টপ খবর

প্রাথমিক শিক্ষকদের আমরন অনশন।।

নিজস্ব প্রতিবেদক,৮জুলাই:
নেত্রকোনা সদরের শালজান বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৯৯২ সালে থেকে শিক্ষকতা করছেন অকিল পাল। ২৬ বছর শিক্ষকতা করে কোনো বেতন-ভাতা না পেয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ছাত্র-ছাত্রী পড়িয়ে, কখনও-সখনও অন্যের কৃষিজমিতে রোজ খেটে তার সংসার চলে। আর দুই বছর পর অবসরে যাবেন তিনি।


সোমবার (৮ জুলাই) অকিল পালের সঙ্গে দেখা হয় রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে। তার মতো কয়েকশ শিক্ষক-শিক্ষিকা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিদ্যালয় জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলন করছেন। জাতীয়করণ হলে তারা বেতন-ভাতা পাবেন।

২০১৩ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণার পর তৃতীয় ধাপে জাতীয়করণ থেকে বাদপড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা তারা। ২৩ দিন ধরে টানা তারা আন্দোলন করে আসছেন।

বাংলাদেশ বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির ব্যানারে তারা আন্দোলন করছেন। সমিতির মহাসচিব মো. কামাল হোসেন জানান, খোলা আকাশের নিচে এভাবে আন্দোলন করতে গিয়ে গত ২২ দিনে ১৮১ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

শিক্ষকরা জানান, গত ১৬ জুন তারা অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেন। ২৮ জুন পর্যন্ত টানা ১৩ দিন অবস্থান ধর্মঘট করেন। দাবি-দাওয়া না মানায় ২৯ জুন প্রতীকী অনশন করেন। তাতেও কাজ না হলে ৩০ জুন থেকে ২ জুলাই পর্যন্ত অনশন করেন তারা। তারপরও দাবি না মানায় ৩ জুলাই থেকে আজ (সোমবার) পর্যন্ত আমরণ অনশন করে চলেছেন বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এসব শিক্ষকরা। প্রতীকী অনশন ছাড়া তারা মোট ৯ দিন ধরে অনশনে রয়েছেন।

আমরণ অনশনের পাশাপাশি তারা সেখানে স্লোগানও দিচ্ছেন। স্লোগানে শিক্ষকরা বলছেন, ‘আমাদের দাবি আমাদের দাবি, মানতে হবে মানতে হবে; চাকরি আছে বেতন নাই, এমন কোনো দেশ নাই; এক দেশে দুই নীতি, তা হবে না, তা হবে না; কেউ খাবে কেউ খাবে না, তা হবে না, তা হবে না।’

আরও পড়ুন: প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড নিয়ে হাইকোর্টের রুল

সমিতির মহাসচিব কামাল হোসেন বলেন, ‘২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি ২৬ হাজার ৯১৩টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের ঘোষণা দেয় সরকার। সিদ্ধান্ত হয়, তিন ধাপে বিদ্যালয়গুলো জাতীয়করণ করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণায় তৃতীয় ধাপে জাতীয়করণ হওয়া বিদ্যালয়গুলোর সমপর্যায়ের যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও ওই সময় কিছু কর্মকর্তার কর্মস্থলে না থাকা এবং কিছু কর্মকর্তার অবহেলার কারণে তৃতীয় ধাপ থেকে কিছু বেসরকারি বিদ্যালয় বাদ পড়ে।’

বাদপড়া এসব বেসরকারি বিদ্যালয় জাতীয়করণের দাবিতে কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলেও জানান আন্দোলনকারী শিক্ষকরা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ এর বিষয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক,৮ জুলাই:
পিএসসি থেকে সংগৃহীত ৩৫ তম, ৩৬ তম এবং ৩৭ তম বিসিএস পরীক্ষায় পাশের তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তিনটি বিসিএসে দেখা গেছে যারা বেশি বয়সী তাঁদের পাশের হার খুবই কম।



আজ সোমবার গণভবনে চীন সফরের পর আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ করার প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, চাকরিতে প্রবেশের বয়সী ৩৫ বছর করার দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বাধা দেয়া হবে না। কারণ আন্দোলন করলে তারা অন্তত রাজনীতিটা শিখতে পারবে।

তিনি বলেন, এখন জন্ম নিবন্ধন হয়। নিয়মিত পড়াশোনা করলে ১৬ বছরে এসএসসি পাশ করে। এরপর দুই বছরে এইচএসসি। এরপর চার বছরে অনার্স ও এক বছরে মাস্টার্স করলে ২৩ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে সরকারি চাকরির পরীক্ষা দিতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৩৫ তম বিসিএসে ২৩ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে পাশের হার ৪০.৭ ভাগ, ২৫-২৭ বছরের মধ্যে পাশের হার ৩০.২৯, ২৭-২৯ বয়সে ১৩.১৭ শতাংশ প্রার্থী পাশ করেছেন এছাড়া ২৯ বছরের বেশি বয়স যেসব প্রার্থীর ৩.৪৫ ভাগ পাশ করেছেন।

৩৬ তম বিসিএসে ২৩ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে পাশের হার ৩৭.৪৫ ভাগ, ২৫-২৭ বছরের মধ্যে পাশের হার ৩৪.৭৮, ২৭- ২৯ বয়সে ১৯.৮৯ শতাংশ প্রার্থী পাশ করেছেন এছাড়া ২৯ বছরের বেশি বয়স যেসব প্রার্থীর ৩.২৩ ভাগ পাশ করেছেন।

এছাড়া ৩৭ তম বিসিএসে ২৩ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে পাশের হার ৪৩.৬৫ ভাগ, ২৫-২৭ বছরের মধ্যে পাশের হার ২৩.৩৫, ২৭-২৯ বয়সে ৭.২০ শতাংশ প্রার্থী পাশ করেছেন এছাড়া ২৯ বছরের বেশি বয়স যেসব প্রার্থীর ০.৬১ ভাগ পাশ করেছেন।

সাংবাদিকদের প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন করে বলেন, এখন ৩৫ বছর হলে অবস্থা টা কী দাঁড়াবে বুঝিয়ে বলেন?

তিনি বলেন, তখন তো বিয়ে-শাদি হবে, ছেলে-মেয়ে হবে, বউ সামলাতে হবে, ঘর সামলাতে হবে আর পরীক্ষা দিতে হবে। তখন তো আরো করুণ অবস্থা হবে!

তিনি বলেন, কাজ করার একটা সময় বা এনার্জি থাকে। এখন দাবি তোলার জন্য যদি তোলা হয়, তবে আমার কিছু বলার নেই। তারা নিশ্চয় কোনো জায়গা থেকে প্রেরণা পাচ্ছে। কিন্তু তার পরিণতিটা কী দাঁড়াবে?

শেখ হাসিনা বলেন, আর ৩৫ বছর বয়সে পরীক্ষা দিলে, এরপর ফল, পরে প্রশিক্ষণ। এসব শেষ হতে আরও দুই বছর লাগবে, তাহলে ৩৭ বছর হয়ে গেল, এই বয়সে চাকরিতে ঢুকলে তখন ২৫ বছর পূর্ণ না হলে ফুল পেনশন পাবে না। ঠিক আছে পেনশন না পেল, একটা সরকার তাহলে কাদের দিয়ে চালাবেন?

তিনি বলেন, আমরা সবসময় বলি, যারা যুবক, যারা মেধাবী, যাদের কর্মক্ষমতা ভালো, তাদেরকে দিয়েই দেশের উন্নয়নের কাজটা করতে হবে। তবে বয়স বাড়লে কাজের গতি ধীর হয়, এটা খুবই স্বাভাবিক একটা ব্যাপার। আমি কেবল হিসাব দিলাম, এখন দেশবাসী বিচার করুক, আপনারা বিচার করেন।

তিনি বলেন, যখন আন্দোলন শুরু হয়েছে, এটা তখনকার হিসাব। দ্বিতীয় কথা হচ্ছে, পার্লামেন্টে এরকম একটা প্রস্তাব এসেছিল, ঠিক এই বিষয়গুলো তখন বিবেচনায় নেয়া হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড নিয়ে হাইকোর্টের রুল

নিজস্ব প্রতিবেদক,৭ জুলাই:

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের ১৪তম গ্রেডে বেতন নির্ধারণের গেজেট কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে সহকারী শিক্ষকদের বেতন কেন ১১তম গ্রেডে প্রদান করা হবে না রুলে তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।



রোববার হাইকোর্টের বিচারপতি এফ.আর. এম নাজমুল আহসান এবং বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ সংক্রান্ত এক রিটের শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেন।

এই রুল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে কর্মরত সাড়ে তিন লাখ শিক্ষকের জন্য প্রযোজ্য হবে। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সিদ্দিক উল্লাহ্ মিয়া এবং তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মো. মনিরুল ইসলাম রাহুল ও অ্যাডভোকেট সোহরাওয়ার্দী সাদ্দাম। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ৯ মার্চ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ গেজেট জারি করা হয়েছিল।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

১২১ স্কুলে বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিন কেনায় অনিয়ম

বগুড়া প্রতিনিধি | ০৭ জুলাই, ২০১৯:

বগুড়া সদর উপজেলার ১২১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিন কেনায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী ডিজিটাল ওই যন্ত্রটি নিজ নিজ স্কুল কর্তৃপক্ষের কেনার কথা থাকলেও স্থানীয় উপজেলা পরিষদ এবং শিক্ষা অফিস তাতে বাদ সেধেছে। বিদ্যালয়গুলোর ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও শিক্ষকদের অভিযোগ, স্থানীয় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তারা বিদ্যালয়গুলোর প্রধান শিক্ষকদের নির্ধারিত একটি প্রতিষ্ঠান থেকে বায়োমেট্রিক মেশিনগুলো বেশি দামে কিনতে বাধ্য করছেন।



অভিযোগ রয়েছে, নির্ধারিত প্রতিষ্ঠানের বাইরে যাতে অন্য কোনো স্থান থেকে বায়োমেট্রিক মেশিন কেউ কিনতে না পারে সেজন্য সদর উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে বিদ্যালয়গুলোর প্রধানদের কাছে পছন্দের সেই প্রতিষ্ঠানের বিল ভাউচারও সরবরাহ করা হয়। এমনকি মেশিন সরবরাহের আগেই বিলের সঙ্গে সেই ভাউচারগুলোও জমা নেয়া হয়।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তারা জানান, নির্ধারিত সময়ে শিক্ষকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সারাদেশে সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিন সংযোজনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। যন্ত্রটি কেনার জন্য বিদ্যালয়গুলোর নিজ নিজ ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের নেতৃত্বে গঠিত পাঁচ সদস্যের ‘স্কুল লেভেল ইমপ্রুভমেন্ট প্ল্যান’ বা ‘স্লিপ কমিটি’র নামে সরকারিভাবে বার্ষিক যে বরাদ্দ দেয়া হয় তার পরিমাণও বাড়ানো হয়।

নিয়ম অনুযায়ী বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষা উপকরণসহ প্রয়োজনীয় সব কিছু কেনাকাটার এখতিয়ার শুধু ওই স্লিপ কমিটির হলেও বগুড়ায় তা মানা হয়নি। সদর উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে বগুড়া শহরের খান্দার এলাকায় অবস্থিত ‘সফটোনিক আইটি’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের বিল ভাউচার সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোর প্রধান শিক্ষকদের কাছে পাঠানো হয়। বিদ্যালয়ের নাম ও ঠিকানার জায়গা ফাঁকা রেখে বায়োমেট্রিক মেশিন, কেবল, সফটওয়্যার সাপোর্টিং সরঞ্জামের সঙ্গে সার্ভিস চার্জ এবং ভ্যাট, অন্যান্য করসহ সেই প্রতিষ্ঠানের ভাউচারে প্রতিটি যন্ত্রের দাম দেখানো হয় ২১ হাজার টাকা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত শুধু পল্লীমঙ্গল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নামে একটি স্কুলেই বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিন সংযুক্ত করা হয়েছে। তবে বিল-ভাউচার দাখিল করা হয়েছে সব বিদ্যালয়ের নামে।

গত মঙ্গলবার পল্লীমঙ্গল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, শিক্ষকদের কক্ষে ওই হাজিরা মেশিন যুক্ত করা হয়েছে। শিক্ষকরা জানান, বগুড়া সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবু সুফিয়ান শফিক, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল জব্বারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা গত ৩০ জুন ওই মেশিন সংযোজন করেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মালেক বলেন, মেশিনটি উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে তাদের দেয়া হয়েছে।

স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আপেল মাহমুদ জানান, বিল-ভাউচারে মেশিনের দাম ২১ হাজার টাকা দেখানো হলেও তারা বাজারে খোঁজ নিয়ে জেনেছেন মেশিনটির প্রকৃত দাম ১৬ হাজার টাকা। এদিকে বগুড়া সদর উপজেলার আরও কয়েকটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা অভিযোগ করেছেন, তাদের বিদ্যালয়ে ওই মেশিন এখন পর্যন্ত সংযোজন করা না হলেও তার মূল্য বাবদ ‘সফটোনিক আইটি’ নামে এক প্রতিষ্ঠানের নামে ২১ হাজার টাকার ভাউচার শিক্ষা অফিসে দাখিল করতে হয়েছে।

এ ব্যাপারে সফটোনিক আইটির সিইও সাখাওয়াত হোসেন জানান, বগুড়া সদর উপজেলার সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য তাদের কাছ থেকেই বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিন কেনার ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসের সঙ্গে তাদের কথা হয়েছে। তিনি স্বীকার করেন, তারা যে মেশিন সরবরাহ করছেন তার দাম ১৬ হাজার টাকা। তবে তার দাবি, ওই মেশিনের সঙ্গে অনলাইন ডিভাইস সংযোগ এবং দীর্ঘমেয়াদি সার্ভিসিং সুবিধা দিতে হবে বলেই পাঁচ হাজার টাকা বেশি রাখা হয়েছে।

বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিনগুলো দোকানের পরিবর্তে কেন উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে প্রধান শিক্ষকদের নিতে বাধ্য করা হচ্ছে- জানতে চাইলে সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল জব্বার বলেন, এ অভিযোগ ঠিক নয়। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লোকজন গিয়েই মেশিন স্কুলে সংযোজন করছে। তিনি বলেন, ‘আমরা শুধু ভাউচার নিচ্ছি।’ ১২১টি বিদ্যালয়ের মধ্যে একটিমাত্র প্রতিষ্ঠানে মেশিন সরবরাহ করা হলেও সবগুলোর বিল-ভাউচার জমা নেয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ৩০ জুনের মধ্যে হিসাব দাখিলের বাধ্যবাধকতার কারণেই এটি করতে হয়েছে।

বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিন কেনার ক্ষেত্রে বিদ্যালয়গুলোতে হস্তক্ষেপ এবং পছন্দের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে তা কিনতে বাধ্য করানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আবু সুফিয়ান শফিক। তিনি বলেন, শুধু মেশিন কেনা তাদের উদ্দেশ্য নয়। বরং সেটির সঙ্গে উপজেলা শিক্ষা অফিসের অনলাইনে যোগাযোগ স্থাপন এবং পাঁচ বছর ধরে সার্ভিসিং সুবিধা যাতে নিশ্চিত হয় সেজন্যই একটি প্রতিষ্ঠানকে বেছে নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘এতে স্বচ্ছতার প্রশ্নটি হয়তো অমূলক হবে না, কিন্তু আমরা যা করেছি সেটা সবার ভালোর জন্যই করেছি।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে এড়াল ভারত, ম্যাঞ্চেস্টারে যুদ্ধ কিউয়িদের বিরুদ্ধে

আনন্দবাজার,৭ জুলাই:
সেমিফাইনালের রাস্তাটা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল আগেই। কিন্তু শেষ চারের যুদ্ধটা কাদের সঙ্গে হবে তা নিয়ে ছিল প্রশ্ন। শনিবার লিডসে শ্রীলঙ্কাকে কার্যত উড়িয়ে দিয়ে, সেমিফাইনালের লাইন আপটা ঠিক করে ফেলল ভারত। আগামী মঙ্গলবার ম্যাঞ্চেস্টারে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে নামছেন কোহালিরা। বৃহস্পতিবার বার্মিংহামে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেভারিট দল ইংল্যান্ড।



সেমি ফাইনালে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি কারা হবে— এই প্রশ্নটার উত্তর পেতে শনিবার মাঠে নেমেছিল ভারত ও অস্ট্রেলিয়া। হিসাবটা ছিল খুবই সহজ, ভারতকে জিততেই হবে এবং অবশ্যই অস্ট্রেলিয়াকে হারতে হবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে। মালিঙ্গাদের হারানোর কাজটা খুব সহজেই করে ফেলেছিলেন রোহিত-রাহুলরা। দ্বিতীয় ম্যাচে ডুপ্লেসির দাপটে অস্ট্রেলিয়া হেরে যাওয়ায়, লিগ তালিকায় ১৫ পয়েন্ট নিয়ে এক নম্বরে শেষ করল ভারত। অন্য দিকে, ১৩ পয়েন্ট নিয়ে দু’নম্বরে শেষ করল অস্ট্রেলিয়া।

কোনও সন্দেহ নেই যে ইংল্যান্ড এই টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেভারিট দল। মর্গ্যানদের টিমে ১০ নম্বর পর্যন্ত ব্যাটসম্যান। বোলিংয়ে বিভাগেও রয়েছে বহু বৈচিত্র্য। মাঝখানে দু’-একটি ম্যাচে খারাপ খেললেও, তারা কী করতে পারে বোঝা গিয়েছিল ভারত এবং নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাদের ম্যাচে। তাই সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে এড়িয়ে যেতে চাইছিল ভারত এবং অস্ট্রেলিয়া—এই দুই দলই। শনিবার সেটাই নিশ্চিত করলেন রোহিত-ডুপ্লেসিরা।

তবে নিউজিল্যান্ডও অত্যন্ত কঠিন ঠাঁই। বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে তাদের ম্যাচটি ভেস্তে গিয়েছিল বৃষ্টিতে। প্রস্তুতি ম্যাচেও বিধ্বংসী বোল্টের সুইংয়ে ধরাশায়ী হয়েছিল কোহালি ব্রিগেড। ফলে নিউজিল্যান্ডকে ভাল করে ‘মাপা’ হয়ে ওঠেনি টিম ইন্ডিয়ার। নিউজিল্যান্ডের হয়ে যে কোনও মুহূর্তে ম্যাচের রং ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন গাপ্টিল। ফর্মের শিখরে রয়েছেন কেন উইলিয়ামসন। ব্যাটে-বলে প্রতি ম্যাচেই উন্নতি করছেন অল রাউন্ডার গ্র্যান্ডহোম। বোলিং বিভাগে বোল্ট-ফার্গুসনরা তো রয়েইছেন। ফলে ম্যাঞ্চেস্টারে লড়াইটা যে কোনওভাবেই সহজ হবে না সহজ হবে না, এ কথা বলাই যায়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শ্রেণিকক্ষে অন্তরঙ্গ অবস্থায় ছাত্র-ছাত্রীর ভিডিও ভাইরাল!

ডেস্ক,৭ জুলাই:

ক্লাসরুমে খুবই ঘনিষ্ঠ অবস্থায় ছিল দুই ছাত্র-ছাত্রী। তা ভিডি‌ও করছিল ক্লাসের কয়েকজন। পরে কে বা কারা ভিডিওটি ছড়িয়ে দেয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এরপর তা ভাইরাল হতেই শোরগোল পড়ে যায় ওই স্কুলে।


ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের মগরার একটি স্কুলে। ইটিভি ভারত নামের গণমাধ্যমে প্রকাশ পাওয়া সংবাদে আরও বলা হয়েছে, দুই ছাত্র-ছাত্রী খুবই ঘনিষ্ঠ অবস্থায় রয়েছে। সেই দৃশ্য ভিডিও করছে আরও কয়েকজন। সেই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হতে সময় লাগেনি। একপর্যায়ে অন্য শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদেরও চোখে পড়ে সেটা। গতকাল সকালে অভিভাবকরা একজোট হয়ে স্কুলের সামনে বিক্ষোভ করেন। অভিযুক্ত ছাত্র-ছাত্রীকে বহিষ্কার করারও দাবি তোলা হয়।

এ ব্যাপারে স্কুলের প্রধান শিক্ষক জানান, ওই দুই শিক্ষার্থীকে এরইমধ্যে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে, ভবিষ্যতের কথা ভেবে কেবল টেস্ট পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে তাদের। ক্লাস করতে দেওয়া হবে না।

প্রধান শিক্ষক বলেন, আমাদের স্কুল যথেষ্ট ঐতিহ্যবাহী। ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে এ ধরনের আচরণ মানা যায় না। প্রত্যেক ক্লাসরুমের বাইরে সিসিটিভি আছে। এবার আমরা ক্লাসরুমের ভেতরেও সিসিটিভি লাগানোর ব্যবস্থা করব।

স্কুলে মোবাইল ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং কেউ মোবাইল নিয়ে ধরা পড়লে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

স্কুলের সাবেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরাও এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের কথায়, আমরাও পড়াশোনা করেছি। আমাদের ছেলে-মেয়েরাও পড়ছে। এই ধরনের ঘটনা সামনে আসায় চমকে যাচ্ছি। স্কুল কর্তৃপক্ষকে আরও কঠোর হতে হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

নিজ সন্তানের এ কেমন বর্বরতা!

পঞ্চগড় প্রতিনিধি: মা বাড়িতে থাকার কারণে তার ঘরের দখল নেয়া যাচ্ছিল না। তাই বৃদ্ধা মাকে মেরে গুরুতর আহত করে হাসপাতালেই পাঠিয়ে দিয়েছে সন্তান। এমন বর্বর নির্যাতনের ঘটনাই ঘটেছে পঞ্চগড়ের কামাত কাজলদিঘী ইউনিয়নের গলেহা ফুলপাড়া এলাকায়। গতকাল শনিবার দুপুরে বৃদ্ধা মা হাফেজা খাতুনকে মেরে হাসপাতালে পাঠায় ছেলে ফারুক।
হাফেজা খাতুনের প্রতিবেশীরা জানান, ফারুক আর তার স্ত্রী ইনসানা বেগম দীর্ঘদিন ধরেই তাদের ঘরটা আরেকটু বড় করতে চাচ্ছিলেন। কিন্তু পাশেই ছিল মায়ের ঝুপড়ি ঘর। এই ঝুপড়ির জন্যই দিনের পর দিন মাকে অত্যাচার করে গেছেন তারা। মায়ের বদনার পানিতে মরিচের গুড়া মেশানো, টয়লেটে যাওয়ার রাস্তায় আবর্জনা জমা করে রাখা, ঝুপড়ির একাংশ ভেঙে দেওয়াসহ এমন কোনো কাজ নেই যা তারা করেনি।


হাফেজা খাতুনের স্বামী সালাউদ্দিন মারা গেছেন ১১/১২ বছর আগে। ছেলেমেয়ে ১০ জন। পাঁচ ছেলে ও পাঁচ মেয়ে। মেয়েদের সবাইকে বিয়ে দিয়েছেন। বড় দুই ছেলে পঞ্চগড় শহরে বাড়ি করে থাকেন। বাকি তিন ছেলে বাবার ভিটেতেই আছে। বাড়িতে থাকা তিন ছেলের মধ্যে রয়েছেন নুরু মিয়া, শফিউল্লাহ ও ফারুক। যে যার আলাদা ঘর করে সংসার পেতেছে। ছোট ছেলে ফারুকের ঘর ঘেঁষে একটি বেড়া চাটাই দিয়ে তৈরি ঝুপড়িতে তিনি থাকেন। খাওয়া-দাওয়া করেন আরেক ছেলের বাড়িতে। স্বামীর ভিটে ছেড়ে অন্য কোথাও যেতে রাজি নন তিনি। কিন্তু ছোটো ছেলে ফারুক সেই চেষ্টাই চালিয়ে আসছিল।

প্রতিবেশীরা জানান, শনিবার দুপুরে টয়লেটে যাওয়ার রাস্তায় আবর্জনা জড়ো করে রাখে ফারুকের স্ত্রী ইনসানা। বৃদ্ধা হাফিজা সেই আবর্জনা একটু সরিয়ে টয়লেটে যাওয়ার সময় ইনসানা তার হাত থেকে পানি ভর্তি বদনা নিয়ে ভেঙে ফেলে। পরে ছেলে ফারুক মাকে গালাগালি করতে থাকে। মাকে টয়লেটেও যেতে দেয়নি সে। এর প্রতিবাদ করলে ফারুক আর তার স্ত্রী ইনসানা মিলে বৃদ্ধাকে মারধর করতে থাকে। এ সময় তার চিৎকারে অপর ছেলে শফিউল্লাহ এসে তাকে উদ্ধার করে। বর্তমানে বৃদ্ধা মা পঞ্চগড় সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

মায়ের ভিটে দখল করতে সন্তানের এমন বর্বরতার কথা শুনে আঁতকে উঠছেন সবাই। বৃদ্ধা মায়ের পাশে দাড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করছেন অনেকে। পাশাপাশি সবাই এটাও বলছেন যে, এ ঘটনার উপযুক্ত বিচার হওয়া উচিত। অন্যথায় নিজের মায়ের সঙ্গে নৃশংসতার এমন ঘটনা ঘটতেই থাকবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষকদের জুনের বেতন দেরিতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক,২জুলাই:
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর জুন মাসের বেতন-ভাতার চেক ছাড়ে আরও দেরি হতে পারে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সূত্র জানায়, জুন মাসের এমপিওর প্রস্তাব এখনও মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। বাজেট ঘোষণার কারণে প্রতিবছরই জুন মাসে এমপিওর চেক ছাড় করতে কিছুটা দেরি হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না।

এদিকে মাদরসা শিক্ষা অধিপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এখনো মাদরাসা অধিদপ্তরের হিসাব এসে পৌঁছায়নি। তাদের হিসাব মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে পারেনি অধিদপ্তর।

এদিকে সারাদেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা কবে চেক ছাড় হবে, কবে বেতন তুলতে পারবেন, সেই অপেক্ষায় আছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এইচএসসির ফল প্রকাশ জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে

নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী ২০, ২১ বা ২২ জুলাই উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হতে পারে। শিক্ষা বোর্ডগুলোর পক্ষ থেকে এই তিন দিনের যেকোনো এক দিন ফল প্রকাশের অনুমোদন চেয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। সম্ভাব্য এই তারিখগুলোর মধ্যে যেদিন প্রধানমন্ত্রী সম্মতি দেবেন, সেদিনই ফল প্রকাশ করা হবে।


মঙ্গলবার ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের উচ্চপর্যায়ের একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

গত ১ এপ্রিল এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। এবার আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৫০৫ জন। এর মধ্যে আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে শুধু এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিল ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৭৪৭ জন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকে সমন্বয় বদলির নির্দেশনা জারি

অনলাইন ডেস্ক,২৬ জুন:

প্রাথমিক সমন্বয় বদলির নির্দেশনা জারি করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে ২০১৩ সনের পূর্বে জাতীকরণকৃত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ২০১৩ সনে জাতীয়করণকৃত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণের পারস্পরিক/সমন্থয় বদলি সংক্রান্ত গাইডলাইনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।


এতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণের সমন্বয় বদলির জন্য নিম্নের গাইডলাইন অনুসরন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে:

১. সমন্বয় বদলি হবে উপজেলার অভ্যন্তরে এবং ০১ এপ্রিল থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধো।

২. সমন্বয় বদলি প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে।

৩. নতুন জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ২ জন আত্মস্বীকৃত শিক্ষককে ইতোপূর্বে জাতীয়করণকৃত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সমন্বয় বদলি করতে হবে। সাধারণ বদলি ৰা সমন্বয় বদলির কারণে পূর্বে জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকগণের ৫০% এর বেশি নব জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক থাকতে পারবে না।

8. সমন্বয় করার জনা নতুন জাতীয়করণকৃত বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পূর্বে জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণের নিকট হতে আবেদনপত্র চাওয়া যেতে পারে। আবেদন পাওয়া না পেলে কর্তৃপক্ষ জনস্বার্থে আবেদন ছাড়াই প্রয়োজনীয় সমন্বয় বদলি করতে পারবেন।

৫. সমন্বয়ের ক্ষেত্রে আগ্রহী বয়োজ্যেষ্ঠ মহিলা শিক্ষকদের অগ্রাধিকার দিতে হবে এবং পরবর্তীতে বয়োজেষ্ঠ্য পুরুষ শিক্ষকদের বিবেচনা করতে হবে।

৬. সমন্বয়ের সময় পাশ্ববতী/নিকটস্থ বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণের মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়টি অগ্রাধিকার দিতে হবে।

৭. আবেদন ছাড়া সমন্বয়ের ক্ষেত্রে পুরুষ শিক্ষকদের বিবেচনা করতে হবে। তবে ৫৫ বছরেরর বেশি বয়সী শিক্ষকদের ৰিবেচনা না করাই শ্রেয়।

৮. সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা শিক্ষণ অফিসারের সঙ্গে পরামর্শ করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সমন্বয় বদলির আদেশ জারি করবেন।

৯. সিটি কর্পোরেশনকে একটি ইউনিট হিসাবে বিবেচনা করতে হবে। সিটি করপোরেশনের ভেতরে আন্ত:থানায় সময়ের প্রয়োজন হলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সংশ্রিষ্ট থানা শিক্ষা অফিসারের সাথে জালোচনা করে সমন্বয় বদলির আদেশ করবেন।

১০, সমন্বয় বদলি করার সময় সাধারণ বদলির শর্তসমূহ (সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি নির্দেশিকা, ২০১৮ (সংশোধিত) প্রযোজা হবে না।

১১. সমন্বয়জনিত বদলির কারণে যোগদানের পর পুনরায় বদলির ক্ষেত্রে সাধারণ বদলির শর্তসমূহ প্রযোজা হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চট্রগ্রামে বায়োমেট্রিক হাজিরা নিয়ে রমরমা ব্যবসা করছে প্রাথমিক শিক্ষা অফিস

দুদকের হস্তক্ষেপ কামনা

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৫ জুন : সারা দেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক উপস্থিতি শতভাগ নিশ্চিত করতে বায়োমেট্রিক হাজিরা সিস্টেম চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই বায়োমেট্রিক মেশিন কেনা এবং এর ব্যবহারের জন্য প্রতিটি স্কুলে চিঠি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, স্কুলের স্লিপ ফান্ডের অর্থ দিয়ে স্কুল পরিচালনা কমিটি মেশিন কিনবে।


মন্ত্রণালয়ের এ সংক্রান্ত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, চতুর্থ শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় স্লিপ ফান্ডের অর্থ দিয়ে বায়োমেট্রিক হাজিরার ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের বায়োমেট্রিক হাজিরা নিশ্চিতের জন্য ডিভাইস ক্রয়ের বিধান রাখা হয়েছে। আর্থিক বিধান অনুসরণ পূর্বক স্লিপ ফান্ডের অর্থ দিয়ে বিদ্যালয়ের বায়োমেট্রিক হাজিরা নিশ্চিতকরণসহ ওই খাতের অর্থে যথাযথভাবে কার্যক্রম বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হলো।
এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে চট্রগ্রামের উপজেলা শিক্ষা অফিস রমরমা ব্যবসা শুরু করেছে। চট্রগ্রামের বেশির ভাগ প্রধান শিক্ষককে জোর করে ১০০০০-১২০০০ টাকা মূল্যের মেশিন ও সফওয়ার ৩৭০০০ টাকা করে নেয়া হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক নেতা শিক্ষা বার্তাকে জানান ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকার সর্বমোট খরচের মেশিন কেন ৩৭ হাজার নিচ্ছে তা বোধগম্য নয়।
আরেক শিক্ষক নেতা বলেন আমরা উপজলো শিক্ষা অফিসের কাছে জিম্মি। আমাদের কিছু করার নেই। কার কাছে অভিযোগ দেব তাও জানিনা। তিনি দুদককে এ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শরীরচর্চার জন্য শিক্ষক নিয়োগ হবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৫জুন:

প্রাথমিক স্কুলগুলোতে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা ও সংগীতের ওপর পারদর্শী করতে সাংস্কৃতিক ও শরীরচর্চা বিষয়ে দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।

সোমবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে (ডিপিই) আন্তঃপ্রাথমিক বিদ্যালয় ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ২০১৯ ও আন্তঃপিটিআই সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ২০১৮ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এমন কথা বলেন। জাকির হোসেন বলেন, ‘আধুনিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে আজকের শিশুদের যোগ্য করে তুলতে হবে। এজন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। আর মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন জরুরি।’


এর আগে বেসরকারি বালিকা বিদ্যালয় এবং মহিলা কলেজে শরীরচর্চা শিক্ষক হিসেবে শুধু মহিলা শিক্ষকদের নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। নারী শিক্ষা প্রসারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে কন্যাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে সে সময় জানানো হয়।

জাতীয় পর্যায়ে আন্তঃপ্রাথমিক বিদ্যালয় ক্রীড়ার ১৪টি ইভেন্টে, আন্তঃপ্রাথমিক বিদ্যালয় সাংস্কৃতিক ছয়টি ইভেন্টে এবং আন্তঃপিটিআই সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ১০টি ইভেন্টে ছাত্র ও ছাত্রী দুটি গ্রুপে বিভাগীয় পর্যায়ের চ্যাম্পিয়ন প্রতিযোগীরা অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতায় ১৫ জন এবং সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৮ জনকে প্রতিমন্ত্রী পুরস্কার তুলে দেন। ডিপিইর মহাপরিচালক এ এফ এম মনজুর কাদিরের সভাপত্বিতে আরও বক্তব্য দেন বিশেষ অতিথি মো. আকরাম-আল-হোসেন। ডিপিইর অতিরিক্ত মহাপরিচালক সোহেল আহমদ, মো. আবদুল মান্নান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।


Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

‘এমপিওভুক্তির জন্য চারটি ক্রাইটেরিয়া ধরে বিবেচনা করা হয়েছে’

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৫ জুন:
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য যে চারটি ক্রাইটেরিয়া ধরে অনলাইনে আবেদন আহ্বান করা হয়েছিল, সেটির ভিত্তিতে এমপিওর জন্য যোগ্য বিবেচনা করা হয়েছে। যোগ্য সব প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কাউকে বঞ্চিত করা সরকারের লক্ষ্য নয়। গতকাল সোমবার সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘একজন শিক্ষকের পরিচয় তার প্রতিষ্ঠানের পারফরম্যান্স দিয়ে বিবেচিত হয়। আমরা অভিযোগ শুনি, পত্রপত্রিকায় আসে কোনো কোনো শিক্ষক টাকার বিনিময়ে শিক্ষার্থীদের নোট পড়তে, গাইড বই পড়তে, কোচিংয়ে যেতে বাধ্য করে। যাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ রয়েছে আমরা তাদের পুরস্কৃত করতে চাই না। ওইসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিও দিলে যোগ্যতার কদর থাকে না।’


দীপু মনি বলেন, ‘যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যোগ্য বিবেচিত হয়নি সেগুলোর দিকে আমরা সবাই মিলে নজর দিই, চেষ্টা করি যাতে আগামীতে এমপিওভুক্তির জন্য যোগ্য বিবেচিত হয়।’ তিনি বলেন, ‘শিক্ষা খাতে ৬১ হাজার ১১৮ কোটি টাকার বাজেট বিএনপির শেষ বাজেটের দশ গুণ। বিএনপি যদি অবকাঠামোর উন্নয়ন করত, তাহলে অবকাঠামোর উন্নয়নের দিক থেকে আমরা এগিয়ে থাকতাম। বিএনপির একজন সংসদ সদস্য বলেছেন—দেশ মৃত্যুর উপত্যকা। তারা যখন আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে, শেখ হাসিনা সরকার তাদের সেই চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে, তাই তাদের এত আপত্তি।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক সমাপনীতেও জিপিএ-৫ থাকছে না

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৪জুন:

এবার প্রাথমিক সমাপনীতে পিইসিতেও জিপিএ-৫ তুলে দেওয়ার চিন্তা চলছে। আসছে জিপিএ-৪। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যেই কাজ শুরু করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। কর্মকর্তারা বলছেন, উচ্চ শিক্ষাস্তরে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য করতে এ সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে মন্ত্রণালয়। এ ক্ষেত্রে পরীক্ষার সময়ও কমিয়ে আনা হবে।


প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘পিইসিতে বর্তমানে যে গ্রেডবিন্যাস রয়েছে, তা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গ্রেডবিন্যাসের সঙ্গে মিল রেখেই করা হয়েছে। আমরা শুনেছি, তাঁরা গ্রেডবিন্যাস নিয়ে কাজ করছেন। তাঁরা এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে আমরা কমিটি গঠন করে আমাদের গ্রেডবিন্যাসও পরিবর্তন করব। কারণ, একই শিক্ষার্থী পিইসিতে এক ধরনের গ্রেড আবার জেএসসিতে আরেক ধরনের গ্রেড পেতে পারে না। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গ্রেডবিন্যাসের সঙ্গে মিল রেখেই পিইসির গ্রেডবিন্যাস হবে।’

এর আগে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, জিপিএ-৫ এর পরিবর্তে সর্বোচ্চ জিপিএ-৪ নির্ধারণ এবং পরীক্ষার সময় কমিয়ে আনার ব্যাপারে নীতিগতভাবে একমত হয়েছি। বিভিন্ন স্টকহোল্ডারদের সঙ্গে বৈঠক ও পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা জমা দেব। পরে এসবের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সূত্র জানায়, বাংলাদেশে ২০০১ সাল থেকে পাবলিক পরীক্ষায় গ্রেড পদ্ধতি চালু হয়। সেখানে ৮০ থেকে ১০০ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ৫, লেটার গ্রেড এ প্লাস। এটাই সর্বোচ্চ গ্রেড। এরপর ৭০ থেকে ৭৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ৪, লেটার গ্রেড এ। ৬০ থেকে ৬৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ৩.৫০, লেটার গ্রেড এ মাইনাস। ৫০ থেকে ৫৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ৩, লেটার গ্রেড বি। ৪০ থেকে ৪৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ২, লেটার গ্রেড সি। ৩৩ থেকে ৩৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট এক, লেটার গ্রেড ডি। আর শূন্য থেকে ৩২ পাওয়া শিক্ষার্থীদের গ্রেড পয়েন্ট জিরো, লেটার গ্রেড এফ। জিপিএ ১ অর্জন করলেই তাকে উত্তীর্ণ হিসেবে ধরা হয়। কোনো বিষয়ে এফ গ্রেড না পেলে চতুর্থ বিষয় বাদে সব বিষয়ের প্রাপ্ত গ্রেড পয়েন্টকে গড় করেই একজন শিক্ষার্থীর লেটার গ্রেড নির্ণয় করা হয়। তবে সব বিষয়েই ৮০-র ওপরে নম্বর পাওয়া ফলকে অভিভাবকরা গোল্ডেন জিপিএ ৫ বলে থাকেন। কিন্তু শিক্ষা বোর্ডগুলোর ফল নির্ধারণ পদ্ধতিতে গোল্ডেন জিপিএ নামে কোনো গ্রেড নেই।

বর্তমানে বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গড়ে সব বিষয়ে ৮০-এর ওপরে নম্বর পেলে সিজিপিএ ৪ ও লেটার গ্রেড হয় ‘এ প্লাস’। এরপর ৭৫ থেকে ৮০-এর মধ্যে সিজিপিএ ৩.৭৫ ও লেটার গ্রেড ‘এ’; ৭০ থেকে ৭৫-এর মধ্যে গ্রেড পয়েন্ট ৩.৫০ ও লেটার গ্রেড ‘এ মাইনাস’; ৬৫ থেকে ৭০-এর মধ্যে পয়েন্ট ৩.২৫ ও লেটার গ্রেড ‘বি প্লাস’; ৬০ থেকে ৬৫-এর মধ্যে পয়েন্ট ৩ ও লেটার গ্রেড ‘বি’; ৫৫ থেকে ৬০-এর মধ্যে পয়েন্ট ২.৭৫ ও লেটার গ্রেড ‘বি মাইনাস’; ৫০ থেকে ৫৫-এর মধ্যে পয়েন্ট ২.৫০ ও লেটার গ্রেড ‘সি প্লাস’; ৪৫ থেকে ৫০-এর মধ্যে পয়েন্ট ২.২৫ ও লেটার গ্রেড ‘সি’; ৪০ থেকে ৪৫ নম্বর পেলে পয়েন্ট ২ ও লেটার গ্রেড ‘ডি’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আর ৪০-এর কম নম্বর পেলে ফেল, এর লেটার গ্রেড ‘এফ’, এতে কোনো গ্রেড পয়েন্ট নেই।

তথ্যমতে, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে কিউমুলেটিভ গ্রেড পয়েন্ট এভারেজ (সিজিপিএ) পদ্ধতি রয়েছে। সর্বোচ্চ গ্রেড সিজিপিএ ৪ ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে ফল প্রকাশ করা হয়। আর প্রাথমিক সমাপনী, ইবতেদায়ি সমাপনী, জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও সমমান, এসএসসি ও সমমান এবং এইচএসসি ও সমমানে জিপিএ পদ্ধতি চালু রয়েছে। এসব পরীক্ষায় সর্বোচ্চ গ্রেড-৫ ধরে ফল নির্ধারণ করা হয়। বিদেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেও গ্রেড সিজিপিএ-৪ নির্ধারিত রয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

নুসরাতের কপালে সিঁদুর

বিনোদন ডেস্ক,২৪ জুন:
তুরস্কে ১৯ জুন আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজনে বিয়ে সেরেছেন পশ্চিমবঙ্গের সাংসদ ও টলিউড অভিনেত্রী নুসরাত জাহান। হলদি, মেহেন্দি, সঙ্গীত, ফেরা আর হোয়াইট ওয়েডিং- সব অনুষ্ঠানই একেবারে ঝমকালোভাবে করা হয়েছে। সঙ্গে সমুদ্রের ধারে বন্ধুদের সঙ্গে পার্টি। বিয়ের অনুষ্ঠান আপাতত শেষ।


ছোটখাটো হানিমুন সেরে নিচ্ছেন নুসরাত। সেই ছবি পোস্ট করলেন নুসরাতের স্বামী নিখিল জৈন। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, হেলিকপ্টারের ককপিটে বসে আছেন নিখিল। এছাড়া সঙ্গে রয়েছেন নুসরাত। সেই ছবিও পোস্ট করেছেন তিনি। সদ্য বিয়ের পরই সেই ছবিতে দেখা যাচ্ছে নুসরাতের কপালে সিঁদুর। মেকআপহীন এই সেলফিতেও সমান মোহময়ী নুসরাত।

গত কয়েকদিনে নুসরাতের বিয়ের বেশ কিছু ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। বিয়েতে লাল লেহেঙ্গা পরেছিলেন তিনি। `হোয়াইট ওয়েডিং`-য়ে তো তিনি যেন রূপকথার পরী। ১৮ জুন ছিল নুসরতের মেহেন্দি ও পুল পার্টি। পাঁচতারা হোটেলের বিশাল পুলে ছিল পার্টি। সন্ধ্যায় বসে নাচ-গানের আসর। অর্থাৎ সঙ্গীত। সন্ধে থেকে শুরু হয়ে সারা রাত চলে সঙ্গীত। পরের দিন হলদি অর্থাৎ গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান। দু’জনেই হলুদ রঙের ভারতীয় পোশাক পরেন।

হলদির দিন সন্ধ্যায় হয় ‘ফেরা’ বা বিয়ে। ভারতীয় রীতি মেনে হওয়া ওই অনুষ্ঠানে ভারতীয় পোশাক পরেন নুসরাত। ‘ফেরা’র পর রাতে হয় রিসেপশন, সঙ্গে আফটার পার্টি। পরের দিন অর্থাৎ ২০ তারিখে হয় হোয়াইট ওয়েডিং। ঠিক যেভাবে খিস্ট্রান মতে বিয়ে হয়, তেমনটাই হয় নুসরাত-নিখিলের বিয়ে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter