ক্যাম্পাস

শিক্ষাখাতে ২০ ভাগ অর্থ বরাদ্দের সুপারিশ

বাপ্পি অধিকারী, যশোর: মতবিনিময় সভায় শিক্ষাখাতে ২০ ভাগ অর্থ বরাদ্দের সুপারিশ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার যশোর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ‘সবার জন্য শিক্ষা ও জাতীয় বাজেট; চলমান ধারা ও আমাদের প্রত্যাশা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এ সুপারিশ করা হয়। রুরাল রিকনস্ট্রাকশন ফাউন্ডেশন (আরএরএফ) ও গণসাক্ষরতা অভিযান যৌথভাবে এ সভার আয়োজন করে।

আরআরএফ’র সভাপতি তারাপদ দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রূপন কান্তি শীল। বিশেষ অতিথি ছিলেন, যশোরের জেলা প্রশাসক মোস্তাফিজুর রহমান ও জেলা শিক্ষা অফিসার নাসিরউদ্দিন।

অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন যশোর কালেক্টরেট স্কুলের অধ্যক্ষ সুলতান আহমেদ ও যশোর শিক্ষাবোর্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ড. মুস্তাফিজুর রহমান। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন আরআরএফ’র উপ-পরিচালক আবুল কালাম আজাদ ও  গণসাক্ষরতা অভিযানের কর্মবর্তা রাজশ্রী গাইন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গণসাক্ষরতা অভিযানের সহসভাপতি ড. মিজানুর রহমান।

সভায় শিক্ষাখাতে মোট বাজেটের ন্যূনতম ২০ ভাগ অর্থ বরাদ্দসহ শিক্ষায় অর্থায়ন ইস্যুর ওপর স্থানীয় সংশ্লিষ্টতের সুপারিশ ও মতামত গ্রহণ করা হয়। কর্মশালায় যশোরের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, শিক্ষক সমিতির প্রতিনিধি, গণমাধ্যম কর্মী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বিদ্যুতের দাম বাড়ল ৬.৬৯%

নিজস্ব power-plantপ্রতিবেদক : গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ৬ দশমিক ৬৯ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। ১ মার্চ থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির এ তথ্য জানিয়েছে।

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের আমলে পাঁচ বছরে পাঁচবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়।

৫ জানুয়ারির নির্বাচনে জয়ী হয়ে পুনরায় সরকার গঠনের পর এবারই প্রথম বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হল।

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাdhaka-medical-collegeদেশে প্রথমবারের মতো সফলভাবে বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট (অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপন) সম্পন্ন হয়েছে।

সোমবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ(ঢামেক) হাসপাতালে অবস্থিত দেশের একমাত্র ট্রান্সপ্লান্ট কেন্দ্রে ৫২ বছর বয়সী এক রোগীর শরীরে এটি প্রতিস্থাপন করা হয়।

ঢামেক হাসপাতালের অধ্যাপক এম এ খান এবং যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হাসপাতালের চিকিত্সক বিমলাংশু দের নেতৃত্বে চিকিত্সকদের একটি দল এই প্রতিস্থাপন সম্পন্ন করেন।

সোমবার বিকাল ৩টার দিকে ঢামেক নতুন ভবনের তয় তলায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মো. নাসিম। এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, স্বাস্থ্যসচিব এসএম নিয়াজউদ্দীন, ঢামেকের হেমাটোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. এমএ খানসহ সিনিয়র চিকিৎসকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা মেডিকেলের হেমাটোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. এমএ খান বলেন, এর মাধ্যমে ৯০ ভাগ রোগীর সুস্থ হয়ে ওঠার আশা করছি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গরীর ও হতদরিদ্রদের বিনামূল্যে এ চিকি‍ৎসা দেওয়ার ব্যাপারে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে। এমন কি দেশের সব রোগীদেরই বিনামূল্যে এ চিকিৎসা দেওয়া যায় কী না তাও বিবেচনা করবে সরকার।

এদিকে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা জানান, দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার অগ্রগতিতে এই প্রতিস্থাপন একটি মাইলফলক। অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে ক্যান্সার, রক্তরোগ, থেলাসিমিয়াসহ আরও অনেক দুরারোগ্য ব্যাধি থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব।

গত বছরের অক্টোবরে ঢাকা মেডিকেলে বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট কেন্দ্র উদ্বোধন করেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. আফম রুহুল হক। ওই সময় ট্রান্সপ্লান্ট শুরুর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। তবে কোটি টাকা মূল্যের একটি মেশিন হঠাৎ বিকল হয়ে পড়ায় প্রতিস্থাপন সম্পন্ন করা যায়নি।

এরপর কয়েক মাস প্রতিস্থাপনে এগুতে পারেনি ঢাকা মেডিকেল কর্তৃপক্ষ। সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করে এবার প্রতিস্থাপন শুরু হলো।

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে ২ লাখ ৭৫ হাজার ৯৬৪টি পদ শূন্য

নিজস্ব প্রতিবেদক : বর্তমানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে ২ লাখ ৭৫ হাজার ৯৬৪টি পদ শূন্য রয়েছে। শূন্য পদ পূরণ একটি চলমান প্রক্রিয়া। জনবল নিয়োগে প্রত্যেক মন্ত্রণালয় সচেষ্ট রয়েছে বলে সংসদে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বেগম ইসমাত আরা সাদেক।

রবিবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্Govt-logo-TMতর এনামুল হকের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী সংসদকে এ তথ্য জানান। জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য এ কে এম মাইদুল ইসলামের অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বর্তমানে জনপ্রশাসনে ২ হাজার ৬০৩ জন সরকারি কর্মকর্তা রয়েছেন। এর মধ্যে ওএসডি রয়েছেন ২৬৫ জন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তালিকা অনুযায়ী মোট কর্মকর্তার রয়েছেন পর্যায়ক্রমে সচিব ৬২ জন, অতিরিক্ত সচিব ৩০৪ জন, যুগ্ম সচিব ৯২৭ জন, উপসচিব ১৩১০ জন। ওএসডি কর্মকর্তাগণের মধ্যে সচিব ৩ জন, অতিরিক্ত সচিব ৪৬ জন, যুগ্ম সচিব ১৩৯ জন, উপসচিব ৭৭ জন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রশাসনের বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীর মধ্যে সচিব পদে মুসলিম ৫৯ জন, হিন্দু ৩ জন, অতিরিক্ত সচিব মুসলিম ২৫৮ জন, হিন্দু ৪০ জন, খ্রিস্টান ২ জন ও বৌদ্ধ ৪ জন। যুগ্মসচিব পদে মুসলিম ৮০১ জন, হিন্দু ১২১ জন, খ্রিস্টান ৩ জন ও বৌদ্ধ ২ জন। উপসচিব পদে মুসলিম এক হাজার ১৭৩ জন, হিন্দু ১২৮ জন, খ্রিস্টান একজন ও বৌদ্ধ ৮ জন কর্মরত রয়েছেন।

স্বপন ভট্টাচার্য্যের এক প্রশ্নের উত্তরে ইসমাত আরা সাদেক বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সাংবিধানিক অনুশাসন অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ক্যাডার, নন-ক্যাডার ও দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তাদের নিয়োগের জন্য সুপারিশ করে থাকে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘২০০৮-২০১৩ পর্যন্ত ২৭, ২৮, ২৯, ৩০, ৩১, ৩২ (বিশেষ) ও ৩৩তম বিসিএসের মাধ্যমে মোট ২১ হাজার ৮৫৫ জহন প্রার্থীর সুপারিশ করা হয়েছে। বিসিএসের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কিন্তু পদ স্বল্পতার কারণে ক্যাডার পদে সুপারিশপ্রাপ্ত নয় এমন প্রার্থীদের মধ্য থেকে ২০০৮-১৩ সময়ে সরকারি কর্ম কমিশন কর্তৃক বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বা বিভাগে প্রথম শ্রেণির নন-ক্যাডার পদে এক হাজার ৪০ প্রার্থীকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে।

ইসমাত আরা বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন কর্তৃক ২০০৯ হতে ২০১৪ (বর্তমান) পর্যন্ত নন-ক্যাডার প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে সুপারিশকৃত মোট প্রার্থীর সংখ্যা চার হাজার ৪৮৫ জন। এর মধ্যে প্রথম শ্রেণির নন-ক্যাডার প্রার্থীর সংখ্যা ৯৪৪ জন।’

বিবাহ নিবন্ধন ফি সর্বনিম্ন ২০০ টাকা

স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য হাজী মো. সেলিমের এক লিখিত প্রশ্নের উত্তরে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, বর্তমানে বিবাহ নিবন্ধন ফি সর্বনিম্ন ২০০ টাকা। মন্ত্রী জানান, বর্তমানে একজন নিকাহ রেজিস্ট্রার ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত দেনমোহরের ক্ষেত্রে প্রতি হাজারে সাড়ে ১২ টাকা করে নিবন্ধন ফি আদায় করতে পারবেন। দেনমোহর ৪ লাখ টাকার অধিক হলে পরবর্তী প্রতি ১ লাখ টাকায় ১০০ টাকা বিবাহ নিবন্ধন ফি দিতে হবে। তবে দেনমোহর যাই হোক না কেন বিবাহ নিবন্ধন ফি সর্বনিম্ন ২০০ টাকা। সংসদ সদস্য আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইনের অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, সারাদেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য এ পর্যন্ত ৫০১ জন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

দেশে জেলের সংখ্যা ৬ লাখ ৯০ হাজার

জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে মত্স্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ সাইদুল হক সংসদকে এ তথ্য জানান। দেশে জেলের সংখ্যা ৬ লাখ ৯০ হাজার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত আগ্রহে দেশের প্রকৃত জেলেদের শনাক্ত করে নিবন্ধন ও পরিচয়পত্র প্রদান কর্মসূচির আওতায় দেশের ৬৪ জেলার ১৪৮ উপজেলায় জরিপের মাধ্যমে এ তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। ৩ লাখ ৭৫ হাজার জেলের ডাটা এন্ট্রি করা হয়েছে। ২ লাখ ১৫ হাজার জেলের ছবি উঠানো হয়েছে।

সরকারদলীয় এমপি এ মালেক (ঢাকা-২০)-এর প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী আরও জানান, গত অর্থবছরে মাছের উত্পাদন ছিল ২৫.৬৩ লক্ষ মেট্রিক টন। ২০১১-১২ অর্থবছরে দেশের আয়ের ৪.৩৯ ও রফতানি আয়ের ২.৪৫ শতাংশ মত্স্য খাত থেকে এসেছে। সরকার আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন মত্স্য মাননিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞ ড. গ্লেন কেনেডিকে নিয়োগ করে ইউরোপের বাজারে চিংড়ি রফতানিতে সৃষ্ট জটিলতা নিরসন করে। ফলে ২০১৩ সালে বাংলাদেশের কোনো পণ্য রেপিড এলাটভুক্ত হয়নি বা জটিলতার কারণে চিংড়ির কোনো চালান ফেরত আসেনি। ২০১২ সালে ফেরত আসে মাত্র একটি চালান। অথচ ২০০৯ সালে ফেরত এসেছিল ৫৪টি চালান।

মত্স্যমন্ত্রী আরও জানান, ১৯৭৫ সালের পর মত্স্য অধিদফতরের মত্স্য খামার ও হ্যাচারিসমূহ কখনোই সংস্কার করা হয়নি। নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের এমপি গোলাম দস্তগীর গাজীর প্রশ্নের জবাবে মত্স্যমন্ত্রী জানান, সরকার মত্স্য সম্পদের উত্পাদন বৃদ্ধি ও সংশ্লিষ্ট খামারিদের আর্থিক সহায়তার জন্য সম্পূর্ণ সুদ মুক্ত ঋণ প্রদান করছে। মত্স্যখাতে ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি সংক্রান্ত নির্দেশিকা ২০১১ নির্দেশিকা মতো জেলেদের কাছ থেকে শুধু ৫ শতাংশ সার্ভিস চার্জ কাটা হয়।

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা দ্বিতীয় শ্রেণীতে উন্নীত

ঢাকা : প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিimages_28548ক্ষকদের পদমর্যাদা তৃতীয় শ্রেণী থেকে দ্বিতীয় শ্রেণীতে উন্নীত করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে রোববার সকালে প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্দোলনের নামে বিএনপি-জামায়াত স্কুল পুড়িয়েছে। এ সময় শিক্ষার উন্নয়নে বিত্তশালীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ডিগ্রি পর্যন্ত দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ সময় তিনি স্বপ্রণোদিত হয়ে স্কুল ফান্ড তৈরির তাগিদ দেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এবার বগুড়ায় সুড়ঙ্গ কেটে সোনালী ব্যাংক লুট

বগুড়া প্রতিনিধি : কিশোরগঞ্জের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বগুড়ার আদমদীঘিতে সুড়ঙ্গ কেটে সোনালী ব্যাংকের ৩২ লাখ ৫১ হাজার টাকা লুট হয়েছে।

ব্যাংকের পশ্চিম দেয়ালের নিচে বিপ্লব ফার্নিindexচার মার্ট নামের দোকানের ভিতর থেকে সুড়ঙ্গ তৈরি করা হয়। এরপর ব্যাংকের ভেতরে প্রবেশ করে ভল্ট ভেঙে ৩২ লাখ ৫১ হাজার টাকা লুট করা হয়।

পুলিশ দুটি গ্যাস সেলিন্ডার, একটি সেলাইরেঞ্জ, একটি কর্নি উদ্ধার এবং এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ফার্নিচার দোকানের মালিক আশরাফুল ইসলামসহ চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।

বগুড়ার আদমদীঘি সদরে সোনালী ব্যাংক শাখায় বৃহস্পতিবার ব্যাংকের লেনদেন শেষ করে কর্তৃপক্ষ ব্যাংক বন্ধ করে চলে যান। প্রতিদিনের ন্যায় শনিবার ব্যাংক খুলে কার্যক্রম চালায়। বিকেলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ভল্ট ভাঙা দেখে পুলিশকে খবর দেয়।

ব্যাংকের ম্যানেজার শামছদ্দীন শরিফ জানান, বৃহস্পতিবার ব্যাংক বন্ধ করে তিনি চলে যান। শনিবার বিকাল ৪টায় কাজের জন্য ব্যাংক খোলা হলে তিনি ভল্ট ভাঙা দেখতে পান। এরপর তিনি বিষয়টি পুলিশকে জানান। ব্যাংকের ভল্টে ৩২ লাখ ৫১ হাজার টাকা ছিল।

এ ঘটনায় সোনালী ব্যাংকের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মোঃ আব্দুস সামাদ, বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সৈয়দ আবু সায়েম এবং আদমদীঘি থানার ওসি মোঃ নজরুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

ওসি মোঃ নজরুল ইসলাম জানান, ব্যাংক চুরির সঙ্গে যারা জড়িত দ্রুত তাদের গ্রেপ্তার করে লুট হওয়া টাকা উদ্ধার করা হবে।

 

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

‘১০ টাকায় একাউন্ট খুলতে পারবে পথশিশুরা’

ডেস্ক: বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর ড. আতিউর রহমান জানিয়েছেন, আগামী সোমবার ১০ মার্চ থেকে সুবিধাবঞ্চিত ও অভিভাবকহীন শিশুরা ১০ টাকায় ব্যাংকে সঞ্চয়ী হিসাব খুলতে পারবে।’১০ টাকায় একাউন্ট খুলতে পারবে পথশিশুরা’ বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর ড. আতিউর রহমান।

112শনিবার চট্টগ্রামে স্কুল ব্যাংকিং কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তৃতা দেওয়ার সময় একথা জানান তিনি। এসময় তিনি আরো জানান, স্কুলের শিক্ষার্থীরা একশ’ টাকা ব্যাংকে জমা দিয়ে হিসাব খুলতে পারবে। ড. আতিউর রহমান বলেন, “আগামী দুই দিনের মধ্যে পথশিশুদের হিসাব খোলার জন্য একটি সার্কুলার জারি করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। সুবিধাবঞ্চিত পথশিশুরা যদি হিসাব খুলতে পারে তা হলে বাংলাদেশ হবে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির এক নম্বর দেশ।” স্কুল ব্যাংকিং কার্যক্রম সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বলেন, “স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য ২০১০ সালের ২ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই কার্যক্রমে দেশের ৪৭ ব্যাংকে ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত হিসাব খুলেছে দুই লাখ ৮৬ হাজার জন। আর তাদের এসব হিসাবে তিন বছরে জমা হয়েছে ৩০৪ কোটি টাকা। আর ৯৬ হাজার কোটি টাকা জমা হলে তারা নিজেরাই একটা ব্যাংক খুলতে পারবে।” দক্ষিণ এশিয়ায় ব্যাংকিং কার্যক্রমে বাংলাদেশের অবস্থান দুই নম্বর উল্লেখ করে তিনি বলেন, “শ্রীলংকার পরেই ব্যাংকিং কার্যক্রমে আমাদের দেশের অবস্থান। পথ শিশুদের জন্যও হিসাব খোলার সুযোগ তৈরি হলে আমাদের অবস্থান চলে আসবে এক নম্বরে। কারণ বর্তমানে বাংলাদেশের রিজার্ভ রয়েছে ১৯ বিলিয়ন ডলার।” নারী দিবস উপলক্ষে ড. আতিউর রহমান বলেন, “নারীর ক্ষমতায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে মাত্র ১০ শতাংশ সুদের ঋণ সুবিধায় ডেলের কম্পিউটার (ডেস্কটপ ও ল্যাপটপ) কিনতে পারবেন নারী উদ্যোক্তা ও শিক্ষার্থীরা। মাত্র ২০ শতাংশ এককালীন অর্থ দিয়ে তারা এ কম্পিউটার কিনতে পারবেন। আর ৮০ শতাংশ অর্থ দেওয়া হবে ব্যাংকের পক্ষ থেকে। নারী উদ্যোক্তারা ই -কমার্সের মাধ্যমেও নিজেদের ভাগ্য উন্নয়ন করতে পারবে।” বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ম মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ব্যাংক চট্টগ্রাম অঞ্চলের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মাসুম কামাল ভুঁইয়া। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন রূপালী ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক দেবাশীষ চক্রবর্তী, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ নওশাদ আলী চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক অধ্যাপক হান্নানা বেগম। কনফারেন্সের শুরুতে ৫২টি স্টল ঘুরে দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর। অনুষ্ঠানের পরে নৃত্য ও নাটক পরিবেশন করেন ঢাকা ও চট্টগ্রামের শিল্পীরা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বাংলাদেশে প্রথম জৈবসার উত্পাদন

দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) সংবাদদাতা :fertilizerদেশের সর্ববৃহত্ দর্শনা কেরু চিনিকল কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের প্রথম জৈবসার উত্পাদন কারখানা প্রতিষ্ঠা করেছে। ৭৫ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত দর্শনা কেরু চিনিকলের বর্জ্য পদার্থ মাথাভাঙ্গা নদী ও এলাকার পরিবেশ দূষণ করে আসছিল বলে এলাকাবাসীর নানা অভিযোগ ছিল। সে সময় পরিবেশ দূষণের হাত থেকে রক্ষায় কর্তৃপক্ষ নানা ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করেছিল। পরে সে বর্জ্য পদার্থ দিয়েই এখন তৈরি হচ্ছে পরিবেশবান্ধব জৈবসার। এ উদ্যোগে সফল হয়েছে কেরু চিনিকল কর্তৃপক্ষ। এলাকার চাহিদা ও জমির উর্বর ক্ষমতা বৃদ্ধির কথা ভেবেই প্রতিষ্ঠা করেছে জৈবসার উত্পাদন কারখানা। কেরু চিনিকল কর্তৃপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে জৈবসার কারখানা প্রতিষ্ঠার জন্য বরাদ্দ দেয় ৭ কোটি ২৪ লাখ টাকা। দর্শনার আকুন্দবাড়িয়া বীজ উত্পাদন খামারের নিজস্ব জমির ওপর সার কারখানা নির্মাণ কাজ শুরু করে। চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের সার্বিক সহযোগিতায় দ্রুত নির্মাণ কাজ সমপন্ন এবং ভারতের টরিক চিম টেকনো লিগাল সার্ভিস প্রা. লিমিটেডের কারিগরি সহায়তায় মেশিনারিজ স্থাপন করে। ২০১৩ সালের মে মাসে সার কারখানায় পরীক্ষামূলক উত্পাদন শুরু করা হয়। জানা গেছে, এ কারখানায় বছরে ৯ হাজার মেট্রিক টন জৈবসার উত্পাদন করতে পারবে। এ সার তৈরিতে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে চিনি কারখানার উপজাত প্রেসমাড ও ডিস্টিলারি কারখানার বর্জ্য পানি। কাঁচামাল হিসেবে প্রতিবছর ১৮ হাজার মেট্রিক টন প্রেসমাড ও ৪০ হাজার মেট্রিক টন বর্জ্যপন্টওয়াস ব্যবহার করা যাবে। কেরুজ চিনিকল থেকেই প্রেসমার্ড পাওয়া যাবে ২ হাজার মেট্রিক টন, বাকি প্রেসমাড দেশের অন্যান্য চিনি কারখানা থেকে সংগ্রহ করতে হবে। এ দুটি বর্জ্য সার কারখানায় কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে অ্যারোবিক কম্পোসটিং পদ্ধতিতে পরিবেশবান্ধব জৈবসার উত্পাদন করা হচ্ছে। ইতিপূর্বের পরিবেশ দূর্ষণের কারণে এ বর্জ্য ফেলে দেয়া হতো মাথাভাঙ্গা নদীতে। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাসায়নিক সার ব্যবহারের কারণে হ্রাস পাবে জমির উর্বরতা। এ বিষয়ে চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আজিজুল হক বলেন, প্রায় সাড়ে ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে দেশের প্রথম প্রতিষ্ঠা পায় জৈবসার কারখানা। এ ছাড়া চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের এমপি আলী আজগার টগর ইতিমধ্যেই মিলের আধুনিকায়নে সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে ৪৭ কোটি টাকা বরাদ্দ করেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সরকারি চাকুরেদের জন্য বড় সুবিধার যৌথ স্বাস্থ্যবীমা

ডেস্ক রিপোর্ট : মাসিক ৭০০ টাকার চিকিৎসা ভাতা দেয়ার বর্তমান ব্যবস্থার পরিবর্তে সরকারি কর্মচারীদের আরও বড় সুবিধার যৌথ স্বাস্থ্য বীমার অধীনে আনার কথা ভাবছে সরকার। বিদ্যমান যৌথ স্বাস্থ্য বীমার চাঁদা ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০ টাকা করার কথাও ভাবা হচ্ছে। বর্তমান চিকিৎসা ভাতা ও বর্তমান স্বাস্থ্য বীমাকে একীভূত করে নতুন সুবিধার যৌথ স্বাস্থ্য বীমা চালু করা গেলে একজন কর্মচারী বছরে সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকার চিকিৎসা সুবিধা পেতে পারেন। তবে নতুন পরিকল্পনায় এ দুটি পৃথক সুবিধা রাখা হবে, নাকি একীভূত করা হবে—তা নিয়ে পর্যালোচনা ও সুবিধাভোগীদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

সরকারের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, নতুন আরেকটি বেতনক্রম ঘোষণার আগেই সরকারি কর্মচারীদের বিদ্যমান সুযোগ সুবিধা কাঠামোয় বড় ধরনের সংস্কারের উদ্দেশ্য নিয়ে অগ্রসর হচ্ছে সরকার। এক্ষেত্রে স্বাস্থ্য সুবিধাকেই প্রথম বিবেচনায় নেয়া হচ্ছে। বিবেচনায় থাকছে গৃহঋণ ও গাড়ি কেনার ঋণ সুবিধাও।

প্রসঙ্গত, বিদ্যমান বেতনক্রমের সঙ্গে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য মাসিক ৭০০ টাকা করে চিকিৎসা ভাতা দেয়া হয়। বস্তুত এ টাকায় একটি পরিবারের চিকিৎসা সুবিধা খুব সামান্যই মেটানো সম্ভব। এ বাস্তবতাকে সামনে রেখে সরকার ভাবছে কীভাবে সরকারি চাকরিজীবীদের চিকিৎসা সুবিধা বাড়ানো যায়।
সূত্র জানায়, সরকারের দেয় ৭০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা যৌথ স্বাস্থ্য বীমার বিপরীতে প্রিমিয়াম দাবি হিসাবে পরিশোধ করা হবে। এতে বছরে একজন চাকরিজীবী অন্তত এক লাখ টাকার চিকিৎসা সুবিধা পাবেন। তবে এক্ষেত্রে কিছু শর্ত নির্ধারণ করে দেয়া হতে পারে। যেমন, এই অর্থ নেয়ার প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে চিকিৎসার প্রমাণপত্র দেখাতে হবে।
এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বেগম ইসমাত আরা সাদেক  বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে আলোচনা না করে কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হবে না। সার্বিকভাবে কর্মচারীদের জন্য হিতকর সিদ্ধান্ত গ্রহণে সরকার সম্পূর্ণ আন্তরিক এবং সেক্ষেত্রে কালক্ষেপণও করা হবে না।
অন্যদিকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বর্তমানে যে যৌথ স্বাস্থ্য বীমা চালু আছে তাতে ৫০ টাকা করে চাঁদা নেয় সরকার। কর্মচারীদের বেতন দেয়ার সময় এ টাকা কেটে রাখা হয়। নতুন যৌথ স্বাস্থ্য বীমা চালুর ক্ষেত্রে চিকিৎসা ভাতা ও যৌথ বীমা কর্মসূচিকে একীভূত করা হলে কর্মচারীদের দেয় ৭০০ টাকার চিকিৎসা ভাতার সঙ্গে ৫০ টাকা বীমার চাঁদার পরিবর্তে আরও ১৫০ টাকা বাড়িয়ে ২০০ টাকা করা হতে পারে। এই দুই খাতের টাকা এক করে প্রিমিয়াম দেয়া হলে এর পরিমাণ দাঁড়াবে ৯০০ টাকা। আর ৯০০ টাকা প্রিমিয়াম দেয়া হলে একজন কর্মচারী বছরে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসা সুবিধা পেতে পারেন।

বর্তমানে চাকরিরত অবস্থায় কারো মৃত্যু হলে তার উত্তরাধিকারীকে বিদ্যমান যৌথ স্বাস্থ্য বীমার খাত থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা দেয়া হয়। যৌথ বীমা ব্যবস্থার সংস্কার করা হলে এ টাকার পরিমাণ দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ বেড়ে যাবে। আর এক্ষেত্রে সরকারকে অতিরিক্ত অর্থের যোগান দিতে হবে না।
গৃহঋণ ও গাড়ির ঋণ:বর্তমানে সরকারের যুগ্ম সচিব এবং তদূর্ধ্ব কর্মকর্তাদের গাড়ি কেনার জন্য এককালীন ২০ লাখ টাকা ঋণ দেয়া হয়। কিন্তু সহকারী সচিব থেকে উপসচিব পর্যন্ত কর্মকর্তাদের জন্য এই ঋণের পরিমাণ মোটরসাইকেলের জন্য ৩৫ হাজার টাকা এবং গাড়ির জন্য ১ লাখ ২০ টাকা।
কর্মকর্তারা বলছেন, এটি অত্যন্ত হাস্যকর ও লজ্জাকর। এই টাকা দিয়ে মোটরসাইকেল হয় না। আর ১ লাখ ২০ টাকা দিয়ে কোন কোন গাড়ির সবচেয়ে কমদামি যন্ত্রাংশ কেনা যেতে পারে।
অপরদিকে গৃহঋণ বাবদ বর্তমানে দেয়া হয় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। এই টাকা দিয়ে ছোটখাট টিনের বাড়ি তৈরিও সম্ভব নয়। এর সংস্কার জরুরি বলে মনে করেন সরকারি চাকরিজীবীরা। তবে এসব নিয়ে এক্ষণি সিদ্ধান্ত হচ্ছে না বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সূত্রে জানা গেছে।ইত্তেফাক

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

গাইবান্ধায় পিকনিকের বাস খাদে পড়ে নিহত ২, আহত ২৫

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: এবার গাইবান্ধায় মাদরাসা শিক্ষার্থীদের পিকনিকের বাস খাদে পড়ে অন্তত দু’জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরো কমপক্ষে ২৫ জন। নিহতরা হলো গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া গ্রামের সুজা মিয়ার ছেলে রাকিব হাসান (১৪) ও আহসান আলীর ছেলে মোকছেদ মিয়া (১৪)। রাকিব ও মোকছেদ ফুলছড়ি উপজেলার খবিরিয়া দাখিল মাদ্রাসার দশম ও সপ্তম শ্রেণির ছাত্র।

সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে গাইবান্ধা-বালাসি সড়কের পুলবন্দির ফলিয়া নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে পুলিশ অতিদ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল ৮টার দিকে খবিরিয়া দাখিল মাদ্রাসার ১০৭ জন শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারীরা দু’টি বাসে দিনাজপুর জেলার বিনোদন কেন্দ্র ‘স্বপ্নপুরী’তে যায়। সেখান থেকে ফেরার পথে একই দিন রাত সাড়ে ৯টায় পুলবন্দির ফলিয়া নামক স্থানে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বাস (ঢাকা-মেট্রো-জ-২৮৯৩) উল্টে সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসের চাপা পড়ে ঘটনাস্থলে রাফিক ও হাসান নিহত হয়। আহতদের গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে পাঁচ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোশারফ হোসেন দু’জন নিহত ও ২৫ জন আহত হবার কথা নিশ্চিত করেছেন। জেলা প্রশাসক এহছানে এলাহী গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে আহতদের দেখতে যান।

এর আগে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি যশোরের বেনাপোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে মেহেরপুরের মুজিবনগরে পিকনিকে গিয়ে ফেরার পথে দুর্ঘটনার মুখে পড়ে শিক্ষার্থীরা। যশোরের চৌগাছা উপজেলার ঝাউতলায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে শিক্ষার্থীবাহী বাসটি পুকুরে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই সাত শিক্ষার্থী নিহত হয়। আহত হয় অর্ধশত।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চট্টগ্রামে বিএন স্কুলের পিকনিক বাস উল্টে আহত ২৩

রাঙামাটি প্রchittogong-1nতিনিধি: রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলায় পিকনিকের বাস উল্টে বিএন স্কুল এন্ড কলেজের ২৩ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

শনিবার দুপুর ১২টার দিকে চট্টগ্রাম শহর থেকে বিএন স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বাসটি কাপ্তাই আসার পথে ব্যাঙছড়ি এলাকায় পৌঁছালে একটি সিএনজিকে সাইট দিতে গিয়ে রাস্তার উপর বাসটি উল্টে যায়।

কাপ্তাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বেলায়েত হোসেন জানান, এ ঘটনায় প্রায় ২৩ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

তাত্ক্ষণকিভাবে আহতদের উদ্ধার করে নৌ-বাহিনী ও স্থানীয়দের সহায়তায় কাপ্তাই শহীদ মোয়াজ্জেম নৌ-ঘাঁটির চিকিত্সাকেন্দ্র, চন্দ্রঘোনা মিশন হাসপাতাল এবং বড়ইছড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিত্সা দিয়ে চট্টগ্রামে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিগগিরই ৩৫তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি

ঢাকা: download-53৩৫তম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে বিভিন্ন ক্যাডারে এক হাজার ৭৪৯ জন কর্মকর্তা নিয়োগের লক্ষ্যে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) দ্রুত বিজ্ঞপ্তি জারি করবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক।

রোববার দশম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সংসদ সদস্য মো. রুস্তম আলী ফরাজীর এক প্রশ্নের উত্তরে প্রতিমন্ত্রী সংসদকে এ তথ্য জানান।

ইসমাত আরা বলেন, ‘চলতি ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ৩২তম বিসিএস (বিশেষ) এর মাধ্যমে এক হাজার ৬২৭ জন কর্মকর্তাকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া ৩৩তম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে পিএসসি কর্তৃক সুপারিশকৃত আট হাজার ৩৭৭ প্রার্থীকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের কার্যক্রম চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং ৩৪তম বিসিএস’র মাধ্যমে নিয়োগের প্রিলিমিনারী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।’

এছাড়া বর্তমান অর্থবছরে দ্বিতীয় শ্রেণীতে ১৫ জন, তৃতীয় শ্রেণীতে ৭০ জন ও চতুর্থ শ্রেণীতে ২৬ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগের লক্ষ্য রয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

আরেক সংসদ সদস্য শিরিন আখতারের এক প্রশ্নের জবাবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে জনপ্রশাসনে নারী ও পুরুষের হার এক অনুপাত তিন দশমিক ৪৬। সরকারি চাকরিতে সাধারণভাবে সরাসরি নিয়োগে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর পদের ক্ষেত্রে মহিলা কোটা ১০ ভাগ এবং তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর পদের ক্ষেত্রে ১৫ ভাগ নির্ধারিত রয়েছে।’

এই কোটার বাইরেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে ‘মেধা কোটায়’ সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে নারীদের চাকরি পাওয়ার সুযোগ রয়েছে বলেও জানান তিনি।

নারীদের জন্য সরকারি কোটা বৃদ্ধির বিষয়ে সরকারের আপাতত কোনো পরিকল্পনা নেই বলেও জানান ইসমাত আরা।

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বোমা ‘তৈরির সময়’ কব্জি গেল শিবির নেতার

বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়ায় বোমা তৈরির সময় ইসলামী ছাত্রশিবিরের এক নেতার হাতের কব্জি উড়ে গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আহত ওই শিবির নেতার নাম জুয়েল সরকার (২৪)। তিনি বগুড়ার সরকারি আযিযুল হক কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জেলা শহরের শিবির অধ্যুষিত জামিলনগর এলাকার একটি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
বগুড়া গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মিজানুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন, জামিলনগর এলাকায় বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণে শিবির নেতা জুয়েল আহত হয়েছে এবং গোপনে শহরের ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পরে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়।
তিনি জানান, সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে গিয়ে কাউকে দেখতে পায়নি পুলিশ। তবে এসময় হাসপাতালের তিনতলায় অপারেশন থিয়েটার রুমে তালা এবং নিচে দাঁড়ানো অ্যাম্বুলেন্স দেখে তাদের সন্দেহ হয়। একপর্যায়ে পুলিশ তালা ভেঙে অপারেশন থিয়েটারের ভেতরে ঢুকে শিবির নেতা জুয়েলকে বিছানায় শায়িত অবস্থায় দেখতে পায়। পরে সেখান থেকে জুয়েলকে আটক করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরিদর্শক মিজানুর জানান, বোমা বিস্ফোরণে জুয়েলের বাঁ হাতের কব্জি ও ডান হাতের একটি আঙুল উড়ে গেছে। এছাড়া তার পেটেও ক্ষত রয়েছে।
এদিকে বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণের অভিযোগ করে অস্বীকার করেছেন বগুড়া শহর শাখা ছাত্রশিবিরের প্রচার সম্পাদক মিজানুর রহমান।
তার দাবি, জামিলনগরের ওই বাসার সামনে একটি হাতবোমা পড়ে থাকতে দেখে কৌতূহলবশত জুয়েল সেটি তুলে দেখছিল। এসময় বোমাটি বিস্ফোরিত হলে তার বাঁ হাতের কব্জি ও ডান হাতের একটি আঙুল উড়ে যায়।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জনগণ নির্বাচন গ্রহণ করলে জাতিসংঘ মাথা ঘামাবে না

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. একে আব্দুল মোমেন শুক্রবার সিলেটে গণমাধ্যমকর্মীর সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ মন্তব্য করেন।

ডেস্ক: 003_30457_0দেশের জনগণ নির্বাচন গ্রহণ করলে জাতিসংঘ তা নিয়ে মাথা ঘামাবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি (রাষ্ট্রদূত) ড. একে আব্দুল মোমেন।

সিলেটের কৃতি সন্তান ড. মোমেন শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে সিলেট সার্কিট হাউসে গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে মতবিনিময়কালে এ মন্তব্য করেন।
ড. মোমেন বিভিন্ন দেশের জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “পর্যবেক্ষক বা বিরোধী দল ছাড়া বিশ্বে নির্বাচন হচ্ছে। আমাদের দেশে হলে দোষ কোথায়? বড় কথা হলো দেশের জনগণ নির্বাচন গ্রহণ করতে হবে।”
জাতিসংঘের কাছে বাংলাদেশের কদর আলাদা-উল্লেখ করে তিনি বলেন, “বিশেষ করে শান্তিরক্ষি বাহিনী প্রেরণে বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ প্রথম স্থানে। জাতিসংঘ আমাদের ছাড়া চলতে পারবে না। বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেশ বিশ্বের কাছে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে।”
বিভিন্ন গণমাধ্যম বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করে বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “ওইসব মিথ্যা সংবাদে জাতিসংঘে আমাদের কাজ বেড়ে যায়। আমাদের তখন যাচাই-বাচাই করতে হয়। বিভিন্নস্থান থেকে আমাদের কাছে লোকজন জানতে চায়।”
তিনি ওইসব সংবাদ সম্পর্কে সতর্ক থাকতে গণমাধ্যম কর্মীদের অনুরোধ করেন।
তারানকোর বাংলাদেশ সফর প্রসঙ্গে ড. মোমেন বলেন, “জাতিসংঘ কিছু দেওয়া কিংবা হস্তক্ষেপ করে না। যেকোনো কাজে সাহায্য করে। নির্বাচন সামনে রেখে তারানকো বাংলাদেশে এসে দুইদলকে একসাথে বসিয়েছেন। সেক্ষেত্রে তিনি সফল। তবে সময়ের কারণে হোক আর অন্য কারণে হোক দুই দল নির্বাচনে এক হতে পারেনি।”

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সরকারের সম্পূর্ন অর্থায়নে দামুড়হুদা সুলতানপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয় চালু

ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় পাঠ্যবই বিতরন

দর্শনা অফিস ঃ দামুড়হুদা উপজেলায় সরকারী অর্থায়নে সুলতানপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় চালু করার পাশাপাশি পাঠবই বিতরন শুরু করেছে। সারা দেশে সরকারী অর্থায়নে ১৫০০ বিদ্যালয় এবছর চালু করা হয়।
প্রতিবছর ১ জানুয়ারিbai pic পাঠ্যপুস্তক উৎসব দিবস উদযাপন করা হয়। এ বছর শিক্ষাবর্ষের প্রথম দিন আখেরি চাহার সোম্বা উপলক্ষে স্কুল-মাদ্রাসা বন্ধ থাকায় পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করা হয় ২ জানুয়ারি। এদিন দেশের সব প্রাথমিক, ইবতেদায়ি, মাধ্যমিক স্কুল, দাখিল মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানের সব ছাত্রছাত্রী বিনামূল্যে পেয়েছে ২০১৪ সালের নতুন পাঠ্যবই। পাঠ্যবই বিতরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি দামুড়হুদা উপজেলা চেয়ারম্যান আজাদুল ইসলাম আজাদ  বলেন, প্রতিবছর ১ জানুয়ারি প্রাথমিক, ইবতেদায়ি, মাধ্যমিক, দাখিল ও কারিগরি স্তরের সব ছাত্রছাত্রীর নতুন বই প্রাপ্তি আজ বাস্তবতা। পর-পর ৫ বছর শিক্ষাবর্ষের প্রথম ক্লাসেই সারা দেশে সব ছাত্রছাত্রীর হাতে বই পৌঁছে দেওয়া বর্তমান সরকারের সফলতার সবচেয়ে বড় উদাহরণ। বিশ্বের কোনও দেশে এত বই ছাপানোর কোনও রেকর্ড নেই। বছরের প্রথম কর্মদিবসে ছাত্রছাত্রীদের হাতে বই তুলে দিতে পারা জাতির কাছে এক নতুন ইতিহাস। বর্তমান সরকারের আগে কখনও ১ জানুয়ারিতে ছাত্রছাত্রীদের হাতে বই পৌঁছনো সম্ভব হয়নি।
গত বছর প্রাথমিক, এবতেদায়ি, মাধ্যমিক, দাখিল ও কারিগরি বিদ্যালয়ের ৩ কোটি ৬৮ লাখ ৮৬ হাজার ১৭২ জন ছাত্রছাত্রীর মধ্যে প্রায় ২৭ কোটি পাঠ্য বই বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। এ বছরও ২৯ কোটি পাঠ্যবই বিতরণ করা হবে সারা দেশে।
বই বিতরন উৎসব অনান্যেও মধ্যে অনান্যনের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফরিদুর রহমান ,দামুড়হুদা উপজেলা শিক্ষা অফিসার নুরজাহান,দামুরহুদা আওয়ামীলীগের সভাপতি সিরাজুল আলম ঝন্টু বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক উপজেলা শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক হারুন আর রশিদসহ অনান্য শিক্ষকবৃন্দ। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন মদনা পারকেষ্টপুর মদনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাকারিয়া আলম।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free