জেলার খবর

পার্বতীপুরে ২২ ঘণ্টা পর বিদ্যুৎ স্বাভাবিক।

আব্দুল্লাহ আল মামুন,পার্বতীপুর(dinajpurদিনাজপুর)থেকেঃ ঝড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় দিনাজপুরের পার্বতীপুরে ২২ ঘণ্টা ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকার পর স্বাভাবিক।
সোমবার (১ জুন) রাত ৮টার দিকে পার্বতীপুরের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঝড়ে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়।
পার্বতীপুর পিডিবির আবাসিক প্রকৌশলী ইউনুস আলী মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে প্রতিনিধিকে জানান, সোমবার রাতে বয়ে যাওয়া ঝড়ে বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে পার্বতীপুর উপজেলায় ৩৩ কেভি বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনের ১০টি পোল (খুঁটি) পড়ে যায়। এছাড়া কিছু এলাকায় বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে যায়। ফলে রাত ৮টা থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। লাইন মেরামতের কাজ চলছে ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চুয়াডাঙ্গায় ২৪ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ বিতরণ

laptop biton

শিক্ষা প্রতিবেদকঃ চুয়াডাঙ্গায় পিডিপি-৩ অর্থায়নে মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিনামূল্যে ২৪টি ল্যাপটপ বিতরন করেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রমেন্দ্রনাথ পোদ্দার। জেলার চুয়াডাঙ্গা সদর, দামুড়হুদা ও আলমডাঙ্গা উপজেলার মোট ২৪ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ল্যাপটপ বিতরন করা হয়।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রমেন্দ্রনাথ পোদ্দার এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার উপজেলা শিক্ষা অফিসার আক্তারুজ্জামান মিলন, দামুড়হুদা উপজেলা শিক্ষা অফিসার নুরজাহান,আলমডাঙ্গা শিক্ষা অফিসার আবু হাসান, বাংলাদেশ প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রিয় নেতা খুলনা বিভাগের আহবায়ক স্বরুপ দাস, সভাপতি (দামুড়হুদা) আলাউদ্দিন, বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমিতির চুয়াডাঙ্গা জেলা আহবায়ক আব্দুস সালাম,আলমডাঙ্গা শিক্ষক সমিতির সভাপতি রেফাউল প্রমুখ। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের শুভেচ্ছা বক্তব্যের পরে চুয়াডাঙ্গা সদর, দামুড়হুদা ও আলমডাঙ্গা উপজেলার বিভিন্ন প্রধান শিক্ষকদের হাতে ল্যাপটপগুলো তুনে দেন রমেন্দ্রনাথ পোদ্দার।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ছাত্রীর অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে চাঁদা দাবি, আটক ২

ফরিদপুর: ফরিদপুরেdhorshon_56120_0র মধুখালী উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের শ্রীরামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীতে পড়ুয়া এক ছাত্রীর (১৫) অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে বিভিন্ন মোবাইলে তা ছাড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে মেয়েটির পরিবারের কাছে তিন লাখ টাকার চাঁদা দাবি করা হয়েছে। এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে মধুখালী থানায় তিন যুবকের নামে একটি মামলা করেছে। পরে পুলিশ দুই যুবককে আটক করে রবিবার কারাগারে পাঠিয়েছে।
মধুখালী থানা পুলিশ জানায়, উপজেলার তেলিকান্দি গ্রামের ফরিদ মোল্যার মেয়ে ও শ্রীরামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ওই ছাত্রী (১৫) স্কুলে যাওয়া আসার সময় পার্শ্ববর্তী শ্রীরামপুর গ্রামের সালাম মল্লিকের ছেলে রিহাদ মল্লিক (২৫), তেলিকান্দি গ্রামের সিদ্দিক সেখের ছেলে বাশার সেখ (২৬) এবং শ্রীরামপুর গ্রামের ওহিদুল মল্লিকের ছেলে তাকচির (২৪) প্রায়ই উত্ত্যক্ত করতো।
গত বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ওই ছাত্রী স্কুলে যাওয়ার সময় শ্রীরামপুর কমিউনিটি ক্লিনিকের সামনে আসামাত্রই বখাটে রিহাদ, বাশার ও তাকচিরসহ অজ্ঞাত আরও দুই যুবক ওই ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দেয়। এতে রাজি না হওয়ায় বখাটেরা তার গায়ের ওড়না টেনে ধরে শ্লীলতাহানির চেষ্টা চালায়। ছাত্রীর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে পৌঁছে দেয়।
একদিন পরই বখাটেরা ওই ছাত্রীকে নিয়ে ভিডিও পাইরেসির মাধ্যমে একটি অশ্লীল ভিডিও তৈরি করে বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ওই ছাত্রীর বাবার কাছে তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। এ ঘটনায় শনিবার ওই ছাত্রীর বাবা মধুখালী থানায় অভিযোগ করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মধুখালী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল আলম জানান, ছাত্রীর বাবার অভিযোগের প্রেক্ষিতে রিহাদ ও তাকচিরকে রাতেই আটক করে রবিবার ফরিদপুর আদালতে পাঠানো হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতের কাছে রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পরীক্ষা দিতে না পেরে আত্মহত্যার চেষ্টা

শেরপুর: শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে পরীক্ষা দিতে না পেরে উম্মে হানী নামে এক শিক্ষার্থী বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। সে রাংটিয়া গ্রামের মুসলিম উদ্দিনের মেয়ে এবং রাংটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। বর্তমানে সে উপজেলা  স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

উম্মে হানীর ভাই শফিকুল ইসলাম জানায়, সোমবার বার্ষিক পরীক্ষা দেওয়ার জন্য বিদ্যালয়ে এলে ফি না দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোস্তাক আহম্মেদ পরীক্ষা শুরুর ২২মিনিট পর উম্মে হানীর খাতা নিয়ে নেয়। পরীক্ষা দিতে না পারার ক্ষোভে  সে দুপুরে কীটনাশক বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়।

পরে উম্মে হানীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে রাংটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি প্রেম ঘটিত, আর উম্মে হানী বিষ খেয়েই কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে এসেছিল।

অপরদিকে ঝিনাইগাতী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক আবুল হাসেম জানান, উম্মে হানী এখন সুস্থ্য আছে, তবে শংকামুক্ত নয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রশ্নপত্র ফাঁস: আদিতমারীর সেই শিক্ষক বরখাস্ত

লালমনিরহাট: প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার সাপ্টিবাড়ি নি¤œ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শফিকুল ইসলামকে সাময়িক ভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের এক সভায় তাকে বরখাস্ত করা হয়।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে আদিতমারী উপজেলার ৪১টি বিদ্যালয়ের শনিবারের গণিত বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি হিসেবে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মঞ্জুরুল হক ও ডিজি’র প্রতিনিধি হিসেবে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোসলেম উদ্দিন তদন্ত করেন।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তদন্তে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা প্রাথমিক ভাবে সত্য প্রমাণিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে অভিযুক্ত শিক্ষক শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।
এদিকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সকল বিদ্যালয়ের প্রধানদের নিয়ে উপজেলা শিক্ষক সমিতির কার্যালয়ে এক জরুরী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ বৈঠকে ফাঁস হওয়া প্রশ্নে অভিন্ন পদ্ধতিতে আগামী ১৫ ডিসেম্বর পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষামন্ত্রীর হস্তক্ষেপে মালোপাড়ার সেই মেয়েটির শিক্ষাজীবন শুরু…

ঢাকা : যশোরের মালোindex_59975পাড়ার সেই মেয়েটি আজ সোমবার তার হাজী মোতালেব মহিলা কলেজে ক্লাস করেছে। শিক্ষামন্ত্রীর হস্তক্ষেপে মেয়েটির শিক্ষাজীবন রক্ষা পেল। প্রশাসন তার নিরাপত্তা দেখভাল করছে।

মঙ্গলকোট উত্তরপাড়া গ্রামের বখাটে জাহেদুল ইসলামকে গ্রেফতারের উদ্যোগ নিয়েছে প্রশাসন। সেইসঙ্গে থেকে উক্ত ছাত্রীকে নিরাপদে কলেজে যাতায়াতের নিশ্চয়তা প্রদান করেছে।
কলেজ কর্তৃপক্ষ মেয়েটির অর্ধবার্ষীক পরীক্ষা নেয়ার ব্যবস্থা করবে।

রোববার একটি জাতীয় দৈনিকে ‘মালোপাড়ার আলোটি নিভে যাবে?’ শীর্ষক সংবাদের প্রতি শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের দৃষ্টি আকৃষ্ট হওয়ায় তিনি ওইদিন সকালে যশোরের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরকে যে কোনো মূল্যে উক্ত বখাটেকে গ্রেফতার করা এবং ভুক্তভোগী ছাত্রীর অবিলম্বে কলেজে যাওয়া নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

মন্ত্রীর নির্দেশ পাওয়ার পরপরই খুলনার আঞ্চলিক উপ-পরিচালক শিক্ষা টি এম জাকির হোসেন, যশোরের জেলা প্রশাসক হুমায়ুন কবির, পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান, জেলা শিক্ষা অফিসার নাসিরউদ্দিন, কেশবপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এইচ এম আমির হোসেন, উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তা শরীফ রায়হান কবির ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আবদুল জলিল ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাড়ি পরিদর্শন করেছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

যশোরে স্বামীর কাছ থেকে স্ত্রী অপহরণ

যশোর প্রতিনিধি: যশোরে স্বামীর কাছ থেকে তার স্ত্রীকে ছিনতাই করে অপহরণ করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের নামে মামলা হয়েছে।

অপহৃতের শহরের বকচর হুশতলা মোড় এলাকার ইতু মিয়ার স্ত্রী আলেয়া খাতুন বাদী হয়ে এ মামলা করেন। অপহৃত মিতু আক্তার কান্তা যশোর শহরের সিটি কলেজপাড়া এলাকার বুলবুল কবিরের (১৮) স্ত্রী ও বিসিএমসি কলেজের ছাত্রী।

মামলার এজাহার মতে, শহরের সিটি কলেজপাড়া এলাকার বুলবুল কবির তার স্ত্রী কান্তাকে সাথে নিয়ে ১৪ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় রিকশা করে বকচরে শ্বশুরবাড়ি যাচ্ছিলেন। এসময় মনিহার এলাকার বেগম কমিউনিটি সেন্টারের সামনে পৌঁছানো মাত্র অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা কান্তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, বিসিএমসি কলেজে যাওয়া-আসার পথে কান্তাকে অজ্ঞাতনামা ৪/৫ যুবক প্রায়ই উত্যক্ত করতো। ওই সব উত্যক্তকারীরা এ অপহরণের সাথে জড়িত থাকতে পারে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মাদ্রাসা থেকে পালাতে গিয়ে ৫ তলা থেকে পড়ে হাসপাতলে

মনির , চাঁদপুর প্রতিনিধি:মাদ্রাসা পালাতে গিয়ে ৫ তলা ছিটকে পড়ে জীবন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে উপজেলা বাকিলা ইউনিয়নের কাপাইকাপ মিজি বাড়ীর মহসীন মিজির ছেলে সফিনুল ইসলাম নামের ৮ বছরের এক শিশু। আজ রোববার দুপুরে হাজীগঞ্জ বাজারের ঐতিহাসিক বড় মসজিদ সংলগ্ন জামিয়া আহমদিয়া কাওমী মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। বর্তমানে শিশুটি কুমিল্লা ট্ওায়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। মাদ্রাসার নজরানা শাখার ছাত্র এই শিশুটি।
জানা যায়, প্রথমে শিশুটিকে ৫ম তলার রেলিং এর বাইরে ঝুলতে দেখে চিৎকার দিয়ে এগিয়ে আসার মুহুর্তের মধ্যে দেখি শিশুটি প্রাইম ব্যাংকের এটিএম বুথের ছাঁদে পড়ে থেতলে যায়। এর পরেই শিশুটিকে সকলে ধরাধরি করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাঠিয়ে দেয়।

উক্ত মাদ্রাসার নজরানা শাখার শিক্ষক মাওলানা ইব্রাহিম বলেন, পড়ার শেষে দুপুরে গোসলের সময় শিশুটি বারান্দায় যায়। ঐ সময় রোলিংয়ের উপর থেকে ছিটকে পড়ে আহত হয় এই ছাত্র।
এ বিষয়ে শিশুটির মায়ের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে জানাযায় বর্তমানে কুমিল্লা টাওয়ার চিকিৎরয়েছে। তবে অবস্থা ভালো নয়।
হাজীগঞ্জ থানার এসআই মান্নান ঘটনাস্থল পরির্দশন করে বলেন, কেউ অভিযোগ দিলে আইনানুগ ব্যাবস্থা নেয়া হবে।
উল্লেখ্য এর আগে গত বছর একই মাদ্রাসার আরেক ছাত্র একইভাবে পাশ্ববর্তী স্বান্তনা ভবনের ছাঁদে পড়ে মারাত্বক আহত হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মন্দিরে গো-মাংস নিয়ে প্রবেশ, আটক ১

গাইবান্ধা প্রতিনিধি : গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের শিবরাম গ্রামের ষষ্ঠীতলা দুর্গা মন্দিরে সোমবার ৫-৬ যুবক গো-মাংস নিয়ে প্রবেশ করে। এতে এলাকাবাসী তাদের ধাওয়া দিলে সবাই পালিয়ে গেলেও একজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।
মন্দির কমিটির সভাপতি রঞ্জিত কুমার সরকার জানান, যুবকেরা গো-মাংস নিয়ে মন্দিরে প্রবেশ করে এবং বিভিন্ন কক্ষের তালা ভাঙতে শুরু করে। এ সময় তারা বলে, ‘এখানে কিসের মন্দির। কোনো মন্দির আমরা রাখব না।’ বলে হইচই করতে থাকে। স্থানীয়রা তাদের হইচই শুনে এগিয়ে এলে যুবকেরা দৌড় দেয়। এ সময় ধাওয়া করে উপজেলার ফতেহ খাঁ গ্রামের আবু জায়েদ কারীর ছেলে মিলার খান ওরফে মিলনকে আটক করা হয়। বাকিরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পরে মিলনকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।
জাতীয় হিন্দু মহাজোটের গাইবান্ধা জেলা শাখার আহ্বায়ক শ্যামল কুমার সরকার জানান, ‘দুর্গা পূজার আগে এরকম ঘটনা নিশ্চয় উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। মন্দির কমিটির সভাপতি এ ব্যাপারে বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’
সুন্দরগঞ্জ থানার ওসি মোজাম্মেল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনায় জড়িত মিলার খান ওরফে মিলনকে আটক করা হয়েছে।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঝিনাইদহে ডক্টরস ক্লিনিকে স্বামী-স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু, আটক ৪

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:ঝিনাইদহ শহরের ডক্টরস ক্লিনিক থেকে স্বামী ও স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।

আজ বিকেল ৩টার দিকে পুলিশ তাদের মৃতদেহ উদ্ধার করে। তারা ক্লিনিকটিতে সিমেন (স্পাম) পরীক্ষা করতে এসেছিলেন। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিকেল পৌনে ৬টায় প্যাথলজির ম্যানেজার কাজী রাশেদুন নেসা শিউলী, নার্স রওশনা, প্যাথলজিস্ট স্বপন আলী ও ওয়ার্ডবয় কলিম উদ্দিনকে পুলিশ আটক করেছে। মৃত ব্যক্তিরা মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার বগুড়া গ্রামের ঝন্টু ফকিরের ছেলে জুয়েল হোসেন (৩০) ও তার স্ত্রী নাসরিন খাতুন (২৬)।

ডক্টরস ক্লিনিকের মালিক হামিদুন্নেছা পাখি জানান, দুপুর ১২টায় জুয়েল হোসেন ও তার স্ত্রী নাসরিন খাতুন ক্লিনিকে আসেন। তাদের গত পাঁচ-ছয় বছর আগে বিয়ে হলেও কোনো সন্তান হয়নি। তাই সিমেন (স্পাম) পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হয়। তখন তারা ডক্টরস ক্লিনিকের প্যাথলজিতে সিমেন পরীক্ষা করাতে চাইলে সিমেন সংগ্রহে ইন্টারকোর্সের জন্য ক্লিনিকের একটি কক্ষে কৌটাসহ পাঠানো হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও তারা দরজা না খুললে ক্লিনিকের ওয়ার্ড বয় কলিমুদ্দিন দরজা ধাক্কা দিয়ে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে সিটকিনি ভেঙে ভেতরে ঢুকে উভয়ের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিকেল ৩ টার দিকে ক্লিনিকের ওই কক্ষ থেকে বেডের উপরে স্ত্রী নাসরিন ও মেঝেতে স্বামী জুয়েল হোসেনের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন।

ঝিনাইদহ সহকারী পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম জানান, বিষয়টি রহস্যজনক। মৃতদেহ দুটির ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর মূল কারণ জানা যাবে বলে তিনি জানান। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ইবোলা ভাইরাস প্রতিরোধে দর্শনা ও আখাউড়ায় রেড অ্যালার্ট জারি

দামুড়হুদা ও আখাউড়া সংবাদদাতা:
দামুড়হুদায় প্রাণঘাতী ইবোলা ভাইরাস প্রতিরোধে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। দর্শনা আন্তর্জাতিক রেল স্টেশন ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকদের দুটি দল এ নিয়ে বিশেষ কাজ শুরু করেছে। বুধবার বিদেশ থেকে আসা সব যাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে। বুধবার ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট চত্বরে অভ্যন্তরীণ কর্মকর্তা, কর্মচারী ও  বিজিবি সদস্যদের মধ্যে এ সংক্রান্ত বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেন ডা. একরামুল হক। এছাড়া বিষয়টি যাতে কোনো ধরনের আতঙ্ক না ছড়ায় সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে সর্বক্ষণ। বুধবার রাতে তিনি জানান, ইবোলা ভাইরাসের ব্যাপারে স্বাস্থ্য প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হলে ৬ সদস্যবিশিষ্ট বিশেষ মেডিকেল টিম তাদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে। এদিকে বিশেষ গাউন ব্যবহার করে চিকিত্সকরা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে  যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবেন। কোনো লক্ষণ দেখা দিলে তার শরীর থেকে রক্ত বা লালা (কফ) সংগ্রহ করে চিকিত্সার জন্য ঢাকায় পাঠানো হবে।
আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) সংবাদদাতা  জানান, আখাউড়া চেকপোস্টে ইবোলা ভাইরাস পরীক্ষার পর ছাড়া পাচ্ছেন যাত্রীরা। ইবোলা ভাইরাস প্রতিরোধে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আন্তর্জাতিক সতর্কাবস্থা জারির পর পুলিশ স্বাস্থ্য বিভাগ ও চেকপোস্টে এ ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে। পুলিশের বিশেষ শাখার ডিস্ট্রিক্ট ইন্টেলিজেন্স অফিসার ডি-আই-১ মাঈনউদ্দিন আহামেদ খান জানান, ইবোলা ভাইরাস প্রতিরোধে সতর্কাবস্থা জারির কারণে ভাইরাস পরীক্ষার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়। ছয় সদস্যের একটি মেডিক্যাল টিম ভারত থেকে বাংলাদেশে আসা পাসপোর্টধারী যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার কাজ করছেন। সিভিল সার্জন ডা. শওকত হোসেন বলেন, ইবোলা ভাইরাস বহনকারী কোনো নাগরিক যাতে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য চেকপোস্টে পরীক্ষা করা হচ্ছে। এ ভাইরাসে আক্রান্ত রোগের কার্যকর চিকিত্সা কিংবা টিকা আবিষ্কার হয়নি বলে জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

হরিজন সম্প্রদায়ের ৩ মেয়ের দায়িত্ব নিলেন জেলা প্রশাসক

কুthree20140723123412ষ্টিয়া প্রতিনিধি : ওরা থাকে সুইপার কলোনিতে। দিনের বেলাতেও ঘরগুলোতে আলো-আঁধারির খেলা চলে। সন্ধ্যা হলে কলোনির অন্য শিশুরা যখন ঘুমাতে যায় তিন মেয়ে তখন বই হাতে নিয়ে পড়তে বসে।

হরিজন সম্প্রদায়ের এই তিন মেয়ে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় কুষ্টিয়া শহরের মিল লাইন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ‘এ’ গ্রেড পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। পরিবারের পাশাপাশি সুইপার কলোনির নাম উজ্জ্বল করেছে ওরা।

আঁধার ঘরের এই তিন আলোর নাম ঝিনুক রানী বিশ্বাস, প্রতিমা রানী বিশ্বাস ও প্রিয়া রানী বিশ্বাস। এর মধ্যে ঝিনুক জিপিএ ৪ দশমিক ৮১, প্রতিমা ৪ দশমিক ০৬ ও প্রিয়া ৪ পয়েন্ট পেয়েছে। ঝিনুক ও প্রতিমা থাকে কুষ্টিয়ার চৈতন্য হরিজন পল্লি সুইপার কলোনিতে।

এর পাশেই মিল লাইন সুইপার কলোনিতে থাকে প্রিয়া। তিনজনই কুষ্টিয়া সরকারি মহিলা কলেজের ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হলে অভাবের কারণে পড়ালেখার খরচ চালিয়ে নেওয়া তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছিল না।

অবশেষে সমাজের অবহেলিত জনগোষ্ঠী বলে পরিচিত হরিজন সম্প্রদায়ের এই তিন শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়াল কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসন।

পড়ালেখার পাশাপাশি এই তিন মেয়ের চাকরি দেওয়ার দায়িত্বও নিয়েছেন জেলা প্রশাসন।
কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক সৈয়দ বেলাল হোসেন এই তিন শিক্ষার্থীকে বাণিজ্য বিভাগের প্রয়োজনীয় বই দিয়ে লেখাপড়ার দায়-ভার তার কাঁধে তুলে নেন।

এ সময় এডিসি জেনারেল মুজিব-উল ফেরদৌস, এডিএম আনার কলি মাহাবুব, এনডিসি রাসেল মিয়া, কুষ্টিয়া সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক আব্দুল গণিসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসক কুষ্টিয়া সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষকে ফোন করে এই তিন শিক্ষার্থীর লেখাপড়ার খরচ চালিয়ে নেওয়ার জন্য কলেজ ফান্ড থেকে প্রতি মাসে এক হাজার টাকা করে সহায়তা প্রদানের নির্দেশ দেন।

সেই সঙ্গে বিনামূল্যে কলেজে প্রাইভেট পড়ার ব্যবস্থা করে দেন।

সমাজসেবা অফিসের মাধ্যমে তাদেরকে সন্মানীসহ কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা করেন। পড়ালেখা চালিয়ে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যাতে তাদেরকে আর্থিক সহায়তা করতে পারে সেজন্য প্রত্যেকের নামে সোনালী ব্যাংক কোর্ট বিল্ডিং শাখায় একাউন্ট খুলে দেন জেলা প্রশাসক সৈয়দ  বেলাল হোসেন।

পূজা-পার্বনে তাদেরকে নতুন পোষাক উপহার দেওয়ারও ঘোষণা দেন জেলা প্রশাসক সৈয়দ বেলাল হোসেন। এর পর তাদেরকে নিয়ে যান জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এনজিও সমন্বয় কমিটির মিটিং-এ। সেখানে উপস্থিত এনজিওর প্রতিনিধিদের সাথে তাদেরকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে তাদের কাছে এই তিন মেয়ের পড়ালেখা চালিয়ে নেওয়ার জন্য সহযোগিতার হাত বাড়ানোর আহ্বান জানান। এনজিওর প্রতিনিধিদের অনেকেই এই তিন মেয়েকে সহায়তা প্রদানের আশ্বাস প্রদান করেন।

ঝিনুক, প্রতিমা ও প্রিয়া এই তিন মেয়েকে উদ্দেশ্য করে জেলা প্রশাসক বলেন, ‘শুধুমাত্র জন্মগত কারণে কেউ পিছিয়ে থাকতে পারে না। তোমরা আজ থেকে আর নিজেদের ছোট বলে মনে করবে না। পড়ালেখা করে মানুষের মত মানুষ হও, কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসন তোমাদের পাশে আছে থাকবে। জেলা প্রশাসক বলেন, তোমরা যদি উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হতে পার তাহলে আমি যেখানেই থাকি আমি তোমাদের চাকরির ব্যবস্থা করে দেব।’

জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে সাহায্য ও সহযোগিতার আশ্বাস পেয়ে তিন শিক্ষার্থীই আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়ে। বেসরকারি সংস্থা ফেয়ারের সহযোগিতায় ২০১৪ সালের এসএসসি পরীক্ষায় কুষ্টিয়া থেকে হরিজন সম্প্রদায়ের ছয় শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উর্ত্তীণ হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বন্ধুদের দিয়ে স্ত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা!

কুমিল্লা প্রতিনিধি : বন্ধুদের দিয়ে স্ত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী ইউসুফ মিয়ার বিরুদ্ধে। তিতাস উপজেলার গাজীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। রবিবার ওই গ্রামের পুকুর পাড়ের ঝোপ থেকে নিহত গৃহবধূ ছালমা আক্তারের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার করেছে ইউসুফ।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, দেড় মাস আগে উপজেলার চানপুর গ্রামের মেহরাজ মিয়ার মেয়ে ছালমা আক্তারকে (১৮) বিয়ে করে একই উপজেলার গাজীপুর গ্রামের পাতলা পট্টির অছেক মিয়ার ছেলে ইউসুফ মিয়া (২৩)। বিয়ের পর ইউসুফ বাবার বাড়ি থেকে নগদ টাকা আনতে ছালমাকে চাপ দেয়। ছালমা অস্বীকার করলে স্বর্ণালঙ্কার বিক্রি করতে বলে। এতেও রাজি না হলে ইউসুফ শনিবার রাতে বন্ধুদের দিয়ে ঘর থেকে তুলে নিয়ে যায় ছালমাকে। পরে বাড়ির পাশে ঝোপের মধ্যে কয়েকজন মিলে ধর্ষণ করে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। ভোর রাতে সেহরি খাওয়ার সময় বাড়ি এসে ইউসুফ চিত্কার করে বলে ছালমা পালিয়ে গেছে। তখন বাড়ির লোকজন তাকে খুঁজতে থাকে। এরপর বাড়ির পাশে পুকুর পাড় থেকে ছালমার লাশ বিবস্ত্র অবস্থায় পাওয়া যায়।

নিহত ছালমার বাবা মেহরাজ মিয়া বলেন, দেড় মাস আগে তাদের বিয়ে হয়। মেয়ের বিয়ের সময় নগদ ৫০ হাজার টাকা ও দুই ভরি স্বর্ণালঙ্কার দিয়েছি। স্বর্ণালঙ্কার আত্মসাতের জন্যই ছালমাকে হত্যা করে ইউসুফ।

তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারেক মো. আবদুল হান্নান বলেন, ইউসুফকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ইউসুফ স্বীকার করেছে, স্ত্রীর দুই ভরি স্বর্ণালঙ্কারের জন্যই বন্ধুদের দিয়ে তাকে ধর্ষণ করিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। তবে তদন্তের স্বার্থে এ মুহূর্তে ধর্ষক ও হত্যাকারীদের নাম প্রকাশ করেননি ওসি। তাদের ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। এ ব্যাপারে নিহতের বাবা মেহরাজ মিয়া বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

গাংনীর বামন্দীর একটি ক্লিনিকে অঙ্গ জোড়ালাগা দুটি যমজ শিশুভূমিষ্ঠ

গাংনী প্রতিনিধি: মেহেরপুর গাংনী উপজেলার বামন্দীর একটি ক্লিনিকে দুটি অঙ্গযুক্ত যমজ শিশু ভূমিষ্ঠ হয়েছে। গতকাল শনিবার স320x330xFirst-26-320x330.jpg.pagespeed.ic.ffKmS-cgmPকালে কাজিপুর গ্রামের রাহিবুল ইলামের স্ত্রী রুমিয়া খাতুনের সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে যমজ শিশুর জন্ম হয়।

স্থানীয়সূত্রে জানা গেছে, গর্ভাবস্থায় রুমিয়া খাতুনের বেশ কয়েকবার আলট্রাসনোগ্রাফি করে যমজ শিশুর বিষয়টি নিশ্চিত হয় তার পরিবার। কিন্তু অপারেশনের পর যমজ শিশুর জন্ম হলেও তাদের দুজনের শরীর যুক্ত থাকায় চিন্তিত হয়ে পড়েন স্বজনরা। বিস্মিত হন চিকিৎসকরাও। এখবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকার শত শত উৎসুক মানুষ ওই ক্লিনিকে জড়ো হন ওই শিশুদের একনজর দেখার জন্য।

সিজারিয়ান অপারেশনের তত্ত্বাবধানে ছিলেন জুনিয়র কনসালটেন্ট (গাইনি) ডা. আব্দুস সালাম। তিনি জানান, সিজারের মাধ্যমে মায়ের গর্ভ থেকে কন্যা শিশু দুটি বের করার পর দেখা যায় তাদের পেট জোড়া লাগানো। বাকি অঙ্গগুলো আলাদা। তাদের হৃদপিণ্ড ও পাকস্থলি আলাদা কি-না তা পরীক্ষা করা হয়নি। তবে জন্মের পর থেকেই যমজ দু বোন ও তার মা সুস্থ আছে। বাংলাদেশে এ ধরনের শিশু জন্মের ঘটনা বিরল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইরানে জন্ম নেয়া এমন যজম দু বোন ১৯ বছর একসাথে জীবিত ছিলেন। অপারেশন করে আলদা করতে গিয়ে তাদের মৃত্যু হয়। এ ধরনের অপারেশনের ব্যবস্থা অবশ্য বাংলাদেশে নেই। তাই তাদের আলাদা করা কিংবা অন্য কোনো চিকিৎসা আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তবে অঙ্গজোড়া লাগানো শিশুদের নিয়ে মোটেও মনোকষ্ট নেই রুমিয়া-রাহিবুল দম্পতির। তারা জানান, আল্লাহ যেন যমজদের সুস্থ রাখেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঝিনাইদহে উৎপাদিত হচ্ছে জিংক সমৃদ্ধ ধান

জহুরুল ইসলাম হিরো, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ নতুন উদ্ভাবিত জিংক সমৃদ্ধ ধান পরীক্ষামূলকভাবে ঝিনাইদহে উৎপাদিত হচ্ছে। বিজ্ঞানীরা এ ধানের নাম দিয়েছেন ব্রি-৬২। সংশ্লিষ্টদের দাবি, বাংলাদেশ রাইস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (ব্রি) উদ্ভাবিত এ ধানের আবাদ বাংলাদেশে এটাই প্রথম। চলতি আমন মৌসুমে ঝিনাইদহের আবহাওয়ায় নতুন জাতের এ ধানের ভালো ফলন হবে বলে আশা করছেন কৃষকরা।

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কুশাবাড়ীয়া, ঘোড়শাল, কালা লক্ষ্মীপুর, আড়মুখ, কালীগঞ্জ উপজেলার নাটোপাড়া, তালিয়ান, দুলালমুন্দিয়া মাঠসহ আশেপাশের এলাকার আড়াইশ জন চাষি এবার পরীক্ষামূলকভাবে জিংক সমৃদ্ধ ধান আবাদ করেছে। এ ধান আবাদে কৃষকদের প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়েছে এগ্রিকালচারাল এডভাইজরী সোসাইটি (আস) ও হারভেস্ট প্লাস বাংলাদেশ। গবেষকদের দাবি, জিংক সমৃদ্ধ ধান মানুষের বিশেষ করে শিশুদের রোগ প্রতিরোধের পাশাপাশি মেধা ও শারীরিক বিকাশের বিশেষ ভুমিকা রাখবে। তাই পর্যায়ক্রমে দেশের মাটি ও আবহাওয়ায় সহিষ্ণু উচ্চ ফলনশীল অন্যান্য ধানেও জিংক সংযুক্তির মাধ্যমে সকল ধানকেই জিংক সমৃদ্ধ করা যাবে। জিংক সমৃদ্ধ ধান আবাদে প্রযুক্তিদানকারী প্রতিষ্ঠান এগ্রিকালচারাল এডভাইজরী সোসাইটির (আস) নির্বাহী পরিচালক হারুন অর রশীদ জানান, চলতি আমন মৌসুমে জেলার আড়াইশ কৃষককে বীজ ও প্রযুক্তি সরবরাহ করা হয়েছে। তিনি জানান, জিংক সমৃদ্ধ ধানের উপকারিতা সম্পর্কে জানানোর পাশাপাশি কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।
এ জাত উদ্ভাবনকারী বিজ্ঞানী, বাংলাদেশ রাইস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (ব্রি) প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আলমগীর হোসেন জানান, মানবদেহে জিংকের অভাব পূরণ করতে এই ধানে জিংকের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এই ধানে অন্য ধানের চেয়ে দ্বিগুণ পরিমাণ জিংক রয়েছে। এই ধানের ভাত খেলে মেধা বিকাশের পাশাপাশি শারীরিক বৃদ্ধি ঘটবে। ড. আলমগীর বলেন, সাধারণ ধানে ৯ থেকে ১২ মিলিগ্রাম জিংক থাকলেও এ জাতের (জিংক সমৃদ্ধ) ধানে জিংক রয়েছে ২৪ মিলিগ্রাম। এ ধানের উদ্ভাবনকারী আরেক বিজ্ঞানী হারভেস্ট প্লাস বাংলাদেশ এর কান্ট্রি ম্যানেজার ড. মো. খায়রুল বাসার বলেন, পৃথিবীর মধ্যে বাংলাদেশেই প্রথম জিংক সমৃদ্ধ ধান উৎপাদন করা হয়েছে। এটিই পওথম উচ্চ ফলনশীল জিংক সমৃদ্ধ জাত।
এবিষয়ে শুক্রবার ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ঘোড়শাল ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে কৃষকদের নিয়ে এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এই ধানের চাষপদ্ধতি, বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণ কৌশল, গুণাগুণ এবং ফলন সম্পর্কে কৃষকদের অবহিত করা হয়। ঘোড়শাল ইউপি চেয়ারম্যান পারভেজ মাসুদ লিল্টনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রশিক্ষক ছিলেন সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ড. খান মনিরুজ্জামান, প্রাক্তন কৃষি কর্মকর্তা এবিএম ফজলুর রহমান, এগ্রিকালচারাল এডভাইজরী সোসাইটির (আস) নির্বাহী পরিচালক হারুন অর রশিদ, প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম ও হারভেস্ট প্লাস বাংলাদেশের ওআরডিও মজিবুর রহমান। এতে ৪০ জন কৃষক অংশ নেন। ইউনিসেফের বরাত দিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালায় জানানো হয়, দেশের ৪৫ ভাগ শিশুর জিংকের অভাবে মেধা ও শারীরিক বিকাশ বাঁধাগ্রস্থ হয়, যা জিংক সমৃদ্ধ ধানের ভাত খাওয়ার মাধ্যমে পূরণ করা সম্ভব। এছাড়া এ ধানে রয়েছে সর্বোচ্চ নয় ভাগ প্রোটিন।
কৃষি কর্মকর্তারা জানান, ব্রি-৬২ কোনো হাইব্রিড ধান নয়। দেশী ধানের সঙ্গে পরাগায়নের মাধ্যমে এই জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে। ঝিনাইদহ জেলায় এ বছরই প্রথম ১০০ একর জমিতে এই বিশেষ জাতের
ধান চাষ হচ্ছে। এই ধান চাষে হেক্টর প্রতি প্রায় পাঁচ টন চাল উৎপাদিত হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
ধান চাষী মোহাম্মদ আলী, আহাম্মদ আলী এবং ওমর আলী জানান, অন্যান্য ধানের মতোই জিংক সমৃদ্ধ ধানের চাষাবাদ খরচ একই। তবে উৎপাদন সময় কম লাগায় চাষিরা এ ধান আবাদ করে খুশি। তাদের মতে, অন্য জাতের ধান উৎপাদনে ১২০ থেকে ১৬০ দিন লাগলেও জিংক সমৃদ্ধ ব্রি-৬২ জাতের ধান উৎপাদনে সময় লাগে ১০০ দিন। চাষিরা জিংক সমৃদ্ধ ধান আবাদ সম্পর্কে জেনে অনেকেই এ ধান আবাদে আগ্রহী হচ্ছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free