Home » নিউজ (page 2)

নিউজ

জেলা পর্যায়ে ২৫ শতাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলে দেয়ার প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০:
করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) পরিস্থিতির মধ্যে জেলা পর্যায়ে ২৫ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলে দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন মাঠ পর্যায়ের শিক্ষক-কর্মকর্তারা।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে নিজ নিজ মন্ত্রণালয়কে সিদ্ধান্ত নিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ঘোষণা আসার পর মাঠ পর্যায়ে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শুরু করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তাদের মতামতের ভিত্তিতে ২৭ সেপ্টেম্বর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে সভা করে স্কুল খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বলেন, সারাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো কীভাবে চালু করা যায়, সে বিষয়ে সারাদেশের মাঠপর্যায়ের শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করে পরামর্শ নেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে আমরা বেশ কয়েকটি জেলার শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিয়ম করেছি। তারা বিভিন্ন ধরনের প্রস্তাব দিয়েছেন। অনেকে প্রথম ধাপে জেলা পর্যায়ের ২৫ শতাংশ বিদ্যালয় খুলে দেয়ার প্রস্তাব জানিয়েছেন। আরও অনেক জেলার সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে তারা সে সব পরামর্শ দেবেন, তার আলোকে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর মন্ত্রণালয়ে সভা করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, এরপর সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করে পরিস্থিতি বিবেচনার মাধ্যমে কবে থেকে বিদ্যালয় খোলা যায়, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। বর্তমানে বিদ্যালয়গুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে শিক্ষকদের নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

সূত্র জানায়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে নিজ নিজ মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেবে-মন্ত্রিপরিষদ সচিবের এমন ঘোষণার পর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন এবং সিনিয়র সচিব আকরাম-আল-হোসেন ভিডিও কনফারেন্সে দেশের বিভিন্ন জেলার শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শুরু করেছেন। প্রথম ধাপে রাজধানী ঢাকার স্কুলগুলো না খুলে মফস্বল পর্যায়ের ২৫ শতাংশ স্কুল খোলার পরামর্শ এসেছে। শহরের বিদ্যালয়গুলো বন্ধ থাকালেও এসব শিক্ষার্থী টিভি, রেডিওসহ নানা মাধ্যমে ক্লাস করার সুযোগ পাচ্ছে।

অন্যদিকে করোনা পরিস্থিতির কারণে বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় মফস্বলের শিক্ষার্থীরা পড়ালেখা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে তারা টিভি-রেডিও ক্লাসের সুযোগ পাচ্ছে না। এ কারণে শিক্ষক-কর্মকর্তারা মফস্বল পর্যায়ের ২৫ শতাংশ স্কুল খুলে দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় স্টেশনারি ব্যবসায় ধস

ডেস্ক,২২সেপ্টেম্বর:স্টেশনারি ব্যবসা, দেশে নীরব একটি চলমান ব্যবসা। যাতে কোনও শোরগোল নেই, কিন্তু চাহিদা প্রায় সারা বছরই সমান থাকে। করোনাভাইরাসের কারণে ছয় মাস ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এই ব্যবসাটি প্রায় ধ্বংসের পথে। শুধু তাই নয়, স্টেশনারি পণ্যগুলোর উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত অনেকেই এখন বেকার হয়ে পড়েছেন।

রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে নীলক্ষেত ও পুরান ঢাকার বাবু বাজারের সৈয়দ হাসান আলী লেনের পাইকারি প্রতিষ্ঠান ও কারখানাগুলো ঘুরে দেখা গিয়েছে, খুব একটা হইচই নেই পাইকারি দোকানগুলোতে। মাঝে মধ্যে দু-এক জন ক্রেতা আসছেন আবার কখনও ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকছেন দোকান মালিক ও কর্মচারীরা। কারখানাগুলোও কমিয়েছে লোকবল।

দোকান মালিকদের তথ্য মতে, এই স্টেশনারি ব্যবসায়ে পাইকারি দোকানগুলোতে দিনে এক থেকে দেড় লাখ টাকা বিক্রি হতো। আর খুচরো প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিক্রি হতো ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। কিন্তু করোনার কারণে এখন বিক্রি নেই। বর্তমানে অনেকেই চলছেন ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে। আবার অনেকে দোকান ভাড়াই দিতে পারছেন না। যার ফলে অনেকটাই হতাশা ব্যবসায়ীরা।

নীলক্ষেতের স্টেশনারি ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা খুব করুণ অবস্থায় আছি। বর্তমানে প্রতিদিন ১২-১৩শ’ টাকা বিক্রি হয়। নরমাল সময়ে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা বিক্রি হতো প্রতিদিন। এই ১২-১৩শ’ টাকা বিক্রি করে আমাদের তেমন কিছুই হয় না। দোকান ভাড়া আছে, আমাদের থাকা-খাওয়ার খরচ আছে, বাসা ভাড়া আছে—এমন একটা অবস্থা খাওয়ার পয়সাই উঠে না, ঘর ভাড়া কোথা থেকে দেবো। বর্তমানে আমরা ঋণগ্রস্ত।’

নীলক্ষেতে আরেক ব্যবসায়ী মমিনুর মিয়া বলেন, ‘৬ মাস ধরে ব্যবসা একেবারেই শেষ। এখন যে দোকানের মালামাল দেখছেন, এগুলো নতুন করে ঋণ নিয়ে কেনা। পুরো মার্কেটের বাকি ব্যবসায়ীদেরও একই অবস্থা এখন। স্কুল-কলেজ না খুললে আমাদের ব্যবসা হয় না, স্কুল কলেজের সঙ্গেই আমাদের ব্যবসা। এখন সেই অপেক্ষাতেই আছি।’

স্টেশনারি ব্যবসার পাইকারি ব্যবসায়ীরা বসে আছেন গোমরা মুখে। করোনার সাধারণ ছুটিতে ২ মাস একেবারেই বন্ধ ছিল পাইকারি ব্যবসায়ের মার্কেট। পরবর্তীতে সরকার সব অফিস আদালত খুলে দেয় সীমিত পরিসরে। তখন থেকে শুরু হয় আবারও স্টেশনারি ব্যবসা। তবে স্টেশনারি ব্যবসা জড়িত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে। যার ফলে ব্যবসা শুরু হলেও শুধুমাত্র ব্যবসা ধরে রাখার জন্য মাসের পর মাস পরিচালনা খরচ বহন করতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের।

পুরান ঢাকার বাবু বাজারের সৈয়দ হাসান আলী লেনের পাইকারি আব্দুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘করোনা পরবর্তী সময়টায় আমাদের খুব খারাপ অবস্থা হয়েছে। ব্যবসা ছিল এককেন্দ্রিক। শুধু অফিস-আদালতে মালামাল সাপ্লাই করি এখনও। অন্যদিকে স্কুল, কলেজ ও ইউনিভার্সিটিতে ব্যাপক মালামাল লাগতো সারা বছর, সেই অংশটা এখনও বন্ধ আছে। করোনার আগে আমাদের প্রতিদিন ৮০ থেকে এক লাখ টাকা বিক্রি ছিল। এখন আমাদের বিক্রি হয় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। এদিকে বিদেশি মালামালের জন্য ঋণের চাপ আছে। আমাদের এখন একটাই চাওয়া, সরকারের কাছে স্কুল-কলেজ খুলে দিলে হয়তো আমাদের ব্যবসা আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাবে।’

আরেক ব্যবসায়ীইকরাম হোসেন বলেন, ‘আগে যখন সবকিছু খোলা ছিল তখন অনেক ভালো ব্যবসা হতো। এখন স্কুল বন্ধ, তবে অফিস-আদালত খোলা থাকার কারণে টুকটাক বিক্রি হচ্ছে। এতে করে দোকান ভাড়াটা অন্তত দিতে পারছি। আগেই স্কুলের জন্য খাতা, ডায়েরি, ফাইলসহ অনেক কিছু অর্ডার হতো। এখন এগুলো বিক্রি বন্ধ, সেইসঙ্গে কাজও বন্ধ আছে। আগে ডেইলি এক থেকে দেড় লাখ টাকা বিক্রি হতো, এখন হয় ২০-৩০ হাজার টাকা । বর্তমান অবস্থায় ব্যবসায় কোনও লাভ হচ্ছে না।’

উৎপাদনকারী ইউসুফ আহমেদ বলেন, ‘এই এলাকায় সব মিলিয়ে প্রায় লাখ খানেক কর্মী স্টেশনারি পণ্য উৎপাদনে কাজ করে। কিন্তু সেই কর্মী সংখ্যা এখন প্রায় ৬০ হাজার। বাকিদের বাধ্য হয়ে কাজ থেকে অব্যাহতি দিতে হয়েছে। কারণ নিয়মিত ইনকাম ছাড়া তাদের বেতন দেওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব না।’

তার দেওয়া তথ্যের সত্যতা মিলেছে স্টেশনারি উৎপাদনকারী কারখানাগুলো ঘুরে। স্টেশনারি পণ্যের উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত থাকা কর্মীর সংখ্যা কমেছে। মাসের পর মাস বেতন দিতে না পারায় মালিকরা আর কর্মীদের ধরে রাখতে পারেনি। বাধ্য হয়ে অনেক কর্মীকেই অব্যাহতি দিতে হয়েছে কাজ থাকে। প্রতিটি ১০ জন কর্মীর কারখানায় লোকবল কমেছে বর্তমানে ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ।

ফাইলবক্স তৈরি কারখানার মালিক উজ্জ্বল সরকার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বাবা কী করবো, এখন তো সবাইকে বেতন দিতে পারি না। অর্ডার কম। দীর্ঘ দিন ধরে আমার এই কারখানাটিতে ১০ জন শ্রমিক কাজ করতো। করোনায় দুই মাস বন্ধ ছিল। এখন অর্ডার নাই বললেই চলে। মাত্র ৩ জন নিয়ে কারখানা চালাই। তারপরও অপেক্ষা করতে হয় আরেক অর্ডারের জন্য। আর আগে ১০ জনেও কাজ শেষ করতে পারতাম না।’

স্টেশনারি ব্যবসায়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা এখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার অপেক্ষায়। তাদের আশা স্কুল-কলেজ খুললেই ব্যবসা আবার ঘুরে দাঁড়াবে। মেশিনের শব্দে কারখানা হবে মুখর, আর পাইকারি প্রতিষ্ঠানগুলো আবার জমজমাট হয়ে উঠবে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শপথ নিলেন পিএসসির নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান

ঢাকা,২২ সেপ্টেম্বর: শপথ নিয়েছেন সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান মো. সোহরাব হোসাইন।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সুপ্রিম কোর্ট জাজেস লাউঞ্জে তাকে শপথবাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র সচিব সোহরাব হোসাইনকে গত ১৬ সেপ্টেম্বর পিএসসির চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার।

পিএসসির চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিকের বয়স ৬৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় গত ১৭ সেপ্টেম্বর অবসরে যান। মোহাম্মদ সাদিকের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন সোহরাব হোসাইন।

সোহরাব হোসাইনের নিয়োগের আদেশে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৮(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সোহরাব হোসাইনকে তার অভোগকৃত অবসরোত্তর ছুটি ও তৎসংশ্লিষ্ট সুবিধা স্থগিতের শর্তে জনস্বার্থে পিএসসির চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ প্রদান করেছেন।

তিনি দায়িত্বভার গ্রহণের তারিখ থেকে পরবর্তী পাঁচ বছর মেয়াদে বা তার বয়স ৬৫ বছর পূর্ণ হওয়া- এর মধ্যে যা আগে ঘটে, সে সময় পর্যন্ত কমিশনের চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালন করবেন।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে দায়িত্বে থাকাবস্থায় ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর সিনিয়র সচিব মো. সোহরাব হোসাইন অবসরোত্তর ছুটিতে যান।

২০১৩ সালের ১৩ ডিসেম্বর সোহরাব হোসাইনকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব নিয়োগ দেয় সরকার। পরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ সৃজন করা হলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের দায়িত্ব পান সোহরাব হোসাইন। শিক্ষা সচিব হিসেবে যোগদানের আগে বিসিএস প্রশাসন একাডেমির রেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন সোহরাব।

১৯৮৪ ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা সোহরাব হোসাইন এর আগে জনপ্রশাসন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত সচিববের দায়িত্ব পালন করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যলয়ের বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ছাত্র সোহরাব হোসাইন আওয়ামী লীগ সরকারের প্রথম দফার আমলে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের একান্ত সচিবের (পিএস) দায়িত্বে ছিলেন।

ছাত্রজীবন থেকেই তিনি বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক দল ও নাট্যচক্রের সদস্য ছিলেন। তিনি বাংলা একাডেমির আজীবন সদস্য।

সোহরাব হোসাইন ১৯৬১ সালে নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ভিপি নুরের বিরুদ্ধে আরও এক মামলা

ঢাকা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা হয়েছে। তরুণীকে অপহরণ, এরপর পারস্পরিক সহযোগিতায় ধর্ষণ এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হেয় প্রতিপন্ন করার অভিযোগ আনা হয়েছে মামলাটিতে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় ভুক্তভোগী ওই তরুণী নিজেই বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন বলে জানা গেছে। এছাড়া তিনিই আগের মামলাটিও করেছেন বলে জানা গেছে। এ মামলায়ও ওই ছয়জনকেই পৃথক পৃথক অভিযোগে আসামি করা হয়েছে।

জানা গেছে, মামলাটিতে দুইটি ধারা উল্লেখ করা হয়েছে। একটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন। আরেকটি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন। এছাড়া মামলাটির ছয় আসামি হলেন, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হাসান সোহাগ (২৮), একই সংগঠনের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন (২৮), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরু (২৫), বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাইফুল ইসলাম (২৮), বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের নাজমুল হুদা (২৫) এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহহিল কাফি (২৩)।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বাংলানিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলায় ঘটনার দিনক্ষণ উল্লেখ করা হয়েছে চলতি বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিট থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত। স্থান উল্লেখ করা হয়েছে, কোতোয়ালি থানা এলাকার সদরঘাট হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট।

এর আগে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই শিক্ষার্থীর দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় নুরসহ এই ছয়জনকে আসামি করা হয়। পরে ওই মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলে নামলে ভিপি নুরসহ ছয়জনকে আটক করে পুলিশ। অবশ্য ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

পুলিশ প্রাথমিকভাবে জানায়, বিক্ষোভ মিছিলের সময় বাধা দিলে তারা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ কারণেই তাদের আটক করা হয়।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সরকারি চাকরি প্রার্থীদের বয়স পাঁচ মাস ছাড়, প্রজ্ঞাপন জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক | ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০

বয়স ৩০ বছর পেরিয়ে যাওয়া প্রার্থীদের চাকরির আবেদনে পাঁচ মাসের বেশি সময় ছাড় দিয়েছে সরকার। ২৫ মার্চ যাদের বয়স ৩০ বছর হবে তারা আগস্ট পরবর্তী সময়ের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের সুযোগ পাবেন। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ নির্দেশনা দিয়ে আদেশ জারি করা হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা আদেশে বলা হয়েছে, মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও এর অধীন অধিদপ্তর, পরিদপ্তর, সংস্থা এবং সংবিধিবদ্ধ, স্বায়ত্তশাসিত বা জাতীয়কৃত প্রতিষ্ঠানসমূহ বিভিন্ন ক্যাটাগরি সরকারি চাকরিতে (বিসিএস ব্যতীত) সরাসরি নিয়োগের লক্ষ্যে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থেকে ২৫ মার্চের আগে নিয়ােগের ছাড়পত্র গ্রহণসহ সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করা সত্ত্বেও কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে পারেনি, সে সকল দপ্তরের নিয়ােগ বিজ্ঞপ্তিতে ২৫ মার্চ প্রার্থীদের সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের বিষয়ে প্রয়ােজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয় বা বিভাগকে নির্দেশক্রমে অনুরােধ করা হলাে।

গত ৮ মার্চ প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সার্বিক চলাচলও নিয়ন্ত্রণ করে সরকার। পর্যায়ক্রমে অফিস-আদালত-গণপরিবহন চালু হয়। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। সংক্রমণ প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিয়ে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে চলছে জনজীবন। এ অবস্থায় সরকারি চাকরি প্রত্যাশীদের জন্য সুখবর দিলো সরকার।

এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ২৬ মার্চের পর মার্চ-এপ্রিল-মে-জুন-জুলাই-আগস্ট পর্যন্ত যে সমস্ত মন্ত্রণালয় চাকরির জন্য তাদের বিজ্ঞাপন দেয়ার কথা ছিল কিন্তু দিতে পারেনি তারা আগস্টের পর থেকে বিজ্ঞপ্তি দিচ্ছে। সেই ক্ষেত্রে প্রার্থী যারা থাকবে তাদের জন্য আবেদন চাইবে যে ২৫ মার্চ তাদের বয়স ৩০ বছর হতে হবে। এটুকু দিলে তারা (চাকরি প্রত্যাশী) কনসেশনটা পেয়ে গেল। আবেদনকারীদের জন্য এ সুবিধা গত আগস্ট মাস পর্যন্ত থাকবে জানিয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগস্টের পর তো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি যাচ্ছে। সেপ্টেম্বর মাস থেকে যে বিজ্ঞপ্তিগুলো যাচ্ছে ২৫ মার্চ তার ৩০ বছর হয়ে যাবে। তাহলে আর কোনো সমস্যা হবে না।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মিড ডে মিল প্রশিক্ষণে কতজন বিদেশ যাবেন, জানা নেই প্রতিমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ সেপ্টেম্বর:
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুল ফিডিং কার্যক্রম আরও উন্নত করতে কিছু কর্মকর্তাকে বিদেশ পাঠানো হবে। তবে কতজনকে বিদেশ পাঠানোর প্রস্তাব করা হয়েছে সে তথ্য জানা নেই প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেনের।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয়ে কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “সারাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘মিড ডে মিল’ প্রকল্পের আওতায় শিক্ষার্থীদের দুপুরের খাবার হিসেবে স্বাস্থ্যসম্মত খিচুড়ি খাওয়ানো হবে। বর্তমানে দেশের ১৬টি উপজেলা পাইলটিং হিসেবে প্রায় এক হাজার বিদ্যালয়ে তিনদিন দুপুরে রান্না করা খিচুড়ি শিক্ষার্থীদের খাওয়ানো হচ্ছে। এটি সারাদেশে চালু করতে ১৯ হাজার ২৯০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প প্রস্তাবনা অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।”

প্রস্তাবনায় বিদেশ সফরে ৫০০ কর্মকর্তাকে খিচুড়ি রান্না ও পরিবেশন শিখতে বিদেশ পাঠানোর প্রস্তাবের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্রকল্প পরিকল্পনায় কতজন কর্মকর্তাকে বিদেশ পাঠানোর প্রস্তাব করা হয়েছে, তা আমার জানা নেই। তবে যেসব দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল কার্যক্রম চালু রয়েছে সেখানে কিছু কর্মকর্তাকে দেখে আসার জন্য পাঠানো হবে। আমরা শুধু প্রস্তাব পাঠিয়েছি, সেটি বিচার-বিবেচনা করে অনুমোদনের দায়িত্ব পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ও একনেক সভার সদস্যদের হাতে। তারা যেটি পাস করবেন, সেটি বাস্তবায়ন হবে।’

এদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) প্রাথমিকভাবে ৫০ কর্মকর্তার বিদেশ যাত্রার জন্য পাঁচ কোটি টাকা চেয়েছে। এছাড়া দেশেই প্রশিক্ষণের জন্য আরও ১০ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত এই রান্না করা খাবার বিতরণ কর্মসূচির জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১৯ হাজার ২৮৩ কোটি টাকা। এর আওতায় পাঁচ বছর ধরে প্রায় এক কোটি ৪৮ লাখ শিক্ষার্থীকে পুষ্টিকর বিস্কুট ও রান্না করা খিচুড়ি দেয়া হবে। ৫০৯টি উপজেলার শিক্ষার্থীরা এ খাবার পাবে।

তবে পরিকল্পনা কমিশন এই প্রকল্পের নানাবিধ ব্যয় কমাতে বলেছে। বিদেশ সফরের জন্য দুটি দলে অল্প সংখ্যক কর্মকর্তাকে পার্শ্ববর্তী দেশে পাঠাতে বলা হয়েছে। এছাড়া দেশেও এ ধরনের প্রশিক্ষণের বিষয়ে যৌক্তিকতা কী জানতে চেয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশন জানিয়েছে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ধরনের খাবার বিতরণ নতুন নয়। ডিপিই দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

এদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আকরাম-আল-হোসেন জানিয়েছেন, খিচুড়ি রান্নার প্রশিক্ষণের জন্য নয়, অন্যান্য দেশ স্কুলে মিড ডে মিল (দুপুরের খাবার) কীভাবে বাস্তবায়ন করে, সেক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা অর্জনে বিদেশে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে মোট প্রকল্পের অতি অল্প অর্থ ব্যয় ধরা হয়েছে। এ অর্থ ব্যয় কোনো অপচয় নয় বরং অভিজ্ঞতা অর্জনে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাটা রাখা হয়েছে।

জানা গেছে, পরিকল্পনা কমিশন প্রকল্পের ৫০০ কর্মকর্তাদের বিদেশ যাওয়াসহ বেশকিছু অপ্রয়োজনীয় খরচ চিহ্নিত করেছে। সূত্র জানায়, এ প্রকল্পে সামাজিক সংহতির জন্য সাড়ে সাত কোটি এবং পরামর্শকের জন্য ছয় কোটি টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া আট লাখ টাকা দিয়ে একটি এসি ও দুই কোটি টাকা দিয়ে ফার্নিচার ক্রয়ের বিষয়েও আপত্তি তুলেছে। মিটিং, সেমিনার ও ওয়ার্কশপের জন্য আরও পাঁচ কোটি টাকা চেয়েছে ডিপিই।

ওই প্রকল্পের আওতায় ১৭ হাজার ১৮৬ কোটি টাকা খাবার ক্রয়ের জন্য বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া খাবার সরবরাহের জন্য ১৭ কোটি এবং প্লেট কেনার জন্য ১১৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখার কথা বলা হয়েছে। এ ব্যয় মূল্যায়ন ছাড়াই কমানো সম্ভব বলে মনে করছে পরিকল্পনা কমিশন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

২০ বছর পর জানা গেল গবি রেজিস্ট্রার এইচএসসি পাস

প্রেস বিজ্ঞপ্ত,১৪ সেপ্টেম্বর:

ছাত্রীর সঙ্গে ফোনালাপ ফাঁস হওয়ার ঘটনায় আলোচনায় আসা গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দেলোয়ার হোসেন এইচএসসি পাস। তার অনার্স-মাস্টার্স পাসের সনদ ভুয়া বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সব সদস্যের সম্মতিক্রমে তাকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। গত ২০ বছর ধরে তিনি গবিতে রেজিস্ট্রার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র জনসংযোগ কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ভুয়া শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট দিয়ে ২০০২ সালের ৩ আগস্ট গণবিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেন দেলোয়ার হোসেন। কিন্তু বর্তমান ট্রাস্টি বোর্ড তার আচার-আচরণ দেখে শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন। এ অবস্থায় ট্রাস্টি বোর্ড গোপনে রেজিস্ট্রার মো. দেলোয়ার হোসেনের শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়ে তদন্ত করতে থাকে। খোঁজখবরের এক পর্যায়ে জানতে পারেন গণবিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দেলোয়ার হোসেন ইন্টার পাস। তিনি গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রিধারী ও মাস্টার্স পাসের সনদ দিয়ে গণবিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি নিয়েছেন।

এর আগে, রেজিস্ট্রার দেলোয়ার হোসেন বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের এক ছাত্রী। মোবাইল ফোনে রেজিস্ট্রার তাকে কু-প্রস্তাব দিতেন বলে অভিযোগে বলা হয়।এছাড়াও রেজিস্ট্রার একাধিক নারী শিক্ষককে যৌন হয়রানির করছেন বলে ইউজিসির বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখায় লিখিত অভিযোগ রয়েছে।

লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে গত বছর ৬ নভেম্বর রেজিস্ট্রারের কাছে জানতে চায় ইউজিসি। গত ৭ ডিসেম্বর ইউজিসির চিঠির উত্তর পাঠায় রেজিস্ট্রার। তেব সেই চিঠিতে অভিযোগের কোনো সদুত্তর পায়নি ইউজিসি। এর মধ্যেই শিক্ষার্থীকে হয়রানি করেন রেজিস্ট্রার দেলোয়ার হোসেন। যৌন হয়রানির ওই রেকর্ড ভুক্তভোগী ছাত্রী ইউজিসিতে হস্তান্তর করেছেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ইউএনওকে উন্নত চিকিৎসা দিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০

দুর্বৃত্তদের হামলায় আহত দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমকে উন্নত চিকিৎসা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ বৃহস্পতিবার (০৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে ইউএনও ওয়াহিদা খানমকে দেখতে গিয়ে জনপ্রসাশন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এ কথা জানান। তিনি আরো জানান, হামলকারীরা ইউএনও’র পরিচিত নন।

তিনি বলেন, বাসার সামনের সিসিটিভি ফুটেজে হালকা গড়নের কম বয়সী দুজনকে প্রবেশ করতে দেখা গেছে। তবে তাদের চেহারা অস্পষ্ট, চেনা যাচ্ছে না। তারা ইউএনওকে হাতুড়ি জাতীয় কিছু দিয়ে আঘাত করেছে বলে মনে হচ্ছে।

জড়িতদের গ্রেফতারে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় পুলিশ সুপার আমাদের আশ্বস্ত করেছেন। আশা করছি, দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেফতার সম্ভব হবে। ক্লু পেতে কাজ করছেন তারা।

তিনি বলেন, চিকিৎসাধীন ওয়াহিদা খানমের সেন্স আছে এবং স্পষ্ট কথা বলতে পারছেন। তিনি হামলাকারী কাউকে চেনেন না বলে জানিয়েছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে যান জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী। হাসপাতালে সাক্ষাৎ ও খোঁজখবর নেন।

উল্লেখ্য, বুধবার (০২ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাত ২টার দিকে দুর্বৃত্তরা তাঁর বাসায় ঢুকে ধারালো অস্ত্র ও হাতুড়ি জাতীয় কিছু একটা দিয়ে ইউএনও এবং তাঁর বাবার ওপর হামলা চালায়। ইউএনওর মাথায় গুরুতর আঘাত এবং তাঁর বাবাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরে আজ বৃহস্পতিবার তাঁকে ঢাকায় আনা হয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এমপিওভুক্ত পাঁচ লাখ শিক্ষকের বেতন মোবাইল ব্যাংকিংয়ে মাধ্যমে

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩০ আগষ্ট:
এমপিওভুক্ত প্রায় পাঁচ লাখ শিক্ষকের বেতন মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। বেতন পাওয়ার বিষয়টি সার্বিকভাবে দ্রুত, সহজ ও ব্যাংক থেকে টাকা তোলার ঝামেলা এড়াতেই এমন পরিকল্পনা। এতে সরকারের ব্যয় হবে ২০০ কোটি টাকা। আর সুবিধাটি পেতে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মোবাইল ব্যাংকিংয়ে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। অ্যাকাউন্টের তালিকা যাচাই-বাছাই করে সরাসরি ওই মোবাইল অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাবে অর্থ মন্ত্রণালয়। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতনের টাকা পাওয়ার বিষয়টি আরো দ্রুত ও সহজ করার পরিকল্পনা হচ্ছে। সে লক্ষ্যে বেতন মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পাঠানোর বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে। এটা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় ও আমরা এ নিয়ে কাজ করছি।’

অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘আমরা এরই মধ্যে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বিভিন্ন ভাতা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছি। এবার এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন দেওয়ার বিষয় নিয়ে কাজ চলছে।’

সূত্র মতে, গত অক্টোবরে নতুন করে দুই হাজার ৭৩০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়েছে। এ নিয়ে সর্বমোট প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকের সংখ্যা প্রায় চার লাখ ৯৬ হাজার। তাঁরা সরকার থেকে মূল বেতনের সঙ্গে বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ব্যয় মিলিয়ে এক হাজার ৫০০ টাকা পান।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আমি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব সমর্পণ করে সিঙ্গাপুরের নাগরিকত্ব নিয়েছি

ডেস্ক,২৯ আগষ্ট:
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্যোগে দেশে করোনাভাইরাসের অ্যান্টিবডি টেস্টের উদ্ভাবক দলের প্রধান অণুজীব বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল বর্তমানে আর গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত নন। নাগরিকত্ব জটিলতায় পড়েছেন তিনি। জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক হলেও বর্তমানে তিনি বাংলাদেশের নাগরিক নন। বাংলাদেশের নাগরিকত্ব সমর্পণ করে সিঙ্গাপুরের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন তিনি।

এদিকে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, ড. বিজন কুমার শীল যুক্ত না থাকলে গণস্বাস্থ্যের ১০ কোটি টাকা ক্ষতি হবে।

অণুজীব বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল বলেন, ‘আমার আদি বাড়ি ও জন্ম বাংলাদেশে। তবে আমি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব সমর্পণ করে সিঙ্গাপুরের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছি। তিন বছরের চুক্তিতে গণবিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হিসেবে ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে বাংলাদেশে এসেছিলাম। গত ১ জুলাই ওই ভিসার মেয়াদ শেষ হয়েছে। ভিসার মেয়াদ বাড়াতে আবেদন করেছি। তবে বাংলাদেশ সরকার এখনো সেটি বাড়ায়নি। পরে ট্যুরিস্ট ভিসা নিয়ে ট্যুরিস্ট হিসেবে বাংলাদেশে অবস্থান করছি। এ অবস্থায় গণবিশ্ববিদ্যালয় বা গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে পারি না। আর গণবিশ্ববিদ্যালয়ও আমার সঙ্গে চুক্তি বাতিল করেছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমি এখন ট্যুরিস্ট হিসেবে এখানে আছি। এ অবস্থায় এ দেশে গবেষণা, শিক্ষকতা বা অন্য কোনো কাজে যুক্ত থাকতে পারি না। বিষয়টি ফয়সালা হলে তখন দেখা যাবে।’ এদিকে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘বিজন কুমার শীলের মতো একজন বিজ্ঞানীকে আমার প্রতিষ্ঠানে রাখার মতো আর্থিক সামর্থ্য ছিল না বলে আগে আমি তাঁকে রাখতে পারিনি। এবার অ্যান্টিবডি কিট উদ্ভাবনে তিনি সব কিছু করেছেন। তাঁকে গণস্বাস্থ্য থেকে বাদ দেওয়া হয়নি। তিনি এখনো গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং গণবিশ্ববিদ্যালয়ে আছেন। আমার সঙ্গে তাঁর কোনো ধরনের বিরোধ বা দূরত্বও তৈরি হয়নি। কোনো মহল হয়তো বিষয়টি অন্যভাবে দেখছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘নাগরিকত্ব জটিলতায় গণস্বাস্থ্যের অ্যান্টিবডি ও অ্যান্টিজেনের কাজ অনেক পিছিয়ে গেছে। এটি করা না গেলে গণস্বাস্থ্যের ১০ কোটি টাকা ক্ষতি হবে। আর সাধারণ মানুষের ক্ষতি হবে আরো অনেক বেশি। সরকার বিদেশি কিট আমদানির অনুমতি দিলেও আমাদের কিটের অনুমতি দিচ্ছে না।’সূত্র: কালের কণ্

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

চুয়াডাঙ্গায় করোনায় প্রাণ গেল আ’লীগ নেতার

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি,২৮ আগষ্ট:
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় আসাবুল হক ঠান্ডু নামে এক আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকালে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

আসাবুল আলমডাঙ্গা উপজেলার ভাংবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের নির্বাচিত সদস্য ছিলেন।

রাতেই তার লাশ উপজেলার বড়বোয়ালিয়া গ্রামে নিজ বাড়িতে নেয়া হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

‘স্কুলের এ ভবন টিকবে কতদিন’

জাগো নিউজ:

শরীয়তপুর সদর উপজেলার রুদ্রকর ইউনিয়নের রুদ্রকর নীলমনি উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি চারতলা ভবন নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এতে ভবনের স্থায়ীত্ব নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। এলাকাবাসী বলছে, যেসব সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে এবং যে পরিমাণে ব্যবহার করা হয়েছে তাতে যেকোনো সময় ছাদ ও ওয়াল ভেঙে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। তখন এর দায়িত্ব কে নেবে?

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ৩ অক্টোবর পর্যন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৭ আগস্ট , ২০২০

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি ৩ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। করোনাভাইরাস মহামারি ঠেকাতে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব স্কুল-কলেজ-মাদরাসা, বিশ্ববিদ্যালয় ও কোচিং সেন্টার বন্ধ রয়েছে। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কথা ছিল। সেই ছুটি বৃদ্ধি ৩ অক্টোবর পর্যন্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোহ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে ছুটির এই নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছে।

এই সময়ে কওমি মাদরাসা ছাড়া দেশের সব প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কারিগরি, মাদরাসা, বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব রকমের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। কোচিং সেন্টারও বন্ধ থাকবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ সৃষ্টি!

অনলাইন রিপোর্টার,২৭ আগষ্ট ॥ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেছেন, দেশের ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ সৃষ্টির প্রক্রিয়া চলছে। তাদের ১২তম গ্রেডে বেতন দেয়া হবে। সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিককে এসব কথা বলেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতন ১১তম ও সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১৩তম গ্রেডে উন্নীত করা হয়েছে। আর ৬৫ হাজার ৬২০টি বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ সৃষ্টির প্রক্রিয়া চলছে, যাদের ১২তম গ্রেড দেয়া হবে। আগামী দিনে শিক্ষকদের বেতন গ্রেড আরো উন্নয়ন করা হবে।

শিক্ষক নিয়োগের ব্যাপারে জাকির হোসেন বলেন, দুই বছর মেয়াদি প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালুর ব্যাপারে সম্মতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নতুন জাতীয়করণকৃত ২৬ হাজার ১৯৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সমানসংখ্যক সহকারী শিক্ষকের পদ সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া শূন্য পদ মিলিয়ে শিগগিরই ৪০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মেজর জেনারেল (অব.) সি আর দত্ত আর নেই

ডেস্ক,২৬ আগস্ট:
মুক্তিযুদ্ধকালীন চার নম্বর সেক্টরের কমান্ডার মেজর জেনারেল (অব.) সি আর (চিত্তরঞ্জন) দত্ত, বীর উত্তম আর নেই। গতকাল সকাল ৯টার দিকে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান এই বীর মুক্তিযোদ্ধা। তার বয়স হয়েছিল ৯৩ বছর। তিনি বার্ধক্যজনিত জটিলতা সহ বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। তিনি দুই মেয়ে ও এক ছেলে রেখে গেছেন। মেজর জেনারেল (অব.) সি আর দত্তের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এক শোকবার্তায় প্রেসিডেন্ট সি আর দত্তের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। শোকবার্তায় তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে মেজর জেনারেল (অব.) সি আর দত্তের ভূমিকা জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

সি আর দত্তের মৃত্যুতে পৃথক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধে তার অসামান্য অবদান দেশ ও জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে চিরদিন স্মরণ রাখবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter