Home » টপ খবর

টপ খবর

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হতে হলে সন্তান পড়া বাধ্যতামূলক

ডেস্ক,১২ নভেম্বর:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হতে ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক বাধ্যতামূলক করে দিয়েছে সরকার। আর বিদুৎসাহী দুই সদস্যের যোগ্যতা হতে হবে এসএসসি পাস।

এসব শর্ত যুক্ত করে সোমবার সংশোধিত নীতিমালায় নতুন বিধানটি প্রজ্ঞাপন জারি করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিদ্যালয়ের ১১ সদস্যের কমিটিতে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষক প্রতিনিধি ব্যতীত অন্য সদস্যদের মধ্য থেকে একজন সভাপতি ও এবং সহসভাপতি নির্বাচিত হবেন। পদাধিকার বলে সদস্য সচিব থাকবেন প্রধান শিক্ষক।

এতে আরও বলা হয়, এসব পদে নির্বাচন করতে হলে প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি সন্তানকে অবশ্যই ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হতে হবে।

এর বাইরে নীতিমালায় তেমন কোনো সংশোধন নেই। কমিটি গঠন পদ্ধতি, অ্যাডহক কমিটি, কমিটির সদস্যদের দায়িত্ব ও কর্তব্য, বিদ্যালয়ের উন্নয়ন পরিকল্পনা, কমিটি বাতিলসহ বিভিন্ন বিষয় নীতিমালায় রাখা হয়েছে। এসব কমিটির মেয়াদ হবে ৩ বছর।

গত মে মাসে বেসরকারি হাইস্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি এবং সদস্য নির্বাচনে ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে বিতর্ক হয়।

কমিটির একটি অংশ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও সদস্যদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকার পক্ষে মত দেন। অন্য অংশের দাবি, যেখানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগে না, সেখানে পর্ষদের সভাপতি ও সদস্যদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণের প্রয়োজন নেই।

তবে, আগের নীতিমালায় অনেক বিদ্যালয়ে কমিটির সভাপতি হিসেবে নিরক্ষর ব্যক্তিকে নির্বাচন করায় প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় নানা প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়ে আসছে বলে মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা জানান।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা ও শিক্ষার মান বাড়াতে তারা কোনো ধরনের সহায়তা ও দিকনির্দেশনা দিতে পারেন না। অনেক সময় শিক্ষকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারও করেন। সভাপতিরা স্থানীয় ব্যক্তি ও ক্ষমতাবান হওয়ায় নানা ধরনের অনিয়ম করলেও শিক্ষকরা ভয়ে বাধা দেন না।

এ-সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগ আসায় যোগ্য ব্যক্তিদের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সভাপতি নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নেয় মন্ত্রণালয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে অবশেষে সভাপতির ন্যূনতম যোগ্যতা স্নাতক পাসের শর্ত রেখে প্রজ্ঞাপন জারি করা হলো।

২০১৫ সালে স্নাতক (পাস) ও অনার্স-মাস্টার্স কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হওয়ার ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা ডিগ্রি পাস নির্ধারণ করা হয়। তবে বেসরকারি স্কুল, উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ বা মাদ্রাসার ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি বা অন্য সদস্য হতে ন্যূনতম কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারিত নেই।


স্কুলের টাকা আত্নসাতের অভিযোগ শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে

লালমনিরহাট প্রতিনিধি,১২ নভেম্বর:
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এনএম শরীফুল ইসলাম খন্দকারের বিরুদ্ধে সরকারী অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন একটি বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি। ওই উপজেলার গোবদা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মোস্তাফিজার রহমানের পক্ষে লালমনিরহাট জজকোর্টের অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান লিটন লিগ্যাল নোটিশ প্রেরণ করেন।

লিগ্যাল নোটিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের গোবদা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে রুটিন মেইনটেন্যান্সে ৪০ হাজার এবং স্লিপ প্রকল্পের ৫০ হাজার টাকা বরাদ্ধ দেয় সরকার। অর্থ বছর শেষ হওয়ার আগে প্রধান শিক্ষকসহ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি যথাযথ ভাবে কাজ সম্পন্ন করেন। সহকারী শিক্ষা অফিসার মোহসিন আলীর সুপারিশ ও কাজের ব্যায় ভাউচার প্রদান করে বিদ্যালয়ের নিজস্ব ব্যাংক হিসাব নম্বরে বরাদ্ধের বিল প্রদানের আবেদন করেন প্রধান শিক্ষক। কিন্তু উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এনএম শরীফুল ইসলাম খন্দকার শতভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে মর্মে সরকারী কোষাগার থেকে সমুদয় অর্থ উত্তোলন করলেও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বিল পরিশোধ করেননি। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি সেই বিলের জন্য চাপ দিলে আজ কাল বলে টালবাহনা করেন শিক্ষা অফিসার।

এদিকে অর্থ বছর শেষ হওয়ার ৫ মাস অতিবাহিত হলেও বিল না পেয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি। অবশেষে নিরুপায় হয়ে আদালতের আশ্রয় নেন বিদ্যালয়টির পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোস্তাফিজার রহমান। সরকারী অর্থ আত্মসাৎ মামলা করতে বিধিমতে প্রথমে অভিযুক্তকে লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করেন তিনি।

লালমনিরহাট জজকোর্টের অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান লিটনের মাধ্যমে গত ৬ নভেম্বর স্বাক্ষরিত একটি লিগ্যাল নোটিশ শিক্ষা অফিসার বরাবরে পাঠানো হয়। যেখানে নোটিশ প্রাপ্তির তিন কর্মদিবসের মধ্যে আত্মসাৎকৃত দুই প্রকল্পের ৯০ হাজার টাকা বিদ্যালয়ের ব্যাংক হিসাব নম্বরে প্রদান করতে বলা হয়। অন্যথায় সরকারী অর্থ আত্মসাৎ করার অপরাধে কেন দুর্নীতি দমন আইনে মামলা করা হবে না তার উপযুক্ত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয় নোটিশে।

লালমনিরহাট জজকোর্টের অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান লিটন বলেন, বিধিমতে কাজ শেষে হলে অর্থ বছর শেষ হওয়ার আগে বিদ্যালয়ের ব্যাংক হিসাব নম্বরে টাকা পাঠানোর কথা। কিন্তু শিক্ষা অফিসার তা না করে সরকারি কোষাগার থেকে অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন মর্মে প্রতীয়মান হচ্ছে। নোটিশের সন্তোষজনক জবাব না পেলে দুর্নীতি দমন আইনে মামলা দায়ের করা হবে বলেও জানান তিনি।

আদিতমারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এনএম শরীফুল ইসলাম খন্দকার লিগ্যাল নোটিশ প্রাপ্তির সত্যতা স্বীকার করলেও অর্থ আত্মসাৎ প্রসঙ্গে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।


Shikkhok Batayon | শিক্ষক বাতায়ন |teachers.gov.bd হতে কন্টেন্ট ডাউনলোড

Shikkhok Batayon – শিক্ষক বাতায়নে সদস্য হতে কি নিবন্ধন করতে হবে?

Shikkhok Batayon – শিক্ষক বাতায়নে সদস্য হতে গেলে অবশ্যই নিবন্ধন করতে হবে। কেবল নিবন্ধিত সদস্যরা মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট আপলোড করতে পারবে। কারো কন্টেন্টে মতামত ও রেটিং প্রদানের জন্য আপনাকে অবশ্যই শিক্ষক বাতায়নে নিবন্ধন করতে হবে। তবে কন্টেন্ট দেখা ও ডাউনলোড করার জন্য নিবন্ধন করতে হবে না। এখানে নিবন্ধনের ছকে কিছু তথ্য দিয়ে বিনামূল্যে নিবন্ধন করা যায়।
Shikkhok Batayon – শিক্ষক বাতায়নে কীভাবে নিবন্ধন করবো?

Shikkhok Batayon – শিক্ষক বাতায়নে নিবন্ধন করতে গেলে আপনাকে প্রথমতঃ শিক্ষক বাতায়ন থেকে সদস্য হওয়ার আমন্ত্রণ পেতে হবে। কেবল নিবন্ধিত সদস্যরা এই আমন্ত্রণ পাঠাতে পারবে। তাই কোন নিবন্ধিত সদস্যকে আপনার ইমেইলে আমন্ত্রণ পাঠাতে অনুরোধ করুন। আমন্ত্রণ পাঠানো হলে আপনার ইমেইল ইনবক্সে বিষয়টি সম্পর্কে একটি ইমেইল বার্তা পাবেন। ইমেইল বার্তাটি ওপেন করুন। দেখবেন শিক্ষক বাতায়ন থেকে একটি লিংক পাঠানো হয়েছে। উক্ত লিংকে ক্লিক করুন। বাতায়ন পোর্টালের ইউজার রেজিস্টার বা ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট রেজিস্টার পাতা দেখা যাবে। লগইন ও নিবন্ধন পাতার ঠিকানা https://www.teachers.gov.bd/user_login।

ব্রাউজারের নতুন পাতায় লগইন করুন + নিবন্ধন করুন লেখা পাতাটি ওপেন হলে নিবন্ধন করুন লিংকটিতে ক্লিক করুন।

৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০১৯ শিক্ষক বাতায়ন এর নতুন ভার্সন চালু হয়েছে। তাই নিচের ছবির মত নিবন্ধন ফরমটি, নতুন ভার্সনে কয়েকটি পর্বে ভাগ করা হয়েছে। তবে ফরমের তথ্য মোটামুটি একই আছে। এই ফরমে সকল তথ্য সঠিক ভাবে পূরণ করে, সবার শেষে নতুন এ্যাকাউন্ট তৈরী করুন ট্যাবে ক্লিক করুন। কিছুক্ষণের মধ্যে পরবর্তী পাতায় আপনার নিবন্ধন হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করা হবে। যদি নিবন্ধন ফরমে কোন তথ্য পূরণ করতে বাদ পড়ে বা ভুল তথ্য দেন তাহলে সেখানে এরর দেখাবে। পুনরায় সঠিক তথ্যগুলো পূরণ করে নিবন্ধন ফরমটি জমা দিন।

shikkhok-batayon-user-register


বিঃ দ্রঃ- উপরের নিবন্ধন ছকে অনেক তথ্য সিলেক্ট বাটনে ক্লিক করে সিলেক্ট করতে হবে আবার অনেক তথ্য লিখে পূরণ করতে হবে। নিবন্ধন ছকের যে তথ্যগুলো আবশ্যিক তা বোঝাতে × চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে।
Shikkhok Batayon – শিক্ষক বাতায়নে কীভাবে কন্টেন্ট ডাউনলোড করতে পারবো?

Shikkhok Batayon – শিক্ষক বাতায়ন হতে কন্টেন্ট ডাউনলোড করতে হলে আপনাকে আগে কোন শ্রেণী ও বিষয়ের কন্টেন্ট ডাউনলোড করবেন তা নির্ধারণ করতে হবে। এর জন্য আপনাকে পোর্টালের নেভিগেশন মেনুর দিকে লক্ষ্য করতে হবে। এখানে দুইভাবে আপনি আপনার প্রয়োজনীয় কন্টেন্ট খুঁজে পাবেন। প্রথমত সার্চ এর মাধ্যমে। দ্বিতীয়ত পুরো কন্টেন্টের মধ্য থেকে। নেভিগেশন মেন্যুর দিকে লক্ষ্য করুন। নিচের ছবিটির মত দেখতে পাবেন।

shikkhok batayon-content-download

নেভিগেশন মেন্যুর এই অংশে আপনি আপনার প্রয়োজনীয় কন্টেন্ট খুজে পেতে সার্চ বক্সের সাহায্য নিতে পারবেন। এখানে আপনার খোঁজার বিষয়বস্তু মানে আপনি কি খুঁজতে চাইছেন তা লিখুন। এরপর প্রতিষ্ঠানের ধরণ, শ্রেণী ও বিষয় নির্ধারণ করে ডানের সার্চ আইকনটিতে ক্লিক করুন। কিছুক্ষনের মধ্যে অনেকগুলো কন্টেন্ট দেখতে পাবেন। এবার আপনার পছন্দ মত কন্টেন্টের শিরোনামের উপর ক্লিক করুন। কন্টেন্ট পাতাটি ওপেন হলে, নিচের দিকে শেয়ার বাটনের শেষে Download লেখা লিংক দেখতে পাবেন। এখানে ক্লিক করুন। কিছুক্ষণের মধ্যে আপনার কাঙ্খিত কন্টেন্ট ডাউনলোড হয়ে যাবে।
এখানে আপনি শিক্ষক বাতায়নে রক্ষিত কন্টেন্ট এর বিভিন্ন শ্রেণীভাগ দেখতে পাবেন। আপনি যে ধরণের কন্টেন্ট চান তা নির্ধারণ করে ক্লিক করুন। তারপর পূর্বের মত কাঙ্খিত কন্টেনটি ডাউনলোড করুন।
এখানে সাধারণ, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষার প্রতিটি শ্রেণী ও বিষয়ের কন্টেন্ট এর শ্রেণীভাগ করা আছে। এখানে আপনার কাঙ্খিত শ্রেণী ও বিষয়ের কন্টেন্ট খুঁজে পেতে বিষয়টির উপর ক্লিক করুন। উক্ত বিষয়ের সকল কন্টেন্ট শ্রেণী ক্রম অনুসারে আসলে সেখান থেকে আপনার কাঙ্খিত কন্টেন্ট পূর্বের নিয়মের মত ডাউনলোড করুন।

শিক্ষক বাতানের কন্টেন্ট আপলোড করার নিয়ম জানতে, নিচের লিংকে ক্লিক করুন।

Shikkhok Batayon Content Upload | শিক্ষক বাতায়ন কন্টেন্ট আপলোড করার নিয়ম।

যদি আপনি এমপিও ভুক্ত শিক্ষক হন, তাহলে নিচের লেখাগুলো আপনার কাছে প্রয়োজনীয় হতে পারে-

MPO Notice | Teacher MPO: কিভাবে দেখবেন?

Madrasha MPO Notice | কোথায়, কিভাবে দেখবেন?

www.dshe.gov.bd – Teacher MPO Update: কখন, কোথায়, কিভাবে দেখবেন?

Shikkhok Batayon – শিক্ষক বাতায়নে নিবন্ধন ও কন্টেন্ট ডাউনলোড করতে কোন প্রকার অসুবিধা হলে নিচের মন্তব্যের ঘরে জানান। আর বিষয়টি অন্য সবার জন্য প্রয়োজনীয় মনে করলে ফেসবুক ও টুইটারে শেয়ার করুন।


জিরা পানিতে কমবে চর্বি

ডেস্ক,৯অক্টোবর:
লোহার উৎস:

জিরের দানা প্রাকৃতিক ভাবে লোহার উৎস। এক চামচ জিরেগুঁড়োয় আছে ১.৪ মিলিগ্রাম লোহা বা আয়রন।

রান্নার স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি জিরের স্বাস্থ্যসম্মত গুণাগুণ প্রচুর

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ:

আধুনিক গবেষণা বলছে, শরীরের ক্ষতিকারক ট্রাইগ্লিসারইড নিয়ন্ত্রিত থাকে জিরের প্রভাবে।

সরাসরি জিরে সেবনের পাশাপাশি জিরে ভেজানো জলের উপযোগিতার কথাও বলা হয়েছে আয়ুর্বেদে। রাতে এক কাপ জলে ভিজিয়ে রাখুন অর্ধেক চামচ জিরে। সকালে উঠে খালি পেটে পান করুন। অনেকে গোটা জিরে ফুটিয়েও মিশ্রণ বানান। তারপর ওই ঈষদুষ্ণ জল পান করেন। জিরে মিশ্রিত জল পান করার গুণাগুণ অনেক। আসুন দেখে নিই এই মিশ্রণ পান করার ভাল দিক কী কী:

• হজম প্রক্রিয়া এবং পাকস্থলীর স্বাস্থ্যের জন্য সহায়ক

• বাড়তি মেদ ঝরিয়ে ওজন কমাতে সাহায্য করে।

• অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় হজমের গণ্ডগোল কম রাখতে সাহায্য করে। মাতৃদুগ্ধের পরিমাণ বাড়ায়।

• রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

• মধুমেহ রোগীদের জন্যও উপকারী।

• নিয়্ন্ত্রণে থাকে উচ্চরক্তচাপ।

• ভাল থাকে লিভারের স্বাস্থ্য।

• রক্তাল্পতা দূর করে কর্মক্ষমতা বাড়ায়।

• চুলের জেল্লা বজায় থাকে।

• বয়সের ছাপ মুছে এবং ব্রণ দূর করে ত্বকের চাকচিক্য ধরে রাখে।



প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা বর্তমানে ১১তম গ্রেডে, তাহলে আবার ১১তম কেন?

নিজস্ব প্রতিবেদন,৮ নভেম্বর : সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকদের ১১তম সহকারী শিক্ষকদের ১৩তম গ্রেডে বেতনের অনুমোদন দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) প্রাথমিকের শিক্ষক নেতাদেরকে এ তথ্য জানিয়েছেন গণশিক্ষা সচিব মো. আকরাম আল হোসেন। বৈঠক শেষে এমনটাই জানিয়েছেন শিক্ষক নেতারা। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় সচিবের কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়।

প্রধান শিক্ষক সমিতির সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাস জানান, প্রধান শিক্ষক পদটি দ্বিতীয় শ্রেণির হলেও তারা এতদিন বেতন পেতেন ১১তম ও ১২তম গ্রেডে। অথচ দ্বিতীয় শ্রেণির অন্য সব চাকরিজীবী দশম গ্রেডে বেতন পান। এমনকি ৩৪তম বিসিএস থেকে যখন দ্বিতীয় শ্রেণির পদে নিয়োগের সুপারিশ করা হয় তখন সবাই দশম গ্রেড পেলেও শুধু সরকারি প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা পেয়েছেন ১১তম গ্রেড। ফলে প্রধান শিক্ষকদের একমাত্র সংগঠন প্রধান শিক্ষক সমিতি দশম গ্রেডে বেতনের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে।

আমরা যেহেতু ইতিমধ্যে ১১তম গ্রেডে বেতন পাই তাহলে এখন আবার ১১তম গ্রেড কেন?

তিনি আরও বলেন, আমাদের একটাই দাবী প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেড দিতে হবে। আমরা ইতিমধ্যে হাইকোর্টের রায়ের কপি মন্ত্রনালয়ে জমা দিয়েছি। রায়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন উভয় প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেল ১০ম গ্রেড পদ মর্যাদা ২০১৪ সালের ৯ মার্চ থেকে আদেশ কার্যকর করতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য মন্ত্রণালয় প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেল নির্ধারণ করে প্রবেশ পদে ১১তম গ্রেড (প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত) ও ১২তম গ্রেড (প্রশিক্ষণবিহীন)। অথচ নন-ক্যাডার দ্বিতীয় শ্রেণির পদে অন্যান্য মন্ত্রণালয় বা বিভাগে দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তারা জাতীয় বেতন স্কেলের ১০ গ্রেডে বেতন পান।

পরে এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ঢাকার গেন্ডারিয়ার মহিলা সমিতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি রিয়াজ পারভেজ,সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক এসএম সাইদুল্লাহ, স্বরুপ দাস, রঞ্জিত ভট্রাচার্য,সাংগাঠনিক সম্পাদক খাইরুল ইসলামসহ ৪৫ জন হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।


প্রাথমিকে প্রধান শিক্ষকদের ১১, সহকারীদের ১৩তম গ্রেডের অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক,৮ নভেম্বর:

গ্রেড পরিবর্তনের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছেন প্রাথমিক বিদ‌্যালয়ের শিক্ষকরা। দাবি না মানলে আসন্ন প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা বর্জনেরও ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

তবে ইতোমধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকদের ১১তম সহকারী শিক্ষকদের ১৩তম গ্রেডে বেতনের অনুমোদন দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। আর সহকারী প্রধান শিক্ষকদের পদ সৃজন করা হলে ১৩ তম গ্রেডে বেতন দেয়া হবে। বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) প্রাথমিকের শিক্ষক নেতাদেরকে এ তথ্য জানিয়েছেন গণশিক্ষা সচিব মো. আকরাম আল হোসেন। বৈঠক শেষেএমনটাই জানিয়েছেন শিক্ষক নেতারা।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় সচিবের কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা ও শিক্ষকদের দাবির বিষয়ে কথা হয়।

সভাশেষে শিক্ষক নেতারা জানান, প্রধান শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড, সহকারী প্রধান শিক্ষকদের ১২তম ও সহকারী শিক্ষকদের ১৩তম গ্রেডে বেতন দেয়ার কথা গণশিক্ষা সচিব বলেছেন। সচিব জানিয়েছেন অর্থ মন্ত্রণালয় প্রধান শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড ও সহকারী শিক্ষকদের ১৩তম গ্রেডে বেতনের প্রস্তাব ইতোমধ্যে অনুমোদন দিয়েছে। তবে, সহকারী প্রধান শিক্ষকদের পদসৃজন হলে তাদের ১২ তম গ্রেডে বেতন দেয়া হবে। পদ সৃজনের কাজ প্রক্রিয়াধীন।

তবে, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে সহকারী শিক্ষকদের শতভাগ পদোন্নতি নিশ্চিত করা হয়েছে বলেও সচিব শিক্ষক নেতাদের জানিয়েছেন। প্রধান শিক্ষক পদে আর সরাসরি নিয়োগ দেয়া হবে না।

প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা আনোয়ারুল ইসলাম তোতা জানান, আমরা পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অর্থাৎ পরীক্ষা বর্জনের সিদ্ধান্তে অটল আছি। তবে, আগামীকাল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাদের সাথে বসবো। বৈঠক শেষে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে। ১৭ নভেম্বর থেকে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা শুরু হবে। ১৩ নভেম্বরের মধ্যে দাবি না মানলে পরীক্ষা বর্জন করবেন তারা।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ, শিক্ষক নেতা আনিসুর রহমান, মো. বদরুল আলম, আনোয়ারুল ইসলাম তোতা, আবদুল্লাহ সরকার, আবুল কাশেম প্রমুখ।

জানা গেছে, গণশিক্ষা সচিব শিক্ষকদের প্রতি অনুরোধ করেছেন সমাপনী পরীক্ষা বর্জনের কর্মসূচি থেকে সরে আসতে। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষক নেতাদের সাক্ষাৎ করিয়ে দিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন গণশিক্ষা সচিব।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ না পাওয়া পর্যন্ত শিক্ষকদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলে সচিবকে জানান শিক্ষক প্রতিনিধিরা। এছাড়া প্রাথমিকের সমাপনী পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণায়ও অটল বলে জানিয়েছেন তারা।

শিক্ষক ঐক্য পরিষদের প্রধান আহ্বায়ক শামসুদ্দিন মাসুদ বলেন, আমরা সচিবের কথায় সন্তুষ্ট। তবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট দিন সময় না পেলে আন্দোলন থেকে সরবো না। শুক্রবার (৮ নভেম্বর) সাধারণ সভা ডাকা হয়েছে। বৈঠকে পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।

তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সব সমস্যা ও বৈষম্য তুলে ধরা হবে। তিনি আমাদের যে প্রস্তাব দেবেন সেটাই মেনে নেয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, সমাপনী পরীক্ষার আগে যদি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় জানানো হয় তবে পরীক্ষা বর্জনের আন্দোলন স্থগিত করা হবে। তা না হলে পরীক্ষা বর্জন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।



প্রাথমিকের বেতন বৈষম্য: সংসদীয় কমিটি যা বলল

ডেস্ক,৩১ অক্টোবর:
প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড ও সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছে প্রাথমিক শিক্ষকরা। আগামী ১৩ নভেম্বরের মধ্যে বেতনবৈষম্য নিরসনের দাবি না মানলে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা বর্জনসহ লাগাতার কর্মবিরতিতে যাবেন বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদের নেতারা।

বুধবার সংসদ ভবনে বৈঠকে বসে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি। এতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা আপাতত দশম গ্রেড পাবেন না। তাদের ১১তম গ্রেডই দেওয়া হচ্ছে। আর সহকারী শিক্ষকরা পাচ্ছেন ১৩তম গ্রেড। সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারসহ উচ্চ পর্যায়ের পদগুলো আপগ্রেড হলে তারপর প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড দেওয়া হবে। তবে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের বেতন আপগ্রেড হওয়ার পর সহকারীদের কত দেওয়া হবে সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, কমিটির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের বেতন গ্রেড নিয়ে সৃষ্ট সমস্যার প্রসঙ্গ তোলেন। প্রধানমন্ত্রী দ্রুত এই সমস্যার সমাধান চেয়েছেন বলেও এ সময় উল্লেখ করেন তিনি। জবাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক সচিব এর সর্বশেষ পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেন।

তিনি বলেন, আপাতত প্রধান শিক্ষকদের ১১তম আর সহকারী শিক্ষকদের ১৩তম গ্রেড দেওয়া হবে। আমরা নতুন নিয়োগ বিধির সুপারিশ করেছি। ওই নিয়োগ বিধি বাস্তবায়ন হলে উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসারদের পদটি ৯ম গ্রেডে উন্নীত হবে। সেটা হলেই আমরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের স্কেল আপগ্রেড করে ১০ গ্রেড করতে পারবো।

প্রসঙ্গত, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের ‘নন-ক্যাডার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগ বিধি ১৯৮৫’ সংশোধনের প্রস্তাব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। নতুন বিধিমালায় সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে নবম গ্রেড দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। এ পদে সরাসরি নিয়োগ ও পদোন্নতির মাধ্যমে পদায়নের সুপারিশ করা হয়েছে। প্রস্তাবিত বিধিতে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের পদ সপ্তম গ্রেড করা হয়েছে। পদটি পুরোপুরি পদোন্নতির মাধ্যমে নিয়োগের কথাও বলা হয়েছে। বিধিতে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য পদও আপগ্রেড করার সুপারিশ করা হয়েছে। এই বিধিমালায় প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড দেওয়ার প্রস্তাবও করা হয়েছে।

বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে কমিটির সদস্য আলী আজম বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন স্কেল নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এটি সরকারের উচ্চ পর্যায়ের বিবেচনাধীন আছে। শিগগিরই এর একটা সুরাহা হবে।


প্রাথমিক শিক্ষকদের সব দাবি মেনে নেওয়া হবে : ডিপিই মহাপরিচালক

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩১ অক্টোবর:
প্রাথমিক শিক্ষকদের সব দাবি যৌক্তিক বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মনজুর কাদের। বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের শিক্ষক নেতাদের সাথে বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ডিজি মনজুর কাদের শিক্ষক নেতাদের বলেন, আপনাদের দাবি যৌক্তিক। আমরা আবারও প্রধান শিক্ষকদের গ্রেড ১০ এবং সহকারী শিক্ষকদের গ্রেড ১১ করে অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠাবো। মহাসমাবেশে অংশ নেয়া হাজার হাজার শিক্ষককে যে শোকজ নোটিশ দেয়া হয়েছে সে বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে বলে শিক্ষক নেতাদের আশ্বস্ত করেন মহাপরিচালক।

মনজুর কাদের আরও বলেন, আাগামী সপ্তাহে শিক্ষক নেতাদের নিয়ে আবারও বসবো। দরকার হলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে প্রাথমিক শিক্ষকদের মিটিংয়ের ব্যবস্থা করে দেয়া হবে বলেও তিনি জানান।

উল্লেখ্য, প্রধান শিক্ষকদের জাতীয় বেতন স্কেলের দশম গ্রেডে ও সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডে বেতন দেয়ার দাবিতে গত ১৪ অক্টোবর সারাদেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কর্মবিরতি পালন করা হয়। পরদিন ১৫ অক্টোবর পালন করা হয় তিন ঘণ্টার কর্মবিরতি। ১৬ অক্টোবর এসব বিদ্যালয়ে অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করেন তারা। এছাড়া গত ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত অর্ধদিবস কর্মবিরতিতে যান শিক্ষকরা।

আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ২৩ অক্টোবর শহীদ মিনারে মহাসমাবেশে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে শিক্ষকরা জমায়েত হতে থাকলে পুলিশ তাদের ওপর দফায় দফায় লাঠিচার্জ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

এর আগে ২১ অক্টোবর ডিপিই’র মহাপরিচালক ড. এ এফ এম মনজুর কাদির স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় সমাবেশে যোগ না দিয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ছুটির দিনে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেয়া হয়। যেসব শিক্ষক মহাসমাবেশে অংশ গ্রহণ তাদের মধ্যে হাজার হাজার শিক্ষককে শোকজ নোটিশ দেয়া হয়।

চুয়াডাঙ্গায় অটিস্টিক স্কুলে মিড ডে মিল উদ্বোধন

স্টাফ রিপোর্টার: চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন বলেন, অটিজম আক্রান্ত শিশুদের প্রয়োজন বাড়তি যতœ আর সহযোগিতা। পরিবারের সদস্য থেকে শুরু করে সমাজের প্রতিটি মানুষ ও রাষ্ট্রের দায়িত্ব তাদের সহযোগিতা করা।

সঠিক পরিচর্যা পেলে এই শিশুরা সমাজের বোঝা নয়, জাতীয় সম্পদে পরিণত হবে। একসময় অটিজম সমস্যাকে তেমন গুরুত্বের সাথে দেখা হতো না। কিন্তু বর্তমান সরকার এ বিষয়টিকে অনেক গুরুত্ব দিচ্ছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর চুয়াডাঙ্গা শহরের মুক্তিপাড়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী অটিস্টিক স্কুলে (প্রকাশ) মিড ডে মিল উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

ছেলুন জোয়ার্দ্দার এমপি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কন্যা সায়মা হোসেন অটিজম বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে দেশ-বিদেশে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তার সুযোগ্য নেতৃত্বে অটিজম সম্পর্কে সচেতনতা আন্দোলন অন্য উচ্চতা পেয়েছে।

এক সময় প্রতিবন্ধীদের বোঝা মনে করা হতো। কিন্তু এখন এটা প্রমাণিত হয়েছে যে, প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পেলে প্রতিবন্ধীরাও সমাজে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারে। সবচেয়ে বড় কথা, একটু সুযোগ করে দিলেই তারা সমাজের মূল স্রোতের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারে। সঠিক পরিচর্যা পেলে অটিস্টিক শিশুরাও প্রতিভার বিকাশ ঘটাতে সক্ষম।

চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইয়াহ্ ইয়া খানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদন সার্কেল) মো. কলিমুল্লাহ, চুয়াডাঙ্গা সমাজকল্যাণ পরিষদের সহসভাপতি মুন্সি আলমগীর হান্নান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার উজ্জ্বল কুমার কু-ু, চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন’র প্রতিনিধি ডা. আওলিয়ার রহমান প্রমুখ।


মাথাভাঙ্গা

প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রাথমিক শিক্ষকের খোলা চিঠি

ডেস্ক,৩০ অক্টোবর:

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য নিরসনে দাবি মেনে নিতে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত সরকারকে আলটিমেটাম দিয়েছেন শিক্ষকরা। ১৩ নভেম্বরের মধ্যে সরকার দাবি মেনে না নিলে ১৭ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া দেশব্যাপী প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা বর্জন করবেন প্রাথমিক শিক্ষকরা। এর পরও সরকার দাবি মেনে নিতে গড়িমসি করলে পরে ডিসেম্বর মাস থেকে শুরু হওয়া বার্ষিক পরীক্ষাও বর্জন করবেন শিক্ষকেরা। এতেও সরকারের টনক না নড়লে শিক্ষকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তালা ঝুলানোর কর্মসূচি ঘোষণা করবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন শিক্ষক নেতারা।
শিক্ষকরা তাদের দাবির পক্ষে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। ঢাকার ধামরাইয়ের একটি সরকারি প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক প্রধানমন্ত্রীর কাছে সমস্যা সমাধানে লিখেছেন খোলা চিঠি। সাইদুল ইসলাম নামে ঐ শিক্ষকের ফেসবুকে দেওয়া লেখাটি পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী

শেখ হাসিনা আপা।

প্রথমে আমার সহস্র কদমবুচি নিবেন! আমি জানি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো আপনার নজরে আছে। পেটে ক্ষুধা থাকলে সে ছুটাছুটি করবে এটাই স্বাভাবিক। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী! আপনি মানবতার মা! আপনি শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি মেনে নিন! শিক্ষকদের যেনো আর রাস্তায় নামতে না হয়! শিক্ষকেরা যেন বিদ্যালয়ে ফিরে যেতে পারে এবং পাঠাদানে মনোযোগী হয় সেই ব্যাবস্থা করে দিবেন আশাকরি!

নার্সরা যদি এইচএসসি পাশ করে ১০ম গ্রেড পেতে পারে কৃষিরা যদি এইচএসসি পাশ করে ১০ গ্রেড পায় তাহলে আমরা ডিগ্রিধারী শিক্ষকেরা কেন ১১ গ্রেড পাবো না!

একজন শিক্ষক অনার্স-মাস্টার্স পাশ করে ৯৭০০ টাকা বেতন পান সর্বসার্কুল্যে ১৬০০০ টাকা! এই ১৬ হাজার টাকা দিয়ে কিভাবে তার পরিবার কে চালাবেন?

একটি বাসা ভাড়া নিতে গেলে নূন্যতম ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা লাগে। বাকি টাকা দিয়ে কি পরিবার চালানো সম্ভব? বাকি টাকা দিয়ে মাসের ১৫ দিন টেনেটুনে চলতে হয় এবং ১৫ দিন মুদির দোকানে ঋণ করে চলতে হয়। বর্তমানে এক কাপ চায়ের দাম ৫ টাকা সেখানে শিক্ষকের মাসিক টিফিন ভাতা ২০০ টাকা!

একটা ছেলে যখন অনার্স-মাস্টার্স পাশ করে চাকরিতে নিযুক্ত হয় তখন তার বাবা মা এবং তার পরিবার তার ওপরে অনেক আশা ভরসা করে! আমরা সেই হতভাগ্য শিক্ষক আমরা আমাদের বাবা মায়ের সেই আশাটুকু পূরণ করতে পারি না!

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর! আপনি মানবতার মা! আপনি পারেন না এমন কিছুই নেই! আপনি চাইলে সবকিছু করতে পারেন।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমি শুনেছি! আপনি একদিন এক বক্তব্যে বলেছিলেন,আওয়ামী লীগ মানে বিলাশ বহুল জীবন যাপন নয়!

আওয়ামী লীগ মানে অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো!আমার বিশ্বাস আপনি এই অসহায় শিক্ষকদের ফিরিয়ে দেবেন না! আমার দীর্ঘ বিশ্বাস আপনি শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি মেনে নিয়ে শিক্ষকদের সসম্মানে বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে দেবেন। আর আমরা শিক্ষকেরা যেনো আপনাকে সারা বিশ্বের মধ্যে আবারও একবার মাদার অব হিউম্যানিটি উপহার দিতে পারি।আমার সামান্য কথাগুলো আপনি বিবেচনা করে দেখবেন।


পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্লাসে পড়ানোর সময় মারা গেলেন প্রধান শিক্ষক

ডেস্ক,৩০ অক্টোবর:

ক্লাসে পড়ানোর সময় হঠাৎ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন লালমনিরহাট সদর উপজেলার রাজপুর ইউনিয়নের তাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক জিয়াউল হক। মঙ্গলবার ক্লাসে পড়ানোর সময় এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, ৫১ বছর বয়সী এই শিক্ষক পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্লাসে পড়াচ্ছিলেন। পড়াতে পড়াতে হঠাৎ করেই মেঝেতে ঢলে পড়েন। প্রিয় শিক্ষকের এমন অবস্থা দেখে শিক্ষার্থীদের চিৎকারে ছুটে আসেন অন্য শিক্ষকরা। অচেতন শিক্ষককে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়; কিন্তু হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়।

সহকারী শিক্ষক তপন কুমার রায় বলেন, স্যারকে দ্রুত লালমনিরহাট সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান তিনি আগেই মারা গেছেন। আমরা তাকে বাঁচাতে পারিনি।

সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রমজান আলী জানান, প্রতিদিনের ন্যায় সকালে ক্লাসে পাঠদান করছিলেন শিক্ষক জিয়াউল হক নয়ন। এ সময় হঠাৎ অসুস্থ হলে সহকর্মী ও স্থানীয়রা তাকে দ্রুত সদর হাসপাতালে নেয়; কিন্তু হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তিনি মারা যান।


বুয়েটে আন্দোলন চলবে

ডেস্ক

মাঠ পর্যায়ের আন্দোলন প্রত্যাহারের ১৩ দিনের মাথায় ফের আন্দোলনের ঘোষণা বুয়েট শিক্ষার্থীদের। পারফেক্ট ফলাফল না দেখা পর্যন্ত আন্দোলনে থাকার ঘোষণা দেন তারা।
মঙ্গলবার বিকালে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা এই ঘোষণা দেয়।

শিক্ষার্থীরা বলেন, দাবি পূরণে বুয়েট প্রশাসনের উদাসীনতা প্রত্যক্ষ করা যাচ্ছে। আবরার হত্যা মামলার খরচ বুয়েট প্রশাসন দিচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা। আবরারের পরিবারেরকে ক্ষতিপূরণ দিতে আজ পর্যন্ত কেউ যোগাযোগ করেনি বলেও জানান তারা।

শিক্ষার্থীরা বলেন, ১০ দাবির মধ্যে মাত্র দুটি দাবি মানা হয়েছে। বাকি দাবিগুলো আদায়ে ক্লাস পরীক্ষা বর্জন কর্মসূচি চলবে বলে জানান শিক্ষার্থীরা। দাবি গুলোর বিষয়ে ফের বুয়েট উপাচার্যের সাথে বসার আগ্রহ প্রকাশ করেন তারা।


রুয়েটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

রাজশাহী:
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) রাতে এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।

ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. মো. মোশাররফ হোসেন এবং সদস্য সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মো. সেলিম হোসেনের যৌথ সই করা এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মঙ্গলবার রুয়েট প্রশাসনিক ভবনের নোটিশ বোর্ডে এবং ওয়েবসাইটে (www.ruet.ac.bd) প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

ফলাফলে ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে ‘ক’ গ্রুপের বিভাগগুলোতে ভর্তির জন্য ১ থেকে ৫২৪৩তম প্রার্থীর মেধাক্রম অনুযায়ী তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া ‘খ’ গ্রুপের বিভাগে ভর্তির জন্য ১ থেকে ৩৮৫তম প্রার্থীর মেধাক্রম অনুযায়ী তালিকা প্রকাশ করা হয়।

আগামী ১২ ডিসেম্বর সকাল ৯টা থেকে মেধা তালিকায় ‘ক’ গ্রুপে ১ থেকে ১২০০তম পর্যন্ত এবং ‘খ’ গ্রুপে ১ থেকে ৩০তম স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের ভর্তি করা হবে। ভর্তির নিয়ম এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টের তালিকা রুয়েট প্রশাসনিক ভবনের নোটিশ বোর্ডে এবং ওয়েবসাইটে (www.ruet.ac.bd) প্রকাশ করা হয়েছে। ভর্তির জন্য নির্ধারিত তারিখ ও অন্যান্য তথ্য প্রার্থীকে নিজ দায়িত্বে জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


প্রাথমিকে শূন্য পদের তথ্য চেয়েছে শিক্ষা অধিদপ্তর

নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শূন্য পদের তথ্য চেয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৩৩ জুন ২০১৯ তারিখ পর্যন্ত সহকারি শিক্ষক শুন্যপদের উপজেলা/থানাওয়ারী তথ্য (প্রাক প্রাথমিক ও ১৫০০ বিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্পের আওতায় সৃষ্ট বিদ্যালয়ের শুন্যপদ হিসাবে আনতে হবে এবং চলতি দায়িত্ব প্রদান জনিত শূন্য পদ আলাদা কলামে দেখাতে হবে) আগাহী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে মাইক্রোসফট এক্সেল ফরমেটে ইমেইল প্রেরণ করার জন্য বিশেষ অনুরোধ করা হলো।

সাকিবের নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে বিক্ষোভ

ডেস্ক,২৯ অক্টোবর: বাংলাদেশ অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন সমর্থকরা। মঙ্গলবার রাত ৮টা থেকে মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামের সমানে বিক্ষোভ করেছেন তারা। ‘নো সাকিব নো ক্রিকেট’ স্লোগানে আইসিসির নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানান তারা। এ ছাড়া চট্টগ্রামেও বিক্ষোভ করেছেন সাকিবভক্তরা। এ ছাড়া সাকিবের জন্মস্থান মাগুরায় বুধবার সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে মানবন্ধনের ডাক দেওয়া হয়েছে।

এর আগে বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডারকে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে ২ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। ম্যাচ ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়ে সেটি প্রত্যাখ্যান করলেও আইসিসির দুর্নীতি বিরোধী ট্রাইব্যুনালকে না জানানোর কারণেই তাকে এই শাস্তি দেওয়া হয়। তবে দোষ স্বীকার করায় শর্ত সাপেক্ষে এক বছরের শাস্তি স্থগিত করেছে আইসিসি। সেই শর্ত ভঙ্গ না করলে ২০২০ সালের ২৯ অক্টোবর থেকে ক্রিকেটে ফিরতে পারবেন সাকিব।

নিষেধাজ্ঞা পাওয়ার পর মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে হাজির হন সাকিব আল হাসান। সেখানে সংবাদ সম্মেলনে সাকিব আবার ক্রিকেটে ফিরে আসতে দেশবাসী, সকল ভক্ত, সরকার এবং মিডিয়ার সহায়তা চেয়েছেন। আগে যেভাবে ভক্তরা তাকে সহায়তা করেছেন সেটা করবেন বলে আশা ব্যক্ত করেন। সকলের সমর্থন পেলে আরও ভালো ও শক্তভাবে ফিরে আসতে এবং দায়িত্ব পালন করতে পারবেন বলে উল্লেখ করেন সাকিব আল হাসান।

সাকিব আল হাসান যে আইসিসির নিষেধাজ্ঞার মুখে- মঙ্গলবার দৈনিক সমকালে তা প্রথম প্রকাশ হয়। প্রতিবেদনটি দেশে-বিদেশে এখন আলোচনায়। মঙ্গলবার দৈনিক সমকালে প্রতিবেদনটি প্রথম সংস্করণ ও নগর সংস্করণে পৃথক শিরোনামে প্রকাশিত হয়। নগর সংস্করণে প্রকাশিত প্রতিবেদনটির শিরোনাম ছিল ‘১৮ মাস নিষিদ্ধ হচ্ছেন সাকিব’। আর প্রথম সংস্করণের শিরোনাম ছিল, ‘জুয়াড়ির প্রস্তাব গোপন করেন সাকিব’।

সোমবার গভীর রাতে সমকালের প্রিন্ট সংস্করণ বাজারে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোড়ন ফেলে প্রতিবেদনটি। পত্রিকার ছবি তুলে পাঠকরা রাতেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। সমকালে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি দেশি সংবাদমাধ্যমের পাশাপাশি জায়গা করে নেয় বিদেশি সংবাদমাধ্যমেও।


Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter