জেলার খবর

চাটমোহরের ছাত্রী সীমার চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন ছাত্রলীগ নেতা আতিক

আফতাব হোসেন, পাবনা।
পাবনার চাটমোহর উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের বালুদিয়াড় গ্রামের মেধাবী ছাত্রী সীমা খাতুনের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা ও চাটমোহরের সন্তান মো. আতিকুর রহমান আতিক।

গতকাল সীমার বাড়িতে গিয়ে তার বাবা-মাকে এ কথা জানান তিনি। তিনি সীমা ও তার পরিবারের সাথে বেশ কিছু সময় কাটান এবং তার রোগের বিষয়ে সবকিছু মনযোগ দিয়ে শোনেন। এ সময় সীমার বাড়িতে উপস্থিত সবার মাঝে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। সম্প্রতি পত্রিকায় ‘স্কুলে যেতে চায় সীমা’ এমন সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি নজরে আসে সাবেক এই ছাত্র নেতার।
আতিকুর রহমান আতিক বলেন, ‘এ রকম মানবিক বিষয় আমরা অবহেলা করতে পারি না। এর মতো মহৎ কাজ আর কী হতে পারে। এখন আমার দায়িত্ব হচ্ছে আগামী একসপ্তাহের মধ্যে সীমাকে ঢাকায় নিয়ে গিয়ে পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করানো। এলাকার ছেলে হিসেবে এটা আমার দায়িত্ব। আমি সব সময় এলাকাবাসীর পাশে থেকে কাজ করতে চাই। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন।’

প্রসঙ্গত, উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের বালুদিয়ার গ্রামের জাদু প্রামানিক ও রাজিয়া খাতুন দম্পতির ছোট মেয়ে সীমা। জগতলা সিদ্দিকিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়–য়া মেধাবী এই ছাত্রীর বাম পায়ে অস্থি প্রদাহ এবং পরবর্তীতে অস্থি সন্ধির জড়তার কারণে এখন সে পঙ্গু হওয়ার পথে। দিনমজুর বাবা সাধ্যমতো চেষ্টা করেছেন মেয়েকে সারিয়ে তুলতে। বড় মেয়ের বিয়ের জন্য গচ্ছিত ৮০ হাজার টাকা, এনজিও থেকে ঋণ ও কিছু মানুষের কাছ থেকে সুদে টাকা নিয়ে সীমার অপারেশন করান। দীর্ঘ ছয় মাস অতিবাহিত হলেও পায়ের কোন উন্নতি নেই সীমার। ঘরের বাইরে বের হতে গেলে বাবা অথবা মা’র কোলে চড়ে বের হতে হয়। আবারও সুস্থ হয়ে স্কুলে যেতে চায় সীমা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দৈনিক মিড ডে মিল বাস্তবায়নের লক্ষে দর্শনায় টিফিন বক্স ও খাবার বিতরন॥

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি : জেলার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনার আজমপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জাতীয় শোক দিবসকে সামনে রেখে শিশুদের দৈনিক মিড ডে মিল বাস্তবায়নের লক্ষে সকল শিশুর মধ্যে টিফিন বক্স ও খাবার বিতরন করা হয়।

এক মুঠো বেশি ভাত টিফিন বক্সে দিয়ে শিশুদের বিদ্যালয়ে পাঠাতে অনুরোধ করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বরুপ দাস।

মঙ্গলবার সকাল ১০টাই জাতীয় শোকদিবসের আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে টিফিন বক্স বিতরন অনুষ্ঠানে এ আহবান জানান।
আজমপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বর্তমান এসএমসি,সাবেক সভাপতি হারুন রাজু ও শিক্ষকদের অর্থায়নে ৩য় শ্রেণি থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত ৮৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে টিফিন বক্স ও খাবার দেয়া হয় ।

মঙ্গলবার সকালে জাতীয় শোকদিবসের আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠানে এসএমসির সভাপতি রবিউল হক সুমনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক চঞ্চল মেহমুদ, সাবেক সাধারন সম্পাদক হারুন রাজু, আকাশ খররের ব্যুরো প্রধান ওসমান, ভোরের কাগজের দামুড়হুদা প্রতিনিধি আওয়াল হোসেন, সাংবাদিক সুজন, প্রধান শিক্ষক আরতি হালসানা, শিক্ষক প্রতিনিধি হারুন অর রশিদ জুয়েল,অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষক আব্দুল হামিদ, আতিকুর রহমান, সরদার পিয়ারী খানম ও মেরিনা পারভীন, এসএমসি সদস্য জুয়েল ও শাহিনুর খাতুন।

অনষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সকালে সামান্য খাবার খেয়ে বিদ্যালয়ে এসে বিকেল ৪টা পর্যন্ত থাকা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যান্ত কষ্টকর। তাই সম্পূর্ন নিজস্ব অর্থায়নে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামুল্যে টিফিন বক্স ও খাবার সরবরাহ করা হয়েছে। শিশুদের এ টিফিন বক্সে খাবার সরবরাহ করতে অভিভাবকদের প্রতি আহবান জানান বক্তারা। অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বক্তারা বলেন, যদি ঘরে খাবার নাও থাকে একমুষ্টি চাল ভাজা হলেও টিফিন বক্সে দিলে ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা দিনভর বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করতে পারবে। এ টিফিন বক্স বিতরনের মাধ্যমে প্রতিদিন মিড ডে চালু করল অত্র বিদ্যালয়টি।

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাস।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

রংপুর বিভাগের সহস্রাধিক স্কুল বন্ধ ঘোষণা

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বায়োমেট্রিক হাজিরা ও অন লাইন পদ্ধতি শুরু হলো কেশবপুরের ১১ টি স্কুলে

নিজস্ব সংবাদদাত‍া, কেশবপুর ॥ ডিজিটাল পদ্ধতিতে কেশবপুরের ১১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বায়োমেট্রিক হাজিরা ও অন লাইন স্কুল ম্যানেজমেন্ট চালু করা হয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের নিয়মিত হাজিরা, ঝরে পড়া বন্ধ ও ইন্টারনেট ভিত্তিক লেখা পড়ার জন্য কেশবপুরে এই প্রথম শুরু হলো ডিজিটাল লেখা পড়া। রবিবার সন্ধ্যায় কেশবপুর আবু শারাফ সাদেক অডিটোরিয়ামে এক অনুষ্ঠানে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বায়োমেট্রিক হাজিরা ও স্কুল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের উদ্বোধন করেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক।

উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে যশোরের জেলা প্রশাসক মোঃ আশরাফ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ আব্দুস সামাদ। সহকারী কমিশনার (ভূমি) কবির হোসেনের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন যশোর স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোঃ মাজেদুর রহমান খান, যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সচিব মোল্লা আমির হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক টিএম জাকির হোসেন, খুলনা বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষার উপপরিচালক ওয়ালিউল ইসলাম, সেন্টানিক টেকনোলজির ব্যবস্থাপনা পরিচালক খালিদ নোমান হুসাইন, কেশবপুর পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলাম মোড়ল, ইউএনও এস এম সাইফুর রহমান প্রমুখ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন বাস্তবে উন্নত। বঙ্গবন্ধু যখন দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন ঠিক তখনই তাঁকে হত্যা করা হলো। বঙ্গবন্ধু কন্য প্রধানমন্ত্রী হয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। আমরা উন্নয়নের সুফন পাচ্ছি। অন লাইনেই এখন অধিকাংশ কাজ হচ্ছে। শিক্ষা ব্যবস্থারও অনেক পরিবর্তন হয়েছে। ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে। শিক্ষিত জাতি গড়তে মানসম্মত শিক্ষক দরকার মানসম্মত শিক্ষার জন্য। তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে আমাদের ২০২১ সালের মধ্যে বিশ্বের বুকে নিজেদের স্থান উন্নত করতে হবে। তিনি বলেন, মানুষের আয়, শিক্ষার হার বেড়েছে, মা ও শিশু মৃত্যুর হার কমেছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার রবিউল ইসলাম জানান, প্রথম পর্যায়ে এস.এস.জি বরণডালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সাগরদাঁড়ি এম এম ইনস্টিটিউশন, প্রতাপপুর নিভারাণী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পিবিএইচ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, চুয়াডাংগা কৃষ্ণনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মূলগ্রাম মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পাঁজিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কানাইডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ভেরচী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সাতবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও বুড়িহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বায়োমেট্রিক হাজিরা ও স্কুল ম্যানেজমেন্ট পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই পদ্ধতি চালু করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম সাইফুর রহমান বলেন, এলজিএসপি-৩ প্রকল্পে ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নে উপজেলার প্রত্যেক ইউনিয়নে ১টি করে মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুলে ডিজিটাল পদ্ধতির হাজিরা চালু করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর ফলে শিক্ষার্থীদের স্কুল ফাঁকি দেওয়া রোধ হবে এবং অভিভাবকরাও সন্তানদের লেখাপড়ার ব্যাপারে সচেতন হবেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দামুড়হুদায় ভুলে ভরা প্রশ্নে স্কুল পরীক্ষা ॥ শিক্ষকদের ক্ষোভ

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি ॥ জেলার দামুড়হুদা উপজেলায় ভুলে ভরা প্রশ্ন দিয়ে পরীক্ষা দিয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতী শিক্ষার্থীরা। সোমবার দামুড়হুদা আন্তঃপ্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২য় সাময়িক পরীক্ষার ১১৬ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভুলে ভরা প্রশ্ন দিয়েই শুরু করল প্রথম দিনের ইংরেজি পরীক্ষা।
১ম এবং ২য় শ্রেণির ইংরেজি প্রশ্নে পাওয়া যায় অসংখ্য ভুল। সিলেবাসের বাইরে থেকে দেয়া হয়েছে প্রশ্ন। ইংরেজি এ এর আগের শব্দ লিখতে বলা হয়েছে। শিশুরা এরকম প্রশ্ন পেয়ে পড়েছে বিভান্তিতে। কিভাবে তারা উত্তর করবে তা বুঝতে পারেনি।
এছাড়াও ৩য় ও ৫ম শ্রেণীর প্রশ্নপত্রেও অসংখ্য ভুল পাওয়া গেছে। প্রশ্নে অসংখ্য ভুল থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ নিয়ে কোন মাথাব্যথা নেই। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ অভিভাবক মহলে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায় ইংরেজি প্রশ্নে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রশ্নের বিভিন্ন জায়গায় অসংখ্য ভুল রয়েছে। প্রথম শ্রেণির প্রশ্নে এ এর আগের বর্ন লিখতে বলা হয়েছে। মিসিং লেটার লিখতে বললেও কোন বর্ন দেয়া হয়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন কর্তৃপক্ষ যেভাবে পরীক্ষা নেবে আমরা সেভাবেই পরীক্ষা চালায়। এতে আমাদের করার কিছুই নেই।
এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাস বলেন, উপজেলা শিক্ষা অফিস শিক্ষকদের কাছ থেকে প্রশ্ন চাই। তারপর উপজেলা শিক্ষা অফিস তা যাচাই বাছাই করে প্রশ্নপত্র প্রেসে দেন। সেখান থেকে প্রশ্নপত্র তৈরি হলে তা কারেকশন করেন উপজেলা শিক্ষা অফিস। কিন্তু কেন এত ভুল হল তা বোধগম্য নয়। এতে করে আমরা সঠিকভাবে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করতে পারিনা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ধর্ষণের ভিডিও ইন্টারনেটে, রাজশাহীতে শিক্ষার্থী গ্রেফতার

রাজশাহী সংবাদদাতা: তালাকপ্রাপ্ত এক নারীকে বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষণের পর সেই ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগে আল-মামুন নামে এক কলেজছাত্রকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

শুক্রবার সকালে রাজশাহীর পুঠিয়া থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতার হওয়া আল-মামুন (২৪) নাটোরের নবাব সিরাজউদ্দৌলা সরকারি কলেজে ডিগ্রি প্রথম বর্ষের ছাত্র। সে পুঠিয়া উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের সমশের আলীর ছেলে।

এর আগে গত বুধবার নির্যাতিত ওই নারী নিজে বাদী হয়ে মামুনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং পর্নোগ্রাফি আইনে পুঠিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

পুঠিয়া থানার ওসি সায়েদুর রহমান জানান, স্বামী পরিত্যক্ত ওই নারী একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। ওই নারীকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সেখানে তার ডাক্তারি পরীক্ষাও সম্পন্ন হয়েছে।

মামলার এজাহারে ২৩ বছর বয়সী ওই নারী বলেছেন, প্রথম স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর মামুন তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। তিনি ওই প্রস্তাবে রাজি হন।

এরপর বিয়ের কথা বলে গত ১৫ মে মামুন তাকে রাজশাহী শহরে নিয়ে যান। কিন্তু কাজী না থাকার অজুহাতে তিনি তাকে বিয়ে না করে তার এক আত্মীয়ের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয়।

শুধু তাই নয়, গোপনে ওই ঘটনার ভিডিওচিত্রও ধারণ করা হয়। এরপর মামুন ওই নারীকে বিয়ে করতে অস্বীকার করে এবং তার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক রাখার জন্য চাপ দিতে থাকেন।

কিন্তু ওই নারী এতে রাজি না হলে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ২৫ জুলাই মামুন ধর্ষণের ভিডিওচিত্র ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুঠিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) প্রলয় কুমার প্রামানিক জানান, মামলা দায়েরের পর থেকে মামুন এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে নাটোর থেকে গ্রেফতার করে আনা হয়। পরে দুপুরে তাকে আদালতে তোলা হয়। এ সময় আদালতে তার সাত দিনের রিমান্ডেরও আবেদন করা হয়। তবে রিমান্ড আবেদনের শুনানি হয়নি।

আদালত মামুনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন বলে জানায় পুলিশ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রধান শিক্ষককে পেটালেন সহকারি শিক্ষক

মেহেরপুর প্রতিনিধি |

প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) কে পেটালেন কম্পিউটারের সহকারি শিক্ষক আইউব আলী। বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) মেহেরপুর সদর উপজেলার হাতিভাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর ও জেএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে।

বুধবার (২রা আগস্ট) কম্পিউটার শিক্ষক বিদ্যালয়ে বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত ছিলেন। তার হাজিরা খাতায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অনুপস্থিত দেখান। এদিকে বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক আল মামুন ও অফিস সহকারী আশিকুর রহমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে ফরম পুরনের টাকা ব্যাংকে জমাদেন। এতে বিদ্যালয়ের কম্পিউটার শিক্ষক আইউব আলী ক্ষিপ্ত হন। তিনি বিদালয়ে এসে বিদ্যালয়ের আসবাবপত্র ভাংচুর করে। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম ও অফিস সহকারী আশিকুর রহমানকে মারধর করে। এ সময় শিক্ষদের উত্তেজনা দেখে কিছু শিক্ষার্থী বিদ্যালয় ত্যাগ করলে অন্যান্য শিক্ষকরা বিদ্যালয় ছুটির ঘোষণা দেন।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বলেন, গত তিনদিন প্রধান শিক্ষক ছুটিতে থাকায় তিনি প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে আছেন। গতকাল শিক্ষা অফিসার এসে কম্পিউটার শিক্ষককে বিদ্যালয়ে না পেয়ে তার হাজিরা খাতায় অনুপস্থিত দেখাতে বললে আমি তাকে অনুপস্থিত দেখাই। আজ বিদ্যালয়ে এসে রফিকুল ইসলাম হাজিরা খাতায় অনুপস্থিত লেখা দেখে ক্ষিপ্ত হন। আমার কাছে কারণ জানতে চান। এছাড়াও তার অনুমতি ছাড়া ফরম পুরনের টাকা জমা দেওয়া হয়েছে কেন জানতে চেয়ে বকাবকি করতে থাকেন। এক পর্যায় তিনি আমাকে বিদ্যালয়ের চেয়ার তুলে পেটাতে থাকেন।

সহকারি শিক্ষক (কম্পিউটার) আইউব আলী বলেন, ১৩ বছর চাকরি করছি বেতন পাইনা। বিদালয়ের সার্বিক প্রশানিক কাজ হেড মাস্টারকে নিয়ে আমি করে থাকি। বাকি যারা আছে তারা সবাই নিকট আত্মীয়। আমি যে কোন কাজ করলে তারা হিংসায় জ্বলে। আমি ১৫ দিনের জন্য নির্বাচনের ভোটার হালনাগাদ কাজে আছি। এ জন্য গতকাল বিদ্যালয়ে যাইনি। তারা আমাকে অনুপস্থিত দেখিয়েছে। আবার হেড মাস্টার ফরম ফিলাপের দায়িত্ব দিয়েছে আমাকে। কিন্তু এরা আমাকে বাদ দিয়ে ফরম ফিলাপ করেছে। এ ফরম  ফিলাপের ভুল হলে দায় দায়িত্ব কে নেবে। এ কারণে আমার রাগ হয়েছে তাই আমি চেয়ার তুলে টেবিলে মারলে চেয়ারটি ভেঙ্গে যায়। তাছাড়া আমি কাউকে মারিনি।

প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বলেন, ৩ দিনের ছুটিতে বাইরে আছি। তবে রফিকুল ইসলামকে পিটানোর ঘটনাটি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জেনেছি। শনিবারে বিদ্যালয়ে গিয়ে এ বিষয়ে বসা হবে।

সহকারী উপজেলা শিক্ষা আফিসার হোসনে মোবারক বলেন, শিক্ষক আইউব আলী শিক্ষককে পিটিয়ে অন্যায় করেছে। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কলেজের ছাদে ধস, আতঙ্কে অজ্ঞান ২০ শিক্ষার্থী

ঠাকুরগাঁও: সরকারি মহিলা কলেজ হোস্টেলের ছাদের কার্নিস ধসে পড়ায় হুড়মুড় করে নামতে গিয়ে আতংকে হোস্টেলের ২০ শিক্ষার্থী অজ্ঞান হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ ঘটনায় দ্বিতীয়তলা থেকে নামতে গিয়ে একজন আরেকজনের গায়ে পড়ে ও ভয়ে প্রায় ২০জন ছাত্রী অজ্ঞান হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
বুধবার রাত সাড়ে ১১টায় এ ঘটনা ঘটে।
হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষার্থীদেও মধ্যে যাদের নাম পাওয়া গেছে তারা হলেন, রুবী (১৮), লাজু (১৮), জেসমিন (১৮), খুকু মনি (১৮), মুনমুন (১৮), সোহাগি (১৮), মৌসুমি (১৮), সুমাইয়া (১৮), হোসনেয়ারা (১৮) প্রমুখ। অজ্ঞান শিক্ষার্থীদের হোস্টেল কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

হোস্টেল থাকা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জানা গেছে, বুধবার সন্ধ্যা থেকে বৃষ্টি হচ্ছিলো। হঠাৎ ২য় তলার ছাদের একটি কোনা ধসে পড়ার শব্দ পায় কয়েকজন শিক্ষার্থী। সেই খবর অন্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে হোস্টেলের ওপর থেকে শিক্ষার্থীরা দ্রুত নামার চেষ্টা করে। এ সময় আতংকগ্রস্ত হয়ে ২০জন শিক্ষার্থী জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।
হোস্টেল সুপার প্রভাষক আব্দুস সালাম জানান, হঠাৎ হোস্টেলের বাইরের কার্নিস ধসে পড়লে শিক্ষার্থীরা আতংকিত হয়ে পড়ে। তখন এ ঘটনা ঘটে।
ঠাকুরগাঁওয়ের সিভিল সার্জন জানান, শিক্ষার্থীরা কেউ আহত হয়নি। আতংকে এ সময় তারা জ্ঞান হারিয়েছিল। তারা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ বদিউজ্জামান সরকার বলেন, বৃষ্টিতে ভিজে হোস্টেলের একটি কার্নিস ভেঙে পড়ে। কার্নিস ধসের কারণ জানতে চাওয়ায় তিনি বলেন ২ বছর আগে রিপিয়ারিং কাজ হয়েছে , যখন তিনি এই পদে ছিলেন না, তারপরও কেন ধস হয়েছে তা তিনি জানেন না।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বেউরঝাড়ী সীমান্তের নাগর নদীতে গোসল করতে গিয়ে ২ বোন নিখোঁজ

মজিবর রহমান শেখ, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি ঃ ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বেউরঝাড়ী সীমান্তের ৩৮০/৩ এস সাব পিলারের নিকট নাগর নদীতে গোসল করতে গিয়ে একই পরিবারের দুই সহোদয় বোন মাহাবুবা (১২) ও মাহাফুজা (১০) নিখোঁজের ৬ ঘন্টা অতিবাহিত হলেও তাদের কোন সন্ধ্যান পাওয়া যায়নি।

এলাকাবাসীর সূত্রে জানা গেছে, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার চোঁচপাড়া গ্রামের তাহের হোসেনের দুই শিশু কন্যা ও রতœাই বগুলাবাড়ী স্কুল এন্ড কলেজের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর পড়–য়া ছাত্রী মাহাবুবা ও তার ছোট বোন রতœাই বগুলাবাড়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এবারের পিএসসি পরীক্ষার্থী মাহাফুজা ও তার চাচাতো বোন সায়মা মিলে গতকাল দুপুর ২টায় বেউরঝাড়ী সীমান্তের ৩৮০/৩ এস সাব পিলারের নিকট নাগর নদীতে গোসল করতে গিয়ে একই পরিবারের তিন সহোদয় বোন নিখোঁজ হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের উদ্ধার অভিযানে এদের মধ্যে সাইদ আলীর মেয়ে সায়মাকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে। অপর দুই সহোদয় বোন মাহাবুবা ও মাহাফুজা নিখোঁজ হয়। পরবর্তীতে স্থানীয়রা বালিয়াডাঙ্গী ফায়ার সার্ভিস কর্মীদেরকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে ব্যর্থ হলে রংপুর হতে একটি ডুবুরী টিম এসে অভিযান উদ্ধার কাজে অব্যাহত রয়েছে। দুপুর থেকে বেউড়ঝাড়ী সীমান্তবর্তী নাগর নদীতে এলাকার মানুষ ব্যাপক ভীড় জমায়।

এ ব্যাপারে আমজানখোর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আকালু মোহাম্মদ এর নিকট জানতে চাওয়া হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, শিশু দুটিকে উদ্ধারের জন্য রংপুর হতে একটি ডুবুরী টিম এসে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দৌলতপুরে তিন স্কুলে জলাবদ্ধতা

দৌলতপুর, কুষ্টিয়া ॥ ক্লাস সিক্সের ছাত্রী বর্ষা। পিঠে বইয়ের ব্যাগ আর হাতে স্যান্ডেল। হাঁটুর উপরে জড়ানো পায়জামা। স্কুলে যাবে তাই তার এ প্রস্তুতি। এ প্রস্তুতি কেন? প্রশ্ন করলে সে জানায়, স্কুলের চত্বরের পুরো এলাকা পানিতে ডুবে থাকায় প্রতিদিনই তাকে এভাবে স্কুলে যেতে হয়। যেন যুদ্ধে যাওয়ার প্রস্তুতি। একই অবস্থা অন্য শিক্ষার্থীদের। এ দৃশ্য দৌলতপুর উপজেলার হোসেনাবাদ আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, হোসেনাবাদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও শাহ আজিজ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। বিদ্যালয় তিনটিতে প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থী পড়ালেখা করে। বছরের প্রায় নয় মাস বিদ্যালয়ের খেলার মাঠসহ আশপাশের পুরো এলাকা হাঁটুপানিতে ডুবে থাকে। ফলে একদিকে এই তিন বিদ্যালয়ের লেখাপড়ার পরিবেশ যেমন নষ্ট হচ্ছে অন্যদিকে শিক্ষার্থী এসব পচা পানিতে হাঁটা চলাফেরা করার করাণে নানা ঘা-পাচড়ায় আক্রান্ত হচ্ছে।

বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয় তিনটি পাশাপাশি প্রায় একই চত্বরে অবস্থিত। স্কুলে যাওয়ার রাস্তা থেকে শুরু করে স্কুলের ভবনের চতুর্দিকে হাঁটু পানি জমে রয়েছে। দীর্ঘদিন পানি জমে থাকার কারণে সাপ, ব্যাঙ, বিভিন্ন ময়লা পচে তা থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। এর মধ্য দিয়েই শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন স্কুলে যাওয়া আসা করছে। এই এক যুগ ধরে বছরের প্রায় পুরো সময় জুড়ে এ অবস্থা চলে আসছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বাবা-মাকে পিটিয়ে অপহরণ করা কলেজছাত্রীকে উদ্ধার

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি : লক্ষ্মীপুরে বাবা-মাকে পিটিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে অপহরণ করা সেই কলেজছাত্রীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেই সঙ্গে দুই অপহরণকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে নোয়াখালীর সুধারামের টেলিভিশন স্টেশন এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় অপহরণ মামলার প্রধান আসামি হেলাল উদ্দিন ও তার এক সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে সকালে লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে অপহরণ মামলার ৫ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ জানায়, শনিবার (০৮ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার আবিরনগর এলাকার বাড়ি থেকে জোরপূর্বক ওই কলেজ ছাত্রীকে অপহরণ করা হয়।

লক্ষ্মীপুর মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোর্শেদ আলম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অপহৃত ছাত্রীকে উদ্ধার ও ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। এরআগে এ ঘটনায় ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আগামীকাল সোমবার (১০ জুলাই) জেলা আদালতে তাদের পাঠানো হবে।

প্রসঙ্গত, অপহরণের শিকার ছাত্রীর বাবা আবুল কাশেম বাদী হয়ে রোববার হেলাল উদ্দিনকে প্রধান করে সাতজনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত আরও ৫-৬ জনের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা করেন। অপহৃত ছাত্রী ভবানীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ থেকে এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ তুলে প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছিত

যশোর প্রতিনিধি :যশোরের মণিরামপুরে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ তুলে প্রধান শিক্ষকে লাঞ্ছিত ও বিদ্যালয় কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার মণিরামপুর উপজেলার জয়পুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় লোকজন ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, জয়পুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পরিতোষ সরকারের সঙ্গে একই বিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকার অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ রয়েছে। এই অভিযোগের জের ধরে শনিবার স্থানীয় কিছু লোকজন স্কুলের প্রধান শিক্ষকের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেয়।

পরে প্রধান শিক্ষক ওই তালা ভেঙে কক্ষে প্রবেশ করলে বিক্ষুব্ধরা তাকে অবরুদ্ধ করে মারমুখী অবস্থান নেন এবং প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছিত করেন। খবর পেয়ে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা ও স্থানীয় আরও কিছু লোকজন এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন।

মণিরামপুরের জয়পুর গ্রামের তোরাব আলী, শাহিন, মকলেছুর রহমানসহ একাধিক অভিভাবক অভিযোগ করেন, প্রধান শিক্ষক ও এক শিক্ষিকার অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি নিয়ে তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে তারা প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষিকাকে বিদ্যালয়ে ঢুকতে বাধা দেন।

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আব্দুল গফুর সরদার বলেন, প্রধান শিক্ষক পরিতোষ সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে একই স্কুলের এক শিক্ষিকার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ রয়েছে। গত ৩০ মে ওই শিক্ষিকার বাড়িতে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়ায় তাকে মারপিটেরও শিকার হতে হয় বলে তিনি দাবি করেন।

ম্যানেজিং কমিটির অপর সদস্য আব্দুল হামিদ বলেন, পরিতোষ সরকার বার বার এমন অপরাধ করলেও স্থানীয় কিছু প্রভাবশালীকে ম্যানেজ করে পার পেয়ে যাচ্ছেন।

তবে প্রধান শিক্ষক পরিতোষ সরকার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, গত ২৯ মে ওই শিক্ষিকার ছেলে বিদেশ থেকে বাড়িতে আসায় স্থানীয় কতিপয় যুবক চাঁদা দাবি করে। বিষয়টি দেখার জন্য বাড়িতে ডাকেন ওই শিক্ষিকা। এ সময় ওই শিক্ষিকার বাড়িতে কতিপয় যুবকের সঙ্গে তার ধস্তাধস্তি হয়। পরে এ ঘটনাকে পুঁজি করে এলাকার কিছু স্বার্থান্বেষী মহল কুৎসা রটাচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান দুর্গাপদ সিংহ বলেন, প্রধান শিক্ষক পরিতোষ সরকারের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, সেটি সঠিক নয়। আর বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মুন্তাজ মহলদার বলেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মণিরামপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আকরাম হোসেন খান বলেন, বিষয়টি তিনি অবগত হয়েছেন। রোববার সরেজমনি গিয়ে তদন্ত করে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কুমিল্লায় দুই স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ

কুমিল্লা: কুমিল্লায় ২ স্কুলছাত্রী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। নগরের শাকতলা এলাকায় একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে দুই কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। কিশোরীদের মধ্যে একজনের বয়স ১৩ বছর, আরেকজনের বয়স ১১ বছর। তারা সম্পর্কে খালা-ভাগনি। এ ঘটনায় ওই দুই ছাত্রীর এক আত্মীয় বাদী হয়ে আজ রাতে ৩ ধর্ষককে এজাহার নামীয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার অভিযোগ ও শিক্ষার্থীরা জানান, একজন নগরীর একটি স্কুলের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী (১৩) ও তার বোনের মেয়ে (১১) তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। বুধবার সকাল ১০টার দিকে তারা শাকতলা এলাকার এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে ঠাকুরপাড়ার বাসায় যাচ্ছিল। পথে তিন বখাটে তাদের পথ আগলে দাঁড়ায়। একপর্যায়ে ওই বখাটেরা একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে গিয়ে তাদের গণধর্ষণ করে। তখন সেখানে আরও দুজন ব্যক্তি দাঁড়িয়ে পাহারা দিয়েছেন। এসময় ওই ছাত্রীদের ছবি তোলা হয় এবং তাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। এরপর ওই কিশোরীদের পরিবারের সদস্যদের ডেকে এনে টাকা চায় বখাটেরা। পরিবারের সদস্যরা ৮ হাজার টাকা দেবেন বলে আশ্বাস দিয়ে কিশোরীদের ছাড়িয়ে নেন।

এরপর দুই ছাত্রী বাসায় ফিরে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান। পরিবারের লোকজন স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তিকে ঘটনাটি জানায় এবং তাদের পরামর্শে ও এক আত্মীয়ের সহায়তায় বুধবার রাত ৯টার দিকে দুই ছাত্রীকে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নেয়া হয়। এ ঘটনায় ভিকটিমদ্বয়ের আত্মীয় জেসমিন আক্তার বাদী হয়ে ৩ ধর্ষককে এজাহার নামীয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫ জনের বিরুদ্ধে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে রাতে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, রাতে ভিকটিমরা থানায় আসার পর তাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে থানায় মামলা নথিভূক্ত করা হয়েছে। ধর্ষকদের মধ্যে সজিব নামের একজনকে আটক করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভিকটিমদের ডাক্তারী পরীক্ষা করানো হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

রাবি’র মেধাবী ছাত্র আমান উল্লাহ নিহত

গাংনী প্রতিনিধি: আমান উল্লাহ। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কাঁপানো একজন মেধাবী ছাত্র। শুধু লেখাপড়ায় নয়, সামাজিক কাজের সাথেও জড়িত ছিলেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ইচ্ছে’ নামের একটি সামাজিক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি। জোড়পুকুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের গন্ডি পেরিয়েছেন মেধার পরিচয় দিয়ে। স্বপ্ন ছিলো বড় অর্থনীতিবিদ হবেন। গত ২৯ মে তিনি ফেসবুকে স্টাটাস দিয়েছিলেন ‘অতঃপর গৃহাভিমুকে রওনা হইলাম….’। বাড়িও এসেছিলেন। পরিবারের সাথে ঈদ উদযাপন করতে। কিন্তু ঈদের দিন মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তিনি চলে গেলেন না ফেরার দেশে। শ্যালোইঞ্জিন চালিত অবৈধযান আলগামনের সাথে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। সড়ক দুর্ঘটনা কেড়ে নিয়েছে একটি পরিবারের ঈদ আনন্দ, ভবিষ্যত স্বপ্ন ও একজন মেধাবীকে। আমান উল্লাহর ফেসবুক বন্ধু রাসিদুল ইসলাম ওই স্টাটাসে লিখেছেন ‘ভাই, তুমি কোন বাড়ির উদ্দেশ্যে যে রওনা দিলে’। ভোমরদহ গ্রামের ক্ষণজন্ম এই আমান উল্লাহর মৃত্যুতে পরিবারে এখনো শোকের মাতম বইছে। আত্মীয়স্বজন, সহপাঠী, প্রতিবেশীসহ পরিচিতজনরাও শোকে কাতর। তার এভাবে চলে যাওয়া ভুলতে পারছেন না স্বজনরা। আমান উল্লাহ (২১) মেহেরপুর গাংনী উপজেলার ভোমরদহ গ্রামের মহির উদ্দীনের ছেলে ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি তৃতীয় বর্ষের ছাত্র।
জানা গেছে, ঈদের দিন দুুপুরের দিকে আমান উল্লাহ ঈদের দিন তার ভগ্নিপতি মেহেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য’র পিএস সাইফুজ্জামান সিপুর পালসার মোটরসাইকেল নিয়ে গাংনী থেকে গ্রামের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সড়ক দিয়ে গাংনী উত্তরপাড়া অতিক্রম করার সময় একটি আলগামনের সাথে ধাক্কা লেগে গুরুতর আহত হন। আলগামন তার গায়ের ওপর দিয়ে চলে যায় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। কুষ্টিয়া মেডিকেলে ভর্তির কয়েক মিনিটের মধ্যে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন আমান উল্লাহ। হাসপাতার থেকে মরদেহ নিজ বাড়িতে ফিরিয়ে নেয়া হয়। রাতে গ্রাম্য কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়। গাংনী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, তবে এ ঘটনায় পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। নসিমনটি শনাক্ত করে আটকের চেষ্টা চলছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চুয়াডাঙ্গার ঐতিহ্যবাহী গোকুলখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭০ বছর পূর্তি উৎসব

সাইদুর রহমান: ‘প্রতিজ্ঞা এবং পরিশ্রমই হোক আমাদের প্রতিষ্ঠার গতিপথ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গোকুলখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর ৭০ বছর পূর্তি উৎসব উপলক্ষে পতাকা উত্তোলন, আনন্দ শোভাযাত্রা, আলোচনাসভা, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান ও সাংস্কৃতি আনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। নানা আয়োজনে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখাসহ সুন্দর সমাজ গঠনে অবদান রাখার আন্তরিক প্রচেষ্টার বিষয়টি ঘরে ফিরেই আলোচনায় তুলে আনেন।
গতকাল বুধবার গোকুলখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭০ বছর পূর্তি উৎসব উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পতাকা উত্তোলন ও শোভাযাত্রা শেষে প্রথম পর্বের আলোচনা অনুষ্ঠানে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি উদযাপন কমিটির সভাপতি বিল্লাল হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক জিয়াউদ্দীন আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী পুলিশ সুপার কলিমুদ্দীন, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাাদুল হক বিশ্বাস, জজ কোটের পিপি অ্যাড. শামশুজ্জোহা, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আতাউর রহমান, চিৎলা ইউপি চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমান। আলোচনার শুরুতে কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক আশরাফ আলী। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফরিদ হোসেন।
আমার কৈশোর ও আজকের প্রত্যাশা এই স্লোগানে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বে প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে উদযাপন কমিটির সভাপতি বিল্লাল হোসেনের সভাপতিত্বে অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অবসরপ্রাপ্ত উপপরিচালক রেজাউল করিম ও আবুবক্কর সিদ্দিকী, অগ্রণী ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত ডিজিএম জহুরুল আলম, আইনজীবী সেলিম উদ্দিন খান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক আকরামুল হক, সাবরেজিস্ট্রার রাব্বুস সোবহান, জেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি আফজালুল হক, ইঞ্জিনিয়ার শাহজাহান আলম প্রমুখ। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে অধিবেশনের তৃতীয় পর্বে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়নে করণীয় আলোচনায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে অতিথি ছিলেন সরকারি আদর্শ মহিলা কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শহীদুল ইসলাম, দর্শনা সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত উপধ্যক্ষ মোশারফ হোসেন, গোকুলখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মোস্তফা কামাল, বিদ্যালয়ের সাবেক সিনিয়র শিক্ষক খাইরুল বাসার ও মোশাররফ হোসেন।
অধিবেশনের চতুর্থ পর্বে দুপুর আড়াইটার দিকে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান অনুষ্ঠানে উদযাপন কমিটির সভাপতির সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ সামসুল আবেদীন খোকন। বিশেষ অতিথি ছিলেন চিৎলা ইউপি চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমান, বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মোস্তফা কামাল, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক, উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফরিদ হোসেন। অনুষ্ঠান শেষে ক্ষুদে গানরাজ উদয়, শাবনুর ও বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র দেলোয়ার হোসেন দিপুসহ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সার্বিক অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আদর্শ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূর হোসেন, প্রাক্তন ছাত্র রাজীব ফেরদৌস পাপেন, বিদ্যালয়ে শিক্ষক শফি উদ্দিন টিটু, বেলাল হোসেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free