Home » দৈনিক শিক্ষা (page 4)

দৈনিক শিক্ষা

আজ মাধ্যমিক ও কারিগরির ১৫ বিষয়ের ক্লাস

ডেস্ক,১৩ আগষ্ট:
চলমান করোনা পরিস্থিতিতে টেলিভিশনে সম্প্রচারিত পাঠদান কার্যক্রমে আজ বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) মাধ্যমিকে ১২টি ও কারিগরির তিনটিসহ মোট ১৫টি বিষয়ের ক্লাস হবে।

ছুটির দিন বাদে অন্যান্য দিনে জাতীয় সংসদ টেলিভিশনে মাধ্যমিক ও কারিগরির বিভিন্ন স্তরে পাঠদান সম্প্রচার করা হচ্ছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও কারিগরি স্তরের সংশোধিত ক্লাস রুটিন প্রকাশ করা হয়। এতে মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের জন্য ৯ থেকে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত ক্লাস সম্প্রচারের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়। আজ তিনটি ধাপে মাধ্যমিকের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির বিভিন্ন বিষয়ের ১২টি ক্লাস করানো হবে। সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট থেকে শুরু হয়ে দুপুর ২টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত শিক্ষকদের ক্লাস ভিডিও ধারণ করে সম্প্রচারিত হবে। এরপর দুপুর ২টা ৩০ মিনিট থেকে কারিগরি শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হয়ে বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত চলবে।

ক্লাস রুটিনে বলা হয়েছে, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তার আওতাধীন প্রতিষ্ঠান, সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান ও শ্রেণি শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের ‘আমার ঘরে আমার স্কুল’ অনুষ্ঠান সম্পর্কে অবহিত করবেন। বিশেষ প্রয়োজনে ক্লাস রুটিন পরিবর্তন হতে পারে। আগামী সপ্তাহে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) ওয়েবসাইটে নতুন ক্লাস রুটিন প্রকাশ করা হবে।

প্রতিটি ক্লাস ২০ মিনিট করে প্রচার করা হচ্ছে, তার সঙ্গে প্রতিদিনের শিক্ষার্থীদের জন্য হোমওয়ার্ক (বাসার কাজ) দেওয়া হবে। পরদিন তা টেলিভিশনের স্ক্রিনে সঠিক উত্তরগুলো দেখানো হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর শিক্ষার্থীদের এসব বাসার কাজের খাতা মূল্যায়ন করে নম্বর দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে মাউশি।

পাশাপাশি টেলিভিশনে প্রচার হওয়া ক্লাসগুলো কিশোর বাতায়নে দেওয়া হবে। শিক্ষার্থীরা যেকোনো সময় তা দেখতে পারবে। সেখানে নানা ধরনের কুইজের মাধ্যমেও শিক্ষার্থীরা খেলার ছলে শিখতে পারবে বলে জানা গেছে।

মাধ্যমিকে টেলিভিশন ক্লাসে যা থাকছে
সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট থেকে বেলা ১১টা ২০ মিনিট পর্যন্ত ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলা দ্বিতীয় পত্র এবং ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ের ক্লাস, বেলা ১১টা ২০ মিনিট থেকে ১২টা পর্যন্ত সপ্তম শ্রেণির বাংলা দ্বিতীয় পত্র ও বিজ্ঞান ক্লাস, বেলা ১২টা থেকে ১২টা ২০ মিনিট পর্যন্ত অষ্টম শ্রেণির ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ক্লাস, ১২টা ২০ মিনিট থেকে ১টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত নবম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র এবং পৌরনীতি ও নাগরিকতা ক্লাস, বেলা ১টা ৪০ মিনিট থেকে ২টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত প্রচার করা হবে দশম শ্রেণির ইংরেজি প্রথম পত্র, পদার্থবিজ্ঞান এবং বিজ্ঞান বিষয়ের ক্লাস।

অন্যদিকে কারিগরি স্তরে নবম শ্রেণির ফার্ম মেশিনারি ক্লাস দুপুর ২টা ৩০ মিনিট থেকে ২টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত, ২টা ৫০ মিনিট থেকে বিকেল ৩টা ১০ মিনিট পর্যন্ত দশম শ্রেণির পোল্ট্রি রিয়ারিং অ্যান্ড ফার্মিং এবং দশম শ্রেণির বিল্ডিং মেইনটেন্যান্স বিষয়ের ক্লাস ৩টা ১০ মিনিট থেকে বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত সম্প্রচার করা হবে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

স্কুল সেপ্টেম্বরে খুললে পরীক্ষা, ডিসেম্বরে খুললে অটো পাস

কালের কন্ঠঃ
শিক্ষার ‘রিকভারি প্ল্যানে’ তিন বিকল্প রেখেই প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হচ্ছে। গতকাল বুধবার জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডে (এনসিটিবি) পাঠ্যসূচি পুনর্বিন্যাস নিয়ে দিনব্যাপী কর্মশালা হয়েছে, যা আগামী সোমবার পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। এদিকে আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে এই রিকভারি প্ল্যান নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়েও বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা আছে। এ ছাড়া ময়মনসিংহের প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমিতে (নেপ) প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে কাজ চলছে।

জানা গেছে, প্রাথমিকের রিকভারি প্ল্যান তৈরি করেছে নেপ। আর মাধ্যমিকের রিকভারি প্ল্যান তৈরি করেছে বাংলাদেশ পরীক্ষা উন্নয়ন ইউনিট (বিইডিইউ)। উভয় সংস্থাই তাদের প্রস্তাবে বলেছে, সেপ্টেম্বরে স্কুল খুললে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী, জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেটসহ অন্যান্য শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আর যদি অক্টোবর-নভেম্বরে খোলে তবে নিজ নিজ স্কুলে ৫০ নম্বরের এমসিকিউয়ের মাধ্যমে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আর যদি ডিসেম্বরে স্কুল খোলে তবে অটো পাসের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পরবর্তী ক্লাসে উন্নীত করা যেতে পারে। এই তিন প্রস্তাব ঠিক রেখেই কাজ করছে এনসিটিবি।

সূত্র জানায়, শিক্ষার রিকভারি প্ল্যান নিয়ে গত ৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই সচিব এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের সঙ্গে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সেপ্টেম্বরে স্কুল খোলা সম্ভব না হলে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা (পিইসি) ও জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা (জেএসসি) এ বছর না নেওয়ার ব্যাপারে আলোচনা হয়। অন্যান্য শ্রেণিতে অটো পাসের মাধ্যমে পরবর্তী শ্রেণিতে উন্নীত করার ব্যাপারে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণের ব্যাপারেও আলোচনা হয়।

এনসিটিবির কর্মশালা সূত্রে জানা যায়, গতকাল এনসিটিবি ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির ছয়টি করে ১৮ বিষয়ের পাঠ্যসূচির ওপর কাজ করেছে। এগুলো হচ্ছে বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। বিষয়গুলোর ওপর কাজ আজ শেষ করা হবে। আগামী ১৬ ও ১৭ আগস্ট এই তিন শ্রেণির ধর্ম ও নৈতিকতা বিষয়ের ওপর কাজ চলবে।

কর্মশালায় সর্বনিম্ন ৩০ দিন শ্রেণি কার্যক্রম চালানো সম্ভব হলে পাঠ্য বইয়ের কতটুকু অংশ পড়ানো হবে, তা চিহ্নিত করা হয়েছে। এ ছাড়া ৫০ ও ৭৩ কর্মদিবস সময় পেলে কতটুকু পড়ানো যাবে, তা-ও চিহ্নিত করার কাজ চলছে। তবে নবম-দশম শ্রেণির পাঠ্যসূচি সংক্ষিপ্ত করা হবে না। কারণ এ দুই শ্রেণিতে একই বই পড়ানো হয়। নবম শ্রেণিতে এ বছর যেটা পড়ানো সম্ভব হবে না, সেটা দশম শ্রেণিতে শেষ করা হবে।

এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহা বলেন, ‘কবে স্কুল খুললে কারিকুলাম কী হবে, তা আমরা কর্মশালার মাধ্যমে ঠিক করছি। আগামী সোমবার পর্যন্ত আমাদের সময় লাগতে পারে। এরপর তা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। মন্ত্রণালয়ই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।’

যা বললেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী : এদিকে গতকাল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কবে খুলবে তার ওপর ভিত্তি করে তিনটি বিকল্প মাথায় রেখে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে আগামী সপ্তাহে পাঠানো হবে। আমাদের পরীক্ষা নেওয়ার চিন্তাভাবনা আছে। কিন্তু এই পরীক্ষাটা নিতে হলে আমাদের পাঠদানের যে সময় আছে, সেই সময়টা পাচ্ছি না।

সেপ্টেম্বর-অক্টোবরেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না খুললে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অক্টোবরে না খুললে নভেম্বরে খুলবে, নভেম্বরে না খুললে তখন বিকল্প ব্যবস্থা নেব।’

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি : গতকাল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জেএসসি পরীক্ষা বাতিল এবং এইচএসসি পরীক্ষার তারিখের বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বিশ্বব্যাপী কভিড-১৯ মহামারিকে বিবেচনায় নিয়ে জেএসসি পরীক্ষার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ চেয়েছিল। বিশেষজ্ঞরা তাঁদের পর্যবেক্ষণসহ কিছু বিকল্প প্রস্তাব প্রদান করেছেন। মন্ত্রণালয় প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করছে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল জটিলতা নিরসণের আশ্বাস

নিজস্ব প্রতিবেদক,৬ আগস্ট:

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড এবং সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডে বেতন দেওয়ার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে চলেছে আন্দোলন। তবে সে দাবি মেনে না নিলেও প্রধান শিক্ষকদের এখন ১১তম গ্রেডে বেতন দিচ্ছে সরকার। আর সহকারী শিক্ষকরা পাচ্ছেন ১৩তম গ্রেডে। তবে গত বছর তাদেরকে এই নতুন ধাপে বেতন দেওয়া হলেও নতুন করে সমস্যার আবর্তে জড়িয়ে পড়েছেন শিক্ষকরা।

জানা গেছে, নতুন বেতন স্কেল নির্ধারণের পর প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকরা টাইমস্কেল জটিলতার সমাধান পেতে চলেছে। তবে পদোন্নতি, শ্রান্তি-বিনোদন ভাতা, চাকরি স্থায়ীকরন নিয়ে জটিলতাসহ নানা কারণে তাদের মধ্যে ক্ষোভ দানা বাঁধছে। অপরদিকে সহকারী শিক্ষকদের নতুন গ্রেডে বেতন কমে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এছাড়া গ্রেডসহ আরও কিছু জটিলতা থাকার কারণে ক্ষুব্ধ সহকারী শিক্ষকরাও।

এ নিয়ে বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক টাইমস্কেল বঞ্চিত গ্রুপের আহবায়ক স্বরুপ ‍দাস গণমাধ্যমকে বলেন,টাইমস্কেল নিয়ে প্রাথমিক ও গনশিক্ষামন্ত্রনালয় ও অর্থ মন্ত্রনালয়ের মধ্যে আলোচনা চলছে। ইতিমধ্যে বরফ গলতে শুরু হয়েছে। আমরা যোগাযোগ অব্যহত রেখেছি। আশা করছি দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।

উল্লেখ্য এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আকরাম আল হোসেন বলেছেন,গতকাল আমরা অর্থমন্ত্রনালয়ের সাথে বৈঠক করেছি। প্রধান শিক্ষকরা যাতে টাইমস্কেল পাই সে ব্যাপারে সব ডকুমেন্টসহ অর্থ মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিবের সাথে আলোচনা করেছি।
এ ব্যাপারে অর্থ মন্ত্রণালয়ের পরামর্শমতো ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সেপ্টেম্বরেও খুলবে না শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান?

নিজস্ব প্রতিবেদক,৬ আগষ্ট:
সেপ্টেম্বর মাসে স্কুল খুলে দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে এগোচ্ছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সে লক্ষ্যে এরই মধ্যে নানা পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে; কিন্তু করোনাভাইরাস সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতিতে সেপ্টেম্বরেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। ওদিকে সংক্রমণের ঝুঁকির মধ্যেই সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসছে। অবস্থাদৃষ্টে বলা যায়, সব খাতের প্রতিষ্ঠানের পরই খুলবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দরজা। দেশের একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব শুরু হলে সবার আগে গত ১৭ মার্চ থেকে বন্ধ করা হয় সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। কয়েক দফা বাড়িয়ে সেই ছুটি আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত করা হয়েছে। তবে এই সময়ের পরও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে না বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, শিক্ষার ক্ষতি পোষাতে দুই ধরনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সেপ্টেম্বরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব হলে চলতি বছরের মধ্যেই সিলেবাস কমিয়ে শিক্ষাবর্ষ শেষ করা হবে। তা সম্ভব না হলে চলতি শিক্ষাবর্ষ আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি-মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হবে। তবে পর্যায়ক্রমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় খোলা হতে পারে। এরপর উচ্চ মাধ্যমিক, মাধ্যমিক এবং সবার শেষে প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা হবে। করোনার কারণে এবার এসএসসির ফল প্রকাশে দেরি হয়। এরপর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিও আটকে ছিল। পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হওয়ায় আগামী ৯ আগস্ট থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। তবে গত ১ এপ্রিল এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা এখনো স্থগিত রয়েছে। এতে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছে ১২ লাখের বেশি শিক্ষার্থী।

এ ছাড়া স্কুলের ষান্মাসিকসহ নানা ধরনের পরীক্ষা আটকে আছে। শহরাঞ্চলের শিক্ষার্থীরা অনলাইনে ক্লাস করতে পারলেও গ্রামাঞ্চলের শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে পড়ছে। এতে শিক্ষায় বৈষম্য তৈরি হচ্ছে। সব মিলে করোনার প্রাদুর্ভাবে দেশের পাঁচ কোটি শিক্ষার্থীই নানাভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন বলেন, ‘বাচ্চাদের নিরাপত্তা আমাদের কাছে সবার আগে। তাই সবকিছু বিবেচনায় নিয়েই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার ক্ষতি পোষাতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের জন্য পাঁচ মিনিট টোল ফ্রি পরামর্শও চালু করা হচ্ছে।’

জানা যায়, করোনার মধ্যে দেশের প্রায় সবকিছু স্বাভাবিক হতে শুরু করলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ভিন্নভাবে দেখা হচ্ছে। কারণ অভিভাবকরা সন্তানের স্বাস্থ্য নিয়ে বেশি চিন্তিত। করোনা পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত কারা সন্তানকে স্কুলে পাঠাতে অনিচ্ছুক। তা ছাড়া বেশকিছু দেশ একবার স্কুল খুলে দিলেও পরে আবার বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। ফলে সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে একটু দেরিতেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে চায় মন্ত্রণালয়।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, ‘করোনার মধ্যেই আমরা এসএসসির ফল প্রকাশ করেছি। একাদশে ভর্তি কার্যক্রমও শুরু করতে যাচ্ছি, তবে আটকে আছে এইচএসসি পরীক্ষা। এখন এইচএসসি পরীক্ষা নিতে হলে কমপক্ষে ১৫ দিন ২০ থেকে ২৫ লাখ লোকের চলাফেরা বাড়বে। এতে ভীতি থেকেই যাচ্ছে। কিন্তু দীর্ঘদিন করোনা থাকলে আমাদের বিকল্প ভাবতে হবে। আমরা সবকিছু নিয়েই কাজ করছি, পরিকল্পনা করছি। তবে আরো কিছুদিন সময় নিতে চাই।’


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

চলতি মাসেই ৪২তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি

ডেস্ক,৪ জুলাই:

প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাস মোকাবেলায় আরও দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দিতে চলতি মাসেই ৪২তম বিসিএসের (বিশেষ) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি)। আজ মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন কমিশনের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) আ ই ম নেছার উদ্দিন।

তিনি বলেন, ৪২তম বিসিএসের (বিশেষ) মাধ্যমে দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দিতে নিয়োগবিধি সংশোধন করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বিধি সংশোধন হওয়ার পর চলতি মাসের শেষ দিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

এর আগে ৩৯তম বিসিএসে (বিশেষ) ২০০ নম্বরের এমসিকিউ এবং ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে পাঁচ হাজারের মত চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়। শুধু লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে এককালীন চিকিৎসক নিয়োগ দিতে তখন বিসিএস নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন করা হয়েছিল।

৪২তম বিসিএসের মাধ্যমে এমসিকিউ ও মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে চিকিৎসক নিয়োগ দিতে বিধিমালা সংশোধন করা হচ্ছে বলে জানান পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নেছার উদ্দিন।

৩৯তম বিসিএসের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও পদ না থাকায় সে সময় ৮ হাজার ১০৭ জন নিয়োগের জন্য সুপারিশ পাননি। করোনাভাইরাস সংকট মোকাবেলায় তাদের মধ্যে থেকে দুই হাজার জনকে গত ৪ মে সহকারী সার্জন পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।

এরমধ্যে দেশে করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকলে তা মোকাবেলায় আরও দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দিতে জুলাই মাসের শুরুতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠায় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ। সেখানে বলা হয়, করোনাভাইরাস মোকাবেলায় দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত করা হয়েছে। পাশাপাশি বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টার এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের একটি মার্কেটকে আইসোলেশন সেন্টারে রূপান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশে এ রোগের চিকিৎসা দিতে পারে এমন বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং বেসরকারি ক্লিনিকের ম্যাপিং করা হচ্ছে। এসব হাসপাতালে স্বাভাবিকভাবে আরও চিকিৎসক ও নার্স প্রয়োজন হবে।

জরুরিভিত্তিতে চিকিৎসক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া কথা জানিয়ে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ বলেছে, প্রয়োজনে এ সংক্রান্ত প্রস্তাবে পরে প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটির অনুমোদনসহ যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক |

আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। সোমবার (৩ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়।

আদেশে সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা জারি করতে বলা হয়েছে। আদেশে বলা হয়,৩১ আগস্ট পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কোচিং সেন্টার, বন্ধ রাখার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

এছাড়া মাঠ প্রশাসনের জেলা প্রশাসককে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।

কোভিড-১৯ এর বিস্তার রোধ এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গত ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। দফায় দফায় এই ছুটি বাড়িয়ে করা হয়েছে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। এই সময় শিক্ষার্থীদের নিজ বাসায় অবস্থান করে অনলাইনে লেখাপড়া চালিয়ে নেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়।

এর আগে গত ৩০ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের ২২ দফা নির্দেশনা অনুসরণ করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিস করতে নির্দেশ দেয়া হয়। তবে নির্দেশনায় ঝুঁকিপূর্ণ ও সন্তানসম্ভা নারীদের অফিসে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মাদরাসা শিক্ষকদের জুলাই মাসের এমপিওর চেক ছাড়

নিজস্ব প্রতিবেদক |

মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের জুলাই (২০২০) মাসের এমপিওর চেক ছাড় হয়েছে। অনুদান বণ্টনকারী রাষ্ট্রায়াত্ত চারটি ব্যাংকে চেক পাঠানো হয়েছে। শিক্ষকরা আগামী ১২ আগস্ট পর্যন্ত বেতন-ভাতার সরকারি অংশের টাকা তুলতে পারবেন। সোমবার (৩ আগস্ট) মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল নিয়ে জটিলতা নিরসনের দাবি

আগামী ১৩ আগষ্ট ২০২০ খ্রিঃ বিকাল ৩ ঘটিকায় জেলা প্রশাসকগণের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৫ জুলাই: বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকদের  ৯/৩/১৪ হতে ১৪/১২/২০১৫ ইং পর্যন্ত সকল সরকারি চাকুরিজীবির ন্যয় টাইমস্কেলের দাবিতে ভার্চুয়াল লাইভ প্রেস কনফারেন্স করেছে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক টাইমস্কেল বঞ্চিত গ্রুপ। গতকাল শুক্রবার রাত সারে আটটায় ভার্চুয়াল প্লাটফরম থেকে দাবি পূরণে সরকারকে অনুরোধ জানায় ‘প্রধান শিক্ষক টাইমস্কেল বঞ্চিত গ্রুপ।’।

বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল বঞ্চিত গ্রুপের মুখপাত্র ও প্রধান শিক্ষক সমিতির সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাসের স্বাক্ষরিত আবেদনে উল্লেখ করা কারণগুলো তুলে ধরা হলো:

২০১৪ সালের ৯ মার্চ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এক যুগান্তকারী ঘোষণার মাধ্যমে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদায় উন্নীত করেন। একই দিনে পদমর্যাদা উন্নীতের আদেশ জারী করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

গত ১৫/১২/২০১৫ খ্রিঃ তারিখ অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন অনুবিভাগ হতে যে গেজেট প্রকাশ হয়েছে তাতে সরকারি সকল কর্মচারি ১৪/১২/২০১৫ খ্রিঃ পর্যন্ত টাইমস্কেল/সিলেকশন গ্রেড প্রাপ্য হবেন। কিন্তু ব্যতিক্রম আমরা প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকরা।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকদের অজ্ঞাত কারনে ৯/৩/২০১৪ খ্রিঃ হতে ১৪/১২/২০১৫ খ্রিঃ পর্যন্ত প্রাপ্য প্রথম/২য়/৩য় টাইমস্কেল বন্ধ হয়ে আছে।

গত ১২/০৮/২০১৫ খ্রিঃ তারিখ ৫০৪ সংখ্যক স্মারকে প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রনালয় বিদ্যালয় ২ শাখায় সিনিয়ার সহকারী সচিব জাজরীন নাহার স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান শিক্ষকদের নন গেজেটেড পদমর্যাদায় বেতন নির্ধারন করতে বলা হয়েছে।

গত ১০/০৪/২০১৭ খ্রিঃ তারিখ ১৬৮ সংখ্যক স্মারকে প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রনালয় বিদ্যালয় ২ শাখায় উপসচিব মোহম্মদ হিরুজ্জামান স্বাক্ষরিত পত্রে টাইমস্কেল মঞ্জুরের ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ নির্ধারন করা হয়েছে।

গত ১৮/০৮/১৯৯৭ খ্রিঃ তারিখ ১১৮ সংখ্যক স্মারকে প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয় হতে জারি করা পত্রে ৬/৫/১৯৮১ ইং তারিখে থানা শিক্ষা অফিসারদের (গেজেটেড) ২য় শ্রেণি ঘোষনা করা হয়েছে। উক্ত তারিখের পূর্বে নন গেজেটেড পদের চাকুরিকাল গণনা করে টাইমস্কেল প্রাপ্য।

গত ১৫/১১/২০১৭ খ্রিঃ তারিখ ২৩১ সংখ্যক স্মারকে অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন অনুবিভাগ হতে প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রনালয়ের অধীন প্রধান শিক্ষকদের নন গেজেটড ধরে উন্নীত বেতন স্কেল নির্ধারন সংক্রান্ত একটি পত্র জারি করা হয়েছে।

যেহেতু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদটি ৯/৩/২০১৪ ইং পূর্বেও ছিল নন গেজেটড এবং বর্তমানেও নন গেজেটেড।
০৯/০৩/২০১৪ খ্রি.-এর পূর্বে প্রধান শিক্ষকগণ যে ৩য় শ্রেনির কোডে বেতন ভাতা পেতেন অদ্যবধি সে কোডেই বেতন ভাতা পাচ্ছেন। ২য় শ্রেণির কর্মকর্তাগণ টিফিন ভাতা না পেলেও ৩য় শ্রেণি হিসেবে প্রধান শিক্ষকগণ এখনও টিফিন ভাতা পাচ্ছেন।মাননীয় মহোদয়কে আমরা সবিনয়ে জানাতে চায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের উন্নিত বেতন স্কেল প্রাপ্ত হয়েছেন। উন্নিত বেতন স্কেল কখনো পদোন্নতি হিসাবে গণ্য হতে পারে না।

১৫/১১/২০১৭ খ্রিঃ তারিখ ২৩১ সংখ্যক স্মারকে অর্থ বিভাগ থেকে জারিকৃত পত্র সংশোধন পূর্বক বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকদের ৯/৩/২০১৪ ইং তারিখ হতে ১৪/১২/২০১৫ ইং তারিখ পর্যন্ত প্রাপ্য প্রথম/২য়/৩য় টাইমস্কেলের দাবি জানানো হয়।

প্রধান শিক্ষক স‌মি‌তির সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, টাইমস্কেল প্রাপ্তির কারণ উল্লেখ করে দ্রুত তা বাস্তবায়নের অনুরোধ জানান। অন্যথায়  আগামী ১৩ আগষ্ট ২০২০ খ্রিঃ বিকাল ৩ ঘটিকায় জেলা প্রশাসকগণের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হবে বলে জানানো হয়।

আরো উপ‌স্থিত ছি‌লের প্রধান শিক্ষক স‌মি‌তির সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম,বঞ্চিত কমিটির চট্রগ্রাম বিভাগের আহবায়ক ও সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক র‌ঞ্জিত ভট্রাচার্য ম‌নি, খুলনা বিভাগের আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম, সিলেট বিভাগের আহবায়ক অরুন কুমার দাস,প্রধান শিক্ষক সমিতির নেতা খায়রুল ইসলাম মামুন,নুর ইসলাম নুর , পার‌ভেজ সাজ্জাদ,দিদারুল আলম,র‌ঞ্জিত দত্ত,নু‌রে দিবা,প্রমুখ ।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটির বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত আসছে।

ডেস্ক,২৫ জুলাই:

করোনার কারণে প্রায় চার মাস ধরে বন্ধ রয়েছে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত না আসলেও জানা গেছে, আগামী ৬ আগস্ট পর্যন্ত ছুটি শেষ হওয়ার পরই আবারো বাড়ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি।

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চলমান পরিস্থিতিতে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম আর সংসদ টেলিভিশনের মাধ্যমেই শিক্ষা কার্যক্রম চলমান থাকবে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কোনো সম্ভাবনা নেই।

আরো পড়ুন: ৮ আগস্ট খুলছে যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু ভুয়া আইডি থেকে ঈদের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার ‘গুজব’ ছড়ানো হয়। এতে বিভ্রান্ত হচ্ছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা। অনেক অভিভাবকই স্কুলের শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগও করছেন।

আরো পড়ুন:
প্রাথমিক নিয়ে মন্ত্রণালয়ের নতুন সিদ্ধান্ত

তবে গত বৃহস্পতিবার শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এক বিবৃতিতে বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক শ্রেণির মানুষ শিক্ষাসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে মিথ্য প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। ঈদের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার বিষয়ে আমরা এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি। অথচ আমাদের নাম দিয়ে কখনো জাতীয় শিক্ষা বোর্ড নামে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে জাতীয় শিক্ষা বোর্ড নামে কোনো শিক্ষা বোর্ড নেই।

দীপু মনি বলেন, মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা, শিক্ষক ও অভিভাবকদের এ বিষয়ে সচেতন থাকতে অনুরোধ জানাচ্ছি। যখন সময় হবে আমরা গণমাধ্যমের সাহায্যে জানিয়ে দেব, কখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে, কখন পরীক্ষা নেওয়া হবে। শিক্ষাসংক্রান্ত কোনো বিষয়ে গুজব ছড়ানো হলে বা গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মন্ত্রী।

এর আগে গত মাসে এক ভিডিওবার্তায় শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানান, চলতি শিক্ষাবর্ষ আগামী মার্চ মাস পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে। সেইসঙ্গে পরের শিক্ষাবর্ষ কমিয়ে নয় মাস করার কথা ভাবা হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত কোন সিদ্ধান্ত আসেনি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিক নিয়ে মন্ত্রণালয়ের নতুন সিদ্ধান্ত

ডেস্ক,২৫ জুলাই:

করোনায় থমকে আছে বিশ্ব। কবে মুক্তি মিলবে তা অজানা। বিশ্বের প্রায় সব দেশেই এ ভাইরাসের প্রভাব দেখা গেছে। অনেক দেশেই করোনাভাইরাসের প্রভাবে অর্থনীতি, সংস্কৃতি, শিক্ষাব্যবস্থা, স্বাস্থ্যখাতসহ প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রের অবস্থাই শোচনীয়।

উন্নত দেশে করোনার যে ধরনের প্রভাব পড়েছে সেখানে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর জন্য এ পরিস্থিতি মোকাবিলা করা আরো কঠিন। সংশ্লিষ্টরা শিক্ষাখাতে চলমান সংকট মোকাবিলায় দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন।

আরো খবর:

প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল নিয়ে জটিলতা নিরসনের দাবি

দেশে করোনার কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কয়েক দফার বৃদ্ধির পর আগামী ৬ আগস্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কথা থাকলেও শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা বলছেন এখনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার মতো পরিস্থিতি আসেনি।

সূত্রমতে, সেপ্টেম্বরের আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কথা ভাবছে না সরকার।

এদিকে প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার পর গত ৭ এপ্রিল থেকে সংসদ টেলিভিশনে প্রাথমিক ক্লাস সম্প্রচারিত হচ্ছে। তবে এতে শতভাগ শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছানো যাচ্ছে না।

এমন অবস্থায় প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের সিলেবাস সংক্ষিপ্ত তথা ছোট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। করোনা পরিস্থিতির ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের জন্য অধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে আলাদা করে সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করার পরিকল্পনা করছে মন্ত্রণালয়।

ইতোমধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর ও জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমিকে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সার্বিক দিক মূল্যায়ন করে খুব শিগগিরই এটি কার্যকর করা হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন জানান, দীর্ঘ বন্ধে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আমরা টেলিভিশনের মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। তবুও অনেক শিক্ষার্থী শিক্ষা কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাই সবার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে নতুনভাবে চিন্তা করতে হচ্ছে আমাদের।

তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠান খোলার সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষার্থীরা যাতে খুব দ্রুত তাদের সিলেবাস শেষ করতে পারে সেজন্য একটা পরিকল্পনা রয়েছে। শ্রেণিভিত্তিক মৌলিক সক্ষমতা বা কোর কম্পিটেন্ট অর্জনে বিষয় চিহ্নিত করে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস তৈরি করার জন্য জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বছরের শুরুতেই সারা বছরের পাঠপরিকল্পনা নির্ধারণ করা ছিল। সংশোধিত সিলেবাস সেটাকেও রিভাইস করতে বলা হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ জানান, শিক্ষাবর্ষ যাতে পিছিয়ে না যায় সে লক্ষ্যে এ ধরনের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ শুরু হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সাধারণ ছুটি শেষ হলে ওই সিলেবাস সম্পন্ন করে ডিসেম্বরের মধ্যে পরীক্ষা নেয়া হতে পারে। তবে ছুটি যদি সেপ্টেম্বরের পরও দীর্ঘ হয় তাহলে শিক্ষাবর্ষ পরবর্তী বছরের দুই এক মাস লাগতে পারে।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীর পরের ক্লাসের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলোকে চিহ্নিত করে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস তৈরি হবে। দুইটি স্তরে এটি করা হবে। প্রথম শ্রেণি থেকে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য একভাবে। আর পঞ্চম শ্রেণির জন্য আলাদাভাবে করা হবে। এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ চ্যাপ্টারগুলোর প্রতি বেশি জোর দেয়া হবে। সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব হলে সে আলোকে ক্লাস হবে এবং শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আজ ব্যাংকে যাচ্ছে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের বোনাসের টাকা

ডেস্ক,২২ জুলাই:

বেসরকারি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের ঈদুল আজহার উৎসব বোনাসের সরকারি আদেশে জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই টাকা আজ বুধবার (২২ জুলাই) সরকারি সোনালী, রূপালী, জনতা, অগ্রণী ব্যাংকে পাঠানো হবে।

এর আগে গত সোমবার জিও জারি করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) পরিচালক (প্রশাসন) শাহেদুল খবির চৌধুরী বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ঈদ বোনাসের জিও বা সরকারি আদেশ জারি হয়েছে। আজ (বুধবার) অর্থ নির্ধারিত চারটি ব্যাংকে পাঠানো হবে। ঈদের আগেই শিক্ষক-কর্মচারীরা বোনাসের অর্থ হাতে পাবেন বলে জানানো হয়েছে।

জানা গেছে, শিক্ষকদের ঈদুল আজহার উৎসব ভাতা দেয়ার প্রস্তাব অধিদপ্তর থেকে পাঠানো হয়েছিল। সেই প্রস্তাবে অনুমোদনও দেয়া হয়েছে। এখন বোনাসের চেক ব্যাংকগুলোতে পাঠানো হচ্ছে। এমপিও শিক্ষকরা প্রচলিত বিধি অনুসারে বোনাস ভাতা পাবেন।

জানা গেছে, আগামী ১ আগস্ট সারা দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। তাই জুলাই মাসের বেতন অনুসারে উৎসব ভাতা পাচ্ছেন শিক্ষকরা।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আরও বাড়তে পারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি, অনিশ্চিত এইচএসসি পরীক্ষাও

ডেস্ক,২২ জুলাই:

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে টানা বন্ধ রয়েছে দেশের সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কয়েক দফা বাড়ানোর পর সরকারের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত মোতাবেক আগামী ৬ আগস্ট পর্যন্ত বন্ধ থাকবে প্রতিষ্ঠানগুলো। কিন্তু এরপর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে কি না, সে বিষয়ে এখনেও সিদ্ধান্ত নেয়নি মন্ত্রণালয়। তবে সহসাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলছে না বলে ইতিমধ্যে ইঙ্গিত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের সাংবাদিকদেরকে এ তথ্য জানিয়েছেন। এছাড়া এইচএসসি পরীক্ষা নিয়েও এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

জানা গেছে, ঈদের ছুটির পর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্তে যেতে পারেনি মন্ত্রণালয়। তবে ৬ আগস্টের আগেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনা করে ছুটির বিষয়ে নির্দেশনা চাওয়া হবে বলে সূত্র জানিয়েছে।

মোহাম্মদ আবুল খায়ের বলেন, ‘সরকারের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা না করে সিদ্ধান্তে নেবে না মন্ত্রণালয়। তাছাড়া ৬ আগস্ট আসতে এখনও কিছুদিন সময় বাকি আছে। ঈদের পর বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।’

শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার কথা চিন্তা করে গত ১৭ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ছুটি বাড়ানো হয়েছে ৬ আগস্ট পর্যন্ত। এই পরিস্থিতির মধ্যে ৯ আগস্ট থেকে অনলাইনে একাদশে ভর্তির আবেদন আহবান করা হয়েছে। আবেদনের শেষ সময় ৮ সেপ্টেম্বর। সব প্রক্রিয়া শেষ করতে সময় লাগবে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হবে। অন্তত দুই সপ্তাহ সময় দিয়ে পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এমপিও শিক্ষকদের ঈদ উৎসব ভাতার জিও জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২২ জুলাই, ২০২০
বেসরকারি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের ঈদুল আজহার উৎসব বোনাসের সরকারি আদেশে জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

সূত্র জানায়, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ২০২০ খ্রিষ্টাব্দের ঈদুল আজহার উৎসব ভাতা দেয়ার প্রস্তাব মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে পাঠানো হয়েছিল। সে প্রস্তাবে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এখন অধিদপ্তর থেকে বোনাসের চেক ব্যাংকগুলোতে পাঠানো হবে।

জানা গেছে, আগামী ১ আগস্ট সারাদেশে ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। তাই জুলাই মাসের বেতন অনুসারে উৎসব ভাতা পাচ্ছেন শিক্ষকরা।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বিএড স্কেল পাওয়ার ১০ বছর পর উচ্চতর গ্রেড পাবেন শিক্ষকরা

ডেস্ক,২১ জুলাইঃ

বিএড স্কেল পাওয়ার ১০ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড পাবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা। আর বিএড স্কেল শিক্ষাগত ডিগ্রির জন্য অর্জিত হলেও উচ্চতর গ্রেড হিসেবে গণ্য হবে। তবে, শিক্ষকরা চাকরিতে দুইটির বেশি উচ্চতর গ্রেড পাবেন না। এসব তথ্য জানিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে পাঠানো স্পষ্টীকরণ চিঠির জবাব দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। তাই, এমপিও নীতিমালায় শিক্ষকদের দুইটি উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার কথা বলা হলেও দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এইচএসসি পরীক্ষার নতুন তারিখ এখনও নির্ধারণ করা হয়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক,২০ জুলাই:

করোনা সংক্রমণের কারণে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সময়সূচি এখনও নির্ধারণ করা হয় নি। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি একাধিক বার জানিয়েছেন, দেশে করোনার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এ পরীক্ষা নেওয়া হবে না। যখনই পরীক্ষা নেওয়া হবে তার আগে শিক্ষার্থীরা দুই সপ্তাহ সময় পাবেন।

অন্যদিকে রবিবার (১৯ জুলাই) ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস. এম আমিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশে কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে এইচএসসি পরীক্ষার নতুন তারিখ এখনও নির্ধারণ করা হয়নি।

এজন্য আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষা-২০২০ (স্থগিতকৃত) এর গোপনীয় কাগজপত্র (ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের আওতাধীন) কেন্দ্রসমূহে বিগত ২২ মার্চ তারিখের মধ্যেই প্রেরণ করা হয়েছে। এমতাবস্থায় পরীক্ষা গোপনীয় কাগজসমূহ বৃষ্টি, উইপোকা অথবা অন্যান্যা প্রাকৃতিক কারণে যাতে বিনষ্ট না হয় এবং যথাযথভাবে সংরক্ষণের জন্য অনুরোধ করা হলো।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল গত এপ্রিল মাসের শুরুতে। কিন্তু করোনাভাইরাস জনিত পরিস্থিতির কারণে তখন সাধারণ ছুটি ও সব ধরণের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় সেই পরীক্ষা পিছিয়ে যায়। এরপরে কয়েক দফায় সাধারণ ছুটি বাড়ানোয় পরীক্ষা আয়োজন সম্ভব হয়নি। এবার মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩ লক্ষের বেশি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter