Home » দৈনিক শিক্ষা

দৈনিক শিক্ষা

প্রাথমিকের ক্লাস শুরু ৫ এপ্রিল

নিজস্ব প্রতিবেদক,২এপ্রিলঃ
করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে স্কুল বন্ধ থাকায় আগামী ৫ এপ্রিল থেকে টেলিভিশনে শুরু হবে প্রাথমিক স্তরের তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির পাঠদান। সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশনের মাধ্যমে ওইদিন রেকর্ডিং ক্লাস সম্প্রচার করা হবে। পরবর্তী সময়ে বিটিভিতেও এসব ক্লাস সম্প্রচার করার চিন্তা সরকারের আছে বলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল হোসেন জানিয়েছেন।
সচিব বলেন, প্রাক-প্রাথমিক থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিশুদের ডিজিটাল পাঠদানের জন্যও কনটেন্ট প্রস্তুত করছি। টিভিতে এই পাঠদান কার্যক্রম স্থায়ী করার চিন্তা করছি। এ লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই প্রকল্প কাজ করছে।
জানা গেছে, প্রাথমিকের শিশুদের জন্য পাঠদানের লেকচার রাজধানীতে দুটি স্টুডিওতে রেকর্ডিং করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার এই রেকর্ডিং কার্যক্রম শুরু হবে। উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ব্যানবেইস, বিয়ামসহ রাজধানীতে অনেক সরকারি স্টুডিও খালি পড়ে থাকলেও বেসরকারি স্টুডিওতে এই ক্লাস রেকর্ডিং করার উদ্যোগের সমালোচনা হয়েছে।
এ ব্যাপারে সচিব বলেন, আর কোনো স্টুডিও পাওয়া যায়নি বলে আমরা ওই স্টুডিও বাছাই করেছি।
এদিকে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে টিভিতে শুরু হয়েছে মাধ্যদিমকের পাঠদান। গত ২৯ মার্চ সকাল থেকে সংসদ টিভিতে ‘আমার ঘরে আমার ক্লাস’ শিরোনামে মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের ক্লাস সম্প্রচার শুরু হয়েছে। এসব ক্লাস শিক্ষকদেরও দেখা নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। অধিদপ্তর থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের সময় ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পাঠদানের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশনে নির্দিষ্ট একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী পাঠদান চলমান আছে। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি মাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা কে পাঠদান দেখার জন্য নির্দেশনা দেয়া হল।
জানা গেছে, টেলিভিশনে মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের জন্য পরিচালিত বিষয়ভিত্তিক ক্লাস দেখলেই কাজ শেষ নয়। টিভিতে প্রচারিত প্রতিটি ক্লাসের পর দেয়া হবে বাড়ির কাজ। আর প্রতিটি বিষয়ের আলাদা খাতায় সেই বাড়ির কাজ শেষ করতে হবে। করোনার তা-ব শেষ হলে যখন স্কুল খোলা হবে তখন শিক্ষকদের সেই বাড়ির কাজের খাতা দেখাতে হবে। বাড়ির কাজের প্রাপ্ত নম্বর ধারাবাহিক মূল্যায়নের অংশ হিসেবে বিবেচিত হবে। যতদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ততদিনই টেলিভিশনের মাধ্যমে পাঠদান কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষকদেরও সংসদ টিভিতে ক্লাস দেখার নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০১ এপ্রিল, ২০২০

দেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে সব স্কুল-কলেজ, মাদরাসা ও ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলসহ দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কোচিং সেন্টার বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ অবস্থায় গত ২৯ মার্চ সকাল থেকে সংসদ টিভিতে ‘আমার ঘরে আমার ক্লাস’ শিরোনামে মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের ক্লাস সম্প্রচার শুরু হয়েছে। আর সব শিক্ষকদের এসব ক্লাস দেখা নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। অধিদপ্তর থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের সময় ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পাঠদানের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশনে নির্দিষ্ট একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী পাঠদান চলমান আছে। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি মাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা কে পাঠান দেখার জন্য নির্দেশনা দেয়া হল।

করোনার বন্ধে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে টিভিতে পাঠদান চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধায়নে সে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। সহযোগিতা করছে এটুআই, ব্যানবেইসসহ অন্যান্যরা।প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে টিভিতে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পাঠদানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা: দীপু মনি। দীর্ঘ ছুটিতে লাখ লাখ শিক্ষার্থীকে পড়াশোনার মধ্যে রাখার সরকারি এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা সংসদ টিভিতে এসব ক্লাস দেখতে পারবেন। এটুআইয়ের ফেসবুক পেজে ক্লাস সম্প্রচার করা হবে।

টেলিভিশনে মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের জন্য পরিচালিত বিষয়ভিত্তিক ক্লাস দেখলেই কাজ শেষ নয়। টিভিতে প্রচারিত প্রতিটি ক্লাসের পর দেয়া হবে বাড়ির কাজ। আর প্রতিটি বিষয়ের আলাদা খাতায় সেই বাড়ির কাজ শেষ করতে হবে। করোনার তাণ্ডব শেষ হলে যখন স্কুল খোলা হবে তখন শিক্ষকদের সেই বাড়ির কাজের খাতা দেখাতে হবে। বাড়ির কাজের প্রাপ্ত নম্বর ধারাবাহিক মূল্যায়নের অংশ হিসেবে বিবেচিত হবে।

যতদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ততদিনই টেলিভিশনের মাধ্যমে পাঠদান কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে। দীর্ঘসময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলে বাসায় অবস্থান করেই ছাত্র-ছাত্রীরা যাতে ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নিতে পারে সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই সংসদ টেলিভিশনে রেকর্ড করা শিক্ষা কার্যক্রম সম্প্রচারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

১১ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি

অনলাইন রিপোর্টার ॥ দেশব্যাপী করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ মোকাবিলা এবং এর বিস্তার রোধে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আগামী ৫ থেকে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি বাড়িয়ে আদেশ জারি করেছে সরকার।

আজ বুধবার (০১ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। তবে এতে বলা হয়েছে, ১০ ও ১১ এপ্রিল (শুক্র ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটিও এর সঙ্গে যুক্ত থাকে। এর মানে হলো ১১ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

করোনার বন্ধে প্রাইমারির ক্লাস হবে সংসদ টিভি ও অনলাইন পোর্টালে

নিজস্ব প্রতিবেদক | ৩০ মার্চ, ২০২০

মাধ্যমিকের পর এবার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্যও ক্লাস ভিডিও করে সংসদ টিভিতে প্রচারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এছাড়া শ্রেণি কার্যক্রমের এসব এসব ভিডিও সারাবছর শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত রাখতে আলাদা অনলাইন পোর্টাল তৈরি উদ্যোগ নিয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমকে বলেন, আমরা ভিডিও ক্লাসের জন্য কাজ শুরু করেছি। যেসব ভিডিও ক্লাস শিক্ষার্থীদের জন্য তৈরির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ৪০ জন শিক্ষক কাজ করছেন। সেগুলো সম্পাদনার পর সংসদ টেলিভিশনে প্রচার করা হবে। ইতোমধ্যে সংসদ টেলিভিশনের সঙ্গে কথা হয়েছে। এখন বিষয়টি সমন্বয়ের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলতে হবে।

তিনি দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমকে আরও বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার সার্বিক উন্নয়নে জরুরি ও গুরুত্ব বিষয়গুলোর শ্রেণি কার্যক্রমের ভিডিও অনলাইনে আপলোড করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আমরা ভিডিও ধারণ শুরু করার সব ব্যবস্থা নিয়েছি। কিছু কাজ শুরু করেছি। ভিডিও ক্লাস সংসদ টেলিভিশনে প্রচারের পাশাপাশি অনলাইন পোর্টালে আপলোড করবো। শিশুদের জন্য আকর্ষণীয় হয় এমন একটি নাম দিয়ে পোর্টাল তৈরি করে আপলোড করে রাখবো। এসব ভিডিও ইউটিউবেও সংরক্ষণ করা হবে। যাতে শিক্ষার্থীরা যখন প্রয়োজন মনে করবে তখনই ভিডিও ক্লাস থেকে তারা বিষয়ভিত্তিক পাঠ নিতে পারবে।

মহাপরিচালক দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমকে আরও জানান, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির জন্য ২০ মিনিটের একটি করে এবং তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির জন্য একটি করে ক্লাস সংসদ টিভিতে প্রচারের জন্য উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

অধিদপ্তর সূত্র দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমকে জানায়, পরিস্থিতি বিবেচনায় শ্রেণি কার্যক্রমের ভিডিও প্রচারের জন্য সংসদ টেলিভিশনের জন্য উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। যেহেতু মাধ্যমিক পর্যায়ের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শ্রেণি কার্যক্রম সংসদ টেলিভিশনে প্রচার করা হচ্ছে। সে কারণে কবে থেকে এটি সংসদ টেলিভিশনে প্রচার করা যাবে তা নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে।

দেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে আগামী ৯ এপ্রিল পর্যন্ত স্কুল-কলেজ, মাদরাসা ও ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলসহ দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কোচিং সেন্টার বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। গত ২৯ মার্চ সকাল থেকে সংসদ টিভিতে মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের ক্লাস সম্প্রচার শুরু হয়েছে।

যতদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ততদিনই টেলিভিশনের মাধ্যমে পাঠদান কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে। দীর্ঘসময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলে বাসায় অবস্থান করেই ছাত্র-ছাত্রীরা যাতে ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নিতে পারে সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই সংসদ টেলিভিশনে রেকর্ড করা শিক্ষা কার্যক্রম সম্প্রচারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকসহ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়ছে ঈদ পর্যন্ত!

ডেস্ক,৩০ মার্চ:

করোনাভাইরাসের কারণে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি বাড়ানো হতে পারে। এই ছুটির মেয়াদ বাড়িয়ে ঈদুল ফিতর পর্যন্ত বাড়ানোর চিন্তাভাবনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)। তবে এ বিষয়ে এখনও চূড়ান্তভাবে সিদ্ধান্ত হয়নি।

চলমান করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে কয়েকটি ধাপে আগামী ৯ এপ্রিল পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। বিশ্বব্যাপী বর্তমান পরিস্থিতির ভয়াভয়তা বেড়ে যাচ্ছে। ঘরের বাইরে বের হওয়াটা আরও ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের ঝুঁকির মধ্যে না ফেলে তাদের নিরাপত্তায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ রাখার চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে। বর্তমান ছুটি শেষ হওয়ার আগেই আগামী রমজান ও ঈদের ছুটি পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, ‘সামগ্রিক বিষয় বিবেচনা করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। সবার আগে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হবে। প্রয়োজনে ঈদুল ফিতরের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হতে পারে।’

সচিব বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হলে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে রাখতে বেশ কিছু বিকল্প পন্থা হাতে নেয়া হয়েছে। তার মধ্যে সংসদ টেলিভিশনে শ্রেণি পাঠ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। ভিন্ন আরও কিছু পন্থা আমরা চিন্তা-ভাবনা করেছি। দীর্ঘসময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলে সেসব বাস্তবায়ন করা হবে।

‘এমনিতে বছরের অর্ধেক সময় বিভিন্ন কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি থাকে। তাই শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ শিক্ষাজীবনে যাতে কোনো ব্যাঘাত না হয়, তাও আমাদের বিবেচনায় নিতে হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে ছুটি বৃদ্ধির বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে’-যোগ করেন সচিব মাহবুব হোসেন।

অন্যদিকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের (ডিপিই) মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ বলেন, সকল আগে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। এই বিবেচনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যালয় বন্ধ রাখা হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

করোনাভাইরাস নিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্য, ২ শিক্ষক বরখাস্ত

ডেস্ক,২৬ মার্চঃ
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সারা দেশ এখন অবরুদ্ধ। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে সড়ক, রেল, নৌ চলাচল। সংক্রমণ ঠেকাতে পুলিশের পাশাপাশি মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনীও। এর মধ্যেই গতকাল বুধবার ঢাকায় সড়ক জীবাণুমুক্তের কাজও চলতে দেখা গেছে।

সরকারের এমন ‘সমন্বিত উদ্যোগ’ এর মধ্যেই করোনাভাইরাস নিয়ে সামাজিক যোগযোগমাধ্যম ফেসবুকে উসকানিমূলক বক্তব্য ও ছবি পোস্ট করায় বরখাস্ত হয়েছেন সরকারি কলেজের দুজন শিক্ষক।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সারা দেশ এখন অবরুদ্ধ। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে সড়ক, রেল, নৌ চলাচল। সংক্রমণ ঠেকাতে পুলিশের পাশাপাশি মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনীও। এর মধ্যেই গতকাল বুধবার ঢাকায় সড়ক জীবাণুমুক্তের কাজও চলতে দেখা গেছে।

সরকারের এমন ‘সমন্বিত উদ্যোগ’ এর মধ্যেই করোনাভাইরাস নিয়ে সামাজিক যোগযোগমাধ্যম ফেসবুকে উসকানিমূলক বক্তব্য ও ছবি পোস্ট করায় বরখাস্ত হয়েছেন সরকারি কলেজের দুজন শিক্ষক।

তারা হলেন- ময়মনসিংহের গফরগাঁও সরকারি কলেজের ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাজী জাকিয়া ফেরদৌসী এবং বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের দর্শন বিভাগের প্রভাষক সাহাদাত উল্লাহ কায়সার।

গতকাল ওই দুই শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করে আদেশ জারি করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ। পাশাপাশি সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী কেন তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে জানাতে তাদের নোটিশও পাঠানো হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

৯ এপ্রিল পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ

ডেস্ক,২৪ মার্চঃ
করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আগামী ৯ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যৌথসভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এর আগে ৩১ মার্চ পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল।
বিস্তারিত আসছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আজ থেকে ‘সংসদ টেলিভিশনে’ ক্লাস শুরু

করোনাভাইরাসের কারণে স্কুল বন্ধ থাকায় ‘সংসদ টেলিভিশনে’ মাধ্যমিকের বিষয়ভিত্তিক শ্রেণী কার্যক্রম প্রচার শুরু হচ্ছে আজ থেকে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) উদ্যোগে আপাতত পরীক্ষামূলকভাবে মঙ্গল (আজ), বুধ ও বৃহস্পতিবার এ কার্যক্রম প্রচার করা হবে।

যতদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ততদিনই টেলিভিশনের মাধ্যমে পাঠদান কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে। দীর্ঘসময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলে বাসায় অবস্থান করেই ছাত্র-ছাত্রীরা যাতে ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নিতে পারে সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই সংসদ টেলিভিশনে রেকর্ড করা শিক্ষা কার্যক্রম সম্প্রচারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পরবর্তীতে প্রতিদিন সাতটি করে প্রতিসপ্তাহে ৩৫টি ক্লাস প্রচার করা হবে। শিক্ষার্থীরা বাসায় বসেই টেলিভিশনে নিজ নিজ বিষয়ের ওপর অভিজ্ঞ শিক্ষকদের দেয়া শিক্ষা গ্রহণ করতে পারবে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘এ টু আই’ প্রকল্পের কারিগরি সহায়তায় মাধ্যমিক শিক্ষা স্তরের এই একাডেমিক কার্যক্রম প্রচার হবে। গত শুক্রবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ‘ব্যানবেইস’, মোবাইল ফোন কোম্পানি ‘রবি’ এবং একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডিও’তে বিভিন্ন বিষয়ের পাঠদান রেকর্ডিং শুরু হয়েছে।

এর আগে গত ১৬ মার্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক আদেশে, প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে ৩১ মার্চ পর্যন্ত স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলসহ দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কোচিং সেন্টার বন্ধ ঘোষণা করা হয়। একইসঙ্গে শিক্ষার্থীদের ঘরে থেকে লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। তবে, এ ছুটি বাড়তে পারে বলে একাধিক সূত্র দৈনিক শিক্ষাবার্তাকে জানিয়েছে।

এদিকে শিক্ষকদের শ্রেণী পাঠের ক্লাস কার্যক্রম ভিডিও করে টেলিভিশনে প্রচার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটিতে বহিরাগতের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। অধিদফতরের মহাপরিচালক মোঃ ফসিউল্লাহ বলেছেন, ইতোমধ্যে দেশের সকল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করে দেয়া হয়েছে। এ সময়ে ভাল মানের শিক্ষকদের শ্রেণী পাঠের ক্লাস কার্যক্রম ভিডিও করে টেলিভিশনে প্রচার করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

তবে প্রাথমিকের পাঠদান অন্যান্য স্তরের মতো না হওয়ায় এ বিষয়ে করণীয় ঠিক করতে আমরা বৈঠক ডেকেছি। অনলাইনে ভিডিও গ্রুপ কলের মাধ্যমে এ সভা ডাকা হয়েছে। সেখানে কীভাবে প্রাথমিক স্তরের বাচ্চাদের টেলিভিশনের মাধ্যমে ক্লাস নেয়া যায় সে বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেয়া হবে। প্রথম পর্যায়ে পরীক্ষামূলক এ ক্লাস সম্প্রচার করা হবে। এতে সফল হলে পাঠদান পূর্ণাঙ্গভাবে প্রচার করা হবে বলে জানান তিনি। এদিকে জানা গেছে, অধিদফতরের বিদেশ ফেরত তিন কর্মকর্তাকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ফেরত অতিরিক্ত মহাপরিচালক সোহেল আহমেদ, ইতালি ফেরত শিক্ষা কর্মকর্তা শেফালি নাসরিন এবং তার স্বামী ভারত থেকে ফেরায় তাদের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ছুটি বাড়ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে

ডেস্ক,২৪ মার্চঃ
করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি ৩১ মার্চ থেকে বাড়িয়ে আগামী ঈদুল ফিতর পর্যন্ত করার দাবি তুলেছেন অভিভাবকরা। তারা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ করে তাদের দাবি জানিয়েছেন। তাদের দাবি করোনার জন্য সাধারণ ছুটির সঙ্গে গ্রীষ্মকালীন ছুটি সমন্বয় করে ছুটি বাড়ানো হোক।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, সরকার ইতোমধ্যে ২ এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে। পরিস্থিতির উন্নতি না হলে এ ছুটি বাড়তে পারে। এছাড়া চাঁদ দেখা গেলে আগামী ২৩ এপ্রিল থেকে রমজান শুরু হবে। রমজানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকতে পারে এমন শঙ্কায় বিকল্প উপায়ে শিক্ষাদানের পদ্ধতি খোঁজা শুরু করেছে শিক্ষার সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো। বন্ধের এ সময়টুকুতে গ্রীষ্মকালীন ছুটি যুক্ত করে দেওয়া হতে পারে।

এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আন্তঃমন্ত্রণালয়ে একটি বৈঠক হবে দুএকদিনে। এতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো: মাহবুব হোসেনের সভাপতিত্ব করার কথা রয়েছে। সেখানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের সময় আরও বাড়ানোর বিষয়ে কথা হবে বলে জানা গেছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন বলেন, ‘সরকার ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে।এই সময় পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও ছুটি থাকবে। এর পরে পরিস্থিতি বুঝে নতুন ঘোষণা দেওয়া হবে। শিক্ষা সচিবের সঙ্গে বসে আরও সিদ্বান্ত নিব কত দিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হবে।’

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সরকারি চাকরিজীবীদের কর্মস্থলে থাকতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক,২২ মার্চঃ
করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রতিরোধ এবং এই অবস্থায় যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতার জন্য পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দেশের বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সার্বক্ষণিক কর্মস্থলে উপস্থিতি থাকতে হবে।

আজ রোববার এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক পত্রে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

ডেস্ক,২২ মার্চঃ
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। আগামী ১ এপ্রিল বাংলা (অবশ্যিক) প্রথম পত্র দিয়ে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। ৪ মে পর্যন্ত তত্ত্বীয় পরীক্ষা আয়োজন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনার কারণে পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমকে এ খবর নিশ্চিত করেছে। নতুন তারিখ এপ্রিলের প্রথম দিকে জানিয়ে দেয়া হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এইচএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণ স্থগিত

ডেস্ক,২২ মার্চ:

আগামী ১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এইচএসসি পরিক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণ ২৮ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে দেশের সকল শিক্ষাবোর্ড। ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম আমিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল জানান, পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার স্বার্থে আগামী ২৮ মার্চ পর্যন্ত প্রবেশপত্র বিতরণ স্থগিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের অধীনস্ত সব কলেজ ও জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম আমিরুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত পত্রে বলা হয়, ২০২০ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র বিতরণ কার্যক্রম ২৮ মার্চ ২০২০ তারিখ পর্যন্ত অনিবার্য কারণে স্থগিত করা হল। পরীক্ষার্থীদের নিজ বাসায় থেকে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

কারোনা পরিস্থিতে সরকার থেকে বড় ধরনের লোক সমাগম আয়োজনে নিষেধাজ্ঞা থাকায় আগামী ১ এপ্রিল থেকে দেশজুড়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হবে কিনা সে বিষয়ে মন্ত্রণালয় এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

করোনার বন্ধে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির ক্লাস হবে টিভির মাধ্যমে

নিজস্ব প্রতিবেদক,২২ মার্চ:
করোনাভাইরাসের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সংসদ টেলিভিশন চ্যানেলের মাধ্যমে সেরা শিক্ষকদের রেকর্ডিং করা ক্লাস প্রচারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। একই ধরনের চিন্তাভাবনা করছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। প্রাথমিকের বিষয়ে আজ রোববার আলোচনা করে করণীয় ঠিক করা হবে।

মাউশি ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের দুজন উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা এই তথ্য জানিয়েছেন। করোনাভাইরাসের কারণে প্রাক্‌-প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কোচিং সেন্টার ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। বন্ধের এই সময়ে শিক্ষার্থীদের বাড়িতে থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ফলে প্রায় চার কোটি শিক্ষার্থী অনেকটা ঘরবন্দী অবস্থায় আছে। এর মধ্যে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থী পৌনে দুই কোটির মতো।

আর মাধ্যমিকে শিক্ষার্থী এক কোটির ওপরে। একদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ, অন্যদিকে কোচিং বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ওপর প্রভাব পড়ছে। পরিস্থিতি অবনতি হলে এই বন্ধের মেয়াদ আরও বাড়তে পারে বলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে।

এমন অবস্থায় সরকার বিকল্প উপায়ে ক্লাস নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। আগামী তিন মাসের পরিকল্পনা নিয়ে এই কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মাউশির একজন উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা।

মাউশির পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) মো. শাহেদুল খবির চৌধুরী প্রথম আলোকে এই উদ্যোগের কথা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সরকারের এ টু আই প্রকল্পের সঙ্গে মিলে এই কাজ করা হচ্ছে। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সেরা শিক্ষকদের ক্লাস রেকর্ডিং করে সংসদ টিভির মাধ্যমে এই ক্লাস প্রচার করা হবে। সকাল নয়টা থেকে রাত নয়টার মধ্যবর্তী সময়ে এই ক্লাসগুলো প্রচার করা হবে। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত একেকটি বিষয়ের জন্য মোট ৩৫টি ক্লাস থাকবে।

মাউশির সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শনিবার থেকেই এসব ক্লাস রেকর্ডিং করা শুরু হয়েছে। তিনটি স্টুডিওয়ে এই ক্লাস রেকর্ডিং করা হচ্ছে। এর মধ্যে একটি স্টুডিও সরকারের শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর। এ ছাড়া ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এবং মোবাইল ফোন অপারেটর রবির স্টুডিওতে এসব ক্লাস রেকর্ডিং করা হচ্ছে। আগামী মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার পরীক্ষামূলকভাবে এসব ক্লাস প্রচার করা হবে। এরপর নিয়মিতভাবে এটি চলবে। আগামী সপ্তাহ থেকেই নিয়মিতভাবে এভাবে ক্লাস হবে।

এভাবে ক্লাস চালু রাখার বিষয়টিকে ভালো বলছেন ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ফওজিয়া। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে অন্তত বাড়িতে বসে শিক্ষার্থীরা শিখতে পারবে।

প্রাথমিক স্তরের শিশুদের জন্যও বিকল্প উপায়ে ক্লাস নেওয়ার পরিকল্পনা চলছে। এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ বলেছেন, তাঁরাও বিকল্প উপায়ে কীভাবে ক্লাস বা পড়াশোনা চালু রাখা যায়, সে বিষয়টি নিয়ে চিন্তাভাবনা করছেন। টিভির মাধ্যমে ক্লাস প্রচারের বিষয়টিও তাদের চিন্তাভাবনায় আছে। আজ রোববার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিবের সঙ্গে বৈঠক করে এ বিষয়ে করণীয় ঠিক করা হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় গতকাল এক বিজ্ঞপ্তিতে এই বন্ধের সময়ে কোনো শিক্ষার্থীকে অযথা বাইরে ঘোরাফেরা না করতে এবং বাড়িতে নিরাপদে রাখার জন্য অভিভাবকদের নির্দেশনা দিতে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অনুরোধ করেছে।

এদিকে বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার কাজ চালিয়ে নিচ্ছে।

এমন সময়ে অনলাইন ও টিভির মাধ্যমে ক্লাস নেওয়ার বিকল্প উদ্যোগটিকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মোহাম্মদ তারিক আহসান। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, শুধু এই বন্ধেই নয়, বিকল্প উপায়ে শিক্ষাদানের পদ্ধতি অন্যান্য সময়েও থাকা দরকার। কারণ, বিদ্যমান শিক্ষাক্রমে একজন শিক্ষার্থীর পুরো জীবনের সঙ্গে মিল নেই। আবার শুধু শ্রেণিকক্ষেই সব শিখতে পারে না। তাই বিভিন্ন বিকল্প উপায়ে শেখার পদ্ধতিগুলোও থাকা দরকার। আর এই বন্ধের সময়ে অভিভাবকদের ভূমিকাটি অনেক বেশি। এই সময়ে শিক্ষার্থীর স্বাস্থ্য ও মূল্যবোধসহ অন্যান্য বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে।

অনিশ্চয়তায় এইচএসসি পরীক্ষা
করোনাভাইরাসের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের পর আগামী ১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষাও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব নয় বলে মনে করছেন শিক্ষা বোর্ডগুলোর কর্মকর্তারা। যেহেতু পরীক্ষা শুরু হতে আরও ১০ দিন বাকি, তাই এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না। তাদের চিন্তা হলো পরীক্ষার্থীদের তো আর এখন কলেজে যেতে হচ্ছে না, তারা বাড়িতে বসে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে থাকুক। পরীক্ষা শুরুর আগমুহূর্তে পরীক্ষা হবে কি না, তা জানানো হবে।

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, পরিস্থিতি অবনতি হলে তো পরীক্ষা নেওয়া কঠিন। তবে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। কয়েক দিনের মধ্যেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, আগামীকাল সোমবার এ বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা ৩১ মার্চ পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. বদরুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, যদি পরিস্থিতি খারাপ থাকে, তাহলে তাদেরও স্থগিতের সময় বাড়ানো হবে। সেটা ৩১ মার্চের আগেই জানিয়ে দেওয়া হবে।

ছুটিতে সময় কাটানোর পরামর্শ

‘ঘরবন্দী’ এই সময়ে শিক্ষার্থীদের সময় কীভাবে কাটতে পারে, সে বিষয়ে কিছু পরামর্শ দিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারপারসন অধ্যাপক মাহফুজা খানম। তিনি বলেন প্রথমত, এখানে একটি ইতিবাচক দিক হলো এই সময়ে শিশুরা মা–বাবাকে বেশি করে কাছে পাবে। তাই কর্মের কারণে সন্তানদের সঙ্গে মা–বাবার যে দূরত্ব, সেটা দূর করার সুযোগও এটি। এই সময়ে ছোট শিশুদের জন্য মা–বাবা অথবা অভিভাবকেরা গল্প শোনানো, ছবি আঁকা বা শিশুরা যেসব বিষয় করতে আনন্দ পায় সেসব বিষয় করতে দিয়ে সময় কাটানো যায়। আরেকটু বড় শিশুদের ক্ষেত্রে বলব, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ মানে তো আর পড়াশোনায় ছুটি নয়, তাই তাদের প্রয়োজনীয় পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হবে। পাশাপাশি এই সময়ে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। বাবা-মায়েরা তাঁদের এই বয়সে কী ধরনের বই পড়তে পছন্দ করতেন, সে–জাতীয় বই পড়ানোর ক্ষেত্রে উৎসাহ দিতে পারেন। এভাবে বই পড়ার মাধ্যমে সময় কাটানো যায়। আর বড়রা তো মোটামুটি সময় ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জানেন, সেটা মেনে চলতে হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

লোহাগাড়ায় কোচিং সেন্টারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

ডেস্ক,১৯ মার্চঃ
চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার বটতলী স্কুল রোড়ে অবস্থিত একটি কোচিং সেন্টারে অভিযান চালিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত। বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেলে অভিযান পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌছিফ আহমেদ।

এসময় ওই কোচিং সেন্টার থেকে ৩ শিক্ষককে আটক এবং এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: তৌছিফ আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার জন্য আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত দেশের সরকারি-বেসরকারি সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কোচিং সেন্টার বন্ধের নির্দেশ থাকলেও তা অমান্য করে কোচিং সেন্টার চালু রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি।

তাই গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোচিং সেন্টারে অভিযান চালিয়ে হাতেনাতে তিন শিক্ষককে আটক করে পেনালকোড ১৮৬০ এর ২৬৯ ধারা অনুযায়ী ১ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

তিনি আরও বলেন, যে সব কোচিং সেন্টার সরকারী নির্দেশনা অমান্য করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

খুলনায় নির্দেশ অমান্য করে কোচিং চালানোয় জরিমানা

খুলনা প্রতিনিধি,১৯ মার্চঃ
দেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কোচিং সেন্টার বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। তবে সরকারি সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে খুলনায় কিছু প্রতিষ্ঠানে চলছে পাঠদান, খোলা রয়েছে কোচিং সেন্টারও।

এমন খবর পেয়ে মহানগরীর সাউথ সেন্ট্রাল রোড, আহসান আহমেদ রোড, পিটিআই মোড়, বয়রা সহ কয়েকটি স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে কর্তৃপক্ষ। বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেলে অভিযানে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে খুলনার কিছু কোচিং সেন্টার খোলা পাওয়া যায়।

এসময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিজানুর রহমান ও মো. রাশেদুল ইসলাম।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিজানুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেনের নির্দেশনা অনুযায়ী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এসময় সরকারি নির্দেশ অমান্য করায় ও নিবন্ধন না থাকায় শহরের সপ্তর্ষী বিদ্যাপীঠ ও ইন্টার এইড কোচিংকে আর্থিক দণ্ড দেওয়া হয়।

পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কোচিং খোলা রাখবে না এই শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। অভিযানে জেলার আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্যরা অংশ নেয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter