Home » টপ খবর (page 4)

টপ খবর

জি কে শামীমের সুন্দরী নায়িকার তালিকায় যারা ছিলেন

ডেস্ক

‘টেন্ডার কিং’ জি কে শামীম র‌্যাবের হাতে ধরা পর থেকেই একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ পাচ্ছে। নিজের মনোরঞ্জন থেকে শুরু করে টেন্ডার বাগিয়ে নিতে ব্যবহার করতেন সময়ের আলোচিত মডেল, অভিনেত্রীদের। উচ্চ পদস্থ বিভিন্ন কর্মকর্তারা শামীমের পাঠানো তালিকা দেখেই বাছাই করে নিতেন মডেল, নায়িকাদের। জিজ্ঞাসাবাদে জি কে শামীম ও যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া ডিবি পুলিশের কাছে এসব তথ্য স্বীকার করেছেন বলে সূত্রে জানা গেছে।


শামীম জানায়, অনেকে কর্মকর্তারাই টাকার সঙ্গে নারীসঙ্গ চাইতো। পাঁচ তারকা হোটেলে কক্ষের ব্যবস্থাও করতে হতো। শামীমের সঙ্গে সখ্যতা অর্ধশতাধিক সুন্দরী তরুণীর। এরমধ্যে এক ডজনেরও বেশি পরিচিত নায়িকা ও মডেল। টেন্ডার বাগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, নেতাদের কাছে পাঠানো হতো তাদের।

দেশের বাইরের পার্টিতে নিয়মিত উপস্থিত থাকতেন যুবলীগ দক্ষিণের শীর্ষ এক নেতা। কখনও কখনও হাজির হতেন ঢাকা মহানগর যুবলীগের সাবেক প্রভাবশালী এক নেতা ও সংসদ সদস্য। বেশ কয়েক পার্টি হয়েছে থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায়। পার্টিতে পশ্চিমা পোশাকে হাজির হতেন সুন্দরীরা। মাদকে বুঁদ হয়ে সুন্দরীদের মধ্য থেকে যাকে খুশি কাছে টেনে নিতেন। দেশের মধ্যে গুলশান ও বনানীর একটি তারকা হোটেল ও কাকরাইলের একটি হোটেল ব্যবহার করা হতো একান্তে সময় কাটানোর জন্য।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৫ কোটি টাকার টেন্ডার বাগিয়ে নিতে সন্ত্রাসীদের পাশাপাশি কয়েক নায়িকাকে ব্যবহার করেন জি কে শামীম। মোটা অঙ্কের টাকার পাশাপাশি সংশ্লিষ্টরা এসব নায়িকা-মডেলদের চাইতেন। এরমধ্যে এক নায়িকা রয়েছেন। জি কে শামীম তাকে নিয়েই বেশি সময় কাটাতেন। যুবলীগের এক প্রভাবশালী নেতাও এই নায়িকাকে ডাকতেন। ওই নেতার কাছেও পাঠিয়ে দেয়া হতো তাকে। পার্টিতে তাল মিলিয়ে এ্যালকোহল পান করেন এই নায়িকা। প্রকাশ্যেই শামীমকে তুমি বলে সম্বোধন করেন। শামীমের সঙ্গে পরিচয়ের পর দ্রুত ভাগ্য পরিবর্তন হতে থাকে খুলনার এই মেয়ের। শামীমের দরবারের আর্শীবাদের বদৌলতে রাতারাতি বদলে যায় তার আর্থিক অবস্থা। ২০১৪ সালে তার ঢাকাই চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে। যিনি অভিষেকেই মেরিল-প্রথম আলো শ্রেষ্ঠ নবীন শিল্পী হিসেবে পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন লাভ করেন। এই নায়িকা গুলশানে একটি ফ্যাশন হাউজ ও ধানমন্ডিতে একটি রেস্টুরেন্টের মালিক হয়েছেন। পাশাপাশি হয়েছেন প্রযোজক। ডেন্টাল কলেজের প্রাক্তন এই ছাত্রী অভিনয় ছাড়াও ভারত-বাংলাদেশের যৌথ প্রযোজনায় আত্মপ্রকাশ করেন প্রযোজক হিসেবে। অভিনয় করেছেন ভোজপুরি চলচ্চিত্রেও। পাঁচটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন এই নায়িকা।

শামীমের প্রতিটি টেন্ডারে মোটা অঙ্কের ভাগ পেতেন যুবলীগের দক্ষিণের এক শীর্ষ নেতা। ওই নেতার নিজেরও ছিলো সুন্দরী কানেকশন। যদিও তার ঘনিষ্ঠরা জানান, কাউকে ডাকতে হয় না। স্বেচ্ছায় হাজির হন সুন্দরীরা। ওই শীর্ষ নেতার হয়ে এই অপরাধ সাম্রাজ্য দেখাশোনা করতেন মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া। তাদের দরবারে প্রায়ই হাজির হতেন পরিচিত এক মডেল, উপস্থাপিকা। অবশ্য চারটি চলচ্চিত্রেও দেখা মিলেছে এই মডেলের। এখন তার যাত্রাপথ চলচ্চিত্র কেন্দ্রিক। নৃত্যে তার রয়েছে ভালো দখল। ওয়ার্ল্ড ডান্স পারফরম্যান্সে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হয়ে পারফর্ম করেছেন তিনি। আলোচিত এই মডেলের একটি সেলফি বেশ আলোচিত হয়েছিলো। সেলফিতে তার সঙ্গে ছিলো বনানীর রেইনট্রি হোটেলে ধর্ষণের ঘটনায় অন্যতম আসামি নাঈম আশরাফ। নায়ক শাকিব খানের সঙ্গে নায়িকা হিসেবে অভিনয় করার ইচ্ছে ছিলো এই মডেল উপস্থাপিকার। সেই ইচ্ছে পূরণ করতে হাজির হয়েছিলেন ওই নেতার দরবারে। ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত শেষে দাবি জানিয়েছিলেন শাকিবের সঙ্গে মুভিতে অভিনয় নিশ্চিত করার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই চলচ্চিত্রটি আর নির্মাণ হয়নি। বর্তমানে টিভি নাটক ও সিনেমার কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় করছেন এ নায়িকা।

সূত্রমতে, এই দরবারের নেতাদের উৎসাহে দশম জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছিলেন এক নায়িকা। ২০০২ সালে সপ্তম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় চলচ্চিত্রে আগমন ঘটে তার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। অশ্লীল জগতের নায়িকা হিসেবে অনেকের মধ্যে একজন হিসেবে পরিচিতি রয়েছে তার। চলচ্চিত্র প্রযোজনায় নিজেকে নিয়োজিত করেছেন, নিজস্ব প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের চেয়ারপারসন তিনি। তার বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা। আজ থেকে কয়েক বছর আগে শীর্ষ ওই নেতার দরবারে বেশ কদর ছিলো এই নায়িকার। দরবার থেকে ডাক না এলেও নিজ থেকেই যোগাযোগ রক্ষা করার চেষ্টা করেন এই নায়িকা। তবে দরবারের নতুনদের আগমনে ঈর্ষা কাজ করতো পুরাতনদের মধ্যে।

এই সাম্রাজ্যের প্রমোদ সঙ্গী হিসেবে পরিচিত আরেক নায়িকা। রূপালি পর্দায় আসার পূর্বে তিনি গুলশান এভিনিউ, রঙের মেলা, বনবালা ও পণ্ডিতের মেলার মত টিভি নাটকে কাজ করেছেন। ২০১৪ সালে রোজার ঈদে একটি চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তার রূপালি পর্দায় অভিষেক ঘটে।চলচ্চিত্রটির জন্য তিনি ‘সেরা নবীন অভিনয়শিল্পী’ বিভাগে মেরিল প্রথম আলো পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে তার অভিনীত দ্বিতীয় চলচ্চিত্র মুক্তি পায়। ২০১৬ সালের ১৮ মার্চ ও ২ এপ্রিল দুটি মুক্তি পায়। অভিনয়ের পাশাপাশি তাকে দেখা গিয়েছে মডেলিংয়ে। তিনি ব্রিটল বিস্কুট ও প্রাণ ফ্রুটোর বিজ্ঞাপনচিত্রে মডেল হিসেবে কাজ করেছেন। এছাড়া তিনি আসিফের গানের মিউজিক ভিডিওতে মডেল হয়েছেন। শীর্ষ নেতার দরবারে তাকে ডাকা হতো প্রায়ই। দরবারের ডাক এলে যে কাজই থাকুক তা ফেলে ছুটে যেতেন। দরবারের ডাককে আর্শীবাদ মনে করতেন এসব নায়িকা, মডেলরা।

‘টেন্ডার শামীম’ নামে পরিচিত জি কে শামীম গ্রেপ্তারের পর জানা যায়, তিনি নিজেই ১৪টি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার ঠিকাদারি করছেন। ক্ষমতার পটপরিবর্তনে যুবদল থেকে আওয়ামী লীগে যোগ দেয়া শামীম নিজেকে পরিচয় দিতেন যুবলীগের সমবায় সম্পাদক হিসেবে।

সন্তানকে সরকারি প্রাথমিকে ভর্তি করালেন ইউএনও

ফেনী প্রতিনিধি:
ফেনীর ছাগলনাইয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজিয়া তাহের তার একমাত্র পুত্র সন্তান শাদাব হাসানকে (৪) স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করেছেন। বিষয়টি উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আলোগন সৃষ্টি করেছে। গত সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে ইউএনও তার পুত্র শাদাতকে ছাগলনাইয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণিতে ভর্তি করান।



সন্তানকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির কারণ সম্পর্কে ছাগলনাইয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজিয়া তাহের বলেন, আমার ছেলের বয়স অনুযায়ী প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণিতে ভর্তি করা উচিত। আমি ছাগলনাইয়ার কয়েকটি কিন্ডার গার্টেন স্কুল পরিদর্শন করে দেখেছি প্রাক-প্রাথমিকের শিশুদের জন্য যে ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন তা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছাড়া অন্য কোথাও নেই।

তিনি বলেন, ছাগলনাইয়া মডেল প্রাইমারি স্কুলে প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির শিশুদের শ্রেণি কক্ষসহ প্রয়োজনীয় সকল আসবাবপত্র রয়েছে। তাছাড়া স্কুলের প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেনসহ সকল শিক্ষক যোগ্যতা সম্পন্ন।

ইউএনও বলেন, আমি আশা করব সকল অভিভাবক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তাদের সন্তানদের পড়াবেন। সরকারি স্কুলে এখন শিক্ষা ব্যবস্থা পূর্বের তুলনায় অনেক ভালো বলেও দাবি করেন তিনি।

মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছে প্রাথমিকের শিক্ষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক,২১ সেপ্টেম্বর:
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা শুক্রবার এক মতবিনিময় সভায় আগামী ২৫ অক্টোবর রাজধানীতে মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছেন।

শুক্রবার বিকালে পুরানা পল্টনের মুক্তিভবনে আয়োজিত বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক মহাজোটের মতবিনিময় সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।


২০১৫ সালে বাস্তবায়ন হওয়া অষ্টম পে স্কেলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতন হয় একাদশ গ্রেডে, যেখানে মূল বেতন ১২ হাজার ৫০০ টাকা। আর সহকারী শিক্ষকদের বেতন হয় দ্বাদশ গ্রেডে, যেখানে মূল বেতন ১১ হাজার ৩০০ টাকা। এরপর থেকে একাদশ গ্রেডে বেতনের দাবি জানিয়েছেন আসছে সহকারী শিক্ষকরা।

সভা শেষে মহাজোটের সদস্য আমিনুল হক জানান, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের চারটি সংগঠনের ৮০ জন প্রতিনিধি মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। সেখানে উপজেলা পর্যায় থেকে শুরু করে কেন্দ্র পর্যন্ত প্রতি শুক্রবার কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত হয়।

তিনি বলেন, ২৭ সেপ্টেম্বর সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে কর্মসূচি ঘোষণা দেওয়া হবে। মহাসমাবেশের আগে ৪ অক্টোবর উপজেলা, ১১ অক্টোবর জেলা এবং ১৮ অক্টোবর বিভাগীয় পর্যায়ে শিক্ষকদের সমাবেশ অনুষ্ঠি হবে।

বেতন বৈষম্য নিরসনে একজোট হলেন প্রাথমিক শিক্ষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক,২১ সেপ্টেম্বর:

বেতন বৈষম্য নিরসন তথা প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেড ও সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ১০টি প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠনের নেতারা। এ ১০ টি সংগঠনকে নিয়ে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদ গঠন করা হয়েছে। শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সেগুনবাগিচায় অনুষ্ঠিত প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠনগুলোর এক সভায় এ ঘোষণা দেন সংগঠনগুলোর নেতারা।


ঐক্য পরিষদের অন্তর্ভুক্ত প্রাথমিক শিক্ষকদের এ ১০টি সংগঠন হলো বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি (তোতা-গাজী), বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি (আতিক-কাশেম), বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি (আনসারী-আব্দুল্লাহ), বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজ (আনিস-রবিউল), বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতি (শামসুদ্দিন-ছাবেরা), বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি (জাহিদুর রহমান), বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক ফ্রন্ট (খালেদা- মোজাম্মেল), গ্রাজুয়েট প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি (খালেক), বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক ফোরাম (হক-সিরাজ)। এছাড়া পুল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি ও প্যানেল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি এই ঐক্যবদ্ধ পরিষদের আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করেছেন বলেও জানা গেছে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন, প্রবীণ শিক্ষক নেতা ও বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষা গবেষণা পরিষদের সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির (তোতা-গাজী) সভাপতি মো. আনোয়ারুল ইসলাম তোতা, সাধারণ সম্পাদক গাজীউল হক চৌধুরী, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির (আনসারী-আব্দুল্লাহ) সভাপতি মো. নুরুজ্জামান আনসারী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ সরকার বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির (আতিক-কাশেম) সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল কাশেম, বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজের সভাপতি মো. আনিসুর রহমান, বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. সামছুদ্দিন মাসুদ, বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. বদরুল আলম, বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি মো. আবদুল হক, গ্রাজুয়েট প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. আব্দুল খালেক প্রমুখ।

বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষা গবেষণা পরিষদের সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ঐক্যবদ্ধ হওয়া ছাড়া প্রাথমিক শিক্ষকদের অধিকার আদায় করা সম্ভব নয়।

স্বাগত বক্তব্যে বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজের সভাপতি মোহাম্মদ আনিসুর রহমান বলেন, আমরা বিশ্বাস করি প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী শিক্ষকদের ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস ছাড়া প্রাথমিক শিক্ষকদের দাবি আদায় হবে না। তাই অভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সকল সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম তোতা বলেন, সহকারী শিক্ষক এবং প্রধান শিক্ষক উভয়ের দাবি আদায়ে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি কাজ করে আসছে । এ সময় অন্যান্য সব সংগঠনকেও এক মঞ্চে আসার আহ্বান জানান তিনি।

২০২০ সাল থেকে প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলী অনলাইনে।

নিজস্ব প্রতিবেদক,২১ সেপ্টেম্বর:

শিক্ষক বদলিতে ঘুষ লেনদেন ও তদবির ঠেকাতে ২০২০ সাল থেকেই অনলাইনে আবেদনের মাধ্যমে বদলি কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।


সচিব বলেন, ‘আগামী বছর থেকেই অনলাইনে আবেদন করে শিক্ষকরা বদলি হতে পারবেন। এতে অবৈধ সুযোগ-সুবিধা নেওয়া বন্ধ হবে, শিক্ষকরাও হয়রানির হাত থেকে রক্ষা পাবেন। প্রাপ্যতা সাপেক্ষেই শিক্ষকরা বদলি হতে পারবেন সারা বছর।’

পদ্ধতিটি চালু হলে শিক্ষকদের আর স্থানীয় শিক্ষা অফিস, অধিদপ্তর বা মন্ত্রণালয়ের দৌড়াতে হবে না। শিক্ষক বদলিতে ঘুষ লেনদেন ও তদবির ঠেকাতে দ্রুত এ ব্যবস্থায় যাচ্ছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, শিগগিরই একটি সফটওয়ার তৈরি করতে অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হবে। শিক্ষক বদলির সফটওয়ার তৈরিসহ অন্যান্য কার্যক্রম চূড়ান্ত হলেই জানুয়ারি থেকে অনলাইনে শিক্ষক বদলি কার্যক্রম শুরু হবে।

তবে মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানায়, এই কম সময়ের মধ্যে সফটওয়ার নির্মাণ করে জানুয়ারিতে অনলাইনে কার্যক্রম শুরু করা কঠিন হবে। যদি এই সময়ের মধ্যে শুরু করা না যায়, তাহলে বিদ্যামান ব্যবস্থায় বদলি কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে। আর সফটওয়ার নির্মাণ ও ব্যবস্থাপনা সম্পন্ন হলেই অফলাইনে বদলি বন্ধ করে অনলাইনে বদলি কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল নভেম্বরে

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। অক্টোবরে মৌখিক পরীক্ষা শুরু হবে। আর আগামী নভেম্বর মাসেই শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এফ এম মনজুর কাদির। সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমের পক্ষ থেকে করা প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।
মহাপরিচালক জানান, লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়েছে। লিখিত পরীক্ষায় পাস করা প্রার্থীদের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। প্রার্থীদের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রবেশপত্র দেয়া হবে। তিনি আরও বলেন, অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে জেলা পর্যায়ে মৌখিক পরীক্ষা আয়োজন করা হবে। অক্টোবরের মধ্যেই দেশের ৬১টি জেলার মৌখিক পরীক্ষা শেষ করা হবে। মৌখিক পরীক্ষা শেষে আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যেই চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এতে মোট ৫৫ হাজার ২৯৫ জন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন।

প্রসঙ্গত, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার প্রথম ধাপ গত ২৪ মে, দ্বিতীয় ধাপ ৩১ মে, তৃতীয় ধাপ ২১ জুন এবং চতুর্থ ধাপের পরীক্ষা ২৮ জুন অনুষ্ঠিত হয়।

গত বছরের ৩০ জুলাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গত ১ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হয়। ১২ হাজার আসনের বিপরীতে সারাদেশ থেকে ১৭ লাখ ৭৩ হাজার ৯১৭ প্রার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন।

রাবি ভর্তি পরীক্ষায় প্রাথমিক আবেদন ১ লাখ ৩৭ হাজার

রাবি প্রতিনিধি | ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার জন্য প্রাথমিক আবেদন করেছে ১ লাখ ৩৭ হাজার শিক্ষার্থী। সোমবার রাতে (১৬ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক খাদেমুল ইসলাম মোল্যা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে প্রাথমিক আবেদনের পর এবার চূড়ান্ত আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে আগামীকাল মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর)। এদিন দুপুর ১২টা থেকে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে চলবে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এবং ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২০-২২ অক্টোবর।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর সূত্রে জানা যায়, এবার ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে প্রাথমিক আবেদন করেছেন ‘এ’ ইউনিটে ৫৪ হাজার ৭৬ জন, ‘বি’ ইউনিটে ২৭ হাজার সাতশ ৯৪ জন এবং ‘সি’ ইউনিটে ৫৬ হাজার ৩৩ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী। এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে প্রতি ইউনিটে সর্বোচ্চ ৩২ হাজার করে সর্বোচ্চ ৯৬ হাজার শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। প্রতি ইউনিটের জন্য ফি দিতে হবে ১৩২০ টাকা। উল্লেখ্য, ভর্তির আবেদনসহ ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে (http://admission.ru.ac.bd) তে।

৩য় শ্রেণির ছাত্রীকে ডেকে চুমু খেলেন প্রধান শিক্ষকের

ডেস্ক

তৃতীয় শ্রেণীর এক ছাত্রীকে অফিস রুমে ডেকে চুমু দেয়ার অভিযোগ উঠেছে আবু সালেহ মোহাম্মদ ইছার নামে এক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। সোমবার বেলা ১১টার এই ঘটনায় স্কুল এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়েছে।



ইছার বালিয়াতলী ইউনিয়নের কাঙ্কুনিপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।

জানা গেছে, এ ঘটনায় প্রথমে ওই ছাত্রী তার এক বোনকে বিষয়টি বলে। বোন শিশুর বাবা মোস্তফা হাওলাদারকে খবর দেয়। স্কুলে পৌঁছে শিশুর কাছ থেকে সব শুনে বিষয়টি নিয়ে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ এনামুল হককে বলেন। তিনি জানান, প্রধান শিক্ষককে ডেকে তিনি জিজ্ঞেস করলে পা ধরে ক্ষমা চান। এমনকি শিশুর বাবা শ্রমজীবী মোস্তফা হাওলাদারের পা জড়িয়ে ধরে ক্ষমা চান প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ইছা।

মোস্তফা হাওলাদার বলেন, ‘তারাও (শিক্ষকরা) মোগো সন্তানের বাপের মতো। ও (মেয়ে) দুই দিন স্কুলে যায়নি। একারণে রুমে একা ডাইক্কা মুখে চুমা দেয়’। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক আবু সালেহ মোহাম্মদ ইছাকে বারবার মোবাইল করলে তিনি এসব অস্বীকার করে বলেন, তাকে ওখান থেকে অন্যত্র বদলি করার জন্য এটি ষড়যন্ত্র। তবে কারা ষড়যন্ত্র করছে তা বলেননি। আর পা ধরে মাপ চাওয়ার কথাও অস্বীকার করেন। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আবুল বাশার জানান, তিনি তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিবেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) অনুপ দাশ জানান, শিক্ষা অফিসারকে তদন্ত করে জরুরী ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলবেন। মাত্র মাসখানেক আগে যৌন হয়রানির অভিযোগে কলাপাড়ার একজন প্রধান শিক্ষককে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার পরে ফের এমন ন্যক্কারজনক অভিযোগ ওঠায় অভিভাবকরা ক্ষুব্ধ হয়ে আছেন।

উপবৃত্তির টাকায় ভ্রমণে যাবেন খন্ডকালীন কর্মকর্তারা

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৭ সেপ্টেম্বর:

প্রাথমিক উপবৃত্তি প্রকল্পের (তৃতীয় পর্যায়) অর্থ দিয়ে আমোদ ভ্রমণে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রকল্পে ক্যাডার কর্মকর্তাদের বাদ দিয়ে চুক্তিভিত্তিক খণ্ডকালীন নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারীদের ভ্রমণের জন্য নাম প্রস্তাব করা হয়েছে।



আগামী ডিসেম্বরে তাদের চাকরির মেয়াদ শেষ হলেও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেনের সফরসঙ্গী হিসেবে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সফরের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পের পিডি (প্রকল্প পরিচালক) মো. ইউসুফ আলী ডিপিপির (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব) শর্ত লঙ্ঘন করে চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীদের খুশি করতে বিদেশ সফরের এই প্রস্তাব করেছেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিদেশ সফরের জন্য প্রকল্প থেকে সবে মাত্র নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোন কোন কর্মকর্তা বিদেশ যাবেন তা নির্ধারণ করা হয়নি। খোঁজখবর নিয়ে নাম চূড়ান্ত করা হবে।’

সূত্র জানায়, প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধ করতে উপবৃত্তি প্রকল্প চালু করা হয় ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে। প্রাথমিক উপবৃত্তি প্রকল্প (দ্বিতীয় পর্যায়) ২০১৭ সালের জুনে শেষ হয়। পরে নতুন করে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়। প্রকল্পের মূল ব্যয় ৩ হাজার ৮৫৫ কোটি ৬৭ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬ হাজার ৯২৩ কোটি ৬ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

সুবিধাভোগীর লক্ষ্যমাত্রা ১ কোটি ৪০ লাখ নির্ধারণ করা হয়। উপবৃত্তির টাকা রূপালী ব্যাংকের শিওর ক্যাশের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। সার্ভিস চার্জ বাবদ রূপালী ব্যাংককে প্রকল্পের মোট বরাদ্দকৃত অর্থের দেড় শতাংশ দেয়া হতো। প্রকল্পের টাকায় বিদেশ সফর, প্রশিক্ষণ ও প্রণোদনা সুবিধা নিতে কর্মকর্তারা দেড় শতাংশের পরিবর্তে দুই শতাংশ সার্ভিস চার্জ বাড়িয়ে গত মাসের ২৫ তারিখ রূপালী ব্যাংকের সঙ্গে নতুন চুক্তি করেন।

চুক্তি অনুযায়ী মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর ও প্রকল্পের কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ করাবে রূপালী ব্যাংক। প্রতিবার ভ্রমণে ব্যাংকের পাঁচজন কর্মকর্তাও প্রকল্পের অর্থে বিদেশ ভ্রমণ করবেন। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে অর্থাৎ আগামী তিন মাসের মধ্যে বিদেশ সফর বাবদ এক কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

সূত্র আরও জানায়, বরাদ্দকৃত অর্থ খরচ করতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একটি টিম আগামী মাসে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড ভ্রমণের কথা রয়েছে। আর সচিবের নেতৃত্বে অপর একটি টিম আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করবেন। বিদেশ ভ্রমণ করতে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের জন্য এরই মধ্যে প্রকল্পের কর্মকর্তাদের নাম পাঠানো হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ে পাঠানো তালিকা সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পে চুক্তিভিত্তিক খণ্ডকালীন নিযোগপ্রাপ্ত মনিটরিং অফিসার রাশেদ ইসলাম ও অসীম চক্রবর্তী এবং হিসাবরক্ষক খোকন চন্দ্র সুত্রধরসহ চারজনের নাম প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সফরের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে। কিন্তু প্রকল্পে কর্মরত বিসিএস ক্যাডার কর্মকর্তা উপ-পরিচালক, সহকারী পরিচালকদের নাম নেই। রূপালী ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী প্রকল্পের কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ করতে হলে অবশ্যই সরকারি চাকরিজীবী হতে হবে। কিন্তু প্রস্তাবকৃত কর্মচারীরা সরকারি চাকরিজীবী নন; তারা চুক্তিভিত্তিক খণ্ডকালীন নিয়োগপ্রাপ্ত। চুক্তি অনুযায়ী আগামী ডিসেম্বরে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের চাকরি শেষ হয়ে যাবে। এমনকি তাদের সরকারি পাসপোর্টও নেই।

সূত্র জানিয়েছে, সাধারণ পার্সপোর্ট নিয়ে তারা উন্নত দুটি দেশ ভ্রমণ শেষে আর দেশে ফিরবেন না। যেকোনো একটি দেশে তারা থেকে যাবেন। কারণ, আগামী তিন মাস পরে তাদের চাকরির মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। প্রকল্পের মেয়াদও আর বাড়ানো হবে না। চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি-৪) মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি দেয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যাদের নাম বিদেশে সফরের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে তারা নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের কর্মকর্তা না। ডিসেম্বরের পর তাদের চাকরি না থাকায় সরকারি টাকায় বিদেশ সফরের অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে না। শুধু শুধু সরকারের বিপুল পরিমাণ অর্থ নষ্ট হবে। এ ছাড়া চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীদের নিয়ে প্রতিমন্ত্রীর অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের মতো দুটি দেশ ভ্রমণ দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করবে।
সুত্র: বিডি জার্নাল।

৫ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে বদলি

ডেস্ক,১৭ সেপ্টেম্বর:

৫ জন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বদলি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। রোববার শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে তাদের বদলির আদেশ জারি করা হয়।




এতে বলা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে কর্মরত নিম্নবর্ণিত কর্মকর্তাগণকে নিজ বেতন ও বেতন স্কেলে নামের পার্শ্বে বর্ণিত পদ ও কর্মস্থলে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত বদলিভিত্তিক পদায়ন করা হলো।

যারা বদলি হয়েছে-

১. জনাব সৈয়দ মো: তৈয়ব হোসেন, বান্দারবান পার্বত্য উপজেলা থেকে বদলি হয়েছেন চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা।

২. জনাব মো: আজহারুল ইসলাম ভুইয়া, কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম থেকে বদলি হয়েছেন নাছিরনগর, ব্রাক্ষণবাড়িয়ার।

৩. জনাব কানিজ আফরোজ, কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে বদলি হয়েছেন সবর্ণচন, নোয়াখালি।

৪. জনাব মো: সাইফুল ইসলাম, ব্রাক্ষণবাড়িয়ার নাছিরনগর থেকে বদলি হয়েছেন বরুড়া, কুমিল্লা।

৫. জনাব এ.কে এম জাহাঙ্গীর আলম, কুমিল্লার বরুড়া থেকে বদলি হয়েছেন দাউদকান্দি, কুমিল্লা।

বেসরকারি দুই ব্যাংক জনবল নেওয়ার বিজ্ঞপ্তি

ডেস্ক,১৬ সেপ্টেস্বর:

বেসরকারি দুই ব্যাংক জনবল নেওয়ার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বিজ্ঞপ্তি অনুসারে প্রবেশনারি অফিসার নেবে ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংক এবং বেসরকারি সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেড প্রবেশনারি অফিসার নেবে।


বেসরকারি দুই ব্যাংক জনবল নেওয়ার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বিজ্ঞপ্তি অনুসারে প্রবেশনারি অফিসার নেবে ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংক এবং বেসরকারি সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেড প্রবেশনারি অফিসার নেবে।

প্রবেশনারি অফিসার নেবে ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংক

প্রবেশনারি অফিসার নেবে বেসরকারি ডাচ-বাংলা ব্যাংক।

যোগ্যতা

যেকোনো বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে। এমবিএ (বিআইবিএম), বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং (বুয়েট/রুয়েট/কুয়েট/চুয়েট), বিবিএ (আইবিএ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)। প্রার্থীর কমপক্ষে তিনটি প্রথম বিভাগ/সমমান জিপিএ থাকতে হবে। কোনো তৃতীয় বিভাগ গ্রহণযোগ্য নয়। বয়স সর্বোচ্চ ৩০ বছর। মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ৩২ বছর।

প্রার্থীকে কম্পিউটার, বাংলা ও ইংরেজিতে দক্ষ হতে হবে। দেশের যেকোনো স্থানে কাজের মানসিকতা রাখতে হবে।

বেতন

৪৫,০০০/ (১ বছর প্রবেশন পিরিয়ড পর্যন্ত)।

প্রার্থীকে ব্যাংকের ওয়েবসাইট https://app. dutchbanglabank.com/Online_Job/ -এর মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

আবেদনের সময়সীমা

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ তারিখ পর্যন্ত।

অফিসার নেবে সাউথইস্ট ব্যাংক

বেসরকারি সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেড প্রবেশনারি অফিসার নেবে। এ-সংক্রান্ত চাকরির বিজ্ঞাপন গত ২৩ আগস্ট প্রথম আলোর ৮ নম্বর পৃষ্ঠায় ছাপা হয়েছে। চাইলে আপনিও আবেদন করতে পারেন।

শিক্ষাগত যোগ্যতা

যেকোনো প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে কমপক্ষে জিপিএ-৪ থাকতে হবে। স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে সিজিপিএ-৩ থাকতে হবে। ৩১ জুলাই ২০১৯ তারিখের মধ্যে প্রার্থীর বয়স সর্বোচ্চ ৩০ বছর হতে হবে। প্রার্থীর ভালো যোগাযোগ দক্ষতা, ইংরেজি ও কম্পিউটারে দক্ষ হতে হবে।

বেতন

প্রবেশনারি অফিসার থাকা পর্যন্ত বেতন ৪৫ হাজার টাকা দেওয়া হবে। এক বছর শেষে বেতন হবে ৫০ হাজার। প্রবেশনারি সময় (২ বছর) শেষে সিনিয়র অফিসার পদ দেওয়া হবে। ওই সময় বেতন হবে ৬৫ হাজার টাকা। আগ্রহী প্রার্থীকে (www.southeastbank.com.bd) ওয়েবসাইটে আবেদন করতে হবে। নির্বাচিত প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষার জন্য ডাকা হবে।

আবেদনের শেষ সময়

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ তারিখ পর্যন্ত।

ট্রেইনি অফিসার

পদের নাম

ট্রেইনি অফিসার

শিক্ষাগত যোগ্যতা

স্নাতকোত্তর ডিগ্রি। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে কমপক্ষে জিপিএ ৪.০০ থাকতে হবে। স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে সিজিপিএ ২.৮০ থাকতে হবে। বয়স সর্বোচ্চ ৩০ বছর।

বেতন

৩৮,০০০/ টাকা (প্রথম ১ বছর প্রবেশন পিরিয়ড পর্যন্ত)।

আগ্রহী প্রার্থীকে www.southeastbank.com.bd ওয়েবসাইটে আবেদন করতে হবে।

আবেদনের সময়সীমা

৬ অক্টোবর, ২০১৯ তারিখ পর্যন্ত।

ফিমেল ট্রেইনি অফিসার

পদের নাম

ট্রেইনি অফিসার

শিক্ষাগত যোগ্যতা

স্নাতকোত্তর ডিগ্রি। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে কমপক্ষে জিপিএ ৪.০০ থাকতে হবে। স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে সিজিপিএ ২.৮০ থাকতে হবে। বয়স সর্বোচ্চ ৩০ বছর।

বেতন

৩৮,০০০/ টাকা (প্রথম ১ বছর প্রবেশন পিরিয়ড পর্যন্ত)।

আগ্রহী প্রার্থীকে www.southeastbank.com.bd ওয়েবসাইটে আবেদন করতে হবে।

আবেদনের সময়সীমা

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ তারিখ পর্যন্ত।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ

ডেস্ক,১৬ সেপ্টেস্বর:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের (২০১৮ সালের) লিখিত পরীক্ষার ফল রোববার প্রকাশ করা হয়েছে। এতে উত্তীর্ণ হয়েছেন মোট ৫৫ হাজার ২৯৫ জন প্রার্থী। তাঁরা মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেবেন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এই তথ্য জানিয়েছে।


এই নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ১৭ লাখ ৭৩ হাজার ৯১৭ জন। উত্তীর্ণ প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষার প্রবেশপত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিজ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ে জমা দিয়ে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র সংগ্রহ করতে হবে।

পরীক্ষার ফল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে (www.dpe.gov.bd ) পাওয়া যাবে।

প্রাথমিকে বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ ক্রয়ে শুরুতেই বিতর্ক

ডেস্ক,১৪ সেপ্টেম্বর:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপনে ২৬ হাজার ল্যাপটপসহ তথ্যপ্রযুক্তিসামগ্রীর ক্রয় পদ্ধতি নিয়েই বিতর্ক শুরু হয়েছে। উন্মুক্ত দরপত্র প্রক্রিয়া বাদ দিয়ে ডিপিএম প্রক্রিয়ায় শিক্ষা উপকরণ ক্রয়ের এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ নিয়ে ডিপিই কর্মকর্তাদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে। ডিপিই’র কর্মকর্তাদের অনেকে বলছেন, ডিপিএম প্রক্রিয়ায় শিক্ষা উপকরণ ক্রয় তা মানসম্মত না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।


ডিপিই সূত্র জানায়, দেশের প্রতি উপজেলায় একটি করে মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রয়েছে। এসব বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া ভিত্তিক ক্লাসরুম পরিচালিত হচ্ছে। এর আলোকেই একসঙ্গে দেশের বিদ্যমান সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অর্থাৎ ৬০ হাজারের বেশি বিদ্যালয়ে ই-লার্নিং ম্যাটেরিয়ালভিত্তিক ক্লাসরুম পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ লক্ষ্যে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগও করছে। এদিকে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে (ওটিএম) কেনাকাটায় আগ্রহী বেসরকারি সরবরাহকারীরা। এ নিয়ে বেসরকারি সরবরাহকারীরা কয়েক দফা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীকে লিখিতও দিয়েছেন।

জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম-আল হোসেন বলেছেন, ‘আমরা উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করেছিলাম, সেটা বাতিল করেছি। এটা সরকারের সিন্ধান্ত। পরবর্তীতে সরাসরি মাল কেনার জন্য টিএন্ডটি (ডাক ও টেলিযোগাযোগ) মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে মতামত চেয়ে চিঠি দিয়েছিলাম। তাদের মতামত পেয়েছি; তারা আমাদের জানিয়েছেন, তারা সরকারি স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী ল্যাপটপ, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ও স্পিকার সরবরাহ করতে পারবেন। এখন সরকার সিন্ধান্ত নেবে, ডিপিএম হবে কিনা- তবে সেটা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।’

ডিপিই’র একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, ‘সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সিন্ধান্ত রয়েছে, কেনাকাটায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ওটিএম (ওপেন টেন্ডার মেথড-উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি) অনুসরণ করার। কিন্তু এই প্রক্রিয়া উপেক্ষা করে প্রায় দেউলিয়া হতে যাওয়া ‘টেলিফোন শিল্প সংস্থা’র (টেশিস) মাধ্যমে নিম্নমানের পণ্য কেনার চেষ্টা করলে সেখানে দুর্নীতি বা লুটপাটের অভিযোগ আসতেই পারে। তাছাড়া টেশিস’র মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ‘মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক প্রকল্প আইসিটি ফেইজ-১’ এর অধীনে কেনা প্রায় ২৪ হাজার আইসিটি শিক্ষা উপকরণের অধিকাংশই অকেজো হয়ে পরেছে।’ টেশিস হলো ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের একটি সংস্থা।

ডিপিই’র সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা জানান, সরকার সারাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গমনোপযোগী সব শিশুর মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় তৃতীয় প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করে।

দেশে বর্তমানে ৬৫ হাজার ৫৯৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ৫৮ হাজার ৫০০টি বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুম চালু আছে। এবার চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্পের (পিইডিপি-৪) আওতায় মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের জন্য ২৬ হাজার ল্যাপটপ কেনা হচ্ছে। সঙ্গে থাকছে ২৬ হাজার সাউন্ড সিস্টেম ও ২৬ হাজার প্রজেক্টর। এজন্য ৩৩৮ কোটি টাকার সংস্থান আছে।

৭ দফা দাবীতে প্রাথমিক শিক্ষকদের আন্দোলন শুরু

ডেস্ক,১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯:
বেতন বৈষম্য নিরসনসহ বিভিন্ন দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর অফিস অভিমুখে পদযাত্রা, স্মারকলিপি প্রদান ও মানবন্ধন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতারা। শুক্রবার রাজধানীতে অনুষ্ঠিত একই সমিতির দুটি পৃথক ব্যানারে পৃথক সংবাদ সম্মেলন থেকে এসব কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। প্রাথমিক শিক্ষকদের যথাক্রমে দশম ও এগারোতম গ্রেডের প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয় নাকচ করায় ক্ষুব্ধ হয়ে এসব কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে রাজপথে নামছেন তারা।



শুক্রবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বেতন বৈষম্য নিরসনের এক দফা দাবিতে ২৮ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর অফিস অভিমুখে পদযাত্রা। তার আগে একইদিন সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামেনে মানববন্ধন করবে সারাদেশ থেকে আসা শিক্ষকরা। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. আতিকুর রহমান আতিক ও সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল কাসেম এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

অপর সংগঠনের সদস্যরা আগামী ২৩ অক্টোবর সকালে প্রধানমন্ত্রীর অফিস অভিমুখে পদযাত্রা করে স্মারকলিপি পেশ করবেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির ব্যানারে পদযাত্রা শুরুর আগে একই দিনে সকাল এগারোটায় তারা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করবেন তারা। শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর তোপখানায় বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে “প্রাথমিক শিক্ষকদের উন্নীত গ্রেডের বেতনের প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক নাকচ করায় ০৭ দফা দাবিতে” এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাধারণ সম্পাদক গাজীউল হক চৌধুরী। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন সভাপতি মো. আনোয়ারুল ইসলাম তোতা। উপস্থিত ছিলেন সহ সভাপতি শফিকুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জুলফিকার আলী, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আবু ওয়াদুদ ভূইয়া, সিনিয়র সহ সভাপতি কামরুল হাসান ভূইয়া, কমল বক্সী, তরিকুল ইসলাম, ফজলুর রহমান, আরিফ দেওয়ান, মনির হোসেন, মমতাজ মহল, সিরাজুল ইসলাম, ইউনুস, সৈয়দ নাজমুল হোসেন লিটু, জাকির আহমেদ, মিজানুর রহমান প্রমুখ।

কর্মসূচি: ২৩ অক্টোবর বেলা ১১টায় ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সারা বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষকদের নিয়ে শিক্ষক মানববন্ধন ও প্রধানমন্ত্রীর অফিস অভিমুখে পদযাত্রা। এর আগে ১৯ ও ২৬ সেপ্টেম্বর বিকেলে দেশের প্রতিটি উপজেলায় মানববন্ধন। ৩০ ডিসেম্বরে মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

PowerPoint(কন্টেন্ট) এ Voice add করা

PowerPoint(কন্টেন্ট) এ Voice add করার কয়েকটি পদ্ধতি আলোচনা করব।
দেখে নিই কিভাবে Voice Record এবং add করতে হয়।
1. যে স্লাইডে Voice add করতে চান সেটি Open করতে হবে।
2. এবার Click – Insert – Audio – Record Audio
3. Sound Recorder প্রোগ্রামটি Open হবে।
4. এবার লেখার যতটুকু অংশের জন্য Voice add করতে চান লাল রঙের Record বাটনে Click করে ততটুকু Voice Record করুন।
5. শেষ হলে Ok বাটনে Click করলে স্লাইডের উপর একটি Voice আইকোন তৈরি হবে।
6. এবার Click – Animations – Animation Pan
7. ডান পার্শ্বে Animation Pan চালু হবে।
8. Voice এর Animation টির উপর রাইট বাটন ক্লিক করে Timing ক্লিক করি।
9. ফলে Play Audio ডায়লগ বক্সটি চালু হবে।
10. এখানে Timing ট্যাবে Triggers কমান্ড গ্রুপের অধীন Animate as part of click sequence এর রেডিও বাটনটি সিলেক্ট করে OK ক্লিক করি।
11. এবার যে লেখার সাথে Voice টি চালু করতে চান Animation Pan এ লেখাটির Animation এর পরে Voice এর Animation টি রেখে দিন।
12. পুনরায় Voice এর Animation টির উপর রাইট বাটন ক্লিক করে Start With Previous অথবা Start After Previous যে রকম ভাবে চান সেটি সিলেক্ট করুন।
13. প্রয়োজনে একবার Slide Show বাটনে ক্লিক করে পরীক্ষা করে দেখুন।
14. সঠিক হলে Save করুন।
15. বাকি গুলির ক্ষেত্রে একই পদ্ধতি পরপর অনুসরণ করুন।
16. Voice আইকোন গুলি চাইলে অদৃশ্য করে দিন।

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter