টপ খবর

রবি শর্মাকে বিয়ে করে ভারতে কতটা সুখে আছেন শাকিলা ?

বিনোদন ডেস্ক : রবি শর্মাকে বিয়ে করে- কেমন আছেন শাকিলা? কোথায় আছেন এই সুকণ্ঠী সংগীত তারকা? বছর দেড় দুয়েক ধরে টেলিভিশনের পর্দায় কিংবা দেশের কোনো স্টেজ শো-তে শাকিলার গরহাজিরার কারণে এমন প্রশ্ন ঘুরেফিরে আসছে তার ভক্তকুলের মনে। সংগীত দুনিয়ার মানুষজনও তাকে খুঁজে ফিরছেন যার যার মতো করে। আসল তথ্য না পেয়ে তারাও উদ্বিগ্ন।

জানা গেছে, শাকিলা বর্তমানে ভারত প্রবাসী। মুম্বাইয়ে শাকিলা ঘর সাজিয়েছেন মনের মতো করে। সেখানকার ব্যবসায়ী ও কবি রবি শর্মাকে বিয়ে করে বেশ সুখেই দিন কাটাচ্ছেন বাংলাদেশের এই তুখোড় সংগীত শিল্পী

এক ছেলের মা শাকিলা দেশের মিডিয়া জগতে প্রাণবন্ত আর লাস্যময়ী শিল্পী হিসেবে পদচারণা করলেও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন বেশ কয়েক বছর ধরে। যা তিনি খুবই সতর্কতার সঙ্গে আড়াল করে রাখতেন।

দুবাইতে অবস্থানরত তার সাবেক স্বামী জাফরের সঙ্গে মানসিক টানাপড়েনকে মিটিয়ে ফেলার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও কামিয়াব হননি ঢাকায় জন্ম নেওয়া শাকিলা ওরফে স্মৃতি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শনে মাস্টার্স শাকিলা ১৯৭৯ সালে প্রথমে বেতারে এবং পরের বছর বিটিভিতে তালিকাভুক্ত শিল্পী নির্বাচিত হন। ৩১ বছর আগে ১৯৮৭ সালে শাকিলা ‘নিয়তির খেলা’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে প্লে-ব্যাক শিল্পী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। ভিন্ন মেজাজের বেশকিছু আধুনিক গানের সুবাদে শাকিলা সংগীতপ্রেমীদের কাছে খুবই সমাদৃত।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

২৯৯ কলেজের ১২ হাজার শিক্ষক এবং ৩২৫ স্কুলের প্রায় আট হাজার শিক্ষক রয়েছেন উৎকণ্ঠায়

ডেস্ক | ০৬ এপ্রিল, ২০১৯: স্কুল-কলেজ সরকারি হলেও এখনও বেসরকারি রয়ে গেছেন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীরা। এরই মধ্যে অনেকে অবসরে গেছেন। আবার কারো কারো চাকরি শেষ পর্যায়ে। এছাড়া, অন্যদের মধ্যেও নানা ধরনের শঙ্কা কাজ করছে। সব মিলিয়ে সর্বশেষ সরকারিকরণ হওয়া ২৯৯ কলেজের ১২ হাজার শিক্ষক এবং ৩২৫ স্কুলের প্রায় আট হাজার শিক্ষক নিজেদের পেশাজীবন নিয়ে রয়েছেন উৎকণ্ঠায়। সুবিধাবঞ্চিত হয়েই অবসরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সরকারিকরণ হওয়া কলেজের শিক্ষকরা বলছেন, জনবল সরকারিকরণের কাজ খুবই ধীরগতিতে চলছে। এভাবে চলতে থাকলে সব কলেজের কাজ শেষ করতে তিন থেকে চার বছর লেগে যাবে। ফলে এই সময়ে আরও সহস্রাধিক শিক্ষক অবসরে চলে যাবেন। এতে যেমন তারা সরকারি সুবিধাবঞ্চিত হবেন, অন্যদিকে শিক্ষক সংকট তৈরি হবে। লেখাপড়া বিঘ্নিত হবে। তাই দ্রুত কাজ শেষ করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

জানা গেছে, সরকারিকরণের জন্য সর্বশেষ কলেজ তালিকাভুক্ত করা হয় ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দের আগষ্টে। সরকারিকরণের আদেশ জারি হয় গত বছরের আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে। তিন ধাপে সরকারি করার আদেশ জারি হয় মোট ২৯৯টি কলেজের। সরকারিকরণ হওয়া কলেজের শিক্ষকদের মর্যাদা কী হবে তা নিয়ে গত বছরের ৩১ জুলাই ‘সরকারিকৃত কলেজ শিক্ষক ও কর্মচারী আত্তীকরণ বিধিমালা ২০১৮’ জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

আত্তীকৃত কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি জহুরুল হক বলেন, ‘সরকারিকরণের প্রস্তুতি চলছে ৩ বছর ধরে; কিন্তু এখনও শেষ করতে পারেনি। প্রতিষ্ঠান সরকারি হয়েছে তা-ও ৭ মাস হয়ে গেছে; কিন্তু আমরা এখনও বেসরকারিই রয়ে গেছি।’

সূত্র জানায়, এত সংখ্যক কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের কোন প্রক্রিয়ায় দ্রুত সরকারি করা যায় এ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতেই শিক্ষা ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সময় লেগে যায়। পুরাতন পদ্ধতিতে সরকারিকৃত ২৯৯ কলেজের পদ সৃজন করতে আগের প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হলে চার থেকে পাঁচ বছর সময় লাগবে। এই প্রক্রিয়ায় অসংখ্য শিক্ষক-কর্মচারী সরকারি হওয়ার সুবিধাবঞ্চিত থেকেই অবসরে চলে যাবেন। যে কারণে দ্রুত পদ সৃজন করতে নানামুখী চিন্তাভাবনা চলে।

জানা গেছে, সব কলেজে সমন্বিত পদ সৃজন করার অংশ হিসাবে গত বছরের ২৩ অক্টোবর ঢাকা জেলার চারটি কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের আত্তীকরণের প্রস্তাব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গত ৭ ফেব্রুয়ারি বিষয়টি নিয়ে সভা করে। সভায় কলেজগুলোতে শিক্ষক-কর্মচারীদের আত্তীকরণ কার্যক্রম স্বচ্ছ, ত্রুটিমুক্ত এবং দ্রুত শেষ করতে সংশ্লিষ্ট কলেজের ১৫ দফা তথ্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব, যুগ্ম-সচিব বা অতিরিক্ত সচিবের প্রত্যয়নসহ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এক কর্মকর্তা বলেন, প্রথমে শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে কলেজগুলোর সংখ্যাতাত্ত্বিক পদসৃষ্টির প্রস্তাবনা পাঠানো হলে জনপ্রশাসন একই সঙ্গে জনবলের সকল কাগজপত্র পাঠানোর নির্দেশ দেয়। সে আলোকে মাউশি থেকে কলেজগুলোর কাছে নতুন করে তথ্য চাওয়া হচ্ছে। এই তথ্যের সঙ্গে আগের তথ্য মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। নতুন তথ্য যোগ করা হচ্ছে, যাচাই-বাছাই চলছে।

মাউশি সূত্র জানায়, অধিদপ্তরের কলেজ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত কাজ করা হচ্ছে। এই কাজের জন্য মাত্র তিনজন সহকারী পরিচালক রয়েছেন। তবে কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য আরও ৯ জন শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা সংযুক্ত করা হয়েছে। ইতোমধ্যে মাত্র ১০টি কলেজের যাচাই-বাছাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে। এই শাখা থেকে জানানো হয়েছে, প্রতি মাসের ১৫ এবং ৩০ তারিখের মধ্যে অন্তত ১৮টি কলেজের পদ সৃজনের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে মাউশিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এর চেয়ে বেশি সংখ্যক কলেজের পদ সৃজনের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মোহাম্মদ গোলাম ফারুক বলেন, জনবল কাঠামো সরকারিকরণের জন্য আমরা সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। এ কাজ করার জন্য বাড়তি জনবল সংযুক্ত করা হয়েছে। আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যেই সব কলেজের তথ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে পারবো।

স্কুলের জনবল সরকারিকরণ

প্রক্রিয়া কিছুটা এগিয়ে

স্কুলের জনবল সরকারিকরণের প্রক্রিয়া কিছুটা এগিয়ে রয়েছে বলে জানা গেছে। তথ্য অনুযায়ী, গত ৪ ফেব্রুয়ারি ১টি, ২৫ নভেম্বর ৩টি, ১৮ নভেম্বর ৪টি, ১৫ নভেম্বর ১৬টি, ১২ নভেম্বর ৪টি, ২৯ অক্টোবর ৪টি, ১১ অক্টোবর ১৯টি, ৯ অক্টোবর ১৩টি, ২৮ সেপ্টেম্বর ২৫টি, ২৪ সেপ্টেম্বর ৪৩টি, ১৩ সেপ্টেম্বর ৪৪টি এবং ১৬ সেপ্টেম্বর ১টিসহ মোট ৩২৫টি স্কুলের সরকারিকরণের আদেশ জারি করা হয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব লুৎফুন নাহার জানিয়েছেন, ৩২৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৮ স্কুলের জনবল নিয়োগের কার্যক্রম শেষ হয়েছে। ৮১টি স্কুলের জনবলের ফাইল সংশ্লিষ্ট শাখা ও মন্ত্রণালয়ে চলমান রয়েছে। এগুলো ২ থেকে ৩ মাসের মধ্যে শেষ হতে পারে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য স্কুলের জনবল সরকারিকরণের কাজও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পরীক্ষা না থাকলে কী হয়?

মুহম্মদ জাফর ইকবাল , ৬ এপ্রিল ২০১৯ :

আমি জানি আমার এ লেখার শিরোনাম দেখে সবাই চমকে উঠবে। অনেকে ভাববে আমি মনে হয় পাগল হয়ে গেছি। যারা আমাকে চেনে তারা ভাববে এটি নিশ্চয়ই এক ধরনের কৌতুক কিংবা স্যাটায়ার। আমাদের লেখাপড়ার পুরো ব্যাপারটিই হচ্ছে পরীক্ষানির্ভর। সারা বছর ছেলেমেয়েরা পরীক্ষা দেয়, যে স্কুল যত ‘ভালো’ তাদের পরীক্ষা তত বেশি। ১২ বছর লেখাপড়া করার সময় তারা একবার কিংবা দুইবার নয়, চার-চারবার পাবলিক পরীক্ষা দেয়। স্কুলের লেখাপড়ার (কিংবা পরীক্ষার) ওপর অভিভাবকদের ভরসা নেই, তাই তাঁদের ছেলেমেয়েদের কোচিংয়ে ঢুকিয়ে দেন, সেখানেও তারা পরীক্ষার পর পরীক্ষা দেয়। নানা নামে গাইড বই বিক্রি হয়। সেখানে প্রশ্ন এবং উত্তর লেখা থাকে, ছেলেমেয়েরা সেগুলো মুখস্থ করে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য। দেশের নামিদামি পত্রিকাগুলো শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে আহাজারি করে, কুম্ভিরাশ্রু বিসর্জন করে; কিন্তু তারা নিজেরা নিয়মিত গাইড বই ছাপিয়ে যায়, ছেলেমেয়েরা যেন ঘরে বসে পরীক্ষা দিতে পারে। দেশের অভিভাবকদের বেশির ভাগই মনে করে, লেখাপড়ার মানে হচ্ছে পরীক্ষা দেওয়া। ভালো লেখাপড়া মানে পরীক্ষায় ভালো গ্রেড পাওয়া। কাজেই আমি যদি বলি ‘পরীক্ষা না থাকলে কী হয়’, তাহলে দেশের সব মানুষ যদি আমাকে উন্মাদ ভাবে, তাহলে তাদের দোষ দেওয়া যায় না। কিংবা তারা যদি মনে করে আমি একটা রসিকতা করছি এবং এই লেখার মধ্যে সেই রসিকতা খুঁজতে থাকে, তাহলেও তাদের মোটেও দোষ দেওয়া যায় না।
আমি কিন্তু উন্মাদ হয়ে যাইনি কিংবা রসিকতা করার জন্য এ লেখা লিখছি না, আমি যথেষ্ট সিরিয়াসলি এটি বলছি। বর্তমানে যে শিক্ষানীতিটি আছে সেটি তৈরি করার জন্য যে কমিটি তৈরি করা হয়েছিল, আমি তার একজন সদস্য ছিলাম এবং আমার স্পষ্ট মনে আছে আমরা সেখানে বলেছিলাম, প্রাইমারি স্কুলের প্রথম তিন বছর কোনো পরীক্ষা থাকবে না। আমরা যে খসড়াটি জমা দিয়েছিলাম তার অনেক পরিবর্তন করে সেটি পাস করানো হয়েছিল। কারণ আমরা মাত্র দুটি পাবলিক পরীক্ষার কথা বলেছিলাম; কিন্তু এখন আমরা সবাই জানি, এ দেশের বাচ্চাদের অনেক কষ্ট দিয়ে চারটি পাবলিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। কাজেই লেখাপড়ার প্রথম তিন বছর কোনো পরীক্ষাই থাকবে না—এ সিদ্ধান্ত শিক্ষানীতিতে আদৌ আছে কিনা, আমি জানি না। কিন্তু যেহেতু মনে করা হয়, লেখাপড়া মানেই হচ্ছে পরীক্ষা। কাজেই আমরা সবাই জানি, এ দেশের একেবারে দুধের বাচ্চাটিকেও পরীক্ষা দিতে হয় এবং সেই পরীক্ষায় একটু উনিশ-বিশ হলে অভিভাবকরা বাচ্চাদের জীবনকে ওলটপালট করে ফেলেন।
কিন্তু অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্যি, পৃথিবীর অনেক দেশে বাচ্চাদের জীবন থেকে পরীক্ষা নামের অভিশাপটি দূর করে দেওয়া হয়েছে। পৃথিবীর কোন দেশে সবচেয়ে ভালো লেখাপড়া হয় জিজ্ঞেস করা হলে সাধারণত ফিনল্যান্ডের নামটি বলা হয়। সে দেশের বাচ্চারা তাদের জীবনের প্রথম পরীক্ষাটি দেয় ১৬ বছর বয়সে। কোনো পরীক্ষা না দিয়েই তারা যেটুকু শেখার কথা সেটুকু শিখে যাচ্ছে, তাহলে আমরা কেন আমাদের দেশে লেখাপড়া এবং পরীক্ষা সমার্থক করে ফেলেছি?


এ ব্যাপারে কিছুদিন আগে আমার একটি চমকপ্রদ অভিজ্ঞতা হয়েছে। একদিন আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছে। সে কোনো একটি ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে পড়াশোনা করে। যারা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি প্রক্রিয়া জানেন তাঁরা সবাই অনুমান করতে পারবেন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ভর্তি হওয়া চাট্টিখানি কথা নয়। তার সঙ্গে কথা বলতে বলতে আমি প্রায় হঠাৎ করে জানতে পারলাম সে পিতৃ-মাতৃহীন একজন পথশিশু হয়ে বড় হয়েছে। তার বয়স যখন ১৩ কিংবা ১৪ তখন হঠাৎ লেখাপড়া করার শখ হয়েছে তার। নিজে নিজে বর্ণ পরিচয় করে প্রথম ভর্তি হয়েছে অষ্টম শ্রেণিতে অর্থাৎ প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত তার কোনো লেখাপড়া নেই। পড়াশোনায় যথেষ্ট মনোযোগী ছিল বলে সে স্কুল শেষ করে কলেজ এবং কলেজ শেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে। শুধু তা-ই নয়, সে জীবনেও কোনো কোচিং বা প্রাইভেট পড়েনি এবং পথেঘাটে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে অভ্যাস হয়ে গেছে বলে এখনো বালিশ ছাড়া ঘুমায়!


নিঃসন্দেহে ছেলেটি মোটেও আর দশজন সাধারণ ছেলেমেয়ের মতো নয়; কিন্তু তার জীবন থেকে আমি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শিখেছি। একজন ছাত্র বা ছাত্রী যদি অষ্টম শ্রেণি থেকে তার লেখাপড়া শুরু করে, সে যদি চায়, তাহলে সে স্কুল-কলেজ শেষ করে বিশ্ববিদ্যালয় শুরু করে দিতে পারবে। সেই থেকে আমি ভাবছি তা-ই যদি সত্যি হয়, তাহলে কেন আমরা প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পরীক্ষার পর পরীক্ষা নিয়ে একজন ছাত্র বা ছাত্রীর জীবনকে বিষময় করে তুলি? কেন তাকে আনন্দময় একটি পরিবেশে বড় হতে দিই না। কোনো চাপ না দিয়ে তাকে নিজের মতো করে পরবর্তী জীবনে লেখাপড়া করার জন্য প্রস্তুত হতে দিই না? এমন নয় যে এটি খুবই আজগুবি একটি কথা, পৃথিবীতে এই মুহূর্তে অনেক দেশে এমনটি করা হয়। পরীক্ষা নেই বলে সবাই ফাঁকি দিয়ে চূড়ান্ত একটি করে গবেট তৈরি হচ্ছে না বরং উল্টো ব্যাপারটি ঘটছে। তাদের শৈশবটি হচ্ছে আনন্দময় এবং অন্য দেশের ছেলেমেয়েদের থেকে তারা ভালো শিখছে। কারণ তারা শিখছে নিজের ইচ্ছায়, নিজের আনন্দে!
২.
পরীক্ষানির্ভর লেখাপড়া তো অনেক দিন থেকেই হচ্ছে। আমরা ছেলেমেয়েদের পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে ভয় দেখিয়ে, চাপ দিয়ে তাদের পড়াশোনা করিয়ে যাচ্ছি। গাইড বইয়ের ব্যবসায়ী, আর প্রাইভেট এবং কোচিং ব্যবসায়ীদের ছাড়া অন্য কারো খুব বড় লাভ হয়েছে বলে তো মনে হয় না। কিছুদিন হলো আমি টের পেয়েছি কোচিং ব্যবসায়ীরা যথেষ্ট সংগঠিত। কোচিং ব্যবসা বন্ধ নিয়ে আলাপ-আলোচনা শুরু হওয়ার পর হঠাৎ একদিন ঘণ্টাখানেকের মধ্যে আমার কাছে অসংখ্য ই-মেইল এসে হাজির। প্রতিটি ই-মেইলের বক্তব্য একই ধরনের। কোচিং যে আমাদের দেশের ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার জন্য কত প্রয়োজনীয় এবং এই কোচিং করে যে দেশের লেখাপড়া কত এগিয়ে গেছে সেটিই হচ্ছে মূল বক্তব্য। আমি খুবই অবাক হয়ে তাদের সবার ই-মেইলের উত্তর দিয়ে তাদের কাছে জানতে চাইলাম, হঠাৎ করে তারা এই ব্যবসার গুণকীর্তন করতে শুরু করেছে কেন? কোনো কোচিং ব্যবসায়ী কি তাদের আমার কাছে এ রকম ‘লবিং’করার জন্য প্ররোচিত করেছে? বলতে গেলে কেউ সেই ই-মেইলের উত্তর দেয়নি—একজন ছাড়া। তিনি লিখেছেন যে তিনি মোটেও এই ই-মেইল পাঠাননি। অন্য কেউ তাঁর ই-মেইল হ্যাক করে আমার কাছে এই মেইল পাঠিয়েছে। আমি অনুমান করছি, কোচিং ব্যবসায়ীরা আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তিতে যথেষ্ট দক্ষ, তারা শুধু এই ব্যবসা করে ছাত্রছাত্রীদের বারোটা বাজিয়েই সন্তুষ্ট নয়, তাদের ব্যবসা যেন বন্ধ না হয়ে যায় সেজন্য যত রকম প্রচারণা চালানো যায় সেগুলোও খুবই দক্ষতার সঙ্গে করে যাচ্ছে।

যা হোক, আমি আবার মূল বক্তব্যে ফিরে যাই। আমরা বহুদিন থেকে পরীক্ষাকেন্দ্রীক লেখাপড়া করে যাচ্ছি, তাতে আমাদের সাফল্য কতখানি? ২০১৫ সালের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী তৃতীয় শ্রেণির ছেলেমেয়েদের ৩৫ শতাংশই যেটুকু বাংলা পড়ার কথা সেটুকু বাংলা পড়তে পারে না, ৬০ শতাংশই যেটুকু গণিত জানার কথা সেটুকু গণিত জানে না। যখন তারা পঞ্চম শ্রেণিতে উঠেছে তখন আমার সমস্যা কাটিয়ে ওঠার বদলে সমস্যা আরো বেড়ে গেছে, তখন ৮০ শতাংশ ছেলেমেয়ে যেটুকু জানার কথা সেটুকু জানে না। সংখ্যাটি অবিশ্বাস্য, মেনে নিতে কষ্ট হয়। মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের একটি প্রতিবেদন বের হয়েছে, সেখানে তারা আমাদের ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার অবস্থাটা একটু অন্যভাবে উপস্থাপন করেছে। তাদের হিসাব অনুযায়ী আমাদের ছেলেমেয়েদের জীবনের প্রথম ১১ বছরের লেখাপড়ার মধ্যে সাড়ে চার বছর পরিমাণ সময় লেখাপড়া হয় না। অর্থাৎ আমরা তাদের ১১ বছরে সাড়ে ছয় বছরের সমান পড়িয়েছি।
বিষয়টি নিয়ে যে পরিমাণ হৈচৈ, আলোচনা হওয়ার কথা ছিল সেটি হয়নি। অবাক হওয়ার কিছু নেই, সমস্যার সমাধান করা কঠিন, মেনে নেওয়া অনেক সহজ। তখন কাউকেই কিছু করতে হয় না; এক-দুটি দীর্ঘশ্বাস ফেললেই নিজের কাছে নিজে দায়মুক্ত থাকা যায়। নানা প্রতিষ্ঠানের নানা ধরনের জরিপ নানা পরিসংখ্যানের কতটুকু খাঁটি কিংবা কতটুকু বিশ্বাসযোগ্য, আমি সে আলোচনায় যাচ্ছি না। আমি শুধু সবাইকে মনে করিয়ে দিতে চাই, এ দেশের প্রায় পাঁচ কোটি ছেলেমেয়ে স্কুল-কলেজ ও মাদরাসায় পড়াশোনা করে। তাদের সবাইকে যদি একটুখানিও ঠিক করে পড়াশোনা করানো যায়, সেটি বিশাল একটি ব্যাপার। ঠিক সেরকম আমরা যদি তাদের লেখাপড়া করাতে একটুখানিও ব্যর্থ হই, সেটি ঠিক সেরকম বিশাল একটি বিপর্যয়। কতটুকু লেখাপড়া হয়েছে তার সঠিক পরিমাপ করার জন্য সবাই মিলে গবেষণা করতে থাকুক; কিন্তু কোনো রকম গবেষণা না করেই আমরা অন্তত একটি বিষয় বলে দিতে পারি। সেটি হচ্ছে- আমাদের দেশের ছেলেমেয়েদের জীবন হচ্ছে আনন্দহীন। পরীক্ষার জন্য ছুটতে ছুটতে যে জীবন গাইড বই আর কোচিং সেন্টার দিয়ে বেঁধে ফেলা হয়েছে, সেই জীবনে একটি শিশুর জীবনকে উপভোগ করার সময় কোথায়?
মস্তিষ্কের মধ্যে তথ্য ঠেসে দেওয়াটা শিক্ষা নয়, বইপত্রে তথ্য আছে—যখন দরকার সেই তথ্য দেখে নেওয়া যাবে—মুখস্থ করে সেটি মাথায় ঢোকাতে হবে কেন? শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য মস্তিষ্ককে শাণিত করে রাখা, যেন সেটি সমস্যার সমাধান করতে পারে, অনেক তথ্য দিয়ে দিলে সেটি বিশ্লেষণ করতে পারে, নতুন কিছু করতে পারে। শিক্ষার উদ্দেশ্য মোটেও তথ্য মুখস্থ করা নয়।
৩.
কেউ যেন মনে না করেন, আমি বলছি আগামীকাল থেকে বাংলাদেশের সব স্কুল-কলেজ থেকে হুট করে সব পরীক্ষা তুলে দেওয়া হোক! শুধু তা-ই নয়, ফিনল্যান্ডে যে মডেল কাজ করেছে আমাদের দেশেও সেই মডেল কাজ করবে—তারও কোনো নিশ্চয়তা নেই। ফিনল্যান্ডে সবচেয়ে লোভনীয় চাকরি হচ্ছে স্কুলে শিক্ষকতা, আমাদের দেশে ঠিক তার উল্টো! আমাদের দেশে শিক্ষকের চাকরিতে সম্মান নেই, অর্থবিত্ত বা সুযোগ-সুবিধা নেই, বড় হওয়ার সুযোগও নেই। ফিনল্যান্ডের শিক্ষকরা প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীকে আলাদা করে বড় করে তোলেন। আমাদের দেশের স্কুলে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে শিক্ষক নেই, বাচ্চারা নিজেরা  হৈচৈ-চেঁচামেচি করে সময় কাটাচ্ছে। শিক্ষার জন্য আরো অনেক টাকা খরচ না করলে আমরা এর চেয়ে বেশি কী আশা করতে পারি?
তারপরও আমাদের লেখাপড়ার পুরো বিষয়টি আলাদা করে ভেবে দেখার সময় হয়েছে। যখনই আমরা গতানুগতিক নিয়মের বাইরে গিয়ে ছেলেমেয়েদের কিছু একটা শেখানোর চেষ্টা করেছি, তারা সেই সুযোগ গ্রহণ করেছে। এ দেশের অলিম্পিয়াডগুলো হচ্ছে তার উদাহরণ। সারা পৃথিবীর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে অলিম্পিয়াডের প্রতিযোগীরা স্বর্ণ, রৌপ্য কিংবা ব্রোঞ্জপদক নিয়ে আসছে। আমি খুবই আনন্দিত হয়েছি, যখন দেখেছি আমাদের প্রাইমারি স্কুলগুলোয় গণিত অলিম্পিয়াড পদ্ধতি ব্যবহার করে ছেলেমেয়েদের গণিত শেখানো যায় কিনা সেটি নিয়ে একটি পাইলট প্রজেক্ট হয়েছে। সত্যি সত্যি সেটি যদি কাজে লাগানো যায়, তাহলে অন্ততপক্ষে গণিত শেখার সময় ছেলেমেয়েরা বাঁধাধরা নিয়মের বাইরে গিয়ে একটুখানি হলেও আনন্দমুখর পরিবেশে শিখতে পারবে।
লেখাপড়ার ব্যাপারে সারা পৃথিবীতেই একটি পরিবর্তন আসছে। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কথাটি আমরা খুব ঘন ঘন শুনতে পাচ্ছি। অটোমেশন ও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের কারণে পৃথিবীতে খুব তাড়াতাড়ি মানুষের গতানুগতিক প্রয়োজন কমে আসবে। সবাই আশঙ্কা করছে, দেখতে দেখতে কোনো একদিন সাধারণ গতানুগতিক মানুষেরা আবিষ্কার করবে এই পৃথিবীতে তার প্রয়োজন নেই। পৃথিবীর সবাই সেই সময়টির মুখোমুখি হওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, আমাদেরও নিতে হবে। সে সময়টিতে যান্ত্রিক মুখস্থ বিদ্যায় পারদর্শী মানুষের কোনো প্রয়োজন থাকবে না। তাই আমাদের ছেলেমেয়েদের এমনভাবে প্রস্তুত করতে হবে, যেন তারা সমস্যার মুখোমুখি হতে পারে, সমস্যার সমাধান করতে পারে। প্রয়োজনে নতুন নতুন ধারণা দিতে পারে।
এর জন্য যদি পরীক্ষা তুলে দিতে হয়, সেটিও নিশ্চয়ই তুলে দেওয়া যাবে। তবে আগে যেভাবে হুট করে একজন আমলা কিছু একটা বড় পরিবর্তন করে ফেলতেন, সেভাবে নয়—চিন্তাভাবনা করে, পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে, আলাপ-আলোচনা করে, গবেষণা করে।
এর কারণ আমাদের সবার সবচেয়ে বড় লক্ষ্য হতে হবে এ দেশের শিশু-কিশোরদের একটি আনন্দময় শৈশব উপহার দেওয়ার। সেটি যদি করতে না পারি, তাহলে তারা আমাদের কোনো দিন ক্ষমা করবে না। লেখক : কথাসাহিত্যিক, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট


Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে চাকরির সুযোগ

অনলাইন ডেস্ক|  ০৬ এপ্রিল ২০১৯:

বিভিন্ন পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। যোগ্যতা ও আগ্রহ থাকলে আপনিও আবেদন করতে পারেন। পদের নাম: ডেপুটি আরবান প্ল্যানার, ডেপুটি আর্কিটেক্ট,  ডেপুটি ট্রান্সপোর্ট প্ল্যানার, ডেপুটি ট্রান্সপোর্ট ইকোনোমিস্ট, ডেপুটি ম্যানেজার (ট্রাফিক সার্ভে), ডেপুটি ট্রান্সপোর্ট ইঞ্জিনিয়ার, ডেপুটি ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ার, ডেপুটি ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ারসহ আরও বেশ কয়েকটি পদে নিয়োগ দেয়া হবে। আবেদনের শেষ সময়: ৩০ এপ্রিল, ২০১৯

http://dtca.teletalk.com.bd/home.php

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অ্যাকাউন্ট ছাড়া সঞ্চয়পত্রের সুদ নেওয়া যাবে না

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৬ এপ্রিল, ২০১৯ :ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ছাড়া সঞ্চয়পত্রের সুদ বা আসল নিতে পারবেন না গ্রাহক। বৃহস্পতিবার (৫ এপ্রিল) অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের আলোকে বাংলাদেশ ব্যাংকের এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়। একই নির্দেশনা সঞ্চয়পত্র বিক্রির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব অফিসে আগেই পাঠিয়েছে মন্ত্রণালয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের ‘সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনা শক্তিশালীকরণ:অগ্রাধিকার কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা রক্ষা (পিইএমএস)’ শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় নতুন পদ্ধতি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক, বাণিজ্যিক ব্যাংক, পোস্ট অফিস বা জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর যেখান থেকেই সঞ্চয়পত্র কেনা হোক, বাধ্যতামূলকভাবে গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট লাগবে। ইলেকট্রনিক তহবিল স্থানান্তর বা বিইএফটিএন পদ্ধতিতে সরাসরি গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে তার পাওনা জমা হয়ে যাবে। বর্তমানে টোকেন পদ্ধতিতে সঞ্চয়পত্রের সুদ বা আসল নেওয়া যায়।

ঢাকা মহানগরীতে নতুন পদ্ধতির বাস্তবায়নের সময়সীমা শেষ হয়েছে গত ৩১ মার্চ। চলতি এপ্রিল মাসের মধ্যে সব বিভাগীয় শহর এবং জুনের মধ্যে দেশের সব দপ্তরে এ পদ্ধতি চালু করতে হবে। আগামী ১ জুলাই থেকে এ পদ্ধতির বাইরে কোনো প্রতিষ্ঠান সঞ্চয়পত্র কেনাবেচা করতে পারবে না।

নতুন কর্মসূচির আওতায় ‘জাতীয় সঞ্চয় স্কিম অনলাইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ চালু করেছে সরকার। এর মাধ্যমে যেখান থেকেই সঞ্চয়পত্র কেনা হোক, একটি ডাটাবেজে তার তথ্য জমা হবে। ফলে একই নামে একাধিক জায়গা থেকে সীমার বেশি সঞ্চয়পত্র কেনার অনিয়ম বন্ধ হবে। এ ছাড়া এক লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনতে হলে টিআইএন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি সঞ্চয়পত্র বিক্রির টাকা একই দিনে ব্যাংকগুলোকে সরকারি হিসাবে জমা দিতে হবে।

বর্তমানে সরকারের ঋণ গ্রহণের মাধ্যম হিসেবে চার ধরনের সঞ্চয় প্রকল্প চালু আছে। একজন ব্যক্তি কত টাকার সঞ্চয়পত্র কিনতে পারবেন তার নির্দিষ্ট সীমা আছে। কেউ সীমার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনলে অতিরিক্ত বিনিয়োগের ওপর তিনি কোনো সুদ পাবেন না। তবে সঞ্চয়পত্রের নির্দিষ্ট কোনো ডাটাবেজ না থাকায় অবৈধ উপায়ে অর্জিত টাকায় অনেকে ভিন্ন ভিন্ন অফিস থেকে বিপুল অঙ্কের সঞ্চয়পত্র কিনছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষার্থীসহ স্কুল বিক্রির বিজ্ঞাপন!

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৬ এপ্রিল, ২০১৯

পুঁজিবাদী এই যুগে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য থেকে শুরু করে বিলাসী দ্রব্যসহ অনেক কিছুই বেচাকেনা হয়। কিন্তু তাই বলে শিক্ষার্থীসহ গোটা একটি স্কুল বিক্রির কথা শুনে পিলে চমকে যাবার মতো অবস্থা হলেও বাস্তবেই স্কুল বিক্রির এমন একটি বিজ্ঞাপন দেখা গেছে। যা ইতোমধ্যেই ফেসবুকে ভাইরাল। গতকাল সকাল থেকেই ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ওয়ালে ওয়ালে একটি ছবি ঘুরছে। সেখানে লেখা আছে- ‘বিক্রয় হইবে হাইস্কুল/ প্লে-দশম শ্রেণী চলমান/ ৪৫০ জন ছাত্রছাত্রীসহ’। বিজ্ঞাপনদাতার সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য একটি মোবাইল নাম্বারও দেয়া হয়েছে সেই বিজ্ঞাপনের নিচে। তবে বিজ্ঞাপনে স্কুল অথবা স্থানের নাম উল্লেখ না থাকায় স্কুলটির অবস্থান এবং বিজ্ঞাপনের সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য বিজ্ঞাপনে উল্লেখিত নাম্বারে ফোন দিলে নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়। তবে ট্রু কলার অ্যাপসে সেই নাম্বারের স্বত্ত্বাধিকারীর নাম ‘ওয়াহিদ রামপুরা’ ভেসে উঠে। ফেসবুকে এই ছবি শেয়ার করে অনেকে নানা মন্তব্য করছেন। তারা বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে ছবির মিল খোঁজার চেষ্টা করছেন। আহমেদ মহিউদ্দিন নামে একজন ফেসবুকে ছবিটি শেয়ার করলে সেখানে রয় সুবির নামে একজন মন্তব্য করেন, ‘এটা দেশের টোটাল এডুকেশনাল সিস্টেমকে রিপ্রেজেন্ট করছে।’ সনজিত চক্রবর্তী নামে একজন তার নিজের টাইমলাইনে ছবিটি শেয়ার করলে সেখানে দেবনাথ মৃদুল নামে একজন মন্তব্য করেন- ‘এই প্রথমবার এমন প্রস্তাব শুনলাম।’ আবদুল হান্নান নামে একজন ফেসবুকে এ ছবি পোস্ট করলে সেখানে এহতেশামুল হক নামে একজন মন্তব্য করেন- ‘আচ্ছা, ছাত্রছাত্রী ছাড়া কত, সহ কত? একদর নাকি বাড়াবাড়ি করা যাবে?’ ফেরদৌস নামে এক ব্যবহারকারীর বক্তব্য- ‘স্কুল বিক্রি হচ্ছে না। বিক্রি হচ্ছে বিবেক, মানবতার মেরুদন্ড।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বিশ্ব ব্যাংকের নতুন প্রেসিডেন্ট বিতর্কিত ম্যালপাস

অনলাইন ডেস্ক , ৬ এপ্রিল ২০১‌৯:

আন্তর্জাতিক আর্থিক সহায়তা সংস্থা বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পেলেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ডেভিড ম্যালপাস।

শুক্রবার বিশ্ব ব্যাংকের নির্বাহী পর্ষদের সদস্যরা সর্বসম্মতিক্রমে ১৩তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাকে মেনে নেন। আগামী মঙ্গলবার থেকে পাঁচ বছরের জন্য বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপের নেতৃত্ব দেবেন ম্যালপাস।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুগত ম্যালপাস ২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারের সময় ট্রাম্পের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ছিলেন। ট্রাম্প গত ফেব্রয়ারিতে ম্যালপাসকে বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়নের ঘোষণা দিলে বিতর্কের জন্ম হয়। বিশ্ব ব্যাংক, আইএমএফের সমালোচনা করে আসা এই মার্কিন অর্থনীতিবিদ বিশ্ব ব্যাংকের ভূমিকা খর্ব করতে পারেন বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন অনেকে।

বিশ্ব ব্যাংক ‘অনেক বড়’ বলে মনে করেন ডেভিড ম্যালপাস। চীনের মতো মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে কম ঋণ দেওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেছিলেন তিনি। এই দেশগুলো অর্থনৈতিকভাবে যথেষ্ট শক্তিশালী বলে যুক্তি দেন ম্যালপাস।

বিবিসি বলছে, অর্থনীতির ‘গ্লোবাল অর্ডারকেই’ চ্যালেঞ্জ করেছিলেন ম্যালপাস।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এসআই পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক ,৫ এপ্রিল ২০১৯ :

সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই- নিরস্ত্র) পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। এ পদে নারী ও পুরুষ উভয় প্রার্থীই আবেদন করতে পারবেন। পুলিশের আটটি বিভাগীয় রেঞ্জে আগামী ২৮, ২৯ ও ৩০ এপ্রিল সকাল ৯টায় শারীরিক মাপ ও পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

শারীরিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের আবেদন ফরম পূরণ করে ৭ মের মধ্যে নিজ নিজ রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে জমা দিতে হবে।

এ সময় প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের মূল কপি, সর্বশেষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান কর্তৃক প্রদত্ত চারিত্রিক সনদের মূল কপি, জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপি, নাগরিকত্ব সনদের মূল কপি, সদ্য তোলা তিন কপি পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত রঙিন ছবিসহ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে আনতে হবে।

আবেদনের যোগ্যতা
এসআই পদে আবেদন করতে হলে আবেদনকারীকে ন্যূনতম স্নাতক পাস হতে হবে। পাশাপাশি কম্পিউটারে অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। প্রার্থীদের অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক এবং অবিবাহিত হতে হবে। সাধারণ প্রার্থীদের বয়স ১ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে ১৯ থেকে ২৭ বছর এবং মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের ক্ষেত্রে একই তারিখে বয়স ১৯ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে।

শারীরিক যোগ্যতা
শারীরিক যোগ্যতার পুরুষ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে উচ্চতা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি, বুকের মাপ স্বাভাবিক অবস্থায় ৩০ ইঞ্চি ও সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩২ ইঞ্চি হতে হবে। নারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে উচ্চতা কমপক্ষে ৫ ফুট ২ ইঞ্চি হতে হবে।

পরীক্ষার তারিখ
শারীরিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ১৬ জুন ২০১৯ তারিখ সকাল ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত ইংরেজি, বাংলা রচনা ও কম্পোজিশন বিষয়ে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। ১৭ জুন ২০১৯ তারিখ সকাল ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত সাধারণ জ্ঞান ও পাটিগণিত বিষয়ে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। ১৮ জুন ২০১৯ তারিখ সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ২৫ নম্বরের মনস্তত্ত্ব পরীক্ষা হবে। পরীক্ষার স্থান প্রার্থীদের পরবর্তী সময়ে জানানো হবে।

আবেদনপত্র জমা
শারীরিক মাপ ও শারীরিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের সংশ্লিষ্ট রেঞ্জের ডিআইজির কাছ থেকে ওই দিনই তিনশত টাকা নগদ মূল্যে আবেদনপত্র ক্রয় করতে হবে। এরপর বাংলাদেশ পুলিশের অনুকূলে যেকোনো রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক থেকে পরীক্ষার ফি ৩০০ টাকা ১-২২১১-০০০০-২০৩১ অথবা ১২২০২০১১৩৫৯৫৪১৪২২৩২৬ নম্বর কোডে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে জমাপূর্বক চালানের মূল কপিসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল মঞ্জুর

নিজস্ব প্রতিবেদক,৫ এপ্রিল২০১৯:

সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের ৯/৩/১৪ গতে ১৪/১২/২০১৫ ইং টাইমস্কেল মঞ্জুর করতে শুরু করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের পত্রের উপর ভিত্তি করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয় টাইমস্কেল মঞ্জুরের ক্ষমতা দেয় বিভাগীয় উপপরিচালকদের হাতে।

প্রাথমিকের যেসব প্রধান শিক্ষক এখনও টাইমস্কেল পাননি তাদের টাইমস্কেল প্রাপ্তিতে জট খুলতে শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের পত্রের উপর ভিত্তি করে এবং প্রধান শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দে সাথে উর্ধত্বন কর্তৃপক্ষের একাধিকবার বৈঠকের পর অবশেষে বিভাগীয় উপপরিচালকদের টাইমস্কেল মঞ্জুর ক্ষমতা দেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়। বৃহস্পতিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব গিয়াস উদ্দিন।

জানা যায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের উন্নীত পদ্ধতিতে বেতন নির্ধারণে গত ১৫ নভেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা আদেশের ফলে ৯/৩/১৪ – ১৪/১২/১৫ পর্যন্ত যা‌দের ১ম. ২য় এবং ৩য় টাইম‌স্কেল ‌ডিউ হ‌য়ে‌ছে তারা টাইমস্কেল থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল। বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ মন্ত্রনালয়ে যোগাযোগ করলে বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দেন মন্ত্রনালয়।

এরই প্রেক্ষিতে প্রধান শিক্ষক  সমিতির কেন্দ্রিয় সভাপতি রিয়াজ পারভেজ ও সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাসের করা আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রির দপ্তর থেকে গত ৮ মার্চ ২০১৮ ইং তারিখে  ওয়াহিদা মুসাররত আনীতা স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে  মতামত চেয়ে পত্র জারী করে  করে। তারই ধারাবাহিকতায় প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয় মন্ত্রনালয়। ইতিমধ্যে রাজশাহী বিভাগীয় উপপরিচালক ও ময়মনসিংহ বিভাগ টাইমস্কেল মঞ্জুর করেছে। বাকী বিভাগগুলো দ্রুত টাইমস্কেল মঞ্জুর করবে বলে আশা করেন সমিতির নেতৃবৃন্দ।


Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অনলাইন অর্ডারে ঘড়ির বদলে এলো দুটি পেঁয়াজ

নিজস্ব প্রতিবেদক,৪ এপ্রিল: ঘরে বসেই পছন্দের জিনিস পেতে দেশে নানা নামের অনলাইন শপ চালু হয়েছে। এ সেবা নিয়ে একটি ঘড়ি কিনতে গিয়ে লক্ষ্মীপুরে প্রতারিত হয়েছেন পিয়াস সরকার নামে এক যুবক। ঘড়ির জন্য ১ হাজার ৮০০ টাকা দিয়ে তিনি পেয়েছেন দুটি পেঁয়াজ।

‘স্মার্ট শপ ঢাকা’ নামে একটি অনলাইন মার্কেটিং পেজ তার সঙ্গে এ প্রতারণা করে। এ ঘটনায় তিনি লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

পিয়াস লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ড বাঞ্ছানগর এলাকার জয়দেব সরকারের ছেলে ও স্কাই ইন্টারনেটের লক্ষ্মীপুর শাখার ব্যবসায়ী।

জিডিতে বলা হয়, সোমবার (১ এপ্রিল) ‘স্মার্ট শপ ঢাকা’ নামক একটি অনলাইন পেজ থেকে পিয়াস একটি স্মার্ট ঘড়ি অর্ডার করেন। ঘড়িটির দাম ১ হাজার ৮০০ টাকা। ঘড়িটি পেতে ৬০ টাকা এসএ পরিবহনকে বাড়তি বিল দিতে ওই অনলাইন থেকে জানানো হয়েছে। তবে বিক্রেতাদের সঙ্গে তার ফেসবুক পেজের মেসেঞ্জারে যোগাযোগ হয়েছে।

পরে মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় এসএ পরিবহন, লক্ষ্মীপুর শাখা থেকে ১ হাজার ৮৬০ টাকা দিয়ে তার নামে আসা ঘড়ির প্যাকেটটি গ্রহণ করেন তিনি। কিন্তু প্যাকেটটি খুলে ঘড়ির বদলে পাওয়া গেছে দুটি পেঁয়াজ। এরপরই তিনি বিল ভাউচারে থাকা বিক্রেতাদের ফোন নম্বরে কল দিয়েও যোগাযোগ করতে পারেননি।

পিয়াস সরকার বলেন, বাক্সটি খুলে ঘড়ির বদলে পেয়েছি দুটি পেঁয়াজ। এরপর থেকেই ওই অনলাইনের নম্বরে কল দিয়েও যোগাযোগ করা যায়নি। পেজটিও বন্ধ দেখাচ্ছে। এ বিষয়ে এসএ পরিবহনকে জানালে তারা থানায় সাধারণ ডায়েরির কথা বলে। পরে সাধারণ ডায়েরির একটি ছায়াকপি এসএ পরিবহনে জমা দিয়েছি।

এ ব্যাপারে এসএ পরিবহনের লক্ষ্মীপুর শাখা ব্যবস্থাপক নুরুল আলম বলেন, পণ্যটির বক্স ও সাধারণ ডায়েরির একটি কপি আমাদের মূল শাখায় পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে তারা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বিএড ছাড়াই কৃষি শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএর বিজ্ঞপ্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক |০৪ এপ্রিল, ২০১৯

বিএড ছাড়াই মাদরাসায় কৃষি বিষয়ে সুপারিশপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের যোগদান করানোর জন্য গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) এ সংক্রান্ত গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৩১ মার্চ মাদরাসার এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামোর সংশোধনী জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ। এ সংশোধনী অনুযায়ী মাদরাসায় কৃষি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগে বিএড লাগবে না বলে বলা হয়েছে।  তাই মাদরাসায় কৃষি বিষয়ে সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশ প্রাপ্তদের নিয়োগ সংশোধিত নিয়োগ যোগ্যতা প্রযোজ্য হবে। এনটিআরসিএর সুপারিশ পেয়েও বিএড ডিগ্রি না থাকায় নিয়োগ নিয়ে দ্বিধায় ছিলেন কৃষি বিষয়ে সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্তরা। গত বছর জারি করা মাদরাসা এমপিও নীতিমালা এবং স্কুল-কলেজ, ব্যবসায়-ব্যবস্থাপনা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালার কয়েকটি বিষয় অসামঞ্জস্য ছিল। তাই মাদরাসার এমপিও নীতিমালা সংশোধনের উদ্যোগ নেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সংশোধন শেষে পরিপত্র জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা দৈনিক শিক্ষা বার্তাকে জানান, গত বছর প্রকাশিত মাদরাসার এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামোতে কৃষি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পেতে বিএডসহ কৃষি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিএসসি পাস বা সম্মান ডিগ্রি অথবা বিএডসহ কৃষি ডিপ্লোমা বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে বলে বলা হয়েছে। কিন্তু গত বছর প্রকাশিত বেসরকারি স্কুল কলেজের এমপিও নীতিমালায় কৃষি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগে কৃষি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিএসসি পাস বা সম্মান ডিগ্রি অথবা কৃষি ডিপ্লোমা বা সমমানের ডিগ্রি থাকার কথা বলা থাকলেও বিএড ডিগ্রির কথা উল্লেখ করা হয়নি। বেসরকারি স্কুল ও মাদরাসার কৃষি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক পদের বেতন স্কেল একই। দুই পদের বেতনে গ্রেড ১০ হলেও নীতিমালায় যোগ্যতা ভিন্ন থাকায় প্রশ্ন ওঠে বিভিন্ন মহলে। বিষয়গুলো সংশোধনের উদ্যোগ নেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নীতিমালা সংশোধনের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীকে অবহিত করা হলে তিনি সম্মতি জানান। পরে নীতিমালাটি সংশোধন করা হয়। 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

আবারো আন্দোলনে যাচ্ছে প্রাথমিকের শিক্ষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক,৪ এপ্রিল: জাতীয়করণ বঞ্চিত চার হাজার ১৫৯টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জাতীয়করণের দাবিতে আবারো আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছেন। আগামী ১৬ এপ্রিল জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শিক্ষকরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন। বুধবার বাংলাদেশ বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান সংগঠনের সভাপতি মো. মামুনুর রশিদ খোকন।

সংগঠনের সভাপতি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতির শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করার জন্য দুই দফায় ৩৬ হাজার ১৬০টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করে ইতিহাস সৃষ্টি করেন। এর ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৩ সালে ২৬ হাজার ১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের ঘোষণা দেন।

মামুনুর রশিদ বলেন, ঘোষণার মধ্যে ২৭ মে ২০১২ পূর্বে চার হাজার ১৫৯টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ থেকে বঞ্চিত হয়। তাদের আবেদনও ওই সময়ে ছিল। সংগঠনের মহাসচিব মো. কামাল হোসেন জানান, বঞ্চিত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো জাতীয়করণের দাবিতে গত বছর ২১ জানুয়ারী থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনশন ধর্মঘট পালন করা হয়। কিন্তু প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিদ্যালয়গুলো জাতীয়করণের আশ্বাসের পর কর্মসূচি স্থগিত করে শিক্ষকরা। এত দিনেও তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় ফের আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ১২ কর্মকর্তাকে বদলির নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক ,৪ এপ্রিল:

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের (ডিপিই) ১২ কর্মকর্তাকে তিন দিনের মধ্যে শাস্তিমূলক বদলির নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি এসব কর্মকর্তাসহ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিবের বিরুদ্ধেও ১৫ দিনের মধ্যে সরকারি বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন ফাইল নোটে এ নির্দেশ দেন। ভারপ্রাপ্ত সচিবের দায়িত্বে রয়েছেন ডিপিইর সাবেক মহাপরিচালক। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

ভুয়া ভ্রমণভাতা গ্রহণ সংক্রান্ত অভিযোগের ভিত্তিতে ২০১৫ সালের শেষ দিকে তদন্ত করা হয়। এতে তৎকালীন মহাপরিচালক ও বর্তমান সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিবের বিরুদ্ধে নানাভাবে অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণের কথা উঠে আসে। এছাড়া প্রতিবেদনে ১২ কর্মকর্তার নামে অতিরিক্ত ও অনিয়ম করে অর্থ গ্রহণের তথ্য উঠে আসে। কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন- তৎকালীন উপপরিচালক শেখ মো. রায়হান, উপপরিচালক ইফতেখার হোসেন ভূঁইয়া, কর্মকর্তা মিজাউল ইসলাম, আতাউর রহমান, সোনিয়া আকবর, সহকারী পরিচালক রাজা মিয়া, শিক্ষা অফিসার মাহফুজা বেগম, শিক্ষা অফিসার শামসুননাহার, শিক্ষা অফিসার মো. মজিবুর রহমান, শিক্ষা অফিসার মাহফুজুর রহমান জুয়েল, সহ-শিক্ষা অফিসার নজরুল ইসলাম। প্রতিবেদনটি চার বছর আগের হলেও কয়েকদিন আগে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেনের নজরে আনেন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। এরপর ২ এপ্রিল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী। ১২ জনকে তিন দিনের মধ্যে ডিপিই থেকে বদলির কথা বলা হয়েছে। এছাড়া সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সরকারি আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা আছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এমপিওভুক্ত হবে ৩৩ শতাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

ডেস্ক,৪ এপ্রিল: আগামী অর্থবছরে ৩৩ শতাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হবে। এ বাবদ সরকারের খরচ হবে ৪ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ হিসাব এরই মধ্যে চূড়ান্ত করে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে বরাদ্দ চেয়েছে। সম্প্রতি এ বিষয়ে অর্থসচিবকে একটি আধা সরকারি পত্র (ডিও) দিয়েছে শিক্ষা সচিব (সিনিয়র)। সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া গেছে এ তথ্য।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, এমপিওভুক্ত করতে যাচাই-বাছাই চলছে। যে প্রতিষ্ঠানগুলো যোগ্য বলে বিবেচিত হবে সেগুলোকে পর্যায়ক্রমে এমপিওভুক্ত করা হবে।

উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, এটা এমনও হতে পারে যে ১০০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আগামী অর্থবছরে ৩৩ শতাংশ করে এমপিও দিলাম। আবার এমনটাও হতে পারে যে প্রথম বছরে ১০০টির মধ্যে ৩৩টিকে এমপিও দিলাম, পরবর্তী ২ বছরে অন্যগুলোকে দিলাম। এ দুটির যে কোনো একটি হতে পারে। এ নিয়ে বাজেটে ঘোষণা আসবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন শিক্ষা বার্তাকে বলেন, নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এখন সেটা পারসেন্টেজের হিসাবে না প্রতিষ্ঠান হিসাবে হবে সেটা সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।

তবে বরাদ্দের সঙ্গে এমপিওভুক্তির কোনো সম্পর্ক নেই দাবি করে তিনি বলেন, সরকার যখন এমপিওভুক্তির সিদ্ধান্ত নেবে, তখন বরাদ্দের প্রশ্ন আসবে।

আগামী ১৩ জুন ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতি বছরের মতো এবারও বাজেটে শিক্ষাখাতকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

আগামী বাজেটে অর্থ বরাদ্দের জন্য পাঠানো ডিও লেটারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী যে সব উপজেলায় একটি করে কলেজ করা হয়েছে। পাশাপাশি একটি স্কুলকে সরকারিকরণের ঘোষণা দেয়া হয়।

এসব স্কুল ও কলেজকে পর্যায়ক্রমে অর্থ বরাদ্দ করতে হবে। এছাড়া নন এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে এমপিওভুক্তির দাবি জানিয়ে আসছে। এসব খাতে অতিরিক্ত ও এককালীন বরাদ্দের প্রয়োজন।

সূত্র মতে, আগামী বাজেটে কোন খাতে কি পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন এর একটি প্রাক্কলন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগ। এ হিসাবটি পাঠানো হয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ে। সেখানে বলা হয়, নতুনভাবে ৩৩২টি বিদ্যালয়কে সরকারিকরণের জন্য এর ব্যয় মেটাতে আগামী অর্থবছরে টাকার প্রয়োজন হবে ২৪২ কোটি ৫১ লাখ ১১ হাজার।

এছাড়া ২৯৯টি কলেজকে সরকারিকরণের কারণে এর পেছনে অতিরিক্ত ব্যয় হবে ৬২৬ কোটি ৯৩ লাখ ৬২ হাজার টাকা। হিসাবে আরও দেখানো হয় বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিসিআরসিএ) এমপিওভুক্ত পদে ১৯ হাজার ৯৪ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করেছে। তাদের বেতন-ভাতার জন্য প্রয়োজন হবে ৪৮৯ কোটি ৫৭ লাখ টাকা।

এছাড়া ২ হাজার ৮৭১ জন প্রভাষককে নিয়োগেরও সুপারিশ করেছে এনটিসিআরসিএ। তাদের নিয়োগ দেয়ার পর বেতন-ভাতা খাতে অর্থের প্রয়োজন হবে ৯৯ কোটি ২৭ লাখ ৯২ হাজার টাকা।

সূত্র আরো জানায়, ৬ হাজার ১৪১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তির প্রস্তাব করা হবে। এর অনুমোদন হলে পরিচালনা ব্যয় খাতে অর্থের প্রয়োজন হবে ২ হাজার ৮৭৯ কোটি টাকা।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, একটি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় (ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি) পর্যন্ত এমপিওভুক্তির জন্য বার্ষিক প্রয়োজন হবে ৩৪ লাখ ৮২ হাজার ৩০০ টাকা। একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় (নবম-দশম) পর্যন্ত এমপিওভুক্তির জন্য প্রয়োজন হবে ৪৫ লাখ ১৬ হাজার ৮০০ টাকা।

এভাবে একটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের (একাদশ থেকে দ্বাদশ) জন্য ব্যয় হবে ৬৩ লাখ ৫২ হাজার ১০০ টাকা, উচ্চ মাধ্যমিক কলেজের জন্য ব্যয় হবে ৯১ লাখ ৭০ হাজার ৮০০ টাকা। ডিগ্রি কলেজের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৪ লাখ ৪ হাজার ৭৫০ টাকা। ৬ হাজার ১৪১টি প্রতিষ্ঠানকে এমপিও করার খাতে এসব অর্থ ব্যয় করা হবে।

প্রসঙ্গত, বর্তমানে সারাদেশে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা প্রায় ২৮ হাজার। এর প্রায় পাঁচ লাখ শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন-ভাতায় মাসে খরচ হয় ১ হাজার কোটি টাকা। এর বাইরে স্বীকৃতি পাওয়া নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে সাড়ে পাঁচ হাজারের মতো। এগুলোতে শিক্ষক-কর্মচারী ৭৫ থেকে ৮০ হাজার। স্বীকৃতির বাইরেও কয়েক হাজার নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে।

সর্বশেষ ২০১০ সালে ১ হাজার ৬২৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়। এরপরই এমপিওভুক্তির দাবিতে নন-এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা আন্দোলন করে আসছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

যা পড়লে প্রাইমারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন কমন পাবেন

★ এশিয়ার বর্ষীয়ান নেতাদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবস্থান – ৪র্থ, ৭০ বছর
★ স্বাস্থ্যসেবার মান ও সহজপ্রাপ্যতার সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান – ১৩৩ তম
★ এশিয়া পাওয়ার ইনডেক্সে বাংলাদেশের অবস্থান – ১৮ তম
* WHO এর প্রতিবেদন ২০১৮ তে বায়ুদূষণে ঢাকার অবস্থান – ৩য় ( ৪৩০০ শহরের মধ্যে)
* প্রাণিজগতে নতুন ২ টি অমেরুদন্ডী প্রাণীর সন্ধান দেন নোবিপ্রবি এর মৎস্য ও সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক – ড. মো.বেলাল হোসেন।
*পৃথিবীর আয়তন ৫১ কোটি ১০ লক্ষ বর্গ কি. মি.
*** পৃথিবীতে মহাদেশ আছে ৭টি
***পৃথিবীতে মহাসাগর আছে ৫টি
* আয়তন ও জনসংখ্যায় বড় মহাদেশ হচ্ছে এশিয়া মহাদেশ।
* আয়তন ও জনসংখ্যায় সবচেয়ে ছোট মহাদেশ ওশানিয়া।
* এন্টার্কটিকা মহাদেশের কোনো স্থায়ী জনগণ নেই। তবে চার থেকে পাঁচ হাজার পর্যটক ও বিজ্ঞানী আছে সেখানে।
* আয়তন ও গভীরতায় সবচেয়ে বড় মহাসাগর প্রশান্ত মহাসাগর।
*সবচেয়ে ছোট মহাসাগর আর্টিক বা উত্তর মহাসাগর।
বিশ্বের প্রথম নাগরিকত্বের স্বীকৃতি পাওয়া রোবট হচ্ছে-
সোফিয়া।.
সোফয়া ‘জন্মদাতা’ হচ্ছেন-
ডক্টর ডেভিড হ্যানসন।
সোফিয়ার ‘জন্ম’ হয়েছে-
হংকংয়ে।
সোফিয়ার উদ্ভাবক হচ্ছে-
‘হ্যানসন রোবোটিকস্’-এর প্রতিষ্ঠাতা ডেভিড হ্যানসন রোবট।
সোফিয়ার মুখাবয় হলিউডের কোন অভিনেত্রীর আদলে তৈরি করা হয়েছে.? অদ্রে হেপবার্নের।
আড়াই বছর বয়সী সোফিয়াকে নাগরিকত্বের মর্যাদা দেয়.?
সৌদি আরব।
সম্প্রতি বিশ্বের একমাত্র উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতাল বাংলাদেশের কোথায় এসেছে.?
চট্টগ্রামে।
সপ্রতি কম্বোডিয়ার সঙ্গে কয়টি সমঝোতা হয় বাংলাদেশের.?
৯টি।
সম্প্রতি কম্বোডিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের চুক্তি হয়েছে.?
১টি।

★দেশে বর্তমানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা – ১০৩ টি ( নতুন অনুমোদ ২ টি)
★ দেশের প্রথম তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে – কুয়াকাটা, পটুয়াখালি
★ সি ১২২২১, সি ২৫৯৩, সি ১২০৩৩, সি ৩৪৭৩ হলো নতুন জাতের – পাট
★ দেশে শ্রম আদালত রয়েছে – ৭ টি
★ “ বাংলাদেশ ভবন “ উদ্বোধন করা হয় – ২৫ মে ২০১৮ সালে
★ দেশের প্রথম LNG টার্মিনাল তৈরি হয়েছে – মহেশখালী, কক্সবাজারে
★ প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে যিনি যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর পদে বিজয়ী হতে যাচ্ছেন – শেখ মোজাহিদুর রহমান
★ দেশের প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু ১ উৎক্ষেপন করা হয় – ১১ মে ২০১৮ সালে
★ এটি নির্মান করে ফ্যান্সের – থেলেস অ্যালেনিয়া স্পেস
★ এটি উৎক্ষেপন করে যুক্তরাষ্ট্রের – স্পেস এক্স
★ স্যাটেলাইট পরিচালনা করবে – BCSCL
★ এই স্যাটেলাইটের জন্য দেশে তৈরি করা হয়ে – ২ টি গ্রাউন্ড স্টেশন
★ এতে টান্সপন্ডার রয়েছে – ৪০ টি
★ এই স্যাটেলাইট উৎক্ষেপনের স্লোগান – “ জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু “
★ এই স্যাটেলাইট মহাকাশে বহনকারী রকেটের নাম – ফ্যালকন ৯
★ এটি মহাকাশে অবস্থান করবে – ১১৯.১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমায়
★ এই স্যাটেলাইটের ওজন – ৩৬০০ কেজি
★ এটির মেয়াদ – ১৫ বছর
★ এটির মোট ব্যয় – ২ ৭৬৫ কোটি টাকা

★ রবীন্দ্র পদক ২০১৮ পেয়েছেন – আবুল মোমেন ও ফাহিম হোসেন চৌধুরী

টপিক…বৈশ্বিক ইতিহাস-
.
*সূর্য একটি নক্ষত্র। যাদের নিজস্ব আলো আছে তারা নক্ষত্র।
*পৃথিবী একটি গ্রহ। যার নিজস্ব আলো নেই সে গ্রহ।
*সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টারই।
*সূর্যের নিকটতম গ্রহ বুধ।
* পৃথিবী নামক গ্রহটি এক সময় সূর্যের ভিতর ছিলো। (Note- আজ থেকে লক্ষ কোটি বছর পূর্বে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ফলে সূর্য নামক নক্ষত্রটির আংশিক অংশ বিচ্যূত হয়ে যায়। তারই বিচ্যূত হয়ে যাওয়া একটি অংশ পৃথিবী।)
* পৃথিবী সৃষ্টির এই তত্তটিকে বলা হয় মহাবিস্ফোরণ তত্ত বা Big Bang Theory..
* বিগ ব্যাং থিউরির জনক বেলজিয়ামের জোত্যিবিদ জর্জ লেইমাইটার গ্যাসো। এবং ব্যাখাকারী বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংস।
* পৃথিবীর আনুমানিক বয়স প্রায় ৪৬০ বা ৫২০ কোটি বছর!
* পৃথিবীর ৭১% পানি ও ২৯% মাটি।.

টপিক…মহাদেশ সৃষ্টি-

*মহাদেশ সঞ্চালন তত্ত বা Continental Drift Theory এর জনক আলফ্রেড ওয়েগনার।
* তিনি প্রথম পৃথিবীকে দুইটি অংশে ভাগ করেন। যথা: ১ লরেশিয়া বা উত্তর অংশ, ২. গন্ডোয়ানাল্যান্ড বা দক্ষিণ অংশ। (Note : বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার পূর্বনাম গন্ডোয়ানাল্যান্ড।)
* পৃথিবীর স্থলভাগের পূর্বনাম প্যানোজিয়া
* পৃথিবীর জলভাগের পূর্বনাম প্যানথালাসা।

এক নজরে কফি আনান –

কফি আনানের জম্ম: ০৮ এপ্রিল ১৯৩৮ (কুমাসী ঘানা)
মৃত্যু: ১৮ আগস্ট ২০১৮ (বের্ন, সুইজারল্যান্ড)
তিনি ছিলেন ঘানার একজন কূটনীতিবিদ এবং জাতিসংঘের সপ্তম মহাসচিব (প্রথম আফ্রিকান কৃষ্ণাঙ্গ হিসেবে)।
খ্রিস্টান ধর্মালম্বী হিসেবে প্রোটেস্ট্যান্ট সম্প্রদায় জনগোষ্ঠীর মুখপাত্র হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
কফি আনান এবং জাতিসংঘ যৌথভাবে ২০০১ নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
৭ম জাতিসংঘের মহাসচিব ছিলেন:-
(কাজের মেয়াদ ১ জানুয়ারি ১৯৯৭ – ৩১ ডিসেম্বর ২০০৬)
তিনি কফি আনান ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি দা এল্ডারস এর ও চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন যার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন নেলসন ম্যান্ডেলা।
উল্লেখ, জাতিসংঘের ৬ষ্ঠ মহাসচিব ছিলেন – ‘বুত্রোস বুত্রোস গালি’ এবং ৮ম মহাসচিব ছিলেন ‘বান কি মুন।’
জাতিসংঘের বর্তমানে নবম মহাসচিব – অ্যান্তিনিও গুতেরেস

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৮

১। মোট জনসংখ্যা = ১৬ কোটি ৮ লক্ষ।
২। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার = ১.৩৭%
৩। পুরুষ – মহিলা অনুপাত = ১০০.৩ঃ১০০
৪। জনসংখ্যার ঘনত্ব = ১০৯০ জন (বর্গ কি:মি)
৫। এক বছরের কম বয়সী শিশু মৃত্যুহার = ২৮ জন (প্রতি
হাজারে)
৬। প্রত্যাশিত গড় আয়ু = ৭১.৬ বছর
৭। সাক্ষরতার হার = ৭১%
৯। দারিদ্র্যের নিম্নসীমা = ১২.৯%
১০। GDP প্রবৃদ্ধির হার = ৭.৬৫%
১১। চলতি মূল্যে মাথাপিছু আয় = ১৭৫২ মার্কিন ডলার
১২। চলতি মূল্যে মাথাপিছু GDP = ১৬৭৭ মার্কিন ডলার
১৩। মূল্যস্ফীতি = ৫.৮৩% (জুলাই ১৭- এপ্রিল ১৮)
১৪। মোট ব্যাংক = ৫৭টি
> রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক ৬ টি,
>বিশেষায়িত ব্যাংক ২ টি,>বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক ৪০ টি,
>বৈদেশিক ব্যাংক ৯ টি
>ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান ৩৪ টি
>মোট বীমা ৭৮ টি, সরকারি জীবন বীমা ১ টি, সাধারণ বীমা ১
টি, বিদেশি বীমা ১টি।

১৫। সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে = সৌদিআরব থেকে
১৫। সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করা হয় = যুক্তরাষ্ট্র
১৬। সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় = চীন
১৭। ঔষধ রপ্তানি করা হয় = ১৪৫ টি দেশে
১৮। মোট স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা = ১৩,৮৪৬ মেগাওয়াট
১৯। মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন = ৩৫,৪৭৪ মিলিয়ন কিলোওয়াট -ঘণ্টা
২০। আবিষ্কৃত মোট গ্যাসক্ষেত্র = ২৮ টি
২১। প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রাথমিক মোট মজুদ = ৩৯.৯ ট্রিলিয়ন
ঘনফুট
২২। প্রাকৃতিক গ্যাসের উত্তোলনযোগ্য মজুদ = ২৭.৭৬
ট্রিলিয়ন ঘনফুট
২৩। মোবাইল গ্রাহক = ১৪.৭ কোটি
(শেয়ার করে রাখুন কাজে আসবে)
বিশ্বকাপ ফুটবল -২০১৮ এর সকল তথ্যঃ

১.বিশ্বচ্যাম্পিয়ন- ফ্রান্স
২. রানার-অাপ – ক্রোয়েশিয়া
৩. ম্যান অব দ্যা ম্যাচ– গ্রিজম্যান
৪. গোল্ডেন বুট– হ্যারি কেইন(ইংল্যান্ড)।
১৯৮৬ সালে গ্যারি মুনিয়ার পর ইংল্যান্ড এর ২য় খেলোয়াড় হিসেবে গোল্ডেন বুট জিতে কেইন।
৫. গোল্ডেন বল– লুকা মদ্রিচ(ক্রোরাসিয়া)
৬. উদয়ীমান খেলোয়াড় – কিলিয়ান এমবাপ্পে(ফ্রান্স)
৭.গোল্ডেন গ্লাসভ– থিবো কর্তোয়া(বেলজিয়াম)
৮. এবারের বিশ্বকাপ গোল হয়েছে ১৬৯টি।
৯.কোচ ও খেলোয়াড় হিসেবে শিরোপা জিতলো ফ্রান্সের দিদিয়েগো দেশম
১০. বিশ্বকাপে সবচেয়ে কম বয়সী ২য় খেলোয়াড় হিসেবে গোল করলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে।
১১. এবারের বিশ্বকাপে সবদল মিলিয়ে পাস খেলেছেন ৪৮ হাজার ৭৮৯ টি
১২. এবারের বিশ্বকাপ সবচেয়ে বেশি অাক্রমণ করেছে ২৫২টি ব্রাজিল।
১৩. বিশ্বকাপে ৮৮ বছরের ইতিহাসে ফাইনাল ম্যাচে অাত্নঘাতী গোল দিলেন মারজুসিকের(ক্রোরাসিয়া)।
১৪. ৫২ বছরের ইতিহাসে ফাইনাল ম্যাচে সর্বোচ্চ ৬টি গোল হলো এবার।
১৫. অাত্নঘাতী গোল হয়েছে ১৩টি।
প্রতিটি বিশ্বকাপে অশংগ্রহণ করা একমাত্র ফুটবল দলঃ # ব্রাজিল
এবারের বিশ্বকাপের ১০০ তম গোলটি দিয়েছে ” মেসি ” ( নাইজেরিয়ার বিপক্ষে)

বিশ্বকাপ_ফুটবল ২০১৮
২১ তম আসর

বলের নামঃ টেলস্টার ১৮
মাসকটঃ জাবিভাকা(এটা একটা নেকড়ে। রুশ ভাষায় জাবিভাকা অর্থ -যে গোল করে)
থিম সং : লিভ ইট আপ
১ম বারের মত বিশ্বকাপে Video Assistant Referee – VAR প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
ছবির পোস্টারে ব্যাবহার করা হয়- রুশ গোলরক্ষক ‘লেভ ইয়াসিন’। তিনিই ফুটবল বিশ্বের একমাত্র গোলরক্ষক যিনি গোলরক্ষক হয়ে ইউরোপের বর্ষসেরা খেলোয়ারের পুরস্কার জিতেছেন
ফাইনাল ও প্রথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়- লুজনিকি স্টেডিয়াম, মস্কো।
চ্যাম্পিয়নঃ ফ্রান্স
রানার্সআপঃ ক্রোয়েশিয়া
তৃতীয় স্থানঃ বেলজিয়াম
চতুর্থ স্থানঃ ইংল্যান্ড
স্বাগতিকঃ রাশিয়া
সময়ঃ ১৪ জুন থেকে ১৫ জুলাই
দলঃ ৩২ টি। মুসলিম দল ৭টি। আরব দেশ ৪টি।
নিয়মিত চাকরির আপডেট পেতে আমাদের গ্রুপে জয়েন করুন

১ম অংশকারীঃ আইসল্যান্ড(এযাবৎকাল পর্যন্ত বিশ্বকাপ খেলা দলগুলোর ভেতর জনসংখ্যায় সব থেকে ক্ষুদ্রতম দেশ আইসল্যান্ড। জনসংখ্যা মাত্র ৩,৩২,৫২৯ জন) ও পানামা।
প্রথমবারের মত ৩টি নার্ডিক দেশ অংশগ্রহণ করে। ডেনমার্ক, আইসল্যান্ড, সুইডেন।
ভেন্যুঃ ১১টি শহরে ১২টি
মোট ম্যাচঃ ৬৪
সর্বোচ্চ গোলদাতাঃ হ্যারি কেইন (৬টি)
১ম গোলঃ ইউরি গাজিনস্কি(রাশিয়া)
১ম হ্যাটট্রিকঃ ক্রিশ্চিয়ানো রোলানদো(পর্তুগাল)
last goal : manzukic

ফাইনালে হলো যত রেকর্ড

* ষষ্ঠ দল হিসেবে একাধিকবার বিশ্বকাপ জেতার রেকর্ড করল ফ্রান্স। আগে যে কীর্তি ছিল ব্রাজিল (৫ বার), জার্মানি (৪ বার), ইতালি (৪ বার), আর্জেন্টিনা (২ বার) ও উরুগুয়ের (২ বার)। একটি করে বিশ্বকাপ জিতেছে ইংল্যান্ড ও স্পেন। বিশ্বকাপ জিতেছে মাত্র আটটি দেশ।
* বিশ্বকাপ ফাইনালে গোল করা কিলিয়ান এমবাপ্পের বয়স ১৯ বছর ২০৭ দিন। এর চেয়ে কম বয়সে ফাইনালে গোল করেছেন কেবল পেলে (১৯৫৮ বিশ্বকাপে, ১৭ বছর ২৪৯ দিন বয়সে)।
* ফাইনালে আত্মঘাতী গোল করা প্রথম ফুটবলার মারিও মানজুকিচ।
.
২০১৮ সালে রাশিয়া বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল হয়েছে – ১৫ জুলাই,২০১৮ লুজনিকি স্টেডিয়াম, মস্কো,রাশিয়া।
* ২০২২ সালে ২২ তম বিশ্বকাপ ফুটবল হবে – মুসলিম দেশ কাতারে।
* ২০২৬ সালে বিশ্বকাপ ফুটবলের ২৩ তম আসর হবে- যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা,মেক্সিকো।

## # কাতার বিশ্বকাপ ###

আয়োজক দেশ – কাতার
অনুষ্ঠিত হবে- ২১ নভেম্বর ২০২২
ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে – ১৮ ডিসেম্বর ২০২২
অংশগ্রহনকারী দেশ – ৩২ টি
.
##২৩ তম বিশ্বকাপ ফুটবল###
আয়োজক দেশ- যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, মেক্সিকো
অংশগ্রহনকারী দেশ -৪৮ টি
ভেন্যু -১৬ টি
শহর- ১৬ টি
মোট ম্যাচ হবে – ৮০ টি ( যুক্তরাষ্ট্র -৬০টি, কানাডা -১০ টি, মেক্সিকো -১০ টি)
*প্রথম যুক্তরাষ্ট্র ১৯৯৪ সালে ১৫ তম আসরে আয়োজন করে।
*মেক্সিকো ১৯৭০ সালে(৯তম) ও ১৯৮৬ সালে (১৩তম) আয়োজন করে
*২০২৬ সালে প্রথমবারের মতো ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজন করবে – কানাডা।

যে সকল দেশের মূদ্রার নাম “ডলার” সেগুলা মনে রাখার উপায়ঃ
টেকনিকঃ- (গনী মাঝির জামাই HSC পাশ করে BBA পড়তে আস্ট্রেলিয়া গেল)
★ গ- গায়ান
★ নি- নিউজিল্যান্ড
★ মা- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
★ ঝি- জিম্বাবুয়ে
★ জা-জামাইকা
★ H- হংক
★ S- সিংগাপুর
★ C- কানাডা
★ B- বেলিজ
★ B- ব্রুনাই
★ A- এন্টিগুয়া অস্ট্রেলিয়া ও বারমুডা
★ গেল-গ্রানাডা।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ মনে রাখার সহজ
কৌশল…..
টেকনিকঃঃ- [ সুমি তুই আজ ওই বাম
সিলিকা -র কুলে ] ★ সু – সুদান/সৌদিআরব
★ মি – মিশর
★ তু – তুরস্ক/তিউনিসিয়া
★ ই – ইরাক/ইসরাইল
★ আ – আলজেরিয়া, আরব আমিরাত
★ জ – জর্ডান
★ ও – ওমান
★ ই – ইরান/ইয়েমেন
★ বা – বাহরাইন
★ ম – মরক্কো
★ সি – সিরিয়া
★ লি – লিবিয়া
★ কা – কাতার
★ কু – কুয়েত
★ লে – লেবানন

ভারতের ছিটমহল গুলো (১১১টি)
বাংলদেশের যে সকল জেলায় অবস্থিত
টেকনিকঃ – (“লাল’ নীল’ পাঁচ’ কুড়ি”)
★ লা — লালমনিরহাট (৫৯টি)
★ নী — নীলফামারী (৪টি)
★ প —পঞ্চগড় (৩৬টি)
★ কু—কুড়িগ্রাম (১২টি)

পারমাণবিক সাবমেরিন আছেঃ ৬টি দেশে
টেকনিকঃ- (UNR BF CI)(উনার BF চাই)
★UN=যুক্তরাষ্ট্র
★R=রাশিয়া
★B=ব্রিটেন
★F=ফ্রান্স
★C = চীন
★I=ভারত

বাংলাদেশে সর্বমোট নিরক্ষর মুক্ত জেলা-৭টি
(প্রথম নিরক্ষর মুক্ত জেলা-মাগুরা)
টেকনিকঃ-
(সিরাজ_চুমা_লাগা)
★১। সি – সিরাজগন্জ
★২। রা -রাজশাহী
★৩। জ – জয়পুরহাট
★৪। চু – চুয়াডাঙ্গা
★৫। মা- মাগুরা (১ম)
★৬। লা – লালমনিরহাট
★৭। গা – গাইবান্ধা

দূরপ্রাচ্যের দেশগুলোঃ
টেকনিকঃ- [চীনতা কর মফিজ] ★চীন = চীন
★তা = তাইওয়ান
★কর= কোরিয়া (উত্তর/ দক্ষিন)
★ম = মঙ্গোলিয়া
★ফি = ফিলিপাইন
★জ = জাপান

OPEC ভুক্ত দেশগুলোঃ
টেকনিকঃ – [ইরান, ইরাকের, ইক্ষু, আম,
আলু ও লেবুতে ভেজাল নাই। সৌদি, আমারে,
কাতু’কুতু দেয়।] ★এখানেঃ ইরান, ইরাক, ইকুয়েডর,
অ্যঙ্গোলা, আলজেরিয়া, লিবিয়া,
ভেনেজুয়েলা, নাইজেরিয়া,
সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব
আমিরাত, কাতার, কুয়েত।

SUPER SEVEN দেশঃ
টেকনিকঃ- [ থামাই সিতাদহ”] ★থা = থাইল্যান্ড
★মা = মালেয়েশিয়া
★ই = ইন্দনেশিয়া
★সি = সিঙ্গাপুর
★তা = তাইওয়ান
★দ = দক্ষিণ কোরিয়া
★হ = হংকং

FOUR IMAGINE TIGERS দেশঃ
টেকনিকঃ- [ সিতাদহ ] ★সি = সিঙ্গাপুর
★তা = তাইওয়ান
★দ = দক্ষিণ কোরিয়া
★হ = হংকং

7 SISTERS: ভারতের ৭টি অঙ্গরাজ্য।
টেকনিকঃ- [“ আমি অমেত্রি মনা”] ★আ = আসাম ( গোয়াহাটি )
★মি = মিজরাম ( আইজল )
★অ = অরুনাচল ( ইন্দিরাগিরি )
★মে = মেঘালয় ( শিলং )
★ত্রি = ত্রিপুরা ( আগরতলা )
★ম = মনিপুর ( ইম্ফল )
★না = নাগাল্যান্ড ( কোহিমা )
(বিঃ দ্রঃ – বন্ধনির ভিতর সংশ্লিষ্ট
প্রদেশের রাজধানী)

স্কেন্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র ৫ টিঃ
টেকনিকঃ [“ফিডে আসুন“] ★ফি = ফিনল্যান্ড
★ডে = ডেনমার্ক
★আ =আইসল্যান্ড
★সু = সুইডেন
★ন = নরওয়ে

বাল্টিক রাষ্ট্র ৩ টিঃ
টেকনিকঃ-“ALL”
★A = এস্তনিয়া
★L = লাটভিয়া
★L =লিথুনিয়া
D-8 ভুক্ত দেশঃ
টেকনিকঃ [“ মা বাপ নাই তুমিই” সব] ★মা =মালেয়েশিয়া
★বা =বাংলাদেশ
★পা =পাকিস্তান
★না =নাইজেরিয়া
★ই =ইরান
★তু =তুরস্ক
★মি =মিশর
★ই =ইন্দনেশিয়া

ASEAN ভুক্ত ১০টি দেশঃ
টেকনিকঃ- [ MTV এর FILM দেখলে BCS হবেনা ”] ★M =মালেয়েশিয়া ( কুয়ালালামপুর )
★T = থাইল্যান্ড( ব্যাংকক )
★V = ভিয়েতনাম ( হ্যানয় )
★F = ফিলিপাইন ( ম্যানিলা )
★I = ইন্দোনেশিয়া ( জাকার্তা )
★L = লাওস ( ভিয়েন তিয়েন )
★M = মায়ানমার ( নাইপিদ )
★B = ব্রুনাই ( বন্দর সেরি বেগাওয়ান )
★C = কম্বোডিয়া( নমপেন )
★S = সিঙ্গাপুর ( সিঙ্গাপুর সিটি )
( বিঃ দ্রঃ – বন্ধনির ভিতর সংশ্লিষ্ট দেশের রাজধানী)
বিভিন্ন (Golden Cresent)

মাদক উৎপাদক অঞ্চল।
টেকনিক :- [″আপাই’’] আ=আফগানিস্থান ,
পা= পাকিস্থান ,
ই=ইরান

(Golden Ways)
মাদক চোরাচালানের জন্য বিখ্যাত
৩টি দেশ।“
★টেকনিক:-[“নেভাবা”] নে= নেপাল ,
ভা= ভারত ,
বা= বাংলাদেশ
-,
(Golden Triangle)
মাদকের জমজমাট আসর ৩টি দেশ।“
★টেকনিক: [″মাথাল”] মা= মায়ানমার
থা=থাইল্যন্ড
ল= লাওস
“”Golden Village”””
বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার
২৬টি গাজা উৎপাদনকারী অঞ্চল..

বিজ্ঞানীদের মধ্যে কার পর কে এসেছে
টেকনিকঃ- (SPAA) (স্পা পানির নাম
মনে রাখলে হবে)
S=Socretice (সক্রেটিস)
P=Pleto (প্লেটো)
A=Aristritol (এরিস্টটল) A=Alekgender(আল
েকজান্ডার)

মোগল সম্রাটদের মধ্যে কার পরে কে এসেছে
★টেকনিক:(বাবার-হয়েছিল-একবার-
জ্বর-সারিল ঔষধে)
বাবার= বাবর।
হয়েছিল= হুমায়ুন।
একবার= আকবর।
জ্বর= জাহাঙ্গীর।
সারিল= শাহাজাহান।
ঔষধ= আওরঙ্গজেব।

যে সব রাষ্ট্রের আইন সভার নাম “কংগ্রেস”-
টেকনিকঃ-(কলি BBA পড়তে নেপাল থেকে চীনে চলিয়া গেল।)
★ক-কলম্বিয়া
★লি-লিবিয়া
★B-ব্রাজিল
★B-বলিভিয়া
★A-আমেরিকা
★নেপাল-নেপাল
★চীনে-চীন
★চলিয়া-চিলি

মুক্তিযোদ্ধা ও খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা
==============================
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষনা শুনে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর যে সকল ব্যক্তি দেশের জন্য কাজ করেছেন তারাই মুক্তিযোদ্ধা।
.
মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার জন্য কিছু বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে সরকার। তন্মধ্যে একটি হলো মুক্তিযুদ্ধকালীন বয়স ১৩ বছর হতে হবে।

মোট খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা (৬৭৬+১) =৬৭৭
বীরশ্রেষ্ঠ = ৭ জন
বীর উত্তম (৬৮+১) = ৬৯ (সর্বশেষ= ব্রিগেডিয়ার জামিল উদ্দীন)
বীর বিক্রম = ১৭৫
বীর প্রতীক = ৪২৬ (মহিলা=২, নিখোজ= ৫৫। কিন্তু দেবদাস বিশ্বাস ওরফে খোকা বিশ্বাস বীর প্রতীক নামে ঝালকাঠির এক ব্যক্তিকে সনাক্ত করেন বিমল কান্তি দে। তাই বর্তমানে নিখোঁজ সংখ্যা হবে ৫৪)
.
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত 68 জন। কিন্তু মোট বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্তের সংখ্যা 69 জন। 2010 সালে 75 এর অভ্যুত্থানের সময় বঙ্গবন্ধুকে রক্ষা করতে গিয়ে শহীদ হওয়া ব্রিগেডিয়ার জামিলকে বীর উত্তম খেতাব দেয়া হয়। এছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রামে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল চৌধুরী হাসান সোহরাওয়ার্দী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোজাফ্ফর আহমেদ কে বীর বিক্রম খেতাব দেয়া হয়।

তাই মুক্তিযুদ্ধে 175 জন বীর বিক্রম খেতাব পেলেও মোট বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত 177 জন।পার্বত্য চট্টগ্রামে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত 2 জনসহ মোট বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত 177 জন। তবে মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত 175 জন।
.
নারী মুক্তিযোদ্ধা- ২ জন (২ জনই বীরপ্রতীক) (সেতারা বেগম ও তারামন বিবি)
নারী মুক্তিযোদ্ধা- সেতারা বেগম, তারামন বিবি ও কাঁকন বিবি
আদিবাসী নারী মুক্তিযোদ্ধা-কাঁকন বিবি
কাঁকন বিবি- খাসিয়া
কাঁকন বিবির আসল নাম- কাকাত হেনইঞ্চিতা
সর্বকনিষ্ঠখেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা-শহ
ীদুল ইসলাম চৌধুরী (মুক্তিযুদ্ধের
সময় তাঁর বয়স-১২ বছর)
একমাত্র আদিবাসী/উপজাতি খেতাবপ্রাপ্ত
মুক্তিযোদ্ধা- ইউ কে চিং (বীরবিক্রম)
একমাত্র বিদেশি বীরপ্রতীক-ডব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড(অস্ট্রেলিয়া; জন্ম নেদারল্যান্ড)ওডারল্যান্ড মারা যান- ১৮ মে ২০০১ সালে

ছয় দফা সম্পর্কিতঃ

৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬- লাহোরে বিরোধী দলসমুহের জাতীয় সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক ছয় দফা পেশ।
২৩ মার্চ- ছয় দফার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা।
৭ জুন- ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস। কারণ 7 জুন ছয় দফা দাবিতে মনু নিয়া সহ ১১ জন শহীদ হন। তাই ৭ জুন ছয় দফা দাবি দিবস।
5 February দাবি পেশ, 8 May মুজিবকে গ্রেফতার করে, 7 Jun কিশোর মনু মিয়া সহ ১১ জন শহীদ হন।।।।।
. ছয় দফা দাবি- >
বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ । ব্রিটিশ শাসনতন্ত্রের বাইবেলের সাথে তুলনা করা হয় ।
.
৭মার্চের ভাষণ
——
১৯৭১ সারের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে এক বিশাল জনসভায় বঙ্গবন্ধুর ভাষনের বিষয়বস্তু ছিল নিন্মোক্ত
ক.চলমান সামরিক আইন পত্যাহার
খ. সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া
গ. গণহত্যার তদন্ত করা
ঘ. নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।
.
৭মার্চের বঙ্গবন্ধুর ভাষণকে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ওয়াশিংটনের গেটিসবার্গ অ্যাড্রেসের সাথে তুলনা করা হয় । এটি ৪৩টি ভাষায় অনুবাদের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় ।
আন্তর্জাতিকভাবে বিশ্বসেরার তালিকায় স্থান করে নিয়েছে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ।
.
ইংরেজিতে অনুদিত ভাষণের বইটির নাম ‘উই শ্যাল ফাইট অন দ্য বিচেস’- দ্য স্পিচেস দ্যাট ইন্সপায়ার্ড হিস্টরি [we shall figth on the beaches: the speeches that inspired history]’।
বইটির সঙ্কলক – জ্যাকব এফ ফিল্ড। খৃস্টপূর্ব ৪৩১ সাল থেকে ১৯৮৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সেরাভাষণ নিয়ে ২২৩ পৃষ্ঠার বই এটি।
.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার উইনস্টন চার্চিলের ভাষণ থেকে নেয়া শিরোনামের এই সঙ্কলন গ্রন্থের শেষ ভাষণটি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রেগ্যানের ‘টিয়ারস ডাউন ওয়াল’।

বইটির ২০১ পৃষ্ঠায় ‘দ্য স্ট্রাগল দিস টাইম ইজ ট্য স্ট্রাগল ফর ইন্ডিপেন্ডেন্স’ শিরোনামে স্থান পেয়েছে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ।
==============
বিদেশের মিশনে প্রথম বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়- কলকাতায়
বাংলাদেশের বিরোধীতা করে- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন
বাংলাদেশকে সহায়তা করে>> রাশিয়া .
ভারত-বাংলাদেশ যৌথবাহিনী গঠন- ২১ নভেম্বর ১৯৭১
ভারত-বাংলাদেশ মিত্রবাহিনীর প্রধান- ফিল্ড মার্শাল স্যাম মানেকশ।

�#�ঊনসত্তরের_গণঅভ্যুত্থান� ✿

প্রথম শহীদ >> আসাদ (ঢা.বি) ২০জানুয়ারী
২য় শহীদ >> মতিউর (স্কুল ছাত্র) ২৪জানু
৩য় শহীদ >> সার্জেন্ট জহুরুল হক (১৫ ফেব্রু)
৪র্থ শহীদ >> ড. শামসুচ্ছজোহা ১৮ ফেব্রু
.
মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা লাভ
.
১) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ছয় দফা কর্মসুচী ব্যক্ত করেন — ১৩ ফেব্রুয়ারী ১৯৬৬ সালে।
২) আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয় — জানুয়ারী, ১৯৬৮।
৩/ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিশেষ আদালতের বিচারক ছিলেন — পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতি এস.এ. রহমান।
৪/ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিচার হয় — জুন, ১৯৬৮।
৫/ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামী ছিল — ৩৫ জন।
৬/ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামী ছিলেন — শেখ মুজিবর রহমান।
৭/ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করা হয় — ২২ ফেব্রুয়ারী ১৯৬৯।
৮/ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে হত্যা করে — ১৫ ফেব্রুয়ারী ১৯৬৯।
৯/ আইয়ুব খান পদত্যাগ করতে বাধ্য হয় — ২৫ মার্চ, ১৯৬৯ সালে। রাজনৈতিক সংকটের জন্য।
১০/ পুলিশের গুলিতে শহীদ আসাদ নিহত হন — ২০ জানুয়ারী, ১৯৬৯।
১১/ শহীদ আসাদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বিভাগের ছাত্র ছিলেন — আইন বিভাগের।
১২/ পুলিশের গুলিতে শহীদ মতিউর নিহত হন — ২৪ জানুয়ারী, ১৯৬৯।
১৩/ শহীদ মতিউর কোন বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন — নবকুমার ইনষ্টিটিউশনের, নবম শ্রেনীর ছাত্র।
১৪/ শহীদ ড. শামসুজ্জোহা হত্যা করা হয়েছিল — ১৮ ফেব্রুয়ারী, ১৯৬৯, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে।
১৫/ আইয়ুব খান কবে কার নিকট পাকিস্তানের ক্ষমতা হস্তান্তর করেন — ২৫ মার্চ, ১৯৬৯। আগা মুহম্মদ ইয়াহিয়া খান।
১৬/ শেখ মুজিবর রহমানকে বঙ্গবন্ধুকে উপাধিতে ভুষিত করা হয় — ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারী।
১৭/ শেখ মুজিবর রহমানকে জাতির জনক ঘোষনা দেয়া হয় — ০৩ মার্চ ১৯৭১।

১৮/ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে প্রথমে জাতির পিতা ঘোষনা দেন — আ.স.ম আবদুর রব।
১৯/ ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদের আসন পেয়েছিল — ১৬৭ টি আসন।
২০/ পাকিস্তানের প্রথম সাধারন নির্বাচন কবে অনুষ্ঠিত হয় – ০৭ ডিসেম্বর, ১৯৭০সাল।
২১/ আলোচনা ভেঙ্গে দিয়ে ইয়াহিয়া খান ঢাকা ত্যাগ করেন — ২৫ মার্চ, ১৯৭১ রাতে।
২২/ স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করা হয় — ০৩ মার্চ, ১৯৭১, পল্টন ময়দানে।
২৩/ চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতা ঘোষনা পাঠ করা হয় — ২৬ মার্চ, ১৯৭১।
২৪/ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র স্থাপন করা হয় — চট্টগ্রামের কালুরঘাটে, ২৬ মার্চ, ১৯৭১।
২৫/ মুক্তিযুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন যারা — ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট।
২৬/ মুক্তিযুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ সংগঠিত হয় — ১৯ মার্চ, ১৯৭১ গাজিপুরে।
২৭/ স্বাধীনতা সংগ্রামের সর্বাধিনায়ক ছিলেন — বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
২৮/ প্রথম বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয় — ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রসভায়।
২৯/ প্রথম কবে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয় — ০২ ই মার্চ, ১৯৭১।
৩০/ বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করেন — আ স ম আব্দুর রব।

✬ বাংলা উপন্যাস – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
✬ বাংলা সনেট – মাইকেল মধূ সূদন দত্ত
✬ আধুনিক বাংলা নাটক – মাইকেল মধূ সূদন দত্ত
✬ বাংলা গদ্য সাহিত্য – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
✬ বাংলা ছোট গল্প – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
✬ গদ্য ছন্দ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
✬ মুক্ত ছন্দ – কাজী নজরুল ইসলাম
✬ আধুনিক বাংলা কবিতা – জীবনান্দ দাশ
✬ চলিত রীতিতে গদ্যের জনক – প্রমথ চৌধুরী

ইংরেজি সাহিত্য

✬ ইংরেজি উপন্যাস – হেনরি ফিল্ডিং
✬ ইংরেজি প্রবন্ধ ও গদ্য – ফ্রান্সিস বেকন
✬ ইংরেজি রূপকথা – হ্যান্স ক্রিস্টিয়ান অ্যান্ডারসন
✬ ইংরেজি ট্রাজেডি – ক্রিস্টোফার মারলো
✬ ইংরেজি সনেট – স্যার থমাস ওয়াট
✬ আধুনিক ইংরেজি কবিতা – জিওফ্রে চসার
✬ আধুনিক ইংরেজি সাহিত্য – জর্জ বার্নাডশ

বিশ্ব সাহিত্য সংস্কৃত

✬ সনেট – পেত্রাক
✬ সায়েন্স ফিকশন – মেরি শ্যালি
✬ যাত্রা – ক্লাওডিও মন্টে ভারডি
✬ রুশ সাহিত্য – ম্যক্সিম গোরকি
✬ চলচিত্র – এডওয়ার্ড মিউব্রিজ ।
✬ বাংলাদেশ চলচিত্র – আব্দুল জব্বার খান
✬ আধুনিক নৃত্য – ইসাডেরা
✬ পশ্চিমা সঙ্গীত – জোহান সেবাস্তেন বস
✬ উপমহাদেশে সুরসঙ্গীত – ওস্তাদ আলাউদ্দিন খান
✬ রেনেসীয় চিত্রকলা – জিওট্টো
✬ আধুনিক কার্টুন – উইলিয়াম হোগারথ
✬ আধুনিক সার্কাস – ফিলিপ অ্যাস্টলে

গণিত

✬ সংখ্যাতত্ত্ব – পিথাগোরাস
✬ গণনা – চার্লস ব্যাবেজ
✬ জ্যামিতি – ইউক্লিড
✬ বীজ গণিত ও অ্যালগারিদম –আল-খাওয়ারিজম
✬ ক্যালকুলাস – ভাসকরা
✬ ত্রিকোণমিতি – হিপ্পার চাস
✬ স্থিতিবিদ্যা – আর্কিমিডিস
✬ গতিবিদ্যা – গ্যালিলিও

পদার্থ বিদ্যা

✬ পদার্থ বিদ্যা – আইজ্যাক নিউটন
✬ আধুনিক পদার্থ বিদ্যা – আলবার্ট আইনিস্টাইন
✬ পারমানবিক পদার্থ বিদ্যা – আরনেস্ট রাদারফোর্ড
✬ আলোক বিদ্যা – জগদীশ চন্দ্র বসু
✬ তেজস্ক্রিয়তা – হেনরি বেরকল
✬ পারমানবিক বোমা – যে রবার্ট ওপেনহাইমার
✬ হাইড্রোজেন বোমা – এডওয়ার্ড টেলার
✬ কোয়ান্টাম তত্ত্ব – ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক
✬ আপেক্ষিক তত্ত্ব – আলবার্ট আইনিস্টাইন
✬ টেলিফোন – আলেকজান্ডার গ্রাহাম
✬ বাষ্প ইঞ্জিন – থমাস নিউকোমেন
✬ মোটর গাড়ি – কার্ল বেঞ্জ
✬ আধুনিক টায়ার – জন বয়রড ডানলফ
✬ রেডিও – লি ডি ফরেস্ট
✬ আধুনিক টেলিভিশন – অ্যালেন বি ডুমেন্ট
✬ সেমি কন্ডাক্টর – জ্যাক কিলবি
✬ আধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তি – সাইরাস ফিল্ড

কম্পিউটার বিজ্ঞান

✬ কম্পিউটার – চার্লস ব্যাবেজ
✬ আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞান – এলান ম্যাথাসন
ডুরিং
✬ পার্সোনাল কম্পিউটার – আনড্রে থাই টুরং
✬ WWW (World Web Wide) – টিম বারনাস লি
✬ ই–মেইল – রে টমলিনসন
✬ ইন্টারনেট – ভিন্টন জি কারফ
✬ ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন – এলান এমটাজ
✬ ভিডিও গেমস – নোলেন বুশনেল
✬ অ্যানিমেশন – ওয়াল্ট জিডনি
✬ ভিজুয়েল বেসিক – এলান কুপার
✬ জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ – জেমস গসলিং
✬ উইকিপিডিয়া – জিমি ওয়েলস

রসায়ন বিদ্যা

✬ রসায়ন বিদ্যা – জাবের ইবনে হাইয়ান
✬ আধুনিক রসায়ন বিদ্যা – অ্যান্টনি লরেন্ট
ল্যাভসেসিয়ে
✬ জৈব রসায়ন – ফ্রেডারিক উইলার
✬ পরমাণুবাদ – ডেমোক্রিটাস
✬ পর্যায় সারণি – দিমিত্রি মেন্ডেলিপ

জীব বিজ্ঞান

✬ জীববিদ্যা ও প্রাণীবিদ্যা – এরিস্টটল
✬ উদ্ভিদ বিদ্যা – থিওফ্রাস্টাস
✬ বিবর্তন জীববিদ্যা – চার্লস ডারউইন
✬ জীবের নামকরণ বিদ্যা – ক্যারোলাস লিনিয়াস
✬ বংশগতি বিদ্যা – গ্রেগর জোহান মেন্ডেল
✬ রক্ত সংবহনবিদ্যা – উইলিয়াম হার্ডে
✬ আধুনিক কোষতত্ত্ব – সোয়ান ও হাইডেন
✬ রোগ জীবাণু তত্ত্ব – লুই পাস্তুর
✬ বাস্তু সংস্থান – উইজেন উডাম
✬ প্রাণ শক্তি – জে জে বার্জেলিয়াম

চিকিৎসা বিজ্ঞান

✬ চিকিৎসা বিদ্যা ও ওষুদ – হিপক্রেটাস
✬ আধুনিক ওষুদ – ইবনে সিনা
✬ অ্যানাটমি – হেরোফিলাস
✬ আধুনিক সার্জারি – জাই ডি চাওলিয়েক
✬ প্লাস্টিক সার্জারি – সাসরুটা
✬ অস্থি সার্জারি – লরেন্স বলভেন
✬ হোমিও শাস্র – ডঃ স্যামুয়েল হ্যানিমেন

ভূগোল ও ইতিহাস

✬ ভূগোল – ইরাটস স্থনিস
✬ খনিজ বিদ্যা – জর্জ এগ্রিকোলা
✬ আধুনিক ভূবিদ্যা – জেমস হ্যাটন
✬ আধুনিক জ্যোতির্বিদ্যা – গ্যালেলিও গ্যালিলি
✬ ইতিহাস – হেরোডেটাস
✬ আধুনিক ইতিহাস – থুকি ডাইসিস
✬ ইসলামের ইতিহাস – আল–মাসুদি

অর্থনীতি ও ব্যবস্থাপনা

✬ অর্থনীতি – এডাম স্মিথ
✬ আধুনিক অর্থনীতি – পল স্যামুয়েলসন
✬ ইউরো মুদ্রা – রবার্ট মেন্ডেল
✬ ব্যবস্থাপনা – পিটার ড্রকার
✬ আধুনিক ব্যবস্থাপনা – লিলিয়ান মোলার গিলবাথ

রাষ্ট্রবিজ্ঞান

✬ রাষ্ট্রবিজ্ঞান – এরিস্টটল
✬ আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞান – নিকোলো
ম্যাকেয়াভেলি
✬ গণতন্ত্র – এরিস্টটল
✬ আধুনিক গণতন্ত্র – জন লক
✬ আমলাতন্ত্র – মাক্স বেবার
✬ আধুনিক জার্মান – প্রিন্স অটভান বিসমার্ক
✬ বিশ্ব গ্রাম ধারণা – মার্শাল ম্যাকলুহান
✬ ব্যক্তি ধারনা- জন স্টুয়াট মিল

ধর্ম ও তত্ত্ব

✬ মুসলিম জাতি – ইব্রাহীম (আঃ)
✬ ফিকাহ সাস্র – ইমাম আবু হানিফা
✬ বৌদ্ধ ধর্ম – গৌতম বুদ্ধ
✬ ইহুদি ধর্ম – মর্স
✬ ফ্যাসিজম – মুসলিনি
✬ কম্যুনিজম – কার্ল মার্ক্স
✬ অস্তিত্ববাদ – সরেন কিয়ারকগার্ড
✬ দ্বি–জাতি তত্ত্ব – মোহাম্মাদ আলী জিন্নাহ

জ্ঞানবিজ্ঞানের অন্যান্য শাখা

✬ ক্রিকেট – ডব্লিও জি গ্রেস
✬ ফুটবল – এবনেজার মরলে
✬ বিজ্ঞান – থ্যালিস
✬ আধুনিক বিজ্ঞান – রজারবেকন
✬ মৃত্তিকা বিজ্ঞান – জ্যাসিলি ডকুচেব
✬ কৃষি বিজ্ঞান – জোন্সেটাল
✬ মৎস্য বিজ্ঞান – পেটার আর্টেডি
✬ সুপ্রজনন বিজ্ঞান – গ্রেগর মেনডেল
✬ গ্যাস বিজ্ঞান – সেসিবিয়াস
✬ আলোকচিত্র বিদ্যা – লুইস ডাগুইরে
✬ প্রত্নবিদ্যা – থমাস জেফারসন
✬ স্থাপত্য বিদ্যা – জন ভন নিউম্যান
✬ আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা – লর্ড মেকেলে
✬ সমাজ বিজ্ঞান – অগাস্ট ক্যোঁৎ
✬ সমাজ কর্ম – জন এডামস

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free