টপ খবর

ডিপিওর এক আদেশে ২২ ভুল

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি | ০২ আগস্ট , ২০১৯:
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ভালাইপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্ররা সাবলীলভাবে ইংরেজি পড়তে পারে না। বিষয়টি নজরে এসেছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ মো. আক্তারুজ্জামানের। তাই স্কুলের ইংরেজি নার্গিস সুলতানা ছবিকে বরখাস্ত করেছেন তিনি। কিন্তু শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করে জারি করা চিঠির ২২ জায়গায় ভুল করেছেন খোদ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ মো. আক্তারুজ্জামান।


জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, গত ৩০ জুলাই বিদ্যালয়টি পরিদর্শনে আসেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শেখ মো. আক্তারুজ্জামান। এ সময় বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা সাবলীলভাবে ইংরেজি পড়তে পারে না। তাই, অফিসে ফিরে তিনি ৩১ জুলাই ওই স্কুল ইংরেজির সহকারী শিক্ষক নার্গিস সুলতানা ছবিকে সাময়িক বরখাস্ত করেন। বৃহস্পতিবার থেকে এই আদেশ কার্যকর হয়েছে।

কিন্তু ঝিনাইদহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের সেই চিঠিতেই রয়েছে ২২টি ভুল। এ নিয়ে ঝিনাইদহের শিক্ষক মহলে একদিকে যেমন চলছে সমালোচনা। অন্যদিকে শিক্ষা কর্মকর্তার অফিসিয়াল চিঠি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর নানা মন্তব্যে সরগরম হয়ে উঠেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।

অনেক শিক্ষক বরখাস্ত করার চিঠি ফেসবুকে পোষ্ট করে লিখেছেন “বিচারপতির বিচার কে করবে?”। কামরুল হাসান নামে এক শিক্ষক লিখেছেন “যে ইংরেজির জন্য শিক্ষককে বরখাস্ত করা হলো, সেই ইংরেজির একটি শব্দের বানান বরখাস্তকারী কর্মকর্তাও তার চিঠিতে ভুল লিখেছেন। এমনকি চিঠিতে অনেক বাংলা শব্দের বানান ভুল আছে। বানান শুদ্ধ না করে চিঠি স্বাক্ষর কি কর্তব্য অবহেলা নয়? এজন্য ওই প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কী ধরনের শাস্তি হওয়া উচিত? জেলা শিক্ষা অফিসারের পাঠানো চিঠিতে দেখা গেছে ইংরেজিতে chapter বানানটি লেখা হয়েছে ‘cahpter’। চিঠিতে ‘এরূপ’ বানান ‘এরুপ’, সত্ত্বেও বানান সত্তেও, ইংরেজি বানান ইংরেজী, আপিল বানান আপীল, অসদাচরণ বানান অসাদাচরণ, শ্রেণি বানান শ্রেণী, বরখাস্তকালীন বানান বরখাস্তকালনীনসহ ২২টি বানান ভুল লেখা হয়েছে।

জেলা শিক্ষা অফিসার শেখ মো. আক্তারুজ্জামান Chapter বানানটিই ভুল লিখেছেন। অথচ শিক্ষার্থীরা ইংরেজি না পাড়ায় শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয়েছে। চিঠি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে তাতে মারাত্মক ভুল আছে ৫টি। এ ছাড়া ব্যাকরণগত ও মাত্রাগত ভুল রয়েছে ১৭টি।

ঝিনাইদহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শেখ মো. আক্তারুজ্জামান চিঠিতে ভুলের কথা স্বীকার করে দৈনিকশিক্ষা বার্তা ডটকমকে বলেন, ব্যস্ততার কারণে আমি ভুলে ভরা চিঠিতে স্বাক্ষর করেছিলাম। বৃহস্পতিবার সেটি সংশোধন করে স্মারক নম্বর ঠিক রেখে নির্ভুল চিঠি পাঠানো হয়েছে।

সহকারী শিক্ষককে অবৈধভাবে বরখাস্ত! প্রধান শিক্ষক সমিতির প্রতিবাদ

মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

নিজস্ব প্রতিবেদক,২ আগষ্ট : ঝিনাইদহ জেলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কর্তৃক একজন সহকারি শিক্ষককে বিগত ৩১/ ৭/২০১৯ তারিখে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ইংরেজি পড়া না পাড়ার কারণে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

প্রধান শিক্ষক সমিতি মনে করে ঐ শিক্ষককে আত্ম পক্ষ সমর্থনের কোন সুযোগ দেয়া হয়নি এবং কোন কৈফিয়ত তলব করা হয়নি। ফলে ঐ শিক্ষক অন্যায়ভাবে সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন। এভাবে কোন সরকারি কর্মচারিকে সাময়িক বরখাস্ত করা যায় না। আমরা এর তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছি। প্রধান শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম এ প্রতিবাদ দেন।



তিনি আরও বলেন আমরা আশা করি ঐ শিক্ষকের সাময়িক বরখাস্তের আদেশ দ্রুত প্রত্যাহার করা হবে।যদি দ্রুত প্রত্যাহার না করা হয় তাহলে সকল শিক্ষকদের নিয়ে এর বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই, আমরা প্রাথমিক শিক্ষকরা যখন মান সম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে চেষ্টা করছি ,তখন এ ধরনের সাময়িক বরখাস্ত প্রাথমিক শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশৃংখল পরিবেশ সৃষ্টি করবে। উল্লেখ্য যে, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের সাময়িক বরখাস্তের আদেশে ২২টি ভুল পরিলক্ষিত হয়েছে। এধরনের ভুলের জন্য ঝিনাইদহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের বরখাস্তের দাবি জানাই। প্রধান শিক্ষক সমিতি ,এ ব্যাপারে জাতির জনকের সুযোগ্যা কন্যা মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন ও ঈদ বোনাস প্রদান

নিজস্ব প্রতিবেদক,২ আগষ্ট : বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের জুলাই মাসের বেতন-ভাতা ও ঈদ বোনাস প্রদান করা হয়েছে। ১৬টি চেকের মাধ্যমে নির্ধারিত ব্যাংকে এ অর্থ জমা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বলা হয়, বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জুলাই মাসের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও ঈদ বোনাসের অর্থ ব্যাংকে জমা হয়েছে। বেতনের অর্থ নির্ধারিত অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এবং জনতা ও সোনালী ব্যাংকের শাখায় ৮টি চেকের মাধ্যমে জমা দেওয়া হয়েছে। শিক্ষক-কর্মচারীরা আগামী ৮ আগস্টের মধ্যে এ অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন।


তবে শিক্ষক-কর্মচারীদের আপত্তি থাকলেও এবারও অবসর ও কল্যাণ ফান্ড বাবদ বেতনের ১০ শতাংশ কর্তন করে বেতন-ভাতা প্রদান করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এছাড়া একই দিনে আরও ৮টি চেকের মাধ্যমে ঈদুল আজহার বোনাসের অর্থও নির্ধারিত ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়েছে বলে আলাদা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এবং জনতা ও সোনালী ব্যংকের শাখায় এ অর্থ জমা দেওয়া হয়েছে। ঈদ বোনাসের অর্থ আগামী ৮ আগস্টের মধ্যে উত্তোলন করতে বলা হয়েছে। মাউশির সাধারণ প্রশাসন শাখার উপপরিচালক মো. রুহুল মমিন সাক্ষরিত এ দুটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদেরও জুলাই মাসের বেতন-ভাতা ও ঈদ বোনাসের অর্থ ছাড় দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৩১ জুলাই) অনুদান বণ্টনকারী রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ব্যাংকে এ বেতন-বোনাসের চেক পাঠানো হয়েছে। ৬ আগস্ট পর্যন্ত বেতন-ভাতার সরকারি অংশের টাকা তুলতে পারবেন তারা।

তবে ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি যুক্ত করে মাদরাসা শিক্ষকদের জুলাই মাসের বেতন ছাড় করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষকরা। একই দিনে মাদরাসা শিক্ষকদের ঈদ বোনাসের চেক নির্ধারিত ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়েছে।


চাঁদ দেখা গেছে, ঈদুল আজহা ১২ আগস্ট

ডেস্ক,২ আগষ্ট : বাংলাদেশের আকাশে শুক্রবার সন্ধ্যায় জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ১২ আগস্ট (সোমবার) দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপিত হবে।

সন্ধ্যায় বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আব্দুল্লাহ।



ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, অধিকাংশ জেলায় জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। বিভিন্ন জেলা প্রশাসক, আবহাওয়াবিদ ও মসজিদের ঈমামরা চাঁদ দেখার কথা জানিয়েছেন। সে অনুযায়ী শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে জিলহজ মাস। আর ১২ আগস্ট উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল আজহা।

সভায় উপস্থিত ছিলেন ধর্ম সচিব আনিসুর রহমান, শোলাকিয়া ঈদগাহের ঈমাম মাসউদসহ রাজধানীর একাধিক মসজিদের পেশ ঈমাম ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা।

জিলহজ মাসের ১০ তারিখে মুসলমানরা তাদের অন্যতম বড় এই ধর্মীয় উৎসবে পশু কোরবানি দেন, যার মধ্য দিয়ে নিজের ভেতরের কলুষতাকে বর্জন এবং সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টি লাভই ইসলামের শিক্ষা।

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে বৃহস্পতিবার জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় সেখানে ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে ১১ আগস্ট; আর তার আগের দিন হবে হজ।

সারা বিশ্ব থেকে হজ করতে সৌদি আরবে জড়ো হওয়া লাখো মানুষ সেদিন আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করবেন। ঈদের সকালে কোরবানির মধ্য দিয়ে শেষ হবে তাদের হজের আনুষ্ঠানিকতা। বাংলাদেশ থেকে এবার এক লাখ ২৭ হাজার মানুষ হজ করার কথা রয়েছে।

এবার ঈদে ১১, ১২ ও ১৩ আগস্ট সরকারি ছুটি থাকবে। গ্রামের বাড়িতে প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে রেল, সড়ক ও নৌপথে রাজধানী ছাড়বেন অসংখ্য মানুষ। এতে ফাঁকা হয়ে পড়বে ঢাকা।

প্রাথমিক শিক্ষকদের ভারত ভ্রমনে যে সমস্যা!

জুগাল মজুমদার:

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষক তীর্থ ভ্রমণ যেমন -গয়া, কাশী বা আজমির শরীফ মাজার জিয়ারত কিংবা চিকিৎসার নিমিত্তে ভারত গমন করেন। কিন্তু পরিতাপের বিষয় দেশে ফেরার পর ছুটি ভোগ করা দিনগুলোর অর্ধ গড় বেতন ও অর্জিত ছুটি কর্তন করা হয়।



এ জন্য শিক্ষকগণ ভারত গমণের জন্য বিদ্যালয় খোলা থাকা দিনগুলোই বেছে নেন। যদি বিদ্যালয় ছুটির দিন গুলোতে ভারত গমন করলে অর্ধ গড় বেতন ও অর্জিত ছুটি কর্তন করা না হতো, তাহলে শিক্ষকগণ পবিত্র রমজান মাস,ঈদ উল আযহা, গ্রীষ্মকালীন অবকাশ, দূর্গাপূজার ছুটি থাকা দিনগুলোতে কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে চিকিৎসা কিংবা তীর্থ ভ্রমনের জন্য ভারত গমন করতে পারতেন।এতে পাঠদানে কোনো প্রকার চাপ হতো না।এছাড়া ভ্রমন ট্যাক্স বাবদ সরকারের রাজস্ব আয় বেড়ে যেতো।এতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সমাজ উপকৃত হবে,শিক্ষকগণ সহজেই চিকিৎসা নিতে পারবেন, ভ্রমণ হেতু একঘেয়েমি দূর হবে।এ বিষয়ে সরকার ও যথাযথ কর্তৃপক্ষের কৃপাদৃষ্টি কামনা করছি।

যে পরিচয়ে হোয়াইট হাউসে যান সেই প্রিয়া সাহা

অনলাইন ডেস্ক,২০ জুলাই:

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভয়াবহ ও গুরুতর মিথ্যা অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশের নাগরিক প্রিয়া সাহা। ট্রাম্পের কাছে প্রিয়া সাহার বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের নালিশ একেবারেই তার নিজস্ব বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি রানা দাশগুপ্ত।



জানা গেছে, সংগঠন থেকে তিনজন প্রতিনিধি পাঠানো হয়েছে যেখানে তার নাম নেই। কিন্তু ওই সম্মেলনে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের একজন জেনারেল সেক্রেটারি পরিচয়েই গিয়েছেন প্রিয়া সাহা।

মার্কিন গণতন্ত্র, রাজনৈতিক ও মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন ফ্রিডম হাউস ২৭ প্রতিনিধির তালিকা তুলে ধরেছেন। তালিকার ১৮ নম্বরে প্রিয়া বিশ্বাস সাহার নাম রয়েছে।

রানা দাশগুপ্ত বলেন, তার সংগঠন থেকে তিনজন প্রতিনিধিকে ওয়াশিংটনের ওই সম্মেলনে পাঠানো হয়েছিল। তারা হলেন, পরিষদের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য অশোক বড়ুয়া ও নির্মল রোজারিও এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্মল চ্যাটার্জী

তিনি বলেন, এর বাইরে আমাদের কোনো প্রতিনিধি ছিলেন না। প্রিয়া সাহা আমাদের সংগঠনের ১১ জন সাংগঠনিক সম্পাদকের একজন। তবে তিনি ওই প্রতিনিধি দলে সদস্য ছিলেন না।

রানা দাশগুপ্ত বলেন, প্রিয়া যে যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেছেন, তা তিনি জেনেছেন শুক্রবার গণমাধ্যম থেকে।

এদিকে প্রিয়া সাহার বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে তোলপাড় চলছে। তার অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন।

ফেসবুকে ওই অনুষ্ঠানের ভিডিও আসার পর প্রিয়ার বক্তব্য নিয়ে শুরু হয় আলোচনার ঝড়। অনেকে তার বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের অভিযোগ আনেন।

ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে ওয়াশিংটনের সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের ২৭ প্রতিনিধির সঙ্গে গত বুধবার হোয়াইট হাউসে গিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে ওই অভিযোগ করেন প্রিয়া সাহা।

যুক্তরাষ্ট্রের আয়োজনে দ্বিতীয়বারের মত আয়োজিত ধর্মীয় স্বাধীনতায় অগ্রগতি শীর্ষক তিন দিনের ওই সম্মেলনের সমাপনীতে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেনও বক্তব্য দেন।

তার আগে বুধবার বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে হোয়াইট হাউসে যান।

শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ইয়াজিদি নারী নাদিয়া মুরাদসহ ওই প্রতিনিধি দলের অনেকেই নিজের দেশে সাম্প্রদায়িক নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা তারা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বলেন।

প্রিয়া সাহার বক্তব্য ছিল, বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা মৌলবাদীদের নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন। প্রায় ৩ কোটি ৭০ লাখ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান নিখোঁজ হয়েছেন।

ট্রাম্পকে অনুরোধ করে তিনি বলেন, প্লিজ আমাদের সাহায্য করুন। আমরা আমাদের দেশে থাকতে চাই। এখনও সেখানে ১ কোটি ৮০ লাখ সংখ্যালঘু মানুষ আছে। আমার অনুরোধ, আমাদের সাহায্য করুন। আমরা দেশ ছাড়তে চাই না

তিনি বলেন, তারা আমার বাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে, আমার জমি কেড়ে নিয়েছে। কিন্তু বিচার হয়নি।

তখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানতে চান- কারা তার বাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে, জমি কেড়ে নিয়েছে। জবাবে প্রিয়া বলেন, তারা মুসলিম মৌলবাদী, তারা সব সময় রাজনৈতিক আশ্রয় পাচ্ছে।

মিন্নির সাথে নয়নের পরকীয়া খুনের কারন!

ডেস্ক,১৪ জুলাই:

বরগুনায় আলোচিত রিফাত হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা মিন্নি। খুনি নয়ন বন্ডের সাথে মিন্নির বিবাহ হয়েছিল, তবে সেই বিবাহের কথা গোপন করেই রিফাতের সাথে মিন্নির বিবাহ দেয় তার পরিবার। তাই মিন্নিকেও গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে নিহত রিফাতের বাবা আব্দুল হালিম দুলাল শরীফ।


শনিবার রাত পোনে আটটার দিকে বরগুনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এসব দাবী করেন তিনি।

Read More »

চুয়াডাঙ্গাসহ সারাদেশে বজ্রপাতে নিহত ১২

ডেস্ক,১৩ জুলাই:

সারাদেশে বজ্রপাতে ১২জন নিহত হয়েছেন। শনিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এসব ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে পাবনার বেড়া উপজেলায় একই পরিবারের তিনজনসহ মোট চারজন। সুনামগঞ্জের তাহেরপুর উপজেলায় বাবা ও ছেলেসহ দু’জন। চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় তিনজন। ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলায় একজন। নেত্রকোণার কলমাকান্দা উপজেলা একজন। রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় একজন।



দুপুরের দিকে পাবনার বেড়া উপজেলায় বজ্রপাতে একই পরিবারের তিনজনসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন- বেড়া উপজেলার চাকলা ইউনিয়নের পাচুরিয়া গ্রামের কৃষক মোতালিব সরদার (৫০), তার দুই ছেলে শরিফ সরদার (১৭) ও ফরিদ সরদার (২০) এবং প্রতিবেশী রহম প্রামানিক (৬০)। Read More »

জাতীয়করনের দাবিতে একজন শিক্ষকের মৃত্যু

ডেস্ক,১৩ জুলাই:

জাতীয়করণের দাবিতে রাজধানীতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনশনরত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক মারা গেছেন। ওই শিক্ষকের নাম জাকির হোসেন (৪০)। তিনি মধুখালি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরন করেন। শনিবার বাংলাদেশ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির মহাসচিব কামাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।


এদিকে গত ১৬ জুন থেকে বাদপড়া ৪ হাজারের বেশি প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারীকরণের দাবিতে ‘বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির’ ব্যানারে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান করেছেন শিক্ষকরা। টানা আন্দোলনে মোট দু’শতাধিক শিক্ষক অসুস্থ হয়েছেন বলে দাবি করেছেন অনশনরত শিক্ষকরা।

দূর্গা পুজার ছুটি বাড়ানোর দাবী শিক্ষকদের

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৩জুলাই ২০১৯: সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ বাংলাদেশ। এদেশে প্রচীনকাল থেকেই নানা ধর্ম -বর্নের মানুষ এক সাথে বসবাস করে আসছে। এ জন্যই বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক দেশের রোল মডেল হিসাবে পরিচিত। এদেশের বিভিন্ন ধর্মের মানুষ একত্রে তাদের ধর্মানুষ্ঠান পালন করেন। স্বাধীনতার পর এদেশের মুলমত্র ছিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, সকলের সম অধিকার।


দূর্গা পুজা হিন্দুদের সবচাইতে বড় ধর্মিয় অনুষ্ঠান। প্রতি বছর প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দূর্গা পুজার ছুটি ৭ থেকে ১০ দিন করা হয়। কিন্তু এ বছর ব্যতিক্রম। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ষষ্ঠী থেকে দশমি দূর্গা পুজার আনন্দ উপভোগ করে। কিন্তু এ বছর অষ্টমী থেকে ছুটি দেয়া হয় দশমী পর্যন্ত মোট ৩দিন ছুটি দেয়া হয়।

বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রিয় সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক রঞ্জিত ভট্রাচার্য মনি বলেন, তার চাকুরিকালের এটি প্রথম এমন ঘটনা। কর্তৃপক্ষের কাছে তিনি দূর্গাপুজার ছুটি ৩ দিনের পরিবর্তে ৭ দিন করার পূর্ননির্ধারনের দাবী জানান।
এদিকে ফেসবুকে এনড্রু রয়েল নামের একজন লিখেছেন,অন্যান্য বছর যেখানে ১০ থেকে ১৫ দিন ছুটি পাওয়া যেত সেখানে ২০১৯ সালে মাত্র ৩ দিন। সরকারের কাছে ছুটি বাড়ানোর অনুরোধ জানাই।
বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রিয় সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাস বলেন বলেন দূর্গা পুজা হিন্দুদের সবচাইতে বড় ধর্মিয় অনুষ্ঠান। এ অনুষ্ঠানে ৩দিনের পরিবর্তে কমপক্ষে ৭দিন ছুটি ছুটি ঘোষনার দাবী জানান।

বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের প্রত্যাশা আসন্ন দূর্গা পুজা হিন্দুদের সবচাইতে বড় ধর্মিয় অনুষ্ঠান। দূর্গাপূজাই এক মাত্র সার্বজনীন অনুষ্ঠান যেখানে সকল ধর্ম-বর্নের মানুষ ৫ দিন ব্যপি অনুষ্ঠান পালন করেন। হিন্দুরা ধর্মিয় দিক থেকে এদেশের দ্বিতীয় সংখ্যগরিষ্ঠ জাতি। সুতরাং এই বৃহৎ অনুষ্ঠানটিতে কমপক্ষে ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা করা হোক।

প্রাথমিক শিক্ষকদের করুন কাহিনী

তৌহিদুজ্জামান সোহেল

আমি ৩৬ তম বিসিএস নন-ক্যাডার থেকে সুপারিশ একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। আমিও মানুষ তাই আমিও ভুল করতে পারি। আজ আমার লেখার বিষয়বস্তু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জীবন ও বাস্তবতা। লেখার শুরুতে বলে রাখি আমার কথাতে কেউ কষ্ট পেলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী।



প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক হচ্ছেন প্রধান শিক্ষক। একটি সংসার চালানো যে কী কঠিন তা যে চালায় সেই বোঝে। একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫-৬ জন শিক্ষক কোন কোন বিদ্যালয়ের ৭-৮ জনও থাকে, যারা ভিন্ন ভিন্ন পরিবার থেকে আসেন। এদের মন মানসিকতাও ভিন্ন। সবাইকে সামাল দিতে প্রধান শিক্ষক কম কষ্ট করেন না। অথচ সেই প্রধান শিক্ষক এখনো দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদা পাননি।

জানামতে, প্রধানমন্ত্রী ২০১৪ সালে প্রধান শিক্ষকের বেতন গ্রেড দ্বিতীয় শ্রেণীর হওয়ার ঘোষণা প্রদান করে কিন্তু এখনও তা বাস্তবে প্রমাণিত হয় নি। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা মোতাবেক বিসিএস নন-ক্যাডার থেকে নিয়োগ প্রদান করা হয়। কিন্তু বিসিএস নন-ক্যাডার থেকে নিয়োগ দিয়েও তাদেরকে ১২ তম গ্রেড এ রাখা হয়েছে কিন্তু একই সাথে একই পরীক্ষা দিয়ে কেউ ৯ম কিংবা ১০ম গ্রেডে সেখানে শিক্ষার মূল ভিত্তিতে ১২ তম গ্রেডে সুপারিশ করা হয়েছে । যতদিন না বেতন বৈষম্য ঠিক হবে এবং মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতি কার্যকর হবে ততদিন প্রাথমিক শিক্ষার গুনগত মান সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না। তাই সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে এই সমস্যা দূর না করলে প্রাথমিক এর মান বাড়ানো যাবে না।

কর্তাব্যক্তিরা নিয়মিত আশ্বাসই দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু তাদের সে আশা এখনও আশার আলো দেখেনি আর কবে আশা পূরণ হবে তাও কেউ জানে না। সহকারী শিক্ষকরা তো সবচেয়ে বড় বলির পাঁঠা। সকাল নয়টায় বিদ্যালয়ে উপস্থিত হওয়া, বিদ্যালয় পরিষ্কার করা, ঘণ্টা বাজানো থেকে শুরু করে যাবতীয় কাজ তাদের করতে হয়। আর যে স্কুলে শিক্ষক কম তাদেরতো আরো কষ্ট যা বলে শেষ করা যাবে না। সাথে আরো নতুন নতুন নিয়মের পরিপত্র তো আছেই।

নয়টা থেকে সাড়ে চারটা পর্যন্ত মাঝখানে বিরতি মাত্র ত্রিশ মিনিট এমন রুটিন দেখে মনে হয় প্রাথমিকের শিক্ষকেরা রোবট। দুপুরের খাবার খেলে নামাজ পড়া হয় না, নামাজ পড়তে গেলে খাবারের সময় নেই। অথচ সেই সহকারী শিক্ষক হচ্ছেন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী যা সকল শিক্ষক সমাজের জন্য অপমানজনক বলে আমার মনে হয়। কী লজ্জা! ন্যায্য দাবি প্রতিষ্ঠার জন্য শিক্ষকরা সংগ্রাম করে যাচ্ছেন কিন্তু তাদেরকে শুধুই আশার বাণী শোনানো হচ্ছে। আদৌ কি তাদের আশা পূরণ হবে? নাকি শুভঙ্করের ফাঁকি?

প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণকৃত, অথচ দপ্তরিদের চাকরি জাতীয়করণ হয় না। মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে আগে শিক্ষকদের মান বাড়াতে হবে সাথে সাথে তাদেরকে উপযুক্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আরো শিক্ষা বান্ধব করে গড়ে তুলতে হবে যাতে করে প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি মজবুত হয়ে গড়ে উঠে। তাই সরকারের প্রতি বিনীত অনুরোধ এই যে, প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড ও সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড অবিলম্বে কার্যকর করা হউক যাতে প্রাথমিকের শিক্ষকেরা সমাজে গর্ব করে বলতে পারুক যে আমি একজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। যেদিন শিক্ষকেরা মাথা উচু করে তারা তাদের পরিচয় দিতে কুন্ঠাবোধ করবে না সেদিন থেকে প্রাথমিক শিক্ষার মান বাড়বে।

লেখক: প্রধান শিক্ষক (৩৬ তম বিসিএস নন-ক্যাডার থেকে সুপারিশ প্রাপ্ত)

নীতিমালা অনুযায়ী শর্তপূরণ করা প্রতিষ্ঠানই এমপিওভুক্ত হবে

ডেস্ক,১৩ জুলাই:

এমপিওভুক্তির নীতিমালার শর্তের বৈতরণী পার হতে পারছে না অন্তত ৫০টি সংসদীয় আসনের নন-এমপিও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। নিজ নির্বাচনী এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবস্থান জানতে সংসদ সদস্যরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে নিয়মিত খোঁজ নিচ্ছেন।



তবে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নীতিমালা অনুযায়ী শর্তপূরণ করা প্রতিষ্ঠানই এমপিওভুক্ত হবে। এ ক্ষেত্রে এমপিদের ডিও লেটার কোনো কাজে আসবে না। এমপিওভুক্তির জন্য কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ৪ ধাপে ১০০ নম্বরের গ্রেডিং পদ্ধতিতে উত্তীর্ণ হতে হবে।

এ শর্তে উত্তীর্ণ হতে ব্যর্থ প্রতিষ্ঠানগুলোর বেশির ভাগই অনগ্রসর এলাকার। ফলে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তির জন্য নীতিমালার ২২ অনুচ্ছেদ বিবেচনায় নিয়ে সমাধানের পথ খুঁজছে বাছাই কমিটি। একই সঙ্গে তারা কোনো প্রতিষ্ঠানকে এমপিও দেওয়া বা না দেওয়ার যৌক্তিক ব্যাখ্যাও তৈরি করছেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীলদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সংসদ সদস্যদের দাবি অনুযায়ী তাদের নির্বাচনী এলাকার পছন্দের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির সুযোগ নেই।

শুধু যেসব প্রতিষ্ঠান নীতিমালার ১৪নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যোগ্যতা অর্জন করবে, সেগুলো এমপিওভুক্তির আওতায় আসবে। তবে বিদ্যমান যাচাই-বাছাইয়ে কোনো কোনো সংসদীয় এলাকার একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছে। আবার কোনো কোনো সংসদীয় আসনে একটিও যোগ্য প্রতিষ্ঠান পাওয়া যায়নি। একটিও যোগ্য প্রতিষ্ঠান পাওয়া যায়নি এমন অন্তত অর্ধশতাধিক সংসদীয় আসন রয়েছে। এগুলো বেশির ভাগই অনগ্রসর জনপদের।

সম্প্রতি এক বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এমপিও যাচাই-বাছাই কমিটিকে এমপিও দেওয়া না দেওয়া প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে যৌক্তিক ব্যাখ্যা তৈরির নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে পাহাড়ি এলাকা, হাওর-বাওড়, চরাঞ্চলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের ক্ষেত্রে একাধিক প্রতিষ্ঠান হলে সর্বোচ্চ মানেরটিকে গুরুত্ব দেওয়ার জন্য বলেছেন। এমপিওভুক্তির গেজেট প্রকাশ হলে এমপিও না পেলে সংক্ষুব্ধ কোনো প্রতিষ্ঠান আদালতে মামলা করলে যাতে যৌক্তির ব্যাখ্যা দেওয়া যায়, সেজন্য দায়িত্বশীলদের সতর্কভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। এমপিওভুক্তির নীতিমালার ১৪নং অনুচ্ছেদে এমপিওভুক্ত হতে ৪ ধাপে স্কোরিং নম্বরের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মোট নম্বর থাকবে ১০০।

এর বিভাজন হচ্ছে-প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক স্বীকৃতি ২৫ নম্বর। প্রতি দুই বছরের জন্য ৫ নম্বর এবং ১০ বা এর চেয়ে বেশি বছর হলে পাবে ২৫ নম্বর। শিক্ষার্থী সংখ্যায় থাকবে ২৫ নম্বর। কাম্য সংখ্যক শিক্ষার্থী থাকলে ওই প্রতিষ্ঠান পাবে ১৫ নম্বর এবং এর পরবর্তী ১০ শতাংশ বৃদ্ধির জন্য পাবে ৫ নম্বর। পরীক্ষার্থীর সংখ্যায় ২৫ নম্বর। কাম্য সংখ্যার জন্য ১৫ নম্বর, কাম্য সংখ্যার পরবর্তী প্রতি ১০ জনের জন্য ৫ নম্বর। উত্তীর্ণের পরিসংখ্যানেও ২৫ নম্বর। কাম্য হার অর্জনের ক্ষেত্রে ১৫ নম্বর, পরবর্তী প্রতি ১০ শতাংশের জন্য ৫ নম্বর। এ মানদণ্ডে উত্তীর্ণ হওয়া অনেক প্রতিষ্ঠানের জন্যই কঠিন হয়ে পড়েছে।

সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী এলাকা হিসেবে এমপিওভুক্তির প্রতিষ্ঠান বিভাজন হবে কিনা জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. সোহরাব হোসাইন জানান, এমপিওভুক্তির নীতিমালা অনুযায়ী শতভাগ স্বচ্ছ পদ্ধতিতে যাচাই-বাছাই করে যোগ্য প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করা হবে। কোথাও যদি নীতিমালার ২২ অনুচ্ছেদ প্রয়োজন হয়, সেটাও দেখা হবে। ২২ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বিশেষ ক্ষেত্রে শর্ত শিথিল।

এ ক্ষেত্রে অনগ্রসর, ভৌগোলিকভাগে অসুবিধাজনক পাহাড়ি এলাকা, হাওর-বাওড়, চরাঞ্চল, নারী শিক্ষা, সামাজিকভাবে অনগ্রসর গোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী, বিশেষায়িত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশেষ বিবেচনায় শর্ত শিথিল করা যেতে পারে।

সংসদ সদস্যদের ডিও লেটার প্রথা থাকবে কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, নীতিমালার গ্রেডিং নম্বরে উত্তীর্ণ না হলে ডিও লেটার কোনো কাজে আসবে বলে মনে হয় না। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ দুটি কমিটি করেছে। এগুলো হলো-আবেদন বাছাই কমিটি এবং অনলাইন ব্যবস্থাপনা কমিটি। এমপিওভুক্তির লক্ষ্যে এ দুটি কমিটি কাজ করছে।

চুয়াডাঙ্গা শিশু ধর্ষন মামলার প্রধান আসামী আব্দুল মালেক যশোর থেকে গ্রেপ্তার

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি(১৩.০৭.১৯):
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার গোপিনাথপুর গ্রামে ৬বছরের এক শিশুকে চকলেট দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষনের মামলার প্রধান আসামী আব্দুল মালেককে (৫০) যশোরের ঝিকরগাছা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দিনগত রাত দেড়টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।


গ্রেপ্তারকৃত আব্দুল মালেক ঝিনাইদহ জেলার হরিনাকুন্ডু উপজেলার সোনাতনপুর গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে।

শনিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কানাই লাল সরকার জানান, ধর্ষনের পর থেকেই পলাতক ছিলো প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল মালেক। শুক্রবার দিনগত রাতে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়া যায় সে যশোরের এক আত্মীয় বাড়িতে অবস্থান করছে। খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের একটি দল যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার নোয়ালি গ্রামে অভিযান চালায়। অভিযানের এক পর্যায়ে তাকে ওই গ্রামের একটি বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গত বুধবার দুপুরে গোপিনাথপুরের এক ভ্যান চালকের ৬বছরের শিশুকন্যাকে চকলেট দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তার জনশূন্য বাড়িতে নিয়ে ধর্ষন করে প্রতিবেশী আব্দুল মালেক। এরপর শিশুটি বাড়ি ফিরে অসুস্থ্য হয়ে পড়লে বৃহস্পতিবার রাতে তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওইদিনই ধর্ষিতার মা বাদি হয়ে আব্দুল মালেকের নাম উল্লেখ করে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি ধর্ষন মামলা দায়ের করেন।

ডেঙ্গু: ২৪ ঘন্টায় ৭৩ জন আক্রান্ত, ছড়িয়ে পড়ছে ঢাকার বাইরেও

ডেস্ক,১২ জুলাই: ঢাকার অধিবাসী মমতাজ শাহিন খান। তার পরিবারের একজন সদস্য ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এখন চিকিৎসাধীন আছেন।

তিনি বলছেন, তার বাসার সাথে বাগানে কাজ করেছিলেন তার পরিবারের একজন সদস্য।

পরে হাসপাতালে নিয়ে নিশ্চিত হন যে তিনি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন।


“অনেক জ্বর এবং পরে মুখ দিয়ে রক্তও গেলো। আমরা কোনো ঝুঁকি নেইনি। হাসপাতালে ভর্তি করেছি।”

এই রোগীর মতো ঢাকায় আরও ৭৩ জন গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে বলে শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে।

সব মিলিয়ে চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৩,৭২০ জনেরও বেশি।

এর মধ্যে ঢাকার বাইরে ১৯ জনের আক্রান্ত হবার খবর মিলেছে। যদিও আক্রান্তদের মধ্যে ২,৯০০ জনই সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়ে গেছেন।

এটি নিয়ে এখনো খুব বেশি উদ্বিগ্ন হতে রাজী নন রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক মীরজাদী সাব্রিনা।

“কেস বেশি হচ্ছে, কিন্তু প্যানিক হওয়ার কিছু নেই। ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনা সবাই এখন জানে। হাসপাতালগুলোতে নজরদারি আরও শক্তিশালী হয়েছে। সেজন্যই ঢাকার বাইরের কেসগুলো জানা যাচ্ছে। ঢাকার বাইরে মশা এখন ততটা উদ্বেগের বিষয় না।”

তবে পরিস্থিতির যাতে অবনতি না হয় সেজন্য এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের জন্য বাসাবাড়ি থেকে শুরু করে সবার আরও সচেতনতার ওপর জোর দেন তিনি।

মশা নিয়ে গবেষণা করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণী বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশার।

তার মতে, এবার সচেতন হওয়া বেশি জরুরি কারণ কয়েকটি কারণে এবার ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি হওয়ার আশঙ্কা আছে।

“এবার ফেব্রুয়ারিতে বৃষ্টি হয়েছে। এডিস মশার ডিম ছয়মাস পর্যন্ত শুকনো স্থানে থাকলে বেঁচে থাকতে পারে। এবার আগে বৃষ্টির কারণে ও এখন থেমে থেমে বৃষ্টির কারণে এডিস মশার ঘনত্ব বাড়ছে। আবার ঢাকাসহ সারাদেশে পানির স্বল্পতার কারণে মানুষ বালতি কিংবা ড্রামে পানি জমিয়ে রাখে। আর বিভিন্ন ধরণের নির্মাণ কাজের সাইটগুলোতে চৌবাচ্চা, ড্রাম এডিস মশার বিস্তারে প্রধান ভূমিকা পালন করছে।”

সে কারণেই দেশজুড়ে জেলা উপজেলা পর্যন্ত নির্মাণকাজ বেড়ে যাওয়ায় মি. বাশার মনে করছেন নির্মাণ সাইটগুলোতে পানি জমে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়িয়ে দিতে পারে।
কিন্তু ঢাকায় ডেঙ্গু নিয়ে প্রচার প্রচারণা কিছু চোখে পড়লেও ঢাকার বাইরে বিশেষ করে মফস্বল এলাকাগুলোতে এ নিয়ে তেমন কোন উদ্যোগ নেই বললেই চলে।

কুষ্টিয়ার শিরিন সুলতানা বলছেন, তাদের এলাকায় প্রচুর মশা। কিন্তু মশা নিধনের কোনো ব্যবস্থা তিনি কখনো দেখেননি।

“স্প্রে বা কয়েল জ্বালানো ছাড়া টেকা যায়না কিন্তু আমি কখনো দেখিনি ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা থেকে কোনো কিছু করা হচ্ছে।”

তবে ঢাকার দুটি সিটি কর্পোরেশন থেকে সতর্কতামূলক প্রচারের পাশাপাশি মশা মারতে ঔষধ দিতে দেখা যায় মাঝে মধ্যে।

দুটি কর্পোরেশন থেকেই বলা হচ্ছে ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলছেন, মশা প্রতিরোধে সবার সচেতনতাই একমাত্র উপায়।

তবে আক্রান্তদের চিকিৎসায় ঢাকাসহ দেশের সর্বত্র চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করেছেন তারা।

“যে পরিস্থিতি এখন বিদ্যমান তাতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। সারা দেশে সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।”

তিনি বলেন, ঢাকা বা ঢাকার বাইরে যেখানেই কারও জ্বর হলেই বিলম্ব না করে হাসপাতালে যেতে হবে আর এটি করা হলে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তির ভয় বা আতংকের কিছু নেই।

ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু ২৯ জুলাই

নিজস্ব প্রতিবেদক:
আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হচ্ছে ২৯ জুলাই। চলবে ২ আগস্ট পর্যন্ত।
রাজধানীর কমলাপুরসহ পাঁচটি স্থানে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৪টা পর্যন্ত টিকিট বিক্রি করা হবে। একজন যাত্রী ৪টির বেশি টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন না বলে রেলওয়ে সূত্র জানায়।


জানা গেছে, কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে বিক্রি হবে যমুনা সেতু হয়ে সমগ্র পশ্চিমাঞ্চলগামী আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট, বিমানবন্দর স্টেশন থেকে দেওয়া হবে চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীগামী সকল আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট, তেজগাঁও স্টেশন থেকে বিক্রি করা হবে ময়মনসিংহ ও জামালপুরগামী ট্রেনের টিকিট, বনানী স্টেশন থেকে বিক্রি হবে নেত্রকোনাগামী মোহনগঞ্জ ও হাওর এক্সপ্রেসের টিকিট ও রাজধানীর ফুলবাড়িয়া (পুরোনো রেলভবন) থেকে সিলেট ও কিশোরগঞ্জগামী ট্রেনের টিকিট।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে রেলওয়ে ঈদ ব্যবস্থাপনা নিয়ে বুধবার রেলভবনে বৈঠক করা হয়েছে। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২৯ জুলাই থেকে রেলওয়ের আন্তঃনগর ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে। ২ আগস্ট পর্যন্ত এই অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা হবে।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাংলাদেশ রেলওয়ের ৮ জোড়া বিশেষ ট্রেন চলাচল করবে। ট্রেনগুলো হলো-দেওয়ানগঞ্জ ঈদ স্পেশাল (১ জোড়া): ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ-ঢাকা, চাঁদপুর ঈদ স্পেশাল (২ জোড়া) : চট্টগ্রাম-চাঁদপুর-চট্টগ্রাম, মৈত্রীর রেক দিয়ে খুলনা ঈদ স্পেশাল : খুলনা-ঢাকা-খুলনা, ঈশ্বরদী ঈদ স্পেশাল : ঢাকা-ঈশ্বরদী-ঢাকা, লালমণি ঈদ স্পেশাল : লালমনিরহাট-ঢাকা-লালমনিরহাট, শোলাকিয়া স্পেশাল-১: ভৈরববাজার-কিশোরগঞ্জ-ভৈরববাজার, শোলাকিয়া স্পেশাল-২: ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ- ময়মনসিংহ, পবিত্র ঈদের দিন।

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter