ক্যাম্পাস

সরকারি হলো ৭ কলেজ

ঢাকা: প্রতি জেলায় একটি করে মাধ্যমিক স্কুল ও কলেজ জাতীয়করণের আওতায় ফরিদপুরের দু’টি, ঢাকা, গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, খুলনা ও মাদারীপুরের একটি করে কলেজ সরকারিকরণ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কলেজ শাখা থেকে সোমবার (১১ এপ্রিল) এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়েছে।

মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার রাজৈর ডিগ্রি কলেজ ৩০ মার্চ থেকে, গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু কলেজ ২৭ মার্চ থেকে, ঢাকার পল্লবীর বঙ্গবন্ধু কলেজ ২৪ মার্চ থেকে, খুলনার কয়রা উপজেলার কয়লা মহিলা কলেজ ৩০ মার্চ থেকে, গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার মুকসুদপুর কলেজ ২৭ মার্চ থেকে জাতীয়করণ করার আদেশ দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা থানার কাজী মাহবুব উল্লাহ (কেএম) কলেজ ৩০ মার্চ থেকে এবং আলফাডাঙ্গা উপজেলার আলফাডাঙ্গা ডিগ্রি কলেজ ০৬ এপ্রিল থেকে জাতীয়করণ হবে।

কলেজের আত্মীকৃত শিক্ষকরা অন্যত্র বদলি হতে পারবেন না বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কোচিং এর ডাক নাম অতিরিক্ত ক্লাসঃ বাতিল দাবী না হলে আন্দোলন

কোচিং বাণিজ্য বন্ধে জেল-জরিমানা দাবি অভিভাবকদেরcoaching

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ শ্রেনিপাঠদানের চেয়ে কোচিং বানিজ্যকে বেশি প্রাধান্য দেওয়ায় কোচিং বাণিজ্যের দায়ে ৫ বছরের জেল ও ২৫ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান চাচ্ছেন অভিভাবকরা।

রাজধানীর বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীদের স্বার্থ নিয়ে আন্দোলনকারী সংগঠন অভিভাবক ঐক্য ফোরাম শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই দাবি জানিয়েছে।

বিজ্ঞপিতে বলা হয় দেশের সেরা বিদ্যালয়গুলোতে শ্রেনিকক্ষে পাঠদানের চেয়ে কোচিং যাকে ভালবেসে বলে অতিরিক্ত ক্লাস । এই অতিরিক্ত ক্লাস এবং টাকা অপচয় বন্ধোর দাবিতে মানববন্ধন করেন তারা।  সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউল কবির দুলু ও সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিকুর রহমান যুক্ত বিবৃতিতে আরও বলেন, প্রস্তাবিত শিক্ষা আইন অনতিবিলম্বে সংসদে পাস করতে হবে।

তারা আইনের আরও তিনটি ধারা সংশোধনের দাবি করেছে। এগুলো হচ্ছে, ধারা ২১(৫) গাইড বই ও নোট বই ধারা সংশোধন করে সহায়ক পুস্তিকা প্রকাশকে নিষিদ্ধ করতে হবে।

তা না হলে সহায়ক পুস্তিকা নামে নোট বই বা গাইড বই প্রকাশ সম্প্রসারিত হইবে। এ ক্ষেত্রেও ৫ বছরের জেল ও ২৫ লাখ টাকার জরিমানার বিধান করতে হবে।

ধারা ২২(৮) পরিবর্তন করে ম্যানেজিং কমিটির স্থলে সরকার কর্তৃক টিউশন ফি নির্ধারণ করার বিধান রাখতে হবে।

ধারা ২৪(২) শারিরীক শাস্তির বিধানে ৩ মাসের স্থলে ১ বছরের জেল নির্ধারণ করতে হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জাতীয়করণকৃত স্কুল-কলেজের শিক্ষকরা বদলি হতে পারবেন না

শিক্ষাবার্তা ডেস্কeducation pic_123034: জাতীয়করণ হওয়া স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফলে, এখন থেকে যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ হবে শিক্ষকদের সেখানেই থাকতে হবে।

গত ৩ এপ্রিল জাতীয়করণকৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীর বদলির বিষয়ে এ বিধান রেখে অনুশাসন দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় থেকে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা আসে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে।

প্রধনামন্ত্রীর কার্যালয় ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘জাতীয়করণ হওয়া স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের চাকরি সরকারি হওয়ার পরই তারা বদলির চেষ্টা করেন। বিশাল শূন্যতা তৈরি হয় নতুন জাতীয়করণকৃত প্রতিষ্ঠানগুলোতে, তাই বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর এই অনুশাসন খুবই সময়োপযোগী।’

প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের পরিচালক আবুল কালাম শামসুদ্দিন স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, ‘যে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ হচ্ছে সে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক অন্যত্র বদলি হতে পারবেন না। জাতীয়করণ আদেশে এরূপ শর্ত উল্লেখ করতে হবে মর্মে প্রধানমন্ত্রী অনুশাসন প্রদান করেছেন। এই অনুশাসন বাস্তবায়নে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং গৃহীত ব্যবস্থা এ কার্যালয়কে অবহিত করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।’

এসব বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ফাহিমা খাতুন সাংবাদিকদের বলেন, ‘জাতীয়করণকৃত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা বদলি হতে পারবেন না, প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন সংবলিত এ ধরনের একটি চিঠি আমরা পেয়েছি। তবে আগে যেসব প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণকৃত হয়েছে তারা এর আওতায় পড়বে না। এখন থেকে যেসব প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ হবে তারা এই অনুশাসনের আওতায় আসবে।

এ চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ই ব্যবস্থা নেবে। আমাদের যেভাবে নির্দেশনা দেওয়া হবে সেভাবেই কাজ করব।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চুয়েটে উপাচার্যের দফতর ঘেরাও

চট্টগ্রাম: আন্দোলনরত এক শিক্ষার্থীকে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় ছাত্র কল্যাণ পরিষদের পরিচালক ড. আশুতোষ সাহার পদত্যাগ দাবি করেছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষার্থীরা। এ শিক্ষকের পদত্যাগের দাবিতে সোমবার সকাল ১১টায় উপাচার্যের দফতর ঘেরাও করেছে শিক্ষার্থীরা।

বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী Student- বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় আমাদের এক সহপাঠী নিহতের ঘটনায় রোববার থেকে আন্দোলন শুরু করি আমরা।  কিন্তু আন্দোলন চলার সময় এক শিক্ষার্থীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন ড. আশুতোষ সাহা।  এর প্রতিবাদে তার পদত্যাগ দাবি করে সোমবার সকাল ১১টা পর্যন্ত সময় বেধে দেওয়া হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময় শেষে পদত্যাগ না করায় উপাচার্যের দফতর ঘেরাও করা হয়েছে।

আশুতোষ সাহা পদত্যাগ না করা পর্যন্ত উপাচার্যের দফতর ঘেরাও করে রাখা হবে বলে জানান শিক্ষার্থীরা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জগন্নাথ হলের ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে ক্যান্টিন কর্মচারীর আত্মহত্যা

ঢাকা বিশ্বঃ : ঢাবি’র জগন্নাথ হলের ক্যান্টিনের ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে পলাশ বসু (২০) নামে এক কর্মচারী নিহত হয়েছেন।  বুধবার রাত পৌনে ৯ টার দিকে তিনি মারা যান।

জগন্নাথ হলের সন্তোষ চন্দ্র ভট্টাচার্য ভবনের সামনে থেকে রাতে পলাশ বাবুকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এরপর তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই ভবনের রসনা বিলাস নামের একটি মেসে কাজ করতেন পলাশ বসু।

এ ব্যাপারে হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক অসীম কুমার জানান, পলাশ বসুর মানসিক সমস্যা ছিল। আজ রাতে নতুন ভবনের আটতলার ছাদ থেকে লাফ দিয়ে পলাশ বসু আত্মহত্যা করেছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরকে অব্যাহতি

শাবিপ্রবি: সিলেindex_টের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মো.কামরুজ্জামান চৌধুরীকে তাঁর পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

আজ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এক দাপ্তরিক আদেশে এই অব্যাহতির কথা জানানো হয়েছে।

প্রশাসনের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, আজ দুপুরে কামরুজ্জামানকে তাঁর পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

কামরুজ্জামান প্রক্টরের পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেছিলেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি কিছুদিন আগে ডিন ও বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। তাই প্রক্টরের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়েছি।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আমিনুল হক ভূইয়া জানান, কামরুজ্জামান চৌধুরীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রক্টরের পদ থেকে তাঁকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। পরবর্তী আদেশ না দেয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক মো. রাশেদ তালুকদারকে তাঁর পদের অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে প্রক্টরের দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস : বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে রিট

201619fashpicচলতি বছর সরকারি মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষার্থী আয়াতুল্লাহ হাসনাতসহ ১২ জন শিক্ষার্থী ও অভিভাবক এই রিটের বাদী হয়েছেন। তাঁদের পক্ষে আইনজীবী সুপ্রদাস দত্ত হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট দায়ের করেন।

রিটে আইন সচিব, স্বাস্থ্য সচিব ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে বিবাদী করা হয়েছে। গত ২৮ সেপ্টেম্বর এমবিবিএস ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

আবেদনে বলা হয়, এমবিবিএস ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হলেও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। কিন্তু গত ১৫ জুন ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষায় ৬৩ জনের প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকায় ছয় লাখ পরীক্ষার্থীর সেই পরীক্ষা বাতিল করা হয়।

এ ছাড়াও রিট আবেদনে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ তদন্তে গঠিত গণতদন্ত কমিটির প্রতিবেদনসহ বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগেও পরীক্ষা বাতিল চেয়ে রিট করা হয়েছিল। কিন্তু আদালত তা খারিজ করে দেন।

এদিকে, মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষা নতুন করে নেওয়ার সুপারিশ করেছে ওই পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ তদন্তে গঠিত গণতদন্ত কমিটি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ছাত্রদের আজ সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে এবং ছাত্রীদের কাল মঙ্গলবার সকাল আটটার মধ্যে আবাসিক হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হলে শিক্ষার্থী তোলাকে কেন্দ্র করে আজ সোমবার বিকেলে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের পর কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত নেয়। এই সংঘর্ষে কমপক্ষে ১০ জন আহত হন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র ও কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সম্প্রতি ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম বিশ্ববিদ্যালয়ের কুদরত-ই-খুদা হলে এক শিক্ষার্থীর থাকার ব্যবস্থা করেন। আজ বিকেল তিনটার দিকে একই শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি নাসির উদ্দিন ও তাঁর সমর্থকেরা ওই ছাত্রকে হল থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এতে বাধা দেন রেজাউল ও তাঁর সমর্থকেরা। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে অন্তত ১০ জন আহত হন। তাঁদের মধ্যে গুরুতর একজনকে চিকিৎ​সার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। সংঘর্ষের খবর পেয়ে জয়দেবপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বিশ্ববিদালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি নাসির  বলেন, ‘ছাত্র শিবিরের’ কর্মীকে হলে ওঠানো হয়েছিল। এ নিয়ে প্রতিবাদ করায় সাধারণ সম্পাদকের কর্মীরা আমাদের ওপর হামলা করেছেন। তবে সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম বলেন, কোনো শিবিরকর্মীকে হলে ওঠানো হয়নি। ভুয়া অজুহাত তুলে হামলা চালানো হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মোহাম্মদ আলাউদ্দিন বলেন, অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মাস্টার্স প্রথম পর্ব পরীক্ষার ফল প্রকাশ

গাজীপুর প্রতিনিধি 24_105919 : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০১৩ সালের মাস্টার্স প্রথম পর্ব পরীক্ষার ফল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রকাশিত ফল মোবাইলের Message অপশনে গিয়ে nuMP Roll লিখে ১৬২২২ নম্বরে Send করে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.nu.edu.bd থেকে ফল জানা যাবে।

মঙ্গলবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও পরামর্শ দফতরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. ফয়জুল করিম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

২০১৮ সাল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত

ঢাকা: ২০১৮ সাল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা অtmp_91055ষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সম্প্রসারণ করতে সরকার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান।

সোমবার দশম সংসদের অষ্টম অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে মানিকগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য বেগম মমতাজ বেগমের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী সংসদকে এ তথ্য জানান।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী জানান, শিক্ষানীতি ২০১০ আলোকে প্রাথমিক শিক্ষার স্তর পর্যায়ক্রমে ৬ষ্ঠ হতে ৮ম শ্রেণিতে উন্নীতকরণের জন্য ২০১৩ সালে ৪৯১টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৬ষ্ঠ শ্রেণি চালু করা হয়েছে। এবং এ সকল বিদ্যালয় ৮ম শ্রেণিতে উন্নীত হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, ২০১৪ শিক্ষাবর্ষে আরও ১৭৫টি স্কুল ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে উন্নীত করা হয়েছে। বাকী বিদ্যালয় সমূহ ২০১৮ সাল নাগাদ ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত সম্প্রসারণ করতে সরকার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

তিনি জানান, কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ৬ষ্ঠ শ্রেণি চালুকৃত বিদ্যালয়সমূহের অবকাঠামোগত উন্নয়ন। চালুকৃত বিদ্যালয়সমূহে নতুন শিক্ষক নিয়োগ না করানো পর্যন্ত দুইজন বিএড ডিগ্রিধারী শিক্ষক সংযুক্তি/পদায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ। এবং এ সকল বিদ্যালয়সমূহের শিক্ষার্থীরা জেএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য বেগম সানজিদা খানমের প্রশ্নের জবাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী জানান, দেশের ছিন্নমূল, শ্রমজীবী শিশু কিশোরদের পেশাগত দক্ষাতার জন্য কারিগরি শিক্ষা ও পুনর্বাসনে ১৯৮৯ সালে ৭৬টি শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শিশু কল্যাণ ট্রাস্টের কাজ শুরু হয়েছে। তখন এর নাম ছিল পথকলি ট্রাস্ট।

মন্ত্রী জানান, ২০১৫ সালে ৯১টি স্কুলের মধ্যে ১৮ হাজার ২৮৫ জন ভাগ্যহত, সুযোগ-সুবিধা বঞ্চিত, হতদরিদ্র শিশু-কিশোরকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পেশাগত দক্ষতা অর্জনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

মোস্তাফিজুর রহমান আরো জানান, রিচিং আউট অব স্কুল চিলড্রেন (রস্ক) প্রকল্পের আওতায় দ্বিতীয় পর্যায় (২০১৩-১৭) এ ১৪৮টি উপজেলার ১৯ হাজার ২৬৮টি আনন্দ স্কুলে ছয় লাখ ২৪ হাজার ১০৪ শিক্ষার্থীর প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি ঢাকা শহরের বস্তি এলাকায় পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে শিশুদের শিক্ষার সুযোগ তৈরি করা হয়েছে।

তিনি জানান, শহর অঞ্চলে ৩০০টি শিখন কেন্দ্রে গড়ে ২৫ শিক্ষার্থীর শিক্ষার সুযোগ হয়েছে। ঢাকার ৭৫টি শিখনকেন্দ্রে এক হাজার ৮৭৫ শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত আছে।

মন্ত্রী জানান, ঢাকায় বিভিন্ন কর্মরত পনেরশত গৃহকর্মী শিশুর শিক্ষাদানের ব্যবস্থার প্রকল্পের পাইলটিং পর্যায়ে রয়েছে। আনন্দস্কুলে থেকে নূন্যতম তৃতীয় শ্রেণিতে উত্তীর্ণ ১৫ বছরের বেশি বয়সী শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন ট্রেড কারিগরি প্রশিক্ষণ দেয়ার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৩ থেকে ৫ লাখ টাকায় প্রশ্ন ফাঁস হয়: ডিবি

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা বিশ্বDB-news-NKবিদ্যালয়ের ‘ক’ ইউনিটের ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিপরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, প্রশ্নপত্রের বিনিময়ে তারা প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৩ থেকে ৫ লাখ টাকা নিতেন। টাকা পাওয়ার পর সনদ ফিরিয়ে দেওয়া হতো। হোয়াটস অ্যাপে প্রশ্নপত্রের লিংক পাঠিয়ে দেওয়া হতো। শনিবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে অনুষ্ঠিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) শেখ নাজমুল আলম এসব কথা বলেন। প্রশ্ন দেওয়ার কথা বলে প্রতারণার অভিযোগে গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন জায়গা থেকে ২২ জনকে আটক করে ডিবি। তাদের মধ্যে থেকে ১৭ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন জোবায়ের হোসেন, মো. আকিব বিন বারী, নাহিদুল হক, সাজু আহমেদ, মাহমুদুল হাসান, সামিউল ইসলাম, সাব্বির হোসেন, হাসানুর রশিদ, মো. মেহেদী হাসান, হৃদয় ইসলাম, রায়হান রাব্বী, আকাশ আহমেদ, মো. তানভীর, সবুজ খান, মো. সোহাগ, মেহেদী হাসান ও মানিক মিয়া। ডিবি বলছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে খবর পেয়ে তারা প্রথমে মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের সামনে থেকে জোবায়ের হোসেনকে আটক করেন। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী অন্যদের আটক করা হয়। এ ঘটনার মূল হোতা জোবায়ের, আকিব ও নাহিদুল। আকিব ও নাহিদুলের কাছ থেকে ১০টি সনদপত্র পাওয়া গেছে। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে এসএসসি, এইচএসসি পরীক্ষার সনদপত্র, ট্রান্সক্রিপট, মোবাইল ফোন, হোয়াটস অ্যাপে পাঠানো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ও ফেসবুকে যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে। উপকমিশনার শেখ নাজমুল আলম বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, তারা ৩ থেকে ৫ লাখ টাকার চুক্তিতে প্রশ্নফাঁসের কাজ করে আসছিলেন। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মূল সনদপত্র নিজেদের জিম্মায় রাখেন। টাকা নেওয়ার পর সনদপত্র ফিরিয়ে দেন। হোয়াটস অ্যাপে প্রশ্নপত্রের লিংক দিয়ে দেওয়া হয়। তবে ফাঁস হওয়া প্রশ্নের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শুক্রবারের ‘ক’ ইউনিট ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘এ’ ইউনিটের প্রশ্নপত্রের মিল পাওয়া যায়নি। ডিবির একটি সূত্র বলছে, ডিবির অভিযানের কারণে তাদের মূল পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। তাদের কাছে যে প্রশ্নপত্র ছিল, তা তারা দিতে পারেনি।এ ঘটনায় তেজগাঁও মডেল থানায় মামলা হয়েছে বলে ডিবি জানিয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের

ঢাকা: ৫ দফা দাবি না মানলে সারাদেশে কঠোর কর্মসূচি পালনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি।

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি আয়োজিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতন নির্ধারণের জটিলতা নিরসনসহ ৫ দফা দাবিতে এক মানববন্ধনে এ হুঁশিয়ারি দেন শিক্ষক নেতারা।

মানববন্ধনে সংগঠনের সভাপতি মো. আবুল বাসার বলেন, প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ৯ মার্চ ২০১৪ তারিখে প্রধান শিক্ষকগণের মর্যাদা ও উন্নীত বেতন স্কেলে বেতন নির্ধারণে আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে শিক্ষকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এ সময় ৫ দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিসমূহ হলো:

১. ৮ম জাতীয় বেতনস্কেলে প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেড ও সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড বেতন নির্ধারণ করা।

২. সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ দ্রুত পদোন্নতি নিশ্চিত করা।

৩. সহকারী শিক্ষক পদে এন্ট্রি পদ ধরে পরিচালক পর্যন্ত শতভাগ পদোন্নতি প্রদান করা।

৫.জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ এবং বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পর্যন্ত স্বতন্ত্র বেতন স্কেল প্রদান করা।

৫.শিক্ষকদের ঘোষিত বেতন প্রদানের ক্ষেত্রে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিরসন করা।

মানববন্ধনে আরো বক্তব্য রাখেন- সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. আনোয়ারুল ইসলাম তোতা, সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক গাজীউল হক চৌধুরী, আবুল কাশেম, সহ সভাপতি জুলফিকার আলী ও আতিকুর রহমান প্রমুখ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজে শিক্ষক নিয়োগে স্বাধীন কমিশন| গবর্নিং বডির কর্তৃত্ব থাকবে না

আগামী এক মাস বা তার কিছু বেশি সময়ের মধ্যেই এ কমিশন গঠন করা সম্ভব

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বে‍shikkha montroসরকারী এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষক নিয়োগে অবশেষে সরকারী কর্ম-কমিশনের (পিএসসি) আদলে হচ্ছে পৃথক একটি স্বাধীন কমিশন। নিয়োগে ঘুষ, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বন্ধ করে স্বচ্ছতা আনার লক্ষ্যে গঠিত এ কমিশনের নাম হবে বেসরকারী শিক্ষক নির্বাচন কমিশন (এনটিএসসি)। বুধবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন এ কমিশন গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

কমিশন হলে আগের মতো আর শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা হবে না।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর চাহিদার ভিত্তিতে কমিশনই পরীক্ষার মাধ্যমে উপজেলাভিত্তিক শিক্ষক নির্বাচন করবে। এ কমিশন গঠিত হলে নিয়োগের বিষয়ে পরিচালনা পর্ষদ বা গবর্নিং বডির কর্তৃত্ব থাকবে না। গবর্নিং বডি কেবল কমিশনের দেয়া মেধাক্রম অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগ দেবে।
আগামী এক মাস বা তার কিছু বেশি সময়ের মধ্যেই এ কমিশন গঠন করা সম্ভব হবে বলে আশাপ্রকাশ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী। জাতীয় শিক্ষানীতির সুপারিশ ছাড়াও শিক্ষক সংগঠনসহ শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল মহলেরই দীর্ঘদিনের দাবি ছিল একটি পৃথক নিয়োগ কমিশন। যে কমিশন কেবল বেসরকারী শিক্ষক নিয়োগ করবে।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ছাড়াও শিক্ষাসচিব নজরুল ইসলাম খান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ফাহিমা খাতুন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বর্তমানে বেসরকারী শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) অধীনে একটি পরীক্ষা হয়। এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা বিভিন্ন বেসরকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক পদের জন্য আবেদন করতে পারেন। তবে নিয়োগের একচ্ছত্র ক্ষমতা থাকে পরিচালনা কমিটির হাতে।

এতে নিয়োগ নিয়ে অনিয়ম ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ ওঠে। শিক্ষানীতির সুপারিশের পর ২০১১ সালে শিক্ষক নিয়োগের জন্য একটি পৃথক শিক্ষা কর্মকমিশন গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। তবে সে সময় সরকারী ও বেসরকারী শিক্ষকদের জন্য একটি কমিশন গঠনের উদ্যোগ নেয়ায় দুই বছর ধরে ফাইল চালাচালি হলেও সফল হয়নি সরকার।

সরকারী শিক্ষকদের আপত্তি ও বেসরকারী শিক্ষকদের বিষয়টি ভালভাবে স্পষ্ট না করায় জটিলতা দেখা দেয়। ওই সময় একটি খসড়া সচিব কমিটি পর্যন্তও গড়িয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত উদ্যোগ পুরোপুরি ঝুলে যায়। তবে এবার শিক্ষানীতি অনুসারে বেসরকারী শিক্ষকদের জন্যই হচ্ছে কমিশন। নামও চূড়ান্ত করা হয়েছে।
জানা গেছে, মানসম্মত ও দক্ষ শিক্ষক নিয়োগ, স্বচ্ছতা আনয়ন তথা দেশের সার্বিক শিক্ষার উন্নয়নের কথা মাথায় রেখে দেশের প্রতিটি শিক্ষানীতি ও রিপোর্টে আলাদা একটি শিক্ষা কমিশন গঠনের সুপারিশ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, যে কমিশন হবে বর্তমান পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি) থেকে আলাদা একটি প্রতিষ্ঠান।

যেটি কেবল বেসরকারী স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষক নিয়োগের কাজ করবে। শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সকল মহলের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে এবার দ্রুত কাজ করতে চায় সরকার। দেশে বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা পর্ষদে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় এমপি, নেতা বা প্রভাবশালী ব্যক্তিরা। যে সরকার যখন ক্ষমতায় থাকেন তাদের নেতারা পরিচালনা পর্ষদে চলে আসেন। শিক্ষক নিয়োগের পুরো প্রক্রিয়া এতদিন তাদের হাত দিয়েই শেষ হতো, যা নিয়ে ‘নিয়োগ বাণিজ্য’সহ বিভিন্ন অভিযোগ চলে আসছে বছরের পর বছর ধরে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, অনেক সময় স্বচ্ছভাবে নিয়োগ হয় না, স্বজনপ্রীতি হয়, উপযুক্ত লোকও নিয়োগ পায় না। অনেক সময় আর্থিক লেনদেনও হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। একটি পদের বিপরীতে বর্তমানের এনটিআরসিএ নিবন্ধন পরীক্ষার মাধ্যমে অনেক যোগ্য প্রার্থী বেরিয়ে আসায় শিক্ষক নিয়োগে ‘স্বজনপ্রীতি ও আর্থিক লেনদেনের’ এই সুযোগ তৈরি হয়। এনটিএসসি গঠনের পরে বেসরকারী শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা গ্রহণ ও এনটিআরসিএ বিলুপ্ত করা হবে। তবে এনটিআরসিএ-এর অধীনে এর আগে যারা সনদ পেয়েছেন তারাও বেসরকারী শিক্ষক নির্বাচন কমিশনের মেধা তালিকায় থাকবেন। নতুন ব্যবস্থায় বছর শেষ হওয়ার তিন মাস আগে বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে কতজন শিক্ষকের চাহিদা রয়েছে তা সংগ্রহ করা হবে।
নির্দিষ্ট অঞ্চলের (উপজেলাভিত্তিক) লোককে ওই অঞ্চলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই নিয়োগ দেয়া হবে। কোন উপজেলার কোন বিভাগের জন্য যোগ্য শিক্ষক পাওয়া না গেলে নিয়োগ দেয়া হবে পাশের উপজেলা থেকে। পাশের উপজেলায়ও যোগ্য শিক্ষক পাওয়া না গেলে ওই জেলা থেকে শিক্ষক নেয়া হবে। আর জেলায়ও পাওয়া না গেলে ওই বিভাগে নির্বাচিতদের মধ্য থেকে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।
কমিশনের অধীনে শিক্ষক বাছাইয়ের সময় মৌখিক পরীক্ষাও নেয়া হবে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, একজন ভাল মানুষ ভাল শিক্ষক নাও হতে পারেন। এজন্য বলার ভঙ্গি, বোঝানোর দক্ষতা দেখতে মৌখিক পরীক্ষা নেয়া হবে। স্বাধীন কমিশনে কেউ হস্তক্ষেপ করবে না। যারা নিরপেক্ষ, দক্ষ ও শিক্ষা বিষয়ে যাদের অবদান রয়েছে তাদের নিয়ে এই কমিশন গঠন করা হবে। বাংলাদেশে ৩০ হাজারের বেশি এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। এজন্য কোয়ালিটি টিচার দরকার।
তিনি জানান, কমিশন গঠনের বিষয়টি বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। বিষয়টি এক মাসের মধ্যে শেষ করার প্রস্তুতি মন্ত্রণালয়ের রয়েছে। শিক্ষা সচিব নজরুল ইসলাম খান জানান, স্বাধীন কমিশন গঠনের পরে এনটিআরসিএ-এর সনদের মেয়াদ থাকবে তিন বছর। এনটিআরসিএ’র অধীনে এ পর্যন্ত ১২টি পরীক্ষার মাধ্যমে মোট পাঁচ লাখ ৪০ হাজার ৩২৯ জন সনদ পেয়েছেন। তাদের মধ্যে ৬৩ হাজার ৪২ শিক্ষকতার চাকরি পেয়েছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। আর এনটিআরসিএ সনদপ্রাপ্তদের মধ্যে ‘এখনও কোন চাকরি পাননি’ এমন প্রার্থীর সংখ্যা তিন লাখের মতো বলে শিক্ষাসচিব জানান।
শিক্ষাসচিব আরও বলেন, বছরের শেষভাগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে শিক্ষকের চাহিদা সম্পর্কে কমিশন অবহিত হবে। আর বছরের শুরুতে সে অনুপাতে কমিশন শিক্ষক বাছাই করবে। এতে করে চাহিদা আর নিয়োগের মধ্যে সামঞ্জস্য থাকবে। শিক্ষক নিয়োগের নিবন্ধন পরীক্ষায় পাস করে অনির্দিষ্টকাল বসে থাকার সুযোগ থাকছে না। শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় পাস করার পর তা তিন বছর কার্যকর থাকবে। তিন বছর পর তাকে আবার পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঢাবির খ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনু্ষ্ঠিত

বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার ॥ কোনো ধরনে3র জালিয়াতির ঘটনা ছাড়াই এ বছরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে দাবি করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার সকালে প্রশ্নফাঁস ও জালিয়াতি ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্কতার মধ্যে ‘খ’ ইউনিটের পরীক্ষার মধ্য দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়। এদিন সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও ক্যাম্পাসের বাইরের ৬৯টি কেন্দ্রে ১২০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষা হয়।
মানবিকের বিভিন্ন অনুষদের দুই হাজার ২৯৬টি আসনের বিপরীতে এবার ৩১ হাজার ১৬৩ জন পরীক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেন। সরেজমিন ঘুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরের কোনো কেন্দ্রে জালিয়াতির সদস্যদের আটক হতে দেখা যায়নি। শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেও কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
পরীক্ষা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর অধ্যাপক এম আমজাদ আলী সাংবাদিকদের বলেন, শান্তিপূর্ণ ভাবে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিগত বছরে ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি ঘটনা ঘটেছে, এবার কোন ধরেনের জালিয়াতি ঘটনা ঘটেনি।
তিনি আরো বলেন, ফেসবুকের মাধ্যমে কয়েকটি প্রতারকচক্র পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নফাঁস হয়েছে এমন তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। আবার বিকাশে মাধ্যমে টাকা চাওয়ার অভিযোগ পেয়েছিলাম। সে অনুযায়ী আমরা অভিযানও চালিয়েছিলাম। ওই সব প্রতারকচক্রের তথ্য ডিবি পুলিশে নিকট দিয়েছি।
গত কয়েক বছর ধরে পরীক্ষার হলে জালিয়াতি ও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের কারণে এবারও পরীক্ষার হলে ক্যালকুলেটর, মোবাইল ফোন এবং বাইরে যোগাযোগ করা যায় এমন যে কোনো ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস নিষিদ্ধ ছিল। যে কোনো অনিয়মের তাৎক্ষণিক শাস্তির জন্য ছিল ভ্রাম্যমাণ আদালত।
তিনি আরও বলেন, মাত্র তিনটি কেন্দ্র ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে। তাছাড়া এবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে ভর্তি পরীক্ষায় অনিয়মকারীদের তাৎক্ষণিক শাস্তি প্রদানের জন্য ছিল ভ্রাম্যমাণ আদালত। আমারা পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢোকার আগে পরীক্ষার্থীরা যেন কোনো ধরনের ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস না নিতে পারে তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।
এছাড়া শনিবার ‘চ’ ইউনিটের লিখিত এবং ১৭ অক্টোবর অঙ্কন পরীক্ষা, ১৬ অক্টোবর ‘গ’ ইউনিট, ৩০ অক্টোবর ‘ক’ ইউনিট, ৬ নভেম্বর ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হবে। এছাড়া শনিবার ‘চ’ ইউনিটের লিখিত এবং ১৭ অক্টোবর অঙ্কন পরীক্ষা, ১৬ অক্টোবর ‘গ’ ইউনিট, ৩০ অক্টোবর ‘ক’ ইউনিট, ৬ নভেম্বর ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হবে।
ভর্তি পরীক্ষার সিট-প্ল্যান বিশ্ববিদ্যালয়ের admission.eis.du.ac.bd ওয়েবসাইট থেকে জানা যাবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৩৫তম বিসিএস পরীক্ষার কতিপয় প্রার্থীর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমাদানের নির্দেশ

ঢাকা: ima৩৫তম বিসিএস পরীক্ষার প্রিলিমিনারি টেস্টে উত্তীর্ণ এবং লিখিত পরীক্ষার জন্য সাময়িকভাবে যোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে কতিপয় প্রার্থীর আবেদনপত্রের (বিপিএসসি-ফরম-২) সাথে প্রয়োজনীয় সনদপত্র/কাগজপত্র/ডকুমেন্টস না থাকায় তাদেরকে ২২ অক্টোবর এর মধ্যে সংশস্নষ্টি কাগজপত্র জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমাদান সংক্রান্ত বিষয়ে ৩ অক্টোবর বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন-এর www.bpsc.gov.bd ওয়েবসাইটে ৮০.২০০.০৫১.০০.০০.০২২.০২০১৫-৪৩৮ নং সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।
উক্ত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংশস্নষ্টি প্রার্থীদের রেজিস্ট্রেশন নম্বরের পাশে উল্লিখিত কাগজপত্র/ডকুমেন্টস আগামী ২২ অক্টোবর অফিস চলাকালীন সময়ের মধ্যে কমিশনের আগারগাঁও, শেরেবাংলা নগর, ঢাকায় প্রধান কার্যালয়ে পরিচালক, বিসিএস পরীক্ষা এর দফতরে জমা দিতে হবে।
কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত তারিখের মধ্যে কাগজপত্র জমাদান এবং তথ্য বিভ্রাট সম্পর্কে প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা প্রদানে ব্যর্থ হলে সংশস্নষ্টি প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free