Home » ক্যাম্পাস (page 30)

ক্যাম্পাস

ধর্ষিতার স্বাস্থ্য পরীক্ষায় পুরুষ চিকিৎসক নয় : হাইকোর্ট

নিজস্ব highcourtপ্রতিবেদক : ধর্ষণের শিকার নারীর স্বাস্থ্য ও বয়স নির্ধারণের পরীক্ষায় পুরুষ চিকিৎসকদের অংশ না নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রবিবার এ সংক্রান্ত রুলের নিষ্পত্তি করে বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি এ বি এম আলতাফ হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন।

নির্দেশ অনুসারে আদালতে হাজির হলে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দীন মোহাম্মদ নুরুল হককে এ কথা বলেন আদালত। একই সঙ্গে অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।
সারা দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে ধর্ষিতার স্বাস্থ্য পরীক্ষায় নারী চিকিৎসক, নার্স ও এমএলএসএস নিয়োগ বিষয়ে আদালতের আদেশ কেন মানা হয়নি- তা জানতে চেয়ে গত ২ এপ্রিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকে তলব করেন আদালত।

এ আদেশের ভিত্তিতে রবিবার আদালতে হাজির হয়ে দুঃখ প্রকাশ করার পরে তাকে আদালত অবমাননার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিত রায়।
২০১৩ সালের এপ্রিলে একটি জাতীয় দৈনিকে ‘ঢাকা মেডিকেলে ফরেনসিক বিভাগ, নারীর জন্য এ কেমন ব্যবস্থা?’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ডিএমসি) ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগে ধর্ষণের শিকার নারীর শারীরিক পরীক্ষা করেন পুরুষ চিকিৎসক। ওই চিকিৎসককে সহায়তা করেন পুরুষ ওয়ার্ড বয়। দেশের সবচেয়ে গৌরবময় চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে ধর্ষণের প্রমাণপত্র নিতে এসে নারীকে চরম লজ্জা আর অপমানের মুখোমুখি হতে হয় প্রায়ই।

এ প্রতিবেদনটি একই বছরের ১৬ এপ্রিল আদালতের নজরে আনেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট বিএম ইলিয়াস কচি। এরপর আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে ঢাকা মেডিকেলের সংশ্লিষ্ট বিভাগে নারী চিকিৎসক, নার্স ও এমএলএসএস নিয়োগ দেয়ার নির্দেশ দেন এবং একটি রুল জারি করেন।

 

রাজাকারদের প্রতি ঘৃণা প্রদর্শনের জন্য স্থাপন করা হবে ঘৃণা স্তম্ভ : আ.ক.ম মোজাম্মেল হক

নিজস্ব প্রতিনিধি, mojam 1 চুয়াডাঙ্গা : ‘চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদার মতো দেশের প্রতিটি উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন যেমন নির্মাণ করা হবে। তেমনি রাজাকারদের প্রতি ঘৃণা প্রদর্শনের জন্য স্থাপন করা করা হবে ঘৃণা ¯ত্মম্ভ, যেখানে বাঙালীরা জুতা নিক্ষেপসহ বিভিন্নভাবে রাজাকারদের প্রতি ঘৃণা প্রদর্শন করতে পারবেন।’ আজ শুক্রবার বেলা সাড়ে ১০টায় দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাডাঙ্গায় নির্মীয়মান উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধা ও জনতার উদ্দেশ্যে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক এ কথা বলেন।
জাতীয় সংসদের হুইপ সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার সেলুন, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক দেলোয়ার হোসাইনসহ প্রকল্প কর্মকর্তারা এসময় মন্ত্রীর সাথে ছিলেন । স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহায়তায় ৩ তলা এই ভবন নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৯৫ লাখ টাকা যার নির্মাণ কাজ শেষ হবার কথা রয়েছে চলতি বছরের অক্টোবর মাসে।
দুপুরে চুয়াডাঙ্গা শহরের বাগান পাড়ায় সরকারের ভূমিহীন ও অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বাসস্থান প্রকল্পের আওতায় নির্মিত বাড়ীর চাবি মুক্তিযোদ্ধা কালু শেখের হাতে তুলে দেন মন্ত্রী ।
মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক তার বক্তৃতায় জানান, সারাদেশে ভূমিহীন ও অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বাসস্থান নির্মাণের কাজ চলছে । পর্যায়ক্রমে তা হ¯ত্মাšত্মর করা হবে। এ প্রকল্পের আওতায় চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার পাঁচজন মুক্তিযোদ্ধার জন্য একই ধরণের বাড়ী নির্মাণ করা হচ্ছে।

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের স্বামী আবু বকর সিদ্দিক উদ্ধার হয়েছে

ডেস্ক: পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের স্বামী আবু বকর সিদ্দিকি উদ্ধার হয়েছে। তাকে কলাবাগান চেকপোস্ট থেকে উদ্ধার করে রাতেই তাকে সেন্ট্রালরোডের বাসায় নেয়া হয়।  ab siddikশুক্রবার সকালে তাকে নারায়ণগঞ্জের আদালতে নেয়ার কথা।
বৃহস্পতিবার রাত পৌনে দুইটার দিকে রাজধানীর মিরপুর রোডের কলাবাগান বাসস্ট্যান্ডে বসানো চেকপোস্টে কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তা একটি সিএনজি থেকে তাকে উদ্ধার করেন।
ধানমন্ডি থানার ডিউটি অফিসার এএসআই আলী হোসেন জানান, রাজধানীর ধানমন্ডি মিরপুর রোডে সিএনজি দিয়ে যাওয়ার সময় কর্তব্যরত পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। তবে সিএনজিতে তিনি একাই ছিলেন বলে জানান ডিউটিরত ওই পুলিশ অফিসার।
তিনি বলেন, আবু বকর সাহেব বর্তমানে সুস্থ্য আছেন এবং তার স্ত্রী রিজওয়ানা হাসান ও তার আত্মীয়রা থানায় এসেছেন। তবে রিজওয়ানা হাসান মনে করেন, টাকার জন্য তার স্বামীকে অপহরণ করা হয়নি।
ধানমন্ডি থানায় আবু বকর সাংবাদিকদের বলেন, তাঁকে মাইক্রোবাসে তুলে নেওয়ার প্রায় তিন ঘণ্টা পর একটি বাড়িতে নেওয়া হয়। চোখ সার্বক্ষনিক বাঁধা ছিল। ধরে নেওয়ার সময় কিছু কিল-ঘুষি ছাড়া তাঁকে কোনো নির্যাতন করা হয়নি।
তিনি বলেন, গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাতে তাঁকে মিরপুরের আনসার ক্যাম্প এলাকায় গাড়ি থেকে নামিয়ে দেওয়ার সময় পকেটে ৩০০ টাকা দিয়ে দেয় অপহরণকারীরা। তিনি সেন্ট্রাল রোডের বাসায় যাওয়ার জন্য প্রথমে একটি রিকশায় ওঠে কাজীপাড়া পর্যন্ত আসেন। এরপর একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা পান।
রিজওয়ানা বলেন, ধরে নিয়ে যাওয়ার পর এক সেকেন্ডের জন্য চোখ খুলে দেওয়া হয়নি। কিন্তু কেন তাঁকে ধরে নিয়ে যাওয়া হলো, তা সম্পূর্ণ রহস্যাবৃত্তই রয়ে গেছে। তারা ‘মোটিভ ক্লিয়ার’ করেনি। অপহরণকারীরা নিজেরা নিজেরা টাকার কথা বলছিল। তবে কেউ টাকা চায়নি। এমনকি তাঁর কাছে পরিবারের নম্বরও চায়নি।
রিজওয়ানা বলেন, টাকার জন্য এই অপহরণ করা হয়েছে বলে আমি প্রাথমিকভাবে মনে করছি না। প্রচন্ড চাপের মধ্যে পড়ে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
কীসের চাপ জানতে চাইলে তিনি বলেন, গণমাধ্যমের চাপ তো ছিলই। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী নিজে নির্দেশনা দিয়ে পুরো বিষয়টি তদারকি করছিলেন। আইনশৃক্সখলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতাও ছিল অনেক বেশি।পরে রাত সোয়া তিনটার দিকে আবু বকর সিদ্দিকে থানা থেকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়।

উল্লেখ্য, গতকাল বুধবার বিকেল সোয়া ৩টায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার ভূইয়া ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে ৭ থেকে ৮ জন যুবক লাঠি সোটা ও অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে যায় সৈয়দা রেজওয়ানা হাসানের স্বামী আবু বকর সিদ্দিকে।

উল্লাপাড়ায় দুটি ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ২

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় দুটি ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৪০ জন। ঘটনার পর থেকে ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

রবিবার ভোররাত সোয়া চারটার দিকে উল্লাপাড়া রেলওয়ে স্টেশনে একতা ও লালমনি এক্সপ্রেসের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় নিহতরা হলেন নাটোর সদর উপজেলার হরিশপুর গ্রামের আলতাফ হোসেন (৩২) ও লালমনিরহাটের মজিবুর রহমান (৪২)।

পুলিশ, ফায়ার ব্রিগেড ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দিনাজপুর থেকে ঢাকাগামী লালমনি এক্সপ্রেস নামের ট্রেনটি উল্লাপাড়া রেলওয়ে স্টেশনে দাঁড়িয়ে ছিল। রবিবার ভোররাত সোয়া চারটার দিকে ঢাকা থেকে দিনাজপুরগামী একতা এক্সপ্রেস ট্রেনটি ওই স্টেশনে পৌঁছলে দুটি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ হাতহতের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর থেকে ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। খবর পেয়ে সিরাজগঞ্জ রেলওয়ে পুলিশ (জিআরপি), উল্লাপাড়া থানা পুলিশ, উল্লাপাড়া, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, শাহজাদপুর ফায়ার ব্রিগেডের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চলছে।

উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো: শামিম আলম ও ওসি তাজুল হুদা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

মোবারকগঞ্জ চিনিকলে আখ দিয়ে চরম অর্থাভাবে ৪০ হাজার মানুষ

আহমেদ নাসিম আনসারী,ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ৯ এপ্রিল -২০১৪ :2মোবারকগঞ্জ চিনি কলে আখ বিক্রির পাওনা টাকা না পেয়ে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন ১০ হাজার কৃষক পরিবারের ৪০ হাজার মানুষ। কৃষকেরা ব্যাংক, এনজিও, দোকানপাটের দেনা পরিশোধ করতে পারছেন না। এমনকি ছেলে-মেয়ের লেখাপড়ার খরচ যোগাতে পারছেন না তারা। নানা সমস্যায় জর্জরিত হয়ে আখ চাষ ছাড়ছেন কৃষকরা। চিনিকলে আখ দেওয়ার তিন দিনের মধ্যে কৃষকদের পাওনা পরিশোধের নিয়ম থাকলেও চলতি মৌসুমে একটি টাকাও পরিশোধ করেনি ঝিনাইদহের মোবারকগঞ্জ চিনিকল কর্তৃপক্ষ (মোচিক)। মিলজোন এলাকায় ১০ হাজার কৃষক তাদের আখের ২০ কোটি টাকা পাবে মিল কর্তৃপক্ষের কাছে। পাওনা টাকার দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন কৃষকেরা। করেছেন সংবাদ সম্মেলন। মিল এলাকায় বিক্ষোভ আর মানববন্ধনের ডাক দিলেও ক্ষমতাসীন দলের নেতারা তা থামিয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন কৃষকরা। চিনিকল কর্তৃপক্ষ বলছে, চিনি বিক্রি না হওয়ায় এ অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

চলতি মৌসুমে ১২০ কার্যদিবসে ১ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন আখ মাড়াইয়ের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ২৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে ১৩ ডিসেম্বর আখ মাড়াই মৌসুম উদ্বোধন করে চিনিকল কর্তৃপক্ষ। সে সময় মিল এলাকায় ৮ হাজার ৫ একর জমিতে আখ থাকলেও এ বছর কৃষকরা মাত্র ৬ হাজার ৬০০ একর জমিতে আখ চাষ করছে।

মিলজোন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, মানবেতর দিন কাটছে ১০ হাজার কৃষক পরিবারের ৪০ হাজার মানুষের। কৃষক ইমদাদুল হক জানান, হাজার হাজার কৃষক তাদের সংসার চালাতে পারছেন না অর্থাভাবে। আখ চাষে সার ওষুধ, ডিজেলসহ উপকরণের দাম বাড়লেও বাড়ছে না আখের দাম। মনপ্রতি দাম মাত্র ১০০ টাকা। গত তিন বছরে এ দাম বাড়ানো হয়নি। এক বছরের অর্থাৎ বাৎসরিক ফসল আখ উৎপাদন করে মিলের কাছে বিক্রি করে চাষীরা। মোচিক আখ চাষী কল্যাণ সমিতির যুগ্ম-সম্পাদক আব্দুস সামাদ বলেন, চলতি মাড়াই মৌসুম শেষ হতে চললেও কৃষকদের দেওয়া হয়নি কোন টাকা। পাওনা ২০ কোটি টাকার দাবিতে আন্দোলন করছেন প্রান্তিক আখ চাষীরা। হতাশা আর ক্ষোভ কৃষকদের মাঝে দানা বেধেছে। চিনিকল কর্তৃপক্ষের খামখেয়ালি ব্যবস্থাপনা আর দুর্নীতিকে দায়ী করছেন তারা।

মোবারকগঞ্জ চিনিকলের ভারপ্রাপ্ত মহাব্যবস্থাপক মো. মোশারফ হোসেন বলেন, বাজার মূল্যের সঙ্গে মিল মূল্যের পার্থক্য থাকায় চিনি বিক্রি হচ্ছে না। এতে কৃষকদের বকেয়া টাকা পরিশোধ করতে সাময়িক অসুবিধা হচ্ছে। তবে চাষীদের এক তৃতীয়াংশ পাওনা দু’একদিনের মধ্যে পরিশোধ করা হবে।

প্রবিন সাংবাদিক এ বি এম মুসা আর নেই

নিজস্ব প্রতিবদেক: y6u67u5প্রথিতযশা সাংবাদিক এবিএম মূসা (৮৩) আর নেই। রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার দুপুরে তিনি মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া….রাজিউন)। তার মৃত্যুর খবর শুনে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
গুরুতর অসুস্থ হলে গত সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটা থেকে ল্যাবএইড হাসপাতালে তাকে লাইফসাপোর্টে রাখা হয়েছেছিল।
এর আগে এবিএম মূসার চিকিৎসক বরেণ চক্রবর্তী জানান, ‘এর আগেও মূসা সাহেব কয়েকবার লাইফসাপোর্টে ছিলেন। তাঁর শারীরিক অবস্থা কয়েক মাস ধরেই ভালো যাচ্ছিল না। সাত-আট মাস আগে মূসা সাহেব মাইলোডিসপ্লাস্টিক সিনড্রোম আক্রান্ত হয়েছেন। এতে অস্থিমজ্জা আক্রান্ত হয়। এই রোগটা প্রায় ক্যানসারের কাছাকাছি। বর্তমানে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল।’
এবিএম মূসার পরিবারের সদস্যরা  জানিয়েছেন, তিনি অনেক দিন ধরেই অসুস্থ। গত ২৯ মার্চ তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে তাঁকে কয়েকবার হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে নেওয়া হয়। গতকাল রাতে অবস্থা আরও খারাপ হলে তাঁকে চিকিৎসকেরা লাইফসাপোর্টে রাখেন। এবিএম মূসার জন্য তাঁর পরিবারের সদস্যরা দেশবাসীর দোয়া চেয়েছেন। সময় টিভি

প্যানেল হতে শিক্ষক নিয়োগের সুযোগ নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রাথমিক ও গণ শিক্ষা মন্ত্রী মো¯ত্মাফিজুর রহমান গতকাল সংসদে জানিয়েছেন বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহ সরকারিকরণের ঘোষণার কারণে ঘোষিত প্যানেল হতে শিক্ষক নিয়োগের আর কোনো সুযোগ নেই।

আওয়ামী লীগের সদস্য এস এম জগলুল হায়দারের প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী জানান, বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের জন্য ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০১০’ এ ৪২ হাজার ৬১১ জনের মেধাক্রম তালিকা ২০১২ সালের ৮ এপ্রিল প্রকাশ করা হয়। এরমধ্যে ১০ হাজার ২২৪  জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এরপর ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারি করণের ঘোষণা দেওয়ার পর সেই প্যানেল হতে শিক্ষক নিয়োগের আর কোনো সুযোগ নেই।

আওয়ামী লীগের সদস্য হাবিবুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষা মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী ২৬ হাজার ১৯৩টি রেজিস্ট্রার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করা হবে। এ পর্যন্ত ২৫ হাজার ১৩৫টি বিদ্যালয়কে সরকারি করা হয়েছে। বাকীগুলো জাতীয়করণের কাজ চলছে।

ফোনালাপেই ফাঁদে পড়ে মিথি

নিজস্ব প্রতিবেদক: পরিচয় হয়েছিল মোবাইলে। ভুল নম্বরে ডায়াল করতে গিয়ে। তারপর দিনের পর দিন মোবাইলে দু’জনের কথোপকথন। পাবনার পাশাপাশি দু’টি উপজেলায় তাদের গ্রামের বাড়ি। মেডিকেল ছাত্রী মিথিকে ভুল পরিচয় দিয়েছিল আরিফ। নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা আর বেকারত্ব দুই-ই কৌশলে আড়াল করে রেখেছিল। এমনকি মাদকাসক্তির কথাও। আরিফের এই কৌশল বুঝতে পারেনি মিথি। তাই সহজেই আরিফের প্রেমের ফাঁদে পা বাড়ায় সে। জড়িয়ে পড়ে গভীর সম্পর্কে। এক পর্যায়ে লিভটুগেদার শুরু করে দু’জন। কিন্তু যখন একে একে আরিফের সব কিছু মিথির সামনে পরিষ্কার হতে থাকে। তখনই শুরু হয় গণ্ডগোল। এ নিয়ে উচ্চবাচ্যের একপর্যায়ে প্রেমিকা মিথিকে নিজ হাতে শ্বাসরোধে হত্যা করে আরিফ। গতকাল বৃহস্পতিবার 17623_f5আরিফকে আদালতে সোপর্দ করলে সে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেয়। নিজের অপকর্মের কথা অকপটে স্বীকার করে। এদিকে বুধবার রাতেই মিথিকে পাবনার সাঁথিয়ায় গ্রামের বাড়িতে নিয়ে দাফন করা হয়েছে। ডাক্তারি পড়ুয়া মেয়েকে হারিয়ে ভেঙে পড়েছেন মিথির বাবা-মা ও ভাইবোন-স্বজনেরা। তারা খুনি আরিফের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন।
গত বুধবার সকালে হাজারীবাগ সুলতানগঞ্জের ৩/৫ নম্বর সচিবের গলির বাসার ষষ্ঠতলার একটি কক্ষ থেকে সাউদিয়া আক্তার মিথির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। মিথি জেডএইচ শিকদার উইমেন মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। আরিফ নামে এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের সূত্রে তারা ওই কক্ষটি সাবলেট হিসেবে ভাড়া নিয়ে লিভটুগেদার করে আসছিলেন। হাজারীবাগ থানার ওসি কাজী মাইনুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আরিফ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। কিভাবে সে মিথিকে হত্যা করেছে তার বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছে। আদালত আরিফকে কারাগারে পাঠিয়ে দিয়েছে। তিনি বলেন, সাক্ষী হিসেবে মিথি যে বাসায় থাকতো সেই বাসার বাসিন্দা নুসরাত সাথী, মিথির বান্ধবী রোমানা নাজনীন ও তার কথিত প্রেমিক অনিও আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে। পুলিশ খুব শিগগির এই মামলার চার্জশিট দেবে বলেও তিনি জানান।
মিথির সহপাঠী, পুলিশ ও স্বজন সূত্রে জানা গেছে, ভুল নম্বরে কল গিয়ে মোবাইলে মিথির সঙ্গে পরিচয় হয় আরিফের। বেকার আরিফ এ সময় নিজেকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করে বলে মিথির কাছে পরিচয় দেয়। কৌশলে সম্পর্ক গড়ে তোলে মিথির সঙ্গে। মিথিও আরিফের কথার জালে আটকা পড়ে প্রেমের ফাঁদে পা বাড়ায়। মোবাইলেই দু’জনে তুমুল প্রেম করতে থাকে। একপর্যায়ে দেখা করে তারা। তখনও ঘুণাক্ষরেও মিথি বুঝতে পারেনি আরিফ একজন প্রতারক, বেকার ও মাদকাসক্ত। একপর্যায়ে তারা দু’জনে একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নেন। বাড়িতে হোস্টেলে থাকার কথা জানলেও মিথি আরিফের সঙ্গে বাসা ভাড়া নিয়ে একসঙ্গে থাকা শুরু করে। এরপরই সে বুঝতে পারে নিজের ভুলের কথা। ভুল বুঝতে পেরে প্রতিবাদ করতে থাকে মিথি। চাকরি না করে বাসা থেকে আনা তার টাকার ওপর নির্ভর করাটা মেনে নিতে পারছিল না সে। এমনকি মিথি জানতে পারে আরিফ নিয়মিত ফেন্সিডিল খায়। তাদের পারিবারিক অবস্থাও ভাল না। আরিফ এসএসসি পাস সাধারণ ছেলে তা-ও জেনে যায় মিথি। এসব জানতে পেরে অনেকটা ভেঙে পড়েছিল সে। লিভটুগেদার করলেও সংসার করার ইচ্ছা ছিল তার। কিন্তু এ বিষয়ে কোন গুরুত্ব ছিল না আরিফের। মাদকাসক্ত আরিফ মিথির আনা টাকা দিয়ে দিব্বি আড্ডাবাজি করতো। বন্ধু-বান্ধব নিয়ে মজা করতো। এগুলো সহ্য করতে পারতো না মিথি। এ নিয়ে তাদের মধ্যে শুরু হয় টানাপড়েন। নিজের ভুল বুঝতে পারে মিথি। কিন্তু মনের মানুষকে সবকিছু উজাড় করে দিয়ে আর ফেরার পথ খুঁজে পায়নি সে। তার আগেই ঘাতক আরিফ তাকে শ্বাসরোধে নির্মমভাবে হত্যা করে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শিকদার মেডিকেলের ছাত্রী হোস্টেলের ২১২ নম্বর কক্ষটি মিথির জন্য বরাদ্দ ছিল। আগে মিথি নিয়মিত হোস্টেলে থাকলেও সম্প্রতি মাঝে-মধ্যে হোস্টেলে যেতো। যেই বাসায় তারা সাবলেট হিসেবে থাকতে সেই নুসরাত সাথীসহ একসঙ্গে তারা ওই বাসায় উঠেছিল। সাথীকে ভাবী বানিয়ে তারা একসঙ্গে ওই বাসায় ওঠে। এর আগে তারা সচিবের গলির আরেকটি বাসায় ভাড়া থাকতো। ওই বাসার প্রতিবেশী বাসিন্দারা জানান, সবাই তাদেরকে একই পরিবারের সদস্য বলে জানতো। কিন্তু মিথির মৃত্যুর পর প্রকৃত ঘটনাটা জানতে পারে সবাই। মিথির পিতা আবদুস সালাম বলেন, আরিফ কৌশলে তার মেয়েকে ফাঁদে ফেলে সম্পর্ক করেছে। আরিফ আসলে মিথির যোগ্য পাত্রই নয়। আরিফের মতো তার বাবাও বেকার। কোনরকমে টেনেটুনে সংসার চালায় তারা। এ কারণে আরিফ বেশি দূর লেখাপড়া পর্যন্ত করতে পারেনি। অন্যদিকে আর ক’দিন পরই মিথি ডাক্তার হতো। সামনে তার সোনালী ভবিষ্যৎ হাতছানি দিয়ে ডাকছিল। মিথি তার ভুল বুঝতে পেরে ফিরে আসতে চেয়েছিল বলেই তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। তিনি খুনি আরিফের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
হত্যার পর লাশ ঝুলিয়ে রাখতে চেয়েছিল আরিফ: মিথিকে হত্যার পর তার লাশের গলায় ওড়না বেঁধে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখতে চেয়েছিল আরিফ। গতকাল আদালতে আরিফের দেয়া ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। আরিফ তার জবানবন্দিতে বলে, রাতে মিথির বান্ধবী রোমানা ও তার কথিত স্বামী অনিসহ দীর্ঘ সময় আড্ডা দেয়। এক পর্যায়ে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মিথির সঙ্গে তার ঝগড়া শুরু হয়। এ সময় তারা নিজেদের কক্ষে চলে যায়। ঝগড়ার বিষয়টি যেন বাইরে থেকে কেউ বুঝতে না পারে এজন্য সে উচ্চ সাউন্ডে গান বাজাতে থাকে। এ সময় তারা দু’জন একে-অপরের ওপর হামলা করে। একপর্যায়ে আরিফ মিথির গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে বালিশ চাপা দিয়ে রাখে কিছু সময়। মিথির মৃত্যু হলে সে গলায় ওড়না বেঁধে সিলিং ফ্যানে ঝোলানোর চেষ্টা করে। কিন্তু মিথির ওজন বেশি হওয়ায় একা ঝোলাতে ব্যর্থ হয়। পরে মেঝেতে মিথিকে শুইয়ে রেখে সাথীকে বিষয়টি জানায়। পাশের কক্ষ থেকে উঠে আসে রোমানা ও অনি। আরিফের বিভ্রান্তিকর কথায় তারা বুঝতে পারে। কিন্তু নিজেরাও ফেঁসে যাবে বলে বিষয়টি গোপনের চেষ্টা করে। ভোরে বিষয়টি মিথির মাকে জানায়। পরে খবর পেয়ে সকালে পুলিশ গিয়ে মিথির লাশ উদ্ধার করে ও আরিফসহ অপর তিনজনকে আটক করে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হাজারীবাগ থানার এসআই হালিম জানান, আরিফ সবকিছু স্বীকার করেছে। আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়েছে। এছাড়া অপর তিনজন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছে। সাক্ষ্যের পর তাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

মেডিকেল শিক্ষার্থীর লিভ টুগেদার অতঃপর…

স্টাফ রিপোর্টার : মেডিকেলে প17623_f5ড়ুয়া মেয়ে কলেজ হোস্টেলে থাকতেন বলেই জানতেন তার মফস্বল শহরে থাকা বাবা-মা। প্রতি মাসে হোস্টেল খরচসহ অন্যান্য খরচ দিয়ে আসছিলেন নিয়মিতই   । কিন্তু গতকাল ভোরে হঠাৎ জানতে পারেন মেয়ে মারা গেছে। শ্বাসরোধে তাকে
হত্যা করা হয়েছে। কি
ন্তু হোস্টেলে নয়, রায়েরবাজারের সচিবের গলির এক বাসায়। মেয়ে সেখানে আরিফুল ইসলাম নামে এক যুবকের সঙ্গে লিভ টুগেদার করছিল। এই মেডিকেল ছাত্রীর নাম সাউদিয়া আক্তার মিথি (২৩)। সে জেডএইচ শিকদার উইমেন মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী। পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (মিটফোর্ড হাসপাতাল) মর্গে পাঠায়। মিথির পিতা আবদুস সালাম বাদী হয়ে হাজারীবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ আরিফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে। হাজারীবাগ থানার ওসি কাজী মাইনুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে মামলা হয়েছে। প্রধান ও একমাত্র আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। জিজ্ঞাসাবাদে কিভাবে মিথিকে হত্যা করা হয়েছে তা বেরিয়ে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানান, গত দুই মাস আগে মিথি ও আরিফ হাজারীবাগের সুলতানগঞ্জের ৩/৫ নম্বর সচিবের গলির বাসার ষষ্ঠ তলার একটি কক্ষ সাবলেট হিসেবে ভাড়া নেয়। ওই বাসার ভাড়াটিয়া নুসরাত সাথী জানান, মিথি ও আরিফ নিজেদের স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দি
য়ে একটি কক্ষ ভাড়া নিয়েছিল। গত সোমবার থেকে মিথির সহপাঠী একই মেডিকেল কলেজে পড়ুয়া রোমানা নাজনীন তার প্রেমিক আকিভ জাভেদ অনিকে স্বামী পরিচয় দিয়ে ওই বাসায় রাত কাটায়। মঙ্গলবার রাতে তারা চারজন একসঙ্গে আড্ডাবাজি করে। একপর্যায়ে মিথি ও আরিফের সঙ্গে ঝগড়া শুরু হলে তারা নিজেদের রুমে চলে যায়। এসময় আরিফ কক্ষে উচ্চ সাউন্ডে গান বাজাতে থাকে। রাত ২টার দিকে আরিফ তাকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে জানায় মিথি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। পরে তারা মিথির কক্ষে গিয়ে মেঝেতে শোয়ানো অবস্থায় তার মৃতদেহ দেখতে পান। এ সময় আরিফ বিভিন্ন রকম অসংলগ্ন কথা বলতে থাকে। এর আগে পাশের কক্ষ থেকে অনি ও রোমানা উঠেও মিথির মৃতদেহ দেখতে পায়। পরে ভোরে মিথির মোবাইল থেকে বিষয়টি তার বাবা-মাকে জানানো হয়।
আবদুস সালাম জানান, ভোর চারটার দিকে সাথী পরিচয় দিয়ে মিথির মোবাইল থেকে এক মহিলা তার স্ত্রীকে ফোন দেন। ফোনে প্রথমে তাদের দ্রুত ঢাকায় আসতে বলা হয়। পরে আবার ফোন করে মিথির মৃত্যুর খবর দেয়া হয়। এ সময় তিনি মিথি হোস্টেল বাদ দিয়ে তার বাসায় কেন জিজ্ঞাসা করলে ওই মহিলা ফোনটি কেটে দেন। মিথি মেডিকেল কলেজ হোস্টেলের ২১২ নম্বর কক্ষে থাকতো। পরে তারা সকালে ঢাকায় এসে সাথীর বাসায় গিয়ে মিথির মৃতদেহ দেখতে পান। আবদুস সালাম বলেন, তার মেয়েকে শ্বাসরোধে হত্যা
করা হয়েছে। মিথির শরীরেও একাধিক জখমের চিহ্ন ছিল। তিনি মেয়ের হত্যাকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
আবুল হাশেম নামে এক স্বজন জানান, মিথির মতো মেয়ে স্বেচ্ছায় কারও সঙ্গে লিভ টুগেদার করতে পারে না। তাকে প্রেমের প্রলোভনে লিভ টুগেদারে বাধ্য করা হয়েছে। এজন্য মিথি বিষয়টি পরিবারের সঙ্গেও শেয়ার করতে পারেনি। তিনি বলেন, তিনিও মাঝেমধ্যে শিকদার মেডি
কেলের হোস্টেলে গিয়ে মিথিকে টাকা-পয়সা দিয়ে আসতেন। কিন্তু ঘুণাক্ষরেও বুঝতে পারেননি মিথি হোস্টেলে না থেকে কারও সঙ্গে লিভ টুগেদার করছে। মিথির পিতার বন্ধু পাবনার সাঁথিয়া পৌরসভার মেয়র মিরাজুল ইসলাম প্রামাণিক জানান, মিথির বাবা-মা দু’জনই সাঁথিয়া থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চাকরি করেন। সাঁথিয়া পৌরসভাতেই তাদের বাড়ি। তিন ছেলে ও পাঁচ মেয়ের মধ্যে মিথি সেজো। মিথির স্বজন ও সহপাঠী সূত্রে জানা গেছে, বছরখানেক আগে আরিফ নামে ওই যুবকের সঙ্গে মিথির মোবাইলে পরিচয় হয়। এরপর দু’জনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আরিফ নিজেকে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করা পরিচয় দিলেও সে আসলে এসএসসি পাস। মিথিকে তার পিতা প্রতি মাসে টিউশন ফি ও অন্যান্য খরচের জন্য প্রচুর টাকা দিতেন। এসব টাকার একটি অংশ মিথির কাছ থেকে কৌশলে আরিফ নিয়ে নিজের খরচ চালাতো। দুই মাস আগে তারা হাজারীবাগের ওই বাসায় একসঙ্গে থাকতে শুরু করে। আরিফের গ্রামের বাড়ি পাবনার ফরিদপুর উপজেলার দক্ষিণ থানা পাড়া এলাকায়। তার পিতার নাম শওকত আলম।

৩৪তম বিসিএসের বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষা শুরু ৪ মে

নিজস্ব প্রতিবেদক : ৩৪তম বিসিএসের বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষার সূচি প্রকাশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। আগামী ৪ থেকে ২৫ মে পর্যন্ত এই বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষা হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার পিএসসির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট ও রংপুর কেন্দ্রে প্রতিদিন সকাল-বিকাল দুটি করে পদসংশ্লিষ্ট বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা হবে। গত ২৪ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত ৩৪তম বিসিএসের আবশ্যিক বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা হয়। বিভিন্ন ক্যাডারে দুই হাজার ৫২টি পদে নিয়োগের জন্য গত বছর ৭ ফেব্র“য়ারি ৩৪তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে কমিশন। গত বছরের মে মাসে প্রিলিমিনারিতে এক লাখ ৯৫ হাজার পরীক্ষার্থী অংশ নেন। লিখিত পরীক্ষার জন্য ৪৬ হাজার ২৫০ জন উত্তীর্ণ হন।

নতুন পে-স্কেল ঘোষণা আগামী অর্থবছরই : প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেল আগামী অর্থবছরেই ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারি চিকিত্সক এবং শিক্ষকরা কর্মস্থলে না থাকলে তাদের বরখাস্ত করা হবে। এছাড়া চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানো হবে না।

জাতীয় পার্টির সেলিম উদ্দিন এমপির এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী অর্থবছরেই সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেল ঘোষণা করা হবে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিনের নেতৃত্বে গঠিত ১৫ সদস্যের বেতন ও চাকরি কমিশন বিভিন্ন শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং পেশাজীবী সংগঠনের সঙ্গে দুটি সভায় তাদের মতামত সংগ্রহ করেছে। সংগৃহীত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে পিতা-মাতাসহ অনূর্ধ্ব ৬ জনের একটি পরিবারের জীবনযাত্রার ব্যয়নির্বাহের বিষয়সহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় রেখে সরকারের কাছে সুপারিশ পেশ করবে।

শেখ হাসিনা বলেন, সরকারের আন্তরিকতা থাকলেও বিএনপি-জামায়াত শিবিরের ব্যাপক ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের কারণে বেতন ও চাকরি কমিশন কাজ শুরু করতে বিলম্ব হয়। তবে কমিশনের সুপারিশ আগামী ছয় মাসের মধ্যে পাওয়া যেতে পারে। অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে সরকার ২০১৩ সালের ১ জুলাই হতে ২০ শতাংশ মহার্ঘভাতা চালু করেছে। এ ব্যবস্থায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ সর্বনিন্ম ১৫শ’ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৬ হাজার টাকা বেশি পাচ্ছেন। তিনি বলেন, মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০০৯ সালে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি করে। এ সময় সর্বনিম্ন বেতন ২৪শ’ টাকা থেকে ৪৩১০ টাকা এবং ৪১শ’ টাকা থেকে ৭৭৪০ টাকা। সর্বোচ্চ ২৩ হাজার টাকা হতে ৪০ হাজার করা হয়।

নজরুল ইসলামের সম্পূরক এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের অনেকের প্রবণতা আছে কর্মস্থল থেকে রাজধানীতে চলে আসা। তাদের তো চাকরি করার দরকার নাই। আর, শিক্ষকদের একই অবস্থা। বেসরকারি হলে ঠিকই থাকে, সরকারি হলে শহরে না থাকলে ইজ্জত থাকে না— এমন একটা প্রবণতা। যারা চাকরি নিয়ে কর্মস্থলে না থাকে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর প্রস্তাব নাকচ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারি চাকরির বয়সসীমা ৩২ করলে ছাত্র থাকে না, মধ্য বয়সে চলে আসে। তখন মনোযোগ কিভাবে থাকে। ছাত্রদের সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।

শফিকুল ইসলাম শিমুলের অপর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগের মতো এখন আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সেশন জট নাই। তবে কেউ যদি বছরের পর বছর পরীক্ষা না দিয়ে আদু ভাই হয়ে থাকতে চান তাদের জন্যতো আর কিছু করার নাই। এখন ২২ থেকে ২৩ বছরের মধ্যে একজন শিক্ষার্থী মাস্টার্স শেষ করতে পারছেন।

ঢাকায় জনসংখ্যা বেড়েছে ৬০ গুণ: কামরুল আশরাফ খানের লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকা মহানগরীর পরিকল্পনা প্রণয়ন উন্নয়ন ও উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণে গৃহায়ন ও গণপূর্ত নিয়ন্ত্রাধীন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কাজ করে যাচ্ছে। জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্যেমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের মধ্য দিয়ে রাজধানী ঢাকা প্রসাশনিক অর্থনৈতিক সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে এবং শহরের জনসংখ্যা ক্রমাগতভাবে বৃদ্ধি পেতে থাকে। ১৯৭২ ঢাকা শহরে জনসংখ্যা ছিল দুই লাখ ৮০ হাজার, বর্তমানে ঢাকায় জনসংখ্যা এক কোটি ৬০ লাখ, যা প্রায় ৬০ গুণ।

– See more at: http://www.dailybartoman.com/index.php?page=details&nc=5&news_id=24207#sthash.KeDBtKvZ.dpuf

স্থগিত ১৭ জেলার শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ১৮ এপ্রিল

ডেস্ক রিপোর্ট : আগামী Primary১৮ এপ্রিল প্রশ্নপত্র ফাঁসের দায়ে ১৭ জেলার বাতিলকৃত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার জন্য সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৩ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বুধবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার তারিখ জানানো হয়েছে। ১৮ এপ্রিল শুক্রবার বেলা আড়াইটায় এ পরীক্ষা শুরু হবে। পুরাতন প্রবেশপত্রে পরীক্ষার্থীদের পূর্ব নির্ধারিত কেন্দ্রে এ পরীক্ষা  গ্রহণ করা হবে।
প্রশ্ন ফাঁসের কারণে পরীক্ষা বাতিলের পর দুই দফা পিছিয়ে তৃতীয়বারের মতো পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হলো। প্রশ্ন ফাঁসের প্রমাণ পাওয়ায় গত বছরের ৮ ডিসেম্বর ১৭ জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা বাতিল করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরীক্ষায় অংশ নেয়ার জন্য প্রার্থীদের নামে নতুন করে প্রবেশপত্র পাঠানো হবে না। আগের প্রবেশপত্র দিয়েই পরীক্ষায় অংশ নেয়া যাবে। গত বছরের (২০১৩) ৮ নভেম্বরে এ পরীক্ষা তিন পার্বত্য জেলা বাদে সারাদেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।  সর্বশেষ আগামী ২৮ মার্চ শুক্রবার বাতিল করা ১৭ জেলায় এ পরীক্ষা নেয়ার কথা ছিল।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা তদšেত্ম গঠিত কমিটি সাত সেট প্রশ্নের মধ্যে ‘হুয়াংহু’ ও ‘মিসিসিপি’ সেট ফাঁস হয় বলে প্রমাণ পায়। ফলে ওই দুই সেটে পরীক্ষা হওয়া ১৭ জেলা ঢাকা, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, শেরপুর, কক্সবাজার, লালমনিরহাট ও নারায়ণগঞ্জ, সাতক্ষীরা, পাবনা, ঝিনাইদহ, রাজবাড়ী, মেহেরপুর, খুলনা, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের পরীক্ষা বাতিল করা হয়।
এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠানের কথা থাকলেও দেশব্যাপী কয়েক দফায় উপজেলা নির্বাচনের কারণে পরীক্ষা পিছিয়ে যায় এবং সর্বশেষ ২৮ মার্চ বাতিলকৃত পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধাšত্ম নেয়া হয়েছে। তার আগে ১৪ মার্চ পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়। পরে পিছিয়ে ২৮ মার্চ সকাল ১০টায় করা হয়। এ তারিখ ঘোষণার পরে কর্তৃপক্ষের মনে হয়েছে ওই দিনটি শুক্রবার। তখন আরেক দফায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে পরীক্ষা সকালের বদলে দুপুর আড়াইটায় নেয়ার কথা বলে উক্ত জেলাগুলোর পরীক্ষার্থীদের নতুন করে প্রবেশপত্র সংগ্রহের নির্দেশ দেয়া হয়।
উল্লেখ্য, গত বছরের ৮ নভেম্বর নিয়োগ পরীক্ষার আগের দিন ওই জেলাগুলোতে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটে। ময়মনসিংহে ফাঁস হওয়া প্রশ্নসহ কয়েকজন গ্রেফতারও হয়েছিল। এ খবর সংবাদপত্রে প্রকাশিত হবার পরও প্রথমে প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) বিষয়টি আমলেই নেয়নি। পরে এ-সংক্রাšত্ম আরো খবর সংবাদ মাধ্যমে একের পর এক প্রকাশিত হবার পর ডিপিই তদšত্ম কমিটি গঠন করে। তদšত্ম কমিটি প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা স্বীকার করে প্রাথমিক রিপোর্ট দিলে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ডিপিই পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধাšত্ম নেয়। তদšত্ম কমিটির পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট পাওয়ার পর ১৭ জেলার পরীক্ষা বাতিলের কথা প্রকাশ করে।

৩৪তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক:৩১১৪তম বিসিএসের আবশ্যিক বিষয়ে লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়েছে। ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট ও রংপুর কেন্দ্রে একযোগে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত চলবে লিখিত পরীক্ষা।

সোমবার সকাল ১০টায় ইংরেজি প্রথম পত্রের পরীক্ষার মধ্য দিয়ে লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়। বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা।

২০১৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ৩৪তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে কমিশন। বিভিন্ন ক্যাডারে ২ হাজার ৫২ পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

২০১৩ সালের মে মাসে অনুষ্ঠিত ৩৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় ১ লাখ ৯৫ হাজার পরীক্ষার্থী অংশ নেন। গত বছরের ৮ জুলাই কোটার ভিত্তিতে প্রিলিমিনারির ফল প্রকাশ হয়। এতে ১২ হাজার ৩৩ জন উত্তীর্ণ হন। প্রকাশিত ফলে মেধাবীরা অনেকেই বাদ পড়েন। পরে বিষয়টি নিয়ে আন্দোলন শুরু হলে ১৪ জুলাই পুনর্মূল্যায়িত ফল প্রকাশ করা হয়। সে ফলাফলে ৪৬ হাজার ২৫০ জন উত্তীর্ণ হয়।

‘কোটাব্যবস্থা মেধার অবমূল্যায়ন’

নিজস্ব প্রতিবেদক : সমাজকল্mohsinযাণমন্ত্রী সৈয়দ মোহসীন আলী বলেছেন, কোটাব্যবস্থা মেধার অবমূল্যায়ন হয়। কোটাব্যবস্থা বাতিল করে দেয়া উচিত।

শুক্রবার রাজধানীর বিএমএ মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক বর্ণবৈষম্য বিলোপ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘উন্নয়ন নীতিমালা ও কার্যক্রমে হরিজন ও দলিত জনগোষ্ঠীর বিশেষ অগ্রাধিকার’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাদে কোনো কোটাপ্রথার পক্ষে আমি নই। কোটাব্যবস্থা বাতিল করে দেয়া উচিত বলে মনে করি। সব ক্ষেত্রে মেধাকে অগ্রাধিকার দেয়া উচিত।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, কলেজের প্রভাষক নিয়োগে সাতজন প্রার্থীর মধ্যে সপ্তম হয়েছে এমন ব্যক্তির জন্যও কোনো কোনো মন্ত্রী আমাকে অনুরোধ করেছেন। কোটা থাকলে এসব অযোগ্য ব্যক্তি ঢুকে যেত।

 

শিক্ষাখাতে ২০ ভাগ অর্থ বরাদ্দের সুপারিশ

বাপ্পি অধিকারী, যশোর: মতবিনিময় সভায় শিক্ষাখাতে ২০ ভাগ অর্থ বরাদ্দের সুপারিশ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার যশোর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ‘সবার জন্য শিক্ষা ও জাতীয় বাজেট; চলমান ধারা ও আমাদের প্রত্যাশা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এ সুপারিশ করা হয়। রুরাল রিকনস্ট্রাকশন ফাউন্ডেশন (আরএরএফ) ও গণসাক্ষরতা অভিযান যৌথভাবে এ সভার আয়োজন করে।

আরআরএফ’র সভাপতি তারাপদ দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রূপন কান্তি শীল। বিশেষ অতিথি ছিলেন, যশোরের জেলা প্রশাসক মোস্তাফিজুর রহমান ও জেলা শিক্ষা অফিসার নাসিরউদ্দিন।

অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন যশোর কালেক্টরেট স্কুলের অধ্যক্ষ সুলতান আহমেদ ও যশোর শিক্ষাবোর্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ড. মুস্তাফিজুর রহমান। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন আরআরএফ’র উপ-পরিচালক আবুল কালাম আজাদ ও  গণসাক্ষরতা অভিযানের কর্মবর্তা রাজশ্রী গাইন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গণসাক্ষরতা অভিযানের সহসভাপতি ড. মিজানুর রহমান।

সভায় শিক্ষাখাতে মোট বাজেটের ন্যূনতম ২০ ভাগ অর্থ বরাদ্দসহ শিক্ষায় অর্থায়ন ইস্যুর ওপর স্থানীয় সংশ্লিষ্টতের সুপারিশ ও মতামত গ্রহণ করা হয়। কর্মশালায় যশোরের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, শিক্ষক সমিতির প্রতিনিধি, গণমাধ্যম কর্মী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter