জেলার খবর

দর্শনায় আন্তঃ প্রাথমিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় হযবরল। দুপুর দুটাই বিদ্যালয় বন্ধ। তদন্তের দাবী

দর্শনা অফিসঃ দামুড়হুদা দর্শনার ১০টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে আন্তঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হযবরল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। পূর্বরামনগরের প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশিদের খামখেয়ালির কারনে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে জানান শিক্ষকরা। রোববার সকাল ১০টায় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্ভোধনকালে পতাকা উত্তেলনকে কেন্দ্র করে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়। এদিকে কর্তৃপক্ষের নির্দেশকে অমান্য করে দুপুর ২টায় পূর্বরামনগর সরকারী প্রাথমিক বন্ধ ঘোষনা করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। এতে সাধারন শিক্ষকদের মধ্যে আরো ক্ষোভ দেখা যায়।
জানা যায়, দামুড়হুদা উপজেলার সকল ইউনিয়ন ও পৌরসভার আন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয় ত্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আজ ছিল উদ্ভোধন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মেয়র মতিয়ার রহমান। সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার আশরাফুৃল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের শুরু হওয়া কথা থাকলেও প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশিদের একগুয়েমির কারনে তা হয়নি। সে সময় বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তৎক্ষনাৎ প্রতিবাদ করলে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার কৌশলে অনুষ্ঠান কোনরকমে শুরু করে স্থান ত্যাগ করে। এমনকি সেমময় সহকারী উপজলো শিক্ষা অফিসারকে বক্তব্য দিতে দেয়া হয়নি।
এদিকে আন্তঃপ্রাথমিক বিদ্যালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক বাদে বাকীদের বিদ্যালয় অবস্থান করার কথা থাকলেও পূর্বরামনগর সরকারী প্র্থামিক বিদ্যালয় তা পালন করেনি। বিদ্যালয়ের ৪ জন শিক্ষকের দায়িত্ব থাকলেও বাকীরা ক্লাস না চালিয়ে মাঠে অবস্থান করে। বাকী ৯টি বিদ্যালয় দায়িত্বপ্রাপ্তরা বাদে সবাই বিদ্যালয়ে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিদ্যালয়ে অবস্থান করলেও পূর্ব রামনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় দুপুর দুটাই বন্ধ করে দেয়।
এর পূর্বে তিনি মাইকে ঘোষনা দেন পরবর্তী দিন অথাৎ ৫ ফেব্রুয়ারী সোমবার দুপুর ১টা পর্যন্ত বিদ্যালয় চালিয়ে ১টা পর মাঠে আসতে হবে। এতেও শিক্ষকরা তীব্র প্রতিবাদ করে। পরে পৌর মেয়র মতিয়ার রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।
সে সময় প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশিদ স্বীকার করেন তিনি না বুঝে এরকম একটা স্ধিান্ত দিয়েছেন। আমাকে কেউ বলতে বলেনি।
এ ব্যাপারে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার আশরাফুল আলম বলেন, আগামীকাল কখন শিক্ষকরা মাঠে আসবে তা তার জানা নেই।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার সাকী সালাম বলেন, বিদ্যালয় পড়াশুনার স্বার্থে বিদ্যালয় খুলে রাখতে বলা হয়েছে। তবে আগামীকাল ১টা পর্যন্ত বিদ্যালয় থেকে মাঠে আসার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে বিরুপ প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে শিক্ষকদের মধ্যে। সাধারন শিক্ষকদের দাবী আইন সবার জন্য সমান হতে হবে। পূর্ব রামনগর বিদ্যালয়ের এক আইন আর অন্য বিদ্যালয়ের জন্য আরেক আইন এটা কোনভাবে মেনে নেওয়া যাবে না। সাধারন শিক্ষকদের দাবী হারুন অর রশিদের কারনে দর্শনায় যত সমস্যার সৃষ্টি হয়।তিনি বিভিন্ন সময় শিক্ষকদের নামে মিথ্যা অভিযোগ করে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে ভাল হন। বিষয়টি সুস্থ তদন্তের দাবী জানিয়েছে শিক্ষকরা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দামুড়হুদার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোচিং বাণিজ্যে

স্টাফ রিপোর্টার:কোচিং বাণিজ্য বন্ধে চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। চুয়াডাঙ্গা জেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান, কোচিং সেন্টারের পরিচালক, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও জেলা পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভাও করেছেন জেলা প্রশাসক। সভায় বেশকয়েকটি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রেরণ ও তা বাস্তবায়ন করে জেলা প্রশাসক বরাবর প্রতিবেদন পাঠানোর জন্য বলা হয়। কিন্তু তাতে কী? কোচিং লোভী শিক্ষকরা ঠিকই কৌশলে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো মহাবিদ্যালয় ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পর চুয়াডাঙ্গায় এবার কোচিং বাণিজ্যে সম্পৃক্ত হয়েছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও। এমনই অভিযোগ পাওয়া গেছে জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কালিয়াবকরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে। ওই এলাকার সচেতন অভিভাবকরা ওই অভিযোগ করেন।
অভিযোগসূত্রে জানা গেছে, মিজানুর রহমান এক যুগেরও বেশি সময় থেকে কালিয়াবকরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন। বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদটি শূন্য থাকায় প্রায় ৬ বছর থেকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন তিনি। সেই থেকেই তার বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতাসহ নানা অভিযোগ ওঠে। তিনি বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের দিয়ে ক্লাস না করিয়ে কালিয়াবকরী গ্রামের ‘আশার আলো’ (তেঁতুলতলা) নামের একটি কোচিং সেন্টারে শিক্ষার্থীদের যেতে বাধ্য করেন। বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশে অভিভাবকদের ডেকে ওই কোচিং সেন্টারে তাদের ছেলে-মেয়েকে পাঠানোর জন্য অনুরোধ করেন। বিদ্যালয়ে এসে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেয়ার ভয়ভীতিও দেখান। সম্প্রতি বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণার দিন অভিভাবকদের ডেকে আবারও ওই কোচিং সেন্টারে তাদের ছেলে-মেয়েকে পাঠানোর জন্য বলেন। সমাপনী পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর ওই কোচিং সেন্টারের লোকজনকে সাথে নিয়ে প্রত্যেক অভিভাবকের বাড়ি গিয়ে ওই কোচিং সেন্টারে তাদের ছেলে-মেয়েকে পাঠানোর জন্য বলেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন সচেতন অভিভাবক জানান, একজন সরকারি চাকরিজীবী কিভাবে কোচিঙে যেতে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করছেন যেখানে সরকার কোচিং বাণিজ্য বন্ধ করতে আইন তৈরি করছে? তাছাড়া জেলা প্রশাসক কোচিং বাণিজ্য বন্ধে পত্রিকায় প্রচার-প্রচারণা করছেন। কিন্তু তা তোয়াক্কা না করেই তিনি ওই কোচিঙে শিক্ষার্থীদের পাঠাচ্ছেন। ওই কোচিং সেন্টার থেকে বিকাশের মাধ্যমে মাসোহারা নিচ্ছেন বলে এলাকায় জোর গুঞ্জন রয়েছে। শুধু তাই নয়, সমাপনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের প্রশংসাপত্র দিতেও নিচ্ছেন মোটা অঙ্কের টাকা। এতে বিপাকে পড়েছেন এলাকার খেটে খাওয়া দরিদ্র মানুষ। এর আগে তিনি মোটা টাকার বিনিময়ে বিদ্যালয় থেকে বয়স প্রমাণের ভুয়া প্রত্যয়নপত্র দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জন্মসনদ পেতে সহযোগিতা করতেন। এতে এলাকায় বাল্যবিয়ের হার বৃদ্ধি পায়। তৎকালীন দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিষয়টি জানতে পেরে তাকে তলব করেন। সে দফায় ক্ষমা চেয়ে পার পেয়ে যান তিনি। এছাড়া প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় নকল ও অসাধু উপায় অবলম্বনে সহযোগিতার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। সে দফায়ও ক্ষমা চেয়ে পার পান তিনি। এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের সভাপতি জুলফিকার আলী ভুট্টো জানান, অনেক অভিভাবক ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে তার কাছে কোচিঙের বিষয়ে অভিযোগ করেছেন। পরে তাকে সতর্ক করা হয়েছে। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শিক্ষক মিজানুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, অভিভাবকরা মিথ্যা কথা বলছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, বিষয়টি লিখিতভাবে কোনো অভিভাবক জানায়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। এদিকে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ওই এলাকার সচেতন অভিভাবকরা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

খাগড়াছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বর্ণিল পুনর্মিলনী

জেলা প্রতিনিধি খাগড়াছড়ি : পার্বত্য খাগড়াছড়ির প্রাচীনতম বিদ্যাপীঠ খাগড়াছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রথম পুনর্মিলনী উৎসবের উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে খাগড়াছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে হাজারো প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে জাতীয় পতাকা ও বেলুন উড়িয়ে এ আয়োজনের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম নাহিদ।

এর পরপরই প্রথম পুনর্মিলনী উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন প্রবীন শিক্ষাবিদ অনন্ত বিহারী খীসা।

এসময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা, ভারত প্রত্যাগত শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স চেয়ারম্যান কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি, সাবেক সংসদ সদস্য যতীন্দ্র লাল ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ড. প্রদানেন্দু বিকাশ চাকমা, খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. রাশেদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মো. আলী আহমেদ খান, খাগড়াছড়ি পৌরসভার মেয়র মো. রফিকুল আলম, পুনর্মিলনী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ড. সুধীন কুমার চাকমা এবং খাগড়াছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও পুনর্মিলনী উদযাপন কমিটির সচিব শ্রীলা তালুকদারসহ প্রাচীন এই বিদ্যাপীঠের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

‘আর একটি বার আয়রে সখা, প্রাণের মাঝে আয়’ স্লোগানকে সামনে রেখে বিদেশ ছাড়াও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীরা নিজের প্রিয় প্রাঙ্গনের এ প্রথম পুনর্মিলনী উৎসবে যোগ দিয়েছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

হোসেনপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অগ্নিসংযোগে তদন্ত কমিটি গঠন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার লালপুর হোসেনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তালা ভেঙে অফিস কক্ষে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

এতে অফিস কক্ষের তিনটি আলমারিতে রক্ষিত প্রজেক্টর, স্পিকার, ইলেক্ট্রনিক্স মালামাল, শিক্ষা ও খেলাধুলা সামগ্রী, শিক্ষক সংস্করণসহ মূল্যবান বই-পুস্তক এবং গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র পুড়ে গেছে।

শুক্রবার ভোর রাতের যে কোন সময়ে ঘটনাটি ঘটেছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

এব্যাপারে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গঠন করা হয়েছে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি। স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার ভোর ৬টায় একজন কৃষক বিদ্যালয়ের পাশের জমিতে কাজ করতে গিয়ে প্রথমে অফিস কক্ষে আগুন দেখতে পেয়ে চিৎকার করেন।

এতে স্থানীয় লোকজন এসে পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। কিন্তু ততক্ষণে অফিস কক্ষের দুটি স্টিলের আলমারিতে থাকা মালামাল, বই-পুস্তক ও কাগজপত্র এবং একটি কাঁঠের আলমারি মালামালসহ পুড়ে ছাঁই হয়ে যায়।

খবর পেয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও একজন সহকারী শিক্ষক দ্রুত বিদ্যালয়ে আসেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাজীব আহমেদ জানান, বিদ্যালয়ে নৈশ প্রহরী নেই।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বরগুনায় জামিন পেলেন প্রশ্ন ফাঁসে জড়িত প্রধান শিক্ষক

জেলা প্রতিনিধি বরগুনা : বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে গ্রেফতারের পর আদালতের মাধ্যমে জামিন পেয়েছেন বরগুনার প্রাথমিক বিদ্যলয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোলাম সরোয়ার ননী। তিনি বরগুনা সদর উপজেলার আয়লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসএম মাসুদুজ্জামান বলেন, প্রাথমিক বিদ্যলয়ের বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার তথ্য পেয়ে গোলাম সরোয়ার ননীকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদে তার জড়িত থাকার বিষয়টি প্রমাণিত হলে মামলা দিয়ে তাকে আদালতে পাঠানো হয়। পরে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কোচিং সেন্টারের প্রশ্নপত্রে বার্ষিক পরীক্ষা, অভিযুক্ত শিক্ষককে চাকরিচ্যুতির সুপারিশ

বাগেরহাট প্রতিনিধি: বাগেরহাটে কোচিং সেন্টারের প্রশ্নপত্রে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক বেল্লাল হোসেনকে চাকরিচ্যুতির সুপারিশ করা হয়েছে। ঘটনার পর গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে এই সুপারিশ করা হয়। বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকালে তদন্ত কমিটির প্রধান বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক শেখ আমজাদ হোসেন প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মতিন হাওলাদারের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। নির্ধারিত সময়ের একদিন আগেই তদন্ত কমিটি তাদের তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন জমা দেয়।

বাগেরহাট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বিষয়ে কোচিং সেন্টারে মডেল টেস্টে নেওয়া প্রশ্নপত্রেই বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠার পর মঙ্গলবার পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে তাদের দুই কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

এদিকে বাগেরহাটের ঐতিহ্যবাহী এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমন ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে অভিভাবক ও সচেতন মহলের মাঝে। তারা স্কুলের সুনাম ও শিক্ষার মানকে সমুন্নত রাখতে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

তদন্ত কমিটির প্রধান বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক শেখ আমজাদ হোসেন বলেন, বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন আইসিটি বিষয়ের শিক্ষক শেখ মো. বেল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ পেয়ে আমরা তদন্ত শুরু করি। তদন্তের সময় কমিটির সদস্যরা প্রথমে একাধিক অবিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে আমরা শিক্ষক বেল্লাল হোসেনের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলি। অবিভাবক, শিক্ষার্থী ও অভিযুক্ত শিক্ষকের বক্তব্যে অনুযায়ী ওই শিক্ষক যে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত তা তদন্তে বেরিয়ে এসেছে। আমরা স্কুলের সুনাম, শিক্ষার মানকে সমুন্নত রাখতে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করেছি।’

প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মতিন হাওলাদার বলেন, ‘নির্ধারিত সময়ে আগেই তদন্ত কমিটি তদন্ত শেষ করে তাদের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেয়ে স্কুলের শিক্ষক কাউন্সিল কমিটির জরুরি সভা আহ্বান করা হয়। ওই সভা থেকেও খণ্ডকালীন আইসিটি বিষয়ের শিক্ষক শেখ মো. বেল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে জোর দাবি তোলা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন এবং শিক্ষক কাউন্সিল কমিটির রেজুলেশন অনুযায়ী শিক্ষক বেল্লাল হোসেনের চাকরিচ্যুতির জন্য স্কুল ব্যবস্থপনা পর্ষদের সভাপতি বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক তপন কুমার বিশ্বাসের কাছে আমাদের সিদ্ধান্ত জানিয়েছি। তিনিই পরবর্তি পদক্ষেপ নেবেন।’

অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে প্রভাতি শাখার খণ্ডকালীন শিক্ষক শেখ মো. বেল্লাল হোসেনের সঙ্গে মোবাইলে বারবার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

প্রসঙ্গত, বাগেরহাট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক শেখ মো. বেল্লাল হোসেন স্কুল শেষে নিজ বাড়িতে কোচিং সেন্টার খুলে তাতে তৃতীয় শ্রেণির বেশকিছু শিক্ষার্থীকে ব্যাচ করে পড়ান। প্রায় ১৫ দিন আগে ওই শিক্ষক তার কোচিং সেন্টারে পড়া শিক্ষার্থীদের ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বিষয়ে মডেল টেস্ট পরীক্ষা নেন। গত ৯ ডিসেম্বর তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বিষয়ে দেওয়া বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সঙ্গে হুবহু মিলে যায়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৪৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝুঁকি নিয়ে পাঠদান

ডেস্ক রিপোর্ট : বরগুনা সদর উপজেলায় ২৩৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে। এর মধ্যে ৮টি পরিত্যক্ত ও ৩৯টি বিদ্যালয়ের ভবন জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। ভবনগুলো ধসে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। শ্রেণিসংকটের কারণে এর মধ্যেই ৪৭টি বিদ্যালয়ে চলছে পাঠদান।

গত এপ্রিলে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা বিদ্যালয়গুলো হলো পূর্ব গুলিশাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাহার মাহমুদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মধ্য পাঁঠাকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব ঢলুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর বড় লবণ গোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফুলতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সরকারি কলেজসংলগ্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উত্তর কুমারখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এসব ভবন ১৯৯০ সাল থেকে ২০০১ সালের মধ্যে নির্মাণ করা হয়। শিক্ষক ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করায় ভবনগুলোর এমন ভগ্নদশা।

এসব বিদ্যালয় ভবন নির্মাণে অর্থায়ন করেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী মন্ত্রণালয় (এলজিইডি)। ভবনগুলোর ছাদের পলেস্তারা খসে পড়েছে। রড বেরিয়ে গেছে। বৃষ্টি হলে ছাদ চুয়ে পানি পড়ে। কক্ষের ভেতরের দেয়ালে ফাটল রয়েছে। এ ছাড়া দেয়ালের পলেস্তারা খসে পড়ছে।

সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা গেছে, ৯১ নম্বর পূর্ব গুলিশাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর কুমড়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফুলতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাহার মাহমুদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুব ঢলুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর বড় লবণ গোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সরকারি কলেজসংলগ্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মধ্য পাঁঠাকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ক্রোক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সরকারি কলেজসংলগ্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হামিদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পুব তেঁতুলবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কে লতিফ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর হেউলিবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে রড বেরিয়ে গেছে। খাম্বার ইট-সুরকি খসে পড়েছে। রড বেরিয়ে গেছে। ভবনগুলোর মেঝে দেবে গেছে। ভবনের দেয়ালে ফাটল ধরেছে। দরজা ও জানালা ভেঙে গেছে।

৯১ নম্বর পূর্ব গুলিশাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবদুল রাজ্জাক বলেন, ‘আমাদের বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১০৯। ২০০৭ সালে সিডরের আঘাতে বিদ্যালয় ভবনটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কর্তৃপক্ষ ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছে। কিন্তু বিকল্প কোনো ভবন না থাকায় বাধ্য হয়ে পাঠদান করতে হচ্ছে।’

বিদ্যালয়টির পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী আদুরি বলে, ছাদ মাথার ওপর ভেঙে পড়তে পারে, এমন আতঙ্কে ভোগে সে।

ক্রোক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবদুল আলীম বলেন, বিদ্যালয়টি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। যেকোনো সময় ভবনটি ধসে পড়ে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তা ছাড়া জোরে বাতাস শুরু হলে ভবন ধসে পড়ার আশঙ্কায় দ্বিতীয় তলা থেকে শিক্ষার্থীদের নিচে নামিয়ে আনা হয়।

উত্তর কুমড়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি পরিত্যক্ত হওয়ায় মাঠের দক্ষিণ প্রান্তে দুই কক্ষের দোচালা টিনের ঘরে পাঠদান চলছে। প্রধান শিক্ষক নিগার সুলতানা বলেন, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী দিয়ে তৈরি করায় কয়েক বছরের ব্যবধানে ভবনটি পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে।

পূর্ব তেঁতুলবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দেয়ালের পলেস্তারা খসে পড়ছে। দরজা-জানালা ভাঙাচোরা, মেঝে ফেটে দেবে গেছে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ফিরোজা বেগম বলেন, এই বিদ্যালয়টি অনেক ঝুঁকিপূর্ণ। যেকোনো সময় মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এখানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১০৫।

উপজেলা প্রকৌশলী শওকত হোসেন বলেন, লবণাক্ততা ও আবহাওয়া খারাপ হওয়ার কারণে অল্প সময়ের ব্যবধানে এসব ভবন পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে। এ ছাড়া নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী দিয়ে নির্মাণ করায় ভবন পরিত্যক্ত বা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মজিবুর রহমান বলেন, পরিত্যক্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয় ভবনের তালিকা তৈরি করে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

সূত্র : প্রথম আলো

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

স্কুলছাত্রীকে উত্ত্যক্তের দায়ে যুবকের কারাদণ্ড

জেলা প্রতিনিধি, গাইবান্ধা: গাইবান্ধা সদর উপজেলার খোলাহাটী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৪) উত্ত্যক্ত ও পরীক্ষার কক্ষে গিয়ে চড়-থাপ্পড় মারার অভিযোগে উজ্জ্বল মিয়া (২০) নামে এক যুবককে তিনমাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক রওনক জাহান এ দণ্ডাদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত উজ্জ্বল মিয়া খোলাহাটি ইউনিয়নের উত্তর খোলাহাটী গ্রামের দুদু মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে উজ্জ্বল মিয়া ওই ছাত্রীকে প্রেম নিবেদন করে আসছিল। এতে মেয়েটি রাজী না হওয়ায় স্কুলে যাওয়া-আসার পথে উজ্জ্বল তাকে উত্ত্যক্ত করতো। বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ি থেকে স্কুলে যাওয়ার পথে উজ্জ্বল তাকে থামানোর চেষ্টা করে। পরে মেয়েটি বাধা পেরিয়ে স্কুলে পৌঁছে পরীক্ষার কক্ষে প্রবেশ করে। সেখানে গিয়ে তাকে গালিগালাজ ও চড়-থাপ্পড় মেরে পালিয়ে যায় উজ্জ্বল।

পরে এক ইউপি সদস্যের সাহায্যে উজ্জ্বলকে ধরে ওই বিদ্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হলে প্রধান শিক্ষক সদর থানা পুলিশের ওসিকে বিষয়টি অবহিত করেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে উজ্জ্বলকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে তিন মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

গাইবান্ধা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মোহাম্মদ শাহরিয়ার  বলেন, প্রেমে রাজি না হওয়ায় উজ্জ্বল মিয়া ওই ছাত্রীকে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে উত্ত্যক্ত করত। বিকেলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দর্শনায় শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষা উপকরন বিতরণ

দামুড়হুদা, চুয়াডাঙ্গা ॥ দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা পৌরসভার রেসপন্স এর উদ্যেগে আজমপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরন বিতরনী অনুষ্ঠান আজ রবিবার সকাল সাড়ে ১১ টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি রবিউল হক সুমনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন রেসপন্স এর সভাপতি বাপ্পি, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বরুপ দাস, দৈনিক মাথাভাঙা পত্রিকার দর্শনা ব্যুরো প্রধান হারুন রাজু প্রমুখ। আজমপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১০০ জন শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রত্যেককে ২টি করে খাতা ও ২টি করে কলম করা হয়।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক আব্দুল হামিদ, আতিকুর রহমান, সরদার পিয়ারী খানম, মেরিনা পারভীন, রেসপন্সএর সদস্য ইমন, রানা, সাফায়েত, সাব্বির, আরিফ, ফারুক, তমাল, রকি, শান্ত, মোস্তাক, হাসিব, প্রিন্স, মাসুদ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জকিগঞ্জের শিক্ষা কর্মকর্তাকে রাঙামাটিতে বদলি

নিজস্ব প্রতিবেদক,জকিগঞ্জ: দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রফিজ মিয়াকে রাঙামাটিতে বদলি করা হয়েছে। সোমবার (২৭ নভেম্বর) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের উপ-পরিচালক বাহারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক পত্রে তাকে রাঙামাটির রাজস্থলি উপজেলা শিক্ষা অফিসার হিসেবে বদলি করা হয়।

তবে এ বিষয়ে জানাতে শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রফিজ মিয়ার মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, গত অক্টোবর মাসে সিলেটের জকিগঞ্জের খলাছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিদর্শনে গিয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল আহমদ স্কুল শিক্ষিকা দীপ্তি রানীর ঘুমন্ত ছবি তুলে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন। এ ঘটনায় দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ ওঠে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে।

এদিকে ওই শিক্ষিকার স্বামী সুবিনয় মল্লিক জানান, ওই শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ করা হয়েছিলো। এজন্যই তাকে বদলি করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

এর আগে, ক্লাসে ঘুমিয়ে থাকার অভিযোগে সিলেটের জকিগঞ্জের খলাছড়া স্কুলের শিক্ষিকা দীপ্তি বিশ্বাসকে শোকজ করেছিল উপজেলা শিক্ষা অফিস। জকিগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রফিজ মিয়া ওই শোকজের চিঠি পাঠিয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ১৮ অক্টোবর সিলেটের জকিগঞ্জ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মডেল টেস্টের দায়িত্ব পালনের সময় স্কুলশিক্ষিকা দীপ্তি বিশ্বাস টেবিলে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়েন। এ সময় ক্লাস পরিদর্শনে যান স্থানীয় উপজেলা চেয়ারম্যান ইকবাল আহমদ। তখন তার সঙ্গে থাকা লোকজন চেয়ারম্যানের মোবাইলে ছবি তোলেন এবং তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেন। যা ভাইরাল হয়ে যায়। যদিও পরবর্তীতে দীপ্তি বিশ্বাস অসুস্থ ছিলেন বলে দাবি করেন তার স্বামী সুবিনয় মল্লিক।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এসএসসি ফরম পুরণে অতিরিক্ত ফি নেওয়ায় স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবকের মানববন্ধন

মজিবর রহমান শেখ, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আখানগর ইউনিয়নের ভেলার হাট উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি ফরম পুরণে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগে বিদ্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করেছেন অভিভাবকেরা। ২৩ নভেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে ভেলার হাট উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন করে ভুক্তভোগি অভিভাবকেরা।

জানা যায়, বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটি না থাকায় সরকারের নিয়ম-নীতি উপেক্ষা করে শিক্ষকরা এসএসসি ফরম পুরণে তাদের মনমতো পরীক্ষার ফি আদায় করছেন। পরবর্তীতে অভিভাকরা বিষয়টি বুঝতে পেরে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। এক পর্যায়ে বৃহস্পতিবার অভিভাবকেরা সম্মিলিত হয়ে বিদ্যালয়ে অতিরিক্ত ফি আদায়ের বিষয়ে জানতে গেলে শিক্ষকরা এর সদুত্তর না দিয়ে কৌশলে বিদ্যালয় ত্যাগ করে। বিষয়টি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। ওমর ফারুক নামে বিজ্ঞান বিভাগের এক শিক্ষার্থী জানায় ২০৫০ টাকা দিয়ে ফরম ফিলাপ করেছে সে। কিন্তু বুধবার বিদ্যালয় থেকে জানানো হয় তার রেজিষ্ট্রেশন করা হয়েছে মানবিক বিভাগ থেকে এবং তাকে আরো ১৫০০ টাকা দিতে হবে। কিন্তু তার পরিবারের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে তারা বাড়তি কোনো টাকা দিতে পারবে না। তাই তার পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।ভুক্তভোগী অভিভাবক মোহাম্মদ আলী জানান, আমার মেয়ের এসএসসি ফরম পুরণে ২৬০০ টাকা নিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। পরে জানতে পারি সরকার নির্ধারিত ফি অনেক কম। আমি স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে আমার বাড়তি টাকা ফেরত চাই। এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আইয়ুব আলীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার বিদ্যালয় থেকে ১১৬ শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিবে। সকলের ফরম ফিলাপ হয়ে গেছে। ফরম ফিলাপে কত টাকা নেয়া হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ১৭০০-১৮০০ টাকা নেয়া হয়েছে। তবে বাড়তি টাকা নেয়ার বিষয়ে কোন সদুত্তর দেননি তিনি।এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শাহিন আক্তারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাড়তি টাকা নেয়ার কোনো সুযোগ নেই। যদি কোনো প্রতিষ্ঠান বাড়তি টাকা নিয়ে থাকে তাহলে অভিযোগ সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চুয়াডাঙ্গায় ট্রাকের ধাক্কায় মাদ্রাসাছাত্রীর মৃত্যু

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি : চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদহ বদ্যিনাথপুর নামক স্থানে ট্রাকের ধাক্কায় এক মাদ্রাসাছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। মৃত সেই মাদ্রাসাছাত্রীর নাম সুখি খাতুন (১১)।

সোমবার বেলা ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মৃত সুখী খাতুন উপজেলার হাসাদহ গ্রামের নজরুল ইসলামের মেয়ে এবং হাসাদহ দাখিল মাদরাসার ৫ম শ্রেণির ছাত্রী।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বেলা ১১টার দিকে সুখী খাতুন বাড়ি থেকে তার মায়ের সঙ্গে পাখি-ভ্যান যোগে জীবননগরে চিকিৎসার জন্য যাওয়ার পথে বদ্যিনাথপুর নামক স্থানে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাক তাকে ধাক্কা দেয়।

জীবননগর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) মামুনুর রশিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ট্রাকের ধাক্কায় গুরুতর আহত হলে তাকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দর্শনার দুই সাংবাদিক বাকু এবং রাজুকে কুপিয়ে আহত করেছে দূবৃত্তরা

চুয়াডাঙ্গা: চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা আন্তর্জাতিক রেলষ্টেশন সংলগ্ন এলাকা মাদকসেবনকারীদের ছবি তুলতে গিয়ে দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার সাংবাদিক নূরে আলম (৫৫) ও সাংবাদিক রাজিব হাসান রাজু (৩৫) তাদের রোষানলে পড়েছেন। মাদবসে দূবৃত্তরা দুই সাংবাদিককে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করেছে।
মঙ্গলবার দুপুর ১২ টার দিকে এঘটনা ঘটে। আহত বাকু দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা পৌরসভার মোহাম্মদপুর এলাকার মৃত আজিজুর রহমানের ছেলে এবং দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার দামুড়হুদা উপজেলা প্রতিনিধি এবং রাজু একই উপজেলার আজমপুর এলাকার মৃত নাসির উদ্দিনের ছেলে ও মাসিক নির্ভিক পত্রিকার দামুড়হুদা উপজেলা প্রতিনিধি।

জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে দর্শনা আন্তর্জাতিক ষ্টেশন সংলগ্ন এলাকায় ৬-৭ জন যুবক মাদকসেবন করছিল এসময় সাংবাদিক নুরে আলম বাকু ও রাজিব হাসান রাজু তাদের ছবি দূর থেকে ক্যামেরায় ধারন করে। এ খবর জানতে পেরে ৬-৭জন দূর্বত্ত সাংবাকিদের ঘিরে ফেলে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। এরপর ক্যামেরায় ধারনকৃত ছবি নষ্ট করে ক্যামেরা ফেলে চলে যায়। স্থানীয়রা সাংবাদিকদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় ক্লিনিক ও পরে দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

দর্শনা প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকরামুল হক পিপুল জানান, যুবলীগ নেতা আব্দুর রহমানের ভাইসহ তার লোকজন এঘটনা ঘটিয়েছে। দামুড়হুদা থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি। দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ জানান, আমি ঘটনাটি শুনেছি, অভিযোগ এলে ব্যবস্থা নেবো।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চুয়াডাঙ্গায় বাসের ধাক্কায় স্কুলছাত্র নিহত

চুয়াডাঙ্গা: চুয়াডাঙ্গার দর্শনা-জীবননগর মহাসড়কের সদর উপজেলার আকুন্দবাড়িয়া আবাসনের কাছে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় পাওয়ারটিলার যাত্রী সুমন (১৬) নামের এক স্কুল ছাত্র নিহত হয়েছে।
সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সুমন সদর উপজেলার আকুন্দবাড়িয়া গ্রামের আরজেন আলীর ছেলে এবং উথলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ শ্রেণির ছাত্র।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে সুমন সহ ৬-৭ জন পাওয়ারট্রিলার যোগে পার্শ¦বর্তী মাঠে ধান ক্ষেতে যাওয়ার পথে আকুন্দবাড়িয়া আবাসনের কাছে পৌঁছায়। এসময় একই দিক থেকে আসা দ্রতগামী কেজিএন পরিবহনের যাত্রীবাহী বাস ধাক্কা দিলে পাওয়ারটিলার উল্টে সুমনসহ ৬ জন আহত হয়।
তাদেরকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে সুমন মারা যায়।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি (তদন্ত) গোলাম রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

লালমনিরহাটে বন্যায় সকল পরীক্ষা স্থগিত,২৪০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ

লালমনিরহাটপ্রতিনিধি ঃ উত্তরাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার কারণে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক নোটিশের মাধ্যমে ১৩ আগস্টের পরীক্ষা স্থগিত করেছেন।অন্যদিকে লালমনিরহাটের ২৪০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছে।

পরবর্তীতে পরীক্ষার তারিখ জানানো হবে বলে তিনি জানান।

লালমনিরহাট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নবেজ উদ্দিন সরকার জানিয়েছেন, লালমনিরহাটে বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বন্যার পানি ওঠায় ও বন্যা কবলিতরা আশ্রয় নেওয়ায় ২৪০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর এসব বিদ্যালয়ে পাঠদান শুরু হবে।

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, লালমনিরহাট সদর উপজেলায় ৯১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আদিতমারীতে ৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কালীগঞ্জে ২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাতীবান্ধায় ২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পাটগ্রামে ১০২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পানি ওঠার কারণে শ্রেণি কক্ষে পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

এছাড়া জেলার ১৫টি কলেজ, ১০টি মাদরাসা ও ২০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পানি উঠেছে। এসব বিদ্যালয়ে সাময়িকভাবে পাঠদান বন্ধ রয়েছে।

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক সফিউল আরিফ বলেন, ‘তিস্তা, ধরলা ও সানিয়াজন নদী পথে ছাড়াও বিভিন্নভাবে ভারত থেকে বাংলাদেশে পানি ঢুকছে। উজানের ঢলের পানি ও গত ৪ দিনের টানা বর্ষণে লালমনিরহাটের চারদিক ডুবে যাওয়ায় আপাত বিদ্যালয়গুলো বন্ধ রাখা হয়েছে। ভয়াবহ এ বন্যা পরিস্থিতি সম্পর্কে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free