Home » দৈনিক শিক্ষা (page 3)

দৈনিক শিক্ষা

জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষাও বাতিল

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৮ আগস্ট:
২০২০ সালের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না। গতকাল বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী (ইইসি) পরীক্ষা না নেওয়ার ঘোষণা দেয় সরকার।

আজ বৃহস্পতিবার স্কুলের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা না নিয়ে কীভাবে পরবর্তী ক্লাসে উন্নীত করা যায়, তা নিয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যা কিছু করছি সব তোমাদের জন্য, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য। এখন করোনাকাল চলছে। তোমরা স্কুল করতে পারছ না। তারপরও বই আছে। তোমরা ভালো করে পড়াশোনা করো। পরীক্ষা তো হবে না, হয়তো প্রমোশন দিতে হবে। আমরা দেখছি কী করা যায়।’

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে গত ১৮ মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তবে এখনো পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কোনো সম্ভাবনা নেই। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এমনটাই জানা গেছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ৩ অক্টোবর পর্যন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৭ আগস্ট , ২০২০

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি ৩ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। করোনাভাইরাস মহামারি ঠেকাতে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব স্কুল-কলেজ-মাদরাসা, বিশ্ববিদ্যালয় ও কোচিং সেন্টার বন্ধ রয়েছে। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কথা ছিল। সেই ছুটি বৃদ্ধি ৩ অক্টোবর পর্যন্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোহ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে ছুটির এই নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছে।

এই সময়ে কওমি মাদরাসা ছাড়া দেশের সব প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কারিগরি, মাদরাসা, বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব রকমের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। কোচিং সেন্টারও বন্ধ থাকবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ সৃষ্টি!

অনলাইন রিপোর্টার,২৭ আগষ্ট ॥ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেছেন, দেশের ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ সৃষ্টির প্রক্রিয়া চলছে। তাদের ১২তম গ্রেডে বেতন দেয়া হবে। সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিককে এসব কথা বলেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতন ১১তম ও সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১৩তম গ্রেডে উন্নীত করা হয়েছে। আর ৬৫ হাজার ৬২০টি বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ সৃষ্টির প্রক্রিয়া চলছে, যাদের ১২তম গ্রেড দেয়া হবে। আগামী দিনে শিক্ষকদের বেতন গ্রেড আরো উন্নয়ন করা হবে।

শিক্ষক নিয়োগের ব্যাপারে জাকির হোসেন বলেন, দুই বছর মেয়াদি প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালুর ব্যাপারে সম্মতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নতুন জাতীয়করণকৃত ২৬ হাজার ১৯৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সমানসংখ্যক সহকারী শিক্ষকের পদ সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া শূন্য পদ মিলিয়ে শিগগিরই ৪০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বদলে যাবে স্কুল-কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম পদ্ধতি

এস কে দাস,২৭ আগষ্ট:

বড় ক্লাসের শিক্ষার্থীদের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্লাস নেয়া হবে। এজন্য স্বাস্থ্যবিধি গাইডলাইন তৈরির পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)। পরীক্ষার ঝুঁকি কমাতে বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষার্থীদের ক্লাস মূল্যায়ন বাড়ানো হতে পারে। মাধ্যমিক স্কুল ও কলেজে নতুন গাইডলাইন অনুসরণ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে মাউশি থেকে নির্দেশ দেয়া হবে বলে জানা গেছে।

মাউশি সূত্র বলছে, করোনাকালীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ, সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে দেয়া স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে দেশের সকল নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও কলেজগুলোতে ক্লাস কার্যক্রম পরিচালনায় একটি স্বাস্থ্যবিধি নীতিমালা তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সে মোতাবেক আগের মতো আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালিত হবে না।

সূত্র বলছে, ক্লাসে দূরত্ব রেখে শিক্ষার্থীদের বসানো হবে। প্রতিদিন একসঙ্গে সকল শ্রেণির ক্লাস নেয়া হবে না। কর্মঘণ্টাকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে বিভিন্ন স্তরে ক্লাস নেয়া হবে। এক্ষেত্রে মৌলিক বিষয়গুলোকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হবে। সপ্তাহে একটি শ্রেণির শিক্ষার্থীদের দুই অথবা তিনদিন ক্লাস নেয়া হবে। তবে সপ্তম ও দ্বাদশ শ্রেণিকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হবে। পরীক্ষা কমাতে শ্রেণি শিক্ষকদের মাধ্যমে ক্লাস মূল্যায়ন বাড়ানো হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক বলেন, ‘কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কোনোভাবেই করোনার ঝুঁকিতে ফেলতে চাই না। সেজন্য স্কুল-কলেজ খুললে সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে হবে। পরীক্ষা কমাতে শিক্ষার্থীদের ক্লাস মূল্যায়ন করে বিভিন্ন বিষয়ে নম্বর দেয়া হবে। ক্লাসে মৌলিক বিষয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে শিক্ষকদের নির্দেশনা দেয়া হবে। স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য গাইডলাইন তৈরির কাজ শুরু হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর স্বাস্থ্যবিধি-সংক্রান্ত সকল ধরনের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। মাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য নির্দেশনাগুলো স্বাস্থ্যবিধি হিসেবে নির্বাচন করা হবে। গাইডলাইন তৈরি হওয়ার পর মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয়ে তা প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হবে।’

‘স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে নানাভাবে প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সচেতন করে তোলা হবে। এগুলো একটি বই আকারে তৈরি করে তা সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানো হবে। সেখানে প্রতিষ্ঠান খোলার আগে কী করণীয় এবং পরে কোনো ধরনের সমস্যা দেখা গেলে কী করণীয় সেসব বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হবে।’


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকে প্যানেল নিয়োগ নিয়ে যা বললেন সচিব

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৭ আগষ্ট:

প্যানেলের মাধ্যমে শিক্ষক পদে নিয়োগ দেয়ার আশায় লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ নিরীহ প্রার্থীদের কাছ থেকে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে প্যানেলের মাধ্যমে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

একইসাথে প্যানেলে শিক্ষক নিয়োগের জন্য কাউকে টাকা না দিতে প্রার্থীদের পরামর্শ দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এসব তথ্য জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সিনিয়র সচিব আকরাম-আল-হোসেন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একটি স্বার্থান্বেষী মহল মাঠ পর্যায়ে তথাকথিত প্যানেল হতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের কথা বলে নিরীহ প্রার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করছে বলে অভিযোগ বিভিন্ন মাধ্যমে সরকারের গোচরীভূত হয়েছে। ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ জুলাই সারাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকের শূন্য পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। আবেদন করার শেষ তারিখ ছিল সে বছর ৩০ আগস্ট পর্যন্ত। সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষে ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ জুন পর্যন্ত সকল শূন্য পদ বিবেচনা করে ১৮ হাজার ১৪৭টি পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে কোনো প্যানেল করার বিষয় উল্লেখ ছিল না। ফলে, এ নিয়োগে কোনো প্যানেল বা অপেক্ষমান তালিকা করা হয়নি। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ একটি রুটিন প্রক্রিয়া। ভবিষ্যতে পদ শূন্য হবে বিবেচনা করে প্যানেল করার কোনো সুযোগ নেই।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, এ প্রেক্ষাপটে প্যানেল হতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ করা হবে বলে বিভ্রান্ত হয়ে কোনো স্বার্থান্বেষী মহলের প্ররোচনায় কোনো প্রকার অর্থ লেনদেন না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ করা হলো। সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে সরকারি বিধি বিধান অনুসারে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। এতে অর্থ লেনদেনের কোনো সুযোগ নেই।

কয়েকটি সূত্রে জানা গেছে, কথিত স্বার্থান্বেষী নেতারা প্যানেলের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের লোভ দেখিয়ে প্রার্থীদের কাছ থেকে জনপ্রতি ৩০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নিচ্ছেন। তারা করোনাকালেও বেশ কয়েকবার নিয়োগ প্রত্যাশীদের বিভিন্ন স্থানে একত্রিত করেছেন। এসময়ই তাদের কাছ থেকে টাকা নেয়া শুরু হয়েছে। একটি সূত্র দৈনিক শিক্ষাডটকমকে বলেন, প্রায় ৫ হাজার প্রার্থীর কাছ থেকে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে একটি মহল। এ পরিস্থিতিতে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের সতর্ক করল গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

উল্লেখ্য, ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা বেশ কিছুদিন ধরেই প্যানেলের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। সম্প্রতি একটি ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে প্যানেলের মাধ্যমে নিয়োগ প্রত্যাশী প্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি সরকারের নজরেও এসেছে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকের সমাপনী পরীক্ষা বাতিল, থাকছে না বৃত্তি

ডেস্ক,২৬ আগস্ট:
এ বছর পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী (ইইসি) পরীক্ষা হচ্ছে না। এ বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত সপ্তাহে পিইসি ও ইইসি পরীক্ষা বাতিলে সারসংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সম্মতি দিয়ে সেটি আজ মঙ্গলবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। সেইসঙ্গে উপবৃত্তি দেয়া হলেও, বন্ধ হচ্ছে বৃত্তি কার্যক্রম।

মঙ্গলবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতির মধ্যে আমরা শিক্ষার্থীদের ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে চাই না। তাই এ বছর সমাপনী-ইবতেদায়ি পরীক্ষা বাতিল করতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি সারসংক্ষেপ পাঠানো হয়। প্রধানমন্ত্রী এতে সম্মতি দিয়েছেন। আজ সেটি আমাদের হাতে এসেছে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, এ বছর কেন্দ্রীয়ভাবে সমাপনী-ইবতেদায়ী পরীক্ষা নেয়া না হলেও শিক্ষার্থীদের ক্লাস মূল্যায়নের মাধ্যমে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে উন্নীত করা হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

পরিস্থিতি অনুকূলে এলেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত

ডেস্ক,২৩ আগস্ট:
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবাহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দেশে করোনা পরিস্থিতি অনুকূলে এলেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবে সরকার।

জাতীয় শোক ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রোববার (২৩ আগস্ট) সাউথ ইস্ট বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন। ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আলোচনা সভায় যুক্ত হন।

এসময় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, চলমান পরিস্থিতিতে ভবিষ্যতের পাশাপাশি জীবনও ঝুঁকিপূর্ণ। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছেন, পরিস্থিতি অনুকূলে এলেই সরকার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি: প্রাথমিক সচিব

ডেস্ক,২৩ আগষ্ট:

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন বলেছেন, সেপ্টেম্বর মাসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি। আজ রোববার (২৩ আগস্ট) সাংবাদিকদেরকে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, করোনার কারণে চলতি বছর পিইসি বা প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা না নেয়ার প্রস্তাবের সারসংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়েছে। তবে এখনো এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেয়া হবে। এছাড়া স্কুল খুললে কীভাবে পরীক্ষা নেয়া হবে ও ক্লাস হবে সে ব্যাপারে নীতিমালা করা হচ্ছে।

এর আগে পিইসি পরীক্ষা কেন্দ্রীয়ভাবে না নিয়ে নিজ স্কুলে পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করার প্রস্তাবনা প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো হয়। গত ১৯ আগস্ট বিষয়টি জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।

এছাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিরাপদে বিদ্যালয়ে পাঠদান পরিচালনায় করণীয় বিষয়ে নিদের্শনা তৈরি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

সে আলোকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাস্ক পরা, হাত ধোয়, থার্মোমিটার ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক হবে। সবাইকে স্বাস্থবিধি মেনে চলতে হবে। এমন ৫০টির বেশি নির্দেশনা তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়েছে। সেখান সিদ্ধান্ত হবে বলে জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার মতো পরিবেশ এখনও হয়নি: শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক,২০ আগষ্ট:

করোনার কারণে বন্ধ থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার মতো পরিবেশ এখনও হয়নি বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। উদ্ভুত পরিবেশ অনুকূলে এলেই সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার কথা চিন্তা করবে জানান শিক্ষামন্ত্রী। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নে একথা জানান শিক্ষামন্ত্রী।

এছাড়া পরীক্ষা নেয়ার মত অনুকুল পরিবেশ তৈরি হলে ১৫ দিন সময় দিয়ে স্থগিত এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হবে ডা. দীপু মনি। তিনি বলেন, আপনারা জানেন দেশের এই করোনা পরিস্থিতিতে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব নয়। এই পরিস্থিতি আপনারা সবাই অবহিত। প্রায় ১৪ লাখ এইচএসসি পরীক্ষার্থী। পরীক্ষা নেওয়ার জন্য আমরা প্রস্তুত ছিলাম, এখনো আছে। ১৪ লাখ পরীক্ষার্থীর সঙ্গে আরও কয়েক লাখ লোকবল জড়িত। এত সংখ্যক মানুষকে আমরা ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারি না।

গত এপ্রিলে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার তারিখ নির্ধারিত থাকলেও করোনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি।

উল্লেখ্য, করোনার কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বন্ধের এই ঘোষণা আছে। এর মধ্যে দেশের সবকিছু প্রায় স্বাভাবিক হওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কবে খুলবে এবং পরীক্ষাগুলোর কী হবে, তা জানার প্রবল আগ্রহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

স্কুল খুলতে যেসব নির্দেশনা মানার প্রস্তাব করা হয়েছে

ডেস্ক,১৯ আগষ্ট:
দেশে করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে বেশ কিছু নির্দেশনা তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ জাকির হোসেন। আজ বুধবার তিনি সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা বা পিইসি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নিজ নিজ বিদ্যালয়ে নেয়ার প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। আগে যেমন একটা জায়গায় পরীক্ষাটা হতো – কেন্দ্রভিত্তিক, এটা না করে সেটা স্ব স্ব বিদ্যালয়ে নেয়ার চিন্তা করছি। যাতে জমায়েতটা বেশি না হয়, আমাদের ছেলেমেয়েরা আক্রান্ত না হয়, সেটির চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমাদের পরিকল্পনাগুলো পাঠিয়েছি (প্রধানমন্ত্রীর কাছে)। এ বিষয়ে চূড়ান্ত যে সিদ্ধান্ত আসবে, সেটি মেনে চলা হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে পাঠদান শুরু করার বিষয়ে ১৫-১৬টির মতো খসড়া নির্দেশনা তৈরি করা হয়েছে এবং বিদ্যালয় খুললে তাদের এগুলো পালন করতে হবে।

এসব নির্দেশনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হচ্ছে-

ক্লাস শুরুর অন্তত ১৫ দিন আগে শিক্ষক ও কর্মচারীদের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে। যখনই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হোক না কেন, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য তাদের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে।

স্কুলের কক্ষে প্রবেশের আগে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের সাবান-পানি দিয়ে হাত ধোয়া বাধ্যতামূলক করা হবে। হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করার দায়িত্ব থাকবে সংশ্লিষ্ট স্কুল কমিটির। যেসব স্কুলে টিউবওয়েল বা পানির ব্যবস্থা নেই, সেখানে পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সব সময় সব শিক্ষার্থীদেরকে মাস্ক পড়তে হবে। মাস্ক পরার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের নিজেদেরকেই উদ্যোগ নিতে হবে।

শিক্ষার্থীসহ সবার শরীরের তাপমাত্রা মেপে স্কুলে প্রবেশ করানো হবে। কোন ধরণের জটলা করার সুযোগ দেয়া হবে না।

পাঠ্যক্রম আগের মতোই থাকবে। স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী শ্রেণীকক্ষে তিন ফুট দূরত্ব বজায় রেখে বসার ব্যবস্থা করতে হবে। এক্ষেত্রে স্কুলের অবকাঠামো এবং শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বিবেচনায় রেখে স্কুল কর্তৃপক্ষ পরিকল্পনা করবে।

শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হলে কোন দিন কোন ক্লাস হবে, সেটি নির্ধারণ করে তিন ফুট দূরত্ব বজায় রেখে পাঠদান নিশ্চিত করতে হবে।

স্কুলে থাকা শিক্ষার্থীদের কারো মধ্যে হঠাৎ করে করোনাভাইরাসের কোন উপসর্গ দেখা গেলে স্কুল কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের সহায়তা নেবে। পাশাপাশি স্কুলে জরুরি সেবার মোবাইল নম্বর ঝুলিয়ে রাখা হবে। উপজেলা পর্যায়ে তথ্যকেন্দ্র থাকবে।

সংক্রমণের উপর স্কুলের পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টি নির্ভর করবে। সরকার যদি কোন এলাকাকে রেডজোন ঘোষণা করে, তাহলে রেডজোনে স্কুল খুলবে না। স্কুল খোলা থাকা অবস্থায় রেডজোন ঘোষণা করা হলে স্কুলও বন্ধ ঘোষণা করা হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

জাতীয়করণকৃত প্রাথমিকের শিক্ষকদের গৃহিত টাইমস্কেলের বাতিলসহ গৃহিত অর্থ আদায়ের নির্দেশনা

ডেস্ক,১৭ আগষ্ট:
২০১৩ ও ২০১৪ সালে জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের গৃহিত টাইমস্কেলের সংশোধনী আদেশ জারী করে এ বাবদ গৃহিত অতিরিক্ত অর্থ সরকারী কোষাগারে ফেরত প্রদানের নির্দেশনা জারী করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বাস্তবায়ন অনুবিভাগ।

মন্ত্রণালয়ের উপসচিব হায়াত মোঃ ফিরোজ স্বাক্ষরিত ১২ আগস্ট ২০২০ তারিখের পত্রে এ নির্দেশনা প্রদান করা হয়। এ বিষয়ে মহা হিসাবনিয়ন্ত্রক এর জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের চাকুরীকাল গণনা ও আর্থিক সুবিধাদি প্রদান সংক্রান্ত পত্রের স্পষ্টিকরণ পত্রের ব্যাখ্যায় এ নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

পত্রের ব্যাখ্যায় বলা হয়, বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ( চাকরীর শর্তাদি নির্ধারন ) বিধিমালা, ২০১৩ এর বিধি ২(গ) এ উল্লিখিত ‘কার্য্যকর চাকুরীকাল’ (বেসরকারী চাকুরীর ৫০%) বিধি ১০ এর অধীনে শুধুমাত্র পেনশন নির্ধারনের জন্য প্রযোজ্য হবে।

কিন্তু ইতোমধ্যে উক্ত ৫০% বেসরকারী চাকুরীকাল গণনা করে দেশের বিভিন্ন উপজেলা ও জেলায় অনেক জাতীয়করণকৃত শিক্ষক টাইমস্কেল গ্রহণ করে বেতন ভাতাদি উত্তোলণ করছেন। পত্র অনুযায়ী গৃহিত টাইমস্কেলের সংশোধনীসহ অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও বিষয়টির সাথে জড়িত সকলের বিরূদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য মহা হিসাবনিয়ন্ত্রক বরাবর প্রেরিত পত্রে বলা হয়েছে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৪ আগস্ট , ২০২০
দাখিল নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। অনলাইনে রেজিস্ট্রেশনের ফরম পূরণ ও টাকা জমা দেয়া যাবে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। আর ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিলম্ব ফিসহ রেজিস্ট্রেশনের টাকা জমা দেয়া যাবে। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে মাদরাসা প্রধানদের কাছে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, দাখিল ৯ম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন ফি ১৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে, নির্ধারিত সময়ের পরে অতিরিক্ত ৫০ টাকা বিলম্ব ফি দিয়েও রেজিস্ট্রেশন করা যাবে।

১২ বছর পূর্ণ না হলে বা ১৮ বছরের বেশি বয়সের কেউ দাখিল ৯ম শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে না। জেএসসি বা জেডিসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হলে কোনো শিক্ষার্থীর নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে না। ফেল করা শিক্ষার্থী নবম শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবেনা।

শিক্ষার্থীদের অনলাইনে ফরম পূরণ করে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। মাদরাসাগুলোতে পাঠানোর উদ্দেশ্য নির্দেশনায় অনলাইনে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন ফরম পূরণের বিস্তারিত প্রক্রিয়া তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহে নমুনা ছকও প্রকাশ করা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

করোনার পর স্কুল খুলতে ১২৮ কোটি টাকা খরচ করবে সরকার

ডেস্ক,১৪ আগষ্ট:

মহামারি করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার জন্য সব ধরনের সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেন বন্ধ রাখা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রাখার ফলে সরকারি বিদ্যালয়গুলো অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে। এবার বন্ধ থাকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো খুলে দিতে ১২৮ কোটি টাকার পরিকল্পনা হাতে নিচ্ছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষার গুণগত পরিবেশ তৈরি করতে এই টাকা খরচ হবে বলে জানা গেছে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা বিদ্যালয়গুলোতে আগাছার স্তুপ তৈরি হয়েছে। বন্যার কারণে অনেক বিদ্যালয় তৈরি হয়েছে আবর্জনার ভাগাড়ে। প্রকল্পের টাকায় এসব বিদ্যালয়ে নিরাপদ পয়ঃনিষ্কাশন, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ও ডিজিটাল কন্টেন্ট তৈরি করা হবে।

স্কুল খুলে দেয়ার পর শিক্ষার্থীরা যেন নতুন করে স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে না পড়ে সেই জন্যই ‘বাংলাদেশ কোভিড-১৯ স্কুল সেক্টর রেসপন্স’ নামে এ প্রকল্পটি হাতে নেয়া হয়েছে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ১২৮ কোটি ৪০ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রকল্পটি শুধু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বাস্তবায়ন করা হবে।

এমন বিশাল উদ্যোগ বাস্তবায়নে ১২৬ কোটি ৫৩ লাখ টাকা অনুদান দেবে গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর এডুকেশন (ডিপিই)। বাকি টাকা সরকারি অর্থায়ন থেকে মেটানো হবে। চলতি সময় থেকে ২০২২ সালের জুন মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।

প্রসঙ্গত, বর্তমানে সারাদেশে সরকারি বিদ্যালয় ৬৫ হাজার ৬২০টি। এসব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট ১ কোটি ৭৩ লাখ ৩৮ হাজার একশ’ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে।

এছাড়া নতুন এই প্রকল্পটির আওতায় প্রাথমিকের সব শ্রেণিতে সব বিষয়ের ডিজিটাল কন্টেন্ট নির্মাণ শুরু হবে। ক্লাসে সনাতন পদ্ধতিতে পড়ানো ছাড়াও এ কন্টেন্টগুলো প্রদর্শন করে শ্রেণি কার্যক্রমে আধুনিকায়ন করা হবে।

এসব বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আকরাম আল হোসেন বলেন, শিক্ষাকে যুগোপযোগী করার সব ধরনের চেষ্টা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে করা হচ্ছে। করোনার কারণে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে সেটি পূরণ করতে এরকম আরো প্রকল্প হাতে নিতে হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) রতন চন্দ্র পণ্ডিত বলেন, করোনার মতো যেকোনো মহামারিতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষায় যেন কোনো বাধা না আসে সেভাবে পরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে। স্কুলগুলোতে কম্পিউটার ও ডিজিটাল স্ক্রিন কেনা হবে। এবার সব মিলিয়ে ৪০ হাজার কম্পিউটার কেনা হবে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ভার্চুয়াল মাধ্যমে সব স্কুল-কলেজে শোক দিবস পালনের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৩ আগস্ট , ২০২০

আগামী ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস। ১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দের এই দিনে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিল। প্রতিবছর যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে দিবসটি পালন করা হয়। চলতি বছর করোনা ভাইরাস মহামারি রোধে ভার্চুয়াল মাধ্যমে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শোক দিবসের অনুষ্ঠান আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। আর ভার্চুয়াল মাধ্যম ব্যবহার করে স্কুল, কলেজ, মাদরাসা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শোক দিবসের আলোচনা সভা এবং দিবসটির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ কবিতা পাঠ, রচনা প্রতিযোগিতা, হাম নাত প্রতিযোগিতা ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

জানা গেছে, গত ১৬ জুলাই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সে সভায় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় পালনে এ কর্মসূচী পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিদ্ধান্তগুলো মধ্যে রয়েছে, আগামী ১৫ আগস্ট সব সরকারি-বেসরকারি আধাসরকারি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে। ভার্চুয়াল মাধ্যম ব্যবহার করে এদিন সব সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদরাসা, কলেজ, মেডিকেল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শোক দিবসের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ আলোচনা সভা, কবিতা পাঠ, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, চিত্র প্রদর্শনী, হাম নাত প্রতিযোগিতা ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করবে। এছাড়া সংসদ টেলিভিশনে শিক্ষার্থীদের জন্য বঙ্গবন্ধুর জীবনভিত্তিক আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

এছাড়া বঙ্গবন্ধুর জীবন ভিত্তিক ২৬টি বই সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংগ্রহ ও পাঠের ব্যবস্থা করা হবে এগুলো বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ও প্রতিযোগিতায় কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কার হিসেবে দেয়া হবে। এছাড়া এদিন বাদ জোহর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মসজিদসহ দেশের সব মসজিদে বিশেষ মোনাজাত করা হবে। এছাড়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো দিবসটির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ যেকোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে পারবে।

জানা গেছে, শোক দিবস পালনে সব জেলা-উলজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। ভার্চুয়াল মাধ্যমে সব স্কুল-কলেজের শোক দিবস পালনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষকদের বেতন উচ্চধাপে ফিক্সেশনের আদেশ জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৩ আগস্ট , ২০২০
শিক্ষকের বর্তমান বেতন ১৩ গ্রেডের নিম্নধাপের চেয়েও বেশি তাদের বেতন উচ্চধাপে নির্ধারণ করার আদেশ জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

বুধবার (১২ আগস্ট) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়। আদেশটি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

 

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter