নিউজ

দেশে ২৭ লাখের কম বেকার

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) জানিয়েছে, বাংলাদেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর আড়াই শতাংশেরও কম কর্মসংস্থানের বাইরে। বেকারের সংখ্যা ২৭ লাখেরও কম।

মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিসংখ্যান ভবনে বিবিএস পরিচালিত ২০১৬-১৭ অর্থবছরের শ্রমশক্তি জরিপ প্রকাশ করা হয়। এ জরিপে উল্লিখিত তথ্য জানানো হয়।

পরিসংখ্যান ব্যুরোর করা শ্রম জরিপের প্রতিবেদনে দেখা যায়, মানুষের কাজের ধরণ অনুযায়ী বাংলাদেশে কর্মক্ষম মানুষ ১০ কোটি ৯১ লাখ। এদের মধ্যে বেকার ২৬ লাখ ৮০ হাজার। কৃষিতে কর্মসংস্থান ২৩ শতাংশ (২৪ দশমিক ৭ মিলিয়ন), ইন্ডাস্ট্রি সেক্টরে ১১ শতাংশ (১২ দশমিক চার মিলিয়ন), সার্ভিস সেক্টরে ২২ শতাংশ (২৩ দশমিক সাত মিলিয়ন) এবং অনান্য সেক্টরে ৪২ শতাংশ (৪৫ দশমিক ৫ মিলিয়ন)।

জরিপ অনুযায়ী, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ১৩ লাখ মানুষ চাকরি পেয়েছেন। একই সময়ে বিদেশে চাকরি হয়েছে আরো ১০ লাখের। এর বাইরে ১৪ লাখ মানুষ আগে বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করলেও এই সময়ের মধ্যে মজুরির আওতায় এসেছেন। সব মিলিয়ে ওই অর্থবছরের মোট ৩৭ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।

অনুষ্ঠানে জরিপের ফলাফল তুলে ধরেন প্রকল্প পরিচালক কবির উদ্দিন আহমদ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

২৮২ কোটি ৫৩ লাখ টাকার ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন

বিশেষ প্রতিবেদক :

দেশের ১৫৬টি উপজেলা সদরে স্থাপিত ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের আধুনিকায়নের জন্য ২৮২ কোটি ৫৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩২ ধরনের অগ্নি নির্বাপনী ও উদ্ধার সাজ-সরঞ্জাম ক্রয় করছে সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগের এ সংক্রান্ত একটি ক্রয় প্রস্তাবসহ মোট ৬টি ক্রয় প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এসব প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে কমিটির সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজুর রহমান বৈঠকে অনুমোদিত প্রস্তাবগুলোর বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

অতিরিক্ত সচিব বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগের আওতায় ফায়ার সর্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘দেশের গুরুত্বপূর্ণ ১৫৬টি উপজেলা সদরে ফায়ার ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন স্থাপন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ৩২ ধরনের অগ্নি নির্বাপনী ও উদ্ধার সাজ-সরঞ্জাম ক্রয়ের একটি প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। এতে ব্যয় হবে ২৮২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। বেশ কয়েকটি লটে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এসব পণ্য সরবরাহ করবে।

তিনি বলেন, আজকের বৈঠকে সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ৭৪৪৮ পিস তাঁবু কেনার একটি প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ৫৯ কোটি টাকা ব্যয়ে তিনটি লটে কম্পিউটার ওয়ার্ল্ড বিডি ও জেএসএম করপোরেশন এ তাঁবু সরবরাহ করবে।

মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ  মন্ত্রণালয়ের ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৩০১৯ টন ডেউটিন ক্রয়ের একটি প্রস্তাবেও অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। এজন্য ব্যয় হবে ৪১ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। ৩টি লটে জয় এন্টারপ্রাইজ, ফাউন্ডি ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, জেভি এন্টারপ্রাইজ এই ঢেউটিন সরবরাহ করবে।

খুলনা জোনের কুষ্টিয়া শহর বাইপাস সড়ক নির্মাণ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ৬ দশমিক ৬০ কিলোমিটার কুষ্টিয়া শহর বাইপাস সড়ক নির্মাণ, একটি রেলওয়ে ওভারপাস একটি পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ, ২১টি আরসিসি বক্স নির্মাণ ও অন্যান্য কাজের প্যাকেজের ভেরিয়েশন প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। এ প্যাকেজের  ভিত্তি মূল্য ছিল ৭১ কোটি ২৬ লাখ টাকা। এই প্রকল্পে অতিরিক্ত কাজ হওয়ায় প্রকল্পে ব্যয় ৮ কোটি ৬৫ লাখ টাকা বেড়েছে। ফলে প্রকল্পের মোট ব্যয় হবে ৭৯ কোটি ৯২ লাখ টাকা।

এছাড়া সভায় ‘বাংলাদেশ রেলওয়ের পাঁচুরিয়া-ফরিদপুর-ভাঙ্গা সেকশন পুনর্বাসন ও নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় সম্পাদিত চুক্তিপত্র নম্বর-বিআর/ ডাব্লিউজেড/প্যাকেজ ডাব্লিউডি-২/এফডিপি-ভাঙ্গা, প্যাকেজে ফরিদপুর-কুকুরিয়া-ভাঙ্গা সেকশনে বিভিন্ন কাজের দ্বিতীয় ভেরিয়েশনের একটি প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। কাজের মূল বরাদ্দ ছিল ১২৮ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। অতিরিক্ত ৩৬ কোটি ৬৫ লাখ টাকার কাজ হওয়ায় প্রকল্পের মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ১৬৫ কোটি ৯ লাখ টাকা।

এছাড়া রাজউক এর পুর্বাচল প্রকল্পের মাটি ভরাট কাজের একটি ভেরিয়েশন প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে মোস্তাফিজুর রহমান জানান। তিনি বলেন, প্রকল্পটিতে মাটি ভরাটের জন্য ২৮৯ কোটি ৮৬ লাখ টাকা বরাদ্দ ছিল। প্রকল্পে ১৯ কোটি ৮ লাখ টাকার কাজ বেড়ে মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৩০৮ কোটি ৯৮ লাখ টাকা।

এর আগে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) কর্তৃক ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রাশিয়া, বেলারুশ ও কানাডা থেকে এমপিও এবং সৌদি আরব থেকে ডিএপি সার আমদানির লক্ষ্যে চুক্তির নবায়ন সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে শ্রম অধিদপ্তরের আওতায় পিপিপির মাধ্যমে চাষাড়ায় একটি হাসপাতাল বাস্তবায়নের নিমিত্তে শ্রম অধিদপ্তর এবং এএফসি হেলথ লিমিটেড ও ফর্টিস হেলথকেয়ার লিমিটেডের মধ্যকার লিগ্যাল বেটিংপ্রাপ্ত চুক্তিপত্রটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রশ্ন ফাঁসের তীর বিজি প্রেসের দিকে

নিজস্ব প্রতিবেদক,২০ মার্চ:পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের তীর বিজি প্রেসের দিকে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন উচ্চ আদালতের নির্দেশে গঠিত প্রশাসনিক কমিটির সদস্যরা। এ প্রতিষ্ঠানকে নতুনভাবে সংস্কারের সুপারিশের প্রস্তাব দেয়ার চিন্তা করা হচ্ছে। প্রশ্ন ফাঁসের প্রেক্ষিতে গঠিত এ কমিটির তৃতীয় দফার বৈঠক শেষে একাধিক সদস্য এমন মন্তব্য করেন।

কমিটির প্রধান ও বুয়েটের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ জাগো নিউজকে বলেন, রোববার আমাদের তৃতীয়বারের মতো বৈঠক হয়েছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ড ও বিজি প্রেস পরিদর্শন করে যেসব ক্রটি ধরা পড়েছে তা নিয়ে আলাপ-আলোচনা করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের পর্যবেক্ষণে যেসব সমস্যা ধরা পড়েছে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা সার্বিক প্রচেষ্টা করছি যাতে প্রশ্ন ফাঁসের প্রধান জায়গাগুলো শনাক্ত করা যায়। এসব বিষয়ের উপর মূল্যায়ন করে আমরা কয়েকটি প্রস্তাব তুলে ধরে যথাসময়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেব। সেসব বিবেচনা করে তা বাস্তবায়ন করা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।

প্রশ্ন ফাঁসের প্রধান কেন্দ্র বিজি প্রেস হতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্ন তৈরি করতে এ প্রতিষ্ঠানের ২৫০ জনের মতো মানুষ কাজ করেন। এটি একটি বড় সমস্যা হিসেবে আমাদের কাছে চিহ্নিত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় এমন গোপন কাজগুলো দীর্ঘ সময় ধরে বিজি প্রেসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নাড়াচাড়া করে থাকেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিচারপতি, মন্ত্রী, সংসদ সদস্য হয়েও ঘুষ আদায় ও নানা ধরনের অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। সেখানে সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অনিয়ম করবে না কেন? প্রশ্ন ফাঁসের জন্য অভিভাবকদের দোষ দেয়া হচ্ছে। কেউ প্রশ্নপত্র হাতে পেলে আরেকজন তা পাওয়ার চেষ্টা করতেই পারে। জিপিএ-৫ পাওয়ার আশায় অর্থ দিয়েও অনেক অভিভাবক সন্তানদের মঙ্গলের কথা ভেবে পরীক্ষার আগেই প্রশ্ন সংগ্রহ করছেন। আগেই যদি প্রশ্ন পাওয়া যায় তবে কেন তারা তা সংগ্রহ করবেন না। তার আশপাশের অনেকে তা করছেন, তিনি কেন করবেন না প্রশ্ন তোলেন তিনি।

কায়কোবাদ বলেন, সন্তান ভালো ফলাফল না করলেও ভালো কোন প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ পাবে না। সে কারণে অভিভাবকদের দোষারোপ করে লাভ নাই। অযাচিতভাবে এটি ঘটে যাচ্ছে বরং কেউ যাতে প্রশ্ন ফাঁস করতে না পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে। ২৭ মার্চ এ কমিটি শেষ বৈঠকে বসবেন। কার্যকরী পরামর্শ প্রদানের মাধ্যমে স্থায়ীভাবে প্রশ্ন ফাঁস রোধ করতে হবে। আগামী ৫ এপ্রিলের মধ্যেই এ তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেবেন বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, চলতি শিক্ষাবর্ষের এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠে। ১২টি বিষয়ের প্রশ্ন ফাঁস হয় বলে অভিযোগ আছে। এরপর উচ্চ আদালতে এক রিটের প্রেক্ষিতে দুটি কমিটি গঠন করা হয়। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি বিচারিক এবং প্রশাসনিক নামে এ দুটি কমিটি গঠিত হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শেখ হাসিনা বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন রিপোর্টার ॥ আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন গবেষণা সংস্থা দ্য স্ট্যাটিসটিক্স শেখ হাসিনাকে বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করেছে। দ্য স্ট্যাটিসটিক্সের গবেষণায় এ মনোনয়ন দেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছে মন্ত্রিসভা।

আর এ স্বীকৃতিকে সরকারের অর্জন হিসেবে মন্তব্য করে জনগণকে উৎসর্গ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণ আস্থা রেখেছে বলেই এ অর্জন সম্ভব হয়েছে। তবে বাংলাদেশের এই অর্জন অনেক আগেই সম্ভব হতো বলে মনে করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ’৭৫ এর ১৫ আগস্ট না এলে বাংলাদেশ আরো আগেই লক্ষ্য অর্জন করতে পারত। এদিন জাতিসংঘের উন্নয়নের সব সূচকে বাংলাদেশ তার লক্ষ্য পূরণ করে এগিয়ে আছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

এদিকে উন্নয়নের সব সূচক পূরণ করে এখন উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে যাত্রা শুরু করেছে বাংলাদেশ। এ অর্জনে সোমবার অভিনন্দন প্রস্তাব গ্রহণ করে মন্ত্রিসভা। বলা হয়, এই ধারাবাহিকতা আরো ছ’বছর অব্যাহত থাকলে ২০২৪ সালে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে চূড়ান্ত স্বীকৃতি পাবে বাংলাদেশ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পার্বতীপুরে স্কুল শিক্ষকের আত্মহত্যা

স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর ॥ দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার ২নং মনমথপুর ইউনিয়নে বাসিন্দা তোবারক হোসেন (৩৮) একজন প্রাথমিকের শিক্ষক। পারিবারিক কলহের জেরে ৪ পাতা ঘুমের টেবলেট খেয়ে সোমবার সকাল ১১টায় আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে। তোবারক মুন্সিপাড়া গ্রামে মৃত ইব্রাহিম সরকারের ছেলে।

পরিবার ও প্রতিবেশী সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার রাতে তোবারক মাষ্টার দেরিতে বাড়ি ফিরলে স্ত্রী লাকি বেগম সন্দেহজনকভাবে জানতে চায় এতো রাতে সে কোন বাড়ি থেকে আসছে। এরপর শুক্রবার গভীররাতে তোবারক হোসেন শারীরিক যন্ত্রনায় ছটফট করতে থাকলে স্বজনরা তাকে দ্রুত দিনাজপুরে এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকালে তোবারক মাষ্টারের মৃত্যু হয়।

এ ব্যপারে পার্বতীপুর থানায় যোগাযোগ করা হলে কর্তব্যরত দারোগা জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তারা কোন অভিযোগ পাননি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষা সনদ গলায় ঝুলিয়ে রাস্তা ঝাড়ু দেওয়ার অভিনব প্রতিবাদ কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৮মার্চ:
ঢাকা: মামলা প্রত্যাহার ও কোটা সংস্কারের দাবিতে আবারও বিক্ষোভ মিছিল করেছে কোটা সংস্কারের পক্ষের আন্দোলনকারীরা। একই সঙ্গে ২৫ মার্চ তারা শিক্ষা সনদ গলায় ঝুলিয়ে রাস্তা ঝাড়ু দেওয়ার কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন।

রোববার সকাল ১০টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন আন্দোলনকারীরা।

মিছিলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীরা অংশ নেন। পরে মিছিলটি শাহবাগ থেকে রাজু ভাস্কর্য হয়ে নীলক্ষেত মোড় হয়ে ফের রাজু ভাস্কর্যের সামনে অবস্থান নেয়।

এ সময় আন্দোলনকারীরা কোটাবিরোধী স্লোগান দেন এবং শাহবাগ থানায় তাঁদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি তোলেন। সেখানে বক্তব্য দেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।

এ ছাড়া নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন আন্দোলনকারীরা। ২৫ মার্চ তারা গলায়, কাঁধে বা হাতে সব শিক্ষা সনদ নিয়ে রাজু ভাস্কর্য থেকে শহীদ মিনারে যাওয়ার রাস্তা ঝাড়ু দিয়ে পরিষ্কার করবেন। আন্দোলনকারীরা জানান, অহিংস প্রতিবাদ হবে। এভাবেই তারা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ চান।

আন্দোলনকারীদের পাঁচ দফা দাবি হলো কোটাব্যবস্থা সংস্কার করে ৫৬ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে নিয়ে আসা, কোটায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে মেধা থেকে শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়া, কোটায় কোনো ধরনের বিশেষ পরীক্ষা না নেওয়া, সরকারি চাকরিতে সবার জন্য অভিন্ন বয়সসীমা এবং চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় কোটাসুবিধা একাধিকবার ব্যবহার না করা।

১৪ মার্চ কোটা সংস্কারের দাবিতে চাকরিপ্রত্যাশীদের বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ ও লাঠিপেটা করে। পাঁচ দফা দাবি নিয়ে বিক্ষোভকারীরা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি দিতে গেলে হাইকোর্ট মোড়ে পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়।

একপর্যায়ে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ে ও লাঠিপেটা করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এতে অনেকে আহত হন। সেখান থেকে পুলিশ পাঁচজনকে আটক করে। পরে আটক হওয়া শিক্ষার্থীদের ছাড়িয়ে আনতে গেলে আরও ৫০ জনকে আটক করে রমনা থানার পুলিশ।

এর প্রতিবাদে ওই দিন সন্ধ্যায় আন্দোলনকারীরা বিক্ষোভ মিছিল করলে একপর্যায়ে তাদের দাবির মুখে পুলিশ আটক হওয়া শিক্ষার্থীদের ছেড়ে দেয়।

পরদিন পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি কাজে বাধা এবং গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত ৭০০ থেকে ৮০০ শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় মামলা করে পুলিশ।

শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মির্জা মো. বদরুল হাসান বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

স্থানীয় সরকারে জাফর, মালেক তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব

নিজস্ব প্রতিবেদক : পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাফর আহমেদ খানকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে। অন্যদিকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব আবদুল মালেককে তথ্য মন্ত্রণালয়ে সচিব হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ রদবদল করে আদেশ জারি করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) কবির বিন আনোয়ারকে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

এছাড়া তথ্য মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ বদলি করে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে নেয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. নুরুল আমিন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব হয়েছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির কমিটির সভা

মেহেরপুর প্রতিনিধি :

বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির কমিটির   মেহেরপুর জেলা শাখার সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১ টাই  মেহেরপুর বিএম মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের  মেহেরপুর জেলার সদর,মুজিবনগর ও গাঙনী উপজেলার  প্রধান শিক্ষকদের নিয়ে সভা অনুুষ্ঠিত হয়।

সভায় আবু জাহিদের সভাপতিত্বে  ও প্রধান শিক্ষক তালিমের  সঞ্চালনায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরুপ দাস, সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক কেন্দ্রিয় প্রধান শিক্ষক সমিতি।সভায় প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড ও টাইমস্কেল পাবার জন্য জোর পদক্ষেপ নেবার জন্য অনুরোধ করেন বক্তারা। তারা সকল প্রকার সহযোগিতার আশ্বাস দেন। আরো উপস্থিত ছিলেন অ‌তি‌থি কুতুব উ‌দ্দিন, ম‌হিদুল স্যার, তা‌লিম স্যার , নওগা জেলা মোজ্জা‌মেল স্যারসহ শতাধিক শিক্ষক।

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অপহরণের ছয় দিন পর স্কুল ছাত্রী উদ্ধার, আটক ১

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি,১৩ মার্চ:.

চুয়াডাঙ্গা একাডেমী মোড় থেকে অপহৃত স্কুল ছাত্রীকে ছয় দিন পর চট্টগ্রাম পাঁচলাইন থানা এলাকা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় অপহরণকারী রুবেল হোসেনকে (২৯) গ্রেফতার করা হয়। সোমবার দুপুর ১টার দিকে অপহৃতকে উদ্ধার ও অপহরণকারীকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল খালেক

উদ্ধারকৃত স্কুল ছাত্রী চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বাসিন্দা ও নবম শ্রেণির ছাত্রী।

অপহৃতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ৫ মার্চ বিকালে ওই ছাত্রী প্রাইভেট পড়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়ে শহরের একাডেমী মোড়ে এসে পৌঁছায়। এসময় যশোর সদর উপজেলার নরেন্দ্রপুর গ্রামের আব্দুল আলিমের ছেলে রুবেলসহ চার জন তাকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে মাইক্রোবাসে  তুলে নিয়ে যায়। পরের দিন ৬ মার্চ দুপুরে অপহৃতের ভাই বাদী হয়ে অজ্ঞাত চার জনের নামে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনার ছয় দিন পর সোমবার দুপুরে সদর থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল খালেক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম পাঁচ মাইল থানা পুলিশের সহযোগীতায় ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপহৃত স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার ও অপহরণকারীকে গ্রেফতার করে।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল খালেক বলেন, গ্রেফতারকৃতকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বিধ্বস্তের আগে যে কথা হয় পাইলটের (অডিও)

ডেস্ক,১৩ মার্চ : নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত বিমানটি অবতরণের আগে বিমানবন্দরের কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে কথা বলে। সেখানে কন্ট্রোল রুমের অনুমতি সাপেক্ষেই দুইবার চক্কর দেওয়ার পর উত্তর দিক থেকে বিমানটি অবতরণ করে।

তবে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইমরান আসিফ জানিয়েছেন, কন্ট্রোলরুমের ভুল তথ্যের জন্যই ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হয়েছে। সেখানে কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল না।

ইমরান আসিফ জানান, ওই ফ্লাইটে মোট ৩২ জন বাংলাদেশি ছিলেন, নেপালের ছিলেন ৩৩ জন এবং চীন ও মালয়েশিয়ার দুই জন ছিলেন। এছাড়া দুইজন পাইলট, দুইজন ক্রু ও দুইজন কেবিন ক্রু ছিলেন। ফ্লাইটে প্রাপ্ত বয়স্ক ছিলেন ৬৫ জন এবং দুই শিশু ছিল।

তিনি আরও বলেন, বিমানবন্দরের কন্ট্রোলরুমের সঙ্গে পাইলটের যে কথা হয় সেখানে স্পষ্ট বুঝা যায় পাইলটকে ভুল তথ্য দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, সোমবার নেপালের কাঠমুন্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত হয় ইউএস বাংলার একটি বিমান। এ বিধ্বস্তের ঘটনায় এ পর্যন্ত ৫০ জন নিহত হয়েছেন। ইউএস বাংলার ওই বিমানে ৬৭ জন যাত্রী এবং ৪জন ক্রু ছিলেন।

সেই কথোপকথনের অডিওটি তুলে ধরা হলো-

সেই কথোপকথনের অডিওটি তুলে ধরা হলো

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বিমান বিধ্বস্তে সিরাজগঞ্জের প্রকৌশলী-শিক্ষক দম্পতির মৃত্যু

জেলা প্রতিনিধি, সিরাজগঞ্জ :নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত হওয়া ইউএস-বাংলা বিমানের যাত্রীদের মধ্যে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) সহকারী অধ্যাপক ইমরানা কবির হাসি ও তার স্বামী একই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী প্রকৌশলী রকিবুল হাসানের মৃত্যু হয়েছে।

এ খবর প্রকৌশলী রকিবুল হাসানের গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলায় পৌঁছালে স্বজনদের মধ্যে কান্নার রোল পড়ে যায়। পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিহত রকিবুল হাসান সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার বাঘুটিয়ার ইউনিয়নের বিনানই গ্রামের মৃত রবিউল করিমের ছেলে। রকিবুল হাসান ঢাকায় একটি বেসরকারি সফটওয়্যার কোম্পানিতে চাকরি করতেন। তার স্ত্রী ইমরানা কবির হাসি রুয়েটের সহকারী অধ্যাপক ছিলেন।

নিহতের চাচাতো ভাই বাঘুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কাহহার সিদ্দিকী এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, ১৫ দিনের ছুটি নিয়ে রকিবুল ও হাসি নেপালে বেড়াতে যাচ্ছিলেন। কিন্তু এর আগেই তাদের বিমান বিধ্বস্ত হয়। এ খবর জানাজানি হলে সোমবার সন্ধ্যায় চৌহালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম রকিবুলের গ্রামের বাড়িতে যান এবং রকিবুলের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন। রকিবুলের স্ত্রী হাসি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে মারা যান।

উল্লেখ্য, সোমবার ইউএস-বাংলার বিমানটি ঢাকা থেকে ৭১ জন আরোহী নিয়ে নেপালের উদ্দেশে যাত্রা করে। ওইদিন নেপালের স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ২০ মিনিটে ৪ ক্রু ও ৬৭ আরোহী নিয়ে বিমানটি কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত হয়। এতে অন্তত ৫০ জনের প্রাণহানির তথ্য পাওয়া গেছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চাকরিতে কোটা প্রথা সংস্কারের রিট খারিজ

ডেস্ক,৫ মার্চ: সরকারি চাকরিতে কোটা প্রথার সংস্কার চেয়ে হাইকোর্টে দায়ের করা রিট সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।সোমবার (৫ই মার্চ) বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।এর আগে গত ৩১ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র ও দুই সাংবাদিকের পক্ষে অ্যাডভোকেট একলাছ উদ্দিন ভূইয়া এ রিট দায়ের করেন।রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সচিব, আইন সচিব, সংসদ সচিবালয়ের সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, পিএসসির চেয়ারম্যানকে রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

আইনজীবী একলাছ উদ্দিন ভূইয়া জানান, ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে এক নির্বাহী আদেশে সরকারি, বেসরকারি, প্রতিরক্ষা, আধা সরকারি এবং জাতীয়করণকৃত প্রতিষ্ঠানে জেলা ও জনসংখ্যার ভিত্তিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা ও ১০ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত মহিলাদের জন্য কোটা প্রবর্তন করা হয়।

পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে কোটায় সংস্কার ও পরিবর্তন করা হয়। বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ১ম ও ২য় শ্রেণির সরকারি নিয়োগে কোটা যেমন, প্রতিবন্ধী ১ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান নাতি নাতনি ৩০ শতাংশ, নারী ১০ শতাংশ, জেলা কোটা ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ৫ শতাংশ কোটা। সব মিলিয়ে ৫৬ শতাংশ কোটা বিদ্যমান রয়েছে। এই কোটা প্রথা সংবিধানের ১৯, ২৮ ও ২৯ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

রিট আবেদনটি দায়ের করেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আনিসুর রহমান মির, ঢাকাস্থ কুমিল্লা সাংবাদিক সমিতির সদস্য সচিব দিদারুল আলম ও দৈনিক আমাদের অর্থনীতির সিনিয়র সাব এডিটর আব্দুল ওদুদ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

স্কুল-কলেজ শিক্ষকদের ফেব্রুয়ারি মাসের বেতনের চেক ব্যাংকে

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৮ ফেব্রুয়ারী :স্কুল ও কলেজ শিক্ষকদের ফেব্রুয়ারি-২০১৮ মাসের এমপিওর (বেতন-ভাতার সরকারি অংশ) চেক মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ছাড় হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন স্কুল ও কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনের আটটি চেক নির্ধারিত অনুদান বন্টনকারী চারটি ব্যাংকের শাখায় পাঠানো হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ‘দুশ্চিন্তার কারণ’ নেই

ডেস্ক রিপোর্ট : চলতি বছরের পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের বিষয়ে অভিযোগ সংক্রান্ত তথ্য যাচাই-বাছাই কমিটি জানিয়েছে পরীক্ষার্থীদের ক্ষতি হয় এমন কোনো সুপারিশ করবে না তারা।

রোববার বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে কমিটির তৃতীয় এবং শেষ সভা শেষে কমিটির প্রধান সচিব মো. আলমগীর এ কথা জানিয়েছেন।

কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব বলেন, গণমাধ্যমে যে সংবাদ এসেছে সেগুলো পর্যালোচনা করেছি। তার সমর্থনে যে কাগজপত্রগুলো দরকার সেগুলো সংগ্রহ করতে বোর্ড, বিটিআরসি এবং পুলিশকে বলেছিলাম। তারা কিছু কিছু কাগজপত্র আমাদের দেখিয়েছে। আরো কিছু কাগজ পুলিশের কাছে চেয়েছি। আজকেই শেষ মিটিং।

‘সুপারিশগুলো গোপনীয়, আপনারা জানেন- সুপারিশ সব সময় গোপন থাকে। আমরা সরকারের কাছে সুপারিশ দেওয়ার পর তারা পর্যালোচনা করবে। সরকারের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।’

পরীক্ষা বাতিলের কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কিনা- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমরা শুধু এটুকু বলতে পারি ২০ লাখ শিক্ষার্থীর স্বার্থের কথা চিন্তা করেই সুপারিশ করবো, সরকারও স্বার্থের কথা চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নেবে।

‘এই শিক্ষার্থীরা কারা, এরা তো আমাদেরই সন্তান, আমাদের দেশের সন্তান। আমরা এমন কোনো সুপারিশ করবো না যেটা তাদের জন্য ক্ষতি হবে। আর সরকারও এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না যাতে তাদের জন্য কষ্ট হয়। সবারটাই দেখতে হবে।’

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় সভা শেষে মো. আলমগীর বলেছিলেন, একটি বিষয়ের পুরোপুরি এবং কয়েকটি বিষয়ের আংশিক প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে।

ওই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা যেটা দেখেছি কোনো পরীক্ষায় ডিটেইলস ফাঁস হয়নি। গণমাধ্যমে যেটা এসেছে, আমরা দেখেছি কিছু কিছু অবজেকটিভ হয়েছে। এছাড়া আর হয়নি।

পরীক্ষা বাতিলের সম্ভাবনা আছে কিনা- এ বিষয়ে সচিব বলেন, এটা তো গোপন জিনিস। পরীক্ষা তো একটা না, ১২টা। অতএব ১২টির ১২ রকম সিদ্ধান্ত হতে পারে।

তবে তিনি বলেন, বাতিলের সুপারিশ করা হতে পারে, তবে কয়টার করা হবে তা এখন বলা যাবে না।

পরীক্ষার্থীদের উদ্বেগ থাকলো কিনা- এমন প্রশ্নে সচিব বলেন, তাদের বলে দিই, তারা যেন কোনো উদ্বেগে না থাকে। তারা আমাদেরই সন্তান, তাদের স্বার্থের কথা চিন্তা করে, ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করেই আমরা সুপারিশ করবো। উদ্বেগের কোনো কারণ নেই, যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে তা জাতির স্বার্থে নেওয়া হবে।

‘ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানাবেন, দুশ্চিন্তার কোন কারণ নাই। সরকার কিন্তু জনগণের সুখ-শান্তির জন্য, উদ্বেগর জন্য নয়। উদ্বিগ্ন রাখতে পারে অন্যরা।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাতিল হবে সেটাও বলবো না, হবে না সেটাও বলবো না।

প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের মধ্যে গত ৪ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয় ১১ সদস্যের কমিটি গঠন করে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ ও বিটিআরসি প্রতিনিধি, আট সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি এবং মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের প্রতিনিধি কমিটি রয়েছেন।

আগামী দু’তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন পেশ করা হবে বলে জানান সচিব মো. আলমগীর। তথ্যসূত্র : বাংলানিউজ

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দর্শনায় ৫ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কোচিং বানিজ্যের সাথে জড়িত অর্ধশত শিক্ষক

কোচিংয়ের নামে শিক্ষার্থী শোসন বন্ধে প্রয়োজন সমন্বিত পদক্ষেপ

হারুন রাজু : সন্তানদের উচ্চ ও সুশিক্ষার আলোকে গড়ে তুলতে চায় সকল অভিভাবক। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মানেই মানুষ তৈরীর কারখানা। অথচ সে কারখানাগুলো কি হচ্ছে আজ ? মাত্র এক যুগ আগেও বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে দেখা যেতোনা অর্থের লালসা। অকৃপ্রনভাবেই সন্তানের মতো করেই শিক্ষাদান করাতেন শিক্ষাকরা। সেকালের শিক্ষকদের শাসন, আদর ও ভালোবাসা আলোকিত মানুষ হয়ে গড়ে উঠেছে কতশত শিক্ষার্থী। এখনো শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের জন্য যারা জনম জনম স্মরণীয় হয়ে থাকবে, তাদের মধ্যে রয়েছেন আশুতোষ সেন গুপ্ত, আনিসুর রহমান, আরজ আলী, হোসেন আলী, সদর আলী, আগস্টিন হালসনা, মঈনুদ্দিন, নাহার উদ্দিন, ইলিয়াস হোসেন, আ. কুদ্দুস, আবু বকর, শহিদুল্লাহ, দাউদ আলী, জামাত আলী, আফতাব উদ্দিন সহ নাম না জানা আরো অনেক শিক্ষক।

সে সময় শিক্ষকরা অল্প বেতনে শিক্ষকতা করলেও তাদের মধ্যে ছিলোনা অর্থের মোহ। শ্রেনী কক্ষে শিক্ষার্থীরা পড়া না পারলে নিজের আগ্রহেই সেই শিক্ষার্থীকে বিনাপয়সায় পড়াতেন। মেধাবী শিক্ষার্থীদের খুজে বের করে তাদের উচ্চ শিক্ষার স্বর্ণ শিখরে পৌছে দেয়ার প্রচেষ্টায় মেতে থাকতেন সেই সকল আদর্শিক শিক্ষকরা।

বর্তমান অবস্থার দিকে খেয়াল করলে মনে হয় পুরোটাই উল্টো। বর্তমান শিক্ষকরা শিক্ষাদান নয় টাকা উপর্জনের লড়াইয়ে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। নিরক্ষর মুক্ত সমাজ, জাতী ও দেশ গড়ার লক্ষে শিক্ষার মান উন্নয়নে সরকার নানামুখি কর্মসূচি গ্রহন করেছে। বছরের প্রথম দিনেই শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যে নতুন পাঠ্যপুস্তক তুলে দিয়ে সরকার সৃস্টি করেছে নতুন অধ্যায়। শিক্ষার ক্ষেত্রে দূর্নিতি দুরিকরণে সরকারের যেমন আন্তরিকতার কমতি নেই, তেমনি বিদ্যালয়ের অবকাঠামো থেকে শুরু করে সব ধরণের উন্নয়নের ক্ষেত্রে নেই আন্তরিকতার ঘাটতি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন আধুনিক দেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করে যাচ্ছেন নিরন্তর, আধুনিক প্রযুক্তিতে শিক্ষাদানের জন্য ব্যয় করছে প্রচুর অর্থ, শিক্ষকদের বেতন ভাতা বাড়ানো সহ দেয়া হয়েছে অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা, ঠিক তখনি অর্থলোভি এক শ্রেনীর শিক্ষক হয়ে উঠেছে বেপরায়া। তারা শিক্ষা নয়, অর্থের লোভেই মেতে উঠেছে। শিক্ষাকে ব্যবসায় পরিণত করে হাতিয়ে নিচ্ছে প্রচুর অর্থ, কলূষিত করছে শিক্ষাঙ্গনকে।

দর্শনার অভিভাবক মহলের দীর্ঘদিনের অভিযোগ কোচিং সেন্টার পরিচালিত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে।

অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয়ে কোচিংয়ে পড়াতে না দেয়া হলে শ্রেনী কক্ষে রিতিমত অপমান সহ বিভিন্নভাবে ভৎসনা করা হয়ে থাকে শিক্ষার্থীকে। তাছাড়া পরীক্ষার খাতায় ভালো লিখলেও নাম্বার কম দেয়ার অভিযোগতো রয়েছেই।

সম্প্রতি সময়ে দর্শনার বেশ কয়েকজন শিক্ষক কোচিং বানিজ্য করে রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছে পরিণত হয়েছেন। দালান-কোটা, জমিজমা, গাড়ি ক্রয় সহ ব্যাংক এ্যাকাউন্ডে নামে-বেনামে জমা রাখা হয়েছে প্রচুর অর্থ।

দর্শনার মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, কেরুজ উচ্চ বিদ্যালয়, দক্ষিণচাদপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মেমনগর বিডি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও আলহেরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অতিরিক্ত ক্লাশের নামে খোলা হয়েছে কোচিং বানিজ্য সেন্টার। সাধারণত কোন কোন শিক্ষার্থী ইংরেজি ও অংকে অল্প বুঝে থাকে। সেক্ষত্রে সরকার ইংরেজি ও অংকের জন্য অতিরিক্ত ক্লাশ করানোর ব্যবস্থা চালু করে। প্রতিটি বিষয়ে ১৫০ টাকা হারে দুটি বিষয়ে ৩০০ টাকা মাসে ১২ দিন ক্লাশ করানোর নিয়ম থাকলেও গোড়া থেকে চারাগাছ গজিয়ে তুলেছেন শিক্ষকরা।

অভিযোগ উঠেছে, অতিরিক্ত ক্লাশের টাকা বিদ্যালয়ের তহবিলে জমা রেখে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে খরচ করার নিয়ম ছিলো। অথচ সে টাকার চারআনাও রাখা হয়না বিদ্যালয়ের তহবিলে। পুরো টাকায় ঢুকছে শিক্ষকদের পকেটে। দর্শনায় কোচিং বানিজ্যের সাথে যেসকল শিক্ষকদের নাম শোনা যাচ্ছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন, মেমনগর বিডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসির উদ্দিন আহমেদ, সাবিনা ইয়াসমিন, হাফিজুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, শামসুন্নাহার, আ. কাদের, দর্শনা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের কামাল উদ্দিন, খোরশেদ আলম, নাসরিন আক্তার শিলু, আরিফুল ইসলাম শান্ত, হাফিজুর রহমান, হাসান আলী, কেরুজ উচ্চ বিদ্যালয়ের নাছিমা আক্তার, আ. রহিম, ফারুক হোসেন,স্নেহময় বশাক নান্টু, নুরুল ইসলাম, আসমা খাতুন, আশরাফ হোসেন, ইকবাল রেজা, দক্ষিণচাঁদপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের লিয়াকত আলী, আক্তারুজ্জামান সহ ৬/৭ জন।

এ ছাড়া রয়েছে আলহেরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রসাশক দায়িত্বভার গ্রহনের পরপরই শিক্ষার মান উন্নয়নে কাজ শুরু করেন। কোচিং বানিজ্যের ব্যাপারে তিনি কয়েকবার হুশিয়ার করেছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা কার্যক্রমের বিষয়ে একাধিকবার পরামর্শ দিয়েছেন জেলা প্রসাশক জিয়াউদ্দিন আহমেদ। জেলা প্রশাসকের হুশিয়ারি অনেকটাই তোয়াক্কা না করেই দেদারছে কোচিং বানিজ্য চলছিলো অর্থলোভি শিক্ষকরা। দর্শনা কেরুজ হাই স্কুল, দক্ষিণচাঁদপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দর্শনা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় , মেমনগর বিডি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও আলহেরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকরা কোচিং বানিজ্য চালিয়ে আসছে।

মোটা অংকের বেতনে অনিচ্ছা সত্তেও সচ্চল পরিবারের সন্তানেরা কোচিংয়ে অংশ নিতে পারলেও বিপাকে পড়তে হয়েছে স্বল্প আয়ের মানুষের সন্তানরা। কোচিংয়ে ভর্তি না হওয়ায় দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীদের কটাক্ষ ও অপমান-অপদস্ত করতে দ্বিধাবোধ করেনি অভিযুক্ত অর্থলোভি শিক্ষকরা। বর্তমান সময়ে অনেকটাই কোচিং বানিজ্যের কারণে ঝড়ে পড়েছে বহু মেধাবি শিক্ষার্থী।

দর্শনার বিদ্যালয় সহ বিভিন্ন কোচিং সেন্টার বন্ধ ও অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য অভিভাবকদের দাবী বারবার উপেক্ষিত হয়েছে। দেরিতে হলেও সময় উপযোগি পদক্ষেপ গ্রহন করেছে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন। খানেকটা আকস্মিকভাবেই গত সোমবার বিকাল ৩ টার দিকে কোচিং চলাকালীন সময়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক জিয়াউদ্দিন আহমেদের নির্দেশে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) জসিম উদ্দিনের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয় দর্শনা কেরুজ হাই স্কুল ও মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে। দুটি বিদ্যালয়ে কোচিং বানিজ্য হাতেনাতে ধরে ফেলেন প্রতিনিধিদল। বালিকা বিদ্যালয়ে প্রায় দেড়শ শিক্ষার্থীকে কোচিংরত অবস্থায় পাওয়া গেলেও কেরুজ হাই স্কুলে পাওয়া গেছে প্রায় সাড়ে ৩শ শিক্ষার্থী।

এ সময় কর্মকর্তারা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে শোনেন নানাবিধ অভিযোগ। শিক্ষার্থীদের অভিযোগে বলা হয়, ৬ষ্ঠ শ্রেনী থেকে ১০ শ্রেনী পর্যন্ত কোচিং বাধ্যতামূলক করেছে শিক্ষকরা। প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ৬শ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত কোচিং ফি নিয়ে থাকেন। কোচিংয়ে অংশ নেয়ার ক্ষেত্রেও রয়েছে ফরম পূরণের ব্যবস্থা ও অভিনব কৌশল। কোচিং ক্লাশ সহ শিক্ষার্থীদের অভিযোগ ভিডিও ধারণ করেন কর্মকর্তারা। শিক্ষার্থীদের কোচিংয়ে না আসার জন্য বলে দেন প্রতিনিধিদলের কর্মকর্তারা। কোচিং বানিজ্যে কেরুজ হাই স্কুলের মিক্ষক নাছিমা খাতুন সহ বেশ কয়েকজন জড়িত থাকলেও তারা সুযোগ বুঝে সটকে পড়ার অভিযোগ উঠে। পরপরই কর্মকর্তাদের প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে অভিযুক্ত শিক্ষকদের। অভিযুক্ত দর্শনা বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক একেএম হুমায়ন কবির, সহকারী প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষিকা নাসরিন আক্তার শিলু, সহকারি শিক্ষক হাফিজুর রহমান হাফিজ, দর্শনা কেরুজ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ইকবাল রেজা, আশরাফ হোসেন, স্নেহময়‡ বসাক নান্টু, ফারুক হোসেন, আসমা খাতুন অভিযান পরিচালনকারি কর্মকর্তাদের কোন প্রশ্নের সদত্তোর দিতে পারেননি। ফলে এ ৯ শিক্ষককের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রমান সহ উপস্থাপন করা হয়েছে জেলা প্রশাসকের নিকট। অভিযুক্ত ৯ শিক্ষকের বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়ে লেখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক জিয়া উদ্দিন আহমেদ। কেরুজ হাই স্কুলের কোচিংয়ের অর্থ আদায়কারি রুটো ব্যাবহারকারি শিক্ষক নাছিমা খাতুনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য দাবী তুলেছে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free