জেলার খবর

কুষ্টিয়ায় ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী নিখোঁজ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :

কুষ্টিয়ার মিরপুরে মাসুদ রানা (১৪) নামের অষ্টম শ্রেণির এক স্কুল শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছে।

এ ব্যপারে শনিবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে মিরপুর থানায় একটি সাধারন ডায়েরী (জিডি) করা হয়েছে।

মাসুদ রানা উপজেলার মালিহাদ ইউনিয়নের ঝুটিয়াডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে এবং হাটবোয়ালিয়া নতুন কুড়ি আইডিয়াল স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র।

নিখোঁজ হওয়া ঐ শিক্ষার্থীর ভাই সাহিদুল ইসলাম জানান, গত বৃহস্পতিবার সকালে স্কুল ব্যাগ নিয়ে বাইসাইকেল যোগে আমার ভাই স্কুলে যাওয়ার জন্য রওনা হয়। পরে সে আর বাড়ী ফিরে আসেনি।

সাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমার ভাই নিখোঁজ না অপহৃত তা আমরা বুঝতে পারছি না।’

যদি কেউ তার ভাইয়ের সন্ধান পান তাহলে ০১৭৮৮৬৫৫৮৮৩ এই নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করেছেন তিনি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পবিপ্রবিতে কোটা সংষ্কারের দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট

মোয়াজ্জেম হোসেন, পটুয়াখালী প্রতিনিধি:
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ে(পবিপ্রবি) সোমবার কোটা সংস্কারের পক্ষে সাধারণ শিক্ষার্থীরা সড়ক ও ক্যাম্পাসে অবস্থান ধর্মঘট কর্মসূচী পালন করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের জয় বাংলা চত্ত¡র ও বিশ^বিদ্যালয়ের ১ম গেটের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। সকাল ৯টা ৩০মিনিট থেকে ১১টা ৩০মিনিট পর্যন্ত  চলে ওই কর্মসূচী।
এ সময় শিক্ষার্থীরা দাবি তোলেন কোটা ব্যবস্থা সংক্ষার করে ৫৬% থেকে ১০% এ নিয়ে আসতে হবে, কোটায় কোন ধরনের বিশেষ নিয়োগ পরীক্ষা নেয়া যাবে না, চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় কোটা সুবিধা একাধিকবার ব্যবহার করা যাবে না, চাকরির ক্ষেত্রে সবার জন্য অভিন্ন কাট মার্কস ও বয়সসীমা করতে হবে এবং কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে শূন্য পদগুলোকে মেধায় নিয়োগ দিতে হবে। একপর্যায়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বরিশাল-বাউফল সড়কে অবস্থান নিতে চাইলে পুলিশ বাধার সৃষ্টি করে। পরে শান্তিপূর্ণ অবস্থান ধর্মঘটের কথা বললে পুলিশ তা মেনে নেয়।
ফলে ক্যাম্পাসে এক ঘন্টা এবং সড়কে একঘন্টা অবস্থান কর্মসূচী পালন করে শিক্ষার্থীরা। দাবি না মানা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলে জানান তারা।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রথম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ করল প্রাইভেট শিক্ষক!

নিজস্ব প্রতিনিধি: সিলেট মহানগরীতে গৃহশিক্ষকের হাতে প্রথম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, সিলেট নগরীর এয়ারপোর্ট থানা এলাকা থেকে ৮ বছর বয়সী ওই শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মাহিন মিয়া (২০) নামে এক শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।

শনিবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যা রাতে এয়ারপোর্ট থানায় অভিযোগ করেন নির্যাতিতা ওই শিশুটির বাবা। এরপরে পুলিশি অভিযান চালিয়ে ওই দিন রাত ৯টার দিকে সিলেট নগরীর গোয়াবাড়ি জাহাঙ্গীরনগর এলাকা থেকে অভিযুক্ত মাহিন মিয়া গ্রেফতার করা হয়।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (১ এপ্রিল) থেকে গৃহশিক্ষক মাহিনের কাছে প্রাইভেট পড়া শুরু করে ওই শিশুটি। এরপর দিন সোমবার (২ এপ্রিল) রাত ৮টায় শিশুটি মাহিনের কাছে প্রাইভেট পড়তে গেলে তাকে ধর্ষণ করেন গৃহশিক্ষক নামের নরপশু মাহিন।

বর্তমানে নির্যাতিতা ওই শিশুটি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এ ব্যাপারে নির্যাতনের শিকার শিশুটির বাবা জানান, ওই ঘটনার দিন তিনি কাজের সুবাদে কুমিল্লায় অবস্থান করছিলেন। তার মেয়ে ওই এলাকার একটি মাদ্রাসায় ওয়ানে পড়ে। রবিবার (১ এপ্রিল) থেকে শিশুটি মাহিনের বাসায় গিয়ে প্রাইভেট পড়া শুরু করে। সোমবার (২ এপ্রিল) রাতে প্রাইভেট পড়তে গেলে তার শিশু কন্যাকে ধর্ষণ করেন মাহিন মিয়া।

যৌন নির্যাতনের পর রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটি তার মায়ের কাছে কান্না-কাটি করে পুরো ঘটনার বর্ণনা দেয়। শিশুটির বাবা শুক্রবার (৬ এপ্রিল) সিলেটে ফেরার পর মেয়েকে হাসপাতালে ভর্তি করেন। শনিবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় এয়ারপোর্ট থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে সিলেট মহানগর পুলিশের বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন জানান, হাসপাতালের ওসিসি’র তথ্য প্রমাণসহ শিশুটির বাবার দেওয়া অভিযোগ পেয়ে মামলা নেয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, মামলার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে নগরীর গোয়াবাড়ি জাহাঙ্গীরনগর এলাকা থেকে মাহিন মিয়া নামে ওই প্রাইভেট শিক্ষককে গ্রেফতার করে পুলিশ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কলাপাড়ায় বাউবি’র এইচ,এস,সি প্রোগ্রাম পরীক্ষায় দুই শিক্ষার্থী বহিস্কার, ০১শিক্ষক প্রত্যাহার

মোয়জ্জেম হোসেন,পটুয়াখালী প্রতিনিধি :
কলাপাড়ায় বাউবি’র এইচ.এস.সি সমাজ বিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষায় মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস ডিগ্রি কলেজ ভেন্যুতে শুক্রবার অসদুপায় অবলম্বনের জন্য দুই শিক্ষার্থীকে বহিস্কার করা হয়েছে।
এসময় দায়িত্ব অবহেলার কারনে এক শিক্ষিকাকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মনেনীত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শহীদ হোসেন পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকালে দু’শিক্ষার্থীকে বহিস্কার ও শিক্ষিকা প্রত্যাহার করেন।
বহিস্কৃত শিক্ষার্থী মো. শারমিন বেগম, রোল নং (০১-০-১১-৫১৩-০৬৭) ও নিলয় সিকদার, রোল নং (১৭-০-১১-৫১৩-০৭৫)। প্রত্যাহার করা শিক্ষিকা মোসা. সাবিয়া আফরোজ বিথী (প্রানী বিদ্যা)।
খেপুপাড়া মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস ডিগ্রি কলেজের বাউবি’র উচ্চমাধ্যমিক কোর্স সমন্বয়কারী ও উপাধ্যক্ষ মো. শহিদুল আলম দুই শিক্ষার্থী বহিস্কারের কথা স্বীকার করলেও শিক্ষিকা প্রত্যাহারের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।
কিন্তু উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শহীদ হোসেন দুই শিক্ষার্থী বহিস্কার ও শিক্ষিকা প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বাউবি’র পটুয়াখালীর ভারপ্রাপ্ত উপ-আঞ্চলিক পরিচালক মো: মোশারেফ হোসেন’র সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তথ্য পাওয়া যায়নি।
প্রসংগত: কলাপাড়ার দুই ভেন্যুতে বাউবির উচ্চ মাধ্যমিক ও ডিগ্রী পরীক্ষায় পাশ করিয়ে দেয়ার শর্তে নির্ধারিত অংকের টাকা নিয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি ও পরীক্ষায় অংশগ্রহনের সুযোগ করে দেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষক সহ বাউবি’র দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। এ বিষয়টি সম্প্রতি গনমাধ্যমে প্রকাশ পেলে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: তানভির রহমান উদ্দোগ নেন পরীক্ষা কেন্দ্র নকল মুক্ত রাখার
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কলাপাড়ায় চুরি-ডাকাতি আতংক, রাত জেগে গ্রামে গ্রামে পাহাড়া, শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় বিঘ্ন

ড়মোয়াজ্জেম হোসেন, পটুয়াখালী :
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ডাকাতি ও ছিচকে চোরের উপদ্রপ বেড়ে যাওয়ায় উপজেলার দু’টি ইউনিয়নের অন্তত: ১০টি গ্রামে মানুষ রাত জেগে পাহাড়া দিচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় চরম বিঘ্ন ঘটছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পর পর কয়েকটি বাড়ীতে ডাকাতি ও চুরির ঘটনা ঘটায় মানুষ এখন নিজেদের মধ্যে সমন্বয় করে পাহাড়া দিতে শুরু করেছে।
গত এক মাসে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখিমারায় হিট বাংলাদেশের অফিস, চাদঁপাড়া গ্রামের শিক্ষক শেখর মন্ডলের বাড়ী, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সখানাত বিশ্বাস, অতুল চন্দ্র বিশ্বাস, বিকাশ বিশ্বাস এবং চাকামইয়া গ্রামের নিশানবাড়িয়া গ্রামের শিক্ষক নির্মল সরকার, পরিমল সরকারের বাড়ীতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। প্রত্যেকটি বাড়ীতে মুখোশধারীরা অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে স্বার্নালংকার সহ নগদ টাকা লুট করে নেয়।
এছাড়া পৌরশহরের মংগলসুখ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় শিক্ষক আলমগীর হোসেনের বাড়ীতে দিনে দুপুরে ঘরের তালা ভেঙ্গে ঘরের ভিতরে ঢুকে স্বর্নালংকার ও নগদ টাকা চুরি করে নিয়ে যায়। গত শুক্রবার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের নেয়ামতপুর গ্রামের যতিন্দ্র নাথের বাড়ী এবং সোমবার সন্ধ্যায় পৌরশহরের চিংগড়িয়া এলাকার সুভাষ মজুমদারের বাড়ীতে চুরির ঘটনা ঘটায় মানুষের মধ্যে আতংক বেড়ে গেছে। এদের কেউই ভয়ে আইনের আশ্রয় নেয়নি এবং পুলিশও এটিকে চুরির ঘটনা বলে দায় এড়িয়ে গেছে জানিয়েছেন ভ‚ক্তোভোগীরা।
চুরি ঠেকাতে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখিমারা, নেয়ামতপুর, ইসলামপুর, চাঁদপাড়া, আদমপুর, আমিরাবাদ। এছাড়া চাকামইয়া গ্রামের কাঁঠালপাড়া, নিশানবাড়িয়া, গান্ধাপড়া সহ বিভিন্ন গ্রামে মানুষ ভিন্ন ভিন্ন গ্রুপ করে পাহাড়া দিচ্ছে। নীলগঞ্জ ইউনিয়নের আদমপুর গ্রামের বাসিন্দা প্রভাষক আনোয়ার হোসেন জানান, পরপর কয়েকটি বাড়ীতে ডাকাতির ঘটনা ঘটায় মানুষ রাত জেগে ভিন্ন ভিন্ন গ্রুপ করে পাহাড়া দিচ্ছে। একই ইউনিয়নের নেয়ামতপুর গ্রামের অনিল চন্দ্র ডাকুয়া জানান, তার বাড়ীর কাছে যতিন্দ্র নাথের বাড়ীতে সন্ধ্যায় চুরির ঘটনা ঘটায় মানুষ আতংকিত হয়ে পড়েছে।
ওই গ্রাম সহ পাশের গ্রামের মানুষ এখন নিজেদের জানমাল রক্ষায় নিজেদের উদ্যোগে পাহাড়া দিচ্ছেন। চাকামইয়া ইউনিয়নের কাঁঠালপাড়া এলাকার গনি মিয়া জানান, শিক্ষক নির্মল সরকারের বাড়ীতে ডাকাতির ঘটনার পর কাঁঠালাপাড়াসহ আশে পাশের গ্রামের মানুষ একেক গ্রুপে ৪/৫ জন করে রাত জেগে পাহাড়া দিচ্ছে।
এদিকে সম্প্রতি কলাপাড়া পৌর শহরের চিংগড়িয়া এলাকায় ডাকাতি রোধে পুলিশের হ্যান্ড মাইকিংয়ের কারনে নির্ঘুম রাত কাটে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের। পুলিশও রাতভর পেট্রোল ডিউটি করে ওই এলাকায়। চিংগড়িয়া অধিবাসী ও কলাপাড়া চৌকি আদালত আইনজীবি কল্যান সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট নাথুরাম ভৌমিক এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
কলাপাড়া থানার ওসি জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা আমার কানে এসেছে। যেসব এলাকায় মানুষ পাহাড়া দেয় সেখানে মাঝে মাঝে পুলিশ পেট্রোল ডিউটি করে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কলাপাড়ায় এমবি কলেজ শাখা ছাত্রদলের পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষনা

মোয়াজ্জেম হোসেন, পটুয়াখালী প্রতিনিধি :
কলাপাড়ায় মোজাহারউদ্দিন বিশ্বাস অনার্স কলেজ শাখা ছাত্রদলের পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষনা উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টায় উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মো. সালাউদ্দিনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পৌর বিএনপির সভাপতি উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক নুরবাহাদুর তালুকদার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন সাধারন সম্পাদক গাজী মো. ফারুক, উপজেলা বিএনপির যুগ্ন সাধারন নান্নু মুন্সী, এ্যাডভোকেট শাহজাহান পারভেজ, এ্যাডভোকেট খন্দকার নাসির উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি সোহেল সিকদার, সাধারন সম্পাদক মো.জাহিদ, পৌর সভাপতি গাজী রুহুল আমিন, সাধারন সম্পাদক সোয়েবুর রহমান প্রমুখ। এছাড়া এসময় উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি, যুবদল, কৃষকদল,স্বেচ্ছাসেবক দলসহ ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা কলেজ শাখার পূর্নাঙ্গ কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে এবিএম মোশাররফ হোসেনের নেতৃত্বে খালেদা জিয়ার হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষে কাজ করার আহবান জানান। এছাড়া এসময় বক্তারা কলেজ শাখা ছাত্রদলের কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য দেন।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চট্টগ্রামের যৌন নিপীড়ক শিক্ষক আদালতে সোপর্দ হবেন আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম :

চট্টগ্রামের যৌন নিপীড়ক শিক্ষক আবুল হাশেম ঢাকায় গ্রেপ্তারের পর বুধবার সকালে তাকে চট্টগ্রামে নিয়ে আসা হয়েছে। আজই তাকে চট্টগ্রাম আদালতে সোপর্দ করা হবে।

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানার চরপাথরঘাটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া তিন স্কুলছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ রয়েছে। এই তিন স্কুলছাত্রীর একজনের অভিভাবক গত সোমবার রাতে কর্ণফুলী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলায় বলা হয়, প্রতিদিন ছুটি শেষে বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে ছেলে মেয়েদের প্রাইভেট পড়াতেন ওই শিক্ষক। সেখানে বর্ণিত স্কুলছাত্রীটিও প্রাইভেট পড়তো। গত ১ মার্চ থেকে পরবর্তী ১৫ দিন স্কুলছাত্রীটি প্রধান শিক্ষকের কাছে আর প্রাইভেট পড়তে যায়নি। প্রাইভেটে না যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে সে তার মাকে জানায়, প্রধান শিক্ষক আবুল হাশেম তার শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন। অন্য ছেলেমেয়েরা তা দেখলে তাদেরকে মারধর করেন। একইভাবে আরো দুই শিশুকেও যৌন নিপীড়ন করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে মামলার এজাহারে।

অভিযুক্ত শিক্ষক পালিয়ে ঢাকায় এলে মঙ্গলবার মিরপুর থেকে গ্রেপ্তার হন। বুধবার সকালে তাকে চট্টগ্রামে নিয়ে আসা হয়। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আজ বিকেলের মধ্যেই এই শিক্ষককে আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে কর্ণফুলী থানার ওসি (তদন্ত) ইমাম হাসান জানিয়েছেন ।

কর্ণফুলী জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) জাহেদুল আলম জানান, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ নিয়ে শিশুটির অভিভাবক থানায় আসলে তা গুরুত্ব সহকারে দেখা হয়। শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। পরে ঢাকার মিরপুর থেকে উক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়।

এদিকে নিপীড়নের শিকার তিন স্কুলছাত্রী ওই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে।  মঙ্গলবার চট্টগ্রাম সিনিয়র মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এসএম মাসুদ পারভেজের আদালতে তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (প্রসিকিউশন) নির্মলেন্দু বিকাশ চক্রবর্তী জানান, নিপীড়নের শিকার তিন ছাত্রী আদালতে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে জবানবন্দি দিয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পটুয়াখালীর বাউফলে শিক্ষক নেতার বানিজ্য\

মোয়াজ্জেম হোসেন, পটুয়াখালী প্রতিনিধি :
পটুয়াখালীর বাউফলে এক শিক্ষক নেতার বিরুদ্ধে নিজ বিদ্যালয়ে শিক্ষা বানিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। ৮ম ও ৯ম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন ও ত্রৈ-মাসিক পরীক্ষার নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষাধিক টাকা। প্রভাবশালী ওই শিক্ষক নেতার শিক্ষা বানিজ্যের কারনে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিবাকদের মধ্যে বিরাজ করছে অসন্তোষ। প্রভাবশালী ওই শিক্ষক নেতার নাম মো. মঞ্জুর মোর্শেদ। তিনি ধানদী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও উপজেলা শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারন সম্পাদক ও বর্তমান কমিটির সদস্য।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী ৮ম শ্রেণির নিন্ধন ফি (স্মারক নং বশিবো/জেএসসি (০২/২০১৮/২২৮৪ তারিখ১৫-২-২০১৮ইং) ৬০টাকা। ৯ম শ্রেণির জন্য নিন্ধন ফি (স্মারক নং-বশিবো/বিনি/২০১৮/০৩ (৬ষ্ঠ খন্ড) /২২৯৫ তারিখ ৫-৩-২০১৮ইং) ১৭৫ টাকা নেওয়া বিধান রয়েছে। কিন্তু উপজেলার ধানদী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সাবেক শিক্ষক নেতা মো. মঞ্জুর মোর্শেদ বোর্ডের নির্দেশনা উপেক্ষা করে ৮ম ও ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নিচ্ছেন নয়’শ টাকা করে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক বলেন, বিদ্যালয়ে ৮ম শ্রেণিতে ৮৩ জন ও ৯ম শ্রেণিতে ৭৫ শিক্ষার্থী রয়েছে। মোট ১৫৮জন শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা হয়েছে লক্ষাধিক টাকা। যার সিংহভাগ টাকা পকেটেস্থ করেছেন ওই শিক্ষক।
এ দিকে সরকারে বিধিনুযায়ী প্রতি বিদ্যালয়ে অর্ধবার্ষিক-বার্ষিক নামে দুইটি পরীক্ষা নেওয়ার কথা থাকলেও ওই শিক্ষক নেতা তার বিদ্যালয়ে মঙ্গলবার (৩ এপ্রিল) থেকে ত্রৈ মাসিক পরীক্ষা শুরু করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, সরকারী নীতিমালাকে পাশ কাটিয়ে প্রধান শিক্ষক বানিজ্য করার জন্যই তিনি ওই পরীক্ষা শুরু করেছেন। খোজ নিয়ে জানা গেছে, আনুসাঙ্গিক ফিসহ ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ১ হাজার একশত ৮০ টাকা। সপ্তম শ্রেণির ১ হাজার চারশত ১০ টাকা। ১০ম শ্রেণির ১ হাজার চারশত ৫০ টাকা। উপবৃত্তি প্রাপ্ত মেধাবি অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের কাছ থেকেও কেটে রাখা হচ্ছে টাকা। তবে তাদের বেলায় ফি কিছুটা কম।
ত্রৈ-মাসিক পরীক্ষায় নেওয়া হয়েছে অভিনব পন্থা। পরীক্ষার সিলেবাস শেষ না হওয়ায় ৫০ নম্বরের হাতে করা ফটোকপি প্রশ্নপত্রে ইংরেজি বিষয়ের মাধ্যমে শুরু হয়েছে পরীক্ষা। এ পরীক্ষার ফি আদায়ে আছে রঙিন ও সাদা প্রবেশ পত্রের মতো আরো অভিনব কৌশল। সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধে ব্যর্থ শিক্ষার্থীদের সাদা কাগজে হাতে লেখা প্রবেশ পত্রে পরীক্ষায় অংশ গ্রহনের সাময়িক অনুমতি দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে শ্রেণি শিক্ষকদের। আর সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করা শিক্ষার্থীরাই পাচ্ছে কেবল প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষরিত রঙিন (ছাপানো অক্ষরের) প্রবেশ পত্র। কতিথ ত্রৈ মাসিক এই পরীক্ষা থেকেও আদায় হবে দুই লক্ষাধিক টাকা।
সকল অভিযোগ অস্বিকার করে প্রধান শিক্ষক মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, ৮ম ও ৯ম শ্রেণি শিক্ষার্থীদের নিন্ধন ফি সর্বচ্চ চারশত টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। অপরদিকে ত্রৈ-মাসিক পরীক্ষাকে অস্বীকার করে তিনি বলেন, এটা পাঠ মূল্যায়ন। দুই একজন শিক্ষক এটাকে ভূলে ত্রৈ-মাসিক লিখতে পারে। তবে পরীক্ষার ফি এর সাথে আনুসঙ্গিক অন্যন্য চার্য রয়েছে।
##
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ভূল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা, ফল বিপর্যয়ের আশংকায় ৭ পরীক্ষার্থী

মোঃ ইউনুস আলী, লালমনিরহাট প্রতিনিধি:

চলমান এইচ,এস,সি পরীক্ষা ভূল প্রশ্নপত্রে নেয়ায় হয়েছে বলে লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেন ৭জন পরীক্ষার্থী। আর এনিয়ে পরীক্ষার ফল বিপর্যয়ের আশঙ্কায় থাকায় তারা হতাশায় ভুগছেন বলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর অভিযোগ। তবে কেন্দ্র সচিব বলেন প্রশ্ন একই হওয়ায় কোন সমস্যা হবে না।

মঙ্গলবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে জেলা প্রশাসক বরাবরে এ অভিযোগ করা হয়।

ভুক্তভোগী ৭ শিক্ষার্থীর অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, গত বছর এইচএসসি পরীক্ষায় বাংলা বিষয়ে অকৃতকার্য করা পরীক্ষার্থীরা পুনরায় ২০১৭ সালের সিলেবাস অনুযায়ী বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করেন।  এর মধ্যে লালমনিরহাট সরকারী কলেজের ৪জন ও আদর্শ ডিগ্রী কলেজের ৩ জন পরীক্ষার্থী শুধু বাংলা বিষয়ে অংশ নেন।

সোমবার (২ এপ্রিল) এ ৭জন পরীক্ষার্থী লালমনিরহাট মজিদা খাতুন সরকারী মহিলা কলেজ কেন্দ্র বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষায় অংশ নেয়।  কেন্দ্রে পরীক্ষা শুরু হলে তাদেরকে ২০১৬ সালের সিলেবাস অনুযায়ী প্রশ্ন প্রদান করা হয়।  প্রথম দিকে কেন্দ্র সচিবকে বিষয়টি অবগত করলে তাদের চাপে এ প্রশ্নেই পরীক্ষা দিতে বাধ্য হন পরীক্ষার্থীরা।

পরীক্ষা শেষে কেন্দ্র থেকে বের হয়ে অন্য কেন্দ্রের সহপাঠীদের মাধ্যমে জানতে পারেন অন্যসব কেন্দ্রে ২০১৭ সালের সিলেবাসে পরীক্ষা হয়েছে।  পরে তারা বিষয়টি কলেজ অধ্যক্ষ ও জেলা প্রশাসককে মোবাইলে অবগত করে প্রতিকার দাবি করেন।

মঙ্গলবার(৩ এপ্রিল) বাংলা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষায় এসব পরীক্ষার্থীকে ২০১৭ সালের সিলেবাসের প্রশ্ন দেয়া হয়।  পরীক্ষা শেষে ৭ পরীক্ষার্থী এ ভুলের প্রতিকার চেয়ে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগে বলা হয়, ২০১৬ ও ২০১৭/১৮ সালের সিলেবাসে প্রশ্নের মানবন্টনে ভিন্নতা রয়েছে।  ২০১৬ সালের সিলেবাসে নৈবত্তিক ৪০ ও রচনামুলক ৬০ এবং ২০১৭/১৮ সালের সিলেবাসে নৈবক্তিক ৩০ ও রচনামুলক ৭০ নম্বর।  প্রশ্ন যাই হোক ফলাফলে প্রশ্নের মানবন্টনে তাদের সমস্যা হওয়ার সম্ববনা রয়েছে বলে পরীক্ষার্থীরা দাবি করেন।

পরীক্ষার্থী আল আমিন ও হাবিবুল্লাহ জানান, খাতা মুল্যায়নের সময় প্রশ্নের মানবন্টনে তাদের ফলাফলে সমস্যা হতে পারে। তাই প্রথমেই ভুল প্রশ্নের প্রতিবাদ জানান। কিন্তু কোন কাজ হয়নি।  কেন্দ্র সচিব বলেছিলেন এটা কাউকে  বলার দরকার নাই। বিষয়টি শিক্ষা বোর্ডের সাথে কথা বলে ঠিক করা হবে।  কিন্তু তা কতটু সম্ভব তা নিয়ে তাদের শ্বংসয় রয়েছে বলে দাবি করেন পরীক্ষার্থীরা।

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক শফিউল আরিফ জানান, শিক্ষার্থীদের অভিযোগের পর কেন্দ্র সচিব ও কলেজ অধ্যক্ষের সাথে কথা বলা হয়েছে। তারা বলেছেন প্রশ্ন একই তাই সমস্যা হবে না। তবুও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান জেলা প্রশাসক।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বখাটের হুমকিতে নবম শ্রেনীর ছাত্রীর স্কুলে যাওয়া বন্ধ

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল ॥ মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের স্ত্রীকে বখাটে কর্তৃক হত্যার হুমকি দেয়ার ঘটনায় থানায় জিডি করায় ক্ষিপ্ত হয়ে মুক্তিযোদ্ধার নবম শ্রেনীতে পড়ুয়া নাতনীকে অপহরণের হুমকি দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় অনিশ্চিত হয়ে পরেছে ওই শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন। ঘটনাটি জেলার গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া গ্রামের।

ওই গ্রামের বাসিন্দা ও ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার প্রয়াত আলাউদ্দিন খন্দকারের স্ত্রী শেফালী বেগম জানান, গত কয়েকদিন পূর্বে তার পুত্রবধুকে মোবাইলে একাধিক অশ্লীল ম্যাসেজ লিখে পাঠায় প্রতিবেশি কালাচাঁদ শীলের মাদকাসক্ত বখাটে পুত্র গোপাল শীল। বিষয়টি নিয়ে গোপালকে জিজ্ঞাসা করা হলে মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী শেফালী বেগমকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়। এ ঘটনায় গৌরনদী মডেল থানায় গোপালের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে।

মাহিলাড়া এএন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর মেধাবী ছাত্রী সাদিয়া রহমান পাঞ্জেরী জানান, গোপালের বিরুদ্ধে থানায় জিডির ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে গত কয়েকদিন পূর্বে তার মামা ইতালী প্রবাসী মাসুম খন্দকারের ব্যবহৃত ঘরে থাকা মোটরসাইকেল প্রকাশ্যে ছিনিয়ে নিয়ে যায় বখাটে গোপাল। এরপর অনেক খোঁজাখুজি করে বাটাজোর বাজারের একটি মোটর মেকানিকের দোকান থেকে ভাঙ্গাচুড়া অবস্থায় চুরি হওয়া মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়। মোটরসাইকেল চুরির বিষয়টি কাউকে বলা হলে পাঞ্জেরীকে অপহরণের পর প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হয়। বখাটে গোপালের অব্যাহত হুমকির মুখে স্কুলে যেতে পারছেনা ওই স্কুল ছাত্রী। কর্মের সুবাধে প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধার দুইপুত্র প্রবাসে থাকায় নাতনী পাঞ্জেরীকে নিয়ে শেফালী বেগম বাড়িতে বসবাস করছেন। ফলে বখাটের অব্যাহত হুমকির মুখে এখন চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছেন নানী শেফালী ও তার নাতী পাঞ্জেরী।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

নাটোরের পরীক্ষায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে বহিষ্কার ৩ শিক্ষক f

নিজস্ব সংবাদদাতা, নাটোর ॥ নাটোরের গুরুদাসপুরের বিল চলন শহীদ শামসুজ্জোহা সরকারী অর্নাস কলেজে চলতি এইচএসসি পরীক্ষায় কেন্দ্রে দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে ৩ শিক্ষককে পরীক্ষার সকল কার্যক্রম থেকে এ বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। গতকাল সোমবার বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষায় দায়িত্ব অবহেলার কারণে আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে তাদের বিরুদ্ধে এই বহিষ্কারাদেশ দেন পরীক্ষা কমিটি। বহিঃষ্কৃত তিন শিক্ষক হলেন, শামসুজ্জোহা কলেজের প্রভাষক লুৎফুল হক ও রিতা রানী এবং একই কলেজের ডেমোনষ্ট্রেটার (প্রদর্শক) আখের আলী।

কেন্দ্র সচিব অধ্যক্ষ রেজাউল করিম ও পরীক্ষার্থী কাউছার আলী, দুলাল হোসেন সহ অন্যান্য পরীক্ষার্থীরা জানান, গতকালের এইচএসসি বাংলা ১ম পত্রের পরীক্ষায় শহীদ শামসুজ্জোহা কলেজের ৩০১ নম্বর কক্ষে ৫১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এদের মধ্যে ২০১৬ সালের পুরাতন সিলেবাসের ১৫ জন এবং চলতি বছরের নিয়মিত ৩৬ জন পরীক্ষার্থী ছিল। দায়িত্বরত শিক্ষকরা প্রশ্নপত্র প্রদানের সময় পুরাতন সিলেবাসের ১৫টি প্রশ্নপত্র ভুল করে নতুন সিলেবাসের পরীক্ষার্থীদের দিয়ে দেয়। পরে পরীক্ষার্থীরা বিষয়টি বুঝতে না পেরে ওই প্রশ্নপত্রেই পরীক্ষা সম্পন্ন করে। পরে বিষয়টি বুঝতে পেরে মঙ্গলবার সকালে বিষয়টি ছাত্ররা পরীক্ষা কেন্দ্র উপস্থিত হয়ে কেন্দ্র সচিব অধ্যক্ষ রেজাউল করিমকে জানায়। কেন্দ্র সচিব বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পান। এ ঘটনায় পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্বে অবহেলার কারণে ওই তিন শিক্ষককে এ বছরের পরীক্ষার কার্যক্রম থেকে বহিঃষ্কার করেন।

এ ব্যপারে গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনির হোসেন জানান, অভিযুক্ত ওই তিন শিক্ষককে সাতদিনের মধ্যে এ ব্যাপারে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। পরবর্তীতে ওই শিক্ষকদের পক্ষ থেকে উত্তর পেলে সে অনুযায়ী ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

আঙুলহীন এইস,এস,সি পরীক্ষার্থী

মোঃ ইউনুস আলী, লালমনিরহাট প্রতিনিধি:

দুই হাতে আঙুল নেই, তাতে কি হয়েছে। মনের ইচ্ছাশক্তি আর আগ্রহ তো আছে। তাই চেষ্টা করলেই উপায় হয় আর উপায় পেলে জীবনে সফল হওয়া যায়। অন্য ১০০জন যা পারেন না তাই করে দেখিয়ে দিচ্ছেন প্রতিবন্ধী মেধাবী ছাত্র রুবেল মিয়া। সে এবারে এইচএসসি পরীক্ষার্থী।

সোমবার (২রা এপ্রিল) লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা উত্তরবাংলা ডিগ্রী কলেজের এইচ,এস,সি পরীক্ষা কেন্দ্রে দেখা মেলে তার। সে ঐ কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক বিএম শাখার ছাত্র।

দায়িত্ব থাকালীন কালীগঞ্জ উপজেলা (পিআইও) কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম বলেন, রুবেল মিয়া অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র।
তার দুই হাতে আঙুল নেই তবুও তার হাতের লেখা চমৎকার। বাংলা পরীক্ষায় খুব ভালো পরীক্ষা দিয়েছে ছেলেটি।

কাকিনা মহিমা রঞ্জন স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের কেন্দ্র পরিদর্শনকালে বিষয়টি আমার দৃষ্টিতে আসলে আমি কিছুক্ষণ তার পাশে দাঁড়িয়ে দেখেছি ছেলেটির হাতের লেখা অত্যন্ত চমৎকার। পরীক্ষাও দিচ্ছে খুব ভালো।

উপজেলা (পিআইও) কর্মকর্তা আরও জানান, শুধু একজন মেধাবী ছাত্রই নয় রুবেল মিয়া। সে লেখাপড়ার পাশাপাশি কম্পিউটার ও লন্ডির ব্যবসাও করেন।

রুবেল মিয়া জানায়, পরীক্ষা খুব ভালো হয়েছে। দুই হাতের আঙুল না থাকলেও লিখতে আমার কষ্ট হয় না। এখন অভ্যস্ত হয়ে গেছি। আশা করছি সবগুলো পরীক্ষা ভালো হবে এবং সেই সঙ্গে পরীক্ষার ফলাফলও খুব ভালো হবে।

উত্তরবাংলা ডিগ্রী কলেজের উপঅধ্যক্ষ মাহফুজুল ইসলাম বলেন, রুবেল প্রতিবন্ধী হলেও তার মেধা অন্যদের চেয়ে অনেক বেশি। তার হাতের লেখাও ভাল। সে তার পঙ্গু হাত দিয়ে লেখার পাশাপাশি সব ধরনের খেলাধুলা, বাই সাইকেল চালানো ছাড়াও অন্যান্য কাজ নিজে করতে পারে।

রুবেলের মা মরিয়ম বেগম বলেন, আমার পাঁচ সদস্যের পরিবারে রুবেল দ্বিতীয় ছেলে। রুবেলের বাবা সুকানদিঘী বাজারে কাপড় লন্ডি করতেন। তার বাবার মৃত্যুর পর তাকে এই ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি চালাতে হয়। যা আয় হয়, তা দিয়ে সংসার চালাতেই কষ্ট হয়। তার সঙ্গে নিজের লেখাপড়ার খরচ চালাতে কষ্ট হয়।

রুবেলের মা আরও বলেন, আমার আরেকটি বড় মেয়ে আছে ঢাকায় থাকে। সে একটি গার্মেন্টসে চাকিরি করেন মাসে অল্প কিছু পাঠান। এ দিয়ে কোন মতো সংসার চালাতে হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পিএসসি বৃত্তির ফলাফল ॥ দামুড়হুদায় সেরা মডেল-দর্শনায় লিটিল এনজেলস

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: জেলার দামুড়হুদা উপজেলায় পিএসসি বৃত্তির ফলাফলে দামুড়হুদা মডেল প্রথম ও লিটিল এনজেলস ইন্টাঃ স্কুলের অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে। উপজেলায় মোট ৫৫জন ট্যালেন্টপুল এবং ১০৫ জন সাধারণ গ্রেডবৃত্তি পেয়েছে। এর মধ্যে দামুড়হুদা মডেল ১৬টি ট্যালেন্টপুল ও ৩ টি সাধারন গ্রেডে বৃত্তি পেয়ে উপজেলায় প্রথম হয়েছে ও লিটিল এনজেলস ইন্টাঃ স্কুল ৮ জন ছাত্র ট্যালেন্টপুল ও ৬ জন সাধারন গ্রেডে বৃত্তি পেয়ে দর্শনায় শীর্ষে ও উপজেলার মধ্যে ২য় শীর্ষে হয়েছে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের পিএসসি পরীক্ষায় চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলা থেকে ১১৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ১৬ টি কিন্ডারগার্টেনের ছাত্রছাত্রী অংশগ্রহণ করে তাদের মধ্যে দামুড়হুদা মডেল ৮৪ জন এ + ৩০ জন ও বৃত্তি ১৬ জন পেয়ে উপজেলায় প্রথম স্থান দখন করেছে।
এদিকে দামুড়হুদা দর্শনায় লিটিল এনজেলস ইন্টাঃ স্কুল সার্বিক ফলাফলে শীর্ষে রয়েছে। এ বিদ্যালয় থেকে পিএসসি পরীক্ষায় ৩৬ জন অংশগ্রহণ করে ১৬ জন ‘এ’ প্লাস ও ১৪ জন বৃত্তি পেয়েছে।
মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শরিফ উদ্দীন ও লিটিল এনজেলস ইন্টাঃ স্কুলের অধ্যক্ষ বিকাশ কুমার জানান, সার্বিক ফলাফলে এবার আমার বিদ্যালয় থেকে ভালো করেছে। আগামীতে এ সাফল্য ধরে রাখতে শিক্ষকমন্ডলী যথেষ্ট সচেষ্ট।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কুকুরের কামড়ের প্রতিশোধ শিক্ষকের উপর আক্রমণ

মোঃ ইউনুস আলী, লালমনিরহাট প্রতিনিধি:

লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় কুকুরের কামড়ের প্রতিশোধ নিতে গিয়ে কুকুরের মালিক স্কুল শিক্ষক অমলেন্দু বর্মণ রতনের পা ভেঙে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (২রা এপ্রিল) দুপুরে আহত ওই স্কুল শিক্ষককে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এর আগে সকালে ওই স্কুল শিক্ষকের একটি কুকুর তার প্রতিবেশী আব্দুল মান্নানকে আক্রমণ করেন। এ ঘটনার পর আব্দুল মান্নানের পুত্র ফরহাদ হোসেন কুকুরের মালিক ওই স্কুল শিক্ষকের ওপর হামলা চালায়। হামলায় স্কুল শিক্ষকের পা ভেঙে গেছে।

আহত শিক্ষক অমলেন্দু বর্মণ রতন জেলার আদিতমারী উপজেলার পলাশী ইউনিয়নের মহিষাশ্বর গ্রামের কল্পনাথের পুত্র ও মহিষখোচা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন।

স্থানীয়রা জানান, স্কুল শিক্ষক অমলেন্দু বর্মণের বাড়ির একটি কুকুর সোমবার সকালে প্রতিবেশী আব্দুল মান্নানকে আক্রমণ করে। বিষয়টি জানতে পেরে মান্নানের ছেলে ফরহাদ হোসেন প্রতিশোধ নিতে কুকুর মালিক স্কুল শিক্ষক অমলেন্দু বর্মণের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে লাঠি নিয়ে ধানক্ষেতে কাজে থাকা অমলেন্দুর ওপর হামলা চালায়। এতে ওই শিক্ষকের পা ভেঙে যায়।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে আদিতমারী হাসপাতালে পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় লালমনিরহাট
সদর হাসপাতালে ভর্তি করান।

আহত শিক্ষক অমলেন্দু বর্মণ জানান, কাজে ব্যস্ত থাকা অবস্থায় হঠাৎ ফরহাদ এসে কিছু বুঝে উঠার আগেই লাঠি দিয়ে মারপিট শুরু করে। তিনি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানান।

লালমনিরহাট সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. তানিয়া তাসনিম মুনমুন জানান, ওই শিক্ষকের পায়ের হাড়ে চিড় ধরেছে। চিকিৎসা চলছে সুস্থ হতে বেশ কিছুদিন সময় লাগবে।

আদিতমারী থানার ওসি হরেশ্বর রায় জানান, এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কলাপাড়ায় শিশু শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন

মো.মোয়াজ্জেম হোসেন, পটুয়াখালী প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় সহকারী শিক্ষক খলিলুর রহমানের যোগদানকে কেন্দ্র করে খাজুরা আশ্রায়ন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন ও প্রতিবাদ কর্মসূচী পালন করছে। অভিবাভকরা সন্তানদের স্কুলে না পাঠানোর ঘোষনা দিয়েছেন। শনিবার থেকে ক্লাশ বর্জনসহ ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন তারা।
শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা জানান, শিক্ষক খলিলুর রহমান খাজুরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। হঠাৎ করে ২০০৬ সালে কাউকে কোন কিছু না বলে অন্যত্র চলে যাওযায় শিক্ষার্থীরা বিপাকে পড়ে। শিক্ষাকার্যক্রম বন্ধের উপক্রম হয়। অনেকে এখন শ্রমিক ও দিন মজুরের কাজ করছে। সন্তানরা শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত থাকে।
স্থানীয়রা আরো জানান, খলিলুর রহমানের বাড়ি স্কুলের খুবই কাছে হওয়ায় সে ঠিকমত পাঠদান না করে বরং নিজ কাজে ব্যস্ত থাকবে। ফলে তার এই স্কুলে থাকা না থাকা সমান। একাধিক অভিভাবকরা ক্ষুব্ধ হয়ে জানান, খলিল মাস্টার ও তার স্ত্রী শিরিন সুলতানা দুজনই শিক্ষক। তারা যদি বাড়ির কাছের স্কুলে থাকলে পারিবারিক কাজে দু’জন ব্যস্ত থাকবে। মানুষের অভিযোগ আগে ছিল টিনের ঘর আর এখন সরকার পাকা ভবন করে দেয়ায় এখানে আসার ইচ্ছা হয়েছে ওই শিক্ষক দম্পত্তির। সে তার ব্যক্তিগত কাজ হাসিলের উদ্দেশ্যেই এখানে তদবির করে বদলী হয়ে আসছেন ।
অভিভাবক কবির মাঝি, আ. ছালাম ফিটার বলেন, খাজুরা আশ্রয়ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শুরু থেকেই ছেলে মেয়েদের শিক্ষার স্বার্থে আমরা অভিভাবকরা যে যেভাবে পারছি ব্যক্তিগতভাবে শিক্ষকদের বেতন ভাতার ব্যবস্থা করছি। সে হঠাৎ চলে যাওযায় আমাদের অনেক সন্তানরা এখন শ্রমিক ও দিন মজুরের কাজ সকরছে। আমাদের ছেলে-মেয়েরা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত রয়েছে। আমরা তাকে মানিনা। সে এই স্কুলে যোগদান করতে পারবে না। তার কারনে আমাদের ছেলে-মেয়েদের শিক্ষার আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। বর্তমান প্রধান শিক্ষক স্কুলের হাল ধরার কারনে স্কুলের পরিবেশ সুন্দর রয়েছে।
বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র রফিকুলের ভাষ্য, বর্তমানে যে স্যার ও আপা আছে তাদের চাই। আর খলিল স্যার ও তার স্ত্রী আপাকে চাই না। পঞ্চম শ্রেণীর মিম জানায়, আমাদের যেই স্যার ও আপা লেখাপড়া শিখিয়েছে আমরা তাদের চাই। খলিল স্যার থাকলে আমরা স্কুলে যাবনা। তার কারনে আমাদের এলাকার অনেকের রেখাপড়া হয় নাই।
সহকারী শিক্ষক খলিলুর রহমান জানান, ২০০২ সাল থেকে আমি ওই স্কুলের হাল ধরি। আমার চাকরী হলে ২০০৬ সালে অন্যত্র যোগদান করি। এখন আমাকে কর্তৃপক্ষ খাজুরা আশ্রায়ন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদানের আদেশ দিয়েছেন। খাজুরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক সুলতান আহমেদ বলেন, সহকারী শিক্ষক খলিলুর রহমান স্কুলে যোগদান করতে আসলে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের বিরোধীতায় যোগদানপত্র গ্রহণ করতে পারি নাই। বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে।
লতাচাপলী ইউপি চেয়ারম্যান আনছার উদ্দিন মোল্লা বলেন, আমি বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছি। তবে ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের মধ্যে একটি ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা কোন মতেই শিক্ষক খলিলকে এখানে চায় না। তাদের এই জোড়ালো প্রতিবাদকে ছোট করে দেখার সুযোগ নাই। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মনিলাল সিকদার জানান, বিষয়টি শিক্ষা কমিটিকে অবহিত করেছি। সকলের সমন্বয়ে সমাধান করা হবে।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free