ক্যাম্পাস

বৃত্তিতে উচ্চ মাধ্যমিকে পড়ার সুযোগ

hscঢাকা: রাজধানীর প্রতিষ্ঠিত একটি কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণিতে পড়াশোনা করতে বার্ষিক টিউশন ফি প্রকৃতপক্ষে প্রায় লাখ টাকারও বেশি। তবে এসএসসিতে কোনো শিক্ষার্থীর যদি জিপিএ-৫ থাকে তাহলে তার টিউশন ফি পড়বে বার্ষিক ৪৮ হাজার টাকা! আর বাকি অর্থ মিলবে বৃত্তিবাবদ।

আবার কোনো শিক্ষার্থী যদি এসএসসিতে জিপিএ ৪.০০ থেকে ৪.৯৯ পায় তাহলে তার বৃত্তির পরিমাণ দাঁড়াবে বার্ষিক ১ লাখ ২০ হাজার টাকা অর্থাৎ তার বার্ষিক টিউশন ফি পড়বে ৬০ হাজার টাকা!

একইভাবে কারও যদি জিপিএ ৩.০০ থেকে ৩.৯৯ হয় তাহলে তার টিউশন ফি দাঁড়াবে বছরে ৭২ হাজার টাকা অর্থাৎ সে বৃত্তিবাবদ পাবে ১ লাখ ৮ হাজার টাকা।

বৃত্তিপ্রাপ্ত প্রতিটি শিক্ষার্থীই তাদের টিউশন ফি ১২টি কিস্তিতে পরিশোধ করতে পারবে।

যারা এবার উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি হতে যাচ্ছে তাদের জন্য বিশেষ এই বৃত্তি দিচ্ছে ঢাকার বারিধারা কুড়িল বিশ্বরোডস্থ ‘কুইন মেরী কলেজ’।

ব্যবসায়িক চিন্তা থেকে নয়, বরং একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সক্ষম একটি শিক্ষিত জাতি গড়ার লক্ষ্যেই ২০১০ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে প্রতিষ্ঠানটির দাবি। সেগা জামাল ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানে উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি ও বৃত্তির বিষয়ে আরো জানতে- www.queenmarycollege.edu.bd

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি: ১০ নয়, ২০ কলেজে আবেদন করা যাবে

ঢাকা: একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য ১০টি নয়, এবার ২০ কলেজে আবেদন করা যাবে। শিক্ষার্থীদের ভর্তিতে হয়রানি রোধে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার থেকে কলেজে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক ড. আশফাকুস সালেহীন রোববার গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে। তিনি বলেন, ২০ কলেজের মধ্যে ১০টিতে অনলাইনে আবেদন করা যাবে। বাকি ১০টিতে এসএমএসে আবেদন করতে হবে। প্রতি কলেজের জন্য আলাদা এসএমএসে আবেদন করতে হবে। মোট ১০ এসএমএসে ১০ কলেজে আবেদন করতে পারবে। তবে অনলাইনে এক আবেদনেই পছন্দের ১০ কলেজের নাম দেয়া যাবে। এবার সারা দেশে প্রায় ৪ হাজার কলেজে ১০ বোর্ডের ১৪ লাখ ৫২ হাজার ৬০৫ শিক্ষার্থী ভর্তি  হবে।

বুয়েট এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, সব বোর্ডের উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী নিয়ে একটি জাতীয় মেধাতালিকা তৈরি হচ্ছে। ঢাকার একটি কলেজে যাতে দেশের যে কোনো বোর্ডের শিক্ষার্থী আবেদন করতে পারে সেজন্য এ সুযোগ তৈরি হচ্ছে। একটি কলেজে যখন বিভিন্ন বোর্ডের শিক্ষার্থীরা আবেদন করবে, তখন  প্রয়োজন হবে জাতীয় মেধাতালিকার। অন্যথায় ভর্তির ক্ষেত্রে মেধার ক্রম নির্ধারণ করা যাবে না। এ কারণে সোমবার থেকে এই তালিকা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে।

ড. আসফাকুস সালেহীন বলেন, গত বছর ভর্তিতে মহাসংকট তৈরি হয়েছিল। সংকট নিরসনে এবার আবেদনের জন্য কলেজ সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি মাইগ্রেশনের রাস্তা বন্ধ করেছি।

তিনি আরও বলেন, এবার আমরা ভর্তির জন্য দুটি তালিকা প্রকাশ করব। একটি মেধাতালিকা, অপরটি অপেক্ষমাণ। দুটি তালিকাই একসঙ্গে প্রকাশিত হবে। মেধা এবং অপেক্ষমাণ তালিকার ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ধরা যাক একটি কলেজে ২০০০ আসন আছে। এই কলেজে আবেদন পড়েছে ৫ হাজার। এর মধ্যে  প্রথম ২০০০ জন মেধাতালিকায় স্থান পাবে। বাকি ৩০০০ অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকবে। তিনি আরও বলেন, একজন ছাত্র ২০ কলেজে আবেদন করলে ২০ কলেজেই তার অবস্থান একই সময়ে জানতে পারবে। এতে করে কলেজ এবং শিক্ষার্থী উভয়ের ভোগান্তি কমবে। যদি কোনো কলেজ ভর্তিতে মেধাক্রম উপেক্ষা করে, তাহলে কলেজের এমপিও, স্বীকৃতি ও অনুমোদন বন্ধ করার মতো শাস্তি দেয়া হবে।

প্রসঙ্গত, একাদশ শেণিতে ভর্তি নীতিমালা ইতিমধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী অনলাইনে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে www.xiclassadmission.gov.bd গিয়ে আবেদন করতে হবে। অনলাইনে ১০ প্রতিষ্ঠানের জন্য ১৫০ টাকা আর মোবাইল ফোনে এসএমএসে ১২০ টাকা ফি নেয়া হবে। আগামী ৯ জুন পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। পরে ১৮ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ভর্তি হওয়া যাবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া গত বছরের মতোই আছে। এবারের নতুনত্ব হচ্ছে, আবেদনের আগে টেলিটক মোবাইলের মাধ্যমে ভর্তি ফি জমা দিতে হবে। পরে অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ বা এসএমএস করতে হবে। টাকা জমা হলে একটি ট্রানজেকশন নম্বর দেয়া হবে। ফরম পূরণে এ নম্বর লাগবে। ভর্তির মেধা তালিকা প্রকাশের সময় ছাত্রছাত্রীর মোবাইলে একটি পিন নম্বর যাবে। সেই পিন নম্বর নিয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি হবে। তিনি আরও বলেন, ভুয়াদের ঠেকাতে আবেদন প্রক্রিয়ায় নতুনত্ব আনায় ওয়েবসাইটেও কিছুটা পরিবর্তন আসছে। এবার ভর্তি বদলি বা মাইগ্রেশনের ব্যবস্থা থাকবে না।

ড. আসফাকুস সালেহীন বলেন, এবার অননুমোদিত ও মানহীন বেশকিছু কলেজে ভর্তি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তবে আবেদনের সময়ে ছাত্রছাত্রীদের ভালো করে কলেজের নাম ও ঠিকানা যাচাই করে নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

ডুয়েটে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

গাজীপুরস্থ ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং/বি. আর্ক প্রোগ্রামে ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল আজ দুপুরে প্রকাশিত হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.duet.ac.bd থেকে ফলাফলের বিস্তারিত জানা যাবে। উল্লেখ্য, গত ১৯ মে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ৬০০ আসনের বিপরীতে ৭৬৪৫ জন শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নেন।

আজ ডুয়েটের পরিচালকের (গবেষণা ও সম্প্রসারণ) দপ্তরের সহকারী পরিচালক কামরুন নাহার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ র‌্যাংকিংয়ের ফল ঘোষণা । চুয়াডাঙ্গা সরকারী কলেজ খুলনা অঞ্চলে ৪র্থ।

ঢাকা: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ র‌্যাংকিংয়ের ফল ঘোষণা করা হয়েছে।

আজ দুপুর সাড়ে ১২ টায় রাজধানীর ধানমন্ডিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ঢাকা নগর কার্যালয়ে উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদ এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে র‌্যাংকিংয়ের ফল ঘোষণা করেন।

একত্রিশটি সূচকের ভিত্তিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ৬৮৫টি অনার্স ও মাস্টার্স কলেজে ২০১৫ সালের জন্য স্কোরের ভিত্তিতে র‌্যাংকিং-এর উদ্যোগ গ্রহণ করে।

জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ৫টি, সেরা মহিলা কলেজ ১টি, সেরা সরকারি কলেজ ১টি, সেরা বেসরকারি কলেজ এবং ৭টি আঞ্চলিক পর্যায়ের ৭৮টি নির্বাচিত সেরা কলেজকে ২০ মে শুক্রবার বিকেল ৪ টায় জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে স্মারক সম্মাননা, সনদ ও পুরস্কার প্রদান করা হবে।

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এবং ইউজিসি’র চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত অনুষ্ঠানে থাকবেন।

র‌্যাংকিং এ নির্বাচিত কলেজের মধ্যে জাতীয় পর্যায়ে ৫ (পাঁচ)টি সেরা কলেজ : রাজশাহী কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, ঢাকা কলেজ, ঢাকা কমার্স কলেজ ও সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ, বরিশাল।

জাতীয় পর্যায়ে সেরা মহিলা কলেজ : ইডেন মহিলা কলেজ, জাতীয় পর্যায়ে সেরা সরকারি কলেজ : রাজশাহী কলেজ।

জাতীয় পর্যায়ে সেরা বেসরকারি কলেজ : ঢাকা কমার্স কলেজ (বেসরকারি)

ঢাকা-ময়মনসিংহ অঞ্চলের ১০টি সেরা কলেজ : ইডেন মহিলা কলেজ, ঢাকা কলেজ, ঢাকা কমার্স কলেজ, ঢাকা (বেসরকারি), আনন্দমোহন কলেজ, ময়মনসিংহ, সরকারি সা’দত কলেজ, টাঙ্গাইল, লালমাটিয়া মহিলা কলেজ, ঢাকা (বেসরকারি),সরকারি তিতুমীর কলেজ, ঢাকা, সরকারি বাঙলা কলেজ, ঢাকা, ঢাকা সিটি কলেজ(বেসরকারি), কবি নজরুল সরকারি কলেজ, ঢাকা।

চট্টগ্রাম অঞ্চলের ১০টি সেরা কলেজ : চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ, সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজ, কুমিল্লা, ফেনী সরকারি কলেজ, সরকারি সিটি কলেজ, চট্টগ্রাম, সরকারি মহিলা কলেজ, চট্টগ্রাম, সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসীন কলেজ, চট্টগ্রাম, পটিয়া সরকারি কলেজ, চট্টগ্রাম, লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া সরকারি কলেজ, ওমরগণি এম ই এস কলেজ, চট্টগ্রাম (বেসরকারি)

রাজশাহী অঞ্চলের ১০টি সেরা কলেজ : রাজশাহী কলেজ, সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজ, ভবানীগঞ্জ কলেজ, রাজশাহী (বেসরকারি), সৈয়দ আহমদ কলেজ, বগুড়া (বেসরকারি), রাজশাহী সরকারি মহিলা কলেজ, নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ সরকারি কলেজ, সরকারি মুজিবুর রহমান মহিলা কলেজ, বগুড়া, নিউ গভর্নমেন্ট ডিগ্রি কলেজ, রাজশাহী।

খুলনা অঞ্চলের ১০টি সেরা কলেজ : সরকারি এম এম কলেজ, যশোর, কুমিরা মহিলা ডিগ্রি কলেজ, সাতক্ষীরা (বেসরকারি), সরকারি মহিলা কলেজ, যশোর, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ, উপশহর মহিলা ডিগ্রি কলেজ, যশোর(বেসরকারি), সাতক্ষীরা সিটি কলেজ (বেসরকারি), কুষ্টিয়া সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি পি সি কলেজ, বাগেরহাট, সরকারি শ্যামনগর মহসীন কলেজ, সাতক্ষীরা, নওয়াপাড়া কলেজ, যশোর (বেসরকারি)

বরিশাল অঞ্চলের ৯টি সেরা কলেজ : সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ, বরিশাল, সরকারি মহিলা কলেজ, বরিশাল, সরকারি বরিশাল কলেজ, ভোলা সরকারি কলেজ, বরগুনা সরকারি কলেজ, সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ, বরিশাল, সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজ, পিরোজপুর, চরফ্যাশন সরকারি কলেজ, ভোলা, সরকারি ফজলুল হক কলেজ, বরিশাল

সিলেট অঞ্চলের ৮টি সেরা কলেজ : এম সি কলেজ, সিলেট, বৃন্দাবন সরকারি কলেজ, হবিগঞ্জ, সরকারি মহিলা কলেজ, সিলেট, মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ, মদনমোহন কলেজ, সিলেট (বেসরকারি), সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ, দক্ষিণ সুরমা কলেজ, সিলেট (বেসরকারি), সরকারি শ্রীমঙ্গল কলেজ, মৌলভীবাজার

রংপুর অঞ্চলের ১০টি সেরা কলেজ : কারমাইকেল কলেজ, রংপুর, দিনাজপুর সরকারি কলেজ, দিনাজপুর, আলিমুদ্দিন কলেজ, লালমনিরহাট (বেসরকারি), সরকারি বেগম রোকেয়া কলেজ, রংপুর, কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ, উত্তরবাংলা কলেজ, লালমনিরহাট (বেসরকারি), নীলফামারী সরকারি কলেজ, দিনাজপুর সরকারি মহিলা কলেজ, লালমনিরহাট সরকারি কলেজ, লালমনিরহাট, রংপুর সরকারি কলেজ।

উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদ বলেন, “এ ধরনের আয়োজন দেশে প্রথম। এর ফলে কলেজ সমূহ তাদের স্ব স্ব অবস্থান জানতে পারবে এবং কীভাবে শিক্ষার সার্বিক অবস্থার আরোও উন্নতি করা যায় সে জন্যে প্রচেষ্টা গ্রহণ করবে। কলেজগুলোর মধ্যে ইতিবাচক প্রতিযোগিতার অবস্থা সৃষ্টি হবে, যা কলেজ পর্যায়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে আমাদের বিশ্বাস।

এসএসসি’র ফল প্রকাশ ১১ মে

ঢাকা: মাধ্যমিক (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হতে যাচ্ছে বুধবার (১১ মে)। চলতি বছর এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সাড়ে ১৬ লাখ শিক্ষার্থী এদিন ফল হাতে পাবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে গণভবনে সকাল ১০টায় ফলাফল হস্তান্তরের পর দুপুর ১টায় সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পূর্ণাঙ্গ ফলাফল প্রকাশ করবেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

রেওয়াজ অনুযায়ী, শিক্ষামন্ত্রী বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফলাফল হস্তান্তর করবেন।

শিক্ষামন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনের পর পরীক্ষার্থীরা ফল জানতে পারবেন।

গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হয় ১০ মার্চ। আর ১৫-১৯ মার্চের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মাথায় গত কয়েক বছর থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে আসছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এবার মোট ১৬ লাখ ৫১ হাজার ৫২৩ শিক্ষার্থীর মধ্যে এসএসসিতে ১৩ লাখ ৪ হাজার ২৭৪ জন, মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে দাখিলে ২ লাখ ৪৮ হাজার ৮৬৫ এবং এসএসসি ভোকেশনালে (কারিগরি) ৯৮ হাজার ৩৮৪ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৮ লাখ ৪২ হাজার ৯৩৩ জন ছাত্র এবং ৮ লাখ আট হাজার ৫৯০ জন ছাত্রী।

গত বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ৮৭ দশমিক ০৪ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করে। এদের মধ্যে জিপিএ-৫ পায় ১ লাখ ১১ হাজার ৯০১ জন।

ফলাফল পাওয়ার উপায়

সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনের পর শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মোবাইল ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন।

আটটি সাধারণ বোর্ডের অধীনে এসএসসি, মাদ্রাসা বোর্ড দাখিল এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ফল www.educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

এছাড়া যেকোনো মোবাইল থেকে এসএমএস করেও ফল পাওয়া যাবে।

এসএসসির ফল পেতে SSC লিখে স্পেস দিয়ে বের্ডের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৫ লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফল পাওয়া যাবে। (উদাহরণ: SSS DHA 123456 2015)

আর মাদ্রাসা বোর্ডের জন্য DAKHIL স্পেস MAD স্পেস 2015 লিখে ১৬২২২ ও কারিগরি বোর্ডের জন্য SSC স্পেস TEC স্পেস ২০১৫ লিখে ১৬২২২ পাঠালে ফল জানা যাবে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি জানিয়েছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো www.educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে ফল ডাউনলোড করতে পারবে। বোর্ড থেকে ফলাফলের কোনো হার্ডকপি সরবারহ করা হবে না।

তবে বিশেষ প্রয়োজনে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দফতর থেকে ফলাফলের হার্ডকপি সংগ্রহ করা যাবে।

ফল পুনঃনিরীক্ষণ

আগামী ১২ মে থেকে শুধুমাত্র টেলিটক মোবাইল থেকে আবেদন করে পুনঃনিরীক্ষণের ফল পাওয়া যাবে।

পুনঃনিরীক্ষণের জন্য RSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে বিষয় কোড লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে।

প্রতি বিষয় এবং প্রতিটি পত্রের জন্য ১২৫ টাকা ফি কাটা হবে।

ফিরতি এসএমএসে আবেদন বাবদ কতো টাকা কাটা হবে তা জানিয়ে একটি পিন নম্বর দেওয়া হবে।

এরপর আবেদন করতে ইচ্ছুক হলে RSC লিখে স্পেস দিয়ে YES লিখে স্পেস দিয়ে পিন নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে যোগাযোগের জন্য একটি মোবাইল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে।

যেসব বিষয়ে দু’টি পত্র (যেমন- বাংলা, ইংরেজি) রয়েছে সেসব বিষয়ে একটি বিষয় কোডের বিপরীতে দু’টি পত্রের জন্য আবেদন হিসাবে গণ্য হবে এবং ফি হিসেবে ২৫০ টাকা কাটা হবে।

একই এসএমএসের মাধ্যমে একাধিক বিষয়ের আবেদন করা যাবে। সেক্ষেত্রে বিষয় কোড পর্যায়ক্রমে কমা (,) দিয়ে লিখতে হবে।

আবেদন গ্রহণের পর সংশ্লিষ্ট বোর্ডগুলো পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ঠ নম্বরে জানিয়ে দেবে।

ছাত্রীকে অনৈতিক প্রস্তাবের অভিযোগে কুষ্টিয়া কলেজের অধ্যক্ষের বাসভবনে ব্যাপক ভাংচুর, অধ্যক্ষ বদরুদ্দোজা অবরুদ্ধ

আশরাফুল ইসলাkustia-pic (3)ম, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ॥ নিজ কলেজের ছাত্রীকে অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে কুষ্টিয়া সরকারী কলেজের অধ্যক্ষের বাসভবনে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে শিক্ষার্থীরা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর বদরুদ্দোজাকে কলেজ ক্যাম্পাসের ওই সরকারী বাস ভবনে অবরুদ্ধ করে রেখেছে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে সেখানে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অধ্যক্ষের বিচার দাবীতে দফায় দফায় মিছিল করেছে শিক্ষার্থীরা ।

শিক্ষার্থীরা জানান, বৃহস্পতিবার বেলা ৫টার দিকে হোস্টেলের নিয়ম ভাঙার অভিযোগে কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রীকে অধ্যক্ষ বদরুদ্দোজা তার সরকারী বাস ভাবনে ডেকে পাঠান। মেয়েটি সেখানে গেলে ফাঁকা বাসার দোতালার একটি কক্ষে নিয়ে যান অধ্যক্ষ। মেয়েটি অস্বতী দাবী তুলে অধ্যক্ষ দু’আঙ্গুলের সতীত্ব পরীক্ষা করতে চান। এসময় মেয়েটি বাধা দিয়ে বেরিয়ে আসতে চাইলে অধ্যক্ষ ওই ছাত্রীর গায়ে হাত দেন এবং অনৈতিক প্রস্তাব দেন। মেয়েটি সেখান থেকে দৌড়ে পালিয়ে এসে শিক্ষার্থীদের জানালে তারা অধ্যক্ষের বাসভবনে হামলা চালায়। বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা বাসভবনের একতলা ও দোতলায় থাকা ফ্রিজ, আলমারী, রাইসকুকার, ড্রেসিং টেবিলসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী গুঁড়িয়ে দেয়। খবর পেয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে।

জানা গেছে, অধ্যক্ষ ওই বাস ভবনে সপরিবারে বসবাস করলেও তার স্ত্রীসহ অন্যরা বর্তমানে ঢাকায় রয়েছেন। ঘটনার সময় তিনি একা ছিলেন ওই বাড়িতে।

অধ্যক্ষ বদরুদ্দোজা ওই ছাত্রীকে অনৈতিক প্রস্তাব বা গায়ে হাত দেওয়ার কথা অস্বীকার করলেও, ছাত্রীর সাথে দোতালার একটি কক্ষে দশ মিনিট ধরে কথা বলার ব্যাপারটি স্বীকার করেছেন। সে সময় ঐ বাসভবনের ভেতরে ছাত্রীটি বাদে অন্য কেউ ছিল না বলেও জানান তিনি।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি শাহাবুদ্দিন চৌধুরী বলেন, পরিস্থিতি সামাল দিতে অধ্যক্ষের বাসভবনে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ সুপারের সাথে পরামর্শ করে এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইবি ভিসি হতে মরিয়া প্রো-ভিসি ॥ অস্থিতিশীল ক্যাম্পাস॥ হামলায় আহত ৫॥ মামলা দায়ের

আশরাফুল ইEB Photo 01সলাম, কুষ্টিয়া ॥ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ভিসি প্রফেসর ড. আবদুল হাকিম সরকারকে ভিসি পদ থেকে সরিয়ে ভিসি হতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন প্রো-ভিসি ড. শাহিনুর রহমান। পদ রক্ষা ও পদ দখলকে কেন্দ্র করে দুই ভাগে বিভক্ত হয়েছে শিক্ষক, কর্মকর্তা,কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা। ভিসি পন্থীরা প্রো-ভিসির বিরুদ্ধে ও প্রো-ভিসি পন্থীরা ভিসির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে পাল্টাপাল্টি বিভিন্ন অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন, মানববন্ধন, থানায় জিডি, উকিল নোটিশসহ বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করে আসছে।
ভিসি হওয়ার পায়তারা হিসেবে প্রো-ভিসির ইন্ধনে ৫কর্মকর্তার উপর সসস্ত্র হামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শাপলা ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ড. আনোয়ার হোসেন। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন বলি ইবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শোণিত কুমার গায়েন নিশ্চিত করেছেন। মামলা নং ০১/০৪/০৫/২০১৬। এতে ক্যাম্পাস আবারও আস্থিতিশীল হয়ে উঠছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সুত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি প্রফেসর ড. আবদুল হাকিম সরকারের বিরুদ্ধে ইউজিসি গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন দাখিলের পর ভিসির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে তার পদচ্যূতির গুঞ্জন ওঠার পর প্রো-ভিসি ড. শাহিন ভিসি পদ দখলের জন্য ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল করাসহ বিভিন্ন পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছেন।
এতে একদিকে ভিসি সমর্থিত শিক্ষক, কর্মকর্তারা ভিসির পদচ্যুতিতে যাতে বর্তমান প্রো-ভিসি ড. শাহিন ভিসি না হতে পারে, সে জন্য তারা গত ২০এপ্রিল প্রো-ভিসি বিরুদ্ধে আর্থিক ও একাডেমিক জালিয়াতি, নারী কেলেঙ্কারী, জামায়াত-শিবির সম্পৃক্ততা, ক্যাম্পাস অস্থিতিশীলকারীসহ ১১টি অভিযোগ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য, শিক্ষা মন্ত্রনালয়, সচিব শিক্ষা মন্ত্রনালয়, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-০১ ও মহাপরিচালক-০২ প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে প্রদান করেন।
অপরদিকে ভিসি ড. হাকিমকে দূর্নীতিবাজ আখ্যা দিয়ে তার অপসারনের জন্য প্রো-ভিসি পন্থী শিক্ষক, কর্মকর্তারাও বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ে ধরনা দিয়ে বেড়াচ্ছেন।
এছাড়াও গত ২৩ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি সমর্থিত আওয়ামী প্রগতিশীল শিক্ষক সংগঠন শাপলা ফোরামের সভাপতি প্রফেসর ড.মাহবুবুল আরফিন,বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. জাকারিয়া রহমান, ড. রাশিদ আশকারীসহ অর্ধশতাধিক শিক্ষক, কর্মকর্তা প্রো-ভিসির বিরুদ্ধে লিখিতভাবে ১১ টি অভিযোগ তুলে সাংবাদিক সম্মেলন করেন।
এদিকে প্রো-ভিসি পন্থী শাপলা ফোরামের সভাপতি প্রফেসর ড. কামাল উদ্দিন ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের আহব্বায়ক প্রফেসর ড. মাহবুবুর রহমান ভিসি পন্থী শিক্ষকেদর ওই সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যা তথ্য পরিবেশনের প্রতিবাদে কুষ্টিয়া জেলা প্রেস ক্লাবের সামনে ও ক্যাম্পাসে প্রো-ভিসির স্ত্রীর নেতৃত্বে নারী সমাজের ব্যানারে একটি মানববন্ধন করেন। মানববন্ধনে তারা ভিসির অপসারণ দাবি করেন এবং ভিসি পন্থী ওই আ’লীগ শিক্ষকদের অশিক্ষিত, মূর্খ, দুর্নীতিবাজ ভিসির দোষর বলে আখ্যা দেন। ক্যাম্পাস থেকে বিতাড়িত করার হুমকি দেন।
এছাড়াও প্রো-ভিসির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করায় ভিসি পন্থী ওই ৫ শিক্ষকের নাম উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে গত ২৫ এপ্রিল ইবি থানায় জিডি করেন প্রো-ভিসি। এরপর ২৮ এপ্রিল উকিল নোটিশও পাঠায় প্রো-ভিসি। যেখানে ৫০ কোটি টাকার মানহানি মামলার উল্লেখ আছে।
এদিকে গত শুক্রবার প্রো-ভিসির অনিষ্ট থেকে নিরাপত্তারজন্য ভিসি পন্থী শিক্ষকরা ইবি থানায় একটি পাল্টা জিডি করেছেন।
এরপর গত শনিবার প্রো-ভিসি পন্থী শিক্ষক, কর্মকর্তারা ভিসির দূর্নীতি ও সেচ্ছাচারিতার অভিযোগ এনে তার অপসারন দাবিতে একটি পাল্টা সংবাদ সম্মেলন। সেখান থেকে তারা ভিসি বিরোধী মানববন্ধন ঘোষনা করে।
পূর্ব ঘোষনা অনুযায়ী গত ৩ মে ভিসি প্রফেসর ড. আবদুল হাকিম সরকারের অপসারন দাবিতে প্রো-ভিসি ড. শাহিনুর রহমানে সমর্থকরা মানববন্ধন করে।
গত মঙ্গলবারের ভিসি বিরোধী ওই মানবন্ধনের পাল্টা কর্মসূচী হিসেবে বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় ভিসি পন্থী বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও শাপলা ফোরামের শিক্ষক কর্মকর্তারা প্রো-ভিসি ড. মো. শাহিনুর রহমানের অপসারণের দাবি করে পাল্টা মানববন্ধন কর্মসূচির ডাক দেয়।
এসময় প্রো-ভিসি ড. শাহিনের প্রত্যক্ষ ইন্ধনে তার ব্যক্তিগত পিএস আব্দুল হান্নান,কর্মকর্তা ট্রেজারার অফিসের সহকারী রেজিস্ট্রার আলমগীর হোসেন, পরিবহন অফিসের আসাদুজ্জামান মাখন ও রুহুল আমিন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অফিসের রাশেদ চৌধুরী, অর্থ ও হিসাব শাখার চ্যাকা জাহাঙ্গীর, মানবিক অনুষদের ডিন অফিসের গিয়াস উদ্দিন প্রেনেডের নেত্বতে ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি গ্রুপের নেতাকর্মরা শতাধিক অস্ত্রধারী বহিরাগতদের নিয়ে ভিসি পন্থী শিক্ষক কর্মকর্তাদের মানবন্ধনে সসস্ত্র হামলা চালায়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি পন্থী বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও শাপলা ফোরামের সাধারন সম্পাদক ড. আনোয়ার হোসেন ও ড. মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত একটি লিখিত বিবৃতিতে এসব উল্লেখ করেছেন।
এতে আরো উল্লেখ করেছেন, অতিদ্রুত এই হামলার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তি দাবি করছি। আর শিক্ষক কর্মকর্তাদের উপর হামলার মদদতাদা প্রো-ভিসির অপসারন করে ক্যাম্পাসে পরিবেশ ঠিক রাখার জন্য সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
হামলায় ভিসি সমর্থক কর্মকর্তা ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের সদস্য মীর মোর্শেদ খান, এস্টেট শাখার পরিচালক হারুন-উর রশিদ, ভিসির পিএস মনিরুল ইসলাম, রেজিস্ট্রারের পিএস আনোয়ার ও রেজাউল নামের ৫ কর্মকর্তা আহত হয়। আহতদের বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে প্রাথমিক চিকিৎসা শেসে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠনো হয়েছে।
পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অনুষদ ভবনের সামনে ভিসি পন্থী শিক্ষক কর্মকর্তারা প্রো-ভিসিকে চোর আখ্যা দিয়ে তার পদত্যাগ দাবিতে মানববন্ধন করেন। সেখানে প্রায় তিন শতাধিক শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীও শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
এই ঘটনায় ক্যাম্পাসে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে, যে কোন মুহুর্তে ক্যাম্পাসে বড় ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। পরিবেশ নিয়ন্ত্রনে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ ও র‌্যাব মোতায়েন করা হয়েছে।
প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান বলেন, ক্যাম্পাসের স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যহত রয়েছে। তাই সবাই যাতে নির্বিঘেœ মত প্রকাশের স্বাধীনতা পায় সেজন্য প্রক্টরিয়াল বডি ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কাজ করে যাচ্ছে। যারা অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করবে তাদের বিরুদ্ধে সাথে সাথে এ্যাকশন নিব। এছাড়াও হামালার ঘটনার সাথে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। ইতমধ্যে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে হয়েছে।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. শাহিনুর রহমান বলেন- ভিসি ঢাকাতে অবস্থান করায় আমি ভারপ্রাপ্ত ভিসির দায়িত্বে ছিলাম। হামলার বিষয়িটি উল্লেখ করে তিনি বলেন-আমার কথা কেউ শোনে নি। আর আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করা হচ্ছে সেগুলো মিথ্যা বানোয়াট।

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সংকট নিরসনে আলোচনার আহ্বান উপাচার্যের

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সংকট নিরসনের জন্য শিক্ষার্থীদের আলোচনার টেবিলে আসার আহ্বান জানিয়েছেন উপাচার্য মো. আবদুস সাত্তার। গতকাল সোমবার যশোর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এ আহ্বান জানান।
সম্মেলনে আবদুস সাত্তার লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। তিনি বলেন, কয়েকটি গোষ্ঠী ছাত্রদের ব্যবহার করে বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য তৎপর রয়েছে। তারা ছাত্রদের ভুল বুঝিয়ে আলোচনার টেবিলে আসতে দিচ্ছে না। অথচ আলোচনা ছাড়া চলমান সংকট নিরসনের কোনো পথ খোলা নেই।
উপাচার্য আবদুস সাত্তার আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সাবেক শিক্ষক বর্তমানে বান্দরবানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কর্মরত। তিনি ফেসবুকে একটি পেজ খুলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ও লোগো ব্যবহার করে ছাত্রদের উসকানি দিয়ে স্ট্যাটাস দিচ্ছেন। এ বিষয়ে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে দুটি মামলা করা হয়েছে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশে ছাত্রাবাস খুলে ইসলামী ছাত্রশিবিরের রাজনীতি বিস্তারের জন্য একটি গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের চারপাশ মাদকের স্বর্গরাজ্য। এ কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৫ একর সীমানার বাইরে চরম অস্থিরতা বিরাজ করে। এ পরিস্থিতিতে ছাত্রদের ভুল পথে চালিত হওয়ার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে তিনি পুলিশ প্রশাসনের কঠোর নজরদারির আহ্বান জানান।
লিখিত বক্তব্যে উপাচার্য আবদুস সাত্তার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন রিজেন্ড বোর্ডের সভায় শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে পাঁচজন ছাত্র ও একজন কর্মচারীকে বহিষ্কারের সুপারিশ গ্রহণ করা হয়েছে। আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য তাঁদের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাঁরা নোটিশের জবাব না দিয়ে ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁদের বারবার আলোচনায় বসার আহ্বান জানানো হয়েছে। তাঁরা সে আহ্বানে সাড়া দেননি। সংকট নিরসনের জন্য কাল বুধবার রিজেন্ড বোর্ডের বৈঠক ডাকা হয়েছে। ওই বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ আবুল হোসেন, রেজিস্ট্রার আহসান হাবিব, ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান মনিবুর রহমান, মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান প্রমুখ।
বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ১৫ দিনের গ্রীষ্মকালীন ছুটি চলছে। ১১ মে ছুটি শেষ হবে।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ৩ দফা দাবি

অনলাইন 2রিপোর্টার॥ জাতীয় বাজেট সামনে রেখে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে ৩ দফা দাবি তুলে ধরেছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সাধারণ ছাত্র-ছাত্রী পরিষদ। তাদের ৩ দফার মধ্যে রয়েছে-মেধা লালন ভর্তুকি, সহজ শর্তে শিক্ষা ঋণ ও গবেষণার জন্য উল্লেখযোগ্য বাজেট বরাদ্দের দাবি। আজ সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, প্রতি বছর বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষায় যতো সংখ্যক সর্বোচ্চ সাফল্যের ফলাফলধারী শিক্ষার্থী বের হচ্ছে, তার চেয়ে অনেক কম শিক্ষার্থী পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাচ্ছে। বাধ্য হয়ে আসন সংকটে পড়ে প্রচুর শিক্ষার্থীকে নিজস্ব অর্থায়নে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে হচ্ছে। যাদের বিশাল অংশই সে অর্থ সংগ্রহ করে থাকে পরিবারের সর্বস্ব বাজি ধরেই!

কিন্তু পাবলিক পরীক্ষায় সর্বোচ্চ কৃতিত্বের অধিকারীদের উচ্চ শিক্ষা নিশ্চিত করবার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। তাই বেসরকারি শিক্ষা খাতকে গতিশীল করতে ৩ দফা দাবি ম‍ানতে হবে। এতে সত্যিকারের মেধাবী শিক্ষার্থীরা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়েও ভালো ফলাফলের ভিত্তিতে সরকারি অর্থায়নে বিনামূল্যে উচ্চশিক্ষা অধ্যয়নের সুযোগ পাবে।

স্নাতকোত্তর মেডিকেল শিক্ষা নিয়ে অসন্তোষ

ঢাকা: স্নাতকোত্তর মেডিকেল শিক্ষা নিয়ে অসন্তোষ জানিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) অধ্যাপকেরা বলেছেন, দেশে মেডিকেল উচ্চশিক্ষায় শৃঙ্খলা নেই।  শিক্ষার্থীদের  শিক্ষা ব্যবস্থা যথাযথ হচ্ছে না।

শনিবার ১৯তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অধ্যাপকেরা এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে বিকেলের পর রোগীদের সেবা দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত চিকিৎসক থাকেন না।

বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে মেডিকেল উচ্চশিক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থা, বাংলাদেশ প্রেক্ষিত শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে কর্তৃপক্ষ। দুপুর ১২টা থেকে একই সঙ্গে বিভিন্ন বিভাগে এই অনুষ্ঠান হয়।

ইন্টারন্যাল মেডিসিন বিভাগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক এ বি এম আব্দুল্লাহ বলেন, দেশে মেডিকেল উচ্চশিক্ষায় দ্বৈত ব্যবস্থা চলছে। বিএসএমএমইউ ও বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান অ্যান্ড সার্জনস (বিসিপিএস) দুই ধরনের স্নাতকোত্তর ডিগ্রি দিচ্ছে। কলেজগুলো শিক্ষকের অভাবে এমবিবিএস কোর্স চালু রাখতেই হিমশিম খাচ্ছে, তারা ঠিকভাবে স্নাতকোত্তর ক্লাস করাতে পারে না। শিক্ষার্থীরা ঠিকমতো ক্লাস করেন না, করার ব্যবস্থা নেই, ঘোরাফেরা করে চলে যান।

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কামরুল হাসান খান বলেন, ছাত্র ও শিক্ষকদের সরাসরি মতবিনিময়ের জন্য এই সভার আয়োজন। প্রতিটি বিভাগে আয়োজিত এই আলোচনা একত্র করে সুপারিশ তৈরি করা হবে এবং সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অধ্যাপক আবদুল জলিল চৌধুরী বলেন, আদর্শ কোনো ব্যবস্থা মেনে রেসিডেন্সি কর্মসূচি চালু হয়নি। স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ‘খিচুড়ি’ ব্যবস্থা অনুসরণ করা হচ্ছে।

উপাচার্য বলেন, অভিযোগ পাওয়া যায় অফিস সময়ের পর হাসপাতালে চিকিৎসক থাকেন না। এই পরিস্থিতি পরিবর্তনের চেষ্টা হচ্ছে।

আলোচনায় অংশ নিয়ে একজন শিক্ষার্থী বলেন, দেশে কোন বিষয়ে কত জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দরকার, তার কোনো হিসাব নেই, কোনো পরিকল্পনাও নেই। আরেকজন শিক্ষার্থী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রির জন্য যে শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে, দেশের প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের তা কোনো কাজে লাগে না।

শিক্ষার মান উন্নয়নে রুয়েটে সেল গঠন

রাবি সংবাদদাতা
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) বিভিন্ন বিভাগে শিক্ষা ও গবেষণার মান উন্নয়ন, পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষণের উদ্দেশ্যে গঠন করা হয়েছে একটি সেল।

শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) এবং উচ্চশিক্ষার মান উন্নয়ন প্রকল্পের (হেকেপ) আওতায় এই সেল গঠন করা হয়েছে। এর মূল দায়িত্ব হবে রুয়েটের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষা ক্যারিকুলাম ও গবেষণার মান আন্তর্জাতিবক পর্যায়ে উন্নতিকরণ।

এতে আরো জানানো হয়, এছাড়া শিক্ষার ক্যারিকুলাম এবং পর্যবেক্ষণ ও পরিবীক্ষণ করা এবং উভয় ক্ষেত্রে মান উন্নয়নে বিভাগগুলোকে পরামর্শ দেয়া। পাশাপাশি বিভাগগুলোর বিভিন্ন সমস্যা ও সীমাবদ্ধতা চিহ্নিত করে সেগুলোকে কার্যকরভাবে সমাধানের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেয়া।

নবগঠিত এই সেলের পরিচালক নিযুক্ত করা হয়েছে ইনডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং (আইইপি) বিভাগের প্রধান ও রুয়েটের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোশাররাফ হোসেনকে। এছাড়া এই সেলের অতিরিক্ত পরিচালক নিযুক্ত করা হয়েছে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের অধ্যাপক ড. শহীদ উজ জামানকে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তন নভেম্বরে।১৯৯৭-১৯৯৯ সালের শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

ঢাকা: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তন আগামী নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হবে। বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের ডিগ্রীধারীদের বাইরেও ২০১২ সালের মাস্টার্স ডিগ্রীধারী এবং এম.ফিল/পিএইচ.ডি/এম.এ.এস ডিগ্রীপ্রাপ্ত গবেষকরাও সমাবর্তনে রেজিস্ট্রেশনের জন্য যোগ্য হবেন।

মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সংবাদ বিঞ্জপ্তিতে এ কথা জানিয়ে বলা হয়, সমাবর্তনে আগ্রহী ডিগ্রীধারীগণ অনলাইনে ওয়েব সাইট (www.convocation.nu.edu.bd) এর মাধ্যমে আগামী ৮ জুন ২০১৬ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবে।

সমাবর্তনে অংশগ্রহণকারীদের চুড়ান্ত তালিকা এবং কোন ভেন্যুতে আসন গ্রহণ করবেন তা যথাসময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট (www.nu.edu.bd)-এ প্রকাশ করা হবে।  তবে ১৯৯৭-১৯৯৯ সালের অর্নাস ও মাস্টার্স পাশ করা একাধিক শিক্ষার্থী শিক্ষাবার্তাকে অভিযোগ করে বলেন তারা কেন সমাবর্তনে অংশগ্রহন করতে পারছে না তা তাদের বোধগম্য নয়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় তাদের সাথে এ ধরনের আচরন কোন পিাশ করা শিক্ষার্থী মেনে নিতে পারছে না। তারা বিষয়টি আবারো ভেবে দেখতে মাননীয় ভাইচ নসনসেলরকে অনুরোধ জানিয়েছে।

যৌন হয়রানি: মাস্টার্স কার্যক্রম থেকে জবির ৩ শিক্ষককে অব্যাহতি

জগন্নাথ বিশ্ববিju-pic_124333দ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক মীর মোশারফ হোসেন (রাজীব মীর), বর্ণনা ভৌমিক ও প্রিয়াঙ্কা স্বর্ণকারকে বিভাগের মাস্টার্স শ্রেণির একাডেমিক ও অন্যান্য কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দিয়ে অফিস আদেশ জারি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

নিজ বিভাগের এক ছাত্রীকে অনৈতিক প্রস্তাব দেয়ার অভিযোগে মীর মোশারফ হোসেন (রাজীব মীর) এবং তাকে সহযোগিতার অভিযোগে আরও দুই শিক্ষককে অব্যাহতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিভিন্ন অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারারকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে গত মঙ্গলবার রাজীব মীরসহ তিন শিক্ষককে পরবর্তী আদেশ না দেয়া পর্যন্ত মাস্টার্সের সব কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দিয়েছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ও তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মো. সেলিম ভূঁইয়া বলেন, সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে শিক্ষক রাজীব মীরের বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলন, অনৈতিক প্রস্তাব, হুমকি প্রদানসহ নানা বিষয়ে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন।
f

সরকারি হলো ৭ কলেজ

ঢাকা: প্রতি জেলায় একটি করে মাধ্যমিক স্কুল ও কলেজ জাতীয়করণের আওতায় ফরিদপুরের দু’টি, ঢাকা, গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, খুলনা ও মাদারীপুরের একটি করে কলেজ সরকারিকরণ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কলেজ শাখা থেকে সোমবার (১১ এপ্রিল) এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়েছে।

মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার রাজৈর ডিগ্রি কলেজ ৩০ মার্চ থেকে, গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু কলেজ ২৭ মার্চ থেকে, ঢাকার পল্লবীর বঙ্গবন্ধু কলেজ ২৪ মার্চ থেকে, খুলনার কয়রা উপজেলার কয়লা মহিলা কলেজ ৩০ মার্চ থেকে, গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার মুকসুদপুর কলেজ ২৭ মার্চ থেকে জাতীয়করণ করার আদেশ দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা থানার কাজী মাহবুব উল্লাহ (কেএম) কলেজ ৩০ মার্চ থেকে এবং আলফাডাঙ্গা উপজেলার আলফাডাঙ্গা ডিগ্রি কলেজ ০৬ এপ্রিল থেকে জাতীয়করণ হবে।

কলেজের আত্মীকৃত শিক্ষকরা অন্যত্র বদলি হতে পারবেন না বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

কোচিং এর ডাক নাম অতিরিক্ত ক্লাসঃ বাতিল দাবী না হলে আন্দোলন

কোচিং বাণিজ্য বন্ধে জেল-জরিমানা দাবি অভিভাবকদেরcoaching

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ শ্রেনিপাঠদানের চেয়ে কোচিং বানিজ্যকে বেশি প্রাধান্য দেওয়ায় কোচিং বাণিজ্যের দায়ে ৫ বছরের জেল ও ২৫ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান চাচ্ছেন অভিভাবকরা।

রাজধানীর বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীদের স্বার্থ নিয়ে আন্দোলনকারী সংগঠন অভিভাবক ঐক্য ফোরাম শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই দাবি জানিয়েছে।

বিজ্ঞপিতে বলা হয় দেশের সেরা বিদ্যালয়গুলোতে শ্রেনিকক্ষে পাঠদানের চেয়ে কোচিং যাকে ভালবেসে বলে অতিরিক্ত ক্লাস । এই অতিরিক্ত ক্লাস এবং টাকা অপচয় বন্ধোর দাবিতে মানববন্ধন করেন তারা।  সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউল কবির দুলু ও সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিকুর রহমান যুক্ত বিবৃতিতে আরও বলেন, প্রস্তাবিত শিক্ষা আইন অনতিবিলম্বে সংসদে পাস করতে হবে।

তারা আইনের আরও তিনটি ধারা সংশোধনের দাবি করেছে। এগুলো হচ্ছে, ধারা ২১(৫) গাইড বই ও নোট বই ধারা সংশোধন করে সহায়ক পুস্তিকা প্রকাশকে নিষিদ্ধ করতে হবে।

তা না হলে সহায়ক পুস্তিকা নামে নোট বই বা গাইড বই প্রকাশ সম্প্রসারিত হইবে। এ ক্ষেত্রেও ৫ বছরের জেল ও ২৫ লাখ টাকার জরিমানার বিধান করতে হবে।

ধারা ২২(৮) পরিবর্তন করে ম্যানেজিং কমিটির স্থলে সরকার কর্তৃক টিউশন ফি নির্ধারণ করার বিধান রাখতে হবে।

ধারা ২৪(২) শারিরীক শাস্তির বিধানে ৩ মাসের স্থলে ১ বছরের জেল নির্ধারণ করতে হবে।

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter