টপ খবর

এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

ডেস্ক,৭ অক্টোবর: চলতি বছরের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। জাতীয় মেধাতালিকার ভিত্তিতে সরকারি ৩৬টি মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন ৪ হাজার ৬৮জন পরীক্ষার্থী। অপেক্ষমান তালিকায় রাখা হয়েছে ৫০০ জনকে।

১০০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নপত্রের ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত সর্বোচ্চ নম্বর ৮৭ ও সর্বনিম্ন ৫৭।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ ও পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন) আজ (রোববার) দুপুরে ফলাফল প্রকাশের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

৫ অক্টোবর সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস প্রথম বর্ষের (২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষ) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। স্বাস্থ্য অধিদফতরের অধীনে কেন্দ্রীয়ভাবে রাজধানীসহ সারাদেশের ১৯টি কেন্দ্রের ২৭টি ভেন্যুর ৮১৪টি কক্ষে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

চলতি বছর ভর্তি পরীক্ষায় আবেদনকারী ৬৫ হাজার ৯১৯ জনের মধ্যে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল ৬৩ হাজার ২৬ জন।

উল্লেখ্য, ১০০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নপত্রে নেয়া পরীক্ষায় পাস নম্বর ৪০। ৪০ নম্বর পেয়ে সরকারি ও বেসরকারি উভয় মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন ২৪ হাজার ৯৬৮ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. আবুল কালাম আজাদ জানান, জাতীয় মেধাতালিকার ভিত্তিতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের কাছে এসএমএসের মাধ্যমে ফল স্বল্পতম সময়ে পৌঁছে যাবে। এ ছাড়া স্বাস্থ্য অধিদফতরের ওয়েবসাইট থেকে ফল জানা যাবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ইংরেজিতে যা পড়লে প্রাথমিক শ‌িক্ষক হত‌ে পারব‌েন

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় মোট নম্বর ৮০। এরমধ্যে ইংরেজি বিষয় থেকে করা হয় ২০ নম্বরের প্রশ্ন। আপনি যদি ইংরেজি বিষয়ে ঠিকভাবে অনুশীলন করতে পারেন তাহলে ভালো ফলাফল নিশ্চিত।
আজ  পাঠকদের জন্য থাকছে ইংরেজি বিষয়ের উপর ২০ নম্বরের সাজেশন।
Right forms of verb, Parts of speech, Tense, Preposition, Article, Narration, Voice change, noun and pronoun, degree, Number,verb এই ১১ অধ্যায় থেকে কম করে হলেও ১২টার বেশি প্রশ্ন পাবেন।
Idioms and Phrases,Antonym, Synonym, Spelling = ৩টা-৪টা
Translation= এখানে আপনি ১-২টা প্রশ্ন পাবেন।
ইংরেজি সাহিত্য থেকে- ১-২টা প্রশ্ন আসতে পারে ।
সবচেয়ে বেশি আপনাকে দেখতে হবে গ্রামার অংশ। ২০১৪ সালের পরীক্ষাতে আমরা দেখেছি বেশিরভাগ পরীক্ষায় ইংরেজি সাহিত্য থেকে প্রশ্ন তেমন আসেনি, ১টা-২টা প্রশ্ন এসেছে শুধু। সকল প্রশ্ন গ্রামার অংশ থেকে এসেছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বদলে যাচ্ছে প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা পদ্ধতি

শিশির দাস,৪ অক্টোবর: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা পদ্ধতি বদলে যাচ্ছে। বিদ্যমান বহুনির্বাচনী পরীক্ষার সঙ্গে লিখিত পরীক্ষা যোগ হচ্ছে। এর মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থী বাছাই করা হবে। এবার রেকর্ডসংখ্যক প্রার্থী আবেদন করায় পুরনো পদ্ধতি পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগামীকাল বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ে এ-সংক্রান্ত একটি সভায় বিষয়টি চূড়ান্ত হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট নিরসনে প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প-৪ (পিইডিপি-৪) আওতাভুক্ত ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গত ৩০ জুলাই ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০১৮’ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গত ১-৩০ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শেষ হয়। সারাদেশ থেকে মোট ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭টি আবেদন এসেছে। ২৬ অক্টোবর শিক্ষক নিয়োগের প্রথম ধাপের পরীক্ষার প্রস্তাবনা রয়েছে।

জানা গেছে, এবার রেকর্ডসংখ্যক আবেদন হওয়ায় নিয়োগ পরীক্ষায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বর্তমান পদ্ধতিতে শুধু বহুনির্বাচনী ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়। বিদ্যমান পদ্ধতিতে ২৪ লাখের বেশি প্রার্থীর মধ্যে শুধু বহুনির্বাচনীর মাধ্যমে যোগ্য ব্যক্তিদের নির্বাচন করা কঠিন। তাই সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) আদলে প্রথমে বহুনির্বাচনী পরীক্ষার মাধ্যমে ৫০ হাজার প্রার্থীকে নির্বাচন করা হবে। পরে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে লিখিত পরীক্ষা আয়োজন করা হবে। ফলাফলের ভিত্তিতে এ পরীক্ষার মাধ্যমে আসনপ্রতি তিনজনকে নির্বাচন করা হবে। এরপর তাদের মধ্যে মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, এবার ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক পদের বিপরীতে ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭টি আবেদন হওয়ায় নিয়োগ পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজন ও প্রশ্নফাঁস রোধ করাটা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ কারণে পরীক্ষা পদ্ধতিতে কিছুটা পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

তারা জানান, সর্বশেষ ‘শিক্ষক নিয়োগ-২০১৪’ এ প্রায় ১২ লাখ প্রার্থীর বহুনির্বাচনী পরীক্ষা সারাদেশে ৩ হাজার ৬৬২টি কেন্দ্রে আয়োজন করা হয়। এবার দ্বিগুণ আবেদন আসায় পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো হবে। এ পরীক্ষার জন্য ২০টি প্রশ্ন সেট তৈরি করা হলেও এবার তা বাড়ানো হতে পারে। এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আকরাম আল হোসেনের সভাপত্বিতে মন্ত্রণালয়ের সভা ডাকা হয়েছে। সেখানে নিয়োগ পরীক্ষার ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, ওএমআর ফরম ডিজাইন ও মূল্যায়ন, পরীক্ষার সময়সূচি, ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ ও প্রকাশ এবং পরীক্ষা কেন্দ্রের আসন বিন্যাসের পদ্ধতি উন্নয়ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) গিয়াসউদ্দিন আহমেদ  বলেন, মানসম্মত শিক্ষক নির্বাচনে সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পরীক্ষা পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কী কী পরিবর্তন আনা হবে সে বিষয়ে আগামীকালের সভায় সিদ্ধান্ত হবে।

সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে এবার অধিক সংখ্যক আবেদন এসেছে। এ কারণে প্রথমে বহুনির্বাচনী পরে লিখিত পরীক্ষা। সর্বশেষ মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ দেয়া হবে। লিখিত পরীক্ষা আয়োজনে বুয়েট এবং বহুনির্বাচনী পরীক্ষার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট বিজনেস অব অ্যাডমিনিসটেশনকে (আইবিএ) দায়িত্ব দেয়া হতে পারে বলে জানান অতিরিক্ত সচিব।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) সূত্র জানায়, বর্তমানে সারাদেশে ৬৪ হাজার ৮২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ১২ হাজার সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এ কারণে নতুন করে আরও ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। পুরনো নিয়োগ বিধিমালা অনুসরণ করে এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে কোঠা বাতিল

শিশির দাস: প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। বুধবার (৩ অক্টোবর) মন্ত্রিসভা বৈঠক শেষে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম।

এর আগে গত সোমবার (১৭ সেপ্টেম্বর) প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে সব ধরনের কোটা তুলে দেওয়ার সুপারিশ করে প্রতিবেদন জমা দিয়েছিল সরকার গঠিত সচিব কমিটি।

উল্লেখ্য, সরকারি চাকরিতে বেতন কাঠামো অনুযায়ী মোট ২০টি গ্রেড রয়েছে। এর প্রথম গ্রেডে অবস্থান করেন সচিবরা। আর প্রথম বা দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা হিসেবে যারা নিয়োগ পান তাদের শুরুটা হয় নবম থেকে ১৩তম গ্রেডের মধ্যে। একজন গেজেটেড বা নন গেজেটেড প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা নবম গ্রেডে নিয়োগ পেয়ে থাকেন। এসব পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে বর্তমানে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা, ১০ শতাংশ জেলা কোটা, ১০ শতাংশ নারী কোটা, ৫ শতাংশ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কোটা, ও শর্তসাপেক্ষে ১ শতাংশ প্রতিবন্ধী কোটা অর্থাৎ মোট ৫৬ শতাংশ কোটা সংরক্ষণের বিধান রেখেছে সরকার। প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে এই ৫৬ শতাংশ কোটা তুলে দেওয়ার সুপারিশ করেছে সচিব কমিটি। তবে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কোনও কোটা তুলে দেওয়ার ব্যাপারে সুপারিশ দেয়নি ওই কমিটি।

এ প্রতিবেদনে মুক্তিযোদ্ধা কোটা তুলে দেওয়ার সুপারিশ করা হলেও মুক্তিযোদ্ধা কোটা সংরক্ষণের বিষয়ে আদালতের পর্যবেক্ষণ রয়েছে বলে এতদিন সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে সরকার আদালতের পরামর্শ চাইবে এমন কথাও বলা হয়েছিল। সচিব কমিটির প্রতিবেদন দেওয়ার আগে এ বিষয়ে আদালতের পরামর্শ নেওয়া হয়েছে কিনা জানতে চাইলে মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, এ বিষয়ে রাষ্ট্রের আইন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী এর আগে বলেছেন, পিছিয়ে পড়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা উনি রাখবেন। প্রতিবেদনে এ বিষয়ে কী ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বা পরামর্শ দেওয়া হয়েছে জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সচিব কমিটি ব্যাপকভাবে পর্যবেক্ষণ ও বিচার-বিশ্লেষণ করে দেখেছে, এখন আর পিছিয়ে পড়া কোনও জনগোষ্ঠী নেই। সবাই এগিয়ে গেছে। তাই তাদের জন্য কোনও কোটা রাখার সুপারিশ করা হয়নি।
কীভাবে ও কবে এ প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই প্রতিবেদন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় হয়ে আবার প্রধানমন্ত্রীর দফতরে অনুমোদনের জন্য যাবে। প্রধানমন্ত্রীর দফতরের অনুমোদন পাওয়ার পর তা মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে। মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুমোদন পাওয়ার পর এ প্রজ্ঞাপন জারি হবে।
এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহের মন্ত্রিসভার বৈঠকে এটি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হতে পারে।’

উল্লেখ্য, সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের দাবি বা সংস্কার নিয়ে চাকরি প্রত্যাশীদের অসন্তোষ দীর্ঘদিন থেকেই। এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে এ অসন্তোষ আন্দোলনে রূপ নিলে তা সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলে। এ ঘটনায় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা ও আটকের ঘটনা ঘটে। এমন পরিস্থিতিতে গত ১১ এপ্রিল সংসদে সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল বা সংস্কারের প্রয়োজন আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে সচিব কমিটি গঠন করে সরকার।
তবে এই কমিটির প্রতিবেদনের সুপারিশ রাখা না রাখা বা পরিমার্জন, পরিবর্ধন করার এখতিয়ার সরকারের।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

যৌন নিপীড়ন বাধ্যতামূলক অবসরে কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক

নিজস্ব প্রতিবেদক |

যৌন নিপীড়নের অভিযোগে জাতীয় কবি কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক মুহাম্মদ রুহুল আমিনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে- নাট্যকলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুহাম্মদ রুহুল আমিনের হাতে যৌন নিপীড়ন ও হয়রানির শিকার হন ওই বিভাগের তিন নারী শিক্ষকসহ অনেক শিক্ষার্থী। এ ব্যাপারে ওই তিন নারী শিক্ষক গত ১৭ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে গঠন করা হয় তদন্ত কমিটি। দুই মেয়াদের পর তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয় কমিটি।

পরে গত ২২ সেপ্টেম্বরর সিন্ডিকেট সভায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় শিক্ষক রুহুল আমিনকে বাধ্যতামূলক অবসর দেয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর আগে অভিযোগ দেয়ার পর সহকারী অধ্যাপক মুহাম্মদ রুহুল আমিনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

জানা যায়, ওই ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. সৈয়দ আজিজুল হককে প্রধান করে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক একেএম জাকির হোসেন ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মাহবুবা কানিজ কেয়াকে সদস্য করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে ১৫ কার্য দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে ব্যর্থ হয়ে ৮ কর্ম দিবসের সময় চেয়ে নেয় কমিটি।

সিলগালা করে রাখা তদন্ত প্রতিবেদনটি ২২ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ৬১তম সভায় খুলে দেখা হয়। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী শিক্ষক রুহুল আমিন অপরাধী প্রমাণিত হয়েছেন।

উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন নিপীড়ন নিরোধ নীতিমালা ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী নৈতিক স্থলনের দায়ে ওই শিক্ষককে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। সমস্ত বিষয় পর্যালোচনা করে শিক্ষক রুহুল আমিনকে বাধ্যতামূলক অবসর দেয়ার সিদ্ধান্ত দেয় সিন্ডিকেট বোর্ড।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. হুমায়ুন কবির জানান, প্রশাসনের সিদ্ধান্ত ওই শিক্ষককে অবগত করার জন্য বৃহস্পতিবার চিঠি ইস্যু করা হয়েছে

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রধান শিক্ষকদের চলতি দায়িত্বের ভাতা চেয়ে আইনি নোটিস

নিজস্ব প্রতিবেদক |

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের কার্যভার ভাতা চেয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ৪ জনের কাছে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে। নোটিস পাওয়ার ৭ কার্যদিবসের মধ্যে জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ এর বিধান অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক (চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত) শিক্ষকদের দায়িত্বভাতা বা কার্যভাতা দিতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। ব্যর্থতায় হাইকোর্টে রীট পিটিশন দায়েরসহ অন্যান্য আইনি লড়াই শুরু হবে।  শিক্ষকদের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট লুৎফর রহমান বৃহস্পতিবার (২০ সেপ্টেম্বর) ডাকযোগে ওই আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রাথমকি ও গণশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তার কাছে দেয়া নোটিসে বলা হয়েছে, নোটিসপ্রাপ্তির ৭ কার্যদিবসের মধ্যে জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ এর বিধান অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক (চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত) শিক্ষকদের দায়িত্বভাতা বা কার্যভাতা দিতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা  এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রাথমিক শিক্ষা সুরক্ষা ফোরামের আহ্বায়ক মো: সিদ্দিকুর রহমান খান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সহসভাপতি সুব্রত রায়, বাগানবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: রফিকুল ইসলামের পক্ষে দেয়া আইনি নোটিসে অ্যাডভোকেট লুৎফুর রহমান বলেন, এরই মধ্যে প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকরা কার্যভার ভাতা পাচ্ছেন না।

এ বিষেয়ে সংশ্লিষ্ট থানা অফিস ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে মৌখিক ও লিখিতভাবে যোগাযোগ করা হলেও চলতি দায়িত্ব বা অতিরিক্ত দায়িত্বভাতা প্রদান করা হচ্ছে না। চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের দায়িত্ব নিয়ে শিক্ষা অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কোনো অভিযোগ না থাকা সত্ত্বেও তারা তাদের অনুমোদিত ভাতা পাচ্ছেন না। এ বিষয় নিয়ে একাধিক থানা শিক্ষা অফিস ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করে শিক্ষকরা ব্যর্থ হন। এতে সাধারণ শিক্ষকদের মধ্যে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

সুত্র: দৈনিক শিক্ষা

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ আবেদনে আয় ৪০ কোটিরও বেশি

চুয়াডাঙ্গায় ১৮ হাজার ৬৬১টি

নিজস্ব প্রতিবেদক |

চলতি বছর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগ পরীক্ষার জন্য অনলাইনে আবেদন করেছেন ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭ জন প্রার্থী। গত ১ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত এই আবেদন কার্যক্রম চলে। এই নিয়োগ পরীক্ষাবাবদ প্রতিজনের আবেদনের জন্য ১৬৮ টাকা ফি আদায় করা হয়। এই হিসাবে ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭ জন প্রার্থীর আবেদনে ৪০ কোটি ৩৪ লাখ ৬১ হাজার ৫৭৬ টাকা জমা হয়েছে সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ফান্ডে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের (ডিপিই) মহাপরিচালক আবু হেনা মোস্তাফা কামাল বলেন, সহকারী শিক্ষক নিয়োগে এবার রেকর্ডসংখ্যাক আবেদন জমা হয়েছে। এ বাবদ যে অর্থ জমা হয়েছে তা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ফান্ডে রয়েছে।

তিনি বলেন, নিয়োগ পরীক্ষা ও ফলাফল প্রকাশ করতে বিপুল পরিমাণে ব্যয় হয়ে থাকে। এ জন্য সারাদেশে বিপুল পরিমাণে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োজিত রাখতে হয়। সব মিলে অধিকাংশ অর্থ ব্যয় হয়ে যায়। তবে এবার রেকর্ডসংখ্যক আবেদন আসায় সরকারি রাজস্ব আয় কিছু হলেও হতে পারে।

জানা গেছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য টেলিটক মোবাইল ফোনে এসএমএমের মধ্যমে ফি জমা নেয়া হয়। সে অনুযায়ী, টেলিটকে দুটি এসএমএস পাঠানোবাবদ ৪ টাকা কর্তন করা হয়। বাকি টাকা নিয়োগ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের ফান্ডে জমা দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার শাকিল আহমেদ বলেন, বেশি আবেদন জমা হলেই টেলিটক কোম্পানির খুব বেশি লাভ হয় না। পুরো অর্থই নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানে চলে যায়। তাই আবেদনকারীর কাছে দুটি এসএমএস বাবদ ৪ টাকা কর্তন করা হলেও আবেদনকারীকে একাধিক এসএমএস পাঠানো হয়। এ ছাড়া নিয়োগ সংক্রান্ত সব আপডেট এসএমএসের মাধ্যমে জানাতে হয়।

তিনি বলেন, প্রতি আবেদনে ৪ টাকা নিলেও টেলিটক কোম্পানির আয় হয়ে থাকে মাত্র দুই শতাংশের বেশি। আবেদন প্রতি ৪ টাকা কেটে বাকি টাকা নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানকে বুঝিয়ে দিতে হয়।

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য একজন আবেদনকারী জান্নাত মুনিয়া বলেন, সব সরকারি প্রতিষ্ঠানেই ব্যাংকের মতো ফি নেয়া বন্ধ করা উচিত। ব্যাংক যদি পরীক্ষার ফি না নিয়ে নিয়োগ কার্যক্রম চালাতে পারে তাহলে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো কেন পারবে না?

তিনি প্রশ্ন রাখেন, সরকারি চাকরিতে নিয়োগে পরীক্ষা ফি বন্ধ হবে কবে?

সোহেল রানা নামে আরেক চাকরিপ্রার্থী বলেন, প্রতি মাসে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে আবেদন করার জন্য আমাকে কমপক্ষে এক থেকে দেড় হাজার টাকা গুনতে হয়। টিউশনি করে চলি। এর মধ্যে চাকরির আবেদনে মাসে মাসে এভাবে টাকা গুনতে হয়।

তিনি বলেন, ‘বলা হয়, বেকারত্ব একটি অভিশাপ। আর এই বেকারত্বকে পুঁজি করেই শতশত কোটি টাকা আয় করছে সরকার। একটি আসনের বিপরীতে শতশত প্রার্থী আবেদন করছেন। এই সুযোগই নিচ্ছে সরকারি সংস্থা বা বিভাগগুলো।’

ডিপিই সূত্রে জানা গেছে, নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭ আবেদনকারীর মধ্যে সর্বোচ্চ আবেদন রয়েছে চট্টগ্রাম জেলায়। এ জেলায় মোট ৯৮ হাজার ৯৬৯টি আবেদন পড়েছে। এরপরে ময়মনসিংহে ৮৮ হাজার ২১৮টি, কুমিল্লায় ৮৪ হাজার ৭২৮টি, দিনাজপুরে ৬২ হাজার ৯৭১টি, রংপুরে ৫৯ হাজার ৭১টি, জয়পুরহাটে ১৮ হাজার ১৭৮টি, বগুড়ায় ৬৪ হাজার ৭২৭টি, নওগাঁয় ৪৯ হাজার ৮৬৩টি, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩০ হাজার ২৭১টি আবেদন পড়েছে।

রাজশাহীতে ৫৭ হাজার ৩৮২টি, নাটোরে ৩৫ হাজার ২৫৭টি, সিরাজগঞ্জে ৫৮ হাজার ১৪৯টি, পাবনায় ৫১ হাজার ২৩১, কুষ্টিয়ায় ৩২ হাজার ৬০৯টি, মেহেরপুরে ১০ হাজার ৮৮৮টি, চুয়াডাঙ্গায় ১৮ হাজার ৬৬১টি, ঝিনাইদহে ৩৭ হাজার ৬১৭টি, মাগুরায় ২১ হাজার ৯৬২টি, যশোরে ৫৫ হাজার ৯৩২টি, নড়াইলে ১৫ হাজার ৬১৪টি, সাতক্ষীরায় ৪৫ হাজার ৬১টি, খুলনায় ৪৭ হাজার ১৮৮টি, বাগেরহাটে ৩২ হাজার ৯৭টি, জামালপুর ৫০ হাজার ৫০টি, শেরপুরে ২৫ হাজার ৪৬৬টি, নেত্রকোণায় ৪২ হাজার ৭৫৩টি, কিশোরগঞ্জে ৪৭ হাজার ৮৮৫টি, টাঙ্গাইলে ৬১ হাজার ৬৩০টি, গাজীপুরে ৩৫ হাজার ৫১৭টি, নরসিংদীতে ৩৮ হাজার ১৪৩টি, মানিকগঞ্জে ২৫ হাজার ৭১১টি, ঢাকায় ৬৪ হাজার ৫৫৮, নারায়ণগঞ্জে ২৭ হাজার ১২৭টি, মুন্সিগঞ্জে ১৮ হাজার ৭৫৯টি, রাজবাড়ীতে ২১ হাজার ৯০৬টি, ফরিদপুরে ৩৩ হাজার ৬৪৩টি, মাদারীপুরে ২৪ হাজার ৮০৭টি, শরীয়তপুরে ১৮ হাজার ৭৮৬টি, গোপালগঞ্জে ২৯ হাজার ২১৫টি, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩৮ হাজার ৪০টি আবেদন পড়েছে।

চাঁদপুরে ৪৬ হাজার ৯১টি, লক্ষ্মীপুরে ২৩ হাজার ৩৩০টি, নোয়াখালীতে ৪০ হাজার ৭৩৯টি, ফেনীতে ২১ হাজার ৫০১টি, কক্সবাজারে ২৬ হাজার ৭৫০টি, বরিশালে ৬১ হাজার ৮৮৩টি, পিরোজপুরে ২৯ হাজার ২৭৮টি, ঝালকাঠিতে ১৯ হাজার ১৩৮টি, বরগুনায় ২১ হাজার ৭১৭টি, পটুয়াখালীতে ৪০ হাজার ৮০৭টি, ভোলায় ২৫ হাজার ১৪৫টি, সুনামগঞ্জে ৩৫ হাজার ৫১২টি, সিলেটে ৫০ হাজার ৩৭০টি, হবিগঞ্জে ৩৩ হাজার ৪৭৫টি, মৌলভীবাজারে ৩২ হাজার ১০৬টি, পঞ্চগড়ে ২১ হাজার ৬২৯টি, ঠাকুরগাঁওয়ে ৩১ হাজার ৭৯৭টি, নীলফামারীতে ৩৯ হাজার ৭৫২টি, লালমনিরহাটে ২৬ হাজার ১২২টি, কুড়িগ্রামে ৪৩ হাজার ২৯৪টি এবং গাইবান্ধায় ৫৫ হাজার ৫১৭টি আবেদন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকের নতুন সচিব আকরাম

নিজস্ব প্রতিবেদক |

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের চেয়ারম্যান (সচিব) মো. আকরাম-আল-হোসেনকে সিনিয়র সচিব পদে পদোন্নিত দিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পদায়ন করা হয়েছে। বুধবার (১৯ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আদেশে মো. আকরাম-আল-হোসেনসহ ছয় কর্মকর্তাকে সচিব থেকে সিনিয়র সচিব করা হয় ।

আকরাম-আল-হোসেনসহ ছয় কর্মকর্তাকে একদিন আগে ভারপ্রাপ্ত সচিব থেকে সচিব পদে পদোন্নতি দেয়া হয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বর্তমান সচিব মোহাম্মদ আসিফ-উজ-জামানকে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান (সচিব) মো. মাহফুজুর রহমান, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফয়জুর রহমান চৌধুরী, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব এসএম গোলাম ফারুক, পরিকল্পনা বিভাগের সচিব মো. জিয়াউল ইসলাম, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব শুভাশীল বসু ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব কাজী শফিকুল আযমকে সিনিয়র সচিব করা হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানায়, নতুন ছয়সহ বর্তমানে সরকারের সিনিয়র সচিবের সংখ্যা হল ১১ জন। সিনিয়র সচিবদের পদমর্যাদা মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও সচিবদের মাঝামাঝি। ২০১২ খ্রিস্টাব্দের ৯ জানুয়ারি মহাজোট সরকার প্রশাসনে প্রথমবারের মতো সিনিয়র সচিব নামে পদ চালু করে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. সামছুর রহমানকে ভারপ্রাপ্ত সচিবের পদমর্যাদায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের চেয়ারম্যান করা হয়েছে।

জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) বেগম রৌনক জাহানকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব করা হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকে ১২ হাজার ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগ পরীক্ষা অক্টোবরে।

ডেস্ক,১৫ সেপ্টেম্বন: টিবিটি চাকরির খবরঃগত ৩০ জুলাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট নিরসনে রাজস্বখাতভুক্ত নতুন করে আরও ১২ হাজার ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই)। ১ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শুরু হয়ে ৩০ আগস্ট শেষ হয়।

ডিপিই সূত্র জানিয়েছে আগামী মাসের শেষ দিকে অনুষ্ঠিত হতে পারে ওই নিয়োগ পরীক্ষা। আগামী ২৬ অক্টোবর শুক্রবার ওই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা।

পরীক্ষার সপ্তাহখানেক আগে এমএমএস করে প্রার্থীদের জানিয়ে দেওয়া হবে। এবং প্রবেশপত্র ডাউনলোডের সময়ও জানিয়ে দেওয়া হবে।

প্রার্থীরা http://dpe.teletalk.com.bd ওয়েবসাইট থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন। ওএমআর শিট পূরণের নির্দেশাবলী এবং পরীক্ষা সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য ওয়েবসাইটে (www.dpe.gov.bd) পাওয়া যাবে।

বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরপরই এ বিষয়ে ডিপিই’র মহাপরিচালক আবু হেনা মোস্তফা কামাল গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, নতুন করে রাজস্ব খাতে প্রায় ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দিতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন নিয়োগ বিধিমালার কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় পুরনো নিয়োগ বিধির আলোকে এই নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। সে অনুযায়ী আগের সব বিষয় বহাল থাকবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার ইংরেজি বিষয়ে নতুন নির্দেশনা

চলতি ২০১৮ খ্রিস্টাব্দের প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার ইংরেজি বিষয়ের প্রশ্ন কাঠামো সম্পর্কে একটি নির্দেশনা দিয়েছে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)। এতে সত্য মিথ্যা সম্পর্কিত প্রশ্নের উত্তরটি কিভাবে লিখতে হবে তা বলা হয়েছে। সব সমাপনী পরীক্ষার্থী ও শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বুধবার (১২ সেপ্টেম্বর) এ নির্দেশনা জারি করা হয়। দৈনিক শিক্ষার পাঠকদের সুবিধার্থে নির্দেশনাটি তুলে ধরা হল।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চাকরিতে ঢোকার বয়স ৩২

মেয়াদের শেষ সময়ে এসে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার।

এ বিষয়ে খুব তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম জানিয়েছেন।

সোমবার তিনি বলেন, “আলোচনা হচ্ছে, প্রক্রিয়া এখনও শুরু হয়নি, খুব তাড়াতাড়ি হবে। খুব তাড়াতাড়িই জানতে পারবেন।”

চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানো নিয়ে আলোচনা হলেও অবসরের বয়স বাড়ানোর বিষয়ে কোনো আলোচনা নেই বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

তিনি বলেন, “এন্ট্রিটা বাড়তে পারে আশা করছি।”

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সম্প্রতি সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩০ বছর থেকে বাড়িয়ে ৩৫ বছর এবং অবসরের বয়সসীমা ৫৯ বছর থেকে বাড়িয়ে ৬৫ বছর করার সুপারিশ করে।

শফিউল বলেন, “স্থায়ী কমিটি সুপারিশের ভিত্তিতেই প্রাথমিকভাবে আলোচনা হয়েছে।”

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, “চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানো নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আলোচনা শেষ করেছেন, এখন আমরা প্রস্তাব তৈরির কাজে হাত দেব।”

বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই চাকরিতে প্রবেশের বয়স দুই বছর বাড়তে পারে বলেও আভাস দেন ওই কর্মকর্তা।

২০১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর মন্ত্রিসভার অনুমোদন নিয়ে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অবসরের বয়স ৫৭ থেকে বাড়িয়ে ৫৯ বছর করা হয়। তবে অধ্যাদেশ জারির কারণে তা ২০১১ সালের ২৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়।

এছাড়া গত বছরের ২১ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধাদের অবসরের বয়সসীমা বাড়িয়ে ৬০ বছর করার ঘোষণা দেন।

অবসরের বয়সসীমা দুই বছর বাড়ানোর পর চাকরিতে প্রবেশের বয়সও বাড়ানোর দাবি ওঠে চাকরিপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে। এ নিয়ে আন্দোলনের পাশাপাশি সারা দেশে বিভিন্ন কর্মসূচিও পালন করেন তারা।

চাকরিপ্রার্থীরা যুক্তি দেখান, সরকারি নিয়ম অনুসরণ করে বেসরকারি ব্যাংকসহ বহুজাতিক কোম্পানিগুলোও ৩০ বছরের বেশি বয়সীদের নিয়োগ দেয় না। ফল বেসরকারি ক্ষেত্রেও চাকরির সুযোগ সঙ্কুচিত হয়ে যায়।

সরকারের পক্ষ থেকে সে সময় বলা হয়েছিল, চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা আপাতত নেই।

২০১৬ সালের মে মাসে জাতীয় সংসদে এ বিষয়ে এক প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, “আমরা যুব বয়সের মেধাশক্তিকে কাজে লাগাতে চাই। এজন্য আমরা চাই সকলে সময়মত পড়াশুনা করে চাকরিতে প্রবেশ করুক। এজন্য চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩০ থেকে বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা আমাদের নেই।”

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অনুমতি ছাড়া সরকারি কর্মচারীদের গ্রেপ্তার করা যাবে না

নিজস্ব প্রতিবেদক,২০আগষ্ট:

ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত কোনো সরকারি কর্মচারীকে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া গ্রেপ্তার করা যাবে না; এমন বিধান রেখে সরকারি চাকরি আইন- ২০১৮ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম এ তথ্য জানান।

শফিউল আলম জানান, নতুন খসড়া আইনের ৪১ ধারার উপধারা (১)-এ বলা আছে, ‘কোনো সরকারি কর্মচারীর দায়িত্ব পালনের সঙ্গে সম্পর্কিত অভিযোগে দায়েরকৃত ফৌজদারি মামলায় আদালত কর্তৃক অভিযোগপত্র গৃহীত হওয়ার আগে তাকে গ্রেপ্তার করতে হলে সরকার বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি গ্রহণ করতে হবে।

তিনি জানান, চাকরি আইনের ৪২ ধারায় ফৌজদারি মামলায় দন্ডিত কর্মচারীর ক্ষেত্রে ব্যবস্থা সংক্রান্ত উপধারা (১) এ বলা হয়েছে, ‘কোনো সরকারি কর্মচারী ফৌজদারি মামলায় আদালত কর্তৃক মৃত্যুদন্ড বা ১ (এক) বছর মেয়াদের অধিক মেয়াদের কারাদন্ডে দন্ডিত হইলে, উক্ত দন্ড আরোপের রায় বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে চাকরি থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বরখাস্ত হবেন।

একই ধারার (২) উপধারায় বলা হয়েছে, কোনো সরকারি-কর্মচারী ফৌজদারি মামলায় আদালত কর্তৃক অনূর্ধ্ব এক বছর মেয়াদের কোনো কারাদন্ড বা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হলে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ তাকে তিরস্কার, নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য পদোন্নতি বা বেতন বৃদ্ধি স্থগিতকরণ, নিম্ন পদ বা নিম্নতর বেতন স্কেলে অবনমিতকরণ বা সরকারি সম্পত্তি ক্ষতিসাধন পূরণের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, সরকারি কর্মচারীদের শাস্তির ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, আদালত কর্তৃক কারাদন্ডে দন্ডে বা চাকরি হইতে বরখাস্তকৃত কোনো ব্যক্তিকে অনুরূপ বরখাস্ত হইতে অব্যাহতি প্রদানের বিশেষ কারণ বা পরিস্থিতি রহিয়াছে, তাহা হইলে তিনি উক্ত ব্যক্তিকে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবেন এবং অনুরূপ আদেশ প্রদান করা হইলে উক্ত কর্মচারী চাকরিতে পুনর্বহাল হইবেন।

সরকারি চাকরি আইনের ৩৫ ধারায় বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ধারা ৩২ বা ধারা ৩৩ এর উপধারা (১) এর অধীন প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না বলেও জানান শফিউল আলম।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সরকারি হল ২৭১ কলেজ

এ নিয়ে দেশে সরকারি কলেজ ও সমমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দাঁড়াল ৫৯৮টি।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে ১০ হাজার সহকারী শিক্ষক নেওয়া হবে

শিশির দাস: সারা দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে (পার্বত্য তিন জেলা- রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ব্যতীত) সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সম্প্রতি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বিভিন্ন পত্রিকায় ও তাদের ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ নিয়োগের বিষয়টি জানিয়েছে। কতজন নেওয়া হবে জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু হেনা মোস্তফা কামাল  বলেন পদটিতে প্রায় ১০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। তবে পদের সংখ্যা বাড়তে বা কমতে পারে।

সহকারী শিক্ষক পদে এরই মধ্যে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। আবেদন করা যাবে আগামী ৩০ আগস্ট রাত ১১ টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। তাই লক্ষ্য যাদের শিক্ষক হওয়ার আবেদনের শেষ দিনের জন্য অপেক্ষা না করে পদটিতে আবেদন করতে পারেন এখনই। এই নিয়োগের বিজ্ঞপ্তিটি পাওয়া যাবে www.dpe.gov.bd  এই ঠিকানায়।

আবেদনের যোগ্যতা: এ পদে আবেদনের জন্য পুরুষ প্রার্থীদের কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ/শ্রেণি/সমমানের জিপিএসহ স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি পাস হতে হবে। অন্যদিকে, মহিলা প্রার্থীদের ক্ষেত্রে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা সমমানের পরীক্ষায় ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ/সমমানের জিপিএসহ উত্তীর্ণ অথবা স্নাতক বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। উভয় প্রার্থীদের বয়স ৩০ আগস্ট ২০১৮ তারিখে ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৩২ বছর।

যেভাবে আবেদন করবেন: এ পদে প্রার্থীদের অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। http://dpe.telelalk.com.bd  এবং www.dpe.gov.bd  এই ওয়েবসাইটে লগ ইন করলে একটি লিংক পাওয়া যাবে। এই লিংকে প্রবেশ করে সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা মোতাবেক অনলাইন আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে। অনলাইনে আবেদনপত্র পূরণ করে জমা করার পর অ্যাপ্লিকেশন কপি প্রিন্ট করতে হবে। সঠিকভাবে পূরণকৃত অ্যাপ্লিকেশন কপির ইউজার আইডি দিয়ে আবেদন ফি জমা দিতে হবে। একবার আবেদন ফি জমা দেওয়া পর অ্যাপ্লিকেশন ফরম কোনো অবস্থাতেই সংশোধন বা প্রত্যাহার করা যাবে না। শুধু ইউজার আইডিপ্রাপ্ত প্রার্থীরা উক্ত সময় পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত এসএমএসের মাধ্যমে ফি প্রদান করতে পারবে। আবেদনকারীকে একটি ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড দেওয়া হবে। এই ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড সব সময়ের জন্য প্রার্থীকে সংরক্ষণ করতে হবে। প্রার্থীকে পরীক্ষার ফি বাবদ অফেরতযোগ্য সার্ভিস চার্জসহ ১৬৬.৫০ টাকা যেকোনো টেলিটক মোবাইল নম্বর থেকে এসএমএসের মাধ্যমে যথাসময়ে প্রেরণ করতে হবে।

নির্বাচন পদ্ধতি: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সহকারী শিক্ষক পদে এর আগে ৮০ নম্বরের এমসিকিউ পদ্ধতিতে লিখিত পরীক্ষা ও ২০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হতো। বাংলা, গণিত, ইংরেজি ও সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে প্রশ্ন থাকত। তবে এবারের নিয়োগে কত নম্বরের পরীক্ষা হবে এই বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এসব পরীক্ষার তারিখ পরে অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট ও বিভিন্ন পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে বলে অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর আবেদনপত্রের সঙ্গে অনলাইনে দাখিলকৃত আবেদনের ফটোকপি, পাসপোর্ট সাইজের ২ কপি ছবি, প্রথম শ্রেণির গেজেটেড সরকারি কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কিত সব মূল বা সাময়িক সনদপত্র এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/পৌরসভার মেয়র/সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর কর্তৃক প্রদত্ত নাগরিকত্ব সনদপত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমা দিতে হবে।

বেতন: চূড়ান্তভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত একজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী ১০ হাজার ২০০ (গ্রেড ১৪) টাকা স্কেলে বেতন পাবেন। আর প্রশিক্ষণবিহীন একজন সহকারী শিক্ষক ৯ হাজার ৭০০ (গ্রেড-১৫) টাকা স্কেলে বেতন পাবেন।

প্রথম আলো

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সাব-ইন্সপেক্টর (SI) ভাইভা ।তাই অভিজ্ঞতা ও দিকনির্দেশনা জেনে নিন

পুলিশ সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮ খ্রিঃ এর অনুষ্ঠিতব্য মৌখিক পরীক্ষা
ভাইভা বোর্ড : ১(এক)টি
বোর্ডের সদস্য সংখ্যা : ৪-৬ জন
সময় : ২/৩ মিনিট (কম বেশী হতে পারে)
প্রশ্ন : ১০/১৫ টি (+-)
ভাইভা : ১০০ নাম্বার

প্রশ্নের ধরণ : বিষয়ভিত্তিক, মুক্তিযুদ্ধ, অনুবাদ, নিজ জেলা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সাম্প্রতিক বিষয় ও অন্যান্য।

বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন : ভাইভা ভাল করতে হলে অাপনাকে অবশ্যই বিষয়ভিত্তিক প্রশ্নের স্পেসিফিক উত্তর দিতে হবে। এই অংশে ভাল করার উপর বোর্ডের পরবর্তী মুভমেন্ট অনেকাংশে নির্ভর করে। অাপনার পড়িতব্য বিষয়ের উপর প্রথমেই ২/৩টি প্রশ্ন করবেই, তাই অাপনার পড়িতব্য বিষয় সম্পর্কে ভাল ধারণা রাখুন।

মুক্তিযুদ্ধ : এসঅাই ভাইভার জন্য মুক্তিযুদ্ধ অংশ সবচেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ কারণ ছোট ছোট প্রশ্ন করা হয়, পারলেই ১০০% নম্বর দেয়। এই অংশে ডিপলী প্রশ্ন করা হয়, অনেক সময় বাজারের একটি বইতে সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায় না তাই একটি বইয়ের উপর নির্ভর না করে দুই বা ততোদিক বইয়ের সাহায্য নিন। এছাড়া শেখ হাসিনা কর্তৃক মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত কয়েকটি বইয়ের নাম মনে রাখতে পারেন।

নমুনা প্রশ্ন-
১. শীর্ষ রাজাকার কে?
=> গোলাম অাজম
২. বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রধান ষড়যন্ত্রকারী কে?
=> খন্দকার মোস্তাক অাহম্মেদ
৩. অাল বদর বাহিনীর প্রধান কে?
=> মতিউর রহমান নিজামি
৪. বঙ্গবন্ধুকে গুলি করে?
=> মেজর নূর

৫. মুক্তিযুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ কে গড়ে তুলে?

=> বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী
এই ধরণের প্রশ্ন করা হবে, সাথে শেখ মুজিব হত্যা বিচার, মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে বিভিন্ন বইয়ের নাম জেনে নিবেন।
অনুবাদ : যুগটাই এখন এমন, ইংরেজি ছাড়া কোন কিছু চিন্তাও করা যায় না। কি চাকরি, কি পড়াশোনা সব জায়গায়ই ইংরেজিতে দক্ষতা এখন প্রাথমিক চাহিদা। দক্ষতা বিভিন্ন রকমের হতে পারে। তাদের ভিতরে ইংরেজিতে বলার দক্ষতা এখন সবচেয়ে বেশি চাহিদাসম্পন্ন দক্ষতা। এসঅাই ভাইভাতে প্রায় সবাইকে ১/২টি অনুবাদ জিজ্ঞাসা করা হবে। এই অংশে ভাল করার জন্য ইংরেজী প্রবাদ বাক্য পড়তে পারেন। সাধারনত যে ধরণের প্রশ্ন করা হয়-

১. অাজ খুব গরম।
→today is very hot.
২. অাজ দিনটি চমৎকার।
→today is a very nice day!
৩.জানালা দিয়ে অাকাশ দেখা যাচ্ছে।
→the sky is visible through
windows

or

the sky is being seen
through window.

৪.টেবিলের উপর একটি কলম অাছে
→there is a pen on the table

or

a pen has been kept on the table.
৫. পাখি অাকাশে উড়ে

→the birds fly in the sky.
৬.শার্টের পকেটে একটি কলম অাছে
→there is a pen in the pocket.
৭.অামার শার্টের পকেট নাই।

→I have no pocket with my shirt
or, there is no pocket in my shirt.
৮. এখান থেকে সচিবালয় দেখা যায়।
→the secretariat building is visible
from here.

উপরোক্ত বিষয়ের উপর মূলত প্রশ্ন করা হলেও অাপনার নামের অর্থ, নামের সাথে বিখ্যাত ব্যক্তি ও কোন ঘটনা থাকলে তা জেনে রাখা ভাল। অাপনার জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, বিখ্যাত ব্যক্তি এবং শিক্ষা ও অর্থনৈতিক অবস্থা ইত্যাদি সম্পর্কে জেনে নিবেন। সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে অাপডেট নিউজ সংগ্রহে রাখুন।

এসঅাই নিয়োগে লিখিত পরীক্ষা অাপনি যতই ভাল দেন না কেন তার কোন মূল্য নেই যদি না অাপনি ভাইবা ভাল দেন। সব প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিয়ে বোর্ডকে সন্তুষ্ট করতে পারলে ৭৫-৮০ নম্বর পাবেন।

পুলিশের চলমান সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) পদে নিয়োগ সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ, মেধা ও যোগ্যতা ভিত্তিক হচ্ছে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি বা মহলের হস্তক্ষেপ করার কোনো সুুযোগ নেই। তাই প্রতারক বা দালালের খপ্পরে না পড়ার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি)।

আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী পুলিশকে গণমুখী করার জন্য, “দেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য সৎ, মেধাবী, কর্তব্যপরায়ণ এবং দিনরাত মানুষের সেবা প্রদানের মতো পরিশ্রমী অফিসার একান্ত প্রয়োজন। তাই নিয়োগ প্রক্রিয়া হবে সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক। কারো দ্বারা প্রলুব্ধ না হবার জন্য তিনি সকল চাকরি প্রত্যাশীকে আহ্বান জানিয়েছেন।
পুলিশ সাব-ইন্সপেক্টর নিয়োগে টাকা লাগে না, প্রমাণ….!!!

সোনার হরিণ সরকারি চাকরির পেছনে ছোটাছুটি করেে শেষ পর্যন্ত যোগদান থেকে বিরত থাকছেন সাব-ইন্সপেক্টর পদে উত্তীর্ণ অনেকেই। দেশে মেধাবীদের সংখ্যা বাড়ছে। মেধাবী শিক্ষার্থীরা শুধু বিসিএস ক্যাডার পদের আশায় না থেকে পুলিশের দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা এসআই পদেও আবেদন করছেন। চূড়ান্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর প্রাথমিকভাবে নিয়োগ বা প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের সুযোগ পাওয়া এসব মেধাবী তরুণ-তরুণী এ সময়কালে বিসিএস, ব্যাংক, নন ক্যাডারসহ নানা পদে প্রথম শ্রেণি চাকরি পেলে শেষ পর্যন্ত আর এসআই পদে যোগ দিচ্ছেন না।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা যায়…

# ২০১২ সালের (৩৩তম ক্যাডেট ব্যাচ) এসআই নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষা শেষে ১৬২১ জনকে প্রশিক্ষণে পাঠানোর সুপারিশ করে পুলিশের নির্বাচনী বোর্ড। কিন্তু এর মধ্যে ১৯২ জনই প্রশিক্ষণে অংশ নেননি। আবার প্রশিক্ষণকালে অন্য চাকরির বৌদ্দততে যোগ দেননি আরও ৭৬ জন।
# ২০১৩ সালে (৩৪তম ক্যাডেট ব্যাচ) ১৫২০ জন প্রশিক্ষণের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও তাতে অংশগ্রহণ করেন ১৩৩০ জন। প্রশিক্ষণ শেষে চাকরিতে যোগ দেন ১৩২১ জন।

# ২০১৫ সালে (৩৫তম ক্যাডেট ব্যাচ) ১৫১৭ জনকে প্রশিক্ষণের সুপারিশ করা হলেও তাতে অংশে নেন ১৩৭০ জন। প্রশিক্ষণ কালীন সময়ে বিসিএস, ব্যাংক, নন ক্যাডার চাকরি হবার সুবাধে ৬৭ জন চলে যায়, প্রশিক্ষণ শেষে ১৩২৩ জন যোগদান করলেও প্রায় ১৫ জন অন্য চাকরির গ্রেজেট প্রকাশের প্রহর গুনছেন।

# ২০১৭ সালে বহিরাগত ক্যাডেট এসঅাই (নিরস্ত্র) হিসেবে সিলেকশন বোর্ড ১৫১১ জন প্রার্থীকে প্রাথমিক ভাবে নির্বাচিত করে। উক্ত প্রার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও ভিঅার সম্পন্নকরণের ১৪১০ জন প্রার্থীকে চুডান্ত ভাবে মনোনীত করে তন্মধ্যে ১৩৭৬ জন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করে। ১৭ জন অন্যত্র চাকরি পাওয়ার সুবাধে চলে এসেছে, উল্লেখ্য ৬৫+ প্রার্থী ভাইভাতে অনুপস্থিত ছিল।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free