নিউজ

৯ অতিরিক্ত ও ১৯ যুগ্ম সচিব বদলি

ডেস্ক: জনপ্রশাসনে ৯ অতিরিক্ত সচিব ও ১৯ যুগ্ম-সচিবকে বদলি করা হয়েছে। বুধবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এই রদবদল করে আদেশ জারি করা হয়েছে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব খন্দকার রাকিবুর রহমানকে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) নির্বাহী পরিচালক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। টেলিযোগাযোগ অধিদফতরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. জাহাঙ্গীর আলমকে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) শেখ মো. কাবেদুল ইসলামকে পরবর্তী পদায়নের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এপিডি অনুবিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. নজরুল আনোয়ারকে শিল্প মন্ত্রণালয়ে, বেপজার সদস্য পদে বদলির আদেশাধীন ওএসডি অতিরিক্ত সচিব শিশির কুমার রায়কে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব যাহিদা খানমকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রওশন আরা বেগমকে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে, তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজুর রহমানকে সুরক্ষা সেবা বিভাগে ও রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত সচিব) কমলা রঞ্জন দাসকে সুরক্ষা সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

অপরদিকে বিআরটিসির পরিচালক (যুগ্মসচিব) মো. আমজাদ হোসেন বাংলাদেশ ইন্সুরেন্স একাডেমির পরিচালক, বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশনের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) বিকাশ চন্দ্র সিকদার কিশোর-কিশোরী ক্লাব স্থাপন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মো. মফিদুল ইসলাম বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (ট্রাফিক) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগে সংযুক্ত ওএসডি যুগ্মসচিব খন্দকার আজিজুল ইসলাম তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) নিয়োগ পেয়েছেন।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মো. খালিদ মাহমুদকে ওএসডি করে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব হিসেবে সংযুক্ত ও বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (যুগ্ম সচিব) মো. হাবিবুর রহমানকে ওএসডি করা হয়েছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. মাহবুব উল ইসলামকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. কামরুজ্জামানকে আইএমইডির যুগ্ম সচিব, আইএমইডির যুগ্মসচিব মীর নজরুল ইসলামকে মৎস্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব, খুলনা সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের এস্টেট ও আইন কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলামকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের যুগ্ম সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংযুক্ত পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মো. আজিজুর রহমানকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক করা হয়েছে।

সিইডিপি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) জালাল উদ্দিন আহম্মেদকে ওএসডি করা হয়েছে।আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. আব্দুল হামিক মজুমদারকে ওএসডি করে স্থানীয় সরকার বিভাগের একটি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক করা হয়েছে। ইলেকট্রিক অ্যান্ড মেকানিক্যাল ঢাকা মাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের প্রধান প্রকৌশলী (যুগ্ম সচিব) সুকুমার চন্দ্র কুন্ডুকে ওএসডি করে ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পে দায়িত্ব পালনের জন্য সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে সংযুক্ত করা হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

হাইকোর্টের নির্দেশে খুশি সদ্যপ্রয়াত কলেজছাত্র রাজীবের পরিবার ॥

মোয়াজ্জেম হোসেন, পটুয়াখালী প্রতিনিধি ॥
রাজধানীতে দুই বাসের চাপায় হাত হারানোর পর ঢাকা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া পটুয়াখালীর বাউফলের দাশপাড়া ইউনিয়নের কৃতিসন্ত্রান ঢাকা তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী রাজীব হাসানের পরিবারকে ১কোটি টাকা ক্ষতিপূরন দেয়ার হাইকোর্টের নির্দেশে খুশি রাজিবের পরিবার। রায় ঘোষনার পর মঙ্গলবার দুপরে উপজেলার দাশপাড়া গ্রামের বাড়ীতে ছোট মামা মিরাজের সাথে কথা হলে তিনি জানান, আদালতের রায়ের আমরা খুশী।
তবে এসময়ে রাজীবের মামা মিরাজ আক্ষেপ করে বলেন, জেলা প্রশাসক থেকে চল্লিশ হাজার টাকার চেক পেয়েছে রাজীবের ছোট দুই ভাই। এরপর থেকে আর কোন সহযোগিতা করা হয়নি। এমনকি যারা অনেক কিছু প্রতিশ্রতি দিয়েছিল তাদেরকেও এখন আর খুঁজে পাওয়া যায়না। রাজীবের পরিবারের পাশে এখন আর কেই নেই। বাড়ীতে দুই ভাইয়ের মাথা গোজার মতো কোন ঠাই না খাকায় রাজীবের দুই ছোট ভাইয়ের স্থান এখন ঢাকা একটি হাফেজি মাদরাসায় এতিম খানা। মাঝে মাঝে খালা জাহানারা পারভীনের বাসায় আশ্রায় নিয়ে থাকেন। ক্ষতিপুরনের এই অর্থ পেলে এতিম অসহায় ছোট দুই ভাইকে নিয়ে রাজীব যে স্বপ্ন দেখেছিল তা পুরন হবে।
উল্লেখ্য, ৩ এপ্রিল দুই বাস চালকের বেপরোয়া গাড়ী চালানো শিকার হন রাজীব। দুই বাসের চাপে হাতকাটা পড়ে রাজীবের। মাথায় প্রচন্ড রক্তক্ষনের ফলে ১৬ এপ্রিল সোমবার দিবাগত রাতে রাজীব মারা যান। মঙ্গলবার (৮মে) হাইকোটের বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি একএম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। রায়ের সময় আদালতে রাজীবের দুই ভাই মেহেদী হাসান ও আবদুল্লাহ এবং তাদের খালা জাহানারা পারভীন ও মামা জাহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সরকারি চাকরিজীবীরা গৃহঋণ পাবেন যেভাবে

নিজস্ব প্রতিবেদক,০৮ মে ২০১৮:

সরকারি চাকরিজীবীরা মাত্র ৫ শতাংশ সরল সুদে ৭৫ লাখ টাকা পর্যন্ত গৃহনির্মাণ ঋণ পাবেন। উপসচিব থেকে সচিব পদমর্যাদা বা জাতীয় বেতন স্কেলের পঞ্চম থেকে প্রথম গ্রেডভুক্ত কর্মকর্তারা ২০ বছর মেয়াদি এই ঋণ নিয়ে বাড়ি নির্মাণ কিংবা ফ্ল্যাট কিনতে পারবেন। তবে সর্বনিম্ন ১৮ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা ঢাকাসহ সব সিটি করপোরেশন ও বিভাগীয় সদরে ৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা পাবেন। চাকরি স্থায়ী হওয়ার পাঁচ বছর পর থেকে সরকারি চাকরিজীবীরা এই ঋণ নিতে পারবেন। সর্বোচ্চ ৫৮ বছর বয়স পর্যন্ত এই ঋণ নেওয়া যাবে।

১০ শতাংশ সরল সুদে রাষ্ট্রায়ত্ত যেকোনো ব্যাংক ও বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফিন্যান্স করপোরেশন থেকে এই ঋণ নেওয়া যাবে। এই ১০ শতাংশ সুদের মধ্যে ৫ শতাংশ সুদ পরিশোধ করবে সরকার। বাকি ৫ শতাংশ সুদ পরিশোধ করবেন ঋণগ্রহীতা চাকরিজীবী। নতুন এই ঋণ সুবিধা ২০১৮-১৯ অর্থবছর (আগামী ১ জুলাই) থেকে কার্যকর হবে।

সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সভাকক্ষে অর্থ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ সংশ্লিষ্ট আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটির সভায় ‘সরকারি কর্মচারীদের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গৃহনির্মাণ ঋণ প্রদান-সংক্রান্ত নীতিমালা, ২০১৮’-এর খসড়াটি সামান্য পরিবর্তন করে চূড়ান্ত করা হয়েছে। সভায় আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. ইউনুসুর রহমানসহ কমিটির অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সভা শেষে অর্থ বিভাগ সচিব মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী বলেন, বেতন স্কেলের গ্রেড ভেদে সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ এবং সর্বনিম্ন ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণের বিধান রেখে নীতিমালাটি চূড়ান্ত করা হয়েছে। এরপর নীতিমালাটি অর্থমন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য তার কাছে পাঠানো হবে। অর্থমন্ত্রীর অনুমোদনের পর মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য পাঠানো হবে।

সরকারি কর্মচারীদের গৃহ নির্মাণে ঋণের মাধ্যমে অর্থের জোগান দিতে এই নীতিমালা করা হলেও সরকারের আওতাধীন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর ও কার্যালয়গুলোতে স্থায়ী পদের বিপরীতে নিয়োগপ্রাপ্ত বেসামরিক কর্মচারীরাও এ সুবিধা পাবেন। সামরিক, রাষ্ট্রায়ত্ত ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কম্পানি, পৃথক বা বিশেষ আইন দ্বারা সৃষ্ট প্রতিষ্ঠানে নিযুক্ত কর্মচারীরা এ নীতিমালার আওতাভুক্ত হবেন না। তবে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ব্যাংক থেকে এ ধরনের গৃহনির্মাণ ঋণ সুবিধা পেয়ে থাকেন।

এ হিসাবে সরকারের প্রায় ১২ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারী গৃহনির্মাণ ঋণ সুবিধা পাবেন। তারা এককভাবে এই ঋণ নিতে পারবেন। আবাসিক বাড়ি করার জন্য গ্রুপভিত্তিক ঋণও নেওয়া যাবে। ফ্ল্যাট কেনার জন্যও এই ঋণ সুবিধা পাওয়া যাবে। তবে ফ্ল্যাট হতে হবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত অর্থাৎ রেডি ফ্ল্যাট। অবশ্য সরকারি সংস্থার নির্মাণ করা ফ্ল্যাট কেনার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ রেডি ফ্ল্যাটের শর্ত শিথিল করা যাবে।

নীতিমালার চূড়ান্ত খসড়া অনুযায়ী জাতীয় বেতন স্কেলের পঞ্চম গ্রেড থেকে প্রথম গ্রেডভুক্ত কর্মকর্তা, যাদের বেতন স্কেল ৪৩ হাজার বা এর বেশি তাঁরা প্রত্যেকে ঢাকাসহ সব সিটি করপোরেশন ও বিভাগীয় সদরে গৃহনির্মাণ ঋণ পাবেন ৭৫ লাখ টাকা। জেলা সদরে এর পরিমাণ হবে ৬০ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এলাকায় ৫০ লাখ টাকা। বেতন স্কেলের নবম গ্রেড থেকে ষষ্ঠ গ্রেড পর্যন্ত বা যাঁদের মূল বেতন ২২ হাজার থেকে ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা, তাঁরা ঢাকাসহ সব সিটি করপোরেশন ও বিভাগীয় সদর এলাকার জন্য ৬৫ লাখ টাকা, জেলা সদরের জন্য ৫৫ লাখ ও অন্যান্য এলাকার জন্য ৪৫ লাখ টাকা ঋণ পাবেন। ১১ হাজার থেকে ১৬ হাজার টাকা মূল বেতন বা দশম থেকে ১৩তম গ্রেডের চাকরিজীবীরা ঢাকাসহ সব সিটি করপোরেশন ও বিভাগীয় সদরের জন্য ৫৫ লাখ টাকা, জেলা সদরের জন্য ৪০ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এলাকার জন্য ৩০ লাখ টাকা ঋণ পাবেন। ১৪তম থেকে ১৭তম গ্রেড বা ৯ হাজার থেকে ১০ হাজার ২০০ টাকা বেতন স্কেলে ঢাকাসহ সব সিটি করপোরেশন ও বিভাগীয় সদরের জন্য ৪০ লাখ টাকা, জেলা সদরের জন্য ৩০ লাখ টাকা ও অন্যান্য এলাকার জন্য ২৫ লাখ টাকা ঋণ পাবেন। আর ১৮তম থেকে ২০তম গ্রেড বা আট হাজার ২৫০ টাকা থেকে আট হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত মূল বেতন পান, এমন কর্মচারীরা ঢাকাসহ সিটি করপোরেশন ও বিভাগীয় সদরের জন্য গৃহনির্মাণ ঋণ পাবেন ৩৫ লাখ টাকা। জেলা সদরে এটি হবে ২৫ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এলাকার জন্য পাবেন ২০ লাখ টাকা।

ঋণ পাওয়ার যোগ্যতা হিসেবে নীতিমালার ৩ ধারায় বলা হয়েছে, আবেদনকারীকে সরকারি প্রতিষ্ঠানে রাজস্ব খাতভুক্ত স্থায়ী পদে কর্মরত হতে হবে। সরকারি প্রতিষ্ঠানে ন্যূনতম কর্মকাল পাঁচ বছর হতে হবে। সর্বোচ্চ বয়সসীমা হবে ৫৮ বছর। তবে কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু বা দুর্নীতি মামলার ক্ষেত্রে চার্জশিট দাখিল হলে মামলা চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তিনি ঋণ পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না। সরকারি চাকরিতে চুক্তিভিত্তিক, খণ্ডকালীন ও অস্থায়ী ভিত্তিতে নিযুক্ত কেউ এই ঋণ সুবিধা পাবেন না।

ঋণের সর্বোচ্চ সিলিং নির্ধারণ সম্পর্কে খসড়া নীতিমালায় বলা হয়েছে, বেতন স্কেল অনুযায়ী সর্বোচ্চ যে সিলিং সরকার নির্ধারণ করে দেবে, সেটিও বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানের যথাযথ পদ্ধতিতে যে পরিমাণ ঋণ সুবিধা নির্ধারণ করবে, তার মধ্যে যেটি কম, সে পরিমাণ ঋণ পাবেন। ফ্ল্যাট কেনা বা নিজস্ব জমিতে বাড়ি নির্মাণের ক্ষেত্রে ঋণ দেওয়ার জন্য ডেট ইক্যুইটি রেশিও হবে ৯০ঃ১০। অর্থাৎ ফ্ল্যাট কেনা বা নিজস্ব জমিতে বাড়ি নির্মাণের জন্য কেউ নিজস্ব উদ্যোগে ১০ টাকা খরচ করলে তিনি ৯০ টাকা ঋণ পাবেন। ঋণের সুদ সম্পর্কে খসড়া নীতিমালার ৭(ঘ) ধারায় বলা হয়েছে, ‘সরকারি কর্মচারীদের গৃহনির্মাণ ঋণের সুদের হার হবে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ। এটি হবে সরল সুদ এবং সুদের ওপর কোনো সুদ আদায় করা হবে না। ঋণগ্রহীতা কর্মচারী ব্যাংক রেটের সমহারে (বর্তমানে যা ৫ শতাংশ) সুদ পরিশোধ করবেন। সুদের অবশিষ্ট অর্থ সরকার ভর্তুকি হিসেবে প্রদান করবে।’

নীতিমালায় আরো বলা হয়েছে, সরকার সময়ে সময়ে বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা করে সুদের হার পুনর্নির্ধারণ করতে পারবে। তবে পুনর্নির্ধারিত সুদহার কেবল নতুন ঋণগ্রহীতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। ঋণগ্রহীতাকে গৃহনির্মাণ ঋণ পাওয়ার জন্য প্রসেসিং ফি বা আগাম ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অতিরিক্ত ফি দিতে হবে না।

৪ ধারায় ঋণ পাওয়ার শর্ত হিসেবে বলা হয়েছে, এই নীতিমালার আওতায় একজন সরকারি কর্মচারী দেশের যেকোনো এলাকায় গৃহনির্মাণ বা ফ্ল্যাট ক্রয়ের উদ্দেশ্যে ঋণ গ্রহণ করতে পারবেন। গৃহনির্মাণ বা ফ্ল্যাট কেনার ক্ষেত্রে ভবনের নকশা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত হতে হবে। যে জমি বা ফ্ল্যাট কেনা হবে, তা সম্পূর্ণ দায়মুক্ত হতে হবে। ঋণদানকারী ব্যাংক বা বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত ব্যাংকে আবেদনকারীর একটি হিসাব থাকবে। ওই হিসাবের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর বেতন-ভাতা, পেনশন এবং গৃহনির্মাণ বা ফ্ল্যাট ক্রয় ঋণ বিতরণ ও আদায়ের পুরো কার্যক্রম পরিচালিত হবে। রেডি ফ্ল্যাট কেনার ক্ষেত্রে ঋণের পুরো অর্থ এক কিস্তিতে ছাড় করবে ব্যাংক। গৃহনির্মাণের ক্ষেত্রে ঋণের টাকা চার কিস্তিতে ছাড় করা যাবে।

‘বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান’ বলতে খসড়া নীতিমালা বলা হয়েছে, ‘সরকারি কর্মচারীদের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গৃহনির্মাণ ঋণ প্রদান করার ক্ষেত্রে রাষ্ট্র মালিকানাধীন তফসিলি ব্যাংকসমূহ এবং বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফিন্যান্স করপোরেশন বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রমটি পরিচালনা করবে।’ সরকার অন্য যেকোনো বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবে। বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নিজস্ব তহবিল থেকে সরকারি কর্মচারীদের জন্য এই ঋণ প্রদান কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

খসড়া নীতিমালা অনুযায়ী, গৃহনির্মাণ ঋণ দেওয়ার আগে যে সম্পত্তিতে ঋণ দেওয়া হবে, তা ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান বরাবর রেজিস্টার্ড দলিলমূলে বন্ধক রাখতে হবে। বাস্তুভিটায় বাড়ি করার ক্ষেত্রে ঋণগ্রহীতার মালিকানাধীন অন্য কোনো সম্পত্তি বন্ধক রাখা যাবে।

এই ঋণ পরিশোধের মেয়াদ হবে ২০ বছর। গৃহনির্মাণের প্রথম কিস্তি ঋণের অর্থ পাওয়ার এক বছর পর, ফ্ল্যাট কেনার ক্ষেত্রে ঋণের অর্থ পাওয়ার ছয় মাস পর থেকে ঋণগ্রহীতা মাসিক কিস্তিতে ঋণ পরিশোধ শুরু করবেন। কোনো কারণে মাসিক কিস্তি পরিশোধে দেরি হলে বিলম্বের জন্য আরোপযোগ্য সুদ শেষ কিস্তির সঙ্গে যুক্ত হবে। যে ব্যাংক ঋণ দেবে, সেই ব্যাংকে তাঁর মাসিক বেতনের হিসাব খুলতে হবে। তাঁর বেতন-ভাতা ওই হিসাবে জমা হবে। ব্যাংক সেখান থেকে প্রথমে মাসিক ভিত্তিতে কিস্তির টাকা কেটে নেবে। পরে ঋণগ্রহীতা বেতন-ভাতার বাকি অর্থ হিসাব থেকে তুলতে পারবেন। ঋণগ্রহীতা অন্যত্র বদলি হলে তার হিসাবও সেখানে একই ব্যাংকের কোনো শাখায় স্থানান্তর করে নেবেন। ঋণগ্রহীতা অবসর নেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর পিআরএল সময়কাল পর্যন্ত সরকারের দেওয়া সুদ বাবদ ভর্তুকি পাবেন। অবসর গ্রহণের পর সরকার কোনো ভর্তুকি দেবে না। পিআরএলে যাওয়া পর্যন্ত ঋণের কিস্তি অপরিশোধিত থাকলে সুদের হার ১০ শতাংশ বহাল রেখে অবশিষ্ট ঋণ পুনর্গঠন করে নিতে পারবেন। অবসরে যাওয়ার পরও যাতে ঋণের কিস্তি ঠিকমতো পরিশোধ হয়, সে জন্য ঋণগ্রহীতার মাসিক পেনশনের টাকা পূর্বনির্ধারিত ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে পরিশোধ করা হবে।

খসড়া নীতিমালায় আরো বলা হয়েছে, কোনো কর্মচারী ঋণ নেওয়ার পর স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়লে বা বাধ্যতামূলক অবসর, বরখাস্ত বা চাকরিচ্যুত হলে আদেশ জারির তারিখ থেকে ঋণের অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য সুদ বাবদ সরকার কোনো ভর্তুকি দেবে না। এ ক্ষেত্রে ঋণের অপরিশোধিত অর্থ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর পেনশন সুবিধা বা আনুতোষিক সুবিধা থেকে আদায় করা হবে। ঋণগ্রহীতার মৃত্যু হলে তাঁর পারিবারিক পেনশন ও আনুতোষিক সুবিধা থেকে যতটুকু সম্ভব ঋণ পরিশোধ করা হবে। এর পরও ঋণ পাওনা থাকলে উত্তরাধিকারদের কাছ থেকে তা আদায় করা হবে।

নীতিমালা প্রণয়ন সংক্রান্ত গঠিত কমিটির একজন সদস্য জানান, ১৯৮২ সালে প্রথম সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য গৃহনির্মাণ ঋণ সুবিধা চালু করা হয়। চাকরিজীবীদের তখনকার মূল বেতনের ৪৮ মাসের সমপরিমাণ হিসাব করে এক লাখ ২০ হাজার টাকা গৃহনির্মাণ ঋণ দেওয়ার নিয়ম চালু করা হয়েছিল, যা ৪৮টি সমান কিস্তিতে পরিশোধ করতে হয়। এরপর চাকরিজীবীদের বেতন বাড়লেও এই ঋণসীমা বাড়েনি। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এটি বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে এসংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়নের জন্য কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি খসড়া নীতিমালা চূড়ান্ত করেছে। এটি মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করা হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কোটা বাতিলে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পায়নি মন্ত্রণালয়

সচিবালয় প্রতিবেদক :

কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে কোটা বাতিলের ঘোষণা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে চূড়ান্ত নির্দেশনা এখনো জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে আসেনি। তাই এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা যাচ্ছে না।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের শুদ্ধাচার কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিধি এবং সংগঠন ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের কার্যাবলী সম্পর্কে অবহিতকরণের লক্ষ্যে অংশীজনদের কর্মশালায় সিনিয়র সচিব ড. মো. মোজাম্মেল হক খান এ কথা বলেন।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের শুদ্ধাচার কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিধি এবং সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের উদ্যোগে ২৮টি মন্ত্রণালয় বা বিভাগের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

সিনিয়র সচিব আরো বলেন, বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে। আশা করছি শিগগিরই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

তিনি বলেন, যেহেতু প্রধানমন্ত্রী কোটা বাতিলের ঘোষণা দিয়েছেন, তাই প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ও নির্দেশনা ছাড়া প্রজ্ঞাপন জারি করা সম্ভবপর হচ্ছে না।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

রাজাকারের সন্তানদের চাকরিতে অযোগ্য ঘোষণার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক :

স্বাধীনতাবিরোধী চিহিৃত রাজাকারের সন্তানদের সরকারি চাকরিতে অযোগ্য ঘোষণার দাবি  জানিয়েছে ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ নামে একটি সংগঠন। একইসঙ্গে সরকারি চাকরিতে স্বাধীনতাবিরোধীদের সন্তানরা থাকলে  তাদের বরখাস্তের দাবি জানানো হয়।

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক সমাবেশে সংগঠনটির নেতারা এ দাবি জানান।

তারা মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সংরক্ষিত ৩০ শতাংশ কোটা না কমানোর দাবি জানিয়ে বলেন, ‘রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে স্বাধীনতাবিরোধীদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করাসহ স্বাধীনতাবিরোধীদের উত্তরসূরিদের সব চাকরিতে অযোগ্য ঘোষণা করতে হবে। স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে।’

একই সঙ্গে বাধ্যতামূলকভাবে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা রেখে বিসিএসের প্রিলিমিনারি থেকে তা কার্যকর করতে হবে। কোটা সংস্কারের আন্দোলন ঘিরে জামায়াত-শিবির সারা দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করছে বলে বক্তারা দাবি করেন।

সমাবেশে ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ সংগঠনের সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রাশেদুজ্জামান শাহীন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক আ ক ম জামাল উদ্দিন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কাজী সাইফুদ্দিন,  মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সভাপতি মেহেদি হাসান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কুষ্টিয়ায় ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী নিখোঁজ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :

কুষ্টিয়ার মিরপুরে মাসুদ রানা (১৪) নামের অষ্টম শ্রেণির এক স্কুল শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছে।

এ ব্যপারে শনিবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে মিরপুর থানায় একটি সাধারন ডায়েরী (জিডি) করা হয়েছে।

মাসুদ রানা উপজেলার মালিহাদ ইউনিয়নের ঝুটিয়াডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে এবং হাটবোয়ালিয়া নতুন কুড়ি আইডিয়াল স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র।

নিখোঁজ হওয়া ঐ শিক্ষার্থীর ভাই সাহিদুল ইসলাম জানান, গত বৃহস্পতিবার সকালে স্কুল ব্যাগ নিয়ে বাইসাইকেল যোগে আমার ভাই স্কুলে যাওয়ার জন্য রওনা হয়। পরে সে আর বাড়ী ফিরে আসেনি।

সাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমার ভাই নিখোঁজ না অপহৃত তা আমরা বুঝতে পারছি না।’

যদি কেউ তার ভাইয়ের সন্ধান পান তাহলে ০১৭৮৮৬৫৫৮৮৩ এই নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করেছেন তিনি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এশার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করল ছাত্রলীগ

ডেস্ক রিপোর্ট : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কবি সুফিয়া কামাল হল শাখার ছাত্রলীগ সভাপতি ইফফাত জাহান এশার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছে তাঁর সংগঠন।

আজ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি এ কথা জানায়।

ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে ইফফাত জাহান এশা সম্পূর্ণ নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন। বহিষ্কারের আদেশ প্রত্যাহার করে তাঁকে আগের পদে বহাল করা হলো।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আবিদ আল হাসান জানান, পরিস্থিতির কারণে এশাকে বহিষ্কার করা হয়। পরে তদন্ত করে নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে আগের পদে বহাল করা হয়েছে।

এর আগে গত মঙ্গলবার রাতে কোটা সংস্কার আন্দোলনে অংশ নেওয়ায় হলের এক সাধারণ ছাত্রীকে রুমে ডেকে নিয়ে মারধর করে রক্তাক্ত করার অভিযোগ ওঠে এশার বিরুদ্ধে। ওই ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে হলের শিক্ষার্থীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে এশাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন এবং তাঁর বিচার দাবি করেন। একপর্যায়ে হলের প্রাধ্যক্ষ ও হাউস টিউটরদের সামনেই এশার গলায় জুতার মালা পরিয়ে দেন হলের ছাত্রীরা।

ওই রাতেই এশাকে হল ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেন উপাচার্য ড. আখতারুজ্জামান। এ ছাড়া সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ এনে ছাত্রলীগ থেকেও এশাকে বহিষ্কার করা হয়।

সুফিয়া কামাল হলের একাধিক ছাত্রীর অভিযোগ, ছাত্রলীগের হল শাখার সভাপতি এশা এর আগেও সাধারণ ছাত্রীদের নিজের কক্ষে ডেকে নিয়ে মারধর করতেন। তবে এত দিন ভয়ে কেউ মুখ খোলেননি। সূত্র : এনটিভি

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

আগের জনের মতোই ‘ঘুষ’সহ ধরা প্রধান নৌ প্রকৌশলী

গত ১৮ জুলাই নিজের কার্যালয়ে বসে ‘ঘুষের পাঁচ লাখ টাকা’ নেওয়ার সময় নৌ পরিবহন অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী এ কে এম ফখরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছিল দুদকের ঢাকা বিভাগের পরিচালক নাসিম আনোয়ারের নেতৃত্বে একটি দল।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কোটাব্যবস্থা পরীক্ষা-নিরীক্ষার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

এস দাস : জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে বর্তমান কোটাব্যবস্থা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনির্ধারিত আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশ দেন।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বৈঠকটি হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করেন।

কোটব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে বেশ কিছুদিন ধরেই আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীরা। সর্বশেষ রোববার তারা কোটা সংস্কারের দাবিতে শাহবাগের সড়ক অবরোধ করে রাখেন। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন আন্দোলনকারীরা। গভীর রাত পর্যন্ত এই সংঘর্ষ চলে।

কোটা সংস্কারের বিষয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না- জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘কোটা নিয়ে আসলে তো কোনো সমস্যা নেই। এখন যে কোটাব্যবস্থা এক্সিসটিং (বহাল) রয়েছে সেখানে মেধা কোটা ৪৫ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ, নারী কোটা ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কোটা ৫ শতাংশ, ক্ষেত্রবিশেষে জেলা কোটা ১০ শতাংশ, ক্ষেত্রবিশেষে প্রতিবন্ধী কোটা ১ শতাংশ।’

তিনি বলেন, ‘মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত দিয়েছিল, মুক্তিযোদ্ধা বা অন্যান্য কোটাগুলো যদি পূরণ করা সম্ভব না হয় তবে তা মেধাতালিকার শীর্ষে অবস্থানকারী প্রার্থীদের দিয়ে পূরণ করতে হবে। সেটা পূরণ করা হয়েছে।’

৩৩তম বিসিএসে মেধাকোটায় পূর্ণ হয়েছে ৭৭ দশমিক ৪০ শতাংশ, ৩৫তম বিসিএসে ৬৭ দশমিক ৪৯ শতাংশ মেধা তালিকা থেকে এসেছে। ৩৬তম বিসিএসে ৭০ দশমিক ৩৮ শতাংশ মেধাকোটায় নিয়োগ পেয়েছেন বলেও জানান শফিউল আলম।

তিনি বলেন, ‘কোটার মাধ্যমে মেধা অবহেলিত হয়নি। কোটার ক্ষেত্রেও যারা মেধাতালিকায় ভালো তারা আসছেন। এমন না যে মেধাতালিকায় যারা আছেন তারা অবহেলিত আছেন, পেছনে পড়ে যাচ্ছেন। কোটার দ্বারা কারও মেধা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।’

বিভিন্ন কোটায় প্রার্থী পাওয়া যায় না, তাহলে কোটা সংস্কারে সমস্যা কোথায় জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘যেটা মোডিফাই করা হয়েছে অর্থাৎ পদ পাওয়া না গেলে মেধাতালিকার শীর্ষে যারা আছেন তাদের দিয়ে পূরণ করা হবে। এটাই তো একটা সংস্কার।’

‘কোটা হচ্ছে একটা সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। এর মাধ্যমে অনগ্রসর যারা আছেন তাদের সামনে আনা হয়।’

মন্ত্রিসভার বৈঠকে কোটার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত বা নির্দেশনা দেয়া হয়েছে কি না- জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘যা আলোচনা হয়েছে তা জানিয়েছি তো। কোটার কারণে যারা মেধাবী তারা খুব বেশি বঞ্চিত হয়নি। আপনাদের তো তিনটা বিসিএসের রেজাল্ট দিয়ে দিলাম।’

কোটায় প্রার্থী পাওয়া না গেলে মেধাতালিকা থেকে তা পূরণের সিদ্ধান্ত মন্ত্রিসভা দিলেও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত ব্যাখ্যায় জানিয়েছে, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদের ক্ষেত্রে কোনো কোটা পূরণ না হলে অন্যান্য কোটা দিয়ে পূরণ করতে হবে। এ জন্য আন্দোলন হচ্ছে।

এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আদেশটি আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখব।’

কোট সংস্কারের বিষয়ে আজকের মন্ত্রিসভা বৈঠকে কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে শফিউল আলম বলেন, ‘না আজকে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এটা পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিষয় আছে। অনির্ধারিত আলোচনা তো এরকম কিছু হয়ই। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় হলো এটার স্টেক হোল্ডার। তারা এটা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখবে। দেখে অবহিত করবে।’

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে পরীক্ষার-নিরীক্ষার জন্য প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এ ক্ষেত্রে তিনি কোনো নির্দেশনা দিয়েছেন কি না- জানতে চাইলে শফিউল আলম বলেন, ‘ইনফরমাল আলোচনা তো, ইনফরমালভাবেই….ধরেন….।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কোটা সংস্কার নিয়ে যা বললেন ফারুকী

ডেস্ক রিপোর্ট: সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে মন্তব্য করেছেন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

কোটা সংস্কারের পক্ষে রোববার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন এই নির্মাতা। তিনি বলেন, সরকারি চাকরিতে নিয়োগ হওয়া উচিত মেধার ভিত্তিতে।

স্টাটাসে ফারুকী লিখেন, ‘অনেকগুলা চিঠি আসছে। কোটা সংস্কার আন্দোলন বিষয়ে। আমি জানি কখনো কখনো নীরবতা অপরাধের শামিল।’

‘বেশ কয় বছর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে কথা বলতে হয়েছিল। আরেফিন স্যারও (তৎকালীন উপাচার্য ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক) ওই অনুষ্ঠানে ছিলেন। সেখানে কথা প্রসঙ্গে মেধাবী শিক্ষার্থীদের সরকারি চাকরিতে আকৃষ্ট করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কথা বলেছি। কারণ সরকারি চাকরিতে যদি মেধাশূন্যতা তৈরি হয়, তাহলে ভবিষ্যতে পলিসি নিয়ে আলোচনা এবং সময়োপযোগী পলিসি নির্ধারণে আমরা নিদারুণ ব্যর্থ হব।’

আলোচিত এই নির্মাতা আরও লিখেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ের কোটাবিষয়ক আলোচনা দেখে সেই কথাটা আবার মনে পড়লো। মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের শ্রেষ্ঠ সন্তান। তাদের নানান সুযোগ-সুবিধা দেয়ার পক্ষে আমি। বাড়ি দেন, চিকিৎসা সেবা দেন, ভালো ভাতা দেন।’

‘কিন্তু সরকারি চাকরিতে নিয়োগ হওয়া উচিত মেধার ভিত্তিতে। এই বক্তব্যের সঙ্গে আমি একমত। তবে অতি উৎসাহীদের কাছ থেকে সাবধান থাকা উচিত এই আন্দোলনে শামিল ভাইবোনদের। মেধাভিত্তিক নিয়োগের দাবির মধ্যে কেউ যেন এমন অপ্রয়োজনীয় কিছু না বলেন, যাতে মনে হয় ‘মুক্তিযোদ্ধাদের’ ব্যাপারে কোনো অ্যালার্জি আছে।’

সবশেষে এই নির্মাতা লিখেন, ‘আমি আশা করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কোটার ব্যাপারটা একটা যৌক্তিক জায়গায় নিয়ে আসবেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যথাযথ সংস্কার করা হবে: ফখরুল

শাহানুজ্জামান টিটু  ও শিমুল মাহমুদ : বিএনপি’র ভিশন-২০৩০-এ  ‘মেধার মূল্যায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যথাযথ সংস্কার, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, নারী ও প্রান্তিক জাতি-গোষ্ঠীর কোটা ব্যতিরেকে বাকি কোটা পদ্ধতি বাতিল করা হবে হবে জানিয়েছে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ইসলাম আলমগীর।

সোমবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনের সাথে আমরা একমত। মেধার  মূল্যায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সংস্কার করা হবে।

তিনি বলেন, আন্দোলনে  যে কোটার বিষয়টি মূল প্রতিপাদ্য সে সম্পর্কে এদেশের প্রায় চার কোটি শিক্ষিত যুবসমাজের জীবন-জীবিকার প্রশ্নটি জড়িত। এ সমন্ধে বিএনপি’র নীতি নির্ধারণী কমিটি সম্পূর্ণ অবহিত এবং বিষয়টি নিয়ে তারা উৎকন্ঠিত।

বিএনপির এই নেতা বলেন, গণতন্ত্রের নিয়ম-পদ্ধতির প্রতি এই সরকারের কোন শ্রদ্ধাবোধ নেই, যা গত প্রায় এক দশকে বর্তমান সরকার বারবার তাদের কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রমান করেছে। যার ফলশ্রুতিতে বর্তমান শাসকদের দেশ পরিচালনায় অন্যায়-অবিচারের শিকার হয়েছে দেশের জনগণ, বিশেষ করে এদেশের মেধাবী ও শিক্ষিত তরুণ সমাজ। এই অবিচারের অবসান ঘটাতে বিএনপি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

তিনি বলেন,  বর্তমান সরকার সমবেত মানুষের আওয়াজ শুনলেই শিহরিত হয়। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে জনগণের চাহিদা ও দাবিকে তারা সবসময় পাশ কাটিয়ে কেবলমাত্র আওয়ামী চেতনার মানুষদের সংকীর্ণ স্বার্থে কাজ করে গেছে।

মির্জা ফখরুল আরো বলেন, গতকাল চাকুরী প্রার্থী ও ছাত্র-ছাত্রীদের যৌক্তিক দাবী আদায়ের আন্দোলনে বিনা উস্কানিতে পুলিশের বর্বরোচিত আক্রমণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি, যারা গুরুতর আহত হয়েছেন তাদের আশু সুস্থতা কামনা করছি এবং আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী যাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে অবিলম্বে তাদের নিঃশর্ত মুক্তির জোর  দাবী জানাচ্ছি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সদ্য জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত সহকারি শিক্ষকদের চাকুরী রাজস্বখাতে আত্নীকরণে হাইকোর্টের রুল।

ডেস্ক,৯ এপ্রিল: খুলনা জেলার বিভিন্ন উপজেলার সদ্য জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত ১৯ জন সহকারি শিক্ষকগনের চাকুরী রাজস্বখাতে নিয়োগ/আত্নীকরণের নির্দেশনা চেয়ে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে একটি রীট পিটিশন দায়ের করেন। রীটকারীদের পক্ষে রীট পিটিশনটি শুনানী করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সিদ্দিক উল্লাহ্ মিয়া।

গতকাল ০৮/০৪/২০১৮ ইং তারিখে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের মাননীয় বিচারপতি নাঈমা হায়দার এবং মাননীয় বিচারপতি জাফর আহম্মেদ এর সমন্বয়ে গঠিত দ্বৈত বেঞ্চ এ রীট পিটিশনের প্রাথমিক শুনানী শেষে রীটকারী কর্মরত শিক্ষকগনের চাকুরি রাজস্বখাতে নিয়োগ/আত্রীকরনের ব্যর্থতা কেন অবৈধ ঘোষনা করা হবেনা এবং একই সাথে কেন উক্ত শিক্ষকগনের চাকুরি রাজস্বখাতে আতœীকরনের নির্দেশনা দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে বিবাদীগণের প্রতি ৪ সপ্তাহের রুলনিশি জারী করেন মহামান্য হাইকোর্টের এই দ্বৈত বেঞ্চ।

প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ৭ জনকে বিবাদী করা হয়েছে। রীটকারীদের পক্ষে শুনানী করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সিদ্দিক উল্লাহ মিয়া ও রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন, ডেপুটি এর্টনি জেনারেল মোখলেছুর রহমান।

অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, রীট আবেদনকারী ১৯ জনকে খুলনা জেলার বিভিন্ন উপজেলার বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে (সদ্য জাতীয়করণকৃত) সহকারি শিক্ষক পদে নিয়োগ প্রদান করা হয়। সম্প্রতি ২০১৩ সালে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহ অন্যান্য সকল রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের ঘোষনা দেওয়া হয়। উক্ত নির্দেশনা অনুসারে রীট আবেদনকারীদের বিদ্যালয়গুলো জাতীয়করণ করা হয় ও পরবর্তীতে সময়ে রীট আবেদনকারীদের সহকর্মী শিক্ষকদেরকে রাজস্বখাতে নিয়োগ/আতœীকরণ করা হয় কিন্তুু রীট আবেদনকারীদের নিয়োগ/আতœীকরণ করা হয়নাই। বিধি অনুসারে রাজস্বখাতে নিয়োগ/আতœীকরণ সকল শর্ত পূরন করা হলেও তাদের নিয়োগ/আতœীকরণ করা হয়নি। অবশেষে রীটকারীগন প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করা হলেও তাদের আতœীকরণ করা হলে জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বাদ পড়া কর্মরত ১৯ জন সহকারি শিক্ষক চাকুরী রাজস্বখাতে নিয়োগ/আতœীকরণের নির্দেশনা চেয়ে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে এই রীট পিটিশন দায়ের করেন । রীটকারীগণ হলেন খুলনা জেলার জেলার বায়রা উপজেলার নূরনাস আকতার, সামসুন নাহার, হোসনেয়ারা আকতার, মেহজাবিন ইসলাম সোনাডাঙ্গা উপজেলার রিনজিন খাতুন সহ সর্বমোট ১৯ জন সহকারি শিক্ষক ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বেসরকারী স্কুল-কলেজে শূণ্য পদে দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ করা হোক।

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ মামলার কারণে স্কুল-কলেজে শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া বন্ধ রাখার খবর উদ্বেগজনক। রোববার সমকালে ‘বরিশাল বিভাগের স্কুল-সহস্রাধিক শিক্ষক পদ শূন্য’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়, শিক্ষক নিয়োগ এক বছর ধরে স্থগিত।

কারণ হিসেবে বলা হয়েছে- বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষএনটিআরসিএর একটি পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ একটি পক্ষের মামলা। এনটিআরসিএ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নিয়োগের দায়িত্বপ্রাপ্ত।

তারা ১২তম ব্যাচে নিবন্ধনধারীদের মেধাক্রমে নিয়োগ দিতে পদক্ষেপ গ্রহণ করলে এর আগে নিবন্ধনধারী এক দল নিজেদের বঞ্চিত মনে করে এবং উচ্চ আদালতে রিট করে। এ কারণে পদ খালি থাকলেও নিয়োগ প্রদান করা হচ্ছে না।

কেবল বরিশাল বিভাগেই শরীরচর্চা বিষয়ে ২২০টি পদ শূন্য। গণিত, সাধারণ বিজ্ঞান, তথ্যপ্রযুক্তি, রসায়ন, পদার্থবিদ্যা প্রভৃতি বিষয়েও পদ শূন্য রয়েছে।

প্রতিবেদনে বরিশাল বিভাগের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এনটিআরসিএ যেহেতু গোটা দেশের শিক্ষক নিয়োগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা, তাই ধরে নিতে পারি যে, বাংলাদেশের সব বেসরকারি স্কুল-কলেজে একই ধরনের সমস্যা বিদ্যমান। অর্থাৎ সর্বত্রই পদ শূন্য। এটা শুভলক্ষণ যে, বাংলাদেশে শিক্ষার ব্যাপক প্রসার ঘটছে।

প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে রাজধানী ঢাকাসহ সর্বত্রই এমনকি হতদরিদ্র পরিবারগুলোর সন্তানরাও শিক্ষার আলোয় আলোকিত হতে চাইছে। এর পেছনে সরকারের বিভিন্ন ধরনের প্রণোদনাপূর্ণ কর্মসূচির অবদান অনস্বীকার্য। এখন বড় চ্যালেঞ্জ শিক্ষার মান বাড়ানো। এ জন্য প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে চাই দক্ষ ও যোগ্য শিক্ষক।

যেহেতু সংশ্নিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিবন্ধন পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগের জন্য শিক্ষকদের তালিকা প্রস্তুত করছে, তাই কোনো প্রতিষ্ঠানে পদ শূন্য হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নতুন কাউকে নিয়োগ প্রদানে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। কোনো কারণে কোনো ব্যক্তি কিংবা একসঙ্গে অনেকে সংক্ষুব্ধ হলে আদালতে কিংবা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিকার চাইতেই পারে।

মামলার রায় ইতিমধ্য‌ে প্রকাশ হয়েছে। তাই এর দ্রুত নিষ্পত্তি করা বাঞ্ছনীয়। পাঠদান হোক বা না হোক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ম অনুযায়ী ছাত্রছাত্রীরা এক শ্রেণির পড়াশোনা শেষ করে অন্য শ্রেণিতে ওঠার জন্য পরীক্ষা দিচ্ছে। তাদের বেশিরভাগ পাস করছে। কিন্তু শিক্ষক না থাকায় শিক্ষায় ঘাটতি থেকে যাচ্ছে। এ দায় তো গুরুতর। ছাত্রছাত্রীদের এ ক্ষতি কে পূরণ করবে? আমরা মনে করি, পাঠদানের ক্ষেত্রে একদিনের ক্ষতিও অপূরণীয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্নিষ্টরা দ্রুত শিক্ষক পদে নিয়োগের বাধা দূর করায় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে- এটাই প্রত্যাশা।

সূত্র :দৈনিক সমকাল।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কোটা সংস্কারের দাবিতে শাহবাগ মোড় অবরোধ

অনলাইন রিপোর্টার ॥ সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে পূর্ব ঘোষিত পদযাত্রা কর্মসূচিতে অংশ নিতে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরুদ্ধ করে রেখেছে আন্দোলনকারী সাধারণ শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রত্যাশীরা। রবিবার দুপুর ৩টা ৫ মিনিটে শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেয় তারা।

 

বর্তমানে শাহবাগ এলাকায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। অচল হয়ে পড়েছে শাহবাগ। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। হাজার হাজার শিক্ষার্থীর স্লোগানে প্রকম্পিত শাহবাগ।

 

এর আগে দুপুর দেড়টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে মিছিলে মিছিলে কর্মসূচিস্থলে আসতে শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি কোটা বিলুপ্ত নয়, যৌক্তিক সংস্কার।

 

মিছিল থেকে স্লোগান দেয়া হচ্ছে- ‘বঙ্গবন্ধুর বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘শেখ হাসিনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই,’ ‘আমাদের দাবি আমাদের দাবি, মানতে হবে মেনে নাও,’ ‘কোটা দিয়ে কামলা নয়, মেধা দিয়ে আমলা চাই,’ ‘১০% এর বেশি কোটা নয়।’

 

আন্দোলনকারীরা ঢাকা বিবিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শাহজাহান মিয়া বলেন, আমাদের দাবি যৌক্তিক। আমরা চাই সরকার আমাদের যৌক্তিক দাবি মেনে নেবে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে হলে কোটার সংস্কার করতে হবে। আমরা অহিংস আন্দোলনের মাধ্যমে আমাদের দাবি আদায় করব।

 

কোটা পদ্ধতির সংস্কারের দাবিতে বেশ কিছুদিন ধরে আন্দোলন চলছে। ওই আন্দোলনের অংশ হিসেবে ১৪ মার্চ ৫ দফা দাবি নিয়ে স্মারকলিপি দিতে সচিবালয় অভিমুখে যেতে চাইলে পুলিশি ধরপাকড় ও আটকের শিকার হন তিন আন্দোলনকারী। এরপর আরও বেশ কয়েকটি কর্মসূচি পালন করেন আন্দোলনকারীরা।

 

আন্দোলনকারীদের ৫ দফা দাবি- সরকারি নিয়োগে কোটার পরিমাণ ৫৬ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা, কোটার যোগ্য প্রার্থী না পেলে শূন্যপদে মেধায় নিয়োগ, কোটায় কোনো ধরনের বিশেষ নিয়োগ পরীক্ষা না নেয়া, সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে অভিন্ন বয়সসীমা, নিয়োগ পরীক্ষায় একাধিকবার কোটার সুবিধা ব্যবহার না করা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রথম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ করল প্রাইভেট শিক্ষক!

নিজস্ব প্রতিনিধি: সিলেট মহানগরীতে গৃহশিক্ষকের হাতে প্রথম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, সিলেট নগরীর এয়ারপোর্ট থানা এলাকা থেকে ৮ বছর বয়সী ওই শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মাহিন মিয়া (২০) নামে এক শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।

শনিবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যা রাতে এয়ারপোর্ট থানায় অভিযোগ করেন নির্যাতিতা ওই শিশুটির বাবা। এরপরে পুলিশি অভিযান চালিয়ে ওই দিন রাত ৯টার দিকে সিলেট নগরীর গোয়াবাড়ি জাহাঙ্গীরনগর এলাকা থেকে অভিযুক্ত মাহিন মিয়া গ্রেফতার করা হয়।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (১ এপ্রিল) থেকে গৃহশিক্ষক মাহিনের কাছে প্রাইভেট পড়া শুরু করে ওই শিশুটি। এরপর দিন সোমবার (২ এপ্রিল) রাত ৮টায় শিশুটি মাহিনের কাছে প্রাইভেট পড়তে গেলে তাকে ধর্ষণ করেন গৃহশিক্ষক নামের নরপশু মাহিন।

বর্তমানে নির্যাতিতা ওই শিশুটি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এ ব্যাপারে নির্যাতনের শিকার শিশুটির বাবা জানান, ওই ঘটনার দিন তিনি কাজের সুবাদে কুমিল্লায় অবস্থান করছিলেন। তার মেয়ে ওই এলাকার একটি মাদ্রাসায় ওয়ানে পড়ে। রবিবার (১ এপ্রিল) থেকে শিশুটি মাহিনের বাসায় গিয়ে প্রাইভেট পড়া শুরু করে। সোমবার (২ এপ্রিল) রাতে প্রাইভেট পড়তে গেলে তার শিশু কন্যাকে ধর্ষণ করেন মাহিন মিয়া।

যৌন নির্যাতনের পর রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটি তার মায়ের কাছে কান্না-কাটি করে পুরো ঘটনার বর্ণনা দেয়। শিশুটির বাবা শুক্রবার (৬ এপ্রিল) সিলেটে ফেরার পর মেয়েকে হাসপাতালে ভর্তি করেন। শনিবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় এয়ারপোর্ট থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে সিলেট মহানগর পুলিশের বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন জানান, হাসপাতালের ওসিসি’র তথ্য প্রমাণসহ শিশুটির বাবার দেওয়া অভিযোগ পেয়ে মামলা নেয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, মামলার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে নগরীর গোয়াবাড়ি জাহাঙ্গীরনগর এলাকা থেকে মাহিন মিয়া নামে ওই প্রাইভেট শিক্ষককে গ্রেফতার করে পুলিশ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter