Home » টপ খবর (page 10)

টপ খবর

শিক্ষক নিয়োগ : শূন্যপদের তথ্য সংশোধন যেভাবে

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। বেশকিছু প্রতিষ্ঠান থেকে শূন্যপদের ভুল তথ্য দিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বা ডিইওদের শূন্যপদের তথ্য যাচাই ও সংশোধনের দায়িত্ব দিয়েছে এনটিআরসিএ। ৩১ জানুয়ারি থেকে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা শূন্যপদের তথ্য সংশোধন করতে পারছেন। আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের মাধ্যমে শূন্যপদের তথ্য যাচাই ও এডিট করার সুযোগ পাচ্ছেন প্রতিষ্ঠান প্রধানরা। গত ৬ ফেব্রুয়ারি শূন্যপদের তথ্য সংশোধনের সময় বাড়ায় এনটিআরসিএ। আর শূন্যপদের তথ্য সংশোধনে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের তৎপর হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন এনটিআরসিএর কর্মকর্তারা।
এদিকে শূন্যপদে তথ্য সংশোধন প্রতিষ্ঠান প্রধান ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। নির্দেশনা শূন্যপদের তথ্য সংশোধনের প্রক্রিয়া বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে। গত ৯ ফেব্রুয়ারি নির্দেশনা জেলা-উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের পাঠানো হয়।

এনটিআরসিএ‌‌র নির্দেশনায় বলা হয়, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের মাধ্যমে নিজ নিজ এলাকার অন্তর্ভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর চাহিদাপত্র যাচাই করে যেগুলোর সংশোধন প্রয়োজন মনে করবেন, সেগুলো প্রতিষ্ঠান প্রধানদের দিয়ে সংশোধন করাবেন। আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এসব চাহিদাপত্র সংশোধন করতে হবে। প্রতিষ্ঠান প্রধানরা নিজ নিজ ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে (http://ngi.teletalk.com.bd) লগইন করে Edit Option এ গিয়ে চাহিদাপত্র সংশোধন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানে থেকে পাওয়া সংশোধিত চাহিদা পত্রের কপি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা প্যানেলে দেখতে পারবেন। চাহিদাপত্র যাচাইয়ের পর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নিজ নিজ প্যানেল পেইজের নিচের Save and Submit button এ ক্লিক করে চাহিদাপত্র চূড়ান্তভাবে সাবমিট করতে পারবেন। শূন্য পদে তথ্য সংশোধনের প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে অনুসরণের জন্য অনুরোধ করেছে এনটিআরসিএ।

এনটিআরসিএর একাধিক কর্মকর্তা দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমকে বলেন, অনেক প্রতিষ্ঠান এবারো শূন্যপদের তথ্য পাঠিয়েছেন। তবে, এবার সংখ্যাগত ভুল বেশি হয়েছে। আর অন্যান্য ভুল কিছুটা হলেও কম হয়েছে। হয়তো ১ জন শিক্ষক লাগবে সেখানে অনেক প্রতিষ্ঠান প্রধান তিনজন শিক্ষকের চাহিদা দিয়েছেন। এসব ভুল সংশোধনের সুযোগ দেয়া হয়েছে। যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান শূন্যপদে তথ্য দিতে ভুল করেছেন, তারা জেলা শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করে এসব ভুল সংশোধন করতে পারবেন। তবে, এবার প্রতিষ্ঠান প্রধানদের এসব ভুল সংশোধনে তৎপর হবে। কারণ শিক্ষক নিয়োগের সময় শূন্যপদের তথ্য ভুল থাকলে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও কমিটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান এনটিআরসিএর কর্মকর্তারা।

তারা দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমকে আরও বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠান শূন্যপদের ভুল তথ্য দিলে সে পদে সুপারিশ করা প্রার্থীকে নিয়োগ দিতে হবে। প্যাটার্নের অতিরিক্ত শূন্যপদের চাহিদা দিলে শিক্ষকের শতভাগ বেতন প্রতিষ্ঠান থেকে দিতে হবে। তা না হলে প্রতিষ্ঠান প্রধানের এমপিও বন্ধ করা হবে। আর কমিটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এমপিও নীতিমালায়ও এমনটি বলা আছে।

গত শিক্ষক নিয়োগে প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে শূন্যপদের ভুল তথ্য দেয়ায় ভোগান্তিতে পড়তে হয় প্রার্থীদের। এ জটিলতা নিরসনে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমকে নিশ্চিত করেছে এনটিআরসিএ। শূন্যপদের ভুল তথ্যের ভোগান্তি এড়াতে এবার ই-রিকুইজিশন যাচাই বাছাইয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা। এদিকে এনটিআরসিএ সূত্র দৈনিক শিক্ষাডটকমকে জানায়, শূন্যপদের তথ্য যাচাই বাছাইয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের সময় দেয়া হয়েছে। এ সময়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা নিজ নিজ ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো ভুল তথ্য পাঠালে তা সংশোধন করতে পারবেন।

বিষয়টি নিশ্চিত এনটিআরসিএর এক কর্মকর্তা দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমকে বলেন, প্রতিষ্ঠান থেকে ই-রিকুইজিশনে চাওয়া শূন্যপদের তথ্য ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দে জারি করা এমপিও নীতিমালা বা জনবল কাঠামো অনুযায়ি কম-বেশি হলে তা সংশোধন করার ক্ষমতা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের দেয়া হয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠান শূন্যপদে তথ্য দিতে ভুল করেছে তারা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করে যেসব ভুল সংশোধন করতে পারবেন। জেলার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শূন্যপদের তথ্য যাচাই করবেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা। তথ্য সঠিক থাকে তা সঠিক বলে সাবমিট দিবেন তিনি। আর তথ্যে কোনো ভুল থাকলে তা সংশোধন করে এনটিআরসিএতে সাবমিট করবেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা।

তিনি দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমকে আরও জানান, ৩১ জানুয়ারি থেকে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা শূন্যপদের তথ্য সংশোধন করতে পারেছেন। আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শূন্যপদের তথ্য যাচাই ও এডিট বা সংশোধন করতে পারবেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা। নিজ নিজ ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে লগইন করে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শূন্যপদে তথ্য যাচাই ও সংশোধন করবেন। এই সময়ের মধ্যে শূন্যপদের তথ্য যাচাই ও সংশোধনের কাজ অবশ্যই শেষ করতে হবে। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের যাচাই করা পদগুলো সঠিক বলে বিবেচনা করবে এনটিআরসিএ। সে অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে কোনো তথ্য জানা থাকলে এনটিআরসিএর অফিসে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। অফিস চলাকালীন ০২-৪১০৩০৩৯৩ টেলিফোন নম্বরে ফোন করে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।

গত ১৪ জানুয়ারি থেকে তৃতীয় চক্রে শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ বা ই-রিকুইজিশন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত ই-রিকুইজিশন প্রক্রিয়া চলার কথা থাকলেও এ সময় বাড়ায় এনটিআরসিএ। গত ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত ই-রিকুইজিশন বা শূন্যপদের তথ্য দিতে পেরেছে প্রতিষ্ঠানগুলো।

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এন্ট্রি লেভেলে শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ করে এনটিআরসিএ। বাছাই করা প্রার্থীদের আর কোনও পরীক্ষা দিতে হয় না। ইতোমধ্যে দুইটি চক্রে ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দে ও ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এন্ট্রি লেভেলের শিক্ষক নিয়োগে প্রার্থী সুপারিশ করেছে এনটিআরসিএ। সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তৃতীয় চক্রে শিক্ষক নিয়োগ দিতে কার্যক্রম শুরু করেছে এনটিআরসিএ।



Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বেতন গ্রেড নিয়ে প্রাথমিকের শিক্ষকরা কি পেল

ঢাকা,১০ ফেব্রুয়ারী: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের ১৩তম গ্রেডে উন্নীত করা হয়েছে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতন ১০ম গ্রেডে এবং সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১১ তম গ্রেডে উন্নীত করার দাবিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন। আন্দোলনের অংশ হিসেবে তাঁরা ঢাকায় সমাবেশ করে আসন্ন প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা বর্জনেরও হুমকি দিয়েছিলেন। অবশ্য পরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেনের সঙ্গে বৈঠক করার পর শিক্ষকেরা পরীক্ষা বর্জনের কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন।

রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মনোয়ারা ইশরাত স্বাক্ষরিত এ-সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এনিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইতিবাচক ও নেতিবাচক অনেক মন্তব্য পাওয়া যাচ্ছে। যার প্রেক্ষিতে শিক্ষকদের মধ্যে বিভাজন তৈরি হচ্ছে।

Read More »

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আটকে আছে ১,০৭২ প্রতিষ্ঠানের এমপিও

ঢাকা,১০ ফেব্রুয়ারী : গত চার মাসেও এমপিওভুক্তি কার্যক্রম চূড়ান্ত করতে পারেনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

অথচ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ২৩ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে এমপিওভুক্তির আওতায় আনতে দুই হাজার ৭৩০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম ঘোষণা করেন। কিন্তু মন্ত্রণালয় এখন পর্যন্ত এক হাজার ৬৫৮ প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তি চূড়ান্ত করেছে। বাকি সব আটকে আছে আমলাতান্ত্রিক জটিলতায়। ফলে এ জন্য বরাদ্দ অর্থ মন্ত্রণালয়ে পড়ে আছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দীর্ঘ সাড়ে নয় বছর অপেক্ষার পর চার শর্তে এমপিও পাচ্ছে নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

২০১৯-২০২০ অর্থবছরে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির লক্ষ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় ৮৬৫ পঁয়ষট্টি কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়। চলতি অর্থবছরে এ পর্যন্ত এক হাজার ৬৫৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হয়েছে। এ বাবদ বার্ষিক ব্যয় প্রায় ৪৫৬ কোটি ৩২ লাখ ১৮ হাজার টাকা। কিন্তু সিদ্ধান্তহীনতায় আরো প্রায় এক হাজার প্রতিষ্ঠানের জন্য বরাদ্দ পড়ে আছে মন্ত্রণালয়ের হিসাবে।

সূত্রগুলো জানিয়েছে, উক্ত ব্যয়ের পর আরো প্রায় ৪০৮ কোটি ৬৭ লাখ ৮১ হাজার টাকা অবশিষ্ট রয়েছে। কিন্তু এমপিওভুক্তির নীতিমালায় কিছুটা সংশোধনী আনা হচ্ছে। অবশিষ্ট অর্থ দিয়ে সংশোধিত নীতিমালার আলোকে যাচাই-বাছাই করে চলতি অর্থবছরে আরো প্রায় এক হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চূড়ান্ত করার কথা।

কিন্তু গত অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে দুই হাজার ৭০০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম ঘোষণা করলেও এখনো সব চূড়ান্ত করা যায়নি।
নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো বলছে, এসব প্রতিক্রিয়ার মধ্যেই বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিও নীতিমালায় সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ নিয়ে সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আলোচনা হয়। সেখান থেকেও কিছু সংশোধনি প্রস্তাব করা হয়েছে। স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মতামত ও সুপারিশ এ নীতিমালায় অন্তর্ভুক্তি ও সংশোধন করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত ২৩ অক্টোবর দুই হাজার ৭৩০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য এমপিও ঘোষণা করা হয়। গণভবনে অনুষ্ঠানে এমপিওভুক্তির এই ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ঘোষণা অনুযায়ী গত ১ জুলাই থেকে অর্থাৎ অর্থবছরের শুরু থেকেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করার কথা।

সর্বশেষ ২০১০ সালে এক হাজার ৬২৬টি প্রতিষ্ঠানকে একসঙ্গে এমপিও দেওয়া হয়। এর পর থেকে এমপিওভুক্তির দাবিতে চলছিল শিক্ষকদের আন্দোলন। এমনকি জাতীয় সংসদেও এমপিরা এই দাবিতে ছিলেন সরব।

অবশ্য সরকার প্রধান হুশিয়ার করে বলেছেন, নতুন প্রতিষ্ঠানগুলোকে যথাযথ মান ধরে রাখতে হবে। কেউ যদি এটা ধরে রাখতে ব্যর্থ হন, সঙ্গে সঙ্গে তার এমপিও বাতিল হবে।

জানা যায়, এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে স্কুল ও কলেজের সংখ্যা এক হাজার ৬৫১টি, মাদরাসার সংখ্যা ৫৫৭টি এবং কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৫২২টি। সম্পূর্ণ নতুন স্কুল-কলেজ এমপিওভুক্ত হচ্ছে ৬৮০টি এবং প্রতিষ্ঠানের নতুন স্তর এমপিওভুক্ত হচ্ছে এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৯৭১টি। নতুন এই এমপিওভুক্তির কারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগে মোট ৮৬৫ কোটি টাকা ব্যয় বেড়েছে।

এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো-২০১৮ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের যোগ্যতা-অভিজ্ঞতা নিয়োগকালীন বিধি-বিধান ও সংশ্লিষ্ট পরিপত্র মোতাবেক প্রযোজ্য হবে। নিবন্ধন প্রথা চালু হওয়ার আগে বিধিসম্মতভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্মচারীরা এমপিওভুক্তির সুযোগ পাবেন।

কিন্তু পরবর্তী সময়ে নিয়োগ প্রাপ্তদের অবশ্যই নিবন্ধন সনদ লাগবে। যেসব প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য বিবেচিত হয়েছে তার মধ্যে কোনো প্রতিষ্ঠান নীতিমালা অনুযায়ী কাম্য যোগ্যতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হলে এমপিও স্থগিত করা হবে।

পরবর্তী সময়ে কাম্য যোগ্যতা অর্জন করলে এমপিও ফের অবমুক্ত করার বিষয়টি বিবেচিত হবে। যেসব তথ্যের আলোকে প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়েছে, পরবর্তী সময়ে কোনো তথ্য ভুল বা মিথ্যা প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সংসদীয় স্থায়ী কমিটিকে জানানো হয়, বরাদ্দকৃত বাকি অর্থ দিয়ে নতুন প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তি কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করা যাবে। তবে সেটি কবে নাগাদ তা বলেনি মন্ত্রণালয়।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

পাঠদান ছারা অন্য কোন কাজ নয়-সচিব

ঢাকা : শিক্ষকতার চেয়ে অন্যান্য কাজে শিক্ষকরা বেশি জড়িয়ে পড়ায় প্রাথমিকের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে জানিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবদের চিঠি দিয়েছে।

সম্প্রতি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পাঠানো ওই উপানুষ্ঠানিক পত্রে সংশ্লিষ্ঠ বিভাগীয় কর্মকর্তাদের শিক্ষা সংশ্লিষ্ঠ নয় এমন কাজে শিক্ষকদের না জড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম আল হোসেন।

তবে শিক্ষা সচিব তাঁর চিঠিতে শুধুমাত্র নির্বাচনের ভোটগ্রহণ বাদে পাঠদান-বহির্ভূত অন্য সব কাজ থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিরত রাখার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ্য করেন।

মো. আকরাম আল হোসেন জানান, সম্প্রতিক সময়ে মূল কাজ শিক্ষকতার চেয়ে অন্যান্য কাজে শিক্ষকরা বেশি জড়িয়ে পড়ায় প্রাথমিক শিক্ষা ব্যাহত হচ্ছে। যা সরকারের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতে এটি হুমকি বলে বিবেচনা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য শিক্ষকদের নির্বাচনী কাজ ছাড়া অন্য কোনো কাজ না দিতে এই পত্র দেওয়া হয়েছে।’

চিঠিতে সচিব মো. আকরাম আল হোসেন আরো উল্লেখ করেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতি প্রতি ৩৬ শিক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক মাত্র একজন। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭০ ভাগ মহিলা শিক্ষক। তাদের ৬ মাসব্যাপী মাতৃত্বকালীন ছুটি, প্রশিক্ষণ ইত্যাদির কারণে পদস্থ শিক্ষকদের মধ্যে প্রকৃত শিক্ষকদের সংখ্যা প্রায়শই কম থাকে। তা ছাড়া শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ৯ মাস ব্যাপী সিইনএড প্রশিক্ষণের পরিবর্তে দেড় বছরব্যাপী ডিপিইএড প্রশিক্ষণ প্রদানের ফলে শিক্ষকদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ প্রশিক্ষণ গ্রহণে ন্যস্ত থাকেন। ফলে প্রায় সকল শিক্ষকের অতিরিক্ত ক্লাস গ্রহণসহ শিখন কার্যক্রমে অতিরিক্ত সময় নিয়োজিত থাকতে হয়।

চিঠিতে বলা হয়, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে এবং প্রাথমিক শিক্ষার অগ্রযাত্রাকে আরো বেগবান করতে শিক্ষকদের শিখন কার্যক্রমে নিয়োজিত থাকার পরিবেশ ও সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে বিদ্যালয় বা শিখন সংশ্লিষ্ট নয় এরূপ কার্যক্রমে শিক্ষকদের বিরত রাখা প্রয়োজন। এ প্রেক্ষাপটে শুধুমাত্র নির্বাচন কার্যক্রম ছাড়া অন্যান্য কার্যক্রম থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দায়িত্ব প্রদান না করার বিষয়টি সক্রিয় বিবেচনাযোগ্য বলে মনে করি।

তবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা বলছেন, পাঠদান ছাড়া বিদ্যালয়ের করণিক কাজও তাদের করতে হয় শিক্ষকদের। কেননা, কোনো স্কুলে এই কাজ করার সহকারী বা কেরানি নেই। তাদের ওইসব কাজের মধ্যে আছে, প্রত্যেক মাসে ছাত্র হাজিরা খাতায় নাম ওঠানো, দৈনন্দিন উপস্থিতি-অনুপস্থিতি হিসাব সংরক্ষণ, হোম ভিজিট, উপকরণ তৈরি, দৈনিক পাঠ পরিকল্পনা তৈরি, বার্ষিক প্রাথমিক বিদ্যালয় শুমারি তথ্য, প্রাথমিক শিক্ষক সমাপনী সার্টিফিকেট লেখা, বছরে তিনটা পরীক্ষা ছাড়াও মডেল টেস্ট, সমাপনী ও জেএসসি পরীক্ষার নির্ভুল তথ্য পূরণ ইত্যাদি। নাম প্রকাশ না করে সাধারণ শিক্ষকরা বলছেন, এত কাজ করতে গিয়ে স্কুলের বাইরে শিক্ষকদের সময় ব্যয় করতে হয়। এতে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে, যা মানসম্মত শিক্ষার প্রধান প্রতিবন্ধক।

এদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে প্রায় সোয়া চার লাখ শিক্ষক। শিক্ষকদের পরিবর্তে যদি সমাজের শিক্ষিত বেকার ও ছাত্রছাত্রীদের আদমশুমারি টিকাদানসহ বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত করা হয় তাহলে সচিবের এই চিঠি শিক্ষার জন্য ইতিবাচক ফলই বয়ে আনবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ঠরা।

উল্লেখ্য, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব কাজ ছাড়াও ১৩ ধরনের কাজের মধ্যে- ভোট গ্রহণ, ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও হালনাগাদ করা, শিশু জরিপ, আদমশুমারি, কৃষিশুমারি, খোলাবাজারে চাল বিক্রি তদারকি, কাঁচা-পাকা ল্যাট্রিনের শুমারি, কৃমির ট্যাবলেট, ভিটামিন-এ ক্যাপসুলসহ স্বাস্থ্য অধিদফতর এবং পরিসংখ্যান বিভাগের সব কাজই করতে হয়।



Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বাদপড়া শিক্ষার্থীদের ফের ৯ম শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশন শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে ৯ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন ও তথ্য সংশোধনে ফের সুযোগ দিয়েছে ঢাকা বোর্ড। আজ রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) থেকে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে ৯ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন ও তথ্য সংশোধন শুরু হয়েছে। আগামী ৯ মার্চ পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন ও তথ্য সংশোধন করা যাবে। বিলম্ব ফি দিয়ে বাদপড়া শিক্ষার্থীরা এসময়ের মধ্যে ৯ম শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে ৯ম শ্রেণিতে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এ প্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনের বিভাগ, বিষয়, ছবি সংশোধন ও বাদপড়া শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনের ফের সুযোগ দেয়া হল। ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ৯মার্চ পর্যন্ত অনলাইনে সংশোধন করতে হবে। এসময়ের মধ্যে বাদপড়া ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরাও ২৮৩ টাকা বিলম্ব ফি দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে।

রেজিস্ট্রেশন সংশোধনে সোনালী সেবার মধ্যেমে ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ৯মার্চ পর্যন্ত মধ্যে নির্ধারিত খাতে ফি জমা দিতে হবে। রেজিস্ট্রেশন সংশোধনে শিক্ষার্থী প্রতি বিভাগ পরিবর্তনে ৫০০ টাকা এবং বিষয় পরিবর্তনে শিক্ষার্থী প্রতি ১০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মেজাজ হারিয়ে বাংলাদেশের পতাকা কেড়ে নিল ভারতীয়রা

খেলায় হার-জিত আছে। এক দল হারবে, আরেক দল জিতবে এটাই স্বাভাবিক। আর ক্রিকেটকে বলা হয় ভদ্রলোকের খেলা। এখানে ট্রফি হাতছাড়া হলেও মেজাজ গরম করতে দেখা যায় না খেলোয়াড়দের, হতাশা যতই গ্রাস করুক। বরং খেলার পর দুই দলের করমর্দন খুব স্বাভাবিক ঘটনা।

তবে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনাল হারের পর ভদ্রলোকের খেলায় ভদ্রতাটা বজায় রাখতে পারলো না ভারত। প্রতিপক্ষের উদযাপন সহ্য করতে না পেরে মেজাজ হারিয়ে ভারতীয় একজন খেলোয়াড় বাংলাদেশের এক খেলোয়াড়ের কাছ থেকে কেড়ে নেন লাল-সবুজের পতাকা।

বাংলাদেশ-ভারত ক্রিকেট লড়াই তো এখন এশিয়ার সবচেয়ে রোমাঞ্চকর লড়াই। ছোটদের ক্রিকেটেও এর ব্যতিক্রম নয়। এই তো মাস কয়েক আগে এশিয়া কাপের ফাইনালে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলো দুই দলের। একটুর জন্য এশিয়া কাপের শিরোপা হাতে নিতে পারেনি যুব টাইগাররা।

ভারতকে ১০৬ রানেই গুটিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশের বোলাররা। একটা সময় সহজ জয়ের পথে ছিল। কিন্তু শেষ দিকে বেশ কয়েকটি উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায়। শেষতক ১০১ রানেই থামে বাংলাদেশের ইনিংস। ৫ রানের জন্য হাতছাড়া হয় শিরোপা।

তবে বিশ্বকাপ ফাইনালের মতো বড় মঞ্চে এবার আর ভুল করেনি বাংলাদেশ। ভারতকে এবারও মাত্র ১৭৭ রানে গুটিয়ে দেয় যুব টাইগাররা। জবাবে ১৪৩ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ফের স্বপ্নভঙ্গের শঙ্কায় পড়লেও শেষ পর্যন্ত ৩ উইকেটের জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছে বাংলাদেশ।

তবে পুরো ম্যাচ জুড়েই দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে একটা আলাদা উত্তেজনা লক্ষ্য করা গেছে। বাংলাদেশ যখন বোলিং করছিল, বডি ল্যাঙ্গুয়েজ ছিল ভীষণ আক্রমণাত্মক। ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা পরাস্ত হলে বল ধরে থ্রো করা বা টুকটাক স্লেজিং করেছেন বাংলাদেশের ফিল্ডাররা। আউট হওয়ার পর ‌’পকেটে কিছু ঢুকিয়ে নেয়া’র মতো উদযাপন করেছেন বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা।
ডেস্কঃ
বাংলাদেশ যখন ব্যাটিংয়ে নেমেছে ভারতীয়ও কম যায়নি। বল মিস করলেও ব্যাটসম্যানের সামনে গিয়ে স্লেজিং করেছে ভারতীয়রা। পুরো ম্যাচে এমনটাই চলেছে।

তবে মাঠের ঘটনা তো খেলা চলার সময়ই মানায়, এর বাইরে চলে গেলে সেটাকে আর পেশাদারিত্ব বলা যায় না। ম্যাচের পর ভারতীয় খেলোয়াড়রা বোধ হয় সেটা ভুলে গিয়েছিলেন।

প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল, তাদের উদযাপন তো বাধভাঙা হবেই। কিন্তু ভারতীয় খেলোয়াড়রা সেটা মেনে নিতে পারেননি। মেজাজ হারিয়ে পতাকা কেড়ে নেন এক খেলোয়াড়। ম্যাচের পর ভারতীয়রা ভদ্রতাসূচক করমর্দনও করেননি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এসআই নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক,৯ফেব্রুয়ারী
২০১৯ সালের পুলিশের বহিরাগত ক্যাডেট উপপরিদর্শক (এসআই-নিরস্ত্র) পদে নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।

রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পুলিশ সদরদফতরের রিক্রুটমেন্ট অ্যান্ড ক্যারিয়ার প্ল্যানিং-১ বিভাগের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) তামান্না ইয়াসমিন স্বাক্ষরিত ফলাফলটি প্রকাশিত হয়।

ফলাফলে পুলিশের লিখিত, অ্যাপটিটিউট ও মৌখিক পরীক্ষা শেষে ১৪০২ জনকে উত্তীর্ণ ঘোষণা করা হয়েছে।

এছাড়াও উত্তীর্ণদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করার পর রাজশাহীর সারদায় এক বছর মেয়াদী মৌলিক প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে হবে বলে জানানো হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

গ্রেড উন্নয়ন হলেও অসন্তোস প্রাথমিক শিক্ষকদের

ডেস্করিপোর্ট,৯ফেব্রুয়ারীঃ
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের গ্রেড উন্নীত করে বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছে। তবে নতুন বেতন গ্রেডে সন্তুষ্ট নয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ‘প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদের’ নেতারা। দ্রুত এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাতে ও পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করতে সভা ডাকা হবে বলে জানিয়েছেন সংগঠনের নেতারা।

রোববার এ সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে থেকে প্রকাশের পর প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদের সদস্য সচিব মো. শাসছুদ্দিন মাসুদ বলেন, প্রধান শিক্ষকদের ১০ম ও সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড উন্নীত করতে আমরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছি। বর্তমানে শিক্ষকদের দাবি-দাওয়ার আন্দোলন বন্ধ করতে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে এটি জোর করে চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমাদের দাবি যৌক্তিক বলে তা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব করে। অথচ অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে তা নাকচ করে শুধু সহকারী শিক্ষকদের ১৩তম গ্রেডে উন্নীত করা হয়েছে। শিক্ষকরা এটি মেনে নেবেন না, এর প্রতিবাদ জানাবে। আমাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। তবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন শিক্ষকদের গ্রেড পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত তুলে দেয়াকে তিনি সাধুবাদ জানিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, আমাদের দাবি বাস্তবায়নে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে। এ জন্য শিগগিরই কেন্দ্রীয় কমিটির সভা ডেকে নতুন এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানানো হবে। পাশাপাশি দাবি আদায়ে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে বলেও জানান তিনি।
বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাস বলেন, সরকারের গ্রেড উন্নয়নকে স্বাগত জানিয়েছে , পাশাপাশি সকল সহকারী শিক্ষক যেন এ সুবিধা পায় সে ব্যাপারটি নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানান।

উল্লেখ্য, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের ১৩তম গ্রেডে উন্নীত করা হয়েছে। রোববার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মনোয়ারা ইশরাত স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। গত বছরের ৭ নভেম্বর অর্থ বিভাগের সম্মতিক্রমে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মাঠ পর্যায়ের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতনস্কেল ১৪ থেকে ১৩তম গ্রেড উন্নীত করা হয়েছে। এ নির্দেশনার ফলে এখন থেকে সহকারী শিক্ষকরা যোগদানের পর ১৩তম গ্রেডে ১১ হাজার টাকা বেসিকসহ সকল সুবিধা পাবেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১৩তম গ্রেডে, আদেশ জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের ১৩তম গ্রেডে বেতন বাড়িয়ে আদেশ জারি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। আজ রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) জারি করা আদেশটি প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সূত্র জানায়, সহকারী শিক্ষকদের ১৩তম গ্রেডে বেতন এ আদেশ জারির তারিখ অর্থাৎ ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীণ উভয় শিক্ষকরাই ১৩তম গ্রেডে বেতন পাবেন। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০১৯ এর যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা অনুযায়ী পূরণযোগ্য পদের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা অনুযায়ী এ আদেশ কার্যকর হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রতিষ্ঠান প্রধানসহ শিক্ষকদের উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তি নিশ্চিত করার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের সাথে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধানদের উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান লিয়াজোঁ ফোরামের নেতারা। তাদের দাবি বিদ্যমান এমপিও নীতিমালায় অনুযায়ী শিক্ষক-কর্মচারীরা উচ্চতর গ্রেড পেলেও প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধানরা উচ্চতর গ্রেড বঞ্চিত হবেন। তাই, এমপিও নীতিমালা সংশোধন করে অবশ্যই প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধানদের উচ্চতর গ্রেড দেয়ার দাবি জানিয়েছেন সমিতির নেতারা। একই সাথে মুজিববর্ষে এমপিওভুক্ত সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সরকারিকরণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) এ সংক্রান্ত ৩ দফা দাবি জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব বরাবর চিঠি পাঠিয়েছেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান লিয়াজোঁ ফোরামের সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম রনি ও মহাসচিব মো. মেজবাহুল ইসলাম প্রিন্স।

শিক্ষক নেতাদের দাবিগুলো হল, এমপিওভুক্ত সব শিক্ষক-কর্মচারীকে উচ্চতর গ্রেড দিতে হবে, প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা সহকারী প্রধান শিক্ষকদেরকে অবশ্যই উচ্চতর গ্রেড দিতে হবে, মুজিববর্ষেই এমপিওভুক্ত সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সরকারিকরণ করতে ব্যবস্থা নিতে হবে।

চিঠিতে শিক্ষকরা জানান, ‘এমপিও নীতিমালা-২০১৮ এর ১১ এর ৫ ধারা অনুযায়ী এমপিওভুক্তির তারিখ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত সন্তোষজনক চাকরি পূর্ণ হলে পরবর্তী উচ্চতর বেতন গ্রেড প্রাপ্য হবেন শিক্ষকরা। পাশাপাশি পরবর্তী ৬ বছর পর একইভাবে পরবর্তী উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্য হবেন তারা। এমপিও নীতিমালার এ ধারা কার্যকর হলে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী শিক্ষকরা উচ্চতর গ্রেড থেকে বঞ্চিত হবেন বলে আশঙ্কা তাদের।’

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

করোনায় মৃত্যু ৮১২

ডেস্ক,৯ফেব্রুয়ারীঃ
২০০৩ সালে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া সার্স (সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোম) ভাইরাসকে ছাড়িয়ে গিয়েছে করোনাভাইরাস। ওই সময় ২৫টি দেশে আট মাসে সার্স ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন ৮০৯৮ জন এবং প্রাণ হারিয়েছিলেন ৭৭৪ জন।
আক্রান্তের সংখ্যার দিক থেকে অনেক আগেই সার্সকে ছাড়িয়েছে করোনাভাইরাস। এবার নিহতের সংখ্যায়ও সার্সকে পেছনে ফেলেছে করোনা। শনিবার পর্যন্ত চীনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে নিহত হয়েছেন ৮১২ জন।

শুধুমাত্র শনিবার চীনে করোনায় নিহত হয়েছেন ৮৯ জন। একইদিনে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৬৫৬ জন। এ নিয়ে চীনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮১২ জনে। এছাড়া মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭ হাজার ২৫১ জনে।

তবে চীনের স্বাস্থ্য কমিশন আশার কথা জানিয়ে বলেছে, করোনায় আক্রান্তের পর সুস্থ হয়ে ঘরে ফেরা মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। শনিবার পর্যন্ত ২ হাজার ৬৫১ সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন। তাদের মধ্যে একজন ম্যাকাওয়ের এবং একজন তাইওয়ানের। রোববার দেশটির স্বাস্থ্য কমিশন এসব তথ্য জানিয়েছে। খবর চায়না গ্লোবাল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক ও পিপলস ডেইলি চায়নার।

শনিবার পর্যন্ত চীনের মূল ভূখণ্ড ছাড়াও হংকংয়ে ২৬ জন, ম্যাকাওয়ে ১০ জন এবং তাইওয়ানে ১৭ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। ২৮ হাজার ৯৪২ জনকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

এরই মধ্যে চীনের সকল প্রদেশে শনাক্ত হয়েছে করোনাভাইরাস। নিহতদের বেশিরভাগই হুবেই প্রদেশের। প্রদেশটির উহান শহর থেকেই বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস। সংক্রমণ ঠেকাতে হাসপাতাল নির্মাণ, করোনাভাইরাস শনাক্তের কিট আবিষ্কারে সরকারি অনুমোদনসহ সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে চীন। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আতঙ্কে জনমানবশূন্য ভৌতিক এলাকায় পরিণত হয়েছে চীনের একেকটি গ্রাম ও শহর।

রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। উহান শহরে স্টেডিয়াম, কনফারেন্স সেন্টারসহ কয়েকটি ভেন্যুকে অস্থায়ী হাসপাতালে পরিণত করা হয়েছে। এই ভাইরাস মোকাবেলায় শুরু থেকে তাদের অবহেলা ও দুর্বলতার কথা স্বীকার করেছে চীন।

চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, নেপাল, জাপান, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া, শ্রীলঙ্কা, তাইওয়ান, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, জাপান, যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্তত ২৩টি দেশে শনাক্ত হয়েছে।

বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ডব্লিউএইচও। বিভিন্ন দেশ বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ নজরদারি জারি করেছে। এছাড়া প্রাথমিকভাবে কাউকে সন্দেহ হলে তাকে নজরদারিতে রাখা হচ্ছে।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের শরীরে প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে শ্বাসকষ্ট, জ্বর, সর্দি, কাশির মতো সমস্যা দেখা দেয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকে অনুত্তীর্নরা নিয়োগ চান

ডেস্ক,৯ফেব্রুয়ারীঃ
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮-এর চূড়ান্ত ফলাফলে যারা উত্তীর্ণ হতে পারেননি (লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ) তারা প্যানেলের মাধ্যমে নিয়োগ চান। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন অনুত্তীর্ণ আবেদনকারীরা।

এ লক্ষ্য আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি (রোববার) ‘প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ (২০১৮) প্যানেল বাস্তবায়ন কেন্দ্রীয় কমিটি’ চাঁদপুর জেলার পক্ষ থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়েছে।

মানববন্ধনের ব্যানারে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী মুজিবর্ষের কথা বিবেচনা করে হলেও যেনো সবাইকে প্যানেলের মাধ্যমে নিয়োগ প্রদান করা হয়। এ বিষয়ে তারা প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকের দফতরিদের চাকরি জাতীয়করণের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
মুজিববর্ষ শুরুর আগেই চাকরি জাতীয়করণের দাবি জানিয়েছেন প্রাথমিকের দফতরিরা। শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) মিরপুর চিড়িয়াখানা রোডের পাশের ঈদগাহ মাঠে সারাদেশ থেকে আসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দফতরি কাম নৈশ প্রহরীদের সমাবেশ থেকে এই দাবি জানানো হয়। সমাবেশে সংহতি প্রকাশ করেন শ্রমিক নেতা ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শাজাহান খান। ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় দফতরি কাম নৈশ প্রহরী’ সংগঠনের ব্যানারে এই সমাবেশ হয়।
শাজাহান খান বলেন, আমি আপনাদের দাবির সঙ্গে একমত। আপনাদের দাবি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেব। যেহেতু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই দফতরি কাম নৈশ্য প্রহরী পদ সৃষ্টি করে আপনাদের কাজের সুযোগ করে দিয়েছেন, তাই তিনি আপনাদের বিষয়টি বিবেচনা করবেন বলে আশা করি। কোনো রকম বিশৃঙ্খলা না করে নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় দাবি তুলে ধরার পরামর্শ দেন তিনি।

সংগঠনের সভাপতি মো. মামুন সরদার বলেন, আমরা দফতরিরা প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করি। স্কুলের যাবতীয় কাজ এই দফতরিরা করে থাকেন। তাই তাদের পরিবারের কথা চিন্তা করে জাতির জনকের কন্যা আমাদের বিষয়টি গুরুত্ব দেবেন, এই দাবি করি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী শুরুর আগেই সারাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দফতরি কাম নৈশ প্রহরীদের চাকরি জাতীয়করণের দাবি জানান তিনি। তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে দাবি তুলে ধরতে ঢাকাতে সমাবেশ করেছে দফতরি কাম নৈশ প্রহরীরা।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, আগামী ১৭ মার্চ মুজিববর্ষ শুরুর আগেই প্রধানমন্ত্রীকে আমাদের কথা চিন্তা করে সকল দফতরি কাম নৈশ প্রহরীদের চাকরি জাতীয় করণ করতে হবে।

সমাবেশ শেষে দফতরি ও নৈশ প্রহরীরা নিজ নিজ জেলার স্কুলের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রধানমন্ত্রীকে স্বপ্ন লিখে পাঠালো ৬০০ মেধাবী শিক্ষার্থী

ঝিনাইদাহ প্রতিনিধি,৮ ফেব্রুয়ারী:
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা থেকে ২০১৯ সালে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া ৬০০ মেধাবী শিক্ষার্থী তাদের নিজ নিজ স্বপ্ন লিখে পাঠিয়েছে প্রধানমন্ত্রী বরাবর।

প্রতি বছরের মতো এবারও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জাপানভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবী উন্নয়ন সংস্থা হাঙ্গার ফ্রি ওয়ার্ল্ড। শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে অনুষ্ঠানে মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে সার্টিফিকেট ও ক্রেস্ট তুলে দেয়া হয়।
পরে শিক্ষার্থীরা ৬০০ পোস্টকার্ডে নিজ নিজ স্বপ্ন লিখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবর পাঠিয়ে দেয়। এসব ক্ষুদে শিক্ষার্থী বড় হয়ে কী হতে চায় এবং কেমন বাংলাদেশ গড়তে চায়- তা লিখে পাঠায়।

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুবর্ণা রানী সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকার ইব্রাহিম মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ডা. আবু সাইদ, কালীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আশরাফুল আলম আশরাফ, উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান শিবলী নোমানী ও হাঙ্গার ফ্রি ওয়ার্ল্ডের কান্ট্রি ডিরেক্টর আতাউর রহমান মিটনসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

‘ভর্তিশূন্য’ ঢাকা মেডিকেলের আইসোলেশন ইউনিট

ডেস্ক,৮ ফেব্রুয়ারী:
করোনাভাইরাসের সতর্কতায় আগাম প্রস্তুতি হিসেবে ৩০ জানুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজে খোলা হয়েছিল আইসোলেশন ইউনিট। ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্বয়ংসম্পূর্ণ এ ইউনিটে কাউকে ভর্তি করা হয়নি।

সম্প্রতি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের কারণে রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক মীরজাদী সেব্রিনা স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে দেশের সব বিভাগীয় ও জেলা শহরের হাসপাতালে আইসোলেশন ইউনিট স্থাপনের নির্দেশনা দেয়া হয়। হাসপাতালগুলোতে কমপক্ষে পাঁচ শয্যার আইসোলেশন ইউনিট চালুর কথা বলা হয় নির্দেশনায়।

নির্দেশনা অনুযায়ী ঢামেক হাসপাতালের নতুন ভবনের নিচতলায় একিউট মেডিসিন বিভাগের একটি কক্ষকে আইসোলেশন ইউনিট হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এ ইউনিটে মোট ১০টি বেড রাখা হয়েছে।

jagonews24

এ বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা আগে থেকেই এ ভাইরাসের বিষয়ে অবগত। করোনাভাইরাস মোকাবিলার আগাম প্রস্তুতি এরই মধ্যে নিয়েছি। আমাদের আইসোলেশন ইউনিটে সিনিয়র-জুনিয়র চিকিৎসকরা থাকবেন। আমরা রোস্টার তৈরি করছি। রোস্টার অনুযায়ী চিকিৎসকরা দায়িত্বপালন করবেন।’

উল্লেখ্য, এ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, কম্বোডিয়া, কানাডা, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, হংকং, ভারত, ইতালি, জাপান, ম্যাকাও, মালয়েশিয়া, নেপাল, রাশিয়া, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া, স্পেন, শ্রীলঙ্কা, সুইডেন, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, আরব আমিরাত, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র এবং ভিয়েতনামে করোনাভাইরাস আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter