নিউজ

কি খবর? কেমন আছেন, ভালো করে খাবেন : প্রধান বিচারপতিকে রাষ্ট্রপতি

ডেস্ক,২ সেপ্টেম্বর ২০১৭:

শনিবার বঙ্গভবনে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা বঙ্গভবনে পৌঁছান শুভেচ্ছা বিনিময় পর্ব শুরু হওয়ার বেশ খানিকটা পরে। অন্যান্যদের মতো লাইনে দাঁড়িয়ে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সাথে করমর্দন করেন প্রধান বিচারপতি।

সময়ে রাষ্ট্রপতি তাকে বলেন, “কী খবর? কেমন আছেন।” স্বভাবসুলভ আন্তরিক ভঙ্গিতে প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহাকে ঈদের অনুষ্ঠানে ‘ভালো করে খেতে’ বললেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

প্রধান বিচারপতির উত্তরের পর রাষ্ট্রপতি তার স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে বঙ্গভবনের দরবার হল দেখিয়ে বলেন, “ভালো করে খাবেন।” খয়েরি রঙের ‘স্লিম ফিট’ পাঞ্জাবি পরা বিচারপতি সিনহাকে এসময় হেসে দেন।

 

পরে প্রধান বিচারপতি বঙ্গভবনের দরবার হলে যান। শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে আমন্ত্রিত অতিথিদের বঙ্গভবনের দরবার হলে আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়। সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ের পর নির্বাহী বিভাগ ও বিচার বিভাগের রেষারেষির মধ্যে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধান বিচারপতির এই সাক্ষাৎ নিয়ে অনেকেরই ছিল কৌতূহল।

প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে গেলে সেই ছবি নেওয়ার জন্য বেসরকারি টেলিভিশনের ক্যামেরাপার্সনদের ব্যস্ততাও একটু বেড়ে যায়। শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে রাষ্ট্রপতি দরবার হলে ঘুরে অতিথিদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। এসময় অনেককেই তিনি ‘ঠিকমতো খেয়েছেন কি না’ জানতে চান।

এরআগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে সর্বস্তরের মানুষ, দলীয় নেতা-কর্মী, বিচারপতি ও বিদেশী কূটনীতিকদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। প্রধান বিচারপতিও সেই শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বেশ কিছু সময় তিনি প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলেন ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

mtnews24

‘ঘুষ ছাড়া ফাইল নড়ে না’

জেলা প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা: প্রধানমন্ত্রীর অনেক বড় একটা ফেস্টুন ঝুলানো সাতক্ষীরা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে। অথচ এই আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি আর অনিয়মের অভিযোগের যেন শেষ নেই।

এতে পাসপোর্ট করতে আসা গ্রাহকরা পড়েছেন চরম বিড়ম্বনায়। বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছে দিনের পর দিন। কখনো কখনো ঘুষের টাকা নিয়ে দালাল ও গ্রাহকদের মাঝে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। তবে টাকা দিলে কোনো প্রকার ভোগান্তি ছাড়াই পাসপোর্ট হাতে পেয়ে যায় গ্রাহকরা।

সরকারি হিসেব অনুযায়ী সাধারণ পাসপোর্ট করতে ব্যাংকে জমা দিতে হয় ৩৪৫০ টাকা আর জরুরি পাসপোর্টের ক্ষেত্রে দিতে হয় ৬৯০০ টাকা।

এরপর পাসপোর্ট ফরম পূরণ করে পাসপোর্ট অফিসে জমা দিতে হয়। ভোগান্তির শুরু প্রথম ধাপ এখান থেকেই। জমা দিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়ানো। এরপর অনেক কষ্টে জমা দেয়ার পর শুরু হয় ভুল ধরার পালা। যারা ঘুষ দেন না তাদের বিভিন্ন ভুল ধরে ফিরিয়ে দেয়া হয়। বলা হয়, কাগজপত্র ঠিক করে নিয়ে আসেন। এমন অভিযোগ পাসপোর্ট করতে আসা শত শত গ্রাহকদের। তবে ঘুষ দিলেই কাগজপত্র সব ঠিক হয়ে যায়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, সাতক্ষীরা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে অর্ধশতাধিক দালালের। তাদের মাধ্যমে অফিসের একাধিক কর্মকর্তার সাথে চলে গোপন লেনদেন।

পাসপোর্ট প্রতি তাদেরকে দিতে হয় এক হাজার ৫০ টাকা। সেই টাকা সরাসরি চলে যায় প্রধান কর্মকর্তার পকেটে। এভাবে দিনে প্রায় অর্ধলক্ষাধিক টাকা আয় করেন পাটপোর্ট কর্মকর্তা ও তার সহযোগীরা।

তাছাড়া পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিতেও দিতে হয় ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকা। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তারও বেশি। বিভিন্ন অজুহাতে গ্রাহকদের কাছ থেকে পাসপোর্ট অফিসের প্রধান কর্মকর্তা হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা।

দেবহাটা হতে পাসপোর্ট করতে আসা আমিনুল ইসলাম (৫০) নামের এক জন বলেন, সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। এখনও জমা দিতে পারিনি।

ইমরান নামের আরও একজন বলেন, অনেক কষ্টে ফরম জমা দিয়েছিলাম। কিন্তু বিভিন্ন ভুল ধরিয়ে ফরম ফিরিয়ে দিয়েছে। নতুন করে ফরম পূরণ করে আনতে বলেছে।

রহিমা বেগম বলেন, সাধারণ পাসপোর্ট করতে দালালকে দিয়েছি ৫৩০০ টাকা। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সে করে নেবে। দালাল ছাড়া কোনো পাসপোর্ট হয় না। পাসপোর্ট করতে হলে মাধ্যম ধরতে হবে। তাহলে কোনো ভোগান্তি ছাড়াই পাসপোর্ট পাওয়া যাবে।

তবে এসব বিষয়ে সাতক্ষীরা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের প্রধান কর্মকর্তা আবু সাঈদ ঘুষ লেনদেনের বিষয়ে অস্বীকার করে জাগো নিউজকে বলেন, পাসপোর্ট অফিসে কোনো প্রকার দুর্নীতি হচ্ছে না। আমি যোগদানের পর থেকে বদলে গেছে পাসপোর্ট অফিসের চিত্র।

এছাড়া স্থানীয় এক সাংবাদকর্মী রিপোর্ট করায় তাকে পত্রিকা থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সুতরাং আপনি বিষয়টি বুঝতেই পারছেন। ঘটনা কোনো পর্যায়ের। এখানে দালালদের কোনো স্থান নেই। এছাড়া আপনি অন্যান্য সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন বলেও জানান পাসপোর্ট অফিসের প্রধান কর্মকর্তা।

বাসে ধর্ষণ-হত্যা : আরো ২ আসামির জবানবন্দি

নিজস্ব প্রতিবেদক, টাঙ্গাইল :

টাঙ্গাইলের মধুপুরে চলন্ত বাসে তরুণীকে গণধর্ষণের পর হত্যা ঘটনায় গ্রেপ্তার বাসের চালক হাবিব ও সুপারভাইজার সফেদ আলী আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ সময় একজন সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

আজ বুধবার দুপুর আড়াইটা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত টাঙ্গাইলের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আমিনুল ইসলাম, গোলাম কিবরিয়া ও মো. শামছুল হক আলাদাভাবে তাদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মধুপুর থানার উপপরিদর্শক কাইয়ুম খান চৌধুরী।

একই বাসের আরেক হেলপার ময়মনসিংহের লিটন মিয়া ঘটনার সাক্ষী হিসেবে জবাববন্দি দেন। তিনি ঘটনার দুই দিন পর ওই বাসে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ঘটনাটি বাসের স্টাফদের কাছে জানতে পারেন।

এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় একই আদালতে বাসের সহকারী শামীম (২৬), আকরাম (৩৫) ও জাহাঙ্গীর (১৯) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এ নিয়ে গ্রেপ্তার পাঁচ আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিসহ এক সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে।  জবানবন্দি রেকর্ড শেষে বাসের চালক ও সুপারভাইজারকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

জবানবন্দিতে গ্রেপ্তারকৃতরা জানিয়েছেন, ওই দিন বাসে রূপাসহ ছয় থেকে সাতজন যাত্রী ছিলেন। অন্য যাত্রীরা সিরাজগঞ্জ মোড় এবং বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম প্রান্তে নেমে যান। বঙ্গবন্ধু সেতু পার হওয়ার সময় রূপা একাই বাসে ছিলেন। বাসটি টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার কাছাকাছি এলে বাসের সহকারী শামীম জোর করে রূপাকে বাসের পেছনের আসনে নিয়ে যান। এ সময় রূপা তার কাছে থাকা পাঁচ হাজার টাকা ও মোবাইল ফোন শামীমকে দিয়ে দেন এবং ক্ষতি না করতে অনুরোধ করেন। সেই অনুরোধ উপেক্ষা করে শামীম, আকরাম ও জাহাঙ্গীর তাকে ধর্ষণ করেন। রূপা চিৎকার শুরু করলে ধর্ষকেরা তার মুখ চেপে ধরেন। একপর্যায়ে ঘাড় মটকে রূপাকে হত্যা করা হয়। পরে মধুপুর উপজেলা সদর পেরিয়ে বন এলাকা শুরু হলে পঁচিশ মাইল এলাকার রাস্তার পাশে লাশ ফেলে দেওয়া হয়।

রূপার বাড়ি সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার আসানবাড়ি গ্রামে। তিনি বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করে ঢাকা আইডিয়াল ল কলেজে এলএলবি শেষ পর্বে পড়াশোনা করছিলেন। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি শেরপুর জেলায় ইউনিলিভার বাংলাদেশের প্রোমশনাল ডিভিশনে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ ও ওই তরুণীর পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার রূপা বগুড়ায় শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশ নেন। পরে বগুড়া থেকে ময়মনসিংহ যাওয়ার জন্য সন্ধ্যা ৭টার দিকে ছোঁয়া পরিবহনের বাসে ওঠেন। রাত ১০টা পর্যন্ত রূপার সঙ্গে তার বড় ভাই হাফিজুর রহমান প্রামাণিকের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ ছিল। কিন্তু এরপর থেকে রূপার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরের দিন শনিবার কোনো খোঁজ না পেয়ে হাফিজুর ময়মনসিংহ যান এবং ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানায় এ ব্যাপারে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

শুক্রবার রাতে পুলিশ টাঙ্গাইলের মধুপুর বনাঞ্চল থেকে এক অজ্ঞাত তরুণীর লাশ উদ্ধার করে। শনিবার টাঙ্গাইলে ময়নাতদন্ত শেষে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় কবরস্থানে অজ্ঞাত পরিচয় লাশ হিসেবে তা দাফন করা হয়। ওই দিনই পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মধুপুর থানায় হত্যা মামলা করে। লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে হাফিজুর সোমবার রাতে মধুপুর থানায় যান। সেখানে লাশের ছবি দেখে তা বোন রূপার বলে শনাক্ত করেন।

পরে মধুপুর থানা পুলিশ মধুপুর অতিক্রম করার সময় ছোঁয়া পরিবহনের সেই বাসটি আটক করে। এ সময় বাসের চালক হাবিব (৪৫), সুপারভাইজার সফেদ আলী (৫৫), বাসের সহকারী শামীম (২৬), আকরাম (৩৫) ও জাহাঙ্গীরকে (১৯) আটক করা হয়।

রূপার বড় ভাই হাফিজুর বলেন, ‘আমার ছোট বোনটি অতি আদরের এবং আমাদের অহংকার ছিল। আমাদের অনেক আশা ছিল রূপা অনেক ভালো কিছু করবে। সে দেশ-দশের উপকারে আসবে কিন্তু ধর্ষকরা সব শেষ করে দিল।’

তিনি দোষীদের ফাঁসির দাবি জানান এবং এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। তিনি জানান, তারা লাশ উত্তোলনের জন্য আদালতে আবেদন করেছেন।  রূপাকে তারা বাবার কবরের পাশে দাফন করতে চান।

রাষ্ট্রায়ত্ত ছয় ব্যাংকে সাড়ে ৩ হাজার ‘কর্মকর্তা’ নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি

LIVE: কী শাস্তি হতে চলেছে ধর্ষক রাম রহিমের?

ডিজিটাল ডেস্ক: রোহতকের সুনারিয়া জেলকে সোমবার সকাল থেকেই কার্যত দুর্গে পরিণত করা হয়। ডেরা সাচা সওদা প্রধান গুরমিত রাম রহিমের সাজা ঘোষণার আগেই সেখানে মোতায়েন করা হয় সেনার বিশেষ বাহিনী, স্নাইপার, তৈরি করা হয় বাঙ্কারও। রাম রহিমকে ভারতীয় দণ্ডবিধির যে সমস্ত ধারায় দোষী সাব্যস্ত করেছে, তাতে তার ন্যূনতম সাত বছর থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে৷ ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারা (ধর্ষণ) ও ৫০৬ ধারায় (ভয় দেখিয়ে অপরাধ) দোষী সাব্যস্ত হয়েছে ওই ভণ্ড ধর্মগুরু।

৩টো ১০ মিনিট: দু’পক্ষেরই সওয়াল-জবাব শুনছেন বিচারপতি। আর খানিকক্ষণের মধ্যে শাস্তি ঘোষণা করা হবে।

২টো ৩৫ মিনিট: রাম রহিমের উপস্থিতিতেই চলছে শুনানি। ১০ বছরের সাজা চাইতে পারে সিবিআই।

বাড়ছে না ঈদের ছুটি

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৮ আগষ্ট: ঈদুল আজহার ছুটি বাড়ানোর নথি এক মাসের বেশি সময় ধরে চালাচালি হলেও বন্যার কারণ দেখিয়ে এবার ছুটি না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ ছাড়া জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও বিভাগীয় কমিশনারদের ঈদের ছুটিও বাতিল করা হচ্ছে। রোববার বিভাগীয় কমিশনারদের এক সভায় এ বিষয়ে প্রাথমিকভাবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এদিকে দেশে ভয়াবহ বন্যার কারণে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের সব কর্মকর্তা ও কর্মচারীর ঈদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. মোজাম্মেল হক খান বলেন, সারাদেশে যেহেতু বন্যার ফলে (জরুরি অবস্থা) সৃষ্টি হয়েছে। তাই বিভাগীয় কমিশনার, ডিসি, এসপি ও ইউএনওসহ যেন কোনো সরকারি কর্মকর্তা ঈদের ছুটিতে স্টেশন (অফিস) ত্যাগ না করেন সে ব্যাপারে পরামর্শ দেয়া হয়েছে। রোববার বিভাগীয় কমিশনারদের বৈঠকে এ বিষয়ে তাদের সতর্ক করা হয়েছে। বলা হয়েছে, সরকারি কর্মকর্তারা যেন সবসময় সতর্ক থাকেন। তিনি বলেন, চিঠি দিয়ে সব কাজ করা লাগে না। মৌখিকভাবেও কিছু কাজ করতে হয়।
চিঠি দিয়ে নির্দেশনা না দেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যারা নেতিবাচক দিক খোঁজেন তারা এটা নেগেটিভভাবে প্রচার করতেন। তারা বলতেন, দেশের অবস্থা এতটাই খারাপ যে ডিসি, এসপি, ইউএনও ও বিভাগীয় কমিশনারদের ঈদের ছুটিও বাতিল করা হয়েছে। এতে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক কাজ করত। মানুষ মনে করত যে দেশের সড়ক অবস্থা মনে হয় খুবই খারাপ। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীও বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের বলছেন, যেন ভালোভাবে কাজ করা হয়। জনপ্রশাসন থেকেও বলা হচ্ছে। প্রতি মাসে তারা বিভাগীয় কমিশনারদের সঙ্গে বৈঠক করেন, সেখানে বলা হচ্ছে।

ঈদুল আজহার ছুটির বিষয়ে ড. মো. মোজাম্মেল হক খান বলেন, রোববার পর্যন্ত জানেন এবারে ঈদের ছুটি বাড়ানো হচ্ছে না। তবে সোমবার কী হবে তা জানেন না। এটার সাথেও বন্যার সম্পর্ক আছে। তিনি বলেন, তারা ঈদের ছুটি বাড়াতে বলেছেন অন্য কারণে। মানুষ যেন ছুটি ভোগ করতে পারেন। গ্রামেগঞ্জে যারা যাবেন তারা যেন ভালোভাবে যেতে পারেন। তিনদিন ছুটি থাকলে একদিন যেতে, একদিন আসতে চলে যায়। ফলে ঈদের আনন্দ হয় না। তারা মনে করেছিলেন নৈমিত্তিক ছুটি কমিয়ে দিয়ে ঈদের ছুটি বাড়ানো যায়। এতে সরকারের সেবা পাওয়াটাও যেন ঠিক থাকে। এ সময়ে এটা বাস্তবায়ন করা ঠিক হবে না। কারণ সারাদেশে বন্যা হচ্ছে।

জানা যায়, ঈদের ছুটি বাড়িয়ে ছয় দিন করার জন্য গত ২৫ জুলাই প্রস্তাব দেয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। চারটি সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করে ঈদের ছুটি বাড়ানোর ওই প্রস্তাব করা হয়। এ ক্ষেত্রে প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয় গণপরিবহনের ওপর মাত্রাতিরিক্ত চাপকে। দীর্ঘ যানজটের কারণে সৃষ্ট দুর্ভোগ কমানোর জন্য ঈদের ছুটি বাড়ানো দরকার বলে মনে করছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় আরও মনে করে, ঈদের আগে ও পরে সড়ক দুর্ঘটনায় যেসব প্রাণহানি হয় তা লাঘব করা এবং ঈদের পরে অফিস খোলা হলেও কর্মচারীদের অনুপস্থিতি রোধ করার জন্য ঈদের ছুটি বাড়ানো প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো ছুটির প্রস্তাবেও ওই চারটি বিষয় উল্লেখ করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) কবির বিন আনোয়ার বলেন, সারাদেশে বন্যার কারণে ঈদুল আজহার ছুটি বাড়ানো হচ্ছে না। তবে ছুটি বাড়ানোর বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় যে প্রস্তাব দিয়েছে সেটা এই ঈদের পরে বিবেচনা করা হবে।

জানা যায়, জনপ্রশাসনের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ইনোভেশন টিম নৈমিত্তিক ছুটি ২০ দিন থেকে কমিয়ে ১৪ দিন নির্ধারণ করে বাকি ছয় দিন দুই ঈদের ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করা এবং ঈদের ছুটির সঙ্গে ঐচ্ছিক ছুটি বাতিল করার প্রস্তাব দেয়। অন্য ধর্মাবলম্বীদের প্রধান দুটি ধর্মীয় উৎসবেও সরকারি ছুটির সঙ্গে দুই দিন করে চার দিন ঐচ্ছিক ছুটির প্রস্তাব করা হয়।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আবুল কালাম আজাদ বলেন, ঈদের ছুটি বাড়ানোর বিষয়ে ২৫ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ফাইল পাঠানোর পর তা নিয়ে কোনো অগ্রগতি হয়নি। তবে প্রধানমন্ত্রী চাইলে ঈদের আগের দিনও ছুটি বাড়াতে পারেন।

এর আগেও ঈদের ছুটি বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। গত ঈদুল ফিতরের সময় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ছুটি বাড়ানোর প্রস্তাব দিলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বলা হয়েছিল, শুধু ঈদের ছুটি বাড়ানো নয়, অন্য প্রধান ধর্মাবলম্বীদের বড় ধর্মীয় উৎসবের ছুটিও বাড়ানো দরকার। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ওই অভিমত পাওয়ার পর বিষয়টি ইতিবাচক ধরে নিয়েই সংশোধিত প্রস্তাব পাঠায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ঈদুল ফিতরের আগে আর ছুটি বাড়ানোর প্রস্তাবে সায় দেননি প্রধানমন্ত্রী। সেই সময় ছুটি না বাড়ানোর কারণ হিসেবে অর্থবছর শেষ এবং সংসদে বাজেট পাস করার বিষয়টি সামনে আনা হয়েছিল।

উল্লেখ্য, বর্তমানে বন্যাকবলিত জেলাগুলো হচ্ছে_ দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, রংপুর, সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, রাঙামাটি, নীলফামারী, গাইবান্ধা, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, খাগড়াছড়ি, জামালপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, ময়মনসিংহ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, রাজবাড়ী, নওগাঁ, জয়পুরহাট, যশোর, মৌলভীবাজার, ফরিদপুর, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, মাদারীপুর, কুমিল্লা, শেরপুর, নাটোর ও ঢাকা জেলার আশপাশের এলাকা।

আগামী ২ সেপ্টেম্বর ঈদুল আজহা। তাই ঈদের ছুটি থাকছে ১, ২ ও ৩ সেপ্টেম্বর।

‘বাবা’র পালিত কন্যা হানিপ্রীত কি ডেরা-র নতুন দাবিদার? জল্পনা তুঙ্গে

আনন্দবাজার ডেস্ক,২৭ আগষ্ট: ‘বাবা’র ছায়াসঙ্গী ছিলেন তিনি। ডেরা ভক্তরা তাঁকে ‘পাপা’স অ্যাঞ্জেল’ বলে চেনেন এবং মানেনও। তিনি হানিপ্রীত ইনসান। ডেরা সচ্চা সৌদা-র প্রধান গুরমিত রাম রহিম সিংহের তিন মেয়ের মধ্যে অন্যতম। তাঁকেই এখন রাম রহিমের উত্তরসূরি হওয়ার অন্যতম দাবিদার বলে মনে করা হচ্ছে।

হানিপ্রীতের আসল নাম প্রিয়ঙ্কা তানেজা। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। ফেসবুকে তাঁর ভক্তের সংখ্যা নেহাত কম নয়। ৫ লক্ষ। ভক্তদের অনেকে মনে করেন, তাঁর সিদ্ধান্তই ‘বাবা’র সিদ্ধান্ত। হানিপ্রীত রাম রহিমের পালিত কন্যা হলেও বাবার খুবই ঘনিষ্ঠ। আর সে কারণেই নাকি খুব অল্প সময়েই তাঁর উত্থান। হিসারের ফতেহবাদের এক সাধারণ ঘরের মেয়ে প্রিয়ঙ্কা। ১৯৯৯-এ সিরসার এক ডেরা ভক্ত বিশ্বাস গুপ্তের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। সেই সময় থেকেই রাম রহিমের সঙ্গে পরিচয় এবং ঘনিষ্ঠতা। প্রিয়ঙ্কা থেকে তিনি পরিচিত হন হানিপ্রীত নামে। রাম রহিম-ই প্রিয়ঙ্কাকে ওই নাম দেন। ডেরা অনুগামীরা দাবি করেন, ‘বাবা’র কাছে শ্বশুরবাড়ির পণ নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছিলেন হানিপ্রীত। তার পরই নাকি ২০০৯-এ হানিকে দত্তক নেন রাম রহিম। তখন থেকেই বাবা-র ছায়াসঙ্গী হানি।

রাম রহিমের ছায়াসঙ্গী ছাড়াও হানির অন্য একটা পরিচয় আছে। ডেরা অনুগামীদের দাবি, হানি নাকি খুব প্রতিভাবান। খুব অল্প সময়ের মধ্যে কোনও কিছু রপ্ত করে নিতে সিদ্ধহস্ত। সোশ্যাল মিডিয়ায় হানি নিজেকে সমাজসেবী, নির্দেশক, পরিচালক এবং অভিনেত্রী হিসাবেও দাবি করেন। মেয়ের গুণ দেখে ‘বাবা’ও আপ্লুত হয়েছিলেন। ডেরা-র ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, রাম রহিম যখন হানিকে নির্দেশনার জন্য কঠোর পরিশ্রম করতে দেখেছিলেন, তখনই সিদ্ধান্ত নেন মেয়েকে তাঁর একটি ছবি পরিচালনার কাজ দেবেন। আর দিয়েও ছিলেন। ‘মেসেঞ্জার অব গড: দ্য ওয়ারিয়র লায়ন হার্ট’ ছবিতে পরিচালনার কাজ করেন হানিপ্রীত। ২০১৫-য় ওই ছবিতে পরিচালনার পাশাপাশি অভিনয়ও করেন হানি।

দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর রাম রহিমকে যখন গ্রেফতার করে রোহতকে নিয়ে যাওয়া হয়, সে সময়ও হানিকে তাঁর পাশেই দেখা যায়। ডেরা-র উত্তরসূরি নিয়েই তখন থেকেই জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে। তা হলে এ বার কি ডেরা-র হাল ধরবেন হানি? সময়ই বলবে সেটা

 

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সচিব গুলিবিদ্ধ

নিউজ ডেস্ক: মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের (ঢাকা) সচিব শাহেদুল খবির চৌধুরী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। রাজধানীর গুলশান-২ এলাকায় পুলিশের শটগানের গুলিতে তিনি আহত হন।

বৃহস্পতিবার রাতে হোটেল ওয়েস্টিনের সামনে এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর শাহেদুলকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে নেয়া হয়।

 গুলশান থানার ওসি (তদন্ত) মো. সালাউদ্দিন মিয়া  বলেন, এক পুলিশ সদস্যের অসাবধানতার কারণে শটগানের গুলি তার গায়ে লেগেছে বলে শুনেছি। উনি এখন সুস্থ আছেন। আমি এর চেয়ে বেশি কিছু জানি না।
জাগো নিউজ

পঞ্চগড়ে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে লাখো কণ্ঠে শপথ নিলো শিক্ষার্থীরা

পঞ্চঘড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ের মাধ্যমিক ও তদুর্ধ্ব প্রায় দেড় লক্ষ শিক্ষার্থী সামাজিক অভিসাপ বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে একযোগে লাখো কণ্ঠে শপথ গ্রহণ করেছে। একই সাথে তারা সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ ও মাদক প্রতিরোধেও শপথ গ্রহণ করে।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় প গড় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে উৎসব মুখর পরিবেশে জেলার ৩৮৯ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা একযোগে এই শপথ পাঠে অংশ নেয়। এ সময় সামাজিক অভিসাপ বাল্য বিবাহ, সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ ও মাদক মুক্ত দেশ গড়ার লক্ষ্যে দীপ্ত অঙ্গীকার করে শিক্ষার্থীরা। শপথ পাঠ করান নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানেরা।
পঞ্চগড় বিপি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে শপথ পাঠ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার কাজী হাসান আহমেদ। এ সময় অন্যদের মধ্যে প গড় জেলা প্রশাসক অমল কৃষ্ণ মন্ডল, জেল পুলিশ সুপার গিয়াস উদ্দিন আহমদ ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শঙ্কর কুমার ঘোষ উপস্থিত ছিলেন।

বেতাগী শিক্ষিকাকে ধর্ষনের ঘটনায় দামুড়হুদায় শিক্ষকদের স্বারকলিপি প্রদান

দামুড়হুদা প্রতিনিধি : চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলা প্রাথমিক প্রধান ও সহকারী শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে শিক্ষিকাকে পাশবিক নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও স্বরাষ্টমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা রফিকুল হাসানের মাধ্যমে স্বরাষ্টমন্ত্রী বরাবর স্বারকলিপি প্রদান করেন প্রধান শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাস ও উপজেলা সহকারী শিক্ষক সমিতির আহবায়ক হারুন অর রশিদ জুয়েল।
জানা গেছে বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার শিক্ষক ধর্ষনের ঘটনা ডাক্তারি রির্পোটের ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জের এবং ধর্ষনের প্রতিবাদে উপজেলা প্রাথমিক প্রধান ও সহকারী শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে স্বরাষ্টমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। এ সময় বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষক উপস্থিত থেকে সমিতির নেতৃবৃন্দরা স্বারকলিপি প্রদান করে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধান শিক্ষক সমিতির সিনিয়ার সহসভাপতি হেলেনা পারভীন, আরতি হালসানা, সহসভাপতি কুতুব উদ্দীন,খুরশিদা খানম,হারুন অর রশিদ,নারায়ন চন্দ্র পাল, সিরাজুল হক,সহকারী শিক্ষক আল হেলাল রাজা,সফিকুল ইসলাম,মনিরুল ইসলাম,মফিজুর রহমান, সূপর্না দাস,মেরিনা পারভীন,বিল্লাল হোসেন প্রমুখ।
উল্লেখ্য, গত ১৮ আগস্ট বরগুনার বেতাগী উপজেলায় স্কুল ভবনে স্বামীর সামনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন সহকারি শিক্ষিকা গণধর্ষণের শিকার হন। ওই শিক্ষিকার সম্প্রতি ভারতে বিয়ে হয়েছে। তার স্বামী ঘটনার দু’দিন আগে বাংলাদেশে আসেন। ঘটনার দিন স্কুল ছুটির পর স্কুল ভবনে বসে তারা আলাপ করছিলেন। এ সময় বাইরে থেকে কিছু বখাটে তাদের উত্যক্ত করছিলো। এক পর্যায়ে ওই শিক্ষিকা স্কুলের মূল গেট বন্ধ করে দেন। এতে ক্ষুদ্ধ হয়ে বখাটেরা স্কুল ভবনে প্রবেশ করে প্রথমে নববিবাহিত স্বামীকে প্রচন্ড মারধর করে। এতে তিনি রক্তাক্ত হয়ে যান। পরে তার সামনেই ওই শিক্ষিকাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে বখাটেরা।

 

বেতাগী শিক্ষিকাকে ধর্ষনের ঘটনায় চুয়াডাঙ্গায় শিক্ষকদের কালো ব্যাচ ধারন

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি : শ্রেণিকক্ষে শিক্ষিকাকে ধর্ষনের ঘটনায় চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার ১১৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা কালো ব্যাচ ধারন করে পাঠদান করে প্রতিবাদ কর্মসুচি পালন করে। বুধবার সকাল থেকে এ কর্মসুচি পালন করে শিক্ষকরা।
জানা গেছে বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার শিক্ষক ধর্ষনের ঘটনা ডাক্তারি রির্পোটের ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জের এবং ধর্ষনের প্রতিবাদে কেন্দ্রিয় কমিটির প্রধান শিক্ষক সমিতির সিনিয়ার সহসভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ও সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাসের ডাকে জেলার দামুড়হুদা উপজেলার ১১৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা কালো ব্যাচ ধারন করে পাঠদান করে প্রতিবাদ করেছে।
এ ব্যাপারে উপজেলার প্রধান শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাস ও সহকারী শিক্ষক সমিতির উপজেলা আহবায়ক হারুন অর রশিদ জুয়েল বলেন শিক্ষকের ধর্ষনের প্রতিবাদে আগামীকাল বিকাল ৩টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে স্বরাষ্টমন্ত্রী বরাবর স্বারকলিপি প্রদান করা হবে।
উল্লেখ্য, গত ১৮ আগস্ট বরগুনার বেতাগী উপজেলায় স্কুল ভবনে স্বামীর সামনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন সহকারি শিক্ষিকা গণধর্ষণের শিকার হন। ওই শিক্ষিকার সম্প্রতি ভারতে বিয়ে হয়েছে। তার স্বামী ঘটনার দু’দিন আগে বাংলাদেশে আসেন। ঘটনার দিন স্কুল ছুটির পর স্কুল ভবনে বসে তারা আলাপ করছিলেন। এ সময় বাইরে থেকে কিছু বখাটে তাদের উত্যক্ত করছিলো। এক পর্যায়ে ওই শিক্ষিকা স্কুলের মূল গেট বন্ধ করে দেন। এতে ক্ষুদ্ধ হয়ে বখাটেরা স্কুল ভবনে প্রবেশ করে প্রথমে নববিবাহিত স্বামীকে প্রচন্ড মারধর করে। এতে তিনি রক্তাক্ত হয়ে যান। পরে তার সামনেই ওই শিক্ষিকাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে বখাটেরা।

বন্যায় তিন সহস্রাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ

ডেস্ক: মানুষের জীবনযাত্রা, যোগাযোগ ব্যবস্থার পাশাপাশি গত কয়েকদিনের বন্যার প্রভাব পড়েছে শিক্ষা ব্যবস্থায়ও।

এই মৌসুমের দ্বিতীয় দফা বন্যায় সারাদেশের এক হাজারেরও বেশি মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া পানি উঠে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় অর্ধশত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

বিভিন্ন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপপরিচালকদের কাছ থেকে টেলিফোনে প্রাপ্ত তথ্য এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

অধিদপ্তর থেকে পাওয়া তথ্য মতে, দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠদান বন্ধ ঘোষণা করা বিদ্যালয়ের সংখ্যা এক হাজার ১৫টি। আর পানি উঠেছে, ভেঙে গেছে কিংবা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এমন বিদ্যালয় ৪৫টি।

এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে জামালপুর জেলায়। মোট ৩১৩টি বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে জামালপুরে এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১৪টি বিদ্যালয়।

কুড়িগ্রামে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে ২৫৩টি বিদ্যালয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৫টি বিদ্যালয়।

দিনাজপুরে ১১৭টি, সুনামগঞ্জে ১০৭টি, সিরাজগঞ্জে ৭০টি, লালমনিরহাটে ৫৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বন্যার কারণে।

এছাড়া মানিকগঞ্জে ৫টি, মুন্সিগঞ্জে ১টি, শরীয়তপুরে ১টি, রাজবাড়ীতে ২টি, ময়মনসিংহে ১৫টি, নেত্রকোনায় ২০টি, সিলেটে ৬টি, বগুড়ায় ১০টি, নওগাঁয় ১৩টি, পাবনায় ৫টি, জয়পুরহাটে ৫টি, গাইবান্ধায় ১১টি, ঠাকুরগাঁওয়ে ৮টি বিদ্যালয়ে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে শিক্ষা কার্যক্রম।

ঢাকা জেলায় পানি প্রবেশ করেছে ৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। মানিকগঞ্জে নদীতে বিলীন হয়েছে ১টি এবং ভেঙে গেছে ১টি বিদ্যালয়। ফরিদপুরে ২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান  নদীতে বিলীন হয়েছে। গোপালগঞ্জের ৭টি বিদ্যালয়ে পানি উঠেছে।

এছাড়াও ময়মনসিংহে ১টি, নেত্রকোনায় ১টি, সিরাজগঞ্জে ১টি, কুড়িগ্রামে ৫টি ও ঠাকুরগাঁওয়ে ৮টি বিদ্যালয় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এছাড়া বন্যাকবলিত এলাকার প্রায় দুই হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

এর মধ্যে রংপুর বিভাগের আট জেলায় ১ হাজার ৩১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর রংপুর বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক মাহবুব এলাহী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জামালপুরে ৮৭৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। বগুড়ার তিন উপজেলার ৮২টি বিদ্যালয়ে পানি ওঠায় কয়েক হাজার শিক্ষার্থীর পাঠদান বন্ধ রয়েছে।

সিরাজগঞ্জ জেলায় বন্যার কারণে মোট ২১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। জেলা মাধ্যমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১২১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৭০টি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ মোট ১৭১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবনে পানি উঠে পড়েছে।

ফেলে যাওয়া শিশুটির বাবা-মা হতে চেয়ে আদালতে ৮ দম্পতির হট্টগোল

শিশির দাস: রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফেলে যাওয়া অবুঝ ৯ মাসের শিশু ফাতেমার ‘বৈধ অভিভাবকত্ব’ পেতে দাবি জানিয়েছেন ৮ দম্পতি। এদের মধ্যে ২০ লাখ টাকা কিংবা ফ্ল্যাট তার নামে লিখে দিতে চেয়েও অভিভাবকত্ব পেলেন না এক দম্পতি।

বুধবার ঢাকার শিশু আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমানের আদালতে এ নিয়ে চরম হট্টগোল হয়। আদালতে শুনানির সময় আইন ও সালিস কেন্দ্রের আইনজীবী সেলিনা আক্তার শিশুটির নামে পাঁচ লাখ টাকা দিতে চান। তিনি ১৫ বছর ধরে নিঃসন্তান। আদালত তাকে দিতে চাইলে অন্যরা আপত্তি করেন।

এসময় মাজহারুল ও লায়লা দম্পতি ১০ লাখ টাকা দিতে চান। এই দম্পতি আট বছর ধরে নিঃসন্তান।
অন্যদিকে পুলিশের এসআই আবুল কালাম ও নিঝুম দম্পতি ২০ লাখ টাকা অথবা ফ্ল্যাট লিখে দিতে চান। তারাও আট বছর ধরে নিঃসন্তান।

সিলেটের সামছুল আলম গ্রামের বাড়িটি শিশুটির নামে লিখে দিতে চান। তিনি ৩০ বছর ধরে নিঃসন্তান।
সবাই তাদের দাবিতে অনড় থাকায় আদালত এ বিষয়ে শুনানি মুলতবি রেখে আলাদাভাবে নয় দম্পতির সাক্ষাতকার নেন।

পরবর্তীতে সেলিনা দম্পতিকে অভিভাকত্ব দেন আদালত। আদালত আগামী ২২ তারিখের মধ্য শিশুর নামে পাঁচ লাখ টাকা ডিপোজিট করতে বলেন এবং ওই দিনই শিশুটিকে হস্তান্তর করা হবে বলে জানান।
এসময় বঞ্চিত অনেক দম্পতিকে কান্নকাটি করতে দেখা যায়।

এর আগে গত ৯ আগস্ট শিশু ফাতেমার প্রকৃত বাবা-মাকে খুঁজে পায়নি উল্লেখ করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা বিমানবন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবু সাঈদ। প্রতিবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, আদালতের নির্দেশে বিমানবন্দরের ওই দিনের ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়। এতে শিশুটির প্রকৃত বাবা-মাকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। শিশুটির বাবা-মা দাবি করে কেউ লিগ্যাল নোটিশও দেয়নি। এছাড়া শিশুটি হারিয়ে গেছে মর্মে বিমানবন্দর থানায় কেউ জিডিও করেনি।

গত ২৫ জুলাই ঢাকার শিশু আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান ফাতেমার প্রকৃত বাবা-মাকে খুঁজে বের করার নির্দেশ দেন। সেদিন তিনি ৯ আগস্টের মধ্যে শিশুটির প্রকৃত বাবা-মাকে খুঁজে বের করার দিন নির্ধারণ করেন। প্রকৃত বাবা-মাকে খুঁজে না পাওয়া গেলে শিশুটিকে নিতে আগ্রহী কোনো দম্পতিকে বাছাই করে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেয়ার কথা জানানো হয়।

ওইদিন আট দম্পতি শিশুটিকে নিতে আদালতে আবেদন করেন। পরে আরও দুই দম্পতি আবেদন করেন। তাদের মধ্যে সেনা কর্মকর্তা, পুলিশ কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, আইনজীবী ও বিমান বাহিনী কর্মকর্তা রয়েছেন।
দম্পতিরা ছিলেন, ব্যবসায়ী আশিক ওয়াহিদ-শাহনাজ, পুলিশ কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ-নিঝুম আক্তার, একটি তথ্যপ্রযুক্তি ফার্মের কর্মকর্তা মাজহারুল-লায়লা নুর, ব্যবসায়ী আলমগীর-অ্যাডভোকেট সেলিনা আক্তার, ব্যবসায়ী জামাল-শ্যামলী আক্তার, ব্যবসায়ী গোলাম সরওয়ার-দুলশাদ বেগম বিথি, ব্যবসায়ী শামসুল আলম চৌধুরী-শামিমা আক্তার চৌধুরী ও বিমানের কর্মকর্তা আ ক ম আতিকুর রহমান-মোনালিসা দম্পতি।

উল্লেখ্য, গত ৮ জুলাই জর্ডান থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে করে দেশে ফিরছিলেন জয়দেবপুরের স্বপ্না বেগম। একই বিমানে শিশুটিকে নিয়ে তার মাও ফিরছিলেন। স্বপ্না জর্ডানে গৃহকর্মী হিসেবে গিয়েছিলেন। অজ্ঞাতপরিচয় ওই নারীও একই কাজে সেখানে গিয়েছিলেন বলে জানতে পারেন স্বপ্না।

স্বপ্না বিমানবন্দর পুলিশকে জানান, ওই নারীও জর্ডান থেকে একই ফ্লাইটে ফেরেন। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে কাস্টমস থেকে মালপত্র নিয়ে বের হয়ে বিমানবন্দরের পার্কিং এলাকায় স্বজনের জন্য অপেক্ষা করছিলেন স্বপ্না।

এ সময় বিমানে পরিচয় হওয়া শিশুটির মা তাকে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, আপা আমার শিশুটাকে একটু ধরেন। ভেতরে মালপত্র রয়েছে, নিয়ে আসছি। আগে কথা হওয়ায় সরল বিশ্বাসে শিশুটিকে কোলে তুলে নেন স্বপ্না। কিন্তু দীর্ঘসময় অপেক্ষার পরও সেই নারী আর ফেরেননি। পরে স্বপ্না আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্যদের কাছে ঘটনাটি জানালে তারা শিশুসহ স্বপ্নাকে বিমানবন্দর থানায় পাঠায়।

জাতীয় প্রেসক্লাবে শিশু চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

মো: শরীফুল ইসলাম : ১৫ আগষ্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে শিশুদের নিয়ে এক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার(১৫ আগষ্ট) জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
এই প্রতিযোগিতায় ২০ জন শিশু কিশোর অংশগ্রহন করে। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন।
চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মাঝে তিনটি গ্রæপে বিভক্ত করে প্রথম ,দ্বিতীয়, তৃতীয় স্থান নির্ধারণীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
বিভিন্ন গ্রæপে ক গ্রæপ ১। মো: রহিম রহমান, ২। আশফিয়া খান অগ্নি, ৩। ইন্দু লেখা অর্মি। খ গ্রপে ১। মুশফিক আল রাফি, ২। বর্ণিল কাদের, ৩। রাইসা রহমান গ গ্রæপ ১। তালহা যুবায়ের, ২। উথল শেঠ, ৩। সাইদুর রহমান
বাকী প্রতিযোগিদের মাঝে সান্তনা পুরস্কার পদান করা হয়।
নির্বাচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর সমজিত রায় চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন গোলাম সরওয়ার সিনিয়র সদস্য জাতীয় প্রেসক্লাব, আজিজুল ইসলাম ভূঁইয়া জাতীয় প্রেসক্লাবের ব্যবস্থাপানা কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট, জাতীয় প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ কার্তিক চ্যাটার্জী, ঢাকা ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব ওমর ফারুক, প্রেসক্লাবের সদস্য আতিকুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর খান বাবু প্রমুখ।

শোকের দিনেও খোলা ছিল ঢাকায় আমেরিকান স্কুল

বিডিনিউজ : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের দিন জাতীয় শোক দিবসেও খোলা রাখা হয়েছিল ঢাকার আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল স্কুল।

সাধারণ ছুটির দিনে স্কুল খোলা রাখার বিষয়ে বক্তব্য মেলেনি স্কুল কর্তৃপক্ষ ও ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের; এ বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার ‘কর্তৃপক্ষ’ হিসাবে একে অপরকে দেখিয়েছে তারা।

মঙ্গলবার সকাল ১১টার পর বারিধারায় জাতিসংঘ সড়কে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে গেলে ক্লাস চলছে বলে জানান সেখানকার নিরাপত্তাকর্মীরা।

স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা মাসুম জানান, স্কুলটি ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসই চালায়। এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দিলে সেটা দূতাবাস থেকে দেবে।

পরবর্তীতে ভিজিটিং কার্ড পাঠিয়ে স্কুলের মুখপাত্র কিংবা ইনফরমেশন ডেস্কের কারও সঙ্গে কথা বলতে চাইলেও ভেতরে প্রবেশের অনুমতি মেলেনি।

স্কুল কর্তৃপক্ষের এমন বক্তব্যের পর দূতাবাসে যোগাযোগ করা হলে স্কুলের ‘সময়সূচির’ বিষয় স্কুল কর্তৃপক্ষই ঠিক করে বলে জানান ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের মুখপাত্র রেক্স মোসার।

তিনি বলেন, ‘এটা তাদের (স্কুল কর্তৃপক্ষ) একাডেমিক সূচি। এর পরিকল্পনা তারাই করে।’

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter