টপ খবর

প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন বাড়ানোর সুযোগ নেই : অর্থ মন্ত্রণালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন বাড়ানোর সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। প্রাথমিকের শিক্ষকদের বিদ্যমান বেতন যথাযথ রয়েছে বলে জানানো হয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়কে। গত রোববার অর্থমন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত চিঠি গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।


অর্থ মন্ত্রণালয়ে উপসচিব সাদিয়া শারমিন স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক পদে বেতন গ্রেড যথাযথ ও সঠিক থাকায় প্রধান শিক্ষক পদের বেতন গ্রেড-১০ ও সহকারী শিক্ষক পদের বেতন গ্রেড-১২তে উন্নীতকরণের সুযোগ নেই।’
জানা গেছে, প্রাথমিক শিক্ষকদের দীর্ঘ আন্দোলনের পর গ্রেড পরিবর্তনের প্রস্তাবনা গত ২৯ জুলাই অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষকদের দাবির মুখে এ প্রস্তাবনায় প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেড ও সহকারী শিক্ষকদের ১২তম গ্রেডে উন্নীত করার সুপারিশ করা হয়েছিল। যদিও সহকারী শিক্ষকদের দাবি ছিল ১১তম গ্রেডে বেতন ভাতা। তাই অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবটি সমালোচিত হয়েছিল শিক্ষক মহলে।

বেতন বাড়ানোর প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয় প্রত্যাখ্যান করায় ক্ষুব্ধ প্রাথমিকের শিক্ষকরা। বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমকে বলেন, আমরা সহকারী শিক্ষকরা ১১তম গ্রেড চেয়েছিলাম। আমরা ১১মত গ্রেডের দাবিতে আছি। এ দাবি আদায়ে খুব তাড়াতাড়ি কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

এদিকে বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সিনিয়ার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক স্বরুপ দাস দৈনিক শিক্ষা বার্তা ডটকমকে জানান, শিক্ষকদের বেতন বাড়ানোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার প্রতিবাদ জানাচ্ছি। শিগগিরই জরুরি সংবাদ সম্মেলন করে কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

টিসি নিয়ে শিক্ষাবোর্ডের কঠোর হুঁশিয়ারি

ডেস্ক:

স্কুল বা কলেজে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট বা টিসি দেয়ার সময় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ নেয়া হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।



ঢাকা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক মো. হারুন-অর-রশিদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে রোববার সব উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়/কলেজগুলোকে এ হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়, শিক্ষার্থী যে মাসে টিসি নেবে তাকে শুধুমাত্র সেই চলমান মাস পর্যন্ত কলেজের বেতনাদি/হোস্টেল ফি (আবাসিক শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে) পরিশোধ করতে হবে। কোনোভাবেই শিক্ষার্থীর কাছ থেকে পরবর্তী মাসগুলোর বেতন/হোস্টেল ফি/সেশন ফি নেয়া যাবে না।

এছাড়া টিসি কিংবা অন্য কোনো ফি বাবদ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে অতিরিক্ত কোনো অর্থ নেয়া যাবে না। একইভাবে টিসির মাধ্যমে ভর্তিকৃত কলেজও কোনোভাবেই শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ভর্তিকৃত মাসের আগের মাসগুলোর বেতন/হোস্টেল ফি (আবাসিক শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে)/সেশন ফি অথবা অতিরিক্ত ফি নিতে পারবে না। কোনোক্রমেই শিক্ষার্থীর কাছ থেকে অতিরিক্ত কার আদায়ের উদ্দেশ্যে টিসি আটকে রাখা যাবে না।

‘পরে এ ধরনের কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। এমনকি সংশ্লিষ্ট কলেজের পাঠদানের অনুমতি বাতিল করা হতে পারে।’

প্রতিটি গ্রামে একটি করে প্রাথমিক স্কুল নির্মাণ করবে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রতিটি গ্রামে একটি করে প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ করার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে বলে সংসদকে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। রোববার সংসদে লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের এমপি একেএম শাহাজাহান কামালের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।


প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষার মান উন্নয়নে ব্যাপক পদক্ষেপ করেছে এবং নতুন নতুন কর্মসূচী গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে প্রতিটি গ্রামে একটি করে প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারিভাবে নির্মাণ করার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে ১ হাজার ৫০০টি বিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্পের আওতায় বিদ্যালয়হীন গ্রামে প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে এ প্রকল্পের আওতায় সারাদেশে ১ হাজার ৪৯৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করা হয়েছে। প্রকল্পটি শেষ হওয়ায় এর আওতায় নতুন কোনো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের সুযোগ এ পর্যায়ে নেই।

ভবিষ্যতে এ জাতীয় প্রকল্প চালু হলে নীতিমালার আলোকে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে বিদ্যালয়হীন গ্রামে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য সরকারের পরিকল্পনা বিবেচনাধীন রয়েছে। এ বিষয়ে কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।

১১টি হোমিও ঔষধ সেবনে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে

ডাঃ এস কে দাস:

ডায়াবেটিসঃ

ডায়াবেটিস (Diabetes) একটি বিপাকজনিত রোগ। আমাদের শরীরে ইনস্যুলিন নামের হরমোনের সম্পূর্ণ বা আপেক্ষিক ঘাটতির কারণে Pancreas (অগ্নাশয়) বিপাকজনিত গোলযোগ সৃষ্টি হয়ে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় এবং এক সময় তা প্রস্রাবের সঙ্গে বেরিয়ে আসে। এই সামগ্রিক অবস্থাকে ডায়াবেটিস বলে। এই রোগে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ দীর্ঘস্থায়ীভাবে বেড়ে যায়। সুস্থ লোকের রক্তে প্লাজমায় গ্লুকোজের পরিমাণ অভুক্ত অবস্থায় ৫.৬ মিলি মোলের কম এবং খাবার দুই ঘণ্টা পরে ৭.৮ মিলি মোলের কম থাকে। অভুক্ত অবস্থায় রক্তের প্লাজমায় গ্লুকোজের পরিমাণ ৭.১ মিলি মোলের বেশি হলে অথবা ৭৫ গ্রাম গ্লুকোজ খাওয়ার দুই ঘণ্টা পরে রক্তের প্লাজমায় গ্লুকোজের পরিমাণ ১১.১ মিলি মোলের বেশি হলে ডায়াবেটিস হয়েছে বলে গণ্য করা হয়।



ডায়াবেটিসের লক্ষণসমূহঃ

ক. ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া
খ. খুব বেশি পিপাসা লাগা
গ. বেশি ক্ষুধা পাওয়া
ঘ. যথেষ্ট খাওয়া সত্ত্বেও ওজন কমে যাওয়া
ঙ. ক্লান্তি ও দুর্বলতা বোধ করা
চ. ক্ষত শুকাতে বিলম্ব হওয়া
ছ. খোস-পাঁচড়া, ফোঁড়া প্রভৃতি চর্মরোগ দেখা দেওয়া
জ. চোখে কম দেখা।

ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য আমার এই নিজস্ব ফরমূলাটি(৪ বছরের গবেষনার মাধ্যমে) অনুসরন করলে শতকরা ৯৫ ভাগ ডায়াবেটিস রোগী পু্রোপুরি ডায়াবেটিস মুক্ত হবেন বলে আমি আশাবাদী। যদিও কিছু রোগী পু্রোপুরি ডায়াবেটিসমুক্ত হবেন না ।
তারপরও তারা অন্য যে-কোন চিকিৎসা পদ্ধতির চাইতে অন্তত দশগুণ ভালো রেজাল্ট পাবেন। আমার এই কম্বিনেশন মেডিসিন নিয়মিত সেবন করলে আপনি আপনার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

প্রতিটি ঔষধ আপনি প্রতিবার মাত্র এক সপ্তাহ করে খাবেন। এইভাবে ঔষধগুলি চক্রাকারে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বারে বারে খাবেন (অর্থাৎ ১১ নাম্বার ঔষধটি খাওয়ার পরে আবার ১ নাম্বার থেকে একই নিয়মে খাওয়া শুরু করবেন)। আপনার সুগার লেভেল যদি অনেক বেশী হয়, তবে দিগুণ মাত্রায় ঔষধ খেতে পারেন (অর্থাৎ ২০ ফোটা করে)। আবার শিশু-কিশোরদের ক্ষেত্রে ৫ ফোটা করে খাওয়াতে পারেন, যদি তাদের সুগার লেভেল অনেক কম থাকে ; তবে অন্যান্য নিয়ম-কানুনের কোন পরিবতর্র্র্র্নের প্রয়োজন নাই।

সত্যি বলতে কি, ডায়াবেটিস কোন একটি একক রোগ নয়, বরং বলা যায় এটি অনেকগুলো রোগের সমষ্টি (অর্থাৎ আমি বলতে চাচ্ছি যে, অনেকগুলো রোগ/ত্রুটি/বিকৃতি সম্মিলিতভাবে ডায়াবেটিসের সৃষ্টি করে থাকে)। এই কারণে, একজন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের প্রয়োজন মানবতার এই ভয়ঙ্কর দুশমনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সময় তার হাতে থাকা সকল প্রকার অস্ত্র প্রয়োগ করা। যদি ডায়াবেটিসের সাথে সাথে আপনার অন্যান্য রোগও (যেমন- উচ্চ রক্তচাপ, হাপাঁনি, মেদভূড়ি, বাতের সমস্যা, কিডনী রোগ, হৃদরোগ, স্মায়বিক রোগ ইত্যাদি) সেরে যায়, তবে বিস্মিত হবেন না। কেননা আমাদের হৃৎপিন্ড, ফুসফুস, লিভার, কিডনী, মস্তিষ্ক, পাকস্থলী, স্মায়ু, হরমোন গ্রন্থি, রক্ত, যৌনাঙ্গ, চোখ, হাড় ইত্যাদি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ওপর এই এগারটি ঔষধের অনেক ইতিবাচক প্রভাব আছে।
আরও বিস্তারিত জানতে সরাসরি যোগাযোগ করুন। আমার এই গবেষনাটি সস্পূর্ণ বিনামূল্যে মানব সেবাই কাজে লাগাতে চাই। আপনার যে কোন প্রয়োজনে আপনি আমাকে ফোন করতে পারেন।

ডাঃ এস কে দাস
ডিএইচএমএস(ঢাকা)
01557631097

প্রাথমিকে পুজার ছুটি মাধ্যমিকে সাথে মিল হচ্ছে

ডেস্ক,৬ সেপ্টেম্বর:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুর্গাপূজার ছুটি পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এফ এম মনজুর কাদির। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
জানা গেছে, এ বছর মধ্যমিক স্তরে পূজার ছুটি ৪ অক্টোবর (শুক্রবার) থেকে ১৩ অক্টোবর (রোববার) পর্যন্ত আট দিন। আর প্রাথমিকে ছুটি ৭ অক্টোবর (সোমবার) থেকে ৯ অক্টোবর (বুধবার) পর্যন্ত মাত্র তিন দিন।


সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৮৫ দিন আর প্রাথমিকে মোট ছুটি ৭৫ দিন হওয়া নিয়েও ক্ষোভ রয়েছে প্রাথমিকের শিক্ষকদের।
বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাস বলেন আমরা ইতিমধ্যে মন্ত্রী মহোদয়কে বিষয়টি জানিয়েছি। তিনি সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। আমারা আশা করছি আমাদের ছুটি মাধ্যমিকে সাথে সমন্বয় করা হবে।

দুর্গাপূজায় অন্যান্য বছর আটদিন বন্ধ থাকলেও এবার প্রাথমিকে তিন দিন কেন? সাংবাদিকদের করা এমন প্রশ্নে বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এফ এম মনজুর কাদির ছুটি পর্যালোচনার ইঙ্গিত দেন।
তিনি বলেন, এবার রমজানের ছুটির সঙ্গে শুক্র-শনিবার পড়ে ঈদের ছুটি বেড়ে গেছে। আমরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছুটির ক্যালেন্ডার সংগ্রহ করে বসা হবে। ছুটি যোগ করার সুযোগ থাকলে তা করা হবে। চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে ছুটি হেরফের হয়েছে। মহাপরিচালক আরও বলেন, ‘এটা নিয়ে আমরা একটা প্রক্রিয়ার মধ্যে আছি, সমাধানও করব।

ব্যাক পেইন হলে যা করবেন?

ডেস্ক,৫ সেপ্টেবর:
কমবেশি সবার ব্যাক পেইন অর্থাৎ কোমরের বা মাজার ব্যথা হতে পারে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বার্ধক্যে এই সমস্যা প্রবল আকার ধারণ করতে পারে। একটানা চেয়ারে বসে থাকলে বা দূরে কোথাও ঘুরতে গেলে, এটি হতে পারে। শুধু ওষুধ খেলেই যে এই সমস্যার সমাধান মেলে, তা নয়।

ব্যাক পেইন কেন হয়?


বিভিন্ন কারণেই ব্যাক পেইন হতে পারে। মূলত মেরুদণ্ড বা স্পাইন-সম্পর্কিত ব্যথাকেই আমরা ব্যাক পেইন বলা বলে থাকি। স্নায়ু, পেশি, হারজোড় ইত্যাদি কারণেই ব্যাক পেইন দেখা যায়। মেরুদণ্ডের পেশি, স্নায়ু, হাড়ের জোড়া যদি সঠিক অবস্থানে সঠিক কাজ না করতে পারে, তাহলে ব্যথা সৃষ্টি হয়।

ব্যাক পেইন থেকে মুক্তি পেতে প্রতিদিন সকালে মাত্র কয়েক মিনিট ব্যায়াম করলেই যথেষ্ঠ।

যেভাবে ব্যায়াম করবেন?

১. দরজার পাল্লায় দুই হাত রেখে দাঁড়ান। এপর সামনের দিকে এক পায়ের হাঁটু ভাঁজ করতে থাকুন যতক্ষণ না কাঁধের পেশিতে টান পড়ছে। ৩০ সেকেন্ড থাকুন। অন্য পায়ে রিপিট করুন। এভাবে ৩-৪ বার করুন।

২. দেয়ালে হাত রেখে দাঁড়ান। এক পা পিছিয়ে রাখুন। খেয়াল রাখবেন সামনের পায়ের হাঁটু ভাঙবে কিন্তু পেছনের পা সোজা থাকবে। ৩০ সেকেন্ড থাকুন। অন্য পায়ে করুন। প্রতি পা ৩ বার করে করবেন।

৩. প্রতিটি ব্যায়াম করার সময় ৫-৬ বার গভীর শ্বাস নিয়ে ধীরে ধীরে ছাড়ুন। লক্ষ্য রাখবেন যেন শরীরের কোথাও খুব চাপ না পড়ে। সব থেকে ভালো হয় সকালে ব্যায়াম করলে, তবে যদি করা সম্ভব না হয়, তাহলে দিনের যেকোনো সময় ব্যায়াম করে নিন।

তবে ব্যথার অনেক দিন থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

যা করলে আপনার সন্তান মানুষের মত মানুষ হবে।

১) আপনার সন্তানকে প্রতিদিন একবার করে বলুন ‘তোমার উপর আমার বিশ্বাস আছে। তাকে বিশ্বাস করে ছোট খাটো কিছু দায়িত্ব পালন করতে দিন। তাহলে তার মধ্যে আত্মবিশ্বাস বাড়বে এবং সে আপনাকে আরো বেশি ভালোবাসবে।

২) সন্তানকে প্রতিদিন একবার করে হলেও বলুন সে যেন হাল ছেড়ে না দেয়। প্রতিটি কাজেই তাকে উৎসাহ দিন এবং হতাশ হয়ে হাল ছেড়ে দিতে মানা করুন। তাকে বলুন ধৈর্য ধরে এগিয়ে গেলেই সাফল্যের দেখা পাবে সে।


৩) কোনো কিছু না পারলে তাকে বকাঝকা না করে আরো বেশি অনুশীলন করতে বলুন। তাকে সবসময়েই এটা বলুন যে বার বার অনুশীলন করলেই সে ‘পারফেক্ট’ হতে পারবে।

৪) প্রতিটি ‘এক্সপার্ট’ মানুষই একসময়ে আনাড়ি ছিলো। এই কথাটি আপনার সন্তানকে প্রতিদিনই বুঝিয়ে বলুন। এতে সে যে কোনো কাজে সাহস পাবে।

৫) ব্যর্থতা কোনো অপরাধ নয় এটা আপনার সন্তানকে বুঝিয়ে বলুন। আপনার সন্তান কখনো ব্যর্থ হলে তাকে বকাঝকা না করে ব্যর্থতা কে ভুলে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে বলুন।

৬) মাঝে মাঝে খারাপ সময় আসে জীবনের । খারাপ সময় থেকে শিক্ষা নিয়ে ভালো সময়ে সেটাকে কাজে লাগানোর জন্য সন্তানকে উৎসাহিত করুন নিয়মিত
আপনার সন্তানকে প্রতিদিনই জানিয়ে দিন তাকে আপনি কত ভালোবাসেন।

৭) পরিবার হলো সবচাইতে নিরাপদ যায়গা এবং পরিবার আপনার সন্তানকে কতটা ভালোবাসে সেকথা তাকে জানিয়ে দিন। এতে সে নিজেকে নিরাপদ ভাববে এবং পরিবারের প্রতিও সে ভালোবাসা দেখাবে।

২০২১ থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পরীক্ষা থাকবে না

ঢাকা,৫ সেপ্টেম্বর:
প্রাথমিক স্তরের শিশু শিক্ষার্থীদের উপর পরীক্ষার চাপ কমাতে ২০২১ সাল থেকে নতুন কারিকুলামে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত গতাণুগতিক পরীক্ষা থাকবে না বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।


প্রথম ও দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা এবং বার্ষিক পরীক্ষার বদলে সারাবছর ক্লাসে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন।

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ অনুযায়ী প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে ধারাবাহিক মূল্যায়ন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পরীক্ষা না রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। বাচ্চাদের উপর পরীক্ষা চাপ কমানোর জন্য তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পরীক্ষা না নেওয়ার নির্দেশনা ছিল।

আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রসঙ্গে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হেসেন বলেন, এখনই পরীক্ষা না থাকার বিষয় নয়।

বিষয়টি স্পস্ট করেন মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম-আল-হেসেন।

তিনি বলেন, আমরা জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সঙ্গে সভা করেছি। ২০২১ সালে নতুন কারিকুলামে কার্যক্রম শুরু করবো। ২০২০ সালে সামেটিক পরীক্ষা তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত রাখবো না, ফরমেটিভ পরীক্ষা রাখবো অর্থাৎ রাউন্ড দ্য ইয়ার তারা পরীক্ষা দেবে। সেক্ষেত্রে ১০০টি স্কুলে ট্রাইআউট করবো।

‘এরপরে ২০২১ সালে নতুন কারিকুলামে পুরোপুরি বাস্তবায়ন হবে। অর্থাৎ গতানুগতিক প্রথম ও দ্বিতীয় সাময়িক এবং বার্ষিক পরীক্ষা থাকবে না। তবে সারাবছরই ক্লাসে মূল্যায়ন করা হবে।’

সচিব বলেন, শুধু পড়াশোনা নয়, শিক্ষার্থীর আচার-আচরণ সবগুলো বিষয় মূল্যায়ন করে গ্রেড দেওয়া হবে।

শিক্ষা নীতিতে প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত হবে- এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি প্রক্রিয়াধীন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে ফাইল চালাচালি চলছে।

ঝটিকা সফরে মন্ত্রী, বরখাস্ত করলেন শিক্ষককে

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
ঝটিকা পরিদর্শনে রাজধানীর সূত্রাপুরের মহসিন আলী সোনার বাংলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক অর্পিতা চৌধুরীকে বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন। এক বছর অনুপস্থিত থাকায় তাকে বরখাস্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে নামেন গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।


শিওরক্যাশের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন পরিশোধের প্রস্তাবের তীব্র প্রতিবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
রূপালী ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা শিওর ক্যাশের মাধ্যমে বেতন-ভাতা দেয়ার আলোচনা করা হবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। এ খবরে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। শিউর ক্যাশে বেতন দেয়কে অনিরাপদ ও ভোগান্তিকর বলে অভিহিত করেছেন। এজন্য এখনকার নিয়মে ব্যাংকের মাধ্যমেই বেতন দেয়ার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সিনিয়ার যুগ্ন সম্পাদক এস এম ছায়িদ উল্লা। তিনি দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।



গতকাল ৪ সেপ্টেম্বর রূপালী ব্যাংক লি. শিওরক্যাশের উর্ধতন কর্তৃপক্ষ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর কাছে প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন শিওরক্যাশের মাধ্যমে পরিশোধের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। শিওরক্যাশ মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদানে নানা অনিয়ম নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই এই প্রস্তাব দেওয়া হলো। ফলে সারাদেশের প্রাথমিক শিক্ষকরা অসম্মানিত বোধ করছেন।

উল্লেখ্য, প্রাথমিক শিক্ষকরা প্রজাতন্ত্রের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের মতোই সরকারি কর্মচারী। তাঁরা সাধারণ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমেই নিজের মাসিক বেতন-ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা পেয়ে থাকেন। বাংলাদেশে সাধারণত নিম্নস্তরের বেসরকারি বা চুক্তিভিত্তিক কিছু কর্মচারীদের বেতন মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়ে থাকে।

প্রসংগত উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, বর্তমানে প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকগণ দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটড পদমর্যাদার। তাঁরা সেলফ ড্রয়িং অফিসার হিসেবে সরকারি গেজেটেড অফিসারের বেতন বিল (ফরম ১৩) এর মাধ্যমে বেতন-ভাতা আহরণ করার কথা। যদিও নানা জটিলতায় এখনও তা সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে, সহকারী শিক্ষকদের পদমর্যাদা অনেক উন্নীত হয়েছে। অল্পসময়ের মধ্যেই তাঁরাও দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত হবেন।

এমতাবস্থায়, শিওরক্যাশ মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে বেতন প্রদানের আগ্রহ প্রকাশ প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য চরম অবমাননাকর।

বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে এই প্রস্তাবের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন করছি।
বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমকে বলেন, বর্তমানে বিকাশের মাধ্যমে নানাভাবে প্রতারণা হচ্ছে। এখন শিওর ক্যাশেও সে সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া মোবাইল হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হয়। সে কারণে আমরা চাই, ব্যাংকের মাধ্যমেই বেতন দেওয়া অব্যাহত থাক।
বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক দিদারুল আলম শিওরক্যাশ মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে বেতন প্রদানের আগ্রহ প্রকাশ প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য চরম অবমাননার সামিল।

আশাকরি, শিক্ষকবান্ধব মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ও মাননীয় সচিব স্যার রূপালী ব্যাংক লি. শিওরক্যাশ এর উর্ধতন কর্মকর্তাদের এরূপ উদ্ভট, অমর্যাদাকর প্রস্তাবে সম্মত হবেন না। আমরা আরও বিশ্বাস করি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষকদের মর্যাদা উন্নয়নে কাজ করছেন।

পাঠ্যবইয়ের সঙ্গে পাটের ব্যাগ পেতে পারে শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক :

স্কুল শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যের পাঠ্যবইয়ের সঙ্গে পরিবেশবান্ধব পাটের ব্যাগ দিতে চায় সরকার। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় পাটের ব্যাগ দিতে সম্মত হয়েছে। তারা শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে পাট বিষয়ক সমন্বয় কমিটির সভায় পাঠ্যবইয়ের সঙ্গে পাটের ব্যাগ দেয়ার বিষয়টি আলোচিত হয়। বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী সভায় সভাপতিত্ব করেন।

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা সৈকত চন্দ্র হালদার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সমন্বয় কমিটির সভায় বিনামূল্যের পাঠ্যবইয়ের সঙ্গে পাটের ব্যাগ দেয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে বই প্রদানকারী শিক্ষা এবং প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনার পর। বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেবেন।’

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক মিলিয়ে বিনামূল্যের বই পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৪ কোটি। এত বিপুল সংখ্যক ব্যাগ দেয়ার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন। এ বিষয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মত হওয়াটাও জরুরি। প্রয়োজনে পরীক্ষামূলকভাবে কয়েকটি স্থানে ব্যাগ দিয়ে দেখা যেতে পারে। ভালো সাড়া মিললে এরপর সারাদেশে চালু হোক।

মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সভায় ইডিএফ ফান্ডের ন্যায় পাটশিল্প উন্নয়নের জন্য ২ ভাগ সুদে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল তৈরি করার বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়াও পাটপণ্যে রফতানি ভর্তুকী বৃদ্ধি, বাংলাদেশ জুট গুডস অ্যান্ড এক্সপোটার্স অ্যাসোসিয়েশনভুক্ত (বিজেজিইএ) রফতানিকারকদের রফতানি করা পণ্যের মূল্যের উপর ৫ শতাংশ হারে প্রণোদনা বা নগদ সহায়তা প্রদান, জুট ব্যাচিং অয়েলের দাম আগের মত নির্ধারণ করা বিষয়ে আলোচনা হয়।

সভায় বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশকে সোনালী আঁশের দেশ হিসেবে রূপান্তর করে পাটের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে সরকার। কৃষকের পাটের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে সরকার সচেষ্ট রয়েছে। জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টারের (জেডিপিসি) মাধ্যমে পাটের বহুমুখী ব্যবহার বৃদ্ধির জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’

‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন-২০১০’ সুষ্ঠুভাবে শতভাগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে দাবি করে মন্ত্রী বলেন, ‘এছাড়াও সব ধরনের কাঁচা পাটের রফতানি উন্মুক্ত রয়েছে। ১৯টি পণ্য মোড়কীকরণের ক্ষেত্রে পাটজাত পণ্যের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।’

গোলাম দস্তগীর গাজী বলেন, ‘বর্তমান সরকার দেশের অভ্যন্তরে পাট ও পাটজাত পণ্যের ব্যবহার বৃদ্ধি ও জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে প্রত্যেকটি বিভাগীয় শহরে এবং ঢাকার বড় বড় সপিং মলে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে বহুমুখী পাটজাত পণ্যের প্রদর্শনী (ডিসপ্লে) সেন্টার ও বিক্রয় কেন্দ্র স্থাপন করার উদ্যোগ নিয়েছে।’

সভায় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন, বিজেএমসি চেয়ারম্যান শাহ মোহাম্মদ নাসিম, পাট অধিদফতরের মহা পরিচালক মো. শামসুল আলম, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আবু বকর সিদ্দিক ছাড়াও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, পরিকল্পনা কমিশন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এবং পাট বিষয়ক সমন্বয় কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রাথমিকে প্রতিটি ক্লাসের পর ১৫ মিনিট করে বিশ্রাম

ডেস্ক:
এবার থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আনন্দঘন পরিবেশে পাঠদান দেয়া হবে। এ লক্ষ্যে বেশকিছু কর্মসূচি হাতে নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রতিটি ক্লাসের পর শিক্ষার্থীরা ১৫ মিনিট করে বিশ্রাম পাবে।

জানা গেছে, প্রতিটি ক্লাসের পর শিক্ষার্থীরা ১৫ মিনিট করে বিশ্রাম পাবে। এ সময়ে তারা খেলার ছলে সৃজনশীল ও উদ্ভাবনীমূলক কাজে নিয়োজিত থাকবে। ইতোমধ্যে দেশের তিন জেলায় চারটি বিদ্যালয়ে এ পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। যা পর্যায়ক্রমে সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালু করা হবে।



এ লক্ষ্যে মডেল হিসেবে মাগুরা জেলার হাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কুড়িগ্রামে কুড়িগ্রাম ১নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও রৌমারী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং নেত্রকোনায় ৩৬নং বালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুনভাবে শিক্ষার্থীদের ক্লাস রুটিন ও পাঠাদান কার্যক্রমে আমূল পরিবর্তন আনা হয়েছে।

সূত্র জানায়, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস শুরুর আগে সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে শরীচর্চা ও ৯টা ৩০ মিনিট থেকে ক্লাস শুরু হয়ে থাকে। কোথাও ৩৫ মিনিট আবার কোথাও ৪৫ মিনিট করে বিষয় ভিত্তিক ক্লাস করানো হয়ে থাকে। বিকাল ৪টা ১৫ মিনিটে ক্লাস শেষে শিক্ষার্থীদের স্কুল ছুটি দেয়া হয়।

দেখা গেছে, মডেল এ চার বিদ্যালয়ে সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে শরীরচর্চা শেষে ১০টায় ক্লাস শুরু হবে। মাঝে ৩০ মিনিট খেলার জন্য বিশ্রাম দেয়া হবে। এরপর পাঠদানের জন্য প্রতিটি বিষয়ের জন্য ক্লাস সময় ৪৫ মিনিট করে নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিটি ক্লাস শেষে শিক্ষার্থীরা ১৫ মিনিট করে বিশ্রাম পাবে। সে সময়ে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী কার্যক্রমে নিয়োজিত করা হবে। শিক্ষার্থীদের পচ্ছন্দ অনুযায়ী খেলার ছলে নতুন নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করা হবে। বিকাল ৩টা ৪৫ মিনিটে ক্লাস শেষে বিদ্যালয় ছুটি দেয়া হবে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের পাঠদানে একঘেয়েমি দূর করতে ক্লাসের সময় ও খেলার ছলে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করেছি। মডেল হিসেবে চার বিদ্যালয়ে নতুন রুটিন বাস্তবায়ন করা হয়েছে। পরবর্তী দুই মাস মনিটরিং করা হবে। এতে সফলতা আসলে যেখানে একটি শিফটে বিদ্যালয় পরিচালিত হচ্ছে সেখানে নতুন রুটিন অনুযায়ী পাঠদান কার্যক্রম শুরু করা হবে। এভাবে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের ৬৫ হাজার ৫৯০ সরকারি বিদ্যালয়ে এ পদ্ধতি চালু করা হবে।

সচিব বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাঠদানে আনন্দপূর্ণ করতে আমরা এমন পদক্ষেপ হাতে নিয়েছি। এর ফলে শিক্ষার্থীরা আনন্দঘন পরিবেশে পাঠদানের সুযোগ পাবে। ক্লাসের জন্য নির্ধারিত ৪৫ মিনিট সময় নির্ধারণ করা হবে। প্রতিটি ক্লাসের পর শিক্ষার্থীরা ১৫ মিনিট বিশ্রাম পাবে। এতে করে শিক্ষকরা পরবর্তী ক্লাসের জন্য প্রস্তুতি নিতে পারবে। শিক্ষার্থীরাও এ সময়টা খেলার ছলে নতুন জ্ঞানার্জন করতে পারবে। এ জন্য বিদ্যালয়গুলোকে নতুনভাবে ঢেলে সাজানো হবে বলেও জানা তিনি।

প্রাথমিক স্কুলে দুর্বৃত্তের হামলা, ৮ শিক্ষার্থীর মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
চীনের পূর্বাঞ্চলীয় হুবেই প্রদেশের ইনশি শহরে একটি প্রাথমিক স্কুলে দুর্বৃত্তের হামলায় আট শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত দুইজন। স্থানীয় সময় সোমবার এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
পুলিশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হামলাকারী জু পুলিশি হেফাজতে রয়েছে, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে হামলার কারণ পরিষ্কার নয়।


সিএনএন তাদের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সেখানকার চোইয়াংপো এলিমেন্টারি স্কুলে তুন সেমিস্টারের প্রথম দিনে হামলার এ ঘটনা ঘটে। ঘটনায় জড়িত ৪০ বছর বয়সী হামলাকারীকে আটক করেছে পুলিশ। তবে হামলার কারণ জানা যায়নি।

এদিকে স্থানীয় একটি সংবাদ মাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, হত্যাচেষ্টার অভিযোগে গত জুনে হামলাকারী কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন।

পোশাক কিনতে শিক্ষার্থীরা পাবে ২ হাজার টাকা, দ্বিগুণ হচ্ছে উপবৃত্তি

ডেস্ক,৩ সেপ্টেম্বর:
পোশাক কেনার জন্য প্রাথমিক স্তরের প্রত্যক শিক্ষার্থীকে দুই হাজার টাকা করে দেয়া হবে। এছাড়া উপবৃত্তির টাকার পরিমান দ্বিগুণ করা হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

তবে, পোশাক কিনতে শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের হাতে সরাসরি টাকা দেয়া হবে, নাকি পোশাক কিনে তা বিতরণ করা হবে সে বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।


বর্তমানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দেড় কোটি শিক্ষার্থীর প্রত্যেককে প্রতিমাসে ১০০ টাকা করে উপবৃত্তি দেয়া হয়। উপবৃত্তির টাকা যাতে শিক্ষার্থীরা সঠিকভাবে পায় সে জন্য রূপালী ব্যাংকের শিওর ক্যাশের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর মায়ের হাতে উপবৃত্তির টাকা তুলে দেয়া হয়। বিদ্যালয়গুলো অভিভাবক সভা করে উপবৃত্তির টাকা বিতরণ করে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক শিক্ষায় উপবৃত্তি চালু করার পর সারাদেশে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি বেড়েছে। বর্তমানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার প্রায় ৮৯ শতাংশ। এছাড়া উপবৃত্তির কারণে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হারও অনেক কমেছে।

তাই শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি আরও বাড়াতে এবং ঝরে পড়ার হার আরও কমিয়ে আনার লক্ষ্যে উপবৃত্তির টাকা দ্বিগুণ করা হবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এখন যেখানে একজন শিক্ষার্থী প্রতিমাসে ১০০ টাকা করে উপবৃত্তি পায়, তা দ্বিগুণ করে ২০০ টাকা করা হবে। প্রাথমিকে উপবৃত্তি দিতে এখন যেখানে মোট দেড় হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হয়, সেখানে উপবৃত্তির টাকা দ্বিগুণ করা হলে প্রয়োজন হবে তিন হাজার কোটি টাকা।

প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তির টাকার পরিমাণ খুব কম, এমন অভিযোগ করে উপবৃত্তির টাকার পরিমাণ বাড়ানোর জন্য অভিভাবকরা দীর্ঘদিন দাবি জানিয়ে আসছেন। এছাড়া পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি পোশাক ও খাতা, কলম ও স্কুলব্যাগসহ অন্যান্য উপকরণ কেনাকাটায় বরাদ্দ দেয়ার দাবি রয়েছে অভিভাবকদের।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেছেন, যারা স্কুলে যাবে তাদের প্রত্যেকেই উপবৃত্তির টাকা পাবে। মায়েদের হাতে উপবৃত্তির টাকা তুলে দেয়ার পর থেকে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার কমেছে। অনেক বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থী এখন স্কুলে আসছে বলেও জানান তিনি।

টাইমস্কেল এবং বেতন ১০ম গ্রেড সহ বিভিন্ন জটিলতার দ্রুত নিরসন চান প্রধান শিক্ষকরা

ডেস্ক,১সেপ্ট‌েম্বর:
৯/৩/১৪ পরবর্তী টাইমস্কেল এবং বেতন ১০ম গ্রেড করাসহ বিভিন্ন জটিলতার দ্রুত নিরসন চান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা। এসব সমস্যা সমাধানে এবং দাবি আদায়ে নিজেদের কর্মপরিকল্পনাও ঠিক করেছেন শিক্ষকরা। শিগগিরই দাবি মানা না হলে আন্দোলনের পরিকল্পনা করছেন তারা বলে জানিয়েছেন।

শিক্ষকদের সূত্র জানিয়েছে, সার্বিক বিষয়ে আলোচনা করতে বস‌েন রাজধানীর নবাবগঞ্জ সরকারী  প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বস‌েন সারা দ‌েশের প্রায় হাজারো প্রধান শিক্ষক। মিটিংয়ে টাইমস্কেল সমস্যার সমাধান, বেতন স্কেল ১০ম গ্রেড, শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি, চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের পদ স্থায়ীকরণ, বিদ্যালয়ের সময় সূচিসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

এছাড়াও চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের নিয়মিতকরণ, বেতনস্কেল ১০ম গ্রেডে উন্নতিকরণে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগসহ আবেদন করার সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সহকারী শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য দূরীকরণের বিষয়েও আলোচনা হয়।

বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিত‌ির স‌িনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাস বলেন‘টাইমস্কেলের ব্যাপারটি  মন্ত্রনালয়‌ের অনুদন‌ের অপ‌েক্ষায়।।এট‌ি দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।’

১০ম গ্রেডের বিষয়ে সম‌িতির সভাপত‌ি র‌িয়াজ পারভ‌েজ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর ঘোষণা দিলেও ৫/৬ বছর ধরে এটি বাস্তবায়ন হচ্ছে না। শ‌িক্ষাবান্ধব সচ‌িব জনাব আকরাম আল হাসান আমাদ‌ের জন্য সব সময় পজ‌িটিভ। ১০  গ্র‌েড ইত‌িমধ্য‌ে অর্থমন্ত্রনালয়‌ের বাস্তবায়ন শাখায়। আমরা দ্রুত দশমগ্রেড ও টাইমস্কেল প‌েতে যাচ্ছ‌ি। পাশাপাশ‌ি স‌িলেকশগ্রেড প‌েতে যাচ্ছি।

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদেরকে জাতীয় বেতন স্কেলে দশম গ্রেড দেয়ার নির্দেশ দেনন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে গেজেটেড পদমর্যাদা দেয়াারও নির্দেশ প্রদান করা হয়।

সভায় কম‌িটির চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন মোল্লা বলেন,বিদ্যালয়‌ের সময়সুচ‌ি  কমানোর জন্য প্রধান শ‌িক্ষক সম‌িতি ইত‌িমধ্যে আব‌েদন দ‌িয়‌েছে। দ্রুত সেটা বাস্তবায়ন হব‌ে।

পরে এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ঢাকার গেন্ডারিয়ার মহিলা সমিতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি রিয়াজ পারভেজসহ ৪৫ জন হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।

ওই রিটের শুনানি নিয়ে গত বছরের ৫ মার্চ রুল জারি করেন আদালত। সেই রুলের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে এ রায় ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। রায়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেলের ১০ম গ্রেডসহ গেজেটেড পদমর্যাদা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। ২০১৪ সালের ৯ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করেন এবং একই দিনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করে।

এ রায়ের ফলে প্রাথমিকের ৬৫ হাজার ৫৯ জন প্রধান শিক্ষকের ভাগ্য ফেরার সম্ভাবনা তৈরি হয়। সারাদেশে ৬৫ হাজার ৫৯ জন প্রধান শিক্ষকের পদ রয়েছে এবং ৫০ হাজারের কাছাকাছি পদের প্রধান শিক্ষক রয়েছেন। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন উভয় ধরনের প্রধান শিক্ষকদের জন্য ২০১৪ সালের ৯ মার্চ থেকে এ আদেশ কার্যকর করার জন্য বলা হয়েছে।

এছাড়া প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন উভয় প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেল ১০ম গ্রেড পদমর্যাদা ২০১৪ সালের ৯ মার্চ থেকে আদেশ কার্যকর করতে বলা হয়েছে। তবে প্রধান শিক্ষকদের এসব দাবি এখনো পূরণ হয়নি। এগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করার তাগিদ শিক্ষকদের। অন্যথায় আন্দোলনে নামার হুশিয়ারি দিয়েছেন তারা।

সভায় কম‌িটির চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন মোল্লা বলেন,বিদ্যালয়‌ের সময়সুচ‌ি কমানোর জন্য প্রধান শ‌িক্ষক সম‌িতি ইত‌িমধ্যে আব‌েদন দ‌িয়‌েছে। দ্রুত সেটা বাস্তবায়ন হব‌ে।
আরও বক্তব্য স‌িনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক রঞ্জ‌িত ভট্রাচার্য,এসএম সাইদুল্লাহ, স‌িনিয়ার সহসভাপত‌ি জাহাঙ্গীর আলম, সব‌িনয় দ‌েওয়ান, ম‌োস্তাফ‌িজুর রহমান লাভলু,দেলনুর হ‌োসেন, জ‌িয়াউর রহমান, অরুন দাস, শাল‌িক আহম‌েদ, দ‌িলিপ মন্ডল, ম‌েহেরপুরের মোঃ তাল‌িম,দিদারুল আলম,ওমর ফারুক,জাহাঙ্গীর আব‌েদ, সাখাওয়াত হ‌োসেন, অর্থ সম্পাদক নুর‌েআলম, র‌িংকু মিত্র,কুতুব উদ্দিন, আব্দুল মোম‌িন,ফর‌িদপুরের স‌িরাজ,
সাংগাঠন‌িক সম্পাদক খায়রুল ইসলাম,জেলা সাংগাঠন‌িক সম্পাদক আহসান হাবিব প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটি উপস্থাপন করেন প্রধান শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম।

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter