Home » দৈনিক শিক্ষা (page 2)

দৈনিক শিক্ষা

৫৭ ও ৩৯ দিনের দুইটি সংক্ষিপ্ত পাঠ পরিকল্পনা প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০
আগামী ৩ অক্টোবর থেকে এবং ১ নভেম্বর থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণি কার্যক্রম শুরুর দুইটি আলাদা টার্গেট নিয়েছে সরকার। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এ দুই সময় থেকে স্কুল কার্যক্রম চালানোর দুইটি আলাদা আলাদা পাঠ পরিকল্পনা প্রকাশ করা হয়েছে। এগুলোর একটিতে ৫৭ দিনের ও একটিতে ৩৯ দিনের সংক্ষিপ্ত পাঠ পরিকল্পনা দেয়া হয়েছে। পাঠ পরিকল্পনা দুটি প্রকাশ করেছে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)।

একটিতে, ৩ অক্টোবর থেকে স্কুল খোলা সম্ভব হল ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ পরিকল্পনা দেয়া হয়েছে। অপরটিতে ১ নভেম্বর থেকে ২৯ ডিসেম্বরের পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ পরিকল্পনা দেয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সংক্ষিপ্ত এই পাঠ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা গেলে শ্রেণি মূল্যায়নেরও সুযোগ থাকবে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ননএমপিও শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে শর্ত শিথিল হচ্ছে

ডেস্ক,১৬ সেপ্টেম্বর:
সরকার ঘোষিত এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর যেসব শিক্ষকরা এমপিওভুক্ত হতে পারছিলেন না, তাদের জটিলতা কাটতে যাচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানে এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে যে শর্ত ছিল- তা শিথিল করতে যাচ্ছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এনটিআরসিএ এর শিক্ষাতন্ত্র ও শিক্ষামানের সদস্য (যুগ্ম সচিব) ড. কাজী আসাদুজ্জামান বলেন, এনটিআরসিএ থেকে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, দ্বিতীয় নিয়োগ চক্রে নন-এমপিও পদে সুপারিশকৃতদের সুপারিশপত্রে বলা ছিল, নন-এমপিও পদে সুপারিশকৃত প্রার্থীরা কখনো এমপিও সুবিধা দাবি করতে পারবেন না। তবে এ শর্ত বাতিল করা হয়েছে। এখন থেকে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের এমপিও প্রাপ্তিতে কোনো শর্ত লাগবে না।

জানা গেছে, সরকার ঘোষিত এমপিওভুক্ত আড়াই হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠানে দ্বিতীয় নিয়োগ চক্রে এনটিআরসিএর সুপারিশ পাওয়া শিক্ষকরা এমপিওভুক্ত হতে পারছিলেন না। কারণ, তাদের সুপারিশ পত্রে শর্ত ছিল নন-এমপিও পদে সুপারিশপ্রাপ্তরা এমপিও দাবি করতে পারবেন না। যে কারণে শিক্ষকদের এমপিও আবেদন মাঠ পর্যায় থেকে গ্রহণ করা হচ্ছিল না। এ জটিলতার সমাধান দিয়েছে এনটিআরসিএ।

গত অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত বলে ঘোষণা করেন। নতুন এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও পদ নতুন করে এমপিওভুক্ত হয়েছে তাদের ক্ষেত্রে এ শর্ত শিথিলযোগ্য বলে বিবেচিত হবে। প্রচলিত এমপিও নীতিমালার আলোকে তাদের ক্ষেত্রে এমপিওভুক্তর এ শর্ত প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে না। কেবল মাত্র নন-এমপিও চাহিদা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান (যেগুলো এমপিওভুক্ত হয়েছে এবং এমপিও নীতিমালার আলোকে ভবিষ্যতে এমপিওভুক্ত হবে) এবং এনটিআরসিএ কর্তৃক সুপারিশ করা হয়েছিল সেগুলোর ক্ষেত্রে এ শর্ত শিথিলযোগ্য মর্মে বিবেচিত হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মিড ডে মিল প্রশিক্ষণে কতজন বিদেশ যাবেন, জানা নেই প্রতিমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ সেপ্টেম্বর:
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুল ফিডিং কার্যক্রম আরও উন্নত করতে কিছু কর্মকর্তাকে বিদেশ পাঠানো হবে। তবে কতজনকে বিদেশ পাঠানোর প্রস্তাব করা হয়েছে সে তথ্য জানা নেই প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেনের।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয়ে কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “সারাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘মিড ডে মিল’ প্রকল্পের আওতায় শিক্ষার্থীদের দুপুরের খাবার হিসেবে স্বাস্থ্যসম্মত খিচুড়ি খাওয়ানো হবে। বর্তমানে দেশের ১৬টি উপজেলা পাইলটিং হিসেবে প্রায় এক হাজার বিদ্যালয়ে তিনদিন দুপুরে রান্না করা খিচুড়ি শিক্ষার্থীদের খাওয়ানো হচ্ছে। এটি সারাদেশে চালু করতে ১৯ হাজার ২৯০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প প্রস্তাবনা অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।”

প্রস্তাবনায় বিদেশ সফরে ৫০০ কর্মকর্তাকে খিচুড়ি রান্না ও পরিবেশন শিখতে বিদেশ পাঠানোর প্রস্তাবের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্রকল্প পরিকল্পনায় কতজন কর্মকর্তাকে বিদেশ পাঠানোর প্রস্তাব করা হয়েছে, তা আমার জানা নেই। তবে যেসব দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল কার্যক্রম চালু রয়েছে সেখানে কিছু কর্মকর্তাকে দেখে আসার জন্য পাঠানো হবে। আমরা শুধু প্রস্তাব পাঠিয়েছি, সেটি বিচার-বিবেচনা করে অনুমোদনের দায়িত্ব পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ও একনেক সভার সদস্যদের হাতে। তারা যেটি পাস করবেন, সেটি বাস্তবায়ন হবে।’

এদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) প্রাথমিকভাবে ৫০ কর্মকর্তার বিদেশ যাত্রার জন্য পাঁচ কোটি টাকা চেয়েছে। এছাড়া দেশেই প্রশিক্ষণের জন্য আরও ১০ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত এই রান্না করা খাবার বিতরণ কর্মসূচির জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১৯ হাজার ২৮৩ কোটি টাকা। এর আওতায় পাঁচ বছর ধরে প্রায় এক কোটি ৪৮ লাখ শিক্ষার্থীকে পুষ্টিকর বিস্কুট ও রান্না করা খিচুড়ি দেয়া হবে। ৫০৯টি উপজেলার শিক্ষার্থীরা এ খাবার পাবে।

তবে পরিকল্পনা কমিশন এই প্রকল্পের নানাবিধ ব্যয় কমাতে বলেছে। বিদেশ সফরের জন্য দুটি দলে অল্প সংখ্যক কর্মকর্তাকে পার্শ্ববর্তী দেশে পাঠাতে বলা হয়েছে। এছাড়া দেশেও এ ধরনের প্রশিক্ষণের বিষয়ে যৌক্তিকতা কী জানতে চেয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশন জানিয়েছে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ধরনের খাবার বিতরণ নতুন নয়। ডিপিই দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

এদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আকরাম-আল-হোসেন জানিয়েছেন, খিচুড়ি রান্নার প্রশিক্ষণের জন্য নয়, অন্যান্য দেশ স্কুলে মিড ডে মিল (দুপুরের খাবার) কীভাবে বাস্তবায়ন করে, সেক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা অর্জনে বিদেশে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে মোট প্রকল্পের অতি অল্প অর্থ ব্যয় ধরা হয়েছে। এ অর্থ ব্যয় কোনো অপচয় নয় বরং অভিজ্ঞতা অর্জনে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাটা রাখা হয়েছে।

জানা গেছে, পরিকল্পনা কমিশন প্রকল্পের ৫০০ কর্মকর্তাদের বিদেশ যাওয়াসহ বেশকিছু অপ্রয়োজনীয় খরচ চিহ্নিত করেছে। সূত্র জানায়, এ প্রকল্পে সামাজিক সংহতির জন্য সাড়ে সাত কোটি এবং পরামর্শকের জন্য ছয় কোটি টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া আট লাখ টাকা দিয়ে একটি এসি ও দুই কোটি টাকা দিয়ে ফার্নিচার ক্রয়ের বিষয়েও আপত্তি তুলেছে। মিটিং, সেমিনার ও ওয়ার্কশপের জন্য আরও পাঁচ কোটি টাকা চেয়েছে ডিপিই।

ওই প্রকল্পের আওতায় ১৭ হাজার ১৮৬ কোটি টাকা খাবার ক্রয়ের জন্য বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া খাবার সরবরাহের জন্য ১৭ কোটি এবং প্লেট কেনার জন্য ১১৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখার কথা বলা হয়েছে। এ ব্যয় মূল্যায়ন ছাড়াই কমানো সম্ভব বলে মনে করছে পরিকল্পনা কমিশন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এইচএসসি নিয়ে অভিভাবকদের ৬ প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৪ সেপ্টেম্বর:

করোনার কারণে কয়েকদফা বাড়ানোর পর আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাধারণ ছুটি রয়েছে। এই ছুটি আরও বাড়ানোরও সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষা কবে হবে তা নিশ্চিত নয়। এতে চুশ্চিন্তায় দিন কাটছে লাখ লাখ শিক্ষার্থীর। এ অবস্থায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ছয়টি প্রস্তাব দিয়েছেন অভিভাবকরা। এছাড়া বিশেষ ব্যবস্থায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়েরও পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে।

অভিভাবক ঐক্য ফোরামের চেয়ারম্যান জিয়াউল কবীর দুলু সাংবাদিকদেরকে বলেন, ‘আমরা চাই শিক্ষার্থীদের পাঠ্যক্রম শেষ করেই যেন সরকার পরীক্ষা নেয়ার ব্যবস্থা করে। নইলে শেখা ও জ্ঞান অর্জনের ঘাটতি পরবর্তী জীবনে ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।’

সূত্র জানায়, স্বাস্থ্যবিধি মেনে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নিতে অভিভাবকদের পক্ষ থেকে মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে। রাজধানীর নজরুল ইসলাম নামে এক অভিভাবক গত ৮ সেপ্টেম্বর ৬ দফা প্রস্তাব সংবলিত স্মারকলিপি দিয়েছে দেন।

তিনি ৫০ করে ১০০ নম্বরে বাংলা দুই পত্র, একইভাবে ইংরেজির দুই পত্র পরীক্ষা গ্রহণের কথা বলেছেন। পাশাপাশি বিজ্ঞানের বিষয়ে তত্ত্বীয় ৭৫ নম্বরের পরীক্ষা ও ব্যবহারিকের ২৫ নম্বর দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। এছাড়া আইসিটি বিষয়ের পরীক্ষা বাতিল করে বিজ্ঞান, বিজনেস স্টাডিজ ও মানবিকের একটি করে বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়ার পর বাকিগুলো ঐচ্ছিক ঘোষণার প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।

জানা গেছে, বিশেষ ব্যবস্থায় এইচএসসি পরীক্ষা নেয়ার ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ও চিন্তাভাবনা করছে। সেজন্য সিটপ্ল্যানও সংগ্রহ করেছে বোর্ডগুলো। সে মোতাবেক, তিন ফুট দূরত্ব রেখে ‘জেড’ সিস্টেমে বসানো হবে শিক্ষার্থীদের। নভেম্বরে পরীক্ষা নেয়ার প্রস্তাব শিক্ষা বোর্ড থেকে পাঠানো হয়েছে।

অবশ্য করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে তিনটি বিকল্প প্রস্তাব রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে, শিক্ষার্থীদের অতীতের জেএসসি-এসএসসির ফলের ভিত্তিতে গ্রেড দেয়া কিংবা স্বল্পপরিসরে পরীক্ষা নেয়া। এ দুটি না হলে আগামী মার্চ পর্যন্ত অপেক্ষা করা।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সচিব অধ্যাপক তপন কুমার সরকার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘যৌক্তিক কারণেই এসএসসি ও এইচএসসির সিলেবাস কমানোর সুযোগ নেই। গোটা পাঠ্যবই শেষ করেই পরীক্ষা হবে। সিলেবাস শেষ করতে কতদিন প্রয়োজন হবে এখনই বলা যাচ্ছে না। কবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে তা অনিশ্চিত। পরীক্ষা পেছানোর প্রয়োজন হতে পারে। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললে শিক্ষার্থীদের অধ্যয়ন ও বাকি অংশের মূল্যায়নের পর সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

উল্লেখ্য, করোনার কারণে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) ও জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষা ইতোমধ্যে বাতিল করা হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না খুললে বার্ষিক পরীক্ষা না নিয়েই শিক্ষার্থীদের পরবর্তী শ্রেণিতে উন্নীত করার চিন্তাভাবনাও চলছে। কিন্তু এইচএসসি পরীক্ষা গত এপ্রিলে নেওয়ার জন্য নির্ধারিত থাকলেও তা সম্ভব হয়নি।

এইচএসসি পরীক্ষা না হওয়ায় ইতোমধ্যে প্রায় ১৪ লাখ শিক্ষার্থীর জীবন থেকে ঝরে গেছে ৫ মাসের অধিক সময়। যথাসময়ে পরীক্ষা হলে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিও শেষ পর্যায়ে থাকত। এ বিষয়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। সরকারি সিদ্ধান্ত পেলেই রুটিন প্রকাশ করা হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগে ‘কোটা’ থাকছে না

নিজস্ব প্রতিবেদত,১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০:

আগামী অক্টোবরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ৩৬ হজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো কোটা পদ্ধতি থাকছে না। শুধু এই নিয়োগের ক্ষেত্রেই নয়; এখন থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে আর কোনো কোটা থাকছে না। প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষকদের পদ ১৩তম গ্রেড ঘোষণা হওয়ায় কোটা পদ্ধতি তুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে পূর্বে নির্ধারিত ৬০ শতাংশ নারী, ২০ শতাংশ পুরুষ এবং ২০ শতাংশ পোষ্য কোটা বহাল থাকছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিদ্যালয়) এ এম মনসুর আলম গণমাধ্যমকে বলেন, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে সব কোটা বাতিল করা হয়েছে। বর্তমানে প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী নারী, পোষ্য ও পুরুষ কোটা বহাল থাকবে। সে অনুযায়ী লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। ডিপিই থেকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি তৈরি করে ইতোমধ্যেই প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এটি অনুমোদন হলে নিয়োগ বিবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। মন্ত্রণালয়ে পাঠানো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আগের সব কোটা বাতিল করা হয়েছে। চলতি মাসের শেষে অথবা অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

প্রসঙ্গত, সরকারি চাকরি থেকে কোটা বাতিলের দাবিতে ২০১৮ ‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’ আন্দোলন শুরু করেন। আন্দোলনের একপর্যায়ে ২০১৮ সালের ৩ অক্টোবর প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল করে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়ার প্রস্তাব অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। এর ঠিক পরদিন নবম গ্রেড ও দশম থেকে ১৩তম গ্রেডে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি বাতিল করে আদেশ জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

এরপর সরকারি চাকরির নবম থেকে ত্রয়োদশ গ্রেড পর্যন্ত অর্থাৎ প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদে কোনো কোটা না রেখে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগের নিয়ম চালু করতে ২০১৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর কাছে সুপারিশ জমা দেয় কমিটি। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পাওয়ার পর মন্ত্রিসভার বৈঠকে তোলার পর তা পাস হয়। সরকারি চাকরিতে প্রথম গ্রেড পর্যন্ত সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো কোটা থাকবে না বলে গত ২০ জানুয়ারি সিদ্ধান্ত দেয় মন্ত্রিসভা।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

২০ বছর পর জানা গেল গবি রেজিস্ট্রার এইচএসসি পাস

প্রেস বিজ্ঞপ্ত,১৪ সেপ্টেম্বর:

ছাত্রীর সঙ্গে ফোনালাপ ফাঁস হওয়ার ঘটনায় আলোচনায় আসা গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দেলোয়ার হোসেন এইচএসসি পাস। তার অনার্স-মাস্টার্স পাসের সনদ ভুয়া বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সব সদস্যের সম্মতিক্রমে তাকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। গত ২০ বছর ধরে তিনি গবিতে রেজিস্ট্রার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র জনসংযোগ কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ভুয়া শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট দিয়ে ২০০২ সালের ৩ আগস্ট গণবিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেন দেলোয়ার হোসেন। কিন্তু বর্তমান ট্রাস্টি বোর্ড তার আচার-আচরণ দেখে শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন। এ অবস্থায় ট্রাস্টি বোর্ড গোপনে রেজিস্ট্রার মো. দেলোয়ার হোসেনের শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়ে তদন্ত করতে থাকে। খোঁজখবরের এক পর্যায়ে জানতে পারেন গণবিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দেলোয়ার হোসেন ইন্টার পাস। তিনি গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রিধারী ও মাস্টার্স পাসের সনদ দিয়ে গণবিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি নিয়েছেন।

এর আগে, রেজিস্ট্রার দেলোয়ার হোসেন বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের এক ছাত্রী। মোবাইল ফোনে রেজিস্ট্রার তাকে কু-প্রস্তাব দিতেন বলে অভিযোগে বলা হয়।এছাড়াও রেজিস্ট্রার একাধিক নারী শিক্ষককে যৌন হয়রানির করছেন বলে ইউজিসির বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখায় লিখিত অভিযোগ রয়েছে।

লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে গত বছর ৬ নভেম্বর রেজিস্ট্রারের কাছে জানতে চায় ইউজিসি। গত ৭ ডিসেম্বর ইউজিসির চিঠির উত্তর পাঠায় রেজিস্ট্রার। তেব সেই চিঠিতে অভিযোগের কোনো সদুত্তর পায়নি ইউজিসি। এর মধ্যেই শিক্ষার্থীকে হয়রানি করেন রেজিস্ট্রার দেলোয়ার হোসেন। যৌন হয়রানির ওই রেকর্ড ভুক্তভোগী ছাত্রী ইউজিসিতে হস্তান্তর করেছেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

একাদশে ভর্তি শুরু, অনলাইনে ক্লাস চলবে অক্টোবর থেকে

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৩ সেপ্টেম্বর:

করোনাভাইরাস পরিস্থিতির মধ্যে আজ থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সকাল থেকেই রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কলেজে চান্স পাওয়া শিক্ষার্থীদের ভর্তির জন্য ক্যাম্পাসে হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া অনেকে দু’একদিনের মধ্যেই ভর্তির প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।

রাজধানীর একটি কলেজে ভর্তিচ্ছু মোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘আমি যে কলেজে চান্স পেয়েছি, সেখানে আজ থেকে ভর্তি শুরু হয়েছে। তবে আমি ভর্তি হওয়ার জন্য আগামীকাল কলেজে যাবো। অবশ্য আজই অনেকেই ভর্তি হচ্ছেন বলে জানতে পেরেছি।’

এদিকে উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে নতুন ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের অনলাইনের ক্লাস শুরু হচ্ছে। আগামী অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহে উচ্চ মাধ্যমিকে অনলাইনে ক্লাস শুরু হবে। আন্তঃশিক্ষা সমন্বয়ক বোর্ড সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সমন্বয়ক অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক গণমাধ্যমকে বলেন, ‘একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হবে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে। করোনা পরিস্থিতির কারণে অনলাইনে ক্লাস চলবে। এরপর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললে স্বাভাবিক ক্লাস শুরু হবে।’

জানা গেছে, অনলাইনে ক্লাস শুরুর লক্ষ্যে আগামী ১ অক্টোবর থেকে বাজারে একাদশের পাঠ্যবই পাওয়া যাবে। আর আজ রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হওয়া ভর্তি কার্যক্রম চলবে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা চান্স পাওয়া কলেজে ভর্তি হবেন। এজন্য ইতোমধ্যে সরকার নীতিমালা প্রকাশ করেছে। গত ৮ সেপ্টেম্বর দুটি পৃথক বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছে।

পৌর এলাকার এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী ভর্তিতে সাকুল্যে এক হাজার টাকা, পৌর (জেলা সদর) এলাকায় দুই হাজার টাকা ও ঢাকা মহানগর ছাড়া অন্য মেট্রোপলিটন এলাকায় তিন হাজার টাকার বেশি আদায় করতে পারবে না।

জানা গেছে, একাদশের বইগুলোর মধ্যে বাংলা, ইংরেজি ও বাংলা সহপাঠ সরকারিভাবে প্রকাশিত হয়। এবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে বেসরকারি প্রকাশকদের পাশাপাশি এনসিটিবির বইও বাজারে থাকছে। ফলে বেসরকারি প্রকাশকদের বাকি ৩৫টি বই বাজারে থাকছে।

একাদশের বই প্রকাশক পুথিনিলয়ের সত্ত্বাধিকারী শ্যামল পাল বলেন, ‘১ অক্টোবর বাজারে বই বিক্রির ব্যবস্থা রাখতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নিচ্ছি।

ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী, ভর্তির জন্য এবার ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঁচ হাজার টাকার বেশি নিতে পারবে না না। আংশিক এমপিওভুক্ত বা এমপিওবহির্ভূত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাংলা মাধ্যমে সর্বোচ্চ সাড়ে সাত হাজার টাকা ও ইংরেজি ভার্সনে সর্বোচ্চ সাড়ে আট হাজার টাকা আদায় করতে পারবে।

এছাড়া উন্নয়ন খাতে দেড় হাজার টাকার বেশি আদায় করতে পারবে না। গত বছর ৩ হাজার টাকা আদায় করা হয় এ খাত থেকে। করোনার কারণে এই ফি কমিয়েছে বোর্ড। কোনো শিক্ষার্থীর পাঠ বিরতি থাকলে বা বিলম্বে ভর্তি হলে যথাক্রমে ১৫০ টাকা ও ১০০ টাকা আদায় করা যাবে।

এবার তিন ধাপে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা একাদশে ভর্তির জন্য আবেদন করেন। প্রায় ১৪ লাখ শিক্ষার্থী ভর্তির আবেদন করলেও এসএসসি ও সমমানে পাস করেছে ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৫২৩ জন। আর উচ্চ মাধ্যমিকে পাঠ্য বইয়ের সংখ্যা ৩৯টি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বিদায় নিচ্ছেন মো. ফসিউল্লাহ-চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়ার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৩ সেপ্টেম্বর:

চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের (ডিপিই) মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পান অতিরিক্ত সচিব মো. ফসিউল্লাহ্। কিন্তু বছর পূর্ণ না হতেই অবসরে চলে যাচ্ছেন তিনি। আগামীকাল সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) তার শেষ কর্মদিবস। এ অবস্থায় তাকে ফের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষকরা।

প্রাথমিক শিক্ষকরা জানিয়েছেন, অল্প সময় এ দায়িত্বে আসলেও প্রাথমিক শিক্ষকদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন তিনি। শিক্ষকদের বিভিন্ন ধরনের সমস্যার দ্রুত সমাধানেরও ব্যবস্থা করেছিলেন তিনি। পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেন মো. ফসিউল্লাহ। সেগুলো দ্রুতই শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পায়।

ডিপিই মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ বলেন, ‘প্রাথমিকের অনেক কাজই শুরু করেছিলাম। তবে শেষ করতে পারিনি। করোনার কারণে অনেক কিছু করা সম্ভব হয়নি। এ কারণে আত্মতুষ্টিতে ভুগতে পারছি না।’

এ সময় বর্তমান প্রথমিক শিক্ষার হাল সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে এখনই কথা বলা ঠিক হবে না। শেষ কার্যদিবসের পরে প্রাথমিকের বিষয়ে বিস্তারিত কথা বলব।’ এছাড়া প্রাথমিকের নতুন মহাপরিচালক নিয়োগের সিদ্ধান্ত সরকারের বলেও জানান তিনি।

জানা গেছে, মো. ফসিউল্লাহ চলে গেলে তৃতীয় প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি ৩) ও চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি ৪) বাস্তবায়ন দীর্ঘায়িত হতে পারে। শিক্ষকদের অনেক সমস্যার সমাধানও দীর্ঘায়িত হতে পারে। এ ধরনের সমস্যা এড়াতে দীর্ঘমেয়াদে মহাপরিচালক চান সংশ্লিষ্টরা। চুক্তিতে হলেও মহাপরিচালক হিসেবে একজনকে কমপক্ষে তিন বছর রাখা জরুরি বলে শিক্ষকরা মনে করছেন।

বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাস বলেন, ‘ফসিউল্লাহ স্যার খুবই শিক্ষকবান্ধব ছিলেন। নিয়োগ বিধিমালা, শ্রান্তি-বিনোদন ভাতাসহ নানা সমস্যার সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছেন। তিনি চলে গেলে অনেকগুলো কাজ বাধাগ্রস্ত হবে।’

তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে অনেক কিছুই করেছেন। তিনি আরও কিছুদিন থাকলে অসমাপ্ত কাজগুলোও শেষ করে যেতে পারতেন।’

জানা গেছে, ডিপিইতে এক বছরে দু’জন মহাপরিচালক পরিবর্তন হয়েছে। অধিদফতরের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় গত বছরের ২০ জানুয়ারি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে পাঠানো হয় মো. আবু হেনা মোস্তফা কামালকে।

পরে ৩০ জানুয়ারি ওই পদে নিয়োগ পান এ এফ এম মনজুর কাদির। গত ৩১ ডিসেম্বর অবসরে যান তিনি। এক বছরেরও কম সময় অধিদফতরে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এরপর বছর পার না হতেই ফের বিদায় নিচ্ছেন মো. ফসিউল্লাহ। এ অবস্থার অবসানে দীর্ঘমেয়াদে মহাপরিচালক নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা।

অবশ্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে ভিন্ন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। সূত্র জানিয়েছে, মো. ফসিউল্লাহ্ ফের মহাপরিচালক হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেতে পারেন। প্রাথমিক শিক্ষার স্বার্থেই এই নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। অন্যথায় তিনি যে উদ্যোগগুলো নিয়েছেন তা পিছিয়ে যেতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘বর্তমান মহাপরিচালককে চুক্তিতে রাখলে প্রাথমিকের লাভ হতো।’ কিন্তু বিষয়টি সরকারের সিদ্ধান্তের ব্যাপার বেলেও জানান তিনি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এইচএসসি পরীক্ষা: আরও সময় নিতে চায় শিক্ষাবোর্ড

ডেস্ক,১২ সেপ্টেম্বর:
করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে দেশের সব ধরণের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ে এবছরের এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। কবে নাগাদ এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারে সেসম্পর্কে নির্দিষ্ট করে কিছু না বললেও সরকার বলছে, করোনাভাইরাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আগে জনস্বাস্থ্যকে ঝুঁকির মুখে ফেলে পরীক্ষা নেয়ার মত সিদ্ধান্ত সরকার নেবে না।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, করোনায় স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকায় কখন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত এখনো নেওয়া হয়নি। নতুন সূচি প্রকাশের অন্তত ১৫ দিন পর এই পরীক্ষা নেওয়া হবে।

এদিকে, এ পরীক্ষা নিতে আরও সময় নিতে চায় আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি। কমিটি বলছে, সবার আগে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা। তাই করোনা পরিস্থিতির আরো উন্নতি হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছি।

তবে শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়া দেশের প্রায় সব কিছুই খোলা রয়েছে। শিক্ষার্থীরাও নিয়মিত ঘরের বাইরে বের হচ্ছে। তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণের বিষয়টি ভাবতে পারে সরকার।

সাবেক শিক্ষাসচিব নজরুল ইসলাম খান বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া যেতে পারে। আর কত দিন অপেক্ষা করা যায়? তবে এ জন্য কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়াতে হবে। এ ছাড়া স্বাস্থ্যবিধি মানতে যা যা করা দরকার, তা মেনে পরীক্ষা নেওয়া যেতে পারে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, করোনা পরিস্থিতির আরো উন্নতি হওয়ার জন্য আমরা অপেক্ষা করছি। এছাড়া আর কোনো বিকল্প এই মুহূর্তে আমাদের হাতে নেই। কারণ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা আমাদের কাছে সবার আগে।

জানা যায়, সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। এ বছর এই সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণই সম্ভব হয়নি। ফলে এমনতিইে শিক্ষার্থীদের প্রায় পাঁচ মাসের সেশনজটে পড়তে হবে। এরপর যদি এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণে আরো দেরি হয়, তাহলে উচ্চশিক্ষায় সেশনজট দীর্ঘ হবে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

দীর্ঘমেয়াদে দায়িত্ব পালন করার মতো ডিজি চান প্রাথমিক শিক্ষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক,১১ সেপ্টেম্বর:
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরে (ডিপিই) গত এক বছরে দুজন মহাপরিচালক (ডিজি) পরিবর্তন হয়েছেন। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ২০১৯ সালের ২০ জানুয়ারি ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয় মো. আবু হেনা মোস্তফা কামালকে। এরপর মহাপরিচালক পদে ওই বছরের ৩০ জানুয়ারি নিয়োগ পান (অতিরিক্ত সচিব) এ এফ এম মনজুর কাদির। দায়িত্ব পালন শেষে গত ৩১ ডিসেম্বর অবসরে যান তিনি। এক বছরের কম সময় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এরপর গত ১২ জানুয়ারি মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পান অতিরিক্ত সচিব মো. ফসিউল্লাহ্। পরদিন কাজে যোগ দেন। বছর পূর্ণ না হতেই তিনিও অবসরে যাচ্ছেন। তার শেষ কর্মদিবস আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর।

এই পরিস্থিতিতে শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, মহাপরিচালকরা কাজ বুঝে নিতে না নিতেই তাদের বিদায় নিতে হয়। ফলে সমস্যা ও সংকট চলে বছরের পর বছর। এই পরিস্থিতির উত্তরণ চান শিক্ষক-কর্মকর্তারা। তারা বলছেন, চুক্তিতে হলেও একজন ব্যক্তিকে মহাপরিচালক হিসেবে কমপক্ষে তিন বছর রাখা জরুরি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদের সদস্য সচিব ও সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের বর্তমান মহাপরিচালক আগামী ১৪ সেপ্টেম্বরের পরে থাকবেন না, অবসরে যাবেন। এটা সত্যিই হতাশার। কারণ কাজ বুঝে না নিতে নিতেই মহাপরিচালকরা বিদায় নেন। আবু হেনা মোস্তফা কামাল পদোন্নতি পেয়ে বদলি হয়ে চলে গেলেন। তিনি ভালো কিছু উদ্যোগ নিয়েছিলেন, শেষ করতে পারেনি। এরপর এ এফ এম মঞ্জুর কাদির এসেছিলেন, কিন্তু কিছু উদ্যোগ নিতে না নিতেই তিনিও অবসরে গেছেন।’

মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ আরও বলেন, ‘এরপর ফসিউল্লাহ্ স্যারকে পেয়েছিলাম। আমার দেখা মতে তিনি সবচেয়ে কর্ম-উদ্যোমী মানুষ। তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নিয়ে সমস্যার সমাধান করতে পারেন। দায়িত্ব নেওয়ার একবছর না হতেই তাকেও চলে যেতে হচ্ছে। এভাবে কাজ বুঝে নিতে না নিতেই মহাপরিচালকরা বিদায় নেওয়ায় মাঠ পর্যায়ের শিক্ষক-কর্মকর্তারা ভোগান্তিতে পড়েন। একজন মহাপরিচালকে কমপক্ষে তিন বছর রাখা প্রয়োজন। যদি তাকে মহাপরিচালক হিসেবে চুক্তিতে আবারও নিয়োগ করা হয় তাহলে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন।’

মন্ত্রণালয়ের নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, প্রাথমিক শিক্ষার প্রয়োজনেই মো. ফসিউল্লাহ্ মহাপরিচালক হিসেবে চুক্তিতে নিয়োগ পেতে পারেন। কারণ যেসব উদ্যোগ তিনি নিয়েছেন নতুন মহাপরিচালক আসলে তা পিছিয়ে যেতে পারে। তৃতীয় প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি ৩) এবং চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি ৪) বাস্তবায়ন পিছিয়ে পড়তে পারে।

বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির মুখপাত্র এস এম ছায়িদ উল্লাহ বলেন, ‘অধিদফতরে যারা ডিজি হিসেবে আসছেন, তারা যখন সবকিছু বুঝে উঠছেন, তখনই তাদের অবসরের সময় চলে আসছে। ডিজিরা এসে প্রতিশ্রুতি দেন, আর কাজ শুরু করতে না করতেই চলে যান। আমরা এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ চাই। শিক্ষকদের সমস্যা সমাধানে কমপক্ষে তিন বছরের জন্য মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এমন কাউকে চাই। কারও চাকরি শেষ হলেও চুক্তি করে হলেও তিন বছর রাখা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন বলেন, ‘তাকে (মো. ফসিউল্লাহ্) চুক্তিতে রাখলে প্রাথমিক শিক্ষার লাভ হতো। কিন্তু বিষয়টি সরকারের।’

শিক্ষকরা বলছেন, বেশির ভাগ মহাপরিচালক কম সময়ের জন্য থাকায় তাদের নেওয়া উদ্যোগ কাজে আসে না। নতুন মহাপরিচালক নতুন করে উদ্যোগ নেন। এতে ব্যাহত হয় প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন কাজ।

প্রসঙ্গত, দেশে ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক রয়েছেন প্রায় চার লাখ। এছাড়া অধিদফতরের অধীনে বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও অফিস রয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকে অনলাইন বদলির ট্রায়াল শুরু চলতি মাসেই

ডেস্ক,১০ সেপ্টেম্বর:

আগামী অক্টোবরে সারা দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভার্চুয়াল মাধ্যমে শিক্ষক বদলি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। সেজন্য চলতি মাসেই অনলাইনে শিক্ষক বদলির ট্রায়াল শুরু করবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। যদিও এই ট্রায়াল গত জুন মাসে শুরুর কথা ছিল। তবে করোনার কারণে সেটি সম্ভব হয়ে ও ওঠেনি।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ। তিনি বলেন, সেপ্টেম্বর মাসেই আমরা অনলাইন শিক্ষক বদলির ট্রায়াল শুরু করব। গত জুন মাসেই আমরা অনলাইনে শিক্ষক বদলির ট্রায়াল শুরু করতে চেয়েছিলাম। করোনার কারণে তা সম্ভব হয়নি।

অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, অনলাইনে শিক্ষক বদলির জন্য সফটওয়্যার যাচাই ও শিক্ষক বদলির কিছু শর্ত নিয়ে কাজ চলমান রয়েছে। এটি নিয়ে আগামীকাল শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আকরাম-আল-হোসেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। অনলাইনে শিক্ষক বদলির জন্য তৈরি করা সফটওয়্যারে নতুন কিছু বিষয় যুক্ত করা হবে। এটি যুক্ত হওয়ার পর চলতি মাসেই ট্রায়াল শুরু হবে।

প্রসঙ্গত, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বদলিতে নানান অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। বদলির সময় অধিদপ্তরের এক শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে যোগসাজশ করে দালালরা শিক্ষকদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। শিক্ষকদের এই অভিযোগ আমলে নিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় অনলাইনে শিক্ষক বদলির উদ্যোগ নেয়।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

স্বয়ংক্রিয় উচ্চতর স্কেল, বেতন বিলে কমিটির হস্তক্ষেপ থাকবে না : অতিরিক্ত সচিব

দৈনিকি শিক্ষা ডেস্ক,৩ সেপ্টেম্বর:
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোমিনুর রশিদ আমিন বলেছেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন-ভাতা পরিশোধে ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির কোনো হস্তক্ষেপ থাকবে না। ইএফটির মাধ্যমে সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে শিক্ষকরা বেতন পাবেন। যদি শিক্ষক কোন অন্যায় করে থাকে (সাময়িক বরখাস্ত হলে) তা অন্যভাবে দেখা হবে। প্রতিষ্ঠান প্রধানর সময়মতো উচ্চ মহলে জানাবেন।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় দেশের শিক্ষা বিষয়ক একমাত্র পত্রিকা দৈনিক শিক্ষা ডটকমের লাইভে যুক্ত এসব কথা বলেন তিনি।

অতিরিক্ত সচিব আরো বলেন, কোনো মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে নয়, ব্যাংক অ্যাকাউন্টেই যাবে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন ভাতা। সরকারি কর্মচারীদের মত ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার ইএফটির মাধ্যমে শিক্ষকদের বেতন ভাতা সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন তুলতে ভোগান্তি কমাতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় ব্যাংক অ্যাকাউন্টে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা পাঠাতে শিক্ষকদের এনআইডি নম্বর, ইনডেক্স নম্বর এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর ইন্টারফেসিং করে একটি ডাটাবেজ তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। একটি টেকনিক্যাল কমিটিও করা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এমপিওভুক্ত পাঁচ লাখ শিক্ষকের বেতন মোবাইল ব্যাংকিংয়ে মাধ্যমে

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩০ আগষ্ট:
এমপিওভুক্ত প্রায় পাঁচ লাখ শিক্ষকের বেতন মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। বেতন পাওয়ার বিষয়টি সার্বিকভাবে দ্রুত, সহজ ও ব্যাংক থেকে টাকা তোলার ঝামেলা এড়াতেই এমন পরিকল্পনা। এতে সরকারের ব্যয় হবে ২০০ কোটি টাকা। আর সুবিধাটি পেতে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মোবাইল ব্যাংকিংয়ে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। অ্যাকাউন্টের তালিকা যাচাই-বাছাই করে সরাসরি ওই মোবাইল অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাবে অর্থ মন্ত্রণালয়। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতনের টাকা পাওয়ার বিষয়টি আরো দ্রুত ও সহজ করার পরিকল্পনা হচ্ছে। সে লক্ষ্যে বেতন মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পাঠানোর বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে। এটা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় ও আমরা এ নিয়ে কাজ করছি।’

অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘আমরা এরই মধ্যে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বিভিন্ন ভাতা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছি। এবার এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন দেওয়ার বিষয় নিয়ে কাজ চলছে।’

সূত্র মতে, গত অক্টোবরে নতুন করে দুই হাজার ৭৩০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়েছে। এ নিয়ে সর্বমোট প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকের সংখ্যা প্রায় চার লাখ ৯৬ হাজার। তাঁরা সরকার থেকে মূল বেতনের সঙ্গে বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ব্যয় মিলিয়ে এক হাজার ৫০০ টাকা পান।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এইচএসসিতে বিকল্প মূল্যায়ন পদ্ধতি খোঁজার নির্দেশ-দিপু মনি

বিডি নিউজ,২৮ আগস্ট:

করোনাভাইরাসের প্রকোপ না কমলে এবং এবার এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না হলে বিকল্প মূল্যায়ন কী হতে পারে, সেই প্রস্তাব তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

এছাড়া মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের পরবর্তী ক্লাসে তুলতে কোন বিকল্প পদ্ধতিতে মূল্যায়ন করা যায়, সেই প্রস্তাব তৈরি করতে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এবং জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

মহামারীকালে এবং পরবর্তী শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এবং মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর ও সংস্থা প্রধানদের সঙ্গে এক ভার্চুয়াল সভায় শিক্ষামন্ত্রী এই নির্দেশনা দেন বলে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

সেখানে বলা হয়, পরিস্থিতি যদি স্বাভাবিক না হয় সেক্ষেত্রে এইচএসসি পরীক্ষা এবং মাধ্যমিক পর্যায়ের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরবর্তী ক্লাসে উত্তীর্ণের বিষয়ে বিকল্প মূল্যায়ন পদ্ধতি কী হতে পারে সে বিষয়ে একটি প্রস্তাব তৈরি করে পরবর্তী সভায় উপস্থাপনের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকা, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর এবং জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে অনলাইন কার্যক্রম আরও ফলপ্রসূ করার ওপরও সভায় গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান এই সভায় যুক্ত ছিলেন।

গত ১ এপ্রিল থেকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরুর কথা থাকলেও করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে তা স্থগিত রয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

দূরশিক্ষণ বঞ্চিত বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ শিশু: ইউনিসেফ

নিউজ ডেস্ক, ২৮ আগষ্ট:
করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে বিশ্বের প্রায় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। বিকল্প হিসাবে প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে অনলাইনে পাঠদান চলছে বেশকিছু দেশে। কিন্তু সামর্থ্যের অভাবে এই দূরশিক্ষণে অংশ নিতে পারছে না বিশ্বের স্কুলে পড়ুয়া অন্তত ৪৬ কোটি ৩০ লাখ শিশু।
জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ নতুন এক প্রতিবেদনে স্কুলবঞ্চিত শিশুদের এই পরিসংখ্যান তুলে ধরেছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

বৃহস্পতিবারের এই প্রতিবেদনে বলা হয়, দূরশিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার মতো প্রযুক্তিগত সুবিধা নেই এই এক-তৃতীয়াংশ শিশুশিক্ষার্থীর। তাছাড়া, দূরশিক্ষণ কার্যক্রমে ধনী ও গরিব শিক্ষার্থীর মধ্যকার প্রকট বৈষম্যও দেখা গেছে।

বিশ্বে অঞ্চলভেদে শিশুদের অনলাইনে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ-সুবিধার মধ্যে অসমতা তুলে ধরে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাব-সাহারা আফ্রিকায় স্কুলে পড়ুয়া যত শিশু আছে তাদের অর্ধেকই দূরশিক্ষণ থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

বিশ্বের দেশে দেশে করোনাভাইরাসের কারণে দেশজুড়ে এবং স্থানীয়পর্যায়ে লকডাউনের বিধিনিষেধের আওতায় প্রায় ১৫০ কোটি স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় স্কুলশিশুরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

স্কুলবন্ধ থাকার এই সময়ে ১০০টি দেশের প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, নিম্ন মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে দূরশিক্ষণে অংশ নেওয়ার জন্য ঘরে থাকা প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ও হাতিয়ার বিশেষত ইন্টারনেট, রেডিও, টিভির সহজলভ্যতার বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রতিবেদন তৈরি করেছে ইউনিসেফ।

পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, পূর্ব ও দক্ষিণ আফ্রিকার ৬ কোটি ৭০ লাখ, পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকার ৫ কোটি ৪০ লাখ, পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ৮ কোটি, মধ্যপাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকার ৩ কোটি ৭০ লাখ, দক্ষিণ এশিয়ার ১৪ কোটি ৭০ লাখ,পূর্ব ইউরোপ এবং মধ্য এশিয়ার ২ কোটি ৫০ লাখ,এবং ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারবিয়ান অঞ্চলের ১ কোটি ৩০ লাখ শিশু- অর্থাৎ, সব মিলিয়ে ৪৬ কোটি ৩০ লাখ (৩১ শতাংশ)- স্কুলশিশু দূরশিক্ষণে অংশ নিতে পারেনি।

ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক হেনরিয়েত্তা ফোরে বলেছেন, কয়েক মাস ধরে বিপুল সংখ্যক স্কুলশিশুর পড়াশোনা পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যা তার কথায়, “এক বৈশ্বিক শিক্ষা জরুরি অবস্থা। আগামী কয়েক দশক ধরে যার বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে সমাজ ও অর্থনীতিতে।”

স্কুলশিশুদের এই ক্ষতির কথা ভেবে অনেক দেশই সম্প্রতি নিরাপদ ব্যবস্থা নিয়ে শিশুদের আবার স্কুলে ফেরানোর কথা ভাবছে। এ নিয়ে চলছে আলোচনাও।

এরই মধ্যে ইউনিসেফ বিশ্বে দূরশিক্ষণ বঞ্চিত বিপুল সংখ্যক শিশুর সাম্প্রতিক ওই পরিসংখ্যান দিল। শিশুদের স্কুলে ফেরা কতটা জরুরি-এ পরিসংখ্যানই তা বলে দিচ্ছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter