টপ খবর

প্রাথমিকে ১৮ দশমিক ৬ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে

ডেস্ক, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেছেন, সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্কুলে ধরে রাখতে স্কুলে মিড ডে চালু করা হয়েছে। তারপরও প্রাথমিকেই ১৮ দশমিক ৬ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। পিতা-মাতার অসচেতনতা, দারিদ্রতা, শিশুশ্রমের কারণে এরা ঝরে পড়ছে। রোববার (৩ ফেব্রুয়ারি)  সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারদলীয় মো. ইসরাফিল আলমের লিখিত প্রশ্নের উত্তরে প্রতিমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

বিশ্ববিদ্যালয় শুমারি-২০১৮ অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষায় শ্রেণি ভিত্তিক ঝরে পড়ার তালিকা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রথম শ্রেণিতে ২ দশমিক ২ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। এছাড়া দ্বিতীয় শ্রেণিতে ২ দশমিক ৮ শতাংশ, তৃতীয় শ্রেণিতে ২ দশমিক ৯ শতাংশ, চতুর্থ শ্রেণিতে ৭ দশমিক ৬ শতাংশ, ৫ম শ্রেণিতে ৩ দশমিক ৩ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। সব মিলিয়ে প্রাথমিক ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর হার ১৮ দশমিক ৬ শতাংশ।

শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধে মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বছরের শুরুতে প্রতিটি বিদ্যালয় ক্যাচমেন্ট এলাকাভিত্তিক জরিপপূর্বক ভর্তি নিশ্চিত করা, নিয়মিত মা সমাবেশ, উঠান বৈঠক এবং হোম ভিজিট কার্যক্রম রয়েছে। বছরের প্রথম দিন শতভাগ শিক্ষার্থীর বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করা, স্কুল ফিডিং, রূপালী ব্যাংক শিওর ক্যাশের মাধ্যমে শতভাগ শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি প্রদান, শতভাগ বিদ্যালয়ে মি ডে মিল চালু করাসহ নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

সরকারদলীয় নিজাম উদ্দিন হাজারীর অপর এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে ১ লাখ ৩৪ হাজার ১৪৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৬৫ হাজার ৫৯৩টি। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষার্থী রয়েছে ১ কোটি ৭৩ লাখ ৩৮ হাজার ১০০ জন। তারমধ্যে প্রথম শ্রেণিতে ৩২ লাখ ৩২ হাজার ৮৬০ জন, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ৩৪ লাখ ৬৫ হাজার ৪৩৬ জন, তৃতীয় শ্রেণিতে ৩৭ লাখ ১৮ হাজার ৭৮৮ জন, ৪র্থ শ্রেণিতে ৩৮ লাখ ২৫ হাজার ২১৮ জন, ৫ম শ্রেণিতে ৩০ লাখ ৯৫ হাজার ৭৯৮ জন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষকদের জানুয়ারির এমপিওর চেক ব্যাংকে

ডেস্ক, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ : স্কুল ও কলেজ শিক্ষকদের জানুয়ারি (২০১৯) মাসের এমপিওর (বেতন-ভাতার সরকারি অংশ) চেক ছাড় হয়েছে। সোমবার বেতনের আটটি চেক নির্ধারিত অনুদান বণ্টনকারী চারটি ব্যাংকের শাখায় পাঠানো হয়েছে।

শিক্ষক-কর্মচারীরা ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নিজ নিজ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে বেতন-ভাতার সরকারি অংশ উত্তোলন করতে পারবেন।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অন্যদিকে অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টের ফান্ডের জন্য ১০ শতাংশ চাঁদা কর্তন করে কারিগরি শিক্ষকদের জানুয়ারি মাসের এমপিও চেক ছাড় হয়েছে।

এতোদিন অবসর সুবিধা বোর্ডের জন্য এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন থেকে যথাক্রমের অবসরে ৪ শতাংশ ও কল্যাণে ২ শতাংশ হারে মোট ৬ শতাংশ চাঁদা কর্তন করা হতো। গত ১৪ জানুয়ারি কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সচিব মো: মাহাবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আদেশের প্রেক্ষিতে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীর অবসর সুবিধা বোর্ড এবং কল্যাণ ট্রাস্টের ১০ শতাংশ চাঁদা ধার্য করা হয়েছে। এ আদেশ ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করা হবে।

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সরকারি অনুদানের অংশ (এমপিও) থেকে প্রতিমাসে দুটি ফান্ডের জন্য এই ১০ শতাংশ টাকা কর্তন করে রাখা

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দুজনের জন্য ৩৩ জন শিক্ষক!

ডেস্ক ,৪ ফেব্রু:

চলমান এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার দুটি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ দুটি কেন্দ্রে সোমবার ঐচ্ছিক বিষয় ‘শারীরিক শিক্ষায়’ পরীক্ষা দিচ্ছে মাত্র দুইজন পরীক্ষার্থী। আর দু’জন পরীক্ষার্থীর জন্য দায়িত্ব পালন করছেন মোট ৩৩ জন শিক্ষক।

সোমবার সকালে বালিয়াকান্দি পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, অন্যান্য পরীক্ষার দিনের মতোই একজন কেন্দ্র সচিব, ৫ জন সচিবের সহকারী, একজন হলসুপার, একজন ট্যাগ অফিসার, একজন কক্ষ পরিদর্শক, একজন অফিস সহকারী, ৪ জন অফিস সহায়ক এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন ২ জন পুলিশ।

অন্যদিকে বহরপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে অতিরিক্ত একজন পুলিশসহ ১৭ জন দায়িত্বপালন করছেন।

কেন্দ্র সচিব আব্দুস সালাম জানান, আজ শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলার পরীক্ষা হচ্ছে। বালিয়াকান্দি পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ২ জন পরীক্ষার্থী থাকলেও একজন আগে থেকেই অনুপস্থিত এবং বহরপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে একজন পরীক্ষার্থী রয়েছে। যথা সময়ে অন্যদিনের মতোই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাসুম রেজা জানান, দুটি কেন্দ্রে ২ জন পরীক্ষা দিচ্ছে। অন্যদিনের মতোই কেন্দ্রগুলোতে দায়িত্ব পালন করছেন সংশ্লিষ্টরা। স্বাভাবিক নিয়মে পরীক্ষা শুরুর পর কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করেছেন তিনি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রধান শিক্ষকের পরের গ্রেডে বেতন পাবেন সহকারীরা

ডেস্ক

দীর্ঘ আন্দোলনের পরে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষকের পরের গ্রেডে বেতন পাবেন বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।

অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেনকে সংবর্ধনা দেয় বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষক পরিষদ।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সাধারণ সম্পাদক এসএম আব্দুল গফুর নতুন সরকারি হওয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য দূর করা, প্রধান শিক্ষকদের সম্মানের সঙ্গে পদ ফেরত দেয়াসহ ১০ দফ দাবি জানান।

সুনির্দিষ্ট দাবির বিষয়ে গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা শিক্ষক, আপনাদের সুযোগ-সুবিধা দেখা হবে। প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেড এবং সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড দেয়া হবে। আর যেসব দাবি আপনারা করেছেন, তা সবই পর্যায়ক্রমে পূরণ করা হবে। আপনারা প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করেন।’

অনুষ্ঠানে নতুন সরকারি হওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১০ দফা দাবির বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রাথমিক শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করেছেন, এখন জাতির জনকের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবারও প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য কাজ করছেন। আগে বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারি করেছেন, এরপর করেছেন জাতির জনকের কন্যা, আর কেউ করবে না। আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বসে আপনাদের সমস্যার সমাধান করব। সমস্যা থাকবে না।’

অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়েরর অতিরিক্ত সচিব ড. তরুণ কান্তি শিকদার বলেন, ‘সরকার শিক্ষকদের মান উন্নয়নে কাজ করছে।’ তিনি জানান, সরকার এরইমধ্যে নতুন প্রকল্প গ্রহণ করেছে। প্রাথমিক শিক্ষকরা দেশের বাইরে প্রশিক্ষণ নেয়ার সুযোগ পাবেন বলেও জানান তিনি।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য মো. সাইফুজ্জামান শিখর, বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষক পরিষদের সভাপতি মো. আব্দুর রহমান বাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক এস এম আব্দুল গফুর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মীর মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিনসহ শিক্ষক নেতারা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কোচিংয়ের কারণে স্কুল সিলগালা

রংপুর প্রতিনিধি ,৩ ফেব্রু:

রংপুরের গ্লোবাল রেসিডেনসিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ সিলগালা করে দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সরকারি নির্দেশ অমান্য করে কোচিং সেন্টার চালানোর অভিযোগে এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সরকারি নির্দেশ অমান্য করে স্কুলশিক্ষক কামরুল ইসলাম সাজু পরিচালিত রাফি কোচিং সেন্টার চালু রাখা হয়। শনিবার এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে আদর্শপাড়ায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল রেসিডেনসিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শ্রেণিকক্ষ ব্যবহার করে ওই কোচিং সেন্টারটির পাঠদান চলছিল। খবর পেয়ে ইউএনও সেখানে অভিযান চালায়। বিষয়টি হাতে-নাতে পড়ায় গ্লোবাল রেসিডেনশিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান ফটক সিলাগালা করে দেন। তবে জড়িত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

ইউএনও জানান, কোচিং সেন্টারের পরিচালকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মন্ত্রণালয়ে জানানো হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

স্কুলে আপত্তিকর অবস্থায় প্রধান শিক্ষক ও ছাত্রী আটক

অনলাইন ডেস্ক :

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে আপত্তিকর অবস্থায় নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর সঙ্গে প্রধান শিক্ষককে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করেছে স্থানীয় জনতা। পরে রাতে পুলিশ ওই শিক্ষক এবং ছাত্রীকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। গতকাল শনিবার এ ঘটনা ঘটে।

|আরো খবর

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, তালতলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহীদুল ইসলাম বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণি পড়ুয়া ওই ছাত্রীকে নিয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় অফিস কক্ষের দরজা বন্ধ করে দেন। এ সময় স্থানীয় মানুষ তাদেরকে সেখানেই আটকে রাখে।

খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়ে রাতে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক এবং ওই ছাত্রীকে থানায় নিয়ে আসেন। বিক্ষুব্ধ জনতা এ সময় পুলিশের গাড়িতে হামলার চেষ্টা করলে পুলিশ বেশ কয়েক রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।

গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম মেহেদী হাসান সাংবাদিকদের জানান, খবর পেয়ে পুলিশ প্রধান শিক্ষক ও ছাত্রীকে থানা নিয়ে আসে। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু

এসএসসির পরীক্ষা কেন্দ্র (ফাইল ফটো)

দেশের ১০টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আজ শনিবার (২ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হয়েছে ২০১৯ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এ পরীক্ষা চলবে।

এছাড়া, সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চ, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৬ মার্চ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ২৪ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার (৩১ জানুয়ারি) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মণি।

তিনি জানান, এবারের পরীক্ষায় মোট ২১ লাখ ৩৫ হাজার ৩৩৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। এর মধ্যে ছাত্র ১০ লাখ ৭০ হাজার ৪৪১ জন এবং ছাত্রী ১০ লাখ ৬৪ হাজার ৮৯২ জন।

২০১৮ সালের তুলনায় এবছর এক লাখ ৩ হাজার ৪৩৪ জন শিক্ষার্থী বেশি পরীক্ষা দেবেন। এর মধ্যে ছাত্র সংখ্যা বেড়েছে ৪৭ হাজার ২২৯ জন এবং ছাত্রী সংখ্যা বেড়েছে ৫৬ হাজার ২০৫ জন।

এবার আটটি সাধারণ বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৭ লাখ ১০২ জন। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৩ লাখ ১০ হাজার ১৭২ জন এবং কারিগরি ভোকেশনাল ১ লাখ ২৫ হাজার ৫৯ জন রয়েছে। মোটে কেন্দ্রের সংখ্যা ৩ হাজার ৪৯৭ এবং প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২৮ হাজার ৬৮২টি। এছাড়া, বিদেশি আটটি পরীক্ষা কেন্দ্রে ৪৩৪ জন্য পরীক্ষার্থী রয়েছে।

প্রতিবছরের মতো এবারও প্রতিবন্ধীদেরকে ৩০ মিনিট অতিরিক্ত সময়সহ শিক্ষক/অভিভাবক/ সাহায্যকারীর বিশেষ সহায়তায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে বলে সন্মেলনে জানানো হয়। এছাড়া, ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ সাইটগুলোতে নজরদারি থাকবে মনিটরিং কমিটির।

অন্যান্য বছরের মতো এবারও সকালের পরীক্ষা ১০ থেকে ১টা এবং বিকালের পরীক্ষা ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। সব পরীক্ষার্থীকে ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করে আসন গ্রহণ করতে হবে।

পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে এসএমএস-এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের কাছে প্রশ্নপত্রের সেট কোড জানিয়ে দেওয়া হবে। কেন্দ্র সচিব ব্যতীত (ছবি তোলা যায় না এমন ফোন) অন্য কেউ মোবাইল ফোন/ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না।বাসস

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকের ছুটির তালিকা সংশোধনের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২২ জানুয়ারি, ২০১৯ : মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় শিক্ষার্থীকে গড়ে তোলা ও শিক্ষকদের অধিকার নিশ্চিতকরণে প্রাথমিকের ছুটির তালিকা সংশোধনের দাবি জানিয়েছে বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদ। রোববার (২০ জানুয়ারি) এ দাবি জানিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বরাবর রেজিস্টার্ড ডাকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন পরিষদের আহ্বায়ক মো. সিদ্দিকুর রহমান। 

চিঠিতে বলা হয়, শিশু শিক্ষার স্বার্থে প্রাথমিকে বেশি ছুটি বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের প্রত্যাশা নয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আগামী প্রজন্মকে গড়ে তোলা ও শিক্ষকদের অধিকার নিশ্চিত করতে ছুটির তালিকা সংশোধনের দাবি জানানো হয় চিঠিতে। চিঠিতে বলা হয়, পূর্ববর্তী বছরের মত ২০১৯ খ্রিস্টাব্দের ছুটির তালিকায় জাতীয় দিবসগুলোকে ছুটি রাখা হয়েছে। আবার, তালিকার নিচে যথাযথ মর্যাদায় দিবসগুলো পালনের নির্দেশনা দেওয়া আছে। ছুটির তালিকায় ছুটি থাকলে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর উপস্থিত থাকা বাধ্য নয়। ছুটি থাকায় স্বল্প সংখ্যক শিক্ষার্থীকে উপস্থিত করে দায় এড়ানোর মত জাতীয় দিবসগুলো পালন করেন শিক্ষকরা। জাতীয় দিবসগুলোর প্রেক্ষাপট শিক্ষার্থীদের বিশদভাবে জানানো প্রয়োজন। তাই, আগামী প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তুলতে ও শিক্ষার্থীদের মনে দেশের প্রতি মমত্ববোধ সৃষ্টির লক্ষ্যে জাতীয় দিবসের ছুটিগুলো বাতিল করার দাবি জানানো হয় বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের চিঠিতে। 

চিঠিতে আরও বলা হয়,  প্রাথমিক শিক্ষকেরা সাপ্তাহিক ছুটি শনিবার কর্মরত থাকায় তাদের ছুটি সরকারি কর্মচারীদের চেয়েও কম। সকল সরকারি কর্মচারী শ্রান্তি বিনোদন ভাতার ১ মাসের মূল বেতনের সাথে ১৫ দিনের বাড়তি ছুটি পান। প্রতি বছরের মতো ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দেও যেকোন অবকাশে শ্রান্তি বিনোদনের জন্য ১৫ দিন ছুটি রাখা হয়নি। বিগত বছরগুলোতে রমজান মাসের ছুটি থেকে ১৫ দিন শ্রান্তি বিনোদনের ছুটি দেখিয়ে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার দপ্তর থেকে বিল পাস করানো হয়। হিজরি বছর ৩৫৫ দিন তাই ৩ বছর রমজানের ছুটি ৩০ দিন এগিয়ে আসে। বিধায় শিক্ষকেরা ৪ থেকে ৫ বছর পর পর শ্রান্তি বিনোদন ভাতা পান। তাই রমজানের মাস ছাড়া যে কোন পর্বে জাতীয় ও বিশেষ দিবসের ছুটিগুলো যোগ করে ১৫ দিন ছুটি প্রদান করা এবং ৩ বছর পর পর শ্রান্তি বিনোদন ভাতা প্রদানের নিশ্চত করার দাবি জানানো হয় বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের চিঠিতে।

প্রধান শিক্ষকদের সংরক্ষিত ছুটি সাধারণত তাৎক্ষণিক বিশেষ কারণে দেওয়া হয়। কিন্তু তা অনুমোদন করতে হয় থানা বা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার থেকে। বাস্তবে সংরক্ষিত ছুটি দেয়ার ক্ষমতা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার। সংরক্ষিত ছুটি প্রদানে প্রধান শিক্ষকের ক্ষমতা থাকা প্রয়োজন। সবসময় থানা বা উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে তাৎক্ষণিক সংরক্ষিত ছুটি অনুমোদন সম্ভব নয়। অনুমোদনের পরিবর্তে থানা বা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের অবহিত করে প্রধান শিক্ষকদের সংরক্ষিত ছুটি প্রদানের ক্ষমতা দেয়ার দাবি জানানো হয় চিঠিতে। 

চিঠিতে আরও বলা হয়, ২০১৯ খ্রিস্টাব্দের ছুটির তালিকায় দূর্গাপূজার ছুটি ৩ দিন। হিন্দু সম্প্রদায়ের দূর্গাপূজা সাধারণত ৫ দিন অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। শিক্ষকদের মধ্যে এ ছুটি নিয়ে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তাই দূর্গা পূজায় ছুটি বৃদ্ধি করে হিন্দু সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের প্রত্যাশা পূরণের দাবি জানিয়েছে  বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদ

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকের মহাপরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্বে সোহেল আহমেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২২ জানুয়ারি, ২০১৯ : প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্ব পেয়েছেন অতিরিক্ত মহাপরিচালক সোহেল আহমেদ। সোমবার (২১ জানুয়ারি) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানা যায়।

মহাপরিচালক ড. মো. আবু হেনা মোস্তফা কামালকে  ভারপ্রাপ্ত সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে। 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দামুড়হুদায় সততা স্টোরের শুভ উদ্বোধন

প্রলয় শীল,দামুড়হুদা(চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি : দামুড়হুদায় শিক্ষার্থীদের সততা শিক্ষা দিতে বিক্রেতাবিহীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘সততা স্টোর’র উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা আজমপুর সপ্রাবি উদ্যোগে উপজেলার মআরবি আজমপুর সপ্রা বিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠা করা হয় এ সততা স্টোর।
এ সততা স্টোরের উদ্বোধন করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বরুপ দাস। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুল হামিদ,আতিকুর রহমান,মেরিনা পারভীনও বিদ্যালয়ের শতাধিক ছাত্রছাত্রী।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

১০৫ বছর আয়ু পাওয়া জাপানি চিকিৎসকের ৬ পরামর্শ

ডা. শিগেয়াকি হিনোহারা। ২০১৭ সালের ২৫ জুলাই ১০৫ বছর বয়সে মারা যান জাপানি এই চিকিৎসক। দীর্ঘজীবন ধারণে তাঁকে একজন বিশেষজ্ঞ মানা হয়। তাঁর পরামর্শেই গড় আয়ুর দিক থেকে জাপান বিশ্বে শীর্ষস্থান অধিকার করেছে। বেশি দিন বেঁচে থাকার জন্য তাঁর কিছু পরামর্শ বিশ্বব্যাপী সমাদৃত। বিশেষ করে হিনোহারার ছয়টি পরামর্শ—

প্রথম পরামর্শ: যত দেরিতে সম্ভব কর্মজীবন থেকে অবসর নিন। জাপানি এই চিকিৎসক নিজে মৃত্যুর মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেও কর্মজীবনে সক্রিয় ছিলেন। তাঁর এই পরামর্শ খুবই কার্যকর। সাধারণত চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে দেখা যায়, অবসর নেওয়ার পর যেন তাঁদের বার্ধক্য হু হু করে বাড়ে। দেখা দিতে থাকে নানা অসুখ-বিসুখ। কাজ মানুষের বার্ধক্য আটকে রাখে।

দ্বিতীয় পরামর্শ: ওজনের দিকে খেয়াল রাখো। দিনে একবার খাও। ডিনারে মাছ ও সবজির ওপর বেশি জোর দিয়েছেন। মাংস অবশ্যই খেতে হবে। তবে সপ্তাহে দুবারের বেশি নয়। জলপাইয়ের তেল (অলিভ অয়েল) খাওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি। শরীরের ত্বক ও শিরা-ধমনি ভালো রাখার জন্য জলপাই তেল ভালো কাজ করে।

তৃতীয় পরামর্শ: আনন্দে সময় কাটাও। অতিরিক্ত নিয়মকানুনের চাপে শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ে। শৈশবে খাবারদাবারের অনিয়ম সত্ত্বেও শরীর অসুস্থ হয় না। কেন? কারণ, মানসিক চাপ থাকে না। মূলত ঘুমিয়ে বা কিছু না করেই শরীর ক্লান্ত না করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

চতুর্থ পরামর্শ: যা জানো, তা অন্যকে জানাও। তিনি বিশ্বাস করতেন, আমরা পৃথিবীতে এসেছিই এই সভ্যতায় কিছু না কিছু অবদান রাখার জন্য, মানুষকে সাহায্য করার জন্য। আজ, আগামীকাল, এমনকি পাঁচ বছর পরের পরিকল্পনা করতেন তিনি।

পঞ্চম পরামর্শ: জাগতিক সম্পদ নিয়ে চিন্তা না করা। ভালো থাকার পেছনে অর্থবহ কাজ করাটাই জরুরি। বস্তুগত চিন্তার তুলনায় আধ্যাত্মিক চিন্তায় শরীর ও মন ভালো থাকে বলে বিশ্বাস করতেন। অর্থবিত্ত মানুষকে আরও বেশি মানসিক চাপের মধ্যে ফেলে। অল্পতেই তুষ্ট হওয়া তাই জরুরি। তিনি সব সময় এটা মনে রাখতে বলেছেন, শেষ ঠিকানায় এসব কিছুই সঙ্গে যাবে না।

ষষ্ঠ পরামর্শ: সিঁড়ি ব্যবহার করা। হিনোহারা নিজে একবারে সিঁড়ির দুটি ধাপ পার করতেন, যাতে তাঁর পেশি ঠিক থাকে। শারীরিক ব্যায়ামের জন্য দৈনন্দিন কাজকর্মে যান্ত্রিকতা কমানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। কায়িক শ্রম পছন্দ করতেন। ডাক্তারের পরামর্শকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করতে মানা করতেন তিনি। চিকিৎসকেরা জীবন দিতে পারেন না। তাই অযথা সার্জারি করার বিপক্ষে ছিলেন। সূত্র: বিবিসি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পাঠ্যপুস্তকে কিশোরীর ‘ উপযুক্ত পোশাক’ বিষয়ে রাশেদা কে চৌধুরী বললেন ‘ এটি শুরুতেই শিক্ষার্থীর আত্মবিশ্বাস নষ্ট করে’

২০১৯ শিক্ষাবর্ষের জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের ষষ্ঠ শ্রেণির গার্হস্থ্য বিজ্ঞান বইয়ের ‘কৈশোরকালীন পরিবর্তন ও নিজের নিরাপত্তা রক্ষা’ বিষয়ক সপ্তম অধ্যায়ে সাদা-কালো সালোয়ার-কামিজ আর সাদা ওড়না গায়ে এক কিশোরীর ছবি। ছবির নিচে লেখা, ‘উপযুক্ত পোশাকে কিশোরী’। এই ছবির পাশেই লেখা, ‘মেয়েরা তাদের দৈহিক পরিবর্তন অন্যরা দেখে বিরূপ মন্তব্য করতে পারে বলে ভয়ে ভয়ে থাকে। সেজন্য এমন পোশাক পরা আবশ্যক।

এবিষয়ে লেখক শাহীন আখতার বলেন, ‘ পুরুষ কিভাবে পোশাক পরবে সেটিতো পাঠ্যপুস্তকে লেখা থাকে না।  তবে নারীর জন্য এরকম প্রস্তাবনা কেন? কারণ কিছুই নয়, এই শিক্ষাব্যবস্থা যে পুরুষতান্ত্রিক এরই প্রমাণ মিলল এমন পোশাক প্রস্তাবনায় ‘

গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধূরী বলেন,  ‘উপযুক্ত পোশাক নির্ধারণ করা পাঠ্যপুস্তকের কাজ নয়। পাঠ্যপুস্তকে উপযুক্ত পোশাকের মতো বিষয় রাখার মানে হলো, শুরুতেই শিক্ষার্থীদের মনোজগতের মধ্যে বিষয়টি ঢুকিয়ে দিয়ে তাদের আত্মবিশ্বাস নষ্ট করা।’

সেভ দ্য ওম্যান এর নির্বাহী পরিচালক জাভেদ পীরজাদা বলেন, `বর্তমানে কিশোরীরা ফুটবল খেলছে। ক্রিকেট খেলছে। রাষ্ট্রীয়ভাবেই তা উৎসাহিত করা হচ্ছে। আর পাঠ্যপুস্তকে কিশোরীদের জন্য এমন কথা দু:খজনক।‘

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৬৭৬ জনকে নিয়োগ দেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

ডেস্ক:

অনলাইন মাধ্যমসহ বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আগ্রহী সব বাংলাদেশি নাগরিক আবেদন করতে পারেন।

আবেদনের শেষ তারিখ: আবেদনের শেষ তারিখ ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯।

পদের নাম: হিসাবরক্ষক, হেড মেকানিক, অফিস গুদামরক্ষক, ক্লাসিফায়ার, সার্চার, টেইলার, ওয়ার্ডবয়, মেশিনিস্ট, অফিস সহায়ক, মেস ওয়েটার ও পরিচ্ছন্নতা কর্মীসহ বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেওয়া হবে।

পদসংখ্যা: বিভিন্ন পদে সর্বমোট ৬৭৬ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

যোগ্যতা: যেকোনো স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে যেকোনো বিষয়ে স্নাতক পাসসহ উচ্চ মাধ্যমিক/মাধ্যমিক/অষ্টম শ্রেণি/পঞ্চম শ্রেণি পাস প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। কিছু কিছু পদের জন্য অভিজ্ঞতার প্রয়োজন আছে। আবেদনের জন্য ৩১ জানুয়ারি, ২০১৯ তারিখে প্রার্থীর বয়স ন্যূনতম ১৮ থেকে অনূর্ধ্ব ৩০ বছর হতে হবে।

বেতন: জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫ অনুযায়ী বিভিন্ন পদের জন্য বিভিন্ন গ্রেডে (১৩ থেকে ২০তম গ্রেড) বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে।

আবেদনের প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীদের সদ্য তোলা চার কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি, সব শিক্ষাগত ও অভিজ্ঞতার সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধন সনদ, নাগরিকত্বের সনদপত্রসহ চারিত্রিক সনদপত্র সংযুক্ত করে আবেদন করতে হবে। সকল পদের বিপরীতে পদের সর্ব ডানপার্শ্বের কলামে আবেদন পাঠানোর ঠিকানা উল্লেখ করা আছে। এ ছাড়া আবেদনের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা আছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক লিগ সূচক বিশ্বের ৪১তম অর্থনীতির দেশ বাংলাদেশ

ডেস্ক , ৭ জানুয়ারী

বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থানের দুই ধাপ উন্নতি হয়েছে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক লিগ টেবিল অনুযায়ী, ২০১৯ সালে ৪১-তম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। গত বছর যা ছিল ৪৩ তম। গত ডিসেম্বরে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে আভাস দেওয়া হয়েছে, সামনের বছরগুলোতে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে। ২০৩৩ সাল নাগাদ বিশ্বের শীর্ষ ২৫ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় নাম লেখাবে বাংলাদেশ।|

‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক লিগ টেবিল (ডব্লিউইএলটি), ২০১৯’ শিরোনামের সমীক্ষা প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর ইকোনমিকস এন্ড বিজনেস রিসার্চ (সিইবিআর)। সিইবিআর-এর প্রতিবেদনের দশম সংস্করণ এটি। ২০০৩ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত নেওয়া তথ্য পর্যালোচনা করে মূল্যায়ন করা হয়েছে ১৯৩টি দেশের বার্ষিক অবস্থান। পাশাপাশি ভবিষ্যৎ সম্ভাব্যতা বিচার করে ২০৩৩ সাল পর্যন্ত দেশগুলোর অবস্থানের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। তালিকায় শীর্ষ পাঁচ অর্থনীতির দেশ হিসেবে নাম রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান, জার্মানি ও ভারতের।

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক লীগ টেবিল অনুযায়ী, আগামী ১৫ বছরে উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হবে। ২০২৩ সাল নাগাদ শীর্ষ অর্থনীতির দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৩৬ তম হবে। আর ২০২৮ সাল নাগাদ ২৭ তম অবস্থানে চলে আসবে বাংলাদেশ। ২০৩৩ সাল নাগাদ এ অবস্থান হবে ২৪ তম।

সিইবিআর-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘২০১৮-২০৩৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশে গড়ে ৭ শতাংশ বার্ষিক প্রবৃদ্ধি কামনা করি আমরা। এর মধ্য দিয়ে ২০১৮ সালের তুলনায় ২০৩৩ সালে ১৯ ধাপ অগ্রগতি হয়ে ২৪ তম বৃহত্তর অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে বাংলাদেশ।’

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক লীগ টেবিল অনুযায়ী, ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও জাপান যথাক্রমে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে থাকবে। তবে ২০৩৩ নাগাদ শীর্ষ অবস্থানে থাকবে যথাক্রমে চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬৫ হাজার নতুন পদ সৃষ্টি

ডেস্ক,৪ জানুয়ারী। সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একজন করে হিসাব রক্ষকের পদ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন পদ সৃজন, জনপ্রশাসন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনসহ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড সম্পন্ন করা হবে বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো: গিয়াস উদ্দিন আহমেদ হিসাব রক্ষকের পদ সৃষ্টির নীতিগত সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানিয়ে গতকাল নয়া দিগন্তকে বলেন, ‘প্রধান শিক্ষক’ প্রতিষ্ঠান প্রধান এবং বিদ্যালয়ে পাঠদান ও তদারকিতে আরো সক্রিয় করতে বিদ্যালয়ে একজন হিসাব রক্ষক প্রয়োজন। এ ব্যাপারে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করে কার্যক্রম চলবে।

গতকাল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সচিব মো: আকরাম-আল-হোসেনের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে এ ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে মন্ত্রণালয়ে সব অতিরিক্ত সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর মহাপরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বিদ্যালয়ের সব ধরনের হিসাব সংরক্ষণ ও পরিচালনাসহ বিদ্যালয়ের দাফতরিক সব কর্মকাণ্ড এককভাবে প্রধান শিক্ষককে করতে হয়। এ ছাড়াও সরকারের নানা ধরনের নির্দেশনামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকায় প্রধান শিক্ষকেরা বিদ্যালয়ের পাঠদান পরিচালনা-তত্ত্বাবধান-সমন্বয় সঠিকভাবে করতে পারছেন না। তাই প্রধান শিক্ষককে পাঠদানে আরো মনোনিবেশ করাতে এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয় ও ডিপিই সূত্র জানান, অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষার স্তর নির্ধারণ করা হয়েছে শিক্ষানীতিতে। সরকারের নতুন মেয়াদে এটি শতভাগ কার্যকর করা না গেলেও এর প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। তাই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নির্ভর হিসাব সংরক্ষণ-পরিচালনা সমীচীন হবে না।

এ ছাড়া এখন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনেক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চলছে। এসবের সঠিক হিসাব সংরক্ষণ প্রশ্নের মুখে পড়ছে। অনেক বিদ্যালয় থেকে হিসাব সংরক্ষণে নানা ধরনের জটিলতার সৃষ্টি হচ্ছে। তাই একজন যোগ্য-মানসম্পন্ন ‘হিসাব রক্ষক’ জরুরি হয়ে পড়েছে। এসব বিবেচনায় দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘হিসাব রক্ষকের পদ সৃষ্টি’র কথা বিবেচনা করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, সহস্রাব্দের উন্নয়ন অভীষ্টের (এসডিজি) শর্তানুসারে মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করতে মানসম্পন্ন প্রাথমিক শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে। সরকার এ লক্ষ্য অর্জনে বিগত দিন ও বছরগুলোর চেয়ে এখন অতিমাত্রায় স্পর্শকাতর। প্রাথমিক শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে এরই মধ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। তার মধ্যে ‘ওয়ান ডে ওয়ান ওয়ার্ড’ এবং প্রাথমিকে গণিত অলিম্পিয়ার্ড চালু অন্যতম। এসব কারণে প্রধান শিক্ষককে পাঠদান নিশ্চিত করতে আরো বেশি মনোযোগী করতেই হিসাব রক্ষকের পদ সৃষ্টির নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, সারা দেশে বর্তমানে ৬৫ হাজার ৯৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংখ্যা হচ্ছে ৩৭ হাজার ৬৭২টি, বিদ্যালয়বিহীন গ্রামে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১ হাজার ২০৭টি, নতুন জাতীয়করণকৃত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ২৬ হজার ১৫৯টি এবং পরীক্ষণ বিদ্যালয় ৬১টি। এসব স্কুলে ১ জন করে ‘হিসাব রক্ষক’ নিয়োগ দেয়া হবে। এ হিসাবে সারা দেশে ৬৫ হাজার ৯৯ জন ‘হিসাব রক্ষক’ হিসেবে নিয়োগ পাবেন।

কবে নাগাদ ‘হিসাব রক্ষক’ পদে নিয়োগ দেয়া হবে জানতে চাইলে মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, পদ সৃজন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনসহ অন্যান্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বেশ সময় লাগবে। চলতি অর্থবছরে ‘হিসাব রক্ষক’ পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়ার চেষ্টা করা হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একজন মানসম্পন্ন ‘হিসাব রক্ষক’ পদে নিয়োগ দেয়া হবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা আরো নিশ্চিত হবে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ওপর চাপ কমবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free