Home » টপ খবর (page 2)

টপ খবর

পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্লাসে পড়ানোর সময় মারা গেলেন প্রধান শিক্ষক

ডেস্ক,৩০ অক্টোবর:

ক্লাসে পড়ানোর সময় হঠাৎ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন লালমনিরহাট সদর উপজেলার রাজপুর ইউনিয়নের তাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক জিয়াউল হক। মঙ্গলবার ক্লাসে পড়ানোর সময় এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, ৫১ বছর বয়সী এই শিক্ষক পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্লাসে পড়াচ্ছিলেন। পড়াতে পড়াতে হঠাৎ করেই মেঝেতে ঢলে পড়েন। প্রিয় শিক্ষকের এমন অবস্থা দেখে শিক্ষার্থীদের চিৎকারে ছুটে আসেন অন্য শিক্ষকরা। অচেতন শিক্ষককে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়; কিন্তু হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়।

সহকারী শিক্ষক তপন কুমার রায় বলেন, স্যারকে দ্রুত লালমনিরহাট সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান তিনি আগেই মারা গেছেন। আমরা তাকে বাঁচাতে পারিনি।

সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রমজান আলী জানান, প্রতিদিনের ন্যায় সকালে ক্লাসে পাঠদান করছিলেন শিক্ষক জিয়াউল হক নয়ন। এ সময় হঠাৎ অসুস্থ হলে সহকর্মী ও স্থানীয়রা তাকে দ্রুত সদর হাসপাতালে নেয়; কিন্তু হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তিনি মারা যান।


বুয়েটে আন্দোলন চলবে

ডেস্ক

মাঠ পর্যায়ের আন্দোলন প্রত্যাহারের ১৩ দিনের মাথায় ফের আন্দোলনের ঘোষণা বুয়েট শিক্ষার্থীদের। পারফেক্ট ফলাফল না দেখা পর্যন্ত আন্দোলনে থাকার ঘোষণা দেন তারা।
মঙ্গলবার বিকালে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা এই ঘোষণা দেয়।

শিক্ষার্থীরা বলেন, দাবি পূরণে বুয়েট প্রশাসনের উদাসীনতা প্রত্যক্ষ করা যাচ্ছে। আবরার হত্যা মামলার খরচ বুয়েট প্রশাসন দিচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা। আবরারের পরিবারেরকে ক্ষতিপূরণ দিতে আজ পর্যন্ত কেউ যোগাযোগ করেনি বলেও জানান তারা।

শিক্ষার্থীরা বলেন, ১০ দাবির মধ্যে মাত্র দুটি দাবি মানা হয়েছে। বাকি দাবিগুলো আদায়ে ক্লাস পরীক্ষা বর্জন কর্মসূচি চলবে বলে জানান শিক্ষার্থীরা। দাবি গুলোর বিষয়ে ফের বুয়েট উপাচার্যের সাথে বসার আগ্রহ প্রকাশ করেন তারা।


রুয়েটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

রাজশাহী:
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) রাতে এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।

ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. মো. মোশাররফ হোসেন এবং সদস্য সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মো. সেলিম হোসেনের যৌথ সই করা এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মঙ্গলবার রুয়েট প্রশাসনিক ভবনের নোটিশ বোর্ডে এবং ওয়েবসাইটে (www.ruet.ac.bd) প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

ফলাফলে ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে ‘ক’ গ্রুপের বিভাগগুলোতে ভর্তির জন্য ১ থেকে ৫২৪৩তম প্রার্থীর মেধাক্রম অনুযায়ী তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া ‘খ’ গ্রুপের বিভাগে ভর্তির জন্য ১ থেকে ৩৮৫তম প্রার্থীর মেধাক্রম অনুযায়ী তালিকা প্রকাশ করা হয়।

আগামী ১২ ডিসেম্বর সকাল ৯টা থেকে মেধা তালিকায় ‘ক’ গ্রুপে ১ থেকে ১২০০তম পর্যন্ত এবং ‘খ’ গ্রুপে ১ থেকে ৩০তম স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের ভর্তি করা হবে। ভর্তির নিয়ম এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টের তালিকা রুয়েট প্রশাসনিক ভবনের নোটিশ বোর্ডে এবং ওয়েবসাইটে (www.ruet.ac.bd) প্রকাশ করা হয়েছে। ভর্তির জন্য নির্ধারিত তারিখ ও অন্যান্য তথ্য প্রার্থীকে নিজ দায়িত্বে জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


প্রাথমিকে শূন্য পদের তথ্য চেয়েছে শিক্ষা অধিদপ্তর

নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শূন্য পদের তথ্য চেয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৩৩ জুন ২০১৯ তারিখ পর্যন্ত সহকারি শিক্ষক শুন্যপদের উপজেলা/থানাওয়ারী তথ্য (প্রাক প্রাথমিক ও ১৫০০ বিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্পের আওতায় সৃষ্ট বিদ্যালয়ের শুন্যপদ হিসাবে আনতে হবে এবং চলতি দায়িত্ব প্রদান জনিত শূন্য পদ আলাদা কলামে দেখাতে হবে) আগাহী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে মাইক্রোসফট এক্সেল ফরমেটে ইমেইল প্রেরণ করার জন্য বিশেষ অনুরোধ করা হলো।

সাকিবের নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে বিক্ষোভ

ডেস্ক,২৯ অক্টোবর: বাংলাদেশ অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন সমর্থকরা। মঙ্গলবার রাত ৮টা থেকে মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামের সমানে বিক্ষোভ করেছেন তারা। ‘নো সাকিব নো ক্রিকেট’ স্লোগানে আইসিসির নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানান তারা। এ ছাড়া চট্টগ্রামেও বিক্ষোভ করেছেন সাকিবভক্তরা। এ ছাড়া সাকিবের জন্মস্থান মাগুরায় বুধবার সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে মানবন্ধনের ডাক দেওয়া হয়েছে।

এর আগে বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডারকে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে ২ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। ম্যাচ ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়ে সেটি প্রত্যাখ্যান করলেও আইসিসির দুর্নীতি বিরোধী ট্রাইব্যুনালকে না জানানোর কারণেই তাকে এই শাস্তি দেওয়া হয়। তবে দোষ স্বীকার করায় শর্ত সাপেক্ষে এক বছরের শাস্তি স্থগিত করেছে আইসিসি। সেই শর্ত ভঙ্গ না করলে ২০২০ সালের ২৯ অক্টোবর থেকে ক্রিকেটে ফিরতে পারবেন সাকিব।

নিষেধাজ্ঞা পাওয়ার পর মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে হাজির হন সাকিব আল হাসান। সেখানে সংবাদ সম্মেলনে সাকিব আবার ক্রিকেটে ফিরে আসতে দেশবাসী, সকল ভক্ত, সরকার এবং মিডিয়ার সহায়তা চেয়েছেন। আগে যেভাবে ভক্তরা তাকে সহায়তা করেছেন সেটা করবেন বলে আশা ব্যক্ত করেন। সকলের সমর্থন পেলে আরও ভালো ও শক্তভাবে ফিরে আসতে এবং দায়িত্ব পালন করতে পারবেন বলে উল্লেখ করেন সাকিব আল হাসান।

সাকিব আল হাসান যে আইসিসির নিষেধাজ্ঞার মুখে- মঙ্গলবার দৈনিক সমকালে তা প্রথম প্রকাশ হয়। প্রতিবেদনটি দেশে-বিদেশে এখন আলোচনায়। মঙ্গলবার দৈনিক সমকালে প্রতিবেদনটি প্রথম সংস্করণ ও নগর সংস্করণে পৃথক শিরোনামে প্রকাশিত হয়। নগর সংস্করণে প্রকাশিত প্রতিবেদনটির শিরোনাম ছিল ‘১৮ মাস নিষিদ্ধ হচ্ছেন সাকিব’। আর প্রথম সংস্করণের শিরোনাম ছিল, ‘জুয়াড়ির প্রস্তাব গোপন করেন সাকিব’।

সোমবার গভীর রাতে সমকালের প্রিন্ট সংস্করণ বাজারে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোড়ন ফেলে প্রতিবেদনটি। পত্রিকার ছবি তুলে পাঠকরা রাতেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। সমকালে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি দেশি সংবাদমাধ্যমের পাশাপাশি জায়গা করে নেয় বিদেশি সংবাদমাধ্যমেও।


পূর্ণদিবস কর্মবিরতিতে প্রাথমিক শিক্ষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৭ অক্টোবর: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের জাতীয় বেতন স্কেলের ১১তম গ্রেডে ও প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেডে বেতন নির্ধারণের দাবিতে আজ পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করছেন শিক্ষকরা। পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আজ বৃহস্পতিবার এ কর্মসূচি পালন করছেন তারা।


এর আগে গতকাল অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করেন প্রাথমিক শিক্ষকরা। শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য নিরসনে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী এ কর্মবিরতি পালন করেছেন তারা।
শেষ দিনে পূর্ণ দিবস কর্ম বিরতি পালন শেষে প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদের আহŸায়ক আনিসুর রহমান বলেন, আমাদের কর্ম বিরতি আজ শেষ দিন। ২২শে অক্টোবর পর্যন্ত সময় আছে। আমরা এর মধ্যে দাবী বাস্তবায়ন চাই। ঐক্য পরিষদের সদস্য সচিব মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ বলেন, সকল বিদ্যালয়ে কর্ম বিরতি পালনের মাধ্যমে আমরা আমাদের ন্যায্য দাবীর কথা জানিয়ে দিয়েছি। আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীই পারেন আমাদের দাবী দ্রুত বাস্তবায়ন করতে কারণ তাঁর নির্দেশেই সহকারী শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবী নির্বাচনী ইশতেহারে অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা আনোয়ারুল ইসলাম তোতা বলেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষকদের কর্মসূচি পালনে বাধ্য করেছে। আমরা শিক্ষার্থীদের জিম্মি করতে চাইনা। তাই ২৩শে অক্টোবরের আগেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা চাই। প্রধান সমন্বয়ক আতিকুর রহমান বলেন, ২৩শে অক্টোবর মহা সমাবেশ থেকে আমরা আরো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবো। নীতি নির্ধারণী চেয়ারম্যান আব্দুল্যাহ সরকার বলেন, দাবী বাস্তবায়নে কর্তৃপক্ষ শতভাগ আন্তরিক হোক আমরা এটাই চাই। তা না হলে আসন্ন প্রাথমিক সমাপনি পরীক্ষা হুমকির মুখে পড়বে। প্রধান মুখপাত্র বদরুল আলম বলেন, আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ এর চেষ্টা করছি। সাক্ষাৎ এর বিষয়ে বিভিন্ন মহলে কথা হচ্ছে। অন্যতম মুখপাত্র রবিউল হাসান বলেন, সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড ছাড়া আমরা কর্মসূচী প্রত্যাহার করবো না। আমাদের দাবী যৌক্তিক তাই সকল শিক্ষকই কর্মসূচি পালন করছেন।
প্রথম যুগ্ম আহŸায়ক আবুল কাশেম বলেন, ২৩শে অক্টোবর ৪ লক্ষ শিক্ষকই ঢাকায় উপস্থিত হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার অপেক্ষায় থাকবেন। ঐক্য পরিষদের যুগ্ম আহŸায়ক গাজীউল হক, ছিদ্দিকুর রহমান, সাবেরা বেগম, শিবাজী বিশ্বাস, আবদুস সবুর, আবদুল হক, ইউএস খালেদা, আবদুল খালেক, মোজাম্মেল হক ও রোজেল সাজু কর্ম বিরতি পালনের জন্য শিক্ষকদের ধন্যবাদ জানান এবং ২৩শে অক্টোবর ঢাকায় উপস্থিত হওয়ার আহবান জানান।



কর্মবিরতিতে প্রাথমিক শিক্ষকরা

kormobiroti_shikkha
নিজস্ব প্রতিবেদক,১৩ অক্টোবর:
বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদের ডাকে সারা দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতেও সহকারি শিক্ষকগণের ১১ তম গ্রেড ও প্রধান শিক্ষকদের ১০ গ্রেডে বেতন ভাতাদি ঘোষণার দাবীতে ১৪ অক্টোবর থেকে ১৭ অক্টোবর -২০১৯ তারিখ পর্যন্ত ঘোষিত কর্মবিরতির অংশ হিসেবে অদ্য ১৪ অক্টোবর সকাল ১০.০০ -১২.০০ ঘটিকা পর্যন্ত ২ ঘন্টা স্বতঃফূর্ত ভাবে বিদ্যালয়গুলোতে কর্মবিরতি পালন করেছেন।


প্রধান শিক্ষকদের জাতীয় বেতন স্কেলের দশম গ্রেডে ও সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডে বেতন দেওয়ার দাবিতে আজ সারাদেশের প্রায় ৬৬ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করে।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকদের মোট ১৪টি সংগঠনের সম্মিলিত মোর্চা ‘বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদ’ গত ৬ অক্টোবর এ কর্মসূচি ঘোষণা করে। পরিষদের সদস্য সচিব মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ বলেন, ‘আমাদের (প্রাথমিক শিক্ষকদের) পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। বাধ্য হয়ে আন্দোলনে যেতে হচ্ছে।’

কিস্তু কোন এক অদৃশ্য কারণে দীর্ঘ সময় পার হলেও বেতন বৈসম্য দূরীকরণ তো হয়ই নি বরং অর্থ মন্ত্রণালয় মতামত ব্যক্ত করেছেন বেতন বৃদ্ধির সুযোগ নেই বলে। তারা আরো বলেন আমরা প্রাথমিক শিক্ষকরা নিরুপায় হয়ে আন্দোলনের কর্মসূচীতে রয়েছি, আগামি মাসেই ৫ম শ্রেণির শিশুদের সমাপনী পরীক্ষা এবং পরবর্তীতে অন্যান্য শ্রেণির শিশুদের বার্ষিক পরীক্ষা সে বিষয়েও সজাগ রয়েছি। আমাদের দাবীর যৌক্তিকতা অনুধাবন করে বিভিন্ন সময়ে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ সহমত প্রকাশ করলেও আশার প্রতিফলন ঘটেনি।



আন্দোলন করলে প্রাথমিক শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা-অতিরিক্ত মহাপরিচালক

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৩ অক্টোবর:

বেতন বৈষম্যে নিরসনের আন্দোলনের সাথে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থগ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। সোমবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক সোহেল আহমেদ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করা হয়।



পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, বিশ্বস্থ সূত্রে জানা গেছে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদ নামক একটি সংগঠনের ব্যানারে সরকারি প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। উল্লেখ্য, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি সরকারের উচ্চ পর্যায়ে সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে। এ পর্যায়ে কোনো ধরণের দাবি আদায়ের কর্মসূচি পালিত হলে তা সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। অধিকন্তু সরকারি কর্মচারীগণ এ ধরণের কর্মসূচি ঘোষণা বা অংশগ্রহণ করা সরকারি শৃংখলা ও আপীল বিধিমালা-২০১৮ এর পরিপন্থী। বণির্ত অবন্থায় এধরণের কর্মসূচির সাথে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকগণকে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থগ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

এদিকে বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবিতে সোমবার কর্মবিরতি পালন করেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাড়ে তিন লাখ শিক্ষক। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকদের মোট ১৪টি সংগঠন সমন্বয়ে গঠিত বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদের ডাকে এ কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষকরা।

প্রধান শিক্ষকদের জাতীয় বেতন স্কেলের দশম গ্রেডে ও সহকারি শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডে বেতন দেওয়ার দাবিতে সোমবার (১৪ অক্টোবর) সারাদেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সকাল ১০টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত ২ ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করা হয়।

এছাড়া মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) সকল ১০টা থেকে বেলা একটা পর্যন্ত তিন ঘন্টার কর্মবিরতি, বুধবার (১৬ অক্টোবর) এসব বিদ্যালয়ে অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন , পরদিন ১৭ অক্টোবর পূর্ণ দিবস কর্ম বিরতি, এরপরেও দাবি আায় না হলে ২৩ অক্টোবর রাজধানী ঢাকায় মহাসমাবেশ করে সেখান থেকে দাবি আদায়না হওয়া পর্যন্ত লাগাতার কর্মসুচি পালন শুরু করার ঘোষণা দিয়েছিলো শিক্ষকদের কয়েকটি সংগঠন।

সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড ও প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেডে বেতন বাস্তবায়নের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছেন শিক্ষকরা। সর্বশেষ গত জুলাইতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী শিক্ষকদের ১২তম গ্রেড ও প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেডের প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠালেও তা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড ও প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেডে বেতন বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন শিক্ষকরা।


শিবির সন্দেহেই বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা

ডেস্ক,১৩ অক্টোবর:
শিবির সন্দেহেই বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ রাব্বীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম।

সোমবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মনিরুল ইসলাম বলেন, আবরার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ১৯ আসামির মধ্যে চারজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আসামিদের জবানবন্দিতে বলা হয়, মূলত শিবির সন্দেহেই আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আসামিদের জবানবন্দিতে হত্যার কারণ হিসেবে এমনটাই বেরিয়ে এসেছে।

তিনি বলেন, আগামী নভেম্বর মাসের শুরুর দিকেই আবরার হত্যা মামলার তদন্ত শেষ হবে। নভেম্বর মাসেই আদালতে মামলার চার্জশিট দাখিল করবে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।

ঘটনার রাতে বুয়েটে পুলিশের কোনো টহল টিম ছিল কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে মনিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনার দিন রাত ৩টা পর্যন্ত বুয়েট এলাকায় পুলিশের একটি টিম টহল দেয়। কিন্তু তারা এ সময় কোনো হইচইয়ের শব্দ পাইনি।

উল্লেখ্য, ৬ অক্টোবর দিবাগত মধ্যরাতে বুয়েটের সাধারণ ছাত্র ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আবরারকে শেরেবাংলা হলের দ্বিতীয় তলা থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। ৭ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।


আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আবরার হত্যা

ডেস্ক,১০ অক্টোবর:
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা সাড়া ফেলেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও। বিবিসি, রয়টার্স, ওয়াশিংটন পোস্ট, নিউইয়র্ক টাইমস, আল জাজিরা, গালফ নিউজসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে বুয়েটের বর্বর হত্যাকাণ্ডটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। উঠে এসেছে বাংলাদেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের খবর।

৯ অক্টোবর বিবিসিতে প্রকাশিত খবর বলছে ৪ ঘণ্টা ধরে পিটিয়ে হত্যা করা হয় আবরার ফাহাদকে। বিবিসির ওই খবরে নাম প্রকাশ না করে প্রত্যক্ষদর্শী বুয়েটের এক শিক্ষার্থীর বরাত দিয়ে জানানো হয়, রোববার দিবাগত রাত দুইটার সময়ও জীবিত ছিলেন আবরার। বুয়েটের জুনিয়র কয়েকজন শিক্ষার্থী আবরারকে ধরে নিচের সিঁড়িতে নিয়ে যাচ্ছিল। সে সময় আবরার বলছিলেন, ‘আমাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাও।’ বুয়েটে এ ধরনের নির্যাতন ও সহিংসতার ঘটনা প্রায় ঘটে বলেও জানানো হয় বিবিসির ওই খবরে।

আবরার হত্যায় বুয়েটসহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের খবর গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করেছে রয়টার্স। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন সরকারের পানিচুক্তির সমালোচনা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ায় আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় বলে রয়টার্সের খবরে জানানো হয়। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবির বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছে রয়টার্স।

রয়টার্সের এই খবরটিই প্রকাশ করেছে নিউইয়র্ক টাইমস।

আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদে বাংলাদেশে বিক্ষোভ শিরোনামে খবর প্রকাশ করেছে ওয়াশিংটন পোস্ট ওই খবরে বলা হয়, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের পানিচুক্তির সমালোচনা করে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ায় আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। আবরার হত্যাকারীদের বিচার হবেই বলে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া আশ্বাসের কথাও প্রকাশ করা হয়েছে।

আবরারকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের খবর প্রকাশ করেছে গালফ নিউজ।

গার্ডিয়ান প্রকাশ করেছে ছেলেকে পিটিয়ে হত্যার বিচার চাইলেন বাবা। আবরারকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভের খবরও প্রকাশ করেছে গার্ডিয়ান। একই সঙ্গে আবরার হত্যার বিচার হবেই বলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া আশ্বাসের খবরও প্রকাশ করা হয়।

গত রোববার রাতে বুয়েটে ২০১১ নম্বর কক্ষে দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করেন ছাত্রলীগের কয়েকজন। আবরার হত্যায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে। প্রথমে মামলার এজাহারভুক্ত ১০ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত মঙ্গলবার গ্রেপ্তার করা হয় আরও তিনজনকে। গতকাল বুধবার সন্দেহভাজন একজনকে আটক করা হয়। আর আজ আটক হন আরও একজন।



আবরার হত্যায় অমিত সাহা গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক,১০ অক্টোবর:
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় অমিত সাহা নামে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগ।




অমিত সাহা বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ১৬তম ব্যাচের ছাত্র। তিনি বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের আইনবিষয়ক উপসম্পাদক। পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) সূত্র বলছে, রাজধানীর সবুজবাগ এলাকা থেকে আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টার দিকে অমিত সাহাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আবরার হত্যার এজাহারে অমিত সাহার নাম না থাকলেও তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিএমপি নিউজ।

আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ্‌ বুধবার গণমাধ্যমের কাছে অভিযোগ করেন, ‘অমিত সাহা নামের একজনের কক্ষে আমার ছেলেকে নির্যাতন করা হয়েছে। তার নামটা এজাহারে আসে নাই। গতকাল (মঙ্গলবার) মামলার তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে আলাপ হয়েছে, তাঁকে বলেছি অমিত সাহাকে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। উনি (তদন্ত কর্মকর্তা) বলেছেন, তদন্ত করে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।’



প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ভাইভার জন্য যা পড়বেন

ডেস্ক ,১০ অক্টোবর:
ড্রেস কোড

ভাইভা বোর্ডে আপনার পোশাক, অ্যাপিয়ারেন্স, এক্সপ্রেশন, এটিকেট, ম্যানার—এ বিষয়গুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রার্থীর এসব বিষয় বোর্ডের সদস্যরা খেয়াল করেন। তাই ভাইভার সময় নিজের জন্য উপযুক্ত পোশাক নির্বাচন করুন।



ছেলেদের ড্রেস

শার্ট : সাদা ফুলশার্ট। সাদার ওপর যেকোনো স্ট্রাইপ হলেও চলবে। অন্য রঙের মানানসই শার্টও পরতে পারেন। পকেটে একটি কলম রাখবেন।

প্যান্ট : কালো রঙের ফরমাল প্যান্ট পরুন।

হাতঘড়ি, বেল্ট ও জুতা : চামড়ার ফিতার ফরমাল হাতঘড়ি, জুতা ও প্যান্টের সঙ্গে ম্যাচ করে কালো রঙের চামড়ার বেল্ট পরুন। কালো রঙের, রাবারের সোলযুক্ত ফরমাল শু পরিধান করবেন। টাই পরার প্রয়োজন নেই। যাঁরা পাঞ্জাবি-পাজামা পরতে চান, সাদা রঙের পরতে পারেন। ভাইভার পাঁচ-ছয় দিন আগে চুল কাটিয়ে নিন। ভাইভার দু-এক দিন আগে নখ ছোট করে নিন। ভাইভার আগের দিন বা ভাইভার দিন সকালে শেভ করে নিন।

মেয়েদের ড্রেস

মার্জিত রঙের শাড়ি পরিধান করতে পারেন। তবে শাড়ি যেন অতিমাত্রায় কারুকাজের চকমকে না হয়, সেই দিকটা খেয়াল রাখুন। চাইলে সালোয়ার-কামিজও পরতে পারেন। তবে তা যেন মার্জিত রং ও ডিজাইনের হয়।

ভাইভার জন্য যা যা পড়বেন বা জেনে রাখবেন

১. আপনার এবং আপনার মা-বাবার নামের অর্থ কী?

২. আপনার নামের সঙ্গে সম্পৃক্ত বিখ্যাত ব্যক্তির নাম।

৩. আপনার বংশপরিচয় বা নামের সঙ্গে পদবি থাকলে সে সম্পর্কিত কিছু তথ্য।

৪. আপনার গ্রাম, ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা ইত্যাদির নাম, আদি নাম ও নামকরণের ইতিহাস জেনে রাখুন।

৫. আপনার জেলা বিখ্যাত কেন? জেলার বিখ্যাত স্থান, নদীর নাম, পণ্য, ঐতিহ্য ইত্যাদি জেনে রাখুন।

৬. আপনার জেলার শিল্প-সাহিত্য, সংস্কৃতি, রাজনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের ক্ষেত্রে বিখ্যাত ব্যক্তি ও তাঁদের সৃষ্টিকর্ম ও অবদান।

৭. আপনি যে প্রতিষ্ঠান থেকে অনার্স/মাস্টার্স করেছেন, ওই প্রতিষ্ঠানের পুরো নাম, প্রতিষ্ঠাকাল, বর্তমান ভিসি বা প্রিন্সিপালের নাম জেনে নেবেন।

৮. ভাইভার দিনের ইংরেজি, বাংলা ও আরবি তারিখ জেনে যাবেন। বিশেষ দিবস হলে সে সম্পর্কে জেনে যাবেন।

৯. ছোট ছোট ট্রান্সলেশন জিজ্ঞেস করতে পারে। তাই সেগুলো চর্চা করুন।

১০. সাম্প্রতিক বিষয়াবলি এবং বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত কয়েকজন কবি সম্পর্কে ধারণা রাখতে পারেন।

১১. নিজের সম্পর্কে বলতে বলা এখন বেশির ভাগ ইন্টারভিউ বোর্ডের একটা কমন প্রশ্ন। তাই বাংলা ও ইংরেজিতে নিজের সম্পর্কে বলার প্র্যাকটিস করুন।

১২. যে বিষয়ে অনার্স-মাস্টার্স করেছেন, বিষয়ের ওপর স্বচ্ছ ধারণা নিয়ে ইন্টারভিউ বোর্ডে উপস্থিত হোন।

১৩. মুক্তিযুদ্ধ এবং বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে বিশদ ধারণা গ্রহণ করুন।

১৪. প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বর্তমান সরকারের সফলতা ও অর্জন সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা গ্রহণ করুন।

১৫. প্রাথমিক শিক্ষা সম্পর্কিত কিছু তথ্য—শিক্ষার হার, কতগুলো প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে, বই দিবস, উপবৃত্তি, মন্ত্রী ও সচিবের নাম ইত্যাদি।

১৬. ভিশন ২০২১, ভিশন ২০৪১, মুজিববর্ষ, মেগাপ্রজেক্টস্, এসডিজি, এমডিজি ইত্যাদি দেখতে পারেন।

লিখেছেন স্বরুপ দাস,প্রধান শিক্ষক,আজমপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়,দামুড়হুদা



মৃত্যুর আগে কি বলেছিল আবরার?

ডেস্ক,১০অক্টোবর:

ক্ষমতাসীন দলের অঙ্গ সংগঠন ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের নির্মম নির্যাতনে অকালে প্রাণ হারিয়েছেন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মেধাবী শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ। এই মৃত্যুর ঘটনায় গোটা দেশে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। তিন দফায় প্রায় সাত ঘণ্টার টানা নির্যাতনে মারা যায় ছেলেটি। কিন্তু মরার আগেও বাঁচার আকুতি ছিলো আবরারের মুখে।



প্রত্যক্ষদর্শীদের উদ্ধৃতি দিয়ে বিবিসির এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে আবরার হত্যার লোমহর্ষক কিছু মুহূর্ত। প্রতিহিংসামূলক হামলার শিকার হওয়ার শঙ্কায় নাম না প্রকাশ করে বুয়েটের এক শিক্ষার্থী বিবিসিকে বলেন, যে কক্ষে আবরারকে মারধর করা হয়, সেখানে রাত ২টা পর্যন্ত জীবিত ছিলেন আবরার।

তিনি বলেন, ‘আমি আবরারকে ২০০৫ নম্বর কক্ষে দেখতে পাই, তখনো সে জীবিত। কয়েকজন জুনিয়র শিক্ষার্থীকে সঙ্গে করে আমি তাকে সিঁড়ির কাছে নিয়ে যাই।’ তখনো সে জীবিত। সে বলছিল- ‘প্লিজ, আমাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে চলো।’ বিশেষ করে বিশেষায়িত কোন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে সে।

বুয়েটের ওই প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থী আরো জানায়, ‘এম্বুলেন্স আসতে দেরি হচ্ছিল। পুলিশ ছিল। যেকোন কারণেই হোক আমার আর সেখানে থাকা সম্ভব হয়নি।’

আরো পড়ুন

আবরার হত্যার বিচারে রাজপথে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা

ঘটনাস্থলে থাকা আরেক শিক্ষার্থী বলেছেন, আবরারকে বাঁচাতে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কয়েকজন শিক্ষার্থী হলের সহকারী প্রভোস্টের কক্ষে যান। তখন বাইরে থেকে ওই কক্ষের দরজায় ধাক্কাধাক্কি করছিল ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। তারা কক্ষে ঢোকার চেষ্টা করে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ-ভারত পানি চুক্তি নিয়ে সরকারের সমালোচনা করে ফেইসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার পর আবরারকে ধরে নিয়ে যায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এরপর তার ওপর চলে অকথ্য নির্যাতন। হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে হামলাকারীদের নির্মম নির্যাতনের মুখে আবরার দুবার বমি করেন। সঙ্গে প্রস্রাবও করেন। এই নির্যাতন সইতে না পেরে এক সময় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে আবরার। এরপর তার মরদেহ ফেলে রাখা হয় বুয়েটের শেরেবাংলা হলের নিচতলা ও দোতলার মাঝামাঝি সিঁড়িতে। সেখান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে বুয়েট ছাত্রলীগের ১৪ নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।

জানা যায়, ফেনী নদীর পানি বণ্টন ও বন্দর ব্যবহারসহ ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বিভিন্ন চুক্তির সমালোচনা করে ফেইসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ায় শিবির সন্দেহে তাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। যদিও শিবিরের সঙ্গে আবরারের কোনো সম্পৃক্ততা খুঁজে পাওয়া যায়নি। তার পরিবারের লোকজন আওয়ামী লীগ করে বলে শোনা গেছে।


আবরার হত্যার বিচারে রাজপথে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা

ডেস্ক,১০অক্টোবর:
রাজধানীর বেসরকারি স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আবরার হত্যার বিচারের দাবিতে একযোগে আন্দোলন নামতে যাচ্ছে। ২৫টি স্কুল-কলেজ ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম উল্লেখ করে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। শিক্ষার্থীদের কাছে শেয়ার করতে আহ্বান জানিয়েছে জাস্টিস ফর আববার গ্রুপের সদস্যরা।


বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ের স্কুল-কলেজের ড্রেসে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন শুরু করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। এছাড়া আন্দোলনে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের যোগ দিতেও আহ্বান করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ ৭ অক্টোবর রাতে ছাত্রলীগের কতিপয় যুবকের হাতে খুন হন। বিচারহীনতার সংস্কৃতির এ দেশে যেন এই হত্যার বিচার যেন হারিয়ে না যায়। এভাবে চলতে থাকলে আজ আবরার কাল আমি এবং পরশু হতে পারেন আপনি এই নির্মম হত্যার শিকার।
আরো পড়ুন

আবরার হত্যাকারীরা অনুতপ্ত হয়ে যা বললেন!

এমনকি তার ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজের ভাষ্যমতে, আজকে অতিরিক্ত এসপি কোথা থেকে সাহস পায় আমার গায়ে হাত দেয়ার? আমার ভাবিকে মারছে? নারীদের গায়ে নিষ্ঠুরভাবে আঘাত করা হয়েছে, এই চাটুকারদের কি বিচার হবে না? তিনি কালকে ২ মিনিটে জানাজা শেষ করতে বলেন কীভাবে? যেই ছাত্রলীগ মারলো তারা কেন সর্বত্র? বিচার চাই। আমি বিচার চাই। নয়তো আমাকে মেরে ফেলুন বাবা মা কষ্ট একবারে পাবে।

বলা হয়েছে, তার ওপর হামলার প্রতিবাদ করার সময় এসেছে। আমরা প্রতিবাদ করি। এ অন্যায়ের শেষ কোথায়? আমরা জানতে চাই। ঢাকার সকল শিক্ষার্থীকে আহ্বান জানাচ্ছি স্কুল-কলেজ ড্রেস পরিধান করে ও আইডি কার্ডসহ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় সায়েন্সল্যাব মোড়ে চলে আসতে। শিক্ষার্থীদের প্ল্যাকার্ড, ব্যানার, ফেস্টুন আনতেও বলা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, শতভাগ শান্তিপূর্ণ আন্দোলন পালন করা হবে, তাই কোনো অঘটন কাম্য নয়।


আবরার হত্যাকারীরা অনুতপ্ত হয়ে যা বললেন!

নিজস্ব প্রতিবেদক,১০ অক্টোবর:
বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যায় অংশ নেয়ায় হতবাক অনিক সরকার এবং মেহেদী হাসান রবিনের পরিবার। এরা দুজনই বুয়েটের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী।




অনিকের বিভাগ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং। আর রবিনের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং। দুজনেরই বাড়ি রাজশাহী। আবরার হত্যায় এরা দুজন গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই মুষড়ে পড়েছে তাদের পরিবার।

অনিক বুয়েট ছাত্রলীগের প্রচার ও গবেষণা সম্পাদক পদে ছিলেন। আর রবিন ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক। ইতিমধ্যেই তাদের সংগঠন থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে। আর এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়ায় চুরমার হয়ে গেছে তাদের বাবা মায়ের স্বপ্ন। মেধাবি এ দুই শিক্ষার্থী আরেক মেধাবি শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হত্যার মতো লোমহর্ষক ঘটনা ঘটিয়েছেন তা তারা এখনও মানতেই পারছেন না।

অনিক সরকারের বাড়ি রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার বড়ইকুড়ি গ্রামে। আবরার ফাহাদকে মদ্যপ অবস্থায় সবচেয়ে বেশি মারধর করেছে অনিক।

জিজ্ঞাসাবাদে অনিক জানায়, আবরারকে অন্তত দেড়শ বার আঘাত করেন তিনি। মারধরের সময় নিজের ভূমিকার বিষয়েও জিজ্ঞাসাবাদে তথ্য দিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, আবরার একেক সময়ে একেক তথ্য দিচ্ছিলেন। এজন্য তার মাথা গরম হয়ে যায়। ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি তাকে বারবার মারছিলেন। বর্বরোচিত নির্যাতনের একপর্যায়ে আবরার যখন নিস্তেজ হয়ে পড়ছিলেন, তারা বলছিল- ‘ও ঢং ধরেছে’।

হামলাকারীদের নানা পরামর্শ দেন বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল। আবরার হত্যা মামলায় গ্রেফতারকৃতরা রিমান্ডে এ ঘটনায় তাদের প্রত্যেকের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।

কয়েকজন ‘অনুতপ্ত’ হয়ে গোয়েন্দাদের এও বলেন, ‘ক্রসফায়ার নইলে ফাঁসি দিয়ে দেন। ওই হত্যার দায় নিয়ে বাঁচতে চাই না।’ একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রে গতকাল এসব তথ্য পাওয়া গেছে।



Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter