচনায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে অতিথি ছিলেন সরকারি আদর্শ মহিলা কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শহীদুল ইসলাম, দর্শনা সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত উপধ্যক্ষ মোশারফ হোসেন, গোকুলখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মোস্তফা কামাল, বিদ্যালয়ের সাবেক সিনিয়র শিক্ষক খাইরুল বাসার ও মোশাররফ হোসেন।
অধিবেশনের চতুর্থ পর্বে দুপুর আড়াইটার দিকে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান অনুষ্ঠানে উদযাপন কমিটির সভাপতির সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ সামসুল আবেদীন খোকন। বিশেষ অতিথি ছিলেন চিৎলা ইউপি চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমান, বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মোস্তফা কামাল, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক, উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফরিদ হোসেন। অনুষ্ঠান শেষে ক্ষুদে গানরাজ উদয়, শাবনুর ও বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র দেলোয়ার হোসেন দিপুসহ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সার্বিক অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আদর্শ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূর হোসেন, প্রাক্তন ছাত্র রাজীব ফেরদৌস পাপেন, বিদ্যালয়ে শিক্ষক শফি উদ্দিন টিটু, বেলাল হোসেন।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

আরো ১০ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেবে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বিশেষ বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে আরো ১০ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেবে সরকার। গত বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিষয়ে প্রশাসনিক অনুমোদন দিয়েছেন।

এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম জানান, বিশেষ বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে ১০ হাজার চিকিৎসক পর্যায়ক্রমে নিয়োগ দেওয়া হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে দরিদ্র মানুষের স্বাস্থ্যসেবা সঠিকভাবে নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকারের সময়েই গত ৩ বছরে বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে প্রায় ৭ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩৩তম বিসিএসে ৬ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দিয়ে তাদেরকে উপজেলা পর্যায়ে পদায়ন করা হয়েছে।

সূত্র : বাসস

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

সিনিয়র সহকারী সচিব পদে ২৩৩ কর্মকর্তার পদোন্নতি

ডেস্ক:   প্রশাসনের সিনিয়র সহকারী সচিব পদে ২৩৩ কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (২২ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত্র আলাদা আদেশ জারি করে।

সহকারী সচিব থেকে সিনিয়র সহকারী সচিব পদে পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে ২২৮ কর্মকর্তা আগের পদেই কর্মরত থাকবেন এবং শিক্ষা ছুটিতে থাকা পদোন্নতি পাওয়া ৫ কর্মকর্তা ছুটি শেষে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে যোগদান করবেন।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

সরকারি কর্মচারীদের আয়কর হতে অব্যাহতি প্রদান।

অনলাইন ডেস্ক,২৩ জুন:

সরকারি কর্মচারীদের আয়কর হতে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে। গত ২১ জুন রাষ্টপতির রাষ্ট্রপতির আদেশকমে, সিনিয়ার সচিব নজিবর রহমান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়

Income-tax Ordinance, 1984 (Ordinance No. XXXVI of 1984) Gi section 44  Gi s ub-section (4) Gi  clause (b)তে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার অত্র বিভাগের ১৬ আষাঢ়, ১৪২২ বঙ্গাব্দ মোতাবেক ৩০ জুন, ২০১৫ খ্রিস্টাব্দ তারিখের প্রজ্ঞাপন এস,আর,ও নং ১৯৮-আইন/আয়কর/২০১৫ রহিত মে, সরকারি বেতন আদেশভুক্ত কর্মচারীদের সরকার কর্তৃক প্রদত্ত মূল বেতন, উৎসব ভাতা ও বোনাস, যে নামেই অভিহিত হোক না কেন, ব্যতীত অবসরকালে প্রদত্ত লাম্প গ্রান্টসহ সরকারি বেতন আদেশে উল্লিখিত অনা্্ন ভাতা ও সুবিধাদিকে প্রদেয় আয়কর হইতে এতদ্দারা অব্হতি প্রদান করিল।
Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

অগ্রণী ব্যাংকের চাকরির পরীক্ষার ফলে ‘ভুল’?

ডেস্ক,২৩ জুন: অগ্রণী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার পদে নিয়োগের প্রাথমিক বাছাই (প্রিলিমিনারি) পরীক্ষার ফলাফলে ‘ভুল’ হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন হাজারো প্রার্থী। তাঁদের অভিযোগ, বি সেটে যাঁরা পরীক্ষা দিয়েছিলেন, তাঁদের অনেকেই ৬৫ থেকে ৭৫ পর্যন্ত পেয়েও উত্তীর্ণ হননি। অথচ এ সেটে ৬০ থেকে ৬৫ পেয়েও অনেকে উত্তীর্ণ হয়েছেন।

প্রায় দুই লাখ পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নিতে আবেদন করেছিলেন। প্রথম দফায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের কারণে বাতিল হওয়ার পর গত ৯ জুন ফের এই পরীক্ষা নেওয়া হয়।  বৃহস্পতিবার এই ফল প্রকাশ করা হয়। এতে প্রকাশিত ফলে ৮ হাজার ১৯২ জন উত্তীর্ণ হন। ১৪ জুলাই লিখিত পরীক্ষা হবে।

তবে দুপুরে ফল প্রকাশের পর তিন থেকে চার শ প্রার্থী  কাছে অভিযোগ করেছেন ফল প্রকাশে কোথায় ভুল হয়েছে। তাঁরা শুনতে পাচ্ছেন ৫৮ কাট মার্কস। কিন্তু বি সেটে ৬০ থেকে ৭৫ পেয়েও অনেকের হয়নি। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপেও তিন থেকে চার হাজার প্রার্থী এই ফল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগ থেকে স্নাতক করা আশিক আহমেদ  বলেন, ‘আমি বি সেটে পরীক্ষা দিয়েছি। অন্তত ৮০-র মতো পাব। কিন্তু আমি টিকিনি। আমি চ্যালেঞ্জ করছি, কোথাও কোনো ভুল হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংককে সেই ভুল সংশোধনের অনুরোধ করছি।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ করা রবিউল ইসলাম দাবি করেছেন, তিনি ৭৪-এর মতো পাবেন। কিন্তু সুযোগ পাননি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রকিব হাসান  বলেছেন, বিজ্ঞানের ছাত্ররা সাধারণ অঙ্কে ভালো হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলে বি সেটে পরীক্ষা দিয়ে একজনও টেকেনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের ছাত্র নবিউল হক বলেছেন, তিনি ৬৫ পাবেন। সুযোগ পাননি।

জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাস করা শিক্ষার্থী রুমন প্রধান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং বিভাগের ছাত্র কৃষ্ণ সাহা, খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিবাজি বিশ্বাস, কুষ্টিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মোস্তফা আজাদ, ঢাকা বিশ্বিবদ্যায়লের ফিন্যান্স বিভাগের সৌরভ চৌধুরীসহ আরও অন্তত ৩০০ জন  একই অভিযোগ করেছেন।

ফেসবুকে চাকরির বিভিন্ন গ্রুপে হাজারও প্রার্থী বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা শুরু করেছেন। তাদের সবার দাবি, পরীক্ষার্থীরা বলছেন, ওএমআর শিটে পরীক্ষা নিয়ে ফলাফল দেখা হয়েছে কম্পিউটারে। সেখানে নিশ্চয়ই কোনো ভুল হয়েছে। বি সেটে যে উত্তর ধরে খাতা মূল্যায়ন করা হয়েছে, তাতে কোথাও ভুল হয়েছে বলেও দাবি তাঁদের।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং ও ইনস্যুরেন্স বিভাগ অগ্রণী ব্যাংকের এই পরীক্ষা নেওয়ার দায়িত্ব পেয়েছিল। এই ভুলের বিষয় নিয়ে জানতে চাইলে বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান এবং ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের বর্তমান ডিন শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা পরীক্ষার পরদিনই বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির কাছে ফল পাঠিয়ে দিয়েছে। তারাই কাট মার্কস নির্ধারণ করে ফল প্রকাশ করেছে। ওএমআর খাতা মূল্যায়ন করেছে কম্পিউটার। এমন ভুল হওয়ার কথা নয়। তবে ছেলেমেয়েদের যদি কোনো অভিযোগ থাকে, তারা ম্যানুয়ালি খাতা মূল্যায়নের জন্য আবেদন করতে পারে।’

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter