Home » কলেজ

কলেজ

অটোপাস দিতে পারবে স্কুল-কলেজগুলো

ডেস্ক | ০৫ জুলাই, ২০২০
প্রাণঘাতী করোনার মধ্যে স্কুল-কলেজের অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা নেয়ার বাধ্যবাধকতা রাখার পক্ষে নয় শিক্ষা প্রশাসন। অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা না নিয়েও পরবর্তী ক্লাসে শিক্ষার্থীদের উত্তীর্ণ করতে পারবে স্কুল কলেজ। ফলে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কোন পরীক্ষা ছাড়াই দ্বাদশ শ্রেণিতে উন্নীত করার ক্ষেত্রেও কোন বাধা নেই। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটির প্রধান ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেছেন, অভ্যন্তরীণ পরীক্ষার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। এদিকে করোনার মধ্যেই বিভিন্ন শ্রেণিতে পরীক্ষা গ্রহণের নোটিস ও ফি আদায়ের নামে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার (৫ জুলাই) জনকণ্ঠ পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়। প্রতিবেদনটি লিখেছেন বিভাষ বাড়ৈ।
প্রতিবেদনে আরও জানা গেছে, প্রাণঘাতী করোনার ছোবলের কারণে প্রতিষ্ঠান বন্ধে সঙ্কটে পড়েই কিছু প্রতিষ্ঠান তাদের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা না নিয়ে দ্বাদশ শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করেছে। আরও কিছু প্রতিষ্ঠান শিক্ষা বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করে একই পদক্ষেপে যাচ্ছে। ঠিক এমন অবস্থার প্রেক্ষাপটে শিক্ষা প্রশাসন শিক্ষার্থীদের ‘অটোপ্রমোশন’ বা পরীক্ষা ছাড়া পরবর্তী ক্লাসে উত্তীর্ণ করার বিষয়ে নমনীয় অবস্থান নিয়েছে শিক্ষা প্রশাসন। অভ্যন্তরীণ পরীক্ষার বিষয়ে পৃথক কোন আদেশ জারি না করলেও কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অভ্যন্তরীণ পরীক্ষার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তারা পরীক্ষা ছাড়াই পরবর্তী ক্লাসে শিক্ষার্থীদের উন্নীত করতে পারবে। এখানে শিক্ষা বোর্ডের কোন আপত্তি নেই।

করোনাভাইরাসের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বন্ধ আছে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এ সময়ে অনুষ্ঠিত হয়নি অভ্যন্তরীণ কোন পরীক্ষা। সেশনের সময় চলে যাওয়ায় একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে কলেজগুলো। আগামী বছর এপ্রিল মাসে তাদের এইচএসসি পরীক্ষা নির্ধারিত আছে। চলমান পরিস্থিতির কারণে রাজধানীর নটরডেম কলেজের একাদশ শ্রেণি থেকে সকল শিক্ষার্থীকে পরীক্ষা ছাড়া দ্বাদশ শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করা হয়েছে।

উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের আগামী ২৬ তারিখের মধ্যে দ্বাদশ শ্রেণিতে ভর্তি ফি’র নয় হাজার ৪০০ টাকাসহ চলতি জুলাই মাস ও আগামী আগস্ট এবং সেপ্টেম্বর মাসের সাত হাজার ৮০০ টাকা পরিশোধের জন্য নোটিস দিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

দ্বাদশে অটোপ্রমোশন নিয়ে আপত্তি না থাকলেও ফি আদায়ের এমন আদেশে ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা। তাদের দাবি, শিক্ষা মন্ত্রণালয় করোনাকালে টিউশন ফি আদায়ে শিক্ষার্থীদের চাপ দিতে নিষেধ করেছে। সেখানে এভাবে নোটিস দিয়ে তিন মাসের বেতন ফি পরিশোধ করতে বলা আপত্তিজনক।

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজও পরীক্ষা ছাড়া দ্বাদশে শিক্ষার্থী উন্নীত করেছে। তবে প্রতিষ্ঠানটি বলছে, তারা একাদশের দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষার ভিত্তিতে পদোন্নতি দিয়েছে শিক্ষার্থীদের। ভিকারুননিসা নূন স্কুল এ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ফওজিয়া জানিয়েছেন, একাদশের প্রথম ও দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের দ্বাদশে উত্তীর্ণ করার চিন্তা করছেন তারা। রাজধানীর আরও অনেক প্রতিষ্ঠানে একই প্রক্রিয়ায় চলমান এ শিক্ষা সঙ্কট উত্তরণের চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে। যদিও এক্ষেত্রে প্রায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানই শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে অনুমতি নিতে চাচ্ছে।

এমন অবস্থার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটির প্রধান ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক শনিবার বলেছেন, অভ্যন্তরীণ পরীক্ষার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তারা পরীক্ষা ছাড়াই পরবর্তী ক্লাসে শিক্ষার্থীদের উন্নীত করতে পারবে। এখানে শিক্ষা বোর্ডের কোন আপত্তি নেই।

আর সব বিষয়ে তো শিক্ষা বোর্ড হস্তক্ষেপ করতে পারেনা। এটা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব সিদ্ধান্তের বিষয়। বোর্ড কোন আপত্তি করবেনা। এজন্য আলাদা আদেশ দেয়ার কোন প্রয়োজনও নেই। করোনার এই সময়ে সকল প্রতিষ্ঠানেই শ্রেণিতে কাজ বন্ধ আছে। বন্ধ আছে পরীক্ষা। তবে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক রেকর্ড কলেজে আছে। সেটার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের পরের ক্লাসে উত্তীর্ণ দেখাতে পারে।

এদিকে করোনার মধ্যেই বিভিন্ন শ্রেণিতে পরীক্ষা গ্রহণের নোটিস ও ফি আদায়ের নামে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে রাজধানীর অনেক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। আগামী ১৫ জুলাই দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা নেয়া হবে বলে হঠাৎ করে আদেশ জারি করেছে সরকারী অবকাঠামোসহ নানা সুযোগ নিয়ে চলা রাজধানীর বিয়াম মডেল স্কুল এ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ।

ইস্কাটনে অবস্থিত এ প্রতিষ্ঠান সরকারী নানা সুযোগ পেলেও মাসিক উচ্চ বেতনের এ প্রতিষ্ঠানে সকল বকেয়া একসঙ্গে দেয়ার জন্য চাপ দেয়া হচ্ছে। এখানে দফায় দফায় অভিভাবকদের নোটিস দেয়া হচ্ছে বেশ কয়েকদিন ধরেই। এর সঙ্গে এবার যুক্ত হয়েছে বিভিন্ন শ্রেণিতে দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা গ্রহণের নোটিস। অভিভাবকদের মোবাইলে পরীক্ষা নেয়ার নোটিস পাঠানো হলেও কিভাবে এখন পরীক্ষা নেয়া হবে তার কোন সদুত্তরও দিচ্ছেনা কর্তৃপক্ষ।

এক অভিভাবক বলছিলেন, সেলফোনে জানানো হয়েছে ১৫ জুলাই পরীক্ষা। কিভাবে পরীক্ষা নেয়া হবে জানতে চাইলে বলা হয় ‘আমরাও এখনও জানিনা কিভাবে পরীক্ষা হবে’।

বসুন্ধরায় অবস্থিত হার্ডকো ইন্টারন্যাশনাল স্কুল করোনাকালে বন্ধের সময়ে টিউশন ফি দিতে ব্যর্থ শিক্ষার্থীদের পরবর্তী ক্লাসে প্রমোশন আটকে দিয়েছে। বকেয়া পরিশোধ করে সন্তানদের স্কুল থেকে টিসি নিয়ে যেতে অভিভাবকদের নোটিস দিয়েছে। এই নোটিসের প্রতিবাদে এবং করোনাকালীন সময়ে টিউশন ফি ৫০ শতাংশ করার দাবিতে শনিবার সকালে অভিভাবকরা স্কুলের সামনে মানববন্ধন করেছেন। তারা অবিলম্বে এই নোটিস প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।

মানববন্ধনে অভিভাবক ফোরামের আহ্বায়ক কল্যাণ ওয়ার্দ্দার, পারভিন আখতার, সাকলায়েন, মঞ্জুর এ চৌধুরী, জাহিদুর রহমান, আশফাক চৌধুরী বক্তব্য রাখেন। মানববন্ধন শেষে তারা স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি দেন।

অভিভাবকরা বলেছেন, গত ২৯ জুন এই নোটিস পাঠানো হয়েছে স্কুল থেকে। বকেয়া টিউশন ফি পরিশোধের শেষ দিন ছিল ২৫ জুন। ১ জুলাই থেকে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হলেও টিউশন ফি পরিশোধ না করায় বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী নতুন ক্লাসে এখনও প্রমোশন পায়নি। অনলাইনে ফাইনাল পরীক্ষা নেয়া হলেও ফি যাদের বাকি রয়েছে সবার ফল ও রিপোর্ট কার্ড আটকে দেয়া হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

পরীক্ষা ছাড়াই দ্বিতীয় বর্ষে উত্তীর্ণ কলেজ শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক,৪ জুলাই:

করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বন্ধ রয়েছে দেশের কলেজগুলো। এই সময়ে একাদশ শ্রেণির শিক্ষাবর্ষ শেষ হলেও প্রথমবর্ষের পরীক্ষা নেয়া যায়নি। এদিকে সেশনের সময় চলে যাওয়ায় একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে কলেজগুলো। আগামী বছর এপ্রিলে তাদের এইচএসসি পরীক্ষা নির্ধারিত আছে।

আর দ্বাদশ শ্রেণিতে উত্তীর্ণ না হওয়ায় অনলাইনে বা অন্যভাবে তাদের শিক্ষাকার্যক্রম চালানো যাচ্ছে না। তাই লেখাপড়ার গতি অব্যাহত রাখতে বিভিন্ন কলেজ শিক্ষার্থীদের দ্বাদশ শ্রেণিতে ‘অটোপাস’ দিচ্ছে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পরীক্ষা ছাড়াই দ্বাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের উত্তীর্ণ করা হয়েছে, আবার কোথাও উত্তীর্ণের প্রক্রিয়া চলছে।

এতে শিক্ষা বোর্ডের কোন আপত্তি নেই বলে জানান ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, করোনার এই সময়ে সব প্রতিষ্ঠানেই শ্রেণিকাজ বন্ধ আছে। বন্ধ আছে পরীক্ষা। তবে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক রেকর্ড কলেজে আছে। সেটার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের পরের ক্লাসে উত্তীর্ণ দেখাতে পারে। এতে বোর্ডের আপত্তি থাকবে না।

এদিকে করোনা সংকটে দ্বাদশ শ্রেণিতে উত্তীর্ণ না হওয়ায় অনলাইনে বা অন্যভাবে ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষাকার্যক্রম চালানো যাচ্ছে না। তাই শিক্ষার্থীদের ‘অটোপাস’ দিয়ে দ্বাদশ শ্রেণির পাঠদান গতিশীল করার কথা জানান রাজধানীর শেখ বোরহানউদ্দিন পোস্ট গ্রাজুয়েট কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আবদুর রহমান। তিনি বলেন, দ্বাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের উত্তীর্ণ করা হলে অনলাইন ক্লাস শুরু করা সম্ভব। না হলে তারা লেখাপড়ার বাইরে থাকবে। তাই উত্তীর্ণ দেখানো উচিত। আমরা উত্তীর্ণ দেখিয়েই অনলাইন ক্লাস শুরু করেছি।

করোনা পরিস্থিতির কারণে নটরডেম কলেজ শিক্ষার্থীদের বাড়িতে লিখিত অংশের পরীক্ষা নিয়ে একাদশ শ্রেণী থেকে সবাইকে দ্বাদশ শ্রেণীতে উত্তীর্ণ করা হয়েছে। উত্তীর্ণ সকল শিক্ষার্থীকে চলতি জুলাই মাসের ২৬ তারিখের মধ্যে দ্বাদশ শ্রেণীতে ভর্তি ফি’র ৯ হাজার ৪০০ টাকাসহ চলতি জুলাই মাস ও আগামী আগস্ট এবং সেপ্টেম্বর মাসের ৭ হাজার ৮০০ টাকা পরিশোধের জন্য নোটিশ দিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। গত বৃহস্পতিবার এই নোটিশ দেয়া হয়েছে। তবে করোনা ভাইরাস মহামারীর এই সময়ে এতো টাকা একসাথে পরিশোধ করা কষ্টকর বলে জানায় শিক্ষার্থীরা।

রাজধানীর আরেক প্রতিষ্ঠান রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষার ভিত্তিতে পদোন্নতি দিয়েছ শিক্ষার্থীদের। কলেজের সিনিয়র প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা আজহারুল আলম জানান, মার্চের শেষে একাদশ শ্রেণির পরীক্ষা নেয়ার কথা ছিল। সেটা সম্ভব না হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

একই পথে হাঁটছে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ। অধ্যক্ষ অধ্যাপক ফওজিয়া জানান, প্রথম ও দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরের স্তরে উত্তীর্ণ করার চিন্তা চলছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ড ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আলাপ করে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হবে।

জানা গেছে, গত মার্চের শেষে কলেজগুলোর একাদশ শ্রেণির পরীক্ষা নেয়ার কথা ছিল। দেশে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে সেটা আর সম্ভব হয়নি। আগামী বছর এপ্রিলে তাদের এইচএসসি পরীক্ষা নির্ধারিত আছে। যদিও চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষা এখনো স্থগিত রয়েছে। এদিকে করোনার কারণে আগস্টের ৬ তারিখ পর্যন্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাধারণ ছুটি চলছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এইচএসসির সনদ বিতরণ শুরু ১ জুলাই

ডেস্ক,২৯ জুন ২০২০ঃ

আগামী ১ জুলাই থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মূল সনদ বিতরণ শুরু করবে ঢাকা বোর্ড। ২৭ জুলাই পর্যন্ত বোর্ড থেকে ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দে এইচএসসি উত্তীর্ণদের মূল সনদ বিতরণ করা হবে। কলেজের অধ্যক্ষ নিজে বা প্রতিনিধি মারফত বোর্ড থেকে সনদ গ্রহণ করে শিক্ষার্থীদের বিতরণ করবেন।

সোমবার (২৯ জুন) ঢাকা বোর্ড থেকে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

জানা গেছে, আগামী ১ জুলাই ঢাকা মহানগরের কলেজগুলোর, ৬ জুলাই গাজীপুর ও মানিকগঞ্জ জেলার কলেজগুলোর, ৮ জুলাই নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদী জেলার কলেজগুলোর, ১৩ জুলাই মাদারীপুর, শরিয়তপুর ও ঢাকা জেলার কলেজগুলোর, ১৫ জুলাই কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোনা কেলার কলেজগুলোর, ২০ জুলাই জামালপুর ও শেরপুর জেলার কলেজগুলোর, ২২ জুলাই ফরিদপুর ও গোপালগঞ্জ জেলার কলেজগুলোর, ২৭ জুলাই টাঙ্গাইল ও রাজবাড়ী জেলার কলেজগুলোর এবং ২৯ জুলাই মুন্সিগঞ্জ ও ময়মনসিংহ জেলার কলেজগুলোর এইচএসসি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মূল সনদ বিতরণ করা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে কলেজগুলোর অধ্যক্ষ বা তার প্রতিনিধিকে শিক্ষার্থীদের মূল সনদ গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। বোর্ডের ৪ নম্বর ভবনের ৫ তলা থেকে এইচএসসি সনদ বিতরণ করা হবে। নির্ধারিত দিনে নির্ধারিত জেলার অধ্যক্ষরা সকাল ১০ টা থেকে বিকাল তিনটা পর্যন্ত সনদ তুলতে পারবেন।

মূল সনদপত্র গ্রহণ করার জন্য গ্রুপ ওয়ারী কতজন ছাত্র-ছাত্রী উত্তীর্ণ হয়েছে তার বিবরণসহ বোর্ডে আসতে হবে৷ অধ্যক্ষ নিজে অথবা দায়িত্বশীল প্রতিনিধিকে প্রাধিকার পত্র দিয়ে তিনটি নমুনা স্বাক্ষর সত্যায়িতসহ সনদপত্র গ্রহণ বলেছে ঢাকা বোর্ড। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষদের নিজের বা প্রতিনিধির বেলায় প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির বা গভর্নিং বডির সিদ্ধান্তের কপিসহ মূল সনদপত্র গ্রহণের জন্য আবেদনের উপর ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বা গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান অথবা সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসারের প্রতিস্বাক্ষর নিয়ে আসতে বলা হয়েছে। তাছাড়া মূল সনদ দেয়া সম্ভব হবে না বলে সাফ জানিয়েছে ঢাকা বোর্ড।

আর কোনো ছাত্র-ছাত্রী সাময়িক সনদপত্র গ্রহণ করে থাকলে মূল সনদপত্র নেয়ার সময় সাময়িক সনদপত্র পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে ফেরত দিতে বলা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষা ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন আসছে, কমবে ছুটি বাড়বে ক্লাস

ডেস্ক,২৮ জুন:

করোনাভাইরাস সংক্রমণে সব হিসাব উল্টে দিয়েছে করে দিয়েছে শিক্ষা ক্যালেন্ডারের। গত ১৮ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটি ঘোষণা করা হলেও কবে খুলবে তা জানা নেই কারোর। ক্ষতি পোষাতে অনলাইনে ও টেলিভিশনে ক্লাস সম্প্রচারিত হলেও তা সফল বলতে পারছেন না অনেকে। অনেক দেরিতে প্রকাশিত হয়েছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল। ফলে পিছিয়ে গেছে একাদশ শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম।

এদিকে স্কুল-কলেজে প্রথম, দ্বিতীয় সাময়িক ও অর্ধ-বার্ষিকী পরীক্ষাও হয়নি। এখন অনিশ্চতায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। জেএসসি, জেডিসি, প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী পরীক্ষাও অনিশ্চিত। এ অবস্থায় নানা ধরনের বিকল্প নিয়ে কাজ করার কথা একাধিকবার জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টরা। তবে করোনা পরিস্থিতি আপাতত ঠিক হওয়ার সম্ভাবনা দেখা না যাওয়ায় কোনো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা।

তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে শিক্ষা ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তনের আভাস দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। সে মোতাবেক কমতে পারে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সংখ্যা। আর চলতি শিক্ষাবর্ষ ডিসেম্বরের পরিবর্তে মার্চ পর্যন্ত চলবে। আগামী শিক্ষাবর্ষ হবে ৯ মাসে। অত্যাবশকীয় ছাড়া বাকি সব ছুটি বাতিল করার পরিকল্পনাও চলছে।

শনিবার (২৭ জুন) এডুকেশন রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইরাব) আয়োজিত ‘করোনায় শিক্ষার চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণে করণীয়’ শীর্ষক ভার্চুয়াল সেমিনারে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এসব তথ্য জানান। এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সংখ্যা কমানো নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরিস্থিতি অনুকূলে আসার ১৫ দিন পর এই পরীক্ষা নেওয়া হবে।

তিনি জানান, ১৫ দিন আগে শিক্ষার্থীদের নোটিস দিতে হবে। প্রস্তুতি ঝালিয়ে নিতে সময় দিতে হবে। এবারের এইচএসসির সিলেবাস কমানোর যৌক্তিকতা নেই, কারণ তারা তাদের সিলেবাস সম্পন্ন করেছে। এখন যেটা হতে পারে পরীক্ষা নেওয়া হবে। আবার লাখ লাখ পরিবার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, প্রশাসনের মানুষ, শিক্ষক সবাইকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলব? আমরা কম সময়ে করতে পারি কি না, কম পরীক্ষা নিতে পারি কি না- সবকিছুই ভাবছি।

শিক্ষাবর্ষের বিষয়ে দীপু মনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে কাউকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারি না। কোনকিছু না পড়িয়েও পরবর্তী ক্লাসে উন্নীত করা যাবে না। সেজেন্য ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আগামী মার্চ পর্যন্ত চলতি শিক্ষাবর্ষ বাড়ানো হতে পারে। এছাড়া ছুটি কমিয়ে শ্রেণি ঘণ্টা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী শিক্ষাবর্ষেও ছুটি কমিয়ে ৯ মাস করা হবে।

তবে জেএসসি-জেডিসি, প্রাথমিক-ইবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষা বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী সুস্পষ্ট কিছু বলেননি। তিনি বলেন, শুধু পরীক্ষার জন্য সিলেবাস তৈরি হয় না, পরবর্তী ক্লাসে ওঠার জন্য যা শেখা প্রয়োজন তা শেখানো হয়। মূল্যায়নের জন্য বছর শেষে পরীক্ষা হয়। গ্যাপ হয়ে গেলে পরবর্তীতে বিষয়টি তাদের ভোগাবে। এজন্য বিশেষজ্ঞরা কাজ করছে।

করোনা মহামারীর মধ্যে টিউশন ফি আদায়ে মানবিক হওয়ার অনুরোধ জানান দীপু মনি। এসময় যতটা সম্ভব শিক্ষার্থীদের বেতন ছাড় দিতে স্কুল-কলেজ কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ফি না পেলে শিক্ষকদের কি করে বেতন দেবে? শিক্ষকরা তো অধিকাংশই বেতনের উপর নির্ভরশীল। টিউশনিও বন্ধ। যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামর্থ্য আছে তারা ফি কিস্তিতে বা কিছুদিন বাদ দিয়ে নিক। যতটা ছাড় দেয়া যায় সেটা চেষ্টা করবেন বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনাদেরও ছাড় দিতে হবে। সন্তান পড়াশোনা করছে, এখন প্রতিষ্ঠান বন্ধ মানে বেতন বন্ধ করা যায় না। এসময় শিক্ষার্থীদের জন্য স্বল্প বা বিনামূল্যে ইন্টারনেট, ডিভাইসসহ বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কাজ করছে বলেও শিক্ষামন্ত্রী।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বিষয় কমিয়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার চিন্তা

প্রথম আলো যেস্ক,২৮ জুন:
করোনাভাইরাসের কারণে অনিশ্চিত হয়ে পড়া চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষার বিষয় কমিয়ে কম সময়ে তা নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। গতকাল শনিবার এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষাবিষয়ক সাংবাদিকদের একাংশের উদ্যোগে আয়োজিত ভার্চ্যুয়াল এই অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধূরী, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক মনজুর আহমদ প্রমুখ।

করোনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিয়মিত কার্যক্রম বন্ধ থাকায় চলতি শিক্ষাবর্ষ ডিসেম্বর থেকে বাড়িয়ে আগামী ফেব্রুয়ারি বা মার্চ পর্যন্ত করার ইঙ্গিত দেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, এ মুহূর্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার মতো অবস্থা নেই। অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে হবে। খুলতে দেরি হলে শিক্ষাবর্ষ ডিসেম্বরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা হবে, নাকি আগামী বছরের দুই–তিন মাস যুক্ত করা হবে, তা ভাবা হচ্ছে।

করোনার সংক্রমণের কারণে গত ১৮ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। ইতিমধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। এ পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল গত এপ্রিলের শুরুতে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের আসার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললে এরও অন্তত ১৫ দিন পর এইচএসসি পরীক্ষা শুরু করা হবে। আগামী ৬ আগস্ট পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা আছে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে সংক্রমণ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে এই বন্ধ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গড়াতে পারে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বকেয়া বেতন-বোনাসের জিও জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৬ জুন, ২০২০
নতুন এমপিওভুক্ত হওয়া ৪ হাজার ৯২০ জন স্কুল-কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের বকেয়া বেতন-ভাতা ছাড়ের সরকারি আদেশ (জিও) জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ। এদের মধ্যে স্কুলের ৩ হাজার ১৯৯ জন এবং কলেজের ১ হাজার ৭২১ জন শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ সূত্র দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, খুব তাড়াতাড়ি শিক্ষকদের বকেয়াসহ বেতন ভাতার চেক ছাড় হবে। বকেয়া দুটি ঈদ বোনাস, বৈশাখী ভাতা ও গত বছরের জুলাই থেকে চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত বেতন একসঙ্গে পাচ্ছেন নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা। গত ১৮ জুন এমপিও কমিটির বিশেষ সভায় তাদের এমপিওভুক্ত করা হয়। তারা দ্বিতীয় দফায় অনলাইনে এমপিওভুক্তির আবেদন করেছিলেন।

জানা যায়, স্কুল-কলেজের শিক্ষক কর্মচারীদের বকেয়া বেতন ও বোনাস দেয়ার জিও জারি হয়েছে। শিক্ষক-কর্মচারীরা ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের জুলাই থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত বকেয়া বেতন পাবেন। আর গত আগস্টে অনুষ্ঠিত ঈদুল আযহা আর গত ২৫ মে অনুষ্ঠিত ঈদুল ফিতরের ঈদ বোনাস পাচ্ছেন শিক্ষকরা। এছাড়া গত এপ্রিল মাসে দেয়া বৈশাখী ভাতা টাকা বাবদ পাবেন তারা। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে জিওর কপি গেলেই চেক ব্যাংকে পাঠনো হবে।

শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র আরও জানায়, খুব শিগগিরই নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বকেয়া বেতন বোনাসের চেক ছাড় করা হবে।

গত ২৯ এপ্রিল নতুন এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ১ হাজার ৬৫১টি প্রতিষ্ঠানের তথ্য যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্তভাবে ১ হাজার ৬৩৩টি তালিকা প্রকাশ করা হয়। এমপিওভুক্তির জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৯৯১টি মাধ্যমিক স্কুল, ৪৩০টি নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল, ৬৮টি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ৯২টি উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ এবং ৫২টি ডিগ্রি কলেজ রয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মাসে ২ বার সব কলেজের অনলাইন ক্লাসের তথ্য পাঠানোর নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৫ জুন, ২০২০

দেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে গত ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং কোচিং বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় সংসদ টিভিতে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের ক্লাস চলছে। গত এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সব কলেজকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্নাতক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের অনলাইনে ক্লাস নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। কলেজগুলোর অনলাইন ক্লাসের তথ্য চেয়েছে শিক্ষা অধিদপ্তর। প্রতি মাসের ১ তারিখ ও ১৬ তারিখ দুইবার কলেজের অন্যায় ক্লাসের তথ্য অধিদপ্তরে পাঠাতে বলা হয়েছে আঞ্চলিক পরিচালকদের।

বুধবার (২৪ জুন) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে এ-সংক্রান্ত চিঠি আঞ্চলিক পরিচালকদের কাছে পাঠানো হয়।

অনলাইনে ক্লাসের তথ্য পাঠাতে নির্ধারিত দুটি ছক পাঠানো হয়েছে আঞ্চলিক পরিচালকদের কাছে। এগুলোর একটিতে প্রতিষ্ঠানের প্রধান এবং অপরটিতে পরিচালক তথ্য পূরণ করবেন।

ছকে কোন কোন পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাস নেয়া হচ্ছে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। আর ক্লাসের রুটিন প্রকাশ করা হয়েছে কিনা সে তথ্য দিতে হবে। এছাড়া অনলাইনে ক্লাস শুরুর তারিখ, বিভাগভিত্তিক ক্লাসের সংখ্যা, অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী সংখ্যা ও শতকরা হার, অনলাইন ক্লাস পরিচালনার চ্যালেঞ্জগুলো এবং তার সমাধানের উপায় উল্লেখ করতে হবে ছকে। তথ্য পূরণ করার ছক প্রতি মাসের ১ ও ১৬ তারিখ ইমেইলে অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে।

সরকারি কলেজগুলো অনলাইন ক্লাসের তথ্য ddgovtcollege1@gmail.com এবং বেসরকারি ও সদ্য সরকারি কত কলেজগুলোর অনলাইন ক্লাসের তথ্য ahowlader525@gmail.com ঠিকানায় পাঠাতে বলা হয়েছে আঞ্চলিক পরিচালকদের।

গত এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সব কলেজকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্নাতক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের অনলাইনে ক্লাস নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। কিন্তু সে নির্দেশনা মানেনি অনেক কলেজ। তাই সব কলেজের শিক্ষার্থীদের অনলাইনে ক্লাস করা নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে বলে সম্প্রতি জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।

অধিদপ্তর বলছে, নির্দেশনা দেয়ার পরেও অনলাইনে ক্লাস শুরু না করা প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন বিরোধী। তাই সব কলেজকে আবারও অনলাইনে ক্লাস নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। আর ক্লাসগুলো নির্ধারিত জিমেইল আইডিতে আপলোড করতে বলা হয়েছে। নির্বাচিত ক্লাসগুলো শিক্ষা অধিদপ্তরের ইউটিউব চ্যানেলে প্রচারের করা হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

‘নির্দেশনার পরেও অনলাইনে ক্লাস শুরু না করা প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন অমান্য করার শামিল’

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৯ জুন:
দেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে গত ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং কোচিং বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় সংসদ টিভিতে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের ক্লাস চলছে। গত এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সব কলেজকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্নাতক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের অনলাইনে ক্লাস নেয়ার নির্দেশ দিয়েছিল মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। কিন্তু সে নির্দেশনা মানেনি অনেক কলেজ। তাই সব কলেজের শিক্ষার্থীদের অনলাইনে ক্লাস করা নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।

অধিদপ্তর বলছে, নির্দেশনা দেয়ার পরেও অনলাইনে ক্লাস শুরু না করা প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন বিরোধী। তাই সব কলেজকে আবারও অনলাইনে ক্লাস নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। আর ক্লাসগুলো নির্ধারিত জিমেইল আইডিতে আপলোড করতে বলা হয়েছে। নির্বাচিত ক্লাসগুলো শিক্ষা অধিদপ্তরের ইউটিউব চ্যানেলে প্রচারের করা হবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে এসব তথ্য জানিয়ে সব সরকারি কলেজে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে অনলাইনে ক্লাস গ্রহণের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়েছিল। কিন্তু অনেক কলেজ আজও তা অনুসরণ করেনি। যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন বিরোধী। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের অনলাইনে ক্লাস নেয়ার উদ্যোগী ভূমিকা গ্রহণ একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। ফলে শিক্ষার্থীরা যাতে ক্ষতিগ্রস্থ না হয় সেজন্য প্রচলিত কারিকুলাম ও সিলেবাস অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট বিষয়ের অনলাইনে ক্লাস গ্রহণের জন্য পুনরায় আহ্বান জানানো হলো।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, অনলাইনে নেয়া ক্লাসগুলো প্রতিষ্ঠান প্রধানরা যচাই বাছাই করে (ddgovcollege1@gmail.com) আইডিতে আপলোড করবেন। আপলোড করা ক্লাসগুলো মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করবে। এতে করে দেশের সকল প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে। প্রতিষ্ঠান প্রধানরা অনলাইনে ক্লাস গ্রহণকারী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিভাগীয় প্রধান ও বিভাগের শিক্ষকদের সহযোগিতা করবেন।

অনলাইনে ক্লাস নেয়ার জন্য কয়েকটি নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে কলেজগুলোকে। সেগুলো হলো, কোনো প্রকার ধর্মীয় উস্কানিমূলক, সাম্প্রদায়িক মনোভাবাপন্ন সংলাপ, ছবি বা কনটেন্ট ব্যবহার করা যাবে না। মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা বিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড প্রচারণা, উপস্থাপন করা যাবে না। সরকার ও দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বিরোধী কোনো বক্তব্য, সংলাপ, সংলাপ, ছবি, কনটেন্টে ব্যবহার করা যাবে না।

এসব নির্দেশনা অনুসরণ না করা হলে প্রতিষ্ঠান প্রধান এবং অনলাইনে ক্লাস নেয়া শিক্ষকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও বলা হয়েছে চিঠিতে। একই সাথে আমি বেশ কয়েকটি সরকারি কলেজকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের ২৪টি ক্লাস তৈরি করে আপলোড দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

নতুন স্কুল-কলেজের ৫ হাজার শিক্ষক এমপিওভুক্ত হচ্ছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৮ জুন:

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আরো প্রায় ৫ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্ত হয়েছেন।এর মধ্যে স্কুলের ৩ হাজার ১৯৯ জন এবং কলেজ শাখার এক হাজার ৭২১ জন শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আয়োজিত মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এমপিও কমিটির সভায় এসব শিক্ষক-কর্মচারীকে এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

নতুন এমপিওভুক্ত হওয়া স্কুলের ৩ হাজার ১৯৯ জন শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে বরিশাল অঞ্চলের ৮৬ জন, চট্টগ্রাম অঞ্চলের ২১৮ জন, কুমিল্লা অঞ্চলের ১৪০ জন, ঢাকা অঞ্চলের ৫৫৩ জন, খুলনা ৬৬৮ অঞ্চলের জন, ময়মনসিংহ অঞ্চলের ৬১০ জন, রাজশাহী অঞ্চলের ৩৭৯ জন, রংপুর অঞ্চলের ৩১৩ জন এবং সিলেট অঞ্চলের ৯২ জন শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন।

কলেজ শাখার নতুন এমপিও পাওয়া এক হাজার ৭২১ জন শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে বরিশাল অঞ্চলের ১৪৪ জন, চট্টগ্রাম অঞ্চলের ৭৫ জন, কুমিল্লা অঞ্চলের ২৯ জন, ঢাকা অঞ্চলের ১৯১ জন, খুলনা অঞ্চলের ৪১৫ জন, ময়মনসিংহ অঞ্চলের ১০৫ জন, রাজশাহী অঞ্চলের ৩২০ জন, রংপুর অঞ্চলের ৩৭০ জন এবং সিলেট অঞ্চলের ৭২ জন শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

স্নাতকে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের তথ্য পাঠাতে হবে ২১ জুনের মধ্যে

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৭ জুন, ২০২০
২০১৯-২০ অর্থবছরে থেকে সব ধরনের বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের টাকা জিটুপি পদ্ধতিতে অনলাইনে ইএফটির মাধ্যমে সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। তাই, কলেজগুলোকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক পাস ও স্নাতক সম্মান পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের তথ্য পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। আগামী ২১ জুনের মধ্যে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য পাঠাতে হবে। এ সময় শিক্ষার্থীদের তথ্য পূরণ করে তালিকা শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাতে বলা হয়েছে প্রতিষ্ঠানগুলোকে।
আরো পড়ুন
মোবাইল অ্যাকাউন্টে পড়ে থাকা উপবৃত্তির টাকা তুলতে হবে ২৫ জুনের মধ্যে
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে বিষয়টি জানিয়ে চিঠি সব সরকারি বেসরকারি কলেজে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, নির্ধারিত লিংকে প্রবেশ করে 2019-20 অর্থবছরের স্নাতক পাস ও স্নাতক সম্মান পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের তালিকায় তথ্য পূরণ করতে হবে। এসব প্রিন্ট করা সংশোধিত তালিকা প্রতিষ্ঠান প্রধান বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার স্বাক্ষর ও সিল নিয়ে তার সফটকপি ইমেইলে (dshe.stipend.fl@gmail.com) পাঠাতে হবে প্রতিষ্ঠানগুলোকে।

নির্দেশনায় বলা হয়, প্রতিষ্ঠান প্রধানের পাঠানো তালিকা অনুসারে বৃত্তির টাকা পাঠানোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। তাই, ভুল বা ত্রুটিপূর্ণ তথ্যের জন্য কোনো শিক্ষার্থী বৃত্তির টাকা পেতে দেরি হলে প্রতিষ্ঠান প্রধান দায়ী থাকবেন। এছাড়া পাঠ বিরতিতে থাকা শিক্ষার্থীদের তালিকা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো যাবে না। স্বাক্ষর ও সিল ছাড়া তালিকা পাঠানো হলে তা বাতিল বলে গণ্য করা হবে।

এছাড়া কারিগরি সহায়তার জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের টেকনিক্যাল টিম এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের এসপিএফএমএসপি প্রকল্পের টেকনিক্যাল টিমের সাথে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

উচ্চ মাধ্যমিকে ক্লাসের সময় বাড়ছে ১৫ মিনিট, ভর্তি শুরু জুলাইয়ে

ডেস্ক,১৫ জুন ২০২০:

প্রায় দুই সপ্তাহ আগে প্রকাশ হয়েছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল। কিন্তু করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে এখনও উচ্চ মাধ্যমিকের ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়নি। কবে থেকে এ কার্যক্রম শুরু হবে তাও অনিশ্চিত। তবে উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে নানা উদ্যোগ নিচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তাদের ক্লাসের সময়সূচি বৃদ্ধি ও বাড়তি ক্লাস করার মতো কিছু পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

জানা গেছে, একাদশের ভর্তি কার্যক্রম শুরু করতে গত ১৭ মে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠায় আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড। সেখানে গত ৭ জুন থেকে এ কার্যক্রম শুরুর প্রস্তাব দেওয়া হয়। অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রম শেষ করার জন্য এক মাস ২০ দিনে তিন ধাপের কথা তাতে উল্লেখ করা হয়। কিন্তু শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার কথা চিন্তা করে ভর্তি কার্যক্রম শুরুর অনুমোদন দেয়নি মন্ত্রণালয়।

তবে মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে জুলাইয়ের মাঝামাঝি অনলাইনে উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরুর অনুমোদন দেওয়া হতে পারে। আর সেপ্টেম্বর মাস থেকে ক্লাস শুরুর আশা করছেন তারা। তবে তা বিলম্ব হলে একাদশের ক্লাসের সময় এবং বন্ধের দিনগুলোয় বাড়তি ক্লাস করে সে ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া হবে।

এ বিষয়ে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় কমিটির কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক হারুন-অর রশিদ বলেন, করোনার কারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ভর্তির কার্যক্রম শুরুর অনুমোদন দেয়নি। গত ৭ জুন থেকে ভর্তি আবেদন শুরুর প্রস্তাব পাঠানো হলেও পরিস্থিতি বিবেচনায় সে কার্যক্রম শুরু করা যায়নি।

কলেজ পরিদর্শক বলেন, উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি ও ক্লাস শুরু হতে বিলম্ব হলেও এ ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া হবে। সেক্ষেত্রে আগে ক্লাসের সময় ৪৫ মিনিট থাকলেও এক ঘণ্টা করা হবে। আর সপ্তাহিক বন্ধ ও ছুটির দিনগুলোয় অতিরিক্ত ক্লাস নিয়ে একাদশ ও দ্বাদশের সিলেবাস শেষ করা হবে। ফলে সেশনজট হবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

গত ৩১ মে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফল প্রকাশ করা হয়, পাসের হার ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন এক লাখ ৩৫ হাজার ৮৯৮ জন। এবার দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ পাওয়ায় ভালো কলেজে ভর্তি নিয়ে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা যাচ্ছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে।

জানা গেছে, দেশে সরকারি-বেসরকারি প্রায় সাড়ে আট হাজার কলেজে আসন রয়েছে প্রায় ২০ লাখ। এর মধ্যে ভালো হিসেবে বিবেচিত ২০০ কলেজে আসন সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটির মেয়াদ আরও বাড়ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৪জুন:

দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাধারণ ছুটির মেয়ার আরও বাড়ানো হচ্ছে। করোনা সংক্রমণের পরিস্থিতি উন্নত না হওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সরকার। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চলমান ছুটি ১৫ জুন শেষ হচ্ছে। তবে এই ছুটির মেয়াদ আরও বাড়িয়ে আজ-কালকের মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করবে বলে জানা গেছে। এরপর শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ছুটি বাড়ানোর নির্দেশনা দেয়া হবে।

গত ১৭ মার্চ থেকে করোনাভাইরাসের কারণে প্রাক্-প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাধারণ ছুটি চলছে। আবারও ছুটির মেয়াদ বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারির বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের মো. সচিব মো মাহবুব হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, স্কুল-কলেজের ছুটির মেয়াদ বাড়ানো হবে কি হবে না, হলে কতদিন তা নির্ভর করছে জনপ্রশাসন থেকে সাধারণ ছুটির বিষয়ে আদেশ পাওয়ার ওপর। আজ রোববার স্কুল-কলেজের ছুটির বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হতে পারে।

আরো পড়ুননাসিমকে নিয়ে কটূক্তি, সেই শিক্ষিকা গ্রেপ্তার

এদিকে স্কুল খোলার বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ শনিবার গণমাধ্যমকে বলেন, শিক্ষার্থীদের করোনা ভাইরাস থেকে সুরক্ষিত রাখাই এখন আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। তবে তাদের পাঠদান চালিয়ে যেতে হবে। যেহেতু এই মুহূর্তে ভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির কোন উল্লেখযোগ্য উন্নতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে না, তাই সঙ্গত কারণেই বলা যায় ১৫ জুনের পরও স্কুল খোলা হচ্ছে না।

ছুটি কতদিন বাড়তে পারে এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, তবে এ বিষয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে নির্দেশনা পাওয়ার পর স্কুলে ছুটির বৃদ্ধির বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করে আদেশ জারি করা হবে।

করেনা সংকটের সময় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে জোর দিচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর আগে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, যখনই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে তখনই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে। শিক্ষার্থীদের আমরা বিপদের মুখে ঠেলে দিতে পারি না। শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার বিষয়েটি সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষা কার্যক্রম একেবারে বন্ধ সেটাও বলা যাবে না। সংসদ টিভি এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনলাইনের মাধ্যমে শিক্ষাকার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সেখানেও ছাত্র-ছাত্রীরা অনেক লাভবান হচ্ছে।

গত ৩১ মে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের দিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কবে নাগাদ খুলতে পারে- এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে বন্ধ থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ধাপে ধাপে খুলে দেয়া হবে। তখন তিনি আরও বলেছেন, এই মুহূর্তে আমরা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান উন্মুক্ত করতে চাচ্ছি না। কেননা আমরা চাই না- আমাদের ছেলে-মেয়েরা করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হোক। তারা আমাদের ভবিষ্যৎ। তাদেরকে আমরা ঝুঁকিতে ফেলতে পারি না। সেজন্য এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান উন্মুক্ত করব না। তবে করোনা পরিস্থিতি যদি কাটিয়ে উঠতে পারি তাহলে যতটুকু সম্ভব খুলে দেব। পরে অবস্থা বুঝে আরও উন্মুক্ত করব।

এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের বাড়িতে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার আহবান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীরা এখন বাড়িতে পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছেন। তারা সেই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে অনেক কিছু শিখতে পারছেন। আশা করি, তারা বাড়িতে বসে মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করবে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত এপ্রিলের শেষ নাগাদ এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, বর্তমান করোনা পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বন্ধ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত থাকবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতিপূর্বে সেপ্টেম্বরের আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে না দেওয়ার ব্যাপারে ইঙ্গিত দিয়েছেন। সেটাকেই তারা যথাযথ দিকনির্দেশনা বলে মনে করছেন। তাই প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম বিদ্যমান অবস্থায় রাখা এবং ছাত্রছাত্রীদের বাসায় রেখে লেখাপড়ার ব্যবস্থা বা বিকল্প পাঠদানের চিন্তা চলছে।

১৬ মার্চ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কোচিং সেন্টার ৭ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছিল সরকার। এরপর ১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষাও স্থগিত করা হয়। দেশে সর্বশেষ সাধারণ ছুটি বহাল ছিল ৩০ মে পর্যন্ত। এরপর ৩১ মে থেকে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিসগুলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিজ ব্যবস্থাপনায় সীমিত আকারে চালু হয়। তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি আরো ১৫ দিন বাড়ানো হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

যোগ্য প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক |

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, এমপিওভুক্তি একটি চলমান প্রক্রিয়া। প্রতিবছরই যোগ্য প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়ে যাবে। আগামী অর্থবছরেও যোগ্য প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হবে। নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি নিয়ে শিক্ষকরা কোনো অসন্তোষ কিংবা হতাশা প্রকাশ করতে ‘না’ করেছেন তিনি।

২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে দেয়া অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতায় শিক্ষাখাতের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির বিষয়ে কোনো কিছু না বলায় বেসরকারি শিক্ষকরা অসন্তোষ ও হতাশা প্রকাশ করে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষাবাজেট নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।

ডা. দীপুমনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রসঙ্গ টেনে এনে বলেন, শেখ হাসিনার সরকার সবসময় প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে। ১০ বছর পর চলতি অর্থবছরে দুই ৭৩০টি নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে যারা যোগ্য তাদের বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানই এমপিও পেয়ে গেছে।

বাজেট বক্তৃতায় এমপিওভুক্তির বিষয়টি উল্লেখ না থাকার ফলে যারা আশঙ্খা প্রকাশ করেছেন তাদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেছেন, এমপিওভুক্তি নিয়ে এখন কারো আশঙ্খা প্রকাশ করার দরকার কিংবা প্রয়োজনই নেই। কারণ, এমপিওভুক্তি এখন একটি চলমান প্রক্রিয়া। এমপিওভুক্ত হওয়ার জন্য যারা যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন প্রতিবছরই আমরা তাদেরকে এমপিওভুক্ত করার চেষ্টা করব।

বাজেট বক্তৃতায় এমপিওভুক্তির বিষয়টি না থাকার ব্যাখা দিয়ে তিনি বলেন, কোভিড-১৯ এর কারণে এবার অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী। এজন্য অনেক বিষয় বাজেট বক্তৃতায় স্থান পায়নি। পরিস্থিতি যদি স্বাভাবিকও থাকত এবং এমপিওভুক্তির বিষয়টি উল্লেখ না হত তাতেও কোনো সমস্যা হত না। কারণ এমপিওভুক্তি এখন থেকে চলমান থাকবে।
বাজেটে শিক্ষাখাতে যে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে তাতে আপনি সন্তুষ্ট কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যে বাজেট দেয়া হয়েছে সেটি নিয়ে অনেকে অনেক রকম কথা বলবেন। কেউ বলবেন ভালো হয়েছে। কেউ বলবেন ভালো হয়নি। আমি কিন্তু সেদিকে যাব না। সেই বিষয় নিয়ে কোনো চিন্তাও করব না। আমাদের চিন্তা অন্য জায়গায়। সেই চিন্তার কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, যে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে সেটি নিয়ে যেন আমরা সচেতন থাকতে পারি। সক্রিয় থাকতে পারি। বাজেটে যে টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে সেটি সর্বোত্তম ব্যবহার যেন করতে পারি। টাকা খরচের বেলায় যেন স্বচ্চতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পারি।

তিনি বলেন, বাজেটের বরাদ্দ নিয়ে আমরা কথা বলছি এবং ভবিষ্যতেও বলব। তারমতে, শিক্ষার চেয়েও অন্যখাতে বরাদ্দ বেশি হলেও কোনো সমস্যা নেই। কারণ সবইতো কোনো না কোনোভাবে শিক্ষাখাতে এসে বর্তায়। কিভাবে বর্তায়-জানতে চাইলে তিনি বলেন, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন হচ্ছে, বড় বড় অবকাঠামো নির্মাণ হচ্ছে, তথ্যপ্রযুক্তির বিপ্লব ঘটছে- সব কিছু কি শিক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়? এসব খাতের উন্নয়নে কি শিক্ষার ভূমিকা নেই? কাজেই শিক্ষায় বাজেট নিয়ে আমার অখুশি হওয়ার কোনো কারণ নেই। আমার একটাই চিন্তা বাজেটে আমরা যা পেয়েছি তার সর্বোত্তম ব্যবহার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।

সূত্র: ভোরের কাগজ।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির খসড়া তালিকা প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৮ জুন, ২০২০
বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের প্রভাষক পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির লক্ষ্যে বিষয়ভিত্তিক খসড়া তালিকা প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। সোমবার (৮ জুন) এ তালিকা প্রকাশ করা হয়। সংশোধিত খসড়া তালিকায় বিভিন্ন বিষয়ের ২ হাজার ৫০৮ জন প্রভাষকের নাম রয়েছে।

অধিদপ্তরের তালিকায় যেসব প্রভাষকের নামের পাশে এসিআর নেই বলে মন্তব্য রয়েছে, তাদের ৩০ জুনের মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে রেজিস্টার্ড ডাকযোগে এসিআর জমা দিতে বলা হয়েছে।

এছাড়া কোন কর্মকর্তার নাম না থাকলে বা বর্তমান কর্মস্থল, নিয়োগ যোগদানের তারিখ, স্থায়ীকরণ, আত্তীকরণ, নিয়মিতকরণের তারিখ, জন্ম তারিখ এবং জ্যেষ্ঠতার সংক্রান্ত কোনো আপত্তি বা খসড়া তালিকায় অন্য কোনো ভুল থাকলে সে সংক্রান্ত তথ্য এবং ভুল প্রমাণের কাগজপত্র আগামী ৩০ জুনের মধ্যে রেজিস্টার্ড ডাকযোগে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে জমা দিতে বলা হয়েছে।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণের এই পরিস্থিতিতে নিজে বা বাহক মারফত এশিয়ার বা তথ্য সংশোধনের আবেদন না পাঠাতে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের অনুরোধ করেছে মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

নন-এমপিও শিক্ষকদের জন্য ১২৬ কোটি টাকা চায় মন্ত্রণালয়

ডেস্ক,২৯ মে:
করোনার প্রভাবে অসহায় জীবনযাপন করা নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের এককালীন অনুদান দিতে ১২৬ কোটি টাকা চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সায় পেলে অর্থ বিভাগের অনুমতি চাইবে মন্ত্রণালয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

স্কুল ও কলেজের জন্য আলাদা আলাদা থেকে বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবে। এ ছাড়া কলেজ পর্যায়ে শিক্ষকদের জন্য আট হাজার অথবা পাঁচ হাজার কর্মচারীদের জন্য চার হাজার অথবা আড়াই হাজার টাকা করে দুটি বিকল্প রেখে প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রথম প্রস্তাবে স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে শিক্ষকদের জন্য এককালীন আট হাজার এবং কর্মচারীদের জন্য চার হাজার টাকা চাওয়া হয়েছে। এতে কলেজ পর্যায়ে ৮৪ হাজার ৮১৮ জন শিক্ষককের জন্য প্রায় ৩৯ কোটি ৫৪ লাখ ৪ হাজার টাকা এবং ৩৪ হাজার ৭৬২ জন কর্মচারীর জন্য প্রয়োজন ১৩ কোটি ৯০ লাখ ৮ হাজার টাকা। স্কুল পর্যায়ে ৬৬ হাজার ৫০৭ জন শিক্ষকের জন্য প্রয়োজন ৫৩ কোটি ২০ লাখ ৫৬ হাজার টাকা এবং ৫০ হাজার ৪৫৫ জন কর্মচারীদের জন্য প্রয়োজন ২০ কোটি ১৮ লাখ ২০ হাজার টাকা। প্রথম প্রস্তাবে মোট টাকা প্রয়োজন হবে ১২৬ কোটি ৩৪ লাখ ৬৮ হাজার টাকা।

দ্বিতীয় প্রস্তাবে স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে শিক্ষকদের জন্য এককালীন পাঁচ হাজার এবং কর্মচারীদের জন্য দুই হাজার ৫০০ টাকা চাওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় প্রস্তাবে ৭৮ কোটি ৯৬ লাখ ৬৭ হাজার ৫০০ টাকার প্রয়োজন হবে।

জানা গেছে, প্রস্তাব দুটি মধ্যে প্রধানমন্ত্রী যেটার অনুমোদন দেবেন সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের জন্য অর্থ বিভাগকে অনুরোধ করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

করোনার প্রভাবে অসহায় জীবনযাপন করা নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীরা শিক্ষার্থীদের টিউশন ফিসহ অন্যান্য খাত থেকে অর্থ আদায় করতে না পারায় অনেক শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন বন্ধ রয়েছে। এমনকি ঈদের বোনাসও হয় নি তাদের।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter