Home » টপ খবর (page 20)

টপ খবর

প্রাথমিকের ২১ হাজার ৮১৪টি সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য।

ডেস্ক,১৮ ফেব্রুয়ারী:
দেশের ৭ হাজার ১৮টি প্রাইমারি স্কুল চলছে প্রধান শিক্ষক ছাড়াই। তাই এসব প্রতিষ্ঠানে পাঠদানে বিঘ্ন ঘটছে। প্রশাসনিক জটিলতায় শিক্ষকদের মধ্যেও বাড়ছে দ্বন্দ্ব। একাধিক শিক্ষক জানিয়েছেন, দাপ্তরিক কাজে তাদের মাসে অন্তত ১০ কর্মদিবসে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস বা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যেতে হয়। যেসব স্কুলে চার জন শিক্ষক, সেখানে বাকি তিন শিক্ষককে দিয়ে চলছে প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির ক্লাসসহ পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ছয়টি শ্রেণির ক্লাস।

দেশে বর্তমানে প্রাথমিকের ২১ হাজার ৮১৪টি সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য। এছাড়া ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও হালনাগাদ করা, ভোট গ্রহণ, শিশু জরিপ, কৃষিশুমারি, আদমশুমারি, উপবৃত্তি তালিকা প্রণয়ন ও প্রাপ্তিতে সহযোগিতাসহ ১৩ ধরনের কাজ করতে হয় শিক্ষকদের। এর মধ্যে যদি প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকে, তাহলে তো ভোগান্তির সীমাই থাকে না।

রফিকুল ইসলাম নামে এক শিক্ষক বলেন, প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলেও মন্ত্রণালয়ের তেমন উদ্যোগ নেই। যথাযথ উদ্যোগ নেয়া হলে এত বেশি শূন্য পদ থাকত না।

তথ্য অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক মিলে সারাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রায় ২৮ হাজার ৮৩২টি শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। অবশ্য সহকারী শিক্ষকদের শূন্যপদ পূরণে ইতিমধ্যে চূড়ান্ত নির্বাচিত প্রার্থীদের যোগদানের জন্য পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৬৪টি জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের ৭ হাজার ১৮টি শূন্য পদের মধ্যে পদোন্নতিযোগ্য শূন্যপদ ৪ হাজার ১৬৬টি এবং সরাসরি নিয়োগের যোগ্য শূন্যপদ ২ হাজার ৮৫২টি। নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী প্রধান শিক্ষকদের ৩৫ শতাংশ পূরণ করা হয় সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে। আর বাকি ৬৫ শতাংশ পূরণ করা হয় পদোন্নতির মাধ্যমে। প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদে নিয়োগের পদক্ষেপের বিষয়ে সম্প্রতি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন সংসদে জানিয়েছেন, সরাসরি নিয়োগযোগ্য ৩৫ শতাংশ পদে নিয়োগের জন্য পাবলিক সার্ভিস কমিশনকে (পিএসসি) চিঠি পাঠানো হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী এ নিয়োগ প্রক্রিয়া এগোচ্ছে ধীরগতিতে।

অন্যদিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৩, অধিগ্রহণকৃত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক (চাকরির শর্তাদি নির্ধারণ) বিধিমালা, ২০১৩ ও ননক্যাডার কর্মকর্তা-কর্মচারী জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতি বিধিমালা, ২০১১ অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি প্রদান করা হয়।

একজন থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জানান, শিক্ষকদের মধ্য থেকে অস্থায়ীভাবে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দিলে অন্য শিক্ষকেরা তাকে মানতে চান না। তাদের বক্তব্য, প্রধান শিক্ষক হিসেবে যাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, তিনি সহকারী শিক্ষক, আমিও সহকারী শিক্ষক। তার নেতৃত্ব কেন মানব?

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পদোন্নতি নিয়ে উচ্চ আদালতে একাধিক মামলা রয়েছে। গ্রেডেশন তালিকা সঠিক না হওয়ায় পদোন্নতি প্রত্যাশী সহকারী শিক্ষকেরা এসব মামলা করেছেন। এ কারণে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি আপাতত বন্ধ রয়েছে। সিনিয়রিটির ভিত্তিতে সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষকের চলতি দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে বলে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

সূত্র অনুযায়ী, দেশের প্রাইমারি স্কুলে বিভিন্ন পর্যায়ে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিয়োগ পেয়েও যোগদানের তারিখ ভিন্ন হওয়ার কারণে অনেকে গ্রেডেশন তালিকার নিচে থাকছেন। এ কারণে তারা পদোন্নতি পাচ্ছেন না। এ কারণে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন শিক্ষকেরা।

তবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন সম্প্রতি সাংবাদিকদের বলেছেন, প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে পিএসসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা হয়েছে। তাদের লিখিতভাবে জানিয়ে দিয়েছি। আগে প্রধান শিক্ষক পদোন্নতির ভিত্তিতে এবং পিএসসির মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হতো। এখন শতভাগ পদোন্নতির ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে।

সচিব বলেন, অনেকে সহকারী শিক্ষক পদটাকে ‘ব্লক পোস্ট’ মনে করে থাকেন। তাই অনেক যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থী এ পেশায় আসতে চান না। তাদের উত্সাহ দিতে সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বিসিএসে প্রবেশের সুযোগ ৩২ বছর কেন নয়? হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ ফেব্রুয়ারী
সাধারণ বিসিএসে প্রবেশের সুযোগ ৩২ বছর কেন করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসাথে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস কমিশনের বয়স, যোগ্যতা ও চাকরির আবেদনের বিধিমালা-২০১৪ এর ১৪ বিধি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

এ সংক্রান্ত আবেদনের শুনানি নিয়ে রোববার হাইকোর্টের বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এ বি এম আলতাফ হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাসগুপ্ত।

এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের বয়স, যোগ্যতা ও চাকরির আবেদনের বিধিমালা-২০১৪ এর ১৪ বিধিকে চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করা হয়। রিটে সাধারণ বিসিএসে প্রবেশের সুযোগ ৩২ বছর চাওয়া হয়।

রিটের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার এ বি এম আলতাফ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের বয়স, যোগ্যতা ও চাকরির আবেদনের বিধিমালা-২০১৪ এর ১৪ বিধিকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। এই বিধিতে বলা আছে, যারা সাধারণ বিসিএস ক্যাডারে পরীক্ষা দেবে, তারা ৩০ বছর বয়স পর্যন্ত পরীক্ষা দিতে পারবে।

অথচ জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় ৩২ বছর পর্যন্ত আবেদনের সুযোগ রয়েছে। শুধু তাই নয়, ১৪ উপবিধিতে বলা আছে, শিক্ষা ক্যাডারেও ৩২ বছর পর্যন্ত পরীক্ষার সুযোগ পাবে।

আইনজীবী বলেন, জুডিশিয়াল সার্ভিসে ৩২ বছর পর্যন্ত সুযোগ পাচ্ছেন। অথচ সাধারণ বিসিএসে অংশগ্রহণকারীরা ৩০ বছর পর্যন্ত সুযোগ পাবেন। এটা সাংঘর্ষিক। চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে যেন সবার সমান অধিকার নিশ্চিত হয় রিটে আমরা তা চেয়েছি।

৩০ বছর পার হওয়ায় বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত বিজিত শিকদারসহ পাঁচ শিক্ষার্থী রিটটি দায়ের করেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আরো ৪ জেলার প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে রুল

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ ফেব্রুয়ারী:
সারাদেশের অনেক জেলায় আজ প্রাথমিকের নতুন শিক্ষকদের যোগদান হলেও নতুন করে আরো চার জেলার শিক্ষক নিয়োগ কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

জেলাগুলো হলো- পটুয়াখালী, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা ও কুমিল্লা জেলা।

রোববার এ বিষয়ে এক আবেদনের শুনানি শেষে হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মাহমুদ হাসান তালুকদারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটকারী হাফসা আক্তার রিপা, রুম্পা রায়, তানজিলা রফিক রিদি ও মুন্নি আক্তারের পক্ষে শুনানি করেন মো. ফারুক হোসেন।

আইনজীবী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০১৩ এর ৭ ধারায় বলা হয়েছে- এ বিধিমালার অধীনে সরাসরি নিয়োগযোগ্য পদগুলোর ৬০ শতাংশ নারী প্রার্থীদের দিয়ে, ২০ শতাংশ পোষ্য প্রার্থীদের দিয়ে এবং বাকি ২০ শতাংশ পুরুষ প্রার্থীদের দিয়ে পূরণ করা হবে। সেই নিয়ম না মানায় ৫ ফেব্রুয়ারি নিয়োগ বঞ্চিত এ চারজন হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট আবেদন করেন।

পরে গত ১৪ জানুয়ারি দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে গত ২৪ ডিসেম্বর নিয়োগের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকের সকল সহকারী শিক্ষক ১৩তম গ্রেড পাবেন

অনলাইন ডেস্ক

সহকারী শিক্ষকদের বেতন গ্রেড উন্নীত করে ১৩তম গ্রেড করা হয়েছে। এতে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকরা পুরোপুরি সন্তুষ্ট না হলেও অনেকটাই খুশি। কারণ তাদের দাবি ছিলো ১১তম গ্রেড।

তবে গ্রেড উন্নীতকরণের পর কে পাচ্ছেন ১৩তম গ্রেড কে পাচ্ছেন না, সেটা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেয়া দিয়েছে।

রাজীব আহমেদ নামে এক শিক্ষক ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে ব্যাখ্যা করেছেন গ্রেড উন্নীতকরণে কারা এর অধিভুক্ত।

বাংলাদেশ জার্নাল-এর পাঠকদের জন্য লিখাটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

গত ৯ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য দূরীকরণের লক্ষ্যে বেতন উন্নীতকরণ করে ১৩তম গ্রেড নির্ধারণ করে। আসলে এতে বেতন বৈষম্য দূর হয়েছে কিনা তা আমার বোধগম্য নয়। সহকারী শিক্ষকদের দাবি ছিল একটাই তা হলো প্রধান শিক্ষকদের পরের ধাপে বেতন।

প্রধান শিক্ষকদের ১০ম এবং সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড। তারপরও কিছু একটা পরিবর্তন হয়েছে সেটাকে সাধুবাদ জানাই। কিন্তু সমস্যা হলো ৯ ফেব্রুয়ারির পরিপত্রটির ৫ নং কলামে শর্ত যুক্ত করে। আর এ নিয়ে আমাদের বিচক্ষণ কিছু শিক্ষক পূর্বের নিয়োগবিধীর আলোকে নিয়োগপ্রাপ্ত এসএসসি (হাতে গোনা), এইচএসসি (এদের অনেকেই বিভাগীয় অনুমতি না থাকার কারণে সার্টিফিকেট প্রদর্শনের সুযোগ পাচ্ছেন না) এবং স্নাতক (তৃতীয় শ্রেণি) শিক্ষকগণকে ভিনগ্রহের প্রাণী ভাবছেন।

অনেকে অযৌক্তিকভাবে বলছেন, এসকল শিক্ষকগণ ১৩তম গ্রেড পাবেনা। যা সত্যিই অত্যন্ত দুঃখজনক। অথচ শর্তাবলীর (খ) উপধারায় বলা আছে ‌‘এ বিষয়ে বিদ্যমান সকল বিধিবিধান ও আনুষ্ঠানিকতা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে’।

শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০১৯ কী বলে তা একটু দেখে আসি। শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০১৯ এর ১০ এর (১) উপধারায় বলা আছে ‘এই বিধিমালা কার্যকর হইবার সঙ্গে সঙ্গে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০১৩ এতদ্বারা রহিত হইবে’।

এখন রহিতকরণের ব্যাখ্যায় ১০ এর (২) উপধারায় বলা আছে ‘উক্তরূপ রহিতকরণ সত্ত্বেও উক্ত বিধিমালার অধীন যে সকল কার্যক্রম নিষ্পন্ন হইয়াছে তাহা এই বিধিমালার অধীন সম্পন্ন হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে এবং এই বিধিমালা জারির তারিখে অনিষ্পন্ন কার্যাদি যতদূর সম্ভব এই বিধিমালার অধীন নিষ্পন্ন করিতে হইবে।

যদি এসকল নিয়মাবলী ঠিক থাকে তাহলে কিসের ভিত্তিতে বলছেন পূর্বের নিয়োগবিধীর আলোকে যথাযথ শর্ত মেনে নিয়োগপ্রাপ্ত সকল শিক্ষক ১৩তম গ্রেড পাবেনা? তাই অতি বিচক্ষণ ঐ সকল শিক্ষকদের বিনয়ের সাথে বলি। সবাই মিলে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করি, সবাইকে যোগ্য শিক্ষক ভাবি। একাকী এগিয়ে যাবার চেষ্টা না করে সকলকে নিয়ে এগিয়ে যাই, তা না হলে যানজট অনিবার্য।

একই টিমে যখন সবাই আছি তখন টিম ওয়ার্ক ভালোভাবে করি, সাফল্য পাওয়া যাবে। নইলে ব্যর্থতার গ্লানি পিছু ছাড়বে না।

পরিশেষে দৃঢ়ভাবে বলতে চাই এসএসসি, এইচএসসি অথবা স্নাতক (৩য় শ্রেণি) সকল সহকারী শিক্ষক ১৩তম পাবেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকে যোগদান, সঙ্গে কী নিবেন

অনলাইন ডেস্ক

সারাদেশের যেসব জেলার প্রাথমিকের নিয়োগ স্থগিত হয়নি সেসব জেলার নিয়োগ আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি হবে। সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরা যোগদানে সঙ্গে কী নিবেন সেটা জানিয়েছেন ডিপিইর সহকারী পরিচালক ‎

১৬ ফেব্রুয়ারি যোগদানকারীদের জন্য

১. যোগদানপত্রটি ২ কপি করে নেবেন, একটি জমা দিয়ে অন্যটায় সাথে সাথে প্রাপ্তিস্বীকার নিয়ে নেবেন।

২. আপনাদের সবার যোগদানপত্র গৃহীত হয়েছে মর্মে একসাথে বা উপজেলা ভিত্তিকভাবে ডিপিইও সাহেব এনডোর্স করবেন অর্থাৎ একটি চিঠির মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের জানাবেন। সেটি আপনারা হেল্প করে হলেও কালকেই করিয়ে নেবেন। উনারা আপনাদের অরিয়েন্টেশন আয়োজনে ব্যস্ত থাকতে পারেন। অনুরোধ করবেন অরিয়েন্টেশন যেমন তেমন হোক কিন্তু যোগদান আগে এনডোর্স করে দিতে।

৩. সকাল ৯টাতেই সবাই যাবেন, এত সকালে সাধারণত অফিসে চিঠিপত্র নিয়ে কেউ আসার কথা না। যোগদানকারী ছাড়া অন্য কোন বিষয় নিয়ে কেউ এত সকালে এলে রিটকারী পক্ষে কেউ কোন আদেশ নিয়ে এসেছে বলে অনুমান করতে পারেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ফলাফলের ভিত্তিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি থাকছে না আর

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৩ফেব্রুয়ারীঃ
আসন্ন ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ থেকে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে কেন্দ্রীয়ভাবে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। গত মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সংগঠন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের স্ট্যান্ডিং কমিটির ২৬২তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়সহ মোট ২৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্যরা বিষয়টির সাথে একমত পোষণ করেছেন। এরই প্রেক্ষিতে এসএসসি ও এইচএসসি’র ফলাফলের ভিত্তিতেই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে দেশের বিভিন্ন কলেজের প্রথম বর্ষের ভর্তি প্রক্রিয়া আর থাকছেন না। এখন থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছুদের কেন্দ্রীয়ভাবে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।
জানা যায়, গত ৫ বছর যাবৎ এসএসসি ও এইচএসসি’র ফলাফলের ভিত্তিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট কলেজে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হতো। ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে এ প্রক্রিয়া চালু হয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে। এর আগে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করানোর ব্যবস্থা ছিল। তবে এখন থেকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে কেন্দ্রীয়ভাবে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্তে আবার পরীক্ষায় বসতে হবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছুদের।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

৩৮ জেলার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৩ফেব্রুয়ারী
৩৮টি জেলার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশ প্রদান করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
আজ ১৩ফেব্রুয়ারী প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক নুরুল আমিন স্বাক্ষরিত পত্রে জানান যে, ৩ ৮জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে (রাজস্বখাতভুক্ত) সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০১৮ এর উপর মহামান্য হাইকোর্টে রীট পিটিশন দায়ের করায় এবং আদালত কতৃক নিয়োগ কার্যক্রমের উপর স্থগিতাদেশ প্রদান করায় চুড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের আগামী ১৬/০২/২০২০ খ্রিঃ তারিখে যোগদান কার্যক্রম স্থগিত করার নির্দেশ দেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রধান শিক্ষকদের ১০ গ্রেড নিয়ে যা বললেন সচিব

ডেস্ক,১২ফেব্রুয়ারীঃ
সারাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হলেও প্রধান শিক্ষকদের বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি কর্তৃপক্ষ।

দীর্ঘদিন ধরেই সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১১তম গ্রেডে করা এবং প্রধান শিক্ষকদের বেতনের গ্রেড ১০ম গ্রেডে করার দাবি জানিয়ে আসছিলেন শিক্ষকরা। সর্বশেষ নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন ২ ধরনের সহকারী শিক্ষকদের বেতনের গ্রেড হবে ১৩তম।

এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক সমিতির সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাস বলেন দশম গ্রেড আমাদের প্রানের দাবী। এ দাবী আমরা দ্রুত বাস্তবায়ন করব অাদালতের মাধ্যমে।

বর্তমানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক ১৪তম গ্রেডে ও প্রশিক্ষণবিহীন শিক্ষকেরা ১৫তম গ্রেডে বেতন পান। নতুন এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৩তম গ্রেডে শুরুতে একজন সহকারী শিক্ষকের মূল বেতন হবে ১১ হাজার টাকা।

এমতাবস্থায় প্রধান শিক্ষকদের বিষয়ে কি সিদ্ধান্ত নেয়া হবে সে বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম-আল-হোসেন বলেন, প্রধান শিক্ষকদের বেতন নিয়ে উচ্চ আদালতের একটি মামলা চলমান। সে জন্যই প্রধান শিক্ষকদের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া যায়নি।

মামলার কার্যক্রম শেষ হলে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলেও জানান তিনি। এদিকে নতুন এ প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ১৩তম গ্রেডে শুরুতে একজন শিক্ষকের মূল বেতন হবে ১১ হাজার টাকা এবং এ গ্রেডে সর্বোচ্চ বেতন হবে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের পদায়ন ১৯ ফেব্রুয়ারি

ডেস্ক,১২ফেব্রুয়ারীঃ
চূড়ান্ত নিয়োগের দুই মাসের মাথায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৮ হাজার ১৪৭ জন সহকারী শিক্ষকের পদায়ন হচ্ছে। আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি পদায়ন আদেশ জারি করা হবে। এর আগে ১৬ ফেব্রুয়ারি নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকগণকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করতে হবে।

এদিকে, আগামী ১৭-১৯ ফেব্রুয়ারি নিয়োগকৃত এসব সহকারী শিক্ষকদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হবে। জেলা পর্যায়ে আয়োজিত এসব প্রোগ্রামে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন উপসচিব/যুগ্ন সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তা ‘ওয়ান ডে ওয়ান ওয়ার্ড, এসডিজি-৪’ অর্জনে করণীয় বিষয়ে এসব শিক্ষকদের নির্দেশনা প্রদান করবেন।

আজ বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব জাহানারা রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

এর আগে গত ১৩ জানুয়ারি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে এক অফিস আদেশে ১৬ ফেব্রুয়ারি নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকগণকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান, ১৭ হতে ১৯ ফেব্রুয়ারি ওরিয়েন্টশেন, ১৯ ফেব্রুয়ারি পদায়ন আদেশ জারির কথা বলা হয়েছিল।

জহিরুল ইসলাম নামে কক্সবাজার জেলায় নিয়োগ পাওয়া সহকারী শিক্ষক বলেন, আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে। তাছাড়া ওরিয়েন্টেশন ১৭-১৯ ফেব্রুয়ারি হবে বলে জানতে পেরেছি।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত হয়। এতে চূড়ান্তভাবে পাস করেছেন ১৮ হাজার ১৪৭ জন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকে ২৯ হাজার শিক্ষক পদ শূন্য

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন জানিয়েছেন, গত ডিসেম্বর পর্যন্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের মোট শূন্যপদ ৭ হাজার ১৮টি। আর সহকারি শিক্ষকের মোট শূন্যপদ ২১ হাজার ৮১৪টি। মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারী) জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সাংসদ মামুনুর রশীদের প্রশ্নের জবাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন এই তথ্য জানান।

সরকারি দলের সাংসদ আফজাল হোসেনের প্রশ্নের জবাবে জাকির হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার প্রাথমিক শিক্ষায় ঝরে পড়া রোধে ব্যাপকভাবে সফল হয়েছে। ২০১০ খ্রিষ্টাব্দে ঝরে পড়ার হার ৩৯ দশমকি ৮ শতাংশ থেকে কমে ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দে ১৮ দশমিক ৬ শতাংশ হয়েছে। বর্তমান সরকার প্রাথমিক শিক্ষায় মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল অর্জন করেছে।

সরকারি দলের আরেক এমপি বেনজীর আহমদের প্রশ্নের জবাবে জাকির হোসেন বলেন, জাতীয় শিক্ষানীতি অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত চালু করার কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে যেসব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভাল ভৌত অবকাঠামো ও পর্যাপ্ত শিক্ষা উপকরণ রয়েছে এরকম ৭৮৩টি বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণি চালু করার অনুমতি দেয়া হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আরও সাড়ে ৬৫ হাজার মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম করা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন, সারাদেশে আরও ৬৫ হাজার ৬০০ টি মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপনের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সংরক্ষিত নারী এমপি সৈয়দা রুবিনা আক্তারের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ তথ্য জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে ২০০৯ থেকে এ পর্যন্ত নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩২ হাজার ৬৬৭টি মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, এক হাজার ৪১১টি কম্পিউটার ল্যাব, ৩১টি ডিজিটাল ল্যাংগুয়েজ ল্যবরেটরি, ৬৪০টি আইসিটি লার্নিং সেন্টার এবং ৫০টি ক্লাস্টার সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে।

এমপি আছলাম হোসেন সওদাগরের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশে যেসব উপজেলায় সরকারি বিদ্যালয় ও কলেজ নেই সেসব উপজেলায় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজকে সরকারি করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ২০১৮ ও ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দে ২৯৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ৩০২টি বেসরকারি কলেজ সরকারি করা হয়েছে।

কাজিম উদ্দিন আহম্মেদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শ্রেণিকক্ষে সঠিকভাবে শিক্ষা প্রদানের জন্য ২০১৮–২০১৯ অর্থ বছরে ৬৫ হাজার ৮৫১ জন শিক্ষককে সৃজনশীল বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।

জামালপুরের এমপি মোজাফফর হোসেনের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যন্ড কলেজে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মাসিক বেতন বাবদ ইতোপূর্বে এক হাজার ৫০ টাকা এবং চলতি বছরে এক হাজার ৩৫০ টাকা হারে আদায়ের বিষয়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড তদন্ত করেছে। তদন্ত প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিভিন্ন শাখায় কর্মরত শিক্ষক ও কর্মচারির সংখ্যা ৮৮৭ জন। এরমধ্যে ১১৬ জন শিক্ষক ও কর্মচারি সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত। বাকী ৭৭১ জন শিক্ষক ও কর্মচারি সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত নয়। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা অর্থ ওই ৭৭১ জন শিক্ষক ও কর্মচারীর মাসিক বেতনভাতা, বাড়িভাড়া ও বার্ষিক ইনক্রিমেন্টসহ যাবতীয় সুযোগ–সুবিধা বাবদ খরচ করা হয়।
যেহেতু মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যন্ড কলেজ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মাসিক বেতন বাবদেআগে ১০৫০ টাকা হারে ও চলতি বছরে ১৩৫০ টাকা হারে আদায় করেছে, সেহেতু শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা অর্থ আগামী ২২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ফেরত দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

উপবৃত্তির টাকা পেতে শিক্ষার্থীদের আবেদন ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে

ডেস্ক,১১ফেব্রুয়ারীঃ
২০১৯-২০ অর্থবছরে উপবৃত্তি পেতে আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আবেদন করতে হবে শিক্ষার্থীদের। এ লক্ষ্যে উপবৃত্তির আবেদন ফরম প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, তফসিলী (হিন্দু), বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, সশস্ত্র বাহিনী, দৃষ্টি প্রতিবন্ধি, প্রতিবন্ধি (দৃষ্টি ও অটিস্টিক ব্যতীত), অটিস্টিক, উপজাতীয় (ক্ষুদ্র ণৃ-গোষ্ঠি), উপবৃত্তি টাকা বিতরণে এ আবেদন ফরম প্রকাশ করা হয়েছে। এসব উপবৃত্তির টাকা পেতে আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয়ে পাঠাতে হবে।

গতকাল ৯ ফেব্রুয়ারি বিষয়টি জানিয়ে সব প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠান প্রধানকে চিঠি পাঠিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।

জানা গেছে, উপবৃত্তির আবেদন ফরম সংগ্রহ করে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করতে হবে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের। তথ্য ফরম পূরণ করে যথাযথভাবে তা পূরণ করে আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের পাঠাতে হবে।

এদিকে উপবৃত্তির আবেদনের দুইটি ফরম প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। ফরম নং ১ পূরণ করে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণির অধ্যয়ণরত শিক্ষার্থীদের ও ফরম নং ২ পূরণ করে একাদশ থেকে স্নাতকোত্তর শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির আবেদন করতে হবে। এসব ফরম পূরণ করে আঞ্চলিক পরিচালক ও উপপরিচালকদের বরাবর আবেদন অগ্রায়ণ করতে বলা হয়েছে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের।

উপবৃত্তির আবেদন ফরমটি দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হল।

ক্লিক করুন

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

পঁয়ত্রিশোর্ধ্ব নিবন্ধন সনদধারীদের নিয়োগের রায়ের স্থগিতাদেশের সময় বাড়ল

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
শিক্ষক নিয়োগে পঁয়ত্রিশোর্ধ্ব নিবন্ধন সনদধারীদের আবেদনের সুযোগ সংক্রান্ত হাইকোর্টের সেই রায়ের কার্যকারিতার ওপর জারি করা স্থগিতাদেশের সময় বেড়েছে। এনটিআরসিএর পক্ষ থেকে করা আবেদনের প্রেক্ষিতে এ সময় বাড়লো। এর আগে হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারীতে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত করেছিল সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

আজ সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) হাইকার্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে এনটিআরসিএর করা আপিলের ওপর লিভ পিটিশন শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সে শুনানি হয়নি। এদিকে শিক্ষক নিয়োগে পঁয়ত্রিশোর্ধ্ব নিবন্ধন সনদধারীদের আবেদনের সুযোগ সংক্রান্ত হাইকোর্টের সেই রায়ের কার্যকারিতার ওপর জারি করা স্থগিতাদেশের সময় বাড়ানোর আবেদন করেছিল এনটিআরসিএ। যা আদলত গ্রহণ করেছেন। আবেদনটি গৃহিত হওয়ায় আপিলের শুনানি না হওয়া পর্যন্ত রায়ের কার্যকারীতার ওপর জারি করা স্থাগিতাদেশটি বহল থাকবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নতুন বিজ্ঞপ্তি

প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রদান প্রকল্পঃ ২০২০ সালে নতুন ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রেরণ সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আগের বিধিমালায় নিয়োগপ্রাপ্ত নারী শিক্ষকদের গ্রেড উন্নীত হবে না

নিজস্ব প্রতিবেদক,১১ফেব্রুয়ারীঃ
প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন গ্রেড ১৪ ও ১৫তম থেকে ১৩তম গ্রেডে উন্নীত করেছে সরকার। রবিবার এ সংক্রান্ত আদেশ জারি হয়। গ্রেড উন্নীত করায় নতুন নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের সুবিধা বাড়বে। কর্মরতদের নগণ্য পরিমাণ বাড়বে, কারো কমতেও পারে।
তথ্য অনুযায়ী, এতদিন সহকারী শিক্ষকদের মধ্যে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা ১৪তম গ্রেডে (১০ হাজার ২০০ টাকা) এবং প্রশিক্ষণবিহীন ১৫তম গ্রেডে (৯ হাজার ৭০০ টাকা) বেতন পেতেন। তাদের দাবি ছিল ১১তম গ্রেড প্রদান। এই গ্রেডে বেতন স্কেল ১২ হাজার ৫০০ টাকা। শিক্ষকরা বলছেন, তাদের বেতন বৃদ্ধির পরিমাণ খুবই নগণ্য। যা মেনে নেওয়া যায় না। ১৩তম গ্রেডে উন্নীত হওয়ায় তারা ১১ হাজার টাকা স্কেলে বেতনভাতা পাবেন।

শিক্ষক নেতারা জানিয়েছেন, এতদিন প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের মধ্যে বৈষম্য ছিল। এবার বৈষম্য নিরসনের কথা বলে তাতে নিয়োগ বিধি ২০১৯ এর তপশিল ২(গ) এর শর্ত জুড়ে দিয়ে খোদ সহকারী শিক্ষকদের মধ্যেই বৈষম্য সৃষ্টি করা হচ্ছে।

বর্তমানে প্রাথমিকে নিয়োগের জন্য সব শিক্ষকের (নারী ও পুরুষ) শিক্ষাগত যোগ্যতা ডিগ্রি পাশ নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু এর আগে নারীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ ছিল এসএসসি/এইচএসসি। ফলে আগের বিধিমালায় যারা নিয়োগ পেয়েছেন তাদের গ্রেড উন্নীত হবে না।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter