টপ খবর

প্রশ্ন ফাঁসের ছয়টি কারণ তুলে ধরলেন শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক,২০ ফেব্রুয়ারী : সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ন্ত্রণে তেমন কোনো ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হচ্ছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। ফলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্ন আপলোডকারীদের শনাক্ত করা যাচ্ছে না। এবং সন্দেহজনক অ্যাকাউন্টগুলোকেও শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলে ধরেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষা ও চলমান এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস রোধে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এমন অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের সভাপত্বিতে সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই সচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব, আইসিটি সচিব, জননিরাপত্তা বিভাগের সচিবসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সব দফতর ও সংস্থার প্রধানরা উপস্থিত রয়েছেন।

এ সংক্রান্ত করণীয় ও প্রশ্ন ফাঁসের ক্ষেত্রগুলো তুলে ধরা হয়েছে। সর্বোপরি পাবলিক পরীক্ষা গ্রহণকে কষ্টসাধ্য উল্লেখ করে বলা হয়েছে, বিজি প্রেস প্রশ্ন কম্পোজ এডিট, প্রিন্ট ও প্যাকেজিং পর্যায়ে প্রায় ২৫০ ব্যক্তির সম্পৃক্ততা রায়েছে। তারা প্রশ্নপত্র কপি করতে না পারলেও তা স্মৃতিতে ধারণ করা সম্ভব। এভাবেও প্রশ্ন ফাঁস করা সম্ভব হতে পারে বলে মনে করছে শিক্ষা-মন্ত্রণালয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মাধ্যমে ট্রেজারি বা নিরাপত্তা হেফাজত থেকে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছানোর নির্দেশ রয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে অনেক কেন্দ্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করছেন না বলে অভিযোগ রয়েছে। অতিরিক্ত কেন্দ্রের অনুমতি দেয়া হয়েছে। অথচ সেখানে পর্যাপ্ত জনবলের অভাব রয়েছে। তাছাড়া ভেন্যুগুলো থেকে মূল কেন্দ্রগুলোর দূরত্ব অনেক বেশি। ফলে ৩০ মিনিটের আগে কেন্দ্র সচিব প্রশ্ন খুলতে বাধ্য হচ্ছেন। সেখান থেকেও প্রশ্ন ফাঁস হতে পারে।

বলা হয়েছে, পরীক্ষার্থী বা পরীক্ষার দায়িত্বপ্রাপ্তদের স্মার্টফোন নিয়ন্ত্রণ করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ছে। গুটি কয়েক কর্মকর্তা-কর্মচারীর কারণে মূল প্রশ্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার হয়ে যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁসকারীদের চিহ্নিত করতে এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীরা তৎপরতা আরও বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে। এটা পরীক্ষার শুরুর ১৫ দিন আগে থেকেই শুরু করা হলে ভালো ফল পাওয়া যেতে পারে।

গোয়েন্দা বাহিনীর লোকবল ও অবকাঠামোগত ও প্রযুক্তিগত স্বল্পতার কারণে কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় নজরদারী করা সম্ভব হচ্ছে না। দুষ্কৃতিকারীদের তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেফতার ও শস্তির আওতায় আনতে না পারায় অন্যরাও অপরাধ করতে ভয় পাচ্ছে না। ফলে প্রশ্ন ফাঁস রোধ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

বিটিআরসি কর্তৃক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ন্ত্রণে তেমন কোনো ব্যবস্থা নেই। ফলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্ন আপলোডকারীদের শনাক্ত করা যাচ্ছে না। এবং সন্দেহজনক অ্যাকাউন্টগুলোও শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না।

পাবলিক পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে সভায় কার্যপত্রে এসব বিষয় তুলে ধরেছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। এসব সমস্যা কীভাবে সমাধান করা সম্ভব সেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে।

উল্লেখ, আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে চলমান এসএসসি পরীক্ষা। এরপর ২ এপ্রিল থেকে শুরু হবে এইচএসসি পরীক্ষা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দর্শনায় কোচিং বানিজ্য চলাকালিন ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান: ৯ শিক্ষক শোকজ

স্টাফ রিপোর্টারঃ চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ও কেরু উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবৈধ কোচিং বানিজ্য চলাকালিন সময়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন  ও জেলা গোয়েন্দা সংস্থা এন এস আই এর যৌথ অভিযানে ৯ জন শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে।
জানাগেছে, গতকাল সোমবার বিকাল সাড়ে ৩ টা থেকে সাড়ে ৪ টা পযর্ন্ত এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। দু’টি  স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের  ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে স্বিকারোক্তি মূলক জবান বন্ধীতে বলে তাদের নিকট থেকে শিক্ষকরা মাসে ৬০০ টাকা থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকে। প্রায় শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ ৬ষ্ঠ শ্রেনী থেকে ১০ ম শ্রেনীর ছাত্র-ছাত্রীদেরকে বাধ্যতামূলক কোচিং করিয়ে আসছেন।
আরোও জানা গেছে, এ ধরনের তথ্য পেয়ে  চুয়াডাঙ্গা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা মো: জসিম উদ্দিন, চুয়াডাঙ্গা জেলা গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই উপ-পরিচালক আবু জাফর ইকবাল ও নির্বাহী ম্যজিস্ট্যাট পাপিয়া আক্তার, ইফাত আরা জামান উম্মি, চৌধুরী মোস্তাফিজুর রহমান যৌথ ভাবে অবৈধ কোচিং বানিজ্য’র বিরুদ্ধে অভিযান চালায়। প্রথমে দর্শনা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। সেখানে চারটি আলাদা কক্ষে অবৈধ ভাবে প্রায় ১০০ ছাত্রীদের কোচিং ক্লাস করানো হচ্ছিল। এ সময় ছাত্রীদের ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে জবান বন্দি নেওয়া হয়।
পরে দর্শনার কেরুজ উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। সেখানে যেয়ে দেখেন স্কুলে ক্লাস চলছে এরকম পরিবেশ। প্রায় ৩০০ জন ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে অবৈধ কোচিং চালাচ্ছে। ছাত্র-ছাত্রীদের নিকট ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে কারোক্তি মূলক জবানবন্ধী নেওয়া হয়। ছাত্র-ছাত্রীরা বলেন, ৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে ১০ম পর্যন্ত মাসে ৭০০ টাকা থেকে ১০০০ টাকা কোচিং ফি নেয় শিক্ষকেরা। এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা মো: জসিম উদ্দিন  বলেন, অবৈধ কোচিং করানোর দায়ে দর্শনা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ কে এম হুমায়ন কবির, সহকারী প্রধান শিক্ষক হাসমত আলী, সহকারী শিক্ষকা নাসরিন আক্তার শিলু, সহকারি শিক্ষক হাফিজুর রহমান হাফিজ এবং দর্শনা কেরুজ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ইকবাল রেজা, আশরাফ হোসেন, স্নেহময় বসাক নান্টু, ফারুক হোসেন, আসমা খাতুন। তাদের বিরুদ্ধে লিখিত ভাবে শোকজ এবং আইনানুগ ব্যবস্থা সহ শিক্ষা মন্ত্রানলয়ে অভিযোগ করা হবে।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে নতুন পদ্ধতিতে পাবলিক পরীক্ষা নেয়ার ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ ফেব্রুয়ারী : প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে নতুন পদ্ধতিতে পাবলিক পরীক্ষা নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানিয়েছেন, আগামী বছর থেকে নতুন পদ্ধতিতে এসএসসি পরীক্ষা নেওয়া হবে। প্রশ্নফাঁস নিয়ে বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) হাইকোর্টে রুল জারির পর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

বৃহস্পতিবার এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস রোধে সরকারের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট। হাইকোর্টের এ সংক্রান্ত্র রুলের পর মন্ত্রণালয়ের অবস্থান জানতে চাইলে মো. সোহরাব হোসাইন এ কথা জানান।
তিনি বলেন, ‘পরীক্ষার বর্তমান পদ্ধতি পরিবর্তনে আমি নিজে কাজ করছি। একটি উপায় আমরা অবশ্যই বের করবো এবং বিশেষজ্ঞদের এ কাজে সম্পৃক্ত করবো। নতুন পদ্ধতিতে আগামী বছর থেকে পরীক্ষা নেওয়া হবে। যে পদ্ধতি নিয়ে জনমনে আর কোনও প্রশ্ন থাকবে না।’
এমসিকিউ পদ্ধতি তুলে দেওয়া হবে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষা সচিব বলেন, ‘এমসিকিউর অবশ্যই একটি ভালো উদ্যোগ। তবে আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে তা কতটুকু ভালো উদ্যোগ সে বিষয়ে চিন্তা করার সময় এসেছে। এই পদ্ধতিটি খুবই ঝামেলা করছে। এ বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে আমি মনে করি, প্রশ্নফাঁসের বিষয়ে এমসিকিউ অনেকাংশে দায়ী।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রশ্নফাঁস কোথা থেকে হয় তার মূলে আমরা এখনও পৌঁছাতে পারিনি। তদন্ত সংস্থার সদস্যরা সমস্যার মূলে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। তারা নিশ্চয়ই এর একটা সুরাহা বের করে ফেলবেন।’
সেসব বিষয়ে প্রশ্নফাঁস হয়েছে সেসব বিষয়ের পরীক্ষা বাতিল হবে কিনা জানতে চাইলে সচিব বলেন, ‘এখনই বাতিল নয়, যাচাই-বাছাই কমিটি যে প্রতিবেদন দেবে, সেই কমিটির দেওয়া প্রতিবেদন পর্যালোচনা করতে আরও একটি কমিটি গঠন করা হবে। ওই কমিটি নিবিড় পর্যবেক্ষণ করে যে সুপারিশ করবে, সেই সুপারিশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আদালতের রুল জারির বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মো. সোহরাব হোসাইন বলেন, ‘আদালতকে ব্যাখ্যা দেওয়া হবে। আমরা আদালতের নির্দেশনা প্রতিপালন করবো।
এছাড়া, প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধের জন্য প্রশ্ন প্রণয়নে নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবনের চেষ্টা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।’
প্রশ্নফাঁসের হোতাদের ধরতে এর মূলে পৌঁছানোর জন্য গোয়েন্দা বাহিনী আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন মো. সোহরাব হোসাইন।
এর আগে তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার সাংবাদিকদের বলেন, আমি যেটি বিশ্বাস করি, যে পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়া হয়, প্রশ্ন তৈরি হয় এবং আমাদের শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করার চেষ্টা করি, আমার মনে হয় এটা নতুন করে ভাবার সময় হয়েছে। নতুন করে যদি না ভাবি তাহলে শত শত বছরের প্রাচীন পদ্ধতি ডিজিটাল যুগে অচল হতে পারে’।
ডিজিটাল প্রযুক্তিতে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা দেওয়ার মতো উপায় আছে জানিয়ে মোস্তাফা জব্বার বলেন, প্রয়োগ করাটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ হবে। কারণ শিক্ষার্থী তো দু’চারজন না, লাখ লাখ, লাখ লাখ প্রতিষ্ঠান, লাখ লাখ শিক্ষক, এদের মধ্য থেকে আমরা প্রযুক্তিগতভাবে এরকম ব্যবস্থা করতে পারি যে প্রযুক্তিগত ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে প্রাকটিক্যালি কারো পক্ষে প্রশ্ন ফাঁস করার কোনো সুযোগই থাকবে না। তবে ইন্টারনেট বন্ধ করা অথবা ফেসবুক বন্ধ করা সমাধান না’।
প্রযুক্তিগত দিক থেকে আমরা যে কাউকে ট্রেস করতে পারি, কিন্তু একটি বিষয় মনে রাখতে হবে প্রযুক্তিতে যে রকম সরাসরি চিহ্নিত করার সুযোগ আছে, ফাঁকি দেওয়ারও সুযোগ আছে। রিয়েল আইপি অ্যাড্রেস থাকলে সহজে সনাক্ত করা যায়, কিন্তু
ফেসবুকের সঙ্গে চুক্তি বা সরাসরি যোগাযোগ না থাকায় প্রশ্ন ফাঁসকারীর তথ্য তাৎক্ষণিক না পাওয়ায় ক্ষতি হয়ে যায় বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার
মোস্তাফা জব্বার আরও বলেন, আশ্বস্ত করতে পারি, আমরা তিন দিক থেকে কাজ করছি। বিটিআরসি, আইসিটি বিভাগ এবং পুলিশ বাহিনী কাজ করছে। আমরা এরইমধ্যে একটা সমন্বয় গড়ে তোলার চেষ্টা করছি। যে অবস্থাটা যাচ্ছে এই অবস্থাটাকে যাতে প্রকৃত সমাধানের জায়গায়…এটা কেবল প্রশ্ন ফাঁসের নিরাপত্তার বিষয় নয়, বস্তুত পক্ষে আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ হচ্ছে পুরো ইন্টারনেট ব্যবস্থাটাকে নিরাপদ করা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রধান শিক্ষক শিক্ষা অফিসে গেলেই ব্যবস্থা : দুদক চেয়ারম্যান

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ ফেব্রুয়ারী: কোনও প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক স্কুল সময়ে উপজেলা অফিসে আসলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও বিভাগীয় প্রধানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। তিনি বলেন,শ্রেণি কক্ষে পাঠদানের বাইরে কোচিং ও প্রাইভেট পড়ানো, টেস্ট পরীক্ষায় কোনও বিষয়ে ফেল করলে পুনরায় পরীক্ষা নিয়ে পাস দেখানো, পরীক্ষার ফরম পূরণে বোর্ড নির্ধারিত ফির থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের দুর্নীতি কঠোর হাতে দমন করা হবে।</p>
বৃহস্পতিবার (১৫ই ফেব্রুয়ারি) চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে ‘দুর্নীতিমুক্ত সরকারি সেবা, দুর্নীতির অভিযোগের প্রকৃতি’ বিষয়ে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

ইকবাল মাহমুদ বলেন,‘দুর্নীতিবাজরাই সমাজ ও দেশের উন্নয়নে সবচেয়ে বড় বাধা। তাই দুর্নীতি প্রতিরোধ করাটাই এখন বড় লক্ষ্য। বিশেষ করে প্রাথমিক শিক্ষায় দুর্নীতি হলে দেশ ও জাতি ধ্বংস হয়ে যাবে
ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ.এইচ.এম মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে পরিষদের সম্মেলন কক্ষে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সবুর মণ্ডল, ফরিদগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আবু সাহেদ সরকার, ভাইস চেয়ারম্যান ওয়াহিদুর রহমান রানা, পৌর মেয়র মাহফুজুল হক, উপজেলা প্রকৌশলী, ড. জিয়াউল ইসলাম মজুমদার, ওসি শাহ আলম, ইউপি চেয়ারম্যান ওমর ফারুক ফারুকী, আবুল কালাম ভূঁইয়া প্রমুখ।
এরপর দুদক চেয়ারম্যান উপজেলার চরবড়ালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাহেবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ও হাঁসা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দুর্নীতিবিরোধী মতবিনিময় সভা করেন। তিনি শিক্ষকদের দুর্নীতিবিরোধী স্লোগান সম্বলিত ছাতা এবং শিক্ষার্থীদের দুর্নীতিবিরোধী স্লোগান সম্বলিত শিক্ষা উপকরণ দেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের দায় শুধু মন্ত্রণালয়ের উপর চাপানো সঙ্গত নয়-দুদক

নিজস্ব প্রতিবেদক:
ঢাকা: পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের দায় শুধু মন্ত্রণালয়ের উপর চাপানো সঙ্গত নয় বলে মনে করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।

বুধবার চাঁদপুরে এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, বিশ বছর আগে যে লেখাপড়া হতো এখন তা হয় না। এ দায় কার? এ দায় শুধু শিক্ষা অফিসারক দিলে তো হবে না। এ দায় অভিভাবকদের, ছাত্রের।

তিনি বলেন, ‘প্রশ্নপত্র ফাঁস; এ দায় কি শুধু শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের? ইউ নিড টু আন্ডারস্ট্যান্ড যে কী করতে হবে। আসলে আমরা যাচ্ছি কোথায়? আমরা কি নদীর ভিতরে পড়ছি, নাকি নৌকায় উঠছি?’

চলমান এসএসসির যে বিষয়গুলোর পরীক্ষা সম্পন্ন হয়ে গেছে সবগুলোর প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। ফাঁসকারীকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য পুরস্কার ঘোষণা করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সংসদে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগও দাবি করা হয়। তারপরও প্রশ্ন ফাঁস বন্ধ হচ্ছে না।

ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘এখন প্রশ্ন হচ্ছে যে আপনাকে পারটিকুলার কথাটা বলতে হবে। এত বক্তৃতা দিয়ে কোনো লাভ নেই। অনেক বক্তৃতা এদেশে হয়ে গেছে। নাও টাইম হ্যাজ কাম ফর একশনস।আপনি কি মনে করেন না যে আমার বাচ্চারা শেষ হয়ে যাচ্ছে! আমাদের বাচ্চাদের কোনো লেখাপড়া হচ্ছে না! যত কথাই আপনারা বলেন না কেন সত্যকে সত্য বলতে হবে।’

এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার জন্য তিনি জনপ্রতিনিধিদের আহ্বান জানান।

চাঁদপুর জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে স্থানীয় কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে এ মতবিনিময় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে দুদকের মহাপরিচালক মোহাম্মদ জাফর ইকবাল, চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সবুর মন্ডলসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ প্রশ্ন ফাঁস বন্ধের সঠিক সমাধান নয়: জাফর ইকবাল
ইন্টারনেট বন্ধ করে প্রশ্ন ফাঁস বন্ধ করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন ঔপন্যাসিক ও শিক্ষাবিদ ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল। প্রশ্নফাঁস রোধে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগও কোনো সঠিক সমাধান নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সিলেটের মিরের ময়দানে বিশ্ব বেতার দিবস অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন জনপ্রিয় এ লেখক।

জাফর ইকবাল বলেন, ‘প্রথমত যদি প্রশ্নফাঁস হয়, তো লেখাপড়া শেষ। প্রশ্নফাঁস যদি হয়, যতই আপনি চেষ্টা করেন, লেখাপড়ার কোনো গুরুত্ব নাই। যেই ছেলেটা এসএসসিতে একটা ভালো করেছে, আমি তো জানি না সে আসলেই ভালো করেছে নাকি প্রশ্নফাঁসের জন্য ভালো করেছে। কিংবা যে ছেলেটা ভালো করে নাই, কেননা প্রশ্নফাঁস দেখে নাই। তাই না? তাঁকে তো আমি ক্ষতিগ্রস্ত করছি। কাজেই মোটামুটিভাবে বলা যায়, প্রশ্নফাঁস যদি চলতে থাকে তাহলে আমাদের দেশের শিক্ষার কোনো গুরুত্ব নাই। আমি বলতে পারবো না যে, শিক্ষা হচ্ছে। কাজেই সরকারকে এটা বন্ধ করতেই হবে।’

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ কোনো সমাধান নয় বলেও মন্তব্য করেন মুহাম্মদ জাফর ইকবাল। তিনি বলেন,‘এখন এটা হাস্যকর পর্যায়ে চলে গিয়েছে। জাতীয় সংসদে এটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং সেখানে সাংসদরা বলেছেন যে প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে। এবং শিক্ষামন্ত্রীকে বলেছেন পদত্যাগ করার জন্য। এটা এই পর্যায়ে গিয়েছে। স্বীকার করছেন না বললে এখন আর হবে না। অবশ্যই পদত্যাগ সমাধান না। কিন্তু প্রশ্নপত্র ফাঁসের সমস্যাটাকে সিন্সিয়ারলি অ্যাড্রেস করাটা, এটা সমাধান। আমি তো প্রথম দিন থেকে বলে আসছি যে, আপনারা ঘোষণা দেন, যে যা হবার হয়েছে ভবিষ্যতে আর প্রশ্নফাঁস হবে না। কিন্তু উনারা সেই ঘোষণা দেন না। কারণ উনাদের সেই কনফিডেন্সটা নাই, বলবেন যে প্রশ্নফাঁস হবে না। আমি যদি ঘোষণা দেই যে, প্রশফাঁস হবে না তাহলে আমাকে কিন্তু যেভাবেই হোক প্রশ্নফাঁস বন্ধ করতে হবে।’

প্রশ্নফাঁসের মূল কারণ উদঘাটন করে এর সমাধান করাটাই সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন বলে জানান মুহম্মদ জাফর ইকবাল। প্রয়োজনে বিজি প্রেসে প্রশ্ন না ছাপিয়ে বিকল্প উপায়ে প্রশ্ন ছাপানোর ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

জাফর ইকবাল বলেন,‘যখন নাকি ছাপানো হবে প্রশ্নটাকে তখনই এটা সেলফ সিকিউরড থাকতে হবে। যেন কোনোভাবে কারো হাতে না যেতে পারে। ইন্টারনেট বন্ধ করে এটা বন্ধ করা যাবে না। প্রশ্ন ফাঁসটা বন্ধ করতে হবে। প্রব্লেমটাকে অ্যাড্রেস করতে হইলে প্রথমত প্রব্লেমটাকে বুঝতে হবে। এ থেকে জেড পর্যন্ত প্রতিটা স্টেপ আমাকে জানতে হবে। ঠিক করে জানতে হবে, কোথায় এটা ফাঁস হয়েছে, কেন হয়েছে। তাঁর চেয়ে বড় কথা যারা এটা করছে তাদেরকে শাস্তি দিতে হবে।’

এর আগেও প্রশ্নফাঁসের কথা বললেও কেউ স্বীকার করেননি বলে জানান মুহম্মদ জাফর ইকবাল। তিনি বলেন, ‘আমি বহুদিন আগে এই প্রশ্নফাস নিয়ে শহীদ মিনার পর্যন্ত বসে ছিলাম, বৃষ্টির ভেতরে। কেউ আমার কথা শুনে নাই। অলরাইট? শিক্ষা মন্ত্রণালয় কখনো স্বীকার করে নাই যে প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে। এখন এটা শুরু হয়েছে, ফর দ্যা ফার্স্ট টাইম ওরা বলছে, যে হ্যা প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে। ইন্টারনেট বন্ধ করছেন, এটা বন্ধ করছেন, সেটা বন্ধ করছেন। মানে চেষ্টা করতেছেন। কিন্তু আমার মনে হয় যে, এটা প্রশ্নটাকে ঠিকভাবে এপ্রোচ করা হয় নাই। উনাদের এপ্রোচটা হচ্ছে যে, প্রশ্নফাঁস হবেই, আমরা শুধুমাত্র যেন ডিস্ট্রিবিউশনটা না করতে পারি সেটা দেখাইতে হবে। বুঝেছেন তো, ডিস্ট্রিবিউশনটা যাতে না করতে পারে। প্রশ্নফাঁস হবেই উনারা ধরে নিয়েছেন। কেন প্রশ্নফাস হবে, এটা আমি মানতে রাজি না।’

লেখক আরো বলেন, ‘আমি কালকে একটা ই-মেইল পেয়েছি, যেখানে একজন বলেছে, যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা ছেলে সারাদিন ধরে বোর্ড অফিসে থেকেছে, সেখান থেকে প্রশ্ন বের করে নিয়ে আসছে। আমি সত্য মিথ্যা জানি না। কিন্তু মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি হচ্ছে আমি যদি বোর্ডে বসে থাকি সারাদিন ঐখান থেকে একটা প্রশ্নপত্র কেউ না কেউ আমাকে দিয়ে দেবে। আসলেই এটা হয়েছে কিনা জানি না। কিন্তু মানুষজন কেন এটা চিন্তা করবে বোর্ডে গেলে একটা প্রশ্নপত্র পেয়ে যাব?’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে ১২ শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার, বহিষ্কার ২৭

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম :

চট্টগ্রামে পরীক্ষা শুরুর আগমুহূর্তে মোবাইল ফোনে প্রশ্নপত্র ফাঁস করার অভিযোগে ১২ জন এসএসসি পরীক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে ২৭ পরীক্ষার্থীকে।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ৯ জনকে চট্টগ্রামের বাওয়া স্কুল পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে এবং তিনজনকে ফটিকছড়ি উপজেলা হেঁয়াকো বনানী স্কুল কেন্দ্র থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জিল্লুর রহমান গ্রেপ্তার ও বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রামের বাওয়া স্কুল পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের ঘণ্টাখানেক আগে শ্যামলী পরিবহনের একটি বাসে ৫০ জন এসএসসি পরীক্ষার্থী ফাঁস হওয়া পদার্থ বিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্ন ও উত্তরপত্র মুঠোফোনে দেখছিল। এ সময় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মোরাদ আলী বাসটিতে আকস্মিক অভিযান পরিচালনা করে শিক্ষার্থীদের হাতে থাকা মোবাইল ফোনে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন ও উত্তরপত্র দেখতে পান। পরে ম্যাজিস্ট্রেট তাৎক্ষণিকভাবে শিক্ষার্থীদের আটক করার আইনানুগ ব্যবস্থা না নিয়ে তাদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়ে প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি অনুসন্ধান করেন। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পূর্বমুহূর্তে প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়ে পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরপরই নগরীর বাওয়া স্কুল পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে ৯ শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই সময় একই ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকার দায়ে ফটিকছড়ি উপজেলার হেঁয়াকো বনানী স্কুল কেন্দ্র থেকেও গ্রেপ্তার করা হয় তিন শিক্ষার্থীকে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৩৬তম বিসিএস নন-ক্যাডারে পদ প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকসহ প্রায় ৪ হাজার

ঢাকা, ১৩ ফেব্রুয়ারি : ৩৬তম বিসিএস নন-ক্যাডার নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ কর্ম কমিশন (পিএসসি)। নন-ক্যাডার নিয়োগে ১ম ও ২য় শ্রেণিতে মাত্র ৭৮৭ পদ পেয়েছে বাংলাদেশ কর্ম কমিশন (পিএসসি)। তবে প্রধান শিক্ষকসহ এই পদ প্রায় ৪ হাজার বলে জানিয়েছেন পিএসসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক।
যদিও বিসিএসে উত্তীর্ণদের প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ নিতে অনীহা রয়েছে। কারণ এই পদটি ২য় শ্রেণির বলা হলেও এখনো শিক্ষকেরা বেতন পান ১১ ও ১২ তম গ্রেডে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পিএসসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক শিক্ষাবার্তাকে বলেন, পদ তো আমরা অনেক পেয়েছি। সেটা প্রায় চার হাজার। ১ম ও ২য় শ্রেণিতে নিয়োগ দেয়া যাবে ৭৮৭ জনকে।
এক প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ সাদিক বলেন, ‘প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগে অনীহা থাকার বিষয়টি তো আমাদের কিছু করার নেই। এটা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত। এবিষয়ে আমরা কিছু বলতে পারব না।’
পিএসসি সূত্রে জানা গেছে, ৩৬তম বিসিএসে ২ হাজার ৩২৩ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়। এ ছাড়া উত্তীর্ণ ৩ হাজার ৩০৮ জনকে নন-ক্যাডারে রাখা হয়।
নন-ক্যাডারে নিয়োগ দিতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাছে শূন্য পদ চেয়ে চিঠি পাঠায় পিএসসি। এতে বেশ সাড়া পেয়েছে তারা। ১ম শ্রেণির পদে ৪২২টি এবং ২য় শ্রেণির ৩৬৫টিসহ মোট ৭৮৭টি শূন্য পদ পেয়েছে পিএসসি। আর প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক পদ রয়েছে কয়েক হাজার।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জাতীয়করনকৃত প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল এর আপত্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক: জয়পুরহাটে ১৬ জন জাতীয়করনকৃত প্রধান শিক্ষককের টাইমস্কেলে আপত্তি জানিয়েছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আশরাফুল কবীর। গত ১৮ ডিসেম্বর ২০১৭ ইং তারিখে এ আপত্তি জানান তিনি । তিনি বলেন যেহেতু সবাই (পদ্দোন্নতীপ্রাপ্ত ) ১৪/০৭/২০০৮ ইং তারিখের পত্র অনুযায়ী পদ্দোন্নতীপ্রাপ্ত তাই তাদের অর্থ মন্ত্রনালয়ের ২৩/০৩/৯৫ সালের পত্র অনুযায়ী টাইমস্কেল প্রাপ্তহবেন না।

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সোনালী ব্যাংকে ২২০১ জনকে নিয়োগে বাধা নেই

ঢাকা: সোনালী ব্যাংকে ২০১৬ সালের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী তিনটি পদে ২ হাজার ২০১ জনকে নিয়োগপ্রক্রিয়ায় বাধা কেটেছে। ওই নিয়োগপ্রক্রিয়ার ওপর আগে দেওয়া স্থিতাবস্থা তুলে নিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত। একই সঙ্গে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে চাকরিপ্রত্যাশীদের করা পৃথক পাঁচটি লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ।
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ আজ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন। আদালতে সোনালী ব্যাংকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী শেখ ফজলে নূর তাপস ও মোহাম্মদ মেহেদী হাসান চৌধুরী। অন্যদিকে, লিভ টু আপিলকারীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আবদুল মতিন খসরু, কামরুল হক সিদ্দিকী, রফিকুর রহমান ও এ এ ম আমিন উদ্দিন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সিনিয়র অফিসার, অফিসার ও অফিসার ক্যাশ পদে নিয়োগের জন্য তিনটি বিজ্ঞপ্তি দেয়। যেখানে পদসংখ্যা ছিল ২ হাজার ২০১। ওই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে নিয়োগের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন ৪৭৪ চাকরিপ্রত্যাশী। তাঁরা ২০১৪ সালে ৩১ জানুয়ারি সোনালী ব্যাংকে ১ হাজার ৭০৭টি পদে নিয়োগের জন্য দেওয়া সার্কুলারের ভিত্তিতে আবেদনকারী। রিট আবেদনে ওই বিজ্ঞপ্তির পরিপ্রেক্ষিতে হওয়া পরীক্ষায় অভ্যন্তরীণ তালিকায় তাঁদের নাম রয়েছে বলে দাবি করেন তাঁরা। তাই রিটকারীরা ২০১৬ সালের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী নিয়োগের আরজি জানান।
রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে গত বছরের ২৭ জুলাই হাইকোর্ট রিট আবেদন খারিজ করে রায় দেন। এ রায়ের বিরুদ্ধে চাকরিপ্রত্যাশীরা পৃথক পাঁচটি লিভ টু আপিল করেন। আপিল বিভাগ এ নিয়োগপ্রক্রিয়ার ওপর স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে আদেশ দেন। লিভ টু আপিলের শুনানি শেষে আজ আদালত তা খারিজ করে আদেশ দেন।
আদেশের পর আইনজীবী মোহাম্মদ মেহেদী হাসান চৌধুরী বলেন, আপিল বিভাগ পৃথক পাঁচটি লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছেন। ২০১৬ সালের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী পরীক্ষাসহ নিয়োগপ্রক্রিয়ার ওপর আগে আপিল বিভাগের দেওয়া স্থিতাবস্থা প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে ২ হাজার ২০১টি পদে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনায় আইনগত কোনো বাধা নেই। তিনি বলেন, ওই বিজ্ঞপ্তির পরিপ্রেক্ষিতে আট লাখ দরখাস্ত জমা পড়েছিল। তবে উচ্চ আদালতে মামলা করার কারণে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়নি কর্তৃপক্ষ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চট্টগ্রামে ৫০ পরীক্ষার্থীর মোবাইলে পদার্থ বিজ্ঞানের প্রশ্ন

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালি থানাধীন বাংলাদেশ মহিলা সমিতি স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের বাইরে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মোবাইলে পদার্থ বিজ্ঞানের প্রশ্নপত্র পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় প্রশ্নফাঁস চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার সকালে পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পাওয়া প্রশ্নপত্রের সঙ্গে মিলে যায় মূল প্রশ্ন। একটি বাসের মধ্যে বসে ফাঁস হওয়া প্রশ্নের উত্তর শিখে নিচ্ছিল শিক্ষার্থীরা।
এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট বাসটিতে তল্লাশি চালিয়ে শিক্ষার্থীর ব্যাগ থেকে মোবাইল ফোন উদ্ধার করে। যাতে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন ছিল। সেইসঙ্গে প্রশ্নফাঁস চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান জানান, পটিয়া আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা বাওয়া স্কুল কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে আসে। কেন্দ্রের বাইরে কিছু শিক্ষার্থীর মোবাইলে প্রশ্নপত্র পাওয়া যায়। তাদের প্রহরায় পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে। ঘটনাস্থলে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের টিম রয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

আজ রাত ৯:০০টায় লাইভে আসছেন অপু বিশ্বাস

বিনোদন ডেস্ক : বিচ্ছেদের মতো কঠিন বোঝা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন ঢালিউডের কুইন অপুবিশ্বাস। তবে বর্তমানে এ যন্ত্রণা কাটিয়ে স্বাভাবিকভাবে সব কাজ করে বেড়াচ্ছেন তিনি।

সম্প্রতি বিনোদন ভিত্তিক অ্যাপস লিঙ্কআসের শুভেচ্ছা দূত নির্বাচিত হয়েছেন অপু। আর ইদানিং তিনি লিঙ্কাআসের প্রচারণার মাধ্যমে নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন। ভক্তদের জন্য একটি সুখবর। আজ রাত ৯:০০টায় ভক্তদের সাথে আড্ডা দিতে লাইভে আসছেন আপনার প্রিয় অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মার্চে প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক,৮ ফেব্রুয়ারী :স্থগিত থাকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা আগামী মার্চের শেষ দিকে অনুষ্ঠিত হবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক (নিয়োগ) একেএম সাফায়েত আলম আজ ব্রহস্পতিবার (৮ই ফেব্রুয়ারি) সাংবাদিকদের এ খবর জানিয়েছেন।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের শূন্য পদে নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এজন্য স্থগিত থাকা একটি পরীক্ষা নেওয়ার পাশাপাশি নতুন করে বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূ্ত্রে জানা যায়, সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দিতে ২০১৪ খ্রিস্টাব্দের ৯ ডিসেম্বর একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিলো প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এতে প্রায় ১২ লাখ প্রার্থী আবেদন করেছিলেন। কিন্তু ‘পুল’ ও ‘প্যানেলভুক্ত’ শিক্ষকদের মামলা সংক্রান্ত জটিলতায় ওই বিজ্ঞপ্তির বিপরীতে প্রায় ১০ হাজার পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে যায়।

মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন, ‘পুল’ ও ‘প্যানেলভুক্ত’ শিক্ষকদের নিয়োগের পর মামলা জটিলতা নিরসন হওয়ায় নতুন করে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এজন্য মন্ত্রণালয়ের কাছে বাজেট চেয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

তিনি বলেন, নতুন করে আরো প্রায় ১০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দিতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেখানে ৮-১০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।

মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানায়, সহকারী শিক্ষকের প্রায় ১৭ হাজার এবং প্রধান শিক্ষকের আরো প্রায় ২০ হাজার পদ বর্তমানে পদ শূন্য রয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প-৪ এর আওতায় নতুন করে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

২ এপ্রিল থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু

নিউজ ডেস্কঃ
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগামী ২ এপ্রিল শুরু হবে, তত্ত্বীয় পরীক্ষা চলবে ১৩ মে পর্যন্ত।
বুধবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ ২০১৮ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সূচি অনুমোদন করে তা প্রকাশ করেছে।
সূচি অনুযায়ী, ১৪ থেকে ৩০ মে হবে ব্যবহারিক পরীক্ষা। পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যাই পরীক্ষার হলে গিয়ে আসনে বসতে হবে।
এবারও শুরুতে বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) অংশ এবং পরে রচনামূলক অংশের পরীক্ষা হবে।
৩০ নম্বরের বহুনির্বাচনী পরীক্ষার সময় ৩০ মিনিট এবং ৭০ নম্বরের সৃজনশীল পরীক্ষার সময় আড়াই ঘণ্টা। যেসব বিষয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষা রয়েছে সেগুলোর ২৫ নম্বরের বহুনির্বাচনী পরীক্ষার সময় ২৫ মিনিট এবং সৃজনশীল অংশের জন্য দুই ঘণ্টা ৩৫ মিনিট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রশ্ন ফাঁসকারীদের ধরিয়ে দিলে ৫ লাখ টাকা : শিক্ষামন্ত্রী

প্রশ্ন ফাঁসকারীদের ধরিয়ে দিতে পাঁচ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। চলমান এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

রোববার বিকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এসএসসি পরীক্ষা কমিটির জরুরি বৈঠক শেষে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

নাহিদ বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে এসএসসির প্রশ্ন ফাঁসের খবর পাওয়া যাচ্ছে। সেসব মূল্যায়ণ করতে উচ্চ পর্যায়ের ১১ সদস্যের কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব মো. আলমীর হোসেনকে আহ্বায়ক করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, পুলিশ, তিন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে এ কমিটি গঠন করা হবে। তারা ফাঁস হওয়া প্রশ্ন মূল্যায়ন করে প্রমাণ পেলে সারা দেশের পরীক্ষা বাতিল করতে পারবে।

‘আমরা ২০১৫ সালে ঘোষণা দিয়েছিলাম যে, ২০১৭ সালে নৈব্যত্তিকে আরও ১০ নম্বর কমিয়ে আনা হবে’ এমন মন্তব্য করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী বছর থেকে নৈব্যত্তিকের নম্বর কমানো হতে পারে। একটি সেমিনার করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, পরীক্ষার হলে পরীক্ষক-শিক্ষার্থী কেউই কোনো ধরনের ডিভাইজ, মোবাইল আনতে পারবে না। যদি কারো কাছে এসব পাওয়া যায় তাকে গ্রেফতার করা হবে। এছাড়াও ৩০ মিনিট আগে শুধু কেন্দ্রে প্রবেশ নয় পরীক্ষার্থীদের নিজ নিজ আসনে বসার নির্দেশ দেন তিনি।

নাহিদ বলেন, সরকারকে বিপাকে ফেলতে কেউ কেউ এসব নোংরা কাজে যুক্ত হচ্ছেন। তাদের কেউই রেহাই পাবে না। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীসহ বিভিন্ন সংস্থাকে আবারো তাগাদা দেয়া হয়েছে।

বৈঠকে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোহরাব হোসেন, কারিগরি ও মাদসারা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর হোসেন, তিনি বোর্ড চেয়ারম্যানসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এক ক্লিকেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব তথ্য

ডেস্ক,১ ফেব্রুয়ারী : সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহে নতুন ওয়েবসাইট তৈরি করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষক কতজন, শিক্ষার্থীর সংখ্যা, ফলাফল, ভবনের অবস্থানসহ সব তথ্য থাকবে এ ওয়েবসাইটে। শুধুমাত্র প্রাইমারি এডুকেশন প্রপার্টি ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (পিইপিএমআইএস) সাইটে গিয়ে ক্লিক করলেই বিস্তারিত দেখা যাবে।

শুধুমাত্র যাদের অ্যাকসেস থাকবে তারাই দেখতে পাবেন এসব তথ্য। ডিজিটাল এই ওয়েবসাইটি তৈরি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সরকারি প্রাথমিক স্কুলের ভবন নির্মাণসহ সব উন্নয়ন কাজের দীর্ঘসূত্রতা দূর হয়েছে। প্রথম দিকে মাঠপর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে কয়েক মাস সময়ে লেগে যেত। সঠিক তথ্য যথা সময়ে মিলতো না।

বর্তমানে সারাদেশের সব স্কুলের যাবতীয় তথ্য পিইপিএমআইএস ওয়েবসাইটে রয়েছে। ক্লিক করলেই মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা প্রত্যেক স্কুলের ভৌগোলিক অবস্থানসহ সব তথ্য পাচ্ছেন। ওয়েবসাইটের তথ্যের মাধ্যমেই এখন সব উন্নয়ন কাজ পরিচালনা করছেন। ফলে অর্থ এবং সময়ের অপচয় কমেছে। নেই কোনো তদবির।

এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন শাখার সহকারী প্রধান কর্মকর্তা মো. নুরুন্নবী বলেন, ‘জনপ্রতিনিধিসহ অনেকে স্কুলের নতুন ভবন নির্মাণের দাবি নিয়ে আসতেন। তারা অভিযোগ করতেন, ভবন সঙ্কটের কারণে শিক্ষার্থীরা গাছের নিচে ক্লাস করে। এখন কেউ তদবির নিয়ে আসলেই ওয়েবসাইটে ঢুকে ঘটনার সত্যতা যাছাই করা হয়। ভবনের ছবিসহ বিস্তারিত তথ্য দেখানোর পরে অনেকে সরি বলে চলে যান।

তিনি বলেন, একটি স্কুলের উন্নয়নমূলক কাজ করতে যত ধরনের তথ্য দরকার তার সব তথ্য ওয়েবসাইটিতে রয়েছে। ভবিষ্যতে ভবন নির্মাণের প্রয়োজন হলে তার ডিজাইন ও স্থানও নির্ধারণ করে ওয়েবসাইটে আপলোড করেছেন শিক্ষকরা।’

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, পিইপিএমআইএস ওয়েবসাইটে স্কুলের শ্রেণিভিত্তিক ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা, কর্মরত নারী ও পুরুষ শিক্ষকের সংখ্যা, শিক্ষক পদের সংখ্যা ও শূন্যপদ, চালু থাকা শিফট, স্কুলের জমির পরিমাণ, জমির মালিকানার সনদ, সেনিটেশন ব্যবস্থার চিত্র, ভবন ও ক্লাস রুমের সংখ্যা, ভবন ও ক্লাস রুমের আয়তন, ধরন, নির্মাণের সময়কাল, স্কুলের ভবনের সামনের-পেছনের দিকের ও দৈর্ঘ্যের ছবিসহ বিস্তারিত তথ্য দেয়া আছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter