টপ খবর

ভিকারুননিসায় এক ছাত্রীকে টিসি দিলে আয় ১০ লাখ!

ডেস্ক রিপোট: রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল ও কলেজের বিরুদ্ধে রয়েছে ভর্তি বাণিজ্য, অতিরিক্ত ফি আদায়, অভিভাবকদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহারসহ নানা অভিযোগ। শিক্ষার্থী অরিত্রির অধিকারীর মৃত্যুর পর মুখ খুলছেন অভিভাবকরাও।

অরিত্রির ঘটনায় এক নারী শিক্ষককে গ্রেফতার করা হলেও আরও দুজন পলাতক। অভিভাবকদের অভিযোগ, যে শিক্ষকরা পতালক তারাই ঘটনার সঙ্গে বেশি জড়িত।

ভিকারুননিসার অনিয়মের প্রতিবাদে শুক্রবার প্রতিবাদমুখর ছিলেন অভিভাবকরা। একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে একজন অভিভাবক অভিযোগ করে বলেন, ‘একটি ছাত্রীকে টিসি দিয়ে বের করে দিলে, আরেকটি ছাত্রী ভর্তি করা যাবে। তাহলে নগদে ১০ লাখ টাকা আয় হয়ে যাবে। প্রতিটি শিক্ষকের মাথায় এটি ঘোরে।’

তিনি বলেন, ‘প্রতিটি সেশনে ৭০ জন থাকার কথা। সেখানে ১০০-১১০ জন ভর্তি হচ্ছে। এটা কীভাবে সম্ভব? এটা ভর্তি বাণিজ্য হয়েছে তা না হলে কীভাবে হলো। এ দেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করা যায়। কিন্তু ভিকারুননেসা স্কুলের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে দেখা করা দুষ্কর।’

প্রসঙ্গত, নবম শ্রেণির ছাত্রী অরিত্রির বিরুদ্ধে স্কুল কর্তৃপক্ষ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরীক্ষায় নকল করার অভিযোগ এনেছিল। এ জন্য অরিত্রির মা-বাবাকে ডেকে নেন ভিকারুননিসার অধ্যক্ষ।

তাদের ডেকে মেয়ের সামনেই অপমান করে বলেন, সিদ্ধান্ত হয়েছে অরিত্রিকে নকলের অভিযোগে প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দেয়া হবে। এ অপমান সইতে না পেরে বাসায় এসে অরিত্রি আত্মহত্যা করে।

পুলিশ ও পরিবারের তথ্যানুযায়ী, সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজধানীর শান্তিনগরে সাততলা ভবনের সপ্তমতলায় নিজ ফ্ল্যাটে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় অরিত্রিকে পাওয়া যায়।

এরপর ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেয়া হলে বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে চিকিৎসকরা অরিত্রিকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওই ছাত্রীর গ্রামের বাড়ি বরগুনা সদরে। অরিত্রির বাবা দিলীপ কুমার একজন সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ী। সূত্র: সময় টিভি, যুগান্তর

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

‘মিস ওয়ার্ল্ড ২০১৮’ মেক্সিকান সুন্দরী ভেনেসা

লিহান লিমা: ২০১৮ সালের বিশ্বসুন্দরীর মুকুট জিতে নিয়েছেন মেক্সিকান সুন্দরী ভেনেসা পোন্স দি লিওন। তাকে মুকুট পরিয়ে দেন সাবেক বিশ্বসুন্দরী মানুষী চিল্লার। রানার্স আপ হন থাইল্যান্ডের নিকোলেনি পিচাপা লিমসনুকান।

শনিবার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫ টায় চীনের সানায়া শহরে শুরু হয় মিস ওয়ার্ল্ডের জমকালো আয়োজন। এর মধ্যে মিস ওয়ার্ল্ডের সিক্স কন্টিনেন্টাল কুইন ক্যাটাগরিতে ‘মিস ওয়ার্ল্ড ইউরোপ’ জিতে নেন বেলারুশের মারিয়া ভাসিলিভিস, ‘মিস ওয়ার্ল্ড ক্যারিবিয়ান’ হন জ্যামাইকার কাদিজাহ রবিনসন, ‘মিস ওয়ার্ল্ড আমেরিকা’ হন মেক্সিকোর ভেনেসা পোন্স দি লিওন, ‘মিস ওয়ার্ল্ড আফ্রিকা’র খেতাব যায় উগান্ডার কুইইন আবেনাকেওর ঝুলিতে। ‘মিস ওয়ার্ল্ড এশিয়া ও ওশেনিয়া’ জেতেন থাইল্যান্ডের নিকোলেনি পিচাপা লিমসনুকান।

মিস ওয়ার্ল্ডের সেরা ১২তে জায়গা করে নেয় বেলারুশ, ফ্রান্স, স্কটল্যান্ড, জ্যামাইকা, মার্টিনিকো, মেক্সিকো, পানামা, মরিশাস, উগান্ডা, নেপাল, নিউজিল্যান্ড ও থাইল্যান্ড।

বাংলাদেশের জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশি সেরা ৩০-এ জায়গা করে নিলেও সেখান থেকেই ছিটকে পড়েন। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেছেন মেগান ইয়াং, বার্নি ওয়ালশ, অ্যাঞ্জেলা চো, ফার্নান্দো আলেন্দে ও স্টেফানি দেল ভালে। বিচারক ও দর্শক প্রতিক্রিয়া নেন ফ্রাঙ্কি চেনা। ওয়েব।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

যেভাবে ধরা খেলেন ভিকারুননিসার সেই শিক্ষিকা

ডেস্ক:  ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী অরিত্রী অধিকারীর আত্মহত্যায় প্ররোচনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানটির শ্রেণি শিক্ষিকা হাসনা হেনা থাকেন রাজধানীর মগবাজার এলাকার ডাক্তারের গলিতে। পরিস্থিতি প্রতিকূলে ভেবে তিনি পরিকল্পনা করেছিলেন ঢাকার বাইরে চলে যাওয়ার।

সে কারণে তিনি আশ্রয় নিয়েছিলেন উত্তরার একটি হোটেলে। তবে শেষ রক্ষা হলো না। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তথ্যপ্রযুক্তির ফাঁদে ধরা পড়লেন ভিকারুননিসা নূন স্কুলের প্রভাতী শাখার বরখাস্তকৃত ওই শ্রেণি শিক্ষিকা।

বুধবার রাতে তাকে উত্তরা ৬ নম্বর সেক্টরের হোটেল উত্তরা ইনের একটি কক্ষ থেকে গ্রেপ্তার করে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের পূর্ব জোনের একটি টিম।

তিনি ওই স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী অরিত্রি অধিকারীর আত্মহত্যায় প্ররোচণার ঘটনায় দায়ের করা মামলার তিন নম্বর আসামি। মামলা হওয়ার পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন।

অভিযানে অংশ নেয়া ডিবির এক কর্মকর্তা জানান, হাসনা হেনাকে গ্রেপ্তারের আগে তার মগবাজারের বাসায় নারী পুলিশ নিয়ে অভিযান চালানো হলে সেখানে তাকে পাওয়া যায়নি। তাকে খুঁজতে তথ্যপ্রযুক্তির সহযোগিতা নেয়া হয়। তার ও তার পরিবারের সদস্যদের কল রেকর্ডের সূত্র ধরে তার অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়। এরপর হোটেলে অভিযান চালানো হয়। সেখানে একটি কক্ষ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পরপর নারী পুলিশ সদস্যরা তাকে মাইক্রোবাসে করে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে আসেন।

ডিবি কার্যালয়ে আনার পর তাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলেও জানান ওই কর্মকর্তা। তিনি জানান, জিজ্ঞাসাবাদে অরিত্রীর সঙ্গে হাসনা হেনার সর্বশেষ কথাবার্তা, অপর দুই আসামি বরখাস্তকৃত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস ও প্রভাতী শাখার প্রধান শিক্ষিকা জিনাত আখতারের সঙ্গে অরিত্রীর বাবা-মায়ের কথোপকথনের বিষয়ে কিছু প্রশ্ন করা হয়।

বৃহস্পতিবার সকালে আবারও তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দুপুরেই তার রিমান্ড চেয়ে আদালতে তোলা হতে পারে বলে জানান তিনি।

ডিবির আরো একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, মঙ্গলবার রাতে পল্টন থানায় মামলা হওয়ার পর থেকেই মামলার ছায়া তদন্ত শুরু করে ডিবি। বুধবার মামলাটি আনুষ্ঠানিকভাবে ডিবির হাতে আসলে তদন্ত শুরু হয়। তদন্তে স্কুলের অনেকের সঙ্গে কথা বলেন তদন্ত কর্মকর্তারা, পর্যবেক্ষণ করেন অধ্যক্ষের কক্ষের ভেতর ও বাইরের কয়েকটি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ। পাশাপাশি ডিবির আরেকটি দল অভিযুক্ত তিনজনকে নজরদারি শুরু করে। এরই ফলশ্রুতিতে হাসনা হেনাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ডিবির (পূর্ব) উপকমিশনার খন্দকার নুরুন্নবী জানান, মন্ত্রণালয় থেকে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা পাওয়ার পর থেকেই অভিযুক্ত শিক্ষকদের গ্রেপ্তারে তৎপরতা শুরু করে গোয়েন্দারা। হাসনা হেনাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে বৃহস্পতিবার সকালে আদালতে তোলা হবে।

তিনি বলেন, এই মামলায় আরও দুইজন আসামি পলাতক এদের মধ্যে জিনাত আখতারের বাড়িতে অভিযান চালালে সেখানে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তাদের গ্রেপ্তারে একাধিক টিম কাজ করছে।

গত সোমবার দুপুরে রাজধানীর শান্তিনগরের নিজ বাসায় ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে প্রাণ হারায় অরিত্রী। এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর পল্টন থানায় ‘আত্মহত্যার প্ররোচণাকারী’ হিসেবে স্কুলের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস, প্রভাতী শাখার শিফট ইনচার্জ জিনাত আখতার ও প্রভাতী শাখার শ্রেণি শিক্ষিকা হাসনা হেনার বিরুদ্ধে মামলা করেন অরিত্রির বাবা। মামলার পর থেকেই তারা পলাতক ছিলেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

উত্তরার হোটেল থেকে ভিকারুননিসার সেই শিক্ষিকা গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক:   ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী অরিত্রী অধিকারীর আত্মহত্যায় প্ররোচনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানটির শ্রেণি শিক্ষিকা হাসনা হেনাকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।

বুধবার রাত ১১টার দিকে রাজধানীর উত্তরার একটি হোটেল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার খন্দকার নুরুন্নবী বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, ‘শিক্ষক হাসনা হেনাকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হচ্ছে।’

এর আগে বিকেলে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারকে প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে র‌্যাব ও পুলিশকে চিঠি দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

উত্তরার হোটেল থেকে ভিকারুননিসার সেই শিক্ষিকা গ্রেপ্তার

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এসএসসি পরীক্ষা শুরু ২ ফেব্রুয়ারি, সূচি প্রকাশ

আগামী ২ ফেব্রুয়ারি থেকে  শুরু হবে ২০১৯ খ্রিস্টাব্দের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা।  ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এ পরীক্ষা চলবে। আর ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ নভেম্বর) পরীক্ষার সূচি প্রকাশ করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।

পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে বলে  জানিয়েছে ঢাকা বোর্ড।

সাধারণত ১ ফেব্রুয়ারি এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয়। কিন্তু আগামী ১ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার। এ জন্য একদিন পর পরীক্ষা শুরু হচ্ছে।

সময়সূচিতে বলা হয়েছে, প্রথমে প্রশ্নপত্রের বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) অংশ ও পরে সৃজনশীল বা রচনামূলক অংশের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ার স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে না হৃদয় সরকারের

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় এক মা প্রতিবন্ধী সন্তানকে কোলে নিয়ে কেন্দ্রে যাচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাড়া জাগানো এই ছবিটি হয়তো আপনাকে মুগ্ধ করেছে।

যেখানে ফুটে উঠে এক অদম্য মায়ের তার প্রতিবন্ধী সন্তানের প্রতি ভালোবাসা, সেই সন্তানের শিক্ষার প্রতি আগ্রহ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রতিবন্ধীদের জন্য পর্যাপ্ত সুবিধার অভাব।

কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়র ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও, বিধির কারণে সেখানে পড়া আটকে গেছে সেই ছেলেটির- হৃদয় সরকারের।

সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের খ ইউনিটে উত্তীর্ণ হয়ে হৃদয়ের সিরিয়াল ৩ হাজার ৭৪০। যদিও এই ইউনিটে মোট আসন রয়েছে ২ হাজার ৩৮৩টি। সেখানে প্রতিবন্ধী কোটার আসন খালি রয়েছে।

প্রতিবন্ধী হিসাবে সমাজকল্যাণ বিভাগ থেকে তালিকাভুক্তির সনদ গ্রহণ করেছেন ‘সেরিব্রালপালসি’তে আক্রান্ত হৃদয় সরকার, যিনি ছোটবেলা থেকেই হাটতে বা চলাফেরা করতে পারেন না।

কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবন্ধী কোটার ফর্ম সংগ্রহ করতে গেলে তাকে জানানো হয়, তিনি ওই কোটার মধ্যে পড়েন না।

হৃদয় সরকার বিবিসি বাংলাকে বলছেন, আমার বাবা-মা যখন ফর্ম আনতে গেলেন, তখন তাদের বলা হয়েছে, আমি নাকি কোটার মধ্যে পড়িনা। এরপরে আমরা ডীন স্যার আর ভিসি স্যারের কাছেও গেলাম। তারাও বললেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধির কারণে আমার কোটায় ভর্তির সুযোগ নেই।”

মা সীমা সরকারের স্বপ্ন ছিল, তার প্রতিবন্ধী সন্তান একদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বে
মা সীমা সরকারের স্বপ্ন ছিল, তার প্রতিবন্ধী সন্তান একদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বে

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার পরে হৃদয় সরকারের মা বিবিসি বাংলাকে বলেছিলেন, সে ভর্তি হলে তারা স্বপরিবারে নেত্রকোনা থেকে ঢাকায় চলে আসবেন।

”তাকে নিয়ে আমার স্বপ্ন ছিলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াবো। যেন আমি বেঁচে না থাকলেও তার চলতে কষ্ট না হয়।” তিনি বলেছেন।

তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিতে প্রতিবন্ধী কোটায় শুধু দৃষ্টি, শ্রবণ ও বাকপ্রতিবন্ধী-এই তিন ধরণের প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে কোটা প্রযোজ্য হবে। এখানে শারিরিক বা অন্য কোন ধরণের প্রতিবন্ধীরা কোটায় ভর্তি হতে পারবেন না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডীন ও ভর্তি পরীক্ষার প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যাপক আবু মো দেলোয়ার হোসেন বিবিসি বাংলাকে বলেন, ” ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়ার যোগ্যতা থাকলে যে কেউ অংশ নিতে পারেন। কিন্তু কোটায় ভর্তি হতে পারেন শুধুমাত্র বাক, শ্রবণ বা দৃষ্টি প্রতিবন্ধীরা। এর বাইরের প্রতিবন্ধীদের আমাদের নেয়ার সুযোগ নেই।”

হৃদয় সরকারের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ” তার সঙ্গে আমাদের তো কোন বিরোধ নেই। কিন্তু বিধির কারণেই সে কোটার আওতায় পড়ছে না।”

গত ২১শে সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘খ’ ইউনিটের ওই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। যাতে ৩৩হাজার ৮৯৭জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। এদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪ হাজার ৭৪৭জন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ছবিতে কী দেখছেন? উত্তরেই বোঝা যাবে মনের অবস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদন: মহিলা না পুরুষ: পুরুষের মুখ দেখতে পেলে আপনি ভীষণ রোম্যান্টিক, এবং নিজের পার্টনারকে ভীষণই ভালবাসেন। আর মহিলার মুখের অর্থ জীবনের প্রতি ভীষণই পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গি আপনার।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অনলাইনে এসএসসির ফরম পূরণ শুরু ৭ নভেম্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক | আগামী ৭ নভেম্বর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ২০১৯ খ্রিস্টাব্দের এসএসসি পরীক্ষার অনলাইনে ফরম পূরণের কার্যক্রম। ঢাকা বোর্ড প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে এসএসসির টেস্ট পরীক্ষার ফল ৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিলো ঢাকা বোর্ড।

আগামী ৭ নভেম্বর থেকে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত বিলম্ব ফি ছাড়া অনলাইনে ফরম পূরণ করতে পারবেন ২০১৯ খ্রিস্টাব্দের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা। বিলম্ব ফিসহ ১৬ নভেম্বর থেকে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত এসএসসির ফরম পূরণ করা যাবে। বিলম্ব ফি ছাড়া অনলাইনে ফি জমা দেওয়ার সময় ১৫ নভেম্বর শেষ হবে। ১০০ টাকা বিলম্ব ফিসহ ফি ২২ নভেম্বর পর্যন্ত ফি জমা দেওয়া যাবে।

এর আগে ২০১৯ খ্রিস্টাব্দের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক জিপিএ উন্নয়ন পরীক্ষার্থীসহ ২০১৮ খ্রিস্টাব্দের পরীক্ষায় অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের ২৫ অক্টোবরের মধ্যে নিজ প্রতিষ্ঠানের প্রধান বরাবর সাদা কাগজে আবেদন করতে বলা হয়েছিলো।

এসএসসি পরীক্ষা ২০১৯ খ্রিস্টাব্দের পরীক্ষার ফি বাবদ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পত্র প্রতি ৯০ টাকা, ব্যবহারিকের ফি বাবদ পত্র প্রতি ৩০ টাকা, একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্টের ফি বাবদ পরীক্ষার্থী প্রতি ৩৫ টাকা মূল সনদ বাবদ শিক্ষার্থী প্রতি ১০০ টাকা, বয়েজ স্কাউট ও গার্লস গাইড ফি বাবদ ৫ টাকা এবং জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ফি বাবদ পরীক্ষার্থী প্রতি ৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া অনিয়মতি শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে পরীক্ষার্থী প্রতি ১০০ টাকা অনিয়মিত ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকরা পাবেন ১০ম গ্রেড আর সহকারীরা ১২তম

নিজস্ব প্রতিবেদক,১ নভেম্বর: সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন স্কেলে বড় পরিবর্তন আসছে। এই পরিবর্তনের বিষয়ে এরই মধ্যে সবুজ সংকেত পাওয়া গেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে। বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষকের ৬৫ হাজার পদ সৃষ্টি হচ্ছে। আর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেল দশম গ্রেডে, সহকারী প্রধান শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডে এবং সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল ১২তম গ্রেডে উন্নীত করার বিষয়ে কাজ চলছে।

বিষয়টি স্বীকার করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. গিয়াস উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এখন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যেসব শিক্ষক যোগদান করছেন তাঁদের বেশির ভাগই অনার্স-মাস্টার্স সম্পন্ন করা। অথচ এই শিক্ষকরা যে পদে যোগদান করেন সেই পদে থেকেই অবসরে যান। এতে অনেক সময়ই দেখা যায়, শিক্ষকরা দরদ দিয়ে পড়ান না। তাই মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে অর্থ মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে মৌখিক সম্মতির পর আমরা শিক্ষকদের বেতন স্কেলে পরিবর্তন আনার বিষয়ে কাজ শুরু করেছি।’

এই অতিরিক্ত সচিব আরো বলেন, ‘প্রতিটি বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ সৃষ্টির কাজ চলছে। এতে সহকারী শিক্ষকরা দ্রুত এই পদে পদোন্নতির সুযোগ পাবেন। আর প্রধান শিক্ষকরা যেহেতু দ্বিতীয় শ্রেণির, তাই তাদের বেতন স্কেল দশম গ্রেডে উন্নীত করার কাজ চলছে। এর একধাপ নিচে থাকবেন সহকারী প্রধান শিক্ষকরা, আর পরের ধাপেই থাকবেন সহকারী শিক্ষকরা। সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ সৃষ্টির জন্য নিয়োগ বিধিতেও পরিবর্তন আনতে হবে।’

বর্তমানে প্রধান শিক্ষক পদটি দ্বিতীয় শ্রেণির হলেও তাঁরা বেতন পান ১১তম গ্রেডে। অথচ দ্বিতীয় শ্রেণির অন্য সব চাকরিজীবী দশম গ্রেডে বেতন পান। এমনকি ৩৪তম বিসিএস থেকে যখন দ্বিতীয় শ্রেণির পদে নিয়োগের সুপারিশ করা হয় তখন সবাই দশম গ্রেড পেলেও শুধু সরকারি প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা পেয়েছেন ১১তম গ্রেড। ফলে প্রধান শিক্ষকদের একাধিক সংগঠন দশম গ্রেডে বেতনের দাবিতে আন্দোলন করেছে।

বর্তমানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকরা বেতন পান ১৪তম গ্রেডে। ফলে প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে তাঁদের বেতনের পার্থক্য তিন ধাপ। কোনোভাবেই সেটি মেনে নিতে রাজি নন সহকারী শিক্ষকরা। তাঁরা প্রধান শিক্ষকের এক ধাপ নিচে বেতন চান। এ নিয়ে একাধিকবার আন্দোলনও করেছেন সহকারী শিক্ষকরা।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের এখন নানা কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়। বিশেষ করে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নানা সভায় যোগ দিতে হয় তাঁদের। শিক্ষার বাইরে সরকারি নানা কাজেও তাঁদের ব্যস্ত থাকতে হয়। ফলে বিদ্যালয়ে তেমন একটা সময় দিতে পারেন না তাঁরা। এ জন্যই মূলত সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ সৃষ্টির প্রয়োজনীতা অনুভব করা হচ্ছে। এ ছাড়া ৬৫ হাজার পদ সৃষ্টি হলে সমসংখ্যক শিক্ষকের পদোন্নতিরও সুযোগ তৈরি হবে।

জানা যায়, প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন স্কেলের এই পরিবর্তনের কাজে প্রধান শিক্ষকরা খুশি হলেও সহকারী শিক্ষকরা খুশি নন। তাঁরা সহকারী প্রধান শিক্ষকের নতুন পদটি চান না। তাঁরা মনে করছেন, এ পদ সৃষ্টি হলে প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতি পেতে সহকারী শিক্ষকদের দুটি ধাপ অতিক্রম করতে হবে। আর সহকারী প্রধান শিক্ষক পদটি না থাকলে এক ধাপ পদোন্নতি পেলেই প্রধান শিক্ষক হওয়া যাবে। তাঁরা প্রধান শিক্ষকের পরের ধাপেই বেতন চান।

বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির মুখপাত্র এস এম ছায়িদ উল্লা  বলেন, ‘যদি প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেড এবং এর একধাপ পর পর অন্য শিক্ষকদের অবস্থান হয়, তাহলে এটা হবে খুবই ভালো উদ্যোগ। তবে এখনো আমাদের প্রশিক্ষণবিহীন ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জন্য আলাদা আলাদা গ্রেড। আমরা চাইব, মাধ্যমিক শিক্ষকদের মতো এক পদে একটাই গ্রেড থাকুক। আর প্রশিক্ষণ গ্রহণের জন্য একটা সময় বেঁধে দেওয়া হোক। এ ছাড়া প্রধান শিক্ষক থেকে ওপরের পদে কোনো পদোন্নতির ব্যবস্থা নেই। এ ব্যবস্থা না থাকলে মেধাবীরা প্রাথমিকের শিক্ষকতায় আসবে না।’

বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ বলেন, ‘আমাদের দাবি প্রধান শিক্ষকের পরের গ্রেড। কিন্তু সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ সৃষ্টি হলে আমরা যখন ওই পদে পদোন্নতি পাব, তখন এমনিতেই আমরা ওই পদের স্কেলে বেতন পাব। তাহলে সহকারী শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য থেকেই যাবে। তাই আমরা এ মুহূর্তে সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ চাই না। আমরা প্রধান শিক্ষকের পরের গ্রেডে বেতন চাই।’

জানা যায়, দেশে এখন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা প্রায় ৬৫ হাজার। প্রতিটি বিদ্যালয়ে একজন করে প্রধান শিক্ষক আছেন। আর সহকারী শিক্ষকের সংখ্যা প্রায় সাড়ে তিন লাখ। বর্তমানে প্রধান শিক্ষকরা প্রশিক্ষণবিহীন অবস্থায় ১২তম গ্রেডে চাকরি শুরু করেন, প্রশিক্ষণের পর তাঁরা যান ১১তম গ্রেডে। আর চাকরির ১০ বছর পূর্তিতে দশম এবং ১৬ বছর পূর্তিতে যান নবম গ্রেডে। অন্যদিকে সহকারী শিক্ষকরা প্রশিক্ষণবিহীন অবস্থায় ১৫তম গ্রেডে চাকরি শুরু করেন, প্রশিক্ষণের পর তাঁরা যান ১৪তম গ্রেডে। ১০ বছর পূর্তিতে যান ১৩তম গ্রেডে এবং ১৬ বছর পূর্তিতে যান ১২তম গ্রেডে।

সুত্র: কালের কন্ঠ

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ইউসিসি ফেরত চাইলো ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের দেওয়া ‘উপহার’

শিশির দাস: ইউসিসি কোচিং সেন্টার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের জন্য শিক্ষার্থীদের ‘উপহার’ দেয়। তবে, প্রশ্নফাঁসে অভিযোগের সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন উত্তীর্ণদের পুনরায় পরীক্ষা দিতে হবে এমন ঘোষণা দিলে উপহারগুলো ফেরত চায় প্রতিষ্ঠানটি।

এ সংক্রান্ত একটি পোস্ট প্রতিষ্ঠানটির ফেসবুক পেজে দেওয়া হয়। তবে, কিছুক্ষণের মধ্যে পোস্টটি ভাইরাল হয়ে গেলে তা সরিয়ে নেয় ইউসিসি।

জানা গেছে, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা মঙ্গলবার বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পাস করা শিক্ষার্থীদের আবার পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান।

এই ঘোষণার পরই ইউসিসি গ্রুপের পক্ষ থেকে দেয়া এক ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, প্রশ্নফাঁসের কারণে ‘ঘ’ ইউনিটের পুনঃপরীক্ষা নেওয়া হবে। সুতরাং যে সকল স্টুডেন্ট ইউসিসি থেকে গিফট পেয়েছো, তাদের কাছে বিনীত অনুরোধ করা হইলো গিফটগুলো ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য। ইউসিসি থেকে ‘’ঘ’’ ইউনিটে গিফটপ্রাপ্ত সবাই যথাসময়ে হেড অফিসে গিয়ে গিফটগুলো ফিরিয়ে দিবে। যোগাযোগ: ০১৮৪৭০৬৬৩৪৬২।

আর ওই পোস্ট থেকে ইউসিসি পরিবারের সঙ্গে থাকার জন্য শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদও জানানো হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় গত ১২ অক্টোবর। সকাল ১০টায় ভর্তি পরীক্ষা শুরুর আগে ৯টা ১৭ মিনিটে ওই পরীক্ষার উত্তরসহ প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়। পরে প্রশ্নপত্র যাচাই করে দেখা হয় পরীক্ষার আগে ফাঁস হওয়া প্রশ্নের সঙ্গে ৭২টি প্রশ্ন ও উত্তর হুবহু মিলেছে। সূত্র : সময় টিভি

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঢাবি’র ঘ ইউনিটের পরীক্ষা পুনরায় নেয়ার দাবিতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ-সমাবেশ

ঢাবি : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় নেয়ার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ছাত্রদলের বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
শনিবার (২০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তারা এ বিক্ষোভ মিছিল করেন। মিছিলে নেতৃত্ব দেন ঢাবি ছাত্রদলের সভাপতি আল মেহেদী তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার সিদ্দিকী। মিছিলটি শাহবাগ মোড় থেকে শুরু হয়ে কাঁটাবন মোড়ে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
সমাবেশে সভাপতি মেহেদী তালুকদার বলেন, ‘১২ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘ ইউনিটের ফাঁস হওয়া প্রশ্নে পরীক্ষা হয়। যা বিশ্ববিদ্যালয়সহ গোটা বাংলাদেশের সঙ্গে প্রতারণা। তদন্ত কমিটি প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার প্রমাণ পেয়েছে। সেই পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ছাত্রসমাজের সঙ্গে প্রতারণা। ঢাবি ছাত্রদল ১২ অক্টোবরে অনুষ্ঠিত পরীক্ষার ফলাফল স্থগিত করে নতুন প্রশ্নপত্রে পুনরায় পরীক্ষা গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছে।’
সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার সিদ্দিকী বলেন, ‘প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে জাতির সামনে বিচার করতে হবে। আমরা ঢাবি ছাত্রদল সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি হিসাবে ঘ ইউনিটের পরীক্ষার ফলাফল বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা গ্রহণ এবং প্রশ্নফাঁস চক্রে জড়িতদের কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’
এসময় বিক্ষোভ মিছিলে অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরী কাম প্রহরি পদে নিয়োগ স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরী কাম প্রহরি পদে নিয়োগ স্থগিত করা হয়েছে। গত ১৭ অক্টোবর উপসচিব নাজমা শেখ স্বাক্ষরিত একটি পত্রে এ আদেম জারী করা হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ব্যাংক ঋণ পেতে শারীরিক সম্পর্ক করতে হবে!

অনলাইন ডেস্ক

বেসরকারি একটি ব্যাংক থেকে ঋণ চেয়েছিলেন এক নারী। কিন্তু ঋণ পেতে হলে ওই নারীকে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতে হবে বলে জানান ব্যাংক ব্যবস্থাপক। এমন অভিযোগে ওই নারী প্রকাশ্যে জুতাপেটা করেন ওই কর্মকর্তাকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে এই মারধরের ছবি ও ভিডিও।

ভারতের টেলিভিশন চ্যানেল এনডিটিভির প্রতিবেদন বলা হয়, গতকাল সোমবার ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের দাওয়ানগর শহরে এই ঘটনা ঘটে। বার্তা সংস্থা এএনআইকে ওই নারী জানিয়েছেন, তিনি সেখানকার একটি ব্যাংকে ১৫ লাখ রুপি ঋণের জন্য আবেদন করেন। কিন্তু ব্যাংকের ব্যবস্থাপক ঋণ পাইয়ে দিতে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেন। এমন প্রস্তাবের জন্য তিনি রাস্তায় ওই ব্যাংক ব্যবস্থাপককে জুতাপেটা করেন।

সাম্প্রতি যৌন হেনস্তার বিরুদ্ধে #মিটু আন্দোলনে তোলপাড় ভারতজুড়ে। অভিনেতা, খেলোয়াড়, লেখকসহ অনেকেই অভিযুক্তদের তালিকায় রয়েছে। শুধু পুরুষরাই নয় #মিটু-তে বিদ্ধ হয়েছেন বলিউডের অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। তার বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ করেছেন প্রাক্তন প্রেমিক অধ্যয়ন সুমন। কিন্তু সাধারণ মহিলাদেরও তো দৈনন্দিন জীবনে নানাভাবে যৌন হেনস্তার মুখে পড়তে হয়। ঠিক যেমন পড়তে হয়েছে কর্নাটকে ওই নারীকে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, সালোয়ার-কামিজ পরা মধ্যবয়সী এক নারী শার্ট-প্যান্ট পরা এক লোকের কলার ধরে টানছেন আর লাঠি দিয়ে মারছেন। এ সময় ওই নারী লোকটাকে পুলিশ ফাঁড়িতে যাওয়ার জন্য বলছেন। ৫০ সেকেন্ডের ওই ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, লাঠি দিয়ে মারার পাশাপাশি ওই নারী লোকটাকে পা দিয়ে আঘাত করছেন। একপর্যায়ে চটি দিয়েও পেটান।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিডিওটি শেয়ার হওয়ার পর মাত্র এক ঘণ্টার মাথায় ২৫ হাজার মানুষ তা দেখেন এবং অনেকেই তাতে মন্তব্য করেন। মন্তব্যকারীদের বেশির ভাগই ওই নারীকে প্রকৃত নায়ক বলে অবহিত করেন। আবার কয়েকজনকে লিখতে দেখা যায়, ‘এটা হলো আসল #মি টু’।

এদিকে ব্যাংক ব্যবস্থাপকের ঘটনাটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রশ্নের উত্তর দিতে না পেরে অনশনে ঢাবি ছাত্র

ডেস্ক: ফাঁস হওয়া প্রশ্নে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তিপ্রক্রিয়া বাতিলসহ চারটি দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদালয়ের আইন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র আখতার হোসেন অনশনে বসেছেন। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে তার এই অনশন শুরু হয়।

আমরণ অনশনে বসার কারণ হিসেবে আখতার জানান, ভর্তি-ইচ্ছুক ১৩ জন ছাত্রকে তিনি পড়াতেন। এবার প্রশ্নপত্র ফাঁসের পর ছাত্রদের একজনের প্রশ্ন ছিল, ‘স্যার, আমরা এত পড়াশোনা করলাম, কিন্তু প্রশ্ন ফাঁস হওয়ায় আমরা কি চান্স পাব? তাহলে কি আমরা দুর্নীতির কাছে হেরে গেলাম?’

ছাত্রের এই প্রশ্নের সদুত্তর দিতে না পারাই ২০১৫-১৬ সেশনে ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ১৪তম হওয়া আখতার হোসেন আমরণ অনশনে বসেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free