Home » টপ খবর (page 2)

টপ খবর

ঈদুল আজহার আগেই প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের ‘কিডস অ্যালাউন্স

নিজস্ব প্রতিবেদক,২ জুলাই: করোনাকালে প্রাথমিক শিক্ষায় নতুন কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের কাজও শুরু করে দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
নতুন সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে রয়েছে করোনাকালে মোবাইল ফোনের জুম অ্যাপস ব্যবহার করে সব প্রধান শিক্ষক সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের সাঙ্গে ভার্চুয়াল সভা করবেন। টেলিভিশনে ‘ঘরে বসে শিখি’ কার্যক্রমে আরও বেশিসংখ্যক শিক্ষার্থী যেন যুক্ত হয় ও টেলিভিশনে ডিজিটাল ক্লাস যেন দেখে এ ব্যবস্থা ফোনের মাধ্যমে অভিভাবকদের সঙ্গে শিক্ষকরা যোগাযোগ করে করবেন। পাঠ প্রচারের সময়সূচি স্থানীয় মসজিদের মাইকের মাধ্যমে অভিভাবক ও ছাত্রছাত্রীদের জানিয়ে দিতে হবে।

নতুন সিদ্ধান্তের মধ্যে আরও রয়েছে ঈদুল আজহার আগেই প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের ‘কিডস অ্যালাউন্স’ দেওয়া হবে। বিধি অনুযায়ী উপজেলাভিত্তিক সঠিক মানের একই রংয়ের শার্ট, স্কাট, প্যান্ট, টাই, জুতা কেনার ব্যবস্থা করতে হবে। দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার যে ক্ষতি হয়েছে, তা পুষিয়ে নিতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা ‘রিকভারি অ্যাকশন প্ল্যান’ তৈরি করে তা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে পাঠাবেন।

এ ছাড়া প্রত্যেক প্রাথমিক বিদ্যালয়কে নিজ বিদ্যালয়ের নামে ফেসবুক আইডি খুলতে হবে। শিক্ষকরা পাঠদান কার্যক্রম ভিডিও করে ওই ফেসবুকে আপলোড দেবেন। এখন থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনে ‘বাস্তবায়নে এলজিইডি’ না লিখে এর জায়গায় ‘বাস্তবায়নে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর’ লিখতে হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব ধরনের মেরামত ও স্লিপের কার্যাবলি মানসম্মতভাবে যথাসময়ে শেষ করে নির্ধারিত তারিখের মধ্যে বিল ভাউচার দাখিল করতে হবে প্রধান শিক্ষকের।

প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের জন্য ‘হ্যালো টিচার’ নামে নতুন মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন (অ্যাপস) ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা পছন্দের শিক্ষক বাছাই করে তার কাছ থেকে শিক্ষার বিষয়ে পরামর্শ নিতে পারবেন। গণিত, ইংরেজি, বাংলা, বিজ্ঞানসহ নির্দিষ্ট বিষয়ের শিক্ষক বাছাই করে পাঠ সম্পর্কে বুঝতে ও জানতে পারবেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিক শিক্ষায় হ্যালো টিচার অ্যাপস চালু

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০২ জুলাই, ২০২০

করোনাকালে প্রাথমিক শিক্ষায় নতুন আটটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের কাজও শুরু করে দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমকে জানায়, করোনাকালে স্কুল বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের পাঠে মনোযোগী রাখতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। গুগল প্লে-স্টোর থেকে ডাউনলোড করে নিয়ে শিক্ষার্থীরা নতুন অ্যাপস ব্যবহার করতে পারবে। অভিভাবকরাও এই অ্যাপস ব্যবহার করতে পারবেন।

এছাড়া, সংসদ টেলিভিশনে ক্লাস প্রচার করে ৫৯ থেকে ৫২ শতাংশ শিক্ষার্থীর কাছে পাঠ পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে বলে দাবি করছেন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। বেতারে পাঠ প্রচার শুরু হলে আরও ২০ থেকে ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছানো যাবে বলে মনে করছেন তারা। তবে জরিপ করে দেখা গেছে, দেশের ৯৮ শতাংশের বেশি মানুষ মুঠোফোন ব্যবহার করে। অভিভাবকদের মুঠোফোন ব্যবহার করে শিশুরা অ্যাপসের মাধ্যমে তাদের প্রশ্নের উত্তর জানতে পারবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমকে বলেন, সরকারের আইসিটি বিভাগ এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রকল্প থেকে এই অ্যাপস তৈরিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে সহায়তা করা হচ্ছে। শিগগিরই হ্যালো টিচার অ্যাপস চালু করা যাবে বলে তিনি আশা করেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

পলিটেকনিকে ভর্তির যোগ্যতা ও ফি কমছে, থাকছে না বসয়সীমা

নিজস্ব প্রতিবেদক,১ জুলাই:

দেশের পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তির ক্ষেত্রে কোন রকমের বয়সের সীমাবদ্ধতা রাখা হবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। আজ বুধবার (১ জুলাই) কারিগরি শিক্ষার উন্নয়ন সংক্রান্ত একবার ভার্চুয়াল মিটিংয়ে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন তিনি। সভায় পলিটেকনিকে ভর্তির যোগ্যতা ও ফি কমানোর সিদ্ধান্তও নেয়া হয়েছে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।

সভায় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা এবং প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত রূপকল্প ৪১ বাস্তবায়নে কারিগরি শিক্ষাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। তাই কারিগরি শিক্ষায় ভর্তির হার বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবং বিদেশ ফেরত দক্ষ কর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়ার জন্য পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তির ক্ষেত্রে কোন রকমের বয়সের সীমাবদ্ধতা রাখা হবে না।

তিনি বলেন অনেক ব্যক্তির হয়তো প্রয়োজনীয় কারিগরী দক্ষতা আছে কিন্তু তার প্রাতিষ্ঠানিক কোনো সার্টিফিকেট নাই এবং সার্টিফিকেট না থাকার কারণে ভালো চাকরি পাচ্ছে না অথবা চাকরি পেলেও ভালো বেতন পাচ্ছে না। সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি যদি চায় এবং যদি তার প্রয়োজনীয় একাডেমিক যোগ্যতা থাকে তাহলে সে ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি হতে পারবে।

একই মিটিংয়ে তিনি ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তির ক্ষেত্রে ছেলেদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম যোগ্যতা জিপিএ ৩.৫ থেকে কমিয়ে ২.৫, মেয়েদের ক্ষেত্রে জিপিএ ৩ থেকে কমিয়ে ২.২৫ করার সিদ্ধান্ত দেন। পাশাপাশি ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি ফি ১৮২৫ টাকা থেকে কমিয়ে ১০৯০ টাকা করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেন।

তাছাড়া মন্ত্রী এ মাসের মধ্যে কারিগরি মাদ্রাসা বিভাগের শিক্ষকদের এমপিওর অর্থ ছাড় করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ প্রদান করেন।

বৈঠকে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপনের নীতিমালা, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর আইন ২০২০ ও এর নিয়োগবিধি প্রণয়ন সহ কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মুনশী শাহাবুদ্দীনের সভাপতিত্বে এই মিটিংয়ে আরো যুক্ত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সফিউদ্দিন আহমেদ, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ সানোয়ার হোসেন, মাদ্রাসা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর কায়সার আহমেদ , কারিগরি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড.মোঃ মুরাদ হোসেন মোল্লাসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

কোটা থাকছে না ৪০তম বিসিএস পরীক্ষায়

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০১ জুলাই, ২০২০

বিসিএসের মাধ্যমে দেশে সরকারি কর্মকর্তা নিয়োগে কোটা পদ্ধতি শেষ হলো। এ পদ্ধতিতে সর্বশেষ মঙ্গলবার (৩০ জুন) ৩৮তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এতে দুই হাজার ২০৪ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়। এটা কোটা পদ্ধতির মাধ্যমে সর্বশেষ বিসিএসের ফলাফল।

২০১৮ সালে সরকার কোটা প্রথা বিলুপ্ত করে। পিএসসি বলছে, এখন থেকে কোন বিসিএসে কোটা পদ্ধতি থাকছে না। এমনকী, কোটা পদ্ধতি বাতিলের প্রায় এক মাস আগে ৪০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলেও কোটা পদ্ধতি থাকছে না। পিএসসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ফলে সাধারণ চাকরিপ্রার্থীদের চাকরির সুযোগ আরও বাড়বে।

পিএসসির চেয়ারম্যান জানান, কোটা বিলোপের মাসখানেক আগে ৪০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি হয়। তবে আমরা বলেছিলাম সরকারের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুসরণ করবো। যেহেতু কোটা প্রথা বিলুপ্ত করেছে, সে কারণেপরবর্তী আর কোন বিসিএসে কোটা থাকছে না। ৪০তম বিসিএসেও থাকছে না। ৩৮তম বিসিএসকেই বলা যায় কোটার সর্বশেষ প্রয়োগ।

এতদিন ৫৫ শতাংশ কোটা এবং ৪৫ শতাংশ মেধা এমন নিয়মে ৩৮তম বিসিএসের ফলাফল দেওয়া হয়েছে। তবে কারিগরী ক্যাডারে কোটার প্রার্থী পাওয়া না গেলেসাধারণ প্রার্থী দেওয়া হয়েছে।

সর্বপ্রথম ১৯৭২ সালে সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থার প্রবর্তন করা হয়। তখন মেধাতালিকায় ২০ শতাংশ রেখে, ৪০ শতাংশ জেলা কোটা, ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য এবং ১০ শতাংশ যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত নারীদের জন্য ছিল। পরবর্তীতে কয়েকবার কোটা ব্যবস্থার পরিবর্তন করে ৫৫ শতাংশ করা হয়। এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা ৩০ শতাংশ, জেলা ১০ শতাংশ, নারীদের ১০ শতাংশ এবং ক্ষুদ্রনৃগোষ্ঠীর পাঁচ শতাংশ কোটা ছিল। পরে প্রতিবন্ধীদের জন্যও এক শতাংশ কোটা নির্ধারণ করা হয়।

এই কোটা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে ধারাবাহিক আন্দোলন শুরু হয়। এপ্রিলে সেই আন্দোলন ব্যাপক হয়। দেশের সবকটি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে ছড়িয়ে পড়ে আন্দোলন। সে সময় পুলিশ কোটা সংস্কার আন্দোলন কর্মীদের ব্যাপক ধরপাকড় শুরু করে। তখন অনেকে আন্দোলনকর্মীদের পাশে দাঁড়ান। এরই ধারাবাহিকতায় প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা বাতিল ঘোষণা করে সরকার।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

পুনঃনিরীক্ষণে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৯৩ পরীক্ষার্থী

ডেস্ক,৩০ জুন:
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার পুনঃনিরীক্ষণ ফলে নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৯৩ পরীক্ষার্থী। সারাদেশে ছয় সহস্রাধিক পরীক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে। এছাড়াও ফেল থেকে জিপিএ-৫ সহ বিভিন্ন স্তরে জিপিএ পরিবর্তন হয়েছে। কেউ আবার আবেদন করে পাস থেকে ফেল হয়েছে।

এসব পরিবর্তনের মধ্যে গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে খাতায় বেশি পরিবর্তন হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) পুনঃনিরীক্ষণ ফল প্রকাশের পর ১১ শিক্ষা বোর্ডে যোগাযোগ করে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলে সন্তুষ্ট না হয়ে সারাদেশে দুই লাখ ৩৪ হাজার ৪৭১ শিক্ষার্থী চ্যালেঞ্জ করে আবেদন করে। এ কারণে বিভিন্ন বিষয়ের উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের জন্য মোট চার লাখ ৮১ হাজার ২২২ বিষয়ের ফলে আপত্তি তোলা হয়।

তার মধ্যে ঢাকা বোর্ডে এক লাখ ৪৬ হাজার ২৬০, বরিশালে ২৩ হাজার ৮৫০, চট্টগ্রামে ৫২ হাজার ২৪৬, দিনাজপুরে ৪০ হাজার ৭৫, রাজশাহীতে ৪৪ হাজার ৬১, সিলেটে ২৩ হাজার ৭৯০, কুমিল্লা বোর্ডে ৩৯ হাজার ৩০৩, ময়মনসিংহে ৩১ হাজার ৩৩১, মাদরাসা বোর্ডে ২৮ হাজার ৪৮৪ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১৭ হাজার ৫৩৮টি বিষয়ে খাতা পুনর্মূল্যায়নের আবেদন করেছে।

এর মধ্যে ঢাকা বোর্ডে আবেদনের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এ বোর্ডে ৫৯ হাজার ৭৯০ আবেদনকারী বিভিন্ন বিষয়ের ফলে আপত্তি জানিয়ে আবেদন করে। আবেদনের পর পুনঃনিরীক্ষণে সবগুলো বোর্ডে ছয় হাজার ২৬৪ জনের ফল পরিবর্তন হয়েছে। নতুন করে ৭৯৩ পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ড
পুনঃনিরীক্ষণে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে ফেল থেকে পাস করেছে ১০৫ শিক্ষার্থী। নতুন জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৯৯ পরীক্ষার্থী। এ বোর্ডে মোট দুই হাজার ২৪৩ পরীক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে।

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড
মোট জিপিএ পরিবর্তন হয়েছে ৩৬৭ জনের, নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫০ জন। ফেল থেকে পাস ৩৫ জন। ফেল থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে একজন।

সিলেট শিক্ষা বোর্ড
এ বোর্ডের ১৬৫ শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে। এর মধ্যে ফেল থেকে পাস করেছে ২৩ শিক্ষার্থী। নতুন জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩০ পরীক্ষার্থী।

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড

ফেল থেকে পাস করেছে ৪৭ শিক্ষার্থী। নতুন জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৩ জন। উত্তীর্ণ দুই পরীক্ষার্থী আবেদন করে পুনঃপরীক্ষণে ফেল করেছে। মোট ৩৬৪ জনের ফল পরিবর্তন হয়েছে।

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড

ফেল থেকে পাস করেছে ৩৪ শিক্ষার্থী। নতুন জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৪০ জন। পুনঃনিরীক্ষণের ফেল করা তিন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। বোর্ডের ২৫২ শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড
চট্টগ্রাম বোর্ডে ফেল থেকে পাস করেছে ৪১ শিক্ষার্থী। নতুন জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৩ জন। ফেল থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে একজন। আবেদন করে ৬০৯ শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে।

বরিশাল শিক্ষা বোর্ড
ফেল থেকে পাস করেছে ২৫ শিক্ষার্থী। নতুন জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ জন। মোট ১৩৯ পরীক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে।

যশোর শিক্ষা বোর্ড
যশোর ফল পরিবর্তন ১২৩ জন, ফেল থেকে পাস ৪৪ জন এবং নতুন জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৫ জন।

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড
মোট ফল পরিবর্তন হয়েছে ৪৪১ জনের। নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬১ জন, ফেল থেকে পাস করেছে ৬২ জনের।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ড

কারিগরি বোর্ডে মোট এক হাজার ১৭১ জনের ফল পরিবর্তন হয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার ১২৪ জন ফেল থেকে পাস করেছে। এছাড়া নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৮ পরীক্ষার্থী।

মাদরাসা বোর্ড
মাদরাসা বোর্ডে জিপিএ পরিবর্তন হয়েছে ৮৭ জনের, মোট ফল পরিবর্তন ২৪৩ জনের, নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৩ জন, ফেল থেকে পাস করেছে ১০৫ জন। মোট আবেদনের সংখ্যা ছিল ২৮ হাজার ৫২২টি আর আবেদনকারীর সংখ্যা ১৪ হাজার ৭৪৩ জন, জিপিএ পরিবর্তন হলেও ফেল করা দুই শিক্ষার্থীর পুনঃনিরীক্ষণেও ফেল করেছেন।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, খাতা পুনর্মূল্যায়নের ক্ষেত্রে সবকটি উত্তরে নম্বর দেয়া হয়েছে কি-না, প্রাপ্ত নম্বর গণনা ঠিক রয়েছে কি-না, প্রাপ্ত নম্বর ওএমআর শিটে (কম্পিউটারে ফল প্রণয়নে পাঠযোগ্য ফরম) উত্তোলনে ভুল হয়েছে কি-না এবং প্রাপ্ত নম্বর অনুযায়ী ওএমআর শিটের বৃত্ত ভরাট ঠিক আছে কি-না এসব বিষয় পুনরায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। পুনঃনিরীক্ষণ ফলে ৫ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থীর ফলাফল পরিবর্তন হয়েছে। এর মধ্যে গণিত ও ইংরেজি বিষয়ের ফল তুলনামূলক বেশি পরিবর্তন হয়েছে।

তিনি বলেন, পরীক্ষা উত্তরপত্র মূল্যায়নকারী শিক্ষকরা কি কারণে এ ধরনের ভুল করেছেন তার কারণ জানতে চাওয়া হবে। যেসব শিক্ষকের ভুল ধরা পড়ছে তাদের আগামী দুই বছর পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন থেকে বিরত রাখা হবে। কেউ ইচ্ছা করে দায়িত্ব অবহেলা করেছে প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

গত ৩১ মে প্রকাশিত হয় এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা। এবার গড় পাসের হার ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ, যা গত বছর ছিল ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ। এ বছর মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ৩৫ হাজার ৮৯৮, যা গত বছর পেয়েছিল ১ লাখ ৫ হাজার ৫৯৪ জন। পরীক্ষার ফলে আপত্তি থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য গত ১ জুন পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন কার্যক্রম শুরু হয়ে ৭ জুন শেষ হয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

অনলাইনে শিশুদের শিক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান ইউনিসেফের

নিজস্ব প্রতিবেদক | ৩০ জুন, ২০২০:

করোনাভাইরাসের এই সময়েও যাতে শিশুরা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়, সেটা নিশ্চিত করার জন্য সদস্য দেশগুলোর প্রতি আহবান জানিয়েছেন ইউনিসেফ। সংস্থার নির্বাহী বোর্ডের সভাপতি ও জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা এ আহ্বান জানান।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বার্তায় জানানো হয়, নিউইয়র্কে গত ২৯ জুন অনুষ্ঠিত ইউনিসেফ নির্বাহী বোর্ডের প্রথম ভার্চুয়াল আনুষ্ঠানিক অধিবেশনে বোর্ডের সভাপতি ও জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা করোনাকালে শিশুদের শিক্ষার প্রতি সকলকে জোর দেওয়ার আহ্বান জানান।

বিশেষ করে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও ইন্টারনেট সংযোগের ঘাটতি থাকায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর সরকার প্রধানদের প্রতি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা বলেন, ‘চলমান পরিস্থিতিতে শিশুদের শিক্ষা নিশ্চিতে অনলাইন ও দূর-শিক্ষণে শিক্ষা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি বৈশ্বিকভাবে সর্বোচ্চ প্রাধিকারভুক্ত বিষয় হওয়া উচিত।’

তিনি আরো বলেন, ‘সদস্য দেশসমূহে ইউনিসেফের নিয়মিত ও অবশ্য পালনীয় যেসব কর্মসূচি রয়েছে তা যেন কোনোভাবেই কোভিড-১৯ সংক্রান্ত ইউনিসেফের কর্মসূচিসমূহের পরিপূরক না হয়।’

বৈশ্বিক এই মহামারিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বিশেষ করে নিম্ন আয়ের, স্বল্পোন্নত ও আফ্রিকার দেশসমূহ যে ভয়াবহ বাস্তবতা মোকাবিলা করছে তা বৈঠকে তুলে ধরেন রাষ্ট্রদূত ফাতিমা। তিনি বলেন, ‘হাত ধোয়ার মতো বিষয়টিও অনেক শিশুর জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেননা পানি, পয়ঃনিষ্কাশন ও স্বাস্থ্য অবকাঠামোতে প্রবেশের সুযোগ থেকে এই শিশুরা বঞ্চিত।’

এছাড়া বৈশ্বিক মহামারির প্রেক্ষাপটে ইউনিসেফের টিকাদান কর্মসূচি স্থগিত বা হ্রাস হওয়ার ফলে কলেরা, পোলিও এবং হামের মতো প্রতিরোধযোগ্য রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটার ব্যাপক ঝুঁকি রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত ফাতিমা।

কোভিড-১৯ মহামারিকে জাতিসংঘ ব্যবস্থাপনার জন্য একটি ‘লিটমাস টেস্ট’ হিসেবে উল্লেখ করেন ইউনিসেফ নির্বাহী বোর্ডের সভাপতি। কোভিড-১৯ মোকাবিলা ও উত্তরণে ইউনিসেফ গৃহীত কর্মসূচিগুলো যাতে জাতিসংঘের অন্যান্য সংস্থাগুলো গৃহীত কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় সে বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

এক্ষেত্রে ইউনিসেফকে কৌশলগত নির্দেশনা প্রদান এবং বৈশ্বিকভাবে সমর্থন জোগাতে সবধরনের সহায়তা করতে নির্বাহী বোর্ড প্রস্তুত রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত ফাতিমা। সংস্থার মূলকাজগুলোকে সমুন্নত রাখতে ইউনিসেফের প্রতি উদার ও অব্যাহত সহযোগিতার হাত নিয়ে এগিয়ে আসতে সকলকে উৎসাহিত করেন তিনি।

উদ্বোধনী অধিবেশনে অন্যান্যদের মাঝে বক্তৃতা করেন ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক মিস হেনরিয়েটা এইচ ফোর। তিনি ইউনিসেফের কর্মসূচিসমূহ বিস্তারতিভাবে তুলে ধরেন এবং ইউনিসেফ যে সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে তাও উল্লেখ করেন। এরপর জাতিসংঘে নিযুক্ত সদস্য দেশসমূহের স্থায়ী প্রতিনিধিসহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ স্ব স্ব দেশের পক্ষে বক্তব্য দেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

৩৮তম বিসিএসে সুপারিশ পেলেন ২২০৪ জন

ডেস্ক,৩০ জুন:
৩৮তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল আজ মঙ্গলবার প্রকাশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এই বিসিএসে ২ হাজার ২০৪ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করেছে পিএসসি। ফলাফল পিএসসির ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে ফলপ্রত্যাশীদের অপেক্ষার পালা শেষ হলো।

পিএসসি সূত্র জানায়, আজ বিকেলে বিশেষ সভা শেষে পিএসসি ৩৮তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করে।

সুপারিশ পাওয়া ক্যাডারের মধ্যে সাধারণ ৬১৩, সহকারী সার্জন ২২০, ডেন্টাল সার্জন ৭১, বিভিন্ন টেকনিক্যাল ক্যাডারে ৫৩২ এবং শিক্ষায় ৭৬৮ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে।
পিএসসি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক প্রথম আলোকে বলেন, করোনার মধ্যেই ঝুঁকি নিয়ে আমরা ফলাফল দিতে নিরালসভাবে কাজ করেছি। করোনায় অফিস বন্ধ থাকায় ফল প্রকাশে দোরি হয়। এ ছাড়া জনপ্রসাশন থেকে বেশ কিছু নতুন পদ যুক্ত হওয়ার কাজ অনেক বেড়ে যায়। সেটিও ফল প্রকাশে দেরির অন্যতম একটি কারণ।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

করোনা-কালে ভর্তি পরীক্ষা: ক্ষমা চেয়েছে সাউথ পয়েন্ট স্কুল কর্তৃপক্ষ

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৯ জুনঃ

করোনা-কালে দেশের সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের মধ্যে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার ঘটনায় ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছে সাউথ পয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ। আজ সোমবার (২৯ জুন) বোর্ডের কাছে ক্ষমা চেয়ে আবেদন করেছে কর্তৃপক্ষ।

এদিকে, এ ঘটনায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে কী ধরনের শাস্তি নেয়া হবে তা ঠিক করতে আগামীকাল মঙ্গলবার (৩০ জুন) শিক্ষাবোর্ডের উচ্চ পর্যায়ে বৈঠকের কথা রয়েছে। সেখানে শোকজের জবাব পর্যালোচনা এবং অভিভাবক, শিক্ষকদের সঙ্গে বোর্ড কর্মকর্তারা কথা বলবেন।

শোকজের জবাব পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল বলেন, স্কুল কর্তৃপক্ষের জবাব পেয়েছি। মঙ্গলবার তাদের জবাব পর্যালোচনা করে বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে।

গত শনিবার (২৮ জুন) ভর্তি পরীক্ষা নেয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির মালিবাগ শাখা। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশের পর পরের দিন শিক্ষাবোর্ড স্কুল কর্তৃপক্ষকে এক দিনের সময় দিয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়। আজ সোমবার স্কুল পরিদর্শকের কাছে এ ঘটনার জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে শোকজের জবাব দেয় কর্তৃপক্ষ।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এইচএসসির সনদ বিতরণ শুরু ১ জুলাই

ডেস্ক,২৯ জুন ২০২০ঃ

আগামী ১ জুলাই থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মূল সনদ বিতরণ শুরু করবে ঢাকা বোর্ড। ২৭ জুলাই পর্যন্ত বোর্ড থেকে ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দে এইচএসসি উত্তীর্ণদের মূল সনদ বিতরণ করা হবে। কলেজের অধ্যক্ষ নিজে বা প্রতিনিধি মারফত বোর্ড থেকে সনদ গ্রহণ করে শিক্ষার্থীদের বিতরণ করবেন।

সোমবার (২৯ জুন) ঢাকা বোর্ড থেকে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

জানা গেছে, আগামী ১ জুলাই ঢাকা মহানগরের কলেজগুলোর, ৬ জুলাই গাজীপুর ও মানিকগঞ্জ জেলার কলেজগুলোর, ৮ জুলাই নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদী জেলার কলেজগুলোর, ১৩ জুলাই মাদারীপুর, শরিয়তপুর ও ঢাকা জেলার কলেজগুলোর, ১৫ জুলাই কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোনা কেলার কলেজগুলোর, ২০ জুলাই জামালপুর ও শেরপুর জেলার কলেজগুলোর, ২২ জুলাই ফরিদপুর ও গোপালগঞ্জ জেলার কলেজগুলোর, ২৭ জুলাই টাঙ্গাইল ও রাজবাড়ী জেলার কলেজগুলোর এবং ২৯ জুলাই মুন্সিগঞ্জ ও ময়মনসিংহ জেলার কলেজগুলোর এইচএসসি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মূল সনদ বিতরণ করা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে কলেজগুলোর অধ্যক্ষ বা তার প্রতিনিধিকে শিক্ষার্থীদের মূল সনদ গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। বোর্ডের ৪ নম্বর ভবনের ৫ তলা থেকে এইচএসসি সনদ বিতরণ করা হবে। নির্ধারিত দিনে নির্ধারিত জেলার অধ্যক্ষরা সকাল ১০ টা থেকে বিকাল তিনটা পর্যন্ত সনদ তুলতে পারবেন।

মূল সনদপত্র গ্রহণ করার জন্য গ্রুপ ওয়ারী কতজন ছাত্র-ছাত্রী উত্তীর্ণ হয়েছে তার বিবরণসহ বোর্ডে আসতে হবে৷ অধ্যক্ষ নিজে অথবা দায়িত্বশীল প্রতিনিধিকে প্রাধিকার পত্র দিয়ে তিনটি নমুনা স্বাক্ষর সত্যায়িতসহ সনদপত্র গ্রহণ বলেছে ঢাকা বোর্ড। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষদের নিজের বা প্রতিনিধির বেলায় প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির বা গভর্নিং বডির সিদ্ধান্তের কপিসহ মূল সনদপত্র গ্রহণের জন্য আবেদনের উপর ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বা গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান অথবা সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসারের প্রতিস্বাক্ষর নিয়ে আসতে বলা হয়েছে। তাছাড়া মূল সনদ দেয়া সম্ভব হবে না বলে সাফ জানিয়েছে ঢাকা বোর্ড।

আর কোনো ছাত্র-ছাত্রী সাময়িক সনদপত্র গ্রহণ করে থাকলে মূল সনদপত্র নেয়ার সময় সাময়িক সনদপত্র পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে ফেরত দিতে বলা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষার ফল প্রকাশ কাল

ডেস্ক,২৯ জুনঃ

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় কাঙ্খিত ফল না পেয়ে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৪৭১ জন পরীক্ষার্থী ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করেছেন। তারা মোট ৪ লাখ ৪১ হাজার ৯১৯টি খাতা চ্যালেঞ্জ করেছেন। এদের মধ্যে শুধু এসএসসি পরীক্ষার ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৮৯৮টি, দাখিলের ২৮ হাজার ৪৮৪টি এবং এসএসসি ভোকেশনালের ১৭ হাজার ৫৩৭ টি খাতা পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করা হয়েছে।

আর আগামীকাল মঙ্গলবার (৩০ জুন) এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার খাতা পুনঃনিরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে।

ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম আমিরুল ইসলাম সোমবার (২৯ জুন) বলেন, আগামীকাল (৩০ জুন) এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার খাতা পুনঃনিরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। আমরা পুনঃনিরীক্ষণের ফল তৈরির কাজ করছি।

তবে, কাল কয়টা নাগাদ ফল প্রকাশ হতে পারে সে বিষয়ে সুস্পষ্টভাবে জানাননি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি সূত্র জানায়, পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করা খাতাগুলো আবারো যোগ করে দেখা হয়েছে। পুনঃনিরীক্ষার ফল তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছে বোর্ডগুলো। আগামী ৩০ জুন এসএসসি ও সমমানের পুনঃনিরীক্ষার ফল সবগুলোতে একযোগে প্রকাশ করা হবে।

গত ৩১ মে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়৷ যারা প্রত্যাশিত ফলাফল পাননি তারা গত ১ জুন থেকে ৭ জুন পর্যন্ত ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করেছেন।

সূত্র আরও জানায়, পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করা পেয়ে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৪৭১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ঢাকা বোর্ডের ৫৭ হাজার ৭৯০ জন পরীক্ষার্থী ১ লাখ ৪৬ হাজার ২৬০ টি খাতা পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করেছেন। এছাড়া বরিশাল বোর্ডের ২৩ হাজার ৮৫০ টি খাতা, চট্টগ্রাম বোর্ডের ৫২ হাজার ২৪৬ টি খাতা, কুমিল্লা বোর্ডের ৩৯ হাজার ৩০৩টি খাতা, দিনাজপুর বোর্ডের ৪০ হাজার ৭৫টি খাতা,যশোর বোর্ডের ৩৪ হাজার ২৮৫টি খাতা, ময়মনসিংহ বোর্ডের ৩১ হাজার ৩৩১ টি খাতা,রাজশাহী বোর্ডের ৪৪ হাজার ৬১টি খাতা এবং সিলেট বোর্ডের ২৩ হাজার ৭৯০টি খাতা পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করা হয়েছে।

গত ৩১ মে ভিডিও কনফারেন্সে মাধ্যমে এসএসসি ও সমমানে পরীক্ষার ফল ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় যুক্ত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ও শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। পরে শিক্ষামন্ত্রী ফলের বিস্তারিত বিশ্লেষণ সংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন।

২০২০ খ্রিষ্টাব্দের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গড় পাস করেছে ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ শিক্ষার্থী। গতবার এই পাসের হার ছিল ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ। চলতি বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার বেড়েছে। ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৯৮ শিক্ষার্থী চলতি বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৫ হাজার ৫৯৪ জন। গতবারের তুলনায় এবছর পাস ও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে।

৯টি সাধারণ বোর্ডে এসএসসিতে পাসের হার ৮৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ। গতবছর ৮টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের পাসের হার ছিল ৮২ দশমিক ৮০ শতাংশ। চলতিবছর এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ২৩ হাজার ৪৯৭ জন। গত বছর শুধু এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৯৪ হাজার ৫৫৬ জন পরীক্ষার্থী।

মাদরাসা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার ৮২ দশমিক ৫১ শতাংশ। গত বছর দাখিলে পাসের হার ছিল ৮৩ দশমিক ০৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৬ হাজার ২৮৭ জন পরীক্ষার্থী।

এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনালে পাসের হার ৭২ দশমিক ৭০ শতাংশ। গত বছর ছিল ৭২ দশমিক ২৪ শতাংশ। জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ৪ হাজার ৭৫১ জন।

চলতি বছর ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৯৯ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। গতবছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২১ লাখ ৩৫ হাজার ৩৩৩ জন। ১৭ হাজার ৪৮২টি স্কুল থেকে ১৬ লাখ ৩৫ হাজার ২৪০ জন পরীক্ষার্থী চলতি বছরের এসএসসিতে, ৯ হাজার ১১০টি মাদরাসা থেকে ২ লাখ ৮১ হাজার ২৫৪ জন পরীক্ষার্থী দাখিলে এবং ২ হাজার ২৯২টি কারিগরি প্রতিষ্ঠান থেকে ১ লাখ ৩১ হাজার ২৮৫জন শিক্ষার্থী এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষায় অংশ নেয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

করোনা পরীক্ষা : বুথের ফি ২০০, বাসায় ৫০০

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৯ জুন, ২০২০

এতদিন বিনামূল্যে করোনা ভাইরাসজনিত রোগ কোভিড-১৯ এর শনাক্তকরণ পরীক্ষা করা হলেও এবার সেটায় ফি সর্বনিম্ন ২০০ টাকা নির্ধারণ করেছে সরকার।

সোমবার (২৯ জুন) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়েল স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

বুথ থেকে সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষার জন্য ২০০ টাকা, বাসা থেকে সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষার জন্য ৫০০ টাকা এবং হাসপাতালে ভর্তি রোগীর নমুনা পরীক্ষার জন্য ২০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

পরিপত্রে আরও বলা হয়, করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ আরটি-পিসিআর টেস্টের মাধ্যমে নির্ণয় করা হয়। বর্তমানে এ পরীক্ষা সরকার বিনামূল্যে দিচ্ছে। ফলে কোনো উপসর্গ ছাড়াও অধিকাংশ মানুষ এ পরীক্ষা করানোর সুযোগ গ্রহণ করছেন।

‘এমতাবস্থায় কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য অপ্রয়োজনীয় কোভিড টেস্ট পরিহার করার লক্ষ্যে অর্থ বিভাগের সম্মতির পরিপ্রেক্ষিতে ফি নির্ধারণ করা হলো।’

এতে আরও বলা হয়েছে, করোনা টেস্ট বাবদ আদায় করা অর্থ সরকারি কোষাগারে (কোড-১-২৭১৫-০০০০-১৮৬৩) জমা করতে হবে।

‘চিকিৎসা সুবিধা বিধিমালা-১৯৭৪ এর আওতায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চিকিৎসা সংক্রান্ত সব সুযোগ বাহাল থাকবে। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধা, দুস্থ ও গরিব রোগীদের চিকিৎসা ও রোগ নির্ণয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা সংক্রান্ত সরকারি আদেশ বহাল থাকবে। সব সরকারি হাসপাতালের ক্ষেত্রে এ হার নির্ধারণ করা হলো।’

গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের পর সর্বশেষ ২৮ জুন পর্যন্ত দেশে মোট রোগীর সংখ্যা এক লাখ ৩৭ হাজার ৭৮৭ জন। মৃত্যু হয়েছে এক হাজার ৭৩৮ জনের এবং সুস্থ হয়েছেন ৫৫ হাজার ৭২৭ জন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষা ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন আসছে, কমবে ছুটি বাড়বে ক্লাস

ডেস্ক,২৮ জুন:

করোনাভাইরাস সংক্রমণে সব হিসাব উল্টে দিয়েছে করে দিয়েছে শিক্ষা ক্যালেন্ডারের। গত ১৮ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটি ঘোষণা করা হলেও কবে খুলবে তা জানা নেই কারোর। ক্ষতি পোষাতে অনলাইনে ও টেলিভিশনে ক্লাস সম্প্রচারিত হলেও তা সফল বলতে পারছেন না অনেকে। অনেক দেরিতে প্রকাশিত হয়েছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল। ফলে পিছিয়ে গেছে একাদশ শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম।

এদিকে স্কুল-কলেজে প্রথম, দ্বিতীয় সাময়িক ও অর্ধ-বার্ষিকী পরীক্ষাও হয়নি। এখন অনিশ্চতায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। জেএসসি, জেডিসি, প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী পরীক্ষাও অনিশ্চিত। এ অবস্থায় নানা ধরনের বিকল্প নিয়ে কাজ করার কথা একাধিকবার জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টরা। তবে করোনা পরিস্থিতি আপাতত ঠিক হওয়ার সম্ভাবনা দেখা না যাওয়ায় কোনো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা।

তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে শিক্ষা ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তনের আভাস দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। সে মোতাবেক কমতে পারে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সংখ্যা। আর চলতি শিক্ষাবর্ষ ডিসেম্বরের পরিবর্তে মার্চ পর্যন্ত চলবে। আগামী শিক্ষাবর্ষ হবে ৯ মাসে। অত্যাবশকীয় ছাড়া বাকি সব ছুটি বাতিল করার পরিকল্পনাও চলছে।

শনিবার (২৭ জুন) এডুকেশন রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইরাব) আয়োজিত ‘করোনায় শিক্ষার চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণে করণীয়’ শীর্ষক ভার্চুয়াল সেমিনারে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এসব তথ্য জানান। এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সংখ্যা কমানো নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরিস্থিতি অনুকূলে আসার ১৫ দিন পর এই পরীক্ষা নেওয়া হবে।

তিনি জানান, ১৫ দিন আগে শিক্ষার্থীদের নোটিস দিতে হবে। প্রস্তুতি ঝালিয়ে নিতে সময় দিতে হবে। এবারের এইচএসসির সিলেবাস কমানোর যৌক্তিকতা নেই, কারণ তারা তাদের সিলেবাস সম্পন্ন করেছে। এখন যেটা হতে পারে পরীক্ষা নেওয়া হবে। আবার লাখ লাখ পরিবার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, প্রশাসনের মানুষ, শিক্ষক সবাইকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলব? আমরা কম সময়ে করতে পারি কি না, কম পরীক্ষা নিতে পারি কি না- সবকিছুই ভাবছি।

শিক্ষাবর্ষের বিষয়ে দীপু মনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে কাউকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারি না। কোনকিছু না পড়িয়েও পরবর্তী ক্লাসে উন্নীত করা যাবে না। সেজেন্য ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আগামী মার্চ পর্যন্ত চলতি শিক্ষাবর্ষ বাড়ানো হতে পারে। এছাড়া ছুটি কমিয়ে শ্রেণি ঘণ্টা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী শিক্ষাবর্ষেও ছুটি কমিয়ে ৯ মাস করা হবে।

তবে জেএসসি-জেডিসি, প্রাথমিক-ইবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষা বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী সুস্পষ্ট কিছু বলেননি। তিনি বলেন, শুধু পরীক্ষার জন্য সিলেবাস তৈরি হয় না, পরবর্তী ক্লাসে ওঠার জন্য যা শেখা প্রয়োজন তা শেখানো হয়। মূল্যায়নের জন্য বছর শেষে পরীক্ষা হয়। গ্যাপ হয়ে গেলে পরবর্তীতে বিষয়টি তাদের ভোগাবে। এজন্য বিশেষজ্ঞরা কাজ করছে।

করোনা মহামারীর মধ্যে টিউশন ফি আদায়ে মানবিক হওয়ার অনুরোধ জানান দীপু মনি। এসময় যতটা সম্ভব শিক্ষার্থীদের বেতন ছাড় দিতে স্কুল-কলেজ কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ফি না পেলে শিক্ষকদের কি করে বেতন দেবে? শিক্ষকরা তো অধিকাংশই বেতনের উপর নির্ভরশীল। টিউশনিও বন্ধ। যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামর্থ্য আছে তারা ফি কিস্তিতে বা কিছুদিন বাদ দিয়ে নিক। যতটা ছাড় দেয়া যায় সেটা চেষ্টা করবেন বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনাদেরও ছাড় দিতে হবে। সন্তান পড়াশোনা করছে, এখন প্রতিষ্ঠান বন্ধ মানে বেতন বন্ধ করা যায় না। এসময় শিক্ষার্থীদের জন্য স্বল্প বা বিনামূল্যে ইন্টারনেট, ডিভাইসসহ বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কাজ করছে বলেও শিক্ষামন্ত্রী।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মুনজেরিনের কি করে ইংরেজি বলে?

ডেস্ক:
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইংরেজিতে কথা বলার সহজ উপায় বলে দিচ্ছেন মুনজেরিন শহীদ (২৬)। তাঁর ভিডিওর মাধ্যমে মানুষ সহজ করে ইংরেজি শিখতে পারছেন। ইংরেজির এই শিক্ষকের এবার গন্তব্য অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি।

মার্চের শেষ থেকে প্রায় সবাই গৃহবন্দী। ঘরে থাকতে থাকতে অনেকের মতো মুনজেরিন শহীদেরও বিরক্তি ধরেছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি ছিলেন ইংরেজির শিক্ষার্থী। মে মাসে ছোট ছোট ইংরেজি শেখানোর ভিডিও বানানো শুরু করেন। তিনি বলেন, ‘আগে থেকেই ভাবতাম সহজ করে কীভাবে ইংরেজি পড়ানো যায়। তখন একটা ভিডিও করলাম। এবং বেশ সাড়া পাই। মানুষ উপকার পাচ্ছে জেনে আরও আগ্রহ পেলাম।’

মুনজেরিন সপ্তাহে অন্তত চারটি কনটেন্ট তৈরি করার চেষ্টা করেন। তিনি জানান, ভিডিও বানানোর আগেই ক্লাস নেওয়ার বিষয়ে পরিকল্পনা করেন। কোন দিন কোন বিষয় নিয়ে কথা বলবেন তা ঠিক করে নেন। মুনজেরিন ২০১৫ সাল থেকে অনলাইন আয়োজন রবি ১০ মিনিটস স্কুলে কাজ করেন। অফিশিয়াল কাজের পাশাপাশি এবার তিনি নিজেই ১০ মিনিটস স্কুল থেকে ইংরেজির শিক্ষক
বনে গেছেন।

চট্টগ্রামের মেয়ে মুনজেরিন। এ বছরের জানুয়ারিতে মাস্টার্স শেষ হয়। ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে বিশ্বে ইংরেজি ভাষার সবচেয়ে পুরোনো ও বিখ্যাত যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে আবেদন করেন মুনজেরিন। ডাক পেয়েও যান। তিনি বলেন, ‘অ্যাপ্লায়েড লিঙ্গুয়েস্টিক অ্যান্ড সেকেন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ একুইজিশন মাস্টার্স নিয়ে আমি পড়তে যাচ্ছি। এখানে শেভেনিং স্কলারশিপের অধীনে পড়ব। যদি সব ঠিক হয়ে যায় আশা করছি এই বছরের অক্টোবরে পড়তে যাব।’

অক্সফোর্ডে এক বছরের পড়াশোনা শেষ করে দেশে ফিরতে চান মুনজেরিন।

মুনজেরিনের কাছে প্রশ্ন ছিল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও তৈরি করা এবং তার প্রতিক্রিয়া কেমন ছিল। মুনজেরিন বলেন, ইতিবাচক মন্তব্য ও সাড়া বেশি পেয়েছেন। তবে নেতিবাচকও যে ছিল না তা নয়, তবে তা কম। তাঁর মতে, একজন ছেলে যদি চিন্তা করে যে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কনটেন্ট বানাবেন আর একজন মেয়েও যদি একই চিন্তা করেন, তাহলে মেয়েটার জন্য তা খুব সহজ হবে না। মেয়েদের পোশাকসহ অনেক কিছু নিয়ে চিন্তা করতে হয়, যেটা হয়তো ছেলেদের ক্ষেত্রে লাগে না। মেয়েদের ভিডিও নিয়ে যাতে কেউ বাজে মন্তব্য না করে তা নিয়ে সজাগ থাকতে হয়।

ইংরেজিতে ভালো করে কথা বলার ৬০টি কার্যকরী ফর্মুলা নিয়ে ‘ঘরে বসে স্পোকেন ইংলিশ’ নামে একটি বইও লিখেছেন মুনজেরিন। তিনি বলেন, সব ধরনের শিক্ষার্থীদের জন্যই এ বই। যে কেউ চাইলে এই বই থেকে সাহায্য নিতে পারবেন। ১০ মিনিটস স্কুলের সাইটে এর অনলাইন ভার্সন পাওয়া যাচ্ছে। প্রথম আলোর ওয়েবসাইট এবং ফেসবুক পেজেও ১৪ পর্বে ভিডিওতে মুনজেরিন প্রতিদিনের ইংরেজি শেখাচ্ছেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বিষয় কমিয়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার চিন্তা

প্রথম আলো যেস্ক,২৮ জুন:
করোনাভাইরাসের কারণে অনিশ্চিত হয়ে পড়া চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষার বিষয় কমিয়ে কম সময়ে তা নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। গতকাল শনিবার এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষাবিষয়ক সাংবাদিকদের একাংশের উদ্যোগে আয়োজিত ভার্চ্যুয়াল এই অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধূরী, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক মনজুর আহমদ প্রমুখ।

করোনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিয়মিত কার্যক্রম বন্ধ থাকায় চলতি শিক্ষাবর্ষ ডিসেম্বর থেকে বাড়িয়ে আগামী ফেব্রুয়ারি বা মার্চ পর্যন্ত করার ইঙ্গিত দেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, এ মুহূর্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার মতো অবস্থা নেই। অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে হবে। খুলতে দেরি হলে শিক্ষাবর্ষ ডিসেম্বরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা হবে, নাকি আগামী বছরের দুই–তিন মাস যুক্ত করা হবে, তা ভাবা হচ্ছে।

করোনার সংক্রমণের কারণে গত ১৮ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। ইতিমধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। এ পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল গত এপ্রিলের শুরুতে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের আসার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললে এরও অন্তত ১৫ দিন পর এইচএসসি পরীক্ষা শুরু করা হবে। আগামী ৬ আগস্ট পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা আছে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে সংক্রমণ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে এই বন্ধ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গড়াতে পারে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

নাসিমকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে রাবি শিক্ষক বহিষ্কার

রাবি প্রতিনিধি | ২৮জুন, ২০২০

প্রয়াত সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমকে নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তির অভিযোগে গ্রেপ্তার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষক কাজী জাহিদুর রহমানকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

শনিবার সকালে উপাচার্যের বাসভবনে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সিন্ডিকেট সদস্য ও মাদার বখশ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক আব্দুল আলীম সমকালকে বলেন, সিন্ডিকেট সভায় শিক্ষক কাজী জাহিদুর রহমানকে সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি মামলায় জেলে আছেন। সেজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন সেলের পরামর্শ মতো সিন্ডিকেট এ সিদ্ধান্ত নেয়।

সভায় উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান সভাপতিত্ব করেন।

ফেসবুকে মোহাম্মদ নাসিমকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে গত ১৭ জুন মধ্যরাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কোয়ার্টার থেকে কাজী জাহিদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter