Home » টপ খবর (page 10)

টপ খবর

কিট হস্তান্তর করল গণস্বাস্থ্য, আসেননি সরকারের কেউ

অনলাইন,২৫ এপ্রিল, ২০২০:
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার্স ফর ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) কাছে করোনাভাইরাস পরীক্ষার কিট ‘জিআর কোভিড-১৯ ডট ব্লট’ হস্তান্তর করেছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।

আজ শনিবার (২৫ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে এ কিট হস্তান্তর করা হয়। তবে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য করোনাভাইরাস টেস্টিং কিট সরকারের কাছে হস্তান্তরের কথা থাকলেও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিল না সরকারের কোনো প্রতিষ্ঠান।

কিট হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, আমাদেরকে সিডিসি কনফার্ম করেছিল আসবে, একমাত্র তারাই এসেছে। সিডিসিকেই আমরা দিয়ে দেব। বাকিদেরকে আমরা কালকে সরকারিভাবে প্রত্যেকের অফিসে পৌঁছে দেব। আমাদের দুঃখ, আপনাদের সামনে হস্তান্তর করতে পারছি না।

ডা. জাফরুল্লাহ দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ওষুধ প্রশাসনের মহাপরিচালক (ডিজি) আমাকে জানিয়েছেন, আজকে তাঁরা আসতে পারবেন না। জানি না, আজকে তাঁরা কেন আসতে পারলেন না। মন্ত্রীকেও (স্বাস্থ্যমন্ত্রী) আমরা তিন দিন আগে এই অনুষ্ঠানে আসার জন্য অনুরোধ জানিয়েছিলাম। উত্তর পাইনি। মন্ত্রী এখন অত্যন্ত ব্যস্ত মানুষ। হতেই পারে। কারণে-অকারণে অনেক ব্যস্ত আছেন, লেনদেনের ব্যাপারও হয়তো আছে।

ডা. জাফরউল্লাহ আরো বলেন, আমরা আর্মি প্যাথলজি ল্যাবরেটোরিকেও আমন্ত্রণ করেছিলাম। তাঁরা অনুমতি পাননি বলে আসতে পারবেন না। আমরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমএসইউ) চেয়ারম্যান ফোন করে আমাকে জানিয়েছেন, তিনি অসুস্থ, তাই আসতে পারলেন না।

শুরুতেই অনুষ্ঠানস্থলে প্রদর্শিত মুক্তিযুদ্ধে নিয়াজীর আত্মসমর্পণের ছবিকে উদ্দেশ্য করে ডা. জাফরউল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘এটি হচ্ছে সেই ঐতিহাসিক ছবি যা সাক্ষ্য দেয় আমরা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলাম, শত্রুকে পর্যুদস্ত করেছিলাম এবং তারা আমাদের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল। আজ থেকে ৪৮ বছর আগে আমরা সেই বিজয় অর্জন করেছিলাম। ঠিক একইভাবে আজ এক মহাশক্তির বিরুদ্ধে আমাদের পদক্ষেপ এগিয়ে যাচ্ছে। এই শত্রুকে চোখে দেখা যায় না। কিন্তু এটি সারা পৃথিবীর অর্থনীতি, কৃষি, স্বাস্থ্য- সবকিছুকে পর্যুদস্ত করে দিচ্ছে। এর বিরুদ্ধে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র’র বিজ্ঞানী বিজন কুমার শীল তাঁর চারজন সহকারীকে নিয়ে একটি সরল পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন।

ডা. জাফরউল্লাহ বলেন, মুক্তিযুদ্ধ আমাদেরকে সাহস যুগিয়েছে, আমাদেরকে উদ্ভাবনী শক্তি যুগিয়েছে। আমরা মুক্তিযুদ্ধের মধ্যেই স্থাপন করেছিলাম বাংলাদেশ হাসপাতাল। ৪৮০ শয্যার সেই হাসপাতালে চিকিৎসক ছিলেন মাত্র চারজন। মাত্র চার সপ্তাহের প্রশিক্ষণ নিয়ে সেখানে আমাদের অনেক নারী সেবিকার দায়িত্ব পালন করেছিলেন। একইভাবে এবারের করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ জয়ী হবে বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

জাফরউল্লাহ আরো বলেন, ব্র্যাক যখন এক চিমটি লবণ, এক মুঠ গুড় ও আধা সের পানি’ ফর্মুলা নিয়ে মাঠে নামে, গ্রামে গ্রামে সাধারণ মানুষকে শেখায়, তখন অনেকেই সমালোচনা করেছিলেন- ‘এতে কোনো কাজ হবে’! অথচ সেটি ছিল একটি যুগান্তকারী ঘটনা। আজকে আমাদের এই উদ্ভাবনী নিয়েও দু-চারজনের মধ্যে একইরকম প্রশ্ন রয়েছে। কিন্তু আমরা মনে করি, আজ আমরা যেটি প্রকাশ করতে যাচ্ছি তা খাবার স্যালাইন উদ্ভাবনীর মতোই আরেক যুগান্তকারী ঘটনা। এটি খুবই সোজা একটি পদ্ধতি, কিন্তু গোটা বিশ্বেই বিরাট পরিবর্তন আনতে পারে।

‘আঠারো কোটি মানুষের দেশে চিকিৎসা খাতে পরিবর্তন কেবল ডাক্তারদের দ্বারা সম্ভব নয়। এর জন্য অন্য পেশার মানুষকেও এগিয়ে আসতে হবে’- বলেন ডা. জাফরউল্লাহ

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

দেখা গেল চাঁদ, কাল থেকে রোজা শুরু

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় দেশের আকাশে রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে মুসলমানদের সিয়াম সাধনার (রোজা) মাস পবিত্র রমজান শুরু হচ্ছে শনিবার (২৫ এপ্রিল)। চাঁদ দেখা যাওয়ায় আগামী ২০ মে বুধবার দিবাগত রাতে পবিত্র লাইলাতুল কদর পালিত হবে।

রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ও চাঁদ দেখা কমিটির সদস্য মো. নুরুল ইসলাম।

রমজান মাস শেষেই আসবে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর। এবার ২৯ দিনেই শেষ হলো শাবান মাস।

সভায় সচিব জানান, সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, আবহাওয়া অধিদফতর, মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের আকাশে হিজরি ১৪৪১ সনের রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। শনিবার থেকে রমজান মাস শুরু হচ্ছে।

আগামী ২০ মে বুধবার দিবাগত রাতে (রমজানের ২৭তম রাত) পবিত্র লাইলাতুল কদর পালিত হবে বলেও জানান তিনি।

আজ রাতেই (এশার নামাজের পর) ২০ রাকাত তারাবির নামাজ শুরু হবে। রোজা রাখতে শেষ রাতে সেহরি খাবেন মুসলমানরা। ঢাকায় প্রথম দিন সেহরির শেষ সময় রাত ৪টা ৫ মিনিট। প্রথম রোজার ইফতারের সময় ৬টা ২৮ মিনিট।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সূর্যের আলোতে কয়েক মিনিটেই মারা যায় করোনা : গবেষণা

জাগো নিউজ ডেস্ক,২৪ এপ্রিল:
সূর্যের আলোতে কয়েক মিনিটেই মারা যেতে পারে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্টের নতুন এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

ওই গবেষণায় বলা হয়েছে যে, সূর্যের অতি বেগুণী রশ্মির বিকিরণ করোনাভাইরাসের জেনেটিক উপাদানকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং এতে এর বিস্তার বাধাপ্রাপ্ত হয়।
হোমল্যান্ড সিকিউরিটি অ্যান্ড টেকনোলজি ডিপার্টমেন্টের উপদেষ্টা উইলিয়াম ব্রিয়ান হোয়াইট হাউস থেকে এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন গবেষণা সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, উচ্চ তাপমাত্রা ও আদ্রতা বৃদ্ধি করোনাভাইরাসের জন্য ক্ষতিকারক। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেছেন, গ্রীষ্মে হয়তো এই ভাইরাসের বিস্তার কমতে শুরু করবে।

এর আগেও এক গবেষণায় বলা হয়েছে যে, আর্দ্রতা এবং তাপমাত্রা বাড়িয়ে করোনার বিস্তার কমানো সম্ভব। এটা বিশ্বের যে কোনো স্থানের জন্যই প্রযোজ্য। তবে শুধুমাত্র আবহাওয়া পরিবর্তনের মাধ্যমেই এই ভাইরাসের প্রকোপ একেবারে বন্ধ করা সম্ভব নয়।

সে সময় চীনের বেইহাং এবং সিনঘুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক জানান, চীনের শতাধিক শহরে আবহাওয়া উষ্ণ এবং সেখানকার আদ্রতা বাড়তে থাকায় কোভিড-১৯য়ের প্রকোপ কমেছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

করোনার দুর্দিনে টেলিমেডিসিনই হোক সমাধান

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বিশ্বজুড়ে ডাক্তারের নিয়মিত পরামর্শ নেওয়া অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে টেলিমেডিসিন অ্যাপ্লিকেশন হয়ে উঠতে পারে খুবই কার্যকরি একটি সমাধান।

বৈশ্বিক মহামারি চলাকালে নিজের বাসা থেকে বের হওয়াই যখন অসম্ভব, তখন বিদেশে গিয়ে ডাক্তারি পরামর্শ নেওয়ার প্রশ্নই আসে না। এমন অবস্থায়, SeekMed-এর মতো একটি টেলিমেডিসিন অ্যাপের মাধ্যমে নিতে পারেন ভারতীয় বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ।

সংক্রামক কোভিড-১৯ (করোনাভাইরাস) ছড়িয়ে পড়েছে পুরো বিশ্বে। সারা বিশ্বে এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসে প্রায় ২৫ লাখ মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে লক্ষাধিক মানুষের। ইতিমধ্যে বাংলাদেশেও এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে হাজারো মানুষ। আশঙ্কার ব্যাপারটি হচ্ছে, আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। যে কারণে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা হয়ে পড়েছে আরও জরুরি।
করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে মূলত তিনটি উপায়ে: ১) কোনো ব্যক্তি যদি আক্রান্ত কারও সংস্পর্শে আসে, তাহলে সে ভাইরাসটি দ্বারা সংক্রমিত হতে পারে। ২) আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির মাধ্যমে তার ৬ ফুট দূরত্বে অবস্থানরত যে কেউ এই ভাইরাসটি দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে। ৩) জীবাণু ছড়িয়ে পড়েছে, এমন কোনো জায়গায় স্পর্শের মাধ্যমে বা জীবাণু যুক্ত হাতে মুখ বা চোখ স্পর্শ করার মাধ্যমে ভাইরাসটি শরীরে প্রবেশ করতে পারে। মারাত্মক ছোঁয়াচে এই ভাইরাসের কারণে যাঁরা চিকিৎসাসেবা প্রদান করছেন এবং যাঁদের চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করা প্রয়োজন, উভয় পক্ষই কঠিন এক পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছেন। যাঁরা সাধারণ চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতে চাইছেন, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তাঁরা নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যায় থাকা ব্যক্তিরা অনেক ক্ষেত্রে সঠিক চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন না।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সারা বিশ্বের প্রতিটি সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে, নিচ্ছে। ইতিমধ্যে আরোপ করতে হয়েছে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা। চলে যেতে হয়েছে লকডাউনে। ফলে মুখ থুবড়ে পড়েছে মেডিকেল ট্যুরিজম। চীন, ইতালি, সিঙ্গাপুর ও ভারতের মতো দেশগুলোতে চিকিৎসা গ্রহণের জন্য যাওয়া হয়ে পড়েছে অসম্ভব। বিদেশে চিকিৎসাসেবা গ্রহণের জন্য অধিকাংশ বাংলাদেশি ভরসা করে প্রতিবেশী দেশ ভারতের ওপর। কিন্তু করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ভারতও এই মুহূর্তে রয়েছে লকডাউনে। জারি করেছে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা। ঢুকতে দিচ্ছে না বাইরের কোনো নাগরিককে।

কিন্ত এই মহামারির মাঝেও অন্যান্য রোগে জরুরি ডাক্তারি পরামর্শ প্রয়োজন হতেই পারে। হয়তো কোনো একটি রোগ আপনাকে অনেক দিন ধরেই ভোগাচ্ছে। এবং আপনার মনে হচ্ছে, এই রোগটি নিয়ে আর অবহেলা করা উচিত হবে না। অথবা হঠাৎ করেই আপনি কোনো একটি রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। এবং আপনার দ্রুত ডাক্তারি পরামর্শ প্রয়োজন। কিন্তু মহামারী চলাকালে, যখন নিজের বাসা থেকে বের হলেই আপনি আক্রান্ত হতে পারেন একটি সংক্রামক রোগে, এমন অবস্থায় আপনি কীভাবে নেবেন বিশেষজ্ঞ ভারতীয় ডাক্তারের পরামর্শ?

ঠিক এই ক্ষেত্রেই সমাধান দিতে পারে SeekMed। ইন্টারনেটের এই যুগে, আপনি বাড়ির বাইরে পা না রেখেই নিতে পারেন কাঙ্ক্ষিত ডাক্তারের পরামর্শ। সুতরাং, SeekMed অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যবহার করে ভারতে না গিয়েই নিন প্রখ্যাত ভারতীয় বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের পরামর্শ। SeekMed-এর অফিশিয়াল পেমেন্ট পার্টনার বিকাশের মাধ্যমে ঘরে বসেই পেমেন্ট করুন। এবং ভিডিও কলের মাধ্যমে গ্রহণ করুন প্রয়োজনীয় ডাক্তারি পরামর্শ।
প্রথম আলো:

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এইচএসসি কবে শুরু, জানালো শিক্ষা মন্ত্রণালয়

অনলাইন ডেস্ক,২২ এপ্রিল:

করোনাভাইরাস সংক্রমণ মোকাবেলায় দেশের সবকিছু বন্ধ। এছাড়াও বন্ধ রয়েছে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। তবে এ পরীক্ষা কবে শুরু হচ্ছে সেই ব্যাপারে জানালো শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বড় এ পাবলিক পরীক্ষা আয়োজনের সময়সীমা কমিয়ে আনা হবে। শিক্ষার্থীদের সেশনজটে না ফেলতে বোর্ড চেয়ারম্যানদের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে এমন সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা সচিব মো. মাহবুব হোসেন দেশের সকল শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভা করেন। সেখানে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু করার বিষয়ে আলোচনা হয়। দ্রুত সময়ের মধ্যে পরীক্ষা শেষ করতে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এ কারণে পরীক্ষা আয়োজনের সময়সীমা ১ মাস ১৮ দিনের বদলে ১ মাসের মধ্যে তা শেষ করতে বোর্ড চেয়ারম্যানদের নতুনভাবে রুটিন তৈরি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে। তবে প্রতিটি পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত তিন ঘণ্টা সময় বহাল থাকবে বলে জানা গেছে।

গত ১ এপ্রিল থেকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু করতে রুটিন প্রকাশ করে দেশের সকল শিক্ষাবোর্ডগুলো। ১ এপ্রিল থেকে তত্ত্বীয় পরীক্ষা শুরু হয়ে ৪ মে পর্যন্ত চলার কথা ছিল। পরদিন ৫ মে থেকে ১৩ মে পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষে ১৮ মের মধ্যে সেসব উত্তরপত্র, স্বাক্ষরলিপি ও অন্যান্য কাগজপত্র রোল নম্বরের ক্রমানুসারে সাজিয়ে স্ব স্ব শিক্ষাবোর্ডে পাঠানোর নির্দেশনা দেয়া হয়। পরীক্ষার রুটিন অনুযায়ী ১ মাস ১৮ দিনে এ পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও দেশে করোনা পরিস্থিতির কারণে সকল প্রস্তুতি পিছিয়ে যায়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতির ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা আয়োজনের সময়সীমা কমিয়ে আনা হবে। দেড় মাসের বদলে এটি এক মাসের মধ্যে শেষ করা হতে পারে। এ বিষয়ে সচিব স্যারকে প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। তিনি এ প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন।’

চেয়ারম্যান বলেন, ‘আগে যে পরীক্ষাগুলোর মাঝে দুই থেকে তিনদিন বিরতি ছিল, তা কমিয়ে একদিন করে বিরতি দেয়া হতে পারে। যেহেতু পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য শিক্ষার্থীরা পর্যাপ্ত সময় পেয়েছে, তাই একদিন করে বিরতি দিয়ে পরীক্ষা নেয়া হলে পরীক্ষার্থীদের ওপর চাপ পড়বে না। ঈদের ছুটি শেষ হলে এ পরীক্ষা শুরু করা হতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ ও সম্ভাব্য সময় উল্লেখ করে আমরা দ্রুত পরীক্ষার নতুন রুটিন প্রস্তুতের কাজ শুরু করব। কাজ শেষ করার পর তা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। সেখান থেকে অনুমোদন দেয়া হলে তা চূড়ান্ত করে সকল শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে বলে জানান তিনি।

সভায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দীর্ঘসময় ধরে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এবার একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ঐচ্ছিক শিক্ষাছুটি সীমিত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। স্বাভাবিক পরিস্থিতি না থাকলে পরীক্ষার ফলাফল শিক্ষার্থীদের মোবাইলে এসএমএস পাঠিয়ে জানিয়ে দেয়া হবে। এছাড়া বোর্ডের ওয়েবসাইটেও ফল দেখা যাবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

দেশে নতুন করে ১০ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৩৯০

ডেস্ক,২২ এপ্রিলঃ

করোনা ভাইরাসে দেশে নতুন করে আরও ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৩৯০ জন। এনিয়ে দেশে সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩৭৭২ জনে। মোট মৃত্যু ১২০।

বুধবার আড়াইটায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩ হাজার ৯৬টি। এরমধ্যে শনাক্ত হয়েছেন ৩৯০ জন। মোট শনাক্ত ৩ হাজার ৭৭২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ১০ ‍মৃত্যুসহ মোট মৃত্যু হয়েছে ১২০ জনের। এ সময়ের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৫ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৯২ জন।

তিনি আরও বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় যাদের মৃত্যু হয়েছে তাদের ৭ জন পুরুষ, নারী ৩ জন। এদের মধ্যে ৭ জন ঢাকার। আর বাকি তিনজন ময়মনসিংহ, নারায়ণগঞ্জে ও টাঙ্গাইলের।

‘বয়স বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মৃতদের মধ্যে ষাটোর্ধ্ব ৩ জন, ৫১ থেকে ৬০ এর মধ্যে ২ জন, ৪১ থেকে ৫০ এর মধ্যে ৩ জন, ২১ থেকে ৩০ এর মধ্যে ২ জন।’

নাসিমা সুলতানা বলেন, ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৩ হাজার ৫২টি। পরীক্ষা করা হয়েছে ৩ হাজার ৯৬টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩২ হাজার ৬৭৪টি। গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ১৫০ জন। মোট আইসোলেশনে আছেন ৯০০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় হোম কোয়ারেন্টিনে এসেছেন ৩ হাজার ২৪০ জন। প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে এসেছেন ১ হাজার ৩২৭ জন। মোট কোযারেন্টিনে আছেন ৩ হাজার ৫৬৭ জন।

এসময় সিএমএসডি’র পরিচালক (ভান্ডার ও সরবরাহ) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।

দেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত (কোভিড-১৯) প্রথম রোগী শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। ১৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ফের ৫ মে পর্যন্ত বাড়লো সরকারি ছুটি

ডেস্ক,২২ এপ্রিল:

দেশের করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় সাধারণ ছুটি ৫ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। বুধবার বিকেলে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ছুটি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুন অনেক নির্দেশনাও এসেছে। নির্দেশনায় নতুন কিছু বিষয় রয়েছে।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার দেশের করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় সাধারণ ছুটির মেয়াদ আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর সুপারিশ করে করোনাভাইরাস প্রতিরোধের লক্ষ্যে গঠিত জাতীয় কমিটি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সর্বসম্মতভাবে ওই সুপারিশের সিদ্ধান্ত হয়।

উল্লেখ্য, বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ যেন ছড়িয়ে না পড়ে- সেটি প্রতিরোধে সরকারের নির্বাহী আদেশে চার দফায় আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে সাধারণ ছুটি চলছে।

গত ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত প্রথম দফায় ছুটি ঘোষণা করা হয়। করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে পরে এই ছুটি বাড়িয়ে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়। এরপর ১৪ এপ্রিল এবং সর্বশেষ ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি বাড়ানো হয়।করোনাভাইরাসের কারণে প্রথম দফায় ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি দেয়া হয়েছিল। এরপর ছুটি বাড়িয়ে তা ১১ এপ্রিল করা হয়। ছুটি তৃতীয় দফা বাড়িয়ে করা হয় ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত। এরপর চতুর্থ দফায় ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি বাড়ানো হয়। এবার পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে পঞ্চম দফায় ছুটি বাড়ানো হল।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

স্কুল বন্ধে সময় কাটুক 10 minute live school এ

নিজস্ব প্রতিবেদক,২১ এপ্রিল:
করোনা ভাইরাসে আজ বাংলাদেশসহ বিশ্বের অধিকাংশ দেশ আক্রান্ত। বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সকল অফিস আদালত বন্ধ।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ছে। বৈশ্বিক এ দুর্যোগের মধ্যেও শিক্ষার্থীরা যেন তথ্য প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে তাদের শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে পারে সে লক্ষে a2i নির্দেশনায় ৩য় শ্রেণি হতে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম চালানোর সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
10 minute live school এ মুলত গণিত বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে প্রতিদিন লাইভ/ভিডিও ক্লাস আপলোড করা হয়। ক্লাসটি পরিচালনা করেন গণিত শিক্ষক স্বরুপ দাস।
প্রতিদিন বিষয়ভিত্তিক স্বনামধন্য শিক্ষকরা ক্লাস নিচ্ছেন।
এ স্কুলের সাথে যুক্ত হতে আপনি এখনি
www.facebook.com/10minuteliveschool এ ফেসবুক পেজে লাইক দিন।
ফেসবুকে ক্লাসগুলো শেয়ার করে অন্যকে দেখার সুযোগ করে দিন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সাধারণ ছুটি আরও বাড়তে পারে

প্রথম আলো:
করোনা–পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে না আসায় সাধারণ ছুটি আরও বাড়াতে যাচ্ছে সরকার। এ বিষয়ে আগামীকাল বুধবার ঘোষণা আসতে পারে বলে জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

ছুটি বাড়ানো হচ্ছে কি না, জানতে চাইলে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজ মঙ্গলবার ইউএনবিকে বলেন, ‘অবশ্যই! এখনো অফিস খুলে দেওয়ার সময় আসেনি। এখন করোনার চূড়ান্ত সময় যাচ্ছে।’
অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ছুটি বর্ধিত বিষয়ে এখনো কোনো নির্দেশনা আসেনি। আগামীকাল (বুধবার) হয়তো নির্দেশনা আসতে পারে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, এবার বর্ধিত ছুটি ঘোষণা হলে তাতে কিছু নতুন নির্দেশনা থাকতে পারে। তবে বিষয়টি চূড়ান্তভাবে বলা যাবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার পর।

তবে একই বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে জনপ্রশাসনসচিব শেখ ইউসুফ হারুন ইউএনবিকে বলেন, ‘এখনো ছুটি বর্ধিত করার বিষয়ে কোনো নির্দেশনা পাওয়া যায়নি।’

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে প্রথম দফায় গত ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি অফিসে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। দ্বিতীয় দফায় তা ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত এবং তৃতীয় দফায় ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

তবে সাধারণ ছুটির মধ্যেই সীমিত আকারে খোলা রয়েছে ব্যাংকগুলো। পাশাপাশি নিত্যপণ্য, ওষুধসহ জরুরি সেবাগুলো খোলা রয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

চুয়াডাঙ্গায় আরও একজনের শরীরে করোনা: শতাধিক বাড়ি লকডাউন

অনলাইন রিপোর্টার,২১ এপ্রিল: চুয়াডাঙ্গার বেগমপুর গ্রামে এক ব্যক্তি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিভিল সার্জন ডা: এএসএম মারুফ হাসান।

আক্রান্ত ওই ব্যক্তি তথ্য গোপন করে গত তিনদিন নিজ গ্রামে স্বাভাবিক চলাফেরা করেছেন বলে অভিযোগ গ্রামবাসীর।

সোমবার (২০শে এপ্রিল) রাতে বিষয়টি জানাজানি হলে গোটা জেলা জুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। আক্রান্তের তথ্য গোপন করে গ্রামটিকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলায় পরিবারের সদস্যদের বিচারের দাবি তোলেন অনেকে। যদিও আক্রান্ত ব্যক্তির ছেলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক বার্তায় তার বাবা করোনা আক্রান্তের কথা স্বীকার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন সোমবার বিকালেই আইইডিসিআর থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে বিষয়টি। ফেরেন।

আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) তাকেসহ পরিবারের আরো দুইসদস্যকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবশ্য আক্রান্ত ব্যক্তির বাড়িসহ গ্রামের শতাধিক বাড়ি লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিভিল সার্জনকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

জুন পর্যন্ত কারা ত্রাণ পাবে তালিকা হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক,২১ এপ্রিল:
আগামী জুন পর্যন্ত সময়ে কতজনকে ত্রাণ দিতে হবে এবং বর্তমান দেশের উপকারীভোগীদের ডেটাবেইজ তৈরির জন্য একটি কমিটি করেছে সরকার। এ কমিটি সংখ্যা নিরূপণের পাশাপাশি কি পরিমাণ ত্রাণ লাগবে তা জানাবে।

এছাড়া ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ৩৩৩ নম্বরে কল করে যে কেউ যাতে ত্রাণ ও খাদ্য সহায়তা চাইতে পারেন সেজন্য সফটওয়্যার তৈরির লক্ষ্যে একটি ব্যবস্থাপনা এবং একটি কারিগরি কমিটি গঠনেরও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

১১ সদস্যের এ কমিটিতে উপকারভোগীর সংখ্যা নিরূপণে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত সচিব মো. আকরাম হোসনকে আহ্বায়ক করা হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মোয়াজ্জেম হোসেন ও রওশন আরা বেগম এবং উপসচিব এ কে এম মারুফ হাসানকে কমিটিতে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে।

এছাড়া দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের পরিচালক মো. ইফতেখারুল ইসলাম ও হাবিবুল্লাহ বাহার, ত্রাণ সচিবের একান্ত সচিব শাব্বির আহমেদ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মো. শাহজাহান এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রোগ্রামার মোহাম্মদ আব্দুল কাদের সদস্য হিসেবে আছেন এই কমিটিতে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম এই কমিটির সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।

এছাড়া প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান এবং অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক এস এম হুমায়ূন রশিদ তরুণ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবেন বলে আদেশে জানানো হয়েছে।

সব বিভাগ থেকে প্রাপ্ত সারা দেশের উপকারভোগীর তালিকা এবং এপ্রিল থেকে আগামী জুন মাস পর্যন্ত তাদের ত্রাণ দিতে কী পরিমাণ চাল লাগবে তা এই কমিটিকে নির্ধারণ করতে বলা হয়েছে।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি কর্মহীনদের তাৎক্ষণিক মানবিক সহায়তা দিতে সরকার আট দফায় ৬৪ জেলার জন্য সরকার ৪৭ কোটি ৩৫ লাখ ৭২ হাজার ২৬৪ টাকা এবং ৯৪ হাজার ৬৬৭ মেট্রিকটন চাল বরাদ্দ দিয়েছে।

অন্যদিকে দুর্যোগের সময়ে জনগণের বৃহত্তর কল্যাণে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং এটুআই এর সহযোগিতায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে সফটওয়্যার তৈরি করতে ব্যবস্থাপনা কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. শাহ কামালকে।

সাত সদস্যের এই কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ফয়জুর রহমান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মোহসীন, এসএমওডিএমআরপিএ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক সত্যেন্দ্র কুমার সরকার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহ মোহাম্মদ নাছিম এবং ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির পরিচালক আহমাদুল হক।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আকরাম হোসেনকে এই কমিটির সদস্য সচিব করা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকের এক শিক্ষিকা তার বেতনের ২৫ ভাগ দিতে চায় দুস্থ মানুষদের

নিজস্ব প্রতিবেদক,২১ এপ্রিল
করোনার কারণে স্থবির দেশ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ অফিস আদালত সবকিছু বন্ধ। এমন অবস্থায় দিন এস খাওয়া মানুষরা পড়েছে বিপাকে। তবে তাদের পাশে দাঁড়াতে চায় এক প্রাথমিক শিকিক্ষা। মাঈশা মেহজাবিন নামে একজন প্রাথমিক শিক্ষকদের একটি গ্রুপ প্রাথমিক শিক্ষক বাতায়নে পোস্ট দিয়েছেন। শিক্ষাবার্তার পাঠকদের জন্য পোষ্টটি তুলে ধরা হল।
প্রাথমিক শিক্ষক বাতায়ন

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটি কমছে !

ডেস্ক,২১ এপ্রিল:
করোনাভাইরাসের প্রকোপে সসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমনকি অফিস আদালত কয়েক দফায় ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার।

আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব অফিস আদালত বন্ধ থাকবে। জরুরি প্রয়োজনে সীমিত আকারে ব্যাংক, আর জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান খোলা রয়েছে। এবার একাডেমিক কালেন্ডার অনুযায়ী ঐচ্ছিক শিক্ষা ছুটি সীমিত করার কথা ভাবছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

যার ফলে ঈদ উল আজহার ছুটি ১৫ দিন কমিয়ে তা ১০ দিন ও দুর্গাপুজার ছুটি সাত দিন কমিয়ে তিন দিন করা হতে পারে। সেই সঙ্গে শ্রেণিকক্ষে ক্লাসের সময় ৪০ মিনিটের পরিবর্তে এক ঘণ্টা করা হবে।

আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ১০ টায় শিক্ষা সচিব মাহাবুব হোসেনের সঙ্গে সারাদেশের ১০টি শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্টসহ সংশ্লিষ্টদের ভিডিও কনফারেন্সে এই সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

মিটিং শেষে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মোকবুল হোসেন রাজশাহী প্রতিনিধিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ ব্যাপারে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, ‘এই ছুটিগুলো আমরা সমন্বয় করতে পারি। এ বিষয়ে একটি আলোচনা হয়েছে। ছুটিগুলো সমন্বয় করলে আমাদের যে সময়টা চলে গেছে, সেই সময়টা কাভার হবে। বিষয়টি আলোচনা হয়েছে। এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি। বিষয়টি স্টাডি করে ওয়ার্কআউট করে আমরা সচিব মহোদয়কে দেবো তারপর উনারা সিদ্ধান্ত নেবেন।’

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ঘরেই যেভাবে করোনা রোগীদের চিকিৎসা করবেন!

যেভাবে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে ঘরে থাকা রোগীদের

ঢাকার একজন চিকিৎসক গত সোমবার জানতে পারেন তার করোনাভাইরাস হয়েছে। এরপর তিনি প্রায় পাঁচদিন ধরে ঘরে কোয়ারেন্টিনে থেকেই কোভিড-১৯ এর চিকিৎসা নিচ্ছেন।

শুক্রবার করোনাভাইরাসের উপসর্গ দেখা দেয়ার পর রোববার তার নমুনা পরীক্ষা করা হয় এবং উপসর্গ মৃদু হওয়ায় চিকিৎসকদের সাথে পরামর্শের ভিত্তিতে তিনি ঘরে চিকিৎসা নেয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

তিনি বলেন, ‘কোয়ারেন্টিনের শুরু থেকে আমি আলাদা একটি রুমে আছি, যেই রুমের সাথে বাথরুম আছে। আমার খাবার রুমের বাইরে রেখে যাওয়া হয় এবং আমি এখন পর্যন্ত ঐ ঘর থেকে বের হইনি।’

শুরুতে জ্বর, কাশি, শরীরে ব্যথা হওয়ার মত কিছু উপসর্গ দেখা গিয়েছিল তার। তবে কয়েকদিন ঘরে চিকিৎসা নেয়ার পর তার উপসর্গ ধীরে ধীরে স্বাভাবিক মাত্রায় নেমে এসেছে বলে জানান তিনি।

চিকিৎসকদের সাথে তিনি নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। চিকিৎসকরা তাকে নির্দিষ্ট কয়েকটি ওষুধ খাওয়ার পরামর্শ দেয়ার পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাস ও স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত উপদেশ দিয়েছেন বলে জানান ওই নারী। তাকে পানীয় জাতীয় খাবার নিয়মিত খাওয়া, প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি – যেমন লেবু, কমলালেবু ইত্যাদি ফল খাওয়া এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার উপদেশ দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘পানি, স্যালাইনের মত তরল খাবার খাওয়ার পেছনে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এছাড়া নিয়মিত গরম খাবার বা গরম পানীয় খাচ্ছি। পাশাপাশি নাকেমুখে পানির বাষ্প নেয়াও অব্যাহত রেখেছি।’

তিনি জানান, নিয়মিত চিকিৎসকদের সাথে যোগাযোগের সময় তার উন্নতি ও উপসর্গের মাত্রা যাচাই করে চিকিৎসকরা তার পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে মন্তব্য জানান।

চিকিৎসকরা কীভাবে ঘরে থাকা রোগীদের সেবা দিচ্ছেন?

ঘরে কোয়ারেন্টিন অবস্থায় থাকার ক্ষেত্রে এই নারী বা তার পরিবারের সদস্যরা সামাজিকভাবে কোনওধরনের বিরূপ মনোভাবের শিকার না হলেও তার পরিচিত কয়েকজন আক্রান্ত রোগী নানা ধরণের জটিলতার মধ্যে পড়েছেন বলে জানান।

আর বাংলাদেশে করোনাভাইরাস আক্রান্ত অনেকেই এই ধরনের সমস্যার মধ্যে পড়ছেন বলে মন্তব্য করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টার্নাল মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নাজমুল হাসান। তিনি বাড়িতে চিকিৎসাধীন করোনাভাইরাস রোগীদের খোঁজখবর রাখছেন।

পরিবার বা বাড়িতেকোয়ারেন্টিন করার পরিস্থিতি না থাকা, হল বা মেসে থাকায় সেবাযত্ন করার মানুষ না থাকায় এবং অনেকসময় পাড়া প্রতিবেশী বা বাড়িওয়ালার আপত্তিতেও মানুষের ঘরে বসে চিকিৎসার কাজ ব্যাহত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন নাজমুল হাসান।

তিনি বলেন, ‘অনেকেই রয়েছেন যাদের অল্প উপসর্গ রয়েছে ও বাসায় চিকিৎসা করা সম্ভব, কিন্তু নানা সমস্যার কারণে তাদের ঘরে চিকিৎসা করা সম্ভব হচ্ছে না – এই ধরনের রোগীদের ক্ষেত্রে বেশ সমস্যা হচ্ছে আমাদের।’

তবে বাংলাদেশের অধিকাংশ কোভিড-১৯ রোগীকে এখন ঘরে রেখে চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হলেও যাদের ডায়াবেটিস, হৃদরোগ বা কিডনির সমস্যা রয়েছে, তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে বলে জানান নাজমুল হাসান।

ডাক্তার হাসান জানান, ঘরে যারা চিকিৎসা নেন, তাদের ক্ষেত্রে মূলত কয়েকটি বিষয়ে নিয়মিত খোঁজখবর রাখা হয়। কাশি অনেক বেড়ে যাচ্ছে কিনা, শ্বাসকষ্ট হঠাৎ বেড়ে যাচ্ছে কিনা, জ্বরের তীব্রতা বেড়ে অজ্ঞান ভাব হচ্ছে কিনা এবং শারীরিক অস্বস্তি চরম পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে কিনা।

ঘরে থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকেরা এ বিষয়গুলোর নিয়মিত খোঁজখবর রাখছেন। অবস্থা খারাপ হলে তারা সঙ্গে সঙ্গে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ঢাকার ১০৮ স্থানে করোনার হানা, জেনে নিন কোথায় কতজন

ডেস্ক,১৮ এপ্রিল:

গতকাল পর্যন্ত করোনাভাইরাসে নতুন করে ১৫ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। এ নিয়ে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ৭৫ জন। এছাড়াও গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ২৬৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১,৮৩৮।

করোনায় একদিনে মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা এটি সর্বোচ্চ। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বেলা আড়াইটায় অনলাইন ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বাংলাদেশে আক্রান্ত রোগীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যাক ঢাকায়। ঢাকা মহানগরীতে ৭৪০ জন আক্রান্ত হয়েছে। চলুন এক নজরে দেখে নেই ঢাকার আক্রান্ত এলাকা ও এর সংখ্যা-

১. মিরপুর এলাকা ৫০ জন। ২. ওয়ারী ২৭ জন। ৩. মোহাম্মদপুর ২৬ জন। ৪. যাত্রাবাড়ী ২৫ জন। ৫. লালবাগ ২১ জন। ৬. উত্তরা ২০ জন। ৭. টোলারবাগ ১৯ জন। ৮. ধানমন্ডি ১৮ জন। ৯. বাসাবো ১৭ জন। ১০. মিটফোর্ড ১৭ জন। ১১. তেজগাঁও ১৬ জন। ১২. হাজারীবাগ ১৫ জন। ১৩. বংশাল ১৫ জন। ১৪. গেন্ডারিয়া ১৪ জন। ১৫. গুলশান ১৩ জন।

১৬. রাজারবাগ ১৩ জন। ১৭. মহাখালী ১২ জন। ১৮. বাবু বাজার ১১ জন। ১৯. মগবাজার ১১ জন। ২০. আজিমপুর ১১ জন। ২১. গ্রিন রোড ১০ জন। ২২. চকবাজার ১০ জন। ২৩. সুত্রাপুর ৯ জন। ২৪. বাড্ডা ৮ জন। ২৫. বনানী ৮ জন। ২৬. শান্তিনগর ৭ জন। ২৭. শাঁখারীবাজার ৭ জন। ২৮. শাহবাগ ৬ জন। ২৯. ইস্কাটন ৬ জন। ৩০. চানখারপুল ৬ জন।

৩১. আদাবর ৫ জন। ৩২. জিগাতলা ৫ জন। ৩৩. বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা ৫ জন। ৩৪. নাখালপাড়া ৫ জন। ৩৫. রমনা ৫ জন। ৩৬. লক্ষ্মীবাজার ৪ জন। ৩৭. কোতয়ালী ৪ জন। ৩৮. রামপুরা ৪ জন। ৩৯. মালিবাগ ৪ জন। ৪০. কামরাঙ্গীরচর ৪ জন। ৪১. শ্যামলী ৪ জন। ৪২. নারিন্দা ৩ জন। ৪৩. সোয়ারীঘাট ৩ জন। ৪৪. বেইলী রোড ৩ জন। ৪৫. কাজীপাড়া ৩ জন।

৪৬. হাতিরপুল ৩ জন। ৪৭. মুগদা ৩ জন। ৪৮. গুলিস্তান ৩ জন। ৪৯. সিদ্ধেশ্বরী ৩ জন। ৫০. জুরাইন ৩ জন। ৫১. গোপীবাগ ৩ জন। ৫২. ইসলামপুর ২ জন। ৫৩. পুরানা পল্টন ২ জন। ৫৪. শাহ আলীবাগ ২ জন। ৫৫. পীরেরবাগ ২ জন। ৫৬. আগারগাঁও ২ জন। ৫৭. কদমতলী ২ জন। ৫৮. জেলগেট ২ জন। ৫৯. সবুজবাগ ২ জন। ৬০. ডেমরা ২ জন। ৬১. নবাবগঞ্জ ২ জন।

৬২. বসিলা ১ জন। ৬৩. সেন্ট্রাল রোড ১ জন। ৬৪. বুয়েট এলাকা ১ জন। ৬৫. উর্দু রোড ১ জন। ৬৬. শাজাহানপুর ১ জন। ৬৭. নিকুঞ্জ ১ জন। ৬৮. আশকোনা ১ জন। ৬৯. দয়াগঞ্জ ১ জন। ৭০. ধোলাইখাল ১ জন। ৭১. শনির আখড়া ১ জন। ৭২. হাতিরঝিল ১ জন। ৭৩. মানিকদী ১ জন। ৭৪. বেড়িবাঁধ ১ জন। ৭৫. বেগুনবাড়ী ১ জন। ৭৬. ঢাকেশ্বরী ১ জন।

৭৭. সায়েদাবাদ ১ জন। ৭৮. ফার্মগেট ১ জন। ৭৯. নবাবপুর ১ জন। ৮০. রায়ের বাজার ১ জন। ৮১. আরমানিটোলা ১ জন। ৮২. বানিয়ানগর ১ জন। ৮৩. খিলগাঁও ১ জন। ৮৪. কুড়িল ১ জন। ৮৫. মতিঝিল ১ জন। ৮৬. শান্তিবাগ ১ জন। ৮৭. শ্যামপুর ১ জন। ৮৮. ভাটারা ১ জন। ৮৯. কল্যাণপুর ১ জন। ৯০. মাতুয়াইল ১ জন। ৯১. রায়েরবাগ ১ জন।

৯২. বেগমবাজার ১ জন। ৯৩. বকশীবাজার ১ জন। ৯৪. তেজতুরী বাজার ১ জন। ৯৫. ফরিদাবাগ ১ জন। ৯৬. কারওয়ান বাজার ১ জন। ৯৭. কচুক্ষেত ১ জন। ৯৮. সায়েন্সল্যাব ১ জন। ৯৯. শেওড়াপাড়া ১ জন। ১০০. শেখের টেক ১ জন। ১০১. ক্যান্টনমেন্ট ১ জন। ১০২. গোড়ান ১ জন। ১০৩. খিলক্ষেত ১ জন। ১০৪. কলতা বাজার ১ জন। ১০৫. মালিটোলা ১ জন। ১০৬. মোহনপুর ১ জন। ১০৭. সদরঘাট ১ জন। এবং ১০৮. পুরান ঢাকার ওয়ারী ২৭ জন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter