টপ খবর

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা ২৭ ডিসেম্বর

ঢাকা: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৩-২০১৪ শিক্ষাবর্ষের প্রথমবর্ষ অনার্স ভর্তি পরীক্ষা ২৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।

সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতরের পরিচালক ফয়জুল করিম এ তথ্য জানান।

ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইট (www.nu.edu.bd) সহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে যথাসময়ে জানানো হবে বলেও জানান তিনি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সেঞ্চুরি করে অবজ্ঞার জবাব যুবরাজের

স্পোষ্টর্স ডেস্ক: দেjubশকে বিশ্বকাপ জিতিয়েছেন, ওয়ানডেতে দেশের সর্বকালের সেরা ম্যাচ উইনারদের তালিকাতেও প্রথম দিকে আছেন। এরপরেও তাঁকে খেলতে হচ্ছে এ দলের হয়ে। সেই রাগই যেন ব্যাটে ফুটে উঠল যুবরাজের। বেঙ্গালুরুতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এ দলের বিরুদ্ধে আনঅফিসিয়াল ওয়ানডে ম্যাচে সেঞ্চুরি করলেন যুবরাজ সিং। মাত্র ৮৯ বলে ১২৩ রানের দুরন্ত ইনিংস খেললেন ভারতীয় ক্রিকেটের `সিং ইজ কিং`। মারলেন ৭টা লম্বা লম্বা ওভার বাউন্ডারি, আর ৮টা বাউন্ডারি।

হাফ সেঞ্চুরি করে ফিরে আসার বার্তা দিলেন ইউসুফ পাঠান। মাত্র ৩২ বলে ৭০ রানের ইনিংস খেললেন ইউসুফ। ৬৭ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেললেন মনদীপ সিংও। তবে ব্যর্থ হলেন উন্মুক্ত চাঁদ (১)। ভারতীয় এ দল নির্ধারিত ৪২ ওভারে  ৪ উইকেট হারিয়ে ৩১২ রানের ইনিংস গড়ল।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষকদের দাবি না মানলে কঠোর আন্দোলন

ঢাকা : সরকারি প্রাথমিক শিক্ষকদের ৭ দফা দাবী না মানলে কঠোর আন্দোলনের ঘোষনা দেওয়া হবে এবং সরকারকে আন্দোলনের মুখোমুখি করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।
শনিবার ঢাকা রিপোর্টারস ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানায় সংগঠনটি।
59721সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, আমাদের সাত দফা দাবী বাস্তবায়নের জন্য আমরা অনেক আন্দোলন করেছি। এর প্ররিপ্রেক্ষিতে সর্বশেষ গত ১৬ এপ্রিল  প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে একটি চিঠি জন প্রশাসন মন্ত্রনালয়ে পাঠানো হয়। কিন্তু আজ অবধি আমাদের দাবী বাস্তবায়নে দৃশ্যমান কিছু পাচ্ছি না। অপর দিকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের  উচ্চ পদস্থ কিছু কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে কতিপয় শিক্ষককে একটি বে-আইনী সংগঠনের ব্যানারে সংগঠন পরিচালনায় উৎসাহিত করে শিক্ষকদের মধ্যে অনৈক্য সৃষ্টির মাধ্যমে দাবী আদায়ের অন্তরায় সৃষ্টির অপচেষ্ট করছেন। এতে সরকারি প্রাথমিক শিক্ষকগন দায়িত্ব পালনে উদ্যোম হারিয়ে ফেলেছেন এবং তাদের নৈতিকতা বিবর্জিত কার্যকলাপে শিক্ষক সমাজ আজ প্রচন্ড ভাবে ক্ষুব্ধ।

বক্তারা আরো বলেন, মন্ত্রনালয়ের আশ্বাসে আমরা আমাদের আন্দোলন স্থগিত করেছিলাম। আরা সরকারি কর্মচারি, কোন রাজনৈতিক দল করিনা। তারপরও আমাদের দাবী বাস্তবায়নে কোন কর্মসূচী দিলে আমাদের সাথে বিরোধীদলের আতাত আছে বলে দোষ চাপানো হয়। আমরা বুঝতে পারছি যে, দাবী বাস্তবায়নের বিষয়ে দ’  একটি পত্র লিখে মূলা ঝুলিয়ে সরল প্রাণ শিক্ষকদের দাবী আদায়ের আন্দোলন কর্মসূচীকে বাধাগ্রস্থ করা হচ্ছে মাত্র। তাই বাধ্য  হয়েই আমরা নতুন কর্মসূচী ঘোষনা করছি। এতও কাজ না হলে আমরা কঠোর আন্দোলনের ঘোষনা দেব।

সংগঠনের নতুন কর্মসূচী হল- ২৬ সেপ্টেম্বর দেশের সকল উপজেলা সদরে শিক্ষক সমাবেশ, ১-৩ অক্টোবর সকাল  ১০-১২টা পর্যন্ত কর্মবিরতি, ৫-১০ অক্টোবর সকাল ১০-১টা পর্যন্ত কর্মবিরতি, ১২-২৪ অক্টোবর ঈদের ছুটির সময় জেলায় জেলায় শিক্ষক সমাবেশ এবং ২৬ অক্টোবর থেকে দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত পূর্ণ দিবস কর্মবিরতি।

সংগঠনের সভাপতি মো: আ: আউয়ালের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের মহা-সম্পাদক মিসেস সালেহা আক্তার। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি জাহিদুর রহমান, যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক  কামরুল ইসলাম শাহীন, প্রচার সম্পাদক আলাউদ্দিন মোল্লা, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক  শফিকুর রহমান, কেন্দ্রিয় সদস্য রেবেকা সুলতানা প্রমুখ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

গত ৪ বছরে স্বাক্ষরতা বেড়েছে ১২ শতাংশ

ঢাকা,৮ সেপ্টেম্বর: 130908-literacy-day_350_209স্বাক্ষরতার হারের সঠিক তথ্য নিয়ে সব সময়ই বিভ্রাট থেকেই যাচ্ছে। বিভিন্ন পরিসংখ্যান বলছে বিভিন্ন তথ্য। এনিয়ে বরাবরই বাধাগ্রস্ত হচ্ছে উন্নয়ন পরিকল্পনা। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে দেশে স্বাক্ষরতার হার ৫৮ শতাংশ। আর উপ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো বলছে স্বাক্ষরতার হার ৫৩ শতাংশ।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মতে বর্তমানে দেশে স্বাক্ষরতার হার ৭১ শতাংশ। অপরদিকে শিক্ষাব্যুরোর তথ্যমতে স্বাক্ষরতার হার মাত্র ৫৯.৮ শতাংশ। বর্তমান সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের সময় ২০০৯ সালে স্বাক্ষরতার হার ছিল ৫২ শতাংশ। চার বছরে স্বাক্ষরতার হার বেড়েছে ২১ শতাংশ। স্বাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে গত ৫ সেপ্টেম্বর মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ডা. মো. আফছারুল আমীন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, আওয়ামীলীগ যখন ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় ছিল তখন স্বাক্ষরতার হার ছিল ৬১ শতাংশ। পরে বিএনপির জোট সরকারের আমলে স্বাক্ষরতার হার নিম্নগতি হয়। এবার যখন মহাজোট ক্ষমতা গ্রহণ করে ২০০৯ সালে তখন স্বাক্ষরতার হার ছিল ৫২ শতাংশ। তিনি আরও বলেন, শতভাগ শিক্ষা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকারের নেওয়া সফল উদ্যোগের কারণে ঝরে পড়ার হারও কমেছে। বর্তমানে ঝরেপড়া শিক্ষার্থীর হার ২৯ শতাংশ। যা আগে ৪০ শতাংশেরও বেশি ছিল।

এর আগে গত ফেব্র“য়ারি মাসের ৫ তারিখে মহাজোট সরকারের ৪ বছরে স্বাক্ষরতার হার ১১ দশমিক ৭৫ ভাগ বেড়েছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আফসারুল আমিন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ প্রতিবেদন (লিটারেসি সার্ভে) অনুযায়ী দেশের ১৫ ঊধের্ব জনসংখ্যার স্বাক্ষরতার হার ৫৯ দশমিক ৮২ শতাংশ, নিরক্ষর ৪০ দশমিক ১৮ শতাংশ। নারী স্বাক্ষরতা ৫৫ দশমিক ৭১ শতাংশ। বর্তমান সরকারের আমলে স্বাক্ষরতার হার ১১ দশমিক ৭৫ শতাংশ বেড়েছে বলে জানান তিনি। ঐদিন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদও জানান, সরকারি পরিসংখ্যান (বিবিএস) অনুযায়ী বর্তমানে সাত ও এর চেয়ে বেশি বয়সী শিক্ষিতের হার ৫৬ দশমিক ৮ শতাংশ (পুরুষ ৫৯ দশমিক ৮ ও মহিলা ৫৩ দশমিক ৯) এবং ১৫ ও এর চেয়ে বেশি বয়সী শিক্ষিতের হার ৫৮ দশমিক ৬ শতাংশ (পুরুষ ৬২ দশমিক ৯ ও মহিলা ৫৫ দশমিক ৫)।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আরও বলেছিলেন, ‘‘দেশে সাক্ষরতার হার শতভাগ করতে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর আওতায় দুটি প্রকল্প, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদ দ্বিতীয় শ্রেণীতে এবং সহকারী শিকদের বেতনস্কেল উন্নীতকরণের বিষয়টি সরকারের বিবেচনাধীন রয়েছে এবং বর্তমান সরকারের আমলে নতুন ১ হাজার ৫০০টি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের প্রকল্প প্রণয়ন করা হয়েছে। এছাড়া বর্তমান সরকার দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পাওয়ার পর সারা দেশে দুই হাজার ২৭০টি রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ১৭২টি কমিউনিটি বিদ্যালয়কে সরকারের অনুদানভুক্ত করা হয়েছে। ২০১৪ সালের মধ্যে দেশকে নিরক্ষরমুক্ত করতে মন্ত্রণালয়ের আওতায় দুটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। এছাড়া নিরক্ষর জনগোষ্ঠীকে স্বাক্ষর করতে ৪৬৫ কোটি টাকার প্রকল্প একনেকের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। আর ৬৪ জেলায় মৌলিক স্বাক্ষরতা প্রকল্প নামে একটি প্রকল্প একনেকের অপেক্ষায় রয়েছে। এছাড়া ৫৬টি জেলা শহরে ১০-১৫ বয়সী ৫ লাখ কর্মজীবী শিশুদের জন্য আরেকটি প্রশিক্ষণ প্রকল্প অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) পাঠানো হয়েছে।

অপরদিকে পরিসংখ্যান ব্যুরোর মতে, সর্বশেষ ২০০৮ সালের জরিপের তুলনায় ২০১২ সালে দেশের জনসংখ্যার মধ্যে স্বাক্ষরতার হার বেড়েছে চার ভাগ। তবে, নারী শিক্ষার হার চার বছর আগের চিত্রেই রয়ে গেছে, আর পুরুষের ক্ষেত্রে তা বেড়েছে সাত দশমিক পাঁচ ভাগ। সম্প্রতি শেষ করা পরিসংখ্যান ব্যুরোর জরিপ চিত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের মতে ২০০৮ সালে ‘স্বাক্ষরতা হার ও শিক্ষার মান উন্নয়ন’ প্রতিবেদনে শিক্ষার হার ছিল ৪৯ দশমিক সাত ভাগ। যা এবারের প্রতিবেদনে ৫৩ দশমিক সাত ভাগ। গত জরিপে নারী স্বাক্ষরতার হার ছিল ৫০ দশমিক দুই ভাগ। যা এবারো অপরিবর্তিত রয়েছে। গত জরিপে পুরুষ স্বাক্ষরতার হার ছিল ৪৯ দশমিক চার ভাগ। যা এবার বেড়ে হয়েছে ৫৬ দশমিক নয় ভাগ।

আজ আট সেপ্টেম্বর সারা দেশে পালিত হবে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস। দিবসের এবারের শ্লোগান ‘ সবাই হবো সাক্ষর ও দক্ষ, একুশ শতকে এই আমাদের লক্ষ্য’। শ্লোগানটি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। কেননা বর্তমান সরকার ঘোষিত ‘রূপকল্প-২০২১’ এর অন্যতম লক্ষ্য ২০১৪ সালের মধ্যে নিরক্ষরমুক্ত বাংলাদেশ গড়া যা অত্যন্তসময়োপযোগী। এ লক্ষ্য অর্জনে সকল স্তরের নাগরিককে একযোগে এগিয়ে আসতে হবে। স্বাক্ষরতা অর্জনের মাধ্যমে শুধু লেখাপড়া নয়, মানুষের জ্ঞান, সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পায় যা সুস্থ সমাজ ও উন্নত দেশ গঠনে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন এবং গণতন্ত্রকে সুদৃঢ় করতে সুশিক্ষিত ও দক্ষ মানবসম্পদের কোন বিকল্প নেই। এর আলোকে সরকার ইতোমধ্যে ‘জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০’ এবং ‘ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা’ প্রণয়ন করেছে।

উল্লেখ্য ১৯৬৫ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো নিরক্ষর মানুষের মধ্যে অক্ষরজ্ঞান ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্যে সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এরপর থেকে জাতিসংঘ এবং ইউনেস্কোর সদস্য হিসেবে সকল উন্নত এবং উন্নয়শীল দেশ প্রতিবছর বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদ্যাপন করে আসছে। এদিকে অভিজ্ঞমহলের মন্তব্য সরকারের সুদূরপ্রসারী চিন্তা না থাকায় দেশে স্বাক্ষরতার হার বাড়ছে ঢিমে তালে। যেভাবে স্বাক্ষরতার হার বাড়ছে তাতে ২০১৪ সালের মধ্যে লক্ষ্যে পৌঁছা সম্ভব নয়। তবে বাড়ছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের সংখ্যা।

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঝিনাইদহে সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে দেদারছে চলছে রওশন কোচিংবাণিজ্য

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি,৬ সেপ্টেম্বরঃ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য বন্ধে সরকার নীতিমালা প্রণয়ন করলেও বাস্তবে তা কার্যকরী হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগে জানা যায়, এ ক্ষেত্রে ঝিনাইদহে শিক্ষকরা সরকারি নিয়মনীতি উপেক্ষা করে কোচিং বাণিজ্য আরও জোরদার ভাবে চালিয়ে যাচ্ছে। এটি বর্তমানে এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে অভিবাবক ও শিক্ষার্থীরা কোচিং বাণিজ্যের সাথে যুক্ত শিক্ষকদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন যা পরিবারের উপর বাড়তি আর্থিক চাপ সৃষ্টি করেছে এবং ব্যায় নির্বাহে অভিভাবকগণ হিমশিম খাচ্ছেন।

এছাড়াও অনেক শিক্ষক শ্রেণীকক্ষে পাঠদানে মনোযোগী না হয়ে কোচিং এ বেশি সময় ব্যায় করছেন। এ ক্ষেত্রে দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীরা এবং অভিভাবকগণ চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন। এ সম্পর্কিত মাননীয় হাইকোর্ট বিভাগে দায়েরকৃত রিট পিটিশন নং ৭৩৬৬/২০১১ এর আদেশের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উপর কোচিং বাণিজ্য বন্ধে একটি গেজেট নোটিফিকেশন বা অন্য কোনরুপ আদেশ প্রদানের নির্দেশনা রয়েছে।

সার্বিক পরিস্থিতি ও হাইকোর্ট বিভাগের নিদের্শনার প্রেক্ষিতে কোচিং বাণিজ্য বন্ধে সরকার নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। কোন শিক্ষক তার নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীকে কোচিং করাতে পারবে না। তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের পূর্বানুমতি স্বাপেক্ষে দৈনিক বা প্রতিদিন অন্য যে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সীমিত সংখ্যক (দশ জনের বেশি নয়) শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়াতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে লিখিতভাবে ছাত্র ছাত্রীর তালিকা (রোল শ্রেণী উল্লেখসহ জানাতে হবে)। কোন শিক্ষক বাণিজ্যিক ভিত্তিতে গড়ে ওঠা কোন কোচিং সেন্টারে নিজ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত হতে পারবেন না বা নিজে কোন কোচিং সেন্টারের মালিক হতে পারবেন না বা কোচিং সেন্টার গড়ে তুলতে পারবেন না এবং কোচিং সেন্টারের নামে বাসা বাড়ি ভাড়া নিয়ে কোচিং বাণিজ্য পরিচালনা করা যাবে না।

এ ক্ষেত্রে সারাদেশে শিক্ষকরা কোচিং বাণিজ্য কমিয়ে আনলেও ঝিনাইদহের কতিপয় দূর্নীতিবাজ শিক্ষকরা সে ক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সুরাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রওশন আলী দীর্ঘ ১০ বছর ধরে শহরের প্রাণকেন্দ্র বনানীপাড়ার বকুলতলা মোড়ে রওশন কোচিং সেন্টার গড়ে তুলে সেখানে কোচিং বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। অভিযোগে জানা যায়, তিনি সরকারি গার্লস স্কুল, মডেল স্কুল, কাঞ্চন নগর মডেল হাইস্কুল সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পঞ্চম শ্রেণী থেকে শুরু করে মাধ্যমিক স্তরের শতাধিক ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে অর্থের বিনিময়ে কোচিং বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে।

আরও জানা যায় জানা যায়, প্রতিটি ছাত্র/ছাত্রীদের ভর্তি বাবদ নেওয়া হয় নয়শত টাকা, মাসিক বেতন বাবদ আটশত টাকা নেওয়া হয়। এভাবেই তিনি স্কুল ফাঁকি দিয়ে কোচিং বাণিজ্যের দিকে ঝুকে পড়েছেন। এদিকে ভাল ফলাফলের আশায় অভিভাবকরা তাদের সন্তানদেরকে এই প্রতিষ্ঠানে কোচিং করাচ্ছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, তার নিজস্ব কোচিং সেন্টার সহ আশেপাশের বাসাবাড়ি ভাড়া নিয়ে বিভিন্ন শিক্ষকদের সাথে চুক্তি করে এসব কোচিং বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক রওশন আলীর কাছে বিষয়টি জানতে চাওয়া হলে তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, তিনি সরকারি নীতিমালার মধ্যেই শিক্ষার্থীদের কোচিং করাচ্ছেন। এছাড়াও সদর উপজেলার হাটগোপালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইউসুফ আলী শহরের মহিলা কলেজ পাড়ায় বাসা বাড়ি ভাড়া নিয়ে সরকারি নিয়ম নীতি উপেক্ষা করে কোচিং বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এভাবেই ঝিনাইদহ শহরের অনেক শিক্ষক সরকারি নিয়মনীতি উপক্ষো করে পর্দার আড়ালে থেকে তাদের এ বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

সচেতন ঝিনাইদহবাসী অবিলম্বে কোচিং বাণিজ্য বন্ধে কোচিং বাণিজ্যে জড়িত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এসজেএএম অ্যাওয়ার্ড পেতে যাচ্ছেন শচিন

ডেস্ব: আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শততম সেঞ্চুরি করার জন্য ভারতের মাস্টার ব্লাস্টার শচিন টেন্ডুলকারকে বিশেষ অ্যাওয়ার্ড দেবে স্পোর্টস জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন অব মুম্বাই (এসজেএএম)। আগামী রোববার মুম্বাই ক্রিকেট ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে টেন্ডুলকারকে

বিশেষ অ্যাওয়ার্ড দেবে এসজেএএম। গেল ২৩ বছর টেস্ট ও ওয়ানডে ক্রিকেটে ব্যাট হাতে আলো ছড়িয়েছেন টেন্ডুলকার। দু’ধরনের ক্রিকেটের বেশিরভাগ রেকর্ডই নিজের করেছেন তিনি। সেইসঙ্গে সেঞ্চুরির সেঞ্চুরিও দখলে নিয়েছেন টেন্ডুলকার।

গেল বছরের মার্চে এশিয়া কাপে বাংলাদেশের বিপক্ষে ১১৪ রানের ইনিংস খেলে সেঞ্চুরির সেঞ্চুরি করেন টেন্ডুলকার। তাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সেঞ্চুরির সেঞ্চুরি পাওয়ায় টেন্ডুলকারকে অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত করবে এসজেএএম। ক্রিকেটের সর্বোচ্চ অর্জনের জন্য তাকে বিশেষ সম্মাননা দেবে তারা।

এছাড়া বছরের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার পাবেন অভিষেক নায়ার। রঞ্জিতে মুম্বাইকে শিরোপা এনে দিতে মূখ্য ভূমিকা রাখেন তিনি। সর্বশেষ মৌসুমে ব্যাট হাতে ৯৬৬ রান করেন নায়ার। মহিলা ক্রিকেটে বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের ভূষিত হলেন ওপেনার পুনম রাউত। আর তরুণ উদীয়মান খেলোয়াড় হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আরমান জাফর। হ্যারিস শিল্ড ইন্টার-স্কুল টুর্নামেন্টের ফাইনালে ৪৭৩ রান করেন জাফর।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষা ভবনে এমপিও ‘কেনাবেচা’

ডেস্ক: নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার বালাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রোজিনা আক্তার জাহান, নাসরিন আক্তার, ছাতনাই উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী গ্রন্থাগারিক ফজলুল হক, কালীগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের শরীরচর্চা শিক্ষক নাসিরুল ইসলাম, তিতপাড়া বড়জুম্মা দারুস সালাম দাখিল মাদ্রাসার হাফিজুল ইসলাম এবং ছাতনাই বারোবিশা দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক আবদুল আজিজের বেতনের সরকারি অংশ (মান্থলি পে-অর্ডার বা এমপিও) সম্প্রতি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।শিক্ষা ভবনে এমপিও 'কেনাবেচা'

বেসরকারি স্কুল ও মাদ্রাসার এসব শিক্ষক জালিয়াতির মাধ্যমে এমপিওভুক্ত হয়েছিলেন।

এজন্য অবশ্য তাদের সবারই রাজধানীর ‘শিক্ষা ভবন’-এ গিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা খরচ করতে হয়েছে।

এই শিক্ষকদের মধ্যে কারও কারও সংশ্লিষ্ট পদে নিয়োগ পাওয়ার শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই। কারও বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন সনদ নেই।

কারও নিয়োগ প্রক্রিয়া যথাযথ আইনানুগ উপায়ে হয়নি, তবুও এমপিও পেতে সমস্যা হয়নি তাদের।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free