নিউজ

কোটা আন্দোলনের আহবায়ক মামুনের ওপর হামলা

ঢাবি প্রতিনিধি ,৪ ফেব্রু:

ডাকসু নির্বাচনের ভোট কেন্দ্র প্রশাসনিক ভবনে স্থাপনের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে স্মারকলিপি দিতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন কোটা সংস্কারের দাবিতে গড়ে ওঠা প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন। সোমবার বেলা ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। মামুনের উপর হামলায় সূর্যসেন হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রাইসুল ইসলামের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন অংশ নেয় বলে জানা গেছে। তারা সবাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাসের অনুসারী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা একজন জানান, আমি লাইব্রেরিতে পড়ছিলাম। এমন সময় শুনি কেউ একজন ‘বাঁচাও’, ‘বাঁচাও’ বলে চিৎকার করছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি সেখানে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা হাসান আল মামুন আহত অবস্থায় পড়ে আছে। তবে কি কারণে মারা হয়েছে তারা জানি না। এর ৫-১০ মিনিট পরে গ্রন্থাগারের সামনে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের স্লোগান দিতে দেখা যায়।

এ বিষয়ে হাসান আল মামুন বলেন, ডাকসু নির্বাচনের ভোট কেন্দ্র হলের বাইরে করার দাবিতে আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি প্রদানের কর্মসূচি ছিল আমাদের। সবাই মিলে একসঙ্গে যাওয়ার কথা ছিল। আমি আগে চলে আসায় গ্রন্থাগারের সামনে অপেক্ষা করছিলাম। এ সময় হঠাৎ করেই সূর্যসেন হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রাইসুল ইসলামের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন অতর্কিতভাবে আমার ওপর হামলা করে।

তিনি আরো বলেন, কি উদ্দেশ্যে এ হামলা করা হয়েছে, তা দিনের আলোর মতো পরিষ্কার। আমরা যখনই ডাকসু নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষণা দিয়েছি, তখন থেকেই কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা শুরু হয়। আমরা যেন ডাকসু নির্বাচনে অংশ না নেই, সেজন্য ভয়-ভীতি সৃষ্টি করতেই এ হামলা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস বলেন, আমার নেতাকর্মীরা আমার সঙ্গে মধুতে আছে। তারা হামলা করেনি। তাদের (কোটা আন্দোলনকারী) নিজেদের মধ্যে ঝামেলা হতে পারে।

এদিকে হামলার বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, আমরা বিষয়টি অবহিত হয়েছি। আমাদের প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যরা সেখানে গেছে। ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

স্কুলে আপত্তিকর অবস্থায় প্রধান শিক্ষক ও ছাত্রী আটক

অনলাইন ডেস্ক :

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে আপত্তিকর অবস্থায় নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর সঙ্গে প্রধান শিক্ষককে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করেছে স্থানীয় জনতা। পরে রাতে পুলিশ ওই শিক্ষক এবং ছাত্রীকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। গতকাল শনিবার এ ঘটনা ঘটে।

|আরো খবর

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, তালতলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহীদুল ইসলাম বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণি পড়ুয়া ওই ছাত্রীকে নিয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় অফিস কক্ষের দরজা বন্ধ করে দেন। এ সময় স্থানীয় মানুষ তাদেরকে সেখানেই আটকে রাখে।

খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়ে রাতে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক এবং ওই ছাত্রীকে থানায় নিয়ে আসেন। বিক্ষুব্ধ জনতা এ সময় পুলিশের গাড়িতে হামলার চেষ্টা করলে পুলিশ বেশ কয়েক রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।

গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম মেহেদী হাসান সাংবাদিকদের জানান, খবর পেয়ে পুলিশ প্রধান শিক্ষক ও ছাত্রীকে থানা নিয়ে আসে। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকের ছুটির তালিকা সংশোধনের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২২ জানুয়ারি, ২০১৯ : মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় শিক্ষার্থীকে গড়ে তোলা ও শিক্ষকদের অধিকার নিশ্চিতকরণে প্রাথমিকের ছুটির তালিকা সংশোধনের দাবি জানিয়েছে বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদ। রোববার (২০ জানুয়ারি) এ দাবি জানিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বরাবর রেজিস্টার্ড ডাকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন পরিষদের আহ্বায়ক মো. সিদ্দিকুর রহমান। 

চিঠিতে বলা হয়, শিশু শিক্ষার স্বার্থে প্রাথমিকে বেশি ছুটি বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের প্রত্যাশা নয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আগামী প্রজন্মকে গড়ে তোলা ও শিক্ষকদের অধিকার নিশ্চিত করতে ছুটির তালিকা সংশোধনের দাবি জানানো হয় চিঠিতে। চিঠিতে বলা হয়, পূর্ববর্তী বছরের মত ২০১৯ খ্রিস্টাব্দের ছুটির তালিকায় জাতীয় দিবসগুলোকে ছুটি রাখা হয়েছে। আবার, তালিকার নিচে যথাযথ মর্যাদায় দিবসগুলো পালনের নির্দেশনা দেওয়া আছে। ছুটির তালিকায় ছুটি থাকলে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর উপস্থিত থাকা বাধ্য নয়। ছুটি থাকায় স্বল্প সংখ্যক শিক্ষার্থীকে উপস্থিত করে দায় এড়ানোর মত জাতীয় দিবসগুলো পালন করেন শিক্ষকরা। জাতীয় দিবসগুলোর প্রেক্ষাপট শিক্ষার্থীদের বিশদভাবে জানানো প্রয়োজন। তাই, আগামী প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তুলতে ও শিক্ষার্থীদের মনে দেশের প্রতি মমত্ববোধ সৃষ্টির লক্ষ্যে জাতীয় দিবসের ছুটিগুলো বাতিল করার দাবি জানানো হয় বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের চিঠিতে। 

চিঠিতে আরও বলা হয়,  প্রাথমিক শিক্ষকেরা সাপ্তাহিক ছুটি শনিবার কর্মরত থাকায় তাদের ছুটি সরকারি কর্মচারীদের চেয়েও কম। সকল সরকারি কর্মচারী শ্রান্তি বিনোদন ভাতার ১ মাসের মূল বেতনের সাথে ১৫ দিনের বাড়তি ছুটি পান। প্রতি বছরের মতো ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দেও যেকোন অবকাশে শ্রান্তি বিনোদনের জন্য ১৫ দিন ছুটি রাখা হয়নি। বিগত বছরগুলোতে রমজান মাসের ছুটি থেকে ১৫ দিন শ্রান্তি বিনোদনের ছুটি দেখিয়ে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার দপ্তর থেকে বিল পাস করানো হয়। হিজরি বছর ৩৫৫ দিন তাই ৩ বছর রমজানের ছুটি ৩০ দিন এগিয়ে আসে। বিধায় শিক্ষকেরা ৪ থেকে ৫ বছর পর পর শ্রান্তি বিনোদন ভাতা পান। তাই রমজানের মাস ছাড়া যে কোন পর্বে জাতীয় ও বিশেষ দিবসের ছুটিগুলো যোগ করে ১৫ দিন ছুটি প্রদান করা এবং ৩ বছর পর পর শ্রান্তি বিনোদন ভাতা প্রদানের নিশ্চত করার দাবি জানানো হয় বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের চিঠিতে।

প্রধান শিক্ষকদের সংরক্ষিত ছুটি সাধারণত তাৎক্ষণিক বিশেষ কারণে দেওয়া হয়। কিন্তু তা অনুমোদন করতে হয় থানা বা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার থেকে। বাস্তবে সংরক্ষিত ছুটি দেয়ার ক্ষমতা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার। সংরক্ষিত ছুটি প্রদানে প্রধান শিক্ষকের ক্ষমতা থাকা প্রয়োজন। সবসময় থানা বা উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে তাৎক্ষণিক সংরক্ষিত ছুটি অনুমোদন সম্ভব নয়। অনুমোদনের পরিবর্তে থানা বা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের অবহিত করে প্রধান শিক্ষকদের সংরক্ষিত ছুটি প্রদানের ক্ষমতা দেয়ার দাবি জানানো হয় চিঠিতে। 

চিঠিতে আরও বলা হয়, ২০১৯ খ্রিস্টাব্দের ছুটির তালিকায় দূর্গাপূজার ছুটি ৩ দিন। হিন্দু সম্প্রদায়ের দূর্গাপূজা সাধারণত ৫ দিন অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। শিক্ষকদের মধ্যে এ ছুটি নিয়ে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তাই দূর্গা পূজায় ছুটি বৃদ্ধি করে হিন্দু সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের প্রত্যাশা পূরণের দাবি জানিয়েছে  বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদ

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

যে কারণে দায়িত্ব নেননি নাহিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

মন্ত্রিসভায় নতুনদের জায়গা করে দিতে নিজ থেকেই দায়িত্ব নেননি বলে জানিয়েছেন সদ্য বিদায়ী শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। তিনি বলেন, আমাকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। আমি সততার সঙ্গে তা পালনের চেষ্টা করেছি।

সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিদায় অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন নুরুল ইসলাম নাহিদ।

তিনি বলেন, আমার সময়েই দেশের শিক্ষার মান বিশ্বে একটা কাঙ্ক্ষিত অবস্থানে গিয়ে পৌঁছেছে। বছরের প্রথম দিনে ছাত্রছাত্রীদের হাতে বই পৌঁছে দিতে পেরেছি আমরা। এটা একটি অনন্য সাফল্য।

এদিকে সোমবার বিকেলে বঙ্গভবনে শপথ নেয় নতুন মন্ত্রিসভা। সেখানে স্থান হয়নি টানা দুই মেয়াদে শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা নুরুল ইসলাম নাহিদের। তিনিসহ পুরোনো মন্ত্রিসভার বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট সদস্যসহ মোট ৩৬ জন জায়গা পাননি এই মন্ত্রিসভায়।

এদিন বেলা ১১টার দিকে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে আসেন নাহিদ। ১২টার দিকে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা-কর্মচারীদের পক্ষ থেকে তাকে বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এরপর তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দীপু মনি শিক্ষামন্ত্রী, ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল

চাদপুর প্রতিনিধি,৭ জানুয়ারী: আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি এমপি শিক্ষামন্ত্রী হওয়ায় অভিনন্দন জানিয়ে চাঁদপুরে আনন্দ মিছিল করেছে জেলা ছাত্রলীগ। সোমবার বিকেলে শহরের কালিবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিলটি বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়।

পরে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক হুমায়ুন কবির সুমন ও জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আতাউর রহমান পারভেজ।

মিছিলে উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক জহিরুল ইসলাম ও মুন্না, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি সোহেল রানা, সাধারণ সম্পাদক রবিন পাটওয়ারী, চাঁদপুর সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এবিএম রেদওয়ান, সাধারণ সম্পাদক মো. নাছির, পুরাণ বাজার ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি মাহবুবুর রহমানসহ ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী।

এছাড়াও বিকেলে সাবেক ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীরা ডা. দীপু মনিকে অভিনন্দন জানিয়ে শহরে পৃথক আরেকটি আনন্দ মিছিল করে।

ঠিকাদারদের সর্তক করলেন মেয়র নাছির

ঠিকাদারদের সর্তক করলেন মেয়র নাছির

পরকীয়ার জেরে স্ত্রীকে হত্যা, স্বামী ও প্রেমিক আটক

পরকীয়ার জেরে স্ত্রীকে হত্যা, স্বামী ও প্রেমিক আটক

স্বাধীনতার পর প্রথম মন্ত্রী বঞ্চিত সিরাজগঞ্জ

স্বাধীনতার পর প্রথম মন্ত্রী বঞ্চিত সিরাজগঞ্জ

শিশুকে ধর্ষণের পর তিনতলা থেকে ফেলে হত্যার অভিযোগ

শিশুকে ধর্ষণের পর তিনতলা থেকে ফেলে হত্যার অভিযোগ

কৃষকের দুই হাতের কবজি কেটে নিলো দুর্বৃত্তরা

কৃষকের দুই হাতের কবজি কেটে নিলো দুর্বৃত্তরা

স্বামী মেয়র স্ত্রী মন্ত্রী

স্বামী মেয়র স্ত্রী মন্ত্রী

অারো খবর

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত

সব খবর 

সম্পাদক : শাহজাহান সরদার

প্রকাশক : আনোয়ার হোসেন খান

যোগাযোগের ঠিকানা : রূপায়ন খান প্লাজা, লেভেল-৭, বাড়ি-৫০০/এ, সড়ক-৭, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৫। ফোন : ০২-৯৬৬২১০৭, +৮৮ ০১৭০৫৪০৭০৮০ (নিউজ রুম) ই-মেইল: (নিউজ) bdjournalnews@gmail.com, (অফিস) info@bd-journal.com. Design and Developed by

© স্বত্ব বাংলাদেশ জার্নাল ২০১৮

close
close
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক লিগ সূচক বিশ্বের ৪১তম অর্থনীতির দেশ বাংলাদেশ

ডেস্ক , ৭ জানুয়ারী

বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থানের দুই ধাপ উন্নতি হয়েছে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক লিগ টেবিল অনুযায়ী, ২০১৯ সালে ৪১-তম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। গত বছর যা ছিল ৪৩ তম। গত ডিসেম্বরে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে আভাস দেওয়া হয়েছে, সামনের বছরগুলোতে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে। ২০৩৩ সাল নাগাদ বিশ্বের শীর্ষ ২৫ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় নাম লেখাবে বাংলাদেশ।|

‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক লিগ টেবিল (ডব্লিউইএলটি), ২০১৯’ শিরোনামের সমীক্ষা প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর ইকোনমিকস এন্ড বিজনেস রিসার্চ (সিইবিআর)। সিইবিআর-এর প্রতিবেদনের দশম সংস্করণ এটি। ২০০৩ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত নেওয়া তথ্য পর্যালোচনা করে মূল্যায়ন করা হয়েছে ১৯৩টি দেশের বার্ষিক অবস্থান। পাশাপাশি ভবিষ্যৎ সম্ভাব্যতা বিচার করে ২০৩৩ সাল পর্যন্ত দেশগুলোর অবস্থানের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। তালিকায় শীর্ষ পাঁচ অর্থনীতির দেশ হিসেবে নাম রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান, জার্মানি ও ভারতের।

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক লীগ টেবিল অনুযায়ী, আগামী ১৫ বছরে উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হবে। ২০২৩ সাল নাগাদ শীর্ষ অর্থনীতির দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৩৬ তম হবে। আর ২০২৮ সাল নাগাদ ২৭ তম অবস্থানে চলে আসবে বাংলাদেশ। ২০৩৩ সাল নাগাদ এ অবস্থান হবে ২৪ তম।

সিইবিআর-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘২০১৮-২০৩৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশে গড়ে ৭ শতাংশ বার্ষিক প্রবৃদ্ধি কামনা করি আমরা। এর মধ্য দিয়ে ২০১৮ সালের তুলনায় ২০৩৩ সালে ১৯ ধাপ অগ্রগতি হয়ে ২৪ তম বৃহত্তর অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে বাংলাদেশ।’

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক লীগ টেবিল অনুযায়ী, ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও জাপান যথাক্রমে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে থাকবে। তবে ২০৩৩ নাগাদ শীর্ষ অবস্থানে থাকবে যথাক্রমে চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ভর্তি বিজ্ঞপ্তি দর্শনা আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ (প্রস্তাবিত)

দর্শনা-চুয়াডাঙ্গা।

২০১৯ শিক্ষাবর্ষে ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণিতে ছাত্রছাত্রী ভর্তি চলছে। আবেদন ফরমের সাথে ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি ও নুন্যতম জি.পি.এ ৩.০০ ছাত্রছাত্রীরা আবেদন করতে পারবে। আবেদন ফরমের মূল্য ১০০ টাকা। উল্লেখ্য ছাত্রছাত্রীদের মাসিক বেতন ৬০০ টাকা (স্কুল কোচিং/অতিরিক্ত ক্লাস ফি সহ)। আর কেন খরচের ঝামেলা নেই। প্রত্যেকটি বিষয়ে শিক্ষক অর্নাসসহ মাষ্টার্স পাস। বাড়িতে গৃহশিক্ষক রাখার কোন প্রয়োজন নেই।
ভর্তির শেষ তারিখ: ১৫ জানুয়ারী ২০১৯ইং।
যোগাযোগের অফিস : প্রধান শিক্ষক
দর্শনা আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ
(লিটিল এনজেলস স্কুল সংলগ্ন অস্থায়ী ক্যাম্পাস)
মোবাইলঃ ০১৭২৯৮৩০৭৭৩।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

নোয়াখালীতে কলেজছাত্রীকে হত্যা করল ‘মা’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ার স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে না হৃদয় সরকারের

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় এক মা প্রতিবন্ধী সন্তানকে কোলে নিয়ে কেন্দ্রে যাচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাড়া জাগানো এই ছবিটি হয়তো আপনাকে মুগ্ধ করেছে।

যেখানে ফুটে উঠে এক অদম্য মায়ের তার প্রতিবন্ধী সন্তানের প্রতি ভালোবাসা, সেই সন্তানের শিক্ষার প্রতি আগ্রহ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রতিবন্ধীদের জন্য পর্যাপ্ত সুবিধার অভাব।

কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়র ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও, বিধির কারণে সেখানে পড়া আটকে গেছে সেই ছেলেটির- হৃদয় সরকারের।

সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের খ ইউনিটে উত্তীর্ণ হয়ে হৃদয়ের সিরিয়াল ৩ হাজার ৭৪০। যদিও এই ইউনিটে মোট আসন রয়েছে ২ হাজার ৩৮৩টি। সেখানে প্রতিবন্ধী কোটার আসন খালি রয়েছে।

প্রতিবন্ধী হিসাবে সমাজকল্যাণ বিভাগ থেকে তালিকাভুক্তির সনদ গ্রহণ করেছেন ‘সেরিব্রালপালসি’তে আক্রান্ত হৃদয় সরকার, যিনি ছোটবেলা থেকেই হাটতে বা চলাফেরা করতে পারেন না।

কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবন্ধী কোটার ফর্ম সংগ্রহ করতে গেলে তাকে জানানো হয়, তিনি ওই কোটার মধ্যে পড়েন না।

হৃদয় সরকার বিবিসি বাংলাকে বলছেন, আমার বাবা-মা যখন ফর্ম আনতে গেলেন, তখন তাদের বলা হয়েছে, আমি নাকি কোটার মধ্যে পড়িনা। এরপরে আমরা ডীন স্যার আর ভিসি স্যারের কাছেও গেলাম। তারাও বললেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধির কারণে আমার কোটায় ভর্তির সুযোগ নেই।”

মা সীমা সরকারের স্বপ্ন ছিল, তার প্রতিবন্ধী সন্তান একদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বে
মা সীমা সরকারের স্বপ্ন ছিল, তার প্রতিবন্ধী সন্তান একদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বে

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার পরে হৃদয় সরকারের মা বিবিসি বাংলাকে বলেছিলেন, সে ভর্তি হলে তারা স্বপরিবারে নেত্রকোনা থেকে ঢাকায় চলে আসবেন।

”তাকে নিয়ে আমার স্বপ্ন ছিলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াবো। যেন আমি বেঁচে না থাকলেও তার চলতে কষ্ট না হয়।” তিনি বলেছেন।

তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিতে প্রতিবন্ধী কোটায় শুধু দৃষ্টি, শ্রবণ ও বাকপ্রতিবন্ধী-এই তিন ধরণের প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে কোটা প্রযোজ্য হবে। এখানে শারিরিক বা অন্য কোন ধরণের প্রতিবন্ধীরা কোটায় ভর্তি হতে পারবেন না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডীন ও ভর্তি পরীক্ষার প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যাপক আবু মো দেলোয়ার হোসেন বিবিসি বাংলাকে বলেন, ” ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়ার যোগ্যতা থাকলে যে কেউ অংশ নিতে পারেন। কিন্তু কোটায় ভর্তি হতে পারেন শুধুমাত্র বাক, শ্রবণ বা দৃষ্টি প্রতিবন্ধীরা। এর বাইরের প্রতিবন্ধীদের আমাদের নেয়ার সুযোগ নেই।”

হৃদয় সরকারের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ” তার সঙ্গে আমাদের তো কোন বিরোধ নেই। কিন্তু বিধির কারণেই সে কোটার আওতায় পড়ছে না।”

গত ২১শে সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘খ’ ইউনিটের ওই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। যাতে ৩৩হাজার ৮৯৭জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। এদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪ হাজার ৭৪৭জন।Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক,২ নভেম্বর:  শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ বাণিজ্য বন্ধ করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সমপ্রতি শিক্ষকদের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে। আগে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটির মাধ্যমেই সাধারণত শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হতো। এখন এনটিআরসিএ-এর মাধ্যমে মেধা তালিকার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়। কিন্তু এনটিআরসিএ নিয়োগের নামে যা শুরু করেছে তা নিবন্ধনধারীদের মনে রীতিমতো হতাশা ও  নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

এনটিআরসিএ ২০০৫ সাল থেকে নিবন্ধন পরীক্ষা শুরু করেছে। তখন থেকেই প্রশ্নপত্র ফাঁস ও জাল সনদ বিক্রিসহ নানা অভিযোগ পাওয়া যেতে থাকে। এনটিআরসিএ এ পর্যন্ত ১৩টি পরীক্ষা সমপন্ন করলেও মামলাজনিত কারণে প্রায় দুই বছর ধরে কোনো নিয়োগই দিতে পারছে না। ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের সরাসরি নিয়োগের কথা থাকলেও এনটিআরসিএ মামলার অজুহাতে নিয়োগ প্রক্রিয়া সমপন্ন করতে পারেননি।

এদিকে ১৪তম নিবন্ধন পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ হতে যাচ্ছে। এভাবে পর্যায়ক্রমে শুধু পরীক্ষা নিয়ে নিয়োগ সমপন্ন না করাটা মোটেই কাম্য নয়। ২০১৭ সালের ১৪ ডিসেম্বর মহামান্য হাইকের্টের নির্দেশে ১-১৩ তম নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের নিয়ে এনটিআরসিএ ১০-৭-২০১৮ তারিখে একটি সমন্বিত জাতীয় মেধাতালিকা প্রকাশ করলেও এখনো শূন্য পদসমূহে শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারেনি।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহে প্রায় ৬০ হাজার পদ শূন্য থাকায় একদিকে যেমন শিক্ষার্থীরা চরম ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে, তেমনি লাখ লাখ বেকার নিবন্ধনধারী এসব পদে নিয়োগ লাভের মাধ্যমে তাদের বেকারত্ব অবসানের স্বপ্ন দেখছে। তাই অতি দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে যোগ্য ও মেধাবী শিক্ষক নিয়োগদানের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়, এটিআরসিএসহ সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকরা পাবেন ১০ম গ্রেড আর সহকারীরা ১২তম

নিজস্ব প্রতিবেদক,১ নভেম্বর: সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন স্কেলে বড় পরিবর্তন আসছে। এই পরিবর্তনের বিষয়ে এরই মধ্যে সবুজ সংকেত পাওয়া গেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে। বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষকের ৬৫ হাজার পদ সৃষ্টি হচ্ছে। আর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেল দশম গ্রেডে, সহকারী প্রধান শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডে এবং সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল ১২তম গ্রেডে উন্নীত করার বিষয়ে কাজ চলছে।

বিষয়টি স্বীকার করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. গিয়াস উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এখন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যেসব শিক্ষক যোগদান করছেন তাঁদের বেশির ভাগই অনার্স-মাস্টার্স সম্পন্ন করা। অথচ এই শিক্ষকরা যে পদে যোগদান করেন সেই পদে থেকেই অবসরে যান। এতে অনেক সময়ই দেখা যায়, শিক্ষকরা দরদ দিয়ে পড়ান না। তাই মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে অর্থ মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে মৌখিক সম্মতির পর আমরা শিক্ষকদের বেতন স্কেলে পরিবর্তন আনার বিষয়ে কাজ শুরু করেছি।’

এই অতিরিক্ত সচিব আরো বলেন, ‘প্রতিটি বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ সৃষ্টির কাজ চলছে। এতে সহকারী শিক্ষকরা দ্রুত এই পদে পদোন্নতির সুযোগ পাবেন। আর প্রধান শিক্ষকরা যেহেতু দ্বিতীয় শ্রেণির, তাই তাদের বেতন স্কেল দশম গ্রেডে উন্নীত করার কাজ চলছে। এর একধাপ নিচে থাকবেন সহকারী প্রধান শিক্ষকরা, আর পরের ধাপেই থাকবেন সহকারী শিক্ষকরা। সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ সৃষ্টির জন্য নিয়োগ বিধিতেও পরিবর্তন আনতে হবে।’

বর্তমানে প্রধান শিক্ষক পদটি দ্বিতীয় শ্রেণির হলেও তাঁরা বেতন পান ১১তম গ্রেডে। অথচ দ্বিতীয় শ্রেণির অন্য সব চাকরিজীবী দশম গ্রেডে বেতন পান। এমনকি ৩৪তম বিসিএস থেকে যখন দ্বিতীয় শ্রেণির পদে নিয়োগের সুপারিশ করা হয় তখন সবাই দশম গ্রেড পেলেও শুধু সরকারি প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা পেয়েছেন ১১তম গ্রেড। ফলে প্রধান শিক্ষকদের একাধিক সংগঠন দশম গ্রেডে বেতনের দাবিতে আন্দোলন করেছে।

বর্তমানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকরা বেতন পান ১৪তম গ্রেডে। ফলে প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে তাঁদের বেতনের পার্থক্য তিন ধাপ। কোনোভাবেই সেটি মেনে নিতে রাজি নন সহকারী শিক্ষকরা। তাঁরা প্রধান শিক্ষকের এক ধাপ নিচে বেতন চান। এ নিয়ে একাধিকবার আন্দোলনও করেছেন সহকারী শিক্ষকরা।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের এখন নানা কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়। বিশেষ করে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নানা সভায় যোগ দিতে হয় তাঁদের। শিক্ষার বাইরে সরকারি নানা কাজেও তাঁদের ব্যস্ত থাকতে হয়। ফলে বিদ্যালয়ে তেমন একটা সময় দিতে পারেন না তাঁরা। এ জন্যই মূলত সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ সৃষ্টির প্রয়োজনীতা অনুভব করা হচ্ছে। এ ছাড়া ৬৫ হাজার পদ সৃষ্টি হলে সমসংখ্যক শিক্ষকের পদোন্নতিরও সুযোগ তৈরি হবে।

জানা যায়, প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন স্কেলের এই পরিবর্তনের কাজে প্রধান শিক্ষকরা খুশি হলেও সহকারী শিক্ষকরা খুশি নন। তাঁরা সহকারী প্রধান শিক্ষকের নতুন পদটি চান না। তাঁরা মনে করছেন, এ পদ সৃষ্টি হলে প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতি পেতে সহকারী শিক্ষকদের দুটি ধাপ অতিক্রম করতে হবে। আর সহকারী প্রধান শিক্ষক পদটি না থাকলে এক ধাপ পদোন্নতি পেলেই প্রধান শিক্ষক হওয়া যাবে। তাঁরা প্রধান শিক্ষকের পরের ধাপেই বেতন চান।

বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির মুখপাত্র এস এম ছায়িদ উল্লা  বলেন, ‘যদি প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেড এবং এর একধাপ পর পর অন্য শিক্ষকদের অবস্থান হয়, তাহলে এটা হবে খুবই ভালো উদ্যোগ। তবে এখনো আমাদের প্রশিক্ষণবিহীন ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জন্য আলাদা আলাদা গ্রেড। আমরা চাইব, মাধ্যমিক শিক্ষকদের মতো এক পদে একটাই গ্রেড থাকুক। আর প্রশিক্ষণ গ্রহণের জন্য একটা সময় বেঁধে দেওয়া হোক। এ ছাড়া প্রধান শিক্ষক থেকে ওপরের পদে কোনো পদোন্নতির ব্যবস্থা নেই। এ ব্যবস্থা না থাকলে মেধাবীরা প্রাথমিকের শিক্ষকতায় আসবে না।’

বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ বলেন, ‘আমাদের দাবি প্রধান শিক্ষকের পরের গ্রেড। কিন্তু সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ সৃষ্টি হলে আমরা যখন ওই পদে পদোন্নতি পাব, তখন এমনিতেই আমরা ওই পদের স্কেলে বেতন পাব। তাহলে সহকারী শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য থেকেই যাবে। তাই আমরা এ মুহূর্তে সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ চাই না। আমরা প্রধান শিক্ষকের পরের গ্রেডে বেতন চাই।’

জানা যায়, দেশে এখন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা প্রায় ৬৫ হাজার। প্রতিটি বিদ্যালয়ে একজন করে প্রধান শিক্ষক আছেন। আর সহকারী শিক্ষকের সংখ্যা প্রায় সাড়ে তিন লাখ। বর্তমানে প্রধান শিক্ষকরা প্রশিক্ষণবিহীন অবস্থায় ১২তম গ্রেডে চাকরি শুরু করেন, প্রশিক্ষণের পর তাঁরা যান ১১তম গ্রেডে। আর চাকরির ১০ বছর পূর্তিতে দশম এবং ১৬ বছর পূর্তিতে যান নবম গ্রেডে। অন্যদিকে সহকারী শিক্ষকরা প্রশিক্ষণবিহীন অবস্থায় ১৫তম গ্রেডে চাকরি শুরু করেন, প্রশিক্ষণের পর তাঁরা যান ১৪তম গ্রেডে। ১০ বছর পূর্তিতে যান ১৩তম গ্রেডে এবং ১৬ বছর পূর্তিতে যান ১২তম গ্রেডে।

সুত্র: কালের কন্ঠFacebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সেই জেডিসি পরীক্ষার্থী তানিয়া পেল নতুন দোকান-ঘর

অনলাইন সংস্করণ:

ভোলার লালমোহনের জেডিসি পরীক্ষার্থী তানিয়া অন্ধ মায়ের সঙ্গে ভিক্ষা করার সংবাদ শুক্রবার যুগান্তরের অনলাইনে প্রকাশ হওয়ার পর ভাগ্য খুলে যায় তানিয়া ও তার মায়ের।

সংবাদটি ভোলা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম সিদ্দিক ও লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাবিবুল হাসান রুমির দৃষ্টি আকর্ষণ হয়।

পরে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে শনিবার তানিয়ার বাড়িতে ছুটে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। এ সময় যুগান্তর প্রতিনিধি মো. জসিম জনিও সঙ্গে ছিলেন।

লালমোহন পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের সিকদার হাটবাজারসংলগ্ন তানিয়াদের বাড়ি। বাড়ি বলতে ছোট একটি ভাঙাচোরা খুপড়িঘর। ঘরের দরজা-জানালা জরাজীর্ণ।

ভিক্ষার টাকায় ঘরটি তৈরি করলেও জায়গাটি তাদের নয়। একজন তাদেরকে সেখানে থাকতে দিয়েছে। ভাঙা ঘর থেকে বেরিয়ে এলেন তানিয়ার মা অন্ধ রাশেদা বেগম।

তানিয়াকে পাওয়া গেল উঠানের মাঝে। মা ও মেয়ের সঙ্গে কথা বললেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাবিবুল হাসান রুমি।

ইউএনওকে রাশেদা জানান, মেয়ের পড়ালেখার খরচ জোগাতে আর তিন বেলা খাওয়ার জন্য তাদের ভিক্ষা করতে হয়।

তানিয়া গর্ভে থাকা অবস্থায় তানিয়ার বাবা ছেড়ে চলে যায়। আর ফিরে আসেনি। সেই তানিয়া এবার জেডিসি পরীক্ষা দেবে। পড়ালেখার প্রতি টান দেখে অন্ধ মা রাশেদা শত কষ্ট হলেও মেয়ের পড়ালেখা চালিয়ে আসছেন। অন্ধ হওয়ার কারণে প্রতি বৃহস্পতিবার তানিয়াকে সঙ্গে নিয়ে ভিক্ষা করে বেড়ান লালমোহন বাজারের দোকানে দোকানে।

এসব শুনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাদের জন্য একটি বসতঘর বরাদ্দ করে দেন। আগামী ৩ দিনের মধ্যে ঘর তৈরি সম্পন্ন করতে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা করেন।

একই সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে তিনি ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধ করতে তাদের জন্য একটি দোকানের ব্যবস্থা করেন। ২০ হাজার টাকায় দোকান ও দোকানের জন্য ক্ষুদ্র মালামাল কিনে দেন ইউএনও হাবিবুল হাসান রুমি। মঙ্গলবার একসঙ্গে ঘর ও দোকান উদ্বোধন করবেন তিনি।

অন্যদিকে যুগান্তরে সংবাদটি প্রকাশ হলে বিভিন্ন স্থান থেকে এ প্রতিনিধির কাছে ফোন করে অন্ধ মা রাশেদা ও মেয়ে জেডিসি পরীক্ষার্থী তানিয়ার জন্য সহযোগিতা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন অনেকেই।

লালমোহনের বেসরকারি সংস্থা দ্বীপ উন্নয়ন সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক মো. ইউনুছ মিয়া একটি ছাগল কিনে দেবেন লালনপালন করার জন্য।

এছাড়া লালমোহন মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা মো. নুরনবী ২ বছরের জন্য প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চালের একটি ভিজিডি কার্ড করে দেবেন বলে জানিয়েছেন।Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

রাজবাড়ীতে প্রতিমা ভাঙচুর

রাজবাড়ী : রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার সাওরাইল ইউনিয়নের একটি পূজা মণ্ডপে প্রতিমা ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা।
গতকাল রোববার দিবাগত রাতে ইউনিয়নের বিশয় সাওরাইল গ্রামে সার্বজনীন পূজা মণ্ডপে এই ঘটনা ঘটে। সোমবার সকালে ঘটনাটি জানাজানি হলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত শুরু করেছে।
পূজা কমিটির সভাপতি তুষার কুমার দাস বলেন, ‘রোববার রাত ১টা পর্যন্ত আমরা মণ্ডপে পাহারায় ছিলাম।এরপর সবাই বাড়ি ফিরে যাই। সোমবার সকালে মণ্ডপে এসে দেখি দুর্গাসহ অনান্য মূর্তির বিভিন্ন অংশ ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। কে বা কারা এমন করেছে তা বুঝতে পারছি না। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি।’
কালুখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম আবু ফরহাদ বলেন, ‘ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান ও দোষিদের গ্রেফতারে পুলিশি কার্যক্রম চলছে।’
পাংশা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি উত্তম কুমার কুণ্ডু বলেন, ‘দুর্গা পূজার প্রথম দিনে এমন ঘটনাটি দুঃখজনক। দ্রুত দোষিদের গ্রেফতারের জোর দাবি জানাচ্ছি।Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দুদকের কাঠগড়ায় এনসিটিবির কর্তারা, ১৯ লাখ বই মূদ্রণে জালিয়াতি

নিজস্ব প্রতিবেদক |

২০১৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ১৯ লাখ বই ছাপানোর দরপত্রের প্রক্রিয়ায় জালিয়াতির অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অনেকদিন ধরেই তদন্ত করছে। দক্ষিণ কোরিয়ার বই মূদ্রণকারী প্রতিষ্ঠান তারা টিপিএস কোম্পানির এমন অভিযোগে দুদকের কাঠগড়ায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। অনুসন্ধানে দরপত্রে প্রক্রিয়াগত অনিয়মের বেশকিছু আলামত পেলেও এখনো দুদকের কাছে অনিয়মের পক্ষে পর্যাপ্ত দলিল নেই। ফলে অনুসন্ধান কাজ চলছে ঢিমেতালে।

এরই মধ্যে অভিযোগ অনুসন্ধানে এনসিটিবি ও তারা টিপিএসের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য নিয়েছেন অনুসন্ধান কর্মকর্তা ও দুদকের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ শিহাব সালাম। টিপিএস দাবি করছে, এনসিটিবির সংশ্লিষ্টদের কারণে দরপত্র বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে এনসিটিবি বলছে, চাহিদাকৃত নমুণা কাগজ সংযুক্ত না করার জন্য এমন ঘটনা ঘটেছে। তবে শিগগিরই দুদক এ বিষয়ে একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে নিতে সক্ষম হবে বলে দুদকের উর্ধ্বতন একটি সূত্র জানিয়েছে।

বিশ্বব্যাংকসহ অন্যান্য দাতা সংস্থার অর্থায়নে ২০১৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক পর্যায়ের ১০ কোটি ৮৮ লাখ ৪৪ হাজার ৬৩১টি বই ছাপানোর জন্য মোট ২০টি প্যাকেজে ৯৮টি লটে দরপত্র আহ্বান করা হয়। তবে জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে দরপত্রের মধ্যে ১৭টি লটের দরপত্র প্রক্রিয়ায়।

দুদকের অনুসন্ধান পর্যায়ের তথ্য-উপাত্ত থেকে জানা যায়, অভিযোগকারী প্রতিষ্ঠান তারা টিপিএস কোম্পানি লিমিটেড মোট ২৬টি লটে দরপত্র জমা দেয়। ২০১৬ খ্রিস্টাব্দের ৩১ মে দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে এনসিটিবির প্রধান কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত অডিটোরিয়ামে সব উপস্থিত দরদাতা ও তাদের মনোনীত প্রতিনিধিদের সামনে দরপত্র উন্মোচন  করে দেখা যায় তারা টিপিএস মোট ১৭টি লটে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে মনোনীত হয়েছে। লটনম্বর গুলো হলো- ৭০৪, ৭১০, ৭১৩, ৭১৪, ৭৭৫, ৭৭৬, ৭৮৩,  ৭৮৪, ৭৮৫, ৭৮৬, ৭৮৭, ৭৮৮, ৭৯৩, ৭৯৪ এবং ৭৯৮। ওই বছরের ১ জুন সাত সদস্য বিশিষ্ট দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি মূল্যায়ন কার্যক্রম শুরু করেন এবং ৪ জুনের মধ্যে প্রাথমিক মূল্যায়ন কাজ সম্পন্ন করে।

কিন্তু মূল্যায়ন প্রতিবেদনের কপি পর্যালোচনায় দেখা যায়, তারা টিপিএস কোম্পানি লিমিটেড ১৭টি লটে প্রাথমিকভাবে সর্বনিম্ন দরদাতা নির্বাচিত হলেও দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির প্রাথমিক মূল্যায়নের সময় তাদের দরপত্র নেয়া হয়নি। কারণ হিসেবে দেখা যায়, তারা টিপিএস কোম্পানি দরপত্রের সাথে প্রিন্টিং পেপার ও কভার পেপারের স্যাম্পল জমা দেয়নি। শুধু প্রিন্টিং পেপার ও কভার পেপারের একটি শিট দরপত্রের সাথে জমা দিয়ে, যাতে লট নম্বর উল্লেখ ছিল না। অথচ বিড ডকুমেন্টের সেকশন-৩ ‘এক্সপেরিয়েন্স ও টেকনিক্যাল ক্যাপাপাসিটি’ অংশে বলা আছে, প্রত্যেক বিডারকে প্রতিটি বিডের জন্য প্রচ্ছদের নমুনা কপি ও প্রিন্টিং পেপারের নমুনা কপির পৃথক তিন সেট দাখিল করতে হবে, যা বিড ইভালুয়েশন কমিটি কর্তৃক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। পরীক্ষায় যদি উত্তীর্ণ না হয় তাহলে বিড বাতিল বলে গণ্য হবে।

তবে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ ও অভিযোগে তারা টিপিএস বারবার দাবি করেছে তারা প্রয়োজনীয় সকল নমুনা কাগজ সংযুক্ত করেছেন। এনসিটিবির সংশ্লিষ্টরা ওই কাগজ সরিয়ে তাদের দরপত্র বাতিল করেছেন। বর্তমানে দুদক এ বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন বলে সংস্থাটির উর্ধ্বতন সূত্রে জানা গেছে।

অন্যদিকে  টিপিএস কোম্পানির বাংলাদেশের প্রতিনিধি হারুন অর রশিদ সই করা অভিযোগে বলা হয়েছে, তারা টিপিএস কোম্পানি বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে ২০১৭ খ্রিস্টাব্দে প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণির পাঠ্য পুস্তক মুদ্রণ ও সরবরাহের জন্য ৯৮টি লটের মধ্যে ২৬টি লটের ২০১৬ খ্রিস্টাব্দের ১৭ এপ্রিলে অনুষ্ঠিত দরপত্রে অংশগ্রহণ করে। উক্ত দরপত্রে অংশগ্রহণ করে বিধি ও দরপত্রের শর্তাবলি অনুযায়ী ২৬টি লটের প্রয়োজনীয় পে অর্ডার, ব্যাংক গ্যারান্টি, বাৎসরিক টার্ন ওভার, প্রয়োজনীয় সংখ্যক কভারেজ ও প্রিন্টিং কপির নমুনা ও অভিজ্ঞতা সনদপত্রসহ এনসিটিবির টেন্ডার বাক্সে দাখিল করে। এরপর ২৬টি লটে সর্বনিম্ন দরদাতা মনোনীত হয় প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু একটি চক্র তারা টিপিএস কোম্পানিকে টেন্ডারে অযোগ্য প্রমাণ করা জন্য কোম্পানির মূদ্রিতব্য কাগজের নমুনা ও স্যাম্পল কপি দরপত্রে সাথে জমা দেয়নি। অথচ তারা টিপিএস আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে দক্ষতার সঙ্গে তাদের দাখিলকৃত টেবিল অব কনটেন্টস-এ নমুনা জমা দেওয়ার বিষয় লিপিবদ্ধ করে, যা পরবর্তীকালে যাচাইকালেও সংযুক্তির বিষয়টি প্রমাণ পাওয়া যায়। এরই মধ্যে এ বিষয়টি প্রকিউরমেন্ট এনসিটিবির সচিব ও ন্যাশনাল কারিকুলাম অব টেক্সটবুক বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ করে বিস্তারিত জানানো হয়েছে। কিন্তু কোনো প্রতিকার না পেয়ে ১৭টি লটে সর্বনিম্ন দরদাতা হওয়া সত্বেও কেন তারা টিপিএসকে কেন কার্যাদেশ দেওয়া হলো না সে বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে দুদকের সাহায্য প্রয়োজন। অভিযোগটি ২০১৬ খ্রিসটাব্দের ৪ আগস্ট দুদকের দাখিল করা হয়েছিল।

এ বিষয়ে দুদক সচিব ড. শামসুল আরেফিনের কাছে জানতে চাইলে অনুসন্ধান শেষ না হওয়া পর্য্ন্ত কোনো বক্তব্য দিতে অস্বীকার করেন।

এনসিটিবির চেয়ারম্যান প্রফেসর নারায়ন চন্দ্র সাহা বলেন, এ অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। দরপত্রের শিডিউল ও পিপিআর অনুযায়ী যে সকল ঠিকাদাররা বিট করেছে, তারাই কাজ পেয়েছে।Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এমপিও শিটে নাম না আসায় শিক্ষকের আত্মহত্যা

সাতক্ষীরা,১০ অক্টোবর: সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলায় এমপিও শিটে নাম না আসায় লোকলজ্জার ভয়ে বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন বিধান চন্দ্র ঘোষ (৪২) নামে এক শিক্ষক।
বুধবার সকালে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এর আগে মঙ্গলবার রাতে বিষপান করলে তাকে ভর্তি করা হয়।
বিধান চন্দ্র ঘোষ তালার ধানদিয়া ইউনিয়নের সেনেরগাঁতী বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) এবং দৌলতপুর গ্রামের মৃণাল কান্তি ঘোষের ছেলে।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শহিদুল ইসলাম জানান, বিধান চন্দ্র ঘোষ ২০০২ সাল থেকে শিক্ষকতা করে আসছিলেন। কিন্তু ২০১৬ সালে বিদ্যালয়ের মিনিস্ট্রি অডিটের সময় তার সনদ সংক্রান্ত ত্রুটি দেখা যায়। তিনি নিয়মিত বেতনও উত্তোলন করে আসছিলেন। কিন্তু চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসের এমপিও শিটে তার নাম না থাকার বিষয়টি জানাজানি হলে মঙ্গলবার রাত আটটার দিকে লোকলজ্জার ভয়ে তিনি বিষপান করেন।

তিনি জানান, পরিবারের লোকজন তাৎক্ষণিক তাকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল আটটার দিকে তার মৃত্যু হয়।Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free