নিউজ

যুগ্ম-সচিব হলেন ১৯৩ কর্মকর্তা

ঢাকা: জনপ্রশাসনের ১৯৩ জন উপ-সচিব ও সমমর্যাদার কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দিয়ে যুগ্ম-সচিব করেছে সরকার।

বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) দিনগত মধ্যরাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করেছে।

এর মাধ্যমে বর্তমান সরকারের মেয়াদে পঞ্চম দফায় বড় ধরনের পদোন্নতি পেলেন জনপ্রশাসনের কর্মকর্তারা। গত ১১ ডিসেম্বর প্রশাসনের ১২৮ জন যুগ্ম-সচিবকে অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি দেয় সরকার। কিছুদিনের মধ্যে উপসচিব পদেও পদোন্নতি আসছে বলে মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

জানা যায়, যুগ্ম-সচিবের স্থায়ী পদ আছে ৪৩০টি। নতুন এই পদোন্নতির পর বর্তমানে জনপ্রশাসনে যুগ্ম-সচিবের সংখ্যা দাঁড়ালো ৮৪২ জনে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাণিসম্পদমন্ত্রী ছায়েদুল হক আর নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক :

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী ছায়েদুল হক আর নেই। শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

বিএসএমএমইউর পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহ আল হারুন তার মৃত্যুর বিষয়টি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

তিনি গত আগস্ট মাস থেকে প্রোস্টেট গ্লান্ডের সংক্রমণে ভুগছিলেন এবং ১৩ ডিসেম্বর থেকে হাসপাতালের আইসিইউ এর ১৬ নম্বর বেডে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।

ছায়েদুল হক ১৯৪২ সালের ৪ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও একমাত্র ছেলেসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন এবং গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার ছেলে ডাক্তার এ এস এম রায়হানুল হক ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের প্রভাষক হিসেবে কর্মরত আছেন।

তিনি ১৯৭৩, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮ ও ২০১৪ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসন থেকে ৫ বার এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে তিনি খাদ্য, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতিও ছিলেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দামড়হুদায় বিজয় দিবসে র‌্যালিতে বিএনপির বিশৃঙ্খলা॥

যুবলীগ-বিএনপির সংঘর্ষ আহত শিশুসহ ১৩ জন ॥

চুয়াডাঙ্গা,১৬ডিসেম্বর॥
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা পৌরসভার বিশ্বাস মার্কেটের কাছে বিএনপির বিশৃঙ্খলার কারনে বিজয় দিবসের র‌্যালিতে যুবলীগের নেতা-কর্মীরা ও বিএনপির সংঘর্ষে র‌্যালিটি পন্ড হয়ে যায়। এসময় বিএনপি নেতা জালাল উদ্দীন (৩৫), শফিউল্লাহ (৪০), রাসেল (২৮), আলতাফ উদ্দীন (৩০), হাসমত আলী (৩২), সাইফুল (২০), জাহিদ হোসেন (২৬), আপু (২৯) ও বাদল (২২) সহ ১০ জন এবং যুবলীগ নেতা আব্দুর রহমান (৩৭) ও মিলন (২১) সহ ৩ জন আহত হয়েছে। আজ শনিবার সকাল ৯ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, শনিবার সকালে দর্শনা কলেজ মাঠ থেকে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজগার টগরের নেতৃত্বে শহরের বিভিন্ন স্থান পরিদর্শনের সময় বিএনপির একটি র‌্যালি মুক্তিযোদ্ধা ও ছোট ছোট শিশুদের র‌্যালিকে থামিয়ে মাঝখানে ঢুকতে যায়। এ সময় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা এর প্রতিবাদ করলে যুবলীগের সাথে বিএনপির সংঘর্ষ বাধে। এতে তৎক্ষনাত আজমপুর, লিটিল এনজেলস,জয়নগর,শান্তিনগর,কাষ্টমসসহ একাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুরা এলাপাথারি দৌড়াতে থাকে। এতে শিশু অভিজিৎ সান্তারা,আনারুল আকমল আকিব সহ বিএনপি কর্মী জালাল উদ্দীন, শফিউল্লাহ, রাসেল, আলতাফ উদ্দীন, হাসমত আলী, সাইফুল ইসলাম ও আপু এবং যুবলীগ নেতা আব্দুর রহমান ও মিলন আহত হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৬১ হাজার ৮৩টি স্থানে জাতীয় পতাকা ওড়াবে ইফা

দ্য রিপোর্ট প্রতিবেদক : মহান বিজয় দিবস (১৬ ডিসেম্বর) উপলক্ষে শনিবার ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা) সারাদেশের ৬১ হাজার ৮৩টি স্থানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবে। এ ছাড়া ইফার উদ্যোগে দিনটিতে বিশেষ দোয়া মাহফিল এবং বিজয় দিবসের তাৎপর্য এবং সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিরোধী আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) ইফার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিজয় দিবস উপলক্ষে শনিবার সকাল ১০টায় বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের রূহের মাগফিরাত কামনা করে পবিত্র কুরআনখানি, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ৬৪টি জেলা ও বিভাগীয় কার্যালয়, ৫৫০টি উপজেলা বা জোনে মডেল ও সাধারণ রিসোর্স সেন্টার, প্রাক্ প্রাথমিক গণশিক্ষার ৫৯ হাজার ৯৬৮টি কেন্দ্র, ৫০টি ইসলামিক মিশন, ১৯টি ইবতেদায়ী মাদ্রাসা ও ৪২৫টি মক্তব এবং ৭টি ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমিসহ মোট ৬১ হাজার ৮৩টি স্থানে যথাযোগ্য মর্যাদায় সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। একই সঙ্গে সকল স্থানে বিজয় দিবসের তাৎপর্য এবং সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিরোধী আলোচনা সভা এবং বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া শনিবার বাদ যোহর দেশের সকল মসজিদে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের রূহের মাগফিরাত কামনা এবং যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল আয়োজনের জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত সেই শিক্ষক চাকরিচ্যুত

জেলা প্রতিনিধি বাগেরহাট : বাগেরহাট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে কোচিং সেন্টারের প্রশ্নপত্রে বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার ঘটনায় জড়িত আইসিটি বিষয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক শেখ মো. বেল্লাল হোসেনকে চাকরিচ্যুত করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।

সেই সঙ্গে স্কুল কর্তৃপক্ষ চাকরিচ্যুত শিক্ষক বেল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে বাগেরহাট মডেল থানায় একটি মামলা করেছেন। বৃহষ্পতিবার গভীররাতে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মতিন হাওলাদার বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। তবে পুলিশ ওই শিক্ষককে এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি।

বাগেরহাট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মতিন হাওলাদার বলেন, শিক্ষক বেল্লাল হোসেনের কোচিং সেন্টারে অনুষ্ঠিত মডেল টেস্টের প্রশ্নপত্রে বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার অভিযোগ উঠলে তার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি ঘটনার সত্যতা পেয়ে স্কুলের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখতে তাকে চাকরিচ্যুতির সুপারিশ করে। এছাড়া টিচার্স কাউন্সিলের জরুরি সভায়ও একই দাবি ওঠে। নিয়োগ বিধি মেনে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে এবং বাগেরহাট মডেল থানায় তার বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়েছে।

বাগেরহাট মডেল থানা পুলিশের পরিদর্শক (অপারেশন) ও মামলা তদন্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, বাগেরহাট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মতিন হাওলাদার বাদী হয়ে ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ আইনের ৪ ধারায় তার বিদ্যালয়ের শিক্ষক বেল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছেন। আমি মামলার তদন্ত শুরু করেছি। আসামিকে ধরতে অভিযান চলছে।

উল্লেখ্য, গত ৯ ডিসেম্বর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণির অনুষ্ঠিত বার্ষিক পরীক্ষায় খণ্ডকালীন শিক্ষক বেল্লাল হোসেন পরিচালিত তার কোচিং সেন্টারের মডেল টেস্টের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় শহর জুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হলে ঘটনা তদন্তে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সহকারী প্রধান শিক্ষক আমজাদ হোসেনকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত কমিটি প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষক বেল্লাল হোসেনের জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়ে তাকে চাকরিচ্যুতির সুপারিশ করে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। ১৪ ডিসেম্বর তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক তপন কুমার বিশ্বাসের কাছে জমা দেয়া হয়। তিনি নিয়ম মেনে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অসামাজিক কর্মকাণ্ড, শিক্ষা কর্মকর্তা ও শিক্ষিকা আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক খুলনা : স্বামীর অনুপস্থিতিতে অসামাজিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার অভিযোগে খুলনা সদর থানার সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা অসীত কুমার বর্মন এবং মহানগরীর পশ্চিম টুটপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা নুসরাত জাহান পলিকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের শুক্রবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাতে মহনগরীর দক্ষিণ টুটপাড়াস্থ দিলখোলা রোড এলাকায় নুসরাতের বাসা থেকে খুলনা সদরথানা পুলিশ তাদের আটক করে। এ ঘটনায় শিক্ষিকা নুসরাত জাহান পলির স্বামী এসএম মিজানুর রহমান বাদী হয়ে দু’ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন।

আটক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা অসীত কুমার বর্মন সাতক্ষীরা জেলা সদরের রাজনগর গ্রামের অমল কুমার বর্মনের ছেলে এবং শিক্ষিকা নুসরাত জাহান পলি একই জেলার তালা উপজেলার হরিনগর গ্রামের জাহাতাব উদ্দিন গোলদারের মেয়ে। দীর্ঘদিন ধরেই তারা অবৈধ সম্পর্কে জড়িত আছে বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খুলনা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুব্রত কুমার বাড়ই শুক্রবার বলেন, শিক্ষিকা নুসরাত জাহান পলির স্বামী এসএম মিজানুর রহমান বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হন। কিন্তু তিনি শহরের সাত রাস্তার মোড় পর্যন্ত গিয়ে আবার বাসায় ফেরেন। রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি বাসায় ফিরে দেখতে পান তার স্ত্রী এবং সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা অসীত কুমার বর্মন অসামাজিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত রয়েছে। এ অবস্থায় এলাকাবাসীর সহযোগিতায় তাদের আটক করে তিনি পুলিশে সোপর্দ করেন।

এ ব্যাপারে খুলনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রমেন্দ্রনাথ পোদ্দার জানান শুক্রবার সকালে তিনি দু’জনের আটকের খবরটি শুনেছেন। কিন্তু অফিস ছুটি থাকায় তাদের বিরুদ্ধে আপাতত কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাচ্ছে না। অফিস খুললে রোববার তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হবে। এরপর বিধি অনুযায়ী অন্যান্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বরগুনায় জামিন পেলেন প্রশ্ন ফাঁসে জড়িত প্রধান শিক্ষক

জেলা প্রতিনিধি বরগুনা : বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে গ্রেফতারের পর আদালতের মাধ্যমে জামিন পেয়েছেন বরগুনার প্রাথমিক বিদ্যলয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোলাম সরোয়ার ননী। তিনি বরগুনা সদর উপজেলার আয়লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসএম মাসুদুজ্জামান বলেন, প্রাথমিক বিদ্যলয়ের বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার তথ্য পেয়ে গোলাম সরোয়ার ননীকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদে তার জড়িত থাকার বিষয়টি প্রমাণিত হলে মামলা দিয়ে তাকে আদালতে পাঠানো হয়। পরে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কোচিং সেন্টারের প্রশ্নপত্রে বার্ষিক পরীক্ষা, অভিযুক্ত শিক্ষককে চাকরিচ্যুতির সুপারিশ

বাগেরহাট প্রতিনিধি: বাগেরহাটে কোচিং সেন্টারের প্রশ্নপত্রে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক বেল্লাল হোসেনকে চাকরিচ্যুতির সুপারিশ করা হয়েছে। ঘটনার পর গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে এই সুপারিশ করা হয়। বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকালে তদন্ত কমিটির প্রধান বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক শেখ আমজাদ হোসেন প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মতিন হাওলাদারের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। নির্ধারিত সময়ের একদিন আগেই তদন্ত কমিটি তাদের তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন জমা দেয়।

বাগেরহাট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বিষয়ে কোচিং সেন্টারে মডেল টেস্টে নেওয়া প্রশ্নপত্রেই বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠার পর মঙ্গলবার পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে তাদের দুই কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

এদিকে বাগেরহাটের ঐতিহ্যবাহী এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমন ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে অভিভাবক ও সচেতন মহলের মাঝে। তারা স্কুলের সুনাম ও শিক্ষার মানকে সমুন্নত রাখতে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

তদন্ত কমিটির প্রধান বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক শেখ আমজাদ হোসেন বলেন, বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন আইসিটি বিষয়ের শিক্ষক শেখ মো. বেল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ পেয়ে আমরা তদন্ত শুরু করি। তদন্তের সময় কমিটির সদস্যরা প্রথমে একাধিক অবিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে আমরা শিক্ষক বেল্লাল হোসেনের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলি। অবিভাবক, শিক্ষার্থী ও অভিযুক্ত শিক্ষকের বক্তব্যে অনুযায়ী ওই শিক্ষক যে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত তা তদন্তে বেরিয়ে এসেছে। আমরা স্কুলের সুনাম, শিক্ষার মানকে সমুন্নত রাখতে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করেছি।’

প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মতিন হাওলাদার বলেন, ‘নির্ধারিত সময়ে আগেই তদন্ত কমিটি তদন্ত শেষ করে তাদের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেয়ে স্কুলের শিক্ষক কাউন্সিল কমিটির জরুরি সভা আহ্বান করা হয়। ওই সভা থেকেও খণ্ডকালীন আইসিটি বিষয়ের শিক্ষক শেখ মো. বেল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে জোর দাবি তোলা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন এবং শিক্ষক কাউন্সিল কমিটির রেজুলেশন অনুযায়ী শিক্ষক বেল্লাল হোসেনের চাকরিচ্যুতির জন্য স্কুল ব্যবস্থপনা পর্ষদের সভাপতি বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক তপন কুমার বিশ্বাসের কাছে আমাদের সিদ্ধান্ত জানিয়েছি। তিনিই পরবর্তি পদক্ষেপ নেবেন।’

অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে প্রভাতি শাখার খণ্ডকালীন শিক্ষক শেখ মো. বেল্লাল হোসেনের সঙ্গে মোবাইলে বারবার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

প্রসঙ্গত, বাগেরহাট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক শেখ মো. বেল্লাল হোসেন স্কুল শেষে নিজ বাড়িতে কোচিং সেন্টার খুলে তাতে তৃতীয় শ্রেণির বেশকিছু শিক্ষার্থীকে ব্যাচ করে পড়ান। প্রায় ১৫ দিন আগে ওই শিক্ষক তার কোচিং সেন্টারে পড়া শিক্ষার্থীদের ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বিষয়ে মডেল টেস্ট পরীক্ষা নেন। গত ৯ ডিসেম্বর তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বিষয়ে দেওয়া বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সঙ্গে হুবহু মিলে যায়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষা সংক্রান্ত অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধে দুদকের ৩৯ সুপারিশ

প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকানো, কোচিং বাণিজ্য বন্ধ, এমপিওভুক্তি ও পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নসহ শিক্ষা সংক্রান্ত অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধের জন্য ৩৯টি সুপারিশ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের একটি শিক্ষা সংক্রান্ত প্রাতিষ্ঠানিক টিমের অনুসন্ধানের পর সরকারের কাছে এসব সুপারিশ করা হয়েছে। সুপারিশপত্রে স্বাক্ষর করে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বরাবর প্রেরণ করেছেন দুদক সচিব ড. ম. শামসুল আরেফিন।

বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) বেলা একটার দিকে রাজধানীর দুর্নীতি দমন কমিশন কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনানুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন দুদক সচিব ড. ম. শামসুল আরেফিন।

তিনি বলেন, ‘শিক্ষাকে কোনভাবেই বাণিজ্য হিসেবে দেখতে চায় না দুদক। বিগত ছয় মাস শিক্ষা নিয়ে কাজ করেছে কমিশন। টোটাল প্রশাসনিক সংস্কারসহ বিভিন্ন বিষয়ে সমাধানের জন্য এ সুপারিশ করা হয়েছে।’

উল্লেখ্য, কমিশনের প্রতিবেদনে দুর্নীতির উৎস, দুদকের আইনি ম্যান্ডেট এবং এসব দুর্নীতি প্রতিরোধে সুনির্দিষ্ট সুপারিশমালা প্রণয়ন করেছে দুদকের বিশেষ টিমের সদস্যরা। এই প্রতিবেদনে প্রশ্নপত্র ফাঁস, নোট/গাইড ও কোচিং বাণিজ্য, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো নির্মাণ, এমপিওভুক্তি, নিয়োগ ও বদলিসহ বিভিন্ন প্রকারের দুর্নীতির উৎস এবং তা বন্ধের জন্য ৩৯ টি সুনির্দিষ্ট সুপারিশ করা হয়েছে। ‘শিক্ষা সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানিক টিম’ এর প্রধান ছিলেন দুদকের পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন। দুই সদস্যের এই টিমের অপর সদস্য ছিলেন সহকারী পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান।

banglatribune

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকের বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ‘ফাঁসে’ নয়জন আটক, ১১৩ প্রাথমিকে পরীক্ষা স্থগিত

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি: মুন্সীগঞ্জ সদরে প্রাথমিকের বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ায় মঙ্গলবার রাতে নয়জনকে আটক করেছে পুলিশ। শহরের বিভিন্ন এলাকার মেসে অভিযান চালিয়ে এদের আটক করা হয়।

আটকরা হচ্ছেন- মো. কাজিম, রফিকুল ইসলাম, রতন মিয়া, আব্দুর রহিম, মো. কামরুল, মোস্তাফিজুর রহমান, রিয়াজ মিয়া, সাখাওয়াত হোসেন ও জাকির হোসেন।

মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ওই অভিযান চালানো হয়।

এদিকে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় বুধবার সদরের ১১৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তিনটি শ্রেণির সকল বিষয়ের বার্ষিক পরীক্ষা স্থগিত করেছে প্রশাসন।

বিদ্যালয়গুলোর দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির বাংলা, ইংরেজি, গণিত, সমাজ, বিজ্ঞান ও ধর্ম পরীক্ষা স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছে। এতে বুধবার পূর্ব-নির্ধারিত ইংরেজি বিষয়ের পরীক্ষাও অনুষ্ঠিত হয়নি। এর আগে মঙ্গলবার বাংলা বিষয়ের পরীক্ষা হয়নি।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পঞ্চানন বালা জানান, জেলা প্রশাসনের নির্দেশে প্রাথমিকের দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির সকল বিষয়ের বার্ষিক পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার প্রাথমিক ওই তিন শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হয়। প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার ঘটনায় মঙ্গলবার বাংলা বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছিল।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রধান শিক্ষক নিয়োগে ১৮ লাখ টাকা ঘুষ দাবি স্কুল সভাপতির

ঝিনাইদহ: ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু শাখারীদহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদে নিয়োগ নিয়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। সামাজিক ভাবে প্রভাবশালী দুই পক্ষের দ্বন্ধের জেরে এক পর্যায়ে উচ্চ আদালতের দারস্থ হয়েছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম।

জানা গেছে, প্রধান শিক্ষকের অবসর জনিত কারণে পদটি শূন্য হয়। তাই প্রধান শিক্ষক ও একই সাথে পিয়ন পদে বিজ্ঞপ্তি আহবান করা হয়। প্রধান শিক্ষক পদে ১০ জন ও পিয়ন পদে ৯ জন আবেদন করেন। রেজুলেশন করে নিয়োগ বোর্ড গঠনের জন্য তোড়জড়ের মুহুর্তে প্রধান শিক্ষক পদে ১৮ লাখ ও পিয়ন পদে ৯ লাখ টাকার দর ওঠে। টাকা ভাগাভাগী ও যোগ্য ব্যক্তির নিয়োগ নিয়ে ঠান্ডা লড়াই শুরু হলে স্কুল সভাপতি শেফালী খাতুন ও এলাকার মানুষ জেলা শিক্ষা অফিসার মকছেদুল ইসলামের কাছ থেকে পরামর্শ নেন। এরপর এলাকায় ফিরে গিয়ে সভাপতির পক্ষের লোকজন জোর পুর্বক নিয়োগ বোর্ড গঠনের রেজুলেশন করার চেষ্টা করেন। এ নিয়ে স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম বিপাকে পড়েন।

প্রধান শিক্ষক প্রার্থী পয়িানপুর গ্রামের আব্দুল আলীম জানান, তার কাছে সভাপতি ও তার ছেলে ১৮ লাখ টাকা দাবি করেছেন। টাকা না দিলে নিয়োগ দেয়া হবে না বলে তিনি অভিযোগ করেন।

শাখারীদহ গ্রামের মসিউর রহমানও টাকা দাবি করার কথা সংবাদ মাধ্যমকে জানান।

স্কুলের বিদ্যুৎসাহি সদস্য মওলা বক্স জানান, প্রধান শিক্ষক ও পিয়ন পদে টাকা দাবি করছেন সভাপতির ছেলে ড্যানী আহম্মেদ। তাদের কারণে এলাকায় অশান্তির সৃষ্টি হচ্ছে।

এদিকে অভিভাবক সদস্য শরিফুল ইসলাম তার জামাই আব্দুল লতিফকে পিয়ন পদে নিয়োগ দেওয়ার জন্য ৯ লাখ টাকা নিয়ে ঘুরছেন এমন অভিযোগও করেন কেও কেও।

বিষয়টি নিয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম জানান, আমি শুনেছি পদ কেনা বেচা হচ্ছে। এ অবস্থায় নিয়োগ বোর্ড গঠিত হলে খুনোখুনি হতে পারে। তিনি এই মুহুর্তে নিয়োগ বন্ধ রাখার পক্ষে মত দেন।

ঝিনাইদহ জেলা শিক্ষা অফিসার মকছেদুল ইসলাম জানান, নিজেরা সমঝোতায় না আসলে নিয়োগ বোর্ডের অনুমতি দেয়া হবে না। তবে যোগ্য শিক্ষককে নিয়োগ দিতে হবে।

সর্বশেষ খবরে জানা গেছে, উচ্চ আদালতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও নিয়োগ প্রত্যাশি চার জনের রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে দুটি পদে আপাতত নিয়োগ স্থগিত করা হয়েছে।

তবে স্কুল সভাপতি শেফালী খাতুনের পক্ষে তার ছেলে ড্যনি আহম্মেদ জানান, আমরা আদালতের কোন নির্দেশনা পায়নি। তাছাড়া স্থানীয় সংসদ সদস্যের উপর বিষয়টি ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তিনি তার মায়ের বিরুদ্ধে পদ বিক্রি ও টাকা দাবি করার অভিযোগ সত্য নয় বলে দাবি করেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সরকারি মাধ্যমিক স্কুলে (চলন্ত সিঁড়ি) স্থাপনে এক তুঘলকি প্রকল্পে তোলপাড়

ডেস্ক: সরকারি মাধ্যমিক স্কুলে এসকেলেটর (চলন্ত সিঁড়ি) স্থাপনে এক তুঘলকি প্রকল্প হাতে নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এটি বাস্তবায়ন করবে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর (ইইডি)। প্রকল্পের জন্য ১১১৬ কোটি টাকা সংস্থান রাখা হয়েছে। এই অবস্থায় প্রকল্পের বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে খোদ পরিকল্পনা কমিশন। উদ্যোগী সংস্থার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, দেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে এই প্রকল্প কতটা বাস্তবায়ন যোগ্য? অন্যদিকে পুরো প্রকল্প নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ১৬৩টি সরকারি মাধ্যমিক স্কুলে এসকেলেটর স্থাপনের জন্য ১১১৬ কোটি টাকার বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
২০১৭-২০২১ সালে এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে। তার আগে গত ২১শে মার্চ একনেকে এ প্রকল্প পাস হয়। সেখানে প্রকল্পের আর্থিক সংশ্লিষ্টরা, নিরাপত্তাসহ অনেক বিষয় গোপন রাখা। এরপর ৬ই নভেম্বর প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটি (পিইসি) সভায় এ প্রকল্পের বাস্তবতা নিয়ে এক ডজনের বেশি প্রশ্ন তুলে এর জবাব চাওয়া হয়েছে উদ্যোগী সংস্থার কাছে।
গত ২১শে মার্চ একনেকে এ প্রকল্প পাস হওয়ার পর এর আনুষ্ঠানিকতা ও অর্থ ছাড়ের তোড়জোড় শুরু করে মাউশি। কিন্তু এরমধ্যেই ব্যতিত্রুম ঘটনা ঘটিয়ে প্রকল্প নিয়ে প্রশ্ন তুলে পরিকল্পনা কমিশন। সাধারণত একনেকে পাস হওয়ার পর প্রকল্পে যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয় না। কিন্তু এ প্রকল্পের প্রশ্ন তোলার কারণ ব্যাখ্যা করে পরিকল্পনা কমিশনের শিক্ষা উইং-এর কর্মকর্তারা বলছেন, প্রকল্প পাস করানোর সময় নানা বিষয় গোপন করা হয়। যা পরবর্তীকালে আমাদের চোখে ধরা পড়ে। একাধিক বৈঠকে বাস্তবায়নকারী সংস্থা সদুত্তর দিতে না পারায় প্রকল্পের বাস্তবায়ন কতটা যৌক্তিক তাদের কাছে তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে মাউশির পরিকল্পনা শাখার পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন মানবজমিনকে বলেন, প্রকল্পের কিছু বিষয় নিয়ে পরিকল্পনা কমিশন জানতে চেয়েছে আমরা জবাব দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি। তিনি বলেন, একনেকে পাস হওয়ার পর প্রকল্পের যৌক্তিকতা নিয়ে এ ধরনের প্রশ্ন স্বাভাবিকভাবে আসে না। তার পরও আমরা জবাব তৈরি করছি।
মাউশি ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রপোজাল (ডিপিপি) বলেছে, সারা দেশে ৩৩৫টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ৩২৩টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভৌত অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য প্রকল্প নেয়া আছে। যার ব্যয় চার হাজার ৬৪০ কোটি টাকা অনুমোদন দেয়া হয়। ছয় মাসের ব্যবধানে এই ব্যয় ১ হাজার ৫২৫ কোটি টাকা বা ৩২ দশমিক ৮৭ শতাংশ বাড়িয়ে ছয় হাজার ১৬৫ কোটি টাকা করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। নতুন করে ১৬৩টি বিদ্যালয়ের ভবনে এসকেলেটর (চলন্ত সিঁড়ি) স্থাপনের জন্য ১১১৬ কোটি টাকার বিশাল ব্যয়ে প্রস্তাব দেয়া হয়। প্রতি স্কুলে এসকেলেটর স্থাপনের ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।
এসকেলেটরের যৌক্তিকতা তুলে ধরে বলা হয়, এর মাধ্যমে এক সঙ্গে অনেক শিক্ষার্থী ওঠানামা করতে পারবে। বহুতল ভবনে তাদের ওঠানামার পরিশ্রম কমে যাবে। এ যুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে পিইসির সভায় বলা হয়, শিক্ষার্থীদের শারীরিক বৃদ্ধিসহ শারীরিকভাবে সুস্থ থাকার জন্য এসকেলেটর বা লিফটের পরিবর্তে সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা খুবই কার্যকর। এ ব্যাপারে পিইসি সভায় বলা হয়, মাধ্যমিক পর্যায়ে কোনো বিদ্যালয়ে ১০তলা ভবন নেই। সাধারণত ৪-৬ তলা ভবন আছে। এ ধরনের ভবনে খুব সহজেই লিফট বা এসলেকটর ছাড়াই উঠানামা করা যায়। হঠাৎ করে বিদ্যুৎ চলে গেলে এসকেলেটর বা লিফটের মধ্যে শিক্ষার্থীরা আটকে থাকার মাধ্যমে তাদের মধ্যে আতঙ্ক ও মানসিক বিপর্যয়ের মতো নেতিবাচক মানসিক ঘটনা সৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া পার্শ্ববর্তী কোনো দেশে মাধ্যমিক পর্যায়ের বিদ্যালয়ে এসকেলেটরসহ বহুতল ভবন নেই। এর পরিপ্রেক্ষিতে পিইসি সভায় বলা হয়, দেশের সরকারি মাধ্যমিক স্কুলে অভ্যন্তরে অতিরিক্ত খালি জায়গা থাকে। এ বিবেচনা ১০তলা ভবনের পরিবর্তে সমআয়তনের ৫ থেকে ৬তলা ভবন করলে একদিকে শিক্ষার্থীদের সুস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব। অন্যদিকে এসকেলেটর স্থাপনের জন্য অনেক জায়গা প্রয়োজন। এসকেলেটর স্থাপন করতে গেলে প্রতিটি ভবনের মাঝের ও নিচের ফ্লোর ভাঙতে হবে, যা অনেক ব্যয়সাপেক্ষ। এগুলো করতে গেলে একটি বড় সময়ের জন্য স্কুল বন্ধ দিতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার ক্ষতি হবে। তা ছাড়া স্কুল শুরু ও ছুটির সময় শ’ শ’ শিক্ষার্থী একসঙ্গে ওঠানামা করতে গেলে তা সময়সাপেক্ষ হবে। এসকেলেটর বা লিফট স্থাপনের পর রক্ষণাবেক্ষণে যে অর্থের প্রয়োজন হবে তা স্কুল যথাসময়ে সংকুলান করতে পারবে কি না, এগুলো সচল রাখার জন্য সার্বক্ষণিক নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত কি না, এগুলো চালু হওয়ার পর কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে তা গণপূর্ত অধিদপ্তর বা সরকারি সংস্থার মাধ্যমে দ্রুত মেরামতের ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হবে কি না? এ ছাড়া আর্থিক সংশ্লেষ ও মফস্বল শহরে এর ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য পেশাদার দক্ষ জনশক্তির প্রয়োজন।
পিইসি সভায় বলা হয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের চলাফেরার জন্য এসকেলেটর ব্যবহার কারিগরি দিক দিয়ে উপযোগ্য কি না তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। কেননা শিক্ষার্থীদের চলাফেরার জন্য এসকেলেটর ব্যবহার ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। এসকেলেটর ব্যবহারের সুবিধা থাকলেও শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রাথমিকভাবে কিছুটা উত্তেজনা কাজ করতে পারে। ফলে তারা যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করে এসকেলেটরে ওঠানামা করার বিষয়টি মেনে চলতে না পারলে বিভিন্ন ধরনের দুর্ঘটনার শিকার হবে। এ ছাড়াও শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী পিইসিকে জানান, বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়নি। এসকেলেটর স্থাপনের সঙ্গে জড়িত নিরাপত্তা পদক্ষেপ ও কারিগরি ঝুঁকিসহ বিভিন্ন নেতিবাচক দিক সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা প্রয়োজন ছিল বলে পিইসি মতামত দিয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক প্রফেসর সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী মানবজমিনকে বলেন, মাধ্যমিক স্কুলে এসকেলটর চালুর বিষয়টি হাস্যকর ছাড়া কিছু না। আর এগুলো স্কুলে চলবে না। কারণ, ঢাকার রাস্তায় যেগুলো দেয়া হয়েছিল, তা অকেজো হয়ে গেছে। আমি মনে করি এ প্রকল্পের পুরোটাই হবে অপচয় ও লুটপাট। এর চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো স্কুলগুলোয় ভবন নির্মাণ, খেলার মাঠ তৈরি, পাঠাগার তৈরি করা।
এ ব্যাপারে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান মানবজমিনকে বলেন, যেহেতু পরিকল্পনা কমিশনই এটা নিয়ে আপত্তি তুলেছে এটা পরিষ্কার এর কোনো যৌক্তিকতা নেই। কারণ, আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সার্বিক অবকাঠামোর দিক বিবেচনা করলে এই প্রকল্প অসাঞ্জস্যপূর্ণ এবং বিলাসিতা ছাড়া কিছু না। তিনি বলেন, এর পেছনে কোনো বিশেষ মহল লাভবান হবে কি না দেখা প্রয়োজন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অবকাঠামোর আরও অনেক দিক আছে, সেখানে অর্থ ব্যয় করা সম্ভব। এ প্রকল্পের অর্থ দিয়ে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উন্নত শৌচাগার তৈরি করা যায়। এসব বিষয়কে প্রাধান্য দেয়া উচিত বলে মত দেন তিনি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ডাচ বাংলা ব্যাংকের সকল কার্যক্রম দুই দিন বন্ধ থাকবে

নিউজ ডেস্ক : বেসরকারি ডাচ বাংলা ব্যাংকের এটিএম বুথসহ পিওএস এবং এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের সকল কার্যক্রম বৃহস্পতিবার রাত ১২টা থেকে শনিবার রাত ১২টা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এই সময়ে ডাচ বাংলা ব্যাংকের গ্রাহকরা কোন শাখাতেও লেনদেন করতে পারবেন না।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দুদক তালিকার শিক্ষক ফারহানার রমরমা কোচিং বাণিজ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক: কোচিং বাণিজ্যে জড়িত থাকার অভিযোগে ভিকারুননিসা স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ রাজধানীর স্বনামধন্য আটটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৯৭ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে চিঠি পাঠিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।এরপরও ভিকারুননিসার অভিযুক্ত পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ড. ফারহানার কোচিং ব্যবসা থেমে নেই। সিদ্ধেশ্বরী এলাকার বৈগর গলির একটি বাসায় চলছে তার কোচিং সেন্টার। মঙ্গলবার (০৫ ডিসেম্বর) সকালে গিয়ে দেখা যায় সেখানে শিক্ষার্থীদের পড়ানো হচ্ছে।

গত সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগসহ কোচিং বাণিজ্যে জড়িত ৯৭ শিক্ষকের কর্মস্থল রাজধানীর আটটি স্কুলের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক বা অধ্যক্ষের কাছে তালিকা পাঠায় দুদক।

এ বিষয়ে জানতে মঙ্গলবার সকালে প্রিন্সিপাল নাজনীন ফেরদৌসের সঙ্গে কথা বলতে ভিকারুননিসা স্কুল অ্যান্ড কলেজে গেলে নিরাপত্তারক্ষী একটি ফরম ধরিয়ে দিয়ে বলেন, ‘এখানে নাম-ঠিকানা পূরণ করতে হবে। কী কারণে প্রিন্সিপালের সঙ্গে দেখা করতে চান সেটিও উল্লেখ করতে হবে।’ তবে ফরম পূরণ করেও প্রিন্সিপাল সাক্ষাতের সুযোগ দেননি। ওই নিরাপত্তারক্ষী ফিরে এসে এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘ম্যাডাম এখন ব্যস্ত আছেন। আপনার কার্ড দিয়ে যান, পরে তিনি ফোন করে কথা বলবেন।’  কিন্তু বিকাল ৫টা পর্যন্ত অপেক্ষা করা হলেও তিনি এ প্রতিবেদককে ফোন করেননি।

দুদকের তালিকায় প্রতিষ্ঠানটির প্রভাতী শাখার সহকারী শিক্ষক কামরুন্নাহার চৌধুরী (ইংরেজি ভার্সন), ড. ফারহানা (পদার্থবিজ্ঞান), সুরাইয়া নাসরিন (ইংরেজি), লক্ষ্মী রানী, ফেরদৌসী ও নুশরাত জাহানের নাম রয়েছে। মঙ্গলবার ভিকারুননিসা স্কুল অ্যান্ড কলেজে গিয়ে নিরাপত্তারক্ষীর মাধ্যমে বার্তা পাঠালেও তারা কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান।

ভিকারুননিসার পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক ড. ফারহানা রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী এলাকার বৈগর গলির ৬৪ নম্বর বাসার প্রথম তলায় দুটি কক্ষ নিয়ে কোচিং পরিচালনা করেন। মঙ্গলবার সকালে সেখানে গিয়ে যায়, কোচিং সেন্টারটির বাইরে কোনও সাইনবোর্ড নেই। তবে সেন্টারটির বাইরের দরজার ওপরে সাইনবোর্ড থাকলেও সেটি যে খুলে ফেলা হয়েছে তার ছাপও চোখে পড়ে।

সেখানে গিয়ে দরজায় টোকা দিতেই বের হয়ে আসেন দুই নারী। তারা নিজেদের নাম না বলে শুধু কোচিং সহকারী বলে পরিচয় দেন। দরজা দিয়ে ভেতরে দেখা যায়, কক্ষ দুটিতে সারি সারি বেঞ্চে বসে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিচ্ছে। তবে সেখানে শিক্ষক ফারহানাকে পাওয়া যায়নি।

কোচিং সহকারী দুজনই পরীক্ষা তদারকি করছেন। সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে কথা বলতে চাইলে তারা বলেন, ‘ম্যাডাম আমাদের রেখেছেন কাজের জন্য। তাই কাজ করি। এছাড়া আর কিছু জানি না।‘ তারা আরও বলেন, ‘ম্যাডাম সকাল থেকে কোচিংয়ে আসেননি,  আজ সারাদিনেও আসবেন না।’ ড. ফারহানার ফোন নম্বরও দেননি তারা। এরপর তারা তড়িঘড়ি করে দরজা লাগিয়ে দেন।

পরে কোচিং শেষে কয়েকজন ছাত্রী বের হয়ে এলে তাদের সঙ্গে কথা হয় এ প্রতিবেদকের। তারা বলে, ফারহানা ম্যাম অনেক ভালো পড়ান, তাই তার কাছে পড়ি। ড. ফারহানা নবম-দশম ও একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞানের প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থীকে এই কোচিংয়ে পড়ান বলেও জানান ওই ছাত্রীরা।

এসময় ফরিদা পারভিন নামের এক অভিভাবক বলেন, ‘আমরা অভিভাবকরা কোচিংয়ের পক্ষে। কারণ, স্কুলের একটা শ্রেণিকক্ষে অন্তত দেড়শ শিক্ষার্থীকে বসিয়ে ক্লাস নিতে হয় শিক্ষকদের। ক্লাসও হয় অল্প সময়। এত শিক্ষার্থীর মধ্যে কিভাবে একজন শিক্ষক সবাইকে ধরে ধরে বোঝাবেন?’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় গলদ আছে। এখনকার পড়াশোনা অনেক কঠিন। তার ওপর অনেক প্রতিযোগিতা। এখানে টিকে থাকতে হলে কোচিং ছাড়া কোনও উপায় তো খোলা নেই।’

এই অভিভাবক বলেন, ‘একজন শিক্ষককে বাসায় রেখে পড়াতে মাসে অন্তত ১০ হাজার টাকা লাগে। এত টাকা দিয়ে শিক্ষক রাখা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। আবার স্কুলেও ঠিকমতো পড়াশোনা হয় না, কিন্তু এর দোষ তো শিক্ষকদের নয়। শিক্ষার্থী বেশি, প্রতিযোগিতা বেশি, পড়াশোনা কঠিন। ফলে কারোরই কিছু করার নেই। সরকারকেই এর সুষ্ঠ সমাধান বের করতে হবে।’

কিভাবে সমাধান সম্ভব বলে মনে করেন– জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘শ্রেণিকক্ষে এক সঙ্গে বেশি শিক্ষার্থী নিয়ে পড়াতে বাধ্য হন শিক্ষকরা। কারণ, শিক্ষক সংকট এমনকি শ্রেণিকক্ষ সংকটও থাকে। এ সংকট দূর করতে হবে। অল্পসংখ্যক শিক্ষার্থী নিয়ে কয়েকটি গ্রুপে ক্লাস নিতে হবে। মেধাবীদের শিক্ষকতা পেশায় আনতে হবে। এছাড়া, পড়াশোনাও একটু সহজ করতে হবে। এগুলো হলেই আমি মনে করি কোচিং বাণিজ্য বন্ধ হবে।’

ড. ফারহানার সঙ্গে কথা বলতে আবারও ভিকারুননিসা স্কুলে গিয়ে নিরাপত্তারক্ষী আব্দুল কাদেরের মাধ্যমে ভিজিটিং কার্ড পাঠালে তিনি ফিরে এসে জানান, ‘ম্যাডাম ব্যস্ত আছেন। কথা বলতে পারবেন না।’

বাংলা টিব্রিউন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দুর্গাপুরে স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস, পরীক্ষা স্থগিত ‘

নিজস্ব সংবাদদাতা, দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) ॥ দুর্গাপুর এম,কে,সি,এম সরকারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ায় পরীক্ষা স্থগিত এবং পরীক্ষার পরবর্তী তারিখ নির্ধারন।

মঙ্গলবার সকাল ১০টা ৩০মিঃ এম,কে,সি এম সরকারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ৭ম শ্রেণীর ৫৫ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে এসেও অনিবার্য কারণ বশতঃ পরীক্ষা স্থগিত এবং পরীক্ষাটি আগামী ১১ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে বলে স্কুল কর্তৃপক্ষের নোটিশ দেখে চলে যাচ্ছে।

এ ব্যাপারে স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আঃ গফুর  জানান, ঘটনাটি সত্য। সেই সময় একই স্কুলেন প্রশ্নপত্র তৈরী কমিটির আহবায়ক সিনিয়র সহকারী শিক্ষক আলমগীর হাসান(গনিত) উপস্থিত ছিলেন । তিনি বলেন, ৪ ডিসেম্বর এই স্কুলের অষ্টম শ্রেণী পড়ুয়া ১ম এবং ২য় রোল নং এর ছাত্র রাফি এবং রায়হান আঃ রাজ্জাক স্যারের হাতে লেখা প্রশ্নটি প্রধান শিক্ষকের অনুমতি নিয়ে প্রধান শিক্ষকের রুমে ঢুকে এই দুজন শিক্ষকের সামনে উপস্থাপন করেন । যে পরীক্ষাটি ৫ডিসেম্বর মঙ্গলবার হওয়ার কথা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free