ক্যাম্পাস

এক হাজার প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত : অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৫ মার্চ: সারাদেশে ৯ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওর বাইরে থাকলেও আগামী বাজেটে মাত্র ১ হাজার প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা সম্ভব হতে পারে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। এমপিওভুক্তির জন্য বাজেটে ৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হবে। তবে বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত নয়। শিগগিরই তা ঘোষণা দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, ‘একটা অভিযোগ রয়েছে যে জমির উদ্দিন সরকারের কৃপায় উত্তরবঙ্গে অনেক এলাকায় স্কুল আছে, ছাত্র নেই। আমরা অনেকগুলো এ ধরনের স্কুল বন্ধও করেছি। এগুলো আরো বন্ধ করা দরকার। এগুলো খামাখা বানানো হয়েছে। এগুলোর কোনো জাস্টিফিকেশন নেই। এগুলো খুব জোরেশোরে বন্ধ করব।’বুধবার (১৪ মার্চ) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যানদের সঙ্গে বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকেদের এ তথ্য জানান।

বৈঠকে অংশ নেন জাতীয় সংসদের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আফসারুল আমীন, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবি তাজুল ইসলাম, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি নুরুল মজিদ মাহমুদ প্রমুখ।

 

২০১৯ সালের মার্চে ডাকসু নির্বাচন

নিজস্ব প্রতিবেদক : অবশেষে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন।

মঙ্গলবার দিনগত রাতে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের সভায় এ নিয়ে আলোচনা হয় বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

তিনি বলেন, ডাকসু নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। এ নির্বাচন নিয়ে আমরা বিভিন্ন ফোরামে আলোচনা করছি। ইতোমধ্যে শিক্ষার্থীদের তালিকা হালনাগাদ করার জন্য প্রাধ্যক্ষদের বলা হয়েছে। এ বিষয়টি প্রভোস্ট কমিটিকে বলা হয়েছে, সিন্ডিকেটকেও মঙ্গলবার বলা হয়েছে। ২০১৯ সালের মার্চ মাসে সব ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনকে নিয়ে নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হবে। হল ছাত্র সংসদ ও কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ করবো আমরা। এগুলো কতগুলো নিয়মনীতির মাধ্যমে হবে। সেগুলো সুশৃঙ্খলভাবে করার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। সিন্ডিকেটও সম্মতি দিয়েছে। আমরাও এ বিষয়টি নিয়ে ভালোভাবে কাজ করছি।

৬৯ পরীক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলো বরিশাল বোর্ড

বরিশাল:

২০১৭ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তরপত্র মূল্যায়নে বিভিন্ন ধরনের ভুলত্রুটি করায় ৬৯ পরীক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে বরিশাল মাধ্যমকি ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। এসব ভুলত্রুটি হওয়ায় বিষয়টি প্রধান পরীক্ষকের প্রতিবেদন এবং উত্তরপত্র পুননিরীক্ষণের সময় প্রমাণিত হয়েছে।

ব্যবস্থাগ্রহণকারীদের মধ্যে ‘ঘ’ শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত পরীক্ষকদের ২০১৮ সালের (১ বছরের জন্য) এইচএসসি পরীক্ষার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। যারমধ্যে প্রধান পরীক্ষকদের প্রতিবেদন অনুযায়ী ১৪ এবং পুননিরীক্ষণের প্রতিবেদন অনুযায়ী ৪২ জন শিক্ষক রয়েছেন।

অপরদিকে ‘ঙ’ শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত পরীক্ষকদের ২০১৮ ও ২০১৯ সালের (২ বছরের জন্য) এইচএসসি পরীক্ষার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। যার মধ্যে প্রধান পরীক্ষকদের প্রতিবেদন অনুযায়ী ৮ এবং পুননিরীক্ষণের প্রতিবেদন অনুযায়ী ৫ জন শিক্ষক রয়েছেন।

ভুলত্রুটি সংগঠিত হওয়া উত্তরপত্র মূল্যায়নের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে অবহেলার সামিল, তাই এসব পরীক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আনোয়ারুল আজিম।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা সূচি

ডেস্ক,৮ ফেব্রুয়ারী : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭ সালের অনার্স চতুর্থ বর্ষ পরীক্ষা আগামী ৫ মার্চ থেকে শুরু হয়ে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে।

মাস্টার্স শেষ পর্ব পরীক্ষার সময়সূচি : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৫ সালের মাস্টার্স শেষ পর্ব (নিয়মিত, অনিয়মিত, গ্রেড উন্নয়ন ও সিজিপিএ উন্নয়ন) পরীক্ষা আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে।

উভয় পরীক্ষা প্রতিদিন দুপুর ১টা ৩০ মিনিট থেকে শুরু হবে। এসব পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.nu.edu.bd I www.nubd.info থেকে জানা যাবে। বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও পরামর্শ দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. ফয়জুল করিম এ তথ্য জানিয়েছেন।

ভিসির কার্যালয়ের গেট ভেঙ্গে শিক্ষার্থীদের অবস্থান

ঢাকা: কয়েক দফা দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্যের (ভিসি) কার্যালয় ঘেরাও করেছেন ‘নিপীড়নবিরোধী শিক্ষার্থীবৃন্দের’ ব্যানারে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে জড়ো হয়ে মিছিল শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।
পরে মিছিলটি টিএসসি, কলাভবন, বিজনেস ফ্যাকাল্টি, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ ঘুরে উপাচার্য কার্যালয়ের সামনে আসে।


শিক্ষার্থীদের দাবির মধ্যে রয়েছে- অধিভুক্ত ৪ কলেজ বাতিলের দাবিতে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, যৌন নিপীড়নকারী ছাত্রলীগ নেতাদের বহিষ্কার, প্রশাসনের করা নিপীড়নবিরোধী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অজ্ঞাতনামা মামলা প্রত্যাহার, দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ প্রক্টরের পদত্যাগ।
এর আগে গত রোববার তিন দফা দাবি আদায়ে মঙ্গলবার পর্যন্ত সময় বেঁধে দেন শিক্ষার্থীরা। দাবি আদায় না হওয়ায় আজ আবারও আন্দোলনে নেমেছেন তারা।

আধুনিক মেডিকেল কলেজের ভর্তি প্রক্রিয়া নিয়ে রুল

ডেস্ক: রাজধানীর উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে সাধারণ কোটায় ভর্তিকৃত ৫৭ শিক্ষার্থীর একাডেমিক কার্যক্রমে ৩০ দিনের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ‘আগে আসলে আগে ভর্তির সুযোগ’ ভর্তি প্রক্রিয়া কেন অবৈধ হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আগামী ১০ দিনের মধ্যে স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ও উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষকে বিশেষ বার্তা বাহকের মাধ্যমে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

বেসরকারি মেডিকেল : তিন দশকেও আইন নেই, নীতিমালাতেই সর্বনাশ

ডেস্ক: রাজধানীসহ সারাদেশে ৯৫টি বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ পরিচালনার জন্য কোনো আইন নেই। বর্তমানে সারাদেশে বেসরকারি পর্যায়ে ৬৯টি মেডিকেল কলেজ ও ২৬টি ডেন্টালসহ মোট ৯৫টি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ পরিচালিত হচ্ছে।

১৯৮৫ সালে দেশে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বেসরকারিভাবে মেডিকেল শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। কিন্তু সে সময় থেকে কোনো প্রকার বিধিবদ্ধ আইন না থাকা শুধু নীতিমালার ভিত্তিতেই এসব প্রতিষ্ঠান খেয়াল-খুশি মতো পরিচালিত হচ্ছে। এতে করে নিভৃতে দেশের চিকিৎসা শিক্ষার সর্বনাশ ঘটছে।

বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ স্থাপন নীতিমালা অনুসারে ৫০ আসনের নতুন যে কোনো বেসরকারি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের জন্য মেট্রোপলিটন এলাকায় দুই একর এবং অন্য এলাকায় চার একর নিজস্ব জমি থাকতে হবে। সেই জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত কলেজের একাডেমিক ভবনে এক লাখ বর্গফুট এবং হাসপাতাল ভবনের জন্য এক লাখ বর্গফুট ফ্লোর স্পেস থাকতে হবে।

বেসরকারি ডেন্টাল কলেজের জন্য মেট্রোপলিটন এলাকায় দেড় একর ও অন্য এলাকায় চার একর নিজস্ব জমি থাকতে হবে। ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতালের ফ্লোর স্পেস এক লাখ বর্গফুট হতে হবে।

এছাড়া বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর অনুপাত হবে ১:১০। শিক্ষকদের নিয়োগ, যোগ্যতা, মেয়াদ ও অন্যান্য শর্ত নির্ধারিত হবে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের বিধিবিধান অনুযায়ী। শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ দিতে হবে সার্বক্ষণিক।

তবে নীতিমালা থাকলেও আইন না থাকায় অধিকাংশ বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজগুলো এখন চলছে যেমন খুশি তেমন স্টাইলে- এ অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

বর্তমানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রস্তুতকৃত মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ স্থাপন নীতিমালার ভিত্তিতে এসব প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদফতর বিভিন্ন সময় নানা অভিযোগে একাধিক কলেজ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু বেসরকারি এসব প্রতিষ্ঠানের জন্য কোনো আইন নেই বলে তারা আদালতে গিয়ে পার পাচ্ছে বারবার।

চিকিৎসা শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলছেন, সুনির্দিষ্ট আইন না থাকাতেই দেশে চিকিৎসা শিক্ষার নিরব সর্বনাশ ঘটছে। গত কয়েক বছর ধরেই বেশ কিছু মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ নীতিমালা কিংবা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিজেদের ইচ্ছেমতো শিক্ষার্থী ভর্তি করছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ভর্তি স্থগিতসহ বিভিন্ন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিলেও প্রতিটি কলেজ কর্তৃপক্ষ উচ্চ আদালতে রিট করে অবৈধ কার্যক্রম বৈধ করে নেয়।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের দুই দফায় মোট নয় বছরের শাসনামলে বেশ কয়েকবার বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ স্থাপন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়া হলেও তা আলোর মুখ দেখেনি।

সর্বশেষ ‘বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ স্থাপন ও পরিচালনা আইন, ২০১৩’-এর খসড়া করে সংশ্লিষ্ট ও বিশেষজ্ঞদের মতামত নেয়া হয়। কিন্তু এ সংক্রান্ত একটি কমিটি থাকলেও তারা গত দুই বছরের মধ্যে মাত্র দু’একটি সভা করেছে।

মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ স্থাপন নীতিমালা অনুসারে যে কোনো নতুন মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ স্থাপনের আগে ৫০ আসনের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, শিক্ষক, শিক্ষা উপকরণ, ২৫০ শয্যার হাসপাতাল ও প্রয়োজনীয় সংখ্যক রোগী থাকার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু একশ্রেণির অর্থলোভী লগ্নিকারক নীতিমালা ভেঙে বিভিন্নভাবে বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ তৈরি করে তা পরিচালনা করে আসছে।

এর সুযোগ নিয়েই প্রতি বছর এমবিবিএস কোর্সে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে নীতিমালা মেনে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্দেশনা অনুযায়ী জাতীয় মেধাতালিকার ভিত্তিতে ভর্তি না করে নিজেদের ইচ্ছামতো শিক্ষার্থী ভর্তি করা হচ্ছে। এতে করে মেধা যাচাই না করে শুধু টাকার জোরে মেডিকেলে পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছে অনুপযুক্তরা।

১৯৮৫ সালে রাজধানীতে বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে বেসরকারিভাবে মেডিকেল শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। ওই সময় হাতে গোণা দুই চারটি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ থাকায় নতুন নিয়ম প্রণীত হয়নি।

অভিযোগ আছে, বেশ কিছু কলেজের নিজস্ব জায়গা ও হাসপাতাল নেই। পর্যাপ্তসংখ্যক প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত শিক্ষকও নেই। প্রায়োগিক শিক্ষার জন্য তারা রোগী দেখার সুযোগ পায় না। কিন্তু ভর্তির সময় শিক্ষীর্থীদের থেকে ইচ্ছামত ফি নেয়া হয়। এসব প্রতিষ্ঠানের ওপর স্বাস্থ্য অধিদফতর ও মন্ত্রণালয়ের কার্যত কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।

এদিকে, বর্তমান সরকারের মেয়াদেও নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে বেশ কয়েকটি মেডিকেল কলেজ অনুমোদন পেয়েছে।

এসব প্রতিষ্ঠানের জন্য এলাকাভেদে জমির পরিমাণ, বরাদ্দকৃত জায়গা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত, শিক্ষকদের যোগ্যতা ও নিয়োগ, মেয়াদ ও অন্যান্য শর্ত বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের বিধিবিধান অনুযায়ী হবে বলে আইনের খসড়ায় বলা হয়েছে।

সরকারের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সহ-উপাচার্য ও বিশিষ্ট চিকিৎসক রশীদ-ই-মাহবুব। তিনি বলেন, বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজগুলোর ওপর সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আইনটি হলে কিছুটা অন্তত লাভ হবে।

মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ স্থাপন ও পরিচালনার জন্য কোনো আইন নেই। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য একটি বিধি আছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (চিকিৎসা, শিক্ষা ও জনশক্তি উন্নয়ন) শাহ আবদুল লতিফ (অতি সম্প্রতি তাকে ওএসডি করা হয়েছে) বলেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদফতর বিভিন্ন সময় নানা অভিযোগে একাধিক কলেজ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু এসব প্রতিষ্ঠান পরিচালনার কোনো আ্ইন না থাকায় তারা আদালতে গিয়ে পাড় পাচ্ছে। কিন্তু নীতি অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নেয়া কোনো বিধান নেই।

তিনি বলেন, আইনের খসড়া নিয়ে ব্যাপকভিত্তিক আলোচনা হওয়া দরকার। বেসরকারি এসব কলেজ যেন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পরিণত না হয়, সেই সুরক্ষা আইনে থাকতে হবে।

মাস্টার্স শেষপর্ব পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বৃদ্ধি

স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর ॥ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৫ সালের মাস্টার্স এমএ/এমএসএস/এমবিএস/ এমএসসি ও এম মিউজ শেষ পর্ব (আইসিটিসহ নিয়মিত, অনিয়মিত, মানোন্নয়ন ও প্রাইভেট) পরীক্ষার আবেদন ফরম পূরণের সময়সীমা আগামী ৮ হতে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট ও http://www.nu.edu.bd থেকে জানা যাবে।

মাস্টার্স প্রাইভেট রেজিস্ট্রেশনের সময় বৃদ্ধি

ঢাকা:

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬ সালের মাস্টার্স (প্রাইভেট) অনলাইন রেজিস্ট্রেশনের সময়সীমা আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

বুধবার (২০ ডিসেম্বর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে জানানো হয়, ২০১৬ সালের মাস্টার্স (প্রাইভেট) অনলাইন রেজেস্ট্রেশনের সময়সীমা আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে। ওইদিন রাত ১২টা পর্যন্ত রেজিস্ট্রেশন করা যাবে।

এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট (www.admissions.nu.edu.bd অথবা nu.edu.bd/admissions) Master’s (Private) অপশনের  Admission Circular Link থেকে জানা যাবে।

অপর একটি বিজ্ঞপ্তিতে অনিবার্য কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬ সালের দ্বিতীয় বর্ষ ডিগ্রি পাস ও সার্টিফিকেট কোর্স পরীক্ষার পুনঃসংশোধিত সময়সূচি জানানো হয়েছে।

এতে জানানো হয়, দ্বিতীয় বর্ষ ডিগ্রি পাস ও সার্টিফিকেট কোর্সের আগামী ২১ ডিসেম্বরের পরীক্ষা ২৩ ডিসেম্বর এবং ২৩ ডিসেম্বরের পরীক্ষা ২৪ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।

প্রেস কর্মচারী প্রশ্নপত্র ফাঁস করত : সিআইডি

ঢাকা: ঢাকার ইন্দিরা রোডের একটি প্রেসের এক কর্মচারীর মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে আসছিল। এই চক্রটিকে চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। এই প্রেসে ছাপা হতো ভর্তির প্রশ্ন।

প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় এ পর্যন্ত ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যার মধ্যে গত ৭ ডিসেম্বর থেকে এ পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে পাঁচজন কারাগারে, তিনজন রিমান্ডে এবং দুজন গ্রেপ্তার আছেন।

আজ রাজধানীর মালিবাগে এক সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্যা নজরুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।

মোল্যা নজরুল জানান, সর্বশেষ গতকাল বুধবার জামালপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সাইফুল ইসলামকে। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আজ বৃহস্পতিবার ফার্মগেটের ইন্দিরা রোড থেকে গ্রেপ্তার করা হয় খান বাহাদুরকে। তিনি এই প্রেসের কর্মচারী। যার মাধ্যমে মূলত প্রশ্ন ফাঁসের সূত্রপাত।

তিনি বলেন, খান বাহাদুররে সঙ্গে পরিচয় ছিল সাইফুল ইসলামের। সাইফুলের সঙ্গে পরিচয় ছিল রকিবুল হাসান নামের আরেকজনের। মূলত এই তিনজনের মাধ্যমে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন বিভিন্ন জায়গায় ছড়ায়। এই তিনজনকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ২০১৫ ও ২০১৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে। আর চলতি বছর এই পরীক্ষা নিয়ে ডিজিটাল জালিয়াতি করা হয়েছে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, এই প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ২ থেকে ৭ লাখ টাকার লেনদেন হতো।

ঢাবি সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের প্রথম নির্বাচিত নারী ডিন সাদেকা হালিম

বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার ॥ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ৯৬ বছরের ইতিহাসে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের প্রথম নারী ডিন হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম। অনুষদটিতে এর আগে কোন নারী ডিন হিসেবে নির্বাচিত হয়নি।

বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে ডিন হিসেবে অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিমকে সমর্থন দেয় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির সমর্থনে এই প্রথম সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের নেতৃত্বে আসল একজন নারী ডিন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩ এর ২৭(৫) ধারা এবং অধ্যাদেশের (২য় খ-) নির্বাচন সংক্রান্ত ১৮ নং অধ্যায়ে বর্ণিত পদ্ধতি অনুযায়ী এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। অধ্যাপক সাদেকা হালিম বলেন, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি আমাকে সমর্থন দিয়েছে। আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। সকল-শিক্ষক শিক্ষার্থীদের নিয়ে উন্নয়নের ধারা সমুন্নত রাখব।

বয়স বিভ্রান্তিতে সরকারি স্কুলে ভর্তি

ডেস্ক : এবার স্কুলে ভর্তি ক্ষেত্রে বয়স নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। সরকারি স্কুলে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তিতে শিশুর বয়স ৬+ বছর হতে হবে। এই হিসাব করে অন্য শ্রেণিতে ভর্তির বয়স নির্ধারণ করছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। এতে বিপাকে পড়েছেন ষষ্ঠ ও নবম শ্রেণিতে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা। জানুয়ারিতে ২০১৮ শিক্ষাবর্ষে এসব বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য বয়সসীমা নির্ধারণ করেছে ১১+ বছর। অন্যদিকে পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক সমাপনীতে অংশ নেয়া শিশুদের বয়স ১০+ বছর। আর অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় অংশ নেয়া শিক্ষার্থীরা সমস্যায় পড়েছে। এ অবস্থায় সন্তানের ভর্তি নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন লাখ লাখ অভিভাবক। ইতোমধ্যে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর।

অভিভাবকরা বলছেন, এ বছর হঠাৎ করেই ভর্তির বয়সসীমা এক বছর বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য বয়স ন্যূনতম ৬ বছর (লটারি), তৃতীয় শ্রেণির জন্য ৮ বছর এবং ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য ১১ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। বাস্তবে তৃতীয় ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তিচ্ছু ৯৫ ভাগ শিক্ষার্থীর বয়স যথাক্রমে ৭ এবং ১০ বছরের বেশি, কিন্তু ৮ ও ১১ বছরের কম। অন্য বছর ৭+ এবং ১০+ বছরের শিক্ষার্থীরাই এ দুটি শ্রেণিতে ভর্তি হতো। তারা বলেন, হঠাৎ বয়স বাড়ানোর এ সিদ্ধান্তে বেশি অসুবিধায় পড়েছে পঞ্চম শ্রেণিতে সমাপনী দেয়া শিক্ষার্থীরা।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) উপপরিচালক (মাধ্যমিক) মো. মোস্তফা কামাল মানবকণ্ঠকে বলেন, প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য ন্যূনতম বয়স নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্য শ্রেণিতে ভর্তির জন্য বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়নি। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেয়া হয়েছে বলে জানান। তিনি বলেন, অন্য শ্রেণিতে ভর্তির জন্য পূর্বের নিয়ম বিদ্যমান রয়েছে।

১ ডিসেম্বর থেকে দেশের সরকারি স্কুলগুলোতে ভর্তি আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। রাজধানীর ৩৫টি সরকারি স্কুলে প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তি করা হবে। অনলাইনে আগামী ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন চলবে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে ল্যাবরেটরি হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, শেরেবাংলা নগর গভ. বয়েজ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল, মতিঝিল গভ. বয়েজ স্কুল অ্যান্ড কলেজ, শেরেবাংলা নগর গভ. গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও আজিমপুর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

গতবারের মতো ২০১৮ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা মহানগরের সরকারি মাধ্যমিক স্কুলগুলোকে ‘এ’ ‘বি’ ও ‘সি’ এ তিন ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে। ‘এ’ ক্যাটাগরিতে ১৩টি, ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ১২টি ও ‘সি’ ক্যাটাগরিতে ১২টি স্কুল রয়েছে। লটারির মাধ্যমে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি করা হবে। আগামী ২৬ ডিসেম্বর লটারি অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লিখিত পরীক্ষা নেয়া হবে। ‘এ’ ক্যাটাগরির ভর্তি পরীক্ষা ১৯ ডিসেম্বর, ‘বি’ ক্যাটাগরির ২০ ডিসেম্বর এবং ‘সি’ ক্যাটাগরির ভর্তি পরীক্ষা ২১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। সব পরীক্ষার ফল ৩০ ডিসেম্বর প্রকাশ করা হবে। আগামী ১ জানুয়ারি থেকে ক্লাস শুরু হবে।

‘এ’ গ্রুপের স্কুল হচ্ছে গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুল, তেজগাঁও সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, মতিঝিল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, খিলগাঁও সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, নিউ গভর্নমেন্ট গার্লস হাই স্কুল, নবাবপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, ইসলামিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, ধানমণ্ডি কামরুন্নেসা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়, রূপনগর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, আজিমপুর গালর্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ, উত্তরখান সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, শেখ জামাল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মোহাম্মদপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় (ফিডার শাখা)।

‘বি’ গ্রুপের স্কুলগুলো হচ্ছে মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়, নারিন্দা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, গভ. মুসলিম হাই স্কুল, বাংলাবাজার সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, শেরে বাংলা নগর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়, সরকারি বিজ্ঞান কলেজ সংযুক্ত হাই স্কুল, ধানমণ্ডি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও মোহাম্মদপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, হাজী এম এ গফুর সরকারি মাধ্যমিক স্কুল, বঙ্গমাতা শেখ ফাজিলাতুন্নেছা মুজিব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, জুরাইন শেখ কামাল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, দারুস সালাম সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ধানমণ্ডি গভ. বয়েজ হাই স্কুল (ফিডার শাখা)।

‘সি’ গ্রুপের স্কুলগুলো হচ্ছে ধানমন্ডি গভ. বয়েজ হাই স্কুল, আরমানিটোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, শেরে বাংলা নগর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, টিকাটুলী কামরুন্নেসা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, তেজগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল, ও গণভবন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, মিরপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, শহীদ শেখ রাসেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, ভাসানটেক সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মোহাম্মদপুর কমার্শিয়াল ইনস্টিটিউট সরকারি মাধ্যমিক স্কুল, খিলগাঁও সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় (ফিডার শাখা)।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মুখ ফেরাচ্ছে বিদেশি শিক্ষার্থীরা

ডেস্ক: দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে বিদেশি শিক্ষার্থীরা। এ কারণে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে ইচ্ছুক বিদেশিদের ভর্তি সংখ্যা গত কয়েক বছর থেকে হ্রাস পাচ্ছে বলে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) বার্ষিক প্রতিবেদনে জানা গেছে।

তবে আশার কথা হচ্ছে, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ালেখার মান বৃদ্ধি পাওয়ায় বিদেশি শিক্ষার্থীরা সেদিকে ছুটছেন। ফলে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সংখ্যা কমলেও বিদেশি শিক্ষার্থী সংখ্যা বেড়েছে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে।
সূত্র মতে ইউজিসির বার্ষিক প্রতিবেদন-২০১৬ এর এক পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে দেশের ৩৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ১৯টিতে মাত্র ৩৫৫ বিদেশি শিক্ষার্থী অধ্যায়ন করেছে। অন্যদিকে দেশের চলমান ৯০ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৪ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়ন করছে ১৯২৭ বিদেশি শিক্ষার্থী ।

পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০১০ সালে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিদেশি শিক্ষার্থী ছিল ৩৫৯ জন, ২০১১ সালে তা কমে দাঁড়ায় ২১০ জনে, আবার ২০১২ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ৫২৫ জনে, ২০১৩ সালে আবারও প্রায় দুইশত শিক্ষার্থী কমে দাঁড়ায় ৩২৬ জনে, ২০১৪ সালে একশ বেড়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা দাঁড়ায় ৪৩২ জনে, ২০১৫ সালেও অন্তত দেড়শ বেড়ে দাঁড়ায় ৫৯৩ জন এবং সর্বশেষ ২০১৬ তে শিক্ষার্থী কমে দাঁড়িয়েছে ৩৫৫ জনে। অর্থাৎ ছয় বছর আগে ২০১০ সালে যা ছিল তার চেয়ে চারজন কম শিক্ষার্থী অধ্যায়ন করেছে ২০১৬ সালে।

এদিকে, ২০১৫ সালে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশি শিক্ষার্থী ছিল ১৫৪৮ জন। ২০১৬ সালে ৩৭৯ শিক্ষার্থী বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯২৭ জনে।

২০১৬ সালে সব থেকে বেশি অন্তত ৩৪ শিক্ষার্থী এসেছে মিসর থেকে। তারা ৩৩টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছে। এছাড়া ইউনাইটেড আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে এসেছে ৩২, ফিলিপাইনের ৩১, মিয়ানমারের ৩০ জন।

এ ছাড়া জিম্বাবুয়ে, জাম্বিয়া, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, গিরিসন, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, পাকিস্তান এবং ভরত থেকেও পড়াশোনা করতে দেশে এসেছে শিক্ষার্থীরা। সব থেকে কম শিক্ষার্থী মাত্র একজন এসেছে ভারত থেকে।

ইউজিসির প্রতিবেদন থেকে দেখা গেছে, প্রতিবছরই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। কারণ বর্তমানে দেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে ব্যাপক ডিজিটালাইজেশন হয়েছে। ফলে বিদেশি শিক্ষার্থীরা তথ্য ও প্রযুক্তির মাধ্যমে বিশ্বের যে কোনো প্রান্ত থেকে উচ্চশিক্ষার কোর্স-কারিকুলাম, সিলেবাস ইত্যাদি দেখে বাংলাদেশে পড়তে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে।

পরিসংখ্যানে আরও দেখা যায়, বেশ কয়েকটি উন্নত দেশ  (যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, চীন, কানাডা, ইত্যাদি) থেকে শিক্ষার্থীরা পড়তে এসেছে। সে কারণে বর্হিবিশ্বে একদিকে যেমন দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হচ্ছে অপরদিকে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের হারও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি বিদেশি শিক্ষার্থীদের এমন আগ্রহের পেছনে চারটি কারণ রয়েছে বলে মনে করেন বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির সহ-সভাপতি ও ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নান চৌধুরী।

তিনি বলেন, দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে খরচ কম, আফ্রিকান দেশগুলোর চেয়ে বাংলাদেশের আবহাওয়া-পরিবেশ অনেক ভালো, শিক্ষার গুণগতমান ঠিকঠাক রাখার চেষ্টা এবং উচ্চ শিক্ষার মান নিশ্চিতে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়েছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম জা‌গো নিউজকে‌ বলেন, পাব‌লিক বিশ্ব‌বিদ্যালয়ের ভ‌র্তি পরীক্ষায় অ‌নেক জ‌টিল প্র‌তি‌যো‌গিতায় সফল হ‌ওয়া ক‌ঠিন বিষয়, অথচ সহজেই অ‌নেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া যা‌চ্ছে। ফ‌লেই এমন প‌রি‌স্থি‌তি সৃ‌ষ্টি হ‌য়ে‌ছে। ‌বি‌দেশি শিক্ষার্থীরা সেসব বিশ্ব‌বিদ্যালয় থে‌কে সহ‌জেই ডি‌গ্রিও পে‌য়ে যা‌চ্ছে।

‌তি‌নি আ‌রও ব‌লেন, বিশ্বের বি‌ভিন্ন দেশে ভ‌র্তিসংক্রান্ত ক্যাম্পেইন করে বেসরকা‌রি বিশ্ব‌বিদ্যালয়, যেটা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পক্ষে সম্ভব হয় না। এছাড়া বিদেশি শিক্ষার্থীদের পর্যাপ্ত সু‌যোগ-সুবিধার অভাব র‌য়ে‌ছে, যা বেসরকা‌রি‌তে মিল‌ছে। এ কার‌ণে পাব‌লিক বিশ্ব‌বিদ্যালয়ে বি‌দেশি শিক্ষার্থীদের ভ‌র্তি কম‌ছে।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মান্নান বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশি শিক্ষার্থী না বাড়ার কারণ হচ্ছে, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য তেমন প্রচার প্রচারণা করে না। তাছাড়া যেসব দেশে এক সময় উচ্চশিক্ষার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ছিল না সেসব দেশে এখন বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে। ফলে ওইসব দেশ থেকে শিক্ষার্থী তেমন আসে না। যেমন, ভুটান, নেপাল, মালায়শিয়াতে এক সময় উচ্চ শিক্ষার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ছিল না। এখন তারা অনেক উন্নত। আবার বেশিরভাগ দেশে উচ্চশিক্ষার চেয়ে কারিগরি ও কর্মমূখী শিক্ষার প্রতি জোর দিয়েছে। এ কারণেও তারা উচ্চশিক্ষা নিতে বাংলাদেশে আসে না।

ঢাবি শিক্ষক সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত

বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাব ভবনে সোমবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত এ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলে বলে নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক তোফায়েল আহমদ চৌধুরী জানান।

রসায়ন বিভাগের এই অধ্যাপক বলেন, এবার ভোটার ছিলেন মোট দুই হাজার ১০ জন। গণনা শেষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

শিক্ষক সমিতির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ কার্যকরী পরিষদের ১৫টি পদে এ নির্বাচনে বরাবরের মতই আওয়ামী লীগ ও বিএনপি-জামায়াত সমর্থক শিক্ষকদের দুটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। বামপন্থি শিক্ষকদের গোলাপী দল গতবছর আলাদা প্যানেলে নির্বাচনে অংশ নিলেও এবার তারা প্রার্থী দেয়নি।

এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাব চত্বর এলাকা সকাল থেকেই শিক্ষকদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে। ভিসি চত্বর থেকে নীলক্ষেতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান তোরণ পর্যন্ত এলাকায় রাস্তার দুইধারে ভোট দিতে আসা শিক্ষকদের গাড়ির ভিড় দেখা যায়।

শিক্ষক সমিতির বর্তমান সভাপতি অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল এবারও আওয়ামী লীগ সমর্থক নীল প্যানেলের সভাপতি প্রার্থী। তার সঙ্গে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছেন বিদায়ী কমিটির সহ-সভাপতি অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম।

আর বিএনপি সমর্থক সাদা প্যানেলের সভাপতি প্রার্থী পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী পরিসংখ্যান বিভাগের  অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান।

নীল দলের সভাপতি প্রার্থী অধ্যাপক মাকসুদ কামাল মাস্টারদা সূর্যসেন হলের প্রাধ্যক্ষ ও আর্থ এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন। সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন ও ব্যাংকিং এন্ড ইনসুরেন্স বিভাগের অধ্যাপক ও সিনেট সদস্য।

সাদা দলের সভাপতি প্রার্থী অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম সিনেট সদস্য। সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান সিনেট ও সিন্ডিকেট সদস্য।

গত কয়েক বছর ধরে এই শিক্ষক সমিতিতে আওয়ামী লীগ সমর্থক প্যানেল জয়ী হয়ে আসছে। তার আগে টানা কয়েকবার বিএনপি সমর্থকরা এই সমিতির নিয়ন্ত্রণে ছিল।

নীল দলের সভাপতি প্রার্থী অধ‌্যাপক মাকসুদ কামাল নিবার্চন চলাকালে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “শিক্ষকরা আমাদের ভোটের মাধ্যমে জয়ী করবেন- এটা প্রত্যাশা করি, কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নের পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হিসাবে আমাদের প্যানেল শিক্ষকদের দাবি পূরণে অব্যাহতভাবে অবদান রেখে আসছে।

“২০২১ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন সামনে রেখে আমরা যে নির্বাচনী ইশতেহার দিয়েছি, তাতে সমর্থন জানিয়ে শিক্ষকরা আমাদের জয়যুক্ত করবে, এটাই আশা করি।”

সাদা দলের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমরা যদি জিততে পারি এবং সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাই, তাহলে শিক্ষক সমিতির ঐতিহ্য নিয়ে কাজ করব। শিক্ষকদের পেশাগত সুযোগ সুবিধা, বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন সচল রাখব।”

তিনি বলেন, “শিক্ষকরা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনয় রেখে ভোট দেবেন এবং আমাদের বিজয়ী করবেন বলেই আমরা আশা রাখি।”

নীল প্যানেলের প্রার্থী

সহ-সভাপতি উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও জীব বিজ্ঞান অনুষদের ডিন মো. ইমদাদুল হক; যুগ্ম-সম্পাদক  ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক তাজিন আজিজ চৌধুরী; কোষাধ্যক্ষ একাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন  আহমেদ।

সদস্য প্রার্থীরা হলেন- গণিত বিভাগের অধ্যাপক  চন্দ্রনাথ পোদ্দার, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের জিনাত হুদা, সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মুহাম্মাদ সামাদ, লেদার এন্ড টেকনোলজি এবং ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিউটিটের পরিচালক অধ্যাপক মো. আফতাব আলী শেখ, ক্রিমিনোলজি বিভাগের অধ্যাপক মো. জিয়াউর রহমান,খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক নিজামুল হক ভূঁইয়া, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন  অধ্যাপক সাদেকা হালিম, অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সাবিতা রিজওয়ানা রহমান,ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের সৈয়দ মোহাম্মদ শামছুদ্দিন ও বাংলা বিভাগের অধ্যাপক সৌমিত্র শেখর দে।

সাদা প্যানেলের প্রার্থী

সহ-সভাপতি ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান, যুগ্ম-সম্পাদক ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি বিভাগের অধ্যাপক মো. আসলাম হোসেন; কোষাধ্যক্ষ মার্কেটিং বিভাগ অধ্যাপক  এ বি এম শহিদুল ইসলাম।

সদস্য প্রার্থীরা হলেন- প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ইয়ারুল কবীর, সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এ এস এম আমানুল্লাহ, সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক গোলাম রব্বানী, পালি ও বুড্ডিস্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক দিলীপ কুমার বড়ুয়া, উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের মোহাম্মাদ জসীম উদ্দিন, জিন প্রকৌশল  ও জীবপ্রযুক্তি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মাদ নাজমুল আহসান, গ্রাফিক ডিজাইন বিভাগের মো. ইসরাফিল প্রাং , ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান মো. নুরুল আমিন, ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক মো. মহিউদ্দিন, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন ও কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশলী বিভাগের অধ্যাপক মো. হাসানুজ্জামান।

পরীক্ষা কার্যক্রমে ১০ বছর নিষিদ্ধ রাবির দুই শিক্ষক

রাবি প্রতিনিধি:রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) চারুকলা অনুষদের ভর্তি পরীক্ষায় সাম্প্রদায়িক প্রশ্নপত্র প্রণয়নের দায়ে দুই শিক্ষককে ১০ বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো ধরনের পরীক্ষা কার্যক্রমে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বুধবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৭৪তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে জানান সিন্ডিকিটে সদস্য মো. মামুন আব্দুল কাইয়ূম।

ওই দুই শিক্ষক হলেন- চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান এবং চিত্রকলা, প্রাচ্যকলা ও ছাপচিত্র বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. জিল্লুর রহমান।

সিন্ডিকিটে সদস্য মামুন আব্দুল কাইয়ূম জানান, ডিনের পদ থেকে অব্যাহতির জন্য আইনগত কোনো বাধা যদি না থাকে, তাহলে অধ্যাপক মোস্তাফিজুরকে অব্যাহতি দেয়া হবে বলেও সিদ্ধান্ত হয়। এছাড়া শিক্ষক জিল্লুর রহমান ‘সহযোগী অধ্যাপক’ পদে পদন্নোতি পাবেন নির্ধারিত সময়ের পাঁচ বছর পর।

এর আগে ২৫ অক্টোবর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষপূর্ণ দুটি প্রশ্ন করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। চারুকলা অনুষদের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ৪১ ও ৭৬ নং প্রশ্নে এমন বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়।

ওই প্রশ্ন দুটি একটি হলো, ‘পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থের নাম কী?’ এই প্রশ্নের চারটি অপশন ছিল- ক. পবিত্র কুরআন শরীফ খ. পবিত্র বাইবেল গ. পবিত্র ইঞ্জিল ঘ. গীতা। অন্য প্রশ্নটি হলো ‘মুসলমান রোহিঙ্গাদের উপর মায়ানমারের সেনাবাহিনী ও বৌদ্ধধর্মালম্বীরা সশস্ত্র হামলা চালায় কত তারিখে?’ যার চারটি অপশন ছিল- ক. ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭ খ. ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭ গ. ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ঘ. ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭।

এ ঘটনায় গত ২৮ অক্টোবর উপ-উপার্চায অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহাকে প্রধান করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে আরও ছিলেন- ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক মো. শহীদুল্লাহ, ফলতি পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবু বকর মো. ইসমাইল ও রসায়ন বভিাগরে অধ্যাপক নজরুল ইসলাম। ওই তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের পরই সিন্ডিকেটে দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হলো।

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter