খুলনার ক্যাম্পাস

ইবির ভর্তি পরীক্ষার ‘ই’ ইউনিটের ফল প্রকাশ

ইবি প্রতিনিধি:  ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ অনার্স (স্নাতক) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদভুক্ত ‘এফ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। ফলাফলে পাশের হার শতকরা ২২.৯৩ শতাংশ।

রবিবার (৩ ডিসেম্বর) রাত ৮টার দিকে ‘এফ’ ইউনিটের সমন্বয়কারী সহযোগী অধ্যাপক ড. শরিফুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারীর নিকট এ ফলাফল হস্তান্তর করেন। এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা, ‘এফ’ ইউনিটের সদস্য অধ্যাপক ড. মনজারুল হক ও মো. নজরুল ইসলাম।

গত শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদভুক্ত ‘ই’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ বছর ‘ই’ ইউনিটে ২০০ আসনের বিপরীতে ১৩ হাজার ২৬জন শিক্ষার্থী ভর্তি আবেদন করে। আবেদনকারীদের মধ্যে ১ হাজার ৮৭২ জন শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১ হাজার ৮২৮ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী।

উল্লেখ্য, ভর্তি পরীক্ষার ফল ও মেধা তালিকায় সাক্ষাৎকারের বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া যাবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাজিল পরীক্ষার ফল প্রকাশ

ইবি প্রতিনিধি : ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত ফাজিল (ডিগ্রি) প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা ২০১৫ এর ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

রোববার বেলা সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজ কার্যালয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারী আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করেন।

বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছরের ফাজিল প্রথম বর্ষের পরীক্ষার্থী ছিল ৫৫ হাজার ৭৩৫ জন। পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৫৩ হাজার ৮৪ জন। পাস করে ৫০ হাজার ৮৯০ জন। পাসের হার ৯৫.৮৭ শতাংশ।

ফাজিল দ্বিতীয় বর্ষে ৪৪ হাজার ২৪৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৪৩ হাজার ২৬৫ জন। পাস করে ৩৯ হাজার ৩১২ জন। পাসের হার ৯০.৮৬ শতাংশ।

ফাজিল তৃতীয় বর্ষে ৩৮ হাজার ৮৫৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৩৮ হাজার ৩৩২ জন। পাস করে ৩৭ হাজার ২৬৯ জন। পাসের হার ৯৭.২৩ শতাংশ।

ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আবুল কালাম আজাদ লাভলু জানান, ফলাফল রিভিউ করতে হলে পরীক্ষার্থীদের আগামী ৩০ দিনের মধ্যে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বরাবর লিখিত আবেদন করতে হবে। এ ছাড়া প্রতিটি কেন্দ্রে ফলাফলের কপি পাঠানো হয়েছে।

ফলাফল সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.iu.ac.bd থেকে জানা যাবে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৩১ জুলাই থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত ফাযিল (ডিগ্রি) প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ইবি-জাবি পরীক্ষা একই দিনে : বিপাকে পরীক্ষার্থীরা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা একই দিন শুরু হওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। এতে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন পূরণে এক ধাপ পিছিয়ে পড়বে দেড় লক্ষাধিক শিক্ষার্থী।

রেজিস্ট্রার অফিস সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কর্তৃক ইবি এবং জাবিকে ভিন্ন ভিন্ন তারিখে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়। সে অনুযায়ী জাবিতে ভর্তি পরীক্ষা ১৩ থেকে শুরু হয়ে ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই জাবি ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সভায় তাদের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করা হয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৯ থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত।

এদিকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা আগে থেকেই ১৯-২৪ নভেম্বর পর্যন্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত ইউজিসি কর্তৃক নির্ধারিত রয়েছে।

কিন্তু দেশের দুটি বৃহৎ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা একই দিনে শুরু হওয়ার সিদ্ধান্তে বিপাকে পড়বে ভর্তিচ্ছু পরীক্ষার্থীরা। এতে পরীক্ষার্থীরা যেকোনো একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না। ফলে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির পাশাপাশি ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হবে বিশ্ববিদ্যালয় দুটি। এতে যেকোনো একটি বিশ্ববিদ্যালয় মেধাবী শিক্ষার্থীদের ভর্তি করাতে ব্যর্থ হবে বলে ধারণা সচেতন শিক্ষকদের।

এছাড়া ভর্তি পরীক্ষার ফরম বিক্রি করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একটি মোটা অঙ্কের টাকা উপার্জন করে। কিন্তু দুই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা একই দিন শুরু করার ঘোষণায় তাদের ভর্তি ফরম বিক্রিতে ভাটা পড়বে বলে ধারণা করা হয়। আবার ইতোমধ্যে যেসব শিক্ষার্থী উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ফরম উঠিয়েছেন তারা রয়েছেন চরম মানসিক ভোগান্তিতে।

খুলনা মজিদ মেমোরিয়াল সিটি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী নাঈম ইসলাম বলেন, ইবি এবং জাবি দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়ার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু এখন আর তা সম্ভব হবে বলে মনে হয় না।

ভর্তিচ্ছু এক পরীক্ষার্থীর অবিভাবক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় দুটির এমন হঠকারী সিদ্ধান্তের কারণে আমাদের সন্তানেরা তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে। প্রত্যেক ছাত্রকে সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেয়া কর্তৃপক্ষের কর্তব্য। আশা করছি যেকোনো একটি বিশ্ববিদ্যালয় তাদের অবস্থান থেকে সরে দাঁড়াবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ইবিতে ‘পল্লী উন্নয়ন’ বিষয়ক পিএইচডি সেমিনার

ইবি প্রতিনিধি
শিক্ষা বার্তা ডটকম:  ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আল হাদিস এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের আয়োজনে “পল্লী উন্নয়ন পরিচিতি: ইসলামী দৃষ্টিকোন” শীর্ষক পিএইচডি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। পিএইচডি গবেষক মাসুম বিল্লাহর গবেষণা উপস্থাপন উপলক্ষে এ সেমিনারটির আয়োজন করা হয়।
শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় অনুষদ ভবনের থিওলোজি এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের সভাকক্ষে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে বিভাগীয় সভাপতি প্রফেসর ড. নাসির উদ্দিন সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন থিওলোজি এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এ.বি.এম ফারুক, বিশেষ অতিথি ছিলেন বিভাগীয় গবেষণা তত্বাবধায়ক প্রফেসর ড. ময়নুল ইসলাম।

এ সময় আলোচক হিসেবে ছিলেন প্রফেসর প্রফেসর ড. আ.খ.ম ওয়ালী উল্লাহ এবং প্রফেসর ড. সৈয়দ মাকসুদুর রহমান।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

খুবিতে ভর্তি পরীক্ষা ৩-৫ নভেম্বর

kuখুবি: খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৩, ৪ ও ৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।

রোববার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সভায় এ তথ্য জানানো হয়। এ সময় ভর্তি পরীক্ষার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামানের সভাপতিত্বে সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্কুলের ডিন এবং রেজিস্ট্রার উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার নিয়মাবলীসহ বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে অব্যাহতি

অনলাইন ডেস্ক: কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য ড. আবদুল হাকিম সরকারকে উপাচার্য পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পাঁচ মাস আগেই তাঁকে উপাচার্য পদ থেকে অপসারিত করা হলো।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটায় বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এস এম আব্দুল লতিফ জানান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শাহনাজ সামাদের সই করা ফ্যাক্স বার্তায় উপাচার্য ড. আবদুল হাকিম সরকারকে অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়টি জানানো হয়েছে।

ফ্যাক্স বার্তায় উল্লেখ করা হয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর রাষ্ট্রপতি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশ ১৯৮০-এর ১০ (১) ধারা অনুযায়ী নিয়োগ আদেশে (ক) শর্ত অনুসারে অধ্যাপক ড. আবদুল হাকিম সরকারকে উপাচার্য পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করেছেন।তবে কী কারণে তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হলো তার কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি এতে।

অধ্যাপক ড. আবদুল হাকিম সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ইনস্টিটিউটের শিক্ষক। গত ২৭ ডিসেম্বর ২০১২ সালে তাঁকে চার বছরের জন্য ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ইবিতে ছাত্রলীগের অস্ত্রের মহড়া

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) টেন্ডার ও নিয়োগ বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে বন্ধ ক্যাম্পাসে সশস্ত্র মহড়া দিয়েছে ছাত্রলীগ। বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক অমিত কুমার দাসের নেতৃত্বে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের নিয়ে এই সশস্ত্র মহড়া দেয় তারা। এসময় ক্যাম্পাসে ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

ক্যাম্পাস ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন অর্থ-বছরের উন্নয়নমূলক কাজের টেন্ডার ও নিয়োগ বাণিজ্যকে সামনে রেখে আধিপত্য বিস্তার করতে অস্ত্র মহড়া দিয়েছে ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক গ্রুপ।

ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান মিজু গ্রুপের কর্মীরা সাড়ে ১১টার দিকে ক্যাম্পাসে শোডাউন দেয়। পরে ভিসি প্রফেসর ড. আবদুল হাকিম সরকারের সঙ্গে দেখা করে ছাত্রলীগের সাবেক নেতাদের জন্য চাকরির দাবি করে।

Islam

এরপরেই সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের নেতাকর্মীরা বেলা ১২টার দিকে পাল্টা শোডাউন দিলে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এরই অংশ হিসেবে আধিপত্য বিস্তার করতে বুধবার সশস্ত্র মহড়া দিয়েছে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক গ্রুপ। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রড, চাপাতি, হাতুড়িসহ দেশিয় অস্ত্র নিয়ে দলীয় টেন্ট থেকে একটি অস্ত্র মহড়া বের করে।

পরে তারা প্রশাসন ভবনের পিছনের গেট দিয়ে ভবনের মধ্যে প্রবেশ করে। এসময় তারা ধর ধর বলে স্লোগান শুরু করলে ওই ভবনে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে তারা ওই ভবনের জানালার কাঁচ ভাঙচুর করে। এসময় তারা রেজিস্ট্রার অফিসের সামনে প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. শাহিনুর রহমানের অফিসের কর্মচারী অনুপ কুমার বিশ্বাসকে মারধর করে। পরে তারা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে দলীয় টেন্টে অবস্থান নেয়।

Islam

পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরিয়াল বডির উপস্থিতিতে তারা এই অস্ত্রের মহড়া দিয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে।

অস্ত্র মহড়ার বিষয়টি অস্বীকার করে ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, ছাত্রলীগ কর্মীদের চাঙা করতে আমরা একটি মিছিল করেছি মাত্র।

এ বিষয়ে প্রক্টর প্রফেসর ড. মাহবুবর রহমান বলেন, ক্যাম্পাসে মিছিল-মিটিংয়ের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তারা প্রশাসনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ছাত্রীকে অনৈতিক প্রস্তাবের অভিযোগে কুষ্টিয়া কলেজের অধ্যক্ষের বাসভবনে ব্যাপক ভাংচুর, অধ্যক্ষ বদরুদ্দোজা অবরুদ্ধ

আশরাফুল ইসলাkustia-pic (3)ম, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ॥ নিজ কলেজের ছাত্রীকে অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে কুষ্টিয়া সরকারী কলেজের অধ্যক্ষের বাসভবনে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে শিক্ষার্থীরা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর বদরুদ্দোজাকে কলেজ ক্যাম্পাসের ওই সরকারী বাস ভবনে অবরুদ্ধ করে রেখেছে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে সেখানে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অধ্যক্ষের বিচার দাবীতে দফায় দফায় মিছিল করেছে শিক্ষার্থীরা ।

শিক্ষার্থীরা জানান, বৃহস্পতিবার বেলা ৫টার দিকে হোস্টেলের নিয়ম ভাঙার অভিযোগে কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রীকে অধ্যক্ষ বদরুদ্দোজা তার সরকারী বাস ভাবনে ডেকে পাঠান। মেয়েটি সেখানে গেলে ফাঁকা বাসার দোতালার একটি কক্ষে নিয়ে যান অধ্যক্ষ। মেয়েটি অস্বতী দাবী তুলে অধ্যক্ষ দু’আঙ্গুলের সতীত্ব পরীক্ষা করতে চান। এসময় মেয়েটি বাধা দিয়ে বেরিয়ে আসতে চাইলে অধ্যক্ষ ওই ছাত্রীর গায়ে হাত দেন এবং অনৈতিক প্রস্তাব দেন। মেয়েটি সেখান থেকে দৌড়ে পালিয়ে এসে শিক্ষার্থীদের জানালে তারা অধ্যক্ষের বাসভবনে হামলা চালায়। বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা বাসভবনের একতলা ও দোতলায় থাকা ফ্রিজ, আলমারী, রাইসকুকার, ড্রেসিং টেবিলসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী গুঁড়িয়ে দেয়। খবর পেয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে।

জানা গেছে, অধ্যক্ষ ওই বাস ভবনে সপরিবারে বসবাস করলেও তার স্ত্রীসহ অন্যরা বর্তমানে ঢাকায় রয়েছেন। ঘটনার সময় তিনি একা ছিলেন ওই বাড়িতে।

অধ্যক্ষ বদরুদ্দোজা ওই ছাত্রীকে অনৈতিক প্রস্তাব বা গায়ে হাত দেওয়ার কথা অস্বীকার করলেও, ছাত্রীর সাথে দোতালার একটি কক্ষে দশ মিনিট ধরে কথা বলার ব্যাপারটি স্বীকার করেছেন। সে সময় ঐ বাসভবনের ভেতরে ছাত্রীটি বাদে অন্য কেউ ছিল না বলেও জানান তিনি।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি শাহাবুদ্দিন চৌধুরী বলেন, পরিস্থিতি সামাল দিতে অধ্যক্ষের বাসভবনে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ সুপারের সাথে পরামর্শ করে এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ইবি ভিসি হতে মরিয়া প্রো-ভিসি ॥ অস্থিতিশীল ক্যাম্পাস॥ হামলায় আহত ৫॥ মামলা দায়ের

আশরাফুল ইEB Photo 01সলাম, কুষ্টিয়া ॥ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ভিসি প্রফেসর ড. আবদুল হাকিম সরকারকে ভিসি পদ থেকে সরিয়ে ভিসি হতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন প্রো-ভিসি ড. শাহিনুর রহমান। পদ রক্ষা ও পদ দখলকে কেন্দ্র করে দুই ভাগে বিভক্ত হয়েছে শিক্ষক, কর্মকর্তা,কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা। ভিসি পন্থীরা প্রো-ভিসির বিরুদ্ধে ও প্রো-ভিসি পন্থীরা ভিসির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে পাল্টাপাল্টি বিভিন্ন অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন, মানববন্ধন, থানায় জিডি, উকিল নোটিশসহ বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করে আসছে।
ভিসি হওয়ার পায়তারা হিসেবে প্রো-ভিসির ইন্ধনে ৫কর্মকর্তার উপর সসস্ত্র হামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শাপলা ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ড. আনোয়ার হোসেন। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন বলি ইবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শোণিত কুমার গায়েন নিশ্চিত করেছেন। মামলা নং ০১/০৪/০৫/২০১৬। এতে ক্যাম্পাস আবারও আস্থিতিশীল হয়ে উঠছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সুত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি প্রফেসর ড. আবদুল হাকিম সরকারের বিরুদ্ধে ইউজিসি গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন দাখিলের পর ভিসির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে তার পদচ্যূতির গুঞ্জন ওঠার পর প্রো-ভিসি ড. শাহিন ভিসি পদ দখলের জন্য ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল করাসহ বিভিন্ন পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছেন।
এতে একদিকে ভিসি সমর্থিত শিক্ষক, কর্মকর্তারা ভিসির পদচ্যুতিতে যাতে বর্তমান প্রো-ভিসি ড. শাহিন ভিসি না হতে পারে, সে জন্য তারা গত ২০এপ্রিল প্রো-ভিসি বিরুদ্ধে আর্থিক ও একাডেমিক জালিয়াতি, নারী কেলেঙ্কারী, জামায়াত-শিবির সম্পৃক্ততা, ক্যাম্পাস অস্থিতিশীলকারীসহ ১১টি অভিযোগ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য, শিক্ষা মন্ত্রনালয়, সচিব শিক্ষা মন্ত্রনালয়, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-০১ ও মহাপরিচালক-০২ প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে প্রদান করেন।
অপরদিকে ভিসি ড. হাকিমকে দূর্নীতিবাজ আখ্যা দিয়ে তার অপসারনের জন্য প্রো-ভিসি পন্থী শিক্ষক, কর্মকর্তারাও বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ে ধরনা দিয়ে বেড়াচ্ছেন।
এছাড়াও গত ২৩ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি সমর্থিত আওয়ামী প্রগতিশীল শিক্ষক সংগঠন শাপলা ফোরামের সভাপতি প্রফেসর ড.মাহবুবুল আরফিন,বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. জাকারিয়া রহমান, ড. রাশিদ আশকারীসহ অর্ধশতাধিক শিক্ষক, কর্মকর্তা প্রো-ভিসির বিরুদ্ধে লিখিতভাবে ১১ টি অভিযোগ তুলে সাংবাদিক সম্মেলন করেন।
এদিকে প্রো-ভিসি পন্থী শাপলা ফোরামের সভাপতি প্রফেসর ড. কামাল উদ্দিন ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের আহব্বায়ক প্রফেসর ড. মাহবুবুর রহমান ভিসি পন্থী শিক্ষকেদর ওই সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যা তথ্য পরিবেশনের প্রতিবাদে কুষ্টিয়া জেলা প্রেস ক্লাবের সামনে ও ক্যাম্পাসে প্রো-ভিসির স্ত্রীর নেতৃত্বে নারী সমাজের ব্যানারে একটি মানববন্ধন করেন। মানববন্ধনে তারা ভিসির অপসারণ দাবি করেন এবং ভিসি পন্থী ওই আ’লীগ শিক্ষকদের অশিক্ষিত, মূর্খ, দুর্নীতিবাজ ভিসির দোষর বলে আখ্যা দেন। ক্যাম্পাস থেকে বিতাড়িত করার হুমকি দেন।
এছাড়াও প্রো-ভিসির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করায় ভিসি পন্থী ওই ৫ শিক্ষকের নাম উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে গত ২৫ এপ্রিল ইবি থানায় জিডি করেন প্রো-ভিসি। এরপর ২৮ এপ্রিল উকিল নোটিশও পাঠায় প্রো-ভিসি। যেখানে ৫০ কোটি টাকার মানহানি মামলার উল্লেখ আছে।
এদিকে গত শুক্রবার প্রো-ভিসির অনিষ্ট থেকে নিরাপত্তারজন্য ভিসি পন্থী শিক্ষকরা ইবি থানায় একটি পাল্টা জিডি করেছেন।
এরপর গত শনিবার প্রো-ভিসি পন্থী শিক্ষক, কর্মকর্তারা ভিসির দূর্নীতি ও সেচ্ছাচারিতার অভিযোগ এনে তার অপসারন দাবিতে একটি পাল্টা সংবাদ সম্মেলন। সেখান থেকে তারা ভিসি বিরোধী মানববন্ধন ঘোষনা করে।
পূর্ব ঘোষনা অনুযায়ী গত ৩ মে ভিসি প্রফেসর ড. আবদুল হাকিম সরকারের অপসারন দাবিতে প্রো-ভিসি ড. শাহিনুর রহমানে সমর্থকরা মানববন্ধন করে।
গত মঙ্গলবারের ভিসি বিরোধী ওই মানবন্ধনের পাল্টা কর্মসূচী হিসেবে বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় ভিসি পন্থী বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও শাপলা ফোরামের শিক্ষক কর্মকর্তারা প্রো-ভিসি ড. মো. শাহিনুর রহমানের অপসারণের দাবি করে পাল্টা মানববন্ধন কর্মসূচির ডাক দেয়।
এসময় প্রো-ভিসি ড. শাহিনের প্রত্যক্ষ ইন্ধনে তার ব্যক্তিগত পিএস আব্দুল হান্নান,কর্মকর্তা ট্রেজারার অফিসের সহকারী রেজিস্ট্রার আলমগীর হোসেন, পরিবহন অফিসের আসাদুজ্জামান মাখন ও রুহুল আমিন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অফিসের রাশেদ চৌধুরী, অর্থ ও হিসাব শাখার চ্যাকা জাহাঙ্গীর, মানবিক অনুষদের ডিন অফিসের গিয়াস উদ্দিন প্রেনেডের নেত্বতে ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি গ্রুপের নেতাকর্মরা শতাধিক অস্ত্রধারী বহিরাগতদের নিয়ে ভিসি পন্থী শিক্ষক কর্মকর্তাদের মানবন্ধনে সসস্ত্র হামলা চালায়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি পন্থী বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও শাপলা ফোরামের সাধারন সম্পাদক ড. আনোয়ার হোসেন ও ড. মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত একটি লিখিত বিবৃতিতে এসব উল্লেখ করেছেন।
এতে আরো উল্লেখ করেছেন, অতিদ্রুত এই হামলার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তি দাবি করছি। আর শিক্ষক কর্মকর্তাদের উপর হামলার মদদতাদা প্রো-ভিসির অপসারন করে ক্যাম্পাসে পরিবেশ ঠিক রাখার জন্য সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
হামলায় ভিসি সমর্থক কর্মকর্তা ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের সদস্য মীর মোর্শেদ খান, এস্টেট শাখার পরিচালক হারুন-উর রশিদ, ভিসির পিএস মনিরুল ইসলাম, রেজিস্ট্রারের পিএস আনোয়ার ও রেজাউল নামের ৫ কর্মকর্তা আহত হয়। আহতদের বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে প্রাথমিক চিকিৎসা শেসে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠনো হয়েছে।
পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অনুষদ ভবনের সামনে ভিসি পন্থী শিক্ষক কর্মকর্তারা প্রো-ভিসিকে চোর আখ্যা দিয়ে তার পদত্যাগ দাবিতে মানববন্ধন করেন। সেখানে প্রায় তিন শতাধিক শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীও শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
এই ঘটনায় ক্যাম্পাসে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে, যে কোন মুহুর্তে ক্যাম্পাসে বড় ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। পরিবেশ নিয়ন্ত্রনে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ ও র‌্যাব মোতায়েন করা হয়েছে।
প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান বলেন, ক্যাম্পাসের স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যহত রয়েছে। তাই সবাই যাতে নির্বিঘেœ মত প্রকাশের স্বাধীনতা পায় সেজন্য প্রক্টরিয়াল বডি ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কাজ করে যাচ্ছে। যারা অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করবে তাদের বিরুদ্ধে সাথে সাথে এ্যাকশন নিব। এছাড়াও হামালার ঘটনার সাথে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। ইতমধ্যে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে হয়েছে।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. শাহিনুর রহমান বলেন- ভিসি ঢাকাতে অবস্থান করায় আমি ভারপ্রাপ্ত ভিসির দায়িত্বে ছিলাম। হামলার বিষয়িটি উল্লেখ করে তিনি বলেন-আমার কথা কেউ শোনে নি। আর আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করা হচ্ছে সেগুলো মিথ্যা বানোয়াট।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

যশোর মেডিকেল কলেজে ভাঙচুর

যশোর প্রতিনিধি : যশোর মেডিকেল কলেজ স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্থানান্তর ও নিয়মিত ক্লাস নেওয়ার দাবিতে প্রিন্সিপালের অফিস ও প্যাথলজি বিভাগ ভাঙচুর করেছে শিক্ষার্থীরা।  বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

কলেজের প্রধান সহকারী আব্দুস সবুর খান জানান, কিছু শিক্ষার্থী অধ্যক্ষের সঙ্গে দেখা করতে চান। তিনি অধ্যক্ষের কাছ থেকে দেখা করার অনুমতি এনে দিলে বেশ কিছু শিক্ষার্থী অধ্যক্ষের অফিস কক্ষে কথা বলতে যান।

এ সময় হঠাৎ কিছু উচ্ছৃঙ্খল শিক্ষার্থী অধ্যক্ষের অফিসের জানালা এবং আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। কিছুক্ষণ পরে প্যাথলজি বিভাগেও তারা ভাঙচুর করে। ঘটনার সময় বহিরাগতরাও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগ দিয়ে ভাঙচুর করেছে বলে জানান তিনি।

তবে একটি সূত্র জানিয়েছে, কলেজ শাখা ছাত্রলীগের দুই শীর্ষ নেতাই পঞ্চম বর্ষে অকৃতকার্য হয়েছেন। তাদের পাশ করিয়ে দেওয়ার দাবি অগ্রাহ্য হওয়ায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। তবে এই তথ্য কলেজ সংশ্লিষ্ট কোনো সূত্র নিশ্চিত করেনি।

মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. আবু হেনা মো. মাহবুবুল মওলা চৌধুরী বলেন পরীক্ষা ফল প্রকাশিত হয়েছে সবে গতকাল। কে পাশ করেছে আর কে ফেল করেছে তা এখনও অজানা। ফলে পাশ-ফেল নিয়ে কোনো ঘটনা ঘটার কথা নয়।

তিনি জানান, ভাঙচুরের ঘটনায় একাডেমিক কাউন্সিলের জুরি সভায় সাত সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রধান করা হয়েছে ডা. নিকুঞ্জবিহারী গোলদারকে।

আগামী সাত দিনের মধ্যে কমিটি তদন্ত রিপোর্ট পেশ করবে। দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কোতয়ালি থানার ওসি মো. ইলিয়াস হোসেন জানান ভাঙচুরের ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ পুলিশকে কোনো অভিযোগ জানায়নি। অভিযোগ দিলে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

যশোরে এমপিও বিড়ম্বনায় শিক্ষক ॥অনৈতিক ফায়দা লোটার অভিযোগ

যশোর অফিস ॥ ১২ দিন ধরে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) বিভাগে সার্ভার সমস্য চলছে। এ কারণে যশোর জেলার শিক্ষকেরা তাদের এমপিওভুক্তির আবেদন করতে পারছেন না। এ বিয়েয়ে প্রতিদিন ভুক্তভোগী শিক্ষকরা জেলা শিক্ষা অফিসে ধরনা দিয়েও কোন সুরাহা করতে না পারায় চরম হতাশায় ভুগছেন। আগামী ১০ এপ্রিল হচ্ছে আবেদনের শেষ তারিখ।

যশোর জেলা শিক্ষা অফিসে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ভুক্তভোগী শিক্ষক জানান, তারা নিয়ম মাফিক নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে শিক্ষকতার পেশায় যোগ দিয়ে এমপিওভুক্তির আশায় দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করছেন। কারও কারও এ অপেক্ষার পালা বছর এমনকি তারও বেশি পার হয়ে গেছে। এখন এমপিওভুক্তির আবেদন করতে গিয়ে তারা পড়েছেন আর এক বিড়ম্বনায়। এমপিওভুক্তির আবেদন করতে হচ্ছে ইন্টারনেটের মাধ্যমে। কিন্তু সার্ভার সমস্যার কারণে কেউ ওই আবেদন পেশ করতে পারছেন না। শিক্ষকরা জানান, এই আবেদন করার সময় আগে ১২টি ডকুমেন্ট সংযুক্ত করতে হতো। পরবর্তীতে ২৭টি ডকুমেন্ট সংযুক্ত করার নিয়ম করা হয়। এই নিয়মটি করার দু’একদিনের মধ্যে আরও দু’টি ডকুমেন্ট বাড়িয়ে ২৯টি করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিক্ষকরা সব ডকুমেন্ট জোগাড় করে আবেদনপত্রের সাথে সংযুক্ত করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে পাঠাতে গেলে সার্ভার সমস্যার কারণে পাঠানো যাচ্ছে না। শিক্ষকরা এ বিষয় নিয়ে খুলনা ডিডিপিআই অফিসে যোগাযোগ করলে তাদের জানানো হচ্ছে সার্ভারে কাজ হচ্ছে। চেষ্টা করতে থাকুন সব ঠিক হয়ে যাবে। গত ২৫ মার্চ থেকে এ অবস্থা চললেও সার্ভার সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। অথচ আগামী ১০ এপ্রিল হচ্ছে এমপিওভুক্তির আবেদনের শেষ তারিখ।

এ বিষয়ে খুলনা বিভাগের ডিডিপিআই অফিসে যোগাযোগ করলে বিদ্যালয় পরিদর্শক নিভারাণী পাঠক জানান, উর্ধতন কর্তৃপক্ষ ১০ এপ্রিল সময় বেঁধে দিয়েছেন। সময় আর বাড়ানো হবে না। সার্ভার আপলোড করার কারণে টেকনিক্যাল সমস্যা দেখা দিয়েছে। আশা করা যায় ১০ তারিখের মধ্যেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। ভুক্তভোগী শিক্ষকরা অনেকেই অভিযোগ করেছেন, অনৈতিক ফায়দা লোটার জন্য এই টেকনিক্যাল সমস্যা ইচ্ছাকৃত সৃষ্টি করা হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free