Home » টপ খবর

টপ খবর

‘উপজেলা পর্যায়ে ৩২৯টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক,২১জানুয়ারী:

আরও একবার শিক্ষাখাতে বড় সুখবর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ লক্ষ্যে আজ মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) বর্তমান সরকারের ২৬তম জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ‘উপজেলা পর্যায়ে ৩২৯টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ (টিএসসি) স্থাপন (দ্বিতীয় পর্যায়)’ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

জানা গেছে, দেশের ৩২৯টি উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ (টিএসসি) নির্মাণ করা হবে। এতে সরকার খরচ করবে ২০ হাজার ৫২৫ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মেয়াদে এই কাজ বাস্তবায়ন করা হবে।

আজকের একনেক সভায় প্রায় ২২ হাজার ৯৪৫ কোটি ৮৪ লাখ টাকা ব্যয়ে মোট ৮টি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এই অনুমোদন দেয়া হয়।

সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সাংবাদিকদের বিস্তারিত জানান। তিনি জানান, আজকের একনেক সভায় শিল্প মন্ত্রণালয়ের ‘বিসিক শিল্প পার্ক, সিরাজগঞ্জ (তৃতীয় সংশোধনী)’ প্রকল্প, কৃষি মন্ত্রণালয়ের ‘এসআরডিআই-এর ভবন নির্মাণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধি (সিসিবিএস)’ প্রকল্প, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ‘শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এবং নার্সিং কলেজ স্থাপন, জামালপুর (প্রথম সংশোধন)’ প্রকল্প, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্প যথাক্রমে ‘উপজেলা পর্যায়ে ৩২৯টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ (টিএসসি) স্থাপন (দ্বিতীয় পর্যায়)’ প্রকল্প ও ‘কিশোরগঞ্জ জেলার হাওর এলাকার নির্বাচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের উন্নয়ন’ প্রকল্প, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের তিনটি প্রকল্প যথাক্রমে ‘বেতগ্রাম-তালা-পাইকগাছা-কয়রা মড়ক যথাযথমানে উন্নীতকরণ’ প্রকল্প, ‘লক্ষ্মীপুর শহর সংযোগ সড়ক (আর-১৪৫) ও লক্ষ্মীপুর-চরআলেকজান্ডার-সোনাপুর-মাইজদী (জেড-১৪০৫) সড়ক প্রশস্তকরণ’ প্রকল্প এবং ‘ভোলা (পরান তালুকদারহাট)-চরফ্যাশন (জরমানিকা) আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়ন’ প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে।


মুজিববর্ষ উপলক্ষে ছবি আঁকা ও রচনা প্রতিযোগিতা

মুজিববর্ষ উপলক্ষে ছবি আঁকা ও রচনা লেখা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিতে দেখুন:



কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলোর শিক্ষকদের সনদ যাচাইয়ের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার সকল কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ যাচাইয়ের নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ এস এম মোসা। গত ১৩ জানুয়ারি সোমবার উপজেলা আইনশৃংখলার সভায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে উদ্দেশ্য করে এ নির্দেশ দেন।

আইনশৃঙ্খলা সভায় ইউএনও বলেন, নতুন বছরে সবকিছুর ঊর্ধ্বে থেকে তিনি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে উপজেলার শিক্ষা সেক্টরের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির ব্যাপারে শুদ্ধি অভিযান চালাবেন। তিনি বিশেষ করে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় যত্রতত্র গড়ে উঠা কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলোর নানা বিষয় খতিয়ে দেখার ব্যাপারেও কঠোর ঘোষণা দেন।

আইনশৃঙ্খলা সভায় উপস্থিত উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুল আজিজ’কে উদ্দেশ্য করে ইউএনও বলেন, “আপনি উপজেলার সকল কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট যাচাইয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। এ ধরনের কোন প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম পেলে ব্যবস্থা নিন।

উপজেলা প্রশাসনপাড়ায় অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা সভায় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুর, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি ) ফারজানা প্রিয়াঙ্কা, সরাইল থানার পরিদর্শক (তদন্ত ) মো. নুরুল হক প্রমুখ।


মৃত ঘোষণার কয়েক মিনিট পর নড়ে উঠল নবজাতক

নিজস্ব প্রতিবেদক,২০ জানুয়ারী:

চুয়াডাঙ্গায় ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর নবজাতকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এ সময় নবজাতকের মা শেষবারের মতো ‘মৃত’ নবজাতককে কোলে নেওয়ার ইচ্ছার কথা জানান। মায়ের কোলে উঠেই নড়ে ওঠে শিশুটি।

গতকাল সোমবার সকালে জন্ম নেওয়া নবজাতক বর্তমানে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আসাদুর রহমান মালিকের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন।

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার হাজরাহাটি গ্রামের আবদুল হালিম স্ত্রী জিনিয়া খাতুনকে নিয়মিত জেলা শহরের উপশম নার্সিং হোমে চেকআপ করাতেন।

জিনিয়া খাতুন বলেন, ‘রোববার বিকেলে প্রসববেদনা উঠলে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উপশম নার্সিং হোমে ভর্তি করেন। ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ প্রথমে সিজারের কথা বললেও সোমবার ভোরে স্বাভাবিক প্রসবের মাধ্যমে কন্যাসন্তান ভূমিষ্ঠ হয়। কিন্তু জন্মের পর ক্লিনিকের আয়া ও চিকিৎসকেরা মৃত কন্যাশিশু হয়েছে বলে জানান।

জিনিয়ার মা কুসুম বেগম বলেন, ‘আমার মেয়ে তাঁর কন্যাকে শেষবারের মতো দেখতে চায়। এরপর শিশুকে কোলে নিতেই নড়ে ওঠে শিশুটি। এ সময় আমাদের চিৎকারে শিশুকে অক্সিজেন দিয়ে চিকিৎসা শুরু করা হয়। পরে নার্সিং হোম থেকে শিশুটিকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করতে বলে।’

শিশুর বাবা আবদুল হালিম জানান, ‘ও সাত মাসে জন্ম নিয়েছে। আমি ওর নাম রেখেছি জান্নাতুল। সে এখন ভালোই আছে। হাত-পা নেড়ে খেলছে। পিটপিট করে তাকাচ্ছে।’

সদর হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. আসাদুর রহমান মালিক জানান, ‘সময়ের আগেই শিশুটি জন্ম নেওয়ায় তাকে ইনকিউবেটরের মধ্যে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আপাতত সে সুস্থ আছে। তবে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না।’

যোগাযোগ করা হলে নার্সিং হোমের চিকিৎসক জিন্নাতুল আরা বলেন, ‘শিশুটির যখন জন্ম হয়, তখন একেবারেই শ্বাস-প্রশ্বাস চলছিল না। নাভির কাছে কেবল ঢিপঢিপ শব্দ ছিল। পরে চার ঘণ্টা অক্সিজেন দেওয়ার পর কিছুটা সুস্থ হলে আমরা সোমবার চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে দিই।’

আবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন নির্দেশনা

ডেস্ক,২০ জানুয়ারী:

দেশের সব দাখিল মাদ্রাসাতেও দেখানো হবে ‘শাহানা কার্টুন’। এর মাধ্যমে নারীর প্রতি সহিংসতা ও যৌন হয়রানি রোধ, জেন্ডার সমতা ও বয়ঃসন্ধির শিক্ষা পাবে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। এরই মধ্যে মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই কার্যক্রম চালানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি সম্প্রতি বলেন, ‘উন্নত রাষ্ট্র থেকে শুরু করে কোথাও এমন জায়গা খুঁজে পাওয়া যাবে না যেখানে নারীর প্রতি সহিংসতা নেই। সব দেশই অপরাধ দূর করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তারপরও এটি ঘটেই যাচ্ছে। আমারও এর বাইরে নই। সহিংসতা রোধের জন্য একটি হচ্ছে— ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর আইনি পদক্ষেপ, বিচারের ব্যবস্থা এবং শাস্তি নিশ্চিত করা। আরেকটি হচ্ছে— ঘটনা যেন না ঘটে সেজন্য প্রতিরোধ ব্যবস্থা তৈরি করা।’

তিনি বলেন, ‘কীভাবে এই সহিংসতা প্রতিরোধ করা যায়, তা আমাদের কাজের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন ব্যবস্থা নিচ্ছি।’ এখন মাদ্রাসাসহ দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (মাধ্যমিক) ‘শাহানা কার্টুন’ দেখানো হবে বলে জানান তিনি।

গত ১১ জানুয়ারি সকালে ‘শাহানা কার্টুন’ প্রদর্শিত নমুনা ক্লাসের উদ্বাধন করা হয় রাজধানীর লেক সার্কাস উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে। ওইদিন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির উপস্থিতেই ক্লাস নেওয়া হয়। এই ক্লাসটি লাইভ প্রচার করা হয়েছে। আর ফেসবুক পেজের মাধ্যমেও তা সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

ওইদিন শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ‘শাহানা কার্টুন’-এর কথাগুলো সারাদেশের সব কিশোর-কিশোরীর কাছে পৌঁছে দিতে চাই। এর মাধ্যমে কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে সুন্দর এবং স্বাভাবিক একটি সম্পর্ক তৈরি হবে। আমরা মাদ্রাসাতেও এরকম একটি উদ্যোগ নিতে যাচ্ছি। আশা করা যায়, তখন আর কারও অধিকার ক্ষুণ্ণ হবে না।’

প্রসঙ্গত, ৬ষ্ঠ থেকে নবম-দশম শ্রেণির ‘শারীরিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য’ বইয়ে বয়ঃসন্ধিকাল বিষয়ে চ্যাপ্টার রয়েছে।

ই-পাসপোর্ট পেতে কত টাকা লাগবে!

ডেস্ক,২০ জানুয়ারী:
সময়ের সাথে সাথে বদলে যাচ্ছে অনেক কিছু। প্রযুক্তির কল্যাণে পরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে পাসপোর্টের ক্ষেত্রেও। তাই পাসপোর্টের আধুনিকতম সংস্করণ ইলেক্ট্রনিক পাসপোর্ট বা ই-পাসপোর্ট। এ পাসপোর্টের রয়েছে অনেক সুবিধা। কারণ তিন ক্যাটাগরিতে দেওয়া হবে ই-পাসপোর্ট।

আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে ই-পাসপোর্ট বিতরণ শুরু হবে। এ ব্যাপারে সব ধরনের প্রস্তুতি ও আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট বিভাগ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ই-পাসপোর্টের উদ্বোধন করবেন।
জানা যায়, প্রাথমিকভাবে আগারগাঁও, যাত্রাবাড়ী এবং উত্তরা পাসপোর্ট অফিস থেকে ই-পাসপোর্ট বিতরণ করা হবে এবং পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে সর্বত্র ই-পাসপোর্ট বিতরণ করা হবে।

তবে ই-পাসপোর্ট পেতে কত টাকা লাগবে তা অনেকেই জানেন না। এমনকি আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ছবি সংযোজন করতে সত্যায়ন করারও দরকার হবে না। তবে পাসপোর্ট পেতে হলে জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপি থাকতে হবে।

সবক্ষেত্রে ৪৮ ও ৬৪ পৃষ্ঠার হবে ই-পাসপোর্ট। সরকার সে অনুয়ায়ী ফি নির্ধারণ করেছে। আসুন জেনে নেই বিস্তারিত-



ভুল পথে গেলে সাবধান করবে গুগল ম্যাপ

প্রযুক্তি ডেস্ক:
নিয়মিত ভাবে গুগল ম্যাপে আসছে নানা ফিচার। বিশেষ করে পাবলিক ট্রান্সপোর্টে যাতায়াতের জন্য একাধিক নতুন ফিচার নিয়ে হাজির হয়েছে জনপ্রিয় এই ন্যাভিগেশন অ্যাপ।

এবার ট্যাক্সিতে উঠার সময় কাজে লাগবে গুগল ম্যাপের নতুন ফিচার। নতুন ফিচার ট্যাক্সি চড়ার সময় ড্রাইভার কোন কারণে অন্য পথে চললে সতর্ক করে দেবে গুগল ম্যাপ। যে সব মানুষ নিয়মিত ট্যাক্সিতে যাতায়াত করেন তাঁদের জন্য নতুন ফিচার কাজে লাগবে।
ধরুন আপনি কোন নতুন জায়গায় পৌঁছলেন, যেখানের রাস্তাঘাট আপনি বিশেষ চেনেন না। এই পরিস্থিতিতে এবার গুগল ম্যাপের নতুন ফিচারের ফলে সুরক্ষিত থাকা যাবে। ট্যাক্সিতে উঠার সময় ড্রাইভার কোন কারণে অন্য পথ ধরলে সাথে সাথে আপনাকে সতর্ক করে দেবে গুগল ম্যাপ।

কীভাবে গুগল ম্যাপের নতুন ফিচার এনেবেল করবেন? জেনে নিন-

স্টেপ ১। গুগল ম্যাপসে গন্তব্য সার্চ করে ন্যাভিগেশন শুরু করুন।

স্টেপ ২। এবার উপরে ড্রাইভিং অপশন সিলেক্ট করুন। এই অপশন সিলেক্ট করার পরে নীচে ‘স্টে সেফার’ অপশন দেখতে পাবেন।
স্টেপ ৩। ‘স্টে সেফার’ অপশনের অধীনে ‘গেট অফ রুট অ্যালার্ট’ এনেবেল করে দিন।

এর ফলে কোন কারণে গন্তব্যের রাস্তা ছেড়ে অন্য রাস্তায় গাড়ি চলতে শুরু করলে তা জানিয়ে দেবে গুগল ম্যাপ।


নারী কোটায় ২৯টি পদ সংরক্ষণের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক,২০ জানুয়ারী:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগে নারী কোটায় ভোলা জেলায় ২৯টি পদ সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ২০১৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদের চূড়ান্ত ফলাফলে নারী কোটায় ৬০ শতাংশ নিয়োগ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালকসহ চারজনকে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
ভোলার নিয়োগবঞ্চিত ২৯ নারীর দায়ের করা এক রিটের শুনানি নিয়ে সোমবার (২০ জানুয়ারি) হাইকোর্টের বিচারপতি এ এফ এম নাজমুল হাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মো. মনিরুল ইসলাম রাহুল ও অ্যাডভোকেট সোহরাওয়ার্দী সাদ্দাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

পরে আইনজীবী মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, সরকারি শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০১৩ এর ৭ বিধিতে বলা হয়েছে- সরাসরি নিয়োগযোগ্য পদগুলির ৬০ শতাংশ নারী প্রার্থীদের দ্বারা পূরণ করতে হবে। চূড়ান্ত ফলাফলে ৬১ জেলায় ১৮ হাজার ১৪৭ জন চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়, ওই ফলাফলে নারী প্রার্থীদের তুলনায় পুরুষ প্রার্থীদের বেশি নির্বাচিত করা হয়, যা উক্ত বিধি লঙ্ঘন করেছে।

একইভাবে ভোলা জেলায় সর্বমোট ৩৪৪ প্রার্থীকে চূড়ান্ত ফলাফলে নির্বাচিত করা হয়। তার মধ্যে ১২৭ জন নারী ও ২১৭ জন পুরুষ প্রার্থী নির্বাচিত করা হয়েছে। অথচ ৬০ শতাংশ নারী কোটা সংরক্ষণের হিসাবে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ২০৬ জন নারী প্রার্থী নির্বাচিত হওয়ার কথ
নিয়োগবঞ্চিত হওয়ায় ভোলা জেলার ২৯ প্রার্থী ৬০ শতাংশ নারী কোটায় নিয়োগের নির্দেশনা চেয়ে ওই রিট দায়ের করেন। রিটকারীদের মধ্যে রয়েছেন- ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার আকলিমা বেগম, মারজানা ইয়াসমিন, সুমনা দেবনাথ পূজা, নাসরিন আক্তার, রোকেয়া বেগম, রাবেয়া বেগম, আকলিমা বেগম, খাদিজা বেগম লিমা ও আছিয়া আক্তার লিজা।


আপডেট-প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক,২০ জানুয়ারী:

এবার পটুয়াখালী, মাদারীপুর ও সিরাজগঞ্জসহ আরও ১৪ জেলার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। এ-সংক্রান্ত এক রিটের শুনানি নিয়ে সোমবার এ আদেশ দেন হাইকোর্ট। জানা গেছে, এই ১৪ জেলার ফলাফল ৬ মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।
এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি নীলফামারী ও বরগুনার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে গত ২৪ ডিসেম্বরের নিয়োগ স্থগিত ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। একই দিন নওগাঁ ও ভোলা জেলায় শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করা হয়।

গত ১৪ জানুয়ারি দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে গত ২৪ ডিসেম্বর নিয়োগের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

২০১৯ সালের ৩০ জুলাই সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। পরে ওই বছরের ১ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশ থেকে ২৪ লাখ পাঁচজন প্রার্থী আবেদন করেন। প্রথম ধাপে ২৪ মে, দ্বিতীয় ধাপে ৩১ মে, তৃতীয় ধাপে ২১ জুন এবং চতুর্থ ধাপে ২৮ জুন লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

সেপ্টেম্বরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ লিখিত পরীক্ষায় ৫৫ হাজার ২৯৫ জন পাস করেন। গত ৬ অক্টোবর থেকে নিয়োগ পরীক্ষার মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়। মাসব্যাপী সারাদেশের সব জেলায় মৌখিক পরীক্ষা আয়োজন করা হয়। এ পরীক্ষায় ৬১ জেলায় ১৮ হাজার ১৪৭ জন চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হন।

১৬ ফেব্রুয়ারি নতুন শিক্ষকদের জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করতে বলা হয়েছে। ১৭ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি তাদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হবে। আর ১৯ ফেব্রুয়ারি নতুন নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের পদায়নের আদেশ জারি করা হবে। এরই মধ্যে হাইকোর্ট এ বিষয়ে রুল জারি করেন।


দেশে সরকারি চাকরিতে শূন্যপদ ৩ লাখেরও বেশি

ডেস্ক,১৯ জুলাই:

এই মুহূর্তে দেশে ৩ লাখ ১৩ হাজার ৮৪৮ পদ শূন্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. ফরহাদ হোসেন। এছাড়া দেশে মোট ১২ লাখ ১৭ হাজার ৬২ জন সরকারি চাকরিজীবী রয়েছে।

রোববার বিকেলে একাদশ সংসদের ৬ষ্ঠ অধিবেশনে মন্ত্রীদের জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে পৃথক তিনটি প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী সংসদকে এ তথ্য জানান। এর আগে, স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে দিনের কার্যসূচি শুরু হয়।

সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে ২৯০ জন কর্মকর্তা বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে কর্মরত। সংসদে সরকারি কর্মকর্তাদের ওএসডি’র ব্যাখ্যাও দেন প্রতিমন্ত্রী। বিএনপি’র সংসদ সদস্য গোলাম মোহাম্মদ সিরাজের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকারি কর্মকর্তাদের দাপ্তরিক বিভিন্ন কারণে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে পদায়ন করা হয়। জনস্বার্থে যেকোনো কর্মকর্তার ক্ষেত্রেই এটি একটি নিয়মিত পদায়ন হিসেবেই বিবেচিত হয়। সাধারণত বিশেষ কিছু কারণে কর্মকর্তাদের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওএসডি হিসেবে পদায়ন করা হয়।

বিরোধী দল জাতীয় পার্টির দলীয় সংসদ সদস্য মুজিবুল হকের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানের সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে ৩ লাখ ১৩ হাজার ৮৪৮ পদ শূন্য আছে। তিনি বলেন, ‘শূন্যপদ পূরণে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় হতে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়ে থাকে। বর্তমানে বাংলাদেশে সরকারি কর্ম কমিশনের মাধ্যমে নিয়মিত নিয়োগ হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩৭ তম বিসিএস এর মাধ্যমে ১ হাজার ২৪৮ জন কর্মকর্তাকে বিভিন্ন ক্যাডারে, ৩৯ তম বিসিএস এর মাধ্যমে ৪ হাজার ৬১২ জনকে স্বাস্থ্য ক্যাডারে। সর্বমোট ৫ হাজার ৮৫৯ জন কর্মকর্তাকে নিয়োগ করা হয়। এছাড়া ৪০তম বিসিএস এর মাধ্যমে ১ হাজার ৯১৯ টি বিভিন্ন ক্যাডারে শূন্যপদে নিয়োগের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আরো জানান, ২০১৯ সালের জানুয়ারি হতে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় হতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বিভাগ এবং দপ্তরে ৮৮ হাজার ১২৩টি পদ সৃজনের সম্মতি দেওয়া হয়েছে। এই সময়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ৯ম থেকে ২০ তম গ্রেডের সর্বমোট ৮৬৪টি পদে নিয়োগের ছাড়পত্রও দেওয়া হয়েছে। আদালতে মামলা থাকায় নিয়োগবিধি কার্যক্রম শেষ না হয় এবং পদোন্নতি যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া কিছু শূন্যপদ পূরণ করা যায় না বলেও উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী।

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন

অনলাইন ডেস্ক,১৮ জানুয়ারী:

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পিছিয়েছে। ১ ফেব্রুয়ারি শুরু হবার কথা থাকলেও পরীক্ষার তারিখ পিছিয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গণসংযোগ কর্মকর্তা আবুল খায়ের বাংলাদেশ জার্নালকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, অনিবার্য কারণবশত পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। ভোটের কারণই পরীক্ষা পেছানো হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে বলেন, আগামীকাল নতুন রুটিন দেয়া হবে।



শিক্ষক নিয়োগ পাচ্ছেন প্রাথমিক শিক্ষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৮ জানুয়ারী:

দেশের বিভিন্ন জেলার পরিসংখ্যান অনুসারে, ৬১ জেলার মধ্যে ৫৫ জেলাতেই নারী কোটা পূরণ হয়নি। এ নিয়ে এরই মধ্যে উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে। দায়েরকৃত এই রিটের শুনানি নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল কেনো বাতিল ঘোষণা করা হবে না-তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

সূত্র মতে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬০ শতাংশের বেশি নারী শিক্ষক নিয়োগের বিধি থাকলেও তা মানা হয়নি। নারীর চেয়ে বেশি পুরুষ প্রার্থী নিয়োগের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। মাত্র ৪৭ শতাংশ নারীকে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ করা হয়েছে। আর ৫৩ শতাংশ নির্বাচিত হয়েছেন পুরুষ শিক্ষক। অথচ পুরুষ শিক্ষকের কোটা ২০ শতাংশ। আর পোষ্য কোটা ২০ শতাংশ।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের দাবি, নারী শিক্ষক কম নির্বাচন করা হলেও বিধিমালা ব্যত্যয় হয়নি। কারণ ঐসব জেলায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া যায়নি। তারা নিয়োগ নীতিমালার দ্বিতীয় অংশের যুক্তি তুলে ধরে বলেন, নীতিমালায় বলা আছে- যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে সাধারণ প্রার্থীদের দ্বারা পূরণের কথা বলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সেটাই হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে কোটা নিয়ে অধিদপ্তরের ‘আসল’ ব্যাখ্যা

ডেস্ক

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ -২০১৮ এর বিভিন্ন কোটা সম্পর্কে ব্যাখ্যা প্রদান করছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সোহেল আহমেদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়।


প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

ডেস্ক

প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে অস্থায়ী ভিত্তিতে জনবল নিয়োগের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক উচ্চ বিদ্যালয় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

পদের নাম : প্রধান শিক্ষক

পদের সংখ্যা : ০১

শিক্ষাগত যোগ্যতা : স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে বি-এড সহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রী। কোন পর্যায়ে ৩য় বিভাগ/শ্রেণি গ্রহণযোগ্য নয়।

বয়স : সর্বোচ্চ ৬০ বছর
বেতন : আলোচনা সাপেক্ষে

পদের নাম : সহকারী প্রধান শিক্ষক

পদের সংখ্যা : ০১

শিক্ষাগত যোগ্যতা : স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে বি-এড সহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রী। কোন পর্যায়ে ৩য় বিভাগ/শ্রেণি গ্রহণযোগ্য নয়।

বয়স : সর্বোচ্চ ৬০ বছর
বেতন : আলোচনা সাপেক্ষে

আবেদনের ঠিকানা : প্রার্থীকে সভাপতি, ম্যানেজিং কমিটি, বাংলাদেশ ব্যাংক উচ্চ বিদ্যালয় বরাবর আবেদন করতে হবে।

সময়সীমা : সহকারী প্রধান শিক্ষক পদের জন্য ২২ ফেব্রুয়ারি এবং প্রধান শিক্ষক পদের জন্য ২৯ ফেব্রুয়ারি।


প্রাথমিকে ৫৫ জেলায় নারী কোটা পূরণ হয়নি

ডেস্ক,১৭ জানুয়ারী:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬০ শতাংশের বেশি নারী শিক্ষক নিয়োগের বিধি থাকলেও তা মানা হয়নি। নারীর চেয়ে বেশি পুরুষ প্রার্থী নিয়োগের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। মাত্র ৪৭ শতাংশ নারীকে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ করা হয়েছে। আর ৫৩ শতাংশ নির্বাচিত হয়েছেন পুরুষ শিক্ষক। অথচ পুরুষ শিক্ষকের কোটা ২০ শতাংশ। আর পোষ্য কোটা ২০ শতাংশ।

দেশের বিভিন্ন জেলার পরিসংখ্যান অনুসারে, ৬১ জেলার মধ্যে ৫৫ জেলায়ই নারী কোটা পূরণ হয়নি। পূরণ হয়েছে মাত্র ছয়টি জেলায়। ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এবার ১৮ হাজার ১৪৭ জন প্রার্থী নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হন। এর মধ্যে নারী শিক্ষক ৮ হাজার ৫৭০ জন যা মোট প্রার্থীর ৪৭ শতাংশ। আর পুরুষ প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন ৯ হাজার ৫৭৭ জন যা উত্তীর্ণ প্রার্থীর ৫৩ শতাংশ। ৬০ শতাংশ নারী কোটা নিয়োগ দেয়া হলে এ সংখ্যা হতো ১০ হাজার ৮৮৮ জন। সে হিসাবে নারী কম নির্বাচিত হয়েছেন ২ হাজার ৩১৮ জন।

নারী কোটা পূরণ না হওয়ায় এরই মধ্যে উচ্চ আদালতে রিট পিটিশনও দায়ের করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার নারী প্রার্থীদের কোটা পূরণ না হওয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একাধিক রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে। দায়েরকৃত এই রিটের শুনানি নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল কেন বাতিল ঘোষণা করা হবে না-তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে আদালত। ১০ দিনের মধ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এদিকে গতকালও বুধবার হাইকোর্ট নীলফামারী ও বরগুনার চূড়ান্ত ফল ছয় মাসের জন্য স্থগিত এবং ফল বাতিল প্রশ্নে রুল জারি করেছে আদালত। এই দুটি জেলায়ও নারী কোটা পূরণ করা হয়নি। বিচারপতি শেখ হাসান আরিফের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ এ রায় দেয়। ফলে এ নিয়োগ নিয়ে এক ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

তবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, নারী শিক্ষক কম নির্বাচন করা হলেও বিধিমালা ব্যত্যয় হয়নি। কারণ ওই সব জেলায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া যায়নি। তারা নিয়োগ নীতিমালার দ্বিতীয় অংশের যুক্তি তুলে ধরে বলেন, নীতিমালায় বলা আছে- যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে সাধারণ প্রার্থীদের দ্বারা পূরণের কথা বলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সেটাই হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আকরাম আল হোসেন বলেন, রিট পিটিশন দায়ের করার পর এখন আমাদের কী করণীয় তা বসে ঠিক করা হবে। রুলের জবাব দেয়া হবে। যে উপজেলায় ফল নিয়ে রিট পিটিশন হয়েছে শুধু সেসব জেলার নিয়োগ ছাড়া অন্য কোথাও নিয়োগে বাধা আছে বলে মনে করি না।

এ ব্যাপারে রিট পিটিশনারদের আইনজীবী মো. কামাল হোসেন ও রেজাউল করিম রেজা জানান, এই নিয়োগে ৬০ শতাংশের বেশি নারী নিয়োগের জন্য নির্বাচিত হবার কথা। কিন্তু ৬০ শতাংশ পূরণ হয়নি। নারীর চেয়ে পুরুষই বেশি নির্বাচিত হয়েছেন। ২০ শতাংশ যে পোষ্য কোটা রয়েছে সেখান থেকেও নারী নিয়োগের জন্য নির্বাচিত হবার কথা। কিন্তু পোষ্য কোটা আলাদাভাবে না দেখানোয় সেখানেও নারীদের বঞ্চিত করা হয়েছে।

আর মানবাধিকার কর্মী ও নিজেরা করির সমন্বয়কারী খুশি কবির বলেন, ৬০ ভাগ যোগ্য নারী শিক্ষক পাওয়া যায়নি এটা একটা খোঁড়া অজুহাত। এটা আমি মেনে নিচ্ছি না। যখন ৬০ ভাগ নারী শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়েছে তখন ৬০ শতাংশ যোগ্য নারী রয়েছেন বলেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তাহলে পরীক্ষার পর যদি বলা হয়ে থাকে যোগ্য নারী শিক্ষক পাওয়া যায়নি- এটা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারি না। আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে অনেক নিয়োগ হয়ে থাকে এ কারণে নারীরা পিছিয়ে থাকে। এ আর্থিক লেনদেনে নারীরা জড়িত থাকেন না, থাকতে পারেন না।

আসমা আক্তার নামে এক প্রার্থী বলেন, নারী প্রার্থীদের বঞ্চিত করার জন্য নীতিমালায় নতুন বাক্য যুক্ত করা হয়েছে। তিনি নীতিমালা পরিবর্তনের দাবি জানান।

ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় ১ হাজার ৭৬৬ জন শিক্ষক নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন। এর মধ্যে পুরুষ ১ হাজার ১৯ জন। আর নারী ৭৪৭ জন। খুলনা বিভাগের একটি জেলায়ও নারী কোটা পূরণ হয়নি।

চট্টগ্রাম বিভাগের ৮ জেলায় ৩ হাজার ৮২৫ জন শিক্ষক নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন। ৬০ শতাংশ দূরের কথা মোট উত্তীর্ণের মধ্যে নারীর চেয়ে পুরুষের সংখ্যা বেশি। পুরুষ নির্বাচিত হয়েছেন ২ হাজার ১৮৩ জন। আর নারী ১ হাজার ৬৪২ জন।

ঢাকা বিভাগের ১৩ জেলার মধ্যে মাত্র ঢাকা, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জ জেলায় নারী কোটা পূরণ হয়েছে। বাকি ৯টি জেলায় পূরণ হয়নি। ৩ হাজার ৭১৩ জন নির্বাচিত প্রার্থীর মধ্যে ২ হাজার ৮ জন নারী এবং ১ হাজার ৭০৫ জন পুরুষ।

বরিশাল বিভাগের ৬ জেলার কোনোটিতেই নারী কোটা পূরণ হয়নি। ১ হাজার ৯৪৯ জন নির্বাচিত প্রার্থীর মধ্যে ৮৮৮ জন নারী এবং ১ হাজার ৬১ জন পুরুষ।

ময়মনসিংহ বিভাগের ৪ জেলার মধ্যে ২টিতে নারী কোটা পূরণ হয়েছে। ১ হাজার নির্বাচিত প্রার্থীর মধ্যে ৫০৮ জন নারী এবং ৪৯২ জন পুরুষ।

রংপুর বিভাগের ৮ জেলার একটিতেও নারী কোটা পূরণ হয়নি। ২ হাজার ৪২২ জন নির্বাচিত প্রার্থীর মধ্যে ১ হাজার ২৯১ জন পুরুষ এবং ১ হাজার ১৩১ জন নারী।

রাজশাহী বিভাগের ৮ জেলার মধ্যে সবটিতেই নারীর চেয়ে বেশি পুরুষ প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। এ বিভাগে ১ হাজার ৯০৯ নির্বাচিত প্রার্থীর মধ্যে পুরুষ ১ হাজার ৭৪ এবং মহিলা ৮৩৫ জন।

আর সিলেট বিভাগের চিত্র একই। ১ হাজার ৫৩৬ শিক্ষকের মধ্যে নারী ৮১১ জন এবং পুরুষ প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন ৭৫২ জন।

গত বছরের ৩০ জুলাই সহকারী শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সরকার। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর সারাদেশ থেকে ২৪ লাখ প্রার্থী চাকরির জন্য আবেদন করেন। চার ধাপে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সেপ্টেম্বর মাসে ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ৫৫ হাজার ২৯৫ জন পাশ করেন। এই পরীক্ষায় ৬১ জেলায় ১৮ হাজার ১৪৭ জন নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হন। আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি নতুন শিক্ষকদের জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করার কথা।

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter