ক্যাম্পাস

ঢাবি শিক্ষক সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত

বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাব ভবনে সোমবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত এ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলে বলে নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক তোফায়েল আহমদ চৌধুরী জানান।

রসায়ন বিভাগের এই অধ্যাপক বলেন, এবার ভোটার ছিলেন মোট দুই হাজার ১০ জন। গণনা শেষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

শিক্ষক সমিতির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ কার্যকরী পরিষদের ১৫টি পদে এ নির্বাচনে বরাবরের মতই আওয়ামী লীগ ও বিএনপি-জামায়াত সমর্থক শিক্ষকদের দুটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। বামপন্থি শিক্ষকদের গোলাপী দল গতবছর আলাদা প্যানেলে নির্বাচনে অংশ নিলেও এবার তারা প্রার্থী দেয়নি।

এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাব চত্বর এলাকা সকাল থেকেই শিক্ষকদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে। ভিসি চত্বর থেকে নীলক্ষেতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান তোরণ পর্যন্ত এলাকায় রাস্তার দুইধারে ভোট দিতে আসা শিক্ষকদের গাড়ির ভিড় দেখা যায়।

শিক্ষক সমিতির বর্তমান সভাপতি অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল এবারও আওয়ামী লীগ সমর্থক নীল প্যানেলের সভাপতি প্রার্থী। তার সঙ্গে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছেন বিদায়ী কমিটির সহ-সভাপতি অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম।

আর বিএনপি সমর্থক সাদা প্যানেলের সভাপতি প্রার্থী পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী পরিসংখ্যান বিভাগের  অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান।

নীল দলের সভাপতি প্রার্থী অধ্যাপক মাকসুদ কামাল মাস্টারদা সূর্যসেন হলের প্রাধ্যক্ষ ও আর্থ এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন। সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন ও ব্যাংকিং এন্ড ইনসুরেন্স বিভাগের অধ্যাপক ও সিনেট সদস্য।

সাদা দলের সভাপতি প্রার্থী অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম সিনেট সদস্য। সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান সিনেট ও সিন্ডিকেট সদস্য।

গত কয়েক বছর ধরে এই শিক্ষক সমিতিতে আওয়ামী লীগ সমর্থক প্যানেল জয়ী হয়ে আসছে। তার আগে টানা কয়েকবার বিএনপি সমর্থকরা এই সমিতির নিয়ন্ত্রণে ছিল।

নীল দলের সভাপতি প্রার্থী অধ‌্যাপক মাকসুদ কামাল নিবার্চন চলাকালে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “শিক্ষকরা আমাদের ভোটের মাধ্যমে জয়ী করবেন- এটা প্রত্যাশা করি, কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নের পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হিসাবে আমাদের প্যানেল শিক্ষকদের দাবি পূরণে অব্যাহতভাবে অবদান রেখে আসছে।

“২০২১ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন সামনে রেখে আমরা যে নির্বাচনী ইশতেহার দিয়েছি, তাতে সমর্থন জানিয়ে শিক্ষকরা আমাদের জয়যুক্ত করবে, এটাই আশা করি।”

সাদা দলের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমরা যদি জিততে পারি এবং সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাই, তাহলে শিক্ষক সমিতির ঐতিহ্য নিয়ে কাজ করব। শিক্ষকদের পেশাগত সুযোগ সুবিধা, বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন সচল রাখব।”

তিনি বলেন, “শিক্ষকরা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনয় রেখে ভোট দেবেন এবং আমাদের বিজয়ী করবেন বলেই আমরা আশা রাখি।”

নীল প্যানেলের প্রার্থী

সহ-সভাপতি উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও জীব বিজ্ঞান অনুষদের ডিন মো. ইমদাদুল হক; যুগ্ম-সম্পাদক  ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক তাজিন আজিজ চৌধুরী; কোষাধ্যক্ষ একাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন  আহমেদ।

সদস্য প্রার্থীরা হলেন- গণিত বিভাগের অধ্যাপক  চন্দ্রনাথ পোদ্দার, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের জিনাত হুদা, সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মুহাম্মাদ সামাদ, লেদার এন্ড টেকনোলজি এবং ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিউটিটের পরিচালক অধ্যাপক মো. আফতাব আলী শেখ, ক্রিমিনোলজি বিভাগের অধ্যাপক মো. জিয়াউর রহমান,খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক নিজামুল হক ভূঁইয়া, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন  অধ্যাপক সাদেকা হালিম, অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সাবিতা রিজওয়ানা রহমান,ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের সৈয়দ মোহাম্মদ শামছুদ্দিন ও বাংলা বিভাগের অধ্যাপক সৌমিত্র শেখর দে।

সাদা প্যানেলের প্রার্থী

সহ-সভাপতি ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান, যুগ্ম-সম্পাদক ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি বিভাগের অধ্যাপক মো. আসলাম হোসেন; কোষাধ্যক্ষ মার্কেটিং বিভাগ অধ্যাপক  এ বি এম শহিদুল ইসলাম।

সদস্য প্রার্থীরা হলেন- প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ইয়ারুল কবীর, সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এ এস এম আমানুল্লাহ, সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক গোলাম রব্বানী, পালি ও বুড্ডিস্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক দিলীপ কুমার বড়ুয়া, উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের মোহাম্মাদ জসীম উদ্দিন, জিন প্রকৌশল  ও জীবপ্রযুক্তি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মাদ নাজমুল আহসান, গ্রাফিক ডিজাইন বিভাগের মো. ইসরাফিল প্রাং , ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান মো. নুরুল আমিন, ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক মো. মহিউদ্দিন, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন ও কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশলী বিভাগের অধ্যাপক মো. হাসানুজ্জামান।

পরীক্ষা কার্যক্রমে ১০ বছর নিষিদ্ধ রাবির দুই শিক্ষক

রাবি প্রতিনিধি:রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) চারুকলা অনুষদের ভর্তি পরীক্ষায় সাম্প্রদায়িক প্রশ্নপত্র প্রণয়নের দায়ে দুই শিক্ষককে ১০ বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো ধরনের পরীক্ষা কার্যক্রমে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বুধবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৭৪তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে জানান সিন্ডিকিটে সদস্য মো. মামুন আব্দুল কাইয়ূম।

ওই দুই শিক্ষক হলেন- চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান এবং চিত্রকলা, প্রাচ্যকলা ও ছাপচিত্র বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. জিল্লুর রহমান।

সিন্ডিকিটে সদস্য মামুন আব্দুল কাইয়ূম জানান, ডিনের পদ থেকে অব্যাহতির জন্য আইনগত কোনো বাধা যদি না থাকে, তাহলে অধ্যাপক মোস্তাফিজুরকে অব্যাহতি দেয়া হবে বলেও সিদ্ধান্ত হয়। এছাড়া শিক্ষক জিল্লুর রহমান ‘সহযোগী অধ্যাপক’ পদে পদন্নোতি পাবেন নির্ধারিত সময়ের পাঁচ বছর পর।

এর আগে ২৫ অক্টোবর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষপূর্ণ দুটি প্রশ্ন করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। চারুকলা অনুষদের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ৪১ ও ৭৬ নং প্রশ্নে এমন বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়।

ওই প্রশ্ন দুটি একটি হলো, ‘পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থের নাম কী?’ এই প্রশ্নের চারটি অপশন ছিল- ক. পবিত্র কুরআন শরীফ খ. পবিত্র বাইবেল গ. পবিত্র ইঞ্জিল ঘ. গীতা। অন্য প্রশ্নটি হলো ‘মুসলমান রোহিঙ্গাদের উপর মায়ানমারের সেনাবাহিনী ও বৌদ্ধধর্মালম্বীরা সশস্ত্র হামলা চালায় কত তারিখে?’ যার চারটি অপশন ছিল- ক. ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭ খ. ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭ গ. ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ঘ. ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭।

এ ঘটনায় গত ২৮ অক্টোবর উপ-উপার্চায অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহাকে প্রধান করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে আরও ছিলেন- ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক মো. শহীদুল্লাহ, ফলতি পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবু বকর মো. ইসমাইল ও রসায়ন বভিাগরে অধ্যাপক নজরুল ইসলাম। ওই তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের পরই সিন্ডিকেটে দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হলো।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ষণ বিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

সাভার: সাভারে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণ বিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার সকালে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ সাভার শাখার উদ্যোগে বিশ^বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের পাদদেশে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণ বিরোধী সমাবেশ এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ফারজানা ইসলাম।
সমাবেশে এ সময় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণ বেড়ে গেছে। সরকারের উচিত ধর্ষণকারীদের দ্রুত আইনে বিচার করা। তাহলে দেশে ধর্ষণ কমে আসবে। ধর্ষণকারীরা দেশ ও জাতির শক্রু। এরা কখনো মানুষ হতে পারে না। তাই ধর্ষণকারীদের রাজনৈতিক সামাজিক ও প্রশাসনিক আশ্রয় প্রশ্রয় বন্ধ করতে হবে। এছাড়া সারাদেশে ধর্ষণের বিরুদ্ধে পাড়া মহল্লায় প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সবাইকে আহবান জানানো হয় সমাবেশ থেকে।
সমাবেশে এ সময় বিশ^বিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও মহিলা পরিষদের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক : বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) কর্তৃক সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানিয়েছে অভিভাবক ফোরাম। সোমবার অভিভাবক ঐক্য ফোরমের পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।

ফোরামের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জিয়াউল কবির দুলু ও সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম উদ্দিন এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন, সংগঠনের দাবির মুখে সরকার সারাদেশের সহকারী শিক্ষক পদে এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে নিয়োগ সম্পন্ন করছে। অথচ সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে গভর্নিং বডি/ম্যানেজিং কমিটি স্বেচ্ছাচারিতা ও মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দিচ্ছে। উদাহারণ হিসেবে সম্প্রতি মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে বির্তকের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়।

বিবৃতিতে তারা বলেন, ভবিষ্যতে যাতে আর সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে কোনো বিতর্ক না উঠে তাই গভর্নিং বডি/ম্যানেজিং কমিটির ক্ষমতা খর্ব করে বেসরকারি স্কুলে এনটিআসিএ’র মাধ্যমে সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানানো হয়েছে। অবিলম্বে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক এ বিষয়ে পরিপত্র জারি করারও দাবি জানান তারা।

জবির ‘বি’ ইউনিটের মেধা তালিকা প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিনিধি: ঢাকা: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ‘বি’ ইউনিটের অনার্স (সম্মান) শ্রেণির প্রথম বর্ষ প্রথম সেমিস্টারে ভর্তির জন্য প্রথম মেধা তালিকায় ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের প্রথম মাইগ্রেশন এবং ভর্তির জন্য দ্বিতীয় মেধা তালিকা প্রকাশ করেছে।

রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তর থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

দপ্তর সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ই’ ইউনিটের অনার্স (সম্মান) শ্রেণির প্রথম বর্ষ প্রথম সেমিস্টারে ভর্তির জন্য দ্বিতীয় মেধা তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। দ্বিতীয় মেধা তালিকায় মনোনীত শিক্ষার্থীদের ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। উল্লিখিত তারিখের মধ্যে ভর্তি না হলে মনোনয়ন বাতিল হয়ে যাবে। আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে ভর্তির ‘বি’ ও ‘ই’ ইউনিটের তৃতীয় মেধা তালিকা আগামী ৮ ডিসেম্বর তারিখ প্রকাশ করা হবে।

ভর্তিসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে একই প্রশ্ন দিয়ে দুই বছর পরীক্ষা
জবি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অনার্স ফাইনাল পরীক্ষায় বিগত বছরের প্রশ্নপত্র দিয়ে পরীক্ষা গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে।

বি.এ অনার্স ৪র্থ বর্ষের পরীক্ষা-২০১৬ এর ৪২০৪ নং কোডের ‘ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার এন্ড জেন্ডার স্টাডিজ ইন ইসলাম’ শিরোনামের কোর্স পরীক্ষায় পূববর্তী ২০১৫ সালের হুবহু একই প্রশ্ন দিয়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

গত ১৯ তারিখ শনিবার এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় বলে সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন।

শিক্ষার্থীরা জানান, এ বিষয়ে পরীক্ষার হলে অভিযোগ করা হলে বিভাগীয় চেয়ারম্যান ও পরীক্ষা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল অদুদ কয়েকজন পরীক্ষার্থীর প্রশ্নপত্রে ২০১৫ কেটে ২০১৬ লিখে দেন।

পরীক্ষা কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন, বিভাগীয় সহকারী অধ্যাপক মো. নজরুল ইসলাম ও প্রভাষক মুহাম্মদ খাইরুল ইসলাম।

পরীক্ষার পূর্বে ১ম ও ২য় পরীক্ষক প্রদত্ত প্রশ্নপত্র মডারেশনের পর কোনোভাবেই পূর্ববর্তী বছরের প্রশ্নপত্র দিয়ে পরীক্ষা গ্রহণের সুযোগ নেই বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, এ ঘটনার পিছনে বড় ধরনের অর্থ বাণিজ্য হয়েছে।

এ ঘটনাকে অপরাধ ও আইনসিদ্ধ নয় বলে মন্তব্য করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক। তদন্ত করলে প্রকৃত ঘটনা বের হয়ে আসবে বলে তিনি জানান।

ইবির ভর্তি পরীক্ষার ‘ই’ ইউনিটের ফল প্রকাশ

ইবি প্রতিনিধি:  ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ অনার্স (স্নাতক) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদভুক্ত ‘এফ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। ফলাফলে পাশের হার শতকরা ২২.৯৩ শতাংশ।

রবিবার (৩ ডিসেম্বর) রাত ৮টার দিকে ‘এফ’ ইউনিটের সমন্বয়কারী সহযোগী অধ্যাপক ড. শরিফুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারীর নিকট এ ফলাফল হস্তান্তর করেন। এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা, ‘এফ’ ইউনিটের সদস্য অধ্যাপক ড. মনজারুল হক ও মো. নজরুল ইসলাম।

গত শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদভুক্ত ‘ই’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ বছর ‘ই’ ইউনিটে ২০০ আসনের বিপরীতে ১৩ হাজার ২৬জন শিক্ষার্থী ভর্তি আবেদন করে। আবেদনকারীদের মধ্যে ১ হাজার ৮৭২ জন শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১ হাজার ৮২৮ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী।

উল্লেখ্য, ভর্তি পরীক্ষার ফল ও মেধা তালিকায় সাক্ষাৎকারের বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া যাবে।

খুলনায় সরকারি সাতটি স্কুলে অনলাইনে ভর্তি আবেদন শুরু

খুলনা প্রতিনিধি:খুলনায় সরকারি সাতটি স্কুলে তৃতীয় ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) থেকে শুরু হয়েছে।  ১৪ ডিসেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। আগামী ১৯ ও ২০ ডিসেম্বর স্কুলগুলোতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে।

ভর্তি কমিটির সদস্য সচিব ও জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. আরিফুল ইসলাম জানান, ভর্তি কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবার পরীক্ষার খাতাগুলো কেন্দ্র থেকে কোর্ডিং করাসহ সিলগালা করে ট্রেজারিতে পাঠানো হবে এবং পরদিন খাতাগুলো এনে সিলগালা খুলে মূল্যায়ন করে সঙ্গে সঙ্গে ফল ঘোষণা করা হবে।

তিনি জানান, খুলনা জিলা স্কুল, সরকারি করেনেশন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ও গভঃ ল্যাবরেটরি হাই স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা ১৯ ডিসেম্বর সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত স্ব-স্ব বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে। খুলনা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা ২০ ডিসেম্বর সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত এবং সরকারি ইকবালনগর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা ২০ ডিসেম্বর দুপুর ২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। আর খুলনা জিলা স্কুল, সরকারি করেনেশন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, সরকারি ইকবালনগর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ও খুলনা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা ১৯ ডিসেম্বর সকাল ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত খুলনা সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া গভঃ ল্যাবরেটরি হাই স্কুল ও সরকারি দৌলতপুর মুহসিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা ১৯ ডিসেম্বর সকাল ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত স্ব-স্ব বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে। ফুলবাড়ীগেটে অবস্থিত কে.ডি.এ খানজাহান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা ২০ ডিসেম্বর সকাল ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে।

‘এসএসসির ফরম পূরণে অতিরিক্ত ফি আদায় কেন অবৈধ নয়’

নিজস্ব প্রতিবেদক :

এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফরম পূরণ বাবদ বর্ধিত ফি আদায় কেন বেআইনি হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার গাজীপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ, গভর্নিংবডির সভাপতি-সেক্রেটারির বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ফি আদায়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা সিলেট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে জানাতে বলা হয়েছে। আগামী ৪ জানুয়ারির মধ্যে তা আদালতকে জানাতে হবে।

মঙ্গলবার বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে এ রুল জারি করেন।

শিক্ষাসচিব, সিলেট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক, শিক্ষা অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট নয়জনকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এর আগে গত ২৩ নভেম্বর হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার গাজীপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক মো. জালাল উদ্দিন খান এ রিট দায়ের করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন লিমন।

পরে অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন লিমন জানান, এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে সরকারনির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত ফি আদায় করায় ওই স্কুলের অভিভাবক রিট দায়ের করেন। ওই রিট শুনানির জন্য আদালতে গেলে তখন আদালত বলেন, ‘এ ফিসংক্রান্ত বিষয়ে  ২০১৪ সালের একটি আদেশ রয়েছে। পরে  আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে এ রুল জারি করেন।’

বিসিএস শিক্ষক দ্বন্দ্বে বিপাকে শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৮ নভেম্বর: বিসিএস শিক্ষকদের কর্মবিরতিতে দুইদিন ধরে অচল দেশের সরকারি কলেজগুলো। কর্মবিরতির দ্বিতীয়দিন সোমবার কলেজগুলোতে কোনো ক্লাস হয়নি। জাতীয়করণের জন্য ঘোষিত কলেজ শিক্ষকদের ক্যাডার বহির্ভূত রেখে বিধিমালা জারির দাবিতে রোববার থেকে দুইদিনের এ কর্মবিরতি শুরু করেন সরকারি কলেজের শিক্ষকরা। ‘বিসিএস ছাড়া ক্যাডার সার্ভিস নয়’ এই শ্লোগান নিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠদান থেকে শুরু করে সকল প্রকার কর্মকাণ্ড থেকে নিজেদেরকে বিরত রেখেছেন তারা।

টানা দুদিন শিক্ষক আন্দোলনে বিপাকে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষকদের আন্দোলনে বাতিল হয়েছে তৃতীয় বর্ষের অনার্স ফাইনাল পরীক্ষা। শুধু তাই নয়, আন্দোলনে বন্ধ দেশের সাড়ে ৩০০ কলেজের পরীক্ষা, পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রম।

মিরপুরের সরকারি বাঙলা কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী সজনী ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, শিক্ষকদের আন্দোলনে আমাদের ক্ষতিগ্রস্ত হতে হচ্ছে। আন্দোলনে দুইদিন কলেজে এসে আড্ডা দিয়ে বাসায় ফিরতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, সপ্তাহে পাঁচদিন থাকে পরীক্ষা, আর দুইদিন কলেজে ক্লাস হওয়ার কথা থাকলেও স্যার-ম্যাডামদের অফিসিয়াল মিটিং, প্রশাসনিক কাজের জন্য প্রায় ক্লাসে আসতে পারেন না। তার ওপর শিক্ষকদের আন্দোলন এমন করে ক্লাস বন্ধ বিপদে পড়তে হয়। অনেকেই পড়ালেখা থেকে মনোযোগ হারিয়ে ফেলবে।

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির সভাপতি অধ্যাপক আই কে সেলিম উল্লাহ খন্দকার জানান, আমাদের একটাই দাবি বিসিএস ছাড়া বিসিএস ক্যাডার নয়। তাই প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন মেনে ও জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ এ বর্ণিত নির্দেশনা অনুসারে জাতীয়করণের জন্য ঘোষিত কলেজ শিক্ষকদের ক্যাডার বহির্ভূত রেখে বিধিমালা জারি করতে হবে। আগামী ৬, ৭ ও ৮ জানুয়ারি আবারও কর্মবিরতি পালনের ঘোষণা রয়েছে। এর আগে সরকার থেকে সিদ্ধান্ত এলে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি এ কর্মসূচি থেকে সরে দাঁড়াবে।

শিক্ষার্থীদের ক্ষতির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের আন্দোলন চলবে, তবে আমরা শিক্ষার্থীদের পুষিয়ে দেব। প্রয়োজনে বাড়তি ক্লাসের ব্যবস্থা করা হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমিরেটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, বিসিএস ক্যাডার শিক্ষকদের সঙ্গে জাতীয়করণকৃত কলেজের শিক্ষকদের ‘ক্যাডার’ মর্যাদা দেয়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত। বিসিএস দিয়ে যারা একটি পদের জন্য মনোনীত হয়, আর ভিন্ন একটি প্রক্রিয়ায় চাকরিতে প্রবেশ করে উভয় একই যৌগ্যতাসম্পন্ন নয়।

তিনি বলেন, জাতীয়করণ ও বিসিএস শিক্ষকদের একই কাঠামোয় গণ্য না করে পৃথক রেখে উদ্ভূত পরিস্থিতির সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে মন্ত্রণালয়কে। শিক্ষকদেরও দাবি আদায়ে একেবারে মাঠে নেমে আন্দোলন সংগ্রাম না করে সুশৃঙ্খলভাবে দাবির বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনায় সমাধানের পথ খুঁজতে হবে।

এ শিক্ষাবিদের সঙ্গে সহমত পোষণ করেছেন সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) সাবেক চেয়ারম্যান ড. সাদত হুসাইন। তিনি বলেন, ক্যাডার সার্ভিসে যাদের নিয়োগ দেয়া হয়, যে বাছাই প্রক্রিয়া-পরীক্ষা, সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে নির্বাচন করা হয় যোগ্য প্রার্থী। আরেকজনকে এসব প্রক্রিয়া ছাড়াই সমকক্ষে প্রবেশ করানো যৌক্তিক হবে না।

শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় যে বিধি দ্বারা (২০০০ সালে) ক্যাডার মর্যাদা দিয়েছে- এর কোনো আইনি ভিত্তি নেই। কলেজ জাতীয়করণ করার সিদ্ধান্ত সরকারের মহৎ উদ্যোগ, এতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু দায়িত্বশীলদের বিচক্ষণতার অভাবে এতদিনে শিক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্যের বীজবপন করা হয়েছে। এতে জাতীয়করণকৃত শিক্ষক আর বিসিএস শিক্ষকদের মধ্যে আজীবন দ্বন্দ্ব থাকবে।

তিনি বলেন, যারা বিসিএস দিয়ে শিক্ষা ক্যাডারে প্রবেশ করবেন তারা জাতীয়করণকৃত কলেজে অন্যদের রোষানলে পড়বেন। সবসময় উভয় শিক্ষকদের মধ্যে নৈতিবাচক প্রভাব পড়বে। যা শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার ওপর প্রভাব পড়বে। পাশাপাশি এডুকেশন ক্যাডারে প্রবেশের আগ্রহ থাকবে না চাকরিপ্রার্থীদের।

উল্লেখ্য, নতুন জাতীয়করণসহ বর্তমানে দেশের সরকারি কলেজ রয়েছে ৩৩৫টি। এর মধ্যে পিএসসি’র মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষা ক্যাডার সদস্য আছেন প্রায় ১৫ হাজার। ২৮৩টি কলেজ জাতীয়করণ হলেও সেগুলোর প্রায় ৭-৮ হাজার শিক্ষক আত্তীকৃত হবেন।

দেশের সব ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের তথ্য নেবে সরকার

রঞ্জিত ভট্রা:  বাংলাদেশে বর্তমানে শতাধিক ইংলিশ মিডিয়াম তথা ইংরেজি মাধ্যম স্কুল রয়েছে। এর তালিকা শিক্ষা অধিদফতরে থাকলেও অন্য কোনও তথ্য নেই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে। জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা নিয়ে গোয়েন্দা সংস্থার দেওয়া একটি প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে লেকহেড গ্রামার স্কুল বন্ধ ঘোষণার পর নড়েচড়ে বসেছে মন্ত্রণালয়। তারা এখন ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলোর তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগ নিচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বিদেশি কারিকুলামে পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো কারা কিভাবে চালাচ্ছে সেই তথ্য সংগ্রহ করবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ। এ প্রসঙ্গে মাউশি পরিচালক (মাধ্যমিক) প্রফেসর ড. মো. আবদুল মান্নান বলেন, ‘আমাদের কাছে শতাধিক স্কুলের তালিকা রয়েছে। প্রয়োজনে অন্য তথ্যও সংগ্রহ করা হবে।’

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের অনুমোদন দিয়ে থাকে শিক্ষা বোর্ড। এরপর অনুমোদিত স্কুলের তথ্য পাঠানো হয় মাউশির কাছে। শিক্ষা বোর্ডগুলোর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ১০০টির বেশি ইংরেজি মাধ্যম স্কুল রয়েছে। তবে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠার পর নতুন স্কুল অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থানে রয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের নিবন্ধন নিতে চলতি বছরের জুলাই মাসে বিধিমালা জারি করা হয়। এসব কারণে নতুন ইংরেজি মাধ্যম স্কুল খোলার জন্য অনেক ব্যক্তি বা সংস্থা অনুমোদন পেতে সরাসরি মন্ত্রণালয়ে আবেদন করছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, লেকহেড স্কুল বন্ধের পর ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলোর তথ্য থাকা জরুরি বলে মনে করছে মন্ত্রণালয়। বিচ্ছিন্নভাবে তথ্য থাকায় জটিলতাও দেখা দিতে পারে বলে ধারণা করছেন এর কর্মকর্তারা।

এতদিন শিক্ষা বোর্ড, মাউশি ও মন্ত্রণালয়ের কাছে গুরুত্ব পায়নি ইংরেজি মাধ্যম স্কুল। তবে জঙ্গিবাদ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগের কারণে বদলে গেছে চিত্রটা। এখন ইংরেজি মাধ্যম স্কুলকে বেশ গুরুত্ব দিচ্ছে মন্ত্রণালয় ও মাউশি।

লেকহেড স্কুল বন্ধের পর গত ১৪ নভেম্বর শিক্ষা অধিদফতরে ৩৫টি ইংরেজি মাধ্যম স্কুল প্রধানদের নিয়ে বৈঠক করেন মাউশি মহাপরিচালক। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম। বৈঠকে তিনি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলোর ওপর নজরদারির নির্দেশ দেন মহাপরিচালককে। শিক্ষার্থীদের সুবিধা-অসুবিধা দেখার বিষয়েও গুরুত্ব দেন তিনি। এছাড়া ব্যক্তিগত প্রাইভেটকার ছাড়া ছাত্রছাত্রীরা যেন নির্বিঘ্নে স্কুলে যেতে পারে সেই ব্যবস্থা নিতে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নির্দেশ দেওয়া হয়।

মাউশি সূত্র জানিয়েছে, হাতেগোনা কয়েকটি ছাড়া বেশিরভাগ স্কুলের নিজস্ব কোনও বাস নেই। অথচ রাজধানীতে শিক্ষার্থীদের অনেকদূর থেকেও স্কুলে যাতায়াত করতে হয়। এক্ষেত্রে দুর্ভোগ পড়ে তারা। তাই স্কুল কর্তৃপক্ষকে নিজস্ব স্কুল বাস চালুর নির্দেশ দিতে ওই বৈঠকে বলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা।

এ বছর ইংরেজি মাধ্যমের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন বিধিমালা-২০১৭ জারি করে সরকার। বিধিমালা অনুযায়ী, ইংরেজি মাধ্যম স্কুল পরিচালনা করতে হলে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক। দুই ধাপে স্কুলের অনুমোদন দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। নির্ধারিত ফরমে আবেদন করে প্রথমে দুই বছরের জন্য প্রাথমিক অনুমোদন নিতে হবে। সন্তোষ জনক ভাবে স্কুল পরিচালিত হলে পরবর্তী সময়ে ভিন্ন ফরমে নবায়নের আবেদন করতে হবে। নবায়নে তিন বছরের অনুমোদন দেওয়া হবে। প্রতি তিন বছর পর পর অনুমোদন নবায়ন করতে হবে। সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৬ ও ২৭ নভেম্বরের পরীক্ষা স্থগিত

ডেস্ক: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিতব্য আগামী ২৬ এবং ২৭ নভেম্বরের সব পরীক্ষা অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।

স্থগিত এই পরীক্ষার তারিখ অতিসত্বর বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও পরামর্শ দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. ফয়জুল করিম স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

জাবিতে সাক্ষাৎকার দিতে এসে ৪ শিক্ষার্থী আটক

ডেস্ক: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় সাক্ষাৎকারের সময় ৪ শিক্ষার্থীকে আটক করে প্রশাসন। জালিয়াতি করে চান্স পেয়ে রোববার সাক্ষাৎকার দিতে এসে লিখিত পরীক্ষার কাগজের সঙ্গে হাতের লেখার মিল না পাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদেরকে আটক করে পরে আশুলিয়া পুলিশের হাতে হস্তান্তর করে।

আটক ৪ জন হলেন, মাহবুব হোসেন, ইমাম হোসেন, অমিত হাসান ও আশিকুল হাসান রবিন। এদের মধ্যে তিনজন জালিয়াতির কথা স্বীকার করলেও রবিন জালিয়াতির কথা অস্বীকার করেছে। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদেরকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিস সূত্রে জানা যায়, আদমদিঘি উপজেলার তহিদুল ইসলামের ছেলে মাহবুব হোসেন। তিনি ভর্তি জালিয়াতি চক্রের সদস্য সনদের সঙ্গে সাড়ে তিন লাখ টাকা চুক্তি করেন। চুক্তি অনুযায়ী মাহবুবের পরিবর্তে সনদ পরীক্ষা দেয়। ওই পরীক্ষায় মাহবুব ‘ই’ ইউনিটে (বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ) ৩য় স্থান লাভ করে। তার ভর্তি পরীক্ষার রোল নং- ৫৩০৯৪২। সে বগুড়া আর্মপুলিশ ব্যাটালিয়ন কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেছে।

আরেকজন ময়মনসিংহ সদর উপজেলার হাফেজ আব্দুল মান্নানের ছেলে ইমাম হোসেন। তার পরীক্ষা ছয় লাখ টাকার বিনিময়ে রাহাত নামের একজন দিয়ে দিলে সে ‘এফ’ ইউনিটে (আইন ও বিচার অনুষদ) ৩য় স্থান লাভ করে। তার ভর্তি পরীক্ষার রোল নং- ৬৩৭৩৪৪। সে ময়মনসিংহ আনন্দমহন কলেজের শিক্ষার্থী ছিল।

অন্যজন ঢাকার কেরানীগঞ্জের হারেছ মিয়ার ছেলে অমিত হাসান। তার পরীক্ষাও ছয় লাখ টাকার বিনিময়ে সনেট দিয়ে দেয়। এতে সে ‘এইচ’ (আইআইটি) ইউনিটে ১১তম স্থান লাভ করে। তার ভর্তি পরীক্ষার রোল নং- ৮১২৬৮৬।

ju-1

অন্যদিকে কুষ্টিয়া সদর থানার আবুল কালাম আজাদের ছেলে আশিকুল হাসান রবিন। সে ‘এফ’ (আইন ও বিচার অনুষদ) ইউনিটে ১৬তম স্থান লাভ করে। তার লেখার সঙ্গে পরীক্ষার কাগজের লেখার মিল না পাওয়ায় তাকে আটক করা হয়।

সে জালিয়াতির কথা অস্বীকার করে জানায়, আমি কোনো জালিয়াতি করি নাই। আমাকে এখন পরীক্ষা দিতে দিলে আমি পরীক্ষা দিব। আমি নারভাস থাকার কারণে ঠিক মতো লিখতে পারিনি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক তপন কুমার সাহা বলেন, তার লেখার মিল না পাওয়ায় তাকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে মনে হয়েছে সেও অপরাধী। তাই তাকে আশুলিয়া থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়েছে। পুলিশ বাকি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

আর বাকি তিনজনের বিষয়ে প্রক্টর বলেন, তারা মুচলেকায় ভর্তি জালিয়াতির কথা শিকার করে নিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।

আটকদের বিষয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশের এসআই নয়ন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী তাদেরকে আটক করা হয়েছে। থানায় নিয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডেন্টালের ফল প্রকাশ : ৪০ নম্বর পেয়ে ভর্তিযোগ্য ১৫২৫৬

সরকারি ও বেসরকারি ডেন্টাল কলেজে ব্যাচেলর অব ডেন্টাল সার্জন (বিডিএস) প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। গত ১০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত এ ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী মোট ১৯ হাজার ৫১০ জন ছাত্র-ছাত্রীর মধ্যে ন্যূনতম ৪০ নম্বর পেয়ে ভর্তি হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন ১৫ হাজার ২৫৬ জন। ১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ প্রাপ্ত নম্বর ৮৮ দশমিক ২৫। শতকরা ৮০ থেকে ৯০ ভাগ নম্বর পেয়েছেন ২৩৯ জন পরীক্ষার্থী।

রোববার দুপুরে ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. আবদুর রশীদ। ফলাফল আমাদের ওয়েব সাইট www.dghs.gov.bd এ পাওয়া যাবে।

রাবির ‘এইচ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেশনজট প্রায় দূর হয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক: সেশনজট ছিল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নম্বর সমস্যা। তা নিরসনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিশেষ একাডেমিক কর্মসূচি নেওয়ায় সেশনজট প্রায় দূর হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে নানা অনিয়মের আবর্তে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রায় ধ্বংসের প্রান্তসীমায় পৌঁছে গিয়েছিল। বর্তমান প্রশাসন এ বিশ্ববিদ্যালয়কে সে অবস্থা থেকে অনেকটা তুলে আনতে সক্ষম হয়েছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পূর্তিতে ‘রজতজয়ন্তী’ উৎসবের শেষ দিনের আলোচনা সভার প্রধান অতিথির বক্তব্যে কথাগুলো বলেন শিক্ষামন্ত্রী। গাজীপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বৃহস্পতিবার সকালে এ অনুষ্ঠান হয়।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘মানসম্মত শিক্ষা এবং সময় উপযোগী শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। শিক্ষার্থীরা যাতে বিশ্বমানের জ্ঞান, যোগ্যতা ও দক্ষতা অর্জন করে জাতীয় উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করতে পারে সেটিই হওয়া উচিত আমাদের সবার অগ্রাধিকার।’

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভী বলেন, উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে প্রবেশাধিকারের পাশাপাশি উন্নতমানের শিক্ষা নিশ্চিত করা দরকার। নয়তো বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা বহুলাংশে অর্থহীন হয়ে দাঁড়ায়।’

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হারুন-অর-রশিদ বলেন, ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শুধু দেশের সর্ব বৃহত্তম উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানই নয়, এটি দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রতিষ্ঠান। দেশজুড়ে বিস্তৃত এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ২ হাজার ২৪৯ কলেজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ২০ লক্ষাধিক শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন।

এর আগে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রজতজয়ন্তী উপলক্ষে কেক কেটে এবং তথ্যচিত্র প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠান শুরু হয়। সভাশেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। একই দিন সকালে শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের রজতজয়ন্তী উপলক্ষে শোভাযাত্রা ও আলোচনাসভায়ও অংশ নিয়েছিলেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন শিক্ষাসচিব মো. সোহরাব হোসাইন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য দুর্গাদাস ভট্টাচার্য, কাজী শহীদুল্লাহ ও সাবেক কোষাধ্যক্ষ কাজী ফারুক আহমেদ।

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter