টপ খবর

৩৬তম বিসিএস নন-ক্যাডারে পদ প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকসহ প্রায় ৪ হাজার

ঢাকা, ১৩ ফেব্রুয়ারি : ৩৬তম বিসিএস নন-ক্যাডার নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ কর্ম কমিশন (পিএসসি)। নন-ক্যাডার নিয়োগে ১ম ও ২য় শ্রেণিতে মাত্র ৭৮৭ পদ পেয়েছে বাংলাদেশ কর্ম কমিশন (পিএসসি)। তবে প্রধান শিক্ষকসহ এই পদ প্রায় ৪ হাজার বলে জানিয়েছেন পিএসসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক।
যদিও বিসিএসে উত্তীর্ণদের প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ নিতে অনীহা রয়েছে। কারণ এই পদটি ২য় শ্রেণির বলা হলেও এখনো শিক্ষকেরা বেতন পান ১১ ও ১২ তম গ্রেডে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পিএসসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক শিক্ষাবার্তাকে বলেন, পদ তো আমরা অনেক পেয়েছি। সেটা প্রায় চার হাজার। ১ম ও ২য় শ্রেণিতে নিয়োগ দেয়া যাবে ৭৮৭ জনকে।
এক প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ সাদিক বলেন, ‘প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগে অনীহা থাকার বিষয়টি তো আমাদের কিছু করার নেই। এটা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত। এবিষয়ে আমরা কিছু বলতে পারব না।’
পিএসসি সূত্রে জানা গেছে, ৩৬তম বিসিএসে ২ হাজার ৩২৩ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়। এ ছাড়া উত্তীর্ণ ৩ হাজার ৩০৮ জনকে নন-ক্যাডারে রাখা হয়।
নন-ক্যাডারে নিয়োগ দিতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাছে শূন্য পদ চেয়ে চিঠি পাঠায় পিএসসি। এতে বেশ সাড়া পেয়েছে তারা। ১ম শ্রেণির পদে ৪২২টি এবং ২য় শ্রেণির ৩৬৫টিসহ মোট ৭৮৭টি শূন্য পদ পেয়েছে পিএসসি। আর প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক পদ রয়েছে কয়েক হাজার।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জাতীয়করনকৃত প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল এর আপত্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক: জয়পুরহাটে ১৬ জন জাতীয়করনকৃত প্রধান শিক্ষককের টাইমস্কেলে আপত্তি জানিয়েছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আশরাফুল কবীর। গত ১৮ ডিসেম্বর ২০১৭ ইং তারিখে এ আপত্তি জানান তিনি । তিনি বলেন যেহেতু সবাই (পদ্দোন্নতীপ্রাপ্ত ) ১৪/০৭/২০০৮ ইং তারিখের পত্র অনুযায়ী পদ্দোন্নতীপ্রাপ্ত তাই তাদের অর্থ মন্ত্রনালয়ের ২৩/০৩/৯৫ সালের পত্র অনুযায়ী টাইমস্কেল প্রাপ্তহবেন না।

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সোনালী ব্যাংকে ২২০১ জনকে নিয়োগে বাধা নেই

ঢাকা: সোনালী ব্যাংকে ২০১৬ সালের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী তিনটি পদে ২ হাজার ২০১ জনকে নিয়োগপ্রক্রিয়ায় বাধা কেটেছে। ওই নিয়োগপ্রক্রিয়ার ওপর আগে দেওয়া স্থিতাবস্থা তুলে নিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত। একই সঙ্গে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে চাকরিপ্রত্যাশীদের করা পৃথক পাঁচটি লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ।
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ আজ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন। আদালতে সোনালী ব্যাংকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী শেখ ফজলে নূর তাপস ও মোহাম্মদ মেহেদী হাসান চৌধুরী। অন্যদিকে, লিভ টু আপিলকারীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আবদুল মতিন খসরু, কামরুল হক সিদ্দিকী, রফিকুর রহমান ও এ এ ম আমিন উদ্দিন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সিনিয়র অফিসার, অফিসার ও অফিসার ক্যাশ পদে নিয়োগের জন্য তিনটি বিজ্ঞপ্তি দেয়। যেখানে পদসংখ্যা ছিল ২ হাজার ২০১। ওই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে নিয়োগের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন ৪৭৪ চাকরিপ্রত্যাশী। তাঁরা ২০১৪ সালে ৩১ জানুয়ারি সোনালী ব্যাংকে ১ হাজার ৭০৭টি পদে নিয়োগের জন্য দেওয়া সার্কুলারের ভিত্তিতে আবেদনকারী। রিট আবেদনে ওই বিজ্ঞপ্তির পরিপ্রেক্ষিতে হওয়া পরীক্ষায় অভ্যন্তরীণ তালিকায় তাঁদের নাম রয়েছে বলে দাবি করেন তাঁরা। তাই রিটকারীরা ২০১৬ সালের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী নিয়োগের আরজি জানান।
রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে গত বছরের ২৭ জুলাই হাইকোর্ট রিট আবেদন খারিজ করে রায় দেন। এ রায়ের বিরুদ্ধে চাকরিপ্রত্যাশীরা পৃথক পাঁচটি লিভ টু আপিল করেন। আপিল বিভাগ এ নিয়োগপ্রক্রিয়ার ওপর স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে আদেশ দেন। লিভ টু আপিলের শুনানি শেষে আজ আদালত তা খারিজ করে আদেশ দেন।
আদেশের পর আইনজীবী মোহাম্মদ মেহেদী হাসান চৌধুরী বলেন, আপিল বিভাগ পৃথক পাঁচটি লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছেন। ২০১৬ সালের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী পরীক্ষাসহ নিয়োগপ্রক্রিয়ার ওপর আগে আপিল বিভাগের দেওয়া স্থিতাবস্থা প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে ২ হাজার ২০১টি পদে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনায় আইনগত কোনো বাধা নেই। তিনি বলেন, ওই বিজ্ঞপ্তির পরিপ্রেক্ষিতে আট লাখ দরখাস্ত জমা পড়েছিল। তবে উচ্চ আদালতে মামলা করার কারণে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়নি কর্তৃপক্ষ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চট্টগ্রামে ৫০ পরীক্ষার্থীর মোবাইলে পদার্থ বিজ্ঞানের প্রশ্ন

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালি থানাধীন বাংলাদেশ মহিলা সমিতি স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের বাইরে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মোবাইলে পদার্থ বিজ্ঞানের প্রশ্নপত্র পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় প্রশ্নফাঁস চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার সকালে পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পাওয়া প্রশ্নপত্রের সঙ্গে মিলে যায় মূল প্রশ্ন। একটি বাসের মধ্যে বসে ফাঁস হওয়া প্রশ্নের উত্তর শিখে নিচ্ছিল শিক্ষার্থীরা।
এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট বাসটিতে তল্লাশি চালিয়ে শিক্ষার্থীর ব্যাগ থেকে মোবাইল ফোন উদ্ধার করে। যাতে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন ছিল। সেইসঙ্গে প্রশ্নফাঁস চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান জানান, পটিয়া আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা বাওয়া স্কুল কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে আসে। কেন্দ্রের বাইরে কিছু শিক্ষার্থীর মোবাইলে প্রশ্নপত্র পাওয়া যায়। তাদের প্রহরায় পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে। ঘটনাস্থলে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের টিম রয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

আজ রাত ৯:০০টায় লাইভে আসছেন অপু বিশ্বাস

বিনোদন ডেস্ক : বিচ্ছেদের মতো কঠিন বোঝা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন ঢালিউডের কুইন অপুবিশ্বাস। তবে বর্তমানে এ যন্ত্রণা কাটিয়ে স্বাভাবিকভাবে সব কাজ করে বেড়াচ্ছেন তিনি।

সম্প্রতি বিনোদন ভিত্তিক অ্যাপস লিঙ্কআসের শুভেচ্ছা দূত নির্বাচিত হয়েছেন অপু। আর ইদানিং তিনি লিঙ্কাআসের প্রচারণার মাধ্যমে নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন। ভক্তদের জন্য একটি সুখবর। আজ রাত ৯:০০টায় ভক্তদের সাথে আড্ডা দিতে লাইভে আসছেন আপনার প্রিয় অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মার্চে প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক,৮ ফেব্রুয়ারী :স্থগিত থাকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা আগামী মার্চের শেষ দিকে অনুষ্ঠিত হবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক (নিয়োগ) একেএম সাফায়েত আলম আজ ব্রহস্পতিবার (৮ই ফেব্রুয়ারি) সাংবাদিকদের এ খবর জানিয়েছেন।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের শূন্য পদে নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এজন্য স্থগিত থাকা একটি পরীক্ষা নেওয়ার পাশাপাশি নতুন করে বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূ্ত্রে জানা যায়, সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দিতে ২০১৪ খ্রিস্টাব্দের ৯ ডিসেম্বর একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিলো প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এতে প্রায় ১২ লাখ প্রার্থী আবেদন করেছিলেন। কিন্তু ‘পুল’ ও ‘প্যানেলভুক্ত’ শিক্ষকদের মামলা সংক্রান্ত জটিলতায় ওই বিজ্ঞপ্তির বিপরীতে প্রায় ১০ হাজার পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে যায়।

মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন, ‘পুল’ ও ‘প্যানেলভুক্ত’ শিক্ষকদের নিয়োগের পর মামলা জটিলতা নিরসন হওয়ায় নতুন করে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এজন্য মন্ত্রণালয়ের কাছে বাজেট চেয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

তিনি বলেন, নতুন করে আরো প্রায় ১০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দিতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেখানে ৮-১০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।

মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানায়, সহকারী শিক্ষকের প্রায় ১৭ হাজার এবং প্রধান শিক্ষকের আরো প্রায় ২০ হাজার পদ বর্তমানে পদ শূন্য রয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প-৪ এর আওতায় নতুন করে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

২ এপ্রিল থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু

নিউজ ডেস্কঃ
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগামী ২ এপ্রিল শুরু হবে, তত্ত্বীয় পরীক্ষা চলবে ১৩ মে পর্যন্ত।
বুধবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ ২০১৮ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সূচি অনুমোদন করে তা প্রকাশ করেছে।
সূচি অনুযায়ী, ১৪ থেকে ৩০ মে হবে ব্যবহারিক পরীক্ষা। পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যাই পরীক্ষার হলে গিয়ে আসনে বসতে হবে।
এবারও শুরুতে বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) অংশ এবং পরে রচনামূলক অংশের পরীক্ষা হবে।
৩০ নম্বরের বহুনির্বাচনী পরীক্ষার সময় ৩০ মিনিট এবং ৭০ নম্বরের সৃজনশীল পরীক্ষার সময় আড়াই ঘণ্টা। যেসব বিষয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষা রয়েছে সেগুলোর ২৫ নম্বরের বহুনির্বাচনী পরীক্ষার সময় ২৫ মিনিট এবং সৃজনশীল অংশের জন্য দুই ঘণ্টা ৩৫ মিনিট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রশ্ন ফাঁসকারীদের ধরিয়ে দিলে ৫ লাখ টাকা : শিক্ষামন্ত্রী

প্রশ্ন ফাঁসকারীদের ধরিয়ে দিতে পাঁচ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। চলমান এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

রোববার বিকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এসএসসি পরীক্ষা কমিটির জরুরি বৈঠক শেষে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

নাহিদ বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে এসএসসির প্রশ্ন ফাঁসের খবর পাওয়া যাচ্ছে। সেসব মূল্যায়ণ করতে উচ্চ পর্যায়ের ১১ সদস্যের কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব মো. আলমীর হোসেনকে আহ্বায়ক করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, পুলিশ, তিন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে এ কমিটি গঠন করা হবে। তারা ফাঁস হওয়া প্রশ্ন মূল্যায়ন করে প্রমাণ পেলে সারা দেশের পরীক্ষা বাতিল করতে পারবে।

‘আমরা ২০১৫ সালে ঘোষণা দিয়েছিলাম যে, ২০১৭ সালে নৈব্যত্তিকে আরও ১০ নম্বর কমিয়ে আনা হবে’ এমন মন্তব্য করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী বছর থেকে নৈব্যত্তিকের নম্বর কমানো হতে পারে। একটি সেমিনার করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, পরীক্ষার হলে পরীক্ষক-শিক্ষার্থী কেউই কোনো ধরনের ডিভাইজ, মোবাইল আনতে পারবে না। যদি কারো কাছে এসব পাওয়া যায় তাকে গ্রেফতার করা হবে। এছাড়াও ৩০ মিনিট আগে শুধু কেন্দ্রে প্রবেশ নয় পরীক্ষার্থীদের নিজ নিজ আসনে বসার নির্দেশ দেন তিনি।

নাহিদ বলেন, সরকারকে বিপাকে ফেলতে কেউ কেউ এসব নোংরা কাজে যুক্ত হচ্ছেন। তাদের কেউই রেহাই পাবে না। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীসহ বিভিন্ন সংস্থাকে আবারো তাগাদা দেয়া হয়েছে।

বৈঠকে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোহরাব হোসেন, কারিগরি ও মাদসারা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর হোসেন, তিনি বোর্ড চেয়ারম্যানসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এক ক্লিকেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব তথ্য

ডেস্ক,১ ফেব্রুয়ারী : সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহে নতুন ওয়েবসাইট তৈরি করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষক কতজন, শিক্ষার্থীর সংখ্যা, ফলাফল, ভবনের অবস্থানসহ সব তথ্য থাকবে এ ওয়েবসাইটে। শুধুমাত্র প্রাইমারি এডুকেশন প্রপার্টি ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (পিইপিএমআইএস) সাইটে গিয়ে ক্লিক করলেই বিস্তারিত দেখা যাবে।

শুধুমাত্র যাদের অ্যাকসেস থাকবে তারাই দেখতে পাবেন এসব তথ্য। ডিজিটাল এই ওয়েবসাইটি তৈরি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সরকারি প্রাথমিক স্কুলের ভবন নির্মাণসহ সব উন্নয়ন কাজের দীর্ঘসূত্রতা দূর হয়েছে। প্রথম দিকে মাঠপর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে কয়েক মাস সময়ে লেগে যেত। সঠিক তথ্য যথা সময়ে মিলতো না।

বর্তমানে সারাদেশের সব স্কুলের যাবতীয় তথ্য পিইপিএমআইএস ওয়েবসাইটে রয়েছে। ক্লিক করলেই মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা প্রত্যেক স্কুলের ভৌগোলিক অবস্থানসহ সব তথ্য পাচ্ছেন। ওয়েবসাইটের তথ্যের মাধ্যমেই এখন সব উন্নয়ন কাজ পরিচালনা করছেন। ফলে অর্থ এবং সময়ের অপচয় কমেছে। নেই কোনো তদবির।

এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন শাখার সহকারী প্রধান কর্মকর্তা মো. নুরুন্নবী বলেন, ‘জনপ্রতিনিধিসহ অনেকে স্কুলের নতুন ভবন নির্মাণের দাবি নিয়ে আসতেন। তারা অভিযোগ করতেন, ভবন সঙ্কটের কারণে শিক্ষার্থীরা গাছের নিচে ক্লাস করে। এখন কেউ তদবির নিয়ে আসলেই ওয়েবসাইটে ঢুকে ঘটনার সত্যতা যাছাই করা হয়। ভবনের ছবিসহ বিস্তারিত তথ্য দেখানোর পরে অনেকে সরি বলে চলে যান।

তিনি বলেন, একটি স্কুলের উন্নয়নমূলক কাজ করতে যত ধরনের তথ্য দরকার তার সব তথ্য ওয়েবসাইটিতে রয়েছে। ভবিষ্যতে ভবন নির্মাণের প্রয়োজন হলে তার ডিজাইন ও স্থানও নির্ধারণ করে ওয়েবসাইটে আপলোড করেছেন শিক্ষকরা।’

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, পিইপিএমআইএস ওয়েবসাইটে স্কুলের শ্রেণিভিত্তিক ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা, কর্মরত নারী ও পুরুষ শিক্ষকের সংখ্যা, শিক্ষক পদের সংখ্যা ও শূন্যপদ, চালু থাকা শিফট, স্কুলের জমির পরিমাণ, জমির মালিকানার সনদ, সেনিটেশন ব্যবস্থার চিত্র, ভবন ও ক্লাস রুমের সংখ্যা, ভবন ও ক্লাস রুমের আয়তন, ধরন, নির্মাণের সময়কাল, স্কুলের ভবনের সামনের-পেছনের দিকের ও দৈর্ঘ্যের ছবিসহ বিস্তারিত তথ্য দেয়া আছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জাতিসংঘে বাংলা সময়ের দাবি : মোস্তাফা জব্বার

নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে বাংলা ব্যবহার সময়ের দাবি বলে মন্তব্য করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। তিনি বলেন, বাংলা ভাষা বিশ্বের অনেক ভাষার চাইতে বৈজ্ঞানিক এবং সমৃদ্ধ। প্রযুক্তিগত জটিলতাও কাটিয়ে উঠছি আমরা। ১৯৫২ সালে তরুণরা রক্ত দিয়ে মায়ের ভাষার অধিকার রক্ষা করেছেন। এখন আমরা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাংলা ভাষাকে বৈশ্বিক রূপ দেব।

‘জাতিসংঘে বাংলা চাই’ স্লোগানকে সামনে রেখে দেশের শীর্ষ নিউজ পোর্টাল জাগো নিউজ২৪.কম- এর অনলাইন আবেদন কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রাণ-আরএফএল সেন্টারে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে দাবির পক্ষে বক্তব্য রাখেন, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের প্রধান নির্বাহী আহসান খান চৌধুরী, প্রাণ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইলিয়াছ মৃধা, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিপণন পরিচালক কামরুজ্জামান কামাল, জাগো নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম এর সম্পাদক সুজন মাহমুদ ও প্রধান বার্তা সম্পাদক মহিউদ্দিন সরকার। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সহকারী সম্পাদক ড. হারুন রশীদ। এ সময় জাগো নিউজের প্রধান প্রতিবেদক মনিরুজ্জামান উজ্জ্বলসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। আলোচনায় অংশ নিয়ে মন্ত্রী বলেন, বাংলা ভাষার ইতিহাস সবারই জানা। রক্ত দিয়ে ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠা করার ইতিহাস দ্বিতীয়টি আর নেই। ভাষার নামেই প্রতিষ্ঠা পেয়েছে ‘বাংলাদেশ’। তিনি বলেন, ভাষাকেন্দ্রিক আন্দোলনের হাজার বছরের ইতিহাস থাকলেও চূড়ান্ত আন্দোলনের রূপায়ন ঘটে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি। ১৯৭০ সালে বঙ্গবন্ধু প্রতিজ্ঞা করেছিলেন, আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে সর্বত্র বাংলা ভাষার প্রচলন ঘটবে। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালেই বঙ্গবন্ধু বাংলা ভাষার ব্যবহার এবং উন্নয়নে নানা উদ্যোগ নিয়েছিলেন। প্রশাসন, ব্যাংক, আদালত এমনকি সেনা কমান্ডেও বাংলার ব্যবহার নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছিলেন।

bangla

বঙ্গবন্ধুর হত্যার পরেই বাংলা ভাষার প্রতি অবহেলা আর উদাসীনতা নেমে আসে। জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে বাংলাদেশ বেতারকে বাংলাদেশ রেডিও নামকরণ করেন। বাংলার পরিবর্তে রোমান হরফ ব্যবহারে জোর দিতে থাকেন, বলেন মন্ত্রী। বাংলার প্রতি অবহেলা এখনও বিরাজমান উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখনও অনেকে মনে করেন, বাংলা ভাষা আন্তর্জাতিকমানের হতে পারবে না। এটি হচ্ছে আমাদের মানসিক সংকীর্ণতা। এমন প্রবণতা হচ্ছে কাক হয়ে ময়ূরের পালক ধারণ করা। এই প্রবণতার মাধ্যমে নিজের মাকে অস্বীকার ও মাতৃভাষার প্রতি অবজ্ঞা করা। নিজ মা ও ভাষাকে অবহেলা করে কেউ স্ব জাতিতে বড় হতে পারে না।

তিনি বাংলা ভাষার উন্নয়নে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এমন কোনো ভাষা নেই, যার ডিজিটাল রূপ নেই। বাংলা ভাষারও ডিজিটাল রূপ রয়েছে। ‘জাতিসংঘে বাংলা চাই’ এই দাবি জোরালো করতে হলে প্রযুক্তির আরও উৎকর্ষ সাধন করতে হবে। আমাদের তরুণ মেধাবীরাই সে প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। প্রযুক্তির ব্যবহারের কারণেই ইংরেজির উপর নির্ভরতা কমে যাচ্ছে।বাংলা ভাষার উন্নয়নে সরকার বিশেষ একটি প্রকল্পও হাতে নিয়েছে বলে জানান মন্ত্রী, যা আগামী বছর নাগাদ শেষ হবে। আর এটি হলে জাতিসংঘে বাংলা ব্যবহারের যে দাবি, তাতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

bangla

মোস্তাফা জব্বার বলেন, জাতিসংঘে বাংলার ব্যবহার নিশ্চিত করতে স্ব-স্ব জায়গা থেকে দাবি তুলতে হবে। এই দাবির সার্বজনীন রূপ দিতে হলে মিডিয়াকেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। জাগো নিউজ এমনই একটি আওয়াজ তুলেছে। এ কর্মসূচির উদ্বোধন করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। অনলাইনে আবেদনের মাধ্যমে এই দাবি সর্বত্র ছড়িয়ে পড়বে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছি।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের বাইরে থেকে যেকোনো ব্যক্তি তার নাম এবং ই-মেইল অথবা মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে আবেদন (পিটিশন) করতে পারবেন। কর্মসূচি শেষে জাতিসংঘের মহাসচিব বরাবর আবেদনটি পৌঁছে দেয়া হবে। মাসব্যাপী এই কর্মসূচিতে সহায়তা করছে শীর্ষ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ‘প্রাণ’।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পাঁচ শতাধিক প্রধান শিক্ষককে নিয়োগ

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৪ জানুয়ারী: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চলতি দায়িত্বে দুই জেলায় আরও পাঁচ শতাধিক শিক্ষককে পদায়ন দেয়া হবে। আগামী সপ্তাহে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হবে বলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে।

মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, চলতি সপ্তাহে নেত্রকোনা, কুষ্টিয়া ও ঠাকুরগাঁও জেলায় ৭৭৬ জন শিক্ষককে চলতি দায়িত্বে প্রধান শিক্ষক পদে পদায়ন করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে কিশোরগঞ্জ ও মানিকগঞ্জ জেলার ৫২৩ জন জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক চলতি দায়িত্ব দেয়া হবে।

জানা গেছে, সম্প্রতি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) থেকে কিশোরগঞ্জ ও মানিকগঞ্জ জেলার প্রধান শিক্ষক শূন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের তালিকা পাঠানো হয়। তালিকা অনুযায়ী মানিকগঞ্জ জেলায় ২৭৩ জন ও কিশোরগঞ্জে ২৫৫ জন শিক্ষক রয়েছে। চলতি সপ্তাহে মন্ত্রণালয় থেকে এ দুই জেলার প্রধান শিক্ষক পদায়নের নির্দেশনা জারি করা হবে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. গিয়াসউদ্দিন আহমেদ শিক্ষাবার্তাকে বলেন, জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে মানিকগঞ্জ ও কিশোরগঞ্জের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হবে। এ দুই জেলার ৫২৩ জন জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষককে চলতি দায়িত্বে প্রধান শিক্ষক পদে দায়িত্ব দেয়া হবে।

তিনি বলেন, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। পর্যায়ক্রমে সব জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক শূন্য আসনে চলতি দায়িত্বে পদায়ন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে সাত জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকরী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষকের চলতি দায়িত্বে পদোন্নতি দেয়া হয়। এছাড়াও মেহেরপুর, ফরিদপুর জেলার শিক্ষকদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে তাদেরকেও এ দায়িত্ব দেয়া হবে।

জানা যায়, জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের তালিকা প্রণয়নে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরকে দায়িত্ব দেয়া হয়। সে তালিকার ভিত্তিতে মন্ত্রণালয় থেকে যোগ্য শিক্ষকদের পদায়নে অনুমোদন দেয়। অধিদফতর সেসব শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদায়ন করে থাকে।

উল্লেখ্য, গত ২৩ মে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের শূন্য স্থানে জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদের দায়িত্ব দেয়ার ঘোষণা দেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সরকারি কর্মচারিদের জন্য বেশি দামের পোষাক

আনিসুর রহমান তপন : ১৬ থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি কর্মচারিরা এখন থেকে আরো বেশি দামের পোষাক ও আনুষাঙ্গিক দ্রব্যাদি পাবেন। আগে একজন কর্মচারি পোষাকের জন্য দেড় হাজার টাকা পেলেও এখন তা উন্নীত করে আড়াই হাজার টাকা বরাদ্ধ করে আদেশ জারি করেছে সরকার।

সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা পরিপত্রে বলা হয়েছে, গ্রীষ্মকালের পোশাক হিসেবে পুরুষ কর্মচারীরা প্রতি দুই বছরের জন্য এক সেট ফুল সাফারি বাবদ ২ হাজার ৫শ টাকা এবং এক সেট হাফ সাফারী সেট মজুরীসহ ২ হাজার ৫শ করে পাবেন। এরআগে এ জন্য ১ হাজার ৬শ টাকা বরাদ্ধ ছিল। প্রতি বছর ১ হাজার ৮শ টাকা দামের এক জোড়া কালো অক্সফোর্ড জুতা পাবেন কর্মচারিরা। আগে যা ছিল ১ হাজার টাকা। ১০০ টাকার পরিবর্তে কর্মচারীরা এখন পাবেন ১৫০ টাকার দুই জোড়া কালো মোজা। কর্মচারিরা প্রতি বছরের জন্য ৩শ টাকা দামের কালো রংয়ের একটি ছাতা পাবেন। এছাড়া পরিপত্র অনুযায়ী, শীতকালীন পোষাক ও শার্ট পাবেন পুরুষ কর্মচারিরা।

সরকারি নারী কর্মচারীরা দুই বছরের জন্য গ্রীষ্মকালীন পোশাক হিসেবে ৫ হাজার টাকা দামের দুটি জর্জেট ও দুটি সুতি শাড়িসহ ব্লাউজ, পেটিকোট পাবেন। আগে ৪টি শাড়ি, ব্লাউজ পেটিকোটের জন্য মোট ২ হাজার ৫০০ টাকা পেতেন তারা।

নারীরা প্রতি বছরের জন্য এক হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের দুই জোড়া জুতা পাবেন। আর ১৫০ টাকার দুই জোড়া মোজা পাবেন। আগে জুতার জন্য ৯০০ টাকা ও মোজার জন্য ১০০ টাকা পেতেন। নারীরা প্রতি বছরের জন্য ৩’শ টাকা দামের একটি রঙিন ছাতা পাবেন। যা আগে ২০০ টাকা ছিল। এছাড়া অন্যান্য ঋতুভিত্তিক পোশাকের ক্ষেত্রে পুরুষদেও মতো নারীরাও নির্ধারিত বরাদ্ধ পাবেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অবশেষে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদা, বিস্তারিত জানুন

জুমবাংলা ডেস্ক,২০ জানুয়ারী : সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণীর পদমর্যাদা এবং সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল একধাপ উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গত রোববার সচিব কমিটির সভায় ওই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সে অনুযায়ী মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত আদেশ জারি হওয়ার কথা ছিল। তবে কৌশলগত কারণে তা আপাতত হচ্ছে না। এ ধরনের পদের আপগ্রেডেশন আর বেতন স্কেল উন্নীত করার দাবি প্রাথমিক শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের। এ নিয়ে তারা রাজপথের আন্দোলন পর্যন্ত করেছেন। এমনকি দিনের পর দিন বিদ্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে তারা কর্মবিরতি পালন করেন। শেষপর্যন্ত সেই দাবি তাদের পূরণ হল। দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, অর্থ মন্ত্রণালয় বিষয়টিতে সম্মতি আর সচিব কমিটির অনুমোদনের পরও এ ব্যাপারে আদেশ জারি করতে কৌশলের আশ্রয় নিতে হচ্ছে সরকারকে। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা। সারা দেশে ভোট গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রাথমিক শিক্ষকদের কেউ প্রিসাইডিং অফিসার আবার কেউ সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করে থাকেন। তাই তফসিল ঘোষণা হয়ে যাওয়ায় এ মুহূর্তে শিক্ষকদের দেয়া সুবিধার বিষয়টি নিয়ে আপত্তি উঠতে পারে বলে সরকারের সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

রোববার সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সচিব কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায়ই প্রাথমিক শিক্ষকদের উল্লিখিত বিষয়টি অনুমোদন হয় বলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব কাজী আখতার হোসেন সাংবাদিকদের জানান। তিনি এও জানান, এ ব্যাপারে তার মন্ত্রণালয় থেকে কোনও প্রজ্ঞাপন জারি হবে না। কারণ এটি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ার। সেখান থেকেই প্রজ্ঞাপন বা অন্য যা-ই করা হোক হবে। তাদের বিষয়টি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে অবহিত করা হবে মাত্র। তিনি আরও বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণীর পদমর্যাদা এবং সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল উন্নীতকরণের বিষয়টি ঘোষণা এখন একটি আনুষ্ঠানিকতার বাকি মাত্র।
মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এসএম আশরাফুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে মঙ্গলবারই আদেশ জারি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা হয়েছে কিনা তিনি জানেন না। বলেন, শিক্ষকদের দুটি দাবি মেনে নিতে সরকারকে বছরে ৫শ’ কোটির বেশি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় করতে হবে। তবে ওই অর্থ এ বছর অর্থ মন্ত্রণালয়কে দিতে হবে। প্রয়োজনীয় অর্থ বাজেটে রয়েছে। জানা গেছে, জাতীয় বেতন স্কেল ২০০৯ অনুযায়ী বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত) ১৩তম গ্রেডে বেতন ও সুবিধাদি পাচ্ছেন। প্রশিক্ষণবিহীন প্রধান শিক্ষক পাচ্ছেন ১৪তম গ্রেডে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক ১৫তম গ্রেড এবং প্রশিক্ষণবিহীন সহকারী শিক্ষক ১৬তম গ্রেডে বেতন ও সুবিধাদি পাচ্ছেন। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণীর কর্মকর্তার পদমর্যাদা বৃদ্ধি পেলে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ১০ম এবং প্রশিক্ষণবিহীন প্রধান শিক্ষক ১১তম গ্রেডে বেতন ও সুবিধাদি পাবেন। এছাড়া সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল উন্নীত হলে সেক্ষেত্রে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক ১৩তম গ্রেড এবং প্রশিক্ষণবিহীন সহকারী শিক্ষক ১৪তম গ্রেডে বেতন ও সুবিধাদি পাবেন। দেশে বর্তমানে প্রায় ৩৮ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর বাইরে নতুন করে জাতীয়করণ করা ২৬ হাজার বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও এ সুবিধা পাবেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল অবৈধ। সারা দেশে সরকারী টাকা লুটপাট

শিক্ষাবার্তার সংবাদ প্রকাশের পর তোড়জোড়

দুই পদের সমষ্টিতে টাইম স্কেল নেয়া যায় না।

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৯জানুয়ারী : জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল নেবার ব্যাপারে মতামত প্রদান করেছে উপ হিসাব নিয়ন্ত্রক মজিবুল হক। গত ৭ জানুয়ারী ২০১৮ ইং তারিখের এক পত্রে  জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকরা টাইমস্কেল পাচ্ছে না বলে রংপুর ডিভিশনাল কন্টোলারকে চিঠি দিয়েছে। পত্রে বলা হয়েছে উভয় পদের সমষ্টির ভিত্তিতে টাইমস্কেল প্রাপ্য নয় বলে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে এবং পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সুত্র জানায় শুধুমাত্র দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের ১ নং (এক) ক্রমিকে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষককে মাত্র ৫০ (পঞ্চাশ) টাকা ভাতা প্রদানের মাধ্যমে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের সুযোগ প্রদান করে এমপিওভুক্ত করা হয়েছিলো| ১৪-৭-২০০৮ খ্রিঃ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্মারক নং প্রাগম/বিদ্যা-১/৮ জি-৭/৯৮ ( অংশ) ২৫৩ এর পরিপত্র মোতাবেক রেজিঃ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে (জাতীয়কর) শিক্ষা ও ব্যবস্থাপনার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার এ সকল বিদ্যালয়ে বিদ্যমান শিক্ষকের ৪টি পদের একটিকে উন্নীতকরণের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক পদ সৃষ্টির সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছেন।

অর্থাৎ ২০০৮ সাল থেকে তাদেরকে প্রধান শিক্ষক হিসাবে গননা করা হয় এবং সেখান থেকে সবাই পদ্দোন্নতী প্রাপ্ত।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল নিয়ে জটিলতা সমস্যা সমাধানে কাজ করছে সমিতির নেতৃবৃন্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক,১২ জানুয়ারী : প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের উন্নীত পদ্ধতিতে বেতন নির্ধারণ নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে কাজ করছে কেন্দ্রীয় প্রধান শিক্ষক সমিতি। অচিরেই সমস্যা সমাধানের পথেই হাটছেন তারা। সুবিধা বঞ্চিতদের হতাশ না হয়ে শিক্ষাদানে মনোযোগ দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নেতৃবৃন্দ। গত বছরের ১৫ নভেম্বর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব শামীম আসহান সাক্ষরিত জারিকৃত আদেশ নিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হয়। ওই আদেশে গুটি কয়েকজন প্রধান শিক্ষক সুবিধা পেলেও সিংহভাগই হয়েছে সুবিধা বঞ্চিত। সূত্রমতে, আদেশের ফলে ০৯-০৩-২০১৪ থেকে ১৪-১২-২০১৫ পর্যন্ত যাদের ১ম, ২য় এবং ৩য় টাইমস্কেল ডিউ হয়েছে তারাই বঞ্চিত হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করলে সমাধানের আশ্বাস দেন মাননীয় প্রাথমিক গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান। প্রাথমিক, গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশে বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৩ হাজার ৬০১টি। প্রধান শিক্ষকের সংখ্যা রয়েছেন প্রায় ৫০ হাজার। সে হিসেব মতে প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার প্রধান শিক্ষক পদ শূন্য রয়েছে। ৫০ হাজার প্রধান শিক্ষকের মধ্যে ২৫ হাজারের বেশি হচ্ছেন পদোন্নতিপ্রাপ্ত। সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের সংখ্যা মাত্র ১৫ হাজার। এছাড়া জাতীয়করণকৃত বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষক রয়েছেন প্রায় ১০ হাজার। ২০১৪ সালের ৯ মার্চ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহের অনুষ্ঠানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদা এবং বেতনস্কেল দু’ধাপ উন্নীত করার ঘোষণা দেন। পাশাপাশি সহকারী শিক্ষকদের এক ধাপ বেতনস্কেল উন্নীত করার ঘোষণাও দেন। কিন্তু প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদার ভিত্তিতে বেতনস্কেল নিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হয়। অর্থ মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মধ্যে পত্র লেনদেন করা হয়েছে বেশ কয়েকবার। এছাড়া শিক্ষক নেতাদের সাথে বৈঠকের পর গত ১৫ নভেম্বর জারিকৃত আদেশে সারাদেশের প্রধান শিক্ষকদের সিংহভাগই বাদ পরেছে এ সুবিধা থেকে। কিছু সংখ্যক শিক্ষক এ সুবিধা পাওয়ায় সৃষ্টি হয় জটিলতার। তারই প্রেক্ষিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে শিক্ষক নেতাদের কাছে বঞ্চিত শিক্ষকদের সংখ্যা জানতে চাওয়া হয়। নেতৃবৃন্দের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুনরায় তালিকা প্রকাশ হবে বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক স্বরুপ দাস বলেছেন, প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল জটিলতা নিয়ে আমরা মন্ত্রণালয়ে জানিয়েছি। আশা করছি খুব দ্রুত বিষয়টি সমাধান করতে পারবো। প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রণালয়ের সচিব আসিফ-উজ-জামান বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি। দ্রুত সমাধান হবে ইনশাল্লাহ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free