এক্সক্লুাসিভ খবর

সংসদ সদস্য হলে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নেবেন মাশরাফি!

এল আর বাদল : বয়স হয়ে গেছে ৩৫। ক্রিকেট মাঠে আর কতাে। তার উপর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে খেলার মাঠ আর সংসদ অধিবেশন, এই দুটাে তাে এক সঙ্গে চালানাে যাবে না।। তাই ২০১৯ বিশ্বকাপ হতে পারে মাশরাফির শেষ আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট। শুধু এখানেই শেষ নয়, সংসদ সদস্য হলে ঘরােয়া ক্রিকেটও ছেড়ে দেবেন। এক কথায় সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসরে যাবেন মাশরাফি। এর আগে নিজ দূর্গে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ব্যতীত কারো সঙ্গে বাংলাদেশের খেলা নেই। ফলে ঘরের মাঠে এটিই তার শেষ সিরিজ?

রােববার মিরপুর স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে শুরু হতে যাওয়া সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ সংক্রান্ত আজ এক সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করা হলো মাশরাফি বিন মুর্তজাকে। জবাবে তিনি বললেন, আগে নির্বাচিত হই, তারপরে ভাববাে সব কিছু। ভবিষ্যতের কথা আগে বলা যায় না। ঘরের মাঠে শেষ সিরিজ কিনা জানি না। তবে খেলার মধ্যে থাকতে চাই। পাশাপাশি জনহিতকর কাজও করে যেতে চাই। ভবিষ্যত বলবে আমি কী করতে যাবাে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ছবিতে কী দেখছেন? উত্তরেই বোঝা যাবে মনের অবস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদন: মহিলা না পুরুষ: পুরুষের মুখ দেখতে পেলে আপনি ভীষণ রোম্যান্টিক, এবং নিজের পার্টনারকে ভীষণই ভালবাসেন। আর মহিলার মুখের অর্থ জীবনের প্রতি ভীষণই পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গি আপনার।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

লিটন দাসের আউটের জেরে কোহলির ওয়েবসাইট হ্যাকড!

ক্রীড়া ডেস্ক,৪ অক্টোবর: এশিয়া কাপ ক্রিকেটের ফাইনালের স্মৃতি এখনো ভুলতে পারছেন না বাংলাদেশি ক্রিকেট সমর্থকরা। শেষ বলে হারা ওই ম্যাচে লিটন দাসকে দেয়া থার্ড আম্পায়ারের আউট মেনে নিতে পারেননি অনেকে। এবার সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ জানাতে বিরাট কোহলির অফিশিয়াল সাইট ‘হ্যাক’ করেছে ‘সিএসআই’ নামে বাংলাদেশের একটি গ্রুপ। এমন খবরই জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম।

টানা ক্রিকেটের ধকল সামলাতে এশিয়া কাপের সময়টায় বিশ্রামে ছিলেন, তাই মাঠে থাকা হয়নি অবশ্য কোহলির। তবে তার ওয়েবসাইটকেই শিকার হতে হলো হ্যাকিংয়ের।

হ্যাকার গোষ্ঠীর এমন কাণ্ডের বিষয়ে খবর প্রচার করেছে স্বয়ং ভারতীয় সংবাদমাধ্যম। সেই খবর অনুযায়ী, সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স (সিএসআই) নামের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে রেখেছে। সেখানে বিভিন্ন ধরনের বার্তা দিয়ে প্রকাশ করছে আইসিসির প্রতি নিজেদের ক্ষোভ আর হতাশা।

ওয়েবসাইটে দেখা গিয়েছে গ্যালারি বিভাগে লিটন দাসের আউট হওয়ার কিছু ছবি এবং কিছু বার্তা। তাদের দাবি এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ভারতের প্রতি পক্ষপাতিত্ব করেছিলেন আম্পায়াররা। কোহলির ওয়েবসাইটের নিয়ন্ত্রণ রেখে সেখানে হ্যাকাররা লিখে দেন, ‘প্রিয় আইসিসি, ক্রিকেট তো ভদ্রলোকের খেলা? সব দলেরই কি সমান অধিকার থাকা উচিত নয়? দয়া করে ব্যাখ্যা করো, এটা কীভাবে আউট?’

আইসিসি তাদের ‘দোষ’ এর কারণে ক্ষমা না চাইলে এমন কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়ে হ্যাকাররা উল্লেখ করেন, ‘তোমরা যদি বিশ্বের সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা না চাও এবং আম্পায়ারদের শাস্তি না দাও, তাহলে যতবার সাইট পুনরুদ্ধার করবে ততবারই হ্যাক করা হবে। ভারতীয় ভাই-বোনদের বলছি, তোমাদের অসম্মান করছি না। অনুগ্রহ করে একটু ভেবে দেখ, তোমাদের দলের সঙ্গে এমন অবিচার হলে কেমন লাগত? ম্যাচে প্রতিটি দলকে সমান চোখে দেখা উচিত। আমরা এর শেষ দেখে ছাড়ব।’

নিজেদেরকে বাংলাদেশের হ্যাকার গোষ্ঠী হিসেবে দাবি করেছে সিএসআই। তাদের ফেইসবুক পাতাতে এ নিয়ে লিখেছে, “আমরা সবাই জানি, ক্রিকেট হলো জেন্টেলম্যানদের খেলা! কিন্তু বাংলাদেশ প্রতিবার এমনভাবে পক্ষপাতীত্ত্ব করার জন্য ব্যর্থ হয়! যার প্রতিবাদ হিসেবে ভিরাট কোহলির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট হ্যাক করা হল এবং সামনে আরও অনেক কিছু হবে

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

গত ৫টি ম্যাচে দুটি সেঞ্চুরি, দুটি হাফ সেঞ্চুরি ইনজামামের ভাতিজার

স্পোর্টস ডেস্ক: অনেকে এখন বলেন পাকিস্তানের দল নির্বাচনে ইনজামাম উল হকের পক্ষপাতিত্ব রয়েছে। তার আপন ভাতিজাকে জাতীয় দলে নেয়ায় এই সমালোচনা দেশি-বিদেশি সব মিডিয়ায়।

ইমাম দলে ডাক পেয়ে এই সমালোচনায় হতবাক না হয়ে পারেন নি। কেউ বাহবা দিলেও খোদ পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটারদের অনেকে ভালো নজরে দেখেননি এটাকে। তবে জবাব দিতে মোটেই দেড়ি করেননি তিনি।

অভিষেকের প্রথম ম্যাচেই হাকান সেঞ্চুরি। এর পরেও যেন কেমন কেমন রব। এশিয়াকাপে ভারতের বিপক্ষে মাত্র ২ রান করেন ইমাম। এর আগে হংকংয়ের বিপক্ষে তিনি হাফ সেঞ্চুরি করেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

হোলি আর্টিজানে হামলা নিয়ে এক প্রতিবেশীর বর্ণনা

ডেস্ক,৩০জুন: প্রতিদিন রাতের আহারে ভাত নয়, পাউরুটি পছন্দ করেন তিনি। এর সঙ্গে খানিকটা পনির। পাউরুটি একটু টাটকা চাই। সে জন্য রাতের বেলাতেই এটি কিনে থাকেন সাখাওয়াত খান। টাটকা, নরম ও খেতে সুস্বাদু হওয়ায় পাউরুটির জন্য বাড়ির পাশের এক বেকারি ছিল তাঁর পছন্দের। ‘ছিল’ শব্দটিই তিনি উচ্চারণ করেছেন, কারণ ওই বেকারির সঙ্গেই জড়িয়ে আছে এক ভয়াবহ ঘটনা। সেই ভয়াবহতা তাঁকে এতটাই গ্রাস করেছে যে পছন্দের বেকারি থেকেই তিনি ছিটকে পড়েছেন। এখনো ওই সড়কের পাশ দিয়ে যেতেও আতঙ্কে শিউরে ওঠেন তিনি।

ভয়ংকর সেই রাত

নিজের ব্যবসার পাশাপাশি সাংবাদিকতাও করে থাকেন সাখাওয়াত খান। রাজধানী ঢাকার গুলশান ২ নম্বরের ৭৮ নম্বর সড়কের ১ নম্বরের একটি বহুতল বাড়ির ফ্ল্যাটে স্ত্রী ও একমাত্র ছেলেকে নিয়ে বসবাস করেন তিনি। বাড়ির সামনে দাঁড়িয়েই কথা হচ্ছিল তাঁর সঙ্গে। হাত দিয়ে দেখালেন পাশের সড়কেই ছিল সেই বেকারি স্প্যানিশ রেস্তোরাঁ ‘হোলি আর্টিজান বেকারি’। নামটি উচ্চারণ করেই কয়েক মুহূর্ত চুপ করে রইলেন সাখাওয়াত খান। মনে হলো যেন এক ঝটকায় হুড়মুড় করে অনেক কিছুই তাঁর চোখের সামনে এসে হাজির হয়েছে। থেমে থেমে বললেন, ‘আমি এখন সেখানে যাই না।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বিশ্ব স্যাটেলাইট ক্লাবে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

ডেস্ক: বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ আজ প্রবেশ করতে যাচ্ছে গৌরবময় বিশ্ব স্যাটেলাইট ক্লাবে। বাংলাদেশের স্থানীয় সময় আজ বৃহস্পতিবার (১০ মে) রাত ২টা থেকে ভোর ৫টার মধ্যে যে কোনো সময় মহাকাশের পথে যাত্রা শুরু করবে স্বপ্নের বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট। তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দেশের এগিয়ে যাওয়ার পথে যুক্ত হবে নতুন এক অধ্যায়ের।

বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের উৎক্ষেপণ উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের সানসাইন স্টেট ফ্লোরিডার বিনোদন শহর হিসেবে পরিচিত অরল্যান্ডো বাংলাদেশিদের পদচারণায় উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে। আনন্দের বন্যা বইছে এখানকার বাংলাদেশিদের ঘরে ঘরে।

নিউইয়র্ক, নিউজার্সি, কানেকটিকাট, ম্যাসাচুসেটস, জর্জিয়াসহ বিভিন্ন রাজ্য থেকে শত শত বাংলাদেশি এখন অরল্যান্ডোমুখী। তারা সাক্ষী হতে চান সেই ইতিহাসের, যা তাদের কাছে ছিল শুধুই স্বপ্নের মতো।

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় স্পেসএক্সের লঞ্চিং (উদ্বোধন) স্টেশন থেকে উৎক্ষেপণ যান ফ্যালকন-৯ রওনা হওয়ার কথা আজ বৃহস্পতিবার (১০ মে) স্থানীয় সময় দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাত ২টা থেকে ভোর ৫টার মধ্যে। বাংলাদেশ টেলিভিশন ফ্লোরিডা থেকে এই উৎক্ষেপণ অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করবে।

এর আগে পাঁচ দফা উৎক্ষেপণের তারিখ পরিবর্তন করলেও গতকাল বুধবার রাতে উৎক্ষেপণের সর্বশেষ তারিখ ও সময় বহাল রয়েছে। স্পেসএক্সের টুইটার পেজে সর্বশেষ বার্তায় বলা হয়েছে, ১০ মে ফ্যালকন-৯ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নিয়ে লঞ্চিং প্যাড ৩৯এ থেকে যাত্রা শুরু করবে।

ফ্লোরিডায় স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ প্রত্যক্ষ করতে স্পেসএক্সের লঞ্চিং স্টেশনে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। তার সঙ্গে থাকবেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইমরান আহমেদ, বিটিআরসির চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদারসহ বাংলাদেশ থেকে যাওয়া ৪২ সদস্যের প্রতিনিধি দল।

তবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ উদযাপনে ঢাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানের তারিখ গতকাল বুধবার পর্যন্ত চূড়ান্ত হয়নি। সূত্র জানায়, ১০ মে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ হলে ১৩ অথবা ১৪ মে ঢাকাসহ সারাদেশে উদযাপন অনুষ্ঠান হতে পারে। তবে তারিখ চূড়ান্ত হবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্মতি সাপেক্ষে। প্রধানমন্ত্রী এই আয়োজনের উদ্বোধন করবেন।

দীর্ঘ পথপরিক্রমা :২০০৮ সালে এ প্রকল্পের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। দু’বছর পর ২০১০ সালে প্রকল্পের জন্য পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়। পরে ২০১৩ সালের ৩১ মার্চ পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের স্পেস পার্টনারশিপ ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ২০১৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর প্রকল্পটি একনেকের অনুমোদন পায়। এ সময় প্রকল্পটির সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয় দুই হাজার ৯৬৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে এক হাজার ৩১৫ কোটি টাকা রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে এবং বাকি টাকা সংশ্নিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পরিশোধ করবে। তবে প্রকল্প শেষে প্রকল্প ব্যয় কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় দুই হাজার ৭০০ কোটি টাকা।

২০১৫ সালের ১৫ জানুয়ারি রাশিয়ার প্রতিষ্ঠান ইন্টার স্পুটনিকের কাছ থেকে কক্ষপথ ভাড়া নিতে চুক্তি স্বাক্ষর করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। চুক্তি অনুযায়ী ১১৯ দশমিক ১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে বাংলাদেশ কক্ষপথ বরাদ্দ পায়। যদিও আন্তর্জাতিক টেলিকম ইউনিয়নের বরাদ্দ অনুযায়ী বাংলাদেশের ১০২ ডিগ্রি পূর্ব পাওয়ার কথা। কিন্তু ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়াসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের আপত্তির কারণে সেটি পায়নি বাংলাদেশ। পরবর্তী সময়ে ৬৯ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে কক্ষপথ বরাদ্দ চাইলে আপত্তি দেয় মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর। পরে ১১৯ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশই বাংলাদেশের জন্য চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হয়। ইন্টার স্পুটনিকের কাছ থেকে কক্ষপথ বরাদ্দ নিতে খরচ হয় দুই কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার বা প্রায় ২২৪ কোটি টাকা।

এর পরই শুরু হয় ‘কমিউনিকেশন এবং ব্রডকাস্টিং’ ক্যাটাগরিতে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের জন্য মূল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়োগের প্রক্রিয়া। এ-সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক দরপত্রে অংশ নেয় ফ্রান্সের থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস, চীনের গ্রেট ওয়াল করপোরেশন, কানাডার এমডিএ এবং যুক্তরাষ্ট্রের অরবিটাল কেটিএ। দরপত্রে সর্বনিম্ন দরদাতা হয় কানাডার এমডিএ। তবে সার্বিক কারিগরি মূল্যায়নে চূড়ান্ত করা হয় ফ্রান্সের থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেসকে।

একই সময়ে ফ্রান্সের থ্যালেস বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণে চুক্তি করে ফ্রান্সেরই আরেকটি প্রতিষ্ঠান অ্যারিয়েন স্পেসের সঙ্গে। কিন্তু ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে এরিয়েন স্পেস বাংলাদেশকে জানিয়ে দেয়, তাদের পক্ষে বাংলাদেশের এ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ সম্ভব হচ্ছে না। এর কারণ হিসেবে তারা জানায়, এরিয়েন স্পেস দোতলা লঞ্চিং স্টেশন থেকে একসঙ্গে দুটি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করে থাকে। এ ক্ষেত্রে নিচতলায় কম ওজনের স্যাটেলাইট এবং দোতলায় বেশি ওজনের স্যাটেলাইট রাখা হয়। বাংলাদেশের স্যাটেলাইট কম ওজনের হওয়ার কারণে সেটি নিচতলায় রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু পূর্বনির্ধারিত সময়ের মধ্যে উপরতলার জন্য বেশি ওজনের আর একটি স্যাটেলাইট পাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে এরিয়েন স্পেস এককভাবে শুধু বাংলাদেশের স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করবে না বলে জানিয়ে দেয়। ফলে উৎক্ষেপণের জন্য নতুন কোম্পানি খুঁজতে হয় বাংলাদেশকে।

পরে ২০১৬ সালের ৭ অক্টোবর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণে যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি মহাকাশ অনুসন্ধান ও প্রযুক্তি কোম্পানি স্পেসএক্সের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এ জন্য ব্যয় ধরা হয় প্রায় ৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৪৮০ কোটি টাকা।

যা পাবে বাংলাদেশ :বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এ থাকছে ৪০টি ট্রান্সপন্ডার সক্ষমতা। প্রতিটি ট্রান্সপন্ডার প্রায় ৩৬ মেগাহার্টজ বেতার তরঙ্গের সমপরিমাণ। অর্থাৎ ৪০টি ট্রান্সপন্ডার থেকে পাওয়া যাবে প্রায় ১ হাজার ৪৪০ মেগাহার্টজ পরিমাণ বেতার তরঙ্গ। এর মধ্যে ২০টি ট্রান্সপন্ডার বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ প্রয়োজনে ব্যবহার করা হবে। আর ২০টি ট্রান্সপন্ডার বিদেশি রাষ্ট্রের কাছে ভাড়া দেওয়ার জন্য রাখা হবে।

গাজীপুর ও চট্টগ্রামের বেতবুনিয়ায় স্থাপিত দুটি ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র থেকে নিয়ন্ত্রিত হবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট। এর মধ্যে গাজীপুর প্রধান কেন্দ্র হিসেবে এবং বেতবুনিয়া বিকল্প কেন্দ্র হিসেবে ব্যত হবে। এরই মধ্যে প্রস্তুত হয়ে গেছে দুটি ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রই। এ ছাড়া বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য গঠিত হয়েছে পৃথক একটি রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি।

বর্তমানে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল প্রতিবছর অন্যান্য দেশের স্যাটেলাইট পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানকে প্রায় দেড় কোটি মার্কিন ডলার সমপরিমাণ অর্থ ভাড়া হিসেবে পরিশোধ করে। বাংলাদেশের নিজস্ব স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার কার্যক্রম পরিচালিত হলে এ অর্থ বাংলাদেশেই থেকে যাবে। এ ছাড়া স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া যাবে উচ্চগতির ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ। ফলে ব্যান্ডউইথের বিকল্প উৎসও পাওয়া যাবে। এই ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করে স্যাটেলাইট প্রযুক্তিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময়ও দেশের দুর্গম দ্বীপ, নদী ও হাওর এবং পাহাড়ি অঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন টেলিযোগাযোগ সেবা চালুও সম্ভব হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী সেতু এখন ছেলে

খাদিজা খাতুন সেতুর (১৯) শরীর হঠাৎ পাল্টে হয়ে গেল পুরুষের মতো। ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী সেতু তাড়াশ উপজেলা সদরের দক্ষিণপাড়া মহল্লার হাসমত আলীর মেয়ে। গতকাল শুক্রবার সকালে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে দলবেঁধে উৎসুক জনতা তাকে একনজর দেখার জন্য হাসমতের বাড়িতে ভিড় জমায়। তার আগের এবং বদলে যাওয়া জীবন নিয়ে প্রশ্নের যেন শেষ নেই মানুষের মাঝে। সেতুর নতুন নাম রাখা হয়েছে মো. সাহুল সিদ্দিকী।

হাসমত আলী জানান, তার মেয়ে স্থানীয় স্কুল-কলেজ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পাস করে। তখন কিছু বোঝা যায়নি। গত বছর ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে ভর্তি হয় সে। সম্প্রতি তার কয়েকজন সহপাঠী প্রথমে সেতুর পুরুষে রূপান্তরিত হওয়ার বিষয়টি তাকে অবগত করে। কয়েক দিন পর সেতু নিজ থেকেই বাবা-মাকে বিষয়টি জানায়।

সেতুর মা নাজমা খানম জানান, তার এই শারীরিক পরিবর্তন একদিনে হয়নি। ধীরে ধীরে সে নারী থেকে পুরুষে রূপান্তরিত হয়েছে। একই সঙ্গে তার জীবনযাপন ও আচরণগত পরিবর্তন এসেছে। নারী হলেও তার কথাবার্তা এবং চালচলনে আগে থেকেই পুরুষের কিছু উপসর্গ দেখা গেছে।

নিজের রূপান্তরের বিষয়ে সেতু ওরফে সাহুল সিদ্দিকী জানান, গত ৩০ মার্চ দিবাগত রাতে ঘুম থেকে জেগে হঠাৎ তার শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ্য করেন। পরে বাবা-মা ও নিকট আত্মীয়দের সঙ্গে আলাপ করেন। এরপর ঢাকার এক অভিজ্ঞ ডাক্তারের কাছ থেকে পুরুষে রূপান্তরিত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হন।

এ প্রসঙ্গে তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এহিয়া কামাল বলেন, হরমোনজনিত কারণে এ রকম দৈহিক পরিবর্তন হতে পারে। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

নখ খেলে শরীরের কি ক্ষতি হয় জানেন?

মাত্র খেয়ে উঠেছেন সোহাগ। একটু বিশ্রামের জন্য বসেছেন সোফায়। সামনে চলছে টিভি। এরপরও মুখে চলে গেছে ডান হাতের নখ। তার মতো অনেকেরই রয়েছে এমন অভ্যাস।

অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা এমনিভাবে নখ খেয়ে থাকেন। যতক্ষণে স্টক ফুরোয়, ততক্ষণে নখের হাল বেহাল। শুধু কী তাই, শরীরেরও একাধিক ক্ষতি হয়ে থাকে। কিছু ক্ষেত্রে তো নখের ভেতর জমে থাকা ব্যাকটেরিয়া দেহের ভেতর প্রবেশ করে এত মাত্রায় ক্ষতি করে যে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন পরে।

আপনিও যদি ব্রেকফাস্ট-লাঞ্চ-ডিনারে শুধু নখই খেয়ে থাকেন, তাহলে সাবধান! কোনো এক অজানা কারণে বহু মানুষই হাতের নখ খেয়ে থাকেন। কেউ বলেন এমনটা করলে নাকি বুদ্ধির জোর বাড়ে, আবার কারও মতে নিছক অভ্যাসের বসেই আঙুলগুলো মুখের কাছে চলে আসে। এক্ষেত্রে স্ট্রেসকেও অনেকে দায়ী করে থাকেন। তবে এই সব শুনে ভাববেন না যে এই কু-অভ্যাসের জন্ম আধুনিক যুগে হয়েছে।

ইতিহাস থেকে জানা গেছে, আজ থেকে প্রায় হাজার বছর আগে গ্রিসের এক দার্শনিক সিডোনিয়াস তার একাধিক লেখায় একজন মানুষের কথা বলেছিলেন। তিনি লিখেছিলেন যখন সেই বিশেষ মানুষটি কিছু ভাবতে বসেন, তখনই হাতের নখ খান। তাহলে ভাবুন সেই কোন যুগ থেকে মানুষ এই কু-অভ্যাসের শিকার হয়ে আসছে। তবে নখ খাওয়ার কারণ যাই হোক না কেন, এমনটা করা কিন্তু একেবারেই উচিত নয়। কারণ একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নখ খেলে একাধিক রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে শরীরের ভেতর জটিল সংক্রমণ দানা বাঁধার আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়। তাই আপনিও যদি এমনটা করে থাকেন, তাহলে আর অপেক্ষা না করে জেনে নিন নখ খেলে শরীরের কী কী ক্ষতি হতে পরে।

১. মুখের দুর্গন্ধ
গবেষণায় দেখা গেছে নখ খাওয়ার সময় হাতে থাকা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ারা মুখগহ্বরে প্রবেশ করে। ফলে একদিকে যেমন মুখের ভেতরে সংক্রমণের আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়, তেমনি ব্যাকটেরিয়ার কারণে মুখ থেকে দুর্গন্ধ বের হতে শুরু করে।

nokh

২. দাঁতের ক্ষতি
দীর্ঘদিন ধরে নখ খেলে দাঁতের ক্ষয় হতে শুরু করে। সেই সঙ্গে দাঁতের অবস্থানেও পরিবর্তন হয়। এমন অভ্যাসের কারণে দাঁত বেঁকে যায়। ফলে খাবার খাওয়ার সময় সমস্যা হতে শুরু করে। অনেক ক্ষেত্রে মাড়িতে সংক্রমণের আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়।

৩. ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ
নখের মধ্যে প্রতিদিনই হাজারো ব্যাকটেরিয়া নিজেদের ঘর বানিয়ে চলছে। এসব ব্যাকটেরিয়াদের নখ থেকে বের করা মোটও সহজ কাজ নয়। ভালো করে হাত এবং নখ ধোয়ার পরেও এরা নখের ভিতরে থেকে যায়। ফলে যে মুহূর্তে আপনি নখ খাওয়া শুরু করেন, এই জীবাণুগুলো মুখ দিয়ে শরীরের ভেতরে চলে যায়। ফলে ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশনসহ একাধিক রোগের প্রকোপ বৃদ্ধির আশঙ্কা বেড়ে যায়।

 

৪. নখের সৌন্দর্য হ্রাস
যারা হাতের নখ খায়, দেখবেন তাদের নখগুলো এতটাই ছোট হয়ে যায় যে কেমন বাজে দেখতে লাগে। এতে যে শুধু নখের সৌন্দর্য হ্রাস পায়, তা নয়। সেই সঙ্গে সার্বিক হাতের সৌন্দর্যতাও কমে যেতে শুরু করে।

৫. নখ হারানো
বিশেষজ্ঞদের মতে দীর্ঘদিন ধরে নখ খেলে ‘নেল বেড’ এত মাত্রায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় যে পুনরায় নখ বেড়ে ওঠে না। ফলে ধীরে ধীরে আঙুলে নখই থাকে না। এমনটা হলে হাতের সৌন্দর্য কমতে সময় লাগে না।

nokh

৬. নখের সংক্রমণ
নখ খাওয়ার সময় আঙুলের এই অংশে ছোট ছোট আঘাত লাগতে থাকে। ফলে নখের মধ্যে থাকা ব্যাকটেরিয়া এসব ক্ষতস্থানের মধ্যে দিয়ে রক্তে মিশে যাওয়ার সুযোগ পায়। একবার যদি এমনটা হয়ে যায়, তাহলে নখের সংক্রমণ, এমনকী রক্তের সংক্রমণ হওয়ার অশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ছাত্রীর কাছে চুমুর আবদার অধ্যাপকের!

ডেস্ক  ২৭ মার্চ ২০১৮:

ভারতের মুম্বাইয়ের পূর্বাঞ্চলের একটি কলেজের এক ছাত্রীকে পরীক্ষায় বেশি নাম্বার দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে চুমুর আবদার করে গ্রেফতার হয়েছেন কলেজের অধ্যাপক।

গত ৮ মার্চ মুম্বাইয়ের ঘাটকোপার এলাকায় ত্রিশ বছয় বয়সী অধ্যাপক এ কাণ্ড ঘটিয়েছেন। ওই শিক্ষার্থীকে অধ্যাপক এ ধরনের প্রস্তাব দিলেও তা আলোচনায় এসেছে শনিবার।

১৭ বছর বয়সী ওই শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেছেন, কলেজের অধ্যাপক তাকে পরীক্ষায় বেশি নাম্বার দেয়ার প্রস্তাব দিয়ে একটি চুমু চেয়েছিলেন। ওই শিক্ষার্থী তার পরিবারের কাছে সেদিনের ঘটনা বর্ণনা করেছেন।

কলেজ অধ্যাপকের এ ধরনের অনৈতিক আবদারের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীর পরিবারের সদস্যরা পান্ত নগর পুলিশ স্টেশনে গিয়ে প্রতিবাদ জানান।

মুম্বাইয়ের পান্ত নগর পুলিশ স্টেশনের জ্যেষ্ঠ পরিদর্শক রোহিনী কাইল বলেন, পরীক্ষায় নাম্বার বাড়িয়ে দেয়ার বিনিময়ে অভিযুক্ত অধ্যাপক শিক্ষার্থীর কাছে চুমুর দাবি করেছিলেন। আমরা ওই অধ্যাপকের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছি এবং তাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পুরুষের শরীর ফিট রাখবে যে খাবার

রামিয়া আসাদ আফরা:
নারী ও পুরুষের দেহের গঠন দেখতে প্রায় এক হলেও অভ্যন্তরীণ গঠনে রয়েছে অনেক পার্থক্য। তাছাড়া নারী ও পুরুষের দৈহিক কাজের ধরন, শক্তির চাহিদা, সব কিছুই আলাদা। কিছু কিছু ক্ষেত্রে পুরুষের কর্মক্ষমতা বজায় রাখতে ও শরীর ফিট রাখতে প্রয়োজন বিশেষ যত্ন। আর শরীর ফিট রাখতে পারেন শুধুমাত্র কিছু খাবার থেকেই। আসুন তাহলে জেনে নিই কোন কোন খাবার থেকে আপনি পেতে পারেন শরীর ফিট রাখার মন্ত্র।
দই: শরীর ভালো রাখতে দই বিশেষভাবে কাজ করে। দইয়ে থাকা ব্যাকটেরিয়া শরীরের জন্য বেশ উপকারী এবং বয়সের কারণে হওয়া রোগগুলো প্রতিরোধে দই বিশেষভাবে কাজ করে। দইয়ে ক্যালসিয়ামও থাকে, যা প্রোটিনের ভালো উৎস। প্রয়োজনীয় ব্যাকটেরিয়া হজমে সাহায্য করে। এতে রিবোফ্লাবিন, ফসফরাস ও ভিটামিন১২ রয়েছে। বাদাম: বাদাম কমবেশি সবারই খুব প্রিয়। সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় বাদাম রাখা জরুরি। বাদামে দরকারি ভিটামিন ও পুষ্টি আছে। বাদাম খেলে ভালো থাকে পুরুষের শরীর।
মাছের তেল: প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় মাছ রাখা জরুরি। মাছের তেলে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড, যা শরীরের কোষের প্রদাহের বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং ঠিকমতো চালাতে সাহায্য করে। মাছের তেলে আছে উচ্চমাত্রার হজমে সহায়ক প্রোটিন। এটি ত্বকের বলিরেখা দূর করে এবং বয়সের ছাপ কমায়।
অ্যাভাকোডা: পুষ্টিকর ফলগুলোর মধ্যে অ্যাভাকোডা অন্যতম। কেননা এর মধ্যে আছে নানা ঔষুধি গুণও। রয়েছে প্রচুর প্রোটিন, খনিজ পদার্থ, ভিটামিন ‘এ’, ‘সি’, ‘ই’ ও ‘কে’। এছাড়া অ্যাভাকোডায় আছে ভালো কোলেস্টেরল, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমায়। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবেও কাজ করে। টমেটো: টমেটোর আছে নানা গুণ। এতে আছে ভিটামিন ‘এ’, যা আমাদের ত্বক সুন্দর রাখে। স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করে ভিটামিন ‘সি’। প্রতি ১০০ গ্রাম টমেটো থেকে শক্তি পাওয়া যায় প্রায় ২০ ক্যালরি। লাইকোপেন নামের এক ধরনের শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উপস্থিতির কারণে টমেটোর রং লাল হয়। আর লাইকোপেন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।
গ্রিন টি: তারুণ্য ধরে রাখতে গ্রিন টি বা সবুজ চায়ের কদর দিন দিন বাড়ছে। সবুজ চায়ে রয়েছে একাধিক পুষ্টি উপাদান ও খনিজ পদার্থ। যেমন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা ভাঁজহীন ত্বক ও অভ্যন্তরীণ অবস্থা ভালো রাখতে সাহায্য করে। তবে কারো শারীরিক সমস্যা থাকলে প্রথমে চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করে নিন। তারপর পরামর্শ অনুযায়ী খাবার গ্রহণ করুন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পুরুষের যে ৬টি যৌনভীতি দু:শ্চিন্তার কারন

একেবারেই ভাববেন না, পুরুষকুল যৌনতা নিয়ে ভীত নয়। এ ব্যাপারে কোনও কোনও পুরুষ নাকি মহিলাদেরও হারিয়ে দিতে পারেন। ভয়ের কারণে মিলনসুখেও চলে আসে নানাবিধ বাধা। যৌনজীবন হয়ে ওঠে দুর্বিষহ, অসহ্য। যৌনতা নিয়ে পুরুষের কী কী ভয় কাজ করে জেনে নিন –

১] পুরুষত্বহীনতার ভয়

– পুরুষত্বহীনতা নিয়ে ভয় থাকে পুরুষের মনে। এবং জেনে রাখা ভালো, সেই ভয় থেকেই পুরুষত্বহীনতা দেখা দেয়। ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে দেখা গেছে, যৌন অক্ষমতার জন্য দায়ি একমাত্র ভয়। পুরোটাই মানসিক সমস্যা। কেবল ১০ শতাংশ পুরুষের মধ্যে সমস্যাটি জেনুুইন ও বায়োলজিক্যাল।

২] অতৃপ্ত নারীকে ভয়

– কোনও নারীর যৌন চাহিদা তুলনায় বেশি হলে, তাঁকে মনে মনে ভয় পেতে শুরু করেন পুরুষ। নারীকে তৃপ্ত না করতে পারার শঙ্কা তাঁকে যৌনভাবে দুর্বল করে তোলে। কিন্তু কোনও পুরুষ যদি যৌনভাবে অতিরিক্ত সক্রিয় হন, তাঁর মধ্যে সেই ভয় কাজ করে না। বরং সেরকম চার্জডআপ নারীকেই মনে মনে কামনা করেন তিনি।

৩] সংযম হারানোর ভয়

– বিবাহিত বা কমিটেড পুরুষের মনে এক অদ্ভুত ভয় কাজ করে। স্ত্রী বা প্রেমিকার প্রতি ভালোবাসা থেকেই সেই ভয়ের উৎপত্তি। তিনি মনে করেন অতি সুন্দরী কোনও নারীকে দেখে যদি কাম জেগে যায়, তবে সেই ইচ্ছেকে দমন করবেন কী করে? আফটার অল মানুষ তো! যদি স্রোতের সঙ্গে ভেসে যান, তা হলে যে প্রিয়তমাও দূর দূর করবে। এমন ধাক্কা তিনি সামলাবেন কী করে? সেই চিন্তা থেকেই ভয়ের জন্ম। তাই আত্মসংযম ধরে রাখতে আপ্রাণ চেষ্টা চলে মনে মনে।

৪] প্রিয়তমার অন্য পুরুষের প্রতি আকর্ষণে সবচেয়ে বেশি ভয়

– একটু ডমিনেটিং গোছের প্রেমিকের ক্ষেত্রে এই ভয় কাজ করে। তিনি মনে করেন প্রেমিকা তাঁর একার সম্পত্তি। অন্য কেউ তাকে প্রভাবিত করবে, এই চিন্তা তিনি কিছুতেই মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলতে পারেন না। মনে হয়, প্রেমিকা তাঁকে ছেড়ে অন্য কোনও পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হলে, তিনি সেটা সহ্যই করতে পারবেন না। এই মানসিক সমস্যা কিন্তু সম্পর্কে ফাঁটলও ধরাতে পারে।

৫] স্বাভাবিক না হওয়ার ভয়

– কোনও কোনও পুরুষের মনে শঙ্কা থাকে, তিনি যে পদ্ধতিতে মিলত হন, বাকিরাও কি সেই পদ্ধতিতেই মিলনসুখে লিপ্ত হয়! নাকি তাঁর পদ্ধতিটাই এক্সক্লুসিভ। তেমনটা হলে ভালো। প্রেমিকা চট করে ছেড়ে যেতে চাইবে না। কিন্তু বিপরীতটা হলেই মুশকিল। মনে ভয়, আরও ভালো কোনও পার্টনার পেলে হয়তো প্রেমিকা হাতছাড়া হবে। কী উদ্ভট খেয়াল!

৬] পুরুষাঙ্গের আকার নিয়ে ভয়

– অধিকাংশ পুরুষ মনে করেন, তাঁর পুরুষাঙ্গটির আকার প্রয়োজনের চেয়ে ছোটো। হয়তো সেটি সঙ্গীকে পুরোপুরিভাবে তৃপ্ত করতে পারছে না। তা হলে জেনে রাখুন, পুরুষাঙ্গের উপর যৌনতৃপ্তি নির্ভর করে না। তৃপ্তি আসতে পারে মাঝারি বা ছোটো আকারের পুরুষাঙ্গ থেকেও। পুরোটাই নির্ভর করে পারফরম্যান্সের উপর।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মাত্র ৩৬টি প্রশ্ন করে জেনে নিন সঙ্গীকে!

সারাজীবন পাড় করে ফেলার পরও অনেকসময় নিজের জীবন সঙ্গীকে পুরোপুরি বুঝা সম্ভব হয় না। কিন্তু কিছু টিপস অবলম্বন করলে কিছুটা হলেও একজন মানুষকে বুঝতে পারা সম্ভব। এক্সপার্টদের মতে, একজন মানুষকে ৪৫ মিনিটের মাঝে যদি এই ৩৬টি প্রশ্ন করতে পারেন, তাহলে তার উত্তরে মাধ্যমে জেনে নিতে পারবেন তাকে। তাহলে আসুন সেই প্রশ্নগুলো সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক-

১) আপনার রাতের খাবারের সময় অতিথি সঙ্গী হিসেবে কাকে পেতে চান?

২) আপনি কি বিখ্যাত হতে চান? কোন পথ অবলম্বন করে?

৩) কাউকে ফোন দেয়ার আগে কখনও ভেবেছেন নাকি? কেন?

৪) একটি পারফেক্ট ডে বলতে আপনি কি চান?

৫) শেষ কবে আপনি নিজে গান গেয়েছিলেন? অন্য কার জন্য?

৬) আপনি ৯০ বছর বেঁচে থাকতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন নাকি ৩০ বছরের শরির ও শক্তি নিয়ে ৩০ বছর বেঁচে থাকতে বেশি পছন্দ করবেন?

৭) আপনি কিভাবে মরবেন তা নিয়ে কি কোনও ধারণা আছে আপনার মাঝে?

৮) আপনার এবং আপনার সঙ্গীর মাঝে কোন ৩টি বিষয়ের মিল আপনি রাখতে চান?

৯) আপনি কোন একটি বিষয়ের জন্য নিজের জীবন পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন?

১০) আপনি যে শিক্ষায় বড় হয়েছেন, তার মাঝে কোনও একটি বিষয় কি আপনি পরিবরতন করতে চান? তাহলে তা কি?

১১) ৪ মিনিট সময়ের মাঝে আপনার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সব বিষয় নিয়ে আলোচনা করুন।

১২) কাল সকালে ঘুম থেকে উঠে আপনি নতুন একটি গুণ পাবেন। এখন বলুন, সেই গুণ হিসেবে আপনি কি চান?

১৩) একটি ক্রিস্টাল বল যদি আপনার জীবনের অতীত, বর্তমান বা ভবিষ্যৎ নিয়ে কিছু বলতে পারে, তাহলে আপনি কোন প্রশ্নটি করবেন?

১৪) আপনি কি অনেকদিন যাবত কিছু করার স্বপ্ন দেখছেন? তাহলে তা কেন সম্পন্ন করেন নি?

১৫) আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া কি?

১৬) আপনি বন্ধুত্বের মাঝে কোন বিষয়টি সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেন?

১৭) আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় সুখস্মৃতি কোনটি?

১৮) আপনার জীবনের সবচেয়ে খারাপ অভিজ্ঞতা কোনটি?

১৯) আপনি যদি জানতে পারেন যে, আগামি এক বছরের মাঝে আপনি মারা যাবেন, তাহলে আপনার জীবন প্রবাহের মাঝে কিছু বদলাতে ইচ্ছুক? কেন?

২০) বন্ধুত্ব বলতে কি বুঝেন?

২১) ভালবাসা এবং স্নেহ আপনার জীবনের জন্য কতটুকু প্রয়োজন?

২২) আপনার সঙ্গীর মাঝে আপনি কোন ৫টি গুণ দেখতে চান?

২৩) আপনার পরিবারের সাথে আপনার সম্পর্ক কেমন? আপনি কি মনে করেন, আপনার শিশুকাল অন্যদের তুলনায় ভাল ছিল?

২৪) আপনার মায়ের সাথে সম্পর্কের অনুভুতি কেমন?

২৫) আমাদের নিয়ে কিছু বলুন?

২৬) বাক্যটি পূর্ণ করুন-
আমার প্রার্থনা যে, আমার কাছে কেউ এমন একজন থাকত যার সাথে আমি শেয়ার করতে পারতাম…………….?

২৭) আপনার সঙ্গীর সাথে যদি খুব ক্লোজ সম্পর্ক হয়, তাহলে তাকে কোন বিষয়টি অবশ্যই জানানো উচিৎ বলে আপনি মনে করেন?

২৮) আপনি সঙ্গীর বিষয়ে কি কি বিষয় পছন্দ করলেন তা নিয়ে কিছুক্ষণ আলোচনা করুন।

২৯) আপনার জীবনের কোন একটি হাস্যকর সময় তার সাথে আলোচনা করুন।

৩০) আপনি শেষবার অন্য কারও সামনে কবে কান্না করেছিলেন? নিজ থেকেই।

৩১) আপনি ইতিমধ্যেই আপনার সঙ্গীর মাঝে কোন বিষয়টি পছন্দ করেছেন, তা জানান।

৩২) সিরিয়াস কোন বিষয় ক জোকের মাঝে পরে?

৩৩) আজ সন্ধ্যার মাঝেই যদি আপনি মারা যান, কার সাথে কোনও প্রকার কথা না বলে, তাহলে আপনার কি কোনও আপত্তি থাকবে যে মনের কোনও কথা একজনকে বলে যেতে পারেন নি? এমন কোনও কথা কি আদৌ আপনার মনে আছে? থাকলে এতদিনে তাকে কেন বলেননি?

৩৪) মনে করেন, আপনার ঘরে আগুন লেগেছে। আপনি সেখান থেকে আপনার প্রিয় মানুষদের বের করে আনতে সক্ষম হয়েছেন। এবার আপনাকে কোনও একটি বস্তু আনতে বলা হল, তাহলে আপনি কি বের করে আনবেন? কেন?

৩৫) আপনার পরিবারের মাঝে কে মারা গেলে আপনি সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাবেন? কেন?

৩৬) একটি সমস্যার কথা বলুন। এবার তাকে জিজ্ঞেস করুন, কিভাবে এই সমস্যার সমাধান করা যায়।

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর বের করতে পারলে, আপনি একজন সম্পর্কে অনেক কিছুই জেনে নিতে পারবেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

গর্ভনিরোধক ব্যবহারে প্রচলিত ভুল

ঢাকা : জন্মনিরোধক ব্যবহার করার অন্যতম দু’টি কারণ, অযাচিত গর্ভধারণ রোধ এবং যৌনবাহিত রোগ থেকে রক্ষা। আর সবচেয়ে কার্যকর নিরোধক হল কনডম। বেশিরভাগ মানুষ মনে করেন, শারীরিক সম্পর্কের সময় ব্যবহার করলেই হল! এর বেশি আর কী জানার আছে।

তবে, যখন কনডমের বিষয় আসে তখন বিভিন্ন রকম ভুলের বিষয়গুলিও চলে আসে। কারণ, অনেক অজানা কারণে এই গর্ভনিরোধক ঠিকমতো কাজ নাও করতে পারে। স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে ‘রাবার’ নিরোধক ব্যবহারের ভুলগুলো তুলে ধরা হয়।

অনেকদিনের অব্যবহৃত:
বহুদিন ফেলে রাখা কনডম ব্যবহার নিরাপদ নাও হতে পারে।  যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর সেক্সুয়াল হেল্থ প্রোমোশন সেন্টারের সহযোগী পরিচালক ও অধ্যাপক ডেবি হার্বনিক (পিএইচ ডি) বলেন, ‘যদি দেখেন আপনার সঙ্গী মানিব্যাগ থেকে কনডম বের করছেন, তবে সেটা বাদ দিয়ে নতুন ব্যবহার করুন।
কারণ, ঘরে পড়ে থাকা বা মানিব্যাগে থাকা কনডমে অযাচিত ঘষা লাগা এবং গরম তাপমাত্রার কারণে কনডমের কার্যকারিতা হারাতে পারে।’

বেশি জায়গা না রাখা:
কনডমের সামনের দিকে কিছুটা জায়গা বাড়তি থাকে। যেখানে শরীর থেকে বের হওয়া ‘তরল’ জমা হয়। বেশি আঁটসাঁট করে পরলে সঙ্গমের সময় কনডম ফুটো হয়ে যেতে পারে বা ফেটেও যেতে পারে।
এই দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেতে হার্বনিক পরামর্শ দেন, ‘কনডমের সামনের সরু প্রান্ত চেপে ধরে তারপর পরিধান করুন। এতে ভেতরে বাতাস আটকে থাকার সম্ভাবনা থাকবে না, এবং যথাযথভাবে দৃঢ়ভাবে আটকে থাকবে।’

ভুল মাপ:
‘বেশিরভাগ কনডমই যে কোনও পুরুষের ক্ষেত্রে সঠিক মাপের হয়। তবে কারও যৌনাঙ্গ বেশি বড় আবার কারও ছোট হতে পারে। তাদের খেয়াল করতে হবে, যে মাপ ঠিকমতো লাগবে সেটা ব্যবহার করা। কারণ বেশি ঢিলে হলে কনডম সঙ্গমের সময় খুলে যেতে পারে। আর বেশি চেপে থাকলে ফেটে যেতে পারে’– বললেন হার্বনিক।

দেরিতে ব্যবহার:
সঙ্গমের সময় অনেকেই প্রথম থেকে কনডম ব্যবহার করেন না। তারা মনে করেন একেবারে ‘শেষ পর্যায়ে’ পরে কাজ শেষ করবেন। তবে এই ভুলের কারণে অযাচিত গর্ভধারণ এবং যৌনবাহিত রোগ থেকে রক্ষা পাওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়, জানালেন হার্বনিক।
সম্প্রতি এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, যেসব যুগল শারীরিক সম্পর্কের নিরাপত্তায় কনডম এবং পিল দু’টোই ব্যবহার করেন তাদের মধ্যে ৫৯ শতাংশ পুরুষ সঠিকভাবে কনডম ব্যবহার করেন। বাকিরা হয় খুব দেরিতে পরেন অথবা বেশি আগে খুলে ফেলেন।
তাই, হার্বনিকের পরামর্শ হচ্ছে যদি পূর্ণ নিরাপত্তা চান তবে সঙ্গম শুরুর প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত কনডম ব্যবহার করুন।

মেয়াদোত্তীর্ণ:
হার্বনিক বলেছেন, সব পণ্যের মতো কনডমেরও নির্দিষ্ট মেয়াদ থাকে। তবে ব্র্যান্ড ভেদে এক একটির মেয়াদ একেক রকম হয়। আর মেয়াদের মধ্যে থাকলেও সেটা ঠিক থাকবে, তাও নয়।
কিছু কনডমে লুব্রিকেন্টের অন্যতম একটি উপাদান স্পারমিসাইড৷ এছাড়াও থাকে গরম বা ঠাণ্ডা অনুভূতি আনবার উপাদান। এই ধরনের কনডমগুলি অন্যদের তুলনায় একটু আগে মেয়াদ শেষ হয়ে যেতে পারে। তাই যতটা সম্ভব নতুন কনডম ব্যবহার করে নিরাপদ থাকুন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চুমু খাওয়ার সময়ে মাথা ডান দিকে হেলে যায় কেন?

ডেস্ক:

চুমু খাওয়ার সময়ে আপনার মাথা কোন দিকে হেলে যায়? ভাবছেন, অ্যাঁ! এটা আবার কী ধরনের প্রশ্ন? গোটা বিষয়টাই তো আবেগের। চুমু খাওয়ার সময়ে কি আমাদের কারোরই মাথায় থাকে, আমাদের মাথা কোন দিকে হেলছে? কিন্তু ঠিক এই বিষয়টির উপরও গবেষণা করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটেনের বাথ অ্যান্ড স্পা-র নিউরোসায়েন্স অ্যান্ড কগনিটিভি সায়েন্সের গবেষকরা। তারা বলছেন, যারা চুমু খাচ্ছেন আর যাদের চুমু খাচ্ছেন, উভয়েরই মাথা ডান দিকে হেলে যায়। আর এর পিছনে একটি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাও খাড়া করেছেন তারা।

বিষয়টি ঠিক কী?
সম্প্রতি এই দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ৫১ টি বিবাহিত দম্পতির ওপর পরীক্ষা চালিয়েছিল। তাদের প্রত্যেককেই আলাদা আলাদা ঘরে রাখা হয়েছিল। তাদের কিছুক্ষণ নিভৃতে সময় কাটানোর পর তাদের অভিজ্ঞতা রিপোর্ট আকারে লিখে রাখতে বলা হয়েছিল। পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ৭৩.৮৬ শতাংশ জনেরই মাথা চুমু খাওয়ার সময়ে ডান দিকে হেলে গিয়েছে।

এর কারণ কী?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক রেনজিল করিম এবিষয়ে যা দাবি করেছেন, তা অত্যন্তই আকর্ষক। তার বক্তব্য, গর্ভাবস্থায় ভ্রূণ যখন বৃদ্ধি পায়, তখন থেকেই নাকি ডান দিকে মাথা হেলানোর প্রবণতা থাকে। অধিকাংশ মানুষই ডানহাতি। কিংবা আমরা চলার সময়েও ডান পা-টাই আগে ফেলি। এটা আমাদের প্রত্যেকেরই জন্মগত প্রবণতা। নিউরোসায়েন্স ও সাইকোলজিক্যাল ব্যাখ্যা … ঠিক এই কারণেই চুমু খাওয়ার সময়েও মাথা ডান দিকে মাথা হেলিয়ে দিই।অন্য একটি ব্যাখ্যায় এক বিশেষজ্ঞ অ্যান্থনি টোরেন্স জানিয়েছেন, আমাদের মস্তিষ্কের ডান দিকে হেলা ইতিবাচক অনুভূতির লক্ষণ। আর বাঁ দিকে হেলানো নেতিবাচক লক্ষণ। তাই চুমু খাওয়া যেহেতু একটি বিশেষ অনুভূতির বিষয়, তাই মাথা ডান দিকেই হেলে যায়।

গবেষণায় আরও একটি ব্যাখ্যা উঠে আসছে। তাতে বলা হচ্ছে, লিপি পাঠ বা লেখার বিধির উপরও এই বিষয়টি নির্ভর করে। ইংরাজি কিংবা বাংলা আমরা বাঁ দিক থেকে ডান দিকে লেখা বা পড়া হয়, অন্যদিকে আরবি ভাষা ডান দিক থেকে বাঁ দিকে লেখা বা পড়া হয়। এই ক্ষেত্রেও ওই বিষয়টি নির্ভর করে।সংবাদমাধ্যম

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এই ছবিতে সবচেয়ে বোকা কে? উত্তরটিই জানিয়ে দেবে আপনার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য!

প্রতিটা মানুষ তার চারিত্রিক গুনাবলীতে, স্বভাবে, বুদ্ধিতে, আচরণে এবং জ্ঞানে ভিন্ন। একজন মানুষের সাথে অন্য আরেকজন মানুষের মিল খুঁজে পাওয়াটা খুবই কঠিন। মিল পাওয়া গেলেও সে একেবারেই নামেমাত্র! যেকোন একটা পরিস্থিতি কে একশজন মানুষ একশভাবে গ্রহণ করবেন, বুঝবেন এবং ব্যাখ্যা করবেন।

উপোরক্ত ছবিটি এবার ভালো করে একবার দেখুন। ছবিতে চারজন মানুষকে চারটি ভিন্ন ভিন্ন পরিস্থিতির মুখোমুখি দেখা যাচ্ছে। ছবিটি দেখে খুব বুদ্ধি করে এবং হিসেব নিকেশ করে বলুন তো, এই চারজনের মধ্যে সবচেয়ে বোকা কত নাম্বার মানুষটি? বা কাকে আপনার সবচাইতে বোকা মনে হচ্ছে? 

মনে মনে ঠিক করে ফেলেছেন তো? চারজনের মধ্য থেকে আপনার বেছে নেওয়া মানুষটি এবং তার পরিস্থিতিই প্রকাশ করবে আপনার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। এখন নীচের লেখাগুলো পড়ে নিন, কত নম্বর মানুষটির ক্ষেত্রে কি প্রকাশ পায়। দেখুন তো কোন মিল পাচ্ছেন কি না?

আপনি যদি এক নম্বর মানুষটিকে বেছে নেন তবে-

খুবই দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে, এমন এমন প্রকৃতির মানুষ যিনি খুব দ্রুত হতাশ হয়ে পড়েন এবং হাল ছেড়ে দেন। আপনি ধরেই নেন যে আপনি কোন পরিস্থিতি বদলাতে পারবেন না এবং যে কারণে সকল ধরণের পরিস্থিতিই আপনি চুপচাপ মেনে নেন! আপনি কখনোই কোন তর্কে জড়ান না এবং যে কোন ক্ষেত্রেই আপনি একদম চুপচাপ থাকতে পছন্দ করেন। কারণ আপনি মনে করেন, ঝগড়াঝটি, বিবাদ আপনাকে কষ্ট দিয়ে থাকে। আপনি মূলত খুবই দয়াবান এবং সৎ একজন মানুষ!

আপনি যদি দুই নম্বর মানুষটিকে বেছে নেন তবে-

যেকোন পরিস্থিতির ক্ষেত্রে আপনি প্রায়শই খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন। আপনি নিজেকে একটু সময় দিয়ে পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেন না। যার ফলে আপনি এমন সকল ভুল করে থাকেন যা কিনা এড়িয়ে যাওয়া যেত। অনেক মানুষের কাছে আপনি খুবই একগুঁয়ে ধরণের একজন মানুষ!

আপনি যদি তিন নম্বর মানুষটিকে বেছে নেন তবে-

আপনি খুবই আবেগপ্রবণ একজন মানুষ যে কিনা যে কোন পরিস্থিতির একদম শেষ দেখতে চান সবসময়। নিজের অধিকার আদায় করার জন্য আপনি কখনোই পিছ পা হন না এবং হাল ছেড়ে দেন না। আপনি একজন দারুণ ব্যবসায়ী হতে পারবেন যেহেতু যে\কোন কিছু নিয়ে পরিকল্পনা করার আপনার অন্যতম একটি শখ! আরো দারুণ ব্যপার হচ্ছে, এক্ষেত্রে আপনি দারুণ সফলতা অর্জন করতে পারবেন।

আপনি যদি চার নম্বর মানুষটিকে বেছে নেন তবে-

আপনি একজন সত্যিকারের বিদ্রোহী। অনেক সময় এমনও হয় যে, আপনি নিজের বিরুদ্ধে গিয়েও যুদ্ধ করতে প্রস্তুত থাকেন, শুধুমাত্র কোনকিছু প্রমাণ করার জন্য! কিন্তু এমন ধরণের কর্মকান্ড অনেক সময়ে আপনাকে যুক্তিযুক্তভাবে কোন পরিস্থিতি ভাবার ক্ষেত্রে অথবা চিন্তা করার ক্ষেত্রে বাঁধা প্রদান করে। তবে আপনি জন্ম থেকেই একজন বৈপ্লবিক মানুষ!  

ছবি দেখে আপনি যাকে বেছে নিয়েছিলেন, লেখার সাথে আপনার ফলাফলটি কি মিলে গেছে? 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free