Home » দৈনিক শিক্ষা (page 5)

দৈনিক শিক্ষা

বিসিএসে প্রবেশের সুযোগ ৩২ বছর কেন নয়? হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ ফেব্রুয়ারী
সাধারণ বিসিএসে প্রবেশের সুযোগ ৩২ বছর কেন করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসাথে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস কমিশনের বয়স, যোগ্যতা ও চাকরির আবেদনের বিধিমালা-২০১৪ এর ১৪ বিধি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

এ সংক্রান্ত আবেদনের শুনানি নিয়ে রোববার হাইকোর্টের বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এ বি এম আলতাফ হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাসগুপ্ত।

এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের বয়স, যোগ্যতা ও চাকরির আবেদনের বিধিমালা-২০১৪ এর ১৪ বিধিকে চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করা হয়। রিটে সাধারণ বিসিএসে প্রবেশের সুযোগ ৩২ বছর চাওয়া হয়।

রিটের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার এ বি এম আলতাফ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের বয়স, যোগ্যতা ও চাকরির আবেদনের বিধিমালা-২০১৪ এর ১৪ বিধিকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। এই বিধিতে বলা আছে, যারা সাধারণ বিসিএস ক্যাডারে পরীক্ষা দেবে, তারা ৩০ বছর বয়স পর্যন্ত পরীক্ষা দিতে পারবে।

অথচ জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় ৩২ বছর পর্যন্ত আবেদনের সুযোগ রয়েছে। শুধু তাই নয়, ১৪ উপবিধিতে বলা আছে, শিক্ষা ক্যাডারেও ৩২ বছর পর্যন্ত পরীক্ষার সুযোগ পাবে।

আইনজীবী বলেন, জুডিশিয়াল সার্ভিসে ৩২ বছর পর্যন্ত সুযোগ পাচ্ছেন। অথচ সাধারণ বিসিএসে অংশগ্রহণকারীরা ৩০ বছর পর্যন্ত সুযোগ পাবেন। এটা সাংঘর্ষিক। চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে যেন সবার সমান অধিকার নিশ্চিত হয় রিটে আমরা তা চেয়েছি।

৩০ বছর পার হওয়ায় বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত বিজিত শিকদারসহ পাঁচ শিক্ষার্থী রিটটি দায়ের করেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকের সকল সহকারী শিক্ষক ১৩তম গ্রেড পাবেন

অনলাইন ডেস্ক

সহকারী শিক্ষকদের বেতন গ্রেড উন্নীত করে ১৩তম গ্রেড করা হয়েছে। এতে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকরা পুরোপুরি সন্তুষ্ট না হলেও অনেকটাই খুশি। কারণ তাদের দাবি ছিলো ১১তম গ্রেড।

তবে গ্রেড উন্নীতকরণের পর কে পাচ্ছেন ১৩তম গ্রেড কে পাচ্ছেন না, সেটা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেয়া দিয়েছে।

রাজীব আহমেদ নামে এক শিক্ষক ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে ব্যাখ্যা করেছেন গ্রেড উন্নীতকরণে কারা এর অধিভুক্ত।

বাংলাদেশ জার্নাল-এর পাঠকদের জন্য লিখাটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

গত ৯ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য দূরীকরণের লক্ষ্যে বেতন উন্নীতকরণ করে ১৩তম গ্রেড নির্ধারণ করে। আসলে এতে বেতন বৈষম্য দূর হয়েছে কিনা তা আমার বোধগম্য নয়। সহকারী শিক্ষকদের দাবি ছিল একটাই তা হলো প্রধান শিক্ষকদের পরের ধাপে বেতন।

প্রধান শিক্ষকদের ১০ম এবং সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড। তারপরও কিছু একটা পরিবর্তন হয়েছে সেটাকে সাধুবাদ জানাই। কিন্তু সমস্যা হলো ৯ ফেব্রুয়ারির পরিপত্রটির ৫ নং কলামে শর্ত যুক্ত করে। আর এ নিয়ে আমাদের বিচক্ষণ কিছু শিক্ষক পূর্বের নিয়োগবিধীর আলোকে নিয়োগপ্রাপ্ত এসএসসি (হাতে গোনা), এইচএসসি (এদের অনেকেই বিভাগীয় অনুমতি না থাকার কারণে সার্টিফিকেট প্রদর্শনের সুযোগ পাচ্ছেন না) এবং স্নাতক (তৃতীয় শ্রেণি) শিক্ষকগণকে ভিনগ্রহের প্রাণী ভাবছেন।

অনেকে অযৌক্তিকভাবে বলছেন, এসকল শিক্ষকগণ ১৩তম গ্রেড পাবেনা। যা সত্যিই অত্যন্ত দুঃখজনক। অথচ শর্তাবলীর (খ) উপধারায় বলা আছে ‌‘এ বিষয়ে বিদ্যমান সকল বিধিবিধান ও আনুষ্ঠানিকতা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে’।

শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০১৯ কী বলে তা একটু দেখে আসি। শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০১৯ এর ১০ এর (১) উপধারায় বলা আছে ‘এই বিধিমালা কার্যকর হইবার সঙ্গে সঙ্গে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০১৩ এতদ্বারা রহিত হইবে’।

এখন রহিতকরণের ব্যাখ্যায় ১০ এর (২) উপধারায় বলা আছে ‘উক্তরূপ রহিতকরণ সত্ত্বেও উক্ত বিধিমালার অধীন যে সকল কার্যক্রম নিষ্পন্ন হইয়াছে তাহা এই বিধিমালার অধীন সম্পন্ন হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে এবং এই বিধিমালা জারির তারিখে অনিষ্পন্ন কার্যাদি যতদূর সম্ভব এই বিধিমালার অধীন নিষ্পন্ন করিতে হইবে।

যদি এসকল নিয়মাবলী ঠিক থাকে তাহলে কিসের ভিত্তিতে বলছেন পূর্বের নিয়োগবিধীর আলোকে যথাযথ শর্ত মেনে নিয়োগপ্রাপ্ত সকল শিক্ষক ১৩তম গ্রেড পাবেনা? তাই অতি বিচক্ষণ ঐ সকল শিক্ষকদের বিনয়ের সাথে বলি। সবাই মিলে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করি, সবাইকে যোগ্য শিক্ষক ভাবি। একাকী এগিয়ে যাবার চেষ্টা না করে সকলকে নিয়ে এগিয়ে যাই, তা না হলে যানজট অনিবার্য।

একই টিমে যখন সবাই আছি তখন টিম ওয়ার্ক ভালোভাবে করি, সাফল্য পাওয়া যাবে। নইলে ব্যর্থতার গ্লানি পিছু ছাড়বে না।

পরিশেষে দৃঢ়ভাবে বলতে চাই এসএসসি, এইচএসসি অথবা স্নাতক (৩য় শ্রেণি) সকল সহকারী শিক্ষক ১৩তম পাবেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ফলাফলের ভিত্তিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি থাকছে না আর

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৩ফেব্রুয়ারীঃ
আসন্ন ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ থেকে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে কেন্দ্রীয়ভাবে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। গত মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সংগঠন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের স্ট্যান্ডিং কমিটির ২৬২তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়সহ মোট ২৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্যরা বিষয়টির সাথে একমত পোষণ করেছেন। এরই প্রেক্ষিতে এসএসসি ও এইচএসসি’র ফলাফলের ভিত্তিতেই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে দেশের বিভিন্ন কলেজের প্রথম বর্ষের ভর্তি প্রক্রিয়া আর থাকছেন না। এখন থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছুদের কেন্দ্রীয়ভাবে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।
জানা যায়, গত ৫ বছর যাবৎ এসএসসি ও এইচএসসি’র ফলাফলের ভিত্তিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট কলেজে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হতো। ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে এ প্রক্রিয়া চালু হয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে। এর আগে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করানোর ব্যবস্থা ছিল। তবে এখন থেকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে কেন্দ্রীয়ভাবে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্তে আবার পরীক্ষায় বসতে হবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছুদের।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

৩৮ জেলার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৩ফেব্রুয়ারী
৩৮টি জেলার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশ প্রদান করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
আজ ১৩ফেব্রুয়ারী প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক নুরুল আমিন স্বাক্ষরিত পত্রে জানান যে, ৩ ৮জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে (রাজস্বখাতভুক্ত) সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০১৮ এর উপর মহামান্য হাইকোর্টে রীট পিটিশন দায়ের করায় এবং আদালত কতৃক নিয়োগ কার্যক্রমের উপর স্থগিতাদেশ প্রদান করায় চুড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের আগামী ১৬/০২/২০২০ খ্রিঃ তারিখে যোগদান কার্যক্রম স্থগিত করার নির্দেশ দেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রধান শিক্ষকদের ১০ গ্রেড নিয়ে যা বললেন সচিব

ডেস্ক,১২ফেব্রুয়ারীঃ
সারাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হলেও প্রধান শিক্ষকদের বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি কর্তৃপক্ষ।

দীর্ঘদিন ধরেই সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১১তম গ্রেডে করা এবং প্রধান শিক্ষকদের বেতনের গ্রেড ১০ম গ্রেডে করার দাবি জানিয়ে আসছিলেন শিক্ষকরা। সর্বশেষ নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন ২ ধরনের সহকারী শিক্ষকদের বেতনের গ্রেড হবে ১৩তম।

এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক সমিতির সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাস বলেন দশম গ্রেড আমাদের প্রানের দাবী। এ দাবী আমরা দ্রুত বাস্তবায়ন করব অাদালতের মাধ্যমে।

বর্তমানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক ১৪তম গ্রেডে ও প্রশিক্ষণবিহীন শিক্ষকেরা ১৫তম গ্রেডে বেতন পান। নতুন এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৩তম গ্রেডে শুরুতে একজন সহকারী শিক্ষকের মূল বেতন হবে ১১ হাজার টাকা।

এমতাবস্থায় প্রধান শিক্ষকদের বিষয়ে কি সিদ্ধান্ত নেয়া হবে সে বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম-আল-হোসেন বলেন, প্রধান শিক্ষকদের বেতন নিয়ে উচ্চ আদালতের একটি মামলা চলমান। সে জন্যই প্রধান শিক্ষকদের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া যায়নি।

মামলার কার্যক্রম শেষ হলে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলেও জানান তিনি। এদিকে নতুন এ প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ১৩তম গ্রেডে শুরুতে একজন শিক্ষকের মূল বেতন হবে ১১ হাজার টাকা এবং এ গ্রেডে সর্বোচ্চ বেতন হবে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের পদায়ন ১৯ ফেব্রুয়ারি

ডেস্ক,১২ফেব্রুয়ারীঃ
চূড়ান্ত নিয়োগের দুই মাসের মাথায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৮ হাজার ১৪৭ জন সহকারী শিক্ষকের পদায়ন হচ্ছে। আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি পদায়ন আদেশ জারি করা হবে। এর আগে ১৬ ফেব্রুয়ারি নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকগণকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করতে হবে।

এদিকে, আগামী ১৭-১৯ ফেব্রুয়ারি নিয়োগকৃত এসব সহকারী শিক্ষকদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হবে। জেলা পর্যায়ে আয়োজিত এসব প্রোগ্রামে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন উপসচিব/যুগ্ন সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তা ‘ওয়ান ডে ওয়ান ওয়ার্ড, এসডিজি-৪’ অর্জনে করণীয় বিষয়ে এসব শিক্ষকদের নির্দেশনা প্রদান করবেন।

আজ বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব জাহানারা রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

এর আগে গত ১৩ জানুয়ারি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে এক অফিস আদেশে ১৬ ফেব্রুয়ারি নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকগণকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান, ১৭ হতে ১৯ ফেব্রুয়ারি ওরিয়েন্টশেন, ১৯ ফেব্রুয়ারি পদায়ন আদেশ জারির কথা বলা হয়েছিল।

জহিরুল ইসলাম নামে কক্সবাজার জেলায় নিয়োগ পাওয়া সহকারী শিক্ষক বলেন, আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে। তাছাড়া ওরিয়েন্টেশন ১৭-১৯ ফেব্রুয়ারি হবে বলে জানতে পেরেছি।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত হয়। এতে চূড়ান্তভাবে পাস করেছেন ১৮ হাজার ১৪৭ জন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আরও সাড়ে ৬৫ হাজার মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম করা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন, সারাদেশে আরও ৬৫ হাজার ৬০০ টি মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপনের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সংরক্ষিত নারী এমপি সৈয়দা রুবিনা আক্তারের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ তথ্য জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে ২০০৯ থেকে এ পর্যন্ত নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩২ হাজার ৬৬৭টি মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, এক হাজার ৪১১টি কম্পিউটার ল্যাব, ৩১টি ডিজিটাল ল্যাংগুয়েজ ল্যবরেটরি, ৬৪০টি আইসিটি লার্নিং সেন্টার এবং ৫০টি ক্লাস্টার সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে।

এমপি আছলাম হোসেন সওদাগরের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশে যেসব উপজেলায় সরকারি বিদ্যালয় ও কলেজ নেই সেসব উপজেলায় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজকে সরকারি করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ২০১৮ ও ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দে ২৯৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ৩০২টি বেসরকারি কলেজ সরকারি করা হয়েছে।

কাজিম উদ্দিন আহম্মেদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শ্রেণিকক্ষে সঠিকভাবে শিক্ষা প্রদানের জন্য ২০১৮–২০১৯ অর্থ বছরে ৬৫ হাজার ৮৫১ জন শিক্ষককে সৃজনশীল বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।

জামালপুরের এমপি মোজাফফর হোসেনের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যন্ড কলেজে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মাসিক বেতন বাবদ ইতোপূর্বে এক হাজার ৫০ টাকা এবং চলতি বছরে এক হাজার ৩৫০ টাকা হারে আদায়ের বিষয়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড তদন্ত করেছে। তদন্ত প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিভিন্ন শাখায় কর্মরত শিক্ষক ও কর্মচারির সংখ্যা ৮৮৭ জন। এরমধ্যে ১১৬ জন শিক্ষক ও কর্মচারি সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত। বাকী ৭৭১ জন শিক্ষক ও কর্মচারি সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত নয়। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা অর্থ ওই ৭৭১ জন শিক্ষক ও কর্মচারীর মাসিক বেতনভাতা, বাড়িভাড়া ও বার্ষিক ইনক্রিমেন্টসহ যাবতীয় সুযোগ–সুবিধা বাবদ খরচ করা হয়।
যেহেতু মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যন্ড কলেজ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মাসিক বেতন বাবদেআগে ১০৫০ টাকা হারে ও চলতি বছরে ১৩৫০ টাকা হারে আদায় করেছে, সেহেতু শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা অর্থ আগামী ২২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ফেরত দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

উপবৃত্তির টাকা পেতে শিক্ষার্থীদের আবেদন ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে

ডেস্ক,১১ফেব্রুয়ারীঃ
২০১৯-২০ অর্থবছরে উপবৃত্তি পেতে আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আবেদন করতে হবে শিক্ষার্থীদের। এ লক্ষ্যে উপবৃত্তির আবেদন ফরম প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, তফসিলী (হিন্দু), বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, সশস্ত্র বাহিনী, দৃষ্টি প্রতিবন্ধি, প্রতিবন্ধি (দৃষ্টি ও অটিস্টিক ব্যতীত), অটিস্টিক, উপজাতীয় (ক্ষুদ্র ণৃ-গোষ্ঠি), উপবৃত্তি টাকা বিতরণে এ আবেদন ফরম প্রকাশ করা হয়েছে। এসব উপবৃত্তির টাকা পেতে আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয়ে পাঠাতে হবে।

গতকাল ৯ ফেব্রুয়ারি বিষয়টি জানিয়ে সব প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠান প্রধানকে চিঠি পাঠিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।

জানা গেছে, উপবৃত্তির আবেদন ফরম সংগ্রহ করে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করতে হবে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের। তথ্য ফরম পূরণ করে যথাযথভাবে তা পূরণ করে আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের পাঠাতে হবে।

এদিকে উপবৃত্তির আবেদনের দুইটি ফরম প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। ফরম নং ১ পূরণ করে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণির অধ্যয়ণরত শিক্ষার্থীদের ও ফরম নং ২ পূরণ করে একাদশ থেকে স্নাতকোত্তর শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির আবেদন করতে হবে। এসব ফরম পূরণ করে আঞ্চলিক পরিচালক ও উপপরিচালকদের বরাবর আবেদন অগ্রায়ণ করতে বলা হয়েছে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের।

উপবৃত্তির আবেদন ফরমটি দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হল।

ক্লিক করুন

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

পঁয়ত্রিশোর্ধ্ব নিবন্ধন সনদধারীদের নিয়োগের রায়ের স্থগিতাদেশের সময় বাড়ল

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
শিক্ষক নিয়োগে পঁয়ত্রিশোর্ধ্ব নিবন্ধন সনদধারীদের আবেদনের সুযোগ সংক্রান্ত হাইকোর্টের সেই রায়ের কার্যকারিতার ওপর জারি করা স্থগিতাদেশের সময় বেড়েছে। এনটিআরসিএর পক্ষ থেকে করা আবেদনের প্রেক্ষিতে এ সময় বাড়লো। এর আগে হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারীতে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত করেছিল সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

আজ সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) হাইকার্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে এনটিআরসিএর করা আপিলের ওপর লিভ পিটিশন শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সে শুনানি হয়নি। এদিকে শিক্ষক নিয়োগে পঁয়ত্রিশোর্ধ্ব নিবন্ধন সনদধারীদের আবেদনের সুযোগ সংক্রান্ত হাইকোর্টের সেই রায়ের কার্যকারিতার ওপর জারি করা স্থগিতাদেশের সময় বাড়ানোর আবেদন করেছিল এনটিআরসিএ। যা আদলত গ্রহণ করেছেন। আবেদনটি গৃহিত হওয়ায় আপিলের শুনানি না হওয়া পর্যন্ত রায়ের কার্যকারীতার ওপর জারি করা স্থাগিতাদেশটি বহল থাকবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আগের বিধিমালায় নিয়োগপ্রাপ্ত নারী শিক্ষকদের গ্রেড উন্নীত হবে না

নিজস্ব প্রতিবেদক,১১ফেব্রুয়ারীঃ
প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন গ্রেড ১৪ ও ১৫তম থেকে ১৩তম গ্রেডে উন্নীত করেছে সরকার। রবিবার এ সংক্রান্ত আদেশ জারি হয়। গ্রেড উন্নীত করায় নতুন নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের সুবিধা বাড়বে। কর্মরতদের নগণ্য পরিমাণ বাড়বে, কারো কমতেও পারে।
তথ্য অনুযায়ী, এতদিন সহকারী শিক্ষকদের মধ্যে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা ১৪তম গ্রেডে (১০ হাজার ২০০ টাকা) এবং প্রশিক্ষণবিহীন ১৫তম গ্রেডে (৯ হাজার ৭০০ টাকা) বেতন পেতেন। তাদের দাবি ছিল ১১তম গ্রেড প্রদান। এই গ্রেডে বেতন স্কেল ১২ হাজার ৫০০ টাকা। শিক্ষকরা বলছেন, তাদের বেতন বৃদ্ধির পরিমাণ খুবই নগণ্য। যা মেনে নেওয়া যায় না। ১৩তম গ্রেডে উন্নীত হওয়ায় তারা ১১ হাজার টাকা স্কেলে বেতনভাতা পাবেন।

শিক্ষক নেতারা জানিয়েছেন, এতদিন প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের মধ্যে বৈষম্য ছিল। এবার বৈষম্য নিরসনের কথা বলে তাতে নিয়োগ বিধি ২০১৯ এর তপশিল ২(গ) এর শর্ত জুড়ে দিয়ে খোদ সহকারী শিক্ষকদের মধ্যেই বৈষম্য সৃষ্টি করা হচ্ছে।

বর্তমানে প্রাথমিকে নিয়োগের জন্য সব শিক্ষকের (নারী ও পুরুষ) শিক্ষাগত যোগ্যতা ডিগ্রি পাশ নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু এর আগে নারীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ ছিল এসএসসি/এইচএসসি। ফলে আগের বিধিমালায় যারা নিয়োগ পেয়েছেন তাদের গ্রেড উন্নীত হবে না।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষার্থীদের চুল ছেঁটে দেয়ায় প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত

বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি | ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
নাটোরের বড়াইগ্রামের জোয়াড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের অর্ধশত ছাত্রের চুল ছেঁটে নির্যাতন করার দায়ে প্রধান শিক্ষক সেকেন্দার আলীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চুল ছাঁটার এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দিলিপ কুমার দাস জানান, জোয়াড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সেকেন্দার আলী কয়েকদিন আগে ছাত্রদের চুল ছাঁটার নির্দেশ দেন। প্রধান শিক্ষকের সে নির্দেশে অনেকেই চুল না ছাঁটায় প্রধান শিক্ষক রোববার দুপুরে শ্রেণিকক্ষে ঢুকে সপ্তম থেকে দশম শ্রেণির প্রায় অর্ধশত ছাত্রের চুল কাঁচি দিয়ে ছেঁটে দেন। এ সময় কাঁচির আঘাতে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী জখম হয়। এতে অভিভাবকসহ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষক নিয়োগ : শূন্যপদের তথ্য সংশোধন যেভাবে

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। বেশকিছু প্রতিষ্ঠান থেকে শূন্যপদের ভুল তথ্য দিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বা ডিইওদের শূন্যপদের তথ্য যাচাই ও সংশোধনের দায়িত্ব দিয়েছে এনটিআরসিএ। ৩১ জানুয়ারি থেকে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা শূন্যপদের তথ্য সংশোধন করতে পারছেন। আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের মাধ্যমে শূন্যপদের তথ্য যাচাই ও এডিট করার সুযোগ পাচ্ছেন প্রতিষ্ঠান প্রধানরা। গত ৬ ফেব্রুয়ারি শূন্যপদের তথ্য সংশোধনের সময় বাড়ায় এনটিআরসিএ। আর শূন্যপদের তথ্য সংশোধনে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের তৎপর হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন এনটিআরসিএর কর্মকর্তারা।
এদিকে শূন্যপদে তথ্য সংশোধন প্রতিষ্ঠান প্রধান ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। নির্দেশনা শূন্যপদের তথ্য সংশোধনের প্রক্রিয়া বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে। গত ৯ ফেব্রুয়ারি নির্দেশনা জেলা-উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের পাঠানো হয়।

এনটিআরসিএ‌‌র নির্দেশনায় বলা হয়, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের মাধ্যমে নিজ নিজ এলাকার অন্তর্ভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর চাহিদাপত্র যাচাই করে যেগুলোর সংশোধন প্রয়োজন মনে করবেন, সেগুলো প্রতিষ্ঠান প্রধানদের দিয়ে সংশোধন করাবেন। আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এসব চাহিদাপত্র সংশোধন করতে হবে। প্রতিষ্ঠান প্রধানরা নিজ নিজ ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে (http://ngi.teletalk.com.bd) লগইন করে Edit Option এ গিয়ে চাহিদাপত্র সংশোধন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানে থেকে পাওয়া সংশোধিত চাহিদা পত্রের কপি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা প্যানেলে দেখতে পারবেন। চাহিদাপত্র যাচাইয়ের পর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নিজ নিজ প্যানেল পেইজের নিচের Save and Submit button এ ক্লিক করে চাহিদাপত্র চূড়ান্তভাবে সাবমিট করতে পারবেন। শূন্য পদে তথ্য সংশোধনের প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে অনুসরণের জন্য অনুরোধ করেছে এনটিআরসিএ।

এনটিআরসিএর একাধিক কর্মকর্তা দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমকে বলেন, অনেক প্রতিষ্ঠান এবারো শূন্যপদের তথ্য পাঠিয়েছেন। তবে, এবার সংখ্যাগত ভুল বেশি হয়েছে। আর অন্যান্য ভুল কিছুটা হলেও কম হয়েছে। হয়তো ১ জন শিক্ষক লাগবে সেখানে অনেক প্রতিষ্ঠান প্রধান তিনজন শিক্ষকের চাহিদা দিয়েছেন। এসব ভুল সংশোধনের সুযোগ দেয়া হয়েছে। যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান শূন্যপদে তথ্য দিতে ভুল করেছেন, তারা জেলা শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করে এসব ভুল সংশোধন করতে পারবেন। তবে, এবার প্রতিষ্ঠান প্রধানদের এসব ভুল সংশোধনে তৎপর হবে। কারণ শিক্ষক নিয়োগের সময় শূন্যপদের তথ্য ভুল থাকলে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও কমিটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান এনটিআরসিএর কর্মকর্তারা।

তারা দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমকে আরও বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠান শূন্যপদের ভুল তথ্য দিলে সে পদে সুপারিশ করা প্রার্থীকে নিয়োগ দিতে হবে। প্যাটার্নের অতিরিক্ত শূন্যপদের চাহিদা দিলে শিক্ষকের শতভাগ বেতন প্রতিষ্ঠান থেকে দিতে হবে। তা না হলে প্রতিষ্ঠান প্রধানের এমপিও বন্ধ করা হবে। আর কমিটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এমপিও নীতিমালায়ও এমনটি বলা আছে।

গত শিক্ষক নিয়োগে প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে শূন্যপদের ভুল তথ্য দেয়ায় ভোগান্তিতে পড়তে হয় প্রার্থীদের। এ জটিলতা নিরসনে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমকে নিশ্চিত করেছে এনটিআরসিএ। শূন্যপদের ভুল তথ্যের ভোগান্তি এড়াতে এবার ই-রিকুইজিশন যাচাই বাছাইয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা। এদিকে এনটিআরসিএ সূত্র দৈনিক শিক্ষাডটকমকে জানায়, শূন্যপদের তথ্য যাচাই বাছাইয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের সময় দেয়া হয়েছে। এ সময়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা নিজ নিজ ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো ভুল তথ্য পাঠালে তা সংশোধন করতে পারবেন।

বিষয়টি নিশ্চিত এনটিআরসিএর এক কর্মকর্তা দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমকে বলেন, প্রতিষ্ঠান থেকে ই-রিকুইজিশনে চাওয়া শূন্যপদের তথ্য ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দে জারি করা এমপিও নীতিমালা বা জনবল কাঠামো অনুযায়ি কম-বেশি হলে তা সংশোধন করার ক্ষমতা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের দেয়া হয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠান শূন্যপদে তথ্য দিতে ভুল করেছে তারা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করে যেসব ভুল সংশোধন করতে পারবেন। জেলার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শূন্যপদের তথ্য যাচাই করবেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা। তথ্য সঠিক থাকে তা সঠিক বলে সাবমিট দিবেন তিনি। আর তথ্যে কোনো ভুল থাকলে তা সংশোধন করে এনটিআরসিএতে সাবমিট করবেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা।

তিনি দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমকে আরও জানান, ৩১ জানুয়ারি থেকে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা শূন্যপদের তথ্য সংশোধন করতে পারেছেন। আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শূন্যপদের তথ্য যাচাই ও এডিট বা সংশোধন করতে পারবেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা। নিজ নিজ ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে লগইন করে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শূন্যপদে তথ্য যাচাই ও সংশোধন করবেন। এই সময়ের মধ্যে শূন্যপদের তথ্য যাচাই ও সংশোধনের কাজ অবশ্যই শেষ করতে হবে। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের যাচাই করা পদগুলো সঠিক বলে বিবেচনা করবে এনটিআরসিএ। সে অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে কোনো তথ্য জানা থাকলে এনটিআরসিএর অফিসে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। অফিস চলাকালীন ০২-৪১০৩০৩৯৩ টেলিফোন নম্বরে ফোন করে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।

গত ১৪ জানুয়ারি থেকে তৃতীয় চক্রে শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ বা ই-রিকুইজিশন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত ই-রিকুইজিশন প্রক্রিয়া চলার কথা থাকলেও এ সময় বাড়ায় এনটিআরসিএ। গত ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত ই-রিকুইজিশন বা শূন্যপদের তথ্য দিতে পেরেছে প্রতিষ্ঠানগুলো।

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এন্ট্রি লেভেলে শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ করে এনটিআরসিএ। বাছাই করা প্রার্থীদের আর কোনও পরীক্ষা দিতে হয় না। ইতোমধ্যে দুইটি চক্রে ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দে ও ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এন্ট্রি লেভেলের শিক্ষক নিয়োগে প্রার্থী সুপারিশ করেছে এনটিআরসিএ। সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তৃতীয় চক্রে শিক্ষক নিয়োগ দিতে কার্যক্রম শুরু করেছে এনটিআরসিএ।



Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বেতন গ্রেড নিয়ে প্রাথমিকের শিক্ষকরা কি পেল

ঢাকা,১০ ফেব্রুয়ারী: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের ১৩তম গ্রেডে উন্নীত করা হয়েছে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতন ১০ম গ্রেডে এবং সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১১ তম গ্রেডে উন্নীত করার দাবিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন। আন্দোলনের অংশ হিসেবে তাঁরা ঢাকায় সমাবেশ করে আসন্ন প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা বর্জনেরও হুমকি দিয়েছিলেন। অবশ্য পরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেনের সঙ্গে বৈঠক করার পর শিক্ষকেরা পরীক্ষা বর্জনের কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন।

রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মনোয়ারা ইশরাত স্বাক্ষরিত এ-সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এনিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইতিবাচক ও নেতিবাচক অনেক মন্তব্য পাওয়া যাচ্ছে। যার প্রেক্ষিতে শিক্ষকদের মধ্যে বিভাজন তৈরি হচ্ছে।

Read More »

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আটকে আছে ১,০৭২ প্রতিষ্ঠানের এমপিও

ঢাকা,১০ ফেব্রুয়ারী : গত চার মাসেও এমপিওভুক্তি কার্যক্রম চূড়ান্ত করতে পারেনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

অথচ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ২৩ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে এমপিওভুক্তির আওতায় আনতে দুই হাজার ৭৩০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম ঘোষণা করেন। কিন্তু মন্ত্রণালয় এখন পর্যন্ত এক হাজার ৬৫৮ প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তি চূড়ান্ত করেছে। বাকি সব আটকে আছে আমলাতান্ত্রিক জটিলতায়। ফলে এ জন্য বরাদ্দ অর্থ মন্ত্রণালয়ে পড়ে আছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দীর্ঘ সাড়ে নয় বছর অপেক্ষার পর চার শর্তে এমপিও পাচ্ছে নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

২০১৯-২০২০ অর্থবছরে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির লক্ষ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় ৮৬৫ পঁয়ষট্টি কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়। চলতি অর্থবছরে এ পর্যন্ত এক হাজার ৬৫৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হয়েছে। এ বাবদ বার্ষিক ব্যয় প্রায় ৪৫৬ কোটি ৩২ লাখ ১৮ হাজার টাকা। কিন্তু সিদ্ধান্তহীনতায় আরো প্রায় এক হাজার প্রতিষ্ঠানের জন্য বরাদ্দ পড়ে আছে মন্ত্রণালয়ের হিসাবে।

সূত্রগুলো জানিয়েছে, উক্ত ব্যয়ের পর আরো প্রায় ৪০৮ কোটি ৬৭ লাখ ৮১ হাজার টাকা অবশিষ্ট রয়েছে। কিন্তু এমপিওভুক্তির নীতিমালায় কিছুটা সংশোধনী আনা হচ্ছে। অবশিষ্ট অর্থ দিয়ে সংশোধিত নীতিমালার আলোকে যাচাই-বাছাই করে চলতি অর্থবছরে আরো প্রায় এক হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চূড়ান্ত করার কথা।

কিন্তু গত অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে দুই হাজার ৭০০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম ঘোষণা করলেও এখনো সব চূড়ান্ত করা যায়নি।
নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো বলছে, এসব প্রতিক্রিয়ার মধ্যেই বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিও নীতিমালায় সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ নিয়ে সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আলোচনা হয়। সেখান থেকেও কিছু সংশোধনি প্রস্তাব করা হয়েছে। স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মতামত ও সুপারিশ এ নীতিমালায় অন্তর্ভুক্তি ও সংশোধন করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত ২৩ অক্টোবর দুই হাজার ৭৩০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য এমপিও ঘোষণা করা হয়। গণভবনে অনুষ্ঠানে এমপিওভুক্তির এই ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ঘোষণা অনুযায়ী গত ১ জুলাই থেকে অর্থাৎ অর্থবছরের শুরু থেকেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করার কথা।

সর্বশেষ ২০১০ সালে এক হাজার ৬২৬টি প্রতিষ্ঠানকে একসঙ্গে এমপিও দেওয়া হয়। এর পর থেকে এমপিওভুক্তির দাবিতে চলছিল শিক্ষকদের আন্দোলন। এমনকি জাতীয় সংসদেও এমপিরা এই দাবিতে ছিলেন সরব।

অবশ্য সরকার প্রধান হুশিয়ার করে বলেছেন, নতুন প্রতিষ্ঠানগুলোকে যথাযথ মান ধরে রাখতে হবে। কেউ যদি এটা ধরে রাখতে ব্যর্থ হন, সঙ্গে সঙ্গে তার এমপিও বাতিল হবে।

জানা যায়, এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে স্কুল ও কলেজের সংখ্যা এক হাজার ৬৫১টি, মাদরাসার সংখ্যা ৫৫৭টি এবং কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৫২২টি। সম্পূর্ণ নতুন স্কুল-কলেজ এমপিওভুক্ত হচ্ছে ৬৮০টি এবং প্রতিষ্ঠানের নতুন স্তর এমপিওভুক্ত হচ্ছে এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৯৭১টি। নতুন এই এমপিওভুক্তির কারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগে মোট ৮৬৫ কোটি টাকা ব্যয় বেড়েছে।

এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো-২০১৮ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের যোগ্যতা-অভিজ্ঞতা নিয়োগকালীন বিধি-বিধান ও সংশ্লিষ্ট পরিপত্র মোতাবেক প্রযোজ্য হবে। নিবন্ধন প্রথা চালু হওয়ার আগে বিধিসম্মতভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্মচারীরা এমপিওভুক্তির সুযোগ পাবেন।

কিন্তু পরবর্তী সময়ে নিয়োগ প্রাপ্তদের অবশ্যই নিবন্ধন সনদ লাগবে। যেসব প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য বিবেচিত হয়েছে তার মধ্যে কোনো প্রতিষ্ঠান নীতিমালা অনুযায়ী কাম্য যোগ্যতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হলে এমপিও স্থগিত করা হবে।

পরবর্তী সময়ে কাম্য যোগ্যতা অর্জন করলে এমপিও ফের অবমুক্ত করার বিষয়টি বিবেচিত হবে। যেসব তথ্যের আলোকে প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়েছে, পরবর্তী সময়ে কোনো তথ্য ভুল বা মিথ্যা প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সংসদীয় স্থায়ী কমিটিকে জানানো হয়, বরাদ্দকৃত বাকি অর্থ দিয়ে নতুন প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তি কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করা যাবে। তবে সেটি কবে নাগাদ তা বলেনি মন্ত্রণালয়।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বাদপড়া শিক্ষার্থীদের ফের ৯ম শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশন শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে ৯ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন ও তথ্য সংশোধনে ফের সুযোগ দিয়েছে ঢাকা বোর্ড। আজ রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) থেকে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে ৯ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন ও তথ্য সংশোধন শুরু হয়েছে। আগামী ৯ মার্চ পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন ও তথ্য সংশোধন করা যাবে। বিলম্ব ফি দিয়ে বাদপড়া শিক্ষার্থীরা এসময়ের মধ্যে ৯ম শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে ৯ম শ্রেণিতে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এ প্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনের বিভাগ, বিষয়, ছবি সংশোধন ও বাদপড়া শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনের ফের সুযোগ দেয়া হল। ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ৯মার্চ পর্যন্ত অনলাইনে সংশোধন করতে হবে। এসময়ের মধ্যে বাদপড়া ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরাও ২৮৩ টাকা বিলম্ব ফি দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে।

রেজিস্ট্রেশন সংশোধনে সোনালী সেবার মধ্যেমে ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ৯মার্চ পর্যন্ত মধ্যে নির্ধারিত খাতে ফি জমা দিতে হবে। রেজিস্ট্রেশন সংশোধনে শিক্ষার্থী প্রতি বিভাগ পরিবর্তনে ৫০০ টাকা এবং বিষয় পরিবর্তনে শিক্ষার্থী প্রতি ১০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter