Home » টপ খবর (page 4)

টপ খবর

চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেতে পারেন মো. ফসিউল্লাহ !

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৪ মেপ্টেম্বর:
নিয়মিত চাকরির শেষ কর্মদিবস আজ। সে কারণে আজই নিয়মিত মহাপরিচালকের পদ থেকে বিদায় নেবেন অতিরিক্ত সচিব মো. ফসিউল্লাহ্। তবে তিনি চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেতে পারেন এমন খবরও একেবারে উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ একজন কর্মকর্তা তার পক্ষে কাজ করছেন।

এছাড়া শিক্ষকদের সাথে নম্র আচরণের কারণে তিনি প্রাথমিক শিক্ষকদের কাছে খুবই জনপ্রিয়। এ অবস্থায় তাকে ফের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষকরা।

চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের বিষয় গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে তিনি বলেছেন, দেখা যাক কি হয়।

ডিপিই মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ বলেন, ‘প্রাথমিকের অনেক কাজই শুরু করেছিলাম। তবে শেষ করতে পারিনি। করোনার কারণে অনেক কিছু করা সম্ভব হয়নি। এ কারণে আত্মতুষ্টিতে ভুগতে পারছি না।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন স্কুলে বঙ্গবন্ধু কর্নারের জন্য বই ক্রয়ের জন্য বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষা প্রশাসন কিছুটা সমালোচিত হয়েছে। যদিও সকলের মত, এর জন্য অধিদপ্তর তেমন দায়ি নন। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে কাজ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

জানা যায়, দেশে ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক রয়েছেন প্রায় চার লাখ। ডিপিইর অধীনে জেলা-উপজেলা পর্যায়েও রয়েছে অফিস ও কর্মকর্তা। শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নানা ধরনের সুবিধা-অসুবিধা রয়েছে। এ ছাড়া প্রাথমিক শিক্ষায়ও নানা ধরনের উদ্যোগ নিতে হয়। কিন্তু বেশির ভাগ মহাপরিচালক স্বল্প সময়ের জন্য আসায় তিনি যেসব উদ্যোগ নেন, তা বাস্তবায়ন করে যেতে পারেন না। আবার নতুন ডিজি এলে আগের ডিজির অনেক কাজই বন্ধ হয়ে যায়। এতে ব্যাহত হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন।

সূত্র জানায়, ডিপিইর ডিজি হিসেবে গত ৩১ ডিসেম্বর অবসরে যান এ এফ এম মনজুর কাদির। এরপর জানুয়ারিতে ডিজি হিসেবে যোগদান করেন মো. ফসিউল্লাহ।

মো. ফসিউল্লাহ যদি মহাপরিচালক না হন, তাহলে কে হবেন এমন হিসাবও কষছেন কেউ কেউ।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ডিপিইর ডিজি হিসেবে পাঁচ-ছয়জন অতিরিক্ত সচিবের নাম শোনা যাচ্ছে। বর্তমান ডিজি মো. ফসিউল্লাহর মেয়াদ বাড়তে পারে বলে আলোচনা রয়েছে। তবে তিনি ইতিমধ্যে গ্রেড-১ পেয়েছেন। ডিজি পদের জন্য আলোচনায় আছেন প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি প্রকল্পের (ফেজ-৩) পরিচালক মো. ইউসুফ আলী। তিনি ২০২৩ সালে অবসরে যাবেন বলে দীর্ঘদিন কাজের সুযোগ রয়েছে। এ ছাড়া ডিপিইর অতিরিক্ত মহাপরিচালক সোহেল আহমদের নাম আলোচনায় রয়েছে। কিন্তু তাঁর চাকরি খুব বেশি দিন নেই। উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালক তপন কুমার ঘোষ এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) রতন চন্দ্র পণ্ডিতের নামও রয়েছে আলোচনায়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কে হবেন তা প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। তিনি যাকে যোগ্য মনে করবেন তাঁকেই মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেবেন। তবে অতীতে দেখা গেছে, যাঁরা প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে কাজ করেছেন, তাঁদের মধ্য থেকে মহাপরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়। যাতে তাঁরা সহজেই কাজগুলো বুঝতে পারেন।’

বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির মুখপাত্র এস এম ছায়িদ একটি জাতীয় গণমাধ্যমকে বলেছেন ‘অধিদপ্তরে যাঁরা ডিজি হিসেবে আসছেন, তাঁরা যখন কিছু বুঝে উঠছেন, তখনই তাঁদের চাকরি শেষ হয়ে যাচ্ছে বা বদলি হয়ে যাচ্ছেন। যিনি ডিজি হচ্ছেন তিনি শুরুতে আমাদের সমস্যার ব্যাপারে নানা প্রতিশ্রুতি দেন, কিন্তু বাস্তবায়ন শুরুর আগেই তাঁর চাকরি শেষ হয়ে যায়। যেমন—প্রধানমন্ত্রীর সম্মতির পরও ২০১৪ সাল থেকে প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদার বিষয়টি ঝুলে আছে। তাই আমরা প্রাথমিক শিক্ষা ক্যাডার চাই, যাতে এখান থেকেই ডিজি নিয়োগ দেওয়া যায়। আর যত দিন এটা হচ্ছে না তত দিন দীর্ঘসময় কাজ করতে পারেন—এমন কাউকে যেন ডিজি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।’

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এইচএসসি নিয়ে অভিভাবকদের ৬ প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৪ সেপ্টেম্বর:

করোনার কারণে কয়েকদফা বাড়ানোর পর আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাধারণ ছুটি রয়েছে। এই ছুটি আরও বাড়ানোরও সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষা কবে হবে তা নিশ্চিত নয়। এতে চুশ্চিন্তায় দিন কাটছে লাখ লাখ শিক্ষার্থীর। এ অবস্থায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ছয়টি প্রস্তাব দিয়েছেন অভিভাবকরা। এছাড়া বিশেষ ব্যবস্থায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়েরও পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে।

অভিভাবক ঐক্য ফোরামের চেয়ারম্যান জিয়াউল কবীর দুলু সাংবাদিকদেরকে বলেন, ‘আমরা চাই শিক্ষার্থীদের পাঠ্যক্রম শেষ করেই যেন সরকার পরীক্ষা নেয়ার ব্যবস্থা করে। নইলে শেখা ও জ্ঞান অর্জনের ঘাটতি পরবর্তী জীবনে ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।’

সূত্র জানায়, স্বাস্থ্যবিধি মেনে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নিতে অভিভাবকদের পক্ষ থেকে মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে। রাজধানীর নজরুল ইসলাম নামে এক অভিভাবক গত ৮ সেপ্টেম্বর ৬ দফা প্রস্তাব সংবলিত স্মারকলিপি দিয়েছে দেন।

তিনি ৫০ করে ১০০ নম্বরে বাংলা দুই পত্র, একইভাবে ইংরেজির দুই পত্র পরীক্ষা গ্রহণের কথা বলেছেন। পাশাপাশি বিজ্ঞানের বিষয়ে তত্ত্বীয় ৭৫ নম্বরের পরীক্ষা ও ব্যবহারিকের ২৫ নম্বর দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। এছাড়া আইসিটি বিষয়ের পরীক্ষা বাতিল করে বিজ্ঞান, বিজনেস স্টাডিজ ও মানবিকের একটি করে বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়ার পর বাকিগুলো ঐচ্ছিক ঘোষণার প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।

জানা গেছে, বিশেষ ব্যবস্থায় এইচএসসি পরীক্ষা নেয়ার ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ও চিন্তাভাবনা করছে। সেজন্য সিটপ্ল্যানও সংগ্রহ করেছে বোর্ডগুলো। সে মোতাবেক, তিন ফুট দূরত্ব রেখে ‘জেড’ সিস্টেমে বসানো হবে শিক্ষার্থীদের। নভেম্বরে পরীক্ষা নেয়ার প্রস্তাব শিক্ষা বোর্ড থেকে পাঠানো হয়েছে।

অবশ্য করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে তিনটি বিকল্প প্রস্তাব রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে, শিক্ষার্থীদের অতীতের জেএসসি-এসএসসির ফলের ভিত্তিতে গ্রেড দেয়া কিংবা স্বল্পপরিসরে পরীক্ষা নেয়া। এ দুটি না হলে আগামী মার্চ পর্যন্ত অপেক্ষা করা।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সচিব অধ্যাপক তপন কুমার সরকার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘যৌক্তিক কারণেই এসএসসি ও এইচএসসির সিলেবাস কমানোর সুযোগ নেই। গোটা পাঠ্যবই শেষ করেই পরীক্ষা হবে। সিলেবাস শেষ করতে কতদিন প্রয়োজন হবে এখনই বলা যাচ্ছে না। কবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে তা অনিশ্চিত। পরীক্ষা পেছানোর প্রয়োজন হতে পারে। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললে শিক্ষার্থীদের অধ্যয়ন ও বাকি অংশের মূল্যায়নের পর সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

উল্লেখ্য, করোনার কারণে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) ও জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষা ইতোমধ্যে বাতিল করা হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না খুললে বার্ষিক পরীক্ষা না নিয়েই শিক্ষার্থীদের পরবর্তী শ্রেণিতে উন্নীত করার চিন্তাভাবনাও চলছে। কিন্তু এইচএসসি পরীক্ষা গত এপ্রিলে নেওয়ার জন্য নির্ধারিত থাকলেও তা সম্ভব হয়নি।

এইচএসসি পরীক্ষা না হওয়ায় ইতোমধ্যে প্রায় ১৪ লাখ শিক্ষার্থীর জীবন থেকে ঝরে গেছে ৫ মাসের অধিক সময়। যথাসময়ে পরীক্ষা হলে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিও শেষ পর্যায়ে থাকত। এ বিষয়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। সরকারি সিদ্ধান্ত পেলেই রুটিন প্রকাশ করা হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগে ‘কোটা’ থাকছে না

নিজস্ব প্রতিবেদত,১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০:

আগামী অক্টোবরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ৩৬ হজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো কোটা পদ্ধতি থাকছে না। শুধু এই নিয়োগের ক্ষেত্রেই নয়; এখন থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে আর কোনো কোটা থাকছে না। প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষকদের পদ ১৩তম গ্রেড ঘোষণা হওয়ায় কোটা পদ্ধতি তুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে পূর্বে নির্ধারিত ৬০ শতাংশ নারী, ২০ শতাংশ পুরুষ এবং ২০ শতাংশ পোষ্য কোটা বহাল থাকছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিদ্যালয়) এ এম মনসুর আলম গণমাধ্যমকে বলেন, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে সব কোটা বাতিল করা হয়েছে। বর্তমানে প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী নারী, পোষ্য ও পুরুষ কোটা বহাল থাকবে। সে অনুযায়ী লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। ডিপিই থেকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি তৈরি করে ইতোমধ্যেই প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এটি অনুমোদন হলে নিয়োগ বিবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। মন্ত্রণালয়ে পাঠানো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আগের সব কোটা বাতিল করা হয়েছে। চলতি মাসের শেষে অথবা অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

প্রসঙ্গত, সরকারি চাকরি থেকে কোটা বাতিলের দাবিতে ২০১৮ ‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’ আন্দোলন শুরু করেন। আন্দোলনের একপর্যায়ে ২০১৮ সালের ৩ অক্টোবর প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল করে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়ার প্রস্তাব অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। এর ঠিক পরদিন নবম গ্রেড ও দশম থেকে ১৩তম গ্রেডে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি বাতিল করে আদেশ জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

এরপর সরকারি চাকরির নবম থেকে ত্রয়োদশ গ্রেড পর্যন্ত অর্থাৎ প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদে কোনো কোটা না রেখে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগের নিয়ম চালু করতে ২০১৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর কাছে সুপারিশ জমা দেয় কমিটি। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পাওয়ার পর মন্ত্রিসভার বৈঠকে তোলার পর তা পাস হয়। সরকারি চাকরিতে প্রথম গ্রেড পর্যন্ত সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো কোটা থাকবে না বলে গত ২০ জানুয়ারি সিদ্ধান্ত দেয় মন্ত্রিসভা।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

২০ বছর পর জানা গেল গবি রেজিস্ট্রার এইচএসসি পাস

প্রেস বিজ্ঞপ্ত,১৪ সেপ্টেম্বর:

ছাত্রীর সঙ্গে ফোনালাপ ফাঁস হওয়ার ঘটনায় আলোচনায় আসা গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দেলোয়ার হোসেন এইচএসসি পাস। তার অনার্স-মাস্টার্স পাসের সনদ ভুয়া বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সব সদস্যের সম্মতিক্রমে তাকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। গত ২০ বছর ধরে তিনি গবিতে রেজিস্ট্রার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র জনসংযোগ কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ভুয়া শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট দিয়ে ২০০২ সালের ৩ আগস্ট গণবিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেন দেলোয়ার হোসেন। কিন্তু বর্তমান ট্রাস্টি বোর্ড তার আচার-আচরণ দেখে শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন। এ অবস্থায় ট্রাস্টি বোর্ড গোপনে রেজিস্ট্রার মো. দেলোয়ার হোসেনের শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়ে তদন্ত করতে থাকে। খোঁজখবরের এক পর্যায়ে জানতে পারেন গণবিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দেলোয়ার হোসেন ইন্টার পাস। তিনি গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রিধারী ও মাস্টার্স পাসের সনদ দিয়ে গণবিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি নিয়েছেন।

এর আগে, রেজিস্ট্রার দেলোয়ার হোসেন বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের এক ছাত্রী। মোবাইল ফোনে রেজিস্ট্রার তাকে কু-প্রস্তাব দিতেন বলে অভিযোগে বলা হয়।এছাড়াও রেজিস্ট্রার একাধিক নারী শিক্ষককে যৌন হয়রানির করছেন বলে ইউজিসির বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখায় লিখিত অভিযোগ রয়েছে।

লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে গত বছর ৬ নভেম্বর রেজিস্ট্রারের কাছে জানতে চায় ইউজিসি। গত ৭ ডিসেম্বর ইউজিসির চিঠির উত্তর পাঠায় রেজিস্ট্রার। তেব সেই চিঠিতে অভিযোগের কোনো সদুত্তর পায়নি ইউজিসি। এর মধ্যেই শিক্ষার্থীকে হয়রানি করেন রেজিস্ট্রার দেলোয়ার হোসেন। যৌন হয়রানির ওই রেকর্ড ভুক্তভোগী ছাত্রী ইউজিসিতে হস্তান্তর করেছেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

একাদশে ভর্তি শুরু, অনলাইনে ক্লাস চলবে অক্টোবর থেকে

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৩ সেপ্টেম্বর:

করোনাভাইরাস পরিস্থিতির মধ্যে আজ থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সকাল থেকেই রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কলেজে চান্স পাওয়া শিক্ষার্থীদের ভর্তির জন্য ক্যাম্পাসে হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া অনেকে দু’একদিনের মধ্যেই ভর্তির প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।

রাজধানীর একটি কলেজে ভর্তিচ্ছু মোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘আমি যে কলেজে চান্স পেয়েছি, সেখানে আজ থেকে ভর্তি শুরু হয়েছে। তবে আমি ভর্তি হওয়ার জন্য আগামীকাল কলেজে যাবো। অবশ্য আজই অনেকেই ভর্তি হচ্ছেন বলে জানতে পেরেছি।’

এদিকে উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে নতুন ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের অনলাইনের ক্লাস শুরু হচ্ছে। আগামী অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহে উচ্চ মাধ্যমিকে অনলাইনে ক্লাস শুরু হবে। আন্তঃশিক্ষা সমন্বয়ক বোর্ড সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সমন্বয়ক অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক গণমাধ্যমকে বলেন, ‘একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হবে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে। করোনা পরিস্থিতির কারণে অনলাইনে ক্লাস চলবে। এরপর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললে স্বাভাবিক ক্লাস শুরু হবে।’

জানা গেছে, অনলাইনে ক্লাস শুরুর লক্ষ্যে আগামী ১ অক্টোবর থেকে বাজারে একাদশের পাঠ্যবই পাওয়া যাবে। আর আজ রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হওয়া ভর্তি কার্যক্রম চলবে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা চান্স পাওয়া কলেজে ভর্তি হবেন। এজন্য ইতোমধ্যে সরকার নীতিমালা প্রকাশ করেছে। গত ৮ সেপ্টেম্বর দুটি পৃথক বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছে।

পৌর এলাকার এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী ভর্তিতে সাকুল্যে এক হাজার টাকা, পৌর (জেলা সদর) এলাকায় দুই হাজার টাকা ও ঢাকা মহানগর ছাড়া অন্য মেট্রোপলিটন এলাকায় তিন হাজার টাকার বেশি আদায় করতে পারবে না।

জানা গেছে, একাদশের বইগুলোর মধ্যে বাংলা, ইংরেজি ও বাংলা সহপাঠ সরকারিভাবে প্রকাশিত হয়। এবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে বেসরকারি প্রকাশকদের পাশাপাশি এনসিটিবির বইও বাজারে থাকছে। ফলে বেসরকারি প্রকাশকদের বাকি ৩৫টি বই বাজারে থাকছে।

একাদশের বই প্রকাশক পুথিনিলয়ের সত্ত্বাধিকারী শ্যামল পাল বলেন, ‘১ অক্টোবর বাজারে বই বিক্রির ব্যবস্থা রাখতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নিচ্ছি।

ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী, ভর্তির জন্য এবার ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঁচ হাজার টাকার বেশি নিতে পারবে না না। আংশিক এমপিওভুক্ত বা এমপিওবহির্ভূত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাংলা মাধ্যমে সর্বোচ্চ সাড়ে সাত হাজার টাকা ও ইংরেজি ভার্সনে সর্বোচ্চ সাড়ে আট হাজার টাকা আদায় করতে পারবে।

এছাড়া উন্নয়ন খাতে দেড় হাজার টাকার বেশি আদায় করতে পারবে না। গত বছর ৩ হাজার টাকা আদায় করা হয় এ খাত থেকে। করোনার কারণে এই ফি কমিয়েছে বোর্ড। কোনো শিক্ষার্থীর পাঠ বিরতি থাকলে বা বিলম্বে ভর্তি হলে যথাক্রমে ১৫০ টাকা ও ১০০ টাকা আদায় করা যাবে।

এবার তিন ধাপে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা একাদশে ভর্তির জন্য আবেদন করেন। প্রায় ১৪ লাখ শিক্ষার্থী ভর্তির আবেদন করলেও এসএসসি ও সমমানে পাস করেছে ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৫২৩ জন। আর উচ্চ মাধ্যমিকে পাঠ্য বইয়ের সংখ্যা ৩৯টি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বিদায় নিচ্ছেন মো. ফসিউল্লাহ-চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়ার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৩ সেপ্টেম্বর:

চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের (ডিপিই) মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পান অতিরিক্ত সচিব মো. ফসিউল্লাহ্। কিন্তু বছর পূর্ণ না হতেই অবসরে চলে যাচ্ছেন তিনি। আগামীকাল সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) তার শেষ কর্মদিবস। এ অবস্থায় তাকে ফের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষকরা।

প্রাথমিক শিক্ষকরা জানিয়েছেন, অল্প সময় এ দায়িত্বে আসলেও প্রাথমিক শিক্ষকদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন তিনি। শিক্ষকদের বিভিন্ন ধরনের সমস্যার দ্রুত সমাধানেরও ব্যবস্থা করেছিলেন তিনি। পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেন মো. ফসিউল্লাহ। সেগুলো দ্রুতই শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পায়।

ডিপিই মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ বলেন, ‘প্রাথমিকের অনেক কাজই শুরু করেছিলাম। তবে শেষ করতে পারিনি। করোনার কারণে অনেক কিছু করা সম্ভব হয়নি। এ কারণে আত্মতুষ্টিতে ভুগতে পারছি না।’

এ সময় বর্তমান প্রথমিক শিক্ষার হাল সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে এখনই কথা বলা ঠিক হবে না। শেষ কার্যদিবসের পরে প্রাথমিকের বিষয়ে বিস্তারিত কথা বলব।’ এছাড়া প্রাথমিকের নতুন মহাপরিচালক নিয়োগের সিদ্ধান্ত সরকারের বলেও জানান তিনি।

জানা গেছে, মো. ফসিউল্লাহ চলে গেলে তৃতীয় প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি ৩) ও চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি ৪) বাস্তবায়ন দীর্ঘায়িত হতে পারে। শিক্ষকদের অনেক সমস্যার সমাধানও দীর্ঘায়িত হতে পারে। এ ধরনের সমস্যা এড়াতে দীর্ঘমেয়াদে মহাপরিচালক চান সংশ্লিষ্টরা। চুক্তিতে হলেও মহাপরিচালক হিসেবে একজনকে কমপক্ষে তিন বছর রাখা জরুরি বলে শিক্ষকরা মনে করছেন।

বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাস বলেন, ‘ফসিউল্লাহ স্যার খুবই শিক্ষকবান্ধব ছিলেন। নিয়োগ বিধিমালা, শ্রান্তি-বিনোদন ভাতাসহ নানা সমস্যার সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছেন। তিনি চলে গেলে অনেকগুলো কাজ বাধাগ্রস্ত হবে।’

তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে অনেক কিছুই করেছেন। তিনি আরও কিছুদিন থাকলে অসমাপ্ত কাজগুলোও শেষ করে যেতে পারতেন।’

জানা গেছে, ডিপিইতে এক বছরে দু’জন মহাপরিচালক পরিবর্তন হয়েছে। অধিদফতরের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় গত বছরের ২০ জানুয়ারি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে পাঠানো হয় মো. আবু হেনা মোস্তফা কামালকে।

পরে ৩০ জানুয়ারি ওই পদে নিয়োগ পান এ এফ এম মনজুর কাদির। গত ৩১ ডিসেম্বর অবসরে যান তিনি। এক বছরেরও কম সময় অধিদফতরে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এরপর বছর পার না হতেই ফের বিদায় নিচ্ছেন মো. ফসিউল্লাহ। এ অবস্থার অবসানে দীর্ঘমেয়াদে মহাপরিচালক নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা।

অবশ্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে ভিন্ন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। সূত্র জানিয়েছে, মো. ফসিউল্লাহ্ ফের মহাপরিচালক হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেতে পারেন। প্রাথমিক শিক্ষার স্বার্থেই এই নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। অন্যথায় তিনি যে উদ্যোগগুলো নিয়েছেন তা পিছিয়ে যেতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘বর্তমান মহাপরিচালককে চুক্তিতে রাখলে প্রাথমিকের লাভ হতো।’ কিন্তু বিষয়টি সরকারের সিদ্ধান্তের ব্যাপার বেলেও জানান তিনি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

অক্টোবরে অনলাইনে প্রাথমিকের শিক্ষক বদলি শুরু

ডেস্ক,১২ সেপ্টেম্বর:

অক্টোবরে অনলাইনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি শুরু করার কথা রয়েছে। তার তার আগেই সফটওয়্যার ট্রায়াল শুরু করার কথা ছিল। কিন্তু কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে তা পিছিয়ে যায়। তবে চলতি মাসেই ট্রায়াল শুরু করবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ্ ।

অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, সফটওয়্যার যাচাই ও শিক্ষক বদলির কিছু শর্ত নিয়ে কাজ করছে চলছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বৈঠক করবেন অধিদফতরের মহাপরিচালক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে। নতুন কিছু বিষয় ইনস্টল করা হবে সফটওয়্যারে। তারপর চূড়ান্ত করেই এ মাসে ট্রায়াল শুরু হবে।

জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন বলেন, ‘অধিদফতর কাজ করছে। অনলাইনে শিক্ষক বদলির বিষয়টি নিয়ে অধিদফতরের সঙ্গে শনিবার বৈঠক করবো। ’

জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ্ বলেন, ‘এ মাসেই ট্রায়াল শুরু করা সম্ভব হবে। আমরা জুন মাসেই অনলাইনে শিক্ষক বদলি শুরু করতে চেয়েছিলাম। করোনার কারণে তা সম্ভব হয়নি। করোনার মধ্যেও কাজ করে এগিয়ে নিয়েছিলাম। কিন্তু আমি নিজে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এই কাজে আরও একমাস সময় নষ্ট হয়ে গেছে। ‘

২০২০ সাল থেকে অনলাইনে ভর্তির কার্যক্রম শুরু করার জন্য এ বছর ফেব্রুয়ারিতে জরুরি বদলি ছাড়া সহকারী শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়। কিন্তু কম সময়ে অনলাইন বদলি শুরু করতে না পারায় গত মার্চের শেষ সপ্তাহ থেকে হার্ড কপির আবেদনে বদলি কার্যক্রম শুরু করার কথা ছিল। কিন্তু করোনাভাইরাসের প্রকোপের কারণে তাও সম্ভব হয়নি। জরুরি বদলিও আটকে যায়।

এই পরিস্থিতিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক জানিয়েছিলেন, ‘ছুটির পর আমরা শিক্ষক বদলি কার্যক্রম (হার্ড কপিতে আবেদনের বিপরীতে) শুরু করবো। আর করোনাভাইরাসের প্রকোপের কারণে ছুটি দীর্ঘায়িত না হলে অনলাইনে বদলির ব্যবস্থা চূড়ান্ত হবে শিগগিরিই। তবে সরকারি ছুটি শেষ হলেও অধিদফতরের মহাপরিচালক করোনা আক্রান্ত হয়ে পড়েন। ফলে পিছিয়ে যায় অনলাইন বদলি চূড়ান্ত করার কাজ। অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, সুস্থ হয়েই মহাপরিচালক অনলাইনে শিক্ষক বদলির সফটওয়্যার সংক্রান্ত কাজে হাত দেন।

উল্লেখ্য, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বদলি কার্যক্রম জানুয়ারিতে শুরু হয়ে চলে ৩১ মার্চ পর্যন্ত। প্রতিবছর এই বদলি নিয়ে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। বদলির সময় অধিদফতরের এক শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে যোগসাজশ করে দালালরা শিক্ষকদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয় লাখ লাখ টাকা।

এই অভিযোগ আমলে নিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় আগে থেকেই অনলাইনে শিক্ষক বদলির উদ্যোগ নেয়। দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন ওই সময় জানিয়েছিলেন, দুর্নীতি বন্ধ করতে ২০২০ সাল থেকেই অনলাইনে প্রাথমিক শিক্ষক বদলি কার্যক্রম শুরু করা হবে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এইচএসসি পরীক্ষা: আরও সময় নিতে চায় শিক্ষাবোর্ড

ডেস্ক,১২ সেপ্টেম্বর:
করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে দেশের সব ধরণের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ে এবছরের এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। কবে নাগাদ এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারে সেসম্পর্কে নির্দিষ্ট করে কিছু না বললেও সরকার বলছে, করোনাভাইরাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আগে জনস্বাস্থ্যকে ঝুঁকির মুখে ফেলে পরীক্ষা নেয়ার মত সিদ্ধান্ত সরকার নেবে না।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, করোনায় স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকায় কখন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত এখনো নেওয়া হয়নি। নতুন সূচি প্রকাশের অন্তত ১৫ দিন পর এই পরীক্ষা নেওয়া হবে।

এদিকে, এ পরীক্ষা নিতে আরও সময় নিতে চায় আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি। কমিটি বলছে, সবার আগে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা। তাই করোনা পরিস্থিতির আরো উন্নতি হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছি।

তবে শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়া দেশের প্রায় সব কিছুই খোলা রয়েছে। শিক্ষার্থীরাও নিয়মিত ঘরের বাইরে বের হচ্ছে। তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণের বিষয়টি ভাবতে পারে সরকার।

সাবেক শিক্ষাসচিব নজরুল ইসলাম খান বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া যেতে পারে। আর কত দিন অপেক্ষা করা যায়? তবে এ জন্য কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়াতে হবে। এ ছাড়া স্বাস্থ্যবিধি মানতে যা যা করা দরকার, তা মেনে পরীক্ষা নেওয়া যেতে পারে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, করোনা পরিস্থিতির আরো উন্নতি হওয়ার জন্য আমরা অপেক্ষা করছি। এছাড়া আর কোনো বিকল্প এই মুহূর্তে আমাদের হাতে নেই। কারণ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা আমাদের কাছে সবার আগে।

জানা যায়, সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। এ বছর এই সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণই সম্ভব হয়নি। ফলে এমনতিইে শিক্ষার্থীদের প্রায় পাঁচ মাসের সেশনজটে পড়তে হবে। এরপর যদি এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণে আরো দেরি হয়, তাহলে উচ্চশিক্ষায় সেশনজট দীর্ঘ হবে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

দীর্ঘমেয়াদে দায়িত্ব পালন করার মতো ডিজি চান প্রাথমিক শিক্ষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক,১১ সেপ্টেম্বর:
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরে (ডিপিই) গত এক বছরে দুজন মহাপরিচালক (ডিজি) পরিবর্তন হয়েছেন। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ২০১৯ সালের ২০ জানুয়ারি ভারপ্রাপ্ত সচিব হিসেবে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয় মো. আবু হেনা মোস্তফা কামালকে। এরপর মহাপরিচালক পদে ওই বছরের ৩০ জানুয়ারি নিয়োগ পান (অতিরিক্ত সচিব) এ এফ এম মনজুর কাদির। দায়িত্ব পালন শেষে গত ৩১ ডিসেম্বর অবসরে যান তিনি। এক বছরের কম সময় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এরপর গত ১২ জানুয়ারি মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পান অতিরিক্ত সচিব মো. ফসিউল্লাহ্। পরদিন কাজে যোগ দেন। বছর পূর্ণ না হতেই তিনিও অবসরে যাচ্ছেন। তার শেষ কর্মদিবস আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর।

এই পরিস্থিতিতে শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, মহাপরিচালকরা কাজ বুঝে নিতে না নিতেই তাদের বিদায় নিতে হয়। ফলে সমস্যা ও সংকট চলে বছরের পর বছর। এই পরিস্থিতির উত্তরণ চান শিক্ষক-কর্মকর্তারা। তারা বলছেন, চুক্তিতে হলেও একজন ব্যক্তিকে মহাপরিচালক হিসেবে কমপক্ষে তিন বছর রাখা জরুরি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদের সদস্য সচিব ও সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের বর্তমান মহাপরিচালক আগামী ১৪ সেপ্টেম্বরের পরে থাকবেন না, অবসরে যাবেন। এটা সত্যিই হতাশার। কারণ কাজ বুঝে না নিতে নিতেই মহাপরিচালকরা বিদায় নেন। আবু হেনা মোস্তফা কামাল পদোন্নতি পেয়ে বদলি হয়ে চলে গেলেন। তিনি ভালো কিছু উদ্যোগ নিয়েছিলেন, শেষ করতে পারেনি। এরপর এ এফ এম মঞ্জুর কাদির এসেছিলেন, কিন্তু কিছু উদ্যোগ নিতে না নিতেই তিনিও অবসরে গেছেন।’

মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ আরও বলেন, ‘এরপর ফসিউল্লাহ্ স্যারকে পেয়েছিলাম। আমার দেখা মতে তিনি সবচেয়ে কর্ম-উদ্যোমী মানুষ। তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নিয়ে সমস্যার সমাধান করতে পারেন। দায়িত্ব নেওয়ার একবছর না হতেই তাকেও চলে যেতে হচ্ছে। এভাবে কাজ বুঝে নিতে না নিতেই মহাপরিচালকরা বিদায় নেওয়ায় মাঠ পর্যায়ের শিক্ষক-কর্মকর্তারা ভোগান্তিতে পড়েন। একজন মহাপরিচালকে কমপক্ষে তিন বছর রাখা প্রয়োজন। যদি তাকে মহাপরিচালক হিসেবে চুক্তিতে আবারও নিয়োগ করা হয় তাহলে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন।’

মন্ত্রণালয়ের নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, প্রাথমিক শিক্ষার প্রয়োজনেই মো. ফসিউল্লাহ্ মহাপরিচালক হিসেবে চুক্তিতে নিয়োগ পেতে পারেন। কারণ যেসব উদ্যোগ তিনি নিয়েছেন নতুন মহাপরিচালক আসলে তা পিছিয়ে যেতে পারে। তৃতীয় প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি ৩) এবং চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি ৪) বাস্তবায়ন পিছিয়ে পড়তে পারে।

বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির মুখপাত্র এস এম ছায়িদ উল্লাহ বলেন, ‘অধিদফতরে যারা ডিজি হিসেবে আসছেন, তারা যখন সবকিছু বুঝে উঠছেন, তখনই তাদের অবসরের সময় চলে আসছে। ডিজিরা এসে প্রতিশ্রুতি দেন, আর কাজ শুরু করতে না করতেই চলে যান। আমরা এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ চাই। শিক্ষকদের সমস্যা সমাধানে কমপক্ষে তিন বছরের জন্য মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এমন কাউকে চাই। কারও চাকরি শেষ হলেও চুক্তি করে হলেও তিন বছর রাখা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন বলেন, ‘তাকে (মো. ফসিউল্লাহ্) চুক্তিতে রাখলে প্রাথমিক শিক্ষার লাভ হতো। কিন্তু বিষয়টি সরকারের।’

শিক্ষকরা বলছেন, বেশির ভাগ মহাপরিচালক কম সময়ের জন্য থাকায় তাদের নেওয়া উদ্যোগ কাজে আসে না। নতুন মহাপরিচালক নতুন করে উদ্যোগ নেন। এতে ব্যাহত হয় প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন কাজ।

প্রসঙ্গত, দেশে ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক রয়েছেন প্রায় চার লাখ। এছাড়া অধিদফতরের অধীনে বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও অফিস রয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

অনলাইন বদলিতে অগ্রাধিকার পাবেন প্রাথমিকের যেসব নারী শিক্ষক

ডেস্ক,১১ সেপ্টেম্বর:
অনলাইনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি শিগগিরিই চালু হতে যাচ্ছে। চলতি মাসে সফটওয়ার ট্রায়াল শেষ হলেই চূড়ান্ত বদলি কার্যক্রম শুরু হবে। অনলাইন এই বদলিতে সুবিধা পাবেন প্রতিবন্ধী, গুরুতর অসুস্থ ও তালাকপ্রাপ্ত বা বিধবা নারী শিক্ষকরা। বাংলা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ্।

অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক শিক্ষক বদলিতে বিগত সময় নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে ২০২০ সাল থেকে অনলাইন শিক্ষক বদলির ঘোষণা দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন।
বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে সফটওয়্যার নির্মাণে কাজ শুরুর ব্যবস্থা নেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ। ওই সময় মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে প্রাথমিকের বদলি বন্ধ রাখা হয়। কিন্তু করোনার কারণে সফটওয়্যার প্রস্তুত করতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। বদলি কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।
সফটওয়্যার প্রস্তুত হলে বিদ্যমান বদলি নীতিমালা অনুযায়ী সুবিধা বা অগ্রাধিকার পাবেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিবন্ধী, গুরুতর অসুস্থ শিক্ষক ও তালাকপ্রাপ্ত বা বিধবা নারী শিক্ষকরা। এর আগে বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ীও এসব শিক্ষকরা বিশেষ বিবেচনায় বদলির সুযোগ পেতেন।
এই বিষয়টি মাথায় রেখে সফটওয়্যারে এসব শিক্ষকদের সুযোগ উন্মুক্ত রাখতে নতুন করে এই বিষয়টি ইনস্টল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এই কার্যক্রম শেষ হবে। এ ক্ষেত্রে বিদ্যমান নীতিমালাতেও সংশোধন আনা হবে।
জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক ফসিউল্লাহ্ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সফটওয়্যারের কাজ জুনেই শেষ করার কথা ছিল। করোনার কারণে হয়নি। আমরা এ মাসেই ট্রায়াল শুরু করবো। যেসব শিক্ষক ডিজেবল, গুরুতর অসুস্থ এবং ডিভোর্স বা বিধবা হয়েছে এমন নারী শিক্ষকদের জন্য কাজ করছি। তারা যাতে সুবিধা পেতে পারেন সে বিষয়টি দেখা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে নীতিমালায় এই বিষয়টি আনতে হবে। আমরা আগামী রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব করবো। সফটওয়ার প্রস্তুত হয়ে গেলে সিনিয়র সচিব দেখবেন। তারপর ট্রায়াল করা হবে।’
মহাপরিচালক আরও জানান, সফটওয়্যারের মাধ্যমে বদলি চালু হলে তদবির থাকবে না। বদলি নীতিমালা অনুযায়ী যারা বদলির যোগ্য হবেন তারাই আবেদন করতে পারবেন। বদলির নির্ধারিত সময়ের আগে কেউ বদলি চাইলে অনলাইনে তারা আবেদন গৃহীত হবে না। দুর্নীতি করার কোনও সুযোগ থাকবে না। বদলি আবেদন অযথা দীর্ঘদিন আটকে রাখতে পারবেন না কোনও কর্মকর্তা।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকে অনলাইন বদলির ট্রায়াল শুরু চলতি মাসেই

ডেস্ক,১০ সেপ্টেম্বর:

আগামী অক্টোবরে সারা দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভার্চুয়াল মাধ্যমে শিক্ষক বদলি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। সেজন্য চলতি মাসেই অনলাইনে শিক্ষক বদলির ট্রায়াল শুরু করবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। যদিও এই ট্রায়াল গত জুন মাসে শুরুর কথা ছিল। তবে করোনার কারণে সেটি সম্ভব হয়ে ও ওঠেনি।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ। তিনি বলেন, সেপ্টেম্বর মাসেই আমরা অনলাইন শিক্ষক বদলির ট্রায়াল শুরু করব। গত জুন মাসেই আমরা অনলাইনে শিক্ষক বদলির ট্রায়াল শুরু করতে চেয়েছিলাম। করোনার কারণে তা সম্ভব হয়নি।

অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, অনলাইনে শিক্ষক বদলির জন্য সফটওয়্যার যাচাই ও শিক্ষক বদলির কিছু শর্ত নিয়ে কাজ চলমান রয়েছে। এটি নিয়ে আগামীকাল শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আকরাম-আল-হোসেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। অনলাইনে শিক্ষক বদলির জন্য তৈরি করা সফটওয়্যারে নতুন কিছু বিষয় যুক্ত করা হবে। এটি যুক্ত হওয়ার পর চলতি মাসেই ট্রায়াল শুরু হবে।

প্রসঙ্গত, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বদলিতে নানান অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। বদলির সময় অধিদপ্তরের এক শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে যোগসাজশ করে দালালরা শিক্ষকদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। শিক্ষকদের এই অভিযোগ আমলে নিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় অনলাইনে শিক্ষক বদলির উদ্যোগ নেয়।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ইউএনওকে উন্নত চিকিৎসা দিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০

দুর্বৃত্তদের হামলায় আহত দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমকে উন্নত চিকিৎসা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ বৃহস্পতিবার (০৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে ইউএনও ওয়াহিদা খানমকে দেখতে গিয়ে জনপ্রসাশন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এ কথা জানান। তিনি আরো জানান, হামলকারীরা ইউএনও’র পরিচিত নন।

তিনি বলেন, বাসার সামনের সিসিটিভি ফুটেজে হালকা গড়নের কম বয়সী দুজনকে প্রবেশ করতে দেখা গেছে। তবে তাদের চেহারা অস্পষ্ট, চেনা যাচ্ছে না। তারা ইউএনওকে হাতুড়ি জাতীয় কিছু দিয়ে আঘাত করেছে বলে মনে হচ্ছে।

জড়িতদের গ্রেফতারে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় পুলিশ সুপার আমাদের আশ্বস্ত করেছেন। আশা করছি, দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেফতার সম্ভব হবে। ক্লু পেতে কাজ করছেন তারা।

তিনি বলেন, চিকিৎসাধীন ওয়াহিদা খানমের সেন্স আছে এবং স্পষ্ট কথা বলতে পারছেন। তিনি হামলাকারী কাউকে চেনেন না বলে জানিয়েছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে যান জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী। হাসপাতালে সাক্ষাৎ ও খোঁজখবর নেন।

উল্লেখ্য, বুধবার (০২ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাত ২টার দিকে দুর্বৃত্তরা তাঁর বাসায় ঢুকে ধারালো অস্ত্র ও হাতুড়ি জাতীয় কিছু একটা দিয়ে ইউএনও এবং তাঁর বাবার ওপর হামলা চালায়। ইউএনওর মাথায় গুরুতর আঘাত এবং তাঁর বাবাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরে আজ বৃহস্পতিবার তাঁকে ঢাকায় আনা হয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বার্ষিক পরীক্ষা না হলে অটোপাস

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০

চলতি বছর কেন্দ্রীয়ভাবে পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার আয়োজন করা হবে না। তবে করোনার উন্নতি হলে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হলে বার্ষিক পরীক্ষার মাধ্যমে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের পঞ্চম শ্রেণি পাসের সার্টিফিকেট দেয়া যেতে পারে। আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব না হলে অটোপাস ছাড়া আর কোনো গতি দেখছেন না প্রাথমিক শিক্ষার মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বলেন, ‘এটা সবাই জানেন, এ বছর কেন্দ্রীয়ভাবে পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা নেয়া হবে না, তবে যদি করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হয় তাহলে শিক্ষার্থীদের পরবর্তী ক্লাসে উন্নীত করতে তাদের যতটুকু পড়ানো হয়েছে তার ওপর মূল্যায়ন করতে বার্ষিক পরীক্ষা নেয়া হতে পারে। এ পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পঞ্চম শ্রেণির সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা না হলে কী হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে মহাপরিচালক বলেন, “খোলা সম্ভব না হলে অটো পাস ছাড়া উপায় কী।’ তবে, এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না।

গত ২৫ আগস্ট পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী-ইবতেদায়ী পরীক্ষা কেন্দ্রীয়ভাবে আয়োজন না করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতির মধ্যে আমরা শিক্ষার্থীদের ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে চাই না। তাই এ বছর সমাপনী-ইবতেদায়ী পরীক্ষা বাতিল করতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি সারসংক্ষেপ পাঠানো হয়। প্রধানমন্ত্রী এতে সম্মতি দেয়ায় এবার এ স্তরে কেন্দ্রীয়ভাবে পরীক্ষা আয়োজন করা হবে না।

জাকির হোসেন আরও বলেন, এ বছর কেন্দ্রীয়ভাবে সমাপনী-ইবতেদায়ী পরীক্ষা নেয়া না হলেও শিক্ষার্থীদের ক্লাস মূল্যায়নের মাধ্যমে ষষ্ঠ শ্রেণিতে উন্নীত করা হবে। তবে স্কুল খোলা সম্ভব হলে পঞ্চম শ্রেণি ছাড়া অন্যান্য ক্লাসের পরীক্ষাগুলো নেয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আকরাম আল হোসেন বৃহস্পতিবার বলেন, ‘পরীক্ষা বাতিল করা হলেও এ বছর কোন পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করে শিক্ষার্থীদের পরবর্তী ক্লাসে উন্নীত করা হবে সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে বিষয়টি অধিদফতরকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তারা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।’

মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কয়েক দফায় আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত এ ছুটি বাড়ানো হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

স্বয়ংক্রিয় উচ্চতর স্কেল, বেতন বিলে কমিটির হস্তক্ষেপ থাকবে না : অতিরিক্ত সচিব

দৈনিকি শিক্ষা ডেস্ক,৩ সেপ্টেম্বর:
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোমিনুর রশিদ আমিন বলেছেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন-ভাতা পরিশোধে ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির কোনো হস্তক্ষেপ থাকবে না। ইএফটির মাধ্যমে সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে শিক্ষকরা বেতন পাবেন। যদি শিক্ষক কোন অন্যায় করে থাকে (সাময়িক বরখাস্ত হলে) তা অন্যভাবে দেখা হবে। প্রতিষ্ঠান প্রধানর সময়মতো উচ্চ মহলে জানাবেন।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় দেশের শিক্ষা বিষয়ক একমাত্র পত্রিকা দৈনিক শিক্ষা ডটকমের লাইভে যুক্ত এসব কথা বলেন তিনি।

অতিরিক্ত সচিব আরো বলেন, কোনো মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে নয়, ব্যাংক অ্যাকাউন্টেই যাবে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন ভাতা। সরকারি কর্মচারীদের মত ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার ইএফটির মাধ্যমে শিক্ষকদের বেতন ভাতা সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন তুলতে ভোগান্তি কমাতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় ব্যাংক অ্যাকাউন্টে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা পাঠাতে শিক্ষকদের এনআইডি নম্বর, ইনডেক্স নম্বর এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর ইন্টারফেসিং করে একটি ডাটাবেজ তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। একটি টেকনিক্যাল কমিটিও করা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এমপিওভুক্ত পাঁচ লাখ শিক্ষকের বেতন মোবাইল ব্যাংকিংয়ে মাধ্যমে

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩০ আগষ্ট:
এমপিওভুক্ত প্রায় পাঁচ লাখ শিক্ষকের বেতন মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। বেতন পাওয়ার বিষয়টি সার্বিকভাবে দ্রুত, সহজ ও ব্যাংক থেকে টাকা তোলার ঝামেলা এড়াতেই এমন পরিকল্পনা। এতে সরকারের ব্যয় হবে ২০০ কোটি টাকা। আর সুবিধাটি পেতে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মোবাইল ব্যাংকিংয়ে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। অ্যাকাউন্টের তালিকা যাচাই-বাছাই করে সরাসরি ওই মোবাইল অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাবে অর্থ মন্ত্রণালয়। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতনের টাকা পাওয়ার বিষয়টি আরো দ্রুত ও সহজ করার পরিকল্পনা হচ্ছে। সে লক্ষ্যে বেতন মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পাঠানোর বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে। এটা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় ও আমরা এ নিয়ে কাজ করছি।’

অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘আমরা এরই মধ্যে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বিভিন্ন ভাতা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছি। এবার এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন দেওয়ার বিষয় নিয়ে কাজ চলছে।’

সূত্র মতে, গত অক্টোবরে নতুন করে দুই হাজার ৭৩০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়েছে। এ নিয়ে সর্বমোট প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকের সংখ্যা প্রায় চার লাখ ৯৬ হাজার। তাঁরা সরকার থেকে মূল বেতনের সঙ্গে বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ব্যয় মিলিয়ে এক হাজার ৫০০ টাকা পান।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter