টপ খবর

সমাপনীর ফল জানবেন যেভাবে

নিজস্ব প্রতিবেদক :

প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) এবং জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফল প্রকাশ হবে আগামীকাল।

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান পৃথক সংবাদ সম্মেলনে ফল প্রকাশ করবেন।

সংবাদ সম্মেলনের পর মোবাইল ফোনে এসএমএস ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর ফল জানতে পারবেন।

মোবাইল ফোনে যেভাবে জানা যাবে পরীক্ষার ফল

JSC/JDC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর (যেমন- ঢাকার ক্ষেত্রে DHA) লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে পাসের সন লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে জানা যাবে কাঙ্ক্ষিত ফল। যেমন- JSC DHA 223657 2016 এবং Send করতে হবে 16222 নম্বরে।

ইন্টারনেটে ফল পেতে

www.educationboardresults.gov.bd ঠিকানায় গিয়ে নির্দিষ্ট তথ্য দিয়ে ফল জানা যাবে। এ ছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের www.moedu.gov.bd ওয়েবসাইট থেকেও ফল জানা যাবে।

 

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীর ফল পেতে

DPE/EBT স্পেস দিয়ে প্রার্থীর নিজ উপজেলা/থানার কোড নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে পাসের সন লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফল জানা যাবে।

এ ছাড়া প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট www.dpe.gov.bd এবং dperesult.teletalk.com.bd ওয়েবসাইট থেকেও ফলাফল জানা যাবে।

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ই-টোকেন ছাড়াই মিলবে ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা

২০১৭ সাল থেকে ই-টোকেন ছাড়াই ভারতের টুরিস্ট ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন বাংলাদেশিরা।আগামী বছরের ১ জানুয়ারি থেকে বিমান, ট্রেন বা বাসের টিকেটসহ টুরিস্ট ভিসার আবেদনপত্র জমা দেওয়া যাবে।

শুধুমাত্র ভারতীয় ভিসা সেন্টার, মিরপুর শাখায় (আলামিন আপন হাইটস, ২৭/১/বি (২য় তলা) ভ্রমণের টিকেটসহ ভিসা আবেদনপত্র জমা দেওয়া যাবে। তবে যানবাহনের টিকেট ভারতীয় হাই কমিশন থেকে নিশ্চিত করা অর্থাৎ, যথাযথ বাংলাদেশ-ভারত বাস সার্ভিস কর্তৃপক্ষের ইস্যুকৃত হতে হবে। ভারতীয় হাই কমিশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভারতীয় ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়া সুবিন্যস্ত, উন্মুক্ত ও সহজ করার চলমান প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ভ্রমণেচ্ছুরা ভ্রমণের টিকেটসহ তাদের পূরণকৃত ভিসা আবেদনপত্র আইভিএসি মিরপুর, আলামিন আপন হাইটস, ২৭/১/বি (২য় তলা), শ্যামলী (শ্যামলী সিনেমা হলের বিপরীতে), মিরপুর রোড, ঢাকা-১২০৭-এ সকাল ০৮.০০টা থেকে দুপুর ০১.০০টা পর্যন্ত জমা দিতে পারবেন। ভ্রমণের তারিখ ভিসা আবেদনপত্রের জমাদানের ৭ দিন পরের তবে ১ মাসের মধ্যে হতে হবে।

নিশ্চিত বিমান, ট্রেন বা বাসের (যথাযথ বাংলাদেশ-ভারত বাস সার্ভিস কর্তৃপক্ষের ইস্যুকৃত) টিকেটসহ নারী ভ্রমণকারী ও তাদের নিকটতম পরিবারের সদস্যদের অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়া সরাসরি আবেদনপত্র জমাদানের স্কিমটি আইভিএসি উত্তরার পরিবর্তে ১ জানুয়ারি ২০১৭ থেকে আইভিএসি মিরপুর কেন্দ্রে অব্যাহত থাকবে।

অ্যাপয়েন্টমেন্ট তারিখ/ই-টোকেনধারী আবেদনকারীরা তাদের টুরিস্ট ভিসা আবেদনপত্র আইভিএসি গুলশান, উত্তরা, মতিঝিল, ময়মনসিংহ, বরিশাল, খুলনা, যশোর, রংপুর, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও সিলেটে জমাদান অব্যাহত রাখতে পারবেন। আইভিএসি মিরপুর ১ জানুয়ারি ২০১৭ থেকে নিশ্চিত ভ্রমণকারী ও প্রবীণ নাগরিকদের সরাসরি টুরিস্ট ভিসা আবেদপত্র গ্রহণ করবে।

এসব ব্যবস্থা প্রবর্তনের ফলে ভারত ভ্রমণের নিশ্চিত টিকেটসহ বাংলাদেশের কোন আবেদনকারীর আর ই-টোকেন/অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট তারিখের প্রয়োজন হবে না। ভারত ভ্রমণেচ্ছু বাংলাদেশীদের ভারতীয় ভিসা প্রাপ্তি সহজ এবং দু’দেশের মধ্যে মানুষে-মানুষে যোগাযোগ ও সম্পর্ক বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে এসব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এর আগে মেডিকেল ভিসাসহ অন্যান্য ভিসার ক্ষেত্রে ই-টোকেন ছাড়া আবেদনের সুযোগ দিয়েছে ভারত।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকে ১৭০০ প্রধান শিক্ষকের পদ নেই। ২৬০০০ জাতীয়করন বিদ্যালয়ের বেশির ভাগ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদ পেল কিভাবে?

প্রায় ৮/১০ বছর আগে বেসরকারি রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পায় অন্তত ১৭১৯ জন। ২০১৩ সালের প্রথম দিকে ২৬ হাজার ২০০ স্কুলকে সরকার জাতীকরণের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই বছরই কয়েক ধাপে স্কুলগুলো জাতীয়করণ হয়েছিল। এরআগে থেকেই বঞ্চিত এসব শিক্ষক প্রায় ১০ বছর ধরে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। জাতীয়করণের পর থেকে এই ১ হাজার ৭১৯টি স্কুলের প্রধান শিক্ষকরা নিজেকে সরকারি প্রধান শিক্ষক হিসেবে দেখার জন্য অধীর আগ্রহে দিনক্ষণ গুনতে থাকেন।

তবে চলতি বছরের গত ১ ডিসেম্বর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ওই সকল স্কুলের ১৭১৯ জন প্রধান শিক্ষককে সহকারি শিক্ষক হিসেবে গেজেট প্রকাশ করা হয়। এখন সবাই অভিযোগ করে বলছেন, জাতীয়করণ প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর জন্য ১ জন করে প্রধান শিক্ষক ও ৪ জন করে সহকারি শিক্ষকের পদ সৃষ্টি করা হয়েছিলো, কিন্তু এখন কি ওই সকল প্রধান শিক্ষকের পদগুলো হাওয়া হয়ে গেলো। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন আইনি বাধার কারণে এমনটি করা হয়েছে। প্রধান শিক্ষকের পদ না পাওয়া বঞ্চিতদের অনেকেই ক্ষোভের সাথে বলছেন, যাদেরকে এতোদিন পরিচালনা করে আসলাম, আজ তাদের সমপর্যায়ে গিয়ে কাজ করতে হবে।

অথচ আমাদের যোগ্যতা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের সমপর্যায়ে। তবে কি কারণে এই পদ বঞ্চিত করা হলো। এর সঠিক সমাধানও চান বেশ কয়েক জন প্রধান শিক্ষক। রংপুর জেলার সদর থানার খইল্লাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাধন শিক্ষক (বর্তমান সরকারি গেজেটে সহকারি শিক্ষক) মাসুদা খাতুন জানান, আমাদের যোগ্যতা আছে। প্রায় ৮ বছর ধরে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করে আসছি কিন্তু এখন এসে আমার অধিকার কেনো কেড়ে নেয়া হলো বুঝলাম না। প্রধানমন্ত্রীর কাছে এর সঠিক সমাধান দাবি করেন তিনি।

কুড়িগ্রাম জেলার আব্দুল হাদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (বর্তমান সরকারি গেজেটে সহকারি শিক্ষক) মো. সামসুল আলম জানান, সরকারি আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে আমাদের প্রধান শিক্ষকের পদ থেকে খর্ব করা হয়েছে। অথচ তৎকালীন ২০১৩ সালের ১৭ জানুয়ারি এক প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী যাচাই-বাছাই কমিটি আমাদের প্রধান শিক্ষক হিসেবে অধিভুক্ত করার জন্য সুপারিশ করেন। গাইবান্ধা জেলার জিল্লুর রহমান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (বর্তমান সরকারি গেজেটে সহকারি শিক্ষক) জাহাঙ্গির আলম অভিযোগ করেন বলেন, আমাদের নায্য অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। আমরা আমাদেরই সহকর্মীদের সঙ্গে সহকারি পদে গিয়ে কাজ করতে গিয়ে মনের মধ্যে অনেক হতাশা কাজ করছে। কি করব বুঝে উঠতে পারছি না।

তারা দাবী করেছে যদি আমাদের প্রধান শিক্ষক পদ না দেয়া হয় তবে তার আগে যাদেরকে প্রধান শিক্ষক পদ দেয়া হয়েছে তাদেরটা কিভাবে দেয়া হল এ প্রশ্ন এখন তাদের মুখে।

এ বিষয়ে আইনজীবী অ্যাডভোকেট ছিদ্দিক উল্ল্যাহ মিয়া বলেন, ১৯৭৪ সালের অ্যাক্ট অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অধিকরণ আইনে উনারা (প্রধান শিক্ষকরা) যে পদে ছিলেন পরবর্তিতে সেই পদ ফিরে পাওয়াই তাদের আইনগত অধিকার। উল্লেখ্য, দীর্ঘ প্রায় ২২ বছর আন্দোলনের পর ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি রাজধানীর জাতীয় প্যারেড স্কোয়ারে লক্ষাধিক শিক্ষকের উপস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের ২৬ হাজার ২০০টি নিবন্ধিত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় তিন ধাপে সরকারিকরণের ঘোষণা দেন। এসব বিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন প্রায় ১ লাখ ৪ হাজার শিক্ষক।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন মুখ্য সচিব কামাল চৌধুরী

চুক্তিতে আরো এক বছরের জন্য প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদে নিয়োগ পেলেন কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী। বর্তমানে তিনি মুখ্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গত ২৭ নভেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব থাকার সময় কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদে নিয়োগ পান।

মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণারয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে অনুযায়ী কামাল আবদুল নাসের চৌধুরীর অবসরোত্তর ছুটি (পিআরএল) বাতিল করে চুক্তিভিত্তিক এ নিয়োগ দিয়ে আদেশ জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।১৯৮২ নিয়মিত ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা কামাল চৌধুরীর ৩১ ডিসেম্বর অবসরোত্তর ছুটিতে যাওয়ার কথা ছিল। এর আগে গত ২২ ডিসেম্বর তার পিআরএল মঞ্জুর করে আদেশও জারি করা হয়েছিল।

কামাল চৌধুরী জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, তথ্য ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের দায়িত্ব পালন করেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিবের দায়িত্ব পালনের সময় ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ সিনিয়র সচিব হন। কামাল চৌধুরীর জন্ম ১৯৫৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে। কবিতা লিখে সাহিত্যাঙ্গনে কামাল চৌধুরী নামে পরিচিত এই আমলা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নৃ-বিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রিধারী।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৩৪তম বিসিএসে সুপারিশকৃতদের নি‌য়োগ প্র‌ক্রিয়া শুরু।

নিজস্ব প্র‌তি‌বেদকঃ

৩৪তম বিসিএসে উত্তীর্ণ ৮৯৮ জনকে নন-ক্যাডার হিসেবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের সুপারিশ করেছিল সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি)। অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের অধীন নন-ক্যাডার পদের মতো তাঁদেরও দশম গ্রেডে নিয়োগ পাওয়ার কথা। কিন্তু প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় তাঁদের দুই ধাপ নিচে ১২তম গ্রেডে (১১,৩০০ টাকা, প্রশিক্ষণবিহীন হওয়ায়) নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। সাধারণত তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীরা এই গ্রেডে বেতন পান।
এ নিয়ে শুধু সুপারিশপ্রাপ্তরাই নন, বিদ্যালয়গুলোর প্রধান শিক্ষকদের মধ্যেও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁরা বলছেন, জটিলতায় ফেলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকদের পদমর্যাদা অবনমন করে রাখার চেষ্টা চলছে।
তবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষাসচিব মোহাম্মদ আসিফ-উজ-জামান বলেন, যেহেতু প্রধান শিক্ষকের পদটি গেজেটেড হয়েছে, তাই তাঁরা পিএসসির কাছে এই পদে নিয়োগের ব্যবস্থা করতে অনুরোধ করেন। সে অনুযায়ী ওই সব প্রার্থীর সুপারিশ করে পিএসসি। এখন বিদ্যমান নিয়মে প্রধান শিক্ষকেরা যে গ্রেডে নিয়োগ পান, সেভাবেই হবে। এখানে তাঁদের কিছু করার নেই।
পিএসসি ও মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, গত ১০ আগস্ট ৩৪তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে নন-ক্যাডার হিসেবে ৮৯৮ জনকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে (দ্বিতীয় শ্রেণি) নিয়োগের সুপারিশ করে পিএসসি। কিন্তু এত দিন পরও তাঁদের নিয়োগ দিতে পারেনি মন্ত্রণালয়। সুপারিশপ্রাপ্ত কয়েকজন প্রার্থী ও একাধিক প্রধান শিক্ষক বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের পদটি ২০১৪ সালে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করেছিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। কিন্তু তখন মন্ত্রণালয় কৌশলে প্রধান শিক্ষকদের বেতন নির্ধারণ করে ১১ (প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত) ও ১২তম গ্রেডে (প্রশিক্ষণবিহীন)। এখন বিসিএসে উত্তীর্ণদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম বাস্তবায়ন করতে চাইছে। অথচ নন-ক্যাডার পদে অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিভিন্ন পদে যাঁরা নিয়োগ পেয়েছেন বা পেতে যাচ্ছেন, তাঁরা সবাই দশম গ্রেডে যোগ দিয়েছেন বা দিচ্ছেন।
প্রধান শিক্ষক হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্তদের একজন মোসলেম উদ্দীনের প্রশ্ন, যদি অন্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থদের দশম গ্রেডে নিয়োগ দেওয়া হয়, তাহলে তাঁদের কেন এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হবে। এ রকম করলে মেধাবীরা আর এই পদে আসতে চাইবেন না।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৩৪ তম বি‌সিএস, নন ক্যাডার প্রধান শিক্ষক‌দের ফাইল প্রেরন। চা‌পে মন্ত্রনালয়

নিজস্ব প্রতি‌বেদকঃ

পিএসসি ৩৪তম বিসিএস ননক্যাডার প্রধান শিক্ষকদের ফাইল গত ২০ ডিসেম্বর ২০১৬ পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে।

প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা হলো — প্রাক জীবনবৃত্তান্ত যাচাই(পুলিশ),স্বাস্থ্য পরীক্ষা, বেতন স্কেল সংশোধন অর্থাৎ ২০১৪ সালের ৯ মার্চের প্রজ্ঞাপন সংশোধন করে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন উভয়ের বেতন স্কেল ১০ম গ্রেডে উন্নীতকরণ, মন্ত্রণালয় কর্তৃক বেতন গ্রেড উল্লেখ করে নিয়োগ আদেশ (জিও) জারি, পদায়ন আদেশ(পোস্টিং) জারি ইত্যাদি। তবে মন্ত্রণালয় অনেকসময় নিয়োগ আদেশ জারি করে পদায়ন আদেশ জারির জন্য অধিদপ্তরকে নির্দেশ দিয়ে থাকে।

এখন দেখার বিষয় কত দ্রুতসময়ে মন্ত্রণালয় এই প্রক্রিয়া শুরু করে। এ সময়ের সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো বেতন গ্রেড।

৩৪তম বিসিএস ননক্যাডারদের অন্যান্যদের মতো ১০ম গ্রেড হচ্ছে, না বিদ্যমান প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ১১শ গ্রেড ও প্রশিক্ষণবিহীন ১২শ গ্রেডই থাকছে। ১০ম গ্রেড দেওয়ার ব্যাপারে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলেও এজন্য মন্ত্রণালয় এ যাবতকালের সবচেয়ে বেশি চাপে রয়েছে।

একদিকে প্রধান শিক্ষক সমিতির বহুমুখী তৎপরতা, অন্যদিকে ৩৪তম বিসিএস ননক্যাডার সুপারিশপ্রাপ্তদের প্রচেষ্টা। তা ছাড়া প্রভাবশালী মিডিয়ার চাপ।

আগামী রবিবার দেশের অন্যতম প্রভাবশালী পত্রিকা প্রথম আলো বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করতে পারে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্টদের সাক্ষাৎকারও নিয়েছে পত্রিকাটি। এরপর অন্যান্য প্রধান প্রধান মিডিয়াও প্রতিবেদন প্রকাশ করবে বলে আশা করছি।

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক সমিতির কে‌ন্দ্রিয় সি‌নিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক এস এম সাইদুল্লাহ ব‌লেন দুএকদিনের মধ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী, এ সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ ও অন্যান্য প্রভাবশালী মন্ত্রীদের সাথে আ‌লোচনা ক‌রে সবাইকে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের মতো প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন উভয়কে ১০ম গ্রেড প্রদানের জন্য দা‌বি জানা‌নোর পাশাপা‌শি ক্রসপন‌ডিং স্কেল দি‌লে সকল সমস্যার সমাধান হ‌বে ব‌লে তি‌নি ম‌নে ক‌রেন। আর প্রশিক্ষণের জন্য পাঁচ বছর সময় দিতে হবে।

আশাকরি একমাসের মধ্যে সকল প্রক্রিয়া শেষ করে এ নিয়োগ হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অবশেষে নিয়োগ পাচ্ছে প্রাথমিকের ১৫ হাজার পুল শিক্ষক

অনলাইন ডেস্ক: অবশেষে জয় হলো পুল শিক্ষকদের। আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে পুল শিক্ষকদের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। যোগদানের তথ্যও অধিদফতরে পাঠাতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী পুলভুক্ত শিক্ষকদের নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সেই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক মো. আবদুর রউফ স্বাক্ষরিত একটি চিঠি ৬১টি জেলার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। ২১ নভেম্বর ওই চিঠিতে স্বাক্ষর করেন আবদুর রউফ।

জানা গেছে, ২০১২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকা লিখিত নিয়োগ পরীক্ষায় ৪৪ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হন। মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন ২৭ হাজার ৭২০ জন। এদের মধ্যে নিয়োগ দেয়া হয় মাত্র ১২ হাজার ৭০১ জনকে। অবশিষ্ট ১৫ হাজার ১৯ জনকে পুল শিক্ষক হিসেবে রাখা হয়। সরকারি শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, বিদেশযাত্রা, ভ্রমণ, হজে যাওয়া, মাতৃত্বকালীনসহ নানা কারণে বড় ছুটিতে পুল শিক্ষকরা তখন দায়িত্ব পালন করেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনীর ফল প্রকাশ ২৯ ডিসেম্বর

পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফল ২৯ ডিসেম্বর প্রকাশ করা হবে। ওই দিন বেলা পৌনে ১১টায় প্রথমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফল হস্তান্তর করা হবে। এরপর সচিবালয়ে বেলা ১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করবেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রবীন্দ্রনাথ রায়  ফল ঘোষণার তারিখ নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণার পর তা ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হবে।’

একই দিন অষ্টম শ্রেণির জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার ফলও প্রকাশ করা হবে বলে এর আগে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতে এবার ২৯ লাখ ৩০ হাজার ৫৭৩ জন এবং ইবতেদায়ি সমাপনীতে দুই লাখ ৯৯ হাজার ৭১৫ জনসহ মোট ৩২ লাখ ৩০ হাজার ২৮৮ শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে।  প্রাথমিকে ছাত্রসংখ্যা ১৩ লাখ ৪৬ হাজার ৩২ জন এবং ছাত্রী ১৫ লাখ ৮৪ হাজার ৫৪১ জন।  ইবতেদায়িতে ছাত্র একলাখ ৫৭ হাজার ৩১৯ জন এবং ছাত্রী একলাখ ৪২ হাজার ৩৯৬ জন।

প্রাথমিক ও ইবতেদায়িতে দেশের বাইরে ১১টিসহ সারাদেশে ৭ হাজার ১৯৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠি হয়। গত ২০ নভেম্বর শুরু হয়ে এ পরীক্ষা শেষ হয় ২৭ নভেম্বর।

প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ২০০৯  এবং ইবতেদায়িতে এ পরীক্ষা শুরু হয় ২০১০ সালে। সমাপনী পরীক্ষার ফলের ওপর ভিত্তি করে শিক্ষার্থীদের প্রতি বছর বৃত্তি দেয় সরকার।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৩৭তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষা ১২ ফেব্রুয়ারি শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক :

৩৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে। শিগগিরই এই পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হবে।

 

মঙ্গলবার পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আ ই ম নেছারউদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা পদে ১ হাজার ২২৬ জনকে নিয়োগ দিতে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি ৩৭তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। গত ৩০ সেপ্টেম্বর এ পরীক্ষা হয়। এতে অংশ নেন ২ লাখ ৪৩ হাজার ৪৭৬ জন পরীক্ষার্থী। ১ নভেম্বর ফল প্রকাশ করা হয়। এতে উত্তীর্ণ হন ৮ হাজার ৫২৩ জন। এখন তাদের লিখিত পরীক্ষা হবে।

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

২০১৭ সালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৮৫ দিন ছুটি

আগামী ২০১৭ শিক্ষাবর্ষে সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন-মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৮৫ দিন ছুটি থাকবে।

সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০১৭ সালের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি অনুমোদন দিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালকের কাছে পাঠিয়েছে। একই সঙ্গে এটি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে (www.moedu.gov.bd) প্রকাশ করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ৬ জুলাই থেকে ২২ জুলাইয়ের মধ্যে অর্ধ-বার্ষিক বা প্রাক নির্বাচনী পরীক্ষা নিতে হবে। ফল প্রকাশ করতে হবে ৫ আগস্ট।

১১ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবরের মধ্যে নির্বাচনী পরীক্ষা নিয়ে ৫ নভেম্বর ফল প্রকাশ করতে হবে।

এছাড়া ২৮ নভেম্বর থেকে ১৩ ডিসেম্বরের মধ্যে বার্ষিক পরীক্ষা নিতে হবে। ফল প্রকাশ করতে হবে ৩১ ডিসেম্বর।

ছুটির তালিকা অনুযায়ী, আগামী শিক্ষাবর্ষে সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন-মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সাপ্তাহিক বন্ধ ছাড়া মোট ছুটি ৮৫ দিন।

এতে আরও বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মকর্তার পরিদর্শন উপলক্ষে বিদ্যালয় ছুটি দেয়া যাবে না। সংবর্ধনা বা পরিদর্শন উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের ক্লাস বন্ধ করা যাবে না। সংবর্ধিত বা পরিদর্শনকারী ব্যক্তির প্রতি সম্মান দেখানোর জন্য শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করানো যাবে না।

ছুটির তালিকা দেখতে ক্লিক করুন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

থাকছে না কোচিং, গাইড বই

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়নে সরকার সকল প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। এরফলে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা ইসলামী শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক জ্ঞান, দক্ষতা ও প্রযুক্তি আয়ত্ত ও ব্যবহার করতে পারবে। তিনি বলেন, মাদ্রাসা পাঠ্যবইয়ের ডিজিটাল সংস্করণ প্রকাশের ফলে শিক্ষার্থীরা সহজেই বইগুলো পড়ার সুযোগ পাচ্ছে। সাধারণ পাঠ্যক্রমের আরো ১৬টি বইয়ের ডিজিটাল ভার্সন তৈরি করা হয়েছে বলে মন্ত্রী জানান।

তিনি গতকাল শনিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে মাদ্রাসা শিক্ষা ধারার ষষ্ঠ শ্রেণির ইসলামী ও আরবি বিষয়গুলোর ইন্টার-অ্যাকটিভ ডিজিটাল মাদ্রাসা টেক্সটবুকের (আইডিএমটি) উদ্বোধনকালে এ সব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, খসড়া শিক্ষা নীতিতে নোট বই, গাইড বই এবং কোচিং বাণিজ্য চলবে না। পশ্চাৎপদ শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ক্লাস নেয়ার ব্যবস্থা রাখতে হবে। সবার মতামতের ভিত্তিতেই শিক্ষা আইন প্রণয়ন করা হবে।

আইডিএমটি উদ্বোধনের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের উদ্যোগে ষষ্ঠ শ্রেণির ৪টি টেক্সট বই- কুরআন মজিদ, আকাইদ ও ফিকাহ এবং আরবি প্রথম ও দ্বিতীয়পত্রের ডিজিটাল ভার্সন গতকাল প্রকাশ করা হলো।

তিনি বলেন, ২০১৭ সাল থেকে দাখিল ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এ ই-লার্নিং সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে। শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে বই বা কনটেন্ট বিনামূল্যে ডাউনলোড করে পড়তে পারবে।

নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নয়নে এ সরকার অনেক পদক্ষেপ নিয়েছে। ইতোমধ্যে ১ হাজার ৩৪২টি ভবন নির্মাণ করা হয়েছে, আরো ৫০৯টি ভবন নির্মাণাধীন রয়েছে। মন্ত্রী বলেন, ৩১টি মাদ্রাসায় অনার্স কোর্স চালু করা হয়েছে। আরো ২১টি মাদ্রাসায় অনার্স কোর্স চালু করা হবে। তিনি বলেন, এ সরকারই ইসলামী শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে আরবি ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছে।

প্রতিবছরের ন্যায় এবারো জানুয়ারির ১ তারিখে প্রি-প্রাইমারি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীর হাতে বই তুলে দেয়া হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বছরের প্রথম দিনেই শিক্ষার্থীরা পুরো সেট বই হাতে পাবে, যা বিশ্বে একটি অতুলনীয় উদাহরণ। তিনি বলেন, আমাদের নতুন জ্ঞানে সমৃদ্ধ হতে হবে। আমরা প্রযুক্তি শুধু আমদানি করব না, আমাদের প্রযুক্তি ও জ্ঞান রপ্তানিও করব।

বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর এ কে এম ছায়েফ উল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বুয়েটের কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এম কায়কোবাদ, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ কে এম জাকির হোসেন ভূঞা, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. এস এম ওয়াহিদুজ্জামান, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. বিল্লাল হোসেন এবং বুয়েটের সিএসই বিভাগের প্রফেসর ড. সোহেল রহমান বক্তৃতা করেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এক ওয়েবসাইটেই সরকারি সব সেবা!

ডেস্ক রিপোর্ট: সরকারি সব সংস্থার চাকরির বিজ্ঞাপন দেখতে চান? জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য হালনাগাদ করবেন? জন্ম বা নতুন ভোটার নিবন্ধন করবেন? পাসপোর্ট করতে হবে? সরকারের নতুন উদ্যোগ, স্কুলে ভর্তির জন্য আবেদন, অনলাইন নিবন্ধন বা অন্য কোনো সরকারি সেবা নিতে চান? আলাদা আলাদা ওয়েবসাইটে ঢুকার দরকার নেই। সব সেবা এক ছাতার নিচে নিয়ে এসে একটি জাতীয় সাইট খুলেছে সরকার।

বাংলাদেশ সম্পর্কিত যত তথ্য, সরকারি ই সেবা, সেবা খাত, ব্যবসা বাণিজ্য, বৈদেশিক বিনিয়োগ, আইন-বিধি, অর্জন, জেলা বাতায়ন, সেবাকুঞ্জ বা যত ফরম-তার সবই এই সাইটেই পাওয়া যাবে।এখানে ক্লিক করুন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে একসেস টু ইনফরমেশন-এটুআই, বাংলাদেশ সফরওয়্যার অ্যাসোসিয়েশন-বেসিস এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি-বিসিসি যৌথভাবে এই সাইটটির পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করেছে।

বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িতরা বলছেন, আলাদা আলাদা সেবার জন্য ওয়েবসাইটে ঢুকতে গেলে মানুষকে অনেক সাইটের ঠিকানা মনে রাখতে হয়। অনেকের জন্যই এটা মনে রাখা কঠিন। এই চিন্তা থেকে এক সাইটেই সব সেবা নিয়ে আনতেই এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

এই সাইটে ৬১টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, ৩৫১টি অধিদপ্তর ও অন্যান্য সংস্থা, আটটি বিভাগ, ৬৪টি জেলা, ৪৮৯টি উপজেলা এবং ৪৫৫০ ইউনিয়নের সব তথ্য ও সেবাই পাওয়া যাবে।

এতে আছে সরকারি নিয়োগের সব বিজ্ঞপ্তি, সরকারি সব নীতিমালা, পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল, সরকারি কর্মকমিশন-পিএসসির সব পরীক্ষার ফলাফল, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেলে ভর্তির তথ্যও আছে এই সাইটে।

সাইটটি দেখে জানা যায়, এখানে বাংলাদেশ সম্পর্কিত, বৈদেশিক বিনিয়োগ, আইন-বিধি, জেলা বাতায়ন, ই-সেবাসমূহ নামের স্লাইড রয়েছে। যেখানে ক্লিক করলেই বিস্তারিত সবই পাওয়া যাবে। এ সাইটি একদম আপডেটেড।

এ ছাড়াও বাংলাদেশ সরকারের সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড়ের জরুরি প্রস্তুতি পরিকল্পনা, বাংলাদেশ সরকারের ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা।

বাংলাদেশ সরকারের প্রেক্ষিত পরিকল্পনা, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা জন্য জাতীয় পরিকল্পনার কথাও বলা আছে সাইটটিতে।

সরকার কী কী ধরনের সেবা দেয় তাও জানা যাবে যেমন: জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য হালনাগাদকরন, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল, অনলাইন ভিসা যাচাই, অনলাইনে পাসপোর্টের আবেদন, বাংলাদেশ সেনা বাহিনী, সরকারী চাকুরীর আবেদনের মডেল ফরম, নতুন ভোটার নিবন্ধন, এইচএসসি, আলিম ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল, শিক্ষক বাতায়নের সকল আপডেট ও সেবা পাওয়া যাবে এ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে।

সরকারের এই উদ্যোগের প্রশংসা করে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ই ক্যাব) এর সভাপতি রাজিব আহমে বলেন, ‘এটি একটি ভালো উদ্যোগ। তবে সাইটটির মাধ্যমে পরীক্ষার ফলাফল যাতে শিক্ষার্থীরা যথা সময়ে দেখতে পারে এ ব্যবস্থা অব্যাহত থাকতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘দেখা যায়, ফলাফল দিয়েছে সাইটে ঢোকা যায় না। এটি যেন না হয়। এছাড়া সব বিভাগগুলো যেন আপডেট থাকে এবং মনিটরিং এর ব্যবস্থা থাকে তার ব্যবস্থা থাকতে হবে। তাহলে এর সুফল অনেক দিন পযন্ত পাবে দেশের জনগণ।’

এ সাইটটি নিয়ে কথা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তাপসের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমি তো এমন সাইটের কথা শুনিনি। আমরা বিভিন্ন সাইটে প্রবেশ করে সরকারের সব তথ্য জানি। এক সাইটে সব পাওয়া যায় তাতো জানি না। তবে আমার মনে হয় এর আরো প্রচার-প্রসার দরকার। তা হলে এর উপকারিতা সাধারণ মানুষ পাবে। আমরাও জানতে পারবো।’

সরকারের এই উদ্যোগের বিষয়ে কথা হয় ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের প্রকল্প একসেস টু ইনফরমেশন-এ টু আই এর পরিচালক আব্দুল মান্নান এর সঙ্গে। তিনি জানান, ‘আমরা এ সাইটি প্রচার প্রসারে অনেক উদ্যোগ নিয়েছি। আরো পর্যায়ক্রমে নিচ্ছি। প্রতিটি জেলায় জেলায় এ তথ্য পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি।’

আব্দুল মান্নান বলেন, ‘তথ্য বাতায়ন যে অফিস আসে সেখানেও আমরা এই পোর্টালটি সম্পর্কে সবাইকে অবহিত করছি। ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে যখন জেলার সঙ্গে যোগাযোগ হয় তখনো আমার এটির সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করছি।’

এ টু আই এর পরিচালক বলেন, ‘এটি জাতীয় সাইট। যা আপডেট রাখার বিষয়ে সরকার অনেক সচেতন। কারণ প্রতিমাসে মন্ত্রণালয়ে এ সম্পর্কে রিপোর্ট করতে হয়। কোন জেলার তথ্যের ঘাটতি আছে কি না তা তখন খুঁটিয়ে দেখা হয়। সুতরাং এটি নিয়ে আমরা সবাই সচেতন।’

সাইটটি কতটা জনপ্রিয় হয়েছে-জানতে চাইলে এই কর্মকর্তা বলেন, ‘এরই মধ্যে সাইটটি ব্যাপক জনপ্রিয় হয়েছে। আর জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য হালনাগাদ, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল, অনলাইন ভিসা যাচাই, অনলাইন পাসপোর্ট আবেদন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, সরকারি চাকরিতে আবেদনের মডেল ফরম, নতুন ভোটার নিবন্ধন, শিক্ষক বাতায়নের তথ্য বা সেবা পেতে জনগণ সাইটটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হচ্ছে।’ সূত্র: অনলাইন

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সরকারি কর্মচারীর সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তির জন্য দরখাস্ত আহ্বান

অনলাইন রিপোর্টার ॥ সরকারি কর্মচারীর সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তির জন্য দরখাস্ত আহ্বান করা হয়েছে। বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড থেকে ২০১৬ – ২০১৭ অর্থবছরের জন্য সরকারের বেসামরিক খাতের ১১ থেকে ২০ গ্রেডে বেতন গ্রহণকারী কর্মরত সরকারি কর্মচারীর (ডাক , তার ও দূরালাপনী, বাংলাদেশ রেলওয়ে , বিজিবি ও বাংলাদেশ পুলিশ বিভাগে নিযুক্ত কর্মচারীগণ ব্যতীত ) সন্তাদের শিক্ষাবৃত্তি /শিক্ষাসহায়তা এবং সরকারি ও তালিকাভুক্ত স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার সকল গ্রেডের অবসরপ্রাপ্ত ও মৃত কর্মচারীর সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তির জন্য নির্ধারিত ফরমে দরখাস্ত আহ্বান করা হয়েছে।
দরখাস্তের নিয়মাবলিতে উল্লেখ করা হয়েছে , সরকারের বেসামরিক খাতের ১১ থেকে ২০ গ্রেডে বেতন গ্রহণকারী কর্মরত সরকারি কর্মচারীর ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে অধ্যয়নরত অনধিক ২ সন্তানদের জন্য ফরম নং ১০ – এ শিক্ষাবৃত্তি/ শিক্ষাসহায়তা এবং সরকারি ও তালিকাভুক্ত স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার সকল গ্রেডের অবসরপ্রাপ্ত ও মৃত কর্মচারীর ৯ম শ্রেণি থেকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে অধ্যয়নরত অনধিক ২ সন্তানের জন্য ফরম নং ৩ – এ শিক্ষাবৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন।
১১ থেকে ২০ গ্রেডে বেতন গ্রহণকারী কর্মরত সরকারি কর্মচারীর সন্তান যারা ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে একাদশ / দ্বাদশ /সমমানের শ্রেণিতে বোর্ড /বার্ষিক পরীক্ষায় প্রত্যেক বিষয়ে লেটার গ্রেড এ পেয়ে জিপিএ ৫ পেয়েছে তারা শিক্ষাবৃত্তি এবং যারা ন্যূনতম জিপিএ ৩ / গড়ে শতকরা ৫০ নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে তারা শিক্ষাসহায়তা পাওয়ার যোগ্য হবে।
১১ থেকে ২০ গ্রেডে বেতন গ্রহণকারী কর্মরত সরকারি কর্মচারীর সন্তান যারা মহাবিদ্যালয় / বিশ্ববিদ্যালয়ে ¯œাতক পর্যায়ে (সমমানের ) ১ম বছরে অধ্যয়নরত তারা উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় প্রত্যেক বিষয়ে লেটার গ্রেড এ পেয়ে জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়ে থাকলে শিক্ষাবৃত্তি এবং যারা ন্যূনতম জিপিএ ৩/ গড়ে শতকরা ৫০ নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে তারা শিক্ষাসহায়তা পাওয়ার যোগ্য হবে।
¯œাতক (সমমানের ) পর্যায়ে ২য় থেকে ৪র্থ / ৫ম বর্ষ পর্যন্ত যে সকল ছাত্রছাত্রী পূর্ববর্তী বাৎসরিক /সেমিস্টার / টার্ম ফাইনাল পরীক্ষায় সিজিপিএ ৪ এর মধ্যে ৩ .৫ থেকে ৪ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন তারা শিক্ষাবৃত্তি এবং যারা ন্যূনতম সিজিপিএ ২ . ৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন তারা শিক্ষাসহায়তা পাওয়ার যোগ্য হবেন।
১১ থেকে ২০ গ্রেডে বেতন গ্রহণকারী কর্মরত সরকারি কর্মচারীর সন্তান যারা মহাবিদ্যালয় / বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্যায়ে ¯ œাতকোত্তর (সমমানের ) পরীক্ষায় সিজিপিএ ৪ এর মধ্যে ৩ .৫ থেকে ৪ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন তারা শিক্ষাবৃত্তি এবং যারা ন্যূনতম সিজিপিএ ২ . ৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন তারা শিক্ষাসহায়তা পাওয়ার যোগ্য হবেন।
সরকারি ও তালিকাভুক্ত স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার সকল গ্রেডের অবসরপ্রাপ্ত ও মৃত কর্মচারীর ৯ম শ্রেণি থেকে ¯œাতকোত্তর (সমমানের ) পর্যায়ে অধ্যয়নরত সন্তানগণ যারা ন্যূনতম জিপিএ ৩ / সিজিপিএ ২ .৫ / গড়ে শতকরা ৫০ নম্বর পেয়ে পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়েছেন তারা শুধু শিক্ষাবৃত্তি পাওয়ার যোগ্য হবেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক /কলেজের অধ্যক্ষ/ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় প্রধান কর্তৃক সত্যায়িত মার্কসিট /সার্টিফিকেটের ফটোকপি আবেদনপত্রের সাথে জমা দিতে হবে।
আবেদন ফরমের প্রতিটি কলাম যথাযথভাবে পূরণ করে আগামী বছরের ৩১ জানুয়ারির মধ্যে নিজ-নিজ অফিস কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ঢাকা মহানগরীর ক্ষেত্রে মহাপরিচালক , বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড , প্রথম ১২ তলা সরকারি অফিস ভবন (১১ তলা ), সেগুনবাগিচা, ঢাকা এবং অন্যান্য বিভাগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় উপ- পরিচালক বরাবরে প্রেরণ করতে হবে। অসম্পূর্ণ ও সন্দেহযুক্ত আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে। নির্ধারিত তারিখের পর প্রাপ্ত কোন আবেদন বিবেচনা করা হবে না। খবর সূত্র : বাসস

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রধানদের চাকরির মেয়াদ হবে চার বছর

সেনা, নৌ ও বিমান—এই তিন বাহিনীর প্রধানদের চাকরির সর্বোচ্চ মেয়াদ চার বছর রেখে প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রধান (নিয়োগ, অবসর এবং বেতন ও ভাতাদি) আইন-২০১৬-এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছেন মন্ত্রিসভা। বাহিনীপ্রধানের পদে যোগদানের তারিখ থেকে একসঙ্গে বা বর্ধিত মেয়াদে এই চার বছর নির্ধারিত হবে।সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, বাহিনীপ্রধানদের নিয়োগ দেবেন রাষ্ট্রপতি। জনস্বার্থে অবসর গ্রহণ না করলে বা স্বেচ্ছায় অবসর না নিলে বাহিনীপ্রধানের মেয়াদ একসঙ্গে বা বর্ধিত মেয়াদে নিয়োগের তারিখ থেকে চার বছর হবে।

তিনি আরো বলেন, বাহিনীপ্রধাদের জেনারেল সার্ভিসেস ইনস্ট্রাকশন (জেএসআই) অনুযায়ী এত দিন নিয়োগ দেওয়া হতো। এখন থেকে এ আইনের মাধ্যমে তাদের নিয়োগ দেওয়া হবে। প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী, বাহিনীপ্রধানের বেতন হবে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের মতো ৮৬ হাজার টাকা। তবে তাদের কিছু নির্দিষ্ট ভাতাসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বহাল থাকবে।

এ ছাড়া বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্তে ‘সীমান্ত হাট’ স্থাপন ও পরিচালনা সংক্রান্ত নবায়ন ও পুনঃ সাক্ষরের জন্য খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয় হয় আজকের সভায়।

এ ব্যাপারে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ২০১০ সালে এই সীমান্ত হাট শুরু হয়েছিল। বর্তমানে চারটি স্থানে এই হাট বসে। কিন্তু এগুলোর মেয়াদ তিন বছর অতিবাহিত হয়ে গেছে। খসড়ায় হাটের মেয়াদ তিন বছরের পরিবর্তে পাঁচ বছর করা হয়েছে। এছাড়া হাটে বিক্রেতার সংখ্যা বিদ্যমান ২৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়েছে। আর বর্তমানের পণ্য ক্রয়সীমা ১০০ ডলার থেকে বাড়িয়ে ২০০ ডলার করা হয়েছে। এই চার হাটের পাশাপাশি আরও ছয়টি হাট স্থাপনের বিষয় প্রক্রিয়াধীন আছে বলে তিনি জানান।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রধান শিক্ষকদের উন্নীত বেতন স্কেলে বেতন-ভাতা নির্ধারণে জটিলতা নিরসনের জন্য প্রস্তাব

সংশোধনের দাবী প্রধান শিক্ষক সমিতির

নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের উন্নীত বেতন স্কেলে বেতন-ভাতা নির্ধারণে জটিলতা নিরসনের জন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় হতে মাননীয় অর্থমন্ত্রী সমীপে  একটি প্রতিবেদন প্রেরণ করা হ‌য়ে‌ছে।  আজ প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রনালয়ের উপসচিব গোপাল দাস এর প্রশাসনিক কর্মকর্তা টেলিফোনে শিক্ষাবার্তাাকে জানান প্র‌তি‌বেদ‌নে গে‌জে‌টেড এবং ক্রসপন‌ডিং উভয় বিষয়‌টি প্রাধান্য ‌পে‌য়ে‌ছে।
‌বি‌সিএস নন ক্যাডার‌ডের নি‌য়ো‌গের জন্য প্রস্তাবনা আগেই পেশ করা হয়েছে ।  এখনও আমরা তার কোন উত্তর পাইনি।

রবিবার সকালে টেলিফোনে প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রনালয়ের উপসচিব গোপাল দাস এর কাছে জানতে চাওয়া হলে প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকদের উন্নীত বেতন স্কেলের ব্যাপারে কি কি প্রস্তাবনা দেয়া হয়েছে। তিনি তখন তার প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিষয়টি জানতে অনুরোধ করেন। প্রশাসনিক কর্মকর্তা টেলিফোনে শিক্ষাবার্তাকে জানান সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষক বেতন ভাতা নির্ধারনের যে জটিলতা তা অর্থমন্ত্রনালয় থেকে জানতে চাওয়া হলে প্রধান শিক্ষকদের যে যে সমস্যা আছে তা নিরুপনের জন্য কিছু প্রস্তাব পেম করেন। সেক্ষেত্রে আগে যে চিঠি দেওয়া হয়েছিল সেটিই বহাল রেখে প্রস্তাব দেন।

প্রধান শিক্ষক পদটি গেজেটেড কর্মকর্তার পদ। সেক্ষেত্রে ১০ গ্রেড দেবার জন্য কোন প্রস্তাবনা দিয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন তারা গেজেটেড। তবে ১০ম গ্রেড দেবার ব্যাপারে কোন প্রস্তাবনা দেয়া হয়নি।

পিএসসি হতে সুপারিশকৃতদের কবে নাগাদ নিয়োগ দেয়া হতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন সেটি আমাদের সিদ্ধান্ত না। আমরা আগেই প্রস্তাব পাঠিয়েছে। এখনও কোন উত্তর পাইনি।

রংপুর থেকে পিএসসি থেকে সুপারিশকৃত মৃনময় দাস জানান পিএসসি আমাদের সুপারিশ করেছে । কিন্তু আমরা এখনও কোন নেোগ পেলাম না। আমাদেরকে দ্রুত ১০ গ্রেডে নিয়োগ দেয়া হোক।

এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রিয় কমিটির সিনিয়ার যুগ্ন সম্পাদক স্বরুপ দাসের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন আমরা গেজেটেড। এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। তবে প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেলের জটিলতা দুর করতে হলে তাদেরকে অব্যশয় দশম গ্রেড এবং ক্রসপনডিং স্কেলে বেতন দিতে হবে। অন্যথাই কোন সমস্যায় সমাধান হবে না।তাই প্রস্তাবনা সংশোধন করে ১০ গ্রেড এবং ক্রসপনডিং স্কেল দিতে হবে।

তবে আমরা আশা করছি ডিসেমব্র মাসের মধ্যেই আমাদের সমস্যার সমাধান হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free