Home » টপ খবর (page 10)

টপ খবর

অটোপাস দিতে পারবে স্কুল-কলেজগুলো

ডেস্ক | ০৫ জুলাই, ২০২০
প্রাণঘাতী করোনার মধ্যে স্কুল-কলেজের অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা নেয়ার বাধ্যবাধকতা রাখার পক্ষে নয় শিক্ষা প্রশাসন। অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা না নিয়েও পরবর্তী ক্লাসে শিক্ষার্থীদের উত্তীর্ণ করতে পারবে স্কুল কলেজ। ফলে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কোন পরীক্ষা ছাড়াই দ্বাদশ শ্রেণিতে উন্নীত করার ক্ষেত্রেও কোন বাধা নেই। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটির প্রধান ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেছেন, অভ্যন্তরীণ পরীক্ষার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। এদিকে করোনার মধ্যেই বিভিন্ন শ্রেণিতে পরীক্ষা গ্রহণের নোটিস ও ফি আদায়ের নামে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার (৫ জুলাই) জনকণ্ঠ পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়। প্রতিবেদনটি লিখেছেন বিভাষ বাড়ৈ।
প্রতিবেদনে আরও জানা গেছে, প্রাণঘাতী করোনার ছোবলের কারণে প্রতিষ্ঠান বন্ধে সঙ্কটে পড়েই কিছু প্রতিষ্ঠান তাদের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা না নিয়ে দ্বাদশ শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করেছে। আরও কিছু প্রতিষ্ঠান শিক্ষা বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করে একই পদক্ষেপে যাচ্ছে। ঠিক এমন অবস্থার প্রেক্ষাপটে শিক্ষা প্রশাসন শিক্ষার্থীদের ‘অটোপ্রমোশন’ বা পরীক্ষা ছাড়া পরবর্তী ক্লাসে উত্তীর্ণ করার বিষয়ে নমনীয় অবস্থান নিয়েছে শিক্ষা প্রশাসন। অভ্যন্তরীণ পরীক্ষার বিষয়ে পৃথক কোন আদেশ জারি না করলেও কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অভ্যন্তরীণ পরীক্ষার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তারা পরীক্ষা ছাড়াই পরবর্তী ক্লাসে শিক্ষার্থীদের উন্নীত করতে পারবে। এখানে শিক্ষা বোর্ডের কোন আপত্তি নেই।

করোনাভাইরাসের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বন্ধ আছে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এ সময়ে অনুষ্ঠিত হয়নি অভ্যন্তরীণ কোন পরীক্ষা। সেশনের সময় চলে যাওয়ায় একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে কলেজগুলো। আগামী বছর এপ্রিল মাসে তাদের এইচএসসি পরীক্ষা নির্ধারিত আছে। চলমান পরিস্থিতির কারণে রাজধানীর নটরডেম কলেজের একাদশ শ্রেণি থেকে সকল শিক্ষার্থীকে পরীক্ষা ছাড়া দ্বাদশ শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করা হয়েছে।

উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের আগামী ২৬ তারিখের মধ্যে দ্বাদশ শ্রেণিতে ভর্তি ফি’র নয় হাজার ৪০০ টাকাসহ চলতি জুলাই মাস ও আগামী আগস্ট এবং সেপ্টেম্বর মাসের সাত হাজার ৮০০ টাকা পরিশোধের জন্য নোটিস দিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

দ্বাদশে অটোপ্রমোশন নিয়ে আপত্তি না থাকলেও ফি আদায়ের এমন আদেশে ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা। তাদের দাবি, শিক্ষা মন্ত্রণালয় করোনাকালে টিউশন ফি আদায়ে শিক্ষার্থীদের চাপ দিতে নিষেধ করেছে। সেখানে এভাবে নোটিস দিয়ে তিন মাসের বেতন ফি পরিশোধ করতে বলা আপত্তিজনক।

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজও পরীক্ষা ছাড়া দ্বাদশে শিক্ষার্থী উন্নীত করেছে। তবে প্রতিষ্ঠানটি বলছে, তারা একাদশের দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষার ভিত্তিতে পদোন্নতি দিয়েছে শিক্ষার্থীদের। ভিকারুননিসা নূন স্কুল এ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ফওজিয়া জানিয়েছেন, একাদশের প্রথম ও দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের দ্বাদশে উত্তীর্ণ করার চিন্তা করছেন তারা। রাজধানীর আরও অনেক প্রতিষ্ঠানে একই প্রক্রিয়ায় চলমান এ শিক্ষা সঙ্কট উত্তরণের চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে। যদিও এক্ষেত্রে প্রায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানই শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে অনুমতি নিতে চাচ্ছে।

এমন অবস্থার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটির প্রধান ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক শনিবার বলেছেন, অভ্যন্তরীণ পরীক্ষার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তারা পরীক্ষা ছাড়াই পরবর্তী ক্লাসে শিক্ষার্থীদের উন্নীত করতে পারবে। এখানে শিক্ষা বোর্ডের কোন আপত্তি নেই।

আর সব বিষয়ে তো শিক্ষা বোর্ড হস্তক্ষেপ করতে পারেনা। এটা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব সিদ্ধান্তের বিষয়। বোর্ড কোন আপত্তি করবেনা। এজন্য আলাদা আদেশ দেয়ার কোন প্রয়োজনও নেই। করোনার এই সময়ে সকল প্রতিষ্ঠানেই শ্রেণিতে কাজ বন্ধ আছে। বন্ধ আছে পরীক্ষা। তবে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক রেকর্ড কলেজে আছে। সেটার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের পরের ক্লাসে উত্তীর্ণ দেখাতে পারে।

এদিকে করোনার মধ্যেই বিভিন্ন শ্রেণিতে পরীক্ষা গ্রহণের নোটিস ও ফি আদায়ের নামে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে রাজধানীর অনেক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। আগামী ১৫ জুলাই দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা নেয়া হবে বলে হঠাৎ করে আদেশ জারি করেছে সরকারী অবকাঠামোসহ নানা সুযোগ নিয়ে চলা রাজধানীর বিয়াম মডেল স্কুল এ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ।

ইস্কাটনে অবস্থিত এ প্রতিষ্ঠান সরকারী নানা সুযোগ পেলেও মাসিক উচ্চ বেতনের এ প্রতিষ্ঠানে সকল বকেয়া একসঙ্গে দেয়ার জন্য চাপ দেয়া হচ্ছে। এখানে দফায় দফায় অভিভাবকদের নোটিস দেয়া হচ্ছে বেশ কয়েকদিন ধরেই। এর সঙ্গে এবার যুক্ত হয়েছে বিভিন্ন শ্রেণিতে দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা গ্রহণের নোটিস। অভিভাবকদের মোবাইলে পরীক্ষা নেয়ার নোটিস পাঠানো হলেও কিভাবে এখন পরীক্ষা নেয়া হবে তার কোন সদুত্তরও দিচ্ছেনা কর্তৃপক্ষ।

এক অভিভাবক বলছিলেন, সেলফোনে জানানো হয়েছে ১৫ জুলাই পরীক্ষা। কিভাবে পরীক্ষা নেয়া হবে জানতে চাইলে বলা হয় ‘আমরাও এখনও জানিনা কিভাবে পরীক্ষা হবে’।

বসুন্ধরায় অবস্থিত হার্ডকো ইন্টারন্যাশনাল স্কুল করোনাকালে বন্ধের সময়ে টিউশন ফি দিতে ব্যর্থ শিক্ষার্থীদের পরবর্তী ক্লাসে প্রমোশন আটকে দিয়েছে। বকেয়া পরিশোধ করে সন্তানদের স্কুল থেকে টিসি নিয়ে যেতে অভিভাবকদের নোটিস দিয়েছে। এই নোটিসের প্রতিবাদে এবং করোনাকালীন সময়ে টিউশন ফি ৫০ শতাংশ করার দাবিতে শনিবার সকালে অভিভাবকরা স্কুলের সামনে মানববন্ধন করেছেন। তারা অবিলম্বে এই নোটিস প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।

মানববন্ধনে অভিভাবক ফোরামের আহ্বায়ক কল্যাণ ওয়ার্দ্দার, পারভিন আখতার, সাকলায়েন, মঞ্জুর এ চৌধুরী, জাহিদুর রহমান, আশফাক চৌধুরী বক্তব্য রাখেন। মানববন্ধন শেষে তারা স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি দেন।

অভিভাবকরা বলেছেন, গত ২৯ জুন এই নোটিস পাঠানো হয়েছে স্কুল থেকে। বকেয়া টিউশন ফি পরিশোধের শেষ দিন ছিল ২৫ জুন। ১ জুলাই থেকে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হলেও টিউশন ফি পরিশোধ না করায় বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী নতুন ক্লাসে এখনও প্রমোশন পায়নি। অনলাইনে ফাইনাল পরীক্ষা নেয়া হলেও ফি যাদের বাকি রয়েছে সবার ফল ও রিপোর্ট কার্ড আটকে দেয়া হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষক প্রশিক্ষণের নামে টেসলের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৫ জুলাই, ২০২০

শিক্ষকদের উচ্চারণ প্রশিক্ষণের নামে টেসল নামক একটি কোচিং সেন্টারের বিরুদ্ধে ভুল উচ্চারণ, শিক্ষকদের কটূক্তি, এটুআইয়ের নাম ভাঙ্গানোসহ নানাবিধ প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেছে। টেসল নামক কোচিং সেন্টার দাবি করছে তাদের সাথে এটুআইয়ের চুক্তি হয়েছে এবং প্রতিটি ক্লাসের প্রতিজন শিক্ষার্থীর বিপরীতে পাঁচ হাজার টাকা করে প্রশিক্ষককে দেয়া হবে। তাছাড়া টেসল নামটিও চুরি করার অভিযোগ উঠেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের ইংরেজির অধ্যাপক সাইদুর রহমান বলেছেন, টেসল কোচিং নামটি অবৈধভাবে ব্যবহার করছেন। শুধু তাই নয়, টেসলের কথিত উচ্চারণ প্রশিক্ষক শিক্ষার্থী টানতে নানা মিথ্যার আশ্রয় নিচ্ছেন। প্রশিক্ষক ইয়াছির একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করার পর ভাষা ইনিস্টিউট থেকে কোর্স করেছেন। তার নিজের উচ্চারণই শুদ্ধ নয় বলে তার শিক্ষকরা বলেছেন। আর এটুআই বলেছে তাদের সাথে কোনও চুক্তি হয়নি টেসলের।

প্রশিক্ষক মোহাম্মদ ইয়াছিরকে নিয়ে শিক্ষক সমাজে চলছে নানা বিতর্ক। তিনি আত্মপ্রচার নিয়েই ব্যস্ত থাকেন। সরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রশিক্ষক অথবা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক দ্বারা প্রশিক্ষণ করানো ও শিক্ষকদের জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার ফ্রি করার দবি জানান শিক্ষকরা।

কয়েকজন জেলা অ্যাম্বাসেডর জানান, তাদেরকে বলা হয়েছে করোনাকালে এটুআই শিক্ষক প্রশিক্ষণের প্রতি বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জুম সফটওয়্যারের সাহায্যে অনলাইনে প্রথম ব্যাচ ২৯ মে থেকে শুরু হয়। প্রতিদিন ৫ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ করানো হয়। প্রথম সেশনে সারা দেশের প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণের পরেই বিভিন্ন শিক্ষকদের মাঝে জনৈক প্রশিক্ষক সম্পর্কে নানা প্রশ্নের উদ্ভব হয়। রাজধানী ঢাকার সিদ্ধেশ্বরীতে অবস্থিত টেসল বাংলাদেশ নামের একটি ইংরেজি শেখার কোচিং সেন্টারের পরিচালক মোহাম্মদ ইয়াসির শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কলেজ শিক্ষক বলেন, “প্রথমে ভেবেছিলাম ইয়াসির সাহেব কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের নামকরা শিক্ষক নতুবা সরকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজের শিক্ষক। তার দাবি মতে, বাংলাদেশ পুলিশ ও আর্মিদেরও ট্রেইনার পরিচয় দিয়েছেন তিনি। উনি আমাদের শেখানো শুরু করলেন আর মাঝেমধ্যে প্রযুক্তিতে দুর্বল শিক্ষকদের দু’চার কথা শুনিয়ে দিচ্ছিলেন। কোনো কোনো শিক্ষক না বুঝে মাইক্রোফোন অন রেখেছিলেন। এর জন্য তিনি বলে ফেললেন, “আপনাদের কি মাথায় কোনো সমস্যা আছে?” কথাটি আমাকে উদ্দেশ্য করে না বললেও, প্রতিটি কথাই আমার গায়ে এসে লাগলো। উনি উচ্চারণের যেসব পদ্ধতি শেখাচ্ছিলেন, সেসব উনার নিজের আবিষ্কৃত বলে চালিয়ে দিলেও, আমরা যারা ইংরেজি ভাষা নিয়ে লেখাপড়া করেছি, তারা ঠিকই ধরে ফেলেছিলাম। উনি মূলত ইংরেজি অ্যালফাবেট, ভাওয়েল ও কনসোনেন্ট এই তিনটি বিষয় নিয়ে লেকচার দিয়েছেন যেগুলো তিন ঘণ্টাতেই শেষ হতে পারতো। বাকি সময় তিনি উপস্থাপনা ও নিজের প্রচার করেছেন। দেশে এত নামকরা ইংরেজি ভাষার শিক্ষক থাকতে কোন স্বার্থে একজন কোচিং শিক্ষক দিয়ে কেন প্রশিক্ষণ করানো হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষা ইনস্টিটিউট আছে। সেখান থেকেও তো ট্রেইনার নিতে পারতেন। নায়েমে এক্সপার্ট ট্রেইনার আছেন। তাদেরকে দিয়েও তো ট্রেনিংটা করানো যেত” ।

প্রশিক্ষণের নাম: EXCLUSIVE TRAINING ON PRONUNCIATION & PRESENTATION SKILLS FOR ICT4E DISTRICT AMBASSADOR TEACHERS।

এটুআইএর আরেকজন অ্যাম্বাসেডর শিক্ষক জানান, “আজ থেকে শুরু হতে যাওয়া প্রশিক্ষণের জন্য জনপ্রতি পাঁচ হাজার টাকা প্রশিক্ষক মোহাম্মদ ইয়াছিরকে এটুআই দেবেন। অর্থাৎ একজন অ্যাম্বাসেডরের প্রশিক্ষণের জন্য এটুআই পাঁচ হাজার টাকা দিচ্ছেন। উল্লেখ্য, পাঁচ হাজার টাকার বিষয়ে এটুআই এর অ্যাম্বাসেডরদের মিটিং এ জানানো হয় ২৫ জুন রাতে। এখানেও অন্তত চারশো থেকে পাঁচশ শিক্ষক অংশগ্রহণ করবেন। সেই হিসেবে প্রায় বিশ লক্ষাধিক টাকা প্রশিক্ষক পাবেন। যার একটি টাকাও শিক্ষকরা পাবেন না। এত টাকা খরচ করছেন অথচ, শিক্ষার মানোন্নয়নের চিত্র বড়ই বিচিত্র!

শিক্ষকদের ট্রেনিংয়ের বিষয়ে গ্রামের শিক্ষকদের মতামতও ভিন্ন। তাদের কোন বিষয়ে প্রশিক্ষণ বেশি প্রয়োজন, সেই বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া দরকার। বিভাগীয় শহর অথবা রাজধানী এলাকার স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের মতামত শুনে গ্রামের স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করা সম্ভব নয়। কাজেই যে কোনো ট্রেনিং শুরু করার আগে দয়া করে একবারে প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে শুরু করে রাজধানী পর্যন্ত শিক্ষকদের একটা প্যানেল করে, তাদের মতামত গ্রহণ করুন। এই কাজটি অনলাইনেই সম্ভব”।

আরেকজন শিক্ষক বলেন, “শিক্ষকদের ট্রেনিংয়ের প্রয়োজন। অবশ্যই প্রয়োজন। বর্তমান পরিস্থিতিতে অনলাইন ট্রেনিং বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে। এক্ষেত্রে এটুআই এর উদ্যোগ প্রশংসনীয়। কিন্তু শিক্ষকদের কোন বিষয়ের ট্রেনিং দরকার, সেটা নিয়ে তারা কীভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা আমাদের অজানা। এই মুহূর্তে প্রথমত, শিক্ষকদের প্রয়োজন মোটিভেশনাল ট্রেনিং।

নাম প্রকাশে আরেকজন অ্যাম্বাসেডর শিক্ষক বলেন, আমাদের জন্য যে ৫৫০০ টাকা বরাদ্দ তা আমাদের না দিয়ে ঐ কোচিং কি কাজে লাগবে তা বোধগম্য নয়। তিনি শিক্ষকদের নামে বরাদ্দ এ টাকা সঠিক টেনিং এর মাধ্যমে ব্যয় করা উচিত বলে মনে করেন। কারন এখন সকল এম্বাসেডর শিক্ষক অনলাইন ক্লিাস নিচ্ছেন।
তাদের প্রত্যেকের একটি করে ভালো মানের এনড্রয়েড ফোন দেয়া উচিত বলে মনে করে ঐ শিক্ষক।

দ্বিতীয়ত, প্রয়োজন ‘কীভাবে অনলাইনে মানসম্মত ক্লাস নেয়া যায়’ সে বিষয়ে ট্রেনিং। এই সমস্ত বিষয়গুলো তারা আমলে না নিয়ে, শুরু করলেন ইংরেজি উচ্চারণ ও উপস্থাপনা শেখানোর ট্রেনিং। যার প্রশিক্ষক নিয়ে নানা প্রশ্নের জন্ম নিচ্ছে। এই ট্রেনিংয়ের ইমপ্লিমেন্ট কি এখন সম্ভব হবে? স্থান কাল পাত্র ভেদে আমাদের চিন্তা করা উচিত নয় কি? গ্রামে ইন্টারনেট সুবিধা কেমন, তা নতুন করে কাউকে বলার প্রয়োজন নেই। ধীরগতির ইন্টারনেটে বারবার বাফারিং করা ভার্চুয়াল ট্রেনিংয়ে ইংরেজি উচ্চারণ মাত্রা কোন দিকে ছন্দিত হবে তা বলা মুশকিল। আর ইংরেজি ভাষা, উচ্চারণ ইত্যাদি ট্রেনিং দেয়ার জন্য ট্রেইনার কোচিং সেটারের শিক্ষক ছাড়া কি আর কেউ নেই”?

প্রশিক্ষক ইয়াছিরের মতামত জানার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

উপবৃত্তির ৪৩৯ কোটি টাকা পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৫ জুলাই, ২০২০
উপবৃত্তির ৪৩৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা পাচ্ছে প্রাথমিকের ১ কোটি ৫ লাখ ৯১ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৩য় কিস্তিতে তাদের এ টাকা মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। রোববার (৫ জুলাই) শিক্ষার্থীদের মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর অনুমতি দেয়া হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র দৈনিক শিক্ষাডটকমকেএসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

জানা গেছে, প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্পের ৩য় পর্যায়ের আওতায় ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৩য় কিস্তিতে সারা দেশের ৪৯৯টি উপজেলার প্রাথমিকের ১ কোটি ৫ লাখ ৯১ হাজার ৯৮৩ জন শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তির টাকা দেয়া হচ্ছে। রূপালী ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা শিওর ক্যাশের তাদের ৪৩৮ কোটি ৯৬ লাখ ২৯ হাজার ২৭৫ টাকা বিতরণ করা হবে। যদিও শিওরক্যাশের অদক্ষতায় সময়মতো টাকা তুলতে না পারা ও শিক্ষার্থী অভিভাবকদের কাছ থেকে এজেন্টদের কমিশন খাওয়ার অনেক অভিযোগ রয়েছে।

অধিদপ্তর সূত্র জানায়, উপবৃত্তির চাহিদা আপলোড করেছিলেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা। সে চাহিদার আজ রোরবার (৫ জুলাই) প্রেক্ষিতে টাকা ছাড়ের অনুমতি দেয়া হয়েছে। ভ্যালিডেশন শেষ হবার পর উপজেলা ও থানা শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছ থেকে পাওয়া অনাপত্তিপত্র ভিত্তিতে বিতরণকারী সংস্থাকে উপবৃত্তির টাকা ছাড় করতে বলা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শোক সংবাদ, শোক সংবাদ, শোক সংবাদ

ডেস্ক: চট্রগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলার বারমাসিয়া চা বাগানের সাবেক টি প্ল্যান্টার শম্ভু প্রসাদ ভট্টাচার্য গত ০৩/৭/২০২০ দিবাগত রাত ১’২০ ঘটিকায় বার্ধক্যজনিত রোগে ইহধাম ত্যাগ করেন।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল প্রায় ৮০ বৎসর। তার এ মৃত্যুতে প্রধান শিক্ষক সমিতি দারুনভাবে শোকাহত।

তার প্রথম পুত্র শান্তনু ভট্টাচার্য কনক চা বাগানে কর্মরত। মেজ ছেলে অনুপম ভট্টাচার্য তিলক সহকারী শিক্ষক,পাটিয়ালছড়ি সপ্রাবি,ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম। ছোট ছেলে রুপম ভট্টাচার্য ঝলক একটি কেজি স্কুলে প্রিন্সিপাল হিসাবে কর্মরত।

উল্লেখ শম্ভু প্রসাদ ভট্টাচার্য বাসপ্রাবি প্রধান শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়ক বাবু রনজিত ভট্টাচার্য মনি ভাইয়ের সেজ কাকা। উনার মৃত্যুতে বাসপ্রাবি প্রধান শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করছি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বিশ্ববিদ্যালয়ে শতাধিক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়ন তরুণের

নিউজ ডেস্ক,৪ জুলাই:

বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক নারী শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানি এবং নানাভাবে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে মিশরের ২২ বছর বয়সী এক তরুণের বিরুদ্ধে। মিশর সরকার এরই মধ্যে ওই তরুণের বিরুদ্ধে তদন্ত চালানোর কথা জানিয়েছে।

জানা গেছে, ওই তরুণ বিশ্ববিদ্যালয়টির সাবেক শিক্ষার্থী। নানাভাবে তিনি নারীদের সঙ্গে প্রতারণা করতেন। এইউসি কর্তৃপক্ষ বলছে, ওই তরুণ ২০১৮ সালে বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে চলে গেছেন। তারপর নানা সময়ে নারী শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানি করতে থাকেন তিনি।

আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কায়রোতে অবস্থিত আমেরিকান ইউনিভার্সিটিতে (এইউসি) শতাধিক নারীকে ওই তরুণ যৌন হয়রানি করার অভিযোগ রয়েছে।

এক নারী শিক্ষার্থীর অভিযোগ, আমাদের ১৩ থেকে ১৪ বছর বয়সে ওই তরুণ আমাকে এবং আমার বোনকে যৌন নিপীড়ন করেছে। এ ব্যাপারে মুখ খুললে আপত্তিকর ছবি প্রকাশ করার হুমকি দিয়েছিলেন ওই তরুণ।

আরেক নারীর অভিযোগ, ওই তরুণ আমাকে বলেছিল, আমি যদি তার ব্যাপারে মুখ খুলি, তাহলে সে আমার পরিবারের কাছে বলবে যে, আমি তার সঙ্গে রাত কাটিয়েছি। এমনকি আমার কাছ থেকে দফায় দফায় সে টাকা হাতিয়েছে সব ফাঁস করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে।

আরেক নারী শিক্ষার্থীর অভিযোগ, আমি তখন বিদ্যালয়ের ছাত্রী। ওই সময় আমার সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে যৌন হয়রানি করেছে সে। এ ব্যাপারে তরুণের বাবার সহযোগিতা রয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, আমি যখন এইউসিতে ভর্তি হই, তখন আবারো তার খপ্পরে পড়ে যাই। এমনকি সে আমার সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের মতো জোর-জবরদস্তি করতো। আর নানা ঘটনার ছবি তুলে রাখতো। পরে সেগুলো ব্যবহার করে নিজের ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করতো।

সূত্র: আরব নিউজ

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

পরীক্ষা ছাড়াই দ্বিতীয় বর্ষে উত্তীর্ণ কলেজ শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক,৪ জুলাই:

করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বন্ধ রয়েছে দেশের কলেজগুলো। এই সময়ে একাদশ শ্রেণির শিক্ষাবর্ষ শেষ হলেও প্রথমবর্ষের পরীক্ষা নেয়া যায়নি। এদিকে সেশনের সময় চলে যাওয়ায় একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে কলেজগুলো। আগামী বছর এপ্রিলে তাদের এইচএসসি পরীক্ষা নির্ধারিত আছে।

আর দ্বাদশ শ্রেণিতে উত্তীর্ণ না হওয়ায় অনলাইনে বা অন্যভাবে তাদের শিক্ষাকার্যক্রম চালানো যাচ্ছে না। তাই লেখাপড়ার গতি অব্যাহত রাখতে বিভিন্ন কলেজ শিক্ষার্থীদের দ্বাদশ শ্রেণিতে ‘অটোপাস’ দিচ্ছে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পরীক্ষা ছাড়াই দ্বাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের উত্তীর্ণ করা হয়েছে, আবার কোথাও উত্তীর্ণের প্রক্রিয়া চলছে।

এতে শিক্ষা বোর্ডের কোন আপত্তি নেই বলে জানান ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, করোনার এই সময়ে সব প্রতিষ্ঠানেই শ্রেণিকাজ বন্ধ আছে। বন্ধ আছে পরীক্ষা। তবে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক রেকর্ড কলেজে আছে। সেটার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের পরের ক্লাসে উত্তীর্ণ দেখাতে পারে। এতে বোর্ডের আপত্তি থাকবে না।

এদিকে করোনা সংকটে দ্বাদশ শ্রেণিতে উত্তীর্ণ না হওয়ায় অনলাইনে বা অন্যভাবে ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষাকার্যক্রম চালানো যাচ্ছে না। তাই শিক্ষার্থীদের ‘অটোপাস’ দিয়ে দ্বাদশ শ্রেণির পাঠদান গতিশীল করার কথা জানান রাজধানীর শেখ বোরহানউদ্দিন পোস্ট গ্রাজুয়েট কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আবদুর রহমান। তিনি বলেন, দ্বাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের উত্তীর্ণ করা হলে অনলাইন ক্লাস শুরু করা সম্ভব। না হলে তারা লেখাপড়ার বাইরে থাকবে। তাই উত্তীর্ণ দেখানো উচিত। আমরা উত্তীর্ণ দেখিয়েই অনলাইন ক্লাস শুরু করেছি।

করোনা পরিস্থিতির কারণে নটরডেম কলেজ শিক্ষার্থীদের বাড়িতে লিখিত অংশের পরীক্ষা নিয়ে একাদশ শ্রেণী থেকে সবাইকে দ্বাদশ শ্রেণীতে উত্তীর্ণ করা হয়েছে। উত্তীর্ণ সকল শিক্ষার্থীকে চলতি জুলাই মাসের ২৬ তারিখের মধ্যে দ্বাদশ শ্রেণীতে ভর্তি ফি’র ৯ হাজার ৪০০ টাকাসহ চলতি জুলাই মাস ও আগামী আগস্ট এবং সেপ্টেম্বর মাসের ৭ হাজার ৮০০ টাকা পরিশোধের জন্য নোটিশ দিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। গত বৃহস্পতিবার এই নোটিশ দেয়া হয়েছে। তবে করোনা ভাইরাস মহামারীর এই সময়ে এতো টাকা একসাথে পরিশোধ করা কষ্টকর বলে জানায় শিক্ষার্থীরা।

রাজধানীর আরেক প্রতিষ্ঠান রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষার ভিত্তিতে পদোন্নতি দিয়েছ শিক্ষার্থীদের। কলেজের সিনিয়র প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা আজহারুল আলম জানান, মার্চের শেষে একাদশ শ্রেণির পরীক্ষা নেয়ার কথা ছিল। সেটা সম্ভব না হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

একই পথে হাঁটছে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ। অধ্যক্ষ অধ্যাপক ফওজিয়া জানান, প্রথম ও দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরের স্তরে উত্তীর্ণ করার চিন্তা চলছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ড ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আলাপ করে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হবে।

জানা গেছে, গত মার্চের শেষে কলেজগুলোর একাদশ শ্রেণির পরীক্ষা নেয়ার কথা ছিল। দেশে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে সেটা আর সম্ভব হয়নি। আগামী বছর এপ্রিলে তাদের এইচএসসি পরীক্ষা নির্ধারিত আছে। যদিও চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষা এখনো স্থগিত রয়েছে। এদিকে করোনার কারণে আগস্টের ৬ তারিখ পর্যন্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাধারণ ছুটি চলছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ঈদুল আজহার আগেই প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের ‘কিডস অ্যালাউন্স

নিজস্ব প্রতিবেদক,২ জুলাই: করোনাকালে প্রাথমিক শিক্ষায় নতুন কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের কাজও শুরু করে দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
নতুন সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে রয়েছে করোনাকালে মোবাইল ফোনের জুম অ্যাপস ব্যবহার করে সব প্রধান শিক্ষক সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের সাঙ্গে ভার্চুয়াল সভা করবেন। টেলিভিশনে ‘ঘরে বসে শিখি’ কার্যক্রমে আরও বেশিসংখ্যক শিক্ষার্থী যেন যুক্ত হয় ও টেলিভিশনে ডিজিটাল ক্লাস যেন দেখে এ ব্যবস্থা ফোনের মাধ্যমে অভিভাবকদের সঙ্গে শিক্ষকরা যোগাযোগ করে করবেন। পাঠ প্রচারের সময়সূচি স্থানীয় মসজিদের মাইকের মাধ্যমে অভিভাবক ও ছাত্রছাত্রীদের জানিয়ে দিতে হবে।

নতুন সিদ্ধান্তের মধ্যে আরও রয়েছে ঈদুল আজহার আগেই প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের ‘কিডস অ্যালাউন্স’ দেওয়া হবে। বিধি অনুযায়ী উপজেলাভিত্তিক সঠিক মানের একই রংয়ের শার্ট, স্কাট, প্যান্ট, টাই, জুতা কেনার ব্যবস্থা করতে হবে। দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার যে ক্ষতি হয়েছে, তা পুষিয়ে নিতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা ‘রিকভারি অ্যাকশন প্ল্যান’ তৈরি করে তা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে পাঠাবেন।

এ ছাড়া প্রত্যেক প্রাথমিক বিদ্যালয়কে নিজ বিদ্যালয়ের নামে ফেসবুক আইডি খুলতে হবে। শিক্ষকরা পাঠদান কার্যক্রম ভিডিও করে ওই ফেসবুকে আপলোড দেবেন। এখন থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনে ‘বাস্তবায়নে এলজিইডি’ না লিখে এর জায়গায় ‘বাস্তবায়নে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর’ লিখতে হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব ধরনের মেরামত ও স্লিপের কার্যাবলি মানসম্মতভাবে যথাসময়ে শেষ করে নির্ধারিত তারিখের মধ্যে বিল ভাউচার দাখিল করতে হবে প্রধান শিক্ষকের।

প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের জন্য ‘হ্যালো টিচার’ নামে নতুন মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন (অ্যাপস) ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা পছন্দের শিক্ষক বাছাই করে তার কাছ থেকে শিক্ষার বিষয়ে পরামর্শ নিতে পারবেন। গণিত, ইংরেজি, বাংলা, বিজ্ঞানসহ নির্দিষ্ট বিষয়ের শিক্ষক বাছাই করে পাঠ সম্পর্কে বুঝতে ও জানতে পারবেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিক শিক্ষায় হ্যালো টিচার অ্যাপস চালু

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০২ জুলাই, ২০২০

করোনাকালে প্রাথমিক শিক্ষায় নতুন আটটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের কাজও শুরু করে দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমকে জানায়, করোনাকালে স্কুল বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের পাঠে মনোযোগী রাখতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। গুগল প্লে-স্টোর থেকে ডাউনলোড করে নিয়ে শিক্ষার্থীরা নতুন অ্যাপস ব্যবহার করতে পারবে। অভিভাবকরাও এই অ্যাপস ব্যবহার করতে পারবেন।

এছাড়া, সংসদ টেলিভিশনে ক্লাস প্রচার করে ৫৯ থেকে ৫২ শতাংশ শিক্ষার্থীর কাছে পাঠ পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে বলে দাবি করছেন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। বেতারে পাঠ প্রচার শুরু হলে আরও ২০ থেকে ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছানো যাবে বলে মনে করছেন তারা। তবে জরিপ করে দেখা গেছে, দেশের ৯৮ শতাংশের বেশি মানুষ মুঠোফোন ব্যবহার করে। অভিভাবকদের মুঠোফোন ব্যবহার করে শিশুরা অ্যাপসের মাধ্যমে তাদের প্রশ্নের উত্তর জানতে পারবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমকে বলেন, সরকারের আইসিটি বিভাগ এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রকল্প থেকে এই অ্যাপস তৈরিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে সহায়তা করা হচ্ছে। শিগগিরই হ্যালো টিচার অ্যাপস চালু করা যাবে বলে তিনি আশা করেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

পলিটেকনিকে ভর্তির যোগ্যতা ও ফি কমছে, থাকছে না বসয়সীমা

নিজস্ব প্রতিবেদক,১ জুলাই:

দেশের পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তির ক্ষেত্রে কোন রকমের বয়সের সীমাবদ্ধতা রাখা হবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। আজ বুধবার (১ জুলাই) কারিগরি শিক্ষার উন্নয়ন সংক্রান্ত একবার ভার্চুয়াল মিটিংয়ে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন তিনি। সভায় পলিটেকনিকে ভর্তির যোগ্যতা ও ফি কমানোর সিদ্ধান্তও নেয়া হয়েছে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।

সভায় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা এবং প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত রূপকল্প ৪১ বাস্তবায়নে কারিগরি শিক্ষাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। তাই কারিগরি শিক্ষায় ভর্তির হার বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবং বিদেশ ফেরত দক্ষ কর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়ার জন্য পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তির ক্ষেত্রে কোন রকমের বয়সের সীমাবদ্ধতা রাখা হবে না।

তিনি বলেন অনেক ব্যক্তির হয়তো প্রয়োজনীয় কারিগরী দক্ষতা আছে কিন্তু তার প্রাতিষ্ঠানিক কোনো সার্টিফিকেট নাই এবং সার্টিফিকেট না থাকার কারণে ভালো চাকরি পাচ্ছে না অথবা চাকরি পেলেও ভালো বেতন পাচ্ছে না। সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি যদি চায় এবং যদি তার প্রয়োজনীয় একাডেমিক যোগ্যতা থাকে তাহলে সে ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি হতে পারবে।

একই মিটিংয়ে তিনি ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তির ক্ষেত্রে ছেলেদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম যোগ্যতা জিপিএ ৩.৫ থেকে কমিয়ে ২.৫, মেয়েদের ক্ষেত্রে জিপিএ ৩ থেকে কমিয়ে ২.২৫ করার সিদ্ধান্ত দেন। পাশাপাশি ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি ফি ১৮২৫ টাকা থেকে কমিয়ে ১০৯০ টাকা করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেন।

তাছাড়া মন্ত্রী এ মাসের মধ্যে কারিগরি মাদ্রাসা বিভাগের শিক্ষকদের এমপিওর অর্থ ছাড় করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ প্রদান করেন।

বৈঠকে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপনের নীতিমালা, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর আইন ২০২০ ও এর নিয়োগবিধি প্রণয়ন সহ কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মুনশী শাহাবুদ্দীনের সভাপতিত্বে এই মিটিংয়ে আরো যুক্ত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সফিউদ্দিন আহমেদ, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ সানোয়ার হোসেন, মাদ্রাসা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর কায়সার আহমেদ , কারিগরি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড.মোঃ মুরাদ হোসেন মোল্লাসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

কোটা থাকছে না ৪০তম বিসিএস পরীক্ষায়

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০১ জুলাই, ২০২০

বিসিএসের মাধ্যমে দেশে সরকারি কর্মকর্তা নিয়োগে কোটা পদ্ধতি শেষ হলো। এ পদ্ধতিতে সর্বশেষ মঙ্গলবার (৩০ জুন) ৩৮তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এতে দুই হাজার ২০৪ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়। এটা কোটা পদ্ধতির মাধ্যমে সর্বশেষ বিসিএসের ফলাফল।

২০১৮ সালে সরকার কোটা প্রথা বিলুপ্ত করে। পিএসসি বলছে, এখন থেকে কোন বিসিএসে কোটা পদ্ধতি থাকছে না। এমনকী, কোটা পদ্ধতি বাতিলের প্রায় এক মাস আগে ৪০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলেও কোটা পদ্ধতি থাকছে না। পিএসসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ফলে সাধারণ চাকরিপ্রার্থীদের চাকরির সুযোগ আরও বাড়বে।

পিএসসির চেয়ারম্যান জানান, কোটা বিলোপের মাসখানেক আগে ৪০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি হয়। তবে আমরা বলেছিলাম সরকারের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুসরণ করবো। যেহেতু কোটা প্রথা বিলুপ্ত করেছে, সে কারণেপরবর্তী আর কোন বিসিএসে কোটা থাকছে না। ৪০তম বিসিএসেও থাকছে না। ৩৮তম বিসিএসকেই বলা যায় কোটার সর্বশেষ প্রয়োগ।

এতদিন ৫৫ শতাংশ কোটা এবং ৪৫ শতাংশ মেধা এমন নিয়মে ৩৮তম বিসিএসের ফলাফল দেওয়া হয়েছে। তবে কারিগরী ক্যাডারে কোটার প্রার্থী পাওয়া না গেলেসাধারণ প্রার্থী দেওয়া হয়েছে।

সর্বপ্রথম ১৯৭২ সালে সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থার প্রবর্তন করা হয়। তখন মেধাতালিকায় ২০ শতাংশ রেখে, ৪০ শতাংশ জেলা কোটা, ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য এবং ১০ শতাংশ যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত নারীদের জন্য ছিল। পরবর্তীতে কয়েকবার কোটা ব্যবস্থার পরিবর্তন করে ৫৫ শতাংশ করা হয়। এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা ৩০ শতাংশ, জেলা ১০ শতাংশ, নারীদের ১০ শতাংশ এবং ক্ষুদ্রনৃগোষ্ঠীর পাঁচ শতাংশ কোটা ছিল। পরে প্রতিবন্ধীদের জন্যও এক শতাংশ কোটা নির্ধারণ করা হয়।

এই কোটা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে ধারাবাহিক আন্দোলন শুরু হয়। এপ্রিলে সেই আন্দোলন ব্যাপক হয়। দেশের সবকটি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে ছড়িয়ে পড়ে আন্দোলন। সে সময় পুলিশ কোটা সংস্কার আন্দোলন কর্মীদের ব্যাপক ধরপাকড় শুরু করে। তখন অনেকে আন্দোলনকর্মীদের পাশে দাঁড়ান। এরই ধারাবাহিকতায় প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা বাতিল ঘোষণা করে সরকার।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

পুনঃনিরীক্ষণে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৯৩ পরীক্ষার্থী

ডেস্ক,৩০ জুন:
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার পুনঃনিরীক্ষণ ফলে নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৯৩ পরীক্ষার্থী। সারাদেশে ছয় সহস্রাধিক পরীক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে। এছাড়াও ফেল থেকে জিপিএ-৫ সহ বিভিন্ন স্তরে জিপিএ পরিবর্তন হয়েছে। কেউ আবার আবেদন করে পাস থেকে ফেল হয়েছে।

এসব পরিবর্তনের মধ্যে গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে খাতায় বেশি পরিবর্তন হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) পুনঃনিরীক্ষণ ফল প্রকাশের পর ১১ শিক্ষা বোর্ডে যোগাযোগ করে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলে সন্তুষ্ট না হয়ে সারাদেশে দুই লাখ ৩৪ হাজার ৪৭১ শিক্ষার্থী চ্যালেঞ্জ করে আবেদন করে। এ কারণে বিভিন্ন বিষয়ের উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের জন্য মোট চার লাখ ৮১ হাজার ২২২ বিষয়ের ফলে আপত্তি তোলা হয়।

তার মধ্যে ঢাকা বোর্ডে এক লাখ ৪৬ হাজার ২৬০, বরিশালে ২৩ হাজার ৮৫০, চট্টগ্রামে ৫২ হাজার ২৪৬, দিনাজপুরে ৪০ হাজার ৭৫, রাজশাহীতে ৪৪ হাজার ৬১, সিলেটে ২৩ হাজার ৭৯০, কুমিল্লা বোর্ডে ৩৯ হাজার ৩০৩, ময়মনসিংহে ৩১ হাজার ৩৩১, মাদরাসা বোর্ডে ২৮ হাজার ৪৮৪ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১৭ হাজার ৫৩৮টি বিষয়ে খাতা পুনর্মূল্যায়নের আবেদন করেছে।

এর মধ্যে ঢাকা বোর্ডে আবেদনের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এ বোর্ডে ৫৯ হাজার ৭৯০ আবেদনকারী বিভিন্ন বিষয়ের ফলে আপত্তি জানিয়ে আবেদন করে। আবেদনের পর পুনঃনিরীক্ষণে সবগুলো বোর্ডে ছয় হাজার ২৬৪ জনের ফল পরিবর্তন হয়েছে। নতুন করে ৭৯৩ পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ড
পুনঃনিরীক্ষণে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে ফেল থেকে পাস করেছে ১০৫ শিক্ষার্থী। নতুন জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৯৯ পরীক্ষার্থী। এ বোর্ডে মোট দুই হাজার ২৪৩ পরীক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে।

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড
মোট জিপিএ পরিবর্তন হয়েছে ৩৬৭ জনের, নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫০ জন। ফেল থেকে পাস ৩৫ জন। ফেল থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে একজন।

সিলেট শিক্ষা বোর্ড
এ বোর্ডের ১৬৫ শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে। এর মধ্যে ফেল থেকে পাস করেছে ২৩ শিক্ষার্থী। নতুন জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩০ পরীক্ষার্থী।

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড

ফেল থেকে পাস করেছে ৪৭ শিক্ষার্থী। নতুন জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৩ জন। উত্তীর্ণ দুই পরীক্ষার্থী আবেদন করে পুনঃপরীক্ষণে ফেল করেছে। মোট ৩৬৪ জনের ফল পরিবর্তন হয়েছে।

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড

ফেল থেকে পাস করেছে ৩৪ শিক্ষার্থী। নতুন জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৪০ জন। পুনঃনিরীক্ষণের ফেল করা তিন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। বোর্ডের ২৫২ শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড
চট্টগ্রাম বোর্ডে ফেল থেকে পাস করেছে ৪১ শিক্ষার্থী। নতুন জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৩ জন। ফেল থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে একজন। আবেদন করে ৬০৯ শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে।

বরিশাল শিক্ষা বোর্ড
ফেল থেকে পাস করেছে ২৫ শিক্ষার্থী। নতুন জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ জন। মোট ১৩৯ পরীক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে।

যশোর শিক্ষা বোর্ড
যশোর ফল পরিবর্তন ১২৩ জন, ফেল থেকে পাস ৪৪ জন এবং নতুন জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৫ জন।

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড
মোট ফল পরিবর্তন হয়েছে ৪৪১ জনের। নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬১ জন, ফেল থেকে পাস করেছে ৬২ জনের।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ড

কারিগরি বোর্ডে মোট এক হাজার ১৭১ জনের ফল পরিবর্তন হয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার ১২৪ জন ফেল থেকে পাস করেছে। এছাড়া নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৮ পরীক্ষার্থী।

মাদরাসা বোর্ড
মাদরাসা বোর্ডে জিপিএ পরিবর্তন হয়েছে ৮৭ জনের, মোট ফল পরিবর্তন ২৪৩ জনের, নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৩ জন, ফেল থেকে পাস করেছে ১০৫ জন। মোট আবেদনের সংখ্যা ছিল ২৮ হাজার ৫২২টি আর আবেদনকারীর সংখ্যা ১৪ হাজার ৭৪৩ জন, জিপিএ পরিবর্তন হলেও ফেল করা দুই শিক্ষার্থীর পুনঃনিরীক্ষণেও ফেল করেছেন।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, খাতা পুনর্মূল্যায়নের ক্ষেত্রে সবকটি উত্তরে নম্বর দেয়া হয়েছে কি-না, প্রাপ্ত নম্বর গণনা ঠিক রয়েছে কি-না, প্রাপ্ত নম্বর ওএমআর শিটে (কম্পিউটারে ফল প্রণয়নে পাঠযোগ্য ফরম) উত্তোলনে ভুল হয়েছে কি-না এবং প্রাপ্ত নম্বর অনুযায়ী ওএমআর শিটের বৃত্ত ভরাট ঠিক আছে কি-না এসব বিষয় পুনরায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। পুনঃনিরীক্ষণ ফলে ৫ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থীর ফলাফল পরিবর্তন হয়েছে। এর মধ্যে গণিত ও ইংরেজি বিষয়ের ফল তুলনামূলক বেশি পরিবর্তন হয়েছে।

তিনি বলেন, পরীক্ষা উত্তরপত্র মূল্যায়নকারী শিক্ষকরা কি কারণে এ ধরনের ভুল করেছেন তার কারণ জানতে চাওয়া হবে। যেসব শিক্ষকের ভুল ধরা পড়ছে তাদের আগামী দুই বছর পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন থেকে বিরত রাখা হবে। কেউ ইচ্ছা করে দায়িত্ব অবহেলা করেছে প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

গত ৩১ মে প্রকাশিত হয় এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা। এবার গড় পাসের হার ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ, যা গত বছর ছিল ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ। এ বছর মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ৩৫ হাজার ৮৯৮, যা গত বছর পেয়েছিল ১ লাখ ৫ হাজার ৫৯৪ জন। পরীক্ষার ফলে আপত্তি থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য গত ১ জুন পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন কার্যক্রম শুরু হয়ে ৭ জুন শেষ হয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

অনলাইনে শিশুদের শিক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান ইউনিসেফের

নিজস্ব প্রতিবেদক | ৩০ জুন, ২০২০:

করোনাভাইরাসের এই সময়েও যাতে শিশুরা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়, সেটা নিশ্চিত করার জন্য সদস্য দেশগুলোর প্রতি আহবান জানিয়েছেন ইউনিসেফ। সংস্থার নির্বাহী বোর্ডের সভাপতি ও জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা এ আহ্বান জানান।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বার্তায় জানানো হয়, নিউইয়র্কে গত ২৯ জুন অনুষ্ঠিত ইউনিসেফ নির্বাহী বোর্ডের প্রথম ভার্চুয়াল আনুষ্ঠানিক অধিবেশনে বোর্ডের সভাপতি ও জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা করোনাকালে শিশুদের শিক্ষার প্রতি সকলকে জোর দেওয়ার আহ্বান জানান।

বিশেষ করে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও ইন্টারনেট সংযোগের ঘাটতি থাকায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর সরকার প্রধানদের প্রতি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা বলেন, ‘চলমান পরিস্থিতিতে শিশুদের শিক্ষা নিশ্চিতে অনলাইন ও দূর-শিক্ষণে শিক্ষা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি বৈশ্বিকভাবে সর্বোচ্চ প্রাধিকারভুক্ত বিষয় হওয়া উচিত।’

তিনি আরো বলেন, ‘সদস্য দেশসমূহে ইউনিসেফের নিয়মিত ও অবশ্য পালনীয় যেসব কর্মসূচি রয়েছে তা যেন কোনোভাবেই কোভিড-১৯ সংক্রান্ত ইউনিসেফের কর্মসূচিসমূহের পরিপূরক না হয়।’

বৈশ্বিক এই মহামারিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বিশেষ করে নিম্ন আয়ের, স্বল্পোন্নত ও আফ্রিকার দেশসমূহ যে ভয়াবহ বাস্তবতা মোকাবিলা করছে তা বৈঠকে তুলে ধরেন রাষ্ট্রদূত ফাতিমা। তিনি বলেন, ‘হাত ধোয়ার মতো বিষয়টিও অনেক শিশুর জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেননা পানি, পয়ঃনিষ্কাশন ও স্বাস্থ্য অবকাঠামোতে প্রবেশের সুযোগ থেকে এই শিশুরা বঞ্চিত।’

এছাড়া বৈশ্বিক মহামারির প্রেক্ষাপটে ইউনিসেফের টিকাদান কর্মসূচি স্থগিত বা হ্রাস হওয়ার ফলে কলেরা, পোলিও এবং হামের মতো প্রতিরোধযোগ্য রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটার ব্যাপক ঝুঁকি রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত ফাতিমা।

কোভিড-১৯ মহামারিকে জাতিসংঘ ব্যবস্থাপনার জন্য একটি ‘লিটমাস টেস্ট’ হিসেবে উল্লেখ করেন ইউনিসেফ নির্বাহী বোর্ডের সভাপতি। কোভিড-১৯ মোকাবিলা ও উত্তরণে ইউনিসেফ গৃহীত কর্মসূচিগুলো যাতে জাতিসংঘের অন্যান্য সংস্থাগুলো গৃহীত কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় সে বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

এক্ষেত্রে ইউনিসেফকে কৌশলগত নির্দেশনা প্রদান এবং বৈশ্বিকভাবে সমর্থন জোগাতে সবধরনের সহায়তা করতে নির্বাহী বোর্ড প্রস্তুত রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত ফাতিমা। সংস্থার মূলকাজগুলোকে সমুন্নত রাখতে ইউনিসেফের প্রতি উদার ও অব্যাহত সহযোগিতার হাত নিয়ে এগিয়ে আসতে সকলকে উৎসাহিত করেন তিনি।

উদ্বোধনী অধিবেশনে অন্যান্যদের মাঝে বক্তৃতা করেন ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক মিস হেনরিয়েটা এইচ ফোর। তিনি ইউনিসেফের কর্মসূচিসমূহ বিস্তারতিভাবে তুলে ধরেন এবং ইউনিসেফ যে সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে তাও উল্লেখ করেন। এরপর জাতিসংঘে নিযুক্ত সদস্য দেশসমূহের স্থায়ী প্রতিনিধিসহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ স্ব স্ব দেশের পক্ষে বক্তব্য দেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

৩৮তম বিসিএসে সুপারিশ পেলেন ২২০৪ জন

ডেস্ক,৩০ জুন:
৩৮তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল আজ মঙ্গলবার প্রকাশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এই বিসিএসে ২ হাজার ২০৪ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করেছে পিএসসি। ফলাফল পিএসসির ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে ফলপ্রত্যাশীদের অপেক্ষার পালা শেষ হলো।

পিএসসি সূত্র জানায়, আজ বিকেলে বিশেষ সভা শেষে পিএসসি ৩৮তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করে।

সুপারিশ পাওয়া ক্যাডারের মধ্যে সাধারণ ৬১৩, সহকারী সার্জন ২২০, ডেন্টাল সার্জন ৭১, বিভিন্ন টেকনিক্যাল ক্যাডারে ৫৩২ এবং শিক্ষায় ৭৬৮ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে।
পিএসসি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক প্রথম আলোকে বলেন, করোনার মধ্যেই ঝুঁকি নিয়ে আমরা ফলাফল দিতে নিরালসভাবে কাজ করেছি। করোনায় অফিস বন্ধ থাকায় ফল প্রকাশে দোরি হয়। এ ছাড়া জনপ্রসাশন থেকে বেশ কিছু নতুন পদ যুক্ত হওয়ার কাজ অনেক বেড়ে যায়। সেটিও ফল প্রকাশে দেরির অন্যতম একটি কারণ।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

করোনা-কালে ভর্তি পরীক্ষা: ক্ষমা চেয়েছে সাউথ পয়েন্ট স্কুল কর্তৃপক্ষ

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৯ জুনঃ

করোনা-কালে দেশের সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের মধ্যে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার ঘটনায় ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছে সাউথ পয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ। আজ সোমবার (২৯ জুন) বোর্ডের কাছে ক্ষমা চেয়ে আবেদন করেছে কর্তৃপক্ষ।

এদিকে, এ ঘটনায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে কী ধরনের শাস্তি নেয়া হবে তা ঠিক করতে আগামীকাল মঙ্গলবার (৩০ জুন) শিক্ষাবোর্ডের উচ্চ পর্যায়ে বৈঠকের কথা রয়েছে। সেখানে শোকজের জবাব পর্যালোচনা এবং অভিভাবক, শিক্ষকদের সঙ্গে বোর্ড কর্মকর্তারা কথা বলবেন।

শোকজের জবাব পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল বলেন, স্কুল কর্তৃপক্ষের জবাব পেয়েছি। মঙ্গলবার তাদের জবাব পর্যালোচনা করে বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে।

গত শনিবার (২৮ জুন) ভর্তি পরীক্ষা নেয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির মালিবাগ শাখা। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশের পর পরের দিন শিক্ষাবোর্ড স্কুল কর্তৃপক্ষকে এক দিনের সময় দিয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়। আজ সোমবার স্কুল পরিদর্শকের কাছে এ ঘটনার জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে শোকজের জবাব দেয় কর্তৃপক্ষ।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এইচএসসির সনদ বিতরণ শুরু ১ জুলাই

ডেস্ক,২৯ জুন ২০২০ঃ

আগামী ১ জুলাই থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মূল সনদ বিতরণ শুরু করবে ঢাকা বোর্ড। ২৭ জুলাই পর্যন্ত বোর্ড থেকে ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দে এইচএসসি উত্তীর্ণদের মূল সনদ বিতরণ করা হবে। কলেজের অধ্যক্ষ নিজে বা প্রতিনিধি মারফত বোর্ড থেকে সনদ গ্রহণ করে শিক্ষার্থীদের বিতরণ করবেন।

সোমবার (২৯ জুন) ঢাকা বোর্ড থেকে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

জানা গেছে, আগামী ১ জুলাই ঢাকা মহানগরের কলেজগুলোর, ৬ জুলাই গাজীপুর ও মানিকগঞ্জ জেলার কলেজগুলোর, ৮ জুলাই নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদী জেলার কলেজগুলোর, ১৩ জুলাই মাদারীপুর, শরিয়তপুর ও ঢাকা জেলার কলেজগুলোর, ১৫ জুলাই কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোনা কেলার কলেজগুলোর, ২০ জুলাই জামালপুর ও শেরপুর জেলার কলেজগুলোর, ২২ জুলাই ফরিদপুর ও গোপালগঞ্জ জেলার কলেজগুলোর, ২৭ জুলাই টাঙ্গাইল ও রাজবাড়ী জেলার কলেজগুলোর এবং ২৯ জুলাই মুন্সিগঞ্জ ও ময়মনসিংহ জেলার কলেজগুলোর এইচএসসি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মূল সনদ বিতরণ করা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে কলেজগুলোর অধ্যক্ষ বা তার প্রতিনিধিকে শিক্ষার্থীদের মূল সনদ গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। বোর্ডের ৪ নম্বর ভবনের ৫ তলা থেকে এইচএসসি সনদ বিতরণ করা হবে। নির্ধারিত দিনে নির্ধারিত জেলার অধ্যক্ষরা সকাল ১০ টা থেকে বিকাল তিনটা পর্যন্ত সনদ তুলতে পারবেন।

মূল সনদপত্র গ্রহণ করার জন্য গ্রুপ ওয়ারী কতজন ছাত্র-ছাত্রী উত্তীর্ণ হয়েছে তার বিবরণসহ বোর্ডে আসতে হবে৷ অধ্যক্ষ নিজে অথবা দায়িত্বশীল প্রতিনিধিকে প্রাধিকার পত্র দিয়ে তিনটি নমুনা স্বাক্ষর সত্যায়িতসহ সনদপত্র গ্রহণ বলেছে ঢাকা বোর্ড। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষদের নিজের বা প্রতিনিধির বেলায় প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির বা গভর্নিং বডির সিদ্ধান্তের কপিসহ মূল সনদপত্র গ্রহণের জন্য আবেদনের উপর ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বা গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান অথবা সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসারের প্রতিস্বাক্ষর নিয়ে আসতে বলা হয়েছে। তাছাড়া মূল সনদ দেয়া সম্ভব হবে না বলে সাফ জানিয়েছে ঢাকা বোর্ড।

আর কোনো ছাত্র-ছাত্রী সাময়িক সনদপত্র গ্রহণ করে থাকলে মূল সনদপত্র নেয়ার সময় সাময়িক সনদপত্র পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে ফেরত দিতে বলা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter