Home » দৈনিক শিক্ষা (page 10)

দৈনিক শিক্ষা

টিসি নিয়ে শিক্ষাবোর্ডের কঠোর হুঁশিয়ারি

ডেস্ক:

স্কুল বা কলেজে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট বা টিসি দেয়ার সময় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ নেয়া হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।



ঢাকা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক মো. হারুন-অর-রশিদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে রোববার সব উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়/কলেজগুলোকে এ হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়, শিক্ষার্থী যে মাসে টিসি নেবে তাকে শুধুমাত্র সেই চলমান মাস পর্যন্ত কলেজের বেতনাদি/হোস্টেল ফি (আবাসিক শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে) পরিশোধ করতে হবে। কোনোভাবেই শিক্ষার্থীর কাছ থেকে পরবর্তী মাসগুলোর বেতন/হোস্টেল ফি/সেশন ফি নেয়া যাবে না।

এছাড়া টিসি কিংবা অন্য কোনো ফি বাবদ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে অতিরিক্ত কোনো অর্থ নেয়া যাবে না। একইভাবে টিসির মাধ্যমে ভর্তিকৃত কলেজও কোনোভাবেই শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ভর্তিকৃত মাসের আগের মাসগুলোর বেতন/হোস্টেল ফি (আবাসিক শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে)/সেশন ফি অথবা অতিরিক্ত ফি নিতে পারবে না। কোনোক্রমেই শিক্ষার্থীর কাছ থেকে অতিরিক্ত কার আদায়ের উদ্দেশ্যে টিসি আটকে রাখা যাবে না।

‘পরে এ ধরনের কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। এমনকি সংশ্লিষ্ট কলেজের পাঠদানের অনুমতি বাতিল করা হতে পারে।’

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিওরক্যাশের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন পরিশোধের প্রস্তাবের তীব্র প্রতিবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
রূপালী ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা শিওর ক্যাশের মাধ্যমে বেতন-ভাতা দেয়ার আলোচনা করা হবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। এ খবরে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। শিউর ক্যাশে বেতন দেয়কে অনিরাপদ ও ভোগান্তিকর বলে অভিহিত করেছেন। এজন্য এখনকার নিয়মে ব্যাংকের মাধ্যমেই বেতন দেয়ার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সিনিয়ার যুগ্ন সম্পাদক এস এম ছায়িদ উল্লা। তিনি দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।



গতকাল ৪ সেপ্টেম্বর রূপালী ব্যাংক লি. শিওরক্যাশের উর্ধতন কর্তৃপক্ষ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর কাছে প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন শিওরক্যাশের মাধ্যমে পরিশোধের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। শিওরক্যাশ মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদানে নানা অনিয়ম নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই এই প্রস্তাব দেওয়া হলো। ফলে সারাদেশের প্রাথমিক শিক্ষকরা অসম্মানিত বোধ করছেন।

উল্লেখ্য, প্রাথমিক শিক্ষকরা প্রজাতন্ত্রের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের মতোই সরকারি কর্মচারী। তাঁরা সাধারণ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমেই নিজের মাসিক বেতন-ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা পেয়ে থাকেন। বাংলাদেশে সাধারণত নিম্নস্তরের বেসরকারি বা চুক্তিভিত্তিক কিছু কর্মচারীদের বেতন মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়ে থাকে।

প্রসংগত উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, বর্তমানে প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকগণ দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটড পদমর্যাদার। তাঁরা সেলফ ড্রয়িং অফিসার হিসেবে সরকারি গেজেটেড অফিসারের বেতন বিল (ফরম ১৩) এর মাধ্যমে বেতন-ভাতা আহরণ করার কথা। যদিও নানা জটিলতায় এখনও তা সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে, সহকারী শিক্ষকদের পদমর্যাদা অনেক উন্নীত হয়েছে। অল্পসময়ের মধ্যেই তাঁরাও দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত হবেন।

এমতাবস্থায়, শিওরক্যাশ মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে বেতন প্রদানের আগ্রহ প্রকাশ প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য চরম অবমাননাকর।

বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে এই প্রস্তাবের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন করছি।
বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমকে বলেন, বর্তমানে বিকাশের মাধ্যমে নানাভাবে প্রতারণা হচ্ছে। এখন শিওর ক্যাশেও সে সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া মোবাইল হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হয়। সে কারণে আমরা চাই, ব্যাংকের মাধ্যমেই বেতন দেওয়া অব্যাহত থাক।
বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক দিদারুল আলম শিওরক্যাশ মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে বেতন প্রদানের আগ্রহ প্রকাশ প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য চরম অবমাননার সামিল।

আশাকরি, শিক্ষকবান্ধব মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ও মাননীয় সচিব স্যার রূপালী ব্যাংক লি. শিওরক্যাশ এর উর্ধতন কর্মকর্তাদের এরূপ উদ্ভট, অমর্যাদাকর প্রস্তাবে সম্মত হবেন না। আমরা আরও বিশ্বাস করি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষকদের মর্যাদা উন্নয়নে কাজ করছেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

পাঠ্যবইয়ের সঙ্গে পাটের ব্যাগ পেতে পারে শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক :

স্কুল শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যের পাঠ্যবইয়ের সঙ্গে পরিবেশবান্ধব পাটের ব্যাগ দিতে চায় সরকার। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় পাটের ব্যাগ দিতে সম্মত হয়েছে। তারা শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে পাট বিষয়ক সমন্বয় কমিটির সভায় পাঠ্যবইয়ের সঙ্গে পাটের ব্যাগ দেয়ার বিষয়টি আলোচিত হয়। বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী সভায় সভাপতিত্ব করেন।

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা সৈকত চন্দ্র হালদার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সমন্বয় কমিটির সভায় বিনামূল্যের পাঠ্যবইয়ের সঙ্গে পাটের ব্যাগ দেয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে বই প্রদানকারী শিক্ষা এবং প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনার পর। বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেবেন।’

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক মিলিয়ে বিনামূল্যের বই পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৪ কোটি। এত বিপুল সংখ্যক ব্যাগ দেয়ার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন। এ বিষয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মত হওয়াটাও জরুরি। প্রয়োজনে পরীক্ষামূলকভাবে কয়েকটি স্থানে ব্যাগ দিয়ে দেখা যেতে পারে। ভালো সাড়া মিললে এরপর সারাদেশে চালু হোক।

মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সভায় ইডিএফ ফান্ডের ন্যায় পাটশিল্প উন্নয়নের জন্য ২ ভাগ সুদে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল তৈরি করার বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়াও পাটপণ্যে রফতানি ভর্তুকী বৃদ্ধি, বাংলাদেশ জুট গুডস অ্যান্ড এক্সপোটার্স অ্যাসোসিয়েশনভুক্ত (বিজেজিইএ) রফতানিকারকদের রফতানি করা পণ্যের মূল্যের উপর ৫ শতাংশ হারে প্রণোদনা বা নগদ সহায়তা প্রদান, জুট ব্যাচিং অয়েলের দাম আগের মত নির্ধারণ করা বিষয়ে আলোচনা হয়।

সভায় বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশকে সোনালী আঁশের দেশ হিসেবে রূপান্তর করে পাটের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে সরকার। কৃষকের পাটের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে সরকার সচেষ্ট রয়েছে। জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টারের (জেডিপিসি) মাধ্যমে পাটের বহুমুখী ব্যবহার বৃদ্ধির জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’

‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন-২০১০’ সুষ্ঠুভাবে শতভাগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে দাবি করে মন্ত্রী বলেন, ‘এছাড়াও সব ধরনের কাঁচা পাটের রফতানি উন্মুক্ত রয়েছে। ১৯টি পণ্য মোড়কীকরণের ক্ষেত্রে পাটজাত পণ্যের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।’

গোলাম দস্তগীর গাজী বলেন, ‘বর্তমান সরকার দেশের অভ্যন্তরে পাট ও পাটজাত পণ্যের ব্যবহার বৃদ্ধি ও জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে প্রত্যেকটি বিভাগীয় শহরে এবং ঢাকার বড় বড় সপিং মলে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে বহুমুখী পাটজাত পণ্যের প্রদর্শনী (ডিসপ্লে) সেন্টার ও বিক্রয় কেন্দ্র স্থাপন করার উদ্যোগ নিয়েছে।’

সভায় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন, বিজেএমসি চেয়ারম্যান শাহ মোহাম্মদ নাসিম, পাট অধিদফতরের মহা পরিচালক মো. শামসুল আলম, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আবু বকর সিদ্দিক ছাড়াও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, পরিকল্পনা কমিশন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এবং পাট বিষয়ক সমন্বয় কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

স্কুল-কলেজ শিক্ষকদের আগস্টের এমপিওর চেক ছাড়

নিজস্ব প্রতিবেদক :

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের আগস্ট (২০১৯) মাসের এমপিওর চেক ছাড় হয়েছে। বেতনের আটটি চেক নির্ধারিত অনুদান বণ্টনকারী চারটি ব্যাংকের শাখায় পাঠানো হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

শিক্ষক-কর্মচারীরা ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিজ নিজ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে বেতন-ভাতার সরকারি অংশ তুলতে পারবেন।  আদেশের স্মারক নম্বর: ৩৭.০২.০০০০.১০২.৩৭.০০৪.২০১৯/৬৫১২/০৪।

এর আগে সোমবার (২৬ আগস্ট) মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের আগস্ট মাসের এমপিওর চেক ছাড় হয়েছে। অনুদান বণ্টনকারী রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ব্যাংকে চেক পাঠানো হয়েছে। শিক্ষকরা আগামী ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বেতন-ভাতার সরকারি অংশের টাকা তুলতে পারবেন। মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ শামসুজ্জামান দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।  মাদরাসার আদেশের স্মারক নম্বর ৫৭.২৫.০০০০.০০২.০৮.০০৪.১৯-৩৪১

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এইচএসসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক |

আগামী বছরের এইচএসসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ করেছে ঢাকা বোর্ড। আগামী ১ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে ৪ মে পর্যন্ত চলবে ২০২০ খ্রিষ্টাব্দের এইচএসসি পরীক্ষা। আর ৫ থেকে ১৩ মের মধ্যে এইচএসসির ব্যবহারিক পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে।

বুধবার (২৮ আগস্ট) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে এইচএসসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ করা হয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মাদরাসা শিক্ষকদের আগস্টের এমপিওর চেক ছাড়

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৭ আগষ্ট:
মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের আগস্ট মাসের এমপিওর চেক ছাড় হয়েছে। সোমবার (২৬ আগস্ট) অনুদান বণ্টনকারী রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ব্যাংকে চেক পাঠানো হয়েছে। শিক্ষকরা আগামী ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বেতন-ভাতার সরকারি অংশের টাকা তুলতে পারবেন।
মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ শামসুজ্জামান দৈনিক শিক্ষাবার্তাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আদেশের স্মারক নম্বর ৫৭.২৫.০০০০.০০২.০৮.০০৪.১৯-৩৪১

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষা ক্যাডারের বদলির নতুন নীতিমালা

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৫ আগষ্ট:
শিক্ষা ক্যাডারে বদলি-পদায়নের আবেদনের হার্ডকপি গ্রহণ করা হবে না বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ক্যাডার কর্মকর্তাদের বদলির আবেদন নির্ধারিত সময়ে ই-মেইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হবে। বিষয়টি জানিয়ে রোববার (২৫ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। একই সঙ্গে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের বদলির আবেদন ফরম ও প্রকাশ করা হয়েছে।


জানা গেছে, সরকারি কলেজ শিক্ষকদের বদলি-পদায়ন নীতিমালার আলোকে গত ২৮ এপ্রিল শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের ই-মেইলে বদলির আবেদন পাঠাতে বলা হয়েছিল। একই সঙ্গে ক্যাডার কর্মকর্তাদের বদলির আবেদনের সময় নির্ধারণ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রভাষক এবং সহকারী অধ্যাপকদের বদলির আবেদন ১ম দফায় জানুয়ারি, ২য় দফায় এপ্রিল, ৩য় দফায় জুলাই এবং ৪র্থ দফায় অক্টোবর মাসে এবং সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যাপকদের ১ম দফায় ফেব্রুয়ারি, ২য় দফায় মে, ৩য় দফায় আগস্ট এবং ৪র্থ দফায় নভেম্বর মাসে ই-মেইলে (ds_college@moedu.gov.bd) বদলির আবেদন করতে বলা হয়েছিল।

সূত্র জানায়, সম্প্রতি লক্ষ করা যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে অনেক শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা ই-মেইল ঠিকানায় আবেদন না করে নীতিমালা ভঙ্গ করে হার্ডকপি জমা দিচ্ছেন। সে প্রেক্ষিতে আজ রোববার বিজ্ঞপ্তি জারি করে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের নীতিমালা অনুসরণ করে অনলাইনে বদলির আবেদন পাঠাতে পুনরায় বলেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

জানা গেছে, আজ রোববার (২৫ আগস্ট) থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে কোনো বদলির আবেদনের হার্ড কপি গ্রহণ করা হবে না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সময়সুচিতে পরিবর্তন চান শিক্ষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৪ আগষ্ট ২০১৯:
৫+ বয়স থেকে ১১+ বয়স পর্যন্ত শিশুরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করে। শিশু শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষা স্তর। এ স্তরে শিশুদের শারীরিক, মানসিক ও নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটে। এ স্তরে শিশুরা অবাধ বিচরণের মাধ্যমে, খেলাধুলার মাধ্যমে, মুক্ত পরিবেশে ও প্রকৃতিকে চেনার মাধ্যমে শিক্ষাগ্রহণ করে। আমাদের দেশের প্রাথমিক স্তরের শিশুরা নানা কারণে শারীরিক ও মানসিক বিকাশের সুযোগ পায়না। এর মধ্যে একটি কারণ হচ্ছে শিশুর দৈহিক ও মানসিকতার পরিপন্থী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সময়সূচি।



প্রাথমিক স্তরের শিশুরা বিদ্যালয়ে সকাল ৯টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪ পর্যন্ত অবস্থান করতে হয়। এতো দীর্ঘ সময় খাঁচার মধ্যে বন্দি থাকার মতো অবস্থায় ধরা বাঁধা নিয়মের মধ্যে থেকে কিভাবে শিশুদের দৈহিক ও মানসিক বিকাশ ঘটে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এছাড়া দীর্ঘ সময় স্কুলে থাকতে হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্কুল ফাঁকি দেওয়ার বা না আসার প্রবণতা তৈরি হয়। তারা স্কুলকে ভয় পায়। যেটি ড্রপ আউট হওয়ার অন্যতম কারণ বলে মনে করেন অনেকে।

এরই মধ্যে ২০২৩ সালের মধ্যে সারাদেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘মিড ডে’ মিল চালু খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এ নিয়ে শিক্ষকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তাদের মতে এতে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হবে। প্রতিদিন ব্যাপক সংখ্যক ছাত্রছাত্রীর জন্য খাবার প্রস্তুত করা বিশাল কর্মযজ্ঞের ব্যাপার। এতে দৈনন্দিন শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে।

সোশাল মিডিয়ায় এ নিয়ে নানান রকম প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন শিক্ষকরা। আবু জাফর মানিক নামে একজন লিখেছেন, ‘মিড ডে মিল এর পরিবর্তে কর্মঘন্টা কমিয়ে ও পিছিয়ে এক শিফট সকাল ৯-২ টা বেশি ফলপ্রসূ হবে। মিড ডে মিল ছাত্র,ছাত্রী, শিক্ষক, কমিটি সবাই রান্না ও বিতরণ নিয়ে সময় পার করবে। লেখাপড়ায় বিঘ্ন ঘটবে।’

ওমর ফারুক লিখেছেন, মিড ডে মিল এর পরিবর্তে কর্মঘন্টা কমিয়ে দিলে, শিক্ষা উপকরন দিলে বেশি ফলপ্রসূ হবে আশা করি।

স্বপন কুমার দাশ লিখেছেন, যদি মিড ডে মিল প্রতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রান্না করে শিশুদের খাওয়ানো হয়, তাহলে রান্না করা আর খাওয়া দাওয়ায় সারাদিন শেষ হয়ে যাবে,যা মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতের প্রধান অন্তরায় হবে।

মিজান রহমান লিখেছেন, ‘শুরু ৯.০০! বিরতি মাত্র ৩০ মিনিট! শিশুদের খেলাধুলা এবং মিড ডে মিল! ৪.১৫ ক্লাস শেষ! শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ কতটুকু সম্ভব ?
প্রধান শিক্ষক সমিতির যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাস বলেন মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন করতে হলে অবশ্যয় শিশুদের কর্মঘন্টা কমাতে হবে। কারন মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়নের প্রধান অন্তরায় কর্মঘন্টা। তাছারা বিকাল সাড়ে ৪ টায় বিদ্যালয় শেষ হলে শিশুদের খেলার জন্য থাকে না সময়। ফলে শারিরিক বিকাশ বাধাগ্রস্থ হয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষকদের টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহালের রায়!

জয়নাল আবেদীন,২৪ আগষ্ট:
জাতীয় বেতন স্কেল,২০১৫ এ টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাতিল করে ১০/১৬ বছরের স্বয়ংক্রিয় উচ্চতর গ্রেড চালু করা হয়। সে অনুযায়ী জাতীয় বেতন স্কেল,২০১৫ এর গেজেট প্রকাশের পূর্বদিন পর্যন্ত অর্থাৎ ১৪/১২/২০১৫ পর্যন্ত টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বহাল রাখা হয়।
অন্যদিকে, সরকার ২০১২ সালের ১৫ মে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদেরকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করে। তাই তারা জাতীয় বেতন স্কেল,২০০৯ এর ৭(২) এবং ৭(৯) অনুযায়ী ৪ বছর পূর্তিতে ২০১৬ সালের ১২ মে সিলেকশন গ্রেড পেয়ে ৯ম গ্রেড, ৮ বছর পূর্তিতে ২০২০ সালের ১২ মে ১ম টাইমস্কেল পেয়ে ৮ম গ্রেড এবং ২০২৪ সালের ১২ মে ২য় টাইমস্কেল পেয়ে ৭ম গ্রেড পাওয়ার কথা।


কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত ১৫/১২/২০১৫ হতে টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাতিল হয়ে গেলে ২০১৬ সালের ১২ মে ৪ বছর পূর্তিতে সিলেকশন গ্রেড পাওয়ার স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়। এরপর সংক্ষুব্ধ সহকারী শিক্ষকগণ টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহালের দাবিতে হাইকোর্টে রিট মামলা দায়ের করেন। এই রিট মামলায় টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল করে রায়ের কপি পাওয়ার ৩ মাসের মধ্যে টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন মহামান্য আদালত।

এই রিট মামলার রায়ে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকগণ যদি ২০১৬ সালের ১৫ মে ৪ বছর পূর্তিতে সিলেকশন গ্রেড পান তবে নিশ্চয়ই অন্যান্য ডিপার্টমেন্টে কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারিরা অনুরুপভাবে প্রাপ্য হবেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ম্যানেজিং কমিটির প্রবিধানমালা সংশোধনের সভায় অালোচিত বিষয়

ডেস্ক,২৩ আগষ্ট:
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা সংশোধনের বিষয়ে বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল সাড়ে চারটার দিকে শুরু হওয়া সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা-২০১৯ সংশোধনের বিষয়ে নানা আলোচনা হয়।


মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব জাবেদ আহমেতের সভাপতিত্ব অনুষ্ঠিত সভায় ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মুহা: জিয়াউল হক প্রবিধানমালা সংশোধনীর খসড়াটি পড়ে শোনান। এতে প্রায় দুই ঘন্টা সময় লেগে যায়। এর পর কিছু কিছু বিষয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে দাতা সদস্য হতে ফি বাড়ানোর প্রস্তাব। সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণসহ বিভিন্ন বিষয়।
সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মন্ত্রণালয়ের বেসরকারি মাধ্যমিক শাখার যুগ্মসচিব এবং নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন।

সভাশেষে গভীর রাতে একজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা বলেন, সভার পরিবেশে মনে হলো ধীর চলো নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত হবে বলে মনে হয়নি। তাছাড়া ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে একটি সংসদীয় সাব কমিটি কাজ করছে। আবার বোর্ডের কমিটি খসড়া প্রস্তুত করেছে। বিষয়টা একটু কেমন যেনো হযে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘সভাপতির যোগ্যতা সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রী যেটা চাইবেন সেটাই হবে বলে আমার কাছে মনে হয়েছে।’

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারির অ্যাডমিট কার্ড অনলাইনে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ২২ আগস্ট ২০১৯ :

১৬তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রবেশপত্র অনলাইনে প্রকাশ করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। বুধবার (২১ আগস্ট) রাতে অ্যাডমিট কার্ড অনলাইনে প্রকাশ করা হয়। আগামী ৩০ আগস্ট শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এ পরীক্ষায় ১১ লাখ ৭৬ হাজার প্রার্থী অংশগ্রহণ করবেন।


প্রার্থীরা এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগইন করে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন। ডাউনলোড করা অ্যাডমিট কার্ডের প্রিন্টেড কপি পরীক্ষার সময় কক্ষ পরিদর্শককে দেখাতে হবে।

প্রসঙ্গত, গত ২৩ মে ষোড়শ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এনটিআরসিএ। বিজ্ঞপ্তিতে ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। জানা গেছে, আগামী ৩০ আগস্ট শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত স্কুল ও স্কুল পর্যায়-২ এর প্রিলিমিনারি পরীক্ষা এবং বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত কলেজ পর্যায়ের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এক এমপিওভুক্ত শিক্ষকের চার প্রতিষ্ঠানে চাকরি!

ডেস্ক।
বিধি-বিধানকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে জামালপুরের ইসলামপুর জে জে কে এইচ গার্লস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের ট্রেড ইন্সট্রাক্টর হিসেবে এমপিও ভোগ করছেন মুহাম্মদ আনোয়ার কবীর। এক প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়ে অন্য প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ হিসেবে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের প্রধান নিরীক্ষকও হয়েছেন তিনি। কিন্তু দুদকে আসা একটি অভিযোগের জের ধরে ফেঁসে গেছেন শিক্ষক আনোয়ার। তদন্তে তার বিরুদ্ধে আসা একসাথে চারটি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করে এমপিও ভোগের সত্যতা পেয়েছে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর। তাই, তার এমপিও বাতিল করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। অধিদপ্তর সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করে।


জানা গেছে, গত জুন মাসে জামালপুর থেকে ইসলামপুর জে জে কে এইচ গার্লস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের ট্রেড ইন্সট্রাক্টর মুহাম্মদ আনোয়ার কবীরের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ আসে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে। অভিযোগে বলা হয়, শিক্ষক আনোয়ার একই সাথে চারটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। নিয়ম ভেঙে জামালপুরের ইসলামপুর জে জে কে এইচ গার্লস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের ট্রেড ইন্সট্রাক্টর হিসেবে এমপিও ভোগ করলেও ইসলামপুর আইডিয়াল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রধান, ডেবরাইপেচ টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এবং পপুলার কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারের পরিচালক হিসেবে কর্মরত আছেন তিনি।

কারিগরি অধিদপ্তর সূত্র জানায়, ইসলামপুর জে জে কে এইচ গার্লস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজসহ আরও তিনটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন মুহাম্মদ আনোয়ার কবীর। তদন্তে তা প্রমাণিত হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, শিক্ষক আনোয়ার কবীর ইসলামপুর আইডিয়াল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রধান, ডেবরাইপেচ টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এবং পপুলার কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারের পরিচালক হিসেবে কর্মরত আছেন। এমনকি ডেবরাইপেচ টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের একাধিক পরীক্ষায় প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

অভিযোগটি আমলে নিয়ে গত ১৭ জুন তা তদন্ত করে প্রতিবেদন পাঠাতে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরকে বলে দুদক। সে প্রেক্ষিতে গত ২৬ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত শুরু করে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের ময়মনসিংহ বিভাগের আঞ্চলিক পরিচালককে অভিযোগটি তদন্ত করতে বলা হয়। গত ১৮ জুলাই অভিযোগটি তদন্ত করে প্রতিবেদন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর এ পাঠিয়েছেন এই কর্মকর্তা।

অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় শিক্ষক আনোয়ার কবীরের এমপিও বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর। সে প্রেক্ষিতে বিধি অনুযায়ী শিক্ষক আনোয়ারুল কবীরকে শোকজ করা হয়েছে। শোকজ নোটিশে, একই সাথে চার প্রতিষ্ঠানের চাকরি করার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় কেন তার এমপিও স্থগিত বা বাতিল করা হবে না তার কারণ লিখিতভাবে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাতে বলা হয়েছে তাকে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

‘গরু রচনা বাদ দিয়ে স্কুলে ডেঙ্গু বিষয়ে পড়াতে হবে’

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৮ আগস্ট , ২০১৯:
স্কুলের শিশুদের পাঠ্যবইয়ে গরুর রচনা না পড়িয়ে ডেঙ্গু বিষয়ে পড়াতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। শনিবার (১৭ আগস্ট) রাজধানীর কাকরাইলে ডেঙ্গুবিষয়ক মোবাইল অ্যাপস ‘স্টপ ডেঙ্গু’র উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন তিনি। এই অ্যাপসের মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করবে সরকারের পাঁচটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ এবং চারটি সংস্থা।


অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তাজুল ইসলাম বলেন, কারিকুলামে গরুর রচনা পড়িয়ে আমার কতটুকু লাভ হবে। তার চেয়ে বরং ট্রাফিক সিগন্যাল পড়ানো, এডিস মশা কী জিনিস শেখানো, কোথায় জন্ম হয়, ছোটবেলা থেকে শিখলে, লাইফে অ্যাপলিকেশন আছে এমন যদি সিলেবাসে থাকে তবে অসুবিধা কোথায়? কোন রচনা পড়াব, কোন গল্প পড়াব এ সিদ্ধান্ত সঠিকভাবে নিতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান। ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) সভাপতি শমী কায়সার অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সরকারি স্কুলের ৪৯ শিক্ষককে বদলি

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৭ আগস্ট , ২০১৯
সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত ৪৯ জন শিক্ষককে বদলি করা হয়েছে। এদের মধ্যে ২ জন সহকারী প্রধান শিক্ষক এবং ৪৭ জন সহকারী শিক্ষক রয়েছেন। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর থেকে এসব শিক্ষককে গুলি করে পৃথক চারটি আদেশ জারি করা হয়।

তালিকা দেখতে ক্লিক করুন



Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিনামূল্যে কম্পিউটার শিক্ষা, থাকছে ইংরেজি চর্চাও

অনলাইন ডেস্ক,১৭ আগষ্ট: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে কম্পিউটার শেখার সুযোগ মিলবে। থাকবে ইংরেজি ভাষা চর্চার সুযোগও। এ লক্ষ্যে সারাদেশের ৫০৯টি উপজেলায় কম্পিউটার ল্যাব ও ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।


পড়ালেখার পাশাপাশি ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা প্রতি সপ্তাহে একদিন কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও ইংরেজি ভাষা চর্চার সুযোগ পাবে। চলতি বছর এপ্রিলে এ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। আগামী সেপ্টেম্বরে বিদ্যালয়গুলোতে ল্যাব স্থাপনের কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা। বর্তমানে প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ শুরু হয়েছে বলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) থেকে জানা গেছে।

ডিপিই সূত্রে আরও জানা যায়, সারাদেশের ৫০৯টি প্রাথমিক শিক্ষা উপজেলার একটি করে বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব ও ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব স্থাপনের কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। প্রতিটি বিদ্যালয়ে পাঁচটি করে কম্পিউটার দেয়া হবে। এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে একদিন পড়ালেখার পাশাপাশি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। শুধু তা-ই নয়, ল্যাবে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ইংরেজি ভাষা চর্চারও সুযোগ পাবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ভারতের অর্থায়নে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে। দুই বছর মেয়াদের এ প্রকল্পে ভারত সরকার ২৪ কোটি ৯৯ লাখ ৭৩ হাজার এবং বাংলাদেশ সরকার দুই কোটি ৪১ লাখ ৭৩ হাজার টাকা ব্যয় করবে। প্রকল্পের নাম দেয়া হয়েছে ‘প্রতিটি উপজেলায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ও ল্যাঙ্গুয়েজ ক্যাব’ স্থাপন। যেসব নির্ধারিত উপজেলা শহরে বড় অবকাঠামোসম্পন্ন বিদ্যালয় রয়েছে, এমন বিদ্যালয় ল্যাবের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। আগামী মাসে এ প্রকল্পের পরিচালক (পিডি) নিয়োগ দেয়া হবে। পিডি নিয়োগের পর তার অধীনে মোট আটজন কর্মকর্তা দেয়া হবে। এরপর উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) অনুযায়ী বাস্তাবায়ন কার্যক্রম শুরু হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিপিই’র পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক এনামুল কাদের খান  বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার শিক্ষা ও ইংরেজি ভাষার ওপর দক্ষতা বাড়াতে সারাদেশের ৫০৯টি উপজেলায় একটি করে বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব ও ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব স্থাপন করা হবে। গত বছর এ প্রকল্প তৈরি করা হলেও চলতি বছর ২৩ এপ্রিল একনেকে এটির অনুমোদন দেয়া হয়।

চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা থাকলেও পিডি নিয়োগ না হওয়ায় তা পিছিয়ে গেছে বলেও জানান তিনি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter