ক্যাম্পাস

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে তল্লাশি দুই বস্তা অস্ত্রসহ ২০ ছাত্রলীগ কর্মী আটক

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শাহ জালাল ও সোহরাওয়ার্দী হলে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্রসহ ২০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। আটকরা ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ও সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দিনের অনুসারী বলে জানা গেছে।

বুধবার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাড়ে ৭টা পর্যন্ত এই অভিযান চালানো হয়। এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মশিউদ্দৌলা।

তিনি জানান, গতকালের সংঘর্ষের পর দুই হলে দেড় ঘন্টাব্যাপী তল্লাশি চালিয়ে পাঁচটি মোটরসাইকেল, দুই বস্তা দেশীয় অস্ত্র ও তিন বস্তা পাথর উদ্ধার করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই করে আটকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি আরও জানান, বৈধ মালিক ও কাগজপত্র না থাকায় মোটরসাইকেলগুলো জব্দ করা হয়। এছাড়া উভয় হলের ১৫টি কক্ষ সিলগালা করে দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী জানান, বিশৃঙ্খলা এড়াতে এবং ক্যাম্পাসে শান্তি ফিরিয়ে আনতে এই তল্লাশি অভিযান চালানো হয়েছে। আটকদের বিরুদ্ধে নিয়মানুযায়ী পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার (২৭ মার্চ) বিকালে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দিনের অনুসারী ভিএক্স ও সিএক্সটি নাইন গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় আজ সারাদিন ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এইচএসসির প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ৪ পরিপত্র

নিজস্ব প্রতিবেদক | :
উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) এবং সমমান পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস রোধে শিক্ষা মন্ত্রণালয়  চারটি পরিপত্র জারি করেছে।
বুধবার (২৮ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক উচ্চ বিভাগের উপসচিব আবু আলী মো: সাজ্জাদ হোসেন স্বাক্ষরিত পৃথক চারটি পরিপত্রে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশের সময়সীমা, মোবাইল ফোন বা ইলেকৈট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারে বিধিনিষেধ,প্রশ্নপত্র ট্রেজারী,থানা,ব্যাংকের নিরাপত্তা হেফাজত থেকে গ্রহণ ও কেন্দ্রে পরিবহন এবং পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী এবং পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ব্যতীত অন্যদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বেসরকারি কলেজ অনার্স-মাস্টার্সে শিক্ষক নিয়োগ কেন্দ্রীয়ভাবে

নিজস্ব প্রতিবেদক | : বেসরকারি কলেজের অনার্স-মাস্টার্স কোর্সে কেন্দ্রীয়ভাবে শিক্ষক নিয়োগের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এ সংক্রান্ত একটি বৈঠকের সিদ্ধান্ত শিক্ষামন্ত্রী অনুমোদন দিলে আগামীতে এ ধরনের নিয়োগের লক্ষ্যে প্রাথী বাছাইয়ের দায়িত্ব শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষকে (এনটিআরসিএ) দেয়া হবে।
এর আগে গত বছরের ৩০ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয় একই ধরণের সিদ্ধান্ত নিলেও তার কোনো অগ্রগতি হয়নি অদ্যাবধি।
বর্তমানে বেসরকারি অনার্স-মাস্টার্স শিক্ষকদের নিয়োগের ক্ষমতা কলেজের গভর্নিং বডির হাতে। কিন্তু এতে মানসম্পন্ন শিক্ষক নিয়োগ না পাওয়া এবং নিয়োগে প্রায়ই বাণিজ্যসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। তাছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদনে কলেজের অনার্স ও মাস্টার্স শিক্ষার মান সম্পর্কে আপত্তি আছে।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহবার হোসাইন। এতে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব  ড. মোল্লা জালাল উদ্দিন, অতিরিক্ত সচিব  চৌধুরী মুফাদ আহমেদ, অতিরিক্ত সচিব জাবেদ আহমেদ, এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান  এমএম আজহার, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কারমাইকেল কলেজের অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ ওএসডি

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর :

রংপুর কারমাইকেল কলেজে অধ্যক্ষের অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে শিক্ষকদের আন্দোলনের দেড় মাসের মাথায় কলেজের অধ্যক্ষ ড. আবদুল লতিফ মিয়া ও উপাধ্যক্ষ আবদুর রাজ্জাককে ওএসডি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) তাদের দুজনকেই বদলি করা হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব ফাতেমা-তুল-জান্নাত স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই আদেশের কথা জানানো হয়। তবে কে হচ্ছেন পরবর্তী কারমাইকেল কলেজের নতুন অধ্যক্ষ তার নাম এখনও ঘোষণা করা হয়নি।

কলেজ সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষামন্ত্রীর ভায়রা ও কলেজ অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আবদুল লতিফ মিয়ার নানা অনিয়ম, দুর্নীতি এবং শিক্ষকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের ফলে অধ্যক্ষের অপসারণ দাবিতে ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে শিক্ষকরা অবস্থান ধর্মঘট ও কালো ব্যাজ ধারণ কর্মসূচি পালন করে আসছে। পরবর্তীতে অধ্যক্ষ ও শিক্ষকদের মধ্যে সমস্যা সমাধানের দাবিতে স্বাধীনতা সপক্ষের সব ছাত্র সংগঠন ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে কলেজে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটির প্রধান ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর ঢাকার পরিচালক (প্রশিক্ষক) অধ্যাপক ড. আবদুল মালেক। তদন্ত দলের অন্য দুই সদস্য ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর হোসেন এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মানবসম্পদ বিভাগের উপ-পরিচালক নাসির উদ্দিন। কমিটির সবাই ১৯ ফেব্রুয়ারি কারমাইকেল কলেজে আসেন। এরপর দুদিন অধ্যক্ষ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মচারী, কলেজে  বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের লিখিত বক্তব্য নেন। তাদের তদন্তের ভিত্তিতেই কলেজ অধ্যক্ষ ড. আবদুল লতিফ মিয়া ও উপাধ্যক্ষ আবদুর রাজ্জাককে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর ঢাকায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

উপাধ্যক্ষ আবদুর রাজ্জাকের চাকরির মেয়াদ আগামী জুন পর্যন্ত এবং অধ্যক্ষ ড. আবদুল লতিফ মিয়ার আগামী আগস্ট পর্যন্ত রয়েছে।

এদিকে অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষকে অন্যত্র বদলি করায় সাধারণ শিক্ষার্থীর মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। এখন আগের মতোই ঐতিহ্যবাহী কারমাইকেল কলেজে ক্লাস ও পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এ ব্যাপারে অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আবদুল লতিফ মিয়া জানান, এখনও বদলির চিঠি পাইনি, তবে শুনেছি। চিঠি পেলেই সে অনুযায়ী যোগদান করব।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সোয়া লাখ শিক্ষক কর্মচারীর পদ সৃষ্টি হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
শিক্ষাবার্তা ডটকম,২৭ মার্চ:
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিনের জনবল সংকট অবশেষে কেটে যাচ্ছে। সৃষ্টি করা হচ্ছে নতুন পদ। এতে ক্লাস রুমে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক সংকটও দূর হবে। অন্তত সোয়া লাখ শিক্ষক-কর্মচারীর নতুন পদ সৃষ্টি করা হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এ উদ্যোগ নিয়েছে। আসছে বাজেটে নতুন করে প্রায় দেড় হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এতে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার ৯৮ ভাগ নিয়ন্ত্রণকারী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোয় ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে মনে করছেন শিক্ষা-সংশ্নিষ্টরা। নতুন এমপিওভুক্তির জন্য ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮’ চূড়ান্ত করা হয়েছে।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (মাধ্যমিক) জাবেদ আহমেদ বলেন, ২০১২ সন থেকে নতুন শিক্ষাক্রমের আলোকে আইসিটিসহ বেশকিছু নতুন বিষয় চালু হয়েছে। অথচ এমপিওভুক্তির জনবল কাঠামোয় ওইসব বিষয়ের শিক্ষকের পদ সৃষ্টি করা হয়নি। এতে শিক্ষক সংকটের কারণে দেশব্যাপী মানসম্মত পাঠদান বিঘ্নিত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে জনবল কাঠামো সংশোধন করা হচ্ছে। শিক্ষক সংকটের কারণে বর্তমানে এক বিষয়ের শিক্ষক অন্য বিষয়ও পড়াচ্ছেন। এতে শিক্ষার্থীরা গুণগত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এসব বিষয় বিবেচনা করে নতুন জনবল কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। তিনি জানান, শিগগির নতুন জনবল কাঠামো জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে বেসরকারি শিক্ষকদের চাকরিতে প্রবেশের নির্দিষ্ট কোনো বয়স নেই।  বয়সের বিষয়টি নির্ধারণ করা হয়েছে।
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বর্তমান জনবল কাঠামো অনুযায়ী, নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বাংলা, ইংরেজি ও সামাজিক বিজ্ঞান বিষয়ে একটি করে পদ রয়েছে। নতুন জনবল কাঠামোতে এ তিনটি পদ ছাড়াও কৃষি, গার্হস্থ্য, গণিত, ভৌত বিজ্ঞান, ধর্ম, শারীরিক শিক্ষা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, চারু ও কারুকলার নতুন পদ সৃষ্টি হবে। কম্পিউটার ল্যাব থাকলে একজন ল্যাব অপারেটর নিয়োগ দেওয়া যাবে। এ ছাড়া অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহায়ক, নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতা কর্মী, নৈশপ্রহরী ও আয়াসহ (সহশিক্ষা ও বালিকা বিদ্যালয়) ১৯টি করে পদের প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমানে নয়টি করে পদ রয়েছে।
মাধ্যমিক স্কুলে বাংলা, ইংরেজি, সামাজিক বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ের তিনজন শিক্ষকের এমপিওভুক্ত পদ রয়েছে। নতুন করে সামাজিক বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা (বিজ্ঞান বিভাগ চালু থাকলে) বিষয়ে আলাদা দুটি পদসহ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, গণিত, ভৌত বিজ্ঞান, ধর্ম, শারীরিক শিক্ষা, কৃষি, গার্হস্থ্য, চারু ও কারুকলা, জীব বিজ্ঞান (বিজ্ঞান বিভাগ চালু থাকলে) শিক্ষকের পদ সৃষ্টির প্রস্তাব করা হয়েছে।
সরকার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে শারীরিক শিক্ষা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং চারু ও কারুকলা বিষয় চালু করেছে। এসব বিষয়ে নতুন পদ সৃষ্টি হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুল-কলেজে বিজ্ঞানের একজন শিক্ষকের পদ এমপিওভুক্ত রয়েছে। তিনি একাই পদার্থ, রসায়ন, জীববিদ্যা ও উচ্চতর গণিত পড়ান। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, ভৌতবিজ্ঞান এবং জীববিজ্ঞান বিষয়ে আলাদা শিক্ষক এমপিওভুক্ত হবেন। কৃষি ও গার্হস্থ্য আলাদা বিশেষায়িত বিষয়। কিন্তু এখন ক্লাসে একজন শিক্ষককে বিষয় দুটি পড়াতে হয়। নতুন জনবল কাঠামোতে এ দুটি বিষয়ে আলাদা পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। শরীরচর্চা শিক্ষক যারা ছিলেন তারা শারীরিক শিক্ষা বিষয়ের শিক্ষক হিসেবে গণ্য হবেন। এ ছাড়া সহকারী গ্রন্থাগার কাম ক্যাটালগার, কম্পিউটার ল্যাব অপারেটরের নতুন পদ সৃষ্টি হবে। উচ্চ মাধ্যমিক কলেজে বিজ্ঞানের প্রতিটি বিষয় ছাড়াও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে একজন প্রদর্শককে এমপিওভুক্তির প্রস্তাব করা হয়েছে। উচ্চ মাধ্যমিক কলেজেও একই জনবল কাঠামো থাকবে। আর স্নাতক (পাস) স্তরে প্রতিটি বিষয়ে একজন করে ল্যাব সহকারী পদের এমপিওভুক্তির প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে সবস্তরেই ল্যাব বাধ্যতামূলক। প্রথমবারের মতো উচ্চ মাধ্যমিক কলেজে উপাধ্যক্ষ পদ সৃষ্টির প্রস্তাব করা হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় নতুন নীতিমালা অনুমোদন দিলে সারাদেশে ২৬ হাজার ৯০টি এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে আরও সোয়া লাখ শিক্ষক-কর্মচারী নতুন করে এমপিওভুক্ত হবেন।
অতিরিক্ত শ্রেণি শাখা, বিষয় ও বিভাগ খোলার নিয়ম:  নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৫০ জনের বেশি শিক্ষার্থী থাকলে অতিরিক্ত শাখা খোলা যাবে। নতুন শাখায় অন্তত ৪০ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে। পরে প্রতিটি শাখা খুলতে ৫০ জন করে শিক্ষার্থী থাকতে হবে। নতুন শাখায় বাংলা, ইংরেজি, গণিত, সামাজিক বিজ্ঞান, ভৌতবিজ্ঞান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি/গার্হস্থ্য শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া যাবে। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে বিভাগ খুলতে ২৫ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে। মাধ্যমিকে শাখা খুলতে নিম্নমাধ্যমিক স্তরের মতোই নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে। উচ্চ মাধ্যমিকে বিভাগ খুলতে ২৫ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে। নতুন বিষয় খুলতে ২৫ জন শিক্ষার্থীসহ ওই বিভাগে ১০০ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে। স্নাতক (পাস) পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানে নতুন বিষয় খুলতে হলে ২৫ জন শিক্ষার্থী ও বিভাগে ৭৫ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে। শিফট খুলতে হলে শ্রেণিভিত্তিক দেড়শ’ শিক্ষার্থী থাকতে হবে। নতুন শিফটে প্রতিটি শ্রেণিতে ৫০ জন শিক্ষার্থী হলে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকদের এমপিওভুক্ত করা হবে। মাধ্যমিক স্কুলে বিভিন্ন ধর্মের ৪০ জনের বেশি শিক্ষার্থী থাকলে একজন ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া যাবে।
শিক্ষক নিয়োগের যোগ্যতা:  নতুন নীতিমালায় শিক্ষক হিসেবে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। তৃতীয় বিভাগ বা সমমানের ডিগ্রিধারী শিক্ষক নিয়োগে কোনো বিধিনিষেধ নেই। নতুন নীতিমালায় সর্বশেষ ডিগ্রি ছাড়া শিক্ষা জীবনে একটি তৃতীয় শ্রেণিপ্রাপ্তরা আবেদন করতে পারবেন। বাংলা ও ইংরেজি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগে ৩০০ নম্বরের স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে। আগের নীতিমালায় বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে স্পষ্ট করে কিছু বলা নেই। নতুন নীতিমালায় তা স্পষ্ট করা হয়েছে। স্নাতক (পাস) স্তরে তৃতীয় শিক্ষক নিয়োগের দীর্ঘদিনের দাবি এবারও উপেক্ষিত হয়েছে। মাধ্যমিক স্কুল কলেজে উন্নীত হলে প্রধান শিক্ষক স্বপদে সবেতনে বহাল থাকবেন। কলেজ স্তর এমপিওভুক্ত না হলে প্রধান শিক্ষকের পদটি শূন্য হলে অধ্যক্ষ নিয়োগ দেওয়া যাবে না। তবে এমপিও হলে অধ্যক্ষ নিয়োগ দেওয়া যাবে। নীতিমালা অনুযায়ী প্রথমবারের মতো এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বার্ষিক মূল্যায়ন করা হবে। অর্থাৎ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মতো এসিআর চালু হবে।
গ্রেডিংয়ের মাধ্যমে এমপিওভুক্তি:  ১০০ নম্বরের গ্রেডিংয়ের মাধ্যমে এবার প্রায় দেড় হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি করা হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক স্বীকৃতিতে ২৫ নম্বর (প্রতি দুই বছরের জন্য পাঁচ নম্বর। ১০ বা তার চেয়ে বেশি বয়সী প্রতিষ্ঠানের জন্য ২৫ নম্বর)। শিক্ষার্থীর সংখ্যার ওপর ২৫ নম্বর (নির্দিষ্ট সংখ্যার জন্য ১৫ নম্বর। এরপর ১০ শতাংশ বৃদ্ধিতে পাঁচ নম্বর)। পরীক্ষার্থীর সংখ্যার জন্য ২৫ নম্বর (নির্দিষ্ট সংখ্যার ক্ষেত্রে ১৫ ও পরবর্তী প্রতি ১০ জনের জন্য পাঁচ নম্বর)। পাবলিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণের জন্য ২৫ নম্বরের (নির্দিষ্ট হার অর্জনে ১৫ নম্বর ও পরবর্তী প্রতি ১০ শতাংশ পাসে পাঁচ নম্বর) গ্রেডিং করা হবে।
প্রভাষকদের এমপিওভুক্তিতে বিষয়ভিত্তিক ২৫ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে। বিজ্ঞান বিভাগে তা ১৫ জন করা হয়েছে। নতুন জনবল কাঠামোয় সৃষ্টপদের শিক্ষক-কর্মচারীদের বকেয়া বেতন-ভাতা দেওয়া হবে না। তবে নতুন পদে এমপিওভুক্ত করা হবে। নতুন জনবল কাঠামোর বাইরে কর্মরত পদ শূন্য হলে নতুন করে নিয়োগ দেওয়া যাবে না। যারা এমপিওভুক্ত নন; কিন্তু বৈধভাবে নিয়োগ পেয়েছেন তাদের নতুন পদে পদায়ন করতে হবে।
শাখা বন্ধ:  নীতিমালা জারির পরে অনুমোদিত ক্যাম্পাস ছাড়া অন্য ক্যাম্পাস ও শাখা (ব্রাঞ্চ) চালানো যাবে না। অনার্স-মাস্টার্স কলেজ, অনার্স ও কামিল মাদ্রাসা, সঙ্গীত কলেজ, শরীরচর্চা কলেজ, গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ ও নৈশকালীন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এই নীতিমালায় আনা হয়নি। ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা এমপিও বা সরকারি বেতন-ভাতা থেকে বঞ্চিত হবেন।
১৯৯৫ সনে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও কর্মচারীদের এমপিও এবং জনবল কাঠামো নীতিমালাটি তৈরি করা হয়। এরপর ২০১০ এবং ২০১৩ সনে তা দুই দফায় সংশোধন করা হয়।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দিনাজপুরে ‘স্বার্থের দ্বন্দ্বে’ দুই ভাগে বিভক্ত শিক্ষকেরা

ডেস্ক: দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘স্বার্থের দ্বন্দ্বে’ দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন ক্ষমতাসীন দল-সমর্থক শিক্ষকেরা। এ জন্য আলাদা সংগঠনও গড়ে উঠেছে। অভিযোগ উঠেছে, বর্তমান উপাচার্যের পৃষ্ঠপোষকতায় শিক্ষকদের নতুন সংগঠনটি গড়ে উঠেছে। এই সংগঠনভুক্ত শিক্ষকেরাই এখন সব ক্ষেত্রে সুবিধা পাচ্ছেন।

আর পুরোনো সংগঠনের নেতৃত্বে রয়েছেন সাবেক উপাচার্য। শিক্ষকদের এই পক্ষ এখন বর্তমান প্রশাসনের বিরুদ্ধে ভর্তিতে অনিয়ম, বিভিন্ন পদে রংপুর ও আশপাশের শিক্ষক-কর্মকর্তাদের প্রাধান্য দেওয়াসহ বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের অভিযোগ তুলছেন। এ ছাড়া তিনজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের যৌন হয়রানি করার অভিযোগ উঠলেও বর্তমান প্রশাসন যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলেও অভিযোগ উঠেছে। একাধিক শিক্ষক  বলেছেন, এভাবে চলতে থাকলে ধীরে ধীরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের ওপর বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা আছে।

১৩ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। বিদ্যালয়টিতে ১০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ও ২৮৫ জন শিক্ষক রয়েছেন।

অবশ্য বর্তমান উপাচার্য মু. আবুল কাসেমের সঙ্গে দেখা করে বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি ওই সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তাঁর ভাষ্য, শিক্ষকদের একটি পক্ষকে পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া এবং আঞ্চলিকতার অভিযোগ সত্য নয়। ভর্তি নিয়ে অভিযোগও ভিত্তিহীন। আর যাঁদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে, তাঁর মধ্যে গুরুতর অভিযোগগুলো তদন্তের জন্য নির্ধারিত কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।

কয়েকজন শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে বর্তমান উপাচার্য নিয়োগ পান। তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। তাঁর আগে উপাচার্য ছিলেন রুহুল আমিন। সাবেক উপাচার্যের পক্ষের শিক্ষকদের চেষ্টা ও আশা ছিল, রুহুল আমিনই আবার উপাচার্য হবেন। কিন্তু আওয়ামী লীগের স্থানীয় রাজনীতির প্রভাবে শেষ পর্যন্ত তিনি উপাচার্য হতে পারেননি। উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে দিনাজপুরের স্থানীয় তিনজন সাংসদ পক্ষ-বিপক্ষে ভূমিকা নেন। এখনো এর প্রভাব কাজ করছে। রুহুল আমিন প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরামের সভাপতি, আর সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিনের সময় রেজিস্ট্রারের দায়িত্বে থাকা অধ্যাপক বলরাম রায়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সূত্রে জানা গেছে, মূলত উপাচার্যের পদটি ঘিরেই ‘স্বার্থের দ্বন্দ্ব’ শুরু হয়। নতুন উপাচার্য দায়িত্ব নেওয়ার পর শিক্ষকদের আরেকটি অংশ তাঁর পক্ষ নিয়ে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী শিক্ষক পরিষদ’ নামে নতুন সংগঠন গড়ে তোলে। এই সংগঠনের সভাপতি মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মিজানুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক। নতুন উপাচার্য দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন দায়িত্বে থাকা প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরামের শিক্ষকদের ধীরে ধীরে সরানো শুরু হয় এবং নতুন সংগঠনের নেতারা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রশাসনিক পদে দায়িত্বে পেতে থাকেন। তখন দ্বন্দ্ব আরও বাড়তে থাকে।

নতুন সংগঠনটির একজন সহকারী অধ্যাপক  বলেন, এখন মনে হচ্ছে, এই সংগঠন মূলত উপাচার্যের উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করছে এবং ক্ষমতা ভোগ করতে শুরু করেছেন কয়েকজন শিক্ষক। একটি পক্ষ আগে ‘বিজনেস’ করেছে, এখন আরেক পক্ষ চেষ্টা করছে। এখানে রংপুর বনাম দিনাজপুরকেন্দ্রিক দুটি উপদল হয়ে গেছে। উপাচার্যের বাড়ি লালমনিরহাটে হওয়ায় তিনি রংপুর অঞ্চলের শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। সম্প্রতি মাস্টাররোলে ১১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যেখানে আঞ্চলিকতাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়।

এখন পর্যন্ত স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমে বড় ধরনের সমস্যা না হলেও কিছু কিছু বিষয় দৃশ্যমান হচ্ছে। গত নভেম্বরে সংবাদ সম্মেলন করে চলতি শিক্ষাবর্ষে ভর্তিতে অনিয়মের অভিযোগ তোলে প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরাম। ওই সংবাদ সম্মেলনের পর প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরামের অধ্যাপক এস এম হারুন উর রশিদকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও পরামর্শ বিভাগের পরিচালক পদ থেকে সরিয়ে দেয় বর্তমান প্রশাসন। এ ঘটনার প্রতিবাদে প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরামের ডাকা অবস্থানে উপাচার্যের সমর্থক একদল শিক্ষার্থী হামলা করেন বলে অভিযোগ ওঠে।

ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বলরাম রায়  বলেন, বিভিন্ন ঘটনায় শিক্ষকদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। সব মিলিয়ে যে লক্ষণ শুরু হয়েছে, সেটা ভালো মনে হচ্ছে না। যদিও ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী শিক্ষক পরিষদ’-এর নেতা অধ্যাপক মো. মিজানুর রহমান বলেন, দলাদলি সব বিশ্ববিদ্যালয়েই কমবেশি আছে।

বিশ্ববিদ্যালয়টিতে সহ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ না থাকায় উপাচার্যই সবকিছুতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন।

যৌন হয়রানির যথাযথ বিচার হয় না

গত বছরের জুলাই মাসে বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বিভাগের এক সহকারী অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ওই বিভাগের এমএসের এক ছাত্রী যৌন হয়রানি ও মানসিক নির্যাতনের লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযুক্ত ওই শিক্ষক ওই ছাত্রীর তত্ত্বাবধানে ছিলেন। পরে তদন্ত কমিটির ভিত্তিতে ওই শিক্ষককে সতর্ক করা হয় এবং এক বছর কোনো শিক্ষার্থীকে এমএস ডিগ্রির তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

একাধিক শিক্ষক  বলেন, ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে তাঁর স্ত্রীও মামলা করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ আছে। এমন অবস্থায় তাঁর বিষয়ে গুরু পাপে লঘু দণ্ড দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, অভিযুক্ত শিক্ষক বর্তমানের প্রশাসনের ঘনিষ্ঠ হওয়ায় তাঁর প্রতি সহানুভূতি দেখাচ্ছে প্রশাসন।

ফিশারিজ অনুষদের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠলেও তাঁকে সম্প্রতি একটি আবাসিক হলের সহকারী হল সুপারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ইংরেজি বিভাগের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগে মানববন্ধন, কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়। কিন্তু তাঁকে রোভার স্কাউটের একটি দায়িত্ব দেওয়া হয়।

একাধিক শিক্ষক প্রথম আলোকে বলেন, সম্প্রতি রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকেও যৌন হয়রানিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। কিন্তু এই বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ক্ষেত্রে শিথিলতা দেখানো হচ্ছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

২৯ মার্চ থেকে এইচএসসির কোচিংগুলো বন্ধ

আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে ব্যবস্থা নিচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। যেসব কোচিং সেন্টার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে, সেগুলো ২৯ মার্চ থেকে পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আজ মঙ্গলবার  এ তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন  জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে এবং পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে বেশ কিছু সিদ্ধান্তের বিষয়ে আজ আদেশ জারি হবে।

মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ২৫ মার্চ অনুষ্ঠিত পাবলিক পরীক্ষাসংক্রান্ত জাতীয় তদারক কমিটির সভায় যেসব সিদ্ধান্ত হয়েছিল, সেগুলো আজ আদেশ আকারে জারি করা হবে। সিদ্ধান্তের মধ্যে আরও রয়েছে—পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে মোবাইল ফোনসহ ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার নিষিদ্ধ রাখা, কেন্দ্রসচিব ছাড়া আর কেউ মোবাইল ফোন কেন্দ্রে নিতে পারবেন না। তবে কেন্দ্রসচিবও শুধু একটি সাধারণ ফোন ব্যবহার করবেন। এ ছাড়া এবার ট্রেজারি বা থানা থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রশ্নপত্র কেন্দ্রে নিতে হবে।

পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগেই। এ ছাড়া কোন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা, তার সেট নির্ধারণ করা হবে পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে।

আগামী ২ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। শেষ হবে ১৪ মে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

উচ্চ মাধ্যমিকে প্রভাষকদের এমপিওতে লাগবে ২৫ শিক্ষার্থী

শফিকুল ইসলাম | : উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে (৬ষ্ঠ-১২শ) প্রভাষকদের এমপিও প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা হতে হবে নূন্যতম ২৫ জন। তবে বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষকের এমপিও প্রাপ্তির ক্ষেত্রে এ সংখ্যা ন্যূনতম ১৫ জন হতে হবে।
উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে (৬ষ্ঠ-১২শ) অতিরিক্ত শ্রেণি শাখা/বিষয়/বিভাগ খোলার শর্তাবলিতে বলা হয়েছে, একাদশ শ্রেণিতে মানবিক, বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা খোলার জন্য প্রতি বিভাগে ২৫ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে। উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে সাধারণ প্রতি বিভাগে চারটি বিষয় থাকতে হবে। তবে ৫ম বা ততোধিক বিষয় খুলতে হলে ওই বিষয় কমপক্ষে ২৫ জন শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগে মোট শিক্ষার্থী ১০০ জন হতে হবে।
এমপিওর খসড়া নীতিমালায় উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের (৬ষ্ঠ-১২শ) বিদ্যমান পদের তুলনায় ৭টি পদ বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও (বেতন ভাতার সরকারি অংশ) পেতে হলে নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মতই শহর অঞ্চলে ন্যূনতম ৬০ জন শিক্ষার্থীকে পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। পাসের হার ন্যূনতম ৭০ শতাংশ হতে হবে। আর মফস্বলের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৪০ জন শিক্ষার্থীকে পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে এবং পাসের হার ন্যূনতম ৭০ শতাংশ। এমপিওর প্রস্তাবিত খসড়া নীতিমালায় জনবল কাঠামোতে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে (৬ষ্ঠ-দশম) ২৪ জন থেকে ৭ জন বাড়িয়ে ৩১ জন করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
অধ্যক্ষ/প্রধান শিক্ষক পদসংখ্যা ১ জন থাকবেন। এ পদে নিয়োগের জন্য ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগবে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সমমান অথবা স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৪ বছর মেয়াদী স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি অথবা বিএড ডিগ্রি/ সমমানসহ স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে।
অধ্যক্ষ/প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের অভিজ্ঞতা এবং চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে বয়সসীমার বিষয়ে প্রস্তাবিত নীতিমালায় বলা হয়েছে উপাধ্যক্ষ/ সহকারী অধ্যাপক পদে তিন বছরের অভিজ্ঞতাসহ প্রভাষক/সহকারী অধ্যাপক পদে ১২ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। অথবা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১৫ বছরের সহকারী শিক্ষক হিসেবে শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা লাগবে। প্রস্তাবিত ৫ম গ্রেডে বেতন স্কেল  ধরা হয়েছে (৪৩০০০-৬৯৮৫০/)।
খসড়া নীতিমালায় সহকারী প্রধান শিক্ষক  পদ সংখ্যা ১টি,সহকারী অধ্যাপক(বাংলা) পদসংখ্যা ১টি, সহকারী অধ্যাপক(ইংরেজি) পদ সংখ্যা ১টি, সহকারী অধ্যাপক (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি)পদ সংখ্যা ১টি। তবে এ ক্ষেত্রে ১টি পদ বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। সহকারী অধ্যাপক(ঐচ্ছিক প্রতি বিষয়ে)পদ সংখ্যা ১টি। সহকারী শিক্ষক(বাংলা)পদ সংখ্যা ১টি। সহকারী শিক্ষক(বাংলা), সহকারী শিক্ষক(ইংরেজি),সহকারী শিক্ষক (সামাজিক বিজ্ঞান), পদ সংখ্যা ১টি। তবে এ ক্ষেত্রে ১টি পদ বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে।
সহকারী শিক্ষক (ব্যবসায় শিক্ষা)পদ সংখ্যা ১টি। সহকারী শিক্ষক (ভৌতবিজ্ঞান),সহকারী শিক্ষক (গণিত),পদ সংখ্যা ১ তবে এ ক্ষেত্রে ১টি পদ বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। সহকরি শিক্ষক( ধর্ম), সহকারী শিক্ষক( শারীরিক শিক্ষা), পদ সংখ্যা ১টি, সহকারী শিক্ষক(কৃষি), সহকারী(শিক্ষক(গর্হস্থ্য),পদ সংখ্যা ১টি। তবে এ ক্ষেত্রে ১টি পদ বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। সহকারী শিক্ষক(চারূকারূ)পদ সংখ্যা ১টি। তবে এ ক্ষেত্রে ১টি পদ বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে।
সহকারী শিক্ষক( জীব বিজ্ঞান)পদ সংখ্যা ১টি। প্রদর্শক পদ সংখ্যা ১টি। অফিস সহকারী কাম হিসাব সহকারী পদ সংখ্যা ১টি। সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম ক্যাটালগার পদ সংখ্যা ১টি। অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপরেটর পদ সংখ্যা ২টি। তবে এ ক্ষেত্রে ১টি পদ বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে।
গবেষণাগার/ল্যাবসহকারী পদ সংখ্যা ১টি। অফিস সহায়ক পদ সংখ্যা ২টি। তবে এ ক্ষেত্রে ১টি পদ বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে।নিরাপত্তা কর্মী, মালী, পরিচ্ছন্নতা কর্মী, নৈশ প্রহরী, আয়া( বালিকা বিদ্যালয়ের জন্য)পদ সংখ্যা ১টি। তবে এ ক্ষেত্রে ২টি পদ বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হবে ১০০ নম্বরের মধ্যে দেয়া গ্রেডিংয়ের ভিত্তিতে। একাডেমিক স্বীকৃতির বয়স, শিক্ষার্থী সংখ্যা, পরীক্ষার্থী সংখ্যা এবং উত্তীর্ণের সংখ্যা- এ চারটি বিষয়ে ২৫ নম্বর করে দেয়া হবে। নীতিমালায় অসত্য তথ্য দিয়ে বা জালিয়াতি করে এমপিওভুক্তির জন্য প্রধান প্রতিষ্ঠান ও পরিচালনা কমিটি দায়ী থাকবেন বলে উল্লেখ আছে। এ ক্ষেত্রে ‘যথোপযুক্ত আইনানুগ’ ব্যবস্থার কথা উল্লেখ থাকলেও সেটা কী তা বলা হয়নি। প্রতিষ্ঠানের প্রাপ্যতা, স্বীকৃতি/অধিভুক্তি, জনবলকাঠামোর আরোপিত শর্ত, কাম্য শিক্ষার্থী-ফলাফল, পরিচালনা কমিটি না থাকলে এমপিও দেয়া হবে না। এনটিআরসিএ’র মেধাতালিকা থেকে নিয়োগ না দিলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক এমপিও পাবেন না।
নীতিমালা অনুযায়ী, এমপিওভুক্ত শিক্ষকের বার্ষিক কাজের মূল্যায়ন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হবে। নতুন প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে আঞ্চলিক সামঞ্জস্য রক্ষা করা হবে। প্রত্যেক শিক্ষকের নিজ মূল বিষয়ের বাইরে আরও ২টি বিষয়ে পাঠদানের দক্ষতা থাকতে হবে।
নীতিমালায় আরও বলা হয়, যেসব প্রতিষ্ঠানে শিফট চালু আছে, সেগুলোয় প্রতি শিফটের একেক শ্রেণীতে কমপক্ষে ১৫০ জন করে ছাত্রছাত্রী থাকতে হবে। ১৫০ জন বা এর অধিক শিক্ষার্থী থাকলেই শুধু শিফট চালু থাকবে। এ নীতিমালা জারির পর কোনো প্রতিষ্ঠানে দ্বিতীয় শিফট খোলা যাবে না। কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনুমোদিত মূল ক্যাম্পাস ছাড়া অন্য কোথাও ক্যাম্পাস বা ব্রাঞ্চ খুলতে পারবে না।
কোনো প্রতিষ্ঠানে জনবল কাঠামোর অতিরিক্ত শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ করলে বেতন-ভাতা ও আনুষঙ্গিক সুবিধার শতভাগ (প্রতিষ্ঠানকে) পরিশোধ করতে হবে। ইনডেক্সধারী শিক্ষক-কর্মচারী অন্য প্রতিষ্ঠানে যোগ দিলে তার পূর্ব অভিজ্ঞতা গণনাযোগ্য হবে। তবে যোগদানের আগের বকেয়া প্রাপ্য হবেন না। ইনডেক্সধারী শিক্ষকদের ক্ষেত্রে তাদের প্রথম নিয়োগকালীন শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রযোজ্য। এমপিওভুক্ত কোনো শিক্ষক বা কর্মচারী একাধিক পদে চাকরি বা আর্থিক লাভজনক পদে নিয়োজিত থাকতে পারবেন না। নিয়োগের ক্ষেত্রে শিক্ষাজীবনে শুধু একটি তৃতীয় বিভাগ/সমমান গ্রহণযোগ্য হবে। এ নীতিমালা জারির পর কেউ যদি বকেয়াপ্রাপ্য হন, সে ক্ষেত্রে তা পরিশোধ করা হবে না।শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী মহিলা কোটা পূরণ করতে হবে। এক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র অনুসরণ করতে হবে।
দৈনিকশিক্ষা
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পরীক্ষার ২৫ মিনিট আগে লটারির মাধ্যমে প্রশ্ন নির্ধারণ

উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে লটারির মাধ্যমে নির্ধারণ হবে কোন সেটে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে একাধিক প্রশ্নের সেট কেন্দ্রে পৌঁছাবে।

রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিতব্য এইচএসসি পরীক্ষার নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এমন তথ্য জানান মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন। এ সময় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ উপস্থিত ছিলেন।

সচিব বলেন, এবার কোন সেটে পরীক্ষা হবে সেটি পরীক্ষা কেন্দ্রের সংশ্লিষ্টরাও বলতে পারবেন না। পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে নির্ধারিত বোর্ড লটারি করে প্রশ্ন সেট নির্ধারণ করবে। এখন থেকে আর প্রশ্নপত্র সিলগালা করা হবে না। সিকিউরিটি কোডের মাধ্যমে ডাবল প্যাকেটের মাধ্যমে কেন্দ্রে প্রশ্ন পাঠানো হবে।

প্রসঙ্গত, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা আগামী ২ এপ্রিল শুরু হবে। চলবে ১৩ মে পর্যন্ত। ১ এপ্রিল সরকারি ছুটি হওয়ায় একদিন পিছিয়ে পরীক্ষার রুটিন তৈরি করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

সচিব সোহরাব হোসাইন জানান, এসএসসির মতো এইচএসসিতেও পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের বাধ্যতামূলকভাবে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে হবে। এর ব্যত্যয় হলে পরীক্ষার্থীকে আর কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না।

‘যদি বিশেষ কারণে কোনো পরীক্ষার্থীর কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেরি হয়, তবে রেজিস্ট্রি খাতায় ওই পরীক্ষার্থীর সব তথ্য সংগ্রহ করে তাকে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেয়া যাবে। একাধিক দিন এমন হলে আর তাকে ঢুকতে দেয়া হবে না। এসব তথ্য কেন্দ্র থেকে সংশ্লিষ্ট বোর্ডে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’

সচিব বলেন, প্রশ্ন ফাঁস রোধে আমরা সব চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এর সঙ্গে কারো জড়িতের প্রমাণ পাওয়া গেলে কোনোভাবেই তাকে রেহাই দেয়া হবে না।

উপস্থিত শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এ সময় বলেন, ‘এবার একাধিক প্রশ্ন তৈরি করা হবে। তবে কত সেট তৈরি হবে তা প্রকাশ করা হবে না। নিরাপত্তা জনিত কারণে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে’ বলেও জানান তিনি।

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে ২ এপ্রিল, তত্ত্বীয় পরীক্ষা চলবে ১৩ মে পর্যন্ত। সুষ্ঠুভাবে এ পরীক্ষা সম্পন্নের লক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা বোর্ডের প্রতিনিধি, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব ছাড়াও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন দুটি বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এসএসসির প্রায় প্রতিটি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ ওঠে। ফলে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়তে হয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে। সংসদে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগও দাবি ওঠে।

আগামী ২ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে এবার তাই বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছে সরকার।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

আরও ৪ হাজার শিক্ষককে এমপিওভুক্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক : নতুন করে আরও চার হাজারের বেশি শিক্ষককে এমপিওভুক্ত (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) করা হয়েছে। গতকাল শনিবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরে (মাউশি) নিয়মিত বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। মাউশি সূত্রে এ জানা গেছে।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, এমপিওভুক্ত এসব শিক্ষকদের মধ্যে খুলনায় ৮৭৮ জন, রাজশাহীতে ৮৩০ জন, ঢাকায় ৫৫২ জন, কুমিল্লায় ৩৭৮ জন, ময়মনসিংহে ৩৬৪ জন, রংপুরে ৩২৮ জন, বরিশালে ৩১৩ জন, চট্টগ্রামে ২০৮ ও সিলেটে ২০৭ জন রয়েছে। এছাড়াও অনলাইনে একজন শিক্ষকসহ মোট চার হাজার ৬১ শিক্ষককে এমপিও দেয়া হয়েছে।

দীর্ঘদিন এমপিওবঞ্চিত স্কুল, মাদরাসা ও কলেজের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বিজ্ঞান, উৎপাদন ব্যবস্থা ও বিপণন, ফিন্যান্স, ব্যাংকি ও বীমা, চারুকলা এবং অতিরিক্ত শাখা শ্রেণিসহ কয়েকটি বিষয়ের সাত হাজার ১৪৬ জন শিক্ষককে গতবছর ৩১ ডিসেম্বর এমপিওভুক্তির সিদ্ধান্ত নেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ওই সিদ্ধান্তের আলোকে বঞ্চিত শিক্ষকরা এমপিওভুক্তির আবেদনের সুযোগ পান। গত ২০ মার্চ আঞ্চলিক অফিসগুলো থেকে শিক্ষকদের তালিকা যাচাই-বাছাই করে পাঠানো হয়।

শনিবারের এমপিও সংক্রান্ত বৈঠকে আঞ্চলিক অফিস থেকে পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে চার হাজার ৬১ জন শিক্ষককে এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। প্রতি দুই মাস পর তৃতীয় মাসে একবার করে মাউশিতে এমপিওভুক্তির বৈঠক হয়। বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের তিনজন এবং অধিদফতরের দুজন প্রতিনিধিত্ব করেন।

অধিদফতরের পরিচালক (বিদ্যালয়) অধ্যাপক মো. মান্নান জাগো নিউজকে বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় নতুন করে এমপিওভুক্ত করা হয়েছে। এসব শিক্ষকরা দীর্ঘদিন অপেক্ষামাণ ছিলেন। শনিবার বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বৈঠকে সভাপত্বি করেন মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এইচএসসির প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ৮ পদক্ষেপ

নিজস্ব প্রতিবেদক : এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে চরম বিপাকে রয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তাই আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে আট পদক্ষেপ নিয়েছে মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

রোববার বিকেলে জাতীয় মনিটরিং এবং আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা প্রশ্নপত্র সুরক্ষা এবং ফাঁস রোধে বিভিন্ন পরামর্শ দেন।

সভায় উপস্থিত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, প্রশ্ন ফাঁস রোধে মোট আটটি পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে-কেন্দ্রের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ। কোনো শিক্ষক-কর্মকর্তা মোবাইল সঙ্গে আনলে ১৪৪ ধারার বে-আইনি কর্মকাণ্ডের অপরাধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

দুইয়ের অধিক সেট প্রশ্ন ছাপানো হয়েছে। পরীক্ষার ২৫ মিনিট আগে কেন্দ্রীয়ভাবে লটারির মাধ্যমে প্রশ্নের সেট নির্ধারণ করা হবে। এরপর তা কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানিয়ে দেয়া হবে।

এখন থেকে প্রশ্নপত্র দুই প্যাকেটে যাবে। এরমধ্যে ভেতরের প্যাকেট থাকবে সিলগালা। বাইরের প্যাকেট থাকবে বিশেষ সিকিউরিটি কোডের টেপ লাগানো। এছাড়াও এসএসসির মতো এইচএসসিতেও পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের বাধ্যতামূলকভাবে হলে প্রবেশ করতে হবে। এর ব্যত্যয় হলে পরীক্ষার্থীকে কেন্দ্রে ঢুকতে দেয়া হবে না। যদি বিশেষ কারণে কোনো পরীক্ষার্থীর দেরি হয়, তবে রেজিস্ট্রার খাতায় পরীক্ষার্থীদের সব তথ্য সংগ্রহ করে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেয়া যাবে। একাধিক দিন এমন হলে আর তাকে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। এসব তথ্য কেন্দ্র থেকে সংশ্লিষ্ট বোর্ডে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

প্রশ্ন ফাঁস এবং নকলে সহায়তার দায়ে চিহ্নিত সরকারি কলেজ শিক্ষকদের বিরুদ্ধে মামলাসহ নেয়া হবে বিভাগীয় প্রক্রিয়া (ডিপি)। আর বেসরকারি কলেজ শিক্ষকের ক্ষেত্রে এমপিও বাতিলসহ চাকরিচ্যুত করা হবে।

চাকরিচ্যুতির জন্য সংশ্লিষ্ট কলেজ-মাদরাসা পরিচালনা কমিটিকে (জিবি) বলা হবে। তারা ব্যবস্থা না নিলে জিবি বাতিল করে নতুন কমিটি গঠন করা হবে। এরপর সেই কমিটির মাধ্যমে চাকরিচ্যুতি নিশ্চিত করা হবে।

প্রশ্নপত্র ট্রেজারি থেকে বের করে কেন্দ্রে পৌঁছানো পর্যন্ত সঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন। পরীক্ষা কেন্দ্রের দূরত্ব অনুযায়ী ট্রেজারি থেকে প্রশ্নপত্র সরবরাহ করা হবে। এছাড়া এবারই প্রথম বারেরমতো পরীক্ষাকালীন বিকাশ, রকেটসহ মোবাইল ব্যাংকিং কঠোর নজরদারিতে থাকবে। সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে বিশেষ করে নিকটস্থ থানায় অবহিত করতে হবে।

নতুবা সংশ্লিষ্ট এজেন্টের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থাকবে নজরদারিতে। উপজেলা সদরের বাইরে বা প্রত্যন্ত অঞ্চলের উপজেলার কেন্দ্রগুলো বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। এ কারণে ওইসব কেন্দ্রও থাকবে বিশেষ নজরদারিতে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। এতে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক মাহাবুবুর রহমান এবং বিভিন্ন বোর্ডের চেয়ারম্যানরাও বক্তৃতা করেন।

উল্লেখ্য, ২ এপ্রিল শুরু হবে এইচএসসি পরীক্ষা। চলবে ১৪ মে পর্যন্ত। আটটি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, একটি কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমে পরীক্ষা পরিচালিত হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান জিয়াউল হক

নিজস্ব প্রতিবেদক,২০ মার্চ:: ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান জিয়াউল হক। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন দেয়ার পর তাকে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ দিয়ে সোমবার প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে শূন্য ছিল ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের পদ।

কিছুদিন আগেই জিয়াউল হকসহ সম্ভাব্য তিনজনের নাম উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সারসংক্ষেপ পাঠানো হয়েছিল বলে সূত্রে জানা গেছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জাবি ১ম বর্ষ অনার্স পরীক্ষার ফল প্রকাশ

স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর ॥ ২০১৭ সালের ১ম বর্ষ অনার্স পরীক্ষার ফল সোমবার প্রকাশ করা হয়েছে। এ পরীক্ষায় ৩০ টি অনার্স বিষয়ে ৭‘শ ৩৪ টি কলেজের ২‘শ ৫৯ টি কেন্দ্রের মাধ্যমে মোট ৩ লাখ ৯১ হাজার ৭‘শ ৯৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ৯৮হাজার ৭৪ জন মান্নোয়ন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে।

প্রকাশিত ফল বিকাল ৪ টায় ঝগঝ এর মাধ্যমে যে কোন মোবাইল মেসেজ অপশনে গিয়ে nuh1 Registration No লিখে 16222 নং Send করতে হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.nu.edu.bd I www.nubd.info থেকে জানা যাবে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও পরামর্শ দফতরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ ফয়জুল করিম সোমবার এ তথ্য জানিয়েছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এক হাজার প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত : অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৫ মার্চ: সারাদেশে ৯ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওর বাইরে থাকলেও আগামী বাজেটে মাত্র ১ হাজার প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা সম্ভব হতে পারে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। এমপিওভুক্তির জন্য বাজেটে ৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হবে। তবে বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত নয়। শিগগিরই তা ঘোষণা দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, ‘একটা অভিযোগ রয়েছে যে জমির উদ্দিন সরকারের কৃপায় উত্তরবঙ্গে অনেক এলাকায় স্কুল আছে, ছাত্র নেই। আমরা অনেকগুলো এ ধরনের স্কুল বন্ধও করেছি। এগুলো আরো বন্ধ করা দরকার। এগুলো খামাখা বানানো হয়েছে। এগুলোর কোনো জাস্টিফিকেশন নেই। এগুলো খুব জোরেশোরে বন্ধ করব।’বুধবার (১৪ মার্চ) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যানদের সঙ্গে বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকেদের এ তথ্য জানান।

বৈঠকে অংশ নেন জাতীয় সংসদের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আফসারুল আমীন, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবি তাজুল ইসলাম, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি নুরুল মজিদ মাহমুদ প্রমুখ।

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

২০১৯ সালের মার্চে ডাকসু নির্বাচন

নিজস্ব প্রতিবেদক : অবশেষে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন।

মঙ্গলবার দিনগত রাতে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের সভায় এ নিয়ে আলোচনা হয় বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

তিনি বলেন, ডাকসু নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। এ নির্বাচন নিয়ে আমরা বিভিন্ন ফোরামে আলোচনা করছি। ইতোমধ্যে শিক্ষার্থীদের তালিকা হালনাগাদ করার জন্য প্রাধ্যক্ষদের বলা হয়েছে। এ বিষয়টি প্রভোস্ট কমিটিকে বলা হয়েছে, সিন্ডিকেটকেও মঙ্গলবার বলা হয়েছে। ২০১৯ সালের মার্চ মাসে সব ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনকে নিয়ে নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হবে। হল ছাত্র সংসদ ও কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ করবো আমরা। এগুলো কতগুলো নিয়মনীতির মাধ্যমে হবে। সেগুলো সুশৃঙ্খলভাবে করার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। সিন্ডিকেটও সম্মতি দিয়েছে। আমরাও এ বিষয়টি নিয়ে ভালোভাবে কাজ করছি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter