নিউজ

অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবীদের উদ্দেশ্যে প্রজ্ঞাপন

আবার বিয়ে করলে ভাতা দেবে না সরকার

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবীদের মৃত্যুর পর তাঁদের বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী ও তাঁদের প্রতিবন্ধী সন্তানেরা বছরে দুটি উৎসব ভাতা ও চিকিৎসা ভাতা পাবেন। তবে আবার বিয়ে করলে কেউ কোনো ভাতা পাবেন না।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ গত সপ্তাহে এ ব্যাপারে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। ২০১৬ বছরের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এই প্রজ্ঞাপন কার্যকর ধরা হবে।
এতে বলা হয়েছে, শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবীদের মৃত্যুর পর তাঁদের বিধবা স্ত্রী ও প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা পাবেন আজীবন।
তবে বিপত্নীক স্বামী ভাতা পাবেন সর্বোচ্চ ১৫ বছর পর্যন্ত। তবে শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী চাকরিজীবীর অবসর গ্রহণের তারিখ থেকে ১৫ বছর মেয়াদ পূর্তি হতে যে সময় বাকি থাকবে, বিপত্নীক স্বামী শুধু সেই সময়টুকুর জন্যই ভাতা পাবেন।

বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী যদি আবার বিয়ে করেন, তাহলে এই ভাতাসুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। উৎসব ভাতার পরিমাণ নির্ধারিত হবে মাসিক নিট পেনশনের ভিত্তিতে। অর্থাৎ শতভাগ পেনশন সমর্পণকারীরা শতভাগ পেনশন সমর্পণ না করলে মাসিক যে পরিমাণ নিট পেনশন পেতেন, তার ভিত্তিতে।
শতভাগ পেনশন সমর্পণকারীর বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী ২০১৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারির আগে কোনো উৎসব ভাতা বা চিকিৎসা ভাতা উত্তোলন করে থাকলে তা তাঁদের পরবর্তী সময়ে প্রাপ্য ভাতা থেকে সমন্বয় করা হবে বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

১৭৩ জন শিক্ষক-কর্মচারির এমপিওভুক্তির বাতিল

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৭৩ জন শিক্ষক-কর্মচারির এমপিওভুক্তির আবেদন বাতিল করেছে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর। প্রাথমিক যাচাইয়ে অসম্পূর্ণ তথ্য ও দারুল ইহসানের সনদসহ বিভিন্ন সমস্যার কারণে এমপিওর এসব আবেদন বাতিল করা হয় বলে অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

আবেদন বাতিলের কারণসমূহের মধ্যে রয়েছে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সনদ সরকার অননুমোদিত প্রতিষ্ঠানের, কাম্য শিক্ষাগত যোগ্যতার অভাব, দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ দাখিলকৃত সনদগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক যাচাইকৃত নয়, আবেদনকারীর কোন মামলা নেই মর্মে কোন পত্র না দেয়া ও নিয়োগ সংক্রান্ত অভিযোগ থাকা।

এছাড়াও রয়েছে, প্যাটার্নবহির্ভূতভাবে নিয়োগ পাওয়ায়, স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের অর্জিত সনদ অনলাইনে খুজে না পাওয়া যাওয়া, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির স্থানীয় পত্রিকার মূল কপি না থাকা, নিয়োগকালীন ম্যানেজিং কমিটির প্রমাণ সংযুক্ত না থাকা এবং এসএসসিতে ৩য় বিভাগে উত্তীণ হওয়া।

প্রাথমিক যাচাইয়ে অসম্পূর্ণ ও বিভিন্ন সমস্যা সম্বলিত কাগজপত্র ও চিহ্নিত সমস্যার জবাব আগামী ১ মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে জমা দিতে বলা হয়েছে। অন্যথায় তাদেরকে এমপিওভুক্ত, টাইমস্কেল ও উচ্চতর স্কেলের জন্য পুনরায় আবেদন করতে হবে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঈদের ছুটি ৩০ আগস্ট থেকে ৪ সেপ্টেম্বর !

ডেস্ক: সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সুখবর আসছে। এখন থেকে ঈদের ছুটি ছয় দিন করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। আসন্ন ঈদুল আজহা থেকে এটি কার্যকর হবে। বর্তমানে ঈদে সরকারি কর্মচারীরা ছুটি পান তিন দিন। চাকরিজীবীদের ঈদে স্বস্তিতে বাড়ি পেঁৗছাতে ছুটি বাড়ানোর এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ঈদের ছুটি বাড়ানোর একটি প্রস্তাব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়। প্রস্তাবটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমোদন পেলে মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে। সরকারি একটি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, প্রস্তাবটি অনুমোদন পেলে এবার ঈদের ছুটি শুরু হবে ৩০ আগস্ট বুধবার থেকে এবং শেষ হবে ৪ সেপ্টেম্বর সোমবার। যদিও এর মধ্যে সাপ্তাহিক ছুটি ঈদের ছুটি হিসেবে কার্যকর হবে। সব মিলিয়ে সরকারি চাকরিজীবীরা এবার ঈদের ছুটি পাবেন ছয় দিন। আর এ ছয় দিন সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। আর ঈদের এ বাড়তি ছুটি কর্মচারীদের ঐচ্ছিক ছুটি থেকে কেটে নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোজাম্মেল হক খান বলেন, বাস্তব প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে ঈদে ছুটি বাড়ানোর একটি প্রস্তাব সরকারের উচ্চ পর্যায়ে দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে নীতিগত সিদ্ধান্ত আসার পরই এটি সর্বোচ্চ ফোরামে উপস্থাপন করা হবে। এখানে অনুমোদন পেলে ছুটির আদেশ জারি হবে। না হলে বিদ্যমান নিয়মে ছুটি থাকবে।

তিনি বলেন, সরকার ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলে বছরের নির্ধারিত ছুটি ঠিকই থাকবে। বাড়তি ছুটি কর্মচারীদের ঐচ্ছিক ছুটি থেকে কেটে নেওয়া হবে। অর্থাৎ শুধু ঐচ্ছিক ছুটির সঙ্গে ঈদের ছুটির সমন্বয় করা হবে। সংশ্লিষ্টরা জানান, সব ঠিকঠাক থাকলে এবার ঈদুল আজহা পালন হবে ২ সেপ্টেম্বর শনিবার। ঈদের দিন ও তার আগের দিন পড়ছে সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে বিদ্যমান নিয়মে এবার তিন দিন ঈদের ছুটি থাকলে এর দু’দিনই পড়ছে সাপ্তাহিক ছুটি। বাড়তি কোনো ছুটি পাচ্ছেন না সরকারি চাকরিজীবীরা। চাকরিজীবীরা বৃহস্পতিবার অফিস শেষ করে বাড়ির দিকে রওনা হবেন। আবার সোমবার অফিস খোলা থাকায় ঈদের পরের দিন রোববার ঢাকামুখী হবেন। এতে একসঙ্গে রাস্তাঘাটা, ফেরি, লঞ্চ, রেলের ওপর চাপ বাড়বে। মানুষের দুর্ভোগের শেষ থাকবে না। এমনকি গ্রামের সড়কও বেহাল। তারপর এত চাপ মোকাবেলা করা প্রশাসনের পক্ষে কষ্টসাধ্য হয়ে পড়বে। সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা বাড়ারও আশঙ্কা থাকছে। ফলে চাকরিজীবীদের নির্বিঘ্নে বাড়ি পেঁৗছতে ঈদের ছুটি বাড়ানো হচ্ছে।

জানা গেছে, ঈদে ছুটি বাড়ানোর দাবি সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের। ২০১০ সালে ঈদুল ফিতরে সরকারি ছুটি তিন দিনের পরিবর্তে পাঁচ দিন করার একটি প্রস্তাব দেয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। যদিও পরে এটি নাকচ হয়ে যায়। গত ঈদুল ফিতরের ছুটিও ছয় দিন করার একটি প্রস্তাব তৈরি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এতে সম্মতি দেন; কিন্তু ওই সময় সংসদে বাজেট অধিবেশন থাকায় ছুটি বাড়ানোর প্রস্তাব আর কার্যকর হয়নি। এবার সরকারি কর্মচারীদের দাবি বিবেচনায় নিয়ে এবং ঈদে যাতে ঘরমুখো মানুষ নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারেন এ জন্য ছুটি বাড়ানোর প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। বর্তমানে বছরে অফিস-আদালত ১৫৯ দিন বন্ধ থাকে। এর মধ্যে সাপ্তাহিক ছুটি থাকে ১০৪ দিন। অন্যান্য ছুটি থাকে ৫৫ দিন

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ইডেনের ২ ছাত্রীকে যৌন হয়রানি, ছাত্রলীগ নেতা বহিষ্কার

ডেস্ক : ইডেনের দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানি ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির পরিবেশ বিষয়ক উপ-সম্পাদক মিজানুর রহমান পিকুলের বিরুদ্ধে। রোববার রাতে আজিমপুর সংলগ্ন পলাশী মোড়ে এ ঘটনা ঘটে বলে চকবাজার থানায় এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

তারা দু’জন সম্পর্কে বোন। এর মধ্যে একজন ইডেনের সাবেক ছাত্রী, আর অন্যজন তার ছোট বোন তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী।  এদিকে এ ঘটনায় রাতেই এক বিজ্ঞপ্তিতে শৃঙ্খলা ভঙের দায়ে পিকুলকে ছাত্রলীগ থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।

লিখিত অভিযোগে বড় বোন উল্লেখ করেন, রোববার রাত ৮টায় তিনি, তার স্বামী ও ছোট বোন পলাশী মোড়ের মাছবাজারে মাছ কিনতে যান। সেসময় বাজারে হাঁটার একসময় বড় বোনের স্বামীর সঙ্গে পিকুলের ধাক্কা লাগলে সে তার স্বামীকে গালিগালাজ করে এবং মারধরের জন্য তেড়ে আসে। দুই বোন এর প্রতিবাদ করায় পিকুল তাদের ওপর চড়াও হয়। এরপর পিকুল মোবাইল ফোনে তার সহযোগীদের ডেকে এনে ওই দুই বোনের শ্লীলতাহানি করে এবং তার স্বামীকে মেরে রক্তাক্ত করে।

এদিকে রাতেই এক বিজ্ঞপ্তিতে শৃঙ্খলা ভঙের দায়ে পিকুলকে ছাত্রলীগ থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয় এবং আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।

অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে চকবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম অর রশিদ বলেন, এ ঘটনায় কোনো সাধারণ ডায়েরি (জিডি) বা মামলা হয়নি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

রংপুর মেডিকেলে চিকিৎসার অভাবে শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ

নিজস্ব সংবাদদাতা, রংপুর ॥ রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শিশু সার্জারি ওয়ার্ডে বিনা চিকিৎসায় এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। শিশুটির চিকিৎসার জন্য চিকিৎসককে বার বার ডাকার কারণে দায়িত্বরত চিকিৎসক ক্ষিপ্ত হয়ে শিশুটির ভর্তিপত্র ছুড়ে ফেলে দিয়েছেন বলে জানান স্বজনরা। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্বজনরা ওই চিকিৎসকের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার সকালে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপালে।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভর্তি ফাইল থেকে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার ঠাকুরগাঁও জেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিজারের মাধ্যমে পুত্র সন্তানের মা হন সদরের বাহাদুরপাড়া এলাকার হাসান আলীর স্ত্রী রীনা বেগম। সেখানে শিশুটির অবস্থার অবনতি হলে রেফার্ড করা হয় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে। শনিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে ওই দম্পতি নবজাতককে হাসাপাতলের শিশু সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করান।

মৃত ওই নবজাতকের স্বজন পারভীন আক্তার সাংবাদিকদের জানান, আমরা যখন ঠাকুরগাঁও হাসপাতালে ছিলাম তখন শিশুটি ভালো ছিল। এখানে আসার পর ভর্তি হই। কিন্তু কেউ আমাদের খোঁজ খবর রাখেনি। রাতে চিকিৎসার জন্য বার বার ছোটছুটি করি কেউ সাড়া দেয়নি। নার্সদের ডাকা ডাকির পরও তারা আসেনি। দু’জন নার্স এলেও তারা বলেন, আমরা এই ওয়ার্ডে ভাড়ায় এসেছি। আমরা কিছু করতে পারব না। পরে তারাও চলে যায়।

চাঁদনী নামের আরেকজন স্বজন জানান, একজন ওয়ার্ড বয় আসে। তিনি এক’শ টাকা চান লেবুনেশন করার জন্য। সেই টাকা দেয়ার পর তিনি চেষ্টা করেও লেবুনেশন দিতে পারেন নি। এরপর তিনিও চলে যান। আমরা অসহায় হয়ে পড়ি।

নিহত ওই নবজাতকের বাবা আহসান আলী জানান, আমরা চিকিৎসকের জন্য ছুটাছুটি করি কেউ আসে না। এরপর রাত দশটার দিকে আমাদেরকে ওয়ার্ড থেকে বের করে দেয়া হয়। সকাল আটটায় দিয়ে দেখি আমার বাবু মারা গেছে। আমি এর বিচার চাই।

আহসান আলীর স্ত্রী রিনা আখতার বলেন, আমার বুক খালি হয়েছে। আমি আর কোন মায়ের বুক খালি হতে দেব না। আমি ওদের বিচার চাই।

নবজাতকের বাবা আহসান এর বন্ধু সাইফুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, একজন চিকিৎসক বিরক্ত হয়ে শিশুর ভর্তি ফরম ছুড়ে ফেলে দেন। এরপর সেখানকার নার্সরাই তাদের হাসপাতাল থেকে বরে হয়ে যেতে বলেন। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, এটা কোন দেশ? সেখানে ডাক্তার নার্সরা হাসপাতাল থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। তিনি ওই চিকিৎসক ও নার্সদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান।

ওই ওয়ার্ডে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. মাহফুজুল হক মানিক সাংবাদিকদের বলেন, আমি ওই সময় দায়িত্বে ছিলাম না। কিন্তু শিশুর বিষয়ে জানতাম। শিশুটি জন্মের পর বায়ুপথ ছিল না। আর তার বয়স অনুযায়ী অপরারেশন করার মত অবস্থাও ছিল না। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। এরপরেও কোন চিকিৎকের অবহেলা থাকলে কর্তৃপক্ষ বিসয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবেন।

এ বিষয়ে হাসপাতালটির পরিচালক ডা: মওদুদ বলেন, আমি রংপুরের বাইরে। বিষয়টি নিয়ে পরে কথা হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পেনশন সমর্পণকারীদের জন্য নতুন প্রজ্ঞাপন

বিশেষ প্রতিদেক :

এখন থেকে শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীর মৃত্যুর পর তার বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী ও প্রতিবন্ধী সন্তান চিকিৎসা ভাতা ও বছরে দুটি উৎসব ভাতা পাবেন। এ বিষয়ে শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীর মৃত্যুর পর তাদের বিধবা স্ত্রী ও প্রতিবন্ধী সন্তান আজীবন চিকিৎসা ও উৎসব ভাতা পাবেন। বিপত্নীক স্বামী সর্বাধিক ১৫ বছর (শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী কর্মচারীর অবসর গ্রহণের তারিখ থেকে মোট ১৫ বছর মেয়াদ পূর্তির কোনো সময় অবশিষ্ট থাকলে শুধু উক্ত সময় পূর্তি পর্যন্ত) মাসিক চিকিৎসা ভাতা ও বছরে দুটি উৎসব ভাতা পাবেন। এই সুবিধা গত ২০১৬ বছরের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

তবে পুনরায় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলে বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী এ সুবিধা পাবেন না বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। শতভাগ পেনশন সমর্পণকারীগণ শতভাগ পেনশন সমর্পণ না করলে যে পরিমাণ মাসিক নিট পেনশন পেতেন তার ভিত্তিতে উৎসব ভাতার পরিমাণ নির্ধারিত হবে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, শতভাগ পেনশন সমর্পণকারীর বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী ২০১৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারির আগে কোনো চিকিৎসা ভাতা বা উৎসব ভাতা উত্তোলন করে থাকলে তা তাদের পরবর্তীকালে প্রাপ্য চিকিৎসা বা উৎসব ভাতা থেকে সমন্বয় করা হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অবশেষে বদলি হলেন শিক্ষা অধিদপ্তরের সেই পরিচালক

ডেস্ক: জুনিয়র সহকর্মীর দাপট সইতে না পেরে স্বেচ্ছায় বদলি হয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ শাখার পরিচালক ড. মো: শফিকুল ইসলাম তালুকদার। তিনি মানিকগঞ্জ দেবেন্দ্র কলেজের  অধ্যক্ষ পদে বদলি হয়েছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ ২রা আগস্ট প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

অধিদপ্তরের একাধিক সূত্রমতে, বদলি হয়ে যাওয়ার আগে সেই ‘দুর্নীতিবাজ’ জুনিয়র সহকর্মী একই শাখার সহকারি পরিচালককে কারণ দর্শানোরে নোটিশ দিয়েছেন। গত বছর দেড়কোটি টাকার কেনাকাটার হিসেব দিতে পারেনি সহকারি পরিচালক মান্নান চৌধুরী।

তারা দুজনই বি সি এস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারভুক্ত সরকারি কলেজ শিক্ষক।

সাবেক শিক্ষাসচিব মো: নজরুল ইসলাম খান বলেন, শিক্ষা প্রশাসনে সুশাসনের অভাব দীর্ঘদিনের। এর অবসান না হলে সুশিক্ষা নিশ্চিত করা যাবে না। দুষ্টের দমন শিষ্টের লালন করা দক্ষ প্রশাসকের কাজ।

দৈনিক শিক্ষা

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সিদ্দিকুরের চোখের অপারেশন শুরু

জাহিদ হাসান : বাংলাদেশ সময় বিকাল সাড়ে তিনটায় সিদ্দিকুরের অপারেশন শুরু হয়েছে, বলে জানিয়েছেন সিদ্দিকুরের সহপাঠী ও বন্ধু শেখ ফরিদ। শুক্রবার বিকালে তিনি এ তথ্য জানান।

শেখ ফরিদ বলেন, ‘শংকর নেত্রালয়ের চিকিৎসক লিঙ্গম গোপাল এই অপারেশন করবেন।’ বাংলাদেশ থেকে সিদ্দিকুরের সঙ্গে যাওয়া জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইন্সটিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. জাহিদুল এহসান মেনন তাদেরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সিদ্দিকুরের বন্ধু শেখ ফরিদ বলেন, ‘সিদ্দিকুর মানসিকভাবে সুস্থ ও শক্ত আছেন ও সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।’

এর আগে, ২ আগস্ট সিদ্দিকুরের অনেকগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়। বৃহস্পতিবার সেগুলোর রিপোর্ট পাওয়ার পর সবকিছু ঠিক থাকায় চিকিৎসক লিঙ্গম গোপাল শুক্রবার অপারেশনের দিন ঠিক করেছেন বলে জানিয়েছিলেন শেখ ফরিদ।

উল্লেখ্য, পরীক্ষার রুটিন ও তারিখ ঘোষণাসহ কয়েকটি দাবিতে গত ২০ জুলাই শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভূক্ত হওয়া নতুন সাতটি সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা। এ সময় শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেলে গুরুতর আহত হন তিতুমীর কলেজের ছাত্র সিদ্দিকুর রহমান। পরে তার চোখের চিকিৎসার ব্যাপারে নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের তত্ত্বাবধানে জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের চিকিৎসরা তাকে চেন্নাইয়ের শংকর নেত্রালয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠান। বাংলা ট্রিবিউন অবলম্বনে

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চার সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নতুন পরিচালক

রিকু আমির : সেনাবাহিনীর চারজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেলকে ঢাকা, রাজশাহী, বগুড়া ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

তাদের চাকরি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগে ন্যস্ত করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার আদেশ জারি করেছে।
আদেশে অনুযায়ী- ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের স্থলে দায়িত্ব পেয়েছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম নাসির উদ্দিন।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এএফএম রফিকুল ইসলামের স্থলে পরিচালকের দায়িত্ব পেয়েছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জামিলুর রহমান।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. গোলাম রসুলকে বগুড়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, তিনি এসেছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মাসুদ আহসানের স্থলে। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পারভেজ কবীরকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক করা হয়েছে, তিনি এসেছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাছির উদ্দীন আহমদের স্থলে। আগের চার পরিচালকের চাকরি সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

আরেকটি আদেশে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এসএমএম সালেহ ভূঁইয়াকে সেনাবাহিনীতে ফেরৎ পাঠিয়ে সেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাকির হাসানকে। এছাড়া ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এসএম শামিম উজ জামানকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব হিসেবে নিয়োগ দিয়ে আদেশ জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

২৭ যুগ্মসচিবের দফতর বদল

ঢাকা: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে ২৭ যুগ্মসচিবের দফতর রদবদলের কথা বলা হয়েছে।

প্রথম প্রজ্ঞাপনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ হুমায়ূন কবীর ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প পরিচালক শেখ মো. রেজাউল ইসলাম, বিসিএস প্রশাসন একাডেমির পরিচালক জাহাংগীর আলম, সাভারের বিপিএসিটির পরিচালক আবদুল বাকী, কৃষি মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের পরিচালক ইকবাল মাহমুদ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মাসুদ করিমকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প পরিচালক আহসান হাবীব তালুকদারকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের যুগ্মসচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রমজান আলীকে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগে ও বেগম সামিনা ইয়াসমিনকে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের পরিচালক মো. মোয়াজ্জেম হোসেনকে বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ কে এম আফতাব হোসেন প্রামাণিককে স্থানীয় সরকার বিভাগে, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের জেনারেল ম্যানেজার বেগম রাশিদা ফেরদৌসকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বদলী করা হয়েছে।

পরের প্রজ্ঞাপনে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ন্যাশনাল ল্যান্ড জোনিং প্রকল্পের পরিচালক শওকত আকবরকে একই মন্ত্রণালয়ের মৌজা ও প্লট ভিত্তিক ডিজিটাল ভূমি জোনিং প্রকল্পের পরিচালক, জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের সদস্য এ বি এম ফজলুর রহমানকে ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের পরিচালক, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিব অশোক কুমার বিশ্বাসকে জাতীয় সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট স্থাপন প্রকল্পের পরিচালক, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের পরিচালক আইয়ুব হোসেনকে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সদস্য, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক নারায়ণ চন্দ্র দেবনাথকে বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের পরিচালক, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মোহাম্মদ জয়নুল বারীকে বাংলাদেশ বিমানের পরিচালক, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব আবু বকর সিদ্দিককে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহজাহান আলীকে জাতীয় কারিকুলাম অ্যান্ড টেক্সট বুক বোর্ডের সদস্য, কামরুল হাসানকে নির্বাচন কমিশনের যুগ্মসচিব, বেগম লায়লা আরজুমান্দ বানুকে বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও এ কে এম আলী আহাদ খানকে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের পরিচালক, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব এ হামিদ জমাদ্দরকে প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন শীর্ষক প্রকল্পের পরিচালক, জাতীয় সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট স্থাপন শীর্ষক প্রকল্পের অতিরিক্ত পরিচালক সৈয়দ তৌহিদুর রহমানকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পরিচালক হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বিডিনিউজ ও ঢাকাটাইমস সম্পাদকের ৫৭ ধারার মামলায় অব্যাহতি

সংবাদ প্রকাশের জেরে ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য দবিরুল ইসলামের করা ৫৭ ধারার মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন বিডি নিউজ২৪ ডটকম সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালেদী ও ঢাকাটাইমস২৪ ডটকম সম্পাদক আরিফুর রহমান। মঙ্গলবার সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. সাইফুল ইসলাম মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করেন। এর মধ্য দিয়েই মামলা থেকে অব্যাহতি পান দুই সম্পাদক।

গত ২৬ নভেম্বর ঠাকুরগাঁওয়ের একটি সংবাদ ঢাকাটাইমস ও বিডি নিউজে প্রকাশিত হয়। ওই সংবাদে সংসদ সদস্য দবিরুল ইসলামের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয় বলে অভিযোগ আনেন তিনি।

 পরে তিনি ২৭ নভেম্বর রাতে ঠাকুরগাঁয়ের বালিয়াডাঙ্গী থানায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (সংশোধন) আইন ২০১৩-এর ৫৭ (১) ধারায় আলাদা দুই মামলা করেন। মামলায় ঢাকাটাইমস ও বিডি নিউজ সম্পাদক ছাড়াও ঢাকাটাইমসের ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি বদরুল ইসলাম বিপ্লবকে আসামি করা হয়।

মামলাটি দীর্ঘ তদন্তের পর বালিয়াডাঙ্গী থানা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। গত ১ আগস্ট আদালত চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি গ্রহণ করে মামলা থেকে আসামিদের অব্যাহতি দেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কালীগঞ্জে স্কুল কলেজে যাওয়া বন্ধ কয়েকশ ছাত্রছাত্রীর, ব্রীজ নির্মানের দাবি

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি : ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে চিত্রা নদীর উপর প্রায় ৯০ ফুট লম্বার একটি বাশের সাকোঁ ভেঙ্গে যাওয়ায় ১৬ গ্রামের কয়েকশ ছাত্রছাত্রীর স্কুল,কলেজে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। দুর্ভোগে পড়েছে সাধারণ ব্যবসায়ী ও জনগন।

উপজেলার রায়গ্রাম ইউনিয়ন ও মালিয়াট ইউনিয়নের মাঝামাঝি (ইছাখালী-বেথুলী) গ্রামে এই সাঁকোটির অবস্থান। সাকোঁটি পানির স্রোতে ভেঙ্গে যাওয়ায় খুব প্রয়োজনে প্রায় ৫ কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে আসতে হচ্ছে জনগনকে। এ ঘটনায় ঐ স্থানে একটি ব্রীজ অথবা সেতু নির্মাণের দাবিতে বিক্ষোভ দেখিয়েছে ঐ এলাকার শিক্ষার্থীরা।

স্থানীয়রা জানান, জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার রায়গ্রাম ও মালিয়াট ইউনিয়নের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া চিত্রা নদীর উপর (ইচেখালী-বেথুলী) যাতায়াদের জন্য একটি সাকোঁকে ব্যবহার করে এলাকার মানুষ।

এই সাকে দিয়ে ইছাখালী,একতারপুর, দেবরাজপুর,জটারপাড়া,ঘোপপাড়া,বনখিদ্দা, ভাটাডাঙ্গাসহ প্রায় ১৬টি গ্রামের শিক্ষার্থী, লোকজন লেখাপড়া কিংবা ব্যবসায়ীক ও প্রয়োজনীয় কাজে যাতায়াত করে। নদীর একপারে বেথুলি বাজার, আবুবকর বিশ্বাস মকছেদ আলী কলেজ, চাপরাইল হাইস্কুল, বিএসবি সম্মিলিথ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, এশিয়ার স্বাক্ষকবৃক্ষ মল্লিকপুরের বটগাছ। এই বাশের সাকো দিয়ে ইছাখালীসহ ঐ এলাকার মানুষ বেশি যাতায়াত করে। শুস্ক ও বর্ষা মৌসুমে নদী পারাপারের জন্য সাকোই তাদের একমাত্র ভরসা। প্রতিবছরই বর্ষার মৌসুম আসলে সাকোটি ভেঙ্গে যায় অথবা তলিয়ে যায়। এ সময় সকলের চলাচল বনধ হয়ে যায়। সেতুদিয়ে চলাচলই তাদের একমাত্র পথ।

ইছাখালী গ্রামের শৈলেন্দনাথ সাহা জানান, প্রতি বছর বর্ষারসময় তাদের বিপদে পড়তে হয়। ইছাখালী-বেথুীর মাঝামাঝি চিত্রা নদীতে একটি সেতু কিংবা ব্রীজ হলে আমাদের জন্য খুব ভালো হয়। কারণ বর্ষার সময় একটি নষ্ট হয়ে যায়। বাধ্য হয়ে আমাদের ৫ কিলোমিটার ঘুরে আসতে হয়।
সাকো দিয়ে যাতায়াতকারী বেশ কয়েজন শিক্ষার্থী জানান, বর্ষার সময় আসলেই সাকোটি পানিতে তলিয়ে কিংবা ভেঙ্গে যায়। এ সময় তাদের চলাচল বনধ হয়ে যায়। বাধ্য হয়ে অনেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার ঘুরে অথবা নৌকায় ঝুকি নিয়ে পার হতে হয়। এখানে তারা স্থায়ী একটি ব্রীজের দাবি জানান।

স্থানীয় বিএসবি সম্মিলিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মন্নুর রহমান জানান, আমার বালিকা বিদ্যালয়ে বেশ কয়েকজন প্রতিবন্ধি ছাত্রী রয়েছে। যারা এই সাকো পার হয়ে ইছাখালী থেকেআসে। এছাড়াও অনেক শিক্ষার্থী,ব্যবসায়ী এই সাকো দিয়ে পারাপার করে। এটি ভেঙ্গে গেলে ও ডুবে গেলে তাদের জন্য সমস্যা হয়ে পড়ে। এখানে তিনি ব্রীজের দাবি তোলেন।

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ছাদেকুর রহমান জানান, বিষয়টি শুনেছি। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলবেন ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মন্ত্রিপরিষদের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব হলেন তারিক

গাজী মিরান : বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গাজী তারিক সালমনকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব হিসেবে পদায়ন করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

গতকাল সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব আলিয়া মেহের স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ কথা বলা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে মোট আট কর্মকর্তাকে পদায়নের কথা বলা হয়েছে।

গত ৭ জুন ইউএনও তারিক সালমনের বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলা করেন বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক (বর্তমানে বহিষ্কৃত) ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ওবায়েদুল্লাহ সাজু। মামলার আরজিতে অভিযোগ করা হয়, আগৈলঝাড়া উপজেলায় স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি বিকৃত করে ছাপা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর বিকৃত ছবি দেখে মর্মাহত হয়ে তিনি পাঁচ কোটি টাকার মানহানির অভিযোগে মামলা করেন।

মামলায় বিবাদী ইউএনও গাজী তারিক সালমনকে সমন দেওয়া হয়। এর পর ১৯ জুলাই আদালতে হাজির হলে তাঁর জামিন না মঞ্জুর করে জেলে পাঠানোর আদেশ দেন জেলার মুখ্য মহানগর বিচারিক হাকিম মোহাম্মদ আলী হোসাইন। প্রায় তিন ঘণ্টা কোর্টহাজতে থাকার পর দুপুরে আবার তাঁকে জামিনে মুক্তির নির্দেশ দেন একই বিচারক।

এ ঘটনার পর সারা দেশে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। টনক পড়ে প্রশাসনের। সমালোচনার মুখে আওয়ামী লীগ ওবায়েদুল্লাহ সাজুকে দল থেকে বহিষ্কার করে এবং তিনি মামলা প্রত্যাহার করে নেন। ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

পাশাপাশি বরিশালের জেলা প্রশাসক (ডিসি) গাজী মো. সাইফুজ্জামান ও বরগুনার ডিসি বশিরুল আলমকে ওএসডি করা হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বিএড স্কেল পাচ্ছেন ৩৩৫ জন, টাইম স্কেল ৭২

নিজস্ব প্রতিবেদক ,জুলাই ৩০:তিনশ পঁয়ত্রিশ জন শিক্ষককে বিএড স্কেল ও মাত্র বাহাত্তর জনকে টাইমস্কেল দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এছাড়াও একশ চৌত্রিশ জনকে পদোন্নতি; তিনশ ছেচল্লিশ জনের এমপিও স্থানান্তর; সংশোধন ৮৯৮ জনের এবং বকেয়া দেয়া হবে ২৭ জনকে।

২৫ জুলাই অনুষ্ঠিত মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের এমপিও কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। বৈঠকে উপস্থিত একাধিক কর্মকর্তা  এ খবর নিশ্চিত করেছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মাদারীপুরে বেসরকারী শিক্ষক-কর্মচারীদের অর্ধ দিবস ধর্মঘট

নিজস্ব সংবাদদাতা, মাদারীপুর ॥ এমপিওভূক্ত বেসরকারী শিক্ষক-কর্মচারীদের ৫ শতাংশ বেতন প্রবৃদ্ধি, বৈশাখী ভাতা, পূনাঙ্গ উৎসব ভাতাসহ শিক্ষা জাতীয়করণের দাবীতে অর্ধ দিবস অবস্থান ধর্মঘট করেছে মাদারীপুরের বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীরা। বুধবার সকাল ১১টা থেকে মাদারীপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে এই ধর্মঘট পালন করেন মাদারীপুর জেলা শিক্ষক সমিতি।

বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি মাদারীপুর জেলা শাখার উদ্যোগে তিন শতাধিক এমপিওভূক্ত বেসরকারী বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারী এই ধর্মঘট পালন করেন। এ সময় তারা নানা দাবী তুলে ধরে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস মিয়া, মাদারীপুর সদর শাখার সভাপতি খলিলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক কাজী ওবায়দুর রহমান, কালকিনির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান, রাজৈরের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, শিবচরের সাধারণ সম্পাদক ওহাব মিয়া, শিক্ষক নেতা মো. জামাল উদ্দিন, মিজানুর রহমান খান, সৈয়দ আকমল হোসেন পিলু প্রমুখ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter